Monday, February 11, 2019
ভূ-রাজনীতি এবং বাংলাদেশের নির্বাচন by মুবাশ্বের হাসান ও আরিল্ড এঙ্গেলসেন রুড

এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে আইনের ভেতরে থেকেই। কিন্তু সুস্পষ্টভাবে এই আইন প্রয়োগ করা হয়েছে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের ভিত্তিতে। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের ফল নিয়ে বিস্ময়ের কিছু ছিল না। বিস্ময়ের বিষয় হলো, ২০০৬ সালের নির্বাচনী আইন ‘ম্যানিপুলেশনের’ সময়ে যেসব ঘটনা ঘটেছিল এবার তা একইরকম ছিল না। ওই সময় এতে জড়িত ছিল অভ্যন্তরীণ ও বিদেশি শক্তিগুলো। তাদের সমর্থনের ফলে বাস্তবে একটি অভ্যুত্থান ঘটে (যা তত্ত্বাবধায়ক সরকার হিসেবে পরিচিত)। ওই সময়ের সঙ্গে বর্তমান প্রতিক্রিয়া বিপরীতমুখী। ২০০৬ সালের অভিজ্ঞতাকে মনে রেখে আমরা প্রশ্ন রেখেছিলামÑ কেন ২০১৮ সালের বিতর্কিত ও ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনকে পশ্চিমা অনেক উদার গণতান্ত্রিক দেশসহ বাংলাদেশের মূল বিদেশি অংশীদাররা মেনে নিলেন।
আমাদের বিশ্লেষণ যার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে তা হলো, যখন ভূ-রাজনৈতিক ক্ষমতার গতিধারা দ্রুত পূর্বমুখী রূপ নিয়েছে এই নির্বাচন হয়েছে ঠিক সেই সময়ে। গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু ভোটের জন্য বিদেশিদের যে চাপ তা খর্ব হয়েছে এ জন্য যে, অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো বহিঃদেশীয় মিত্রদের কাছ থেকে নিজেদের মুক্ত হিসেবে দেখেছে। যখন জনপ্রিয় একনায়ক ভারত ও ক্রমশ আত্মকেন্দ্রিক ও একনায়ক চীন ক্ষমতার মূল ব্রোকার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে তখন গণতান্ত্রিক পশ্চিমারা তাদের প্রভাবকে দুর্বল করেছে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অবস্থা থেকে দৃষ্টি কেড়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতা। তাই বৈদেশিক মূল অংশীদারদের কাছে ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনের চেয়ে স্থিতিশীলতা এই মুহূর্তে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। কারণ, বাংলাদেশ যদি অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে তাহলে তার বহুবিধ প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়বে এ অঞ্চলে।
নির্বাচন
২০১৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এতে ভূমিধস বিজয় পায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৮৮টিতে বিজয় পায়। এই মহাজোট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে গঠন করা হয়েছে। নির্বাচনে এমন বিজয়ের মধ্য দিয়ে তিনি টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসেছেন। অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী লীগের ঘোরবিরোধী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি জোট ছোট আরো কিছু রাজনৈতিক দল সঙ্গে নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে নির্বাচন করেছে। উপরন্তু আরো ছিল কিছু ধর্মভিত্তিক ও বামপন্থি দল।
তারা সবাই নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে নতুন নির্বাচন দাবি করেছে একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনের ফল কারচুপিতে রাষ্ট্রীয় এজেন্সিগুলোকে ব্যবহার করেছে আওয়ামী লীগ। ঐক্যফ্রন্ট ও এর শরিক দলগুলো জাতীয় সংসদে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। যদিও একজন অথবা দুজন নির্বাচিত এমপি এই সিদ্ধান্ত অমান্য করতে পারেন। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) নির্বাচনে বহুবিধ অনিয়ম তুলে ধরেছে। এর মধ্যে রয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতমূলক আচরণ। রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের সহায়তায় রাতভর ব্যালটে বাক্স ভর্তি করা। ভোটারদের ভীতি প্রদর্শন ও রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষকে জেলে আটকে রাখা।
সরকার এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে যথার্থভাবেই নিজেকে নিরাপদ করেছে। এমনকি একজন মন্ত্রী টিআইবিকে বিএনপি সংশ্লিষ্ট একটি থিঙ্কট্যাঙ্ক হিসেবে অভিহিত করেছেন। বাস্তবে, একটি নতুন নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই নেই। আর বিরোধীরা টলটলায়মান। দুর্নীতির অভিযোগে কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। গত ১২ বছর লন্ডনে নির্বাসনে রয়েছেন তার ছেলে ও রাজনৈতিক উত্তরসূরি। তাকে একটি হাই-প্রোফাইল রাজনৈতিক হত্যাকা-ে সম্প্রতি যাবজ্জীবন কারাদ- দেয়া হয়েছে।
শেখ হাসিনার আরেক শত্রু, জামায়াতে ইসলামী প্রায় বিলুপ্ত। এ দলটির বেশকিছু শীর্ষনেতাকে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে হয়তো ফাঁসি দেয়া হয়েছে না হয় যাবজ্জীবন কারাদ- দেয়া হয়েছে। অন্যরা পালিয়ে গেছেন। পশ্চিমা দেশগুলোতে নির্বাসনে বসবাস করছেন। কয়েক শত নেতাকর্মীকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে। আবার অনেককে ‘এনকাউন্টারে’ হত্যা করা হয়েছে। তাই কার্যত কোনো সক্রিয় বিরোধী দল না থাকায় সরকার আরেকটি পূর্ণ মেয়াদ নিরেটভাবে ক্ষমতায় থাকবে। কারণ, ঐক্যফ্রন্ট নেতারা জাতীয় সংসদ বর্জন করছেন। শেখ হাসিনা তার সাবেক মিত্র জাতীয় পার্টিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।
বিদেশি প্রতিক্রিয়া
বাংলাদেশের মূল বিদেশি অংশীদারদের নির্বাচন নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় ভিন্নতা রয়েছে। কিন্তু কেউই সিরিয়াসলি প্রতিবাদ জানায় নি (নির্বাচন নিয়ে)। এটা ২০০৬ সালের পুরো বিপরীত ঘটনা। ওই সময় ক্ষমতায় অব্যাহতভাবে থাকা নিশ্চিত করতে ক্ষমতাসীন বিএনপি উন্মুক্তভাবে নির্বাচনী আইনকে ‘ম্যানিপুলেট’ করেছিল। ওই সময় আওয়ামী লীগ ও অন্যদের রাজপথের উত্তাল প্রতিবাদ বিক্ষোভ প্রতিরোধে তারা পুলিশ ও নিজস্ব নেতাকর্মীদের ব্যবহার করেছিল। ওই সময় ‘ম্যানিপুলেশন’ ও সহিংসতার ফলে পশ্চিমা শক্তিগুলো, বাংলাদেশে জাতিসংঘ এবং ভারতীয় কর্মকর্তারা তাদের আপত্তির কথা জানিয়েছিলেন এটা সবার জানা। এ জন্যই তারা বাংলাদেশের বাহিনীগুলোকে পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করেছিলেন এবং একটি বেসামরিক অভ্যুত্থানে সমর্থন দিয়েছিলেন। ওই বেসামরিক অভ্যুত্থান হলো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার একটি আনুষ্ঠানিকতা। এই অনির্বাচিত বেসামরিক সরকার একটি বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তা এবং ব্যাপকভাবে বিচার বিভাগ থেকে সমর্থন পেয়েছিল।
এ ছাড়া তাদেরকে সমর্থন করেছিল পশ্চিমা শক্তিগুলো, জাতিসংঘ ও ভারত। এ অবস্থার অবসান হয় দুই বছর পর তখনই যখন তারা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে সম্মত হয়।
তারপর যে নির্বাচন আসে তাতে একটি সুস্পষ্ট বিজয় অর্জন করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ। তারপর তিনি জাতীয় সংসদে তার সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে তখনকার বিতর্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার ধারা বাতিল করেন। এর ফলে ২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করতে বিএনপি ও তার মিত্র জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশকে বাধ্য করে। তাদের নির্বাচন বর্জনের ফলে আওয়ামী লীগকে আরো বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করে। তাদের ১৫০ জন এমপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
আবার খুব কম পশ্চিমা দেশ ২০১৪ সালে নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিল। বিরোধী দল দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ছিল। তারা সরকারি সম্পদ ও বেসামরিক লোকজনের ওপর পেট্রোলবোমা হামলা চালিয়েছিল বাছবিচারহীনভাবে। ফলে কোনো বিদেশি সরকারই নতুন নির্বাচনের আহ্বান জানায় নি। বিরোধীরা নতুন নির্বাচন ডাকলে তাতে সুবিধা পেতে পারতেন। কিন্তু তাতে রাজপথের সহিংসতা বেড়ে যেত। তাই যা যেমন ছিল তা তেমনই থাকতে দেয়া হয়। আস্তে আস্তে আওয়ামী লীগ সফলতার সঙ্গে নিজেকে দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। তাদেরকে দৃঢ় সমর্থন রয়েছে সরকারি কর্মকর্তা, বিচার বিভাগ ও একটি বাহিনীর পক্ষ থেকে।
এতে তারা এমন একটি শক্তি অর্জন করে যে, তারা ২০১৮ সালের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারবে। এর বিরোধিতা করার মতো কোনো রাষ্ট্রীয় শক্তি ছিল না। পক্ষান্তরে তাদের বেশির ভাগকেই নির্বাচনের ফল নিয়ে সন্তুষ্ট হতে দেখা গেছে। বিদেশি শক্তির মধ্যে চীন, ভারত ও মধ্যপ্রাচ্যের রাজতন্ত্রগুলো থেকে দ্রুত শেখ হাসিনার বিজয়কে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ পশ্চিমা শক্তিগুলো প্রতিক্রিয়া দেয়ার ক্ষেত্রে ছিল সতর্ক, কিন্তু শত্রুভাবাপন্ন নয়। তারা নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যদিও চাপাকণ্ঠে বলা হয়েছে যে, নির্বাচনে অনিয়ম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করে দেখার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।
ভূ-রাজনীতি
পশ্চিমা শক্তিগুলোর তরফ থেকে কড়া প্রতিবাদের যে অভাব তাতে খুব পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করা যায় যে, বাংলাদেশ এখন দ্রুত বিবর্তনশীল ভূ-রাজনৈতিক দৃশ্যপটে অবস্থান করছে। ভূ-রাজনৈতিক আন্তর্জাতিক দৃশ্যপটে বড় কোনো ‘প্লেয়ার’ নয় বাংলাদেশ। তাতে তার জনসংখ্যা যত বেশিই হোক না কেন। এখানকার জনসংখ্যা দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় অর্ধেক। জায়ান্ট দেশগুলো, বাণিজ্যিক ব্লকগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। জাহাজ চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলো থেকে বিবেচ্য দূরত্বে এককোণায় অবস্থান করছে এই দেশটি। তা সত্ত্বেও এর কিছু গুরুত্ব রয়েছে। বিশেষ করে চীন ও অন্যান্য শক্তির ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে।
এখানে বাজার ও উৎপাদন প্রাণকেন্দ্রের প্রতিনিধিত্ব করে ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি। বঙ্গোপসাগরে রয়েছে এর আকর্ষণীয় গ্যাস রিজার্ভ। কারখানা, সড়ক, বন্দর ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে এরই মধ্যে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করছে চীন। সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদারের দিক থেকে ভারতকে টপকে গেছে চীন। ২০১৮ সালে যখন ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ১০০০ কোটি ডলারে পৌঁছাবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছে, তখন ২০২১ সাল শেষ হওয়ার আগে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য হবে ৩০০০ কোটি ডলারÑ এমনটা বলা হচ্ছে। চীনের স্বার্থকে অতিরিক্ত হিসেবে দেখা উচিত নয়। বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ বিশাল। কিন্তু তা হলো ঋণে নেয়া অর্থ। শ্রীলঙ্কান সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকসে যেমনটা উপভোগ করেছেন তার থেকে কিছুটা আলাদা শেখ হাসিনার শাসন ও বেইজিংয়ের মধ্যকার সম্পর্ক। ভারতের প্রতি বাংলাদেশের নৈকট্য বাংলাদেশকে বেইজিংয়ের মনোযোগে আকৃষ্ট করেছে। যদিও শ্রীলঙ্কার মতো বেশি কৌশলগত অবস্থানে নেই সে।
ভারতের জন্য, বাংলাদেশ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তার ‘ইস্টার্ন পলিসির’ জন্য বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ। তার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যে যাওয়ার করিডোর হলো বাংলাদেশের ঠিক উত্তরে ‘চিকেন নেক’ বলে পরিচিত করিডোর অথবা বাংলাদেশ ভূ-খ-ের ভেতর দিয়ে। বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্কের অধীনে ভারত বাংলাদেশের ভূ-ভাগে ট্রানজিট ও চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ট্রানজিট সুবিধা পেয়েছে। এটা ভারতের জন্য বড় পাওয়া। আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস ও বিচ্ছিন্নতাবাদের ইতি ঘটানো হলো আরো একটি বিষয়। ঢাকায় একটি শত্রুভাবাপন্ন শাসকগোষ্ঠী দিল্লি চাইবে না। আবার বর্তমানে চীনের প্রস্তাবগুলোর প্রতি ঢাকার সতর্ক অবস্থানও ভালোভাবে দেখা হচ্ছে।
একটি আকর্ষণীয় বিষয় হলো ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সামরিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও যৌথ মহড়ায় সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সমন্বিত মহড়ায় নৌবাহিনীর সহযোগিতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব উদ্যোগে একটি অভিন্ন লক্ষ্য সৃষ্টি হয়েছে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দৃষ্টি দুই দেশের সীমান্ত থেকে বিস্তৃত হয়েছে অধিক পরিমাণে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক সমর্থনের দিকে। মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা এসেছেন বাংলাদেশে এবং বাংলাদেশ তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছে। এতে সশস্ত্র বাহিনীকে দেশের জাতীয় সীমান্ত থেকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় দৃষ্টি কেড়েছে।
ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের প্রভাবকে খর্ব করার জন্য বঙ্গোপসাগর ‘জিও স্ট্রাটেজিক’ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ তার অবস্থানগত কারণে গুরুত্বপূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে। নির্বাচনের পরে খবরে বলা হয়েছে যে, শেখ হাসিনা সরকারের কাছে সম্প্রতি অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। চীনের কাছ থেকে বাংলাদেশ তার সশস্ত্র বাহিনীর শতকরা ৮০ ভাগ অস্ত্র কিনে থাকে। চীনের এই প্রাধান্য বিস্তারকে অস্থিতিশীল করে দেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের এমন উদ্যোগ হয়ে থাকতে পারে। উপরন্তু সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ একটি মিত্র হলো বাংলাদেশ। এ ছাড়াও চীন যখন বাংলাদেশে সেতু, বন্দর ও বিভিন্ন কারখানায় বিশাল অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করছে তখন তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ভঙ্গ করা কোনো টেকসই ও দূরদর্শী ভাবনা হতে পারে না। বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ নিয়ে ভারতেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তা এতটাই যে, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একজন উপদেষ্টাকে এ সম্পর্কে নয়াদিল্লির কাছে ব্যাখ্যা দিতে হয়েছে। তাকে বলতে হয়েছে যে, এ নিয়ে ভারতের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। ঢাকার অবস্থান হলো, চীন হলো বাংলাদেশের শুধু উন্নয়ন অংশীদার। তবে, এর পাশাপাশি অস্ত্র ও চীনে তৈরি সাবমেরিন কিনেছে বাংলাদেশ। চীনের ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড ইনিশিয়েটিভ’-এ যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকার কাছে কৌশলটি পরিষ্কার। তারা চীনের প্রস্তাবের সঙ্গে ভারতীয় প্রভাবের ভারসাম্য করবে।
স্থিতিশীলতা
পশ্চিমা শক্তিধররা ব্যক্তিগতভাবে এবং জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংকে তাদের গুরুত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা (পাইভোটাল রোল) রাখছে। এসব করে তারা গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক বাজেট ও বিপুল সংখ্যক বেসরকারি সংগঠনের জন্য অর্থায়নে ভূমিকা রাখছিল। এই পরিস্থিতি পাল্টে গেছে। ভারত ও চীন এখন বড় ব্যবসায়ী অংশীদার। উন্নয়ন বিষয়ক তহবিল আসছে এশিয়ার আধিপত্য আছে এমন এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক অথবা ভারত ও চীন থেকে ঋণ হিসেবে। প্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক শক্তিগুলোর পটপরিবর্তন ঘটছে। এর মধ্যে আছে পরস্পরবিরোধী উন্নয়ন বিষয়ক ইস্যু। চীন ও ভারত শুধু অর্থনৈতিক জায়ান্টই নয়, দুটি দেশই কর্তৃত্বপরায়ণতার দিকে ঝুঁকেছে অথবা জনপ্রিয় কর্তৃত্বপরায়ণতার দিকে ধাবিত।
রাজনৈতিক এই প্রবণতা প্রতিবেশী দেশগুলোকে গণতান্ত্রিক হওয়া থেকে বেশি স্থিতিশীল হওয়ার উৎসাহ যোগাবে। পশ্চিমাদের প্রভাবের যে ভিত্তি তার আদর্শগত ভিত্তি দুর্বল হয়ে গেছে। পশ্চিমারা যে দুর্বল হয়ে গেছে তার পরিষ্কার ইঙ্গিত মেলে নির্বাচনের বিরুদ্ধে নামমাত্র প্রতিবাদ জানানোর মাধ্যমে, যেটা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তারা সন্তুষ্ট নয়, তবে তারা যদি কড়া প্রতিবাদ জানায় তাহলে তার সঙ্গে তাল সামলানোর হাতিয়ার তাদের নেই। তাই আগে তারা যে শক্তি দিয়ে কথা বলতো, পশ্চিমাদের গণতন্ত্রের পক্ষে ধাক্কা দেয়ার সেই অবস্থা থেকে তারা এখন অনেক দূরে।
বাংলাদেশের নতুন যেসব বৈদেশিক অংশীদার আছেন সেখানে গণতন্ত্রকে প্রাধান্য দেয়া হয় না। অগ্রাধিকার দেয়া হয় স্থিতিশীলতাকে। বাংলাদেশ অস্থিতিশীল হলে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে তার বহুবিধ প্রভাব পড়বে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় প্রায় এক কোটি বাংলাদেশি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল ভারত। তখন বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল মাত্র ৭ কোটি। এখন জনসংখ্যা ১৬ কোটির উপরে। তাই বাংলাদেশ অস্থিতিশীল হলে তাতে ভারতের জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। যদি একটি স্থিতিশীল বাংলাদেশ উচ্চমাত্রায় ভারসাম্যহীন থাকে এবং যেসব রেকর্ডসংখ্যক বাংলাদেশি অবৈধভাবে ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে প্রবেশের চেষ্টা করছে, তাদের সেই সংখ্যাকে নিয়ন্ত্রণ করতে একটি স্থিতিশীল ও শক্তিশালী সরকার সহায়ক।
এরপর অবশ্যই আসে বিশ্বব্যাপী জিহাদিদের কথা। তাদের কেউ কেউ তাদের নিজস্ব সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশিদের প্রতি যুদ্ধ শুরুর আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদের প্রতি এমন আহ্বান জানানো হয়েছে যারা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সংগঠিত হচ্ছেন। আরো আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে যে, বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের এত বিপুল সংখ্যক উপস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জিহাদে সদস্য সংগ্রহের একটি শক্তিশালী ব্যবস্থা হয়ে উঠতে পারে তা। অন্ততপক্ষে রোহিঙ্গা বিদ্রোহকে শক্তিশালী করতে পারে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরগুলোতে সহানুভূতিশীলরাও রয়েছে।
বাংলাদেশের স্থিতিশীলতার গুরুত্ব অনুধাবন করে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতার দর কষাকষি করেছে বেশি। বাইরের অংশীদারদের কাছে শেখ হাসিনা নিজেকে উপস্থাপন করেছেন তাদের সুরক্ষার জন্য উত্তম পছন্দ হিসেবে। একই সঙ্গে তিনি সফলতার সঙ্গে তাদের কাছে বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন যে, বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশ অস্থিতিশীল হবে।
উপসংহার
তাহলে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ কি? একটি সম্ভাব্য দৃশ্যপট এমন হতে পারে যে, নিজেদেরকে সর্বত্র পরিব্যাপ্ত করতে এবং বিরোধীদের মুছে ফেলতে যতটা সময় লাগবে ততদিন ক্ষমতায় থাকবে আওয়ামী লীগ। মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক সমতার মতো বিষয় থাকবে চাপে, যদিও পশ্চিমারা ভিন্নমতাবলম্বী ও সমালোচকদের অব্যাহতভাবে সমর্থন দিয়ে যাবে। যা হোক, শেখ হাসিনার বয়স হচ্ছে। তার বয়স এখন ৭১ বছর। তার নিজের দলে তিনি এমন শক্তিধর নেত্রী, যার বিরুদ্ধে কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু যখন সময় আসবে তখন তার স্থানে কে আসবেন তা পরিষ্কার নয়। দলটির ভেতরে চিড় ধরার ইতিহাস আছে। বিরোধী দল দুর্বল হয়ে যাওয়ায় দলের ভেতরে সংঘাতের ইঙ্গিত ক্রমশ দৃশ্যমান।
(অনলাইন ই-ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন্সে প্রকাশিত লেখার অনুবাদ)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্শাল শুধু আমার শরীরটাকেই ব্যবহার করেছে: মডেলকন্যার অভিযোগ

তার সঙ্গে অ্যান্থনি মার্শাল প্যারিসের একটি দুই তারকা হোটেলে এমন উদ্দামতায় মেতে ওঠেন। এর আগে তারা একসঙ্গে একটি নৈশক্লাবে সময় পাড় করেন। তারপর প্রতি রাতে ৭০ পাউন্ড ভাড়া এমন একটি হোটেলে এক সপ্তাহ কাটিয়ে দেন। এ সময় তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে অবাধ যৌন সম্পর্ক।
অ্যান্থনি মার্শাল প্রতি সপ্তাহে আয় করেন ৭৫০০০ পাউন্ড। তার সঙ্গে প্রেম গড়ে ওঠে মেলানি ডা ক্রজ নামের এক যুবতীর। তাদের মধ্যেও গড়ে ওঠে অবাধ যৌন সম্পর্ক। এক পর্যায়ে মেলানি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এ সময় নিজেকে ধরে রাখতে পারেন নি অ্যান্থনি মার্শাল। তিনি জড়িয়ে পড়েন মডেল মালিকার সঙ্গে। কয়েক মাস আগে লন্ডনের একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকাকে মালিকা নিজেই প্রকাশ করে দেন। তিনি বলেন, ওই ফুটবল তারকা তাকে রগরগে এসএমএস বার্তা পাঠিয়েছেন। এর ঠিক কয়েক মাস পরেই তারা হোটেলের অভিসারে মেতে ওঠেন। এ ঘটনা গত জুলাই মাসের।
এর দু’এক মাস পরে অ্যান্থনি ও মেলানির ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। তবে ওই বাধাহীন সম্পর্কের বিষয়ে মুখ খুলেছেন মডেল মালিকা (২০) আবারও। তিনি বলেছেন, তার সঙ্গে অ্যান্থনি হোটেলে যে আচরণ করেছেন তাতে হয়তো তিনি তাকে খুব সস্তা পণ্য হিসেবে ভোগ করেছেন। কিন্তু মালিকা বিস্মিত হয়ে যান যখন অ্যান্থনি তাকে জানান যে, তাদেরকে কেউ যেন এক সঙ্গে দেখতে না পায়। কারণ, তার ওই প্রেমিকা তাতে ক্ষুব্ধ হবেন।
ঘটনাটি গত বছর জুনের। ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল স্কোয়াড থেকে অ্যান্থনি মার্শালকে বাদ দিয়েছেন ফ্রান্সের ম্যানেজার দিদিয়ের দেচ্যাম্পস। এতে তার ভক্তরা ভীষণভাবে বিস্মিত। এর অল্প পরেই অ্যান্থনি মার্শাল ওই মডেল মালিকার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। তার আগে তাদের সাক্ষাত হয় প্যারিসের হোবো নৈশক্লাবে। মালিকা বলেন, ওই সাক্ষাতটি হয়েছিল একান্তই ব্যক্তিগত পর্যায়ে। পরে তা অনেকদূর অগ্রসর হয়। মালিকা আরো বলেন, আমি জানতাম অ্যান্থনি মার্শালের প্রেমিকা আছে। কিন্তু তিনি আমাকে বলতেন যে, তার ওই প্রেমিকা অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কারণে তারা অনেক দিন যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন না। তিনি এ সময় আমাকে তার দ্বিতীয় প্রেমিকা হিসেবে পরিচয় দিতে থাকেন। আমাকে স্পেশাল হিসেবে অনুভব করাতে থাকেন। অবশেষে গত বছরের ৩রা জুলাই গারে ডি লিয়ন রেল স্টেশনের কাছে হোটেল ডি মিডিতে আমাদের সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত হয়।
মালিকা আরো বলেন, সব কিছু অতি দ্রুত ঘটে যেতে তাকে। আমি তার শরীরের গঠন দেখে বিস্মিত হলাম। কারণ, তার শরীর তখনও একেবারে পরিপূর্ণ খাঁটি অবস্থায় ছিল।
মালিকা বলেন, হোটেলের ওই উদ্দামতার পর আমরা দু’জন কয়েক মাস ধরে চ্যাটিং অব্যাহত রাখি। আমি তার প্রতি ছিলাম সত্যিকার অর্থে যতœশীল। আমার কাছে নিজেকে খুব স্পেশাল মনে হতো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে গেল যে, তিনি শুধু আমার শরীরটাকেই ব্যবহার করছেন। অন্য একজনের সঙ্গে সম্পর্ক আছে এমন কারো সঙ্গে আমি আর সম্পর্ক রাখতে চাই নি। আমি আর আহত হতে চাই নি।
মালিকা বলেছেন, একটি এসএমএস বার্তায় অ্যান্থনি মার্র্শাল আমাকে থ্রিসাম যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার আহ্বান জানায়। কিন্তু আমি তাতে রাজি হই নি। তবে তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক কিছুদিন টিকে ছিল। কারণ, তাকে আমি খুব পছন্দ করতাম। পরে বুঝতে পারলাম কতটা অন্যায় করছি। তার তো বাসায় তিন মাস বয়সী একটি বাচ্চা আছে। এমন পরিস্থিতিতে অবশ্যই তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক টেনে নেয়া সম্ভব হয় নি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৩৭০০ পাউন্ড দাও, নাহলে তোমার সেক্স টেপ ফাঁস করে দেবো

সেখানে তিনি পরিচিত ‘ইয়েসজুলজ’ নামে। যুক্তরাষ্ট্রের রিয়েলিটি শো ওয়াগস মিয়ামিতে তিনি অল্প সময়ের জন্য অংশ নিয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে যৌনতা ব্যবহার করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছেন তাতে বলা হয়েছে, মডেল হেনচা ভোইগতের হাতে গোডার্ডের এক্স-রেটেড অনেক ছবিও আছে। তিনি তার সেক্স টেপ প্রকাশ করে দিতে চান। তার হাতে যে সেক্স টেপ আছে তার প্রমাণ হিসেবে তিনি গোডার্ডের সহকারীর কাছে বেশ কিছু এক্স-রেটেড বা রগরগে ছবি পাঠিয়েছেন।
এ নিয়ে তদন্তে নেমেছে মিয়ামি বিচ পুলিশ। তারা যেসব অভিযোগ এনেছে তাতে দেখা গেছে, ওই সেক্স টেপ থেকে মুক্তি পেতে গোডার্ডের কাছে ১৮০০০ ডলার বা ১৩৭০০ পাউন্ড দাবি করেছেন মডেল হেনচা ভোইগত ও তার সাবেক প্রেমিক ভিক্টর। অর্থ পরিশোদের জন্য গোডার্ডকে সময় দেয়া হয়েছিল ২৪ ঘন্টা।
এমন হুমকি পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের দ্বারস্থ হন গোডার্ড। এক পর্যায়ে তিনি মডেল হেনচা ভোইগত ও তার প্রেমিক ভিক্টরের সঙ্গে একটি ভুয়া বৈঠকের আয়োজন করেন। সেই বৈঠকে অংশ নিতে তারা দু’জন উপস্থিত হন একই গাড়িতে। তাতে বসা অবস্থায় পুলিশ তাদেরকে আটক করে। এর পর তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন। মডেল হেনচা ভোইগত বলেছেন, তিনি গোডার্ডকে শুধুই সাহায্য করতে চাইছিলেন। কারণ একবার তার একটি সেক্স টেপ ফাঁস হয়ে গেছে।
এ অবস্থায় এফবিআইয়ের সহায়তায় মডেল হেনচা ভোইগতের মোবাইল ফোন ক্র্যাক করে কর্তৃপক্ষ। বিশ্লেষকরা বিশ্লেষণ করে দেখতে পান তার ও ভিক্টরের মধ্যে যে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কথাবার্তা হয়েছে তা মুছে দেয়ার চেষ্টা করেছেন মডেল হেনচা ভোইগত।
ওদিকে তাদেরকে গ্রেপ্তারের পর পরই অনলাইনে ফাঁস হয়ে যায় মডেল হেনচা ভোইগতের সেক্স টেপ। এর সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে আইভরিকোটের অঁরিকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনা ঘটে যে রাতে তার দল ম্যান ইউনাইটেডকে পরাজিত করে তার আগের রাতে। ওই ম্যাচে এ কারণে খেলতে পারেন নি অঁরি। তিনি মডেল হেনচা ভোইগতের সঙ্গে ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে বসবাস করেন হার্টফোর্ডশায়ারে। তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাকে কোনো অভিযোগ ছাড়াই পরে ছেড়ে দেয়া হয়।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এ কি করলেন ওরা

তাদের একজন জেনি ফ্রাঁসিস। তিনি বলেন, আমি জানি আমি কোনো সুপারমডেল নই। তবে আমি এভাবে ক্যামেরার সামনে পোজ দিতে পেরে গর্বিত। নর্থ ডেভোনের সাউনটনের বাসিন্দা বোনি স্টেইনার (৩৪)। তিনি ক্যারাভান পার্কের একজন পরিচ্ছন্নকর্মী। তার রয়েছে পেইসলে নামের চার বছর বয়সী একটি মেয়ে। তিন বছর বয়সী ছেলে রেকো। বনি স্টেইনার বলেন, পর্যটকরা চলে যাওয়ার পর আমি পার্ক পরিষ্কার করি। আমি একজন সিঙ্গেল নারী। আমি এই পার্কে পরিচ্ছন্ন কাজ করে আসছি তিন বছর ধরে। কাজটি আমি পছন্দ করি। কাজের অংশ হিসেবে আমাকে ইউনিফর্ম পরতে হয়। হলুদ গ্লোভস পরতে হয়। সঙ্গে থাকে একটি বাকেট। মানুষ তা দেখে হাসাহাসি করে। কেউ আমাকে দেখে কিছু বলে না। কিন্তু কেন্দাল জেনার যেখানেই যায় সেখানেই ক্যামেরা। তার ওপর ওত পেতে থাকে। আমি তো তার মতো নই। তাই আমার দিকে কেউ দ্বিতীয়বার তাকায় না। এখনও না। তাই আমি তার ওই ছবিটা দেখার পর নতুন করে নিজের ছবি তৈরি করতে চেয়েছি। পরতে চেয়েছি ওই গ্লোভস, যা আমরা প্রতিদিন পরি। এমন গ্লোভসকে বলা হয় মেরিগোল্ড। এই মেরিগোল্ড পরে আমরা পর্যটকদের ফেলে যাওয়া সব নোংরা পরিষ্কার করি। কর্দমাক্ত জিনিসপত্র পরিষ্কার করি। থালাবাসন পরিষ্কার করি। নোংরা শাওয়ার বা টয়লেট পরিষ্কার করি। আমার কাছে এই হলুদ গ্লোভস ভৌগ ম্যাগাজিনের উপকরণ নয়। এটা আমার জীবন বাঁচিয়ে রাখার উপকরণ। তাই এটাকে আমার শক্তির উৎস হিসেবে মনে করি। আমি জানি আমি কোনো সুপারমডেল নই। তবে কেন্দাল জেনারের মতো আবেদনময়ী ও গর্বিত বলে নিজেকে মনে করি।
একই রকম পোজ দিয়েছেন আরেক কুকুরের ঘর পরিচ্ছন্নকর্মী ও কুকুরের প্রজননকাজে সহায়তাকারী মিশেল বেল (২২)। তিনি মোটা অনেক। তবু তিনি মনে করেন, তার সাইজ যাই হোক না কেন, যদি কেন্দাল জেনারের মতো তিনিও নগ্ন হয়ে পোজ দেন তাহলে তাতে যৌন আবেদন ফুটে উঠবে। তিনি বলেন, যখন আমি কেন্দালের ওই নগ্ন ছবি দেখেছি তখনই আমি ভেবেছি, এটা অন্য যেকোনো উচ্চ মাত্রার ফ্যাশনের ছবি। কিন্তু যখন আরো মনোযোগ দিলাম ছবিতে, বুঝতে পারলাম কেন্দাল জেনার মেরিগোল্ড পরিধান করেছেন। তা দেখে আমি শিহরিত হলাম। ছবিটি বন্ধুবান্ধবকে দেখালাম এবং বললাম, আমি তো এই প্রবণতার সঙ্গেই। এরপর মনে হলো, আমি এই ছবিটি নিজের মতো করে ধারণ করবো। আমি কুকুরের ঘর পরিষ্কার করি। তাদের প্রজননে সহায়তা করি। তাদেরকে গোসল করিয়ে দেই। পরিষ্কার করি। এ কাজটি করতে আমি ভালোবাসি। প্রতিদিন আমার শরীরে লেগে যায় ডিটারজেন্ট, ময়লা আবর্জনা, কুকুরের পশম, কখনো কুকুরের মূত্র। কিন্তু আমাকে তা থেকে রক্ষা করে ওই হলুদ গ্লোভস। ওই মেরিগোল্ড আমার ময়লা আবর্জনার সঙ্গে সাধারণভাবে যুক্ত। কিন্তু যখন সেটা আমি কেন্দাল জেনারের ওই ছবির পোজে দেখতে পেলাম তখন মনে হলো এটা নারীর শক্তির প্রতীক হতে পারে। আরো বেশি হতে পারে নিজেকে যৌন আবেদনময়ী হিসেবে প্রকাশের প্রতীক।
উত্তর-পশ্চিম লন্ডনের হ্যাম্পস্টেডের ৩৩ বছর বয়সী গৃহকর্মী এমিলি কুপারসও কম যান না। তিনিও কেন্দাল জেনারের অনুকরণে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন একেবারে নগ্ন হয়ে। তিনি মনে করেন, কেন্দাল জেনার শিখিয়ে দিয়েছেন এই হলুদ গ্লোভস হতে পারে নারীর যৌন আবেদনের নতুন উপকরণ, যা বেডরুমকে গরম রাখবে। তিনি বলেন, দেড় বছর ধরে আমি বর্তমান গৃহকর্তার বাড়িতে পরিচ্ছন্নতার কাজ করি। অন্যদের বাড়িও পরিষ্কার করি। আমার কাছে কখনো কাজটিকে গ্লামারহীন মনে হয় নি। তবে কাজ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়তাম। বিরক্তি লাগতো। একদিন রাত তিনটায় আমি উঠে পড়েছিলাম। দেখলাম কেন্দাল জেনারের ওই ছবিটি। দেখে প্রথমে হেসেছি। তারপর ভেবেছি, একই রকম এই রাবারের গ্লোভস তো আমাকে কখনো এভাবে যৌন আবেদনময়ী হিসেবে প্রকাশিত হতে ভাবায় নি। কিন্তু কেন্দাল জেনারের ওই ছবি অবিশ্বাস্যরকমভাবে যৌন আবেদনময়ী। এতে প্রকাশ পেয়েছে যে, একজন নারী কীভাবে তার নিজের নিয়ন্ত্রণ প্রদর্শন করেন। তার পার্টনার তাকে বেডরুমে কীভাবে অনুসরণ করবেন তার এক নতুন আকর্ষণের মধ্যে। তাই আমি এভাবেই ছবি ধারণ করতে উৎসাহিত হয়েছি।
ওয়াটফোর্ডের ভ্যানেসা হিলডার (৪৭)। তিনি বর্তমানে একটি গৃহের পরিচ্ছন্নকর্মী। আগে তিনি নার্সিং-হাউজ পরিষ্কার করতেন। তিনি বলেন, ক্যামেরার সামনে নগ্ন হওয়া তো ভীতির বিষয়। কিন্তু গ্লোভস আমাকে এক্ষেত্রে সাহস দিয়েছে। যখন কেন্দাল জেনারের ছবি দেখেছি তখনই বুঝতে পেরেছি এই রাবারের হলুদ গ্লোভসে একজন নারী কতটা আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারেন। আমি কেন্দালের মতো আগে কখনো এই মেরিগোল্ড পরি নি। আমরা শুধু এটা পরি ময়লা পরিষ্কার করার সময়। কিন্তু তা এখন ফ্যাশনে উঠে এসেছে। আসলে যেকোনো কিছুকে আপনি ফ্যাশনের উপকরণ বানিয়ে ফেলতে পারেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইফোন থেকে আলপিন, সবই হয় যেখানে by পিয়াস সরকার

এখানে তৈরি হয় পিতলের ও তামার তৈজসপত্র, আলকাতরা, পরিধেয় পোশাক, মেলামাইনের পণ্যসামগ্রী, টিন, নাট, স্ক্রু, তারকাটা, বিভিন্ন ধরনের তার, রশি, ঝাড়ু, দরজা, জানালা, হ্যাসবোল, তালা, দা-বঁটি, শাবল, বালতি, কুড়াল, চাপাতি, কোদাল, বৈদুতিকসামগ্রী, ঘর সাজানোর তৈজসপত্র, বিভিন্ন ধরনের চুলা, রং, বিভিন্ন ভারি মেশিনের যন্ত্রাংশ, গাড়ির যন্ত্রাংশ। যন্ত্রাংশ সংযোজন করে তৈরি হচ্ছে মোবাইল ফোন।
লোশন, ক্রিম, সুগন্ধি তেল, সাবানসহ তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন টয়লেটিজ সামগ্রীও। ওষুধ, শিশুখাদ্যসহ রাসায়নিক বিভিন্ন পণ্য তৈরির কারখানাও আছে এখানে। নির্দিষ্ট কোনো হিসাব না থাকলেও ধারণা করা হয় প্রতি মাসে জিঞ্জিরা থেকে কোটি কোটি টাকার পণ্য ও যন্ত্রাংশ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হয়। এখানে রয়েছে বড়-ছোট মিলিয়ে প্রায় ৪ হাজার কারখানা।
স্থানীয়দের দেয়া তথ্য অনুযায়ী বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ইংরেজদের হাতে পতনের পর তার স্বজনদের আটক করে রাখা হয় বুড়িগঙ্গা পাড়ের একটি প্রাসাদে। নবাবের মা আমেনা বেগম, স্ত্রী লুৎফা বেগম, মেয়ে কুদসিয়া বেগম ওরফে উম্মে জোহরা ও খালা ঘষেটি বেগমের হাতে হাতকড়া বা জিঞ্জির পরিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল। সেই জিঞ্জির থেকে প্রাসাদের নাম হয় জিঞ্জিরা প্রাসাদ। আর ধারণা করা হয়, সেই থেকেই এই এলাকার নাম হয় জিঞ্জিরা।

এই এলাকা বিভিন্ন পণ্য তৈরির নামডাক অনেক আগে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে হওয়ায় পণ্য আনা-নেয়ার সুবিধার পাশাপাশি পুরান ঢাকার বসতি গড়া মানুষদের পণ্য সরবারহ করার উদ্দেশ্যে এই জিঞ্জিরা বাজার গড়ে ওঠে।
আগানগর বাজার এলাকার একটি ছোট কাচঘেরা ঘরে কাজ করছিলেন চার যুবক। তারা মোবাইলের যন্ত্রাংশ কিনে এনে তৈরি করেন মোবাইল ফোন। যা দেখতে হুবহু বাজারের নতুন মোবাইল ফোনের মতো। এমনকি স্টিকার পর্যন্ত দেখে বোঝার উপায় সেই এটি সংযোজন করা। ওই দোকানের একজন শ্রমিক জানান, গতকাল ৮টি ‘আইফোন’ তৈরি করে পাঠিয়েছেন তারা। এখন বাজারের বেশ কিছু মডেলের ফোন তৈরি করছেন। আরেকজন জানান, বাজারে মূলত এমআই, স্যামস্যাং, সিম্ফনি মোবাইল ফোনের চাহিদা বেশি। তাদের কাজের ধরন সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, তারা মূলত অর্ডার পেলে তবেই মোবাইল তৈরি করেন।
একটি ‘আইফোন’ মডেলের ফোন সেটের যন্ত্রাংশ ক্রয় করতে খরচ হয় ১২শ’ থেকে ১৫শ’ টাকা। আর তারা বিক্রি করেন ৫ থেকে ৮ হাজার টাকায়। এসব মোবাইলের ক্রেতা কারা জানতে চাইলে বলেন, মূলত রাজধানীর বিভিন্ন শপিংমল থেকেই আসে এর অর্ডার। এরমধ্যে রয়েছে বসুন্ধরা শপিং মল, যমুনা ফিউচার পার্কসহ প্রায় সব মার্কেট। আবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তেও তাদের মোবাইল চলে যায়। এসব গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন করলে জানান, গুণগত মানতো খারাপ হবেই। অরিজিনাল যন্ত্রাংশ প্রায় ৯০ ভাগ পরীক্ষিত। আর তাদের যন্ত্রাংশগুলো এখানেই প্রস্তুত হয়। তিনি আরো বলেন, এসব মোবাইল কেনার ২ দিনের মধ্যেও মোবাইলে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিভিন্ন বৈদুৎিক সামগ্রী তৈরি করে আবেদ ট্রেডার্স। এর স্বত্বাধিকারী আবেদুর রহমান আবেদ বলেন, আমাদের পণ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায়। আর আমরা এসব পণ্যের গায়ে মেইড ইন চায়না, জাপান, কোরিয়া, হাঙ্গেরি লিখে দিই।

জিঞ্জিরায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন মানিক ব্যাপারী ও তার স্ত্রী ছহুরা ব্যাপারী। একটি তারকাঁটা তৈরির কাজ করেন প্রায় ৬ বছর ধরে। স্বামীর মাসে বেতন ১৫ হাজার টাকা। কাজ পেরেকের আকৃতি দেয়া। আর স্ত্রী পেরেকে গুলতি লাগানোর কাজ করেন। ১ কেজি গুলতি লাগিয়ে পান ২০ টাকা। এভাবে সারা দিনে তার আয় হয় প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। এই কারখানায় তারকাঁটার পাশাপাশি জিআই তার তৈরি করা হয়।এই কারখানায় কাজ করেন ২৮ জন শ্রমিক।
প্রায় ২০টি কারখানা ঘুরে মালিক শ্রমিক কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সামান্য সহযোগিতা পেলে এই জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে দেশের আয়ের একটি বড় উৎস। তারা কোন একটি পণ্য দেখে বানিয়ে ফেলতে পারেন হুবহু।
মোটরসাইকেলের তালা তৈরি করেন রাকিব মিয়া। তিনি একটি তালা দেখিয়ে বলেন, এই তালাগুলো জাপান থেকে নিয়ে আসা হয় বাজারে। দাম পড়ে ৭শ’ থেকে ৮শ’ টাকা। এত টাকা খরচ করার কোনো প্রয়োজন নেই। আমি হুবহু এই তালা বানিয়ে দিতে পারবো ৩শ’ টাকায়। অর্ডার পেলে তবেই বানাই। তালার গায়ে লিখতে হয় মেইড ইন চায়না ও অন্য কোম্পানির নাম।
একটি ব্রাশ তৈরির কারখানায় কাগজের লেবেল লাগানোর কাজ করে ১০ বছর বয়সী মিরন। মিরনের বাবা পরিবার ছেড়ে চলে গেছেন। বড় ভাই বিয়ে করে আলাদা। এখন মা ও মিরনের আয়ে চলে সংসার। মিরন কাজ করতে করতে জানায়, ক্লাস টু পর্যন্ত পড়েছে। কিন্তু অর্থনৈতিক কারণেই ছেড়ে দিতে হয়েছে স্কুল। স্কুলে পড়ার ইচ্ছার কথাও জানায় সে। জিঞ্জিরার আগানগর এলাকায় চায়ের দোকান মালেক মিয়ার। প্রায় ৪০ বছর ধরে এই এলাকায় থাকেন। আগে ছিলেন শ্রমিক এখন দিয়েছেন এই দোকান।
মালেক মিয়ার সঙ্গে আলাপে জানা যায়, আজ থেকে ১০ বছর আগেও এই এলাকা ছিল নকল পণ্যের সম্রাজ্য। তবে এখন নকল পণ্যের আধিক্য অনেকটাই কম। নকল পণ্যের কারিগররা ধীরে ধীরে পুলিশের ও অন্যান্য ব্যবসায়ীর চাপে ছড়িয়ে গেছে। এখন তাদের অবস্থান মূলত পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায়। তিনি জানান, নকল ওষুধ এখন তৈরি হয় না বললেই চলে। তবে এখনো শতভাগ নির্মুল হয়নি। নকল ওষুধের বিরুদ্ধে পুলিশের জোরালো অবস্থানের কারণে লুকিয়ে অন্য কারখানার ভেতর তৈরি হয় ওষুধ। আর নকল খাবারের বিষয়টিও তাই। এগুলো তৈরি হয় গোপনে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাড়ে তিন লাখ টাকায় কবরের জমি

২৪.৫ বর্গফুটের কবরের জায়গার মূল্য নেয়া হচ্ছে সাড়ে তিন লাখ টাকা। বাড়ি তৈরির প্লট বা মাথা গোঁজার ঠাঁই ফ্ল্যাটের ব্যবসার ভিড়ে কেন মানুষের শেষ ঠিকানার জায়গা নিয়ে ব্যবসার চিন্তা- এমন প্রশ্নে ‘পূর্বাচল রাওজাতুল জান্নাত’ প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান এমআইএস হোল্ডিংস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শোয়েব হোসেন মানবজমিনকে বলেন, নিজের শেষ ঠিকানার চিন্তা থেকেই আমি এই প্রকল্প হাতে নিয়েছি।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে চলছে ৫ দিনব্যাপী রিহ্যাব ফেয়ার-২০১৯। মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, ৩১ নম্বর স্টলে কবরের জমি বিক্রির উদ্দেশ্যে বুকিং নিচ্ছে এমআইএস হোল্ডিংস।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পূর্বাচল রাওজাতুল জান্নাত প্রকল্পের আওতায় বুকিং নেয়া হচ্ছে কবরের জমির। প্রায় ২০০ বিঘা জমির উপর ৮ হাজার কবরের সংকুলান হবে এখানে। ইতিমধ্যে দুই হাজার কবরের জমি তৈরি করা হয়েছে। ৭ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৩.৫ ফুট প্রস্থের (২৪.৫ বর্গফুট) এসব জমির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। আর এককালীন সার্ভিস চার্জ ১৫ হাজার টাকা। সবমিলিয়ে ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকায় পাওয়া যাবে একটি কবর।
রিহ্যাবের জনসংযোগ কর্মকর্তা রশিদ বাবু বলেন, মেলায় কবরের জমি বুকিং নেয়া হচ্ছে। এমআইএস হোল্ডিংস কবরের জমি বিক্রির উদ্দেশ্যে বুকিং নিচ্ছে বলে জানান তিনি। ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগ মেলায় বেশ সাড়া ফেলেছে।
কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শোয়েব হোসেন বলেন, রিহ্যাব মেলায় এত বেশি সাড়া পেয়েছি যা কল্পনারও বাইরে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে কবর দেয়ার উদ্যোগ এটাই প্রথম। তিনি বলেন, গতকাল পর্যন্ত প্রায় ২শ’রও অধিক ব্যক্তি বুকিং দিয়েছেন। এ ছাড়া হাজার হাজার লোক আমাদের প্রকল্প সম্পর্কে জেনেছেন। এ সম্পর্কে এমআইএস হোল্ডিংস কোম্পানির কর্মকর্তা আফরোজা সুলতানা বলেন, ঢাকা শহরে এখন আর কোথাও স্থায়ী কবর বরাদ্দ পাওয়া যায় না। তবে আমরা এখানে স্থায়ী কবর দিচ্ছি। যিনি জমি কিনবেন তাকে সাব-কাবলা রেজিস্ট্রি করে দেয়া হবে। এই জমি আর কাউকে দেয়া হবে না। আমাদের এখানে শুধু কবরস্থান করা হবে, তা নয়। এখানে মসজিদ, মাদরাসা এবং এতিমখানাও করা হচ্ছে। যারা এখানে জমি কিনবেন তাদের টাকার একটি অংশ থেকে এগুলো করা হবে।
আফরোজা সুলতানা বলেন, কবর বুকিং দেয়া কোনো ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর তার স্বজনরা আমাদের জানানো মাত্রই মরদেহ সম্পর্কিত সকল আনুষ্ঠানিকতা আমরাই করবো। মরদেহের গোসল করানো, জানাজা ও দোয়াসহ দাফনও আমাদের লোক দিয়েই করে দেবো। আর সবসময় ২৪ ঘণ্টা কবরের নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করবো। এই সবকিছু ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকার মধ্যেই।
মেলায় বাড়তি আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে স্টলটি। কবরের জমি কেনা যায় শুনে অনেকে অবাকও হচ্ছেন। আবার কেউ কেউ বিজ্ঞাপন দেখে বিস্তারিত জানতে এসেছেন এ স্টলে। তেমনি একজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা আবদুর রশীদ বলেন, আমার এক আত্মীয় বলছিলেন যে, এখন কবরের জমি কেনা যায়। বেশ ইন্টারেস্টিং মনে হলো। পত্র-পত্রিকায় খবর দেখি, অনেক কবরস্থানের পুরনো কবর উঠিয়ে নতুনদের দেয়া হয়। আজিমপুর কবরস্থান থেকে লাশের হাড়গোড় চুরি হয়। তাই ভাবলাম এখানে একটু দেখে যাই। এমনিতেও আমার মতো বুড়োদের অনেকেই আছেন যাদের দেখা-শোনার মানুষ কম। সন্তানেরা বিদেশে থাকে। তাই মৃত্যুর পর কবরটা যদি নিরাপদ থাকে সেই ব্যবস্থা করা যায় কিনা সেটাই ভেবে দেখছি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফুলটাইম সরকারি চাকরি পার্টটাইমে ছিনতাই! by জিয়া চৌধুরী

নিজেদের কখনো প্রশাসনের লোক, কখনো র্যাব, কখনো ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে এসব অপরাধ করতো চক্রটি। টার্গেট করা ব্যক্তিকে আটকের অভিনয় করে হাতিয়ে নিতো সর্বস্ব। আটকের পর টাকা-পয়সা হাতিয়ে নিয়ে ফাঁকা জায়গায় ছেড়ে দিতো আটক ব্যক্তিকে। এর মধ্যে ছিনতাই চক্রটির তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এর মধ্যে শাহাদত হোসেন ওরফে দীপ্ত (২৮) কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের বুকিং সহকারী, বাকি দুজনের একজন নওশাদ আহাম্মদ ওরফে কনক (৩৭) প্রিন্টিং ব্যবসা করতেন, আর অন্যজন পারভেজ আলী পিকি (৪৫) ইয়াবায় আসক্ত। ছিনতাই চক্রের সদস্যদের গত বুধবার বিকালে ফকিরাপুল এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের পর একদিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া তিনজন জিজ্ঞাসাবাদে ছিনতাইয়ের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে বলে গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পূর্ব বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আতিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হওয়া তিনজন পলাতক আরো তিনজন আসামির তথ্য দিয়েছে। এদের একজন ডিপিডিসির মিটার রিডার। ছিনতাই চক্রটির বাকি তিন সদস্যকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের কাছ থেকে একটি ওয়াকিটকি ও র্যাবের দুইটি জ্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। ডিবি পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে ছিনতাইকারী চক্রটি কয়েকদিন আগে মতিঝিল এলাকা থেকে এক ব্যক্তির ১৫ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়ার কথা স্বীকার করেছে। এই গ্রুপের বাকি সদস্যদের ধরতে পারলে ছিনতাইয়ের আরো বেশকিছু ঘটনা সম্পর্কে জানা যাবে। ডিবি সূত্র জানায়, ছিনতাইকারী চক্রের সঙ্গে জড়িত ডিপিডিসির ওই মিটার রিডারের নাম আজিজ, গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে। ডিপিডিসির পরীবাগ কার্যালয়ে মিটার রিডার পদে চাকরি করে সে। তার সহযোগী সজল হক মতিঝিল এজিবি কলোনির বি-৮১ হাসপাতাল জোনের ৫/সি নম্বর ফ্ল্যাটে থাকে। পলাতক তিনজনের আরেকজন এনামুল হাসান ওরফে রাজন থাকে পুরান ঢাকায়। সেখানকার ৪১ নম্বর র্যাংকিন স্ট্রিট, কেএফসি বিল্ডিংয়ের ৮ম তলায় পরিবার নিয়ে বসবাস করে রাজন। গ্রেপ্তার হওয়া রেলওয়ের বুকিং সহকারী শাহাদতের স্ত্রীও বুকিং সহকারী হিসেবে বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে কর্মরত। খিলগাঁওয়ের ২১২/৩ মেরাদিয়ার ভুঁইয়াপাড়া এলাকায় বসবাস এই দম্পতির। পারভেজ আলীর বাসা পুরান ঢাকার ৫ নং হেয়ার স্ট্রিটের আফসার প্রোপার্টিজের ৩/ডি ফ্ল্যাট। নওশাদের বাসা ২৭৯/ক দক্ষিণ গোড়ানে। একসময় প্রিন্টিং ব্যবসা করলেও বছরখানেক ধরে ছিনতাই করে বেড়ায়।
যেভাবে ছিনতাই করা হয় ১৫ লাখ টাকা: ১৬ই জানুয়ারি মতিঝিলের দিলকুশা এলাকার ডাচ্-বাংলা ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বের হওয়া এক ব্যক্তির পিছু নিয়ে ১৫ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয় বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে গ্রেপ্তারকৃতরা। তাদের ভাষায় এ অপারেশনে অংশ নেয় ছয় জনের একটি চক্র। গ্রেপ্তার হওয়া রেলওয়ের বুকিং সহকারী শাহাদত হোসেন দীপ্ত’র বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রাজন, আজিজ, কনক ও সজল ছিল তার পূর্ব পরিচিত। সেদিন সকালের শিফটে কমলাপুর স্টেশনে কাজ শেষ করেন দীপ্ত। সেখান থেকে তাকে মতিঝিল যেতে বলে রাজন ও সজল। মতিঝিলের দিলকুশার ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের সামনে গিয়ে অবস্থান নেয় ছিনতাই চক্রটি। ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে বের হবেন এমন এক ব্যক্তি ছিল তাদের টার্গেট। এক পর্যায়ে রাজন ব্যাংকের ভেতরে থেকে বের হয়ে ব্যাগসহ এক ব্যক্তিকে দেখিয়ে দেয়। পারভেজ ওই ব্যক্তিকে অনুসরণ করে আজিজ, সজল ও কনককে ইঙ্গিত করে। ব্যাংক থেকে বেরিয়ে ওই ব্যক্তি বাসে উঠলে আজিজ তার পিছু নেয়। একাই গিয়ে বাসে ওঠে। বাকিরা দুটি মোটরবাইকে করে বাসের পেছন পেছন যেতে থাকে। বাস থেকে টাকার ব্যাগ নিয়ে ওই ব্যক্তি যাত্রাবাড়ীতে নামার পর শুরু হয় চক্রটির অপারেশন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোক পরিচয় দিয়ে ঘেরাও করে ধরে ওই লোককে। ছিনতাই চক্রের সদস্য রাজন ও কনক লোকটির কাছ থেকে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। শাঁ করে ওঠে পড়ে একটি মোটরবাইকে। শাহাদত ও আজিজ ওই ব্যক্তিকে আরেকটি মোটরবাইকের মাঝখানে বসিয়ে আটক করে নিয়ে যাওয়ার অভিনয় করতে থাকে। জিজ্ঞাসাবাদে শাহাদত হোসেন দীপ্ত জানায়, মোটরবাইক চলতে শুরু করলে মাঝখানে থাকা ওই ব্যক্তি তাকে ধাক্কা দিয়ে পেছনে ফেলে দেয়। মোটরসাইকেলটি পড়ে গেলে ওই ব্যক্তি চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে। এসময় আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে প্রথমে আজিজ দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে শাহাদত নিজেও দৌড়ে পাশের একটি ভবনের সিঁড়ির নিচে লুকিয়ে থাকে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সন্ধ্যার দিকে ওই ভবন থেকে বের হয়ে নিজের বাসায় চলে যায়। পরে রাতে চক্রের অন্য সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে টাকা ভাগাভাগি করা হয়। একজনের ভাগে পড়ে দুই লাখ ১০ হাজার টাকা করে। পরদিন অফিস থেকে ছুটি নিয়ে বগুড়া ও দিনাজপুরের হিলিতে আত্মগোপনে চলে যায় শাহাদত। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কয়েকদিন পর আবার ঢাকায় আসে। আজিজ ও শাহাদত যাত্রাবাড়ী এলাকার অপারেশনে যে মোটরবাইকটি ফেলে আসে তা রেজিস্ট্রেশন করা ছিল গ্রেপ্তার হওয়া আরেকজন নওশাদ আহাম্মদ কনকের নামে। মোটরবাইক ফেলে আসার কারণে ধরা পড়ার ভয়ে সে ওইদিন সন্ধ্যায় রাজনের পরামর্শে খিলগাঁও থানায় গিয়ে মোটরসাইকেলটি হারিয়ে গেছে উল্লেখ করে সাধারণ ডায়েরিও করে বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে কনক। ১৬ই জানুয়ারি রাতে পুরান ঢাকায় পারভেজ আলীর বাসায় গিয়ে ছিনতাইয়ের ২ লাখ ১০ টাকার ভাগ নেয় সে। একই সঙ্গে তার নিজের মোটরসাইকেলটি ফেলে আসার কারণে চক্রের বাকি সদস্যরা প্রত্যেকে ৪০ হাজার টাকা করে অতিরিক্ত দুই লাখ টাকা দেয় কনককে। পরবর্তীতে ওই টাকা নিয়ে সেও কয়েকদিন আত্মগোপনে চলে যায়। গ্রেপ্তার হওয়া আরেক ছিনতাইকারী পারভেজ আলী পিকি জানান, এক সময় নার্সারির কাজে ব্যবহৃত পটারির ব্যবসা করলেও ইয়াবায় আসক্ত হয়ে ব্যবসা খোয়াতে হয় তাকে। পুরান ঢাকায় নিজের ফ্ল্যাটে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে থাকে। স্ত্রীর টিউশনির উপার্জনেই সংসারের খরচ চলতো। মাঝে মধ্যে রাজনদের সঙ্গে ছিনতাই করে কিছু টাকা উপার্জনও করতো সে। ডিবির কর্মকর্তারা জানান, জিজ্ঞাসাবাদ করে ছিনতাইয়ের এই ঘটনা জানার পর তারা ছিনতাইয়ের শিকার হওয়া ওই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন। ছিনতাইয়ের পর ওই ব্যক্তি থানায় কোনো মামলা করেছিলেন কিনা তাও জানার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে কনকের সেই মোটরসাইকেলটির অবস্থান এবং থানায় করা জিডির বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া চক্রটির কাছ থেকে রাজধানীর অন্যান্য ছিনতাইয়ের ঘটনাও জানার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাগর-রুনি হত্যার ৭ বছর: এখনো জানা যায়নি তদন্তের ফল by শাহনেওয়াজ বাবলু

সাড়ে ১২ বছরের মেঘের কোণে জমাট বেঁধেছে এক কুণ্ডলি অভিমান। তাই এখন আর গণমাধ্যমের সামনে আসতে তার মন চায় না। দৌড়ে পালাতে ইচ্ছে করে। কি হবে কথা বলে? ফিরে আসবে কি তার বাবা-মা। সাতটি বছরে যেখানে জানাই গেলো না কারা হত্যা করেছে মেঘের বাবা-মা’কে। তাই শোকের দিনে আর শোক বাড়াতে চায় না অভিমানী মেঘ। এ অভিমান শুধু মেঘের নয়। সাগর-রুনির পরিবারের, স্বজন আর সহকর্মীদের।
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত চলছে সাতবছর ধরে। এখন পর্যন্ত ৬২ বার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য হয়েছে। তবে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা। এখনো কোনো আসামিকেই সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত বা আটক করা যায়নি।
সর্বশেষ গত ২৫শে নভেম্বর মামলায় প্রতিবেদন দেয়ার দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা র্যাব’র সহকারী পরিচালক পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন আহমেদ কোনো প্রতিবেদন দিতে পারেননি।
বাবা-মা’কে হারানো মাহির সরওয়ার মেঘ গুলশানের বিআইটি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। ইদানীং ক্রিকেটের প্রতি বেশ ঝোঁক মেঘের। রাজধানীর ইন্দিরা রোডসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি মাঠে প্রতিদিন ক্রিকেট প্র্যাকটিস করতে যায় মেঘ। বাবা সাগর সরওয়ার আর মা মেহেরুন রুনির অভাববোধ হয়তো সবসময়ই থাকবে, তবে এর মধ্যেই জীবনের নিয়মে নানা ব্যস্ততায় নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছে সে।
গতকাল কথা হয় মেঘের মামা নওশের রোমানের সঙ্গে। হতাশা ঝরে পড়লো সাগর-রুনি হত্যা মামলার এই বাদীর কণ্ঠে।
তিনি মানবজমিনকে বলেন, আমরা আসলে গত ৭ বছর ধরে মামলা নিয়ে কিছুই জানতে পারিনি। আগে মিডিয়ার মাধ্যমে কিছুটা হলেও জানতে পারতাম। এখন সেখানেও তারা কথা বলছে না। এসব দেখে মনে হয় যে, এখন আর এ মামলার কোনো তদন্তই চলছে না।
এই মামলার তদন্ত করেছে পুলিশ, ডিবি ও র্যাব। এরই মধ্যে বদলি হয়েছেন অনেক তদন্তকারী কর্মকর্তাও। এখন এই মামলার তদন্তে রয়েছে র্যাব’র এডি ও পুলিশের এএসপি সহিদার রহমান। গতকাল তিনি মানবজমিনকে বলেন, গত ২৩শে নভেম্বর মামলার তদন্তভার দেয়া হয়েছে আমাকে। এর পর আমি মামলার বাদী রুনির ভাই নওশের রোমানের সঙ্গে এবং সাগরের মায়ের সঙ্গে কথা বলেছি। এছাড়া আগের তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গেও কথা বলেছি। তদন্তের কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আগামী ১৭ই ফেব্রুয়ারি আদালতে তদন্তের প্রতিবেদন দেয়ার কথা রয়েছে। প্রতিবেদন দেয়ার জন্য আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম মানবজমিনকে বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আমরা মর্মাহত এবং ক্ষুদ্ধ। ৭ বছর পরেও এর কোনো বিচার হয়নি। যা সত্যিই দুঃখজনক। এই ঘটনায় সরকার এবং সাংবাদিকরা কিছুই করতে পারিনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও এখন পর্যন্ত কোনো কিছুই করতে পারেনি। তিনি বলেন, আমার মনে হয়, আমরা কোথায় যেন আটকে আছি। কোথায় যেন আবদ্ধ হয়ে আছি। আমি এটা শুনতে চাই না যে, মামলার তদন্ত চলছে, হবে, হচ্ছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই। আর আমি মনে করি রাষ্ট্র যদি চায় তাহলে অবশ্যই এর সুষ্ঠু তদন্ত করা সম্ভব।
এ বিষয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ইলিয়াস হোসেন মানবজমিনকে বলেন, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা দুঃখজনক ও হৃদয়বিদারক। আর গত সাতবছরেও এর কোনো বিচার না হওয়াটাও বেদনার। এই ঘটনার জন্য বিগত বছরেও সব সময় আমরা বিভিন্ন প্রতিবাদ ও মানবন্ধন করেছি। আসলে এই ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। সাগর-রুনির সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আগামীকাল সকাল ১১টায় রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এরপর সাংবাদিকদের নিয়ে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করবো। মানববন্ধন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি জমা দেয়া হবে রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে।
২০১২ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজ ভাড়া বাসায় খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সময় বাসায় থাকা তাদের একমাত্র শিশুসন্তান সাড়ে পাঁচবছর বয়সী মাহির সরওয়ার মেঘ বেঁচে যায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক প্রবাসী নারীর জেল অভিজ্ঞতা by মরিয়ম চম্পা

২০০৭ সালের দিকে বাংলাদেশে আসেন ব্যবসা করার উদ্দেশে। ব্যবসার প্রেরণা যুগিয়েছিলেন তার দুই সন্তান ও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার আমেরিকান প্রবাসী স্বামী। ঢাকায় একটি অফিস কক্ষ ভাড়া নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন।
বেশ কিছুদিন পর অন্ধ বিশ্বাসে আগাম স্বাক্ষরিত একাধিক চেক অফিসের ম্যানেজারের কাছে গচ্চা রেখে পুনরায় আমেরিকাতে স্বামী-সন্তানের কাছে পাড়ি জমান। এ সুযোগে ম্যানেজার আর অফিসের কয়েকজন কর্মচারী মিলে তার স্বাক্ষরিত চেক দিয়ে আলাদাভাবে ব্যবসা করার উদ্যোগ নেন। ২০১২ ও ২০১৩ সালে সবক’টি চেকের অ্যাকাউন্ট ক্লোজ পেয়ে বিরোধী পক্ষ তার বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির অভিযোগে ৪টি মামলা করেন। একের পর এক মামলা ও প্রতারণার মুখে একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করলেও ছোট দুই ছেলেমেয়ের অনুপ্রেরণায় বেঁচে গেছেন তিনি। বাবা বেঁচে নেই। মা ক্যানসারের রোগী। তারা ৬ ভাইবোন। সবাই অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকার স্থায়ী নাগরিক। ভাইবোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। বাবার অগাধ সম্পত্তিই তার কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাই উক্ত মামলার রসদ জুগিয়েছিল তার আত্মীয় সম্পর্কিত কয়েকজন বড় ভাই। মামলা হওয়ার কয়েক বছর পর তাকে নোটিশ করা হয়।
কারাভোগ করা এই নারী জানান, আমার নামে মামলা হলেও সমন জারি হয় কয়েক বছর পর। কাশিমপুর ও ফরিদপুর দুই জেলখানা মিলিয়ে মোট ১৪ থেকে ১৫ দিন বন্দি ছিলেন। জেলখানায় তার অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে রীতিমতো শিউরে ওঠেন তিনি। বলেন, ৮শ’ নারী কয়েদির মধ্যে আমিই মনে হয় ব্যতিক্রম ছিলাম। সবাই আমাকে পর্যাপ্ত সাহায্য করার জন্য মুখিয়ে থাকতেন। যে ক’দিন ছিলাম পুরোটা সময় হাসপাতালে কাটিয়েছি। কারাভোগের দিনগুলোতে পানি, মুড়ি ও নানা ধরনের ফল খেয়েই ছিলাম। কারণ প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে, আমি যেহেতু কোনো অন্যায় করিনি তাই জেলখানার কোনো খাবার এমনকি ভাতও খাবো না।
সকালে ঘুম থেকে ওঠে ফজরের নামাজ পড়ে নাস্তা করতাম। এরপর জেলখানার এক কামরা থেকে আরেক কামরায় ঘুরে বেড়াতাম। অবসরে কবিতা লিখতাম, গান লিখতাম, গল্প লিখতাম। জেলের বাইরে ২৪ ঘণ্টার ২০ ঘণ্টাই ব্যস্ত থাকতাম। জেলে গিয়ে আমার শিল্পচর্চার একটি ভালো সুযোগ হয়েছিল। তখন কেউ বিরক্ত করতো না। জেলের ভেতরে যার টাকা আছে তার সব আছে। এক রুমে এত সংখ্যক মেয়েকে থাকতে দেয়া হতো যে, পা ফেলার জায়গা থাকতো না। শীতের সময় কারা কর্তৃপক্ষের একটি কম্বল আর ঠাণ্ডা মেঝেই মেয়েদের একমাত্র ভরসা। মেয়েদের যেসব ডাল, ভাত ও অন্যান্য তরকারি দেয়া হতো তাতে কয়েক দফা পানি মেশানোর পর খেতে দেয়া হতো। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সংস্থা বাইরে থেকে মেয়েদের জন্য অসংখ্য সাহায্য সহযোগিতা পাঠালেও মেয়েদের হাতে তা পৌঁছতো না। খাবারের জন্য মেয়েরা প্রতিদিন মারামারি ও ঝগড়া করতেন। আমাকে নরমাল গোসলখানা ব্যবহার করতে দেয়া হলেও অন্য মেয়েদের একত্রে খোলা জায়গায় গোসল করতে হতো। এসময় পুরুষ কর্মচারী বা কারারক্ষীরা চাইলেই মেয়েদের গোসলের দৃশ্য দেখতে পারতেন।
সাধারণত ১ জোড়া প্লাস্টিকের জুতা যেটা বাইরে ৮০ টাকায় বিক্রি হয় সেটা জেলখানায় দেড়’শ থেকে ২শ’ টাকায় বিক্রি হয়। কারারক্ষীরা ২৪ ঘণ্টা ধান্ধায় থাকেন কার কাছে কি বিক্রি করা যায়। বলা হয়ে থাকে জেলখানায় নারী-পুরুষ উভয় কয়েদিদের নৈতিক শিক্ষা দেয়া হয়। প্রকৃতপক্ষে জেলখানায় তার উল্টোটা ঘটে। জেলখানায় থাকা বেশির ভাগ নারী মাদক মামলার আসামি। কেউ নিশিকন্যা। কেউ ছিঁচকে চোর। তাদের অনেকেই জেলখানাকে ফান করার জায়গা হিসেবে দেখে থাকেন। তাদের মধ্যে কোনো ধরনের অনুশোচনা বোধ বা অনুতাপ কাজ করে না। তারা যে অপরাধ করে কারাগারে এসেছে এটা তাদের মাথাতেই থাকে না। অনেক নারী আছেন যারা কিনা মাত্র ৫ থেকে ১০ হাজার টাকার জন্য জামিন পাচ্ছেন না। অনেকের পরিবারও জেলখানায় তাদের মেয়েদের কোনো খোঁজখবর রাখে না।
চেক জালিয়াতি মামলায় জেল থেকে বেরিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন এই নারী। নিজস্ব উদ্যোগে তেজগাঁওয়ে একটি ফাউন্ডেশন খুলেছেন। যেটার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান তিনি। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে হস্তশিল্পসহ নানা কাজ শেখানো হয়। তাদেরকে আর্থিক সহায়তা থেকে শুরু করে তাদের তৈরিকৃত পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করেন। জীবনযুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানো এই নারীর ইচ্ছা জেলখানায় যে সকল নারী মাত্র ৫ থেকে ১০ হাজার টাকার জন্য জামিন পাচ্ছে না, মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাদের নিজ উদ্যোগে মুক্ত করে তার ফাউন্ডেশনে কাজের ব্যবস্থার পাশাপাশি স্বনির্ভর হিসেবে গড়ে তুলবেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছাঁটাই নিয়ে অস্থির পোশাক খাত

তখনই এরকম পরিস্থিতির মতো একটি পরিস্থিতির দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব।
যাই হোক, গার্মেন্ট শ্রমিকদের হতাশার বিষয়টি আমরা যদিও বুঝি এবং তাদের প্রতি পূর্ণ সহানুভূতিশীল, তবুও আমরা ভাঙচুর ও সহিংসতাকে শেষ উপায় হিসেবে উৎসাহিত করতে পারি না।
সব পরিস্থিতিতে সব পক্ষকে সংঘাতময় অবস্থার শান্তিপূর্ণ সমাধান বের করতে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে উৎসাহিত করি। আমরা এমন ঘটনায় নিজেদের এভাবেই দেখতে চাই। এ জন্যই আমরা গ্লোবাল ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্টের অধীনে গ্লোবাল ইউনিয়ন ইন্ডাস্টিঅল ও সুইডেনের ট্রেড ইউনিয়ন আইএফ মেটঅল-এর সঙ্গে সৃষ্টি করেছি ন্যাশনাল মনিটরিং কমিটি। সংঘাতময় পরিস্থিতির একটি শান্তিপূর্ণ প্লাটফরম এটি। আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠন আইএলও এবং বৈশ্বিক ইউনিয়নগুলোর নির্দেশনার অধীনে আমরা গার্মেন্ট শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধিকে সমর্থন করি। এসব নির্দেশনায় প্রয়োজনে শ্রমিক ও নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সমন্বিত দর কষাকষির বিষয়ে জোর দেয়া হয়েছে। সেই দর কষাকষি হলো শ্রমিকদের বেতন ও কর্মপরিবেশ নিয়ে।
বৈশ্বিক ইউনিয়ন ইন্ডাস্ট্রিঅল এবং ন্যাশনাল মনিটরিং কমিটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংলাপে যুক্ত এইচঅ্যান্ডএম। এর উদ্দেশ্য সংঘাতময় পরিস্থিতিতে শান্তিপূর্ণ একটি সমাধান বের করা।
(বাংলাদেশে) এই অস্থিরতার পর কারখানা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, ইন্ডাস্ট্রিঅলসহ সংশ্লিষ্ট ট্রেড ইউনিয়নগুলো এবং শ্রমিক প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি, তিনটি কারখানা থেকে সম্প্রতি গার্মেন্ট শ্রমিকদের বরখাস্ত করা হয়েছে। এসব কারখানা এইচঅ্যান্ডএম গ্রুপসহ অন্যদের জন্য পোশাক তৈরি করে। আমরা ঘনিষ্ঠভাবে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি, যেসব ডকুমেন্ট ও চুক্তি সব পক্ষ মেনে নিয়ে স্বাক্ষর করেছে এবং অনুমোদন দিয়েছে, তাতে শ্রমিকদের বরখাস্তের বিষয়ে কতটুকু বৈধ তথ্য ও যথার্থতা আছে তা জানতে। এই ইস্যুটি হবে আমাদের এজেন্ডার মধ্যে শীর্ষস্থানীয়। আমরা সরবরাহকারী, কারখানা সংশ্লিষ্ট এসোসিয়েশন, ট্রেড ইউনিয়ন ও অন্যান্য ক্রেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছি।
(অনলাইন ওয়েবওয়্যারে প্রকাশিত ‘আনরেস্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিবেদনের অনুবাদ)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে চাপ বাড়ছে

এদিকে ২০১৮-১৯ থেকে ২০২০-২১ পর্যন্ত তিন অর্থবছরে সরকারকে পরিশোধ করতে হবে ৫১৫ কোটি ডলার বা ৪১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। বিদেশি ঋণ পরিশোধের অঙ্ক বৃদ্ধি পাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, সরকারের বেশ কয়েকটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বড় প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে অধিক গুরুত্ব দেয়ার কারণে মূলত ঋণ বাড়ছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি’র) প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
এদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুসারে বর্তমানে দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ১৭ লাখ। এ হিসাবে প্রতিটি নাগরিকের মাথাপিছু ঋণ ৬০ হাজার টাকা। তাই চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ঋণের সুদ পরিশোধে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রেখেছে সরকার। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কর আদায় করতে না পারায় সরকারকে বেশি ঋণের আশ্রয় নিতে হচ্ছে। আর এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, ঋণ নিলে তো পরিশোধ করতেই হবে। এক্ষেত্রে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে নেয়া ঋণের আসলের প্রথম কিস্তি পরিশোধ করা হয়েছে সমপ্রতি। ফলে চলতি অর্থবছরে ঋণ পরিশোধ গত অর্থবছরের চেয়ে বেড়েছে।
পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর মনে করেন, ঋণের বোঝার কারণে অনেক দেশই ঝুঁকিতে পড়েছে। ঋণের পরিমাণ বাড়লে কি অবস্থা দাঁড়ায় এটা দৃশ্যমান হচ্ছে- পাকিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা ও মালয়েশিয়ায়। তিনি বলেন, আমাদের দেশে এখনো ওই অবস্থায় যায়নি। তবে আমরা যদি ঋণের সঠিক ব্যবহার করতে না পারি। আগামীতে এই বোঝা ভারী হবে। তিনি বলেন, সরকার ঠিকমতো ঋণ ব্যবস্থাপনা করতে পারছে না। তুলনামূলকভাবে বিদেশি ঋণ অনেক সাশ্রয়ী। কিন্তু সরকার সহজ পথ হিসেবে বেছে নেয় বেশি সুদের অভ্যন্তরীণ উৎসকে। এতে আর্থিক খাতে চাপ বেড়ে যায়।
ইআরডি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে ১১০ কোটি ডলার বা ৯ হাজার ৮৩ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে আসলের পরিমাণ ছিল ৭ হাজার ১৮০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং সুদ ১ হাজার ৯০৩ কোটি টাকা।
অন্যদিকে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের একই সময়ে ঋণ পরিশোধ করা হয়েছিল ৮৩ কোটি ১৩ লাখ ডলার বা ৬ হাজার ৫৫২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে আসল ছিল ৫ হাজার ২১৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা এবং সুদ ১ হাজার ৩৩৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬০ কোটি ডলার বা ১২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে আসল ১২৫ কোটি ডলার বা ১০ হাজার কোটি টাকা এবং সুদ ৩৫ কোটি ডলার বা ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। এছাড়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে ঋণ পরিশোধের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭৩ কোটি ডলার বা ১৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা। এর মধ্যে আসল ১৩৫ কোটি ডলার বা ১০ হাজার ৮০০ কোটি টাকা এবং সুদ ৩৮ কোটি ডলার বা ৩ হাজার ৪০ কোটি টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরে পরিশোধ করতে ব্যয় হবে ১৮২ কোটি ডলার বা ১৪ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। এর মধ্যে আসল ১৪০ কোটি ডলার বা ১২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা এবং সুদ ৪২ কোটি ডলার বা ৩ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা।
এদিকে চলতি অর্থবছর সরকার দেশি-বিদেশি ও ব্যাংক খাত বাদে সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে ২৬ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্য রয়েছে। এর মধ্যে গত ৬ মাসেই ২৫ হাজার ঋণ নেয়া হয়েছে। এ ঋণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কারণ সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে যে ঋণ নেয়া হয়, তার বিপরীতে সরকারকে বছরে ১১ শতাংশ পর্যন্ত সুদ গুনতে হচ্ছে। এ কারণে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ঋণ পরিশোধে ৫১ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে সরকার।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ঋণমান সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ভালোই আছে। চিন্তার কারণ নেই। তবে সাম্প্রতিকালে ঋণ নেয়ার হার বাড়ছে। এজন্য অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ঋণের বোঝা বৃদ্ধি কোনো দেশের জন্য শুভ লক্ষণ নয়।
তাই আমাদেরকে সহজ শর্তে ঋণ নেয়ার দিকে ঝুঁকতে হবে। বেশি সুদ দিতে হয় এমন ঋণ পরিহার করতে হবে বলে জানান তিনি।
ইআরডি সূত্রে জানা গেছে, গতবারের তুলনায় এবার সরকারের সুদাসল পরিশোধ বাবদ ব্যয়ও কিছুটা বেড়েছে।
নভেম্বর মাস পর্যন্ত দাতাদের কাছে পুঞ্জিভূত পাওনা হিসেবে ৬০ কোটি ৪১ লাখ ডলার পরিশোধ করেছে। এরমধ্যে আসল হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে ৪৫ কোটি ১৮ লাখ ডলার এবং সুদ পরিশোধ করা হয়েছে ১৫ কোটি ২৩ লাখ ডলার।
নভম্বের পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ৪১ কোটি ৬৩ লাখ ডলার ছাড় করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এরপর বিশ্বব্যাংক ছাড় করেছে ৩৬ কোটি ৮৭ লাখ ডলার এবং জাপান সরকারের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার (জাইকা) ছাড় করা অর্থের পরিমাণ ৩৫ কোটি ২৫ লাখ ডলার।
ইআরডি’র তথ্যমতে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণ (পাবলিক সেক্টরে) ২৫ হাজার ৯০৮ মিলিয়ন ডলার বা ২ লাখ ৭ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা। ওই অর্থবছরে সরকারকে ঋণ বাবদ সুদ পরিশোধ করতে হয়েছে ১ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা।
অন্যদিকে ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণ ছিল ২৪ হাজার ৯০৭ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১ লাখ ৯৫ হাজার ১৪৬ কোটি টাকা। যার সুদ পরিশোধ করতে হয়েছে ২ হাজার ১৪৬ কোটি টাকা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে সব মিলিয়ে ৭১৭ কোটি ডলার বিদেশি সহায়তা ছাড় করে তা বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যবহার করতে চায় সরকার। গতবার অবশ্য ৭১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলারের সমপরিমাণ অর্থ ছাড় হয়েছিল।
ঢাকায় নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, বৈদেশিক ঋণ এখনো জিডিপি’র তুলনায় কম। বিদেশি ঋণ কাজে লাগাতে পারলে দেশের অর্থনীতির জন্য ভালো। তবে উপকারের পুরোপুরি সুযোগ আমরা কাজে লাগাতে পারছি না। ১০০ টাকার প্রকল্পে যদি ৫০০ টাকা খরচ করি তা হলে ফলাফল ভালো আসবে না। এছাড়া রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি কম। কাঙ্ক্ষিত হারে আসেনি ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ। তাই আগামীতে চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলে জানান তিনি।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দেয়া তথ্য মতে, চলতি অর্থবছরের পাঁচ মাসে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক লাখ দুই হাজার কোটি টাকা। এই সময়ে আদায় হয়েছে ৭৮ হাজার ৭৫৮ কোটি টাকা। সে হিসাবে ঘাটতি ২৩ হাজার কোটি টাকা।
সমপ্রতি সংসদে অর্থমন্ত্রীর দেয়া তথ্যানুযায়ী ২০১৫ সালের ৩০শে জুন পর্যন্ত ১১টি সংস্থা ও দেশের কাছ থেকে মোট ২ লাখ ৭ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ নিয়েছে বাংলাদেশ। যার মধ্যে বিশ্বব্যাংক থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ২ হাজার ৩৪৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা নেয়া হয়েছে। এছাড়া এডিবি থেকে ১ হাজার ৮৫০ কোটি ৫৬ লাখ, জাপান থেকে ১৯ হাজার ৩৭৬ কোটি ১৮ লাখ কোটি, চীন থেকে ৭ হাজার ৩৫৬ কোটি ৭ লাখ, ইসলামী ডেভলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি) থেকে ৩ হাজার ৩৫৮ কোটি ২১ লাখ টাকা, ডেনমার্ক থেকে ৮৬৯ কোটি ২১ লাখ টাকা, ভারত থেকে ১ হাজার ৬৫৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, কুয়েত থেকে ১ হাজার ৭৫ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ২ হাজার ৭৯১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা, ইফাদ থেকে ২ হাজার ৯৩৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা এবং অন্যান্য সংস্থা ও দেশ থেকে ৩ হাজার ৬৫০ কোটি ২১ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছে বাংলাদেশ।
দাতা দেশ ও সংস্থাগুলো সরকারের নেয়া বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পে অর্থসহায়তা দিয়ে থাকে। তুলনামূলক কম সুদে ঋণ পাওয়া যায় বলে সরকার এসব ঋণ নিয়ে থাকে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উপজেলা পর্যায়ে মহাপরিকল্পনার নির্দেশ -এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রী

যেহেতু প্রচুর রাস্তা হয়ে গেছে আমাদের কিছু করার নেই, সবচেয়ে মুশকিল হচ্ছে রাস্তাগুলো রক্ষণাবেক্ষণের কোনো ব্যবস্থা নেই।
রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা না থাকলে এক সময় সেই রাস্তা আর কাজে লাগে না। এজন্য বলেছি, আমরা যদি তৃণমূল পর্যায়ে একটা মাস্টারপ্ল্যান করে দেই তবে এখনো যেটুকু সময় আছে আমরা অনেক দ্রুত উন্নত করতে পারবো। শেখ হাসিনা বলেন, তৃতীয়বারের মতো এসে এটুকু সান্ত্বনা পেলাম যে, আমরা কিছু কাজ করার সুযোগ পেলাম। তাই বাজেট প্রণয়নের সময় লক্ষ্য রাখতে হবে আমরা মানুষের কাছে কীভাবে পৌঁছাতে পারি। আগামীতেও কেন্দ্রীয়ভাবে বাজেট প্রণয়ন করা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এরপর আমি চাচ্ছি দায়িত্ব দিয়ে দেব আমাদের প্রতিটি জেলায়। ওই অঞ্চলের কী চাহিদা, কীভাবে মানুষের কাছে সেবা পৌঁছাতে পারে, তাদের কাছ থেকে মতামত ও পরিকল্পনা আমরা নেবো। এভাবে পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকটা স্তর থেকে আমরা বাজেট কীভাবে হবে সেই ধারণাটা নিয়ে আমরা বাজেট তৈরি করবো। যাতে প্রতিটি পয়সা মানুষের কল্যাণে কাজে লাগে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হচ্ছে ক্ষমতাকে বিকেন্দ্রীকরণ করে স্থানীয় সরকারকে আরো শক্তিশালী করা। যাতে তারা নিজ নিজ এলাকার উন্নয়নে বেশি মনোনিবেশ ও অবদান রাখতে পারে।
বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া উন্নয়নও টেকসই হবে না। যারা অবৈধভাবে সংবিধান লঙ্ঘন করে বারবার ক্ষমতায় এসেছিল তাদের মধ্যে দেশগড়ার চেতনতাটাই ছিল না। এর ফলে দেশটা অনেক পিছিয়ে ছিল। এখন আমাদের কাজ হচ্ছে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলা। তিনি বলেন, আমরা ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত যতটুকু কাজ এগিয়েছিলাম, মাঝখানে ৭ বছর আমরা ছিলাম না। এ সময়ে অনেক কিছু নষ্ট হয়ে যায়। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সময় হাতে পেয়েছিলাম বলে অনেকগুলো কাজ করতে পেরেছি, আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উন্নীত হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে গেলে আমাদের সমস্ত পরিকল্পনা নিতে হবে তৃণমূল পর্যায়ে। সেখানে যে মানুষগুলো বাস করে তাদের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করা, তাদের জীবনমান উন্নত করা- এটা করতে পারলে স্বাভাবিকভাবেই আস্তে আস্তে সমস্ত দেশটাই উন্নত হবে। সেদিকে লক্ষ্য করে এই মন্ত্রণালয়টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, বাজেটের সবচেয়ে বড় টাকার অংশটাই এই মন্ত্রণালয়ে আসে।
তিনি বলেন, অনেকগুলো কাজ রয়ে গেছে; যেগুলো আমাদের করতে হবে। আমি সব সময় চিন্তা করেছি কীভাবে মানুষের কাছে যাওয়া যায়; মানুষের কাজটা করা যায়। এই মন্ত্রণালয়ের কাজ হচ্ছে সুপেয় পানির নিশ্চয়তা দেয়া। স্যানিটেশনের ব্যবস্থা করা। সেই সঙ্গে আবার রাস্তাগুলোকেও উন্নত করতে হবে। বহুমুখী কাজ, আবার জনস্বাস্থ্যের দিকেও গুরুত্ব দেয়া। আমি মনে করি যতগুলো মন্ত্রণালয় আছে এই মন্ত্রণালয়টা হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়। গতকাল সকাল দশটায় প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে প্রবেশ করলে তাকে স্বাগত জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। এসময় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব এস এম গোলাম ফারুক, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মো. কামাল উদ্দিন তালুকদারসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের সহায়তায় ত্রিপুরাকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়

এতে আরো বলা হয়, আসাম ও মিজোরামের সঙ্গে ত্রিপুরার রয়েছে ১৬৫ কিলোমিটার সীমান্ত। এ ছাড়া বাংলাদেশের সঙ্গে আছে ৮৫৬ কিলোমিটার সীমান্ত। ওই রাজ্যে নরেন্দ্র মোদি ২৫ মিনিট হিন্দিতে বক্তব্য রাখেন। তবে একবারও তিনি বহুল বিতর্কিত নাগরিকত্ব (সংশোধনী) বিল নিয়ে কথা বলেন নি।
এই বিলকে কেন্দ্র করে ত্রিপুরা সহ ভারতের পুরো উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। হয়তো সে কারণে নরেন্দ্র মোদি ওই বিষয়ে কোনোই মন্তব্য করেন নি। ওই বিলের বিরোধিতা করে শনিবার নরেন্দ্র মোদির সমাবেশ বর্জন করেছেন রাজ্যের সিপিআই-এম দলের তিনজন এমপি এবং ত্রিপুরা স্টুডেন্ট ফেডারেশন (টিএসএফ)। এদিন মোদিকে একই ইস্যুতে কালো পতাকা প্রদর্শন করেছে বিরোধী কংগ্রেস পার্টি। তারা এদিন কালো বেলুনও অবমুক্ত করে প্রতিবাদ স্বরূপ।
তবে কংগ্রেস পার্টির কড়া সমালোচনা করেছেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি কংগ্রেসের নাম উল্লেখ না করে বলেন, যে দল কেন্দ্রীয় সরকারে ছিল ৫৫ বছরের বেশি তারা এখন একটি ‘মজবুর’ সরকার গঠনে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তবে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পর ভারতীয় জনতা পার্টি একটি মজবুত সরকার গঠন করবে। বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে নরেন্দ্র মোদি আরো বলেন, বিভিন্ন ইস্যুতে নজর দেয়ার পরিবর্তে তারা শুধু মোদিকে গালি দিচ্ছে। এটা যেন আমাকে গালি বা ঠাট্টা করার এক অলিম্পিক গেম। বিমানবন্দর থেকে আগরতলা শহরে আসার পথে আমি উৎসবমুখর মানুষের মুখগুলো দেখতে পেয়েছি। ২৫ বছর পরে সাবেক সরকারের শাসনের খড়গ থেকে এখন মুক্ত। এ সময়ও তিনি সাবেক কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া-মার্কসিস্ট নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট সরকারের নাম উল্লেখ করেন নি।
নরেন্দ মোদি বলেন, রাজ্যে বহু বড় বড় প্রকল্প ও স্মিমের জন্য আগেই প্রচুর অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। কিন্তু বিগত সরকার এই রাজ্যের জন্য তহবিল সরিয়ে নিয়েছিল। তারা শুধু জনগণের সঙ্গে, বিশেষ করে গরিব ও কর্মজীবী শ্রেণির মানুষের সঙ্গে রাজনীতির খেলা খেলেছে। আগে শুধু একটি দলের সঙ্গে যুক্ত মানুষরাই সুবিধা পেয়েছেন। কিন্তু এখনকার সরকার সব মানুষের সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে এবং তা খুব স্বচ্ছতার সঙ্গে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার সরকারের গৃহীত কল্যাণকর সব পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার সম্প্রতি ত্রিপুরা ট্রাইবাল এরিয়াস অটোনমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিলকে শক্তিশালী করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে উপজাতি অধ্যুষিত এলাকাগুলোকে অধিকতর শায়ত্তশাসনের প্রত্যয় ঘোষণা করা হয়।
র্যালিতে অংশগ্রহণের আগে নরেন্দ্র মোদি ত্রিপুরার দক্ষিণাঞ্চলে ২৩.৩২ কিলোমিটার রেলওয়ে ট্র্যাক জাতির সামনে তুলে ধরেন। তিনি আগরতলার কাছে নরসিংগড়ে ত্রিপুরা ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজির একটি নতুন ভবন উদ্বোধন করেন। এদিন তিনি ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের লেখা হিন্দি ও বাংলা ভাষায় লেখা একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। ত্রিপুরার শেষ রাজা মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্যর ওপর এই বইটি লেখা হয়েছে।
বিপ্লব কুমার দেব তার ভাষণে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর জন্য অন্তর্বর্তী শতকরা ২১ ভাগ বাজেট বৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক গৃহকর্মীকে যৌন হয়রানির কাহিনী -বিবিসি বাংলা

তবে তাঁর আয় একসময় এখনকার তুলনায় তিনগুণ ছিল। কিন্তু কয়েকটি বাসায় সে কাজ হারিয়েছে। কারণ, গৃহকর্তার বিরুদ্ধে যে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছিল।
মিনা বলেন, তিনি একসময় ৭০ বছর বয়সী এক দম্পতির বাসায় কাজ করতেন।
বড় মেয়েকে বিয়ে দেবার জন্য তাদের কাছ থেকে তিনি ১০০০০ রুপি ধার নিয়েছিলেন। ততদিনে মিনা সে বাসায় তিন বছর কাজ করেছে।
মিনা অভিযোগ করেন, তিনি যখন ঘর পরিষ্কার করতেন তখন গৃহকর্তা এসে তাঁর শরীর ঘেঁষে যেত। কখনো-কখনো মিনার কাপড় ধরে টান দিতো গৃহকর্তা।
কিন্তু স্বামীর অসংলগ্ন আচরণ সম্পর্কে তাঁর স্ত্রী কিছুই জানতেন না বা দেখতেন না। তিনি বেশিরভাগ সময় ঘুমিয়ে থাকতেন।
গৃহকর্তা যেন আর অগ্রসর হতে না পারেন সেজন্য মিনা প্রতিহত করার চেষ্টা করতো।
এক সন্ধ্যায় গৃহকর্তার স্ত্রী বেডরুমের দরজা করে ঘুমিয়ে পড়েন।
মিনা অভিযোগ করেন, সে সময় গৃহকর্তা তাকে জাপটে ধরে সোফার উপর টেনে আনার চেষ্টা করে।
গৃহকর্তার বয়সের তুলনায় শারীরিক শক্তি ভালোই ছিল।
কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে সে ব্যক্তির চেয়ে মিনার শরীরের জোর বেশি ছিল।
তাকে ধাক্কা দিয়ে মিনা বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়। এরপর সে বাড়িতে আর যাননি মিনা।
কিন্তু তিনি পুলিশের কাছে কোন অভিযোগ করেননি। তাঁর ধারণা এ অভিযোগ কেউ বিশ্বাস করবে না।
এরপর থেকে সে দম্পতি মিনাকে চাপ দিতে থাকে যাতে সে ধার করা অর্থ ফেরত দেয়।
প্রথমে তারা প্রথমে টেলিফোনে হুমকি দেয়। এরপর মিনাকে ভয় দেখানোর জন্য তাঁর বাসায় এক ব্যক্তিকে পাঠানো হয়।
গৃহকর্তার স্ত্রী উল্টো মিনাকে দোষারোপ করতে থাকে।
তিনি বলেন, মিনার পোশাক তাঁর স্বামীকে প্রলুব্ধ করেছে। এরপর মিনা ভীত এবং বিষণ্ণ হয়ে পড়ে। সে ঋণও শোধ করতে পারছে না আবার সে বাড়িতে কাজেও ফিরে যেতে পারছে না।
এমন পরিস্থিতিতে মিনা অন্য যে বাড়িতে কাজ করতো, সে বাড়ির লোকদের কাছে তাঁর দু:সহ যন্ত্রণার বিষয়টি তুলে ধরেন।
সে বাড়ির একজন মিনাকে গৃহকর্মীদের একটি সংগঠনের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়।
তখন সে সংগঠনের তরফ থেকে বৃদ্ধ দম্পতির সাথে যোগাযোগ করা হয়। বলা হয়, তারা যদি মিনাকে হয়রানি বন্ধ না করে, তাহলে পুলিশের সাহায্য নেয়া হবে।
মিনার হাতে কিছু জমানো অর্থ ছিল। সে অর্থ দিয়ে তাদের কাছ থেকে নেয়া ঋণ যতটুকু সম্ভব হয়েছে ততটুকু শোধ করেছে মিনা।
ভারতে কর্মজীবী নারীদের ৯৪ শতাংশ মিনার মতো গৃহকর্মী, নির্মাণ শ্রমিক, গার্মেন্টস শ্রমিক কিংবা রাস্তার পাশে ক্ষুদে বিক্রেতা।
২০১২ সালে আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা অক্সফাম ভারতের আটটি শহরে কর্মজীবী নারীদের উপর একটি জরিপ করে।
সে জরিপে দেখা যায়, কর্মজীবী নারীদের ১৭ শতাংশ যৌন হয়রানির শিকার।
এদের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় আছে নারী শ্রমিকরা। তাদের ২৯ শতাংশ এবং গৃহকর্মীদের ২৩ শতাংশ যৌন হয়রানির শিকার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
February
(329)
-
▼
Feb 11
(14)
- ভূ-রাজনীতি এবং বাংলাদেশের নির্বাচন by মুবাশ্বের হা...
- মার্শাল শুধু আমার শরীরটাকেই ব্যবহার করেছে: মডেলকন্...
- ১৩৭০০ পাউন্ড দাও, নাহলে তোমার সেক্স টেপ ফাঁস করে দেবো
- এ কি করলেন ওরা
- আইফোন থেকে আলপিন, সবই হয় যেখানে by পিয়াস সরকার
- সাড়ে তিন লাখ টাকায় কবরের জমি
- ফুলটাইম সরকারি চাকরি পার্টটাইমে ছিনতাই! by জিয়া চৌ...
- সাগর-রুনি হত্যার ৭ বছর: এখনো জানা যায়নি তদন্তের ফল...
- এক প্রবাসী নারীর জেল অভিজ্ঞতা by মরিয়ম চম্পা
- ছাঁটাই নিয়ে অস্থির পোশাক খাত
- বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে চাপ বাড়ছে
- উপজেলা পর্যায়ে মহাপরিকল্পনার নির্দেশ -এলজিআরডি মন্...
- বাংলাদেশের সহায়তায় ত্রিপুরাকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ...
- এক গৃহকর্মীকে যৌন হয়রানির কাহিনী -বিবিসি বাংলা
-
▼
Feb 11
(14)
-
▼
February
(329)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...