Wednesday, August 26, 2015
রোহিঙ্গা বলেই নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষিত একমাত্র রোহিঙ্গা এমপি
গত ২২শে আগস্ট তার মনোয়নপত্র নাকচ হওয়ার পরে জনাব মঙ মংডুর জেলা নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের ঘোষণা দিয়েছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের পদ্ধতিগত এথনিক ক্লিনজিংয়ের অংশ হিসেবে ইসি ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ঘটনা বাংরাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে আরও দুরূহ করে তুলতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। অং সান সু চি যদিও আগামী নভেম্বরের নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে কিনা সে বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। কিন্তু রোহিঙ্গা এমপিকে বিনা দোষে বহিষ্কার করা প্রশ্নে কোন মন্তব্য করেননি।
আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে নির্দিষ্ট কারণ দেখিয়ে বহিষ্কার করা হয়েছে। অথচ প্রতিবেশী মিয়ানমারের রোহিঙ্গা এমপি কেবল জাতিগতভাবে রোহিঙ্গা বলেই তাকে বহিষ্কার হতে হলো। তবে তাও তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ দেয়নি। তিনি এখনও এমপি কিন্তু তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে এই যুক্তিতে যে তিনি এতকাল অবৈধভাবে এমপি ছিলেন। কারণ তার জন্মের সময় তার বাবা মা মিয়ানমারের বৈধ নাগরিক ছিলেন না।
সংবাদ সংস্থার খবরে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা এমপির বাবা আবদুল হাদি ১৯১৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৭৮ সালে অবরস নেয়ার আগ পর্যন্ত তিনি মিয়ানমার সরকারের পুলিশ অফিসার পদে দায়িত্ব পালন করেন। মঙের বাবা-মা ১৯৫৭ সালে জাতীয় নিবন্ধন কার্ড পেয়েছিলেন।
আইনানুযায়ী ২০১৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এমপির পদে তিনি বহাল থাকবেন। কিন্তু তার নিজের দল তাকে কার্যত বহিষ্কার করেছে।
পঁচিশ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে মিয়ানমার।
অং সাং সু চির এলএলডি সহ কয়েক ডজন দল নির্বাচনে অংশ নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সংসদের ২৫ শতাংশ আসন সেনাবাহিনীর সংরক্ষিত থাকবে।
এখনও দেশটির পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে রয়েছে সেনাবাহিনীর সমর্থিত দল।
দেশটির সেনাসমর্থিত ক্ষমতাসীন দল ইউএসডিপি এই প্রথমবারের মতো অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
তবে দেশটির সংবিধানে পরিবর্তন না আনায়় এই নির্বাচনেও প্রেসিডেন্ট পদের জন্য প্রার্থী হতে পারবেন না অং সান সু চি। ২০১০ সাল থেকে সামরিক সরকার শাসিত এই দেশটিতে সংস্কার শুরু হয়েছে।
তারই ধারাবাহিকতায় সেনাবাহিনীর পরিবর্তে সেনাসমর্থিত বেসামরিক সরকার দেশ পরিচালনা শুরু করে। আগামী ৮ই নভেম্বর মিয়ানমারের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন সেনাসমর্থিত দল ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (ইউএসডিপি) পাশাপাশি অংশ নেবে অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি। নির্বাচনে এ প্রথমবারে মতো মুখোমুখি হবে ক্ষমতাসীন ইউএসডিপি এবং ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি।
তবে এ নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য প্রার্থী হতে পারবেন না সু চি। কেননা সংবিধানে কোন পরিবর্তন আনেনি দেশটির সরকার। ২০১০ সাল থেকে সামরিক সরকার শাসিত সরকার দেশটিতে সংস্কার শুরু করেছে। এর ফলে সেনাবাহিনীর পরিবের্ত সেনাসমর্থিত বেসামরিক সরকার দেশ চালাবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইতিহাসের আয়নায় দেখা মুখ by সাজেদুল হক
আচ্ছা ইতিহাস কিভাবে মনে রাখবে এই মানুষটিকে। যুদ্ধংদেহী মনোভাব থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নিয়ে আসার কৃতিত্ব তাকে দেয়া হবে; নাকি ইতিহাস বলবে, তার সময়ে বিশ্বব্যাপী মার্কিন কর্তৃত্ব ক্রমশ শিথিল হয়েছে।
বাংলাদেশে ইতিহাস সবসময়ই অন্যতম আলোচ্য বিষয়। মাঝে এ আলোচনা কিছুটা কমে এসেছিল। রাজনীতিতে বিরোধী পক্ষের ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়া এর অন্যতম প্রধান কারণ। তবে নাটকীয়ভাবে ইতিহাস আবার ফিরে এসেছে বাংলাদেশে। যদিও এ দেশের রাজনীতিবিদরা ইতিহাসের আয়নায় তাদের মুখ দেখার চেষ্টা করেন কি-না তা বলা মুশকিল। ঠাট্টার ছলে এক রাজনীতিবিদ একবার বলেছিলেন, আমার বাসায় একটা লম্বা আয়না আছে। আমি প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আয়নায় নিজের চেহারা দেখি। কবি হেলাল হাফিজ অবশ্য লিখেছেন- একদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখলাম শুধু আমাকেই দেখা যায়। আলোর প্রতিফলন প্রতিসরণের নিয়ম না জানা আমি সেই থেকে আর কোন দিন আয়না দেখি না।
হয়তোবা এ কারণেই ইতিহাসের আয়নার সামনে দাঁড়াতে আমাদের যাবতীয় অনীহা। তবুও শেষ পর্যন্ত ইতিহাসের আয়নার সামনে আমাদের দাঁড়াতেই হয়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাসদ একটি অমীমাংসিত অধ্যায়। ইতিহাসের এক উজ্জ্বল প্রজন্ম জাসদের ছায়াতলে আশ্রয় নিয়েছিল। চোখে তাদের বিপ্লবের স্বপ্ন। সে স্বপ্ন ব্যর্থ হয়। কেন সেই ব্যর্থতা সে আলোচনা অবশ্য ভিন্ন। সত্য গল্পের চেয়েও রোমাঞ্চকর- মার্ক টোয়েনের সেই বিখ্যাত উক্তি জাসদের রাজনীতির ক্ষেত্রে হয়তো সবচেয়ে বড় এক সত্য। সেই জাসদ নিয়ে আবার তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। এবার শুরু করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়ামের প্রভাবশালী সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। বলেছেন, জাসদই বঙ্গবন্ধু হত্যার পথ পরিষ্কার করে দিয়েছিল। একই মত আওয়ামী লীগের যুগ্ম সধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফের। তবে জাসদ সভাপতি, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, কুচক্রীমহল জাসদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
তবে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে জাসদের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে বছর খানেক আগে লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদের লেখা- ‘জাসদের উত্থান-পতন: অস্থির সময়ের রাজনীতি’ বইটি প্রকাশিত হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। জাসদ এখন ক্ষমতাসীন সরকারের অংশীদার বলেই হয়তো এ বিতর্ক এতটা প্রবল। ওই বইতে মহিউদ্দিন আহমদ লিখেছেন, সন্ধ্যায় খোন্দকার মোশ্তাক আহমদ বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তাহের উপস্থিত ছিলেন। দু’দিন পর ১৭ই আগস্ট সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নঈম জাহাঙ্গীর নারায়ণগঞ্জে তাহেরের বাসায় যান পরিস্থিতি সম্পর্কে আঁচ করতে। ১৯৭১ সালে নঈম ১১ নম্বর সেক্টরে তাহেরের সহযোদ্ধা ছিলেন এবং প্রায়ই তার সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করতেন। তাহের আক্ষেপ করে নঈমকে বললেন, ওরা বড় রকমের একটা ভুল করেছে। শেখ মুজিবকে কবর দিতে অ্যালাও করা ঠিক হয়নি। এখন তো সেখানে মাজার হবে। উচিত ছিল লাশটা বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেয়া।
তবে জাসদের পক্ষ থেকে বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। শেখ সেলিম তার সাম্প্রতিক বক্তব্যে ১৫ই আগস্টের দিনে যথাযথ ভূমিকা পালন না করার জন্য তৎকালীন সেনা প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) কে এম সফিউল্লাহকে অভিযুক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন সেনা প্রধান সেদিন যথাযথ দায়িত্ব পালন করেননি। উল্টোদিকে, কে এম সফিউল্লাহ অভিযোগ করেছেন, মোশতাকের সঙ্গে সেলিমের আঁতাত ছিল। এ বিতর্কও অবশ্য একেবারে নতুন কিছু নয়। যেমন নতুন নয়, বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন থেকেই অভিযোগ করা হচ্ছে, বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়া জড়িত ছিলেন।
কবি আল মাহমুদ তার কবির মুখ গ্রন্থে লিখেছেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিশ্চয়ই একদিন কেউ না কেউ সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করবে। হয়তো শতবর্ষ পরে। তখন আজকের প্রগতিশীলরা থাকবেন না। প্রতিক্রিয়াশীল বলেও কেউ হয়তো আর থাকবেন না। শুধু থাকবে ইতিহাসের কঠোর বাস্তবতার বলিরেখাযুক্ত মুখায়ব।
বাংলাদেশে হয়তো সে ইতিহাস লিপিবদ্ধ হতে শুরু করেছে। শুধু মুক্তিযুদ্ধ নয়; অন্যান্য অধ্যায় নিয়েও।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আওয়ামী লীগের অনেক নেতা মোশতাক সরকারে যোগ দিয়েছিলেন: ইনু
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাথাপিছু আয় বনাম মধ্যম আয়ের চক্কর by ফারুক মঈনউদ্দীন
জন্মসাল থেকে ১২৯ ডলার মাথাপিছু আয়কে ৪৩ বছরের মাথায় ১০ গুণ বাড়িয়ে তোলা দেশটি যে ভবিষ্যতে আরও বহুদূর যেতে পারে, সেটি এখন আর খুব সুদূরপ্রসারী স্বপ্ন মনে হয় না। এই সারণি থেকে দেখা যায়, স্বাধীনতার পর থেকে প্রথম দশকের মাথায় আমাদের মাথাপিছু আয় বেড়েছিল ৭১ শতাংশ, বৃদ্ধির এই হার বেশি হওয়ার মূলে রয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির প্রথম বছরগুলোর অতি নিম্ন ভিত্তির আয় হার। তার পরের দুই দশকে এই আয় বৃদ্ধির হার ২৮ এবং ২৭ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায়-স্থবির। এ পর্যায়ে ২০০০-পরবর্তী অর্থাৎ নতুন শতাব্দীর প্রথম দশকের বৃদ্ধির হার লক্ষণীয়, ১১৪ শতাংশ এবং তার পরের মাত্র চার বছরের মাথায় গিয়ে এই বৃদ্ধি ৭০ শতাংশে পৌঁছে গেছে। ২০২০ সালে গিয়ে সংখ্যাটা কোথায় দাঁড়াবে সেটি দেখার জন্য আমাদের আরও কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হবে।
দারিদ্র্যের হার ১৯৭০ দশকের ৮০ শতাংশ থেকে কমে ২০১০ সালের হিসাবে নেমে এসেছে ২৬ শতাংশে। বিশ্বব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে ২০০০ সালের দরিদ্র মানুষের (দৈনিক আয় ২ ডলার অথবা খাদ্য গ্রহণ ২১০০ ক্যালরির কম) সংখ্যা ৬ কোটি ৩০ লাখ থেকে কমে ২০১০-এ দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৭০ লাখে। যুক্তরাষ্ট্রের টাইম ম্যাগাজিন এই সাফল্য সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছিল, দারিদ্র্য হারের এই দ্রুত পতনশীল হার বাংলাদেশকে জাতিসংঘ নির্ধারিত সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে দেবে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই। একটি ক্রমবর্ধনশীল এবং ঘন জনসংখ্যার দেশে এ রকম সাফল্য অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।
এই সাফল্যের পেছনের কারণ রয়েছে অনেক। বিগত দশকগুলোতে পশ্চাৎপদ কৃষিনির্ভর অর্থনীতি থেকে বের হয়ে বাংলাদেশ ক্রমেই শিল্প এবং সেবা খাতনির্ভর উন্নয়ন কৌশলের দিকে ধাবিত হয়েছে। ফলে শতাব্দী ধরে চলা কৃষি খাতের উদ্বৃত্ত শ্রমশক্তি স্থানান্তরিত হয়েছে শিল্প এবং অন্যান্য অসংগঠিত খাতে, যা এই অদক্ষ অথচ ছদ্ম বেকার জনশক্তির আয় বৃদ্ধি করেছে। অন্যদিকে কৃষি খাতে প্রযুক্তি এবং অন্যান্য উন্নত পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে একদিকে যেমন বেড়েছে কৃষি উৎপাদনের হার, অন্যদিকে অর্থকরী ফসলমুখী প্রবণতা কৃষি খাতকে প্রান্তিক আয়ের উৎসে আটকে রাখেনি, কৃষিব্যবস্থাকে করেছে মুনাফানির্ভর। এই উভয়মুখী প্রক্রিয়া দারিদ্র্য নিরসন এবং আয় বৃদ্ধির একটা প্রধান নিয়ামক।
কৃষি খাতের এই সাফল্য পরিমাপ করার জন্য কোনো উপাত্তের প্রয়োজন পড়ে না, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং হ্রাসকৃত কৃষিজমির বিপরীতে আমদানিনির্ভরতার অবসান থেকেই হদিস মেলে এই সাফল্যের। কৃষি খাতে এই বিপ্লবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পের বর্ধিত অবদান, অনাবাসী বাংলাদেশিদের ক্রমবর্ধমান হারে রেমিট্যান্স, ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান এবং আয় বৃদ্ধি, সেবা খাতের বিভিন্ন শাখার প্রবৃদ্ধি এবং সামষ্টিক অর্থনীতি ব্যবস্থাপনার সাফল্য। বিগত কয়েক বছর ধরে পরিচালিত আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে যুক্ত করেছে অর্থনীতির কর্মপ্রবাহের মূল স্রোতোধারায়। এটির সুফল প্রাপ্তি এখন সময়ের ব্যাপার। নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারীশিক্ষা প্রসারকেও চলমান সাফল্যের একটি উল্লেখযোগ্য নিয়ামক হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। অর্থনীতির এই সফলতার হার নিঃসন্দেহে আরও বেশি হতো, যদি বিগত সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সংঘবদ্ধ দুষ্কৃতকারী ব্যবসা-বাণিজ্যের গতিকে স্থবির করে না দিত।
নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে উঠে আসা ধারাবাহিক সাফল্যেরই স্বীকৃতি, এ কথা মেনে নিয়েও মনে রাখতে হবে আমাদের পার হতে হবে আরও বন্ধুর পথ। কারণ, নিম্ন আয় বা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে আসার কিছু চ্যালেঞ্জও আমাদের মোকাবিলা করতে হবে। এত দিন বাংলাদেশ অনুন্নত দেশের তালিকায় থাকার কারণে দাতা সংস্থা এবং উন্নত দেশগুলো থেকে স্বল্প সুদে ঋণসহ যেসব সুবিধা ভোগ করত, কিংবা রপ্তানিতে কোটা বা জিএসপি-সুবিধার জন্য বিবেচ্য হতো, সেসব সুবিধার পথ সংকীর্ণ হয়ে যেতে পারে। উপরন্তু, মধ্যম আয়ের বিভিন্ন দেশ একটা পর্যায়ে পৌঁছার পর যে বিপাকে পড়ে, সেটির নাম মধ্যম আয়ের চক্কর। এটা এমনই একটা অবস্থা, যখন একটি দেশ মাথাপিছু আয়ের কোনো এক স্তরে পৌঁছে অন্যান্য প্রতিকূল অবস্থার কারণে এক জায়গায় গিয়ে আটকে যায় এবং সেই অবস্থা থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারে না। এর কারণ হিসেবে বলা হয় যে কৃষি খাত থেকে অকৃষি খাতে শ্রমশক্তির অবাধ সরবরাহ এবং পুঁজিঘন লাভজনক বিনিয়োগের প্রাথমিক উচ্ছ্বাস একপর্যায়ে স্তিমিত হয়ে আসে এবং প্রযুক্তি যুগোপযোগিতা হারায়।
এ পর্যায়ে অর্থনীতির চালিকাশক্তি নবায়নের জন্য প্রয়োজন হয় দক্ষ জনশক্তি, উন্নততর প্রযুক্তি এবং যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিক ও অবকাঠামোগত ভিত্তি। কিন্তু কেবল আয় বৃদ্ধিতে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে গিয়ে অন্যান্য দিক উপেক্ষা করার ফলে উন্নয়নের সব সহযোগী নিয়ামক নিশ্চিত করার মতো সক্ষমতা থাকে না দেশটির। এ ছাড়া উচ্চ মাথাপিছু আয়ের জোয়ারে শ্রমের মূল্য বেড়ে গেলে নিম্ন মধ্যম ও মধ্যম আয়ের দেশ হারায় রপ্তানির প্রতিযোগিতামূলক বাজার। অন্যদিকে শিল্পজাত পণ্য উৎপাদনেও উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে পেরে ওঠে না এসব দেশ। ফলে অপর্যাপ্ত বিনিয়োগ এবং নিম্ন প্রবৃদ্ধির কারণে মধ্য কিংবা নিম্ন মধ্যম আয়ের চক্কর থেকে বের হতে পারে না দেশগুলো। লাতিন আমেরিকার মেক্সিকো বা ব্রাজিল কিংবা আমাদের বাড়ির পাশের ইন্দোনেশিয়া বা থাইল্যান্ড এই চক্করে পড়ে আছে এখনো।
অর্থনীতিবিদেরা একসময় উপলব্ধি করেন যে উচ্চ আয়বৈষম্য থাকলে মাথাপিছু আয় দিয়ে কোনো দেশের প্রকৃত অর্থনৈতিক স্বাস্থ্য নিরূপণ করা যায় না। এই আবিষ্কারের আলোকে প্রণীত হয় (১৯৯০) জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচক (এইচডিআই)। কেবল মাথাপিছু আয়ের পরিবর্তে একটি দেশের সার্বিক মূল্যায়নের জন্য আরও কিছু বিষয় নিয়ে প্রণীত এই সূচক যে অধিকতর গ্রহণযোগ্য, তার যৌক্তিকতা মেলে মধ্যম আয়ের চক্করে পড়া দেশগুলোর দৃষ্টান্ত থেকে। এই সূচকের মূল চারটি বিবেচ্য বিষয়ের একটি হচ্ছে মাথাপিছু আয়। অন্যান্য তিনটি বিষয়ের মধ্যে রয়েছে জন্মকালীন সম্ভাব্য আয়ুষ্কাল, স্কুলজীবনের গড় বছর এবং স্কুলজীবনে টিকে থাকার সম্ভাব্য সময়। এই সূচকের আংশিক সংশোধন করে পরবর্তী সময়ে বৈষম্য-সমন্বিত সূচক প্রবর্তন করা হয়, যাতে কেবল স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং আয়কেই বিবেচনায় নেওয়া হয় না, এসব ক্ষেত্রের প্রাপ্তির ফলাফলকে নিরূপণ করা হয় বৈষম্যের বিচারে। বৈষম্যের কারণে মানব উন্নয়নের যে ক্ষতি সাধিত হয়, সেটিই আগের সূচকের সঙ্গে এটির পার্থক্য। ২০১৩ সালের ভিত্তিতে প্রস্তুত অসাম্য-সমন্বিত সূচকের ২০১৪-এর রিপোর্টে দেখা যায়, বাংলাদেশের অবস্থান ১০৩তম, যেখানে ভারত ১০০তম এবং পাকিস্তান রয়েছে ১০৮তম অবস্থানে।
একটি দেশ মাথাপিছু আয়ের বিচারে উচ্চ অবস্থানে থেকেও মানব উন্নয়ন সূচকে পড়ে থাকতে পারে অনেক নিচে। অতএব, এ কথা সহজেই বলা যায়, কেবল মাথাপিছু আয় নিয়ে সন্তুষ্ট থেকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, কর্মসংস্থান ইত্যাদি বিষয়গুলোকে উপেক্ষা করলে দীর্ঘ মেয়াদে দেশ আটকে পড়তে পারে নিম্ন মধ্যম আয়ের চক্করে, তখন উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে যুক্ত হওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।
বাংলাদেশ যে মধ্যম আয়ের দেশের সর্বনিম্ন সোপানে পা রাখতে সক্ষম হয়েছে, সেই সক্ষমতা এখনো টলমল, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা কিংবা বড় কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় টলিয়ে দিতে পারে এই অবস্থান। আমাদের জনসংখ্যাঘন বিশাল বাজারের কল্যাণে জিডিপির একটা নির্দিষ্ট পর্যায়ে অবস্থান প্রায় নিশ্চিত থাকলেও তার কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি নির্ভর করবে অন্যান্য নিয়ামক এবং সহায়ক শক্তির ওপর। সুতরাং সদ্যপ্রাপ্ত এই শিরোপা ধরে রাখার জন্য আমাদের পাড়ি দিতে হবে আরও দীর্ঘ পথ, নজর রাখতে হবে এই সাফল্য ধরে রেখে অগ্রসর হওয়ার দিকে। কেবল মাথাপিছু আয়ের আত্মতুষ্টিতে বিভোর থাকলে অর্জিত হবে না অর্থনীতি ও জনগণের সার্বিক মঙ্গলসূচক কোনো পরিকল্পনা।
ফারুক মঈনউদ্দীন: লেখক ও ব্যাংকার৷
fmainuddin@hotmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৮ গুমের ঘটনা তদন্তে সরকারকে জাতিসংঘের চিঠি
ওই ৮ জন ছিলেন অপহৃত ১৯ জনের মধ্যে। তাদের প্রায় সবাই বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বা এর অঙ্গসংগঠনসমূহের সদস্য। ২০১৩ সালের ২৮শে নভেম্বর থেকে ১১ই ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকা ও এর আশপাশ থেকে ২ সপ্তাহের মধ্যে তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরিবার ও নিরপেক্ষ প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ৮ জনের মধ্যে ৬ জন আসাদুজ্জামান রানা, জাহিদুল ইসলাম তানভীর, মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম রাসেল, আল-আমিন, আবদুল কাদের ভূঁইয়া ও শাজেদুল ইসলামকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নির্মাণাধীন একটি ভবনের বাইরে থেকে র্যাব ২০১৩ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর রাতে তুলে নিয়ে যায়। পরদিন অর্থাৎ, ৫ই ডিসেম্বর ভোরের দিকে অপর দুই ব্যক্তি মোহাম্মদ কাওসার ও আদনান চৌধুরীকে শাহীনবাগের কাছে তাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় র্যাব। সেখানকার প্রত্যক্ষদর্শীদেরও দাবি, এ ঘটনায় র্যাব জড়িত।
২০১৫ সালের ৫ই আগস্টে লেখা একটি চিঠি দেখেছে নিউ এইজ কর্তৃপক্ষ। আর্জেন্টিনার আইন বিষয়ক অধ্যাপক এরিয়েল ডুলিৎজকি ৫ সদস্যবিশিষ্ট জাতিসংঘ ওয়ার্কিং গ্রুপের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। ওই চিঠিতে তিনি লিখেছেন, গত মে মাসে বিশেষজ্ঞরা ‘মামলাগুলো (৮টি) বিবেচনায় নিয়েছেন এবং সেগুলো ২০১৫ সালের ৩রা জুলাই বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছেন।’ ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘মামলাসমূহ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপ আশা প্রকাশ করেছিল যে, পূর্বোল্লিখিত ব্যক্তিদের ভাগ্যে কি ঘটেছে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে, তাদের বর্তমান অবস্থান ও অধিকার সংরক্ষণে যথাযথ তদন্ত পরিচালিত হবে।’
এতে প্রতীয়মান যে, জাতিসংঘ ওয়ার্কিং গ্রুপ ২ সপ্তাহে গুম হওয়া বাকি ১১ জনের ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের কাছে এখনও কোন তদন্ত চায়নি। তীব্র রাজনৈতিক বিক্ষোভ-আন্দোলন চলাকালীন গুমের ঘটনাগুলো ঘটে। বিরোধী বিএনপি-জামায়াতে ইসলামী জোট নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের ব্যাপারে তখন সরকারকে বাধ্য করতে চাপ প্রয়োগ করছিল। যানবাহনে পেট্রল বোমায় দগ্ধ হয়ে সাধারণ মানুষের মৃত্যুর জন্য বিরোধী দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনানা হচ্ছিল। এদিকে গুমের ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পর সরকার ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করে। সব বিরোধী দল ওই নির্বাচন বর্জন করে।
চিঠির বক্তব্য অনুযায়ী, জেনেভায় আগামী ১৪ থেকে ১৮ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওয়ার্কিং গ্রুপ আলোচনায় বসবে। তখন ৮ জনের গুম এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া যে কোন তথ্য পুনরায় বিবেচনা করবে সংগঠনটি। ওয়ার্কিং গ্রুপের চিঠিতে উল্লেখিত অপহৃত ৮ জনের মধ্যে একজন শাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন সানজিদা ইসলাম বলছিলেন, র্যাব আমার ভাইকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর প্রায় দেড় বছর অতিবাহিত হয়েছে এবং তিনি আজও নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি বলছিলেন, আমার ভাইকে ফিরিয়ে দিতে বা তার ভাগ্যে কি ঘটেছে তা আমাকে জানানোর জন্য আমি বাংলাদেশ সরকারের ওপর জাতিসংঘ ওয়ার্কিং গ্রুপেরযে কোন ধরনের চাপ প্রয়োগকে আমি স্বাগত জানাই। তিনি আরও বলেন, এতো সময় পার হওয়ার পরও যথাযথ তদন্ত প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য পুলিশ কোন মামলা নথিভুক্ত করেনি।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা ১৯ গুমের ঘটনায় জড়িত বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহ গুমের ঘটনায় সম্পৃক্ততার কোন দায় অস্বীকার করেছে। পাল্টা-অভিযোগ এনে তারা বলেছেন, অপরাধের দায়ে বিচার এড়াতেই তারা পালিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন। ওই চিঠিটির কি হলো এবং জাতিসংঘের অনুরোধের প্রেক্ষিতে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে কিনা, তা জানার প্রয়াসগুলো সফল হয়নি। ইংরেজি দৈনিকটিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা চিঠিটির ব্যাপারে কিছুই জানতেন না। মন্ত্রণালয়ের এক্সটার্নাল পাবলিসিটি উইংয়ের মহাপরিচালক এস বদিরুজ্জামান নিউ এইজকে বলেছেন, জাতিসংঘের কাছ থেকে পাঠানো চিঠির ব্যাপারে আমার কোন ধারণা নেই এবং আমি জানি না কার সঙ্গে আপনাদের কথা বলা উচিত। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ উইংয়ের মহাসচিব মুস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে বেশ কয়েকদিন যোগাযোগের চেষ্টা করেও লাভ হয়নি। গত বছরের শেষদিকে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক পত্রিকাটিকে বলেছিলেন, গুমের ঘটনাসমূহ খতিয়ে দেখবেন তিনি। তিনি বলেছিলেন, এ ব্যাপারে ইউএন ওয়ার্কিং গ্রুপের কাছ থেকে কোন অনুরোধ তার কানে আসেনি। তিনি বলেছিলেন, আমি প্রথমবারের মতো এটা শুনছি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইনু ও আনোয়ার-ই প্রথম গুলি করে: গয়েশ্বর
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পামিরা ধ্বংসের ভিডিও প্রকাশ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের আরেক মাউন্টেন ম্যান রাজারাম
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কয়লা নিয়ে ‘রামপাল রাজনীতি’ by মহিউদ্দিন আহমদ
একটা পেশাগত অভিজ্ঞতা কিন্তু খুবই প্রাসঙ্গিক উদাহরণের উল্লেখ না করে পারছি না। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্পের আওতায় ‘নিঝুম দ্বীপ ক্রস ড্যাম’-এর সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছিল। আমি ছিলাম এর সমন্বয়কারী। দলের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন মুখলেসুজ্জামান (পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক মহাপরিচালক) ও আলী আকবর হায়দার (নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক)। সম্ভাব্যতা যাচাই করে আমরা দেখেছিলাম ক্রস ড্যামটি হবে লাভজনক। নেদারল্যান্ডস সরকারের অনুদানে স্টাডিটি হয়েছিল। মূল প্রকল্প, অর্থাৎ ড্যাম তৈরি ও ভূমি উন্নয়নের জন্য নেদারল্যান্ডস সরকার ৩০ মিলিয়ন গিল্ডার (প্রায় ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) বরাদ্দ রেখেছিল। কিন্তু নেদারল্যান্ডস সরকার প্রকল্পটি অনুমোদন করলেও টাকা ছাড় করেনি। তাদের যুক্তি ছিল, হাতিয়া ও নিঝুম দ্বীপের মধ্যে প্রবাহিত চ্যানেলটি ইলিশের প্রজননক্ষেত্র কি না এবং ক্রস ড্যাম তৈরি হলে ইলিশের ডিম পাড়ার জায়গাটি নষ্ট হয়ে যাবে কি না, সে বিষয়ে আগে নিশ্চিত হওয়া দরকার।
তারা সুপারিশ করেছিল, বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য বিভাগের উচিত হবে এ বিষয়ে একটি সমীক্ষা চালিয়ে দেখা। সেই সমীক্ষা আজও হয়নি। কথাটা এ জন্য বললাম, উপকূলের কোল ঘেঁষে পায়রা বন্দরের কাছে বামনাবাদে আরেকটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি হবে। বরগুনা, পটুয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ঘেঁষে সাগরের যে অগভীর অংশ, সেটা ইলিশ মাছের সম্ভাব্য প্রজননক্ষেত্র। ওখানে বন্দর কিংবা বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে তার অভিঘাতে ইলিশ মাছের ডিম পাড়ার জায়গাটি তছনছ হয়ে যেতে পারে। বাংলাদেশের জনজীবনে ও অর্থনীতিতে ইলিশের গুরুত্ব খাটো করে দেখার উপায় নেই। আমাদের দেশে যে পরিমাণ মাছ উৎপাদন ও ধরা হয়, তার ১১ শতাংশ হলো রুপালি ইলিশ; আর সামুদ্রিক মাছের মোট সংগ্রহের ৪০ শতাংশের বেশি হচ্ছে এই ইলিশ (সূত্র: ফিসারিজ ইয়ার বুক অব বাংলাদেশ)। যাঁরা বিদ্যুৎকেন্দ্র ও বন্দর তৈরি করছেন, তাঁদের এ বিষয়টি আমলে নেওয়া দরকার।
মধ্য আয়ের দেশ হওয়া নিয়ে বাংলাদেশে রীতিমতো মাতম শুরু হয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য যে বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি জরুরি, তার একটি হলো বিদ্যুৎ। লেনিন বলেছিলেন, মার্ক্সবাদ + বিদ্যুৎ = বিপ্লব। বিজলি না হলে ঘরে আলো জ্বলে না, কলের চাকা ঘোরে না। সুতরাং আমাদের বিদ্যুতের উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়াতেই হবে। কিন্তু কীভাবে?
বাংলাদেশে মাথাপিছু বিদ্যুতের প্রাপ্তি মাত্র ২৮ ওয়াট। বলা হচ্ছে, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। সংখ্যাতত্ত্বে ফাঁকি আছে। প্রশ্ন হলো, বিদ্যুতের সংযোগ হয়তো গেছে, খাম্বাও বসেছে অনেক, কিন্তু কতজনের ঘরে দিনে কত ঘণ্টা, কত ওয়াট বিদ্যুৎ যায়? আমরা এ ক্ষেত্রে ভালো আছি যখন বলি, তখন আমরা আমাদের চেয়ে পিছিয়ে থাকা দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করি, যেমন: সোমালিয়া, হাইতি, সিয়েরা লিওন, বুরুন্ডি কিংবা নেপাল। শ্রীলংকার মানুষ মাথাপিছু বিদ্যুৎ পায় ৫২ ওয়াট, ভারতে ৯০ ওয়াট, ভিয়েতনামে ১২৭ ওয়াট, চীনে ৪৫৮ ওয়াট, দক্ষিণ কোরিয়ায় ১০৩৮ ওয়াট, অস্ট্রেলিয়ায় ১১১৪ ওয়াট, যুক্তরাষ্ট্রে ১৬৮৩ ওয়াট, ইউরোপীয় ইউনিয়নে গড়ে ৬৮৮ ওয়াট। এসব দেশের অনেকেই বিদ্যুৎ তৈরির জন্য কয়লা ব্যবহার করে। কয়লা থেকে বিদ্যুতের জোগান আসে দক্ষিণ আফ্রিকায় ৯৪ শতাংশ, চীনে ৭৯ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়ায় ৬৯ শতাংশ, ভারতে ৬৮ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ৪৩ শতাংশ, জার্মানিতে ৪৫ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যে ৩০ শতাংশ। (সূত্র: সিআইএ ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্টস বুক)
বাংলাদেশে ১৫ জুলাই সন্ধ্যায় সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ৭,৩০৪ মেগাওয়াট। এর মধ্যে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন মাত্র ২ শতাংশ। অর্থাৎ পৃথিবীর তাবৎ শিল্পোন্নত দেশ কয়লা ব্যবহার করে দ্রুত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে যাচ্ছে কিংবা ওই সমৃদ্ধি বজায় রাখছে। অন্যদিকে, সারা দুনিয়ার পরিবেশ রক্ষার দায় যেন নিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ।
বর্তমানে বাংলাদেশে অনেকগুলো কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা হয়েছে কিংবা বাস্তবায়নের পথে আছে। এর মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে বাগেরহাটের রামপাল, পটুয়াখালীর পায়রা ও মহেশখালীর মাতারবাড়ী উল্লেখযোগ্য। পায়রায় এলএনজির জন্য টার্মিনালও তৈরি হবে। সেই সঙ্গে চলছে বন্দর তৈরির আয়োজন। সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরির পরিকল্পনা আছে।
রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করা নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে। কয়েকটি পরিবেশবাদী সংগঠন এর বিরোধিতা করছে। তাদের মতে, এর ফলে সুন্দরবন ধ্বংস হয়ে যাবে। বিদেশিদের টাকা নিয়ে যারা এ দেশে পরিবেশ আন্দোলন করে, আমি তাদের নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছি না। কারণ, টাকা দেওয়া বন্ধ হলে তাদের আন্দোলনও বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু দু-একটি দেশি সংগঠন, যাদের সদস্যরা নিজেদের শ্রম ও অর্থ দিয়ে পরিবেশ রক্ষার আন্দোলন করছেন, তাঁদের বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। তাঁদের আন্তরিকতা ও সততা নিয়ে আমার প্রশ্ন নেই। আমার প্রশ্ন হলো, তাঁরা শুধু রামপালের বিরুদ্ধে সোচ্চার। কিন্তু পায়রা ও মহেশখালী নিয়ে তেমন কথা বলছেন না কেন? সমস্যা তো রামপাল নয়; সমস্যা যদি থেকেই থাকে, তা হলো কয়লায়। অর্থাৎ বলা দরকার, ‘আমরা কয়লাভিত্তিক কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র চাই না। কেননা, কয়লায় দূষণ হয় অনেক বেশি।’ কিন্তু তাঁরা শুধু রামপালেই আটকে আছেন। কেন?
তর্কের খাতিরে যদি ধরে নিই যে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে না, তাহলেই কি সমস্যা মিটে যাবে? ওই অঞ্চলে দূষণের জন্য প্রধানত দায়ী হলো মংলা বন্দর। পশুর নদ দিয়ে যেসব জাহাজ আসা-যাওয়া করে, তাতে বায়ু ও পানিদূষণ হয় প্রচুর। নদীটি একেবারে সুন্দরবনের ভেতর দিয়েই গেছে। নেপাল-ভুটানে ট্রানজিট কার্যকর হলে মংলা বন্দরের ব্যবহার অনেক গুণ বেড়ে যাবে। অনেক বেশি জাহাজ আসা-যাওয়া করবে। ফলে দূষণ আরও বাড়বে। তাহলে আমরা কি মংলা বন্দর বন্ধ করে দেওয়ার দাবি তুলব?
প্রস্তাবিত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মধ্যে রামপালেরটি অপেক্ষাকৃত ছোট, ৬৬০ মেগাওয়াটের দুটি প্ল্যান্ট থেকে মোট ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ তৈরি হবে। পায়রাতেও ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিকল্পনা হয়েছে। মাতারবাড়ীতে কয়লা থেকে আসবে ৬০০০ মেগাওয়াট, এলএনজিভিত্তিক কম্বাইন্ড সাইকেল, বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আসবে আরও ৩০০০ মেগাওয়াট, জমি অধিগ্রহণ করা হবে পাঁচ হাজার একর।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে দূষণের মাত্রা হবে একেবারেই কম, যা সুন্দরবনের ক্ষতি করবে না। এ জন্য ২৭৫ মিটার উঁচু চিমনি বসানো হবে, ব্যবহার করা হবে উন্নত মানের কয়লা এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। পরিবেশবাদীরা সরকারের এই ‘স্তোকবাক্যে’ আস্থা রাখতে পারছেন না।
সম্প্রতি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রামপাল থেকে প্রস্তাবিত বিদ্যুৎকেন্দ্রটি অন্য কোথাও সরিয়ে নিতে বলেছেন। জিয়াউর রহমানের আমলে চকরিয়া সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বন সাফ করে বিশ্বব্যাংকের ঋণে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের চিংড়িঘের করার জন্য জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এখন খালেদা জিয়ার কথায় মনে হতে পারে, পরিবেশ ধ্বংসের কাজটি তাঁর স্বামী মারা যাওয়ার পরই শুরু হয়েছে।
এটা উল্লেখ করা প্রয়োজন যে রামপালে অর্থের জোগান অংশত আসবে ভারত থেকে, পায়রায় আসবে চীন থেকে এবং মাতারবাড়ীতে আসবে জাপান থেকে। সংগত কারণেই প্রশ্ন উঠতে পারে, অভিযোগটা কি কয়লার বিরুদ্ধে, না রামপালে ভারতের সংশ্লিষ্টতার বিরুদ্ধে। কই, চীন ও জাপানের অর্থায়নে অন্য দুটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিরুদ্ধে তো অভিযোগ দেখছি না। আমি এ নিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁদের ভাষ্য হলো, ভারত একটি ‘অবিশ্বস্ত প্রতিবেশী’। সুতরাং তারা যেখানে আছে, তা মেনে নেওয়া যায় না।
আমি আগেই বলেছি, স্বেচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সংগঠনের অনেক সদস্যের সততা নিয়ে আমার কোনো প্রশ্ন নেই। শেখ হাসিনা নিজে বলেছেন, সুন্দরবনের ক্ষতি হবে না। আমি এটা বিশ্বাস করি না যে শেখ হাসিনার দেশপ্রেম নেই এবং তিনি সুন্দরবন ধ্বংস করতে চান। তাঁর অনেক ব্যাপারে আমার প্রশ্ন আছে। কিন্তু জেনেশুনে সুন্দরবন উজাড় করে দেবেন, এটা আমার মনে হয় না। তাহলে সমস্যাটা কোথায়?
জনগণের ক্ষতি হলে তাঁরা তা মেনে নেন না। এর আগে কানসাট ও ফুলবাড়ীতে আমরা তার প্রমাণ পেয়েছি। স্থানীয় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনের স্বরূপ আমরা দেখেছি, রামপালে তেমনটি হয়নি। সাধারণ মানুষ কিছুই বোঝেন না আর পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো সবজান্তা—এটাও মনে করার কোনো কারণ নেই।
আমার পরামর্শ হলো, সরকারের উচিত হবে একটা জাতীয় সংলাপের মাধ্যমে তার অবস্থান পরিষ্কার করে তুলে ধরা এবং যে প্রযুক্তি রামপালে ব্যবহার করা হবে, তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা। কয়েক দিন পর পর ঢাকার কোনো হোটেলে কিংবা কনভেনশন সেন্টারে পেশাজীবীদের গোলটেবিলের নামে মুখচেনা কিছু দলীয় লোক যে রকম গৎবাঁধা কথা বলে যান, সে রকম নয়। সচেতন নাগরিকদের সঙ্গে সরকারের যে মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব তৈরি হয়েছে, একটা উপযুক্ত সংলাপের মাধ্যমে তার মীমাংসা হতে পারে। এ নিয়ে অযথা হইচই করার দরকার নেই।
মহিউদ্দিন আহমদ: লেখক-গবেষক।
mohi2005@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাজ্যে ফিরে শিরচ্ছেদের হুমকি জিহাদি জনের!
![]() |
| মোহাম্মাদ এমওয়াজি ওরফে জিহাদি জন |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চীনের ‘বিজয় দিবসে’ যাচ্ছেন না আবে
![]() |
| শিনজো আবে |
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ কমপক্ষে ১০টি দেশের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন চীন সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা। পূর্ব চীন সাগরে কয়েকটি দ্বীপ নিয়ে জাপান ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। জাপানের সাংকেই পত্রিকা সে দেশের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানায়, বিরোধপূর্ণ দ্বীপগুলোর কাছে চীন তাদের আক্রমণাত্মক কার্যক্রম বাড়িয়েই চলছে। এখন শিনজো আবে চীনের বিজয় দিবসে অংশগ্রহণ করলে তা চীনের ওই আক্রমণাত্মক কার্যক্রম মেনে নেওয়ারই শামিল বলে মনে হতে পারে। এ কারণে অনুষ্ঠানে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে বিজয় দিবস নিয়ে অনুষ্ঠানের বিভিন্ন অনুশীলন শুরু করেছে চীন। অনুশীলনের বেশ কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। পত্রপত্রিকায়ও লেখালেখি হচ্ছে। কিছু লেখায় জাপানের নৃশংসতারও কথাও বলা হয়েছে। সং লুজেং নামের চীনের একজন শিক্ষাবিদ লিখেছেন, ‘প্যারেডের মাধ্যমে চীন বুঝিয়ে দিতে চায়, তারা বিজয়ী জাতি।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কারাগারে নাশিদ
![]() |
| মুহাম্মদ নাশিদ |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নেপালের অভিজ্ঞতা, আমাদের বাস্তবতা by মো. মাহবুব জাহান খান
কথায় আছে নেপালের মানুষ কখনো কখনো রসিকতা করে বলে থাকে, ‘আমরা আগুন দেখার পর পানির জন্য কূপ খনন শুরু করি’। চার দিন বিমান ওঠা–নামা বন্ধ থাকায় প্রায় ৮০ হাজার যাত্রী বিভিন্ন স্থানে আটকে থাকেন। ভারত থেকে সে দেশের বিমানবাহিনীর সি-১৩০জে হারকিউলিস বিমান (যা ছোট রানওয়েতে ওঠা–নামা করতে পারে) প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জাম ও জনবল এনে উদ্ধারকাজ সম্পন্ন করে। এর পরের মাসের ভয়াবহ ভূমিকম্পের ঘটনা আমাদের সবারই জানা। আমরা অনেকে হয়তো এটা জানি না যে সেই একমাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এখন আর বড় রিলিফ বিমান ওঠা–নামা করতে পারছে না এবং যে জন্য দুর্যোগ-পরবর্তী রিলিফ কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সাহায্য বা বিমানের অভাব হচ্ছে না, অভাব হচ্ছে শুধু রানওয়েতে অবতরণের সুযোগ পাওয়ার। বিকল্প একটি যথাযোগ্য রানওয়ে থাকলে নেপালের উদ্ধারকাজ ও পুনর্বাসনকাজে আরও অনেক গতি আসত, এটা বলা যায় নিঃসন্দেহ। দু-চারটা ঘটনার উল্লেখ করলে বোঝা যাবে একাধিক রানওয়ে কিংবা বিকল্প বিমানবন্দর থাকার প্রয়োজনীয়তা কতটুকু।
ভূমিকম্পের ঘটনার পর ২৭ এপ্রিল রিপাবলিক অব সিঙ্গাপুর বিমানবাহিনীর তিনটি সি-১৩০ বিমান প্রচুর ত্রাণসামগ্রী, চারটি কুকুরসহ উদ্ধারকারী দল অবতরণের সুযোগ না পেয়ে দুটি ভারতের কলকাতায় ও একটি পাটনায় অবতরণ করতে বাধ্য হয়। একই দিন থাই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট (টিজি-৩১৯) সকালে উদ্ধারকর্মী ও সাংবাদিকসহ নেপালের উদ্দেশে থাইল্যান্ড ছাড়ে। কিন্তু সেখানে অবতরণের সুযোগ না পেয়ে কলকাতা এসে জ্বালানি নিয়ে পুনরায় নেপালে যায় এবং এবারও অবতরণের সুযোগ না পেয়ে কলকাতায় ফিরে আসে। কিন্তু কলকাতার সব হোটেল পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় বিমানটি পরদিন রাত আটটায় আবার থাইল্যান্ডেই ফিরে যায়। ২৯ এপ্রিল অস্ট্রেলীয় ডিফেন্স ফোর্সের দুটি সি-১৭ গ্লোবমাস্টার বিমান প্রচুর তাঁবু, মেডিকেল টিম ইত্যাদি নিয়ে নেপালে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি হয় কিন্তু অবতরণের অনুমতি না পেয়ে সেটিকেও দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়।
একই রকম অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল নেপালে বাংলাদেশের রিলিফ মিশন নিয়ে। ত্রাণসামগ্রী বিমানে ওঠানো আছে, বিমান এবং বৈমানিকসহ অন্যান্য ক্রু প্রস্তুত আছে, তবে নেই শুধু কাঠমান্ডুতে অবতরণের একটু সুযোগ। ফলে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সি-১৩০ বিমান দিয়ে যে ছয়টি মিশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে তার মধ্যে তিনটিরই সময় পরিবর্তন করতে হয়েছিল। এ ছাড়া প্রচুর বিমান ওঠা–নামার কারণে রানওয়ের অবস্থা বেশ কিছুটা খারাপ হয়ে যাওয়ায় কানাডার তিনটি এবং যুক্তরাষ্ট্রের চারটি সামরিক বিমানকে নেপালে অবতরণের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
এমন ঘটনা আরও অনেক ঘটেছে, তবে সর্বশেষ আমরা দেখলাম, ৩ মে ২০১৫ থেকে কোনো ধরনের বড় বিমানকে কাঠমান্ডুতে ওঠা–নামার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না এবং সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব নেপাল (সিএএএন) সব দেশকেই জানিয়ে দিয়েছে যে ১৯৬ টনের অধিক ওজনের বিমান নিয়ে ত্রাণসামগ্রী না পাঠাতে। নেপালের জন্য এ বাস্তবতা খুবই কঠিন এবং খুবই হতাশাব্যঞ্জক। এতে বিদেশ থেকে আসা ত্রাণ কিংবা জনবলের মাত্রা কমে যাচ্ছে, যা উদ্ধার ও পুনর্বাসনকাজকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।
এবার আসি বাংলাদেশ প্রসঙ্গে। বাংলাদেশে এই মাত্রার ভূমিকম্প হলে পরিস্থিতি কী দঁাড়াবে তা অনুমান করাও কঠিন। বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতির দেশ আমাদের এই বাংলাদেশের নির্মাণকৌশল, নির্মাণসামগ্রীর গুণগত মান, ভবনগুলোর বয়স, অপ্রশস্ত রাস্তা—ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতির মাত্রাকে ভয়াবহ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে। সে মহাঝুঁকি মোকাবিলার প্রস্তুতি আমাদের নিতেই হবে।
নেপালের বিমানবন্দরে রানওয়ের অপ্রতুলতা দিয়ে লেখা শুরু করেছিলাম, রানওয়ে দিয়েই এটি শেষ করতে চাই। রানওয়ে বিবেচনায় বাংলাদেশ নেপালের চেয়ে বর্তমানে বেশ ভালো অবস্থানে আছে। আমাদের কমপক্ষে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আছে, যেগুলোর ক্ষমতাও বেশ ভালো। কিন্তু নেপালের বর্তমান পরিস্থিতি সামনে কেটে যাবে। কারণ, সেখানে চীন সরকারের অর্থায়নে ভারত নেপাল সীমান্তের কাছে ভাইরাহাওয়া নামক স্থানে আরও একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণাধীন। ভারত-নেপাল সীমান্তের নিজগাধ নামক স্থানে তৃতীয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অনুমোদনের অপেক্ষায় এবং রিসোর্ট শহর পোখারায় আরও একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মিত হবে।
ঢাকার একমাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি যদি ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে আমাদের বিকল্প ব্যবস্থা কী? চট্টগ্রাম বা সিলেট বিমানবন্দরকে বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু এই দুটি বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, সে নিশ্চয়তা কোথায়? তা ছাড়া চট্টগ্রাম বা সিলেটে ত্রাণসামগ্রী বা উদ্ধারকারী দল নামলে তা ঢাকায় পৌঁছাবে কেমন করে? এত দীর্ঘ সড়কের কোথাও যে বড় ফাটল হবে না, সে নিশ্চয়তা কে দেবে? সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও ত্রাণসামগ্রী বা উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতে যে অতিরিক্ত সময় ব্যয় হবে, তাতে ক্ষয়ক্ষতি শুধু বেড়েই চলবে।
ঢাকার দ্বিতীয় বিমানবন্দর, যেটি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আছে সেটি অর্থাৎ তেজগাঁও বিমানবন্দরকে যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করলে তা উত্তম বিকল্প হিসেবে এ ধরনের দুর্যোগে কাজে লাগানো যাবে। উল্লেখ্য, ১৯৮৮ ও ১৯৯৮ সালের ভয়াবহ বন্যা, ১৯৯১ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়, ২০০৭ সালের সিডর ও অন্যান্য দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জন্য ত্রাণ কার্যক্রম তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকেই অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে পরিচালিত হয়। কাজেই দুর্যোগ ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার কেন্দ্র হিসেবে এ বিমানবন্দরটিকে তার অবস্থানগত সুবিধার কারণে ব্যবহার করা যথাযথ হবে। এমনিতেও তেজগাঁও বিমানবন্দরকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ‘জরুরি বিকল্প’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যেখানে আট হাজার ফুট দীর্ঘ ও ১৫০ ফুট প্রশস্ত সুবিশাল রানওয়ে রয়েছে। মাঝারি ক্যাটাগরির বিমান যেমন: সি-১৩০, এন-৩২, এফ-২৮, বোয়িং-৭৩৭ ইত্যাদি এখানে সহজেই ওঠা–নামা করতে পারবে। সবচেয়ে বড় কথা, এখানে পার্কিংয়ের জন্য যথেষ্ট জায়গা আছে, যেখানে ছোট-বড় ২০-২৫টি বিমানকে দুর্যোগকালে পার্কিং করা যাবে।
আশার কথা, সম্প্রতি (২৭-০৫-২০১৫) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমানবাহিনীর এল-৪১০ পরিবহন প্রশিক্ষণ বিমানের অন্তর্ভুক্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এল-৪১০ বিমানগুলো বর্তমানে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকেই পরিচালিত হচ্ছে। হয়তোবা অচিরেই এ বিমানবন্দরের প্রয়োজনীয় মেরামত ও সংস্কারকাজও হাতে নেওয়া হবে। সবচেয়ে বড় কথা, ভূমিকম্পজনিত কোনো দুর্যোগে এ বিমানবন্দরের আশপাশের খোলা এলাকা দুর্যোগকবলিত মানুষের জন্য প্রয়োজনে তাঁবু খাটানোর জন্যও ব্যবহার করা যাবে। ঢাকা শহরের যতটুকু জায়গা খোলা আছে, তা বড় ধরনের ভূমিকম্পে তাঁবু খাটানোর জন্য যে খুবই অপ্রতুল সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। মনে রাখতে হবে যে প্রচুর খোলা জায়গা দরকার হবে বিদেশ থেকে আসা ত্রাণসামগ্রী রাখার জন্য, উদ্ধারকর্মী ও উদ্ধার সরঞ্জাম রাখার জন্য, ফিল্ড হাসপাতাল চালু করার জন্য এবং জরুরি অন্যান্য কাজে। কাজেই আমাদের উচিত হবে সরকারি সব খোলা জায়গা যেমন: পার্ক, খেলার মাঠ ইত্যাদি যথাযথ সংরক্ষণ করা এবং নতুন খোলা জায়গা সৃষ্টি করা।
বিমানবন্দরের কথা বলছিলাম। ঢাকার অদূরবর্তী আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ), সরারচর, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ), কুমিল্লা এবং টাঙ্গাইলে বিদ্যমান এয়ার স্ট্রিপ বা রানওয়েগুলো কিছুটা সংস্কার করে জরুরি রিলিফ অপারেশনের জন্য প্রস্তুত করা যেতে পারে। আমাদের মতো ভূমিকম্পপ্রবণ একটি দেশে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে বিদ্যমান বিমানবন্দরটিকে অর্থাৎ তেজগাঁও বিমানবন্দরটিকে অবশ্যই এ ধরনের যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় ব্যবহার করার প্রয়োজনে সংরক্ষণ করা অতি জরুরি এবং সেটিই হবে আমাদের সবার প্রত্যাশা।
গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. মাহবুব জাহান খান, বিপিপি, পিএসসি: ভূমিকম্প–পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে আইবিএ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডক্টরাল প্রোগ্রামে গবেষণারত।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পঞ্চতন্ত্র ও হিতোপদেশ: দুই দু’গুণে পাঁচ by আতাউর রহমান
তা শিশুমনের উপযোগী এ কাহিনি ভারতবর্ষে তো বটেই, সারা পৃথিবীতেই সমাদৃত হয়েছে। মধ্যযুগ পঞ্চতন্ত্রের কাহিনি পারস্য হয়ে আরব দেশে পৌঁছায় এবং ওখানে ওটার নামকরণ করা হয় কালিলা ওয়া দামনা। পঞ্চতন্ত্রে বিবৃত কাহিনির অন্যতম কুশীলব হচ্ছে দমনক ও করটক নামের দুটো বুদ্ধিমান শিয়াল এবং বলাই বাহুল্য, কালিলা ও দামনা হচ্ছে যথাক্রমে করটক ও দমনকের আরব্য সংস্করণ। প্রফেসর হিট্টি তাঁর হিস্ট্রি অব দ্য সারাসেনস (History of the Saracens) গ্রন্থে এ সম্পর্কে বিস্তৃত বিবরণ দিয়েই ক্ষান্ত হননি, গুটি কয়েক গীতিগল্পও উদ্ধৃত করেছেন; আর আমাদের সৈয়দজাদা মুজতবা আলী সাহেবও দেশ পত্রিকায় রম্য সিরিয়াল লেখার সময় ‘পঞ্চতন্ত্র’ শিরোনামটি বেছে নিয়েছিলেন।
সে যাকগে। এস্থলে আমি পঞ্চতন্ত্রের বিভিন্ন তন্ত্রে বিবৃত কাহিনিগুলোর অন্তর্নিহিত কতিপয় হিতোপদেশ পরিবেশন করছি—
(১) বিষমিশ্রিত অন্ন, শিথিল দন্ত এবং দুষ্টু মন্ত্রীকে পরিত্যাগ করাই উচিত।
(২) প্রভুর সামনে ভৃত্য নীরব থাকলে সে মূর্খ, বেশি কথা বললে বাতুলতা, সহনশীল হলে ভীরু, অসহিষ্ণু হলে সদ্বংশজাত নয়, সব সময় কাছে থাকলে ধৃষ্ট আর দূরে থাকলে অযোগ্য।
(৩) দুশ্চরিত্রা ভার্যা, মুখের ওপর জবাব দেওয়া ভৃত্য আর ঘরে সাপ নিয়ে বাস মৃত্যুতুল্য।
(৪) ধর্মে আটটি পথ আছে। তা হচ্ছে যজ্ঞ, তপস্যা, দান, অধ্যয়ন, সত্য বাক্য, সন্তোষ, ক্ষমা ও লোভশূন্যতা। প্রথম চারটির জন্য মানুষ গর্ব করে আর শেষের চারটি থাকে ধার্মিকদের জন্য।
(৫) উৎসবে, বিপদে, দুর্ভিক্ষের সময়ে, রাষ্ট্রবিপ্লব উপস্থিত হলে এবং শ্মশানে (গোরস্থানে) যে উপস্থিত থাকে, সেই তো প্রকৃত বন্ধু।
(৬) যে দেশে সম্মান নেই, জীবিকা নির্বাহের উপায় নেই, বন্ধু নেই, বিদ্যাশিক্ষার কোনো উপায় নেই, সে দেশ ত্যাগ করাই ভালো।
(৭) পরশ্রীকাতর (এবং পরস্ত্রীকাতরও বটে), অত্যন্ত দয়ালু, অসন্তুষ্ট, ক্রোধী, অন্যের অন্নে জীবনধারণকারী ও সর্বদা শঙ্কামুক্ত—এরা সব সময়ই দুঃখ ভোগ করে থাকে।
(৮) অর্থনাশ, মনস্তাপ, গৃহ কলঙ্ক, বঞ্চনা ও অপমান বুদ্ধিমান মানুষ কখনো প্রকাশ করে না।
(৯) যুদ্ধের সময় বীরকে, ঋণ পরিশোধের সময় সজ্জনকে, ধর্মকর্মের সময় স্ত্রীকে আর বিপদের সময় বন্ধুবান্ধবদের ব্যবহারেই প্রকৃত স্বরূপ জানতে পারা যায়।
(১০) কাম, ক্রোধ, লোভ, মদ, মোহ ও মাৎসর্য—এই ছয় রিপু ত্যাগ করলে মানুষ সুখী হয়।
(১১) প্রণয় দ্বারা স্ত্রীকে, সম্ভ্রমের দ্বারা আত্মীয়-জ্ঞাতিবর্গকে, স্ত্রী এবং ভৃত্যদের অর্থ ও সরল ব্যবহার দ্বারা বশীভূত করবে।
(১২) যে স্ত্রী গৃহকর্মে নিপুণা, পুত্রবতী, পতিপ্রাণা এবং পতিব্রতা, সেই হচ্ছে প্রকৃত স্ত্রী।
পরিশেষে পরিবেশন করছি পঞ্চতন্ত্রের অন্তর্গত হরিণ ও কাকের বন্ধুত্ব-সংক্রান্ত সরস নীতি গল্পটি:
মগধ দেশে চম্পকবতী নামক বনে একটি হরিণ ও একটি কাক বন্ধুভাবে বাস করত। এক দিন হরিণকে দেখে এক শিয়ালের মনে খুব লোভ হলো। সে হরিণের মাংস খাওয়ার জন্য মনে মনে ফন্দি-ফিকির করতে লাগল। হরিণের বিশ্বাস অর্জন করতে সে হরিণের কাছে গিয়ে তার কুশল-সংবাদ জিজ্ঞেস করতেই হরিণ জিজ্ঞাসুনেত্রে তাকানোয় বলে উঠল, ‘আমি হচ্ছি শিয়াল। আমি বন্ধুহীন হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি, সারা বনে একজনও প্রকৃত বন্ধু খুঁজে পেলাম না। তোমাকে দেখে আমার মনে হলো, তুমি বুঝি আমার প্রকৃত বন্ধু।’ শিয়ালের কথায় হরিণের মন গলে গেল। বলল, ‘ঠিক আছে, আজ থেকে আমরা দুজনে বন্ধু হলাম।’ শিয়াল মনে মনে খুব খুশি। অতঃপর ওরা দুজনে মিলে বনে-জঙ্গলে ঘুরে বেড়াতে লাগল। সন্ধ্যা হয়ে এলে হরিণ শিয়ালকে তার নিজের বাসায় নিয়ে গেল, সেখানে তার বন্ধু কাকও চম্পকগাছে থাকত। তো শিয়ালকে দেখে ও বৃত্তান্ত শুনে কাক হরিণকে বলল, অজ্ঞাত কুলশীলের সঙ্গে বন্ধুত্ব! না-না, এ কাজটা তুমি মোটেই ভালো করোনি বন্ধু। অজ্ঞাতকুলশীলদের কখনো বাসস্থান দেওয়া ঠিক নয়। বৃদ্ধ শকুনও তো বিড়ালকে বাসস্থান দিয়েই নিহত হয়েছিল। বলেই সে শকুন ও বিড়ালের কাহিনি শোনাল।
ভাগীরথী নদীর তীরে পাহাড়ের চূড়ায় একটা পাকুড়গাছে অনেক পাখি একসঙ্গে বাস করত এবং তাদের সঙ্গে একটা বুড়ো শকুনিও ছিল। শকুনি বয়সের কারণে নিজে খাবার জোগাড় করতে পারত না বিধায় অন্যান্য পাখি খাবারের খোঁজে বেরিয়ে গেলে সে তাদের বাচ্চাগুলো পাহারা দিত আর পাখিগুলো ওর খাবার জোগাত। এভাবেই ওদের সুখের দিনগুলো যাচ্ছিল। কিন্তু একদিন অশনিসংকেতস্বরূপ এক বিড়ালের আগমন ঘটল। বিড়ালের ইচ্ছা পাখির বাচ্চাদের ধরে খাবে; কিন্তু তাকে দেখেই শকুনি তেড়ে এল। বিড়াল তখন বলল, ‘আমি নিরামিষভোজী। পাখিদের কাছে আপনার প্রশংসা শুনে আপনার কাছে ধর্মকথা জানতে এসেছি, আর আপনি অতিথি সৎকার না করে আমাকে তাড়িয়ে দিচ্ছেন?’ তার কথায় বিশ্বাস করে শকুনি বিড়ালকে থাকতে দিল; আর বিড়াল রোজই একটা করে পাখির বাচ্চা ধরে আহার করতে লাগল। কিন্তু এক দিন ব্যাপারটা ধরা পড়তেই বিড়াল বিপদ বুঝে পালিয়ে গেল এবং পাখিরা শকুনিকে ভুল বুঝে তাকে মেরে ফেলল।
কিন্তু শিয়াল তর্কাতর্কিতে ওস্তাদ। সে কাকের সঙ্গে তর্ক করে হরিণকে আশ্বস্ত করে ফেলল এবং অতঃপর তিনজনে মিলে বন্ধুর মতো বাস করতে লাগল। একদিন শিয়াল বুদ্ধি করে হরিণকে শিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকিয়ে দিল। ওর ধারণা, শিকারিরা যখন হরিণকে কাটবে তখন ওর ভাগ্যে দু-একটা হাড় অবশ্যই জুটবে। হরিণ ফাঁদে আটকা পড়ে শিয়ালকে ডেকে বলল, ‘উৎসবে, বিপদে, দুর্ভিক্ষের সময়ে এবং শ্মশানে যে উপস্থিত থাকে, সে-ই তো প্রকৃত বন্ধু। তুমি বুদ্ধি করে আমাকে বাঁচাও।’ কিন্তু ধূর্ত শিয়াল হরিণের কথায় কর্ণপাত না করে গাছের আড়ালে লুকিয়ে গেল।
শেষাবধি কাক বিষয়টা জানতে পেরে অনেক বুদ্ধি করে বন্ধুর প্রাণ বাঁচিয়েছিল, আর শিকারির ছুড়ে মারা লাঠির আঘাতে লুকিয়ে থাকা শিয়ালকে প্রাণ দিতে হলো। ওর উচিত শিক্ষাই হয়ে গেল।
আতাউর রহমান: রম্যলেখক৷ ডাক বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক৷
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফল- হেঁতাল by সৌরভ মাহমুদ
![]() |
| হেঁতাল ফল, সুন্দরবন থেকে তোলা ছবি l লেখক |
![]() |
| মঞ্জরিসহ হেঁতাল ফুল |
হেঁতালের ইংরেজি নাম ম্যানগ্রোভ ডেট পাম। বাংলাদেশ বাদে চীন, আন্দামান দ্বীপ, থ্যাইল্যান্ড, মিয়ানমার এলাকার সমুদ্র মোহনার জঙ্গলে জন্মে। ফল খেজুরের মতো তবে আকারে ছোট। ফুল ছোট, হলদেটে সাদা। পুষ্পবিন্যাস স্পাডিক্স। ফুল ফোটে এপ্রিলে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোগল স্থাপনা বিবিচিনি মসজিদ by এম জসীম উদ্দীন
![]() |
| বরগুনার বেতাগীতে মোগল স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন বিবিচিনি শাহি মসজিদ -প্রথম আলো |
বরগুনার বেতাগী উপজেলা সদর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে বিবিচিনি ইউনিয়নে এই মসজিদটি অবস্থিত। স্থানীয় লোকজন জানান, মসজিদটি দেখতে বছরজুড়ে এখানে আসেন পর্যটক ও দর্শনার্থীরা। তবে পর্যটকদের আকর্ষণ ধরে রাখা বা ঐতিহ্যের সাক্ষী হিসেবে টিকে থাকা এই স্থাপনাটি সংরক্ষণে নেই তেমন কোনো উদ্যোগ।
মসজিদটির অবস্থান প্রায় ৪০ ফুট সুউচ্চ টিলার ওপর। বর্গাকার মসজিদটির দৈর্ঘ্য-প্রস্থ ৪০ ফুট করে। চারপাশের দেয়াল ছয় ফুট আট ইঞ্চি চওড়া। উত্তর ও দক্ষিণ পাশে রয়েছে খিলান আকৃতির প্রবেশপথ। মসজিদের ইট ধূসর বর্ণের। এই ইটের দৈর্ঘ্য ১২ ইঞ্চি, প্রস্থ ১০ ইঞ্চি এবং চওড়া ২ ইঞ্চি। বর্তমান যুগের ইটের চেয়ে এর আকৃতি একেবারেই আলাদা। দর্শনার্থী ও নামাজিদের ওঠানামার জন্য মসজিদের দক্ষিণ পাশে ৪৮ ফুট দীর্ঘ ও পূর্ব পাশে ৪৬ ফুট দীর্ঘ সিঁড়ি রয়েছে।
বিভিন্ন বইপত্র ঘেঁটে জানা যায়, ষোড়শ শতকের মাঝামাঝি সুদূর পারস্য থেকে ধর্ম প্রচারের জন্য দিল্লিতে আসেন হজরত শাহ নেয়ামত উল্লাহ নামের এক সাধক। ওই সময় মোগল সম্রাট শাহজাহানের ছেলে বঙ্গ দেশের সুবাদার শাহ সুজা এই মহান সাধকের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। দিল্লিতে আসার তিন থেকে চার বছরের মাথায় ১৬৫৯ সালে শাহ সুজার আগ্রহে কয়েকজন শিষ্যকে সঙ্গে নিয়ে নেয়ামত উল্লাহ আসেন বেতাগীর এই গ্রামে। তখন এই গ্রামের নাম বিবিচিনি ছিল না। পরে শাহ সুজার অনুরোধে এই গ্রামেই তিনি এক গম্বুজবিশিষ্ট এই মসজিদ নির্মাণ করেন।
জানা যায়, শাহ নেয়ামত উল্লাহর মেয়ে চিনিবিবির নামানুসারে এই গ্রামের নামকরণ করা হয় বিবিচিনি। সেই নাম অনুসারে মসজিদটি বিবিচিনি মসজিদ নামে পরিচিতি পায়। ওই সময়ে শাহ নেয়ামত উল্লাহর অনেক অলৌকিক কীর্তি দেখে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা তাঁর কাছে ইসলাম ধর্মে দীক্ষা নেন।
বিবিচিনি মসজিদের পাশে রয়েছে তিনটি কবর। এলাকার লোকজনের মতে, এখানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন শাহ নেয়ামত উল্লাহ, তাঁর দুই মেয়ে চিনিবিবি ও ইছাবিবি। সম্রাট আওরঙ্গজেবের রাজত্বকালে ১৭০০ সালে শাহ নেয়ামত উল্লাহ ইন্তেকাল করেন।
ঐতিহ্যের সাক্ষী হিসেবে টিকে থাকা এই শৈল্পিক স্থাপনার শরীরজুড়ে এখন শুধুই অযত্ন আর অবহেলার ছাপ। মসজিদটির দেয়ালের কিছু কিছু অংশের পলেস্তারা ধসে গেলে ১৯৮৫ সালে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে মেরামত করা হয়। এরপর ১৯৯২ সালে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ মসজিদটি রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের দায়িত্ব নেয় এবং ঐতিহাসিক নিদর্শনের তালিকাভুক্ত করে। মসজিদটি দেখাশোনার জন্য প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ একজন অস্থায়ী তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করে।
আবদুল হাই নামের ওই তত্ত্বাবধায়ক জানান, ১৯৯৩ সালে মসজিদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও সংস্কারের জন্য প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ অর্থ বরাদ্দ দেয়। এরপর মসজিদের পুরোনো নকশা অক্ষুণ্ন রেখে কিছু সংস্কার হলেও সে কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি। তিনি জানা ন, মসজিদটির সামনের রাস্তাটির অবস্থা শোচনীয়। বিশুদ্ধ পানি, অজু ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগারের ব্যবস্থা না থাকায় দূরদূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের সমস্যায় পড়তে হয়। এ ছাড়া মসজিদের টিলার চারপাশের মাটি কেটে সে জমিতে চাষাবাদ করায় মসজিদটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। তত্ত্বাবধায়ক জানান, মসজিদটিতে ওঠানামার জন্য যে সিঁড়ি রয়েছে, তাও দেবে গেছে। এতে মুসল্লি ও পর্যটকদের দুর্ভোগে পড়তে হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পেঁয়াজ খান রোজ, সুস্থ থাকুন
পেঁয়াজের মধ্যে থাকা বিভিন্ন ফাইটোকেমিক্যাল শরীরে ভিটামিন সি-এর কার্যকারিতা বাড়ায়। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
পেঁয়াজের মধ্যে থাকা ক্রোমিয়াম নিয়ন্ত্রণে রাখে রক্তে সুগারের মাত্রাও।
কয়েক শতাব্দী ধরে পেঁয়াজ ব্যবহৃত হয়ে আসছে ফোলা কমাতে ও সংক্রণ রুখতে।
খাবারের সঙ্গে কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়ার অভ্যেস আছে কি আপনার? যদি থাকে তবে অবশ্যই খান। কাঁচা পেঁয়াজ ভালো কোলেস্টেরলের উত্পাদন বাড়িয়ে হার্ট সুস্থ রাখে।
পেঁয়াজে থাকা কোয়রসেটিন ক্যানসারে প্রতিরোধে সাহায্য করে।
যদি মৌমাছি হুল ফাটিয়ে দেয়, তবে পেঁয়াজের রস লাগালে আরাম পাবেন সাথে সাথেই।
গ্যাস্ট্রিক আলসারের মোকাবিলাতেও অসম্ভব উপকারী পেঁয়াজ।
পেঁয়াজের সবুজ অংশে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ।
প্রতিদিন খাওয়ার সঙ্গে যদি নুন ও লেবুর রস দিয়ে অনিয়ন সালাদ খান তবে অবশ্যই সুস্থ ও সতেজ থাকবেন আপনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ত্রিমুখী বাহাস
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে ভূমিকা নিয়ে কেএম সফিউল্লাহ ও শেখ ফজলুল করিম সেলিম বেসরকারি টিভি চ্যানেল ইন্ডিপেন্ডেন্টকে দেয়া সাক্ষাৎকারে প্রথম বাহাসে জড়ান। বাহাসের এক পর্যায়ে শেখ সেলিম বলেন, আর্মি যখন বঙ্গবন্ধুর বাসায় ঢুকে পড়ে তখন তিনি তৎকালীন সেনাপ্রধান কেএম সফিউল্লাহকে ফোন করে বলেন, তোমার আর্মি আমার বাসায় আক্রমণ করেছে। তুমি ইমিডিয়েট ব্যবস্থা গ্রহণ করো। বাহাসের এ পর্যায়ে সফিউল্লাহ বলেন, না বঙ্গবন্ধু আমাকে ফোন করেননি। আমি সকাল সোয়া পাঁচটা থেকে সাড়ে পাঁচটার ভেতর ঘটনাটি জানতে পারি এবং জানার সঙ্গে সঙ্গে আমি বঙ্গবন্ধুকে রিং করি। শেখ সেলিম বলেন, ওই সময় কেএম সফিউল্লাহ ধানমন্ডি ৩২ আসার কোন চেষ্টা করেনি। কিংবা ধানমন্ডি ৩২ বঙ্গবন্ধুর বাসায় কি ঘটছে তার তদন্ত করার জন্যও পাঁচটা ট্যাংক নিয়েও তিনি আসেননি। এ বিষয়ে কেএম সফিউল্লাহ বলেন, ট্যাংকগুলো মাসে দুইবার নাইট ট্রেনিং করতো। ১৫ই আগস্ট নাইট ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা ছিল। তাই ১৫ই আগস্ট নাইট ট্রেনিংয়ের নাম করে তারা ট্যাংক ব্যবহার করেছিল। যাতে করে কেউ কোন সন্দেহ না করে। প্রতিউত্তরে শেখ সেলিম বলেন, এটা মোটেও সত্য নয়। তিনি সব মিথ্যে কথা বলেছেন। এবিষয়ে কেএম সফিউল্লাহ বলেন, আমি যখন জানতে পেরেছি কেউ আর জীবিত নেই, তখন সেখানে আমার যাওয়ার কোন কারণ ছিল না। মৃতদেহ দেখে আমার কি লাভ হতো? শেখ সেলিম বলেন, ওইদিন সফিউল্লাহ নীরবতা পালন করেছিল এবং তিনি বাসা থেকে বের হননি। মারা যাওয়ার পর তিনি মিটিং করেছিলেন। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সফিউল্লাহ বলেন, আমি যদি ওইদিন মারা যেতাম তাহলে লাভটা কি হতো? শেখ সেলিম বলেন, শুধু ফারুক-রশিদ নয় এর পেছনে আরও শক্তি ছিল। যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে তারা ক্ষমতার লোভে এ কাজ করেছে। শেখ সেলিমের এ অভিযোগের ব্যাপারে সফিউল্লাহ বলেন, আই ডোন্ট কেয়ার। আমি তো মনে করবো- খোন্দকার মোশতাকের সঙ্গে শেখ সেলিমের আঁতাত ছিল। না হয় কেন তিনি ১৫ই আগস্ট মার্কিন দূতাবাসে গিয়েছিলেন সাহায্যের জন্য। এ বিষয়ে শেখ সেলিম, না না আমি মার্কিন দূতাবাসে কেন যাবো? সফিউল্লাহ কি আমাকে যেতে দেখেছিল? তাহলে তো উনিও সেখানে গিয়েছিলেন। কেএম সফিউল্লাহ বলেন, ১৫ই আগস্ট আমার কোন ভুল ছিল না। শেখ সেলিম বলেন, তিনি যদি সময়মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করতেন তাহলে বঙ্গবন্ধুকে বাঁচানো যেতো। এর জবাবে সফিউল্লাহ বলেন, ওই সময় যদি সব আওয়ামী লীগের লোকজন একত্র হয়ে সেনানিবাসের দিকে ধাওয়া করতো তাহলে তাদের ঠেকাতে পারতো কেউ? শেখ সেলিম বলেন, গোটা জাতি তখন হতভম্ভ হয়ে গিয়েছিল। সফিউল্লাহ বলেন, কথা বলা যায়, কিন্তু কাজের কাজ কেউ করেনি।
এদিকে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রোববার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শেখ সেলিম বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে কেএম সফিউল্লাহ এবং জাসদের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, এটা তো কোন সেনা অভ্যুত্থান ছিল না। বিপথগামী সেনা ও অবসরপ্রাপ্ত সেনারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। যখন তারা অস্ত্র নেয়, তখনই তাদের কোর্ট মার্শাল হওয়া উচিত ছিল। উনি (কে এম সফিউল্লাহ) এগিয়ে আসলেন না। কিসের জন্য তিনি নীরব ছিলেন? শেখ মনি মারা যাওয়ার দেড় থেকে দুই ঘণ্টা পর বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়। সফিউল্লাহ এখন মিথ্যাচার করে বেড়াচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু সবার কাছে ফোন করেছেন। কর্নেল শাফায়াত ছুটে এসেছিলেন। আর উনি বসে বসে বুড়ো আঙুল চুষেছেন। উনি বঙ্গবন্ধুকে বাসা থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। কত বড় বেয়াদব! বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান আর্মির ভয়ে বাসা থেকে পালান না, আর তার বানানো আর্মি দেখে উনি পালিয়ে যাবেন! তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু মারা যাওয়ার পরেই সফিউল্লাহ বিপথগামী সৈনিকদের সঙ্গে রেডিও স্টেশনে গেলেন। কেন তিনি আদেশ দিলেন না, যারা ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হয়ে গেছে, তারা আর ঢুকতে পারবে না। এরা ক্যান্টনমেন্টে ঢুকলে এদের অ্যারেস্ট করা হবে। কিন্তু অ্যারেস্ট করা হলো না। জিয়াউর রহমান ডেপুটি চিফ ছিলেন। তিনিও হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। জিয়াউর রহমান, শাফায়াত জামিল, খালেদ মোশাররফ তখন কি করেছিলেন এ প্রশ্নের জবাব একদিন দিতে হবে। এ জন্য একটা তদন্ত কমিশন গঠন করা হোক। দেড়শ’ জন সেনা কর্মকর্তার কাছে কিভাবে দেড় লাখ সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করে? তিনি বলেন, জাসদই বঙ্গবন্ধু হত্যার পথ পরিষ্কার করে দিয়েছিল। স্বাধীনতা বিরোধীরা কখনও বঙ্গবন্ধুর ওপর আঘাত হানতে পারতো না, যদি গণবাহিনী, জাসদ বঙ্গবন্ধুর বিরোধিতা করে বিভিন্ন জায়গায় ডাকাতি, মানুষ হত্যা করে, এমপি মেরে পরিবেশ সৃষ্টি না করতো। ১৫ই আগস্ট কর্নেল তাহেরের ভূমিকা সম্পর্কে শেখ সেলিম বলেন, বঙ্গবন্ধু যেদিন মারা যান, সেদিন তিনিও রেডিও স্টেশনে যান। তিনি জাসদের গণবাহিনীর প্রধান ছিলেন। একটা সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে তিনি গণবাহিনী করেছিলেন। যাকে বঙ্গবন্ধু সহানুভূতিশীল হয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান বানালেন তিনিও ওই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ক্ষমতার ভাগাভাগিতে তাহেরের কি হয়েছিল তা পরে দেখা গেছে।
পরদিন এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন ১৫ই আগস্টের পূর্বে জাসদের ভূমিকার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার পেছনে জাসদ ও গণবাহিনী দায়ী। শেখ মুজিব হত্যায় ইনুদের ভূমিকা স্পষ্ট করতে হবে। অন্যথায় সরকারের মন্ত্রিত্ব থেকে তার পদত্যাগ করা উচিত। আর মন্ত্রিত্বে থাকতে চাইলে ৭২ থেকে ৭৫-এর ঘটনার জন্য ইনু ও তার দলের ক্ষমা চাওয়া উচিত। এরপর রাতে শেখ সেলিম ও বিএনপি মুখপাত্রের ওই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে জাসদের পক্ষ থেকে বিবৃতি দেয়া হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, শেখ সেলিম আর বিএনপির মুখপাত্র আসাদুজ্জামান খান রিপন যখন একই সময়ে একই ভাষায় জাসদের বিরুদ্ধে কথা বলেন, তখন স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসে, এই অভিন্ন ভাষার যোগসূত্র কি? ওদিকে, জাসদের সভাপতি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু গতকাল এক সমাবেশে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের জঙ্গি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জানবাজি লড়াই চলছে। আমরা সেই লড়াইকে বিজয়ের শেষ পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছি; মাঝখানে দলবাজি, দখলবাজিদের উৎপাত শুরু হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল জাসদ : হানিফ
তিনি বলেন, জাসদ এবং ন্যাপসহ তৎকালীন বামসংগঠনগুলো দেশজুড়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল। এটা সত্য। এটা নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা দেয়ার সুযোগ নেই।
হানিফ বলেন, ওই বাম সংগঠনের অনেক নেতারা বিষয়টি স্বীকারও করেছেন। তারা বলেছেন, ৭২-৭৫'র বঙ্গবন্ধু সরকারের সময় যা করেছিলেন তা ভুল ছিল।
এর আগে গত রোববার রাজধানীতে শোক দিবসের এক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, স্বাধীনতাবিরোধীরা কখনো বঙ্গবন্ধুর ওপর আঘাত হানতে পারত না, যদি এই গণবাহিনী, জাসদ বঙ্গবন্ধুর বিরোধিতা করে বিভিন্ন জায়গায় ডাকাতি করে, মানুষ হত্যা করে, এমপি মেরে পরিবেশ সৃষ্টি না করতো।
তবে সোমবার এক বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে নিজেদের সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করে জাসদ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1373)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
August
(765)
-
▼
Aug 26
(19)
- রোহিঙ্গা বলেই নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষিত একমাত্র রোহিঙ...
- ইতিহাসের আয়নায় দেখা মুখ by সাজেদুল হক
- আওয়ামী লীগের অনেক নেতা মোশতাক সরকারে যোগ দিয়েছিলেন...
- মাথাপিছু আয় বনাম মধ্যম আয়ের চক্কর by ফারুক মঈনউদ্দীন
- ৮ গুমের ঘটনা তদন্তে সরকারকে জাতিসংঘের চিঠি
- ইনু ও আনোয়ার-ই প্রথম গুলি করে: গয়েশ্বর
- পামিরা ধ্বংসের ভিডিও প্রকাশ
- ভারতের আরেক মাউন্টেন ম্যান রাজারাম
- কয়লা নিয়ে ‘রামপাল রাজনীতি’ by মহিউদ্দিন আহমদ
- যুক্তরাজ্যে ফিরে শিরচ্ছেদের হুমকি জিহাদি জনের!
- চীনের ‘বিজয় দিবসে’ যাচ্ছেন না আবে
- কারাগারে নাশিদ
- নেপালের অভিজ্ঞতা, আমাদের বাস্তবতা by মো. মাহবুব জা...
- পঞ্চতন্ত্র ও হিতোপদেশ: দুই দু’গুণে পাঁচ by আতাউর ...
- ফল- হেঁতাল by সৌরভ মাহমুদ
- মোগল স্থাপনা বিবিচিনি মসজিদ by এম জসীম উদ্দীন
- পেঁয়াজ খান রোজ, সুস্থ থাকুন
- ত্রিমুখী বাহাস
- বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল জাসদ : হানিফ
-
▼
Aug 26
(19)
-
▼
August
(765)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


















