Tuesday, July 2, 2019
হংকং-এ এবার বেইজিংপন্থি সমাবেশ!

কিন্তু দেশের আইনমন্ত্রী এই ঘটনায় পুলিশের নৃশংসতা নিয়ে তদন্ত করার সম্ভাবনা নাকচ করে দেন। বিক্ষোভের মুখে ক্ষমা চায় সরকার ও প্রস্তাবিত বিল বাতিল করতে বাধ্য হয়।
বিবিসির খবরে বলা হয়, এবার পুলিশের পক্ষে রাজপথে সমবেত হয়েছেন অনেকে। স্থানীয় গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, রোববার টামার পার্কে অনুষ্ঠেয় সমাবেশে হাজির হয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার মানুষ। যদিও যথাক্রমে ১০ ও ২০ লাখেরও বেশি মানুষ সমবেত হয়েছিল গণতন্ত্রপন্থী দুই বিক্ষোভে, তবুও চীনপন্থী এত বড় সমাবেশও আগে দেখা যায়নি। ফ্রাঞ্চিস ইয়ু নামে ৭০ বছর বয়সী এক অংশগ্রহণকারী বলেন, ‘পুলিশের সঙ্গে মানুষের ব্যবহার ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না আমি।’ ৫৪ বছর বয়সী আরেক অফিসকর্মী বলেন, পুলিশ ওই বিক্ষোভের সময় শৃঙ্খলা রক্ষা করতে চেয়েছিল কেবল। তার ভাষায় প্রত্যাবাসন আইন-বিরোধী বিক্ষোভকারীদের বিবেক-বুদ্ধি যেন লোপ পেয়েছিল।
বিবিসির খবরে বলা হয়, প্রস্তাবিত ওই আইনে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত সন্দেহভাজনদের চীন, তাইওয়ান ও ম্যাকাওয়ের মতো স্থানে ফেরত পাঠানোর ক্ষমতা পেতো হংকং সরকার। ১৯৯৭ সাল থেকে ‘এক দেশ, দুই পদ্ধতি’ নীতির অধীনে হংকং চীনের অধীনে। এই নীতির কারণে হংকং-এর বাসিন্দারা এমন সব স্বাধীনতা ভোগ করেন যা চীনের মূল ভূখণ্ডের বাসিন্দারা ভোগ করেন না।
প্রত্যাবাসন আইনের বিরোধীদের আশঙ্কা, ওই আইন পাস হলে হংকং-এর ওপর চীনের নিয়ন্ত্রণ আরও পোক্ত হবে। এখন ওই বিল স্থগিত হলেও, চারটি নতুন দাবিতে অনড় প্রতিবাদকারীরা। তাদের বক্তব্য, ওই বিল সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করতে হবে। ১২ জুনের বিক্ষোভকে দাঙ্গা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। আটককৃত সকল অ্যাক্টিভিস্টকে মুক্তি দিতে হবে। পুলিশি সহিংসতার তদন্ত করতে হবে।
২০১৪ সালে হংকং-এ গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবিতে ছাত্রদের ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল। ওই বিক্ষোভের অন্যতম নেতা জশুয়া ওয়াং দীর্ঘদিন আটক থাকার পর ১৭ই জুন মুক্তি পান। এরপর তিনি হংকং-এর বেইজিং-সমর্থিত নেতা ক্যারি ল্যামের পদত্যাগের দাবি জানান।
চীনের কাছে হংকং হস্তান্তরের ২২তম পূর্তি উপলক্ষে সোমবার ফের আবারও গণবিক্ষোভের পরিকল্পনা চলছে। তবে হংকং-এর প্রধান সচিব ম্যাথিউ চিউং সকলকে শান্ত থাকার আহবান জানিয়েছেন।
প্রতিবাদকারীদের উদ্দেশ্যে লেখা এক ওয়েব ব্লগপোস্টে তিনি আহবান জানান, যতদ্রুত সম্ভব সামাজিক শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করতে হবে, ব্যবসায়িক পরিবেশ স্থিতিশীল করতে হবে, হংকং-কে ফের সঠিক পথে আনতে হবে। হংকং আমারও স্বদেশ। আমার ও আপনাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আফগান শান্তি আলোচনা থেকে ‘ফল’ পাওয়ার প্রত্যাশা তালেবানদের by আয়াজ গুল

আফগান বংশোদ্ভুত কূটনীতিক জালমাই খলিলজাদ মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ১৮ বছরের যুদ্ধের ইতি টানার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে শুরু হওয়া এই আলোচনার প্রায় এক বছর পূর্ণ হতে চলেছে।
২৮ এপ্রিল আফগানিস্তানের কাবুলে টোলো টেলিভিশনে এক বিতর্কে কথা বলেন মার্কিন বিশেষ দূত জালমাই খলিলজাদ।
শনিবার আলোচনার প্রথম দিন বিরতিহীনভাবে ১২ ঘন্টা আলোচনা করেছে দুই পক্ষ। তালেবান প্রতিনিধি দলের মুখপাত্র সুহাইল শাহীন এ কথা জানান। যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবান প্রতিনিধিরা এখনও খসড়া চুক্তির ব্যাপারে কাজ করছেন। রোববার ভিওএ-কে তিনি এ তথ্য জানান।
শাহীন বলেন, “দুই পক্ষই এই দফা আলোচনা থেকে গঠনমূলক একটা অনুসিদ্ধান্তে আসতে চায়, এবং সেটাই হবে এ আলোচনার অর্জন”। তিনি আরও বলেন যে, আগামী আরও কয়েকদিন এই আলোচনা চলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
শাহীন বলেন, “আমি মনে করি, এ পর্যন্ত এটা ভালোভাবেই চলেছে”।
যুক্তরাষ্ট্র-তালেবান আলোচনার প্রাথমিক মনোযোগের জায়গাটি হলো তালেবানরা আফগান ভূখণ্ডকে কোন আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী পক্ষকে ব্যবহার করতে দেবে না, এবং এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনী আফগানিস্তান থেকে সেনা সরিয়ে নেবে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও গত সপ্তাহে কাবুল সফরকালে বলেন, “আমরা সত্যিকারের অগ্রগতি অর্জন করেছি এবং একটা খসড়া প্রণয়নের প্রায় দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছেছি”।
পম্পেও বলেন যে, জঙ্গি গ্রুপটির সাথে আফগানিস্তানে বিদেশী সামরিক বাহিনীর উপস্থিতির বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “তালেবানদের কাছে আমরা যদিও এটা স্পষ্ট করেছি যে আমরা সেনা প্রত্যাহারের জন্য প্রস্তুত, তবে আমি এটাও স্পষ্ট করতে চাই যে, এ ব্যাপারে কোন সময় নির্ধারিত হয়নি”।
আফগান সহিংসতা কমেনি
কাতারে এমন সময় আলোচনা হচ্ছে যখন তালেবানরা আফগানিস্তানে হামলার মাত্রা আরও বাড়িয়েছে। গত দুই দিনে বহু সরকারী নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যকে হত্যা করেছে তারা।
কান্দাহারের দক্ষিণাংশে বড় ধরণের সংঘর্ষ চলছে। তালেবানরা সীমান্তবর্তী জেলা মারুফে শনিবার হামলা চালালে ওই সংঘর্ষের শুরু হয়। প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান তাদিন খান ভিওএ-কে বলেন, হামলায় ‘নিরাপত্তা বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্য আহত ও নিহত হয়েছে”।
হামলায় আফগান ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইলেকশান কমিশনের আটজন চুক্তিভিত্তিক নিযুক্ত ব্যক্তিও নিহত হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
তালেবানরা দাবি করেছে যে, তাদের যোদ্ধারা প্রায় ৬০ জন আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যকে হত্যা করেছে এবং আরও ১১ জনকে আটক করেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা নিয়ে কী আলোচনা হবে চীনে -মার্কিন প্রতিনিধিদলের প্রশ্ন by মিজানুর রহমান

রবার্ট কারেন, ন্যাশনাল সিকিউরিটি এডভাইজার ফর সিনেট মেজরিটি লিডার মিচ ম্যাককনেল এবং পল গ্রোভ, সিনেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েট কমিটি (সেক)-এর ফরেন অপারেশন্স অ্যান্ড রিলেটেড প্রোগ্রামস দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রফেশনাল স্টাফ মেম্বার। গুরুত্বপূর্ণ ওই দুই কর্মকর্তা সফরের প্রথম দু’দিন কক্সবাজারেই কাটিয়েছেন। জেলার উখিয়া ও টেকনাফে অস্থায়ী আশ্রয়ে থাকা বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অবস্থা নিজের চোখে দেখেছেন।
তাদের সঙ্গে সিরিজ বৈঠক করেছেন।
ক্যাম্পের জীবনে তারা কতটা স্বস্তির মধ্যে রয়েছেন, তাদের জীবনমানের উন্নয়নে মার্কিন সহায়তা কতটা কাজে লেগেছে সেটা জানা-বুঝার চেষ্টা করেছেন। গতকাল ঢাকায় ফিরে পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে পূর্ব নির্ধারিত বৈঠকে বসেন তারা। বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলারও অংশ নেন। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, সোয়া ঘণ্টার ওই বৈঠকে পুঞ্জীভূত রোহিঙ্গা সংকটের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা হয়। প্রাসঙ্গিকভাবেই আলোচনায় স্থান পায় প্রধানমন্ত্রীর অত্যাসন্ন বেইজিং সফর প্রসঙ্গ। এজেন্ডায় না থাকলেও মার্কিন প্রতিনিধিরা আগ্রহভরে জানতে চান, সরকার প্রধানের চীন সফরে রোহিঙ্গা ইস্যুতে সুনির্দিষ্টভাবে কি আলোচনা হতে পারে? তাদের এ-ও জিজ্ঞাসা ছিল- চীনের কাছ থেকে কি ধরনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ? ঢাকার তরফে সফর নিয়ে আগাম কোনো মন্তব্য বা আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়নি। এ নিয়ে ‘আলোচনা হবে’ জানিয়ে রোহিঙ্গা পরিস্থিতির বিস্তারিত তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়।
একই সঙ্গে ক্যাম্প পরিদর্শনের মার্কিন দলের প্রতিক্রিয়া বা অভিজ্ঞতা কেমন তা জানতে চাওয়া হয়। বৈঠক শেষে উপস্থিত এক কর্মকর্তা মানবজমিনকে বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র বরাবরই আমাদের পাশে আছে। তারা রাজনৈতিক ও মানবিক- উভয় সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। ২০১৭ সালের আগস্টের আগে এবং পরের ঘটনাগুলো তাদের নখদর্পণে রয়েছে। তারা রাখাইন এবং কক্সবাজার থেকে নিজেদের মতো করে রিপোর্ট সংগ্রহ করে। কোনো জিজ্ঞাসা থাকলে তারা ঢাকার বৈঠকে তোলে। কক্সবাজার সফরকারী প্রতিনিধিদলটি তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতেই সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক চেয়েছিল দাবি করে ওই কর্মকর্তা বলেন, তাদের কিছু বিষয় জানার ছিল। আমরা আমাদের মতো করে তা বলেছি। ডিপ্লোমেসিতে সবকিছু ‘অন ক্যামেরা’ হয় না জানিয়ে তিনি বলেন, অংশীদার বা স্ট্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোতভাবে আমাদের পাশে আছে। তারা সেটি অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে গেছেন।
ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা এবং পরিস্থিতির উন্নতিতে সরকারের প্রচেষ্টাতে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট অন্য এক কর্মকর্তা বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে অনিশ্চয়তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় এসেছে। নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই যে বাংলাদেশের একমাত্র চাওয়া- সেটি আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে বলেছি। তারা আমাদের এ নিয়ে রাজনৈতিক সাপোর্ট অর্থাৎ বিষয়টি আন্তর্জাতিক ফোরামে নিয়মিতভাবে তোলা এবং মিয়ানমারের ওপর চাপ ধরে রাখার কথা বলে গেছেন। আমাদের চাওয়া এবং তাদের পদক্ষেপের মধ্যে খুব একটি তফাৎ নেই মন্তব্য করে ওই কর্মকর্তা বলেন, এখানে প্রত্যেকের নিজস্ব গোল বা টার্গেট রয়েছে। এটা বুঝেই আমরা দুইয়ের মধ্যে সমন্বয়ের চেষ্টা করি। ওই কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারকে জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে চায়। আমরাও চাই রোহিঙ্গাদের প্রতি যে বর্বরতা হয়েছে তার জন্য দায়ীদের শাস্তি হোক। কিন্তু আমরা সবার আগে চাই বাস্তুচ্যুতদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের সহায়ক পরিবেশ।
তাদের চির দিনের জন্য ফিরে যাওয়া নিশ্চিত করতে। এ জন্য বাংলাদেশ তার বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর সহায়তায় দ্বিপক্ষীয় এবং বহুপক্ষীয় দু’টি পথেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা আলোচনার দ্বার যেমন খোলা রাখছে তেমনি বৈশ্বিকভাবে মিয়ানমারের ওপর চাপও অব্যাহত রেখেছে। কর্মকর্তারা বলেন, মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যুর বাইরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে। বিশেষ করে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবার কি তবে সাকিব? by তারেক মাহমুদ
আইপিএলের সুবাদে বাংলাদেশ দলের সাকিব ‘হট কেক’ ভারতীয় মিডিয়ার কাছে। তাঁর সাক্ষাৎকারের জন্য মিডিয়া ম্যানেজারের মুঠোফোনে অনুরোধের স্তূপ। হবে না-ইবা কেন! বিশ্বকাপটা সাকিব খেলছেনও তো দুর্দান্ত! দুই অস্ট্রেলিয়ান ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ হয়তো রানে এখন এগিয়ে গেছেন। কিন্তু তাঁরা খেলেছেন আটটি করে ম্যাচ। সাকিব ছয় ম্যাচেই ৪৭৬ রান করে আছেন তৃতীয় স্থানে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৫ উইকেট নিয়ে গত ম্যাচে জ্বলে উঠেছেন বোলিংয়েও।
এজবাস্টনের অনুশীলন মাঠে এসে সঞ্জয় মাঞ্জরেকার কাল অন্তত চারটি জটলার মুখোমুখি হলেন। একেক জটলায় কথাবার্তার বিষয়বস্তু একেক রকম। বাংলাদেশি সাংবাদিকদের জটলায় বিষয়বস্তু সেই সাকিব। ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যানের কথার সারমর্ম, সাকিবের মতো অলরাউন্ড পারফরমার নিকট অতীতে দেখেনি বিশ্ব ক্রিকেট। আইপিএলে যে সাকিব প্রায়ই আপন আলোয় ফুটে উঠতে পারেন না, সেটিরও যুক্তিসংগত কারণ দেখছেন ধারাভাষ্যকার মাঞ্জরেকার। আইপিএলে একজন বোলার বল করেন মাত্র ৪ ওভার। সাকিব সেখানে কিছু দেখাতে না পারলেও সেটিকে তাঁর ব্যর্থতা হিসেবে দেখা যাবে না। মাঞ্জরেকার দেখতে বললেন টেস্টের সাকিবকে, যেখানে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট পাওয়ার সাফল্য আছে তাঁর ১৮ বার। টেস্টের এই পারফরম্যান্স বিবেচনায় মাঞ্জরেকারের বিশ্লেষণ, টি-টোয়েন্টির তুলনায় সাকিবের বোলিংটা ওয়ানডের জন্যই বেশি কার্যকর।
কিন্তু ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে যে কখনোই খুঁজে পাওয়া যায় না আসল সাকিবকে! প্রতিপক্ষ ভারত হলে সবার আগে মনে আসে মাশরাফি বিন মুর্তজার নাম। ২০০৪ সালে ঢাকায়, এরপর পোর্ট অব স্পেনে ২০০৭ বিশ্বকাপেও ভারতকে হারানো ম্যাচে ম্যান অব দ্য ম্যাচ তিনি। আসে মোস্তাফিজুর রহমানের নামও। ২০১৫ সালে অভিষেক ওয়ানডেতেই ভারতের বিপক্ষে নিয়েছেন ৫ উইকেট, পরের ম্যাচে ৬ উইকেট। ভারতকে হারানো এই দুই ম্যাচেরই ম্যাচসেরা ছিলেন বাঁহাতি পেসার। তামিম ইকবালের কথাই-বা বাদ থাকবে কেন! ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ হলেই এখনো স্মৃতিতে ভেসে ওঠে ২০০৭ বিশ্বকাপে তাঁর সেই তেড়েফুঁড়ে করা ব্যাটিংয়ের কথা।
এমন নয় যে ভারতের বিপক্ষে সাকিব বলার মতো কিছুই করেননি। সর্বশেষ জয়েই আছে অপরাজিত ফিফটি। মুশফিকুর রহিম ও সাব্বির রহমানের সঙ্গে ম্যাচ জেতানো দুটি জুটি। ২০১৫ সালের হোম সিরিজে তার আগের ম্যাচেও করেছিলেন ৫২ রান। কিন্তু এই বিশ্বকাপে সাকিব যেমন আপন আলোয় উদ্ভাসিত, বাংলাদেশের অনেক জয়েই যেমন তাঁর একক অবদান; সে রকম কিছু নেই ভারতের বিপক্ষে। নেই সেঞ্চুরি, নেই ৫ উইকেট। সর্বোচ্চ ইনিংস ৮৫ রানের, সেরা বোলিং ২৭ রানে ৩ উইকেট। ভারতের বিপক্ষে ১৭ ম্যাচে সাকিবের সাত ফিফটি ও ১৮টি উইকেটও তাই তেমনভাবে চোখে পড়ে না।
এবার কি ভারত অন্য সাকিবকে দেখবে? আশাটা করাই যায়, কারণ বিশ্বকাপের শুরু থেকেই বাংলাদেশ দল পরিণত তাঁর ‘ওয়ান ম্যান শো’তে। টুর্নামেন্টে নিজেদের সাতটি ম্যাচ হয়ে যাওয়ার পরও যে বাংলাদেশ এখনো সেমিফাইনালের স্বপ্ন দেখছে, সেটি তো সাকিবের হাত ধরেই! আর ভারতের বিপক্ষে সাকিবেরও বড় কিছু করে দেখানোর দায় আছে। মাঞ্জরেকার যতই তাঁর আইপিএলের বোলিংয়ের পক্ষে যুক্তি দিন, সেটি সাকিবের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদই মানে কি না সন্দেহ। নইলে সর্বশেষ আইপিএলে ম্যাচের পর ম্যাচ তাঁকে এভাবে বসিয়ে রাখে! পেশাদার ক্রিকেটে ‘প্রতিশোধ’ শব্দটার হয়তো জায়গা নেই। কিন্তু খেলোয়াড়দের ভেতরের জেদটা সব সময় পেশার নিয়ম মেনে হয় না। সেখানে ব্যক্তিগত হিসাব-নিকাশও থাকে। সাকিব পারেন আজ সেটিও মিটিয়ে নিতে।
![]() |
| লড়াইটা সাকিবের ব্যক্তিগত কিছু হিসাব মেলানোরও। ছবি: শামসুল হক |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী
দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আজ সকালে এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেছিয়াং। ডব্লিউইএফের নির্বাহী চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা ক্লাউস সোয়াব এবং লিআনিং প্রদেশের গভর্নর ত্যাং ইউজুন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান, ব্যবসায়ী, সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, শিল্পীসহ ১ হাজার ৮০০ জনের বেশি প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন।
সম্মেলনের এবারের প্রতিপাদ্য ‘লিডারশিপ ৪.০-সাকসিডিং ইন আ নিউ এরা অব গ্লোবালাইজেশন’। সম্মেলন থেকে বৈশ্বিক পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ, আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা, অর্থনৈতিক অসমতা ও প্রযুক্তিগত সংকটের বিষয়ে নতুন পরিকল্পনা প্রণয়নের আহ্বান জানানো হবে।
ডব্লিউইএফ সুইজারল্যান্ডের জেনেভাভিত্তিক একটি সংগঠন। ১৯৭১ সালে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই সংগঠনের জন্ম। সংগঠনটি ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক সংস্থার স্বীকৃতি পায়। ডব্লিউইএফের লক্ষ্যে বলা হয়েছে, এটি বিশ্বের রাষ্ট্রসমূহকে ব্যবসায়িক, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও সমাজের অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে বৈশ্বিক, আঞ্চলিক ও শিল্প খাতকে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে গঠিত।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাঁচ দিনের সফরে গতকাল সোমবার রাত সোয়া ১২টার দিকে চীনের দালিয়ানে পৌঁছান। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেছিয়াংয়ের আমন্ত্রণে এই দ্বিপক্ষীয় সরকারি সফর হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে রোহিঙ্গা ইস্যুটি প্রাধান্য পাবে। বেইজিং রোহিঙ্গা সংকটটি নিরসনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সময়ে বেইজিংয়ের সঙ্গে আটটি চুক্তি স্বাক্ষর হবে।
![]() |
| ডব্লিউইএফের সামার দাভোস সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘২০০’ ডাকছে, তামিম রাঙাতে পারবেন তো?
তাঁর প্রথম, ৫০তম, ১০০তম ও ১৫০তম ম্যাচের স্কোরকার্ড দেখলে আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করা যায়। হবে না। দ্বিশতক রাঙাতে পারবেন না। কিন্তু খেলোয়াড়টি তামিম ইকবাল। আর প্রতিপক্ষ দলটি ভারত। ফর্ম যা–ই হোক, তামিমের ব্যাট চওড়া হয়ে ওঠার সম্ভাবনাও কিন্তু কম নয়।
ওয়ানডেতে তামিমের অভিষেক ২০০৭ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। সে ম্যাচে যাত্রা শুরু করেছিলেন ৫ রানে আউট হয়ে। দুই বছর পর তামিমের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৫০তম ম্যাচটি ছিল ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের প্রথম ফাইনাল। রাঙিয়ে দিতে পারেননি। আউট হয়েছিলেন মাত্র ১৮ রানে। আবারও দুই বছরের ব্যবধানে দেখা পেয়ে যান শততম ম্যাচের। ২০১১ সালে জিম্বাবুয়ে সফরে গিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে ৩ রানে আউট হয়েছিলেন তামিম। পরের ৫০টি ম্যাচ খেলতে সময়টা একটু বেশি লেগে যায়। প্রায় চার বছর। চট্টগ্রামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ৬১ করে আউট হয়েছিলেন তামিম। তাঁর মাইলফলকের ম্যাচগুলোয় এ ইনিংসটাই যতটুকু সবেধন নীলমণি সাফল্য।
পরের ৫০টি ম্যাচ খেলতেও প্রায় চার বছর সময় লাগল তামিমের। কথাটা একটু আগেভাগেই বলা হয়ে গেল। ভারতের বিপক্ষে আজ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু না ঘটলে তামিম খেলছেন তা নিশ্চিত। আর এ ম্যাচটা হবে ওয়ানডেতে তামিমের ২০০তম ম্যাচ। আর বাংলাদেশের জন্য বাঁচা-মরার লড়াই। হারলেই ধূলিসাৎ হবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার আশা। এমন ম্যাচে ওয়ানডেতে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান, সেঞ্চুরি ও ফিফটির মালিকের কাছ থেকে বড় ইনিংস আশা করতেই পারে বাংলাদেশ।
আশা কী, বিষয়টি এখন সময়ের দাবি। বিশ্বকাপের এ পথ পর্যন্ত ব্যাটিংয়ে সাকিব আল হাসানের সঙ্গে সিনিয়রদের মোটামুটি সবাই পারফর্ম করেছেন। শুধু তামিমের ব্যাট দপ করে জ্বলতে গিয়ে বারবার নিভে যাচ্ছে। এ নিয়ে সমর্থক, সতীর্থের চেয়ে তামিমের হতাশাই সবচেয়ে বেশি। চলতি বিশ্বকাপে থাকতেই তা জানিয়েছেন। আর কে না জানে, তামিমের ভালো করার খিদে অন্য রকম। প্রতিটি ম্যাচ ধরে ধরে প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন। কিন্তু বিশ্বকাপ এলেই তামিমের যেন কী হয়। এবারও যেমন ব্যাটে-বলে তেমন একটা হচ্ছে না।
সহজ কথায়, বিশ্বকাপ শুরুর আগের তামিম আর বিশ্বকাপের তামিম এক না। শুধু বাংলাদেশ দলের বাকি ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে তুলনা করলেই পার্থক্যটা টের পাওয়া যায়। ৬ ম্যাচে তামিমের স্ট্রাইকরেট ৭৪.২৭। মাশরাফি বিন মুর্তজা বাদে দলের বাকি সব ব্যাটসম্যান-অলরাউন্ডারদের স্ট্রাইকরেটও তামিমের ওপরে। ব্যাটিং গড় ৩৪.১৬, ফিফটি মাত্র ১টি। এ ৬ ম্যাচের প্রায় প্রতিটিতেই তামিম ভালো শুরু পেয়েছেন। কিন্তু সেট হওয়ার পর বড় ইনিংস খেলে আসতে পারেননি। তাতে বল ও রানের ব্যবধানটাও চোখে বিঁধে থাকার মতো।
বিঁধে থাকা এ কাঁটা আজ কি উপড়ে ফেলতে পারবেন তামিম? নতুন ম্যাচ মানেই নতুন করে প্রস্তুতি, মানসিক ব্যাপারটাও থাকে আলাদা। আর ভারতের বিপক্ষে তামিমের ব্যাট বরাবরই বেশ চওড়া। যে দুজন ব্যাটসম্যান ভারতের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৭টি ফিফটি পেয়েছেন, তামিমের তাঁদের একজন—সাকিব আরেকজন। এ ছাড়া নিরপেক্ষ মাঠে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের একমাত্র জয়ে তামিমের অবদানও স্মরণীয়। এক কথায়, ওই ম্যাচে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে সেরা শটগুলোর একটি খেলেছেন তামিম।
ঠিক ধরেছেন। ২০০৭ বিশ্বকাপ, পোর্ট অব স্পেন, ডাউন দ্য উইকেট এসে মিড উইকেট দিয়ে জহির খানকে বাতাসে ভাসানো সেই ছক্কা, যা গিয়ে পড়েছিল গ্যালারির দ্বিতীয় তলায়। সেই তামিম আর এই তামিমে কত পার্থক্য! সেটি ছিল তাঁর ওয়ানডে ক্যারিয়ারের পঞ্চম ম্যাচ। টগবগে তরুণ স্ট্রোকমেকার আরকি! সময় গড়িয়ে সেই তামিম এখন অনেক পরিণত। আজ ভারতের বিপক্ষে কিন্তু পরিণত তামিমকেই দরকার—যিনি ইনিংস গড়ে অন্তত ৩৫-৪০ ওভার পর্যন্ত টেনে দিতে পারবেন।
আর আজ ভেন্যু যেহেতু বার্মিংহামের এজবাস্টন, এ মাঠেও ভারতের বিপক্ষে ভালো একটি ইনিংস রয়েছে তামিমের। সেই যে দুই বছর আগে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনাল। ভারতের বিপক্ষে সে ম্যাচে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তামিম। বাংলাদেশ হেরেছিল, কিন্তু তামিম ৮২ বলে ৭০ রানের সেই ইনিংসে ত্রাসের সঙ্গে সৌন্দর্যের সঞ্চার করেছিলেন।
সেই একই মাঠ, একই প্রতিপক্ষ, ভয়াল-সুন্দর তামিমকে ভীষণ প্রয়োজন তাঁর দলেরও। তামিম শুনতে পাচ্ছেন, ২০০-র মঞ্চ কিন্তু ডাকছে!
![]() |
| তামিম ইকবাল। আজ তাঁর ব্যাটে তাকিয়ে বাংলাদেশ। ছবি: প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রিফাত হত্যার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত
মঙ্গলবার ভোররাতে বরগুনার পুরাকাটা এলাকায় বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নয়ন বন্ডের নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন।
নিহত নয়ন বন্ড বরগুনা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম কলেজ রোড এলাকার মৃত মো. আবুক্কর সিদ্দিকের ছেলে এবং রিফাত শরীফ হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি।
নয়ন বন্ডের বিরুদ্ধে আটটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এসব মামলায় নয়ন বন্ডকে অভিযুক্ত করে বিভিন্ন সময় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ। এসব মামলার মধ্যে দুইটি মাদক মামলা, একটি অস্ত্র মামলা এবং হত্যাচেষ্টাসহ পাঁচটি মারামারির মামলা রয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত দুই অভিযুক্ত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তারা হলেন, মামলার এজাহারভূক্ত ১১ নম্বর আসামি অলি ও ভিডিও ফুটেজ দেখে সনাক্ত করা অভিযুক্ত তানভীর। সোমবার বিকেলে বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়্যাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর কাছে স্বেচ্ছায় তারা এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার নাজমুল হাসানকে তিনদিনের রিমান্ড শেষে একই আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। আদালত তার আরো পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। সাগর ও সাইমুন নামের অপর দুইজনের জন্য পুলিশ পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী তাদেরও পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বরগুনা সদর থানার ওসি তদন্ত হুমায়ুন কবির।
উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্ত্রীর সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। তার স্ত্রী আয়শা আক্তার মিন্নি হামলাকারী সাব্বির আহমেদ নয়ন (নয়ন বন্ড) ও রিফাত ফরাজীর সঙ্গে লড়াই করেও তাদের থামাতে পারেননি। গুরুতর আহত রিফাতকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নয়ন বন্ড, রিফাত ফরাজীসহ ১২জনের বিরুদ্ধে ২৭ জুন হত্যা মামলা দায়ের করেন রিফাত শরীফের বাবা মো. আ. হালিম দুলাল শরীফ।




About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফেনীতে ‘ভুল চিকিৎসায়’ রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর, আহত ২

নিহতের ছেলে আবু তালেব বলেন, জরায়ুর টিউমার অপারেশনের জন্য তার মা লতিফা বেগমকে রোববার দুপুরে ফেনীর এ্যাপলো হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালের সার্জারি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আজিজ উল্যাহ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ল্যাপরোস্কপি মাধ্যমে টিউমার অপারেশনের জন্য ৬০ হাজার টাকায় চুক্তি হয়। এরপর রোববার মধ্যরাতে রোগীর অপারেশন করানো হয়। ল্যাপরোস্কপি মাধ্যমে টিউমার অপারেশনের চুক্তি হলেও চিকিৎসক সার্জারির মাধ্যমে তার মা’র অপারেশন করে।
নিহতের মেয়ের জামাতা মো. মহসিন বলেন, অপারেশনের পর সোমবার সকাল পর্যন্ত তার শ্বাশুড়ির জ্ঞান না ফিরলে তারা চিকিৎসকের সহায়তা চায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে দুপুর ২টার দিকে ওই চিকিৎসক রোগীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেন।
সেখানে নেয়ার পথেই সন্ধ্যায় রোগীর মৃত্যু হয়।
চিকিৎসকের ‘ভুল চিকিৎসায়’ মা’র মৃত্য হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ছেলে আবু তালেব। এ ঘটনার পর নিহতের স্বজন ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সোমবার রাতে ক্লিনিকটি ভাঙচুর করেছে।
চিকিৎসক আজিজ উল্যাহ বলেন, রোগীকে অপারেশনের জন্য অজ্ঞান করতে এনেস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞ ইনজেকশান দেয়। অপারেশনের পর সোমবার দুপুরে রোগীর জ্ঞান ফেরায় চিকিৎসকের সঙ্গে কথা হয় রোগীর। চিকিৎসক ধারণা করছে, রোগীর কার্ডিয়াক সমস্যা হয়েছে। তাই আমরা তাকে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করার জন্য পরামর্শ দেই। কিন্তু রোগীর স্বজনরা তাকে সাধারণ ওয়ার্ডে ভর্তি করায়। রোগীর মৃত্যুর পেছনে আমাদের কোনো অবহেলা নেই। কার্ডিয়াক সমস্যার কারণে রোগীর মৃত্যু হতে পারে।
ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন জানান, হাসপাতাল ভাংচুরের ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯: বাংলাদেশ বনাম ভারত ম্যাচের আলোচনার চারটি দিক
![]() |
| মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা ও বিরাট কোহলি |
মাঠের আয়তন
ভারতের বোলিং
পরিসংখ্যানে ভারত ও বাংলাদেশ
বিশ্বকাপে মুখোমুখি ৩ ম্যাচ
ভারত-বাংলাদেশ
ভারত-বাংলাদেশ
![]() |
| মুশফিকুর রহিম ও রোহিত শর্মার ব্যাটের দিকে তাকিয়ে থাকবে দুই দলের ভক্তরা |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নয়ন বন্ড ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত
![]() |
| নয়ন বন্ড |
পুলিশ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোর সোয়া চারটার দিকে রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাব্বির হোসেন নয়ন ওরফে নয়ন বন্ডকে গ্রেফতারে বরগুনা সদর উপজেলার বুড়ির চর ইউনিয়নের পুরাকাটা এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের ওপর গুলি চালায় নয়ন বন্ড ও তার সহযোগীরা। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়।
গোলাগুলির পর ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে নয়ন বন্ডের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, দুটি শর্টগানের গুলির খোসা এবং তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল শাজাহান হোসেন, এসআই মনিরুজ্জামান, এসআই হাবিবুর রহমান ও কনস্টেবল হাবিব। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুরাকাটা এলাকায় পুলিশ অভিযান পরিচালনা করলে মজিদ মিয়ার বাড়ি নামক স্থান থেকে নয়ন বন্ড ও তার সদস্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি চালায় । এসময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে ঘটনাস্থলে নয়ন বন্ড নিহত হয়। তার সঙ্গীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তাদেরকে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।’
![]() |
| রিফাত শরীফকে কোপানো হচ্ছে |
প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন (বুধবার) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রাম দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। তার স্ত্রী আয়শা আক্তার মিন্নি হামলাকারীদের বাধা দিয়েও স্বামীকে রক্ষা করতে পারেননি। রিফাতকে কুপিয়ে অস্ত্র উঁচিয়ে এলাকা ত্যাগ করে হামলাকারীরা। তারা চেহারা লুকানোরও কোনও চেষ্টা করেনি। গুরুতর আহত রিফাতকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ওই দিন বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।।
কে এই নয়ন বন্ড
বরগুনা পৌর শহরের ডিকেপি রোড এলাকার মৃত সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে সাব্বির আহমেদ নয়ন (নয়ন বন্ড)। শহরের কলেজ রোড, ডিকেপি সড়ক, কেজি স্কুল ও ধানসিঁড়ি সড়কে মূলত নয়নের বিচরণ ছিল। ছিনতাই, ছাত্রদের মুঠোফোন জিম্মি করে টাকা আদায়, ছোটখাটো মারধর থেকে তার অপরাধ প্রবণতা শুরু হলেও ২০১৭ সালে পুলিশি অভিযানে নয়নের কলেজ রোডের বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ তাকে আটক করে পুলিশ। এরপরই নয়ন নামটি লাইমলাইটে চলে আসে। ওই মামলায় জামিনে আসার পর বেপরোয়া হয়ে ওঠে নয়ন। এরপর সে নিয়মিত মাদকব্যবসায় জড়িয়ে যায় এবং রিফাত ফরাজীকে সঙ্গে নিয়ে একটি গ্রুপ তৈরি করে। ওই গ্রুপে নয়নের সহযোগী হিসেবে বরগুনা পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডের ধানসিঁড়ি সড়কের দুলাল ফরাজীর দুই ছেলে রিফাত ফরাজী ও তার ছোটভাই রিশান ফরাজী কাজ করতো।
![]() |
| নিহত রিফাত শরীফ |
নিহত রিফাতের আত্মীয় ও কয়েকজন বন্ধু জানান, এক বছর আগে বাকিতে সদাই বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় বিকেবি সড়কের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নয়া মিয়ার পা ভেঙে দেয় নয়ন। এর কিছুদিন পর বাসা থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ইয়াবা ও দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ নয়নকে গ্রেফতার করে বরগুনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এই মামলায় কিছুদিন কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে নয়ন। কোনও রাজনৈতিক পদ-পদবি না থাকলেও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি এবং বর্তমান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেনের ভায়রার ছেলে ছাত্রলীগ নামধারী রিফাত ফরাজী ও রিশান ফরাজীদের সঙ্গে চলাফেরা করায় কাউকেই পরোয়া করছিল না নয়ন।
১২ জনকে আসামি করে মামলা
রিফাত হত্যার পরদিন ২৭ জুন ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন রিফাতের বাবা মো. আ. হালিম দুলাল শরীফ। আসামিরা হলো— সাব্বির আহমেদ নয়ন (নয়ন বন্ড) (২৫), মো. রিফাত ফরাজী (২৩), মো. রিশান ফরাজী (২০), চন্দন (২১), মো. মুসা, মো. রাব্বি আকন (১৯), মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত (১৯), রায়হান (১৯), মো. হাসান (১৯), রিফাত (২০), অলি (২২) ও টিকটক হৃদয় (২১)। বাকি পাঁচ থেকে ছয় জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
এ মামলায় সোমবার (১ জুলাই) পর্যন্ত ছয় জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদের মধ্যে এজাহারভুক্ত দুই আসামি হলো—চন্দন ও মো. হাসান। এছাড়া, সন্দেহভাজন আরও চার জনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলো— তানভীর, মো. সাগর, কামরুল হাসান সাইমুন ও মো. নাজমুল হাসান।
দুই আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে সোমবার (১ জুলাই) আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি অলি ও জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার তানভীর। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার আরও তিন আসামির পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (১ জুলাই) বিকাল তিনটার দিকে রিফাত হত্যা মামলার পাঁচ আসামিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর বিকাল ৫টার দিকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি অলি ও জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার তানভীর আদালতে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।
বিচারক মোহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম গাজী আসামিদের জবানবন্দি শেষে জেল হাজতে পাঠান।
![]() |
| হাতকড়া পরা অবস্থায় পুলিশ হেফাজতে নয়ন বন্ড (কালো টি শার্ট, আগের ছবি) |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হুয়াওয়েকে আটকে দিয়ে খাল কেটে কুমির আনছেন ট্রাম্প?
![]() |
| মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় হুয়াওয়ে |
চীন বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তি। প্রযুক্তির জগতেও চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর উত্থান চমক জাগানিয়া। অ্যাপল থেকে গুগল—চীনের মক্কেলদের তালিকায় কেউ বাদ নেই। বড় বড় এই প্রতিষ্ঠানের কাছে চীন জনপ্রিয় সস্তা শ্রমের জন্য। বিশ্বের বেশির ভাগ শিল্পই কোনো না কোনোভাবে চীনের ওপর নির্ভরশীল। নিজেদের মিত্রদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র চীনকে একঘরে করতে চাইছে। তা আদৌ সম্ভব হবে কি না, সেটি অনিশ্চিত। কিন্তু চীনকে একঘরে করার চেষ্টাতেও বিপদে পড়তে চলেছে বৈশ্বিক অর্থনীতি, বিশেষ করে প্রযুক্তি ব্যবসা।
আনুষ্ঠানিকভাবে ১৫ মে হুয়াওয়েকে যুক্তরাষ্ট্রে ‘কালো তালিকাভুক্ত’ করে ট্রাম্প প্রশাসন। সরকারি অনুমোদন ছাড়া মার্কিন সংস্থা থেকে প্রযুক্তিসেবা নেওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায় হুয়াওয়ের। এরপরই অবশ্য এই বিধিনিষেধ ৯০ দিনের জন্য শিথিল করে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ। ততক্ষণে গুগল জানিয়ে দিয়েছে, আর হুয়াওয়েকে সেবা দেবে না। একই পথ অনুসরণ করছে মাইক্রোসফট, চিপ ডিজাইনার কোম্পানি এআরএম, প্যানাসনিকসহ আরও অনেক কোম্পানি। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, হুয়াওয়ের মোবাইল সেটগুলো স্রেফ খেলনায় পরিণত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
গত বছরের এপ্রিলে চীনের হার্ডওয়্যার প্রতিষ্ঠান জেডটিইর ওপর প্রথম আঘাত হেনেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওই সময় নিষেধাজ্ঞার চোট সামলাতে না পেরে প্রায় ধ্বংসের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল জেডটিই। পরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিলেন। বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল উদ্দেশ্য হলো বাজার ও অর্থনীতির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণের জানান দেওয়া এবং চীনকে দাবিয়ে রাখা। তবে জেডটিইর ক্ষেত্রে যে কৌশল কাজে দিয়েছিল, সেটি হুয়াওয়ের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে সন্দিহান অনেকে। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য শুধু হুয়াওয়ের মোবাইল সেট নয়। সারা বিশ্বে ফাইভ–জি নেটওয়ার্ক বিস্তারের ক্ষেত্রে মূল যন্ত্রাংশ সরবরাহের কাজে এগিয়ে আছে হুয়াওয়ে। ফাইভ–জি মোবাইল নেটওয়ার্কের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেটেন্ট আছে হুয়াওয়ের দখলে। এই জায়গাতেও নিয়ন্ত্রণ নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
![]() |
| চীনের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধের নামে টেক জায়ান্ট হুয়াওয়েকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রযুক্তির দিক থেকে চাপে ফেলা হচ্ছে চীনকে। সি চিন পিংয়ের দেশ অনেক দিন ধরেই নিত্যনতুন প্রযুক্তি কবজা এবং প্রয়োজনে সেগুলো আরও উন্নত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ছবি: এএফপি |
তবে শুধু হুয়াওয়ে কালো তালিকার একমাত্র প্রতিষ্ঠান নয়। ‘নিউইয়র্ক টাইমস’ বলছে, এই তালিকা আরও লম্বা হবে। এতে যুক্ত হবে হাইকেভিশন। চীনে সংখ্যালঘু উইঘুর সম্প্রদায়ের ওপর নজরদারি চালানোর কাজে সি চিন পিংয়ের সরকারকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে থাকে হাইকেভিশন। এর সঙ্গে সঙ্গে চীনের আরও কিছু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকেও কালো তালিকাভুক্ত করার পরিকল্পনা আছে মার্কিন প্রশাসনের।
চীনের প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে বিপদে পড়বে যুক্তরাষ্ট্র নিজেও। ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন ফাউন্ডেশন নামের একটি থিংক ট্যাংক সম্প্রতি জানিয়েছে, রপ্তানির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার কারণে আগামী পাঁচ বছরে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিক্রি বিপুল পরিমাণে কমে যেতে পারে। অঙ্কের হিসাবে যা প্রায় ৫৬ বিলিয়ন ডলার। আরেক হিসাবে দেখা গেছে, চীনা প্রতিষ্ঠানের ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞায় আমেরিকার প্রতিষ্ঠানগুলো বছরে ১০ বিলিয়ন ডলার হারাতে পারে। চিপ ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশের লাইসেন্স ফি বাবদ চীনা কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করত মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো। সারা বিশ্বের অসংখ্য হার্ডওয়্যার প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদনের জন্য চীনের ওপর নির্ভরশীল। এই বিশাল বাজারের আর্থিক মূল্য প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন ডলার। উদাহরণ হিসেবে অ্যাপলের কথা বলা যায়। এই মার্কিন প্রতিষ্ঠানটির লাভের এক-পঞ্চমাংশ আসে চীন থেকে। ট্রাম্পের প্রযুক্তিযুদ্ধে অ্যাপলের লাভের অঙ্ক তাই তরতর করে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, সবচেয়ে বড় বিপদে পড়তে চলেছে এশিয়ার অনেক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। মার্কিন প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হয় বলে ট্রাম্পের দেশের সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের মিত্রতার সম্পর্ক আছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন তাদের বলছে যে চীনকে বয়কট করতে হবে। ওদিকে এসব প্রতিষ্ঠানের অন্যতম বড় মক্কেল হলো চীন। যেমন: তাইওয়ানের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টিসিএমসি ও ফক্সকন পড়েছে শাঁখের করাতে। আমেরিকা ও চীন—এই দুই দেশেই তাদের মক্কেল আছে। একই অবস্থায় আছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। চীনকে ছেড়ে দিলে তাদের গুনতে হবে বিশাল অঙ্কের লোকসান, আর চীনকে ধরে রাখলে ভুরু কোঁচকাচ্ছে মার্কিন প্রশাসন। অর্থাৎ বিশ্বের অর্থনৈতিক সাপ্লাই চেইনেই একটি বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে যাচ্ছে।
![]() |
| সারা বিশ্বে ফাইভজি নেটওয়ার্ক বিস্তারের ক্ষেত্রে মূল যন্ত্রাংশ সরবরাহের কাজে এগিয়ে আছে হুয়াওয়ে। ফাইভজি মোবাইল নেটওয়ার্কের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেটেন্ট আছে হুয়াওয়ের দখলে। এই জায়গাতেও নিয়ন্ত্রণ নিতে চায় আমেরিকা। ছবি: রয়টার্স |
‘ওয়াশিংটন পোস্ট’–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকৃতিতে পাওয়া বিরল ধাতুর উৎপাদনে অন্য সবার চেয়ে এগিয়ে আছে চীন। স্মার্টফোন, ব্যাটারি, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য প্রযুক্তিপণ্য তৈরিতে প্রয়োজন হয় এই সব বিরল ধাতু। এগুলোর বৈশ্বিক উৎপাদনের ৯০ শতাংশই চীনের অবদান। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার জবাবে বিরল ধাতুর সরবরাহে রাশ টানতে পারে চীন। সে ক্ষেত্রে পুরো প্রযুক্তি খাত ও সামরিক উৎপাদনেই নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’–এর এক বিশ্লেষণে অবশ্য বলা হয়েছে, প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে চীনের উত্থান সহজ হবে না। কারণ, গবেষণায় এখনো ঢের পিছিয়ে আছে দেশটি। চেষ্টা করলে হয়তো এগিয়ে আসতে পারবে। তবে তার জন্য ১০ থেকে ২০ বছর সময় লেগে যেতে পারে। এখনো নিজস্ব মোবাইল চিপ তৈরিতেই স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারেনি চীন। হুয়াওয়ে হাইসিলিকন চিপ তৈরি করলেও এটি তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাজে অন্য কোম্পানির ওপর নির্ভরশীল। এমন নির্ভরশীলতা কমানো সহজ কথা নয়। এই উদাহরণ অন্যান্য চীনা প্রযুক্তি কোম্পানির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
আদতে প্রযুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে যুক্তরাষ্ট্র, তাতে করে চীনের আত্মনির্ভরশীল হওয়ার বিকল্প নেই। ট্রাম্প হয়তো ভাবছেন, এভাবেই বিশ্বে আধিপত্য ধরে রাখা যাবে। কিন্তু এই ধাক্কায় যদি সত্যিই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পথে দৌড়ানো শুরু করে চীন? তখন আমেরিকার ছড়ি ঘোরানো পড়ে যাবে হুমকিতে। শক্তি দেখাতে গিয়ে না আবার আছাড় খেতে হয় ট্রাম্পকে!
![]() |
| নিজেদের মিত্রদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র চীনকে একঘরে করতে চাইছে। তা আদৌ সম্ভব হবে কিনা—সেটি অনিশ্চিত। কিন্তু চীনকে একঘরে করার চেষ্টাতেও বিপদে পড়তে চলেছে বৈশ্বিক অর্থনীতি, বিশেষ করে প্রযুক্তি ব্যবসা। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্লোবাল হক বিধ্বস্ত হওয়ার পর এবারে যুদ্ধে নামানো হচ্ছে মুঠো-ড্রোন
আফগানিস্তানে আগামী মাসে মোতায়েন করা হবে মার্কিন ১তম ব্যাটেলিয়ন, ৫০৮তম প্যারাসুট ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট। এ সেনাদলের মুখপাত্র জানিয়েছেন, এদের সঙ্গেই মোতায়েন করা হবে ব্ল্যাক হর্নেট পারসোনাল রিকনিস্যান্স সিস্টেম নামে পরিচিত পকেট বা মুঠোতে বহনযোগ্য চালকহীন বিমান।
| ক্ষুদে হেলিকপ্টারের মতো উড়তে সক্ষম এটি |
ক্ষুদে হেলিকপ্টারের মতো উড়তে সক্ষম এটি জিপিএস বা জিপিএস ছাড়াই ঘোরাফেরা করতে পারবে। মাত্র দু’মিনিটের মধ্যেই একে মোতায়েন করা সম্ভব এবং এটি চালানোর প্রশিক্ষণ নিতে সময় লাগবে মাত্র তিন দিন।
| মার্কিন সর্ববৃহৎ ড্রোন আরকিউ-৪ গ্লোবাল হক |
বিশালবপু এবং ব্যাপক ব্যয়বহুল চালকহীন বিমান পরিচালনার ক্ষেত্রে মার্কিন বাহিনীর ব্যর্থতাই ক্ষুদ্রাকৃতির ড্রোনের দিকে দেশটির ঝুঁকে পড়ার অন্যমত কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বহু অভিযোগ নিয়েও দাপিয়ে বেড়াত ওরা by এম জসীম উদ্দীন ও মোহাম্মদ রফিক

স্থানীয় লোকজন বলছেন, রিফাত ও তাঁর ভাই রিশান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের ভায়রার ছেলে। প্রভাবশালীদের সঙ্গে আত্মীয়তার জোরে তাঁরা অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছিলেন। এ বিষয়ে দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘দুই বছর ধরে তাঁদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই। এসব বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’
নিহত রিফাত শরীফ বরগুনা সদরের বুড়িরচর ইউনিয়নের বড় লবণগোলা গ্রামের আবদুল হালিম ওরফে দুলাল শরিফের একমাত্র ছেলে। তাঁদের বাড়িতে কান্নার রোল। ঘরের মধ্যে স্বজন, প্রতিবেশীরা তাঁর মা ডেইজি আক্তারকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে নিজেরাই কাঁদছিলেন। মা বলেন, ‘আমার ছেলেটাকে কেন জানে মারল। পঙ্গু করে দিলেও তো আমার বুক আগলে থাকত!’
বরিশালে ময়নাতদন্ত শেষে বেলা তিনটার দিকে রিফাতের লাশ গ্রামে পৌঁছালে স্বজনদের কান্নার রোল পড়ে যায়। বিকেলে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। রিফাতের মাথা, বুক ও গলায় আটটি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তিনটি আঘাত গুরুতর।
প্রতিরোধ করেছিলেন একজনই
বুধবারের এই হামলার সময় বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বাধা দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘শহরে যাওয়ার পথে দেখি রিফাত শরীফকে টানাটানি করছে চার-পাঁচজন। হাতে ধারালো অস্ত্র। একটা মেয়ে তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করছে। আমিও সাহস করে এগিয়ে গেলাম, কিন্তু কিছুতেই ওদের থামানো গেল না। রক্তে ভিজে যাচ্ছিল রিফাত। কাউকে এগিয়ে আসতে না দেখে ভীষণ অসহায় লাগছিল।’
রিফাত শরীফকে হত্যার ঘটনায় গতকাল সকালে তাঁর বাবা আবদুল হালিম মামলা করেছেন। সাব্বির, রিফাত, রিশানসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। গতকাল পর্যন্ত পুলিশ এজাহারভুক্ত ৪ নম্বর আসামি চন্দন, ৯ নম্বর আসামি মো. হাসান ও সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে শনাক্ত করে আরেকজনকে আটক করার কথা জানিয়েছে। বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বলেন, ‘আমরা এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছি। এঁদের একজনের নাম তদন্তের স্বার্থে বলতে চাচ্ছি না। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে ব্যাপক অভিযান চলছে।’
আসামিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অসংখ্য অভিযোগ।
প্রভাবশালীদের সঙ্গে আত্মীয়তার জোরে তাঁরা অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন।
আসামিরা পুরোনো অপরাধী
আসামি রিফাত ও সাব্বিরের বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক বিক্রি, সেবন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। বরগুনা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দুলাল ফরাজীর বড় ছেলে রিফাত। বছর দুয়েক আগে রিফাত পুলিশের এসআই দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করেন। এসআই দেলোয়ার বর্তমানে ঝালকাঠি সদর থানায়। তিনি বলেন, ‘এই রিফাত প্রায় দুই বছর আগে আমার বাসার সামনে বখাটেদের নিয়ে আড্ডা দিত। আমার স্ত্রী প্রতিবাদ করায় আমার বাসায় চাপাতি দিয়ে হামলা চালায় সে। তার সঙ্গে অনেক প্রভাবশালীর ছেলেরা থাকত এবং নেশা করত। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করলেও কিছুদিন পর ছাড়া পেয়ে যায়।’
২০১৭ সালের ১৫ জুলাই তরিকুল ইসলাম নামের এক প্রতিবেশীকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেন রিফাত ফরাজী। এ ছাড়া ধানসিঁড়ি রোড, কেজি স্কুল বাজার, ডিকেপি রোড এলাকায় লোকজনকে মারধর করে মুঠোফোন, অর্থ ছিনিয়ে নেওয়া ছিল তাঁর নৈমিত্তিক ঘটনা। কয়েকবার গ্রেপ্তার হলেও ছাড়া পেয়ে আবার আগেরই মতোই অপরাধে জড়ান।
আরেক আসামি সাব্বিরের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রি, সেবন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বরগুনা থানায় অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে। ২০১৭ সালের ৫ মার্চ রাতে নিজের বাড়ি থেকে ৩০০টি ইয়াবা, ১০০ গ্রাম হেরোইন, ১২ বোতল ফেনসিডিল, ২টি রামদাসহ ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন তিনি। এ ছাড়া বছর দুয়েক আগে ডিকেপি সড়কের রাজু নামের এক তরুণকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন নয়ন ও তাঁর সহযোগী রিফাত ফরাজী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গাদের অবশ্যই নাগরিকত্ব দিতে হবে মিয়ানমারকে -জাতিসংঘের তদন্তকারী

তিনি দ্য হেগে রাষ্ট্রহীন বিষয়ক এক বৈশ্বিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখছিলেন।
প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মিয়ানমারে বসবাস করলেও বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমার মুসলিম রোহিঙ্গাদেরকে নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে না। ২০১৭ সালের আগস্টে তাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী নৃশংস দমন-পীড়ন চালানোর পর কমপক্ষে ৭ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের তদন্তকারীরা তদন্ত শেষে বলেছেন, গণহত্যার উদ্দেশে এসব নির্যাতন করা হয়েছে।
রাধিকা কুমারাস্বামী বলেছেন, ক্যারিয়ারে বিভিন্ন স্থানে বহু নৃশংসতা দেখেছি আমি। কিন্তু রোহিঙ্গাদের ধর্ষণ ও তাদেরকে জোর করে উৎখাতের ঘটনা আমার অন্তরাত্মাকে নাড়িয়ে দিয়েছে। রাষ্ট্রহীনতাই হলো ভয়াবহ রোহিঙ্গা সঙ্কটের মূল কারণ। এমন ভয়াবহতা তিনি দেখেছেন রোয়ান্ডা গণহত্যায়। মিয়ানমারে কীভাবে পলায়নরত মানুষকে সেনাবাহিনী গুলি করেছে, কীভাবে নারীদের গণধর্ষণ করেছে, কীভাবে ঘরের ভিতর শিশুদের পর্যন্ত রেখে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে তিনি সে সম্পর্কেও বলেছেন। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন এসব গণহত্যার জন্য মিয়ানমারের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের বিচার করার আহ্বান জানিয়েছে। তবে জাতিসংঘের এ রিপোর্টকে প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার। তারা বলছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ভুয়া অভিযোগ উত্থাপন করছে।
বিশ্বে প্রায় এক থেকে দেড় কোটি রাষ্ট্রহীন মানুষ আছে। তাদেরকে কোনো দেশই নিজেদের নাগরিক বলে স্বীকার করে না। তার মধ্যে রয়েছে রোহিঙ্গারাও। কখনো কখনো তাদেরকে ইংরেজিতে ‘লিগ্যাল ঘোস্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এসব মানুষ শিক্ষা থেকে শুরু করে সব রকম মৌলিক অধিকার বঞ্চিত। তারা বিপথগামী হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। সহিংসতার মুখে রয়েছে। এমন কি খেয়ালখুশি মতো আটক করে তাদেরকে বন্দি রাখা হয়। এর মধ্যে সংখ্যার দিক দিয়ে রোহিঙ্গারা হলো বিশ্বে সবচেয়ে বেশি রাষ্ট্রহীন মানুষ। তাদের মধ্যে প্রায় দশ লাখ আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে। এখনও মিয়ানমারে রয়েছে তাদের কয়েক হাজার। এ ছাড়া এশিয়ার বিভিন্ন স্থানে তাদের বাকিরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
সম্মেলেন রাধিকা কুমারাস্বামী বলেন, একজন বয়স্ক শরণার্থীকে দেখে তিনি মর্মাহত হয়েছিলেন। ওই শরণার্থী তাকে দেখিয়েছিলেন প্লাস্টিকের ময়লা একটি ব্যাগে কিছু কাগজপত্র। এর মধ্যে ছিল তার পূর্ব-পুরুষদের নাগরিকত্ব বিষয়ক ডকুমেন্ট। এগুলো তারা অর্জন করেছিলেন স্বাধীনতার সময়। ওই বৃদ্ধাকে ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনের অধীনে তার নাগরিকত্ব প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। সেই ব্যাগে আছে এ সংক্রান্ত একটি কাগজ। আছে একটি কার্ড। তাকে এটা দেয়া হয়েছে। তাতে ইংরেজিতে লেখা রয়েছে শুধু ‘বাঙালি মুসলিম’। রাধিকা বলেন, ওই নারী এই ব্যাগটিকে এমনভাবে তার কাছে রেখেছেন যেন এটাই তার জীবন। তিনি যখন পালিয়ে আসেন তখন তার স্বর্ণালঙ্কার সহ সবকিছু ফেলে এসেছেন। কিন্তু সঙ্গে এনেছেন এই ব্যাগ। ওই নারী তাকে বলেছেন, তিনি ঘুমানোর সময় বালিশের নিচে এই ব্যাগটি রেখে ঘুমান।
রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরে যেতে চাপ প্রয়োগ বন্ধ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাধিকা। তিনি বলেছেন, একই সঙ্গে সহিংসতার জন্য যারা দায়ী তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তার ভাষায়, এসব মানুষকে মিয়ানমারে জোর করে ফেরত পাঠানো আগে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে, সেখানকার পরিবেশ উপযুক্ত কি না এবং রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের পথ পরিষ্কার কি না। তাদের গ্রামগুলো বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এমন কি একটি গাছ পর্যন্ত দণ্ডায়মান অবস্থায় নেই। তিনি বলেন, মিয়ানমারের ভিতরে এখন যারা আছে তাদেরকে রাখা হয়েছে বিভিন্ন শিবিরে। সেখানে তাদের চলাচলে রয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। রয়েছে খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সীমিত অধিকার। আর রয়েছে আকাশচুম্বী অপুষ্টির হার।
রাধিকা বলেন, তাদের মিশন প্রাপ্ত তথ্যপ্রমাণ সেপ্টেম্বরে নতুন একটি বিচারিক কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেবে, যাতে তারা মিয়ানমারের ওইসব জেনারেলের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে। ২০১৭ সালের সহিংসতার পর পরই তদন্তকারীরা যখন শরণার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান তখন তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছিল ভীষণ হতাশা। কিন্তু গত মাসে যখন তদন্তকারী টিম আবার বাংলাদেশে ফিরে এসেছিল তখন রোহিঙ্গাদেরকে অধিক সংগঠিত দেখা গেছে। তারা কি চায় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি তাদের হতাশার বিষয়টি অনেক বেশি পরিষ্কার। তারা চায় ন্যায়বিচার ও নাগরিকত্ব।
মিয়ানমারের বেসামরিক নেত্রী ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নেত্রী অং সান সুচি অব্যাহতভাবে দেশটির সেনাবাহিনীর পক্ষ অবলম্বন করছেন। একে গুরুতর উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন রাধিকা কুমারাস্বামী। তিনি বলেন, আমরা আশা করি তার মধ্যে পরিবর্তন আসবে। তিনি এক সময় যেমনটা বলেছিলেন তেমন গণতান্ত্রিক হবেন। রোহিঙ্গারা ফিরে যাবে পূর্ণাঙ্গ অধিকারের নিশ্চয়তা নিয়ে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাহাত ফতেহ আলী খান অক্সফোর্ডের ডক্টরেট অব মিউজিক
গত ২৬ জুন রাহাত ফতেহ আলী খানের সঙ্গে আরও সাত ব্যক্তি এই সম্মাননা অর্জন করেন। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মুসলিম সুফিদের ভক্তিমূলক গান ও কাওয়ালির কিংবদন্তি হিসেবেও অভিহিত করে পাকিস্তানের এই গায়ককে।
ভারতের একটি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাহাত বলেন, ‘আজকের দিনটি আমার ও আমার পরিবারের জন্য একটি বিশেষ দিন। একই সঙ্গে যে মানুষগুলো আমার পাশে থেকে আমাকে সহযোগিতা ও সমর্থন জানিয়েছেন, তাঁদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা।’
রাহাত ফতেহ আলী খান ওস্তাদ নুসরাত ফতেহ আলী খানের ভাতিজা এবং ওস্তাদ ফারুখ ফতেহ আলী খানের ছেলে। এ ছাড়া তিনি পুরাণখ্যাত কাওয়ালি শিল্পী ফতেহ আলী খানের নাতি। রাহাতকে তাঁর চাচা ওস্তাদ নুসরাত ফতেহ আলী খান কাওয়ালিসংগীতের ঐতিহ্যকে ধারণ করার লক্ষ্যে তৈরি করেন এবং মাত্র তিন বছর বয়স থেকে রাহাত তাঁর চাচা ও বাবার সঙ্গে গাওয়া শুরু করেন।
কাওয়ালি ছাড়াও রাহাত গজল গাইতেন এবং অন্যান্য মৃদু সংগীতেও তাঁর খ্যাতি রয়েছে। তিনি বলিউডের জনপ্রিয় একজন প্লেব্যাক শিল্পী হিসেবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত। রাহাত ফতেহ আলী খান পাকিস্তানের পাশাপাশি ভারতেও তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তাঁর পরিবার মুসলিম সুফিদের ভক্তিমূলক গান ও কাওয়ালিসংগীতে দক্ষিণ এশিয়ায় সুপরিচিত। এ পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত অ্যালবামের সংখ্যা ৫০টির বেশি।
বলিউড চলচ্চিত্রশিল্পে একজন প্লেব্যাক শিল্পী হিসেবে রাহাতের অসামান্য অবদান রয়েছে। ‘পাপ’, ‘ওমকারা’, ‘ওম শান্তি ওম’, ‘লাভ আজকাল’, ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন মুম্বাই’, ‘রেডি’, ‘বডিগার্ড’, ‘জান্নাত ২ ’, ‘হিরোইন’, ‘দাবাং’, ‘দাবাং ২ ’, ‘ফাটা পোস্টার নিকলা হিরো’সহ বলিউডের অসংখ্য ছবির গানে কণ্ঠ দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন রাহাত। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
![]() |
| অক্সফোর্ড প্রাঙ্গণে সম্মাননাপত্র হাতে রাহাত ফতেহ আলী। ছবি: সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতীয় সেনাবাহিনীতে নজির বিহীন ঘটনা: সেনাবাহিনীকে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া দায়িত্বে এলেন এই প্রথম মহিলা ক্যাপ্টেন কল্পনা কুণ্ডু

অরুণাচলের চিন সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় টহলদারিতে পাঠানো হয়েছে ক্যাপ্টেন কুণ্ডুকে। হিমালয়ের পাহাড়ি এলাকায় টহলদারি অত্যান্ত চ্যালেঞ্জিং। সেটাই করে দেখালেন কল্পনা কুন্ডু।সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, অরুণাচলে হিমালয়ের বিপদসঙ্কুল এলাকায় টহলদারিতে সেনার চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার নিলেন ক্যাপ্টেন কল্পনা কুণ্ডু। লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলের এই অংশটি অত্যান্ত বিপদজনক। এই সাহসিকতাই ভারতীয় সেনাবাহিনীর ঐতিহ্য।
ভারতীয় সেনায় মহিলাদের সংখ্যা অত্যন্ত কম। মাত্র ৩.৮০ শতাংশ। ২০১৭ সালের একটি হিসেব অনুযায়ী চিকিৎসা ক্ষেত্রের বাইরে ভারতীয় সেনার রয়েছেন ১৫৪৮ মহিলা অফিসার। আর মেডিক্যাল সার্ভিসে রয়েছেন ৩৭৩০ জন।
সেনাবাহিনীতে মহিলাদের অংশ গ্রহণের ক্ষেত্রে বড়সড় পরিবর্তন আসে ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে। সেনার পুলিসে মহিলাদের অন্তর্ভূক্ত করার সিদ্ধান্ত নেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। গত বছরে বায়ুসেনায় এসেছেন তিন মহিলা ফাইটার পাইলট। এরা হলেন মোহনা সিং, অবনি চতুর্বেদী ও ভাবনা কান্ত। নৌসেনাতেও নিয়োগ করা হচ্ছে মহিলাদের।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাতিসংঘকে মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার বিস্তারিত জানাল ইরান

চিঠিতে তাখতে রাভানচি আমেরিকার এই উসকানিমূলক তৎপরতাকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ ঘোষণার ‘জঘন্য লঙ্ঘন’ বলে উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানান।
ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি তার চিঠিতে মার্কিন ড্রোনের আকাশে উড্ডয়ন ও এটিকে গুলি করা পর্যন্ত ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ২০ জুন রাত প্রায় ১২টা ১৪ মিনিটে একটি মার্কিন গোয়েন্দা ড্রোন সুসজ্জিত অবস্থায় পারস্য উপসাগরের দক্ষিণের একটি ঘাঁটি থেকে আকাশে উড্ডয়ন করে। এটি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে ইরানের চবাহার বন্দরের দিকে যেতে যেতে গুপ্তচরবৃত্তির কাজ চালিয়ে যায়। তবে এ সময় ড্রোনটিকে শনাক্ত করার মতো যন্ত্রগুলো বন্ধ ছিল।
জাতিসংঘ মহাসচিবকে লেখা ইরানের চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, ড্রোনটি চবাহার বন্দরের দিক থেকে ঘুরে যখন আবার হরমুজ প্রণালির দিকে ফিরে আসছিল তখন এটিকে ইরানের আকাশসীমা লঙ্ঘনের ব্যাপারে তেহরানের পক্ষ থেকে বারবার সতর্ক করা হয়। কিন্তু সে সতর্কবার্তার প্রতি তোয়াক্কা না করে ড্রোনটি ইরানের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করামাত্র জাতিসংঘ ঘোষণার ৫১ নম্বর ধারা অনুযায়ী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে এটিকে ভূপাতিত করা হয়।
চিঠিতে মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার ভৌগলিক অবস্থান উল্লেখ করে বলা হয়, ইরানের হরমুজ প্রণালির জাস্ক কাউন্টির কাছে কুহমোবারক এলাকার আকাশে ড্রোনটিকে গুলি করা হয়।
ইরানের চিঠিতে ‘সর্বোচ্চ কঠোর ভাষায়’ মার্কিন ড্রোনের ইরানের আকাশসীমা লঙ্ঘনের নিন্দা জানিয়ে বলা হয়, আমেরিকা আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘ ঘোষণার ২ নম্বর ধারার চার উপধারা সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করে ইরানের আকাশসীমায় ড্রোন পাঠিয়েছে। তিনি বিষয়টিকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপনের জন্য মহাসচিব গুতেরেসের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক সমাজকে আমেরিকার পক্ষ থেকে এ ধরনের পদক্ষেপ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। ইরানের পক্ষ থেকে এ চিঠি দেয়ার আগে অ্যান্তোনিও গুতেরেস মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে দু’পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুসলিমদের হেনস্থায় সঙ্ঘ পরিবারকে কাঠগড়ায় তুললেন আসাউদ্দীন

হায়দ্রাবাদের সাংসদের দাবি, দেশজুড়ে অপরাধের প্রবণতা বলছে এর জন্য দায়ী সঙ্ঘ পরিবার৷ তিনি বলেন, ‘‘জয়শ্রী রাম বা বন্দেমাতরম না বললেই মারধর করা হচ্ছ৷ যা কখনই থামানো যাচ্ছে না৷ শুধুমাত্র মুসলিম ও দলিতরাই এই আক্রমণের শিকার৷ এইসবের পিছনে যারা জড়িত তারা কোনও কোনওভাবে সঙ্ঘ পরিবারের সঙ্গে যুক্ত৷”
দিন কয়েক আগেই মোবাইলে তোলা একটি ভিডিও ভাইরাল হয়৷ যেখানে দেখা যাচ্ছে, ল্যাম্পপোস্টে বাঁধা যুবক হাঁপাতে হাঁপাতে বলছেন, ‘‘জয় শ্রীরাম, জয় শ্রীরাম।” তাকে দিয়ে জোর করে ওইসব বলানো হচ্ছে৷ মোটরবাইক চোর সন্দেহে গত ১৮ জুন তাঁকে প্রায় ১৮ ঘণ্টা ধরে পেটায় সরাইকেলা-খরসোঁয়া জেলার ধক্তিদি গ্রামের কিছু মানুষ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পেটাতে পেটাতে যুবককে তাঁর নাম জিজ্ঞেস করে কয়েক জন। তিনি বলেন, ‘‘সোনু।” পুরো নাম বলতে বলা হয়। উত্তর আসে, ‘‘তবরেজ আনসারি।” শোনা মাত্রই মারের বহর বাড়ে। আসে ‘জয় শ্রীরাম’ বলার নির্দেশ।
ইন্টারনেটে ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তবরেজকে পেটাতে পেটাতে লাঠিই ভেঙে গিয়েছে। আর্তনাদে ছটফট করছে সে৷ অনেক পরে আসে পুলিশ৷ তবরেজকে উদ্ধার করে চুরির দায়ে কোর্টে তোলে। জেল হেফাজতে থাকাকালীন অবস্থা খারাপ হলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তবরেজকে। সেখানে সে মারা যায়।
এই ঘটনাকে ‘লজ্জা’র বলে মন্তব্য করেন এআইএমআইএন সাংসদ৷ তাঁর কথায়, ‘‘মুসলিমদের ঘৃনার চোখে দেখে আরএসএস ও সঙ্ঘ পরিবার৷ তাই দেশে দলিত ও মুসলিমদের মারধরের ঘটনা বাড়ছে ক্রমশ৷”
গোরক্ষার নামে এর আগেও তাণ্ডব দেখেছে দেশ৷ সেই সময়ও প্রতিবাদে সরব ছিলেন হায়দাবাদের সাংসদ৷ তিনি বলেছিলেন, ‘‘বিজেপি সরকার মধ্যযুগীয় আচরণ করছে৷ যেখানে মুসলিমদের সন্ত্রাসবাদী, দেশ বিরোধী ও গো-পাচারকারী বলে ভাবা হয়৷ ’’ স্বাধীন ধর্মনিরপেক্ষ দেশে যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বলে দাবি ওয়েইসির৷
শুধু ঝাড়খণ্ডেই নয়৷ বুধবারের পর গত শুক্রবার কানপুরে এক মুসলিম যুবককে হেনস্থার ঘটনা ঘটে৷ ধর্মীয় টুপি পড়ে থাকায় তাকে জোর করে ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে বাধ্য করার চেষ্টা করা হয়৷ তার আগে মহারাষ্টের থানেতে এক মুসলিম ক্যাব চালককে মারধর করা হয়৷ ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে না চাওয়ায় পরে তাকে ব্যাপক মারা হয়৷ ঘটনার তিন জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কট্টরপন্থিদের ফতোয়াকে খারিজ করলেন নুসরাত

ইসলাম বলে, একজন মুসলমান শুধু মুসলমানকেই বিয়ে করতে পারেন। তার উচিত ছিল একজন মুসলিমকেই বিয়ে করা। শরিয়ত সেটাই বলে। সেই সঙ্গে সিঁদুর দেয়া এবং মঙ্গলসূত্র পরার জন্যও নুসরাতের সমালোচনা করা হয়েছে। মুফতি আরো বলেছেন, নুসরাত একজন অভিনেত্রী। অভিনেত্রীরা ধর্মের শাসন মানেন না। যা ইচ্ছা তা-ই করেন। সেটাই সংসদে দেখা গেছে। তিনি সংসদে সিঁদুর এবং মঙ্গলসূত্র পরে এসেছিলেন। তবে, দেওবন্দের ফতোয়ার মুখেও নিজের বিশ্বাসে অনড় তৃণমূল সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান শনিবার টুইটারে লিখেছেন, কোনো ধর্মের কট্টরপন্থিদের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিলে বা প্রতিক্রিয়া জানালে সেটা শুধু ঘৃণা ও হিংসাই ছড়ায়। ইতিহাস তার সাক্ষী। সেই সঙ্গে তিনি আরো বলেন, সবাইকে নিয়ে যে ভারত, আমি তার প্রতিনিধি। যে ভারত জাতপাত-ধর্মের সমস্ত বাধার ঊর্ধ্বে। সব ধর্মকেই আমি শ্রদ্ধা করি। এখনো আমি একজন মুসলিম। এবং আমি কী পরব, তা নিয়ে কারও মন্তব্য করা উচিত নয়। বিশ্বাসের স্থান পোশাক-সাজসজ্জার উপরে। বিশ্বাসের মানে সব ধর্মের অমূল্য শিক্ষাগুলোকে মনে গ্রহণ করা ও তা পালন করা। কয়েকদিন আগেও এক সাক্ষাৎকারে নুসরাত বলেছিলেন, আমার মাথায় সিঁদুর দেখে অনেকে প্রশ্ন করেছেন, আমি কি হিন্দুকে বিয়ে করে হিন্দু হয়ে গেলাম? আমার তো মনে হয় কোন ধর্ম অনুসরণ করব, সেই সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার সবার রয়েছে। আমি জন্মসূত্রে মুসলিম। সেটাই অনুসরণ করছি। কিন্তু সব ধর্ম এবং তার নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে আমার। আমি এবং আমার স্বামী আমাদের ধর্ম পালন করছি। আমার তো মনে হয় এটাই স্বাভাবিক। সংসদে প্রথম দিন প্রবেশের সময় সিঁড়িতে প্রণাম করা প্রসঙ্গে নুসরাত বলেছেন, স্কুলে বা পরিবারে তিনি সেই শিক্ষাই পেয়েছেন। কাজ তার কাছে পবিত্র জিনিস। সংসদে নতুন পথ চলা শুরুর আগে তাই শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন। গত ১৯শে জুন তুরস্কের বোদরুমে কলকাতার বস্ত্র ব্যবসায়ী নিখিল জৈনকে বিয়ে করেছেন নুসরাত। তবে নুসরাতের বিরুদ্ধে মৌলভীদের ফতোয়ার প্রতিবাদে পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন বিজেপির মন্ত্রী। রায়গঞ্জের বিজেপি সংসদ সদস্য তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী বলেছেন, নিজের ধর্ম নিয়ে নিজের পরিচয় দেয়া সাংবিধানিক অধিকার। সেই বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য দেয়ার অধিকার নেই। মানুষের সেই অধিকার নিয়ে কারও ফতোয়া দেয়া চলে না। মন্ত্রী আরো বলেন, এটা পাকিস্তান নয়। এখানে ফতোয়া দিয়ে কোনো লাভ নেই। এটা ভারতবর্ষ। এখানে কারও সাংবিধানিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করা যায় না। নুসরাতের শপথগ্রহণ নিয়ে ফতোয়ার বিষয়ে সংবিধানের রক্ষাকর্তারা রয়েছেন। তারা নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেবেন। আরেক বিজেপি নেত্রী সাধ্বী প্রাচী বলেছেন, একজন মুসলিম নারী যদি একজন হিন্দুকে বিয়ে করে বিন্দি পরে, মঙ্গলসূত্র পরে তাহলে মৌলভীরা তাকে হারাম বলেন। আমি তাদের বুদ্ধির জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। অথচ যখন একজন হিন্দু নারীকে লাভ জেহাদের নামে বিয়ে করে বোরখা পরতে বাধ্য করেন তখন সেটা হারাম হয় না। এমন বিতর্ককে নুসরাত খারিজ করলেও কট্টরপন্থিরা থেমে থাকবেন বলে মনে হয় না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চট্টগ্রামে প্রতিদিন ভাঙছে শত সংসার by ইব্রাহিম খলিল

কারণ আমার শাশুড়িও পরকীয়ার বিষয় জেনেশুনে ছেলের পক্ষে মদত দিচ্ছিলেন। আমি মনে করেছিলাম আরেকটি সন্তান নিলে মনে হয় সে ফিরে আসবে পরকীয়া থেকে। কিন্তু আমার একটি মেয়েশিশু হওয়ার পরও তার কোনো পরিবর্তন দেখিনি। শেষে উপায়হীন হয়ে ছেলেমেয়েকে নিয়ে পাঁচ বছরের সংসারের ইতি টেনে চলে আসতে হলো। চট্টগ্রামে এভাবে প্রতিদিনই বহু সংসার বিলীন হচ্ছে বিচ্ছেদের গর্ভে। ছোটখাটো বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য, পরসপরের প্রতি অসহিষ্ণুতা ও সামাজিক নানা অভিঘাতের ফলে মুহূর্তেই ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে ভালোবাসার বন্ধন। শিক্ষিত-অশিক্ষিত ও উচ্চবিত্ত-নিম্নবিত্ত সব শ্রেণীর মধ্যেই ডিভোর্সের প্রবণতা বেড়ে চলেছে।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সেপশাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রতিবেদন পর্যালোচনায় উঠে এসেছে এ তথ্য। প্রতিবেদন মতে, ৯০ দিন অতিক্রান্ত সূত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের বিচারাধীন মামলার সংখ্যা প্রতিদিন গড়ে আড়াইশো। বেশির ভাগ দমপতিই বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েই মামলায় আসেন। এর মধ্যে ৯৮ ভাগ ক্ষেত্রেই বিবাহ-বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়ে যায়। চট্টগ্রাম মহানগরীতে গড়ে মাত্র ২ শতাংশ দমপতি আপসে যায়। অন্যদিকে ঢাকা মহানগরীতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় আপোস হচ্ছে গড়ে ৫ শতাংশেরও কম। যদিও দেশের সবচেয়ে বেশি বিবাহ-বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে ঢাকা মহানগরীতে। ঢাকায় প্রতি ঘণ্টায় তালাক হয় একটি করে।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সেপশাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেপশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ) জাহানারা ফেরদৌস বলেন, আসলে আমাদের কাছে যখন দমপতিরা আসে, তারা বিবাহ-বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েই আসে। তো সেই অবস্থায় তাদের ফেরানো খুব কষ্টকর হয়ে পড়ে। এর মধ্যে ৯৮ ভাগ ক্ষেত্রেই বিবাহ-বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়ে যায়। শুধুমাত্র ২ শতাংশ দমপতি আপসে যায়।
তিনি বলেন, মূলত ডিভোর্স হয়ে থাকে মাদকদ্রব্য সেবন, ছেলে-মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রে পরকীয়া, পারিবারিক কলহসহ আরও কিছু কারণে। চটগ্রাম নগরীতে শিক্ষিত-অশিক্ষিত ও উচ্চবিত্ত-নিম্নবিত্ত সব শ্রেণীর মধ্যেই ডিভোর্সের প্রবণতা ক্রমেই বাড়ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
জাহানারা ফেরদৌস বলেন, আমি তরুণ সমাজকে বলতে চাই বিয়ে মানে শুধু অবাধ দৈহিক মিলন নয়। বিয়ে হচ্ছে একটি সামাজিক ইনস্টিটিউশন। বিয়ের সংজ্ঞাটাই হচ্ছে সামাজিক স্থাপনা যা সুন্দর ভবিষ্যত নিশ্চিত করে। ধর্মীয় বা সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে যতক্ষণ পর্যন্ত সেই স্থাপনা পরিপক্ক না হবে, ততোক্ষণ সমাজে বিয়ে রয়ে যাবে ঠিকই, কিন্তু সমপর্ক ভাঙতে থাকবে। বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে গবেষণা করছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কারিতাস। সংস্থার চট্টগ্রামের মাঠ কর্মকর্তা পারুল আক্তার বলেন, চট্টগ্রামে প্রতিদিন যে হারে বিবাহ বিচ্ছেদের সংখ্যা বাড়ছে তা সত্যিই উদ্বেগজনক। এতে দেখা যায়, ২০১৯ সালের শুরু থেকে প্রতিদিন শত সংসার ভাঙছে। ২০১৬ সালের দিকে প্রতিদিন ১৪টি সংসার ভাঙার তথ্য উঠে আসে। এর আগে ২০১৩ সালে ভাঙত ৩টি সংসার। তিনি বলেন, মাদক ও মোবাইল ফোনে আসক্তি, মূল্যবোধের অবক্ষয়সহ বিভিন্ন কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের সংখ্যা বাড়ছে। অন্যদিকে মেয়েরাও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পর একক সিদ্ধান্তে বিবাহ বিচ্ছেদের পথ বেছে নিচ্ছে। বিবাহ বিচ্ছেদের সবচেয়ে বড় কারণ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়া। স্ত্রীর করা আবেদনে বিবাহ বিচ্ছেদের সপক্ষে যেসব কারণ দেখানো হয়, তার মধ্যে রয়েছে স্বামীর সন্দেহবাতিক মনোভাব, পরনারীর সঙ্গে সমপর্ক, যৌতুক, দেশের বাইরে গিয়ে আর ফিরে না আসা, মাদকাসক্তি, ফেসবুকে আসক্তি, পুরুষত্বহীনতা, ব্যক্তিত্বের সংঘাত, নৈতিকতাসহ আরও বিভিন্ন কারণ। অন্যদিকে স্বামীর আবেদনে বিবাহ বিচ্ছেদের সপক্ষে দেখানো হয় অবাধ্য হওয়া, ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী না চলা, বদমেজাজ, সংসারের প্রতি উদাসীনতা, সন্তান না হওয়াসহ বিভিন্ন কারণ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দামপত্য জীবনে যে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থাকার কথা সেটা এখন আর কাজ করছে না। যৌথ পরিবার থেকে একক পরিবারে এসে স্বাধীন হতে গিয়ে স্বাধীনতার অপব্যবহার হচ্ছে বেশি।
স্কুলশিক্ষিকা শারমিন ইসলামের মতে, মূলত পারিবারিক ব্যবস্থার বিলুপ্তি, একান্নবর্তী পরিবারের ভাঙন, প্রযুক্তির অপব্যবহার, পারিবারিক বিনোদনের অভাব, শহরের যান্ত্রিক জীবনব্যবস্থা, পরসপরের প্রতি সম্মান ও বিশ্বাসের অভাব, প্রযুক্তির কল্যাণে ভিন্ন নারীতে আসক্তি, খাদ্যের গুণগতমানের অভাবে মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্থ হওয়া এবং অতিমাত্রায় কৃত্রিমতাই মূলত বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ।
মাদ্রাসাশিক্ষক গোলাম সারোয়ার বলেন, বিবাহের মত পবিত্র সমপর্কে ছেদ ঘটছে তার চেয়ে দুঃখজনক আর কী হতে পারে? তার মতে, মূলত উচ্চশিক্ষা, আর্থিকভাবে স্বনির্ভরতা ও অধিকার সচেতনতায় নারীরা জেদি হয়ে উঠছে। এই জেদই সংসার ভাঙ্গার মূলমন্ত্র হিসেবে কাজ করে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বড় মঞ্চ থেকেই মাশরাফির বিদায় নেয়া উচিত -গৌতম ভট্টাচার্য by ইশতিয়াক পারভেজ

এমন পরিস্থিতিতে কি ভাবছেন দুই বাংলায় জনপ্রিয় প্রখ্যাত সংবাদিক গৌতম ভট্টাচার্য? এক সময় কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা এবং বর্তমানে দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন-এর ক্রিড়া বিভাগের প্রধান। লম্বা সময় ধরে তার লিখনিতে নানাভাবে উঠে এসেছে ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট’। কখনো করেছেন তীক্ষ্ণ সমালোচনা আবার ভাসিয়েছেন প্রশংসাতেও। এবার বার্মিংহামে দৈনিক মানবজমিনের স্পোর্টস রিপোর্টার ইশতিয়াক পারভেজের অনুরোধে ফের টাইগারদের নিয়ে তুলে ধরেছেন তার মূল্যায়ন, তার ভাবনা। কথা বলেছেন এপার বাংলা ওপার বাংলার ক্রিকেট নিয়েও। সেই কথোপকথনের মূল অংশ তুলে ধরা হল-
প্রশ্ন: এখনো বাংলাদেশের সম্ভাবনা কতটা দেখছেন?
গৌতম ভট্টাচার্য: আমি অনেকটাই সম্ভাবনা দেখছি। আশা করি লম্বা ছুটি কাটিয়ে বেশ ফুরফুরেই আছে বাংলাদেশ দল। এত বড় ছুটি কাটিয়ে সাকিবরা আরো ভালোই খেলবে। এমন লম্বা একটি টুর্নামেন্ট খেলতে গেলে এমন ছুটির দরকার আছে। ইন্ডিয়া টিমকেও পাকিস্তান ম্যাচ জেতার পর দুদিনের ছুটি দেয়া হয়েছিল। যেটা তাদের সাহায্য করেছে। আমি মনে করি বাংলাদেশ শুধু দল হিসেবেই নয় এবার একটি সংকল্প নিয়ে খেলছে। তারা বড় বড় দলের বিপক্ষে যেভাবে ৩’শ রান তাড়া করেছে তাতে দলটির মধ্যে দারুণ একটি প্রত্যয় আছে। আমি খুবই আশাবাদী।
প্রশ্ন: বাংলাদেশকে ইচ্ছা করে জিতিয়ে দেবে ভারত, পাকিস্তানি সাবেক ক্রিকেটারের মন্তব্যটা কিভাবে নিচ্ছেন?
গৌতম ভট্টাচার্য: প্রশ্ন হলো, কথাগুলো কে বলছে! বাসিত আলী, তার নিজের কী বিশ্বাসযোগ্যতা? একটা সময়তো তাকে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্যও অভিযুক্ত করা হয়েছিল। আসলে কে কথা বললো তা নিয়ে আমরা এত চিন্তিতো হবো কেন! যার বিশ্বাসযোগ্যতা আছে তেমন ব্যক্তি যদি কথা বলে তা হলে সেটি নিয়ে ভাবতে হয়। শচীন টেন্ডুলকর বলেছেন এমএস ধোনি স্লো খেলেছেন, এটা নিয়ে কথা হচ্ছে। কারণ কথাটা শচীন বলেছেন। বাসিত আলী কি বলেছেন তা নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ কারো পিড়ীত হওয়া উচিত নয়। এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের হয়ে তিনি রান করে দেননি সাকিবরাই খেলেছে। আমার বিশ্বাস বাংলাদেশ এই সব শুনে রাস্তা হারিয়ে ফেলবে না।
প্রশ্ন: মাশরাফির বিদায় কেমন হওয়া উচিত বলে মনে করেন?
গৌতম ভট্টাচার্য: আমার মনে হয় মাশরাফির এখন বিদায় বলে দেয়া উচিত। কারণ প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে একটা সময় আবেগ দিয়ে কিছু চলে না। তবে মাশরাফির একটা জায়গা, যেখানে বাংলাদেশ দুর্বল। অদ্ভুত একটা পরিস্থিতি যে, তার জায়গাতে অন্য কেউ অধিনায়ক হলে দলকে এক সূত্রে বাঁধতে পারবে না। আমি জানি মাশরাফি জ্বলন্ত একটা উদাহরণ যে এত সব চোট নিয়ে সে খেলছে। কিন্তু আমার মনে হয় তার বিশ্বকাপের পর ছেড়ে দেয়া উচিত। নিজে সামনে থেকে নতুন অধিনায়ককে অনুপ্রেরণা দিয়ে এগিয়ে নেয়া উচিত। সেটি ম্যানেজার হয়ে হোক বা অন্যভাবে। হ্যা, এখনো মাশরাফির ভেলকি দেখানোর মত ক্ষমতা আছে। কিন্তু পরিস্থিতি যা, তার বয়স সব কিছু বিবেচনা করে বলছি একটি টুর্নামেন্টে টানা পারফরম্যান্স করে যাওয়া মনে হয় তার জন্য বেশ কঠিন। তাও এতগুলো অপারেশন নিয়ে। আমি মনে করি মাশরাফি শুধু বাংলাদেশের নয়, এই উপমহাদেশের যে ক’জন ভালো অধিনায়ক হিসেবে পরিগণিত হন যেমন ইমরান খান, মহেন্দ্র সিং ধোনি, সৌরভ গাঙ্গুলী, অজুর্না রানাতুঙ্গা তাদের কাতারেই আমি তাকে রাখতে চাই। কিন্তু সবকিছু শেষ হওয়ার একটি সঠিক সময় আছে। আমি মনে করি মাশরাফিকে বিশ্বকাপের পর খেলা ছেড়ে নতুন অধিনায়ক তৈরি করতে হবে যেন বাংলাদেশের যে অগ্রগতি তা সচল থাকে।
প্রশ্ন: ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে নিয়ে ভাবনা?
গৌতম ভট্টাচার্য: এই ম্যাচটা আবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এবার যখন প্রথম ওয়ার্মআপ ম্যাচ কার্ডিফে খেলে সেই ভারত আর এই ভারত আলাদা। কারণ তখন দলে শিখর ধাওয়ান ছিল। তিনি থাকলে যা হয় যে প্রথম তিনটি ব্যাটসম্যানকে আউট করা কঠিন হয়ে যায়। সে যেহেতু নেই, বাংলাদেশ জানে লোকেশ রাহুল একটা দুর্বল জয়গা, তারা জানে চার নম্বরে বিজয় শঙ্কর একটি দুর্বল জায়গা, এছাড়াও ধোনিও রান তুলতে ব্যর্থ হচ্ছেন। বলার অপেক্ষা রাখেনা ভারতে তিনটি দুর্বল জায়গার সন্ধান এখন বাংলাদেশ জানে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ সেই জায়গাগুলোতে আঘাত করতে পারবে কিনা!
প্রশ্ন: বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ?
গৌতম ভট্টাচার্য: আমি মনে করি পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ দলের সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভবানা এখন দারুণ। সেমির সুযোগটা বাংলাদেশেরই আগে, পাকিস্তানের পরে।
প্রশ্ন: সাকিবের ফিরে আসা কিভাবে দেখছেন?
গৌতম ভট্টাচার্য: সাকিব অত্যাশ্চার্য কামব্যাক করেছেন। আমি মনে করি সৌরভ গাঙ্গুলী যেভাবে ক্যামব্যাক করেছিলেন তার সঙ্গে এটাও কোনো অংশে কম নয়। সে একজন অলরাউন্ডার হয়ে একা ভার নিয়েছেন। কিছুদিন আগে হাতে অপারেশন করিয়েছেন, আবার একটা ইনজুরি নিয়ে ফিরে এসে একা বাংলাদেশ টিমকে টানছেন। ব্রায়ান লারা যেমন একটা সময় একা দলকে টেনেছেন, তেমনটাই বিশ্বকাপে সাকিব করছেন। আমি মনে করি তার মতো একজন ক্রিকেটার যদি গঙ্গার ধারে থাকতো তাহলে বেঙ্গল ক্রিকেট টিমের রঞ্জি ট্রফিতে এমন বেহাল অবস্থা হতো না। এবং ঐ বাংলা যদি সাকিবের মতো একজন ক্রিকেটার তৈরি করতে পারে, এমন একটি শক্তিশালী দল তৈরি করতে পারে- বারবার আলোচনা হয় কেন আমাদের এই বাংলার টিমটা তৈরি হয় না! বাংলাদেশ এতো ভালো খেলে এই বাংলাতে একটি হীনমন্যতা তৈরি করেছে তা বলতে পারি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
July
(817)
-
▼
Jul 02
(32)
- হংকং-এ এবার বেইজিংপন্থি সমাবেশ!
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আফগান শান্তি আলোচনা থেকে ‘ফল’ ...
- রোহিঙ্গা নিয়ে কী আলোচনা হবে চীনে -মার্কিন প্রতিনিধ...
- এবার কি তবে সাকিব? by তারেক মাহমুদ
- বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী
- ‘২০০’ ডাকছে, তামিম রাঙাতে পারবেন তো?
- রিফাত হত্যার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড 'বন্দুকযুদ্ধে' ...
- ফেনীতে ‘ভুল চিকিৎসায়’ রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর...
- ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯: বাংলাদেশ বনাম ভারত ম্যাচের ...
- নয়ন বন্ড ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত
- হুয়াওয়েকে আটকে দিয়ে খাল কেটে কুমির আনছেন ট্রাম্প?
- গ্লোবাল হক বিধ্বস্ত হওয়ার পর এবারে যুদ্ধে নামানো হ...
- বহু অভিযোগ নিয়েও দাপিয়ে বেড়াত ওরা by এম জসীম উদ্দী...
- রোহিঙ্গাদের অবশ্যই নাগরিকত্ব দিতে হবে মিয়ানমারকে -...
- রাহাত ফতেহ আলী খান অক্সফোর্ডের ডক্টরেট অব মিউজিক
- ভারতীয় সেনাবাহিনীতে নজির বিহীন ঘটনা: সেনাবাহিনীকে...
- জাতিসংঘকে মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার বিস্তারিত জান...
- মুসলিমদের হেনস্থায় সঙ্ঘ পরিবারকে কাঠগড়ায় তুললেন...
- কট্টরপন্থিদের ফতোয়াকে খারিজ করলেন নুসরাত
- চট্টগ্রামে প্রতিদিন ভাঙছে শত সংসার by ইব্রাহিম খলিল
- বড় মঞ্চ থেকেই মাশরাফির বিদায় নেয়া উচিত -গৌতম ভট্টা...
- সন্ত্রাসে অর্থায়নে অভিযুক্ত মুসলিম বিউটি কুইন
- যে কারণে রোহিঙ্গাদের রক্ষায় ব্যর্থ হলো জাতিসংঘ
- সীমা অতিক্রম করছেন ট্রাম্প!
- নতুন ২ বিয়ে, পিতার বিরুদ্ধে কন্যার মামলা
- মিয়ানমারের রাখাইনকে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত করার প্...
- ভয়ঙ্কর খুনি লবুর হরর কাহিনী
- ‘মন কি বাত’-এ নমো, দিলেন জল সঞ্চয় আন্দোলনের ডাক
- ভারতের ভিসা শর্তের কারণে নেপালে উদ্বেগ by শচিন পার...
- নয়ন বন্ডের সাথে বিয়ের খবর নিয়ে যা বললেন মিন্নি
- দেহ ব্যবসার অভিযোগে ৭ অভিনেত্রী আটক
- ইতিহাসের অন্ধকারে ধাবিত হচ্ছে মিয়ানমার: ইয়াংঘি লি
-
▼
Jul 02
(32)
-
▼
July
(817)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...













