Tuesday, April 2, 2019
এফ আর টাওয়ারের নকশা জাল ফাইল গায়েব by দীন ইসলাম ও শুভ্র দেব

রাজউকের চিঠির ভিত্তিতে ২০১০ সালের ২৫শে মে প্রতিষ্ঠানটির এস্টেট-১ শাখায় উপস্থিত হয়ে ফারুক লিখিতভাবে জানান, রূপায়ণ হাউজিং এস্টেটের সঙ্গে আমি ১৮ তলা ইমারত নির্মাণের জন্য চুক্তিবদ্ধ হই। কিন্তু আমমোক্তার গ্রহীতা রূপায়ণ নকশা জাল করে ২৩ তলা ইমারত নির্মাণের নকশা দাখিল করেন। এ বিষয়ে চিঠিতে বিস্তারিত উল্লেখ করে এ কাজের জন্য তিনি রূপায়ণকে দায়ী করেন এবং এ বিষয়ে তাদেরকে লিগ্যাল নোটিশ দেয়া হয়েছে বলে জানান।
২০১৩ সালের ২৭ শে এপ্রিল লিজ গ্রহীতা ফারুক রাজউকের কাছে দেয়া এক আবেদনে রূপায়ণের বিক্রি করা স্পেসগুলো রাজউকের নিয়মনীতি মোতাবেক হয়েছে কিনা তা যাচাই করতে বলেন।
এদিকে নকশা গায়েবের সুযোগে বনানী বাণিজ্যিক এলাকার ১৭ নং রোডের ৩২ নং প্লটের বিভিন্ন নকশা দাখিল করেছে ডেভেলপার কোম্পানি রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেড। মূলত ২০০৩ সালে পাওয়ার অব এটর্নি (আমমোক্তারনামা) নিয়োগ হওয়ার পর থেকেই এফআর টাওয়ার অবৈধভাবে অফিস স্পেস বানানোর নানা ফন্দিফিকির করে। এজন্য চার দফায় তিন ধরনের নকশা অনুমোদনের কপি জমা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ ও ১৮ তলা ভবন নির্মাণ করতে এষ্টেট শাখা থেকে নকশা অনুমোদনের ছাড়পত্র নেয়া হয়েছে। তবে ২৩ তলা ভবন নির্মাণে রাজউক থেকে কোন ছাড়পত্র নেয়নি ডেভেলপার কোম্পানিটি।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সর্বোচ্চ নিলাম ডাককারি হিসেবে বনানী’র ১৭ নং রোডের ৩২ নং প্লটটি’র সাময়িক বরাদ্দপত্র পান এস.এম.এইচ.আই ফারুক। ১৯৮৫ সালের ১৮ই মে নিলাম ডাকে ওই প্লটটি’র জমির পরিমাণ ছিল ছয় কাঠা চার ছটাক। বরাদ্দ পাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ি জামানত ও প্রথম কিস্তি পরিশোধ করেন তিনি। এরপর একই বছরের ২৩শে জুন ফারুককে চূড়ান্ত বরাদ্দপত্র দেয় রাজউক। ২৪শে সেপ্টেম্বর বরাদ্দগ্রহীতাকে দখল হস্তান্তর করা হয়। দখল হস্তান্তরের সময় জমির পরিমাণ পাওয়া যায় আট কাঠা আট ছটাক ২২ বর্গফুট। জমির পরিমাণ বেশি হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ি বরাদ্দগ্রহিতা বর্ধিত জমির মূল্য পরিশোধ করেন। ১৯৮৭ সালের ১৬ই মে প্লটের বিপরীতে সমূদয় কিস্তির টাকা পরিশোধ করেন তিনি। সমূদয় অর্থ পরিশোধের পর ১৯৮৯ সালের ২৫শে জুন লিজ দলিল রেজিস্ট্রি করে নেন ফারুক।
আবেদনের ভিত্তিতে ১৯৯০ সালের ৪ঠা অক্টোবর প্রথম বনানী ১৭ নং রোডের ৩২ নং প্লটের মালিক ফারুককে নকশার অনুমোদনের ছাড়পত্র দেয় রাজউকের এষ্টেট শাখা। এর ভিত্তিতে একই বছরের ৩০শে অক্টোবর ১৫ তলা ভবনের নকশা অনুমোদন করে নেন ফারুক। দ্বিতীয় দফা ১৯৯৬ সালের ১৬ই জানুয়ারি নকশা অনুমোদনের ছাড়পত্র দেয় রাজউক। ২০০১ সালের ৬ই আগস্ট এফ আর হোল্ডিংস লিমিটেডকে আমমোক্তার দেয়া হয়। তবে ওই আমমোক্তার গ্রহণ করেনি রাজউক। এরপর অনেকটা বাধ্য হয়ে লীজ গ্রহীতা ফারুক ২০০৩ সালের ২৭শে এপ্রিল বনানী ১৭ নং রোডের ৩২ নং প্লটের আমমোক্তার হিসেবে রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডকে নিয়োগ করেন। এটি গ্রহণ করতে একই বছরের ১৮ই মে রাজউকের কাছে আবেদন করেন বাণিজ্যিক প্লটের মালিক ফারুক। আমমোক্তার আবেদনটি ২০০৩ সালের ৪ঠা সেপ্টেম্বর রাজউক গ্রহণ করে নেয়।
আমমোক্তার গ্রহণের পর থেকেই এফআর টাওয়ার নিয়ে নানা ঘটনার জন্ম হতে থাকে। এরপর বিভিন্ন দফায় নকশা জমা করে আমমোক্তার গ্রহণকারি প্রতিষ্ঠানটি। ২০০৬ সালের ২৬শে জানুয়ারি এফআর টাওয়ারের ২০, ২১ ও ২২ তলা জিএসপি ফাইন্যান্স বাংলাদেশ লিমিটেডের কাছে বন্ধক রাখার অনুমতি চেয়ে রাজউকের কাছে আবেদন করে ডেভেলপার কোম্পানি রূপায়ণ। আবেদনের সঙ্গে ১৯৯৪ সালের ১২ই ডিসেম্বর ২৩ তলা ভবনের নকশা দাখিল করা করে তারা।
এর ভিত্তিতে বন্ধক অনুমতি দেয়া হয়। তবে ২০০৭ সালের ৭ই আগস্ট ‘ফিডিলিটি অ্যাসেটস এন্ড সিকিউরিটিজ কোম্পানি লিমিটেড’ এর কাছ থেকে বাণিজ্যিক ঋণ নিতে বন্ধক অনুমতি চেয়ে আবেদন করে রূপায়ণ। এ সময় তারা ২৩ তলার বদলে ১৮ তলা ইমারতের নকশা দাখিল করে। দুই দফায় ১৮ ও ২৩ তলার নকশা দাখিলের পর রাজউকের এষ্টেট শাখার সন্দেহ দেখা দেয়। এর ভিত্তিতে নকশা যাচাই করতে ২০০৭ সালের ২০শে আগস্ট এষ্টেট শাখা নকশা অনুমোদন শাখায় একটি চিঠি পাঠায়। ওই চিঠিতে এষ্টেট শাখা বনানী বাণিজ্যিক এলাকার ১৭ নং রোডের ৩২ নং প্লটে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ি ইমারত নির্মাণ করা হয়েছে কিনা তা জানাতে এবং অনুমোদিত নকশা সরবরাহ করতে অনুরোধ জানায়।
একই বছরের ২৮শে আগস্ট নকশা অনুমোদন শাখা ফিরতি চিঠিতে জানায়, বনানী বাণিজ্যিক এলাকার ১৭ নং রোডের ৩২ নং প্লটের উপর নির্মিত ইমারতের অনুমোদিত নকশা রেকর্ডে পাওয়া যায়নি। ওই চিঠিতে এষ্টেট শাখা অনুমোদিত নকশা অনুযায়ি ইমারত নির্মাণ করা হয়েছে কিনা তা জানাতে এবং অনুমোদিত নকশা সরবরাহ করতে অনুরোধ জানায়। একই বছরের ২৮শে আগস্ট নকশা অনুমোদন শাখা ফিরতি চিঠিতে জানায়, ইমারতের অনুমোদিত নকশা রেকর্ডে পাওয়া যায়নি। কিন্তু ইস্যু রেজিস্ট্রারে দেখা যায়, ১৮ তলার নকশা অনুমোদিত হয়েছে। সরেজমিনে ইমারতটি ২২ তলা ডেভিয়েশনসহ নির্মাণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নকশা অনুমোদন শাখা থেকে চিঠি পাওয়ার পর ২০০৭ সালের ১২ই সেপ্টেম্বর লিজ গ্রহিতা ফারুককে একটি চিঠি দেয় রাজউকের এষ্টেট শাখা। ওই চিঠিতে জানানো হয়, অনুমোদিত নকশার ব্যতয় ঘটিয়ে অননুমোদিতভাবে ইমারত নির্মাণ করা হয়েছে। তাই ঋণ গ্রহণের আবেদন বিবেচনা করার অবকাশ নেই। এ চিঠি’র একটি কপি পরিচালক (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ)-কে দিয়ে বলা হয়, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল। রাজউকের এষ্টেট শাখার এক কর্মকর্তা জানান, পরিচালক (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ)- এর কাছে চিঠি যাওয়ার পরই ফাইলটি গায়েব হয়ে যায়।
২০০৯ সালের ৭ই জুন লিজ গ্রহিতাকে মূল কাগজপত্র ও নকশাসহ হাজির হতে অনুরোধ করে রাজউক। এর ভিত্তিতে লীজ গ্রহিতা হাজির হয়ে ২৩তলা নকশা জাল বলে জানান। এফ আর টাওয়ারের ২০, ২১ ও ২২ তলার মালিক কাসেম ড্রাইসেল লিমিটেড তাদের নামে হস্তান্তর করার অনুমতি চেয়ে চিঠি দেয়। আবেদনের সঙ্গে তারা ২৩ তলা ইমারতের নকশা অনুমোদনের কপি জমা দেয়। ২০১৪ সালের ২রা এপ্রিল রাজউক কাসেম ড্রাইসেলকে জানায়, ২১, ২২ ও ২৩তম ফ্লোরগুলো হস্তান্তরের আবেদন বিবেচনার অবকাশ নেই। এরপর একই বছরের ৩রা ডিসেম্বর আবারও আবেদন করে কাসেম ড্রাইসেল লিমিটেড। তবে নকশা অনুমোদন শাখার সেন্ট্রাল (কেন্দ্রীয়) ও মহাখালীর রেকর্ডরুম খুঁজেও এফআর টাওয়ারের ফাইলটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই কাসেম ড্রাইসেল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাসভীর উল ইসলামের আবেদনের জটিলতা নিষ্পত্তি হয়নি।
যা আছে এফ আর টাওয়ারে: এফ আর টাওয়ারের আশেপাশের সবকটি ভবনই বহুতল। পেছনের অংশে রয়েছে হোটেল সারিনা, এসএমসি টাওয়ার মীনা বাজারসহ আরো কয়েকটি বেসরকারি অফিস ও বিশ্ববিদ্যালয়। ২৩ তলা উচ্চতার এফ আর টাওয়ারের প্রতিটি ফ্লোর প্রায় ছয় হাজার বর্গফুটের। প্রতি ফ্লোরে চারটি করে ইউনিট আছে। ভবনটিতে মোট ২৯টি প্রতিষ্ঠানের অফিস রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ডার্ড গ্রুপের পাঁচটি, কাশেম ড্রাইসেল এর তিনটি এবং আমরা টেকনোলজিসের চারটি অফিস।
ভবনের ৩, ১৩, ১৪, ১৭ ও ২০ তলায় রয়েছে ডার্ড গ্রুপের অফিস। ২১, ২২, ২৩ তলায় রয়েছে কাশেম ড্রাইসেলের অফিস। ৬, ১৮ ও ১৯ তলায় আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেডের অফিস। এছাড়া বিচ্ছিন্নভাবে আছে প্রথম ও দ্বিতীয় তলা ভাড়া দেয়া হয়েছে ভেরাইটিজ পণ্য, রেস্তোরা, ট্র্যাভেল এজেন্সি ছাড়াও আরো কিছু প্রতিষ্ঠানকে। সরজমিন দেখা যায়, ভবনটির প্রথম ও দ্বিতীয় তলা ভাড়া দেয়া হয়েছে প্রিতম রেস্টুরেন্ট, বুস্টার জুস, কিনড্রেড ক্যাফে, দ্বিতীয় তলার বাটার দ্য অফেল ক্যাফে, বোমা বার্গার, ফ্রাই রেঁস্তোরা। তৃতীয় তলায় রয়েছে রোজডেল ব্যানকুয়েট হল নামের একটি কনভেনশন সেন্টার। চার তলায় রয়েছে ডার্ড গ্রুপ। পঞ্চম তলায় ভিভিড গ্লোবাল ও ডেনটোটাল। ষষ্ঠ তলায় আমরা নেটওয়ার্কস লি.। অষ্টম তলায় এ আই ফেইব, টেক্সটাইল কোম্পানি স্পেক্ট্রা এস এন টেক্স। নবম তলায় এমপায়ার গ্রুপ, দশম তলায় আমরা টেকনোলজিস, একাদশ তলায় স্ক্যানওয়েল লজিস্টিকস, হেরিটেজ এয়ার এক্সপ্রেস ও আলপি ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল ফ্রেইট ফরোয়ার্ডসের অফিস। ১২ তলায় জাপানি মালিকানাধীন একটি বায়িং কোম্পানির অফিস, ইউরো গ্রুপের ট্র্যাভেল এজেন্সি, ইইউআর সার্ভিসের অফিস রয়েছে। তের ও চৌদ্দ তলায় ডার্ড গ্রুপ, ১৫ তলার এফ আর প্রোপার্টিজ, চোরী কোম্পানী, ১৯ তলার এভার বেস্ট ও ২০ তলায় এ জেড বিজনেসের অফিস রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী, অগ্নিকান্ডের পর ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন সংস্থার পরিদর্শক টিমের কাছ থেকে জানা গেছে, আর এফ টাওয়ারের ভেতরের বেশিরভাগ অংশে কাঁচের ব্যবহার বেশি। বিভিন্ন অফিসের ডেকোরেশন, ভবনের দুই পাশের দেয়ালে কাঁচের ব্যবহার করা হয়েছে। ভবনের বৈদ্যুতিক লাইন, গ্যাস লাইন, ইন্টারনেট, টেলিফোন, সুয়ারেজের লাইন সব একসঙ্গে প্লাস্টিকের পাইপের ভেতরে রয়েছে। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে সবকটি লাইন এক সঙ্গে নষ্ট হয়ে আগুন আরো বাড়িয়ে দিয়েছিল। জরুরি নির্গমনের জন্য ২৪ ইঞ্চির সিঁড়ি ছিল। যা দিয়ে দুজন মানুষ উঠানামা করা কঠিন। সিঁড়িটি সবসময় অন্ধকার থাকত। বিভিন্ন ফ্লোরে সিঁড়ি বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। চার তলায় সিঁড়ি কেটে বানানো হয়েছে একটি রুম। অগ্নিকান্ডের দিন সাত তলার সিঁড়িও বন্ধ ছিল। ভবনটির ছাদে নিরাপত্তাকর্মীদের থাকার ঘর ছিল। তাই ছাদে উঠার রাস্তাও বন্ধ ছিল।
এফ আর টাওয়ারের ১৬ তলায় ডার্ড গ্রুপের রিভান সিস্টেম লিমিটিডের সহকারি ব্যবস্থাপক আলী আনিক বলেন, আমরা জানতাম ভবনে ফায়ার এলার্ম আছে। কিন্তু ওই দিন কোন এলার্ম বাজে নাই। আগুন লাগার ২৫ মিনিট পরে আমরা খবর পেয়েছি। ততক্ষণে নিচে নামার কোন উপায় ছিল না। প্রথমে ছাদের গেটও বন্ধ ছিল। পরে কেউ খুলে দিয়েছিল। আমরা ছাদ দিয়ে অন্য ভবনে গিয়ে প্রাণে বাঁচি। ডার্ড গ্রুপের আরেক কর্মী মো. মাসুদ রহমান বলেন, মৃত্যুকূপ হয়ে ছিল ভবনটি। এতগুলো মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখানে কাজ করেছি। নাই ফায়ার ফাইটিং সিস্টেম, নাই ফায়ার এক্সিট। যদি কিছুটা নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকত তবে এতগুলো মানুষ মারা যেত না।
দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফায়জুর রহমান বলেন, আগুন লাগার পর কোন এলার্ম বাজেনি। ভেতরের অনেকই বের হতে গিয়ে দেখেন জরুরি বর্হিগমন পথটিও সরু। কোন ফ্লোরে সেটি বন্ধ করে রাখা ছিল। তিনি বলেন, আমরা পুরো ভবন ঘুরে দেখেছি আগুন লাগার পর কোন তলায়ই হোস পাইপ ব্যবহার করা হয়নি। কোন কোন ফ্লোরে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রও ব্যবহার করা হয়নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অটিস্টিক শিশুদের জন্য অন্তঃপ্রাণ এক প্রধানমন্ত্রী by এমরান হোসাইন শেখ

মমতাময়ী শেখ হাসিনা অটিস্টিক শিশুদের নিয়ে আয়োজিত যে কোনও অনুষ্ঠানে গিয়ে প্রটোকল ভেঙে নিজেই ছুটে যান তাদের কাছে। মায়ের স্নেহে বুকে তুলে নেন এসব সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের। শোনেন তাদের কথা, সুর মেলান তাদের কণ্ঠে। গত কয়েক বছরে তার কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে তিনি অটিস্টিক শিশুদের জন্য অন্তঃপ্রাণ।
অটিজম এটা স্নায়ুগত সমস্যা। একে ইংরেজিতে নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার বলে। অটিজমকে সাধারণভাবে শিশুর মনোবিকাশগত জটিলতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। অটিজমে আক্রান্তদের বলা হয় অটিস্টিক। তবে তাদের বিশেষ যত্ন নিলে তারা আর দশটা শিশুর মতো স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে। অটিজমে আক্রান্ত কোনও কোনও শিশু কখনও কখনও বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে অত্যন্ত পারদর্শীতা দেখাতে পারে।
![]() |
| সোমবারের অটিস্টিক দিবসের অনুষ্ঠানে এক অটিস্টিক শিশুর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী (ছবি- ফোকাস বাংলা) |
সোমবার ( ২ এপ্রিল) অটিজম দিবসে অনুষ্ঠানসহ এর আগে একাধিক অনুষ্ঠানে মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুলের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অটিজম বিষয়ে একসময় আমারও ভালো ধারণা ছিল না। আমার মেয়ে পুতুল এসব বিষয় নিয়ে আমেরিকায় লেখাপড়া করেছে। আমি জেনেছি তার কাছ থেকে। অটিজম বিষয়ে আমি পুতুলের কাছ পরামর্শ নিয়ে থাকি।
তিনি বলেন, পুতুলের উদ্যোগের কারণেই অটিস্টিক শিশুদের লুকিয়ে রাখার মানসিকতা থেকে অভিভাবকরা আজ বেরিয়ে এসেছেন এবং জাতিসংঘও এ বিষয়ে একটি রেজুলেশন পাস করেছে।
প্রসঙ্গত, সায়মা হোসেন পুতুল যুক্তরাষ্ট্রের ব্যারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৭ সালে মনোবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি, ২০০২ সালে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজির ওপর মাস্টার্স ডিগ্রি এবং ২০০৪ সালে স্কুল সাইকোলজির ওপর বিশেষজ্ঞ ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ২০০৮ সাল থেকে শিশুদের অটিজম এবং স্নায়বিক জটিলতা সংক্রান্ত বিষয়ের ওপর কাজ শুরু করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই তার কাজ বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে। তিনি ২০১৩ সালের জুন থেকে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিউএইচও) বিশেষজ্ঞ পরামর্শক প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত আছেন। ডাব্লিউএইচও ২০১৪ সালে তাকে অ্যাক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করে। মনস্তত্ববিদ সায়মা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান অটিজম স্পিকস-এর পরামর্শক হিসেবেও কাজ করেন। তিনি বর্তমানে অটিজম ও নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার বিষয়ক বাংলাদেশ জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন ও ডাব্লিউএইচও’র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের চ্যাম্পিয়ন ও ডাব্লিউএইচ’র শুভেচ্ছা দূত।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শত ব্যস্ততার মধ্যেও প্রতিবছর বিশ্ব অটিজম দিবসের কর্মসূচিতে অংশ নেন। প্রতি বছরই এই দিবসের অনুষ্ঠানে অটিস্টিক শিশুদের সঙ্গে যতটা সম্ভব সময় দেন। তিনি শোনেন তাদের মনের কথা। দেখেন তাদের হাতে আঁকা ছবি, শোনেন তাদের গান। অটিস্টিক শিশুদের সব সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে উৎসাহ দেন। এমনকি নিজেও কণ্ঠ মেলান তাদের সঙ্গে। অনুষ্ঠানে গিয়ে মায়ের মমতায় কাছে টেনে নেন এই অবুঝ শিশুদের। এমনকি প্রটোকল ভেঙে নিজেই এগিয়ে যান তাদের কাছে। সোমবারের অটিস্টিক দিবসের কর্মসূচিতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি।
অটিস্টিক দিবস ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে এসব সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কথা তোলেন, বলেন তাদের অধিকারের কথা। অটিস্টিক শিশুদের জন্য বর্তমান সরকার যে বিশেষ কর্মকাণ্ড শুরু করেছেন, তা তুলে ধরেন সবার সামনে।
![]() |
| অটিস্টিক শিশুদের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী (ছবি- ফোকাস বাংলা) |
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদ, নববর্ষসহ বিভিন্ন পার্বণ ও দিবসে যেসব শুভেচ্ছা কার্ড পাঠান, সেগুলো তিনি অটিস্টিক শিশুদের আঁকা ছবি দিয়ে ছাপেন। ২০১০ সাল থেকে তিনি অটিস্টিক শিশুদের আঁকা ছবি দিয়ে শুভেচ্ছা কার্ড ছাপছেন বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে। যাদের কার্ড তিনি বেছে নেন তাদের উপযুক্ত সম্মানী দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে সম্মাননাপত্রসহ এক লাখ করে টাকা দেন বলে সোমবারের অনুষ্ঠানে জানান শেখ হাসিনা।
এসব শুভেচ্ছা কার্ডের ছবিসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অটিস্টিট শিশুদের আঁকা ছবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সায়মা হোসেন পুতুলের সম্পাদনায় আর্ট বুক ‘ইউনিক গ্লিম্পসেস‘ গত বছর প্রকাশ করা হয়েছে। ওই বই বেচে পাওয়া অর্থ অটিস্টিক শিশুদের কল্যাণে ব্যয় করা হয়।
বর্তমানে অটিজম বিষয়ক জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি, জাতীয় পরামর্শক কমিটি এবং কারিগরি নির্দেশক কমিটির মাধ্যমে সমন্বিতভাবে অটিজম সচেতনতা, দ্রুত চিহ্নিতকরণ, সেবা ও পুনর্বাসনে কাজ চলছে। এজন্য ১৩টি মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওয়াজ মাহফিল: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা, আলেমরা যা বলছেন

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, চিহ্নিত বক্তারা মাহফিলে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদে উৎসাহ দেয়াসহ রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশেষ করে ইউটিউবে চ্যানেল খুলে তাদের ্বিদ্বেষপূর্ণ ও উগ্রবাদী বক্তব্যের প্রচারণা চালিয়ে আসছেন।
গত মার্চ মাসের তৃতীয় সপ্তাহে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অধিশাখা-২ থেকে ১৫ জন বক্তার নাম উল্লেখ করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। যাতে বলা হয়, এ বক্তারা তাদের বয়ানে সামপ্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদে উৎসাহ দেয়া, ধর্মের নামে বিভিন্ন উপদল ও শোবিজ তারকাকে নিয়ে বিষোদ্গার, নারীদের পর্দা করা নিয়ে কটূক্তি, ধর্মবিদ্বেষ, জঙ্গিবাদ, গণতন্ত্রবিরোধী ও দেশীয় সংস্কৃতিবিরোধী বক্তব্য দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা রেডিক্যালাইজড হয়ে উগ্রবাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে তালিকাভুক্ত ১৫ জন বক্তা হলেন- আবদুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ (সালাফি), মাওলানা মুফতি মাহমুদুল হাসান (মুহতামিম, জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়া, মোহাম্মদপুর), আল্লামা মামুনুল হক (যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), মুফতি ইলিয়াছুর রহমান জিহাদী (প্রিন্সিপাল, বাইতুল রসূল ক্যাডেট মাদ্রাসা ও এতিমখানা, ক্যান্টনমেন্ট), মুফতি ফয়জুল করিম (জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির, ইসলামী আন্দোলন), মুজাফফর বিন বিন মুহসিন, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন (যুগ্ম মহাসচিব, ইসলামী ঐক্যজোট), মতিউর রহমান মাদানী, মাওলানা আমীর হামজা, মাওলানা সিফাত হাসান, দেওয়ানবাগী পীর, মাওলানা আরিফ বিল্লাহ, হাফেজ মাওলানা ফয়সাল আহমদ হেলাল, মোহাম্মদ রাক্বিব ইবনে সিরাজ। এসব বক্তা ছাড়াও যারা আপত্তিকর বক্তব্য দেন তাদের বয়ান নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসেবে ছয়টি সুপারিশ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সুপারিশগুলো হলো- ওয়াজি হুজুররা যেন বাস্তবধর্মী ও ইসলামের মূল স্পিরিটের সঙ্গে সংহতিপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন, সেজন্য তাদের প্রশিক্ষণ ও উদ্বুদ্ধকরণের ব্যবস্থা করা। এক্ষেত্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসন ও কমিউনিটি পুলিশের ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ। যারা ওয়াজের নামে হাস্যকর ও বিতর্কিত বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে ধর্মের ভাবগাম্ভীর্য নষ্ট করার চেষ্টা চালান তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রো-অ্যাকটিভ উদ্বুদ্ধকরণ করা। অনেক আলেমের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। দাওরায়ে হাদিস ডিগ্রির মতো উচ্চশিক্ষা ব্যতীত যারা ওয়াজ করে তারাই জঙ্গিবাদ ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তাই মাদরাসায় উচ্চশিক্ষিত ওয়াজকারীদের নিবন্ধনের আওতায় নিয়ে আসা। অনেকেই আছেন, যারা হেলিকপ্টারযোগে ওয়াজ মাহফিলে যোগ দেন এবং ঘণ্টাচুক্তিতে বক্তব্য দিয়ে বিশাল অঙ্কের অর্থ গ্রহণ করেন। তারা নিয়মিত ও সঠিকভাবে আয়কর প্রদান করেন কিনা তা নজরদারির জন্য আয়কর বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব বিভাগে কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি করা। ওয়াজি হুজুরদের বক্তব্য স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক সংরক্ষণ ও পর্যালোচনার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া এবং উস্কানিমূলক ও বিদ্বেষ ছড়ানোর বক্তব্য দিলে তাদের সতর্ক করা। প্রয়োজনে পরবর্তী সময়ে তাদের ওয়াজ করার অনুমতি না দেয়া। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে ও রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য প্রদানকারীদের আইনের আওতায় আনা।
এই সুপারিশের আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ (ইফাবা), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও সব বিভাগীয় কমিশনারের কাছে একটি কপি পাঠানো হয়।
তবে এই সিদ্ধান্তকে দ্বীনি আলোচনার উপরে বাধা হিসেবে দেখছেন আলেমরা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম মানবজমিনকে বলেন, যারা দ্বীনি আলোচনা করে তাদের বাইন্ডিংয়ের মধ্যে নিয়ে আসার যে পদক্ষেপ সরকার নিয়েছে এটাকে আমি দ্বীনি আলোচনার ওপরে বাধা মনে করি। যে কথাগুলো ইসলাম সমর্থন করে না এমন কোনো বক্তব্য কোনো বক্তা দিলে সে ব্যাপারে সরকার নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারে। এ ব্যাপারে কোনো কথা নেই। তবে এই ব্যবস্থা যদি কর আরোপসহ বিভিন্ন বাইন্ডিংয়ের মাধ্যমে হয় তাহলে এটা ইসলামবিরোধী মনোভাবে বহিঃপ্রকাশ বলে মানুষ মনে করবে।
ইসলামী ঐক্যজোটের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি সাখাওয়াত হোসেন মানবজিমনকে বলেন, কী কারণে সরকারের মনে হলো যে বক্তারা ওয়াজে গিয়ে দেশ বিরোধী ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়, সেই বক্তব্যটা কী, মন্ত্রণালয়ের আপত্তির জায়গা কোনটা- এই বিষয়গুলো পুরোটা পরিষ্কার না। কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী কেউ ওয়াজ করলে তো তাতে কারো আপত্তি থাকার কথা না। সঠিকভাবে আলেমরা কুরআন সুন্নাহর ওপর কথা বলবেন। এটাতে কেউ বঁৎাধা দিতে পারেন না। বাধা দেয়ার অধিকার কারো নেই। ওয়াজ মাহফিলের মাধ্যমে ধর্মের বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যে কর্মকর্তা এই আপত্তি করেছেন। যারা এটা করেছেন। তিনি বুঝে করেছেন কি না আমার সন্দেহ। দ্বিতীয়ত কোন পেশার উপরে তো কর হয় না। যে বক্তারা চুক্তি ভিত্তিক ওয়াজ করেন তারা তো আমাদের মধ্যেই সমালোচিত। আর যদি কেউ চুক্তিভিত্তিক ওয়াজ করেন সেই টাকার ওপর তো কর হয় না। বছর শেষে কী পরিমাণ টাকা আমার কাছে থাকবে তার ওপরে কর হবে। এখন কোনো পেশা বা শ্রেণির ওপর যদি কর আরোপ করা হয়, তাহলে তো বৈষম্য হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইভীর অভিযোগে ফতুল্লার ওসি বদলি

তাকে ঢাকা এসবিতে পদায়ন করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবর মাসে নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মাঈনুদ্দিন আহমাদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর ফতুল্লা মডেল থানায় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্তাব্যক্তিদের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদে বলেছিলেন, মেয়র আইভী এবং তার বাবা নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান প্রয়াত আলী আহাম্মদ চুনকার সঙ্গে তাদের পারিবারিকভাবেই ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। ২০১১ সালের নির্বাচনে তারা মেয়র আইভীকে গোপনে সমর্থন দেন। এ নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গেও আইভীর যোগাযোগ হয়েছিল। কথা ছিল নির্বাচনে জয়ের পর আইভী বিএনপিতে যোগ দেবেন। কিন্তু তারা (স্থানীয় জামায়াত) চাইছিলেন আইভী আওয়ামী লীগেই থাকুক। কারণ বিএনপিতে এসে শামীম ওসমানের সঙ্গে পেরে উঠা যাবে না। এর চেয়ে আইভী আওয়ামী লীগে থাকলেই জামায়াত এবং বিএনপির জন্য সুবিধাজনক হবে।
জামায়াত নেতা মাওলানা মাঈনুদ্দিনের এ বক্তব্যের রেকর্ড ইউটিউবে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ নিয়ে ওই সময় কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশিত হয়েছিল।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় জামায়াত নেতার দেয়া বক্তব্য ইউটিউবে ভাইরাল হওয়ায়, বিশেষ করে ওই বক্তব্যে মেয়র আইভীর বাবা প্রয়াত আলী আহাম্মদ চুনকাকে নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বক্তব্য আদায় করা হয়েছে- এমন অভিযোগ এনে গত বছরের নভেম্বরেই মেয়র আইভী ঘটনাটি জানিয়ে তা খতিয়ে দেখতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থায় চিঠি দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে অভিযোগটি তদন্তের জন্য আইজিপির কাছে পাঠানো হয়। আইজি অফিস থেকে সেটি অতি সম্প্রতি তদন্ত করতে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার সদ্য বিদায়ী ওসি শাহ মঞ্জুর কাদের বলেন, ওই সময় ফতুল্লা মডেল থানায় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে জামায়াত নেতা মাঈনুদ্দিন আহমাদ স্বেচ্ছায় নানা বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। সেই রেকর্ড কিভাবে বাইরে গেছে তা তদন্তের বিষয়। বিষয়টি পুলিশের পক্ষ থেকেও তদন্ত করা হচ্ছে। সত্তরোর্ধ্ব জামায়াত নেতা মাঈনুদ্দিন আহমাদ যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটি তিনি নিজেই দিয়েছিলেন তাকে কেউ বাধ্য করেন নি।
এ বিষয়ে মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী শনিবার একটি অনুষ্ঠানে বলেন, তাকে এবং তার পিতাকে জড়িয়ে যেই অডিও টেপ ভাইরাল করা হয়েছে সেজন্য ওসি মঞ্জুর কাদেরের বিরুদ্ধে তিনি মামলা করবেন।
এদিকে মেয়র আইভীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, গ্রেপ্তার অবস্থায় জামায়াত নেতার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্যটি ইউটিউবে ভাইরাল হওয়ার পরেই মেয়র এ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা দপ্তরে চিঠি দিয়েছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অগ্নিকাণ্ড রোধে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ নির্দেশনা

তিনি বলেন, খুব কঠোরভাবেই এই আইনটি প্রয়োগ করা হবে। এজন্য পূর্তমন্ত্রী জানান- ঢাকা শহরে তাঁদের ২৪টি দল কাজ করছে। যারা এই সংক্রান্ত বিষয়ে বহুতল ভবনগুলোর ব্যাপারে রিপোর্ট দেবে এবং যেসব স্থানে এসব নতুন সুযোগ-সুবিধা ইনস্টল করা সম্ভব সেখানে করতে হবে নচেৎ ভবন ভেঙ্গে ফেলতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনগুলো হচ্ছে-
১. বহুতল ভবন তৈরী করার ক্ষেত্রে ফায়ার সার্ভিস সাধারণত একটি ক্লিয়ারেন্স দেয় সেক্ষেত্রে এখন ক্লিয়ারেন্সই যথেষ্ট নয় এটি পরিদর্শন করে এখানে বহুতল ভবন নির্মাণযোগ্য কি না তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
২. ফায়ার সেফটির বিষয়টি মিয়মিত অনুসন্ধান করা এবং শিল্প কারখানার মত প্রতি বছর এটি নবায়ন করা যায় কিনা, বছর বছর তা দেখা।
৩. বিল্ডিং কোড অনুসরণ করা।
৪. নিয়মিত ফায়ার ড্রিল করা (অগ্নিনির্বাপণ মহড়া করা), যেটি প্রতি তিনমাসে একবার হতে পারে।
৫. অগ্নিকান্ডের ক্ষেত্রে দেখা যায় ধোঁয়াতেই অধিকাংশ মানুষ শ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যায়। কাজেই পৃথিবীর অন্যান্য দেশে এই স্মোক কন্ট্রোলের যে ব্যবস্থা রয়েছে তা অনুসরণ করা।
৬. আগুন লাগলে পানির অভাব দূর করার জন্য রাজধানীর যেখানে যেখানে সম্ভব জলাশয় বা জলাধার তৈরি করা।
৭. রাজধানীর ধানমন্ডি, গুলশানসহ এখন যেসব লেক রয়েছে সেগুলো সংরক্ষণ করা।
৮. বাংলাদেশে আগুন লাগলে ৩০ তলা পর্যন্ত যাওয়ার জন্য বর্তমানে তিনটি সুউচ্চ মই (ল্যাডার) রয়েছে। এই সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
৯. ভবন নির্মাণের সময় স্থপতিরা যেন আমাদের পরিবেশ এবং বাস্তবতার নিরিখে বহুতল ভবনের নকশা প্রণয়ন করেন। বর্তমানের ম্যাচ বক্সের আদলে দরজা-জানালা ব্লক করে পুরো কাঁচ ঘেরা দিয়ে কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ভবন করা হচ্ছে। সেভাবে না করে বারান্দা বা জানালা নির্মাণ করা। যেন কোন বিপদ ঘটলেও শ্বাস নেয়ার জন্য পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা থাকে।
১০. ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে শতভাগ ফায়ার এক্সিট নিশ্চিত করা।
১১. ইলেকট্রিক সিস্টেম ডোর ফায়ার এক্সিট থাকবে না, সেগুলো ওপেন দরজা এবং ম্যানুয়ালি নিয়ন্ত্রিত হতে হবে।
১২. দমকল বাহিনীর সেফটি গিয়ারে তারপলিন সিস্টেম এবং নেট সিস্টেম অন্তর্ভক্ত করা। যাতে কোথাও আগুন লাগলে মানুষ তার মাধ্যমে ঝুলে ঝুলে নেমে যেতে পারে।
১৩. হাসপাতাল এবং স্কুলগুলোতে রুমের বাইরে বারান্দা বা খোলা জায়গা রাখা। ইন্টেরিয়ার ডিজাইনাররা অনেক সময় এগুলো ব্লক করে দেয়, কাজেই সেটা যেন না হয়।
১৪. আগুনের সময় যেন লিফট ব্যবহার না করা হয়, এজন্য সচেতনতা সৃষ্টিতে প্রশিক্ষণ প্রদান।
১৫. প্রতিটি ভবনে কম করে হলেও দুটি এক্সিট পয়েন্ট যেন থাকে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাঁটতে পারছেন না খালেদা: বিএসএমএমইউতে ভর্তি

গাড়ি থেকে কয়েক কদম দূরে রাখা হুইল চেয়ারে গিয়ে বসার আগে পরিস্কার দেখা গেছে কাতর চেহারা। তিনি হাঁটতে পারছিলেন না।
পরে গোলাপী শাড়ি ও মাথায় স্কার্ফ পরিহিত খালেদা জিয়াকে হুইল চেয়ারে করে কারারক্ষীরা কেবিন ব্লকে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি কেবিন ব্লকের ৬২১ নম্বর কক্ষে ভর্তি রয়েছেন। পাশের ৬২২ নম্বর কক্ষটিও তার জন্য সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এদিকে রোববার রাত থেকে গুঞ্জন চলছিল বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হতে পারে। তারই প্রেক্ষিতে সোমবার সকাল থেকেই হাসপাতাল প্রাঙ্গণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাকধারী বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি তৎপরতা বাড়তে থাকতে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের। সেই সঙ্গে সকাল থেকেই হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জড়ো হতে থাকে বিএনপি, মহিলা দলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। কিন্তু পুলিশ তাদের হাসপাতালের তিন নম্বর গেট থেকে সি ব্লক পর্যন্ত এলাকায় দাঁড়াতে দেয়নি। হাসপাতালের সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে যান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন ও মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস। তারা বি ব্লকের কোনায় দাঁড়িয়ে খালেদা জিয়াকে এক নজর দেখার জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। কারাগারে একটি ভ্যানে করে সকালেই হাসপাতালে আনা হয় বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যবহৃত জিনিসপত্র। জিনিসপত্রের মধ্যে দেখা গেছে- একটি খাট, দুটি সুটকেস, চেয়ার, ছোট একটি ফ্রিজ ও প্লাস্টিকের ওয়ারড্রোব। এদিকে বেলা ১২টার দিকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন- র্যাব সদস্যদের মোতায়েন করা হয় হাসপাতাল প্রাঙ্গণে। ১২টা ৩৫ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার ভেতর দিয়ে পুলিশের একটি কালো গাড়িতে করে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে আনা হয়। পুলিশ গণমাধ্যম কর্মীদের কেবিন ব্লকের সিঁড়ির একপাশে ঘিরে রাখে। কারারক্ষী ও পুলিশের কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যদিয়ে খালেদা জিয়াকে কালো গাড়ি থেকে নামিয়ে হুইল চেয়ারে করে কেবিন ব্লকে তুলে নেয়া হয়।
আমরা উদ্বিগ্ন, শঙ্কিত: ফখরুল
বিএনপি চেয়ারপারসনকে কেবিন ব্লকে নেয়ার পর বি ব্লকের নিচে কোনায় দাঁড়িয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে নেয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ও শঙ্কিত। আমরা সেজন্যই বারবার বলছি তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অবশ্যই বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠানো হোক। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে তার ট্রিটমেন্টটা কীভাবে হবে।
খালেদা জিয়া সুস্থ, তবে হাঁটাচলা করতে পারছেন না
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)-এর পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একে মাহবুবুল হক বলেছেন, খালেদা জিয়া সুস্থ আছেন, ভাল আছেন। আমরা খালেদা জিয়াকে দেখেছি। তার সঙ্গে কথা বলে তাকে মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ দেয়া হয়েছে। তিনি আমাদের সঙ্গে বসে থেকে কথা বলেছেন। তার পায়ে ও জয়েন্টে ব্যথা আছে। তার ডায়াবেটিস স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি, শরীর দুর্বল। তার ঘুম কম হয়, খাবারের রুচি কমে গেছে। তিনি একা হাঁটাচলা করতে পারছেন না, হাঁটার সময় আরেকজনের সাহায্য নিচ্ছেন। গতকাল বিএসএমএমইউর কেবিনে ভর্তির পর খালেদা জিয়াকে চিকিৎসকরা দেখার পর বিএসএমএমইউ’র পরিচালক (হাসপাতাল) সাংবাদিকদের ব্রিফিং-এ এসব কথা জানান।
খালেদা জিয়া সুস্থ আছেন, পরিচালকের এমন বক্তব্যে সাংবাদিকরা জানতে চান, তাহলে তো খালেদা জিয়াকে ছেড়ে দেয়ার কথা। কিন্তু তাকে তো ভর্তি করা হয়েছে। জবাবে পরিচালক বলেন, খালেদা জিয়া যদি মনে করেন তিনি চলে যাবেন, কমফোর্ট ফিল করছেন না, তাহলে তিনি চলে যেতে পারেন। তিনি যদি থাকেন (হাসপাতালে) তাহলে প্রতিদিন তার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক তাকে ভিজিট করবেন। উনি এখন ৬২১ নম্বর কেবিনে আছেন। আর তার সঙ্গে যারা রয়েছেন, তাদেরকে ৬২২ নম্বর কেবিনে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিএসএমএমইউ’তে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা হবে কিনা এমন প্রশ্নে পরিচালক বলেন, উনার (খালেদা জিয়া) এখন যে সমস্যা, তা কোনও জটিল সমস্যা না। বিএসএমএমইউ’তে চিকিৎসা সম্ভব না এমন কিছু আমরা পাইনি। বিএসএমএমইউ উচ্চ বিশেষায়িত হাসপাতাল। খালেদা জিয়ার যা সমস্যা রয়েছে, তার চিকিৎসা করা এখানে সম্ভব। খালেদা জিয়ার চিকিৎসক বদলানো হবে কিনা সাংবাদিকদের এই প্রশ্নে তিনি বলেন, আজকে আমরা তাকে যেভাবে দেখেছি, তাতে বর্তমান চিকিৎসক বোর্ডের প্রতি তার আস্থা রয়েছে।
যখন মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা তাকে দেখতে যান, তখন উনি বসে তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং আমাদের কাছে মনে হয়েছে, বোর্ডের ব্যাপারে তিনি সন্তুষ্ট। আজকে তাকে চিকিৎসকরা ওষুধ দিয়েছেন। এখন তাকে এই ওষুধগুলো মেনে খেতে হবে। আগের পরীক্ষা-নিরীক্ষা অনুযায়ী এই ব্যবস্থাপত্র দেয়া হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে পরিচালক বলেন, খালেদা জিয়া এই হাসপাতালে শতভাগ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আছেন। তিনি বলেন, গত ২৮শে মার্চ খালেদা জিয়ার জন্য নতুন একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। এই বোর্ডের প্রধান হলেন বিএসএমএমইউ’র ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. জিলন মিঞা সরকার। বোর্ডের সদস্যরা হলেন রিউমাটালোজি বিভাগের অধ্যাপ ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. তানজিমা পারভীন, ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. বদরুন্নেসা আহমেদ, আর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. চৌধুরী ইকবাল মাহামুদ। এছাড়া ডা. শামীম আহমেদ এবং ডা. মামুন মেডিকেল বোর্ডকে সহযোগিতা করছেন। ডা. মামুন কি খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক, এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডা. মামুন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক না। তবে তাকে খালেদা জিয়া পছন্দ করেন। এর আগে বেলা ১২টা ৩৫ মিনিটের দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) আনা হয়।
মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল
এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে গতকাল বেলা দেড়টার দিকে উত্তর বাড্ডার সুবাস্তু টাওয়ার থেকে ফুজি টাওয়ার এলাকায় বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী। মিছিল শুরুর আগে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রিজভী আহমেদ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা এখন চরম পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। তাঁকে চিকিৎসা দেয়ার নামে প্রতারণা করে যাচ্ছে সরকার। তার পছন্দের হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ না দিয়ে বরং যেখানে উন্নত চিকিৎসা দূরের কথা চিকিৎসার আধুনিক সরঞ্জামাদিও নেই সেই হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এভাবে চিকিৎসার নামে জনগণকে বারবার ধোকা দিচ্ছে সরকার। এটি খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলারই সামিল। এই খেলা বন্ধ করে অবিলম্বে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে তাঁর পছন্দের হাসপাতালে সুচিকিৎসার সুযোগসহ নিঃশর্ত মুুক্তির দাবি জানাচ্ছি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছাত্রলীগের বিক্ষোভে অচল ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান, পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন খান, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল কবির, সহকারী কমিশনার ভূমি কামরুজ্জামান ও সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) জিয়াউল হককে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করার দাবি জানান। মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মেহেদী হাসান লেনিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সুজন দত্ত, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভন ও সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী খায়রুল আলম প্রমুখ। তারা অভিযোগ করেন নির্বাচনের আগের রাতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান রহস্যজনক কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসেন। তিনি ওইদিন রাতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ফিরোজুর রহমান এবং পুরুষ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী লোকমান হোসেন ও শামীমা আক্তারের সঙ্গে গোপনে বৈঠক করেন। পরদিন নির্বাচনে প্রশাসন সম্পূর্ণ তাদের পক্ষে কাজ করে এবং প্রত্যেকটি কেন্দ্রে ঢুকে বিভাগীয় কমিশনারের দেয়া নির্দেশনামতো আওয়ামীলীগ ও অংঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের ভোটের লাইনে, কেন্দ্রের বাইরে এমনকি বাড়িঘরে ঢুকে মারধর করে। এতে সম্পূর্ণ রূপে মাঠ ছাড়া হয়ে যায় আওয়ামী লীগ।
স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়।
তারা আরো অভিযোগ করেন, বিভাগীয় কমিশনার চট্টগ্রাম থেকে তার সঙ্গে ১১ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়ে আসেন। তারাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়ে এসব ঘটনা ঘটায়। সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. কামরুজ্জামান দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলাকারীদের অন্যতম। ছাত্রলীগ নেতারা বলেন দায়ী এসব কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা না নেয়া হয় তাহলে ছাত্রলীগ তাঁদের বিচারের ব্যবস্থা করবে। পাশাপাশি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাথে সারাদেশের সড়ক ও রেলপথ যোগাযোগ বন্ধ করে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলারও হুঁশিয়ারী দেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফিরোজুর রহমান ওলিও আনারস প্রতীকে ৬৮ হাজার ২৩৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৯০৭ ভোট। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ১১৪টি কেন্দ্রের সবকটিতেই প্রশাসন বেপরোয়া হয়ে আওয়ামীলীগ সমর্থিত ভোটারদের তাড়িয়ে দেয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টিকে থাকবে তো তেরেসা মে’র সরকার

গত সপ্তাহে এমপিদের জমা দেয়া বিকল্প প্রস্তাবগুলোর মধ্য থেকে আটটি বাছাই করে পার্লামেন্টে ভোটে দেন স্পিকার জন বারকাউ। কিন্তু কোনো প্রস্তাবই পাস হয় নি। ওই প্রস্তাবগুলো থেকে স্পিকার আবার যাচাই বাছাই করে সোমবার হাতেগোনা কয়েকটি প্রস্তাব ভোটে দিতে পারেন। এর সংখ্যা হতে পারে তিন থেকে চার। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি ও স্কাই নিউজ।
ব্রেক্সিট নিয়ে বিবিসি ডকুমেন্টারি তৈরি করছে। এর নাম দেয়া হয়েছে ‘দ্য ব্রেক্সিট স্টর্ম: লরা কুয়েন্সবার্গস ইনসাইড স্টোরি’। এতে সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে কনজারভেটিভ পার্টির চিফ হুইপ জুলিয়ান স্মিথের। প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’কে অবমাননা করার চেষ্টা করছেন মন্ত্রীরা- ওই সাক্ষাৎকারে তিনি মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেছেন, আমি প্রত্যক্ষ করেছি মন্ত্রীরা কেবিনেট টেবিলের চারদিকে বসে আছেন। তারা চেষ্টা করছেন তাকে (তেরেসা মে) অস্থিতিশীল করতে। এসব মন্ত্রীর আচরণ সম্পর্কে তিনি বলেন, তাদের এই আচরণ বৃটিশ রাজনীতির ইতিহাসে সবচেয়ে জঘন্য বিশৃঙ্খল। ২০১৭ সালের নির্বাচনে যখন সরকার হেরে গেল তখন সরকারের এটা উচিত ছিল যে, ব্রেক্সিট সম্পাদনার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক থাকবে ঘনিষ্ঠ- এটা মেনে নেয়া। তখনই বোঝা উচিত ছিল যে সফট ব্রেক্সিট হতে যাচ্ছে। কিন্তু এখন পার্লামেন্টের দিকে তাকালে বলা যাবে না ব্রেক্সিট কোন ধরনের হবে।
অর্থ বিষয়ক চিফ সেক্রেটারি লিজ ট্রাস বিবিসি রেডিও ৪’কে বলেছেন, এখন পর্যন্ত এমপিরা কাস্টমস ইউনিয়নের প্রতি তাদের অবস্থান দেখান নি। উত্তরটা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর চুক্তি আধুনিকায়নের মধ্যে। ক্রমশ আমরা পরীক্ষাকালীন সময়ের দিকে ধাবিত হচ্ছি। এটা এমন একটা সময় যখন সরকার সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছে এবং নানা মুনির নানা মত আসছে।
ব্রেক্সিট সম্পাদনের সময় দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বৃটেনের বেরিয়ে যাওয়ার নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ই এপ্রিল। ফলে প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে পার্লামেন্টের মাধ্যমে তার চুক্তিকে অনুমোদনের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। পর পর তিনবার তার চুক্তি হাউস অব কমন্স প্রত্যাখ্যান করার পর তিনি চতুর্থ ও শেষ দফায় ওই চুক্তি পার্লামেন্টে ভোটে দিতে পারেন। আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যদি তার চুক্তিকে পার্লামেন্ট অনুমোদন দেয় তাহলে নির্ধারিত সময়ের আগেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ ত্যাগ করবেন। এমন
প্রস্তাবের পরও তৃতীয় দফায় তিনি পরাজিত হন। চতুর্থ দফা যদি তিনি চুক্তি ভোটে দেন এবং তাতেও হেরে যান অথবা যদি হেরে যাবেন এমনটা বুঝতে পারেন তাহলে তিনি বৃটেনে আগাম নির্বাচন ডাকতে পারেন। কিন্তু এর পক্ষেও পার্লামেন্টের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন প্রয়োজন হয়। তা তিনি পাবেন বলে মনে হয় না। কারণ, তার মন্ত্রিপরিষদের অনেকেই প্রকাশ্যে বলে দিয়েছেন নতুন নির্বাচন ডাকলে সেই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তারা ভোট দেবেন। এমনকি অনেকে পদত্যাগও করতে পারেন বলে বলা হচ্ছে।
সপ্তাহান্তের ছুটির সময়টাতে প্রধানমন্ত্রী তার চুক্তি অনুমোদনের দিকেই দৃষ্টি রেখেছেন। এমপিদের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা চালানো হয়েছে। এক্ষেত্রে বেঁকে বসা কিছু এমপি হয়তো তাকে সমর্থন দিতে পারেন। কিন্তু সিদ্ধান্তে অটল আছে ডিইউপি। তারা তেরেসা মে’র বিরুদ্ধে ভোট দিতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। তারা আগাগোড়াই এই চুক্তির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতীয় সেনাদের গুলিতে নিহত পাকিস্তানি ৩ সেনা সদস্য

ডন লিখেছে, সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং থেকে বলা হয়েছে নিহত সেনারা হলেন ঝাং-এর সুবেদার মোহাম্মদ রিয়াজ, নোশেরো ফিরোজের ল্যান্স হাবিলদার আজিজ উল্লাহ ও অ্যাবোটাবাদের সিপাহি শহিদ মানসিব। এ ছাড়া একজন সেনা সদস্য আহত হয়েছেন।
আইএসপিআর বলেছে, উপযুক্ত আচরণ বজায় রেখে ভারতের গুলির জবাব দিয়েছে পাকিস্তানের সেনারা। এতে নিয়ন্ত্রণ রেখার ভারতীয় অংশেও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তারা আরো বলেছে, নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতীয় সেনারা অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘন করায় আজাদ-কাশ্মিরে গ্রামের একজন বয়স্ক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দু’জন নারী ও তিনজন তরুণ।
পাকিস্তানি পুলিশের মতে, স্থানীয় সময় সকাল ৭টার দিকে নেজাপির সেক্টরে গোলা নিক্ষেপ শুরু করে ভারতীয় সেনারা। এ সময়ে তারা ছোট ও ভারি অস্ত্র ব্যবহার করে। এই গোলা নিক্ষেপ মূলত বিপরীত দিকে সামরিক পোস্টের দিকেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু ভারতীয় সেনারা মাঝে মাঝেই বেসামরিক অবস্থানকে টার্গেট করেছে। কোটলির আরেকজন কর্মকর্তা বলেছেন, গোই এবং তাট্টাপানি সেক্টরেও রোববার রাত থেকে ভারি গোলা নিক্ষেপ করা হয়েছে। শার্পনেলের আঘাতে গোই বাটালি গ্রামে ২৮ বছর বয়সী এক যুবতী আহত হয়েছেন। পুঞ্চ এলাকার বাট্টাল সেক্টরেও ভারি গোলা নিক্ষেপ করা হয়েছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায় নি।
ওদিকে ভারতের অনলাইন দ্য স্টেটসম্যান লিখেছে, ভারতীয় পক্ষ দাবি করেছে, পাকিস্তানি সেনারা ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মিরে কোনো প্ররোচণা ছাড়াই গোলো নিক্ষেপ করেছে। এর কড়া জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। সোমবার পাকিস্তানিদের ওই হামলায় তিনজন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫ বছর বয়সী একটি মেয়ে শিশু। তার নাম সোবিয়া শফিক। এ ছাড়া নিহত একজন হলেন বিএসএফের ইন্সপেক্টর টি অ্যালেক্স লালমিনলান। নিহত হয়েছেন একজন নারী। চারদিন ধরে পাকিস্তানি সেনারা ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মুতে পুঞ্চ ও রাজৌরি এলাকায় বেসামরিক এলাকাগুলোতে বৃষ্টির মতো মর্টার নিক্ষেপ করছে। এতে অনেক গ্রামে বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। এ সময় ওই সব গ্রামে ব্যাপক ভীতির সঞ্চার হয়। এর কড়া প্রতিশোধ নিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পুলওয়ামা হামলা নিয়ে উত্তেজনা শীতল হতে না হতেই এই ঘটনায় আবার নতুন করে সম্পর্কে টান ধরবে। কয়েকটি দিন মোটামুটি শান্ত ছিল নিয়ন্ত্রণরেখা। ২৪ শে মার্চ ভিম্বার ও হ্যাভেলি জেলায় সর্বশেষ হতাহতের ঘটনা ঘটেছিল। ওইদিন সেখানে ১০ বছর বয়সী একটি বালক ও একজন ব্যক্তি আহত হয়েছিলেন। তবে তা খুব বড় করে প্রচার পায় নি মিডিয়ায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকা যেন ঝুঁকির রাজধানী by জিয়া চৌধুরী

যানজট, সুপেয় পানির অভাব আর ভেজাল খাবারের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ নগরের বাসিন্দারা। জীবিকার তাগিদে ঢাকায় ছুটে আসা মানুষের চাপে তিলে তিলে ঢাকা হয়ে উঠছে এক অনিরাপদ নগরী। যেখানে স্বাভাবিক মৃত্যুর কোনো নিশ্চয়তা নেই।
সড়কে, নদীতে, আগুনে, ভবন ধসে কিংবা নানা দুর্ঘটনায় প্রাণ যাচ্ছে অসংখ্য মানুষের। চকবাজারের চুড়িহাট্টা থেকে বনানীর ফারুক রূপায়ণ (এফ আর) টাওয়ার ও সবশেষ গুলশানের ডিএনসিসি কাঁচাবাজারের অগ্নিকাণ্ড এখনো জ্বলজ্বলে প্রমাণ। বনানীর আগুনের পর গত তিন দিনে রাজধানীর গুলশান, ধানমন্ডি, হাতিরপুল, মোহাম্মদপুর, রামপুরাসহ অন্তত আরো দশটি জায়গায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার কোনো প্রাণহানি না হলেও নগরের বাসিন্দাদের মনে ভাবনার উদ্রেক করছে, ঢাকা আসলে কতটা নিরাপদ? একের পর এক আগুনের ঘটনায় বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দেয়া তথ্য মতে, ঢাকায় গত এক বছরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ঢাকায় আগুনে দুর্ঘটনার সংখ্যা ও ক্ষয়-ক্ষতি তুলনামূলকভাবে বেশি। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে সারা দেশে ৮ হাজার ৪৬১টি আবাসিক ভবনে আগুনের ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে ২ হাজার ৮৮টি ঢাকা বিভাগে, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৮৫ ও রাজশাহীতে ঘটেছে ১১৬টি। এর বাইরে সারা দেশে ৫০৮টি নৌ-দুর্ঘটনার মধ্যে ঢাকায় ১৯৫টি, চট্টগ্রামে ৫৪ ও খুলনায় ৪০টি।
এসব দুর্ঘটনায় শুধু ঢাকাতে প্রাণ হারান অন্তত ১২১ জন। গত এক বছরে দেশে ১৬টি ভবন ধসের ঘটনার ১০টি ঢাকায়। ভবন ধসের মতো ঘটনায় নিহত হয়েছেন আরো ছয়জন। ২০১৮ সালে দেশের তৈরিপোশাক কারখানাগুলোতে ১৭৩টি আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ১১৫টি হয়েছে রাজধানী ঢাকায়। এ ছাড়া, শিল্প কারখানায় ১ হাজার ১৩১টি আগুনের ঘটনার মধ্যে ৫২৬টি ঘটেছে ঢাকায়। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২০১৭ সালে ৯২ কোটি ও ২০১৮ সালে প্রায় ১৬৭ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে। গত ২০শে ফেব্রুয়ারি রাতে চকবাজারের চুড়িহাট্টায় ভয়াবহ আগুনের ঘটনার পর আবারো আঁতকে ওঠেন রাজধানীবাসী। চুড়িহাট্টার ধকল কাটতে না কাটতে বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউতে ২৩ তলা সুউচ্চ এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর আবারো রাজধানীর বহুতল ও আবাসিক ভবনের অগ্নি নির্বাপণ সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের হিসেবে, রাজধানীর গুলশান, বনানী ও বারিধারার মতো অভিজাত এলাকায় দেখা যায় অধিকাংশ ভবনে আগুন নেভানোর মতো যথেষ্ট ব্যবস্থা নেই। এসব এলাকার ২০১টি ভবন অগ্নি ঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষম নয় বলে মত দেয় ফায়ার সার্ভিস। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে গুলশানের ডিসিসি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের পর ঢাকার স্থাপনাগুলোর অগ্নিঝুঁকি নিরূপণ করে সংস্থাটি। অগ্নি দুর্ঘটনা রোধের সক্ষমতা যাচাইয়ে ভবনগুলোর ভূগর্ভস্থ জলাধারের ধারণক্ষমতা, অবস্থানকারীর সংখ্যা, প্রবেশদ্বারের প্রশস্ততা, ধোঁয়া ও তাপ শনাক্তকরণ যন্ত্রের উপস্থিতি, মেঝের আয়তন, জরুরি বহির্গমন সিঁড়ি ও প্রয়োজনীয় লিফটের উপস্থিতি বিবেচনায় নেয়া হয়। এর ভিত্তিতে ভবনগুলোকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ও ‘অতিঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। আর অগ্নিঝুঁকি মোকাবিলার অধিক প্রস্তুতি আছে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘সন্তোষজনক’ বলে চিহ্নিত করে দেয় সংস্থাটি।
ফায়ার সার্ভিসের মূল্যায়নে গুলশান, বনানী ও বারিধারার বাণিজ্যিক ভবনগুলোর মধ্যে ৪৬টি ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে ২১টি বহুতল বাণিজ্যিক ভবনকে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করে দ্রুত সময়ে অগ্নি ও ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করে সংস্থাটি। যার মধ্যে গুলশান ডিএনসিসি মার্কেটটিকেও অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। পাশাপাশি সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভবন ও প্রতিষ্ঠান মালিকদের একাধিকবার চিঠিও দেয় ফায়ার সার্ভিস। তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই সেগুলো কার্যকর করেনি। ঢাকায় কেন এত অগ্নিকাণ্ড এমন প্রশ্নে ফায়ার সার্ভিস মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, ঢাকায় জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি। অল্প জায়গায় বেশি মানুষ বসবাস করতে হয়। অনেক অপরিকল্পিত ও অবৈধ বৈদ্যুতিক সংযোগ রয়েছে। নতুন নতুন ইলেকট্রনিক গ্যাজেট, ল্যাপটপ, মোবাইল চার্জারসহ অন্যান্য দাহ্য পদার্থের সহজলভ্যতা বেশি। এসব কারণে ঢাকায় অগ্নিকাণ্ডসহ অন্যান্য দুর্ঘটনার সংখ্যা বেশি। গত বছর দেশে যত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তার কারণ সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর একটি পরিসংখ্যান দিয়েছে।
তাদের তথ্য বলছে, গত বছর দেশে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে ১৮ হাজারের কিছু বেশি। গত বছরের সব অগ্নি দুর্ঘটনার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয়েছে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে। এর পরই বেশি আগুন লেগেছে চুলা থেকে। শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগেছে প্রায় ৩৭ শতাংশ ঘটনায়। আর চুলা থেকে আগুন লাগে ২৩ দশমিক ৪ শতাংশ। ঢাকার আগুন নিয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ৫টি বিভাগ মিলে একটি গবেষণা করে। গবেষণার বিষয়ে বুয়েটের তড়িৎ কৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, বুয়েটের গবেষণায় দেখা গেছে অগ্নি দুর্ঘটনার ৭০-৮০ ভাগ হয় বৈদ্যুতিক ত্রুটির কারণে।
ফায়ার সার্ভিসও সার্ভে করে তাই বলছে। আর আগুনের ব্যাপারে আরেকটা বিষয় দায়ী, তা হলো বিল্ডিং ‘প্ল্যানেবল গ্যাপ’। এ ছাড়া সিলিন্ডার থেকে লিকিং হয়। যা কখনও ইন্সটল করা হয় না। সাধারণত আমরা দেখেছি কারখানা ও বাসা বাড়িতে ইলেকট্রনিক স্পার্কিং অর্থাৎ স্ফুলিঙ্গ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। অন্যদিকে আইনের প্রয়োগ নেই। আর প্রয়োগ করাও যায় না। কারণ, সরকারি-বেসরকারি মনিটরিং সংস্থাগুলোর কর্মকাণ্ড পর্যাপ্ত ও যথার্থ নয়। এ ছাড়া বিশ্বে সবচেয়ে বায়ুদূষণের কবলে থাকা শহরগুলোর মধ্যে ঢাকা শহরের অবস্থান ১৭তম। আর রাজধানী শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়। এই শহরের বাতাসে ক্ষুদ্র বস্তু কণিকার (পার্টিকুলেট ম্যাটার বা পিএম ২.৫) পরিমাণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বেঁধে দেয়া মাত্রার চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান এয়ারভিজ্যুয়ালের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বর্ণার সাহসিকতায় বাঁচলো তাদের প্রাণ by মরিয়ম চম্পা

বনানীর এফ আর টাওয়ারে ১২ তলায় ডার্ড গ্রুপে ট্রেনিং এক্সিকিউটিভ হিসেবে কর্মরত ছিলেন সেঁজুতি স্বর্ণা। এই বিল্ডিং এ ডার্ড গ্রুপের ১২, ১৩, ১৬ ও ১৯ তলায় মোট ৪টি অফিস রয়েছে। স্বর্ণা বলেন, দুপুর ১টার আগ পর্যন্ত আমরা একদমই বুঝতে পারিনি যে এতো ধোঁয়া এবং আগুন আমাদের দিকে ধেয়ে আসছে। এর কিছুক্ষণ পরেই এডমিনের এক আপু বললেন আমাদের বিল্ডিং এ আগুন লেগেছে। তোমরা যে যেভাবে পারো নিজেদের মতো বের হয়ে ছাদের দিকে যাও। এ সময় আমরা ২৫ জনের মতো ছিলাম। আমরা ঠিক ব্যাগটা কাঁধে নিয়ে বেরিয়ে পড়ি। অনেক চেষ্টা করে প্রধান দরজা পর্যন্ত কোনোভাবেই যেতে পারছিলাম না এতোটা উত্তাপ। সিঁড়িতে তো প্রশ্নই ওঠে না। প্রচণ্ড ধোঁয়ার মধ্যে দিয়ে সিঁড়ির এক দুই ধাপ গিয়ে আবার ফিরে আসি। এরমধ্যে বিদ্যুৎ চলে গেছে। প্রচণ্ড ধোঁয়ায় আমাদের দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। আমাদের ইমিডিয়েট বসকে বললাম স্যার আমরা রুমাল ও টাওয়াল ভিজিয়ে নাকে মুখে ধরলে নিঃশ্বাস নিতে সুবিধা হবে। পুরো বিল্ডিংটি গ্লাস প্রোটেক্টটেড। ফ্লোরের ধোঁয়া বের করতে আমরা তৎক্ষণাৎ সিদ্ধান্ত নেই সমস্ত গ্লাসগুলো ভেঙ্গে ফেলবো। হাতের কাছে চেয়ার টেবিল যে যা পেয়েছি তাই দিয়ে গ্লাস ভাঙ্গার চেষ্টা করেছি। তবে গ্লাস ভাঙ্গতে আমাদের যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে।
এ সময় সিনিয়র অনেকেই প্রাণে বাঁচতে লাফ দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তাদের বোঝালাম, যদি মরতে হয় এখানেই মরবো। কারণ এতো উঁচু থেকে লাফ দিয়ে বাঁচার কোনো সম্ভাবনা নেই। কি করবো তখন ওই মুহূর্তে আমাদের মাথায় কিছু কাজ করছিল না। তখন কাগজে লিখে ভারি কিছুর সঙ্গে মুড়িয়ে নিচে ছুড়ে মারি। যেখানে লেখা ছিল, আমাদের জন্য অন্তত একটি সিঁড়ি পাঠান। অথবা কোনো একটা ব্যবস্থা করেন যাতে আমরা অন্তত নিচে নামতে পারি। তখন লেখা কাগজগুলো হয়তো কারো কাছে পৌঁছায়নি। আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে যে আমরা শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করবো। তখন মনে হলো মোবাইল ফোনে যেহেতু ইন্টারনেট আছে তাই লাইভ অথবা ভিডিও কিছু একটা করে ফেসবুকে দেই। অন্তত ফেসবুকের বন্ধুরা যে কেউ দেখে যেন ফায়ার সার্ভিসকে দেখায়। ভিডিওতে বলি ফায়ার সার্ভিসের লোকদের এই ভিডিওটা আপনারা একটু দেখান। না হলে আমরা কেউ সার্ভাইভ করতে পারবো না। ভাই আমাদের জন্য একটি সিঁড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। ওই ভিডিও পাঠানোর অনেক পরে ৮ অথবা ১০ তলা পর্যন্ত ক্রেনে উঠে দুজন লোক আসে। তখন আমরা রিকোয়েস্ট করে বললাম প্লিজ আমাদের এখান থেকে বাঁচান।
তারা বলল দেখেন আগে আমাদের আগুন নিভাতে হবে। আপনারা একটু অপেক্ষা করেন। ফেসবুকে ভিডিওটা পাঠানোর পরে আমরা মোটামুটি কারো সঙ্গে আর ফোনে যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। ওই মুহূর্তে আমরা এতোটাই ট্রমাতে ছিলাম কীভাবে কি করেছি সেটা আমরা কেউ ব্যাখ্যা করতে পারবো না। শুধু এতোটুকুই মনে আছে ভেতরে প্রচণ্ড ধোঁয়া। আমার ১ হাত সামনেও কোনো কিছু দেখতে পাইনি। মোবাইলের লাইট দিয়েও দেখা যাচ্ছিল না এতো অন্ধকার। সামান্য একটি প্লাস্টিক পোড়ালে সেই ধোঁয়াটা নেয়া যায় না। তার ওপরে অফিসে তো এসি ও সোফার সিনথেটিক পোড়া ধোঁয়া। ফ্লোরের সবগুলো গ্লাস ভেঙ্গে ফেলার কারণে সমস্ত কালো ধোঁয়া রুমের ভেতরে ঢুকে পড়ে।
এতো ধোঁয়া ছিল যে আমরা ঠিকমতো কথা বলতে পারছিলাম না। এমনকি চোখও খুলতে পারছিলাম না। ইতিমধ্যে আমাদের গলা, চোখ, মুখ, স্কিনসহ সর্বত্রই জ্বালাপোড়া শুরু হয়ে গেছে। রুমের মধ্যে প্রচণ্ড হিট। ১০ তলা পর্যন্ত উঠে আসা ফায়ার সার্ভিসের লোকেরা বললো, দেখেন আমাদের ক্রেন ১২ তলা পর্যন্ত যাবে না। তখন আমরা মোটামুটি আশা ছেড়ে দিয়েছি যে আমরা হয়তো এ যাত্রায় আর বেঁচে ফিরবো না। এ সময় ফ্লোরে অনেক সিনিয়র ভাইয়েরা ছিল যারা লাফ দেয়ার জন্য রেডি। তখন অনেক অনুরোধ করে বললাম ‘দেখেন যা হোক এখান থেকে হোক, আপনারা প্লিজ লাফ দিয়েন না’। যদি মরতে হয় এখানে থেকেও মরতে হবে। লাফ দিয়ে পড়েও মরতে হবে। কারণ লাফ দিলেও বাঁচার কোনো গ্যারান্টি নেই। পরে সিনিয়র ভাইয়েরা আর লাফ দিতে উদ্যত হয় নি। আমি জানি না এটা হঠাৎ আল্লাহর রহমত কি না। এর কিছুক্ষণ পরেই ল্যাডার নিয়ে দুজন ফায়ার সার্ভিসের লোক ১২ তলায় আসলো। আমরা অনুরোধ করে বললাম দেখেন ভাই মেয়েদের অন্তত আগে নামানোর ব্যবস্থা করেন। তখন এমন একটি পরিস্থিতি মেয়ে আর ছেলে কি সবাই বাঁচার জন্য আকুতি করছিল। ক্রেন বা ল্যাডারে ওঠার জন্য আমাদের যেখান থেকে লাফ দিতে হয়েছে সেটা কিন্তু যথেষ্ট নিচে ছিল। মেয়েদের পক্ষে এই উচ্চতাটা ম্যানেজ করে লাফ দেয়াটা অনেক কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ ছিল।
ক্রেনটি আসার পরে প্রথমেই লাফ দিয়ে দুই থেকে ৩টি ভাইয়া ও একজন আপু উঠে পড়লো। তখন আমি বললাম দেখেন আমি প্রেগনেন্ট। ধোঁয়ায় আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে। যেকোনো মূল্যে আপনারা আমাকে এবং আমার অনাগত বাচ্চাটাকে বাঁচান। এটা আমার প্রথম বাচ্চা। তখন আমাকে তারা বললো প্লিজ আমাদের ১০ মিনিট সময় দেন। আমি বললাম ততোক্ষণ হয়তো আমার শ্বাস-প্রশ্বাস থাকবে না। অথবা আমি সার্ভাইভ করতে পারবো না। ক্রেনের লোকদের নিচে নামিয়ে সর্বোচ্চ ৫ মিনিটের মধ্যে তারা আমাদের ফ্লোরে পৌঁছে যায়। এরপর বাকিদের নামানো হয়। আমরা সবাই আল্লাহর কৃপায় বেঁচে আছি। তবে ফ্লোরে আটকে পড়ে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা আমরা কীভাবে পার করেছি সেটা হয়তো কেউ মনে করতে পারবো না। সবচেয়ে খারাপ লেগেছে আমাদের অফিসের দারোয়ান ও পিয়ন এরা কখন বেরিয়ে গেছে কেউ টের পেলাম না। তাছাড়া আগুন লাগার পরে আমাদের ফ্লোরে কোনো এলার্মও বাজেনি। অফিসে অগ্নি নির্বাপক কোনো যন্ত্র ছিল না। ইমার্জেন্সি যে সিঁড়ি আছে সে সম্পর্কে আমাদের খুব একটা ধারণা নেই।
ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি স্বর্ণা বলেন, দু একদিন অবজারভেশনে রেখে ডাক্তার বলছে ছেড়ে দেবে। ধোঁয়ার কারণে এ্যাজমার সমস্যা দেখা দিয়েছে। কফ ও থুথুর সঙ্গে পোড়া ও কালো কার্বনগুলো বের হচ্ছে। প্রথমে আইসিইউতে রাখা হয়। পরদিন কেবিনে আনা হয়। স্বর্ণার গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলায়। ঢাকায় স্বামীর সঙ্গে পূর্ব রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় থাকেন। ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পড়ালেখা করেছেন। বাবা মৃত শাহাজাদা। মা ওয়াসিমা আক্তার গৃহিণী। দুই ভাইবোনের মধ্যে স্বর্ণা বড়। স্বামী রাকিব কামাল ব্র্যাক ব্যাংকে কর্মরত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কে জিতবেন রায়গঞ্জে?

আসলে কে জিতছেন, তা এখনো স্পষ্ট হয়নি। সর্বশেষ নিয়েলসনের জনমত সমীক্ষায় আভাস দেওয়া হয়, এবার পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৮টিতে জিততে পারে ভারতীয় জনতা পার্টি বিজেপি। ওই ৮টি আসনের মধ্যে রয়েছে এই রায়গঞ্জ আসনটি।
রায়গঞ্জ আসনের বর্তমান বা বিদায়ী সাংসদ রয়েছেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় নেতা ও পলিটব্যুরো সদস্য মোহাম্মদ সেলিম। তিনি এবারও এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এই আসনের সাবেক সাংসদ প্রয়াত কংগ্রেস নেতা ও কেন্দ্রীয় সাবেক তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সীর স্ত্রী দীপা দাসমুন্সী। দীপা দাসমুন্সীও ছিলেন কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ আমলের কেন্দ্রীয় নগর উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী। এই আসনটি প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সীর থাকলেও ২০০৮ সালের ১২ অক্টোবর প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সী তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী থাকাকালে হঠাৎ গুরুতর হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন। একটানা ৯ বছর কোমায় থাকার পর তিনি প্রয়াত হন ২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর।
আসন নিয়ে এখন লড়াই শুরু হয়েছে চার প্রার্থীর মধ্যে। একদিকে বর্তমান সাংসদ মোহাম্মদ সেলিম, অন্যদিকে সাবেক সাংসদ দীপা দাসমুন্সী আর নতুন দুই প্রার্থী বিজেপির দেবশ্রী চৌধুরী আর তৃণমূলের কানাইয়া লাল আগরওয়াল। কানাইয়া লাল ছিলেন এই রায়গঞ্জ আসনের ইসলামপুর বিধানসভার কংগ্রেস বিধায়ক এবং ইসলামপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান। তিনি সম্প্রতি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলে তৃণমূল তাঁকে এই রায়গঞ্জ লোকসভা আসনের প্রার্থী করে।
আগরওয়াল মনে করেন, কংগ্রেসের কর্মী হিসেবে তাঁর বিরাট জনপ্রিয়তা রয়েছে এই এলাকায়। এবার তিনি তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় বাড়তি জনপ্রিয়তা পাবেন। ভোট বাড়বে। তিনি নিশ্চিত মমতার উন্নয়নের জোয়ারে তিনি জিতে যাবেন। কংগ্রেস বা সিপিএম এখানে দাঁড়াতে পারবে না। কারণ, তাদের আর সেই শক্তি নেই।
বিজেপি এই আসনে প্রার্থী করেছে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক দেবশ্রী চৌধুরীকে। দেবশ্রী একজন বিজেপির নারী নেত্রী হিসেবে নিজেকে রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ইসলামপুরের দাড়িভিটা হাইস্কুলে জোর করে উর্দু শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিলে এলাকাবাসীসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে গর্জে ওঠে। তাদের দাবি ছিল, এখানে উর্দু পড়ার কোনো ছাত্র নেই। কেন এখানে উর্দু শিক্ষক নিয়োগ করা হবে? এই নিয়ে গড়ে ওঠা আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর মারা যান দুই সাবেক ছাত্র। আর এই আন্দোলনে নেতৃত্বে চলে এসেছিলেন বিজেপির নেত্রী দেবশ্রী চৌধুরী। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এবার এই আসন যাবে বিজেপির থলিতে। মানুষ ঘুরে গেছে বিজেপির দিকে। তিনিও নিশ্চিত জয়ের ব্যাপারে। বলেছেন, এই রাজ্যে আর পেরে উঠছে না কংগ্রেস। বাম দল ব্রাত্য হয়ে গেছে। তৃণমূল খুনের রাজনীতিতে মেতেছে। গণতন্ত্র হরণ করেছে। সুতরাং তাঁদের দিন সামনে।
এই রায়গঞ্জ আসনের আরেক শক্তিশালী প্রার্থী হলেন সিপিএমের মোহাম্মদ সেলিম। এবার নির্বাচনের প্রাক্কালে পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস-বাম জোট নিয়ে তৎপরতা শুরু হলে বাধা আসে এই রায়গঞ্জ আসন নিয়ে। কারণ, এই আসন থেকে এবার লড়ার জন্য নেমে পড়েন কংগ্রেস নেত্রী দীপা দাসমুন্সী। কিন্তু বাম দল এতে সায় দেয়নি। বাম দল বারবার প্রস্তাব রাখে, গত ২০১৪ সালের নির্বাচনে কংগ্রেস যে চারটি এবং সিপিএম যে দুটি আসনে জয়ী হয়েছিল, সেই আসনগুলোতে সেই সব দলই প্রার্থী দেবে। কিন্তু এই প্রস্তাব মেনে নিতে পারেনি কংগ্রেস। অগত্যা ভেঙে যায় বাম-কংগ্রেস জোট। লড়াইতে নেমে পড়ে পৃথকভাবে।
তবুও সিপিএম বা বামফ্রন্ট আশাবাদী তারাই ফের এই আসনে জিতবে। গত নির্বাচনে এই আসনে সিপিএম নেতা মোহাম্মদ সেলিম জিতেছিলেন মাত্র ১ হাজার ৬৩৪ ভোটের ব্যবধানে। সেলিম পেয়েছিলেন ৩ লাখ ১৭ হাজার ৫১৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দীপা দাসমুন্সী পেয়েছিলেন ৩ লাখ ১৫ হাজার ৮৮১ ভোট। আর বিজেপি প্রার্থী অভিনেতা নিমু ভৌমিক পেয়েছিলেন ২ লাখ ৩ হাজার ১৩১ ভোট।
এবার গত বছরের ভোট অঙ্ক মিলিয়ে দীপা দাসমুন্সী মনে করেন, জয় তাঁর জন্য অপেক্ষা করছে। রায়গঞ্জের মানুষ এখনো মনে রাখছেন তাঁদের প্রিয় নেতা প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সীকে। তাই তাঁকে মনে করে এবার রায়গঞ্জের মানুষ কংগ্রসকেই ভোট দেবেন।
চার প্রার্থী জয়ের জন্য আশাবাদ ব্যক্ত করলেও এখনো এটা স্পষ্ট হয়নি যে কে জিততে চলেছেন। চার প্রার্থীই ভোটের হিসাবনিকাশ করে দাবি করেছেন, জয় তাঁদেরই হবে। যদিও এবার এই আসনটি জনমত সমীক্ষার ইঙ্গিতে বিজেপির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বিজেপি এই আসনে জিততে পারবে কি না সেই প্রশ্নটি এখন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। কারণ, মমতা তো আগেই ঘোষণা দিয়েছেন এবার এই রাজ্যের ৪২টি আসনই পাচ্ছে তৃণমূল। বিরোধীরা এই রাজ্যে পাবে শূন্য আসন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজীপুরে গজারির বনে বসন্ত by সাদিক মৃধা

কথাগুলো বলছিলেন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বাসিন্দা এমরান আহমেদ। বসন্তের শেষ সময়ে দেশের সবুজবেষ্টিত এলাকা শ্রীপুরে হাজারো একর গজারি বনে ফুল ফুটেছে। গত বুধবার সরেজমিনে শাল-গজারির বন ঘুরে দেখা যায়, গাছগুলোতে নবযৌবন এসেছে। ৫০০ গজ এগিয়ে বনের কাছাকাছি যেতেই মাতাল করা গন্ধ নাকে এসে লাগে। দূর থেকেই দেখা যাচ্ছিল সারি সারি গাছের আগা সাদা-হলুদের মিশ্রণে মেঘের মতো হয়ে আছে। গাছের পাতাগুলো ঝরে যাওয়ায় নতুন পত্রপল্লব গজাচ্ছে। একই সঙ্গে পুরো গাছের ডালপালা ফুলে ফুলে ভরে গেছে। বনের গাছগুলোর নিচে পড়ে আছে ঝরে পড়া গজারি ফুলগুলো। বনের ভেতরে সাপের মতো এঁকেবেঁকে চলে যাওয়া পিচের রাস্তায় বিছিয়ে আছে ঝরা ফুল, এ যেন এক গালিচা। এ যেন জাপানের সড়কগুলোতে থাকা চেরি ফুলের সৌন্দর্যের চেয়ে কম নয়।
বন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মার্চ মাসজুড়ে গজারিগাছে ফুল থাকে। এপ্রিলের শুরুর দিকে ফুল ঝরতে থাকে। এর গন্ধ তীব্র হয়। গজারি ফুলগুলো ঝরে পড়ার সময় উড়ে গিয়ে অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়। প্রতিবছর মার্চ-এপ্রিল মাসে বনের হাজার হাজার একরজুড়ে সাদা মেঘের মতো ফুলের সমারোহ দেখা যায়। এ অঞ্চলে ৩০ হাজার একরের বেশি জায়গায় গজারিগাছ বিস্তৃত।
শ্রীপুর উপজেলার পেয়ার আলী কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষক আহাম্মাদুল কবির বলেন, ‘ছোটবেলায় বনের মাটিতে শুয়ে গজারি ফুলের পতনের দৃশ্য দেখতাম। এক অদ্ভুত ছন্দে এরা ঘুরতে ঘুরতে মাটিতে পড়ে। ওপর থেকে একটা ফুল পড়তে দেখলে যেখানে ধারণা করা হয় সেখানে কখনোই পড়ে না, উড়তে উড়তে দূরে গিয়ে পড়ে এটি।’ তিনি বলেন, ‘১০ বছর ধরেই আমি গজারির নতুন পাতা দেখতে যাই। মাতাল করা গন্ধ উপভোগ করি পরিবারের সবাইকে নিয়ে। নতুন পাতার রংটা যেন এস এম সুলতানের কল্পনার মতো সুন্দর।’
লেখক শাহান শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘পারস্যের গোলাপ বাগান যেমন মানুষকে সৌন্দর্যে আচ্ছন্ন করতে পারে; ওমর খৈয়াম যেভাবে সেই গোলাপে মগ্ন হয়েছিলেন, আমরাও গজারি ফুলের সৌন্দর্যে মগ্নতায় হারিয়ে যাই। ওমর খৈয়ামের জন্য যে অর্থে গোলাপ, আমাদের জন্য সৌন্দর্যের নাম সে অর্থে গজারি ফুল। এর গন্ধ মহুয়ার চেয়ে কোনো অংশে কম না। মনকে জাগতিকতার দহন থেকে মুহূর্তে বের করে নিয়ে আসার জন্য এই ফুলের কাছে একটা আলাদা ক্ষমতা আছে বলে মনে হয়।’ তিনি বলেন, ‘দোল পূর্ণিমার রাতে এই ফুলের সৌন্দর্য দেখার মতো। জ্যোৎস্নার রং যেন ফুলের গায়ে লেপ্টে থাকে। এমন বহু রাত বনে কাটিয়েছি ফুলের গন্ধ আর সৌন্দর্যের প্রেমে।’
শ্রীপুরের আযোগীচালা গ্রামের তরুণ মেহেদী হাসান। বর্তমানে পড়াশোনা করছেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে। তিনি টেলিফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘সবুজের এই যে উপহার, এর তুলনা হয় না। রিপন নামে আমার এক বন্ধুর বাড়ি শ্রীপুরের গজারি বনবেষ্টিত গ্রাম ভেরামতলীতে। এক পূর্ণিমা রাতে আমরা জ্যোৎস্না দেখতে তাঁদের বনে গিয়েছিলাম। ফুলে ফুলে ছেয়ে ছিল বন। আর সেবার ফুলের গন্ধে অভিভূত হয়ে সারা রাত বসে ছিলাম বনে। শালের সঙ্গে আরও নানা ফুলের সুবাস মিশে সে কী বুনো মাতাল গন্ধ। সে এক অদ্ভুত সুন্দর জ্যোৎস্না রাত ছিল। সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ, এই শালবনকে বাঁচিয়ে রাখুন। অবাধে গাছ কাটা, আগুন ধরিয়ে দেওয়া, বনের মাটি কাটা বন্ধ করতে সবাইকে সচেতন করুন।’
About: Bangla Wiki
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চালকবিহীন ড্রোনের ছবি দিয়ে গ্রাহককে বোকা বানাল এমিরেটস

টুইটে এমিরেটস এয়ারলাইন্স ঘোষণা দেয়, দুবাইয়ের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শহরের যে কোনও স্থানে তারা চালকবিহীন ড্রোন দিয়ে যাত্রী পরিবহন করবে। এই ড্রোন যাত্রীকে প্রথম শ্রেণীর ব্যক্তিগত বিলাসবহুল স্যুইটে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা দেবে।
টুইটে প্রকাশিত আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, এক যাত্রী উড়ন্ত ট্যাক্সির ভিতরে লাউঞ্জে বসে আছে। তার বাম দিকের জানালা দিয়ে আকাশ থেকে দুবাই শহর দেখা যাচ্ছে। সেখানে বলা হয়, তারা ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে এই নতুন ফ্লাইট চালু করবে। এই পরিষেবা এমিরেটস এয়ারলাইন্সের সকল প্ল্যাটিনাম সদস্যকে দেওয়া হবে। এর পরেই লেখা হয় ‘এটা একটা চমক!’ তারা জানায়, এটা ছিল এপ্রিল ফুল। ১ এপ্রিলের প্রাক্কালে এই ঘোষণা করা হয়েছে, যা অন্যকে বোকা বানিয়ে মজা করা দিয়ে উদযাপন করা হয়। তবে, এ বিষয়ে সংস্থাটির ফলোয়ারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বেশিরভাগেই এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করেননি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতি দশ হাজারে ১৭ জন অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

দেশে গ্রামের তুলনায় শহরে অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর সংখ্যা বেশি।
এই সংখ্যা গ্রামে শূন্য দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। আর ঢাকা সিটিতে ৩ শতাংশ বলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। ২০১৩ সালের এক গবেষণার ফলাফল তুলে বিএসএমএমইউ-এর ইপনা-এর চিকিৎসকরা বলেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশে এখনো বড় ধরনের কোনো গবেষণা না হলেও কমিউনিটি হেলথ কর্মীরা এই গবেষণা চালিয়েছেন। সাতটি বিভাগের সাত উপজেলায় এবং ঢাকার মিরপুর এলাকায় এই গবেষণা চালানো হয়। এতে ৭ হাজার পরিবারের তথ্য নেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তারা। চিকিৎসকরা ২০১৪ সালের তথ্য তুলে ধরে আরো জানান, ৪২টি ছেলে শিশুর মধ্যে একজন এবং ১৮৯টি কন্যাশিশুর মধ্যে একজন অটিজম শিশু রয়েছে। ৬৮টি শিশুর মধ্যে একজন অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু পাওয়া যাবে। ২০১৪-১৫ সালের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশে ১৪ লাখ ৮২ হাজার প্রতিবন্ধীর মধ্যে ২ দশমিক ৯ শতাংশ হচ্ছে অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু। আর বিশ্ব চিত্রে দেখা গেছে, গত ৪০ বছরের বেশি সময়ে অটিজম শিশুর সংখ্যা ১০ গুণ বেড়েছে। অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতিবছর ২রা এপ্রিল বিশ্বব্যাপী অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত হয়। এবার ১২তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে-‘সহায়ক প্রযুক্তির ব্যবহার, অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তির অধিকার।’
জানা যায়, অটিজম কোনো রোগ নয়, এটা শিশুদের মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশজনিত একটি সমস্যা, যা শিশুর সামাজিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধা সৃষ্টি করে। এদের আচরণের পরিবর্তন দেখা যায়। আশেপাশের পরিবেশ ও ব্যক্তির সঙ্গে মৌখিক ও ইশারা ইঙ্গিতের মাধ্যমে যোগাযোগের সমস্যা। অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুরা মা-বাবা বা আপনজনদের ডাকে সাড়া না দিয়ে নীরব থাকে। এই সমস্যাগুলো সাধারণত তিন বছরের মধ্যেই প্রকাশ পায়। যার ব্যাপ্তি সারাজীবন বিদ্যমান থাকে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার এ ‘স্পেকট্রাম’ শব্দের অর্থ হলো প্রত্যেক শিশুর লক্ষণ বিভিন্ন হতে পারে। লক্ষণগুলো স্বল্পমাত্রা থেকে গুরুতর মাত্রায় হতে পারে।
অটিজম কেন হয়? অটিজমের ধরন যেমন এক নয়, তেমনি অটিজমের কোনো একক কারণ নেই বলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। বংশগত বা জিনগত- এটা ব্যাপকভাবে গৃহীত। অবশ্য, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, জিনগত ঝুঁকি পরিবেশগত ঝুঁকির দ্বারা প্রভাবিত হয়। চিহ্নিত ঝুঁকির পর্যায়গুলো হলো- অপরিণত বয়সে শিশু জন্মগ্রহণ করলে (অর্থাৎ ২৬ সপ্তাহের কম) বা বেশি বয়সে মা হলে। এফ্রাজাইল এক্সসিনড্রোম, এনজেলম্যান সিনড্রোম, টিউবেরাস সিনড্রোম, ক্রোমোসোম ১৫ ডুপ্লিকেশন সিনড্রোম এবং অন্যান্য একক জিনসমূহ ও ক্রোমোসোমাল ব্যাধি। লক্ষণ ১২ মাস বয়সের মধ্যে আধো আধো বোল না বলা, পছন্দের বস্তুর দিকে ইশারা না করা। ১৬ মাসের মধ্যে কোনো একটি শব্দ বলতে না পারা, ২৪ মাস বয়সের মধ্যে দুই বা ততোধিক শব্দ দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করতে না পারা, ভাষার ব্যবহার রপ্ত করতে পারার পর আবার ভুলে যাওয়া এবং বয়স উপযোগী সামাজিক আচরণ করতে না পারা।
শনাক্ত ও নির্ণয়: শনাক্তে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার, স্বাস্থ্যকর্মী, স্বাস্থ্য সহকারী/সাকমো/প্যারামেডিকস, প্রশিক্ষিত জনবলের কাছে যেতে হবে। নির্ণয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। অভিভাবকদের করণীয় সম্পর্কে চিকিৎসকরা বলেন, লক্ষণগুলো গোপন করবেন না, হতাশ হবেন না, অযথা বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত থাকুন। পরিবারের সদস্যরা সম্মিলিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও ধৈর্য ধরুন, সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করুন, শিশুর সঙ্গে খেলুন। অটিজম নিয়ে কিছু ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। যেমন অটিজম-এর কারণ একটি অভিশাপ, জিন বা খারাপ বাতাস থেকে এটি হয়, অটিজম মানে মানসিক প্রতিবন্ধী, মা এর জন্য দায়ী ইত্যাদি। এগুলোর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। ২০০৭ সালের ১৮ই ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। ২০০৮ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1400)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
April
(369)
-
▼
Apr 02
(15)
- এফ আর টাওয়ারের নকশা জাল ফাইল গায়েব by দীন ইসলাম ও ...
- অটিস্টিক শিশুদের জন্য অন্তঃপ্রাণ এক প্রধানমন্ত্রী ...
- ওয়াজ মাহফিল: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা, আল...
- আইভীর অভিযোগে ফতুল্লার ওসি বদলি
- অগ্নিকাণ্ড রোধে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ নির্দেশনা
- হাঁটতে পারছেন না খালেদা: বিএসএমএমইউতে ভর্তি
- ছাত্রলীগের বিক্ষোভে অচল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- টিকে থাকবে তো তেরেসা মে’র সরকার
- ভারতীয় সেনাদের গুলিতে নিহত পাকিস্তানি ৩ সেনা সদস্য
- ঢাকা যেন ঝুঁকির রাজধানী by জিয়া চৌধুরী
- স্বর্ণার সাহসিকতায় বাঁচলো তাদের প্রাণ by মরিয়ম চম্পা
- কে জিতবেন রায়গঞ্জে?
- গাজীপুরে গজারির বনে বসন্ত by সাদিক মৃধা
- চালকবিহীন ড্রোনের ছবি দিয়ে গ্রাহককে বোকা বানাল এমি...
- প্রতি দশ হাজারে ১৭ জন অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন by ফর...
-
▼
Apr 02
(15)
-
▼
April
(369)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

