Monday, March 22, 2010
শেখর, তুই কি শুনতে পাচ্ছিস by খালেদা নেওয়াজ
শেখর গত বছরের ১৬ নভেম্বর মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে রাত ১১টায় উত্তরায় ওর শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। পরের দিন ১৭ নভেম্বর সকালে গাজীপুরের শালনা ফ্লাইওভার থেকে পুলিশ শেখরের লাশ উদ্ধার করে। হাইকোর্টে জামিনের জন্য আবেদনকারী আসামি তাজুল ১৭ নভেম্বর দিবাগত রাত দেড়টায় শালনা ফ্লাইওভার থেকে দুই মাইল উত্তরে গিয়ে স্বপন শেখের কাছে ফোন করে জানায়, একটি মোবাইল আছে, সে কিনবে কি না। পরে মোবাইল ট্রাকিং করে দেখা যায়, স্বপন শেখ ও তাজুল শেখরের মোবাইল থেকে প্রচুর কথা বলেছে। স্বপন শেখের দেওয়া তথ্যানুযায়ী যে মাইক্রোতে করে শেখরকে হত্যা করে ছিনতাইকারীরা, সেই কালো কাচ দেওয়া মাইক্রোবাসের ড্রাইভার ও তাজুলকে আটক করা হয়। ১৬ নভেম্বর শেখরকে হত্যা করে শালনা ব্রিজে ফেলে দেওয়ার পর তারা একই মাইক্রোবাস নিয়ে ধরা পড়ার আগ পর্যন্ত ছিনতাই করেছে বলে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার কাছে স্বীকার করেছে।
শেখর, তোর জন্য কিছুই করতে পারছি না। অশ্রু ফেলে ফেলে দুচোখ যদি অন্ধ হয়ে যায়, অথবা তোর মতো করে গলাটিপে আমাদেরও ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়, তবেই কি এ অপরাধী চক্র থেকে মুক্তি ঘটবে? যে সমাজ প্রতিনিয়ত অপরাধী দানব তৈরি করছে, সে সমাজে বেঁচে থাকাটাই পরম বিস্ময়ের ব্যাপার। যে ছেলেটি শ্রমিকের ঘাম গায়ে মেখে বৈষম্যহীন সমাজের কল্পনা করে রাস্তায় ঠেলাগাড়িওয়ালার কষ্ট দেখে ঠেলাগাড়ি ঠেলছিল, সেই ছেলেটিকে গলাটিপে হত্যা করল ছিনতাইকারী নামক সন্ত্রাসীরা।
প্রতিদিন অসংখ্য খবর আসে পত্রিকার পাতায়। মনে হতো, এগুলো শুধুই খবর। এ খবর আমাদের জীবনে ঘটবে না। ধামরাই ব্রিজে পড়ে থাকা লাশ, মহাখালীতে ছুরিকাঘাতে একজনের অপমৃত্যু—এ ধরনের খবর আর কত পড়তে হবে? মাইক্রোবাসের কালো কাচের আড়ালে ওরা শেখরের গলাটাও টিপে ধরল। প্রতিবাদী শেখর মায়ের দেওয়া মোবাইল ফোনটি ছিনতাইকারীদের দিতে চায়নি। একটি মৃত্যু, একটি সাজানো সংসারের অপমৃত্যু। শেখরের ছেলে মিথ রাতের আকাশে তারার মধ্যে ওর বাবাকে খুঁজে ফিরে। মা-বাবা, ভাই-বোনদের আর্তচিত্কার দেখে দেখে ভোঁতা হয়ে গেছে যেখানে অনুভূতিযন্ত্র, সেখানে আমার ভাইটির মৃত্যু বুঝিয়ে দিল আর সবার বুকে কেমন করে বাজে এ যন্ত্রণা। ১৯৭৫ সালের ২৬ মার্চ শেখর জন্মেছিল। ফুলের মতো ফুটফুটে ভাইটি সবার কোলেই ফুল হয়ে ফুটে থাকত। পড়াশোনা শেষ করে কম্পিউটার সায়েন্সে। ছাত্রমৈত্রী করার সূত্রে ভাষাসৈনিক আবদুল মতিনের মেয়ের জামাই সফিক ভাইয়ের সঙ্গে শেখরের পরিচয় ছিল। হাল ধরল ফ্যাশন হাউস চিলেকোঠার। হয়ে উঠল চিলেকোঠার একজন অন্যতম কর্ণধার। চিলেকোঠা নিয়ে যখন অসংখ্য কল্পনা ডানা মেলছিল, তখনই জীবনটাকে ছিনিয়ে নিল ছিনতাইকারীরা। গলাটিপে ফেলে দিয়ে এল শালনা ব্রিজে।
মা এখনো নাশতা নিয়ে শেখরের জন্য অপেক্ষা করে। কীভাবে সান্ত্বনার দেব তাঁকে। ওর ছোট্ট ছেলে মিথ এখনো পথ চেয়ে থাকে, কখন বাবা আসবে? ছোট্ট শেখরকে কোলে নিয়ে যখন বলতাম, ‘ঘুমিয়ে পড়। শেখর সঙ্গে সঙ্গে লক্ষ্মী ছেলের মতো ঘুমিয়ে পড়ত।’ এখন ওর কবরে গিয়ে চিত্কার করে ডাকি, ‘আর ঘুমাসনে ভাই। এবার উঠে পড়।’ জীবনের কাছে এত অসহায় কখনো হইনি। বাবা একজন নামকরা আইনজীবী। আমি নিজেও আইন পেশায় নিয়োজিত। তবু জানি না ভাই হত্যার বিচার পাব কি না। আদৌ সব হত্যাকারী ধরা পড়বে কি না। আবার ধরা পড়লেও আইনের ফাঁক গলে যদি বেরিয়ে যায়, সেই আশঙ্কা কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে।
মায়ের দিকে তাকিয়ে ভাইবোনেরা পাথর হয়ে গেছে। আড়ালে চোখের পানি মুছতে মুছতে রুমালটা এখন পর্যন্ত শুকানোর সময় পায় না। কবে এমন সময় আসবে, যখন আর কোনো মায়ের বুক খালি হবে না? ভাইবোন, স্ত্রী-সন্তানের চিত্কারে পৃথিবী কেঁদে উঠবে না। সত্যিকারের সামাজিক ন্যায়বিচার পেতে আর কত দিন সময় লাগবে? মাকে বলতাম, মা আমরা তোমার পাঁচ আঙুলে ফুটে থাকা পাঁচটি তারা। একটি তারা নিভে গেছে। সেই যন্ত্রণায় মা কুঁকুড়ে ওঠে। ২৬ মার্চ শেখরের জন্মদিন। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা আজ সবুজ ঘাসের ওপর পড়ে থাকা শেখরের রক্তাক্ত মুখ।
শেখর, তুই কি শুনতে পাচ্ছিস? তোর অসহায় বোন তোকে খুঁজছে। তোকে যারা হত্যা করল, তোদের মতো ছেলেদের যারা হত্যা করে, তারা কি এভাবেই আমাদের সারাজীবন অসহায় করে রাখবে? বিচার কি হবে না ওদের?
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ভালো’ এবং ‘খারাপ’ মুসলমান -মাই নেম ইজ খান by সুমন রহমান
সম্প্রতি বলিউড মুভি মাই নেম ইজ খান পশ্চিমা দেশে ছড়িয়ে থাকা দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম প্রবাসীকুলের জন্য ‘ভালো’ এবং ‘খারাপ’ মুসলমানের ক্যাটাগরিটাকে খুব মনোগ্রাহীভাবে হজম করে দেখাল। নয়-এগারোকে কেন্দ্রে রেখে ছবির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, নয়-এগারো-পূর্ব পরিস্থিতিতে ভারতীয় অটিস্টিক যুবক রিজওয়ান খান (শাহরুখ খান) মার্কিন দেশে অভিবাসিত হয়। এই অভিবাসনের একটা দুর্বোধ্য রাজনৈতিক মহিমা দাঁড় করানোর চেষ্টা আছে গোড়া থেকেই: তিনি মার্কিন দেশের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে বলতে চান ‘মাই নেম ইজ খান অ্যান্ড আই অ্যাম নট অ্যা টেরোরিস্ট!’ বলাবাহুল্য, অটিস্টিক রিজওয়ান খানের এই অভিলাষকে দর্শক সহজভাবেই নেয় এবং সম্ভবত তার মনে এই প্রশ্ন জাগে না যে কেন নয়-এগারো-এর আগেই মার্কিন দেশে অভিবাসনপ্রয়াসী মুসলমান খানের ‘টেরোরিস্ট’ পরিচয়কে প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করা প্রয়োজন হয়ে পড়ল? বোঝা যায়, খানের অভিবাসনের কাহিনি নয়-এগারো-পূর্ব হলেও তাতে নয়-এগারোর আঁচ ভালোমতোই লেগেছে। আরেকটা বিষয়: মুসলমান রিজওয়ান খানের অটিজম নেহাত ঘটনাচক্রে নয়। পুরো ছবিতে অটিজমের একটা কার্যকর রাজনৈতিক ভূমিকা আছে, সে প্রসঙ্গে পরে আসছি।
রিজওয়ান খান মার্কিন দেশে এসে তার কাজের ফাঁকে ফাঁকে মার্কিন রাষ্ট্রপতির পিছু ধাওয়া করেন তাঁর ইচ্ছাপূরণের উদ্দেশ্যে। একপর্যায়ে তিনি প্রেসিডেন্টের (জর্জ বুশ জুনিয়র) এক সভায় উপস্থিত হয়ে বলতে চেষ্টা করেন যে তিনি টেরোরিস্ট নন। কিন্তু প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তারক্ষীরা কেবল ‘টেরোরিস্ট’ শব্দটাই শুনতে পান। জর্জ বুশ জুনিয়রের পলিসিতে এটুকু শোনাই স্বাভাবিক এবং আরও স্বাভাবিক হলো এরপর রিজওয়ানের গ্রেপ্তার হওয়া। বেচারা রিজওয়ান নানা ইন্টারোগেশন, নির্যাতন পার হয়ে অবশেষে তার আল-কায়েদা কানেকশন আবিষ্কৃত না হওয়ায় মুক্তি পান। কাহিনির আরেকটা অংশে দেখা যায়, স্বামী পরিত্যক্তা আরেক ভারতীয় অভিবাসী হেয়ার ড্রেসার মন্দিরাকে (কাজল) রিজওয়ান খান বিয়ে করেন। মন্দিরা হিন্দু ধর্মাবলম্বী, নিয়মিত পূজা-অর্চনা করেন। আবার রিজওয়ানও একই ঘরে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। যে সেক্যুলারিজম অর্ধশতাব্দীকাল ধরে প্রযুক্ত থাকার পরও সংবিধান থেকে ভারতীয় নাগরিকদের প্রাত্যহিক জীবনে সফলভাবে অবতরণ করেনি, রিজওয়ান-মন্দিরার দাম্পত্য সম্পর্ক তাকে অবলীলায় নামিয়ে আনে একটি ভিনদেশি ফ্ল্যাটবাড়িতে। শেষমেশ সবই ইচ্ছাপূরণের গল্প!
যাই হোক, নয়-এগারো-উত্তর পরিস্থিতিতে কাহিনি দ্রুত বাঁক নেয়। মন্দিরার আগের তরফের স্কুলগামী সন্তানটি, যে তার নতুন পিতার (রিজওয়ান) উপাধি নিজের নামের সঙ্গে ব্যবহার করছিল, তাকে তার অমুসলিম সতীর্থরা খুন করে। সেই খুনটিও যথাসম্ভব কম উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: কিছু মারধর করাই হয়তো উদ্দেশ্য ছিল এদের, এমন একটা ইঙ্গিত আছে হালকাভাবে। আবার ওদিকে, রিজওয়ান খান যিনি তাঁর ‘খান’ পরিচয় নিয়ে নয়-এগারো-উত্তর মার্কিন মুলুকে মহাযাতনায় আছেন, তিনি হ্যারিকেন উপদ্রুত একটি কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যুষিত গ্রামকে সাহায্য করতে জীবন বাজি রেখে এগিয়ে যান। তাঁর উদ্যোগেই গ্রামটিতে সাহায্য পৌঁছায় এবং বহু গ্রামবাসীর জীবন রক্ষা পায়। সংবাদমাধ্যমগুলো তখন রিজওয়ান খানের মধ্যে সেই ‘ভালো’ মুসলিমটিকে খুঁজে পায় যে কি না মানবতাবাদী। যে কি না মসজিদে সন্ত্রাসী পরিকল্পনা করতে থাকা ‘খারাপ’ মুসলমানের একটি দলকে মার্কিন পুলিশ বাহিনীর হাতে ধরিয়ে দেয়। তত দিনে মার্কিন রাষ্ট্র বুঝে যায় যে এই হলো ‘ভালো’ মুসলিম। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হয়ে আসেন কৃষ্ণাঙ্গ ওবামা। তিনি রিজওয়ানকে সাক্ষাত্ দেন, সমদুঃখী হন এবং রিজওয়ানের আদর্শে মার্কিন মুসলিমকে উজ্জীবিত হতে উপদেশ দেন। এই হলো কাহিনি।
লক্ষ করা যায়, বেশ কিছুকাল ধরেই প্রবাসী ভারতীয় সমাজ বলিউড ফিল্মে একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। হাঁটি হাঁটি পা পা করে প্রবাসের বাস্তবতা বলিউড ফিল্মে উঁকি দিতে শুরু করেছে। মুম্বাই ছবির একটা বড় বাজার এই প্রবাসী ভারতীয়রা, তাদের স্বার্থকে অবজ্ঞা করার উপায় তো নেই। এ যাবত্কাল আমরা ফিল্মে এ সংক্রান্ত যতটুকু দেখেছি তা মূলত প্রবাসী ভারতীয়দের জীবন, কর্ম, সম্পর্ক, স্মৃতি, স্বদেশপ্রেম ইত্যাদি বিষয়ে। মাই নেম ইজ খান সে তুলনায় আরেকটু উচ্চাকাঙ্ক্ষী। এই ছবির অভিমুখ ভারত নয়, বরং এই ছবিতে নয়-এগারো-উত্তর মার্কিন রাষ্ট্রকাঠামোয় ভারতীয় অভিবাসীর রাজনৈতিক অভিযোজনের রাজনীতিটুকু অনুসন্ধানের বিষয় হয়ে উঠল। সম্ভবত এই প্রথম। মুসলিম অভিবাসী রিজওয়ান মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সাক্ষাতের পর কিন্তু ভারতে প্রত্যাবর্তন করে না বা করার ইচ্ছাও পোষণ করে না। এটা একটা ইশারা। আরেকটা দিক হলো, নিতান্ত অসুবিধাজনক সময়ে ‘ভালো’ অভিবাসী মুসলিমদের এই রাজনীতি শুরু করতে হয়েছে। অসুবিধাটা নয়-এগারো-উত্তর দুনিয়া, যখন মুসলমান মানেই সম্ভাব্য টেরোরিস্ট! এ রকম একটি পরিস্থিতিতে উত্তপ্ত এবং যুদ্ধংদেহী মার্কিনকে সোজাসাপ্টা পলিসি-প্ল্যাকার্ডগুলো বহন করার জন্য রিজওয়ানের অটিজম খুবই কার্যকর ফর্মুলা! অর্থাৎ, অটিজমের কারণেই রিজওয়ান জগেক সাদায় এবং কালোয় দেখতে শিখেছে এবং গ্রে এরিয়া থেকে দূরে থাকতে সক্ষম।
মুসলিম তথা সমগ্র মানবতাকেই ‘ভালো’ এবং ‘খারাপ’ এই দুই ভাগে ভাগ করে দিয়ে নিজেকে ‘ভালো’ মানুষ এবং ‘ভালো’ মুসলিম প্রমাণ করার জন্য রিজওয়ানীয় চেষ্টাটির মধ্যে আমরা কোনো আপত্তি তুলব না। এভাবে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার পরিপ্রেক্ষিতে যে শিক্ষা রিজওয়ান ছোটবেলায় মায়ের কাছ থেকে পেয়েছিল (মানুষ দুই রকম: ভালো ও খারাপ), তার অটিজম তাকে সেই সেক্যুলারিজমের শিক্ষাটা নয়-এগারো-উত্তর মার্কিন দেশে মুসলমানকে ক্যাটাগরাইজ করতে কার্যকর সহায়তা দিয়েছে। এভাবে ভাবনা আরও আগানো যায় যে মার্কিন-উদ্ভাবিত ‘ভালো’ এবং ‘খারাপ’ মুসলিমের ক্যাটাগরিটাকে প্রশ্নহীনভাবে হজম করার জন্যই রিজওয়ানকে অটিস্টিক হতে হয়েছে। অটিস্টিক থাকার কারণেই রিজওয়ান ‘খারাপ’ মুসলমানের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক প্রহসনের রাজনৈতিক অর্থনীতিটুকু অনুধাবন করে না। ছবিতে আফগানিস্তান ও ইরাকের প্রসঙ্গ এসেছে, কিন্তু অদ্ভুতভাবে রিজওয়ানের মনে আফগানিস্তানে বা ইরাকে মার্কিন ভূমিকা নিয়ে কোনো ক্ষোভ বা প্রশ্ন তৈরি হয় না। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এ বিষয়ে কোনো বিবৃতি দেওয়ার চিন্তাও মাথায় আসে না তার। সে শুধু নিজের সাদা চরিত্রের বিবৃতি দিয়ে এবং প্রমাণ করে খালাস। অটিস্টিক রিজওয়ানের পক্ষে আফগানিস্তানে বা ইরাকে মার্কিন ভূমিকা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দু কথা শুনিয়ে দেওয়া খুব স্বাভাবিকই ছিল। কিন্তু প্রবাসী ভারতীয়/দক্ষিণ এশীয় মুসলমানদের মনোবাঞ্ছা তো সেটা নয়! তারা এতসব ‘ঝামেলা’ চায় না। তারা যা চায়, রিজওয়ান তা-ই করেছে। আর সেটা করেছে বলেই মাই নেম ইজ খান ভারতের বাইরে রেকর্ডভাঙা ব্যবসাও করেছে।
করণ জোহর (মাই নেম ইজ খান ছবির পরিচালক) যতখানি সপ্রতিভভাবে প্রবাসী মুসলিম তথা ভারতীয়র নাড়ি ধরেছেন, ততখানি সপ্রতিভভাবে মার্কিন রাজনীতির নাড়ি বুঝে উঠতে পারেননি। পারলে তিনি এতটা সমালোচনাহীনভাবে প্রথমবার নির্বাচিত হয়ে আসা একজন ‘আফ্রিকান-আমেরিকান’ প্রেসিডেন্টের প্রশংসায় গলে যেতেন না। কালা-আমেরিকানদের সঙ্গে বাদামি ভারতীয়দের যে সম্প্রীতির সম্ভাবনা তিনি আমেরিকার মাটিতে আবিষ্কার করতে চাইলেন তাও অনৈতিহাসিক এবং এক অর্থে বর্ণবাদীও বটে। কিন্তু মার্কিনি বর্ণবাদের ভবি তাতে ভোলার নয়। ভোলার নয় বলেই ইরাকে যুদ্ধরত মার্কিন বোমানিরোধক স্কোয়াডকে নিয়ে বানানো ছবি ‘হার্ট লকার’ অস্কার পায়, যে ছবিতে আমরা দেখি কীভাবে অদৃশ্য ইরাকি (মুসলিম) সন্ত্রাসীদের পাতা বোমা ফাঁদ নস্যাত্ করছে ‘শান্তিকামী’ মার্কিন সেনাবাহিনী! এটাই মার্কিন রাজনীতি, বুশ-ওবামা নির্বিশেষে, এটা পশ্চিমা মিডিয়ার রাজনীতিও।
মাই নেম ইজ খান প্রবাসী দক্ষিণ এশীয় মুসলমানের নাড়িতে হাত দিয়ে মার্কিন রাজনীতির নাড়ি বোঝার চেষ্টা করেছে—যে কারণে পশ্চিমা সিনেমা বিশেষজ্ঞরা এই ছবির কাহিনিকে ‘রূপকথা’র চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে রাজি নন, যদিও অমার্কিন চোখে মার্কিন রাজনীতির চেহারা নিশ্চয়ই তাদের কৌতূহলের খোরাক হয়েছে। তবে এই ছবির মূল গুরুত্বের জায়গাটি এটা নয় নিঃসন্দেহে। রিজওয়ান খান হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে দক্ষিণ এশিয়া থেকে আসা সচ্ছল মার্কিন-প্রবাসীদের আত্মপরিচয়ের রাজনীতিকে প্রতিনিধিত্ব করেন। আর সেটা নয়-এগারো-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে। পশ্চিম উদ্ভাবিত ‘ভালো’ মুসলিমের ক্যাটাগরিতে এই শ্রেণী কতখানি উদগ্রীব এবং অসহায়ভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে চাইছেন, মাই নেম ইজ খান তারই কাহিনি।
সুমন রহমান: কবি, কথাসাহিত্যিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কৃষকের ঘাড়ে কেন লোকসানের ভার -আলু সংকট by রানা ভিক্ষু
কৃষিনির্ভর উত্তরবঙ্গে বাণিজ্যিকভাবে আলু চাষের ইতিহাস খুব বেশি দীর্ঘ নয়। নব্বইয়ের দশকে ধানের হাইব্রিড প্যাটেন্ট হিসেবে ইরি চাষ যখন ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে, তখন থেকে তামাকের বিকল্প হিসেবে আলুকে বাণিজ্যিক ফসল হিসেবে গ্রহণ করেন বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের কৃষকেরা। তার আগে আলু উৎপাদিত হতো মৌসুমি সবজি হিসেবে। আলু যেহেতু পরিবারেই সংরক্ষণযোগ্য একটি সবজি, সেহেতু সারা বছরে অন্যান্য সবজির পরিপূরক হিসেবে কিছু জমিতে আলু চাষ করতেন জোতদার গোছের বড় কৃষকেরা। বড় কৃষকদের কৃষির মূল ক্ষেত্র ছিল তামাক। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদেরও নির্ভরতা ছিল তামাকে। ধীরে ধীরে রংপুরে তামাকের খ্যাতি হ্রাসে আলুর বাণিজ্যিক উৎপাদনই কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। যা একই সঙ্গে এ অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য ও খাদ্যনিরাপত্তার পক্ষেও সহায়ক হয়েছে। কিন্তু নীতিনির্ধারক মহলের উদাসীনতার সুযোগে কৃষিপণ্যের বাজারব্যবস্থা দিনে দিনে চলে যাচ্ছে কৃষকের বিপক্ষে। সর্বনাশের দেয়ালে পিঠ ঠেকতে চলেছে উত্তরবঙ্গসহ সারা দেশের আলুচাষি কৃষকদের। চলতি বছর মুন্সিগঞ্জের আলুচাষিদেরও একই পরিণতির কথা শোনা যাচ্ছে।
উৎপাদন ব্যয় তুলনামূলক বেশি হওয়ার কারণে আলু চাষ করতে গিয়ে উত্তরবঙ্গের কৃষকেরা নিজের তহবিল তো শেষ করেছেনই, আলু চাষকে কেন্দ্র করে ঋণও করেছে। দারিদ্র্য বিমোচনের নামে ঋণ দিয়েছে এনজিও, কৃষি ব্যাংক এবং স্থানীয় সুদখোর মহাজনেরা। এনজিও এবং ব্যাংক থেকে ঋণ পেয়েছেন মূলত বড় কৃষকেরা। ছোট কৃষকেরা দ্বারস্থ হয়েছেন সুদখোর মহাজনের, আলু তোলার সঙ্গে সঙ্গে যাদের টাকা সুদ ও আসলে আলু দিয়ে পরিশোধ করতে হয়। ফলে ফসল ওঠার সময় দাম থাকার কারণে স্বাভাবিক বাজার দামের থেকে বেশি পরিমাণ আলু চলে যায় মহাজনদের গোলায়। তারা কোল্ডস্টোরেজে আলু মজুদ করে এবং পরে কৃষকদের ঘরের আলু শেষ হয়ে গেলে উচ্চ দামে বাজারে আলু ছাড়ে। পরিস্থিতির শিকার কৃষক তখন নিজের উৎপাদিত আলু বিক্রির থেকে বেশি দামে কিনে খেতে বাধ্য হয়।
এ ছাড়া আরও অনেক কারণে সিংহভাগ আলুচাষি হিমাগারে আলু রাখতে পারেন না। কারণ বড় ব্যবসায়ীরা প্রায় সব হিমাগার আগাম বুকিং দিয়ে ফেলে। সাধারণত যেসব কৃষক সরাসরি আলু চাষের সঙ্গে জড়িত থাকে, চাষাবাদে সব অর্থ ব্যয় করার কারণে তাদের হাতে উদ্বৃত্ত কোনো অর্থ থাকে না। বাধ্য হয়েই তাঁরা ঋণদাতাদের চাপ দূর করতে এবং পচনরোধে স্বল্প মূল্যেই আলু বিক্রি করতে বাধ্য হন। কেউ যদি বা অধিক মূল্যে হিমাগারে আলু রাখেন, ভাড়া বাবদ তাঁদের মূল্য এত বেশি ধার্য করা হয় যে পরে আলু বিক্রি করে হিমাগারের খরচই ওঠে না। আর এসব কারণেই আলু চাষে উত্তরবঙ্গের কৃষকদের সাফল্য দেশবাসীর খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ভয় কাটিয়ে উঠতে সহায়ক হলেও আলু চাষের সঙ্গে যাঁরা জড়িত তাঁরা ভুগছেন চরম নিরাপত্তাহীনতায়। রিসার্চ ইনিশিয়েটিভস বাংলাদেশ (রিব) পরিচালিত একটি গবেষণার তথ্যে জানা যায়, সুস্থতার জন্য দৈনিক ২২০০ কিলোক্যালোরি প্রয়োজন হলেও রংপুর বিভাগের মানুষের মাথাপিছু দৈনিক খাদ্যগ্রহণের পরিমাণ ১৩০০ কিলোক্যালোরির কম। এ অঞ্চলের গ্রামীণ জনপদে যাঁদের যাতায়াত আছে, কোনো পরিসংখ্যান ছাড়াই তাঁরা স্বীকার করবেন যে এ অঞ্চলের মানুষের ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ দিনে দিনে কমছে। যার অন্যতম অংশ হলো এ অঞ্চলের কৃষক।
শুধু আলুই নয়, ন্যায্য বাজার ব্যবস্থাপনার অভাবে উত্তরবঙ্গের কৃষকের উৎপাদিত প্রায় সব ফসলই কৃষকের পরিবর্তে ব্যবসায়ীদের সম্পদ বাড়িয়ে চলেছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা পরিষদ কর্তৃক পরিচালিত এক গবেষণায় দেখানো হয়েছে, রংপুরের আট জেলার মোট জনসংখ্যার ৩৭.৪৪ ভাগই প্রান্তিক চাষি। যাঁরা নিজেরা ক্ষেতে পরিশ্রম করে ফসল ফলায় কিন্তু বাধ্যতামূলক কম মূল্যে তাঁদের ফসল আগাম বিক্রি করার ফলে ফসল উৎপাদনের মুনাফা চলে যায় মহাজন বা জোটবদ্ধ মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে। বলা বাহুল্য, এ অবস্থা প্রায় সারা দেশের কৃষকের।
উৎপাদন বাড়ানোর জন্য সরকার কৃষকের বিদ্যুৎ-চাহিদা পূরণ, সার-বীজ-কীটনাশকে ভর্তুকি প্রদান, কৃষি কার্ড প্রদান প্রভৃতির মাধ্যমে এ দেশের উৎপাদন বাড়ানোর নানা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিষয়টি কেন উপেক্ষা করা হচ্ছে—শুধু কৃষকবান্ধব বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে না ওঠায় প্রতিবছর পচে যাচ্ছে টমেটো, মুলা, কলা, কপি, দেশীয় ফলসহ নানা কৃষিপণ্য। যেগুলোর সঙ্গে মিশে আছে এ দেশের কৃষকের শ্রম, ঘাম ও বাঁচার স্বপ্ন।
চলতি বছরের এপ্রিল মাসের মধ্যেই সরকার ২৫ হাজার টন আতপ চাল আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যার প্রতি টন আমদানিতে খরচ পড়বে ৩৯৫ ডলার অর্থাৎ আতপ চাল আমদানিতে মোট ব্যয় হবে ৬৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। অথচ উদ্বৃত্ত আলু, টমেটো, কলা, মুলা এসব রপ্তানির বিষয়টি সরকার আমলেই নিচ্ছে না। তাহলে কি প্রমাণিত হয় না যে সরকারের এসব উদ্যোগ মূলত কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনে কৃষিপণ্য আমদানি করে ভোক্তাসাধারণের চাহিদা পূরণের নাম করে ব্যবসায়ীদের পুঁজি বৃদ্ধি করার জন্যই? প্রতিনিয়ত যার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে শুধু এ দেশের কৃষককে?
ননা আলু চাষ করে কৃষক যখন ক্ষতিগ্রস্ত, ঋণগ্রস্ত, ঋণ পরিশোধের ভয়ে ভিটেমাটি ছেড়ে পালানোর উপক্রম; তখন আমাদের বিএডিসি গর্ব ভরে বলছে, তাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে, আগামী বছরের জন্য তারা আরও ১৭ হাজার লাখ মেট্রিক টন অতিরিক্ত বীজ সংরক্ষণ করবে!
অতিসত্বর দেশের কৃষি, বাণিজ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ দায়িত্ব হওয়া উচিত এ দেশের উৎপাদিত ফসলের অপচয় রোধে কৃষিপণ্যের রপ্তানি নিশ্চিত করা। উৎপাদন বেশি হলে রপ্তানির ব্যবস্থা গ্রহণ করেই উৎপাদককে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। আর রপ্তানি বা সংরক্ষণ ও সুসংহত বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে কৃষককে ন্যায্য মূল্য দিতে না পারলে সেসব ফসল চাষে নিরুৎসাহিত করতে হবে। লোকসানের ভার সব সময় কৃষকের ঘাড়ে চাপানো বন্ধ করতে হবে চিরতরে।
রানা ভিক্ষু: লেখক ও উন্নয়নকর্মী; পিএইচডি গবেষক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভয়ের সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা পাহাড়ি শিশুদের কথা -পাহাড়ে সংঘাত by ইলিরা দেওয়ান
এ ধরনের ঘটনা কেবল এবার ঘটেনি। আশির দশকে যখন থেকে সমতল থেকে ছিন্নমূল বাঙালিদের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসতি স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হয়, মূলত তখন থেকেই পাহাড়ে সামপ্রদায়িক সহিংস ঘটনার সূত্রপাত শুরু, যা ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তির পরও থেমে থাকেনি। চুক্তির আগে লংগদু, লোগাং, নানিয়াচরের মতো বড় বড় হত্যাকান্ড যেমন চলেছিল, তেমনি চুক্তির পরও বাবুছড়া, মহালছড়ি, মাইচছড়ির মতো বড় বড় সহিংস ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, যার সর্বশেষ শিকার বাঘাইছড়ির সাজেক ও খাগড়াছড়ির সদর শহর।
পাহাড়ি নারীরা যেমন প্রতিনিয়ত নিরাপত্তাহীনতায় থাকেন, তেমনি সেখানকার শিশুরাও বেড়ে উঠছে ভয়ের সংস্কৃতির পরিবেশে। ২৩ ফেব্রুয়ারি খাগড়াছড়ি সদরে সংঘটিত ঘটনার সময় সেখানকার শিশুদের দু-একটি খণ্ডচিত্র এখানে তুলে ধরতে চাইছি। দিনের সহিংস ঘটনার শুরুটা হয়েছিল মহাজনপাড়া থেকে। মহাজনপাড়ার সোমা চাকমা স্থানীয় পাবলিক ক্যান্ট. স্কুলে কেজিতে পড়ে। তার বাবা-মা দুজনেই চাকরিজীবী, সেদিনও যথারীতি সকালে অফিসের উদ্দেশে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। তবে অবরোধ থাকায় সেদিন বাচ্চাকে স্কুলে না পাঠিয়ে বাসায় ১২ বছরের কাজের মেয়েটির কাছে রেখে যান। বেলা ১১টা থেকেই পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টাতে থাকে। কিন্তু মা-বাবা তখনো জানতেন না বাইরে কী ঘটছে। যখন জানলেন তখন বাইরে বের হওয়ার কোনো উপায় নেই। এরই মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি হয়। সবাই যাঁর যাঁর কর্মস্থলে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে থাকেন। বিকেল পাঁচটার দিকে ধীরে ধীরে অন্যদের সঙ্গে পাহাড়ি লোকজনও ঘরে ফিরতে শুরু করে। কিন্তু এ কয়েক ঘণ্টা অসহায় শিশু দুটির ওপর যে ভয় ও আতঙ্ক ভর করেছিল পরে তারা কথা বলতেও সাহস পাচ্ছিল না!
একইভাবে মিলনপুর ও গভ. হাইস্কুলপাড়ার রাহুল চাকমা (৪), কাব্য ত্রিপুরা (৫), অতল চাকমা (৫), সিঁথি চাকমার মতো শিশুদের মনে যে ভয় ঢুকে পড়েছে, সে ভয় কবে কেটে যাবে তাদের মা-বাবাও জানেন না। অনেকে এখনো ঘুমের মধ্যে কেঁদে উঠে পালানোর কথা বলছে। ঘটনার দিন প্লে-গ্রুপের ছাত্র রাহুল বাবার কোলে থেকেও বারবার কাঁপছিল, এমনকি সারা দিনেও মুখে কথা ফোটেনি। রাতে কারফিউ জারির পর পরিবেশ যখন কিছুটা শান্ত হয়েছিল তখন সে কথা বলেছিল। অনুরূপভাবে মিলনপুরের শিশু অতলও বিল্ডিংয়ের ছাদ থেকে রামদা নিয়ে ধাওয়া করার দৃশ্য দেখে এমন কুঁকড়ে যায়, সে আর ঘর থেকে বের হতে চায়নি। এটি কেবল খাগড়াছড়ি শহরের দু-একটি চিত্র। সাজেকের গঙ্গারামমুখ, গুচ্ছগ্রাম, হাজাছড়া, চামিনীছড়াসহ কয়েকটি গ্রামের নাম না জানা কত চিজি, ধন, চিক্করা ভয়ের ভেতরে দিনযাপন করছে তার হিসাব তো আমরা জানি না।
বর্তমানে যেসব কর্মকর্তারা (বেসামরিক ও সামরিক) চাকরিসূত্রে পার্বত্য চট্টগ্রামে আছেন (জেলা সদরের আওতার বাইরে) তাঁদের বেশির ভাগ পরিবারের সদস্যরা সেখানে থাকেন না। তাঁদের সন্তানেরা বড় বড় শহরে থেকে ভালো স্কুলগুলোতে পড়াশোনার সুযোগ পায়। পাহাড়ে কী ঘটছে না ঘটছে বা কারা এ ঘটনায় জড়িত সে খবর হয়তো তাদের রাখার সুযোগ হয় না। কিন্তু তাদের সমবয়সী একটি পাহাড়ি শিশুকে নিজের নিরাপত্তা, পড়াশোনা ও নিরাপদ আশ্রয় নিজেকেই খুঁজতে হয়।
পাহাড়িরা এ দেশের নাগরিক ও সেই হিসেবেই তারা বাস করতে চেয়েছে। কিন্তু তাদের বারবার ‘উপজাতি’, ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’, ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে দূরে ঠেলে দিয়ে তাদের মধ্যে বিদ্রোহের বীজ বোনা হয়েছিল। ’৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তির পরও এখনো সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি নিয়ে আন্দোলন করতে হচ্ছে। তাহলে কে কাকে বিচ্ছিন্ন করে রাখতে চায়, সেটি সবার সামনে পরিষ্কার হওয়া দরকার। কাজেই কেবল নিরাপত্তার চশমা পরে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যাকে বিশ্লেষণ করে সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়। এ জন্য দরকার সরকারের আন্তরিকতা এবং সামপ্রদায়িকতা মুক্ত প্রশাসনব্যবস্থা।
এখানে আরেকটি বিষয় খুবই উদ্বেগজনক, তা হলো সাজেক ইউনিয়নের একমাত্র মাধ্যমিক বিদ্যালয় ‘বাঘাইহাট উচ্চবিদ্যালয়’টি শিক্ষার্থীর অভাবে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। বিদ্যালয়ে চার শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে বাঙালি ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৪০-এর মতো। কিন্তু গত ২৪ জানুয়ারি এ স্কুলের ২৮ জন পাহাড়ি শিক্ষার্থীসহ দুজন শিক্ষককে সারা দিন অবরুদ্ধ করে রাখা ও চার শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার পর পাহাড়ি অভিভাবকেরা তাঁদের সন্তানদের নিরাপত্তার অভাবে স্কুলে আর পাঠাতে সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনার এক মাসের মধ্যে ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি আবার গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়ার ফলে প্রায় সব শিক্ষার্থীর বই-খাতা পুড়ে যায় (প্রথম আলো)। ২৪ জানুয়ারির ঘটনার পর যাঁদের সামর্থ্য ছিল, তাঁরা তাঁদের সন্তানদের খাগড়াছড়ি নতুবা রাঙামাটিতে স্কুলে ভর্তি করিয়েছিলেন। কিন্তু ১৯-২০ ফেব্রুয়ারির সহিংস ঘটনার পর তাঁদের সে সামর্থ্যটুকুও নিঃশেষ হয়ে গেছে। অথচ এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়নি। এ স্কুলের তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর অনিশ্চিত ভবিষ্যত্ দূর করতে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং প্রশাসনও যাতে এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সমস্যা হলো ভূমি সমস্যা। কিন্তু ‘অপারেশন উত্তরণ’-এর নামে যত দিন ‘শান্তকরণ’ প্রকল্প অব্যাহত থাকবে, তত দিন পাহাড়ের ভূমি সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। কেননা এ ‘শান্তকরণ’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে গেলে বসতিস্থাপনকারীদের পুনর্বাসন ও ভূমি বেদখল প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। কাজেই সবার আগে ‘অপারেশন উত্তরণ’ প্রত্যাহার করে পাহাড়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে হবে। ভূমি কমিশন আইনের সাংঘর্ষিক দিকগুলো পুনর্মূল্যায়ন করে ভূমি কমিশনকে কার্যকর করে ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি করতে হবে। সমপ্রতি ভূমিমন্ত্রী সংসদে বলেছেন, অচিরেই পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি জরিপের কাজ শুরু করা হবে। কিন্তু উল্লিখিত বিষয়গুলোর সুরাহা ব্যতিরেকে ভূমি জরিপ করতে গেলে পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যাকে আরও জটিল করে তোলা হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা যত দিন জিইয়ে থাকবে, তত দিন পাহাড়ি শিশুদের মানসিক বিকাশও জটিলভাবে গড়ে উঠবে। এর দায় রাষ্ট্র ও সরকার এড়াতে পারে না। আমরা চাই, সমপ্রতি বাঘাইহাট ও খাগড়াছড়িতে সংঘটিত সহিংস ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত হোক এবং এ তদন্ত প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ করা হোক। পার্বত্য চট্টগ্রামে অতীতে যেসব গণহত্যাসহ সহিংস ঘটনা ঘটেছিল, সেসব ঘটনার কোনো কোনোটির তদন্ত কমিটি গঠিত হলেও তদন্ত প্রতিবেদন কোনো সময় প্রকাশিত হয়নি। ফলে দোষী ব্যক্তিরা সব সময় আইনের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছে। আমরা আর এর পুনরাবৃত্তি চাই না। পার্বত্য সমস্যার সাময়িক সমাধান নয়, একটি স্থায়ী সমাধানের পথ সরকারকেই বের করে আনতে হবে।
ইলিরা দেওয়ান: হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
ilira.dewan@gmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পেট্রলপাম্প ও একটি শহরের জলাবদ্ধতা -ভরাট করা জায়গা উদ্ধার করতে হবে
উপজেলা সদরের পানি নিষ্কাশন হয় এই খাল দিয়ে। অর্ধেক ভরাট করে খালটি সংকুচিত করার মানে হলো, বর্ষাকালে উপজেলার পানি বেরিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাঘাত সৃষ্টি হওয়া। ফলে নিশ্চিতভাবেই জনগণকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ পোহাতে হবে। একটি পেট্রলপাম্পের কারণে দুর্দশার শিকার হতে হবে পুরো উপজেলা সদরের বাসিন্দাদের। এভাবে এত বিপুলসংখ্যক মানুষের জীবনে নতুন সমস্যা সৃষ্টি কোনোভাবেই কাম্য নয়।
অভিযোগ উঠেছে, পৌরসভার নিষেধ না মেনে থানা মোড় এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সীমানাপ্রাচীর ঘেঁষে পেট্রলপাম্পটি নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এখন পাম্প নির্মাণ করতে গিয়ে যে খাল ভরাট করতে হচ্ছে, এ থেকে ধারণা করা যায়, ইজারা দেওয়া জায়গাটি পেট্রলপাম্প নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত ছিল কি না তা যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। এ ক্ষেত্রে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ভূমিকা কী ছিল তা খতিয়ে দেখা দরকার।
খাল ভরাটের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। আমরা মনে করি, খাল ভরাট করে যে নির্মাণকাজ চলছে তা এখনই বন্ধ করা জরুরি। খালের যে জায়গা ভরাট করা হয়েছে তা উদ্ধারও অনতিবিলম্বে করতে হবে। বৃষ্টির সময় বেশি দূরে নয়। কালক্ষেপণের তাই সুযোগ নেই। জলাবদ্ধতার সংকটের অপেক্ষায় না থেকে কর্তৃপক্ষকে এখনই সতর্ক হতে হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর -সহযোগিতা ও মৈত্রী প্রসারিত হোক উন্নতির শর্তে
বাণিজ্য ঘাটতি মেটানো, উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থনৈতিক সহায়তা, জ্বালানি ও কৃষিতে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও অভ্যন্তরীণ যোগাযোগসহ বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে চীন বাংলাদেশকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দৃশ্যত এই ইশতেহারকে বাংলাদেশের কাঙ্ক্ষিত চাহিদা ও স্বার্থ রক্ষার অর্জন বলে চিহ্নিত করা যায়। তবে চুক্তিকে দীর্ঘমেয়াদি অর্জনের সূচনা হিসেবে ব্যবহার করার জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চাই দক্ষ ও কার্যকর যোগাযোগ এবং নিজস্ব স্বার্থ সম্পর্কে সচেতনতা।
চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার বাংলাদেশের প্রায় দ্বিগুণ। আয়তন, সামর্থ্য ও প্রভাবের দিক থেকে চীন অনেক এগিয়ে থাকা একটি দেশ। ভূ-রাজনীতি ও বিশ্ব অর্থনীতিতে চীনের ভূমিকা নেতৃস্থানীয়। কিন্তু এর উপযুক্ত সুফল বাংলাদেশ যে সব সময় নিতে পেরেছে, তা নয়। চীন বাংলাদেশে বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ, অথচ দেশটির সঙ্গে বর্তমানে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশের শিল্পক্ষেত্রে চীনা বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ যথেষ্ট নয়। মিয়ানমার হয়ে চীনের কুনমিংয়ের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ও গ্যাস-তেল পাইপলাইন প্রতিষ্ঠা এবং চীনা সহযোগিতায় গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ— এই বিষয়টিগুলো বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর সুরাহা হলে চট্টগ্রাম বন্দর দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র হয়ে ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান এবং চীনের বাণিজ্য পরিবহনের অন্যতম কেন্দ্র হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বেসামরিক কাজে পরমাণু শক্তির ব্যবহারের বিষয়ে চীনের কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। এ ছাড়া রয়েছে চীন থেকে আসা ব্রহ্মপুত্র নদের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য আনার প্রশ্ন। বর্তমান যৌথ ইশতেহার ও সমঝোতাপত্রে এসব বিষয় উল্লিখিত হয়েছে। নতুন করে যুক্ত হয়েছে সার কারখানা প্রতিষ্ঠা, কৃষিতে প্রযুক্তি সহায়তা এবং দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণে অর্থায়নের প্রশ্নটি। বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতির পরিপূরক হিসেবে যে তিন বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রত্যাশা করছে, তার শর্ত যেন বাংলাদেশের স্বার্থের অনুকূল হয়, সেটিও দেখা দরকার।
ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার প্রশ্নটি বিবেচ্য ছিল। জটিল ভূ-রাজনৈতিক পরিবেশে এই ভারসাম্য রক্ষা অতীব কঠিন কাজ। চীনা পুঁজি ও চীনের বাজার বাংলাদেশের অর্থনীতিকে যেমন পরিপুষ্ট করতে পারে, তেমনি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে চীনের বৈশ্বিক প্রভাবের সুফলও বাংলাদেশ পেতে পারে। তাইওয়ান ও তিব্বতকে এক চীনের অংশ হিসেবে স্বীকার করার মাধ্যমে বাংলাদেশ চীনের প্রতি তার বন্ধুত্ব প্রমাণ করেছে। বাংলাদেশে চীনা পণ্যের বাজারও প্রসারিত হচ্ছে। এ অবস্থায় উন্নয়নকামী বাংলাদেশকে বিনিয়োগ, সামরিক ও প্রাযুক্তিক সহায়তা গ্রহণ এবং উষ্ণ কূটনৈতিক যোগাযোগ নিশ্চিত করার দিকে মনোযোগী হতে হবে। এবং এর ভিত্তি হতে হবে পারস্পরিক সুবিধা ও শ্রদ্ধার সম্পর্ক।
নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূস দুই বৃহত্ প্রতিবেশীর সঙ্গে সহযোগিতা ও মৈত্রীর মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার যে ধারণা সামনে এনেছিলেন, ভারতের পর চীনের সঙ্গে সহযোগিতা প্রসারিত করার পর তা কতটা কাজে দেয়, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘জোসেফ এস্ত্রাদা ইসলামের শত্রু’
মুসলিম বিদ্রোহীদের সংগঠন দ্য মরো ইসলামিক লিবারেশন ফ্রন্টের (এমআইএলএফ) ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইসলামি চিন্তাবিদেরা এস্ত্রাদার আগের এবং বর্তমানের কর্মকাণ্ড বিচার-বিশ্লেষণ করে দেখেছেন তিনি সত্যিকার অর্থেই ইসলামের একজন শত্রু। তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় সেনাবাহিনী দিয়ে ফিলিপাইনের লাখো মুসলিমকে অত্যাচার করে ঘরছাড়া করেছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে এপ্রিলের শুরুতে চুক্তি সই করবে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
এতে বলা হয়, নতুন পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি প্রায় প্রস্তুত। জেনেভায় আলোচকেরা এটা নিয়ে কাজ করছেন। চুক্তির বিভিন্ন দিক ইংরেজি ও রুশ ভাষায় লেখা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কিয়েভে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের কথা ছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের অসম্মতির কারণে প্রাগে চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ নতুন চুক্তিতে সই করবেন। আগামী ১২ ও ১৩ এপ্রিল ওয়াশিংটনে পরমাণু নিরাপত্তাবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই সম্মেলনের আগেই রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ১৯৯১ সালে স্বাক্ষরিত হয় কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস চুক্তি (স্টার্ট)। গত ডিসেম্বরে এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাত রাজ্যে মাওবাদীদের বন্ধ্ আহ্বান
মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় নেতা বিক্রম গত শুক্রবার এক ঘোষণায় বলেছেন, এই বন্ধ্ আহ্বান করা হয়েছে সাতটি মাওবাদী অধ্যুষিত রাজ্যে। এই সাতটি রাজ্য হলো ঝাড়খণ্ড, বিহার, উড়িষ্যা, পশ্চিমবঙ্গ, ছত্রিশগড়, অন্ধ্র প্রদেশ ও মহারাষ্ট্র। তবে মহারাষ্ট্রে তারা মাও প্রভাবিত মাত্র তিনটি জেলায় এই বন্ধ্ ডেকেছে।
বিক্রম সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, মাওবাদীরা সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায়। তবে তার আগে সরকারকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বন্ধ করতে হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশুর কণ্ঠনালিপ্রতিস্থাপনে স্টেমসেলের ব্যবহার
লন্ডনের গ্রেট ওরমন্ড স্ট্রিট চিলড্রেন হসপিটালে নয় ঘণ্টা ধরে ওই অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসক দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জন্মের সময়ই শিশুটির শ্বাসনালি অস্বাভাবিক রকম সরু ছিল। তাঁরা অনেক গবেষণার পর শিশুটির শ্বাসনালি ফেলে দিয়ে সেখানে দেহদানকারীর শ্বাসনালি বসিয়ে দিয়েছেন। প্রতিস্থাপনের আগে দেহদানকারীর শ্বাসনালি থেকে তার স্টেমসেল সরিয়ে ফেলা হয়। সে জায়গায় স্থাপন করা হয় শিশুটির স্টেমসেল।
চিকিৎসকেরা বলেছেন, তাঁরা ঠিকঠাকমতো সেটি প্রতিস্থাপন করেছেন। এখন শিশুটির দেহ থেকে সরবরাহ করা স্টেমসেলগুলো যদি ওই বিকল্প শ্বাসনালিকে বাঁচিয়ে রাখতে সক্ষম হয়, শ্বাসনালির অস্থিমজ্জা যদি স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠে, তাহলে তাঁদের অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যাবে। এক মাসের মধ্যে চূড়ান্ত ফলাফল জানা যাবে। তাঁরা জানান, এর আগে প্রতিস্থাপিত কোনো প্রত্যঙ্গে এভাবে স্টেমসেল ব্যবহার করে অস্ত্রোপচার করা হয়নি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের জন্য এখনো আলোচনার দরজা খোলা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র
ফারসি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, গতকাল শনিবার ইরানে নতুন বছর বা নওরোজ শুরু হয়েছে। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে নতুন বছরকে বরণ করতে সেখানে ১২ দিনব্যাপী উৎসব শুরু হয়েছে। এ নওরোজ সামনে রেখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা দ্বিতীয়বারের মতো গতকাল ইরানিদের উদ্দেশে ভাষণ দেন। গত বছর নওরোজ উপলক্ষে দেওয়া ভাষণে ওবামা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সম্পর্কের ‘নতুন যাত্রা’ শুরুর প্রত্যয় ঘোষণা করেছিলেন।
বিশ্লেষকেরা বলেছেন, গতকালের ভাষণে ওবামা ইরান সরকারের সমালোচনার পাশাপাশি তার প্রতি বেশ খানিকটা নমনীয় ভাব প্রকাশ করেছেন। পরমাণু কার্যক্রম ইস্যুতে ইরানের ওপর সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ আরোপের যে উদ্যোগ নিয়েছে, ওবামার এ বক্তব্য সে কঠোর অবস্থান থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে আনবে বলে মনে করছেন তাঁরা। ওবামা বলেছেন, গত এক বছরে ইরান (তার কার্যকলাপের মাধ্যমে) নিজেই নিজেকে একঘরে করতে চেয়েছে।
তিনি বলেন, ইরান সরকারের সঙ্গে তাঁদের মতপার্থক্য থাকলেও তাঁরা সাধারণ ইরানিদের ভবিষ্যতের ব্যাপারে এখনো প্রতিশ্রুতিশীল অবস্থানে রয়েছেন। তিনি বলেন, সাধারণ ইরানিদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে যুক্তরাষ্ট্রে ইরানি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ বাড়ানো হয়েছে।
ওবামা বলেন, আন্তর্জাতিক অনুরোধ ও পরামর্শ উপেক্ষা করে পরমাণু অস্ত্র কার্যক্রমের বিষয়ে ইরান এখনো অনড় অবস্থানে রয়েছে। এ অবস্থান থেকে তাকে সরে এসে যথাযথ দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।
ইরানে ইন্টারনেট ব্যবস্থার ওপর আরোপিত কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সমালোচনা করে ওবামা বলেন, ইরানের সাধারণ জনগণ যাতে বাধাহীনভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে, সে জন্যও তাঁরা কাজ করে যাচ্ছেন।
সরকারের আরোপিত প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে ইরানি জনগণ যাতে সারা বিশ্বের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে, সে জন্য চলতি মাসের শুরুতে ওয়াশিংটন ইরানে ইন্টারনেট ব্রাউজিং ও ব্লগিং-সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর বিরোধীদের বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আহমাদিনেজাদ সরকার ইরানে ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধূলিঝড়ের কবলে বেইজিং
আবহাওয়া দপ্তর ধূলিঝড়ের পর ৫ মাত্রার দূষণ সতর্কতা জারি করেছে। পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে লোকজনকে ঘরের ভেতরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তবে অনেক লোক ওই অনুরোধ উপেক্ষা করে মুখে মাস্ক পরে ঘরের বাইরে আসে। অনেককে রাস্তার ধূলির আস্তরণের ওপর পায়ের ছাপ আঁকতে দেখা গেছে।
গরম বাড়লে বসন্তকালে চীনের উত্তরাঞ্চলের বৃষ্টিহীন অঞ্চল থেকে ধূলিঝড় শুরু হয়ে তা মেঘের মতো পুরো চীনে ঘুরে বেড়ায়। এরপর তা দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান এমনকি যুক্তরাষ্ট্রে পর্যন্ত চলে যায়।
এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা ইয়োনহ্যাপ জানিয়েছে, ধূলিঝড়ের কারণে রাজধানী সিউল, মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চলের বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বেইজিংয়ে লি মিং নামের একজন বিক্রয়কর্মী সরকারি বার্তা সংস্থা সিনহুয়াকে বলেন, ‘ভূপৃষ্ঠ হলুদ হয়ে যাওয়ায় আমি খুবই বিস্মিত হয়েছি। এটা আমাকে আমার গ্রামের নোংরা রাস্তার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।’ বেইজিংয়ের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সং সিওরং বলেন, ‘আমার জানা মতে দু-তিন বছরের মধ্যে এমন মারাত্মক ধূলিঝড় হয়নি।’
চার বছর আগে এক ধূলিঝড়ে বেইজিংয়ের রাস্তায় অন্তত তিন লাখ টন বালু এসে পড়ে। সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চীনে ২৬ লাখ বর্গকিলোমিটার মরুভূমি রয়েছে, যা দেশটির মোট কৃষি খেতের আড়াই গুণ।
ধূলিঝড়ের জন্য লাগামহীন বন ধ্বংস ও দীর্ঘমেয়াদি অনাবৃষ্টিকে দায়ী করেছেন বিজ্ঞানীরা। চীন ক্রমবর্ধমান মরুকরণ রোধে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য আনতে কোটি কোটি ডলার খরচ করছে। কিন্তু ক্রমাগত তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং পানির উৎস কমে যাওয়ায় খুব একটা কাজ হচ্ছে না। কারণ, দেশটিতে কলকারখানা থেকে নির্গত দূষিত গ্যাসের মাত্রা কমছে না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করি
বান কি মুন বলেন, ‘মধ্যস্থতাকারী জোটের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ও দৃঢ় বার্তা দেওয়া হয়েছে। স্বাধীন ও স্বয়ংসম্পূর্ণ রাষ্ট্র গঠনে আপনাদের (ফিলিস্তিনিদের) প্রচেষ্টাকে জোট দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে।’
সফরের শুরুতে গতকাল ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী সালাম ফাইয়াদের সঙ্গে বৈঠক করেন বান কি মুন। পশ্চিম তীরের রামাল্লায় ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। হামাস-নিয়ন্ত্রিত গাজা এলাকাও পরিদর্শন করেন জাতিসংঘের মহাসচিব। ইসরায়েলি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও তাঁর বৈঠক করার কথা রয়েছে। এর আগে বান কি মুন গাজায় ফিলিস্তিনিদের মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
গত শুক্রবার মস্কোয় শান্তি-প্রক্রিয়ার মধ্যস্থতাকারী কোয়ার্টেট—জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে যোগ দেন বান কি মুন। এর এক দিন পর তিনি মধ্যপ্রাচ্য সফর শুরু করলেন।
গত শুক্রবারের বৈঠকে মধ্যস্থতাকারী জোট আগামী দুই বছরের মধ্যে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানায়। এর জবাবে ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আভিগদর লিবারম্যান বলেন, ‘শান্তি কৃত্রিমভাবে চাপিয়ে দেওয়ার বিষয় নয়। অবাস্তব সময় বেঁধে দিয়েও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।’ তিনি আরও বলেন, এমন বিবৃতি মধ্যপ্রাচ্য সমস্যার সম্ভাব্য সমাধানে পৌঁছার ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি করবে। মধ্যস্থতাকারীদের এমন সময় বেঁধে দেওয়ার ঘোষণায় চরম বিরক্তি প্রকাশ করেন তিনি।
ফিলিস্তিনের প্রধান আলোচক সায়েব এরেকাত মধ্যস্থতাকারী জোটের এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তিনি বলেন, পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলের বসতি স্থাপন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রী সালাম ফাইয়াদ আলমও মধ্যস্থতাকারী জোটের অবস্থানকে স্বাগত জানান।
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি-প্রতিষ্ঠায় সম্প্রতি ফিলিস্তিন-ইসরায়েলের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর মধ্যে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে নতুন করে এক হাজার ৬০০ ইহুদি বসতি নির্মাণের ঘোষণা দেয় ইসরায়েল। বসতি স্থাপন প্রক্রিয়া বন্ধ না করলে আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানায় ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এইচএসবিসি ও শান্তা প্রপার্টিজ লিমিটেডের সমঝোতা চুক্তি
এইচএসবিসি বাংলাদেশের পারসোনাল ফাইন্যানসিয়াল সার্ভিসের প্রধান মো. শাফকাত হোসেন এবং শান্তা প্রপার্টিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার কামাল উদ্দিন আহমদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিটিআরআইয়ের বার্ষিক প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু
চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ রুহুল আমীন প্রধান অতিথি হিসেবে এ কোর্সের উদ্বোধন করেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সদস্য শফিক আহমেদ চৌধুরী ও চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের পরিচালক হারুন অর রশিদ। চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিট মিলনায়তনে কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক মুকুল জ্যোতি দত্ত। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিটিএর সিলেট শাখার চেয়ারম্যান এম এ আউয়াল ও সিনিয়র টি প্ল্যান্টার্স ইয়াকুব আলী।
প্রশিক্ষণ কোর্সটিতে সিলেট, চট্টগ্রাম ও পঞ্চগড়ের বিভিন্ন চা-বাগান থেকে ৩১ জন ব্যবস্থাপক যোগ দেন। কোর্সটি আগামী ২৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রংপুর চিনিকলের শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি
গতকাল শনিবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে রংপুর চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন এ ঘোষণা দেয়। এতে ইউনিয়নের সভাপতি আবদুল মতিন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়নের সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন, সহসম্পাদক জোবায়দুর রহমান, অর্থ সম্পাদক জিল্লুর রহমান, প্রচার সম্পাদক জালাল উদ্দিন, সদস্য সাইদুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, ফারুক হোসেন প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী পে-অফ করা শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্য থেকে যোগ্যতাসম্পন্ন লোকজনকে নিয়োগের কথা। কিন্তু চিনিকল কর্তৃপক্ষ এ ধরনের যোগ্যতাসম্পন্ন ১৫০ জন শ্রমিককে বাদ দেয় এবং মোটা অঙ্কের উেকাচ নিয়ে প্রায় ২০০ জন নতুন লোক নিয়োগ করে।
এদিকে ইউনিয়নের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে রংপুর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মদন মোহন সাহা বলেন, ‘সে সময় উেকাচ নিয়ে লোক দেওয়া হয়নি। চিনিকলের নিয়মানুযায়ী যাচাই-বাছাই করে লোক নেওয়া হয়েছে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রার্থীদের পরিচিতি সভা আজ
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে। ২১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে এবার মোট ৫০ জন প্রার্থী হয়েছেন। এবার নির্বাচনের জন্য তিনটি প্যানেল করা হলেও মূলত দুটি প্যানেলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। এবারের নির্বাচনে ভোটারসংখ্যা ৫৮৮ জন।
‘নবধারা’ নামের প্যানেলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বর্তমান কমিটির ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি ও আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সাংসদ নসরুল হামিদ। ‘জাগরণ’ নামের প্যানেলটির নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক সহসভাপতি মোকাররম হুসাইন খান। ইতিমধ্যে প্যানেলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ‘পরিবর্তন’ নামে আরেকটি প্যানেল করা হলেও এ প্যানেলে প্রার্থী মাত্র ছয়জন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো রিহ্যাবে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন হচ্ছে। আর বর্তমান কমিটি প্রথমবারের মতো সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ করে। গতবার ‘নবধারা’ প্যানেলটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিজয়ী হয়েছিল।
আবাসন খাতের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রিহ্যাবের নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত দলীয় পরিচয় বিবেচনায় ওঠে আসবে। ইতিমধ্যে প্রার্থীদের প্রচারণা জমে উঠেছে। অনেকেই বিভিন্ন অফিসে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ ছাড়াও টেলিফোন ও এসএমএসের মাধ্যমে ভোট চাইছেন।
জানা গেছে, ‘নবধারা’ প্যানেল মূলত আওয়ামী ঘরানার ও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের ব্যবসায়ীদের নিয়ে গঠিত।
অন্যদিকে ‘জাগরণ’ প্যানেলে একজন আওয়ামী লীগের সাংসদ ছাড়াও কয়েকজন আওয়ামী-সমর্থিত ব্যবসায়ী থাকলেও কয়েকজন প্রার্থী জামায়াত নেতা বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বিএনপির সাবেক সাংসদপুত্র ও বিএনপি-সমর্থিত ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেশি।
রিহ্যাবের প্রধান নির্বাচন কমিশন তৌফিক এম সেরাজ প্রথম আলোকে বলেন, ভোটারদের সঙ্গে প্রার্থীদের পরিচিত করানোর লক্ষ্যে রোববার সভা আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রত্যেক প্রার্থীকে এক মিনিট করে সময় দেওয়া হবে। এতে প্রার্থীরা তাঁদের নিজের পরিচিতি ও নির্বাচিত হলে কী করবেন তা জানাবেন। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের দিনের করণীয় নিয়ে ভোটারদের অবহিত করবেন। অনুষ্ঠানটি কেবল প্রার্থী ও ভোটারদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে বলে তিনি জানান।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মূল্য ছাড় দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাজার ধরে রেখেছে চীন ও ভিয়েতনাম
মূল্যের দিক থেকে আমেরিকার বাজারে গত জানুয়ারি মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে ২০ দশমিক ৮৫ শতাংশ। কিন্তু একই সময়ে চীনের রপ্তানি বেড়েছে ৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ, আর ভিয়েতনামের কমেছে ১ দশমিক ১৫ শতাংশ, কম্বোডিয়ার ১৬ দশমিক ১৩ শতাংশ, ভারতের ৮ দশমিক ১৯ শতাংশ, পাকিস্তানের ৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কার ১৭ দশমিক ১০ শতাংশ।
তবে প্রতি বর্গমিটার কাপড় রপ্তানি বিবেচনা করলে বাংলাদেশের রপ্তানি কমেছে ২২ দশমিক ৫২ শতাংশ। অন্যদিকে চীনের বেড়েছে ২৩ দশমিক ১৮ শতাংশ, ভিয়েতনামের বেড়েছে ৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ। কিন্তু বাংলাদেশের মতো কম্বোডিয়ার কমেছে ৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ, ভারতের ৪ দশমিক ৭১ শতাংশ, পাকিস্তানের ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কার ৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
সাধারণভাবে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশ সস্তা কাপড়ের জোগানদার হিসেবে পরিচিত। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন ট্রেড বিভাগ সেনস্যাস ব্যুরোর তথ্য অনুসারে ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর সময়ে চীন আমেরিকার বাজারে পণ্য রপ্তানি করতে গিয়ে মূল্য ছাড় দিয়েছে ১২ দশমিক ৪৪ শতাংশ। একই সময়ে কম্বোডিয়া ছাড় দিয়েছে ৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ, ভারত ৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং ভিয়েতনাম ছাড় দিয়েছে ১২ দশমিক ৪২ শতাংশ। কিন্তু একই সময়ে বাংলাদেশের পণ্যের দাম বেড়েছে ২ দশমিক ৩২ শতাংশ।
বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের প্রতিযোগী দেশগুলোর তথ্য-উপাত্ত থেকে স্পষ্টই বোঝা যায়, তারা রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি করবে।’ তিনি গতকাল শনিবার গণমাধ্যমের কয়েকজন প্রতিনিধির সঙ্গে এক অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় এসব তথ্য দেন।
প্রতিযোগী দেশগুলোর এই মূল্য ছাড়ের পেছনে রয়েছে সেসব দেশের সরকারের বড় ধরনের আর্থিক সহায়তা। এ সহায়তার কারণে মন্দা পরিস্থিতিতে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে কম দামে পণ্য বিক্রির প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশগুলো।
ডিসেম্বরে বড়দিন এবং জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রচুর শীতের পোশাক রপ্তানি হয়ে থাকে। কিন্তু এবার আগের বছরের তুলনায় বাংলাদেশি পণ্য মার্কিন বাজারে কম ঢুকেছে।
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) তথ্য অনুসারে, ২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক আমদানি কমেছে সাড়ে ১২ শতাংশ। বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ ধরনের পণ্যে এ সময়ে রপ্তানি কমেছে ১ দশমিক ৬ শতাংশ। বাংলাদেশ যে ধরনের (আইটেম) পণ্য রপ্তানি করে, সেসব পণ্যে চীনের প্রবৃদ্ধি ঘটেছে ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ। ফলে বাংলাদেশের বাজারে আবারও চীন ভাগ বসাচ্ছে বলে মনে করে সংস্থাটি। সিপিডি বলছে, মন্দার আগে কম দামের পোশাককে অনুৎসাহিত করলেও মন্দার পর উল্টো এখন কম দামের পোশাককে প্রণোদনা দিচ্ছে চীন।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান কয়েকদিন আগে প্রথম আলোকে বলেন, মন্দার ধাক্কা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ফলে সেখানে সামগ্রিক চাহিদা কিছুটা কমেছে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বেশ কিছু পণ্যের বাজার চীন নিয়ে নিয়েছে। তা ছাড়া বাংলাদেশের উৎপাদকেরা এই মন্দা পরিস্থিতিতেও কোনো প্রণোদনা পায়নি। যেখানে চীন ও ভিয়েতনামের রপ্তানিকারকেরা ভালো প্রণোদনা পেয়েছে।
আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী বলেন, গত ছয় মাসে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় দেশের ওভেন পোশাক রপ্তানি ১৬ দশমিক ১৩ শতাংশ এবং নিট পোশাক রপ্তানি ১৩ দশমিক ৮২ শতাংশ কমেছে। এই হিসাবে এ সময়ে ১১৬ কোটি ডলারের রপ্তানি কমেছে। আর যদি এ ধারা অব্যাহত থাকে, তবে বছর শেষে ২০০ কোটি ডলার অর্থাৎ ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার রপ্তানি-আয় কম হবে।
আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী বলেন, এভাবে প্রবৃদ্ধি না কমলে অথবা লোকসান না হলে সরাসরি তিন লাখ মানুষের কর্মসংস্থান এখাতে হতে পারত। আর পরোক্ষভাবে সাড়ে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারত।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাত মাসে লক্ষ্যমাত্রার ৫৫.৬% কৃষিঋণ বিতরণ করা হয়েছে
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সময়কালে ব্যাংকগুলো ছয় হাজার ৪০২ কোটি ২৬ লাখ টাকা বিতরণ করেছে। আর পুরো অর্থবছরের জন্য ১১ হাজার ৫১২ কোটি ৩০ লাখ টাকার কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে।
পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, অর্থবছরের প্রথমার্ধে কৃষিঋণ বিতরণ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় সাড়ে ২৫ শতাংশ বেড়েছে।
২০০৮-০৯ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে ব্যাংকগুলো পাঁচ হাজার ১১০ কোটি ২০ লাখ টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করেছিল।
পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় দেখা যায়, আলোচ্য সাত মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কৃষিঋণ বিতরণ করা হয়েছে ডিসেম্বর মাসে। এই মাসে এক হাজার ৩৪৮ কোটি ২১ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়।
এর আগে নভেম্বর মাসে এক হাজার ২৭৫ কোটি টাকার এবং অক্টোবর মাসে এক হাজার ৬২ কোটি ২৫ লাখ টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করা হয়েছে। অন্য মাসগুলোয় অবশ্য এক হাজার কোটি টাকার নিচে কৃষিঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত কৃষিঋণ প্রসঙ্গে গত সপ্তাহে জাতীয় সংসদে বলেছেন, ‘প্রকৃত ঋণগ্রহীতার কাছে কৃষিঋণ আরও সহজলভ্য করার জন্য নীতিমালা শিথিল করে আমরা কৃষকদের দোরগোড়ায় ঋণ পৌঁছে দিয়ে দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি তথা কৃষকের হাত শক্তিশালী করতে চাই।’
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে আরও দেখা যায়, আলোচ্য সময় বকেয়া ঋণ আদায়ের পরিমাণ ছিল ছয় হাজার ৭০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় সাড়ে ২২ শতাংশ বেশি।
আর ২০০৮-০৯ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সময়কালে চার হাজার ৯৫০ কোটি ২৭ লাখ টাকার বকেয়া কৃষিঋণ আদায় করা হয়েছিল। উচ্চহারে কৃষিঋণ আদায় একদিকে নিট কৃষিঋণ বিতরণকে কমিয়ে দিলেও এটি আবার পরবর্তী সময়ে কৃষিঋণ বিতরণ অব্যাহত রাখতে ব্যাংকগুলোর জন্য সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কৃষিঋণ বিতরণ জোরদার করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক এ বছর নানা ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর দেশের কিছু কিছু স্থানে নিজে উপস্থিত থেকে সরাসরি কৃষকদের ঋণ প্রদান করেছেন। তিনি সরাসরি মোবাইল ফোনে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে ঋণের অবস্থাও তদারক করেছেন।
এবার ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন এনজিওকে এই কাজে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। প্রতি মাসেই ব্যাংকগুলো কৃষিঋণ বিতরণের তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে প্রেরণ করার আরেকটি সিদ্ধান্ত সেপ্টেম্বর মাস থেকে কার্যকর করা হয়েছে।
২০০৮-০৯ অর্থবছরে দেশে নয় হাজার ২৮৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করা হয়েছিল। আর ২০০৭-০৮ অর্থবছরে হয়েছিল আট হাজার ৩৭৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিএসইর পর্ষদ নির্বাচন আজ
ডিএসই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সকাল ১০টায় নির্বাচন শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে চলবে বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত। এ সময়ে মোট ২২৮ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
নির্বাচনে যাঁরা অংশগ্রহণ করছেন তাঁরা হলেন—দস্তগীর মো. আদিল, গোলাম কাদের, আবদুল হক, শরীফ আতাউর রহমান, খাজা গোলাম রসুল, রকিবুর রহমান, আহমদ রশীদ লালী ও আহমেদ ইকবাল হাসান।
ডিএসইর নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছেন এমন সদস্যরা মনে করছেন, নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে শেষ ছয়জনের মধ্যে।
তবে আহমেদ ইকবাল হাসান, আহমদ রশীদ ও রকিবুর রহমানের ফলাফলের ব্যাপারে সবার আগ্রহ থাকবে বেশি। কারণ, আহমেদ ইকবাল হাসান ও আহমদ রশীদকে কোনো ধরনের কারণ দর্শানো ছাড়াই নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করেছিল। পরে তাঁরা হাইকোর্টের আদেশ নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
অভিযোগ রয়েছে, রকিবুর রহমানকে অনেকটা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচনে জয়লাভের সুযোগ করে দিতেই সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের চাপে এসইসি এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু হাইকোর্টের আদেশের কারণে সেটি আর সম্ভব হয়নি।
এর আগের তফসিল অনুযায়ী ডিএসইর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ৩ মার্চ। কিন্তু মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার ঠিক এক দিন আগে এসইসির একটি আদেশের কারণে ডিএসইর নির্বাচন কমিশন ওই তারিখে নির্বাচন স্থগিত করে নতুন তফসিল ঘোষণা করে।
এসইসির ওই আদেশে বলা হয়েছিল, নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার ন্যূনতম পাঁচ দিন আগে এসইসির কাছ থেকে অনাপত্তি নিতে হবে। এসইসির এ আদেশ মেনে মোট ১৩ সদস্য এসইসির কাছে অনাপত্তি চেয়েছিলেন।
কিন্তু এসইসি ১০ জনকে অনাপত্তি দিলেও তিনজনের ব্যাপারে আপত্তি জানান। পরে এ তিনজনের দুজন হাইকোর্ট থেকে আদেশ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। আর অনাপত্তি পাওয়া সদস্যদের মধ্য থেকে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে এসেছেন।
ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের মোট সদস্যসংখ্যা ২৪টি। এর মধ্যে নির্বাচিত সদস্য ১২ জন আর বাকি সদস্যরা বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে পরিচালক হিসেবে মনোনীত হন।
ডিএসইর নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিবছর নির্বাচিত পরিচালকদের মধ্য থেকে চারটি পদ শূন্য হয়। সে অনুযায়ী এবার বর্তমান সভাপতি রকিবুর রহমান, পরিচালক আবদুল হক, আবু হানিফ ও এম এ কাইয়ুমের (প্রয়াত) পদ শূন্য হচ্ছে। মূলত এসব শূন্য পদেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
অবশ্য ডিএসইর আগের সংঘস্মারক বিধি অনুযায়ী কোনো পরিচালক মেয়াদ শেষ হওয়ার পরের নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন না। কিন্তু এবার সে বিধি পরিবর্তন করা হয়েছে।
নির্বাচনের ছয় দিন পর ২৭ মার্চ ডিএসইর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এদিনই পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদের সভায় ডিএসইর নতুন সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও সহসভাপতি নির্বাচন করা হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সানিডেল মিনি হ্যান্ডবল
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুর্ঘটনায় ফেনী সকার
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরাকের ফুটবল মুক্ত
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বাংলাদেশের ফুটবল মরেনি!’
তিনি বলেন, নোয়াখালীতে ফুটবলার তৈরিতে ক্যাম্প আয়োজন করা হলে বাফুফের পক্ষ থেকে কোচ দেওয়া হবে। এ স্টেডিয়াম শেরেবাংলা কাপের ভেন্যু হতে পারে। বেলা তিনটায় ফাইনাল খেলার উদ্বোধন করেন টুর্নামেন্টের প্রধান পৃষ্ঠপোষক একরামুল করিম চৌধুরী।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1373)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
March
(743)
-
▼
Mar 22
(24)
- শেখর, তুই কি শুনতে পাচ্ছিস by খালেদা নেওয়াজ
- ‘ভালো’ এবং ‘খারাপ’ মুসলমান -মাই নেম ইজ খান by সুম...
- কৃষকের ঘাড়ে কেন লোকসানের ভার -আলু সংকট by রানা ভিক্ষু
- ভয়ের সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা পাহাড়ি শিশুদের কথা -পাহাড়...
- পেট্রলপাম্প ও একটি শহরের জলাবদ্ধতা -ভরাট করা জায়গা...
- প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর -সহযোগিতা ও মৈত্রী প্রসারিত...
- ‘জোসেফ এস্ত্রাদা ইসলামের শত্রু’
- পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে এপ্রিলের শুরুতে চুক্তি স...
- সাত রাজ্যে মাওবাদীদের বন্ধ্ আহ্বান
- শিশুর কণ্ঠনালিপ্রতিস্থাপনে স্টেমসেলের ব্যবহার
- ইরানের জন্য এখনো আলোচনার দরজা খোলা রেখেছে যুক্তরাষ...
- ধূলিঝড়ের কবলে বেইজিং
- স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের প্রচেষ্টাকে সমর্থ...
- এইচএসবিসি ও শান্তা প্রপার্টিজ লিমিটেডের সমঝোতা চুক্তি
- বিটিআরআইয়ের বার্ষিক প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু
- রংপুর চিনিকলের শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি
- প্রার্থীদের পরিচিতি সভা আজ
- মূল্য ছাড় দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাজার ধরে রেখেছে চীন ...
- সাত মাসে লক্ষ্যমাত্রার ৫৫.৬% কৃষিঋণ বিতরণ করা হয়েছে
- ডিএসইর পর্ষদ নির্বাচন আজ
- সানিডেল মিনি হ্যান্ডবল
- দুর্ঘটনায় ফেনী সকার
- ইরাকের ফুটবল মুক্ত
- ‘বাংলাদেশের ফুটবল মরেনি!’
-
▼
Mar 22
(24)
-
▼
March
(743)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...