Monday, November 24, 2025
অফিসে রোমান্স: শুরুর আগেই ২০৮ কোটি টাকার চাকরি হারালেন জন নিল
এ খবর দিয়ে বলা হয়, এটাই ছিল নিলের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ‘অফিস রোমান্স’ কেলেঙ্কারি। এর আগেই জানা ছিল, অস্ট্রেলিয়ান বীমা কোম্পানি কিউবিই’তে সিইও থাকা অবস্থায় ২০১৬ সালে তিনি এক অধঃস্তন কর্মীর সঙ্গে গোপন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ জন্য তার ৫.৫ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার বোনাস কেটে নেয়া হয়। পরে জানা যায়, যাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা নিলের আগের সহকারীকে প্রতিস্থাপন করেছিলেন তিনি। আর জন নিল ইতিমধ্যে সেই আগের সহকারীকে বিয়েও করেছিলেন। এ বিষয়ে এআইজি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়। আর জন নিলও কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অফিস রোমান্সের কারণে নেসলে এসএ, কোহল’স করপ ও অ্যাস্ট্রোনোমার-এর মতো কোম্পানির সিইও পর্যন্ত চাকরি হারিয়েছেন। অ্যাস্ট্রোনোমারের সিইও অ্যান্ডি বায়রন এমনকি স্টেডিয়ামে ‘কিস ক্যাম’-এ ধরা পড়ার পর জুলাইয়ে পদ হারান।
আইনজীবী ইয়ান হারগ্রিভস বলেন, আর্থিক খাতের সবচেয়ে বড় ঝুঁকিগুলোর একটি এখন কর্মক্ষেত্রের সংস্কৃতি। অনেক কোম্পানি অফিস রোমান্সের নিয়ম কঠোর করেছে। কেউ কেউ প্রায় পুরোপুরি নিষিদ্ধ করেছে। এমন পরিবেশে এত বড় একটি নিয়োগে এমন বিষয় বাদ পড়ে যাওয়া অনেকের কাছে বিস্ময়কর। এআইজি’তে যোগ দিলে জন নিল পেতেন প্রথম বছরে বেতন ও বোনাস মিলিয়ে প্রায় ৫ মিলিয়ন ডলার। আরও বছরে ৫ মিলিয়ন ডলারের ইকুইটি অ্যাওয়ার্ড। তিন বছরে ভেস্টিংযোগ্য ৪.৫ মিলিয়ন ডলারের রেস্ট্রিকটেড স্টক। ২.৭ মিলিয়ন ডলারের নগদ বোনাস। মোট প্যাকেজ প্রায় ১৭.২ মিলিয়ন ডলারের।
৬০ বছর বয়সী জন নিল ১৯৮৬ সালে লয়েডসে ট্রেইনি হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন।
পরে তিনি এনসাইন পরিচালনা করেন, যার মালিকানা কিউবিই’র হাতে গেলে নিল কিউবিই’তেই যোগ দেন। সেখানে আট বছর পর তিনি সিইও হন। তবে সিইও হিসেবে তার সময় বিনিয়োগকারীদের খুব একটা লাভ দেয়নি, সহযোগী কোম্পানিগুলোর যেখানে গড় রিটার্ন ছিল ২১ ভাগ, সেখানে কিউবিই’র ছিল মাত্র এক ভাগ। কিউবিই ছাড়ার সময় তিনি স্বীকার করেন, ব্যক্তিগত সহকারীর সঙ্গে সম্পর্ক গোপন করার কারণে তার বোনাস কমানো হয়। ২০১৮ সালে তিনি লয়েডস অব লন্ডনের সিইও হন। তার সময়েই লয়েডস লাভে ফিরে। তবে তিনি একই সময়ে ২০১৯ সালে ব্লুমবার্গ বিজনেসউইক-এর লয়েডসে যৌনহয়রানির ব্যাপকতা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বড় ধরনের সংস্কার আনতে বাধ্য হন। এর মধ্যে আছে আজীবন নিষেধাজ্ঞা, হুইসেলব্লোয়ার হটলাইন ইত্যাদি। তিনি তখন বলেছিলেন, এটা সেই লয়েডস নয় যেখানে আমি থাকতে চাই। এ বছরের জানুয়ারিতে লয়েডস ঘোষণা করে জন নিল বিদায় নিচ্ছেন। এরপর তিনি এঅন-এর একটি শীর্ষ পদে যোগ দিতে সম্মত হন। কিন্তু এর মাঝেই এআইজি আরও ভালো অফার দিয়ে তাকে নিয়ে যায়। জন নিল নতুন চাকরি শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু তখনই তার আগের অফিস সম্পর্ক নিয়ে গুজব লয়েডসের চেয়ারম্যান চার্লস রক্সবার্গ-এর নজরে আসে। তিনি অক্টোবরে একটি স্বাধীন তদন্ত শুরু করেন।
লয়েডসের সাবেক সিইও ইনগা বেল বলেন, আমি ভেবেছিলাম আমরা অনেক দূর এগিয়েছি, এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না। খবর শুনে আমি হতাশ। বিশেষ করে এআইজি’র পূর্বের জেনারেল ইন্স্যুরেন্স চেয়ারম্যান ডেভিড ম্যাকএলরয়ের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের মামলা চলমান। এ অবস্থায় কোম্পানির আরও সতর্ক থাকার কথা ছিল। লন্ডনভিত্তিক পরামর্শক জেমস বার্কলে বলেন, মজার ব্যাপার হলো- যে ইতিহাস ছিল, তার পরও কেন সবাই এতটা বিস্মিত, সেটাই বিস্ময়।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'খালেদা জিয়ার হার্ট ও ফুসফুসে ইনফেকশন হয়েছে'
রোববার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের তিনি একথা জানান।
এফএম সিদ্দিকী বলেন, গত কয়েক মাস ধরেই উনি খুব ঘন ঘন আক্রান্ত হচ্ছিলেন। আজকে আমরা যে কারণে এখানে (এভারকেয়ার হাসপাতালে) ভর্তি করিয়েছি- সেটা হচ্ছে যে, উনার কতগুলো সমস্যা একসাথে দেখা দিয়েছে। সেটা হচ্ছে, উনার চেস্টে ইনফেকশন হয়েছে।
তিনি বলেন, যেহেতু উনার হার্টের সমস্যা আগে থেকেই ছিল। উনার হার্টে পারমানেন্ট পেসমেকার আছে এবং হার্টে উনার স্ট্যান্ডিং করা হয়েছিল, রিং পড়ানো হয়েছিল, তারপরেও উনার মাইট্রোস্টেনোসিস নামে একটা কন্ডিশন আছে- সেজন্য চেস্টে হওয়াতে উনার একসাথে হার্ট এবং ফুসফুস দুটোই এ্যাট এ টাইম আক্রান্ত হওয়াতে উনার খুব রেসপিরেটরি ডিস্ট্রেস হচ্ছিল। সেজন্য এখানে আমরা খুব দ্রুত ওনাকে নিয়ে এসেছি।
খালেদা জিয়া ২৪ ঘন্টার নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন জানিয়ে এফএম সিদ্দিকী বলেন, হাসপাতালে আনার পর আমরা খুব তাৎক্ষণিকভাবে দ্রুত যে পরীক্ষাগুলো করা দরকার তা করেছি। আমরা প্রাথমিক যে রিপোর্ট পেয়েছি, সে অনুযায়ী মেডিকেল বোর্ডের সবাই বসে আমরা প্রাথমিকভাবে উনাকে এন্টিবায়োটিক দিয়েছি, উনাকে যেভাবে প্রাথমিক দ্রুত এবং জরুরি চিকিৎসা দেয়ার দরকার হয়, সেটা দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, আশা করছি যে, ২৪ ঘন্টার মধ্যে আরো কিছু রিপোর্ট আসবে। উনি আমাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন এবং আমি আমরা মনে করছি যে, নেক্সট ১২ ঘন্টার উনার পরবর্তী পরিস্থিতি কী হয় সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই মুহূর্তে উনি আমাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা এবং আমরা যেটাকে খুব ভালোভাবে বলি, খুব ইন্টেন্সিভভাবে আমাদের মনিটরিং এর মধ্যে আছেন। কেবিনেই আছেন উনি।
অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকী বলেন, মেডিকেল বোর্ডের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ম্যাডামের চিকিৎসা শুরু হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আমরা বলতে চাই, ম্যাডামের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আমরা ডেফিনেটলি সুচিকিৎসার ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে এবং সর্বোচ্চ সর্তকতা অবলম্বন করে নিবিড়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। অত্যন্ত উৎকন্ঠিত কোনো বিষয় আমরা মনে করছি না।
তিনি বলেন, আমরা মনে করছি, উনার চিকিৎসাটা যদি এখন যেভাবে শুরু হয়েছে তাহলে আগামী ১২ ঘন্টার পর মেডিকেল বোর্ড আবার বসবেন। বসার পর পরবর্তী উনার স্বাস্থ্যের অবস্থার উপর পর্যবেক্ষণ করে কি ধরনের চিকিৎসার পরিবর্তন আনা যায় সে অনুযায়ী ব্যবস্থা বোর্ড নেবেন।
ডা. জাহিদ জানান, গতকাল ভোর রাত থেকে লন্ডন থেকে তারেক রহমান ও উনার সহধর্মিনী জুবাইদা রহমান তাদের ‘আম্মু’র ব্যাপারে সর্বাক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। এছাড়া ম্যাডামের ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর সহধর্মিনী সৈয়দা শর্মিলা রহমান এখানেই আছেন, উনাদের আত্বীয়-স্বজনরা ম্যাডামের চিকিৎসার ব্যাপারে সবসময় সহযোগিতা ও খোঁজ-খবর রাখছেন।
তিনি জানান. ম্যাডাম আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন। যেমনি অতীতেও ম্যাডামের জন্য দোয়া করেছেন দেশবাসী।
রাত ৮টায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধায়নে আছেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনকে হাসপাতালে নেয়ার পরপর বেশ কিছু টেস্ট করা হয়। এরপর অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকাদারের সভাপতিত্বে মেডিকেল বোর্ড বৈঠকে বসে। এই বৈঠকে অধ্যাপক এফএস সিদ্দিকী, ডা. জাফর ইকবাল, ডা. জিয়াউল হক, ডা. মামুন আহমেদ, অব. বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সাইফুল ইসলাম এবং লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি ডা. জুবাইদা রহমান, যুক্তরাষ্ট্র থেকে জনহোপকিংস হসপিটালের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অংশ নেন।
৮১ বছর বয়েসী খালেদা জিয়া বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে গাজা প্রসঙ্গ, কী জবাব দিলেন মামদানি
তবে আলোচনার একটি সম্ভাব্য উত্তেজনাকর বিষয় ছিল গাজায় ইসরায়েলের আরোপিত চলমান যুদ্ধ। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে মামদানি স্পষ্টভাবে তার আগের সমালোচনা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের হামলার পেছনে আর্থিক ও রাজনৈতিকভাবে ভূমিকা রাখছে। গাজা ইস্যুতে স্পষ্ট অবস্থান বজায় রেখে মন্তব্য করেন নিউইয়র্কের মেয়র।
সাংবাদিকদের মামদানি বলেন, আমি বলেছি যে ইসরায়েল সরকার গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে। আমাদের সরকার সেটিকে অর্থায়ন করছে।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, তার এই বক্তব্যের সময় পাশে চুপচাপ বসেছিলেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের ভেতরে গাজায় গণহত্যার অভিযোগ প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে এভাবে উচ্চারিত হলো। যদিও তা বর্তমান প্রশাসনের প্রতিপক্ষের মুখ থেকে এসেছে, তবু তা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
এরপর মামদানি ফিরে যান নিউইয়র্কের জীবনযাত্রার ব্যয় সংকটের প্রসঙ্গে। তিনি বলেন, আমি প্রেসিডেন্টকে জানিয়েছি, নিউইয়র্কের মানুষ চান তাদের করের টাকা তাদেরই কল্যাণে ব্যয় হোক। যাতে তারা ন্যূনতম মর্যাদাসম্পন্ন জীবনযাপন করতে পারে।
মানবাধিকার ইস্যুতেও তিনি তার অবস্থান বজায় রাখেন। তিনি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড আমাদের মেনে চলতে হবে। আজও সেই অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।’ তবে এ অংশে তিনি সরাসরি গাজার নাম উল্লেখ করেননি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিহারে মায়ের বুকের দুধে ইউরেনিয়াম, অতঃপর...
পাটনায় মহাবীর ক্যান্সার সংস্থান ও রিসার্চ সেন্টার, লাভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি ও দিল্লি এইমস-এর বিজ্ঞানীদের একটি গবেষণা দল বিহারে এই পরীক্ষা চালায়। বৃটিশ জার্নাল সায়েন্টিফিক রিপোর্টসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বিহারে মায়ের স্তন্যদুগ্ধের নমুনায় সর্বোচ্চ ৫ পিপিবি (পার্টস পার বিলিয়ন) ইউরেনিয়াম পাওয়া গেছে। গবেষণার সহকারী লেখক এইমস দিল্লির ড. অশোক শর্মা সংবাদসংস্থা এএনআই’কে জানান, ৪০ জন মায়ের দুধ পরীক্ষা করে সবগুলিতেই ইউ-২৩৮ পাওয়া গেছে। যদিও ৭০ শতাংশ শিশুর ক্ষেত্রে সম্ভাব্য ‘নন-কার্সিনোজেনিক’ ঝুঁকির ইঙ্গিত মিলেছে, তবুও সামগ্রিক ইউরেনিয়াম-মাত্রা অনুমোদিত সীমার নিচে এবং বাস্তবে স্বাস্থ্যঝুঁকি খুব কম। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদি ইউরেনিয়াম সংস্পর্শ শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কিন্তু এই গবেষণার ফল অনুযায়ী প্রকৃত ঝুঁকি খুবই কম। এ কারণে তিনি জোর দিয়ে বলেন, মায়েদের অবশ্যই শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো অব্যাহত রাখতে হবে।
ড. আসওয়াল বলেন, কোনো ধরনের আতঙ্কের কারণ নেই। মায়েরা নিশ্চিন্তে শিশুকে বুকের দুধ পান করাতে পারেন। পানীয় জলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিরাপদসীমা ৩০ পিপিবি। অর্থাৎ বিহারের নমুনায় যা মিলেছে এই পরিমাণ তার ছয় গুণ। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, মাটিতে স্বাভাবিকভাবেই অতি অল্পমাত্রায় ইউরেনিয়াম থাকে। মায়েরা পানি পানের মাধ্যমে যত ইউরেনিয়াম গ্রহণ করেন তার বেশিরভাগই মূত্রের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। দুধে আসে খুবই সামান্য।
মহাবীর ক্যান্সার সংস্থানের ড. অরুণ কুমারের নেতৃত্বে করা গবেষণায় বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভূ–গর্ভস্থ পানিতে ইউরেনিয়ামদূষণ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করেছে। ভারতের ১৮টি রাজ্যের ১৫১টি জেলায় ভূগর্ভস্থ পানিতে ইউরেনিয়াম দূষণের রিপোর্ট রয়েছে। গবেষণার ভাষ্যমতে, মূল লক্ষ্য ছিল স্তন্যদুগ্ধে ইউ-২৩৮-এর উপস্থিতি ও শিশুদের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিরূপণ। বিহারের বিভিন্ন জেলার ৪০ জন স্তন্যদানকারী নারী এলোমেলোভাবে নির্বাচন করা হয়। দুধ সংগ্রহের পর ইউরেনিয়ামের পরিমাণ নির্ণয় করা হয়। শিশু ও মায়ের কার্সিনোজেনিক রিস্ক এবং হ্যাজার্ড কোশিয়েন্টও নিরূপণ করা হয়। গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, সমস্ত নমুনায় ইউ-২৩৮ পাওয়া গেছে। যা শিশুদের জন্য সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। শিশুদের দেহ থেকে তেজস্ক্রিয় উপাদান দ্রুত বের না হওয়ায় তাদের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। তবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের বিবেচনায় মাত্রা এখনও নিরাপদ। প্রতিবেদনে বিস্তৃত পর্যায়ে বায়োমনিটরিংয়ের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
মায়ের দুধ বিশ্বব্যাপী শিশুপুষ্টির সর্বোত্তম মান হিসেবে স্বীকৃত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ ছয় মাস পর্যন্ত এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিংয়ের পরামর্শ দেয়। গবেষণায় পাওয়া ট্রেস এলিমেন্টের মাত্রা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাসীমার অনেক নিচে। বৈজ্ঞানিক তথ্য ভুলভাবে উপস্থাপিত হলে বা প্রসঙ্গহীনভাবে প্রচারিত হলে জনমনে ভুল ধারণা তৈরি হয়। ড. আসওয়ালের বক্তব্য, বুকের দুধ শুধু পুষ্টির বিষয় নয়, এটি জনস্বাস্থ্যের একটি অপরিহার্য উপাদান। ভুল আতঙ্কে ব্রেস্টফিডিং বন্ধ করলে মা-শিশু দু’জনেরই ক্ষতি হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বুকের দুধের উপকারিতা অতি অল্পমাত্রার পরিবেশগত ঝুঁকির সম্ভাবনার তুলনায় বহু গুণ বেশি। বুকের দুধ খাওয়া শিশুর সংক্রমণ, স্থূলতা ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি কম থাকে। মায়ের ক্ষেত্রেও স্তন ও ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।
আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গেছে, পরিবেশে স্বাভাবিকভাবেই ট্রেস-লেভেলে ইউরেনিয়াম থাকে এবং সাধারণত এই মাত্রা ক্ষতিকর নয়। ড. আসওয়াল জোর দিয়ে বলেন, বিজ্ঞানই জনস্বাস্থ্যের সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করবে, ভয় নয়। গবেষণার ফলাফল প্রমাণ করে- বুকের দুধ খাওয়ানো সম্পূর্ণ নিরাপদ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় যুদ্ধবিরতির পর ৬৭ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত: জাতিসংঘ
শনিবার (২২ নভেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শুক্রবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে ইউনিসেফের মুখপাত্র রিকার্ডো পিরেস জানান, নিহতদের মধ্যে রয়েছে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে একটি বাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত এক নবজাতক শিশু। এর আগের দিন ইসরায়েলি হামলায় আরও সাত শিশু নিহত হয়।
পিরেস বলেন, এটি যুদ্ধবিরতির সময় ঘটছে। পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, এরা কেবল সংখ্যাতাত্ত্বিক তথ্য নয়—প্রতিটি ছিল একটি শিশু, যার পরিবার, স্বপ্ন ও জীবন ছিল—যা হঠাৎ করেই সহিংসতায় থেমে গেছে।
ইউনিসেফের আগের হিসাবে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৪,০০০ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত ও আহত হয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন জানিয়েছে, ২০২৪ সালে প্রতি মাসে গড়ে ৪৭৫ জন ফিলিস্তিনি শিশু আজীবন পঙ্গুত্ব বয়ে আনবে এমন আঘাত পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ট্রমাটিক ব্রেন ইনজুরি, পোড়া ক্ষতসহ অন্যান্য গুরুতর শারীরিক ক্ষতি। সংস্থাটি আরও বলেছে, গাজা এখন ‘আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিশু অঙ্গহানি-বহুল অঞ্চলে’ পরিণত হয়েছে।
খাদ্য সংকটও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। গাজায় মানবিক সহায়তা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বহু শিশু অপুষ্টি ও ক্ষুধাজনিত জটিলতায় মারা গেছে বলে বিভিন্ন সংস্থা অভিযোগ করছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গাজাজুড়ে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস এলাকায় তাদের সেনাদের ওপর হামলার জবাবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। অন্যদিকে হামাস এই দাবি অস্বীকার করে বলেছে, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ ‘গণহত্যা পুনরায় শুরু করার স্পষ্ট ইঙ্গিত’।
ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স (এমএসএফ) জানিয়েছে, তাদের চিকিৎসকরা সাম্প্রতিক হামলায় গুলিবিদ্ধ ও খোলা হাড় ভাঙাসহ গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত বহু নারী ও শিশুকে চিকিৎসা দিয়েছে। গাজা সিটির একটি মোবাইল ক্লিনিকে কর্মরত নার্স জাহের জানান, তারা এক নারীকে পায়ের গুরুতর আঘাত ও একজন নয় বছরের মেয়েকে মুখের গুলিবিদ্ধ ক্ষত নিয়ে চিকিৎসা দিয়েছেন।
আলজাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলের অব্যাহত অবরোধে গাজায় শীতের মৌসুমে প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী—বিশেষ করে তাঁবু, কম্বল, ওষুধ—গুরুতরভাবে সংকট সৃষ্টি করেছে। ইউনিসেফ বলছে, বহু শিশু খোলা আকাশের নিচে, বৃষ্টিভেজা অস্থায়ী আশ্রয়ে শীতের তীব্র ঠান্ডা সহ্য করছে।
পিরেস বলেন, গাজার শিশুদের জন্য বাস্তবতা নির্মম ও স্পষ্ট: তাদের জন্য কোনো নিরাপদ স্থান নেই। তাদের দুর্ভোগকে বিশ্বের উচিত নয় স্বাভাবিক হিসেবে গ্রহণ করা। তিনি আরও বলেন, শীতের আগমন তাদের জন্য নতুন হুমকি। হিটার নেই, পর্যাপ্ত কম্বল নেই—শিশুরা রাতভর কাঁপছে ঠান্ডায়।
![]() |
গাজায় খাবারের অপেক্ষায় থাকা শিশুরা। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তেজস বিধ্বস্ত: ভারতের যুদ্ধবিমান রপ্তানির স্বপ্নে বড় ধাক্কা
মার্কিন মিচেল ইনস্টিটিউট ফর অ্যারোস্পেস স্টাডিজ- এর নির্বাহী পরিচালক ডগলাস এ. বার্কি বলেন, এ ধরনের প্রদর্শনীতে দুর্ঘটনার চিত্র অত্যন্ত বেদনাদায়ক। যেখানে দেশগুলো নিজেদের সামরিক সক্ষমতা দেখায়। সেখানে একটি ক্র্যাশ ঠিক উল্টো বার্তা দেয়। তবে তিনি মনে করেন, নেতিবাচক প্রচার সত্ত্বেও তেজস ভবিষ্যতে গতি ফিরে পেতে পারে।
বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম এয়ারশো আয়োজন করে দুবাই। যেখানে বিভিন্ন দেশের তৈরি যুদ্ধবিমান অংশ নেয়। এমন এমটি বড় মঞ্চে দুর্ঘটনা আজকাল বিরল। এর আগে ১৯৮৯ ও ১৯৯৯ সালে প্যারিস এয়ারশোতে রাশিয়ান সু-৩০ এবং মিগ-২৯ বিধ্বস্ত হলেও পরে দেশগুলো ওই মডেলের বিমান বিক্রি করেছে। বার্কির মতে, যুদ্ধবিমান কেনাবেচা মূলত রাজনৈতিক বাস্তবতার ওপর নির্ভরশীল।
তেজস প্রকল্প শুরু হয়েছিল ১৯৮০-এর দশকে। রাশিয়ার মিগ-২১ এর বিপরীতে প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে। এটির উন্নয়ন ও উৎপাদনের দায়িত্বে রয়েছে ভারতীয় সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (এইচএএল)। দেশের জন্য ১৮০টি তেজস এমকে-১এ অর্ডার থাকলেও জিই এয়ারোস্পেসের ইঞ্জিন সরবরাহ-সংকটের কারণে এখনো তা ডেলিভারি শুরু হয়নি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডায়ানার সঙ্গে কি প্রেম করতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প?
দিনটি ছিল ১৯৫৩ সালের ২রা জুন। শিশুটির স্কটিশ মা মুগ্ধ হয়ে টেলিভিশনের পর্দার সামনে বসে ছিলেন। সারা দিন তিনি একচুলও নড়েননি। সেই ছেলেটিই ছিলেন ডনাল্ড ট্রাম্প। এখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।
একজন আবাসন ব্যবসায়ী হিসেবে বহু বছর পর ট্রাম্পের লেখা দ্য আর্ট অব দ্য ডিল বইয়ে বৃটিশ রাজপরিবারের প্রতি তার মায়ের ভালোবাসা তার ওপর কতোটা প্রভাব ফেলেছিল, সে কথা লিখেছিলেন।
ট্রাম্পের বৃটেন সফর ইতিহাস তৈরি করবে। কারণ, তিনিই একমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যিনি বৃটেনের দু’টি রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য আমন্ত্রিত হয়েছেন, যার প্রথমটি হয়েছিল ২০১৯ সালে।
আগের সফরে ট্রাম্প উইন্ডসর ক্যাসলে প্রয়াত রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তখন তার মনে নিশ্চয় বারবার তার মা মেরি অ্যান ম্যাকলিওডের ছবি ভেসে উঠেছিল।
ট্রাম্পের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা সহযোগী ফিওনা হিল তার বইয়ে উল্লেখ করেছেন, ট্রাম্প প্রায়ই রাজপরিবারের প্রতি তার মায়ের মুগ্ধতার কথা বলতেন। প্রথম মেয়াদে প্রয়াত রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা করাটা ছিল ট্রাম্পের একটি চরম আকাক্সক্ষা। কারণ, এটি ছিল তার ‘এই জীবনের চূড়ান্ত সাফল্যের প্রতীক’।
ট্রাম্প লিখেছিলেন, তার মায়ের কাছ থেকেই তিনি ‘লোকদেখানো কলাকৌশল’ শিখেছিলেন। তিনি তার মাকে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, তিনি ‘রাজপরিবারের জাঁকজমক, আভিজাত্য ও চাকচিক্যে মুগ্ধ’ থাকতেন।
যুক্তরাজ্যে দ্বিতীয় রাষ্ট্রীয় সফরে ট্রাম্প যখন উইন্ডসরে ফিরে এলেন, তখন সেই জাঁকজমক ও আড়ম্বরের প্রতি তার গভীর অনুরাগ এবং লোকদেখানোর প্রবণতা পুরোপুরি প্রকাশ পেতে দেখা গেছে। সেখানে তাকে এতটা উষ্ণ আতিথেয়তা দেয়া হয়েছে, যেন তিনিই রাজা, যেমনটি তিনি নিজেকে ভেবে থাকেন।
এর আগে রাজা চার্লসের পক্ষ থেকে বৃটেন সফরের আমন্ত্রণপত্রটি প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার নিজে ওভাল অফিসে পৌঁছে দিয়েছিলেন। এটিকে ট্রাম্পের আড়ম্বরপ্রীতির প্রতি সরাসরি আবেদন হিসেবে দেখা হয়। কারণ, বৃটিশ সরকার তখন গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করছিল।
সেই ঐতিহাসিক সাক্ষাতের কিছুক্ষণ পরই ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক পিয়ার্স মরগানকে বলেছিলেন, ‘আমি হেঁটে যাচ্ছিলাম আর (ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে) বলছিলাম, ‘তুমি কি কল্পনা করতে পারো, আমার মা এ দৃশ্যটি দেখছেন? উইন্ডসর। উইন্ডসর ক্যাসল।’
ট্রাম্পের কর্মজীবনের শুরুর দিকে যারা তার আশপাশে ছিলেন, তাদের মতে রাজপরিবারের প্রতি তার মুগ্ধতা তখনো স্পষ্ট ছিল।
নগর পরিকল্পনাবিদ ওয়েস ব্ল্যাকম্যান ১৯৯০-এর দশকে ট্রাম্পের সঙ্গে ১০ বছর কাজ করেছিলেন। তিনি তাকে মার-এ-লাগোকে একটি প্রাইভেট ক্লাবে পরিণত করতে সাহায্য করেছিলেন। ব্ল্যাকম্যানের মনে আছে, আবাসন ব্যবসায়ী হিসেবে ট্রাম্প ক্লাবের সম্ভাব্য সদস্য হিসেবে প্রিন্সেস ডায়ানার নাম ব্যবহার করে এর প্রতি মানুষের আগ্রহ তৈরির চেষ্টা করেছিলেন।
তবে সে সময় ট্রাম্পকে একজন বহিরাগত হিসেবে বিবেচনা করা হতো। পাম বিচ ডেইলি নিউজ এমন কিছু অভিজাত ব্যক্তির বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়েছিল, যারা ট্রাম্পের প্রকল্পে রাজপরিবারের কথিত আগ্রহের বিষয়ে যথেষ্ট সন্দিহান ছিলেন।
পত্রিকাটি কাউন্টেস হেলেন প্রাশমা নামের এক নারীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছিল, ‘এটা সদস্য পাওয়ার জন্য ট্রাম্পের একটি কৌশল বলে মনে হচ্ছে।’
অন্যরাও পত্রিকাটিকে বলেছিল, ট্রাম্প হয়তো রাজপরিবারের খ্যাতিকে কাজে লাগিয়ে নিজের লাভ তুলে নিতে রাজকীয় দম্পতিকে সম্মানসূচক সদস্যপদ দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
এই বিপণন সম্পর্কে জানে, এমন একটি সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রিন্স চার্লসকে মার-এ-লাগোতে এক বছরের জন্য বিনা মূল্যে সদস্যপদ দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
উত্তরে চার্লসের পক্ষ থেকে ট্রাম্প একটি চিঠি পান। চিঠিতে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলা হয়েছিল, তিনি চাইলে প্রিন্সের পরিবেশ নিয়ে কাজ করা দাতব্য তহবিলে অনুদান দিতে পারেন। ট্রাম্প সেই চিঠিটিকে একটি ‘দুর্দান্ত চিঠি’ বলে মনে করেছিলেন।
সেই চিঠির কথা ব্ল্যাকম্যানেরও মনে আছে। কীভাবে ট্রাম্প সেই চিঠিতে মগ্ন হয়ে পড়েছিলেন, সেটিও তার মনে জ্বলজ্বল করছে। তিনি বলেন, ডনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সাফল্য এবং ইতিহাসের অংশ হিসেবে পরিচিত হওয়াটা সব সময়ই একটি বড় ব্যাপার ছিল। তিনি এর মধ্যেই বেঁচে থাকতে চান।
১৯৮০’র দশকে ট্রাম্প যখন নিউ ইয়র্ক নগরে নতুন একজন আবাসন ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন, তখন ট্যাবলয়েডগুলোতে খবর বের হয়- প্রিন্স চার্লস ও প্রিন্সেস ডায়ানা ট্রাম্প টাওয়ারে ৫০ লাখ ডলার মূল্যের একটি কন্ডো কিনতে আগ্রহী। অনেকেই বলেছিলেন, ট্রাম্প নিজেই সম্ভবত এই গুজব ছড়িয়েছিলেন।
পরে বার্তা সংস্থা এপি বাকিংহাম প্যালেসের একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছিল। এতে বলা হয়েছিল, ওই প্রতিবেদনের ‘কোনো সত্যতা নেই’।
প্রয়াত রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের মুখপাত্র ডিকি আর্বিটার বলেছেন, সে সময়ে রাজপরিবারের ভাবনায় ট্রাম্প একেবারেই ছিলেন না।
ডিকি বলেন, রাজপরিবারের মাধ্যমে প্রচার পেতে মানুষ যুগ যুগ ধরে এমনটা করে আসছে। তারা আপত্তিকর মন্তব্য করবে এবং যতক্ষণ না তা মানহানিকর হচ্ছে, রাজপরিবার এ নিয়ে কিছু করবে না। তাদের মূলমন্ত্র হলো ‘কখনো ব্যাখ্যা দিও না, কখনো অভিযোগ করো না।’
ট্রাম্প নিজেই ‘দ্য আর্ট অব দ্য ডিল’ বইয়ে এ ঘটনার উল্লেখ করে লিখেছেন। অবশ্য সেখানে তিনি বিষয়টি উল্লেখ করেছেন কিছুটা ভিন্নভাবে। ট্রাম্প লিখেছেন, তিনি একজন সাংবাদিকের কাছ থেকে একটি ফোনকল পেয়েছিলেন। ওই সাংবাদিক তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন, প্রিন্স চার্লস ট্রাম্প টাওয়ারে কোনো অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন কি-না।
ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, সেই সপ্তাহে রাজকীয় দম্পতির বিয়ে হয়েছিল। তারা ছিলেন ‘বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত দম্পতি’। তিনি এ গুজবটি নিশ্চিত বা অস্বীকার- কোনো কিছুই করতে রাজি হননি। তবে তিনি বলেছিলেন, সংবাদমাধ্যমের এ খবরটি ট্রাম্প টাওয়ারের প্রচারে সহায়তা করেছিল।
দুই দশকের বেশি সময় পর ট্রাম্প মেলানিয়া নাউসের সঙ্গে তার বিয়েতে প্রিন্স চার্লসকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বলে জানা যায়। এই বিয়ে মার-এ-লাগোর ২০ হাজার বর্গফুটের একটি নতুন বলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
আরেকটি রাজপরিবার থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ট্রাম্প মার-এ-লাগোর বলরুম তৈরি করেছিলেন। ট্রাম্প তার নিজের ক্লাবের মডেল হিসেবে ভার্সাইয়ের লুই চতুর্দশের হল অব মিররস’কে বেছে নিয়েছিলেন।
রাজপরিবারের পর্যবেক্ষক হিসেবে পরিচিত ক্রিস্টেন মেইনজার বলেন, ট্রাম্প কয়েক দশক ধরে নিজেকে রাজপরিবারের আদলে গড়ে তোলার এবং নিজের চারপাশে এমন একটি আবহ তৈরির চেষ্টা করেছেন, যেন তিনি অভিজাত শ্রেণির মানুষ।
মেইনজার বলেন, ট্রাম্প যখন মার-এ-লাগো কিনেছিলেন, তখন তিনি মূলত আগের মালিকদের কোট অব আর্মস (বংশীয় প্রতীক) গ্রহণ করেছিলেন। তিনি নিজেকে এমনভাবে উপস্থাপন করেন যেন তিনি অভিজাত, যেন তিনি রাজপরিবারের সদস্য এবং তিনি তার পুরো কর্মজীবনে এটাই করে এসেছেন।’
কিছু পর্যবেক্ষকের মতে, ট্রাম্পের চোখে বৃটিশ সিংহাসনের বিশ্বব্যাপী মর্যাদা রয়েছে- যা তিনি নিজেও কামনা করেন।
ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্ক নিয়ে লেখা রাষ্ট্রবিজ্ঞানী পিটার হ্যারিস বলেন, বৃটিশ রাজপরিবার হলো সেই উচ্চ সমাজের শিখর, তিনি সব সময় যার অংশ হতে চেয়েছিলেন। তাই তাদের সঙ্গে থাকার অর্থ স্বীকৃতি ও বৈধতা পাওয়া।
কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক হ্যারিস আরও বলেন, এর অন্য দিকটি হলো তিনি কেবল ট্যাবলয়েড মিডিয়ার মনোযোগ চান। এই দু’টি জগৎই একটি পরিবারে বিদ্যমান।
এই অধ্যাপক আরও যোগ করেন, ট্রাম্প সেখানে যেতে পারেন। তিনি জানেন যে, সেখানে তিনি গেলে রাজার সঙ্গে দুর্দান্ত ছবি তোলার এবং করমর্দন করার সুযোগ পাবেন। সেখানে রাজার উপস্থিতিতে কেউ তাকে খারাপ কিছু বলবে না।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় বই ‘দ্য আর্ট অব দ্য কামব্যাক’-এ তিনি লিখেছেন, ‘নারী মহলে তার একমাত্র আফসোস’ ছিল যে তিনি লেডি ডায়ানা স্পেন্সারের সঙ্গে প্রেম করার সুযোগ পাননি। ডায়ানা তার ‘উপস্থিতি দিয়ে ঘর আলোকিত করে দিতেন’ এবং তিনি ছিলেন ‘একজন স্বপ্নের নারী’।
তবে বিবিসি’র সাবেক উপস্থাপক সেলিনা স্কটের মতে, ১৯৯৬ সালে প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর প্রিন্সেস ডায়ানার সঙ্গে ডেট করার চেষ্টা করেছিলেন ডনাল্ড ট্রাম্প। তিনি তাকে ‘শ্রেষ্ঠ ট্রফি স্ত্রী’ (যে স্ত্রী স্বামীর মর্যাদার প্রতীক) হিসেবে দেখতেন। স্কট ‘দ্য সানডে টাইমস’ পত্রিকায় লিখেছিলেন, ডায়ানা তাকে বলেছিলেন, ট্রাম্পকে দেখে তার ‘গা শিরশির করতো’। তার অ্যাপার্টমেন্টে ক্রমাগত গোলাপ ও অর্কিড আসতে থাকলে তিনি বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন।
ডায়ানার মৃত্যুর কিছুদিন পর ১৯৯৭ সালে বিতর্কিত রেডিও জকি হাওয়ার্ড স্টার্নের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তিনি চাইলে প্রয়াত প্রিন্সেস ডায়ানার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়াতে পারতেন। তবে ২০১৬ সালে তিনি ডায়ানার সঙ্গে কোনো রোমান্টিক সম্পর্কের আগ্রহের কথা অস্বীকার করেন। ট্রাম্প বলেন, তিনি কেবল ডায়ানাকে ‘সুন্দরী’ মনে করতেন।
রাজপরিবারের অন্য নারীদের সম্পর্কেও ট্রাম্পের মন্তব্যগুলো ছিল আরও বিতর্কিত এবং সমালোচনাপূর্ণ।
২০১২ সালে ফ্রান্সে ছুটিতে সূর্যস্নান করার সময় পাপারাজ্জিদের তোলা বর্তমান প্রিন্সেস অব ওয়েলসের টপলেস ছবির জন্য তিনি তাকে দায়ী করেছিলেন।
এমনকি ট্রাম্প ডাচেস অব সাসেক্স মেগানকে ‘ভয়ানক’ ও ‘বাজে’ বলেছেন। মেগান ২০১৬ সালের নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্পকে ‘বিভেদ সৃষ্টিকারী’ ও ‘নারীবিদ্বেষী’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।
রানী এলিজাবেথের মুখপাত্র ডিকি আর্বিটারের মতে, এগুলোর কোনোটিই রাষ্ট্রীয় সফরে প্রভাব ফেলবে না। রাজপরিবার সব ধরনের নেতাকে আপ্যায়ন করতে অভ্যস্ত এবং অতীতের কোনো মন্তব্য তাদের বিচলিত করে না।
রাজা চার্লস ঠিকই ট্রাম্পকে স্বাগত জানিয়েছেন। রাজার সঙ্গে ট্রাম্প বেশ খানিকটা সময় কাটিয়েছেন।
আর ট্রাম্পের কথা বলতে গেলে তিনি একসময় তার মাকে রাজপরিবারের প্রতি ভীষণ শ্রদ্ধাশীল নারী হিসেবে দেখেছিলেন। ৭০ বছর পর এখন তিনিই তাদের সঙ্গে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৩ সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছে
টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন সেলে (টিএফআই সেল) গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় মোট ১৭ জন আসামি। এর মধ্যে ১০ জন গ্রেপ্তার আছেন। তাঁরা হলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই আসামিদের প্রথম সাতজন র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হিসেবে এবং শেষের তিনজন র্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের আজ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছে।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ এ মামলার সাত আসামি পলাতক।
জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) গুম করে রাখার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের আরেকটি মামলায় ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩ আসামি গ্রেপ্তার আছেন। তাঁরা হলেন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক ৩ জন পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী। তাঁদেরও আজ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছে।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ এ মামলার ১০ আসামি পলাতক।
এর আগে গত ২২ অক্টোবর গ্রেপ্তার আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছিল।
![]() |
| আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছে সেনা কর্মকর্তাদের। আজ রোববার সকালে। ছবি: দীপু মালাকার |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মৃত্যুর গুজব উড়িয়ে দিলেন ব্রিজিত বার্দো
তার স্বামী বার্নার্ড ডি’ওরমালে নিশ্চিত করেছেন, তিনি এখন বিশ্রামে আছেন এবং সুস্থ আছেন। ১৯৫২ সালে ‘দ্য গার্ল ইন দ্য বিকিনি’ ছবির মাধ্যমে সিনেমায় প্রবেশ করেন ব্রিজিত। ১৯৫৬ সালে ‘অ্যান্ড গড ক্রিয়েটেড ওমেন’ ছবিতে রজার ভাদিমের সাথে অভিনয় করেন। ৪৫টির বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ৭০টিরও বেশি গান রেকর্ড করেছেন। ফ্যাশনে আইকনিক অবদান আছে তার। বার্দো পোজ এবং বার্দো নেকলাইন জনপ্রিয় করেছেন তিনি। সাহসী ও বিতর্কিত মিডিয়ার উপস্থিতি তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দিয়েছে।
ব্রিজিত বার্দো চার বার বিবাহ করেছেন। তার স্বামীদের ক্রম হলো- রজার ভাদিম (১৯৫২-৫৭), জ্যাক কেয়ারিয়ার (১৯৫৯-৬২), গুন্টার স্যাকস (১৯৬৬-৬৯), বার্নার্ড ডি’ওরমালে (১৯৯২-বর্তমান)। তাদের এক সন্তান আছে। সন্তান লালন-পালনের ব্যাপারে তিনি সুনির্দিষ্টভাবে নিয়মিত মাতৃত্বের ভূমিকা প্রত্যাখ্যান করেছেন। প্রেমের জীবনে অনেক সম্পর্ক ছিল ব্রিজিতের। তার প্রেমে পড়েছেন স্যাশা ডিসটেল, ওয়ারেন বিটি এবং সংক্ষেপে শন কনারি। ১৯৭৩ সালে অভিনয় থেকে অবসর নিয়ে জীবনের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেন। ১৯৮৬ সালে প্রাণী অধিকার সংরক্ষণে বার্জিত বার্দো ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। বার্দো এখনও সক্রিয়। সামাজিক এবং প্রাণী অধিকার সংরক্ষণের কাজে নিয়োজিত আছেন। তার জীবন ও কাজ নিয়ে বিতর্ক হলেও, তিনি নিজস্ব স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখেছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
November
(209)
-
▼
Nov 24
(9)
- অফিসে রোমান্স: শুরুর আগেই ২০৮ কোটি টাকার চাকরি হার...
- 'খালেদা জিয়ার হার্ট ও ফুসফুসে ইনফেকশন হয়েছে'
- ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে গাজা প্রসঙ্গ, কী জবাব দিলেন ...
- বিহারে মায়ের বুকের দুধে ইউরেনিয়াম, অতঃপর...
- গাজায় যুদ্ধবিরতির পর ৬৭ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত: জাতিসংঘ
- তেজস বিধ্বস্ত: ভারতের যুদ্ধবিমান রপ্তানির স্বপ্নে ...
- ডায়ানার সঙ্গে কি প্রেম করতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প?
- ১৩ সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছে
- মৃত্যুর গুজব উড়িয়ে দিলেন ব্রিজিত বার্দো
-
▼
Nov 24
(9)
-
▼
November
(209)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

