Tuesday, April 3, 2018
আফগান তালেবানদের অস্ত্র দিচ্ছে রাশিয়া?

তবে ঐতিহাসিকভাবেই পরস্পরের শক্র রাশিয়া আর তালেবান উভয়েই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
কিন্তু মার্কিন এই অভিযোগের সত্যতা কতটুকু?
যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ আসলে কী?
গত মার্চে বিবিসিকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে আফগানিস্তানে মার্কিন কমান্ডার জেনারেল জন নিকলসন অভিযোগ করেন, তাজিকিস্তানের সীমান্ত এলাকা থেকে তালেবানের কাছে রাশিয়ান অস্ত্র চোরাচালান হয়ে আসছে।
তার অভিযোগ, "এসব অস্ত্র আমরা সদরদপ্তরেও এনেছি, আফগান নেতারা আমাদের দিয়েছেন এবং তারা বলেছেন যে, রাশিয়ানরাই তালেবানদের দিয়েছে।"
কয়েকজন আফগান পুলিশ ও সেনা কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন যে, তালেবানদের কাছে রাশিয়ান সরঞ্জামের মধ্যে রাতের চশমা, ভারী মেশিনগান আর ছোট অস্ত্রও রয়েছে। কারা এর সঙ্গে একমত?
গত একবছর ধরেই রাশিয়ার বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযোগ করে আসছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে জেনারেল নিকলসন রাশিয়া ও ইরানের বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ করেন যে, তালেবানের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ আছে। এরপর বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তা এই অভিযোগ তুলেছেন।
তবে গত বছরের মে মাসে মার্কিন সিনেটে দেয়া একটি সাক্ষ্যে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা পরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভিনসেন্ট আর স্টুয়ার্ড বলেছেন, "অস্ত্র সরবরাহ বা অর্থ লেনদেনের বাস্তব কোন তথ্যপ্রমাণ আমি পাইনি।"
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জেমস ম্যাটিস গত অক্টোবরে বলেছেন, তালেবানকে রাশিয়ার সাহায্য করার বিষয়ে আমি আরো তথ্যপ্রমাণ দেখতে চাই। যা এখন পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে, তা থেকে পরিষ্কার কিছু বোঝা যায় না।
নেটো মহাসচিব জেনস স্টোলটেনবার্গ বলেছেন, "এসব দাবির সপক্ষে আমরা এখনো কোন প্রমাণ পাইনি বা নিশ্চিত তথ্য পাইনি।"
আর এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে তাজিকিস্তান।
আফগান কর্মকর্তারা কি বলছেন
এই দাবির বিষয়ে আফগান কর্মকর্তারাও বিতর্কিত বক্তব্য দিয়েছেন।
কয়েকজন আফগান কর্মকর্তা দাবি করেছেন যে, তালেবানদের রাশিয়া সাহায্য করছে।
কিন্তু আফগানিস্তানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার মুখপাত্র গত মে মাসে বলেছেন, এখনো এর পক্ষে কোন প্রমাণ নেই।
গত অক্টোবরে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানিও দাবি করেন, রাশিয়ানদের কাছ থেকে অস্ত্র পাচ্ছে তালেবান। কিন্তু পরের মাসেই তার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এই দাবিকে গুজব বলে নাকচ করে দিয়েছেন। রাশিয়া আর তালেবান কি বলছে
মার্কিন এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে মস্কো আর তালেবান।
মস্কো বলছে, আফগানিস্তানে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আর নেটো রাশিয়ার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তুলেছে।
তালেবানরা দাবি করেছে, তারা কোনও দেশ থেকেই কোনও সামরিক সহায়তা পায়না।
রাশিয়া আর তালেবানের মধ্যে কি কোন সম্পর্ক আছে?
তালেবানকে সামরিক কোন সাহায্য সহযোগিতা দেয়ার কথা নাকচ করেছে রাশিয়া, তবে তারা স্বীকার করেছে যে, তাদের মধ্যে যোগাযোগ আছে।
তালেবান সূত্রে জানা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর, সেই ২০০১ সাল থেকেই রাশিয়ার সঙ্গে তালেবানের যোগাযোগ তৈরি হয়েছে।
গত তিন বছরে তাদের মধ্যে সম্পর্কের অনেক উন্নতি হয়েছে।
অনেক তালেবান নেতা আশা করছিলেন যে, রাশিয়া থেকে ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র বা এমন অস্ত্র পাবে, যা হয়তো পুরো যুদ্ধে তাদের অবস্থানকে বদলে দেবে। যেমনটা যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছিল আশির দশকে সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে আফগানদের লড়াইয়ের সময়।
কিন্তু সেটা হয়তো হয়নি কারণ, এ ধরণের অস্ত্রের উৎস সহজেই সনাক্ত করা যায়। আর রাশিয়া আর যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে এখনো ততটা খারাপ দিকে মোড় নেয়নি। তালেবান রাশিয়ার কাছ থেকে কি পেয়েছে
তালেবানের জন্য অস্ত্রের চেয়েও বেশি দরকার একটি আঞ্চলিক শক্তির নৈতিক আর রাজনৈতিক সমর্থন। হালকা অস্ত্র হয়তো কালোবাজারেও কিনতে পাওয়া যায়, কিন্তু এই সমর্থন তো পাওয়া যাবে না।
তালেবান কূটনীতিকরা চীন আর ইরানের সঙ্গেও সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা করছে।
রাশিয়া আর ইরান তালেবানকে সাহায্য করছে মানে হলো, তারা যে শুধুমাত্র পাকিস্তানের ওপর নির্ভরশীল, সেই ধারণারও পরিবর্তন।
শত্রু থেকে বন্ধু
আফগানিস্তানের প্রতি রাশিয়ার মনোভাবের পরিবর্তন বেশ অবাক করার মতো।
কারণ তালেবানের বেশিরভাগ সদস্যই সাবেক মুজাহিদিন, যারা একসময় সোভিয়েত রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। এরপর তালেবানের বিরুদ্ধ বাহিনীকেও অর্থনৈতিক আর সামরিক সহায়তা দিয়েছে রাশিয়া।
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১ হামলা এবং আফগানিস্তানে মার্কিন অভিযানের পর রাশিয়ার সঙ্গে নতুন সম্পর্কের সুযোগ পেয়েছে তালেবান।
রাশিয়া-তালেবান সম্পর্কের তিনটা বড় কারণ আছে।
প্রথম: রাশিয়ান কর্মকর্তারা বলছেন, তালেবানের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার প্রধান কারণ হলো আফগানিস্তানে রাশিয়ান নাগরিক আর রাজনৈতিক অফিসগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
দ্বিতীয়: আফগানিস্তানের ইসলামিক স্টেট গ্রুপের বিস্তারের কারণে মস্কোর আশংকা তৈরি হয়েছে যে, তারা মধ্য এশিয়া আর রাশিয়ায় ছড়িয়ে পড়তে পারে। আইএসের বিরুদ্ধে লড়ছে আফগান তালেবান এবং তারা প্রতিবেশী দেশগুলোকে আশ্বস্ত করেছে যে, তাদের সশস্ত্র লড়াই আফগানিস্তানের মধ্যেই থাকবে।
রাশিয়া জানিয়ে দিয়েছে যে, আফগানিস্তানে আইএস আরো শক্তিশালী হলে তারা সিরিয়ার মতো করে সেখানেও হস্তক্ষেপ করতে পারে।
আর তৃতীয়: রাশিয়ান কর্মকর্তারা বলছেন, আফগান সংকটের সমাধান সামরিক পথে নয়, রাজনৈতিক পথেই হওয়া উচিত। তালেবানকে শান্তির পথে আনতে আলোচনার জন্যই তাদের এই যোগাযোগ বলে মস্কো দাবি করেছে। আফগান সংকটের প্রভাব কি হতে পারে?
প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের রাশিয়া আফগানিস্তানে নিজেদের প্রভাব বাড়াতে চাইছে।
যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়ার সম্পর্কের অবনতির প্রভাব ইউক্রেন, সিরিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য ক্ষেত্রেও পড়তে শুরু করেছে।
তালেবানদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র আর নেটোকে খানিকটা অবজ্ঞাই করছে মস্কো।
আবার ওয়াশিংটন আর ইসলামাবাদের মধ্যে যেমন দূরত্ব বাড়ছে, রাশিয়ার সঙ্গে পাকিস্তানের কূটনৈতিক আর সামরিক সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে।
আর এই সবগুলো শক্তিরই আফগানিস্তানে নিজেদের স্বার্থ রয়েছে।
ফলে অনেকের মধ্যে এই আশংকাও তৈরি হচ্ছে যে, আফগানিস্তান আবারো হয়তো আঞ্চলিক আর আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর খেলার মাঝে পড়তে যাচ্ছে।
সূত্রঃ বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কে ছিলেন উইনি ম্যান্ডেলা?

তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কালো প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার সাবেক স্ত্রী।
বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের কারণে নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে তিনিও কারাবন্দী হন এবং প্রায় তিন দশক ধরে তারা ছিলেন বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের প্রতীক।
যদিও পরবর্তীতে নানা আইনি ও রাজনৈতিক জটিলতায় তার সে সুনাম অনেকটাই ক্ষুন্ন হয়েছে।
তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার রাজনীতির অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তি।
দেশটির বহু মানুষের কাছে তিনি ছিলেন 'জাতির মাতা'। ১৯৩৬ সালে দেশটির তৎকালীন ট্রান্সকেই যা এখন ইস্টার্ন কেপ, তার জন্ম হয়।
তিনি একজন প্রশিক্ষিত সমাজসেবী ছিলেন, এবং কাজ করতে গিয়েই ১৯৫০ সালে তার সঙ্গে নেলসন ম্যান্ডেলার পরিচয় হয়।
নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে তার বিয়ে ৩৮ বছর টিকে ছিল।
যদিও নেলসন ম্যান্ডেলার দীর্ঘ কারাজীবনের কারণে তাদের দাম্পত্যের বড় সময়টিই তার পরস্পরের থেকে দূরে ছিলেন।
১৯৯৬ সালে তাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।
নেলসন ম্যান্ডেলা যখন জেলে যান, উইনি বর্ণবাদ বিরোধী লড়াই চালিয়ে যান। নেলসন ম্যান্ডেলার যেদিন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ হয়, সেদিন সমর্থকদের উদ্দেশ্যে উইনি বলেছিলেন, "আমার এবং আমাদের কারোই কখনো আশা ছাড়া উচিত হবেনা। আসলে আমি মনে করি এ আন্দোলন চলতেই থাকবে।"
যদিও পরে তিনি নানারকম স্ক্যান্ডাল ও বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। তার অনেক বক্তব্য নিয়েই বিতর্ক আছে।
যেমন, নেকলেসিং নামে এক চর্চার তিনি প্রশংসা করেছিলেন বলে শোনা যায়, যে প্রথায় সন্দেহভাজন তথ্য পাচারকারীর গলায় জ্বলন্ত টায়ার ঝুলিয়ে দেয়া হত।
এছাড়া আশির দশকে তিনি এএনসির অন্য সদস্যদের নিয়ে তিনি সোয়েতোর এক অংশে ত্রাসের রাজত্ব কয়েক করেছিলেন বলেও শোনা যায়।
১৯৯১ সালে অপহরণের দায়ে তার সাজা হয় এবং ছয় বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত।
আপীলের পরে যদিও সে দণ্ড কমিয়ে তাকে জরিমানা করা হয়। ২০০৩ সালে ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত ঘটনায় প্রতারণার অভিযোগে তার সাজা হয়।
কিন্তু এসবের পরেও তাকে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বর ভাবা হয়।
এবং তিনি সব সময় গরীব কালো দক্ষিণ আফ্রিকানদের জন্য কথা বলেছেন।
তিনি সবসময় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে গেছেন এবং মৃত্যু পর্যন্ত তিনি এএনসির একজন সংসদ সদস্য ছিলেন।
সূত্রঃ বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরাইলিদের পক্ষেই কথা বললেন সৌদি যুবরাজ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে থাকায় চিন্তিত বৃহৎ শক্তিগুলো

এর আগে সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান ওয়াশিংটন সফরে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করার জন্য দাবি করেছিলেন, পরমাণু সমঝোতা পরমাণু অস্ত্র তৈরিতে ইরানকে বিরত রাখতে পারবে না আর সে কারণে ইরানের সঙ্গে বিকল্প সমঝোতায় পৌঁছা দরকার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন অজুহাতে পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন অথবা নিজের ইচ্ছামতো চুক্তিতে পরিবর্তন আনার দাবি জানিয়েছেন। আমেরিকা, সৌদি আরব এবং ব্রিটেন ও ফ্রান্সসহ ইউরোপের আরো কয়েকটি দেশ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে পরমাণু সমঝোতায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের উপস্থিতি ও গঠনমূলক ভূমিকা এবং এ অঞ্চলে দিন দিন ইরানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে থাকায় আঞ্চলিক স্বৈরসরকার ও বৃহৎ শক্তিগুলো চিন্তিত হয়ে পড়েছে। এ কারণে আরব ও পাশ্চাত্য জোট নানা মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে এ অঞ্চলে ইরানের গঠনমূলক ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। পশ্চিম এশিয়া তথা মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের গঠনমূলক ভূমিকা কোনো কোনো দেশের সম্প্রসারণকামী লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ কারণেই ক্ষুব্ধ ব্রিটেন ইরানের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপন করেছে।
লেবাননের রাজনৈতিক বিশ্লেষক গালিব কান্দিল মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ভূমিকা প্রসঙ্গে বলেছেন, ইরান এ অঞ্চলে ইসরাইল বিরোধী প্রতিরোধ শক্তিগুলোকে সমর্থন দিচ্ছে এবং দেশটির আর্থিক, সামরিক ও বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে সহযোগিতার ফলে প্রতিরোধ শক্তিগুলো সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জনে সক্ষম হয়েছে। প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন পিএলও'র কর্মকর্তা সালেহ আবু মাজেদ বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের শক্তিশালী ভূমিকা শত্রুদের সব সামরিক ও রাজনৈতিক হিসেবে নিকেশ ভণ্ডুল করে দিয়েছে।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইরানকে পরমাণু উচ্চাভিলাষী হিসেবে অভিহিত করেছেন। অথচ প্রথম কথা হচ্ছে, ইরানের নীতিই হচ্ছে আত্মরক্ষামূলক এবং পরমাণু বোমা তৈরির কোনো ইচ্ছা তেহরানের নেই। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী তার ফতোয়ায় পরমাণু অস্ত্র তৈরিকে হারাম বলে ঘোষণা দিয়েছেন। দ্বিতীয় বিষয়টি হচ্ছে, ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে পরমাণু সমঝোতা বাস্তবায়ন শুরুর পর আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার দশটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির কোনো চেষ্টা করছে না।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও পরমাণু কর্মসূচি এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিষয়ে আমেরিকা ও ইউরোপের কর্মকর্তারা অভিন্ন নীতি পোষণ করে এবং ইরানের ওপর নানা সীমাবদ্ধতা আরোপ করে তারা নিজেরাই এ অঞ্চলের ব্যাপারে নীতি নির্ধারণের চেষ্টা চালাচ্ছে। অন্যদিকে আমেরিকা নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সমাজকে ইরানের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে যাতে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের নীল নকশা সহজে বাস্তবায়ন করা যায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটের হোটেল ব্যাচেলরে আরিফের হানা ৬ পতিতা ও দুই কর্মচারী আটক

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যৌন সন্ত্রাসের মহামারি রুখে দাঁড়ানোর ডাক by শুভ্র দেব

অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, প্রথমত ধর্ষণ বাড়ছে ধর্ষকের শাস্তি না হওয়াতে। শাস্তি না হওয়ার কারণ হলো তাদের পেছনে ক্ষমতাধর লোক আছে। দ্বিতীয়ত, পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারী পুরুষের স্বাভাবিক সম্পর্ক স্থাপন হয় না। তারা জানে না নারীর সঙ্গে কি ধরনের সম্পর্ক থাকা উচিত। নানা ভাবে নারীকে নিপীড়ন করে। এটা নিপীড়নেরই একটা অংশ। তাই শিশু ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটছে। তৃতীয়ত, সমাজের মানুষের নির্মমতা চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এখানে কারো সহমর্মিতা, সহানুভূতি, সংবেদশীলতা কমে গেছে। তিনি বলেন, এগুলো কোনো যুক্তিগত সমস্যা বা ব্যত্তিগত সমস্যা না এটা সামাজিক সমস্যা। সমাজ না বদলালে ধর্ষণ বন্ধ হবে না। এর বাইরে অপরাধীকে শাস্তি দিতে হবে। শুধু আইন থাকলে হবে না। আইনের প্রয়োগ করতে হবে। অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক বলেন, ধর্ষণের ঘটনা আগেও ছিল এখনও আছে। থানায় মামলা বা সংবাদ মাধ্যমে আসে বলে একটা পরিসংখ্যান থেকে আমরা জানতে পারি ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে। কিন্তু বাস্তবে কতগুলো ঘটনা ঘটেছে তার কোনো পরিসংখ্যান কারো কাছে নেই। কয়েক বছর আগেও যেখানে এত খবর আসত না। ধর্ষণের ঘটনা কতটা চেপে যায় তার কোনো পরিসংখ্যান আমাদের কারো জানা নাই। কারণ বেশির ভাগই দরিদ্র, নিম্নবিত্ত নারীরা ধর্ষণের শিকার হয়। আর এদেশে বহু বছর ধরে নিম্নবিত্তদের ওপর করা অপরাধের কোনো বিচার হয় না। ধর্ষণের বিদ্যমান আইন ও শাস্তি নিয়ে শাহদীন মালিক বলেন, শাস্তি বাড়ালে অপরাধী দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রেটিং কমে যায়। এটা সারা বিশ্বে গত ৩০০ বছর ধরে স্বীকৃত। শাস্তি বাড়ায় অপরাধীরা ছাড়া পেয়ে যায়। তিনি বলেন, শাস্তি বাড়ানো কোনো সমাধান নয়। নারী ও শিশু আইন হওয়ার আগে ধর্ষণের শাস্তি ছিল ১০ বছর। কিন্তু একই অপরাধে শাস্তি বাড়ানোর পরে গত ১০/২০ বছরে কোটি মানুষের বসবাসের ঢাকার ৬টি নারী শিশু আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার নজির কম। ধর্ষণের ঘটনা বন্ধের বিষয়ে তিনি বলেন, সমাধানটা আমাদের সবারই জানা আছে। শুধু প্রয়োগটাই দরকার।
মানবাধিকার আইনজীবী সালমা আলী বলেন, ধর্ষণের ঘটনাগুলোর পেছনে বেশ কিছু শক্তি কাজ করে। রাজনৈতিক শক্তির পাশাপাশি টাকা পয়সার প্রভাব, পেশি শক্তি, পরিবারের বড় সন্তান হওয়াতে বেপরোয়া ভাব। এই শক্তিগুলো থাকার কারণে ধর্ষক ধর্ষণের মতো কাজে সাহস পায়। এর বাইরে ইন্টারনেট, পর্নোগ্রাফি ভিডিও নেতিবাচক প্রভাব আছে। কিন্তু অপরাধীরা দেখে না দেশে আইন আছে, অপরাধ করলে শাস্তি হয়। সালমা আলী বলেন, আইন করা হয় অপরাধীকে শাস্তি দেয়ার জন্য। অপরাধীরা যাতে শাস্তি পায় এবং অন্যরা দেখে যেন অপরাধ করতে ভয় পায়। কিন্তু আমাদের দেশে ধর্ষণের ঘটনায় এক শতাংশ অপরাধীকে শাস্তির আওতায় আনা যাচ্ছে না। পাশাপাশি জবাবদিহিতা না থাকার একটা প্রবণতা আছে। পহেলা বৈশাখ, ৭ই মার্চের মতো বিশেষ দিনে রাস্তায় নারীর ওড়না ধরে টানাটানি করে যৌন হয়রানি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে তার সত্যতা পাওয়া গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো অপরাধীকে আটক করা হয়নি। তাই অপরাধীরা বারবারই পার পেয়ে যাচ্ছে। অপরাধের মাত্রাও আরো বাড়ছে। আর অপরাধীরা মনে করছে অপরাধ করলে কিছু হয় না। তিনি বলেন, ধর্ষণের ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গণতন্ত্র যত বেশি শক্তিশালী হবে অপরাধ ততবেশি কমে যাবে। তবে চারটি কাজ করলে ধর্ষণের মতো ঘটনা কমে যাবে বলে মনে করেন এই মানবাধিকার আইনজীবী। তিনি বলেছেন, কমিটমেন্ট থাকতে হবে পরিবারের সঙ্গে সন্তানের এবং একটা দায়িত্ববোধ থাকা জরুরি। আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যদের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা থাকতে হবে। এর বাইরে নারী ও তার পরিবারকে আরো সাহসী হতে হবে। সর্বোপরি দ্রুত বিচারের মাধ্যমে অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
আইনজীবী এলিনা খান বলেন, বিদ্যমান আইন যথেষ্ট কঠোর। কিন্তু তার প্রয়োগ হচ্ছে না। বলা হয়েছে ৯০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত ও ১৮০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে। সবকিছুতেই সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় চাঞ্চল্যকর মামলা হলে পুলিশের তৎপরতা দেখা যায়। পরে আগের মতই হয়ে যায়। তাছাড়া সঠিকভাবে অনেক মামলার তদন্ত হয় না। তদন্তের জন্য অনেক মামলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই তদন্তের ক্ষেত্রে যে সমস্যা হচ্ছে এগুলো যদি দূর করা যায় আর বিচার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে যে সময় বেঁধে দেয়া আছে তার ভেতরে বিচার শেষ করতে হবে। তাহলে মানুষের কাছে এক ধরনের গ্রহণযোগ্যতা আসবে। যখনই মানুষের মধ্যে ভীতি সঞ্চার হবে সচেতনতা আসবে তখনই এ ধরনের ঘটনা বন্ধ হবে। এলিনা খান বলেন, শুধুমাত্র আইন দিয়ে ধর্ষণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনতে হবে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি এ ধরনের ঘটনায় অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও অন্যভাবে যারা প্রভাব খাটাচ্ছে তাদের যেকোনোভাবে প্রতিহত করতে হবে। পুলিশের সাবেক মহাপরিচালক নুর মোহাম্মদ বলেন, যখন একটা মেয়ে ধর্ষিত হয় তখন একটা বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আবার ধর্ষণের পরে সংশ্লিষ্টতা ২/১ জনের থাকলে ধরে নিয়ে আসা হয় ৪/৫ জনকে। আমাদের দেশে এখনও খোলা মন নিয়ে পরিচ্ছন্ন হৃদয়ে আদালতে যাওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। আর এরকম সুযোগে কিছু লোক বিভিন্ন প্রভাবে একটা সুবিধা নেয়। একারণেই মামলার শুরুটাই অনেক কঠিন হয়ে পড়ে এবং দীর্ঘসূত্রতার সৃষ্টি হয়। আর মামলাটি যতদিন যাবে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাক্ষী প্রমাণ পাওয়া যাবে না। এ ছাড়া বিভিন্ন আলামত নষ্ট হয়ে যায়। সাবেক এই আইজি মনে করেন যে আইন আছে সেটা যথেষ্ট। এর যথাযথ প্রয়োগ দরকার। কারণ মামলা নিষ্পত্তিতে অনেক সময় লেগে যায়। সিভিল আইনে থানা থেকে শুরু করে আদালত পর্যন্ত একটি মামলায় কেটে যায় অনেক বছর। এজন্য মামলা দ্রুত তদন্ত করতে হবে। যারা মামলা তদন্ত করবে তাদের তদারকিটা গভীরভাবে করতে হবে। তদন্তে যেন কোনো গাফিলতি না থাকে। এর বাইরে তদন্তে দীর্ঘসূত্রতার ক্ষেত্রে যারা জড়িত তাদের জবাবদিহিতার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি মানুষকে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সবাই মিলে স্কুল, কলেজ মাদরাসায় গিয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ সকলেই কাজ করতে পারে।
ব্যরিস্টার সারা হোসেন এ বিষয়ে বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় আমরা বিচার চাইতে পারি। কিন্তু আইনটা একটু ভালোভাবে দেখা দরকার। কারণ আমাদের আইনটা সেই বৃটিশ আমলের। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে আইনে অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে। আমরা কেন তেমন পরিবর্তন আনতে পারিনি। ২০০০ সালে কিছু পরিবর্তন আনা গেলেও মূল সংজ্ঞাটা প্রায় একই রয়ে গেছে। সেখানে কিছু পরিবর্তন আনা দরকার। বিভিন্ন ধরনের যৌন হয়রানির ঘটনায়ও আমাদের আইনে প্রতিকার চাওয়ার ব্যবস্থা থাকা দরকার। এ ছাড়া ধর্ষণ প্রমাণের যে সাক্ষ্য আইন সেটাও ১৮৬০ সালের বৃটিশ আমলের। সেখানে বলা আছে কেউ যদি ধর্ষিত হয় আর সাক্ষী দেয় সেখানে তার ব্যক্তিগত ইতিহাস, চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন করা যাবে। অথচ অন্য কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের তার ব্যক্তিগত ইতিহাস নিয়ে জেরা করা হয় না। এ জন্য আইনটি পর্যালোচনা করার দরকার আছে। পাশাপাশি সাক্ষীদের এবং ভুক্তভোগীর কিছু সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখা দরকার।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) নির্বাহী পরিচালক শিপা হাফিজা বলেন, শুধু আইন দিয়ে কিছু করা যাবে বলে মনে হচ্ছে না। আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর নিরাপদ একটা সমাজ তৈরি করার যে মনমানসিকতা সেটা নাই। নারীদের সঙ্গে সব রকম সহিংসতা বেড়েছে। এর বিভিন্ন রকম কারণ আছে। যদিও আমরা দেখেছি ইতিমধ্যে টেলিফোনে হেল্প লাইনে একজন ভুক্তোভোগী ধর্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে সাহায্য চেয়ে ফোন করলে টেলিফোনের অপর প্রান্ত থেকে জানানো হয় যে এটাতো আমাদের বিষয় না। তার মানে আমাদের যারা রক্ষাকর্তা তাদের বুঝাপড়ায় অনেক গলদ রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
র্যাগ ভয়ঙ্কর by সিরাজুস সালেকিন ও আফরোজ ইসলাম

গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় শিক্ষার্থীকে র্যাগিংয়ের ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কারসহ মোট ২১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে র্যাগিংয়ের দায়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বহু শিক্ষার্থীকে শাস্তি দেয়ার দৃষ্টান্ত রয়েছে। তার পরও ক্রমশই বেড়েই চলছে র্যাগিংয়ের ঘটনা। ফলে উচ্চশিক্ষা লাভে বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে র্যাগিং; যা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রশাসন ও শিক্ষকরাও রীতিমতো বিব্রত। পাশের দেশ ভারতের কিছু রাজ্যে র্যাগিং প্রতিরোধে নির্দিষ্ট আইন থাকলেও আমাদের দেশে এ বিষয়ে কোনো আইন নেই। তবে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন র্যাগিং প্রথাকে নিষিদ্ধ করেছে। গত ২রা ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে র্যাগিং নিষিদ্ধ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়া ২০০৮ সালে র্যাগিং নিষিদ্ধ করে র্যাগিংয়ের নির্মমতায় এগিয়ে থাকা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। শুধু শিক্ষার্থী নয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা পর্যন্ত র্যাগিং বন্ধের দাবি জানাচ্ছেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি র্যাগিং বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করে জাবির শিক্ষকরা। আবাসিক হলগুলোতে র্যাগিংয়ের ঘটনা বেশি ঘটে উল্লেখ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তপন কুমার সাহা বলেন, আবাসিক হলগুলোয় যতদিন আবাসিক পরিবেশ তৈরি না হবে ততদিন র্যাগিং সম্পূর্ণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। হয়তো কমানো যাবে, কিন্তু সম্পূর্ণ নির্মূল করা যাবে না। র্যাগিংয়ের বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া মাত্রই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে নিশ্চিত করে তিনি জানান, প্রতিটি হলে হল সুপারসহ সংশ্লিষ্ট সবার ফোন নাম্বার টানিয়ে দেয়া হয়েছে। যেকোনো সমস্যায় যেকোনো সময় শিক্ষার্থীরা যোগাযোগ করতে পারবে। এছাড়া কোর্স টিচার, হল প্রশাসনসহ সব শিক্ষক শিক্ষার্থীদের র্যাগিংয়ের বিষয়ে নিরুৎসাহিত করে বলেও জানান তিনি। র্যাগিংয়ের শিকার হয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা শিক্ষার্থী মিজানুরকে তার পরিবার বাড়িতে নিয়ে গেছে জানিয়ে র্যাগিংয়ের তদন্তের বিষয়ে তিনি বলেন, মিজানুরের পরিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটিকে মিজানুরের সঙ্গে কথা বলতে দেয়নি। মিজানের সঙ্গে কথা না বলে ঘটনা সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়া যাবে না। মিজানুরের সঙ্গে কথা বলে র্যাগিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। প্রতি বছর ভর্তির সময় বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও হলগুলোতে র্যাগিং প্রতিরোধে টানানো হয় নোটিশ। কিন্তু তাতে থেমে থাকে না এই নিপীড়ন। র্যাগিংয়ের শিকার শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অভিহিত করতেও ভয় পায়। কারণ, র্যাগিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশির ভাগ শিক্ষার্থীই ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ফলে তাদের নামে অভিযোগ করে লাভ হবে না বলেও জানিয়ে দেয় এসব ছাত্র নেতা। তাছাড়া অভিযোগ করলে পরবর্তীকালে সমস্যা আরো বাড়তে পারে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বিশ্বাস র্যাগিংকে নিষিদ্ধ করে আইন প্রণয়ন এবং র্যাগিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির বিধান নিশ্চিত করতে পারলে র্যাগিং বন্ধ করা সম্ভব। এছাড়া ক্যাম্পসগুলোতে সুস্থধারার রাজনীতি চর্চা হলে র্যাগিংয়ের বিষয়টা থাকার কথা না। তবে র্যাগিং বন্ধে শিক্ষার্থীদের পারিবারিক ও সামাজিক শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তাদের ধারণা। শিক্ষকরা মনে করেন, পরিবার থেকে সঠিক শিক্ষা পাওয়া কোনো শিক্ষার্থী র্যাগিংয়ের মতো একটি অপসংস্কৃতি চর্চা করতে পারে না। তাই দেশের সব শিক্ষার্থীর পরিবার থেকে সঠিক শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি সব শিক্ষার্থীকে র্যাগিং বন্ধে এক হয়ে কাজ করার আহ্ববান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। সে সঙ্গে নবাগত শিক্ষার্থীর র্যাগিংয়ের বিষয়ে সচেতন থাকা ও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার ক্ষেত্রে দ্রুত সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের জানানোর পরামর্শ দেন তারা। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জহির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ভর্তি পরীক্ষার সময়, ভর্তির সময় ও হলে ওঠার সময় র্যাগিংয়ের মতো কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার ক্ষেত্রে করণীয় সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করা হয়। অরিয়েন্টেশনের সময়ও তাদের সচেতন করা হয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর র্যাগিংয়ে নিরুৎসাহিত করা হয়। পরিবার থেকে সঠিক শিক্ষা পেলে কখনোই কোনো শিক্ষার্থী র্যাগিংয়ে উৎসাহিত হতে পারে না মন্তব্য করেন জহির উদ্দিন। র্যাগিংয়ের দিক থেকে কিছুটা নমনীয় পর্যায়ে আছে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। ঢাবির সহকারী প্রক্টর ড. লিটন কুমার সাহা বলেন, র্যাগিংয়ের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জিরো টলারেন্স, ঢাবিতে র্যাগিংয়ের কোনো সুযোগ নেই। তাদের কাছে র্যাগিয়ের বিষয়ে সম্প্রতি কোনো অভিযোগ আসেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদি কোনো রকম অভিযোগ আসে সে ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সব সময় র্যাগিংয়ের বিষয়ে নিরুৎসাহিত করা হয় বলেও জানান তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও বিজয় একাত্তর হলের হাউজ টিউটর তৌহিদুল হক বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পারিক সৌহার্দ্যবোধ কখনই মাত্রা ছাড়িয়ে যায় না। র্যাগিং খারাপ কিছু না। কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে তা সৌজন্যবোধকে ছাড়িয়ে যায়। সিনিয়র-জুনিয়র সম্পর্ক ওইসব বিশ্ববিদ্যালয়ে মাত্রা ছাড়িয়ে নেতিবাচক রূপ নেয়। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের গ্রহণ করা হয় ভয়ভীতি দেখিয়ে। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুনিয়রদের গ্রহণ করা হয় ছোট ভাই হিসেবে। যে কারণে তাদের কষ্ট দেয়া হয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে র্যাগিং প্রতিরোধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষকদের সঙ্গে কাজ করছে সাধারণ শিক্ষার্থীরাও। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন বা শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টায় চলে এন্টি র্যাগিং কার্যক্রম। র্যাগিং প্রতিরোধে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখার উদ্যোগে ২০১৭ সালের অক্টোবরে রাবিতে গঠন করা হয় ‘এন্টি র্যাগিং সেল’। এন্টি র্যাগিং সেলের সমন্বয়ক সুমন মোড়ল বলেন, ভর্তি পরীক্ষা থেকে শুরু করে প্রথম বর্ষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সিনিয়র কর্তৃক নানাভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়। পরিচিত হওয়ার নামে অনেক সিনিয়র শিক্ষার্থী নবাগতদের র্যাগিংয়ের নামে নির্যাতন করেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ধরনের সাংস্কৃতিক-সামাজিক পরিমণ্ডল গড়ে ওঠার কথা, তা ব্যাহত হয়। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে র্যাগিংয়ে নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে ‘এন্টি র্যাগিং সেল’ পরিচালনা করা হচ্ছে। র্যাগিংয়ে নিরুৎসাহিত করা থেকে শাস্তি নিশ্চিত করা পর্যন্ত পাঁচ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে এই প্রতিষ্ঠানটি। সংগঠনের পক্ষ থেকে র্যাগিং বন্ধে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে এন্টি র্যাগিং সেল গঠন ও র্যাগিংয়ের সঙ্গে যুক্ত সবার শাস্তির বিধান নিশ্চিত করার দাবি জানান সুমন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চট্টগ্রামে কলেজ অধ্যক্ষকে মারধর ছাত্রলীগ নেতার

তবে অধ্যক্ষ ড. জায়েদ খান বলেন, ভর্তির সময় আমাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, মাসিক টিউশন ফি ও পরীক্ষার ফি ছাড়া আমরা বছরে আড়াই হাজার টাকা করে দুই বছরে পাঁচ হাজার টাকা উন্নয়ন ও বিবিধ ফি দেবে শিক্ষার্থীরা। এই শর্ত মেনেই শিক্ষার্থীরা আমাদের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছে। আমরা তাদের কাছ থেকে ওই টাকাই নিয়েছি। তিনি বলেন, আমি পালিয়ে যাবো কেন? ওই দিন আমাদের কলেজ বন্ধ ছিল। আমি এমনিতে ওই দিন কলেজে গিয়েছিলাম। এ সময় আগে থেকে কলেজের সামনে অবস্থান করা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা মোবাইল ফোনে কল করে নুরুল আজিম রনিকে কলেজে ডেকে আনেন। পরে সে এসে আমাকে মারতে মারতে আমার কক্ষে নিয়ে যায়। সিসিটিভি ফুটেজে এর প্রমাণ আছে। এদিকে ফুটেজে দেখা যায়, রনি ছাত্রলীগের ১৫/২০ জন নেতাকর্মী নিয়ে দুই হাত দিয়ে অধ্যক্ষ ড. জাহেদ খানকে ধাক্কা দিয়ে তার কক্ষে নিয়ে আসেন। এসময় তিনি ড. জাহেদ খানের মুখে কিল-ঘুষি মারেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের বৌদ্ধদের প্রলুব্ধ করছে মিয়ানমার -এএফপি’র রিপোর্ট

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে হওয়া সমঝোতায় একজন শরণার্থীও এখনো ফেরত যায়নি। রোহিঙ্গা নেতারা বলছেন, রোহিঙ্গাদের নিজ গ্রামে যাওয়ার সুযোগ দেয়া না হলে তারা ফেরত যাবেন না। অস্থায়ী পুনর্বাসন ক্যাম্পে থাকবেন না। উল্লেখ্য, রোহিঙ্গাদের বহু গ্রাম আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে।
দুই কর্মকর্তার তথ্যমতে এখন পর্যন্ত বান্দরবান থেকে ৫৫টি উপজাতি পরিবার রাখাইনে গেছে। সরকারি জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘বিনামূল্যে বাড়িঘর, সাত বছরের জন্য বিনামূল্যে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের আকৃষ্ট করা হচ্ছে। এমন প্রলোভনে কিছু পরিবার সেখানে স্থানান্তর হয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, এসব উপজাতি গোষ্ঠীর অনেকের স্বজন রয়েছে রাখাইনে। তাদের ব্যবহার করেই বাংলাদেশি উপজাতিদের আকৃষ্ট করা হচ্ছে। এদের সঙ্গে মিয়ানমারের নিবাসীদের ধর্মীয় ও ভাষাগত মিল রয়েছে। তাদের পূর্বপুরুষের অনেকে সেখানে গিয়ে স্থায়ী হয়েছে। আলী কায়সার নামের আরেক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, কয়েকদিন আগে আলিকদম শহর থেকে মিয়ানমারে যেতে গিয়ে উপজাতি এক ব্যক্তি মাইন বিস্ফোরণে মারা যান। এছাড়া পরিবারের কয়েকজন সদস্য এতে আহত হন।
কর্মকর্তারা বলছেন, এই অভিবাসনের নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে তারা আশঙ্কা করছেন। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমার ধারণা মিয়ানমার হয়তো এদের নিয়ে কিছু সংবাদ প্রচার করতে চায় যে- বাংলাদেশে বৌদ্ধরা নির্যাতিত ও নিপীড়িত হচ্ছে। আর সে কারণে তারা দেশ ছেড়ে গেছে।’
বাংলাদেশি এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, পুনর্বাসন প্রকল্প ব্যবহার করে হাজারো বৌদ্ধকে রাখাইনে পুনর্বাসন করেছে মিয়ানমার। ওই পুনর্বাসন প্রকল্পে বিনামূল্যে খাবার, বাড়ি, গবাদিপশু ও নগদ অর্থের প্রলোভন রয়েছে। মুই শৈ থুই জানান, গেল তিন বছরে তার এলাকা থেকে শতাধিক উপজাতি পরিবার মিয়ানমার গেছে। পরিদর্শকরা বলছেন, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ রোহিঙ্গাদের অনুপস্থিতিতে উত্তর রাখাইনে সুপরিকল্পিতভাবে সামাজিক দৃশ্যপট পাল্টানোর প্রকল্প চালাচ্ছে। সরকার ও সেনাবাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বেসরকারি অর্থায়নে পরিচালিত এসব নানা প্রকল্প ওই এলাকার চেহারাই পাল্টে দিচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তুরস্কের প্রথম পরমাণু স্থাপনা নির্মাণ করবে রাশিয়া; আজ জমকালো অনুষ্ঠান

আকুইয়ু পরমাণু স্থাপনাটি রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোজাটম নির্মাণ করবে। তুর্কি এ স্থাপনায় চারটি ইউনিট থাকবে এবং প্রতিটি ইউনিট ১,২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে।
পরমাণু স্থাপনাটি নির্মাণ করতে মোট ব্যয় হবে দুই হাজার কোটি ডলার এবং প্রতিষ্ঠানটি বছরে আট হাজার ঘণ্টা কাজ করতে পারবে। পরমাণু স্থাপনাটি নির্মাণের বিষয়ে ২০১০ সালে রাশিয়ার সঙ্গে তুরস্কের চুক্তি হয়েছিল।
আল-জাজিরা টেলিভিশন জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে দুটি ইউনিটের কাজ শেষ করা হবে যা থেকে ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। পরবর্তীতে বাকি দুটি ইউনিটের কাজ শেষ করা হবে। স্থাপনাটি পুরোপুরি চালু হলে সেখান থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে যা তুরস্কের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার শতকরা ১০ ভাগ। এই পরিমাণ বিদ্যুৎ লাগে শুধু ইস্তাম্বুল শহরেই।
পরমাণু স্থাপনাটি চালু করার জন্য প্রাথমিক সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৩ সাল এবং পূর্ণ মাত্রায় চালু হবে ২০২৫ সালে। স্থাপনাটি নির্মাণের জন্য পুরোপুরি কাজ শুরু হলে ১০ হাজার লোক নিয়োগ পাবে আর বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলে সেখানে সাড়ে তিন হাজার ব্যক্তি চাকরির সুযোগ পাবে। এ স্থাপনায় কাজ করার জন্য তুরস্কের ২৪৮ জন ছাত্রকে রাশিয়ায় লেখাপড়া করানো হয়েছে। এর মধ্যে গত মাসে ৩৫ জন ছাত্র গ্রাজুয়েট হয়েছে যাদের লেখাপড়া শেষ করতে সময় লেগেছে সাড়ে ছয় বছর।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের জন্য চ্যালেঞ্জ গড়ছে পাকিস্তান! -দ্য হিন্দুর রিপোর্ট

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এ্যানির স্বপ্নেও হানা দেয় সেই দুঃসহ স্মৃতি by মরিয়ম চম্পা

বিমান দুর্ঘটনার ভয়াবহ স্মৃতিচারণ করে এ্যানি বলেন, আমার চোখের সামনেই পাইলট পৃথূলাকে সিটে বসে থাকা অবস্থায় আহত হতে দেখেছি। একজন নেপালী যাত্রী বিমান থেকে বের হওয়ার পর চোখের সামনে মরে যেতে দেখেছি। এ্যানি স্বামী-সন্তান হারানোর শোক ভুলে মানুষের সেবা করে যেতে চান। মানুষের সেবায়ই তিনি প্রিয়ক প্রিয়ংময়ীকে খুঁজে পেতে চান। পাশে থাকা এ্যানির মা জানান, তার দুই মেয়ে। আমাদের কোনো পুত্র সন্তান না থাকলেও প্রিয়ককে পেয়ে ছেলের অভাব ভুলে গিয়েছিলাম। পুরো পরিবারকেই মাতিয়ে রাখতেন আমাদের ছোট্ট প্রিয়ংময়ী। প্রিয়ক ও প্রিয়ংময়ী যেখানেই থাকুক না কেন ওরা ভালো আছে এটাই এ্যানিকে বার বার বোঝাতে চেষ্টা করছেন তার মা। এ্যানির বাবা সালাহউদ্দিন জানান, ইন্টারমিডিয়েট পাস করার পরপরই ভালো ছেলে পাওয়াতে এ্যানিকে বিয়ে দিয়ে দেই। এত কম বয়সে সে এমন অবস্থায় পড়বে ভাবতেও পারিনি।
২ নং কেবিনে শাহরিনের চিকিৎসা চলছে। শরীরের ক্ষত না শুকানোয় তার সঙ্গে কেউ সাক্ষাৎ করতে পারছেন না। সেখানে থাকা তার ফুফু জানান, শাহরিনের ট্রমা এখন অনেকটাই কমে এসেছে। খাওয়া-দাওয়া ও অন্যান্য শারীরিক অবস্থা অনেক ভালো।
ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়কারী ডা. সামন্ত লাল সেন জানান, আহত শাহরিন আহমেদ ও এ্যানির বর্তমান শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভালো। তবে মেয়ে আর স্বামীকে কিছুতেই ভুলতে পারছেন না এ্যানি। পূর্ণাঙ্গ সুস্থ হতে তাদের আরো সময় লাগবে।
গত ১২ই মার্চ নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলার বিমান ৬৭ যাত্রী ও চারজন ক্রু নিয়ে বিধ্বস্ত হয়। এ দুর্ঘটনায় ২৬ বাংলাদেশিসহ ৫১ জন নিহত হয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রহস্যে ঘেরা সিলেটের জোড়া খুন: তানিয়া ধরা পড়েনি পালিয়েছে সুমনও by ওয়েছ খছরু

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসপাতালে রেল কর্মকর্তার ইয়াবা ব্যবসা!

কিন্তু কথায় আছে ঢেঁকির কাজ বাড়া (ধান ভাঙা) বাঁধা। মক্কায় গেলেও নাকি বাড়া বাঁধে ঢেঁকি। ঠিক হাসপাতালের কেবিনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থেকেও ইয়াবা বিক্রি করছিলেন বখতিয়ার হোসেন।
আর হাতেনাতে ধরে রেলওয়ের এই কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চলের উপ-পরিচালক শামীম আহমেদ।
তিনি বলেন, রেলওয়ে পরিবহন বিভাগের পরিচালক বখতিয়ার হোসেন নিজেই একজন মাদকাসক্ত। সে হাসপাতালের কেবিনে চিকিৎসাধীন থেকেও ইয়াবা বিক্রি করছিল। তার কাছ থেকে ১ হাজার ইয়াবা ও ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা করা হয়েছে বলে জানান শামীম আহমেদ। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় চিকিৎসা কর্মকর্তা ইবনে শফি আবদুল আহাদ জানান, গত দুইদিন আগে ইয়াবা বিক্রয় নিয়ে বখতিয়ার হোসেন একটি গ্রুপের সঙ্গে মারামারি করে। এতে তার ডান হাত ভেঙে গুরুতর আহত হয়। পরে মুচলেকা দিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কিন্তু হাসপাতালের কেবিনে বসেও সে ইয়াবা বিক্রি করছিল। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের রেলওয়ে পরিবহন বিভাগের পরিচালক মো. বখতিয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ও গাঁজাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। ১৫-২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ মাদক বিক্রির সন্ত্রাসী সিন্ডিকেট রয়েছে তার। এর আগে তিনি নিজেও ইয়াবা ও গাঁজা সেবনে লিপ্ত হন।
মাদক ব্যবসায় তার একটি প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপ তৈরি হয়। যাদের সঙ্গে প্রায় মারমুখি অবস্থানে চড়াও হন বখতেয়ার। গত শুক্রবার রাতে ইয়াবা বিক্রি নিয়ে আধিপত্য বিস্তারে প্রতিপক্ষ গ্রুপের লোকজনের সঙ্গে মারামারি করেন তিনি। এতে তার ডান হাত ভেঙে যায়।
সূত্র জানায়, বখতেয়ার হোসেন প্রথমত, রেলওয়ের কর্মকর্তা, দ্বিতীয়ত- সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্রের ভয়ে তার ইয়াবা সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলার সাহস করেনি। রেলওয়ে ও প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের লোকজনকে ম্যানেজ করে সে এই ইয়াবা সাম্রাজ্য গড়ে তোলে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার এসআই শহীদ উল্লাহ এ প্রসঙ্গে বলেন, রেলওয়ের পরিবহন বিভাগের পরিচালক বখতেয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ইয়াবা বিক্রির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও ইয়াবাসহ তিনি পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রেমিকের অস্বীকৃতি, জীবন দিলো এইচএসসি পরীক্ষার্থী শান্তা by আশরাফুল ইসলাম

শান্তা আক্তার কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার রশিদাবাদ ইউনিয়নের ব্রাহ্মণকচুরী গ্রামের ফিরোজ মিয়ার মেয়ে। কিশোরগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী ছিল শান্তা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষায় তার অংশ নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রেমিকের প্রতারণায় এর এক সপ্তাহ আগে গত ২৬শে মার্চ সকালে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায় শান্তা। স্বজনেরা টের পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। কিন্তু অবস্থা খারাপ দেখে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তকে ঢাকায় রেফার্ড করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ বেড না পাওয়ায় তাকে ভর্তি করা জাপান-বাংলাদেশ ফেন্ডশীপ হাসপাতালে। সেখানে দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ভর্তি করা হয় সেন্ট্রাল হসপিটালে। সেখানেই চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় রোববার দুপুরে মৃত্যু হয় তার।
পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়, প্রতিবেশী লাল মিয়ার মাস্টার্স পড়ুয়া ছেলে মাইনুল হোসেনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো শান্তার। টানা ৪ বছর ধরে চলা এই প্রেমের সুবাদে শান্তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শান্তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলে কপট প্রেমিক মাইনুল। বিয়ের জন্য শান্তা প্রায়ই মাইনুলের সঙ্গে পীড়াপীড়ি করলেও কৌশলে তা এড়িয়ে যেতো মাইনুল। এ পরিস্থিতিতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ২৫ মার্চ মাইনুল প্রেমিকা শান্তাকে নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে অন্যত্র গিয়ে রাত্রিযাপন করে। পরে পারিবারিকভাবে বিয়ের ব্যবস্থা করবে, এমন আশ্বাস দিয়ে শান্তাকে পরদিন ২৬শে মার্চ ভোরে বাড়িতে পাঠায়। বিষয়টি দু’পক্ষের পরিবারও অবগত হয়। কিন্তু বাড়িতে পাঠানোর পর সুর বদলে যায় মাইনুলের। এ নিয়ে কয়েক দফা শান্তার সাথে ফোনে ঝগড়া হয় মাইনুলের। এক পর্যায়ে শান্তাকে বিয়ে করা সম্ভব নয়, বলে ফোনের অপর প্রান্ত থেকে জানায় মাইনুল। প্রেমিকের এই বিশ্বাসভঙ্গের বেদনায় আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয় শান্তা। ওইদিনই (২৬শে মার্চ) সকাল ৯টার দিকে নিজ ঘরে ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে শান্তা।
নিহত শান্তার বড় ভাই মিজান জানান, ওড়না পেঁচিয়ে শান্তাকে ঝুলে পড়ার দৃশ্য দেখে তার চাচী চিৎকার দিলে দ্রুত অন্য সদস্যরা শান্তাকে নিচে নামিয়ে আনে। মুমূর্ষু অবস্থায় দ্রুত তাকে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। এ ব্যাপারে রশিদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইদ্রিস মিয়া বলেন, মাইনুল আর শান্তার প্রেমের বিষয়টি নিয়ে কয়েক মাস আগে দু’পরিবারের লোকজনদের নিয়ে দরবার শালিশ হয়। ছেলের পরিবার মেয়েকে বিয়ে করাতে রাজি নয়। ছেলে বিয়ে করতে পারবে না, এমন কথা শুনার পরই আত্মহত্যার চেষ্টা চালায় মেয়েটি। এদিকে, শান্তার মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছার পর থেকে ঘরে তালা দিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে প্রেমিক মাইনুল ও তার পরিবারের সদস্যরা। এ ব্যাপারে নিহত শান্তার বাবা ফিরোজ মিয়া বাদী হয়ে প্রেমিক মাইনুল ও মাইনুলের বাবা লাল মিয়াকে আসামি করে আত্মহত্যার প্ররোচণার অভিযোগে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা করেছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রামগঞ্জে শিশু নুশরাত হত্যা: ধর্ষণ শেষে হত্যা করে লাশ আলমারিতে রাখে ঘাতক

সূত্র জানায়, গত ২৩শে মার্চ পশ্চিম নোয়াগাঁও গ্রামের কালা মিস্ত্রি বাড়ির প্রবাসী এরশাদ মিয়ার মাদরাসা পড়ুয়া ৮ বছরের শিশুকন্যা নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের তিনদিন পর ২৬শে মার্চ সকাল সাড়ে ১১টায় পার্শ্ববর্তী কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপাড়া গ্রামের ঠাকুর বাড়ির সামনের ব্রিজের নিচ থেকে শিশু নুশরাতের ব্যাগভর্তি অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে রামগঞ্জ থানা পুলিশ।
এদিকে শিশু নুশরাত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মূল হোতা রুবেল পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ায় উপজেলাব্যাপী আনন্দের বন্যা দেখা দেয়। রামগঞ্জ থানার সামনে তার ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে স্থানীয় লোকজন।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক ডাক্তার আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, শিশু নুশরাতকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পরদিন নুশরাতের মা রেহানা বেগম রামগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ মামলা ও লাশের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া ব্যাগের সূত্র ধরে তদন্ত চালায়। তদন্তের এক পর্যায়ে বের হয়ে আসে মূল ঘটনা।
রুবেলের বন্ধু ওসমান, বাবা মো. সিরাজ মিয়া, মা রিভা বেগম, দুই বোন রুপা ও নিপা, সিএনজি চালক রাকিব ও ঢাকার সদরঘাট থেকে গার্মেন্টসের ম্যানেজার রাসেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করলেও মূল হত্যাকারী রুবেল ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পূর্ব শত্রুতার জেরে আকলিমাকে এসিড নিক্ষেপ

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাজারীবাগ থানার এসআই মাসুদ বলেছেন, আকলিমাকে এসিড নিক্ষেপের ঘটনায় থানায় একটি মামলা করেছেন তার ভাই। তিনি আরো জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাকে এসিড নিক্ষেপ করা হয় বলে এসিড দগ্ধ নারীর স্বজনরা জানিয়েছেন। সে অনুযায়ী সুমি আক্তার নামের আরেক নারীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
ঘটনার বিবরণ জানিয়ে আকলিমা আক্তারের স্বামী জুবায়ের হোসেন মানবজমিনকে বলেন, সোমবার সকালে বড় মেয়েকে নিয়ে স্কুলে যাচ্ছিল আকলিমা। এ সময় শাজাহান মার্কেটের সামনে এলে তাকে কে যেন এসিড ছুড়ে মারে। আমি শুনেই সেখানে গিয়ে তাকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেলে যাই। তার শরীরের পাঁচ শতাংশ পুড়ে গেছে। কি কারণে কে আকলিমাকে এসিড নিক্ষেপ করেছে তা জানিয়ে জুবায়ের হোসেন বলেন, আমি যতদূর জানি আমার সঙ্গে বিয়ের আগে আকলিমার একটি ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। তবে ওই ছেলেটা খুবই ভালো। আকলিমার বিয়ের পর পর ওই ছেলেটিও বিয়ে করে। তার স্ত্রীর নাম সুমি। এই সুমি ওদের মধ্যে প্রেমের কথা জেনে যায়। এবং দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করে। কিন্তু ছেলেটি এ ব্যাপারে কোনো কথা বলতো না। সুমি সন্দেহ করেই বারবার আমার স্ত্রীর ওপর চড়াও হতো। একবার মারধর করতেও চেয়েছিল। কিছুদিন আগেও আকলিমাকে মারতে এসেছিল। বিষয়গুলো জানার পর সমাধানের চেষ্টাও করেছিলাম। কিন্তু সুমি বারবার শত্রুতা বাড়িয়ে আসছিল। আকলিমার আগে-পরে কারো সঙ্গে কোনো শত্রুতা নেই। আমার ধারণা সেই তাকে এসিড দিয়ে ঝলসে দিয়েছে। ঘটনাস্থলে সুমি না থাকলেও অন্য কাউকে দিয়ে সে কাজটি করিয়েছে। এ ব্যাপারে আমরা থানায় অভিযোগ দেয়ার পর আকলিমার ভাই পারভেজ বাদী হয়ে মামলা করেছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের চিকিৎসক ডা. এনায়েত কবির জানান, আকলিমার শরীরের পাঁচ শতাংশ পুড়ে গেছে। তার ডান গাল, বুক ও গলার অংশ ঝলসে গেছে। তাকে এখন চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। গতকাল সকালেই আকলিমাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অটিজম আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিএনপির চার নেতাকে গ্রেপ্তার কেন বেআইনি নয় -হাইকোর্টের রুল

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক ঐতিহাসিক: শ্রিংলা

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী শহরের উন্নয়নে ভারত সরকার রাজশাহী সিটি করপোরেশনকে (রাসিক) ২১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা দিয়েছে। ‘সামাজিক, সাংষ্কৃতিক, পরিবেশ ও প্রত্মতত্ত্ব অবকাঠামো উন্নয়ন সাধন ও সংরক্ষণের মাধ্যমে রাজশাহী নগরীর টেকসই উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় এই টাকা ব্যয় করছে রাসিক।
এর মধ্যে সংস্কার হচ্ছে পুরনো মঠ, লেক ও পুকুর, নির্মাণ হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ফুটপাত এবং গ্রন্থাগার ভবন। এসব কাজই পরিদর্শনে আসেন হর্ষ বর্ধণ শ্রিংলা। এ সময় সিটি মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা ও রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতের সহকারি হাইকমিশনার অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার সকালে হর্ষ বর্ধণ শ্রিংলা প্রথমেই নগরীর ভদ্রা এলাকায় ‘পদ্মা পারিজাত লেক’ পরিদর্শনে যান। তিন কোটি ৮১ লাখ টাকায় সংস্কার হচ্ছে লেকটি। এরপর তিনি নগরীর তালাইমারী এলাকায় ‘পদ্মা সাধারণ গ্রন্থাগার’ ভবন নির্মাণ কাজ দেখতে যান। দুই কোটি ৭৮ লাখ টাকায় নির্মিত হচ্ছে ভবনটি। পরে হর্ষ বর্ধণ শ্রিংলা নগরীর শ্রীরামপুর এলাকায় ফুটপাত নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন। ১৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই এলাকার রাস্তার দু’পাশে নির্মিত হচ্ছে ফুটপাতটি।
এটি পরিদর্শন শেষে তিনি নগরীর টি-বাঁধে গিয়ে পদ্মাপাড়ে কিছু সময় কাটান। এ সময় তিনি সেখানে বধ্যভূমিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
এরপর নগরীর সপুরা এলাকায় মঠ ও পুকুর সংস্কার কাজ দেখতে যান শ্রিংলা। সেখানেই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। তখন তিনি কাজের অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
রাজশাহী-কোলকাতা ট্রেন চালুর বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে শ্রিংলা বলেন, রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশার পরামর্শে আমরা রাজশাহী থেকে মালদা হয়ে কোলকাতা পর্যন্ত একটি মৈত্রী ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছি। এ নিয়ে দুই দেশের রেলপথ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা গেছে। এটির প্রস্তুতি খুব ভালো। কারিগরি প্রস্তুতিগুলো গ্রহণ করা শেষ হলেই ট্রেনটি চালু হবে। দুই দেশের পর্যটন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে পদ্মা সাধারণ গ্রন্থাগার ভবন নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে গিয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তিনি।
এসময় সিটি মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, রাজশাহীর সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্বের একটি স্মারক তৈরি হয়েছে। ভারত যে টাকা দিয়েছে তা দিয়ে রাজশাহীকে একটি পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছে রাসিক। এ জন্য পুরনো মঠ, জলাশয় সংস্কার করা হচ্ছে। ভারতের টাকায় এমন সব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে যেন মানুষ সহজেই সে দেশের অবদান অনুধাবন করতে পারে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুম্বইয়ে এসেছিলেন ৫০০ রুপি নিয়ে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
April
(710)
-
▼
Apr 03
(21)
- আফগান তালেবানদের অস্ত্র দিচ্ছে রাশিয়া?
- কে ছিলেন উইনি ম্যান্ডেলা?
- ইসরাইলিদের পক্ষেই কথা বললেন সৌদি যুবরাজ
- ইরানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে থাকায় চিন্তিত বৃহৎ শক্তি...
- সিলেটের হোটেল ব্যাচেলরে আরিফের হানা ৬ পতিতা ও দুই ...
- যৌন সন্ত্রাসের মহামারি রুখে দাঁড়ানোর ডাক by শুভ্র দেব
- র্যাগ ভয়ঙ্কর by সিরাজুস সালেকিন ও আফরোজ ইসলাম
- চট্টগ্রামে কলেজ অধ্যক্ষকে মারধর ছাত্রলীগ নেতার
- বাংলাদেশের বৌদ্ধদের প্রলুব্ধ করছে মিয়ানমার -এএফপি’...
- তুরস্কের প্রথম পরমাণু স্থাপনা নির্মাণ করবে রাশিয়া;...
- ভারতের জন্য চ্যালেঞ্জ গড়ছে পাকিস্তান! -দ্য হিন্দুর...
- এ্যানির স্বপ্নেও হানা দেয় সেই দুঃসহ স্মৃতি by মরিয়...
- রহস্যে ঘেরা সিলেটের জোড়া খুন: তানিয়া ধরা পড়েনি পাল...
- হাসপাতালে রেল কর্মকর্তার ইয়াবা ব্যবসা!
- প্রেমিকের অস্বীকৃতি, জীবন দিলো এইচএসসি পরীক্ষার্থী...
- রামগঞ্জে শিশু নুশরাত হত্যা: ধর্ষণ শেষে হত্যা করে ল...
- পূর্ব শত্রুতার জেরে আকলিমাকে এসিড নিক্ষেপ
- অটিজম আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
- বিএনপির চার নেতাকে গ্রেপ্তার কেন বেআইনি নয় -হাইকোর...
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক ঐতিহাসিক: শ্রিংলা
- মুম্বইয়ে এসেছিলেন ৫০০ রুপি নিয়ে
-
▼
Apr 03
(21)
-
▼
April
(710)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...