Saturday, September 21, 2019
জন্মান্ধ আশার বেঁচে থাকা by পিয়াস সরকার

আগে ভিক্ষা করতো বসে। কিন্তু এতে আয় কম হয়। তাই বাধ্য হয়ে দাঁড়িয়ে ভিক্ষা করতে হচ্ছে। সকালে সে ভিক্ষা করে ধানমন্ডি-১৫তে। দুপুরে চলে আসে বসুন্ধরা মার্কেটের সামনে। আর শুক্রবার সকালে একটু বিশ্রাম। জুম্মার নামাজের সময় তার স্থান হয় ধানমন্ডি তাকওয়া মসজিদের সামনে। এরপর ফের বসুন্ধরা মার্কেটে। গত শনিবার দুপুরে বসুন্ধরা
মার্কেটের সামনে ভিক্ষা করছিলো আশা। কথা বলতে চাইলেই সে চমকে ওঠে। কোন প্রশ্নের জবাব দেয় না। শুধু বলে, ‘ভাইয়া আপনি যান’। এমন সময় একলোক চলে আসে। তার প্রশ্ন কী হইছে ভাই? তাকে উল্টা প্রশ্ন করা হয়, আপনি কে? আমি আশার চাচা। মধ্য বয়সী এই লোক আসতেই কিছুটা আশ্বস্ত হয় আশা। লোকজন জমা হয়ে যাওয়ায় সেখান থেকে চলে আসতে হয়। এরপর প্রায় ঘণ্টাখানেক দুর থেকে আশার উপর নজর রাখা হয়। এসময় দেখা যায়, প্রায় ২০ জন আশার হাতে টাকা দিয়েছেন। আর আশার চাচা পরিচয়দানকারী জজ মিয়া ৪ বার তার হাত থেকে টাকা নিয়ে নিজের কাছে রেখে দেয়। জজ মিয়া চলে যাবার পর আবার কথা বলার চেষ্টা আশার সঙ্গে। কিন্তু চেহারায় ভয়ের ছাপ স্পষ্ট।
এরপর আশাকে আশ্বস্ত করতে এক বান্ধবীকে নিয়ে হাজির। মেয়ের কণ্ঠ শুনে কিছুটা আশ্বস্ত হয় আশা। সাংবাদিক পরিচয় দেয়া হয়। কিন্তু সাংবাদিক কী জিনিস সেটাই বুঝে না সে। তবে কথা বলতে শুরু করে। কথার ফাঁকে বারবার বলছিলো, চাচা দেখলে ঝামেলা করবে।
জন্মান্ধ আশা, জন্মের কিছুদিন পরেই হারায় মাকে। বাবা বিয়ে করে আরেকটি। তখন থেকে চাচার কাছে মানুষ। আশা খুব ছোট বেলা থেকেই ভিক্ষা করে। নির্দিষ্ট করে বলতে না পারলেও প্রায় ৭ থেকে ৮ বছর।
সকাল ৭টার দিকে বের হয়। উদ্দেশ্য অফিসগামীদের থেকে ভিক্ষা নেয়া। সেখানে প্রায় ৩ ঘণ্টা ভিক্ষা করে। এরপর বাসায় যায়। তারা থাকে রায়ের বাজার বস্তিতে। সকালে কোন দিন মুড়ি আর কোন দিন না খাইয়ে পাঠানো হয়। এরপর বাসায় ফিরে গোসল শেষে পায় ভাত। কখনো পান্তা। এরপর ফের বেরিয়ে পড়তে হয় বসুন্ধরার উদ্দেশ্যে। তার চাচা সঙ্গে করে নিয়ে আসে। অধিকাংশ সময় হেঁটে আনা হয়। আর মাঝে মধ্যে রিকশায়।
বসুন্ধরায় আসতে আসতে বেজে যায় দুপুর ১ টা। আশাকে নিয়ে আসে তার চাচা। তাকে দেয়ার পর আশে পাশেই থাকে চাচা জজ মিয়া। তবে মাঝে মধ্যে অন্যত্র যায়। কোথায় যায় তা জানে না আশা। দীর্ঘ সময়ের জন্য বাইরে যায় তখন তার টাকা রেখে দিতে বলে পায়জামার পকেটে। আর এসময় তাকে দিয়ে যাওয়া হয় এক বোতল পানি।
রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতে প্রচণ্ড কষ্ট হয় তার। মাথা গরম হয়ে যায়। প্রসাবের চাপ দিলে জানায় চাচাকে। সে তখন ব্যবস্থা করে। থাকে রাত ১০ টা পর্যন্ত। কখনো অরো বেশি সময়। এই দীর্ঘ সময়ে ভরসা কেউ যদি কোন খাবার খেতে দেয়। খাবার না পেলে চাচা একটা রুটি কিনে দেয় শুধু। সারাদিন দাঁড়িয়ে থাকতে পায়ে প্রচণ্ড ব্যাথা হয় আশার। এরপর বাড়ি ফেরবার পর চাচী তাকে দিয়ে করিয়ে নেয় নানা কাজ। খারাপ ব্যবহার করে চাচা, চাচী। চাচা-চাচীর পাশাপাশি চাচাতো ভাই বোনরাও গায়ে হাত তোলে।
উত্যক্তের শিকারও হয় মেয়েটি। আজে বাজে কথা শুনতে হয় প্রায়শই। একবার তার শরীরে কয়েকটি ছেলে স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করে। অন্ধ মেয়েটি চাচা চাচা বলে চিৎকার করতে থাকে। তখন আন্ডারপাসে থাকা কেউ একজন তাকে রক্ষা করে। আশা জানায়, তার চাচা কিছু করে না। তার সঙ্গেই থাকে। তবে তার চাচী মানুষের বাসায় কাজ করে।
পরদিন রোববার গন্তব্য রায়ের বাজার বস্তিতে। অনেক খোঁজাখুজির পরেও মেলে না আশাদের বাড়ি। ছবি দেখালে আশাকে চেনে এক ভিক্ষুক। জানায় থাকে উত্তর বস্তিতে।
উত্তর বস্তিতে গিয়ে ছবি দেখালেও বাড়ি কোনটা বলতে পারে না কেউ। এই বস্তিতে বেশ কয়েকজন আছেন যারা আশাদের বসার স্থান নিয়ন্ত্রণ করেন। ২ শিফটে চলে তাদের ব্যবসা। সকালে লক্ষ্য অফিসগামী ও লেকে হাঁটতে আসা লোক। আর দুপুর থেকে চলে আরেক শিফট। জনবহুল স্থানে বসার জন্য প্রতি শিফটে দিতে হয় ৩০ টাকা করে। আর ২ শিফটে বসতে চাইলে দিতে হয় ৫০ টাকা। আর শুক্রবার মসজিদের সামনে বসতে দিতে হয় ২০ টাকা।
বস্তিতে আরো কয়েকজনের বরাদ দিয়ে জানা যায়, আশার চাচা কর্মক্ষম। তবে কোন কাজ করে না। আশার সঙ্গে থেকেই ভালো আয় হয়। আগে রিকশা চালাতো। এরপর কুলির কাজও করে কিছুদিন। এখন তার আয়ের উৎস আশা। বস্তিতে এমন প্রায় ৪ থেকে ৫ জন আছে যারা এসব ভিক্ষুকদের স্থান ঠিক করে দেয়। এরবিনিময়ে পায় অর্থ।
রোকন নামের এক ব্যক্তি ১২ জন ভিক্ষুকের বসার ব্যবস্থা করে দেয় বসুন্ধরা, পান্থপথ এলাকায়। রোকনকে টাকা দিয়েই আশা বসে বসুন্ধরার সামনে। এছাড়া রোকনের আছে একটি চায়ের দোকান। এই বস্তিতে এমন কাজ করে ৪ জন বলে জানা যায়। তাদের নাম জাহিদ, পলাশ, মিরন, শিকদার। তবে কাউকেই সে সময় পাওয়া যায়নি বস্তিতে।
বস্তিতে থাকা বিভিন্ন অসহায় পঙ্গু, অন্ধ, অপুষ্টি, মাথা বড় বাচ্চাকে তাদের পরিবারের লোকজন নিয়ে ভিক্ষা করায়। আবার এদের বাবা মা নিজে উপস্থিত না থাকতে পারলে শিশুগুলোকে ভাড়া দেয়। এসব বাচ্চার ভাড়া দেয়া হয় দৈনিক ৮০ থেকে ১০০ টাকায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবহেলিত সিরাজউদ্দৌলা, যত্নে আছে মীর জাফরের কবর by শাহেদ শফিক
![]() |
| বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সমাধি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এখন তো ছাত্র রাজনীতি নেই: -বিশিষ্টজনদের প্রতিক্রিয়া by মরিয়ম চম্পা

প্রধানমন্ত্রী অনেকগুলো কথা বলেছেন। তাতে মনে হয়েছে একটি কঠোর মনোভাবের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এবং আল্টিমেটলি ছাত্রলীগ, ছাত্রদল বা আরো যারা আছে এরা তো প্রকৃতপক্ষে দলের সঙ্গে মিশে গেছে। প্রকৃত দল আর এদের মধ্যে কোনো তফাৎ তো আমি দেখি না। তিনি বলেন, ছাত্ররাজনীতির যে অধঃপতন হয়েছে এর অন্যতম কারণ হচ্ছে টাকা পয়সা। এবং ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, বিভিন্ন লীগ নামধারী তারা একধরনের এত শক্তিশালী হয়েছে যে, প্রশাসনের পক্ষেও তাদেরকে নিভৃত করা সম্ভব হয় না। ছাত্ররাজনীতিকে পরিশুদ্ধ করতে প্রথমত আমি যেটা মনে করি, ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সরকার এবং প্রধান দলের একেবারে সম্পূর্ণরূপে কোনো সম্পর্ক না রাখা। এবং ছাত্রদের পরিচালিত ছাত্রলীগ, ছাত্রদল ইত্যাদি পরিচালিত হবে তাদের নিজস্ব সংবিধানে। নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের নেতাকর্মীদের নির্বাচিত করতে হবে। এবং ছাত্ররাজনীতি ছাত্রদের মধ্যে রাখতে হবে। যে মুহূর্তে তার ছাত্রত্ব থাকবে না সেই মুহূর্তে সে যে পদেই থাকুক না কেন তাকে পদত্যাগ করতে হবে। এবং আদর্শগতভাবে একটি দলের আদর্শ থাকতেই পারে। কিন্তু সেই ছাত্র সংগঠনকে একেবারে নিজের মধ্যে নিয়ে নেবে- এটা যতদিন থাকবে ততদিন দল পরিশুদ্ধ হবে না।
শিক্ষক ও বিশ্লেষক ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, যাদেরকে ভারপ্রাপ্ত করা হয়েছে তারা কোনো নতুন নেতৃত্ব না। যাদেরকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তারা তো ওই কমিটিরই লোক। কাজেই এটা কোনো নতুন নেতৃত্ব নয়। পুরান নেতৃত্ব। যা ছিল তাই। এখানে শুধুমাত্র দায়িত্ব বদল হয়েছে। এখানে নতুন নেতৃত্ব দেখছি না। যারা ইতিমধ্যে ছাত্র সংগঠনে আছেন তাদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। এটা নিয়ে যদি সরকার একটি তদন্ত কমিটি করে আসল ঘটনা বের হয় সেটাই হবে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এখন কাকে নতুন নেতৃত্ব দিয়েছে সেটা কিন্তু বড় বিষয় না। আমি তো মনে করি না এখন ছাত্ররাজনীতি বলে কিছু আছে দেশে। অথবা এটাকে লালন করার মতো কিছু আছে। এখন যেটা করা দরকার সেটা হলো আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনৈতিক দলগুলোকে ছাত্ররাজনীতি থেকে নিজেদের মুক্ত করা। ছাত্ররাজনীতি ছাত্র রাজনীতির মতোই গড়ে উঠুক। কোনো রাজনৈতিক দলের আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে অথবা তাদের অঙ্গ সংগঠন হয়ে কোনো ছাত্ররাজনীতি এদেশে থাকার প্রয়োজন নেই। ছাত্ররাজনীতি স্বাভাবিক পন্থায় ছাত্রদের মধ্যে থেকেই গড়ে উঠুক।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, ছাত্রলীগকে দিয়ে যে সব অনৈতিক কর্মকাণ্ড করানো হয় এটা তো ছাত্রলীগের দোষ না। কোটা আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক এগুলোকে দমন করা বা সরকারবিরোধী যেকোনো ছাত্র সংগঠনের আন্দোলনকে দমন করতে তাদেরকে যেভাবে ব্যবহার করা হয় এবং ছাত্রলীগকে যে সব কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত করা হয় এখানে তারা দোষী না। যারা করায় তাদের দোষ। নিজেরা ক্ষমতায় থাকার জন্য নিজেদের সুবিধার জন্য যারা ছাত্রলীগকে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত করায় তারা যদি নিজের জায়গায় থাকে আর দুজন ছাত্রলীগের নেতা পরিবর্তন হয় তাহলে ছাত্রলীগের শ্রেণি চরিত্র তো পরিবর্তন হবে না। আমার কাছে বরং দুঃখ লাগে যে, ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে এত বড় অবদান রেখেছে সেই সংগঠনকে আজকে কী পরিমাণ দূষিত করে ফেলা হয়েছে। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের মূল নেতৃত্ব ঠিক করতে হবে। তাদের নিয়ত যদি ভালো থাকে ছাত্রলীগ ভালোভাবে চলবে। তিনি বলেন, ছাত্ররাজনীতিকে পরিশুদ্ধ করার একমাত্র উপায় হচ্ছে ছাত্র রাজনীতিকে সম্পূর্ণভাবে মূল দল থেকে আলাদা করে দেয়া। এখন কে নেতা হবে সে সমস্ত কিছু মূল দল ঠিক করছে। এবং মূল দলের মধ্যে যতগুলো বিষয় থাকে সবগুলো ছাত্র সংগঠনের মধ্যে প্রতিফলিত হয়।
টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অপসারণ করার ঘটনাটি ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা যায়। আরো অনেক আগে হতে পারতো এরকম দৃষ্টান্ত। সময় অনেক অতিবাহিত হয়েছে। যে কারণে ঘটনা অনেক দূর গেছে। কারণ হচ্ছে অভিযোগের প্রেক্ষিতে তারা অপসারিত হয়েছে। কাজেই এই অপসারণ যথেষ্ট না। এখানে সুস্পষ্টভাবে একটি দুর্নীতি এবং অনিয়ম হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে। এটার জন্য অন্য যেকোনো নাগরিকদের মতো তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। এই সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বিভিন্নভাবে একই ধরনের অপরাধে জড়িত ছিল কিনা সেটা খতিয়ে দেখতে হবে। এ বিষয়ে যদি সরকার সত্যিকার অর্থেই প্রতিকার চায় তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন। দ্বিতীয়তঃ ছাত্র সংগঠন এই ঘটনা এককভাবে করেনি। নিশ্চয় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কারো কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা সেটা দেখতে হবে। এবং তাদেরকে যদি এই বিচারের ঊর্ধ্বে রাখা হয় তাহলে এই সমস্যার সমাধান কোনোদিন হবে না।
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, রাব্বানী আর শোভনের বিষয়ে যে ঘটনাটি ঘটেছে আমার কাছে একটু অবাকই লাগছে। ছাত্রলীগ তো বাংলাদেশের বা বাংলাদেশের রাজনীতির বাইরের কোনো অঙ্গন নয়। হঠাৎ করে এই দুটি ছেলের কাছে এত হাইয়েস্ট মোরাল বা উচ্চ মাত্রায় নৈতিকতা আশা করা কতটুকু যৌক্তিক। গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন স্থানে বলা হয়ে থাকে ছাত্রলীগের ঐতিহ্য। ছাত্রলীগের ঐতিহ্য তো আওয়ামী লীগের ঐতিহ্যের চেয়ে বড় না। বর্তমান এমপি/মন্ত্রীদের দুর্নীতির কথা যে প্রতিদিন শুনছি আমরা সেখানে ছাত্রলীগকে বাইরে রাখার কি আছে?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর সংকট: বন্দিদের রাখা হয়েছে নিজ অঞ্চল থেকে ৭শ কিলোমিটার দূরে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর নিয়ে ভারত সরকারের পদক্ষেপের ব্যাখ্যা চাইলো মার্কিন আদালত

আগামি ২২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একটি যৌথ সমাবেশে ভাষণ দেয়ার কথা রয়েছে নরেন্দ্র মোদির। এরইমধ্যে সেখানকার আদালতে তার সরকারের বিরুদ্ধে এমন নির্দেশনা জারি করা হলো। এর আগে টেক্সাসের হাউসটনে একটি জেলা আদালতে কাশ্মীর-খালিস্তান রেফারেন্ডাম ফ্রন্ট একটি অভিযোগ দাখিল করে। তার ভিত্তিতেই ওই আদালত এই নির্দেশনা জারি করলো। অভিযোগে বলা হয়, মোদি নেতৃত্বাধীন ভারত সরকার গত ৫ই আগস্ট কাশ্মীরের স্বশাসনের অধিকার বাতিল করে এর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে দেশটি। একইসঙ্গে সেখানে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার কথাও তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে আছে, অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ, যোগাযোগ বন্ধ করে অবরুদ্ধ অবস্থার সৃষ্টি, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অবৈধভাবে গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভুত হত্যাকাণ্ড।
অভিযোগপত্রের প্রধান বিষয় ছিলো, গত ১৪ সেপ্টেম্বর বার্তা সংস্থা এপির প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন। এতে সরাসরি কাশ্মীরিদের দেয়া সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে সেখানে চলা সহিংসতা ও ভারতীয় বাহিনীর হাতে বাছবিচারহীন গ্রেপ্তারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে অর্ধশতাধিক কাশ্মীরি এপিকে জানিয়েছে, কীভাবে অবরুদ্ধ অবস্থায় তাদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে ভারতীয় বাহিনী। স্থানীয়দের ধরা নিয়ে গিয়ে মারধর এবং কিছুক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক শক দেয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে এসব সাক্ষাৎকার থেকে। মার্কিন আদালত আরো বলেছে, কাশ্মীরে ভারতীয় বাহিনী যে নির্যাতন করেছে তার জন্য ক্ষতিগ্রস্থদের ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বদলে গেল ক্লাবপাড়ার দৃশ্যপট, তবে by শুভ্র দেব

হঠাৎ করেই থমকে গেছে মতিঝিলের ক্যাসিনো পাড়া। ব্যাংক পাড়া নামে খ্যাত এই এলাকাটি সরকারি ছুটির দিন ছাড়া অন্য সবদিনই ব্যস্ত থাকে। তবে সন্ধ্যার পর কিছুটা নীরব হয়ে যায়। কিন্তু মতিঝিলের একটি এলাকা কখনই নীরব হয় না। বরং দিনের চেয়ে সন্ধ্যার পর থেকে ভোররাত পর্যন্ত বেশি ব্যস্ত থাকত। মতিঝিল থানা থেকে তিন শ গজের ভেতরে চারটি ক্লাব। ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাব, ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাব, দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাব ও আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ। থানা রোডে আছে মোহামেডান ক্লাবসহ আরো কয়েকটি ক্লাব। ক্লাবগুলো খেলাধুলা বিষয়ক হলেও প্রতিটি ক্লাবেই চলে ক্যাসিনো। ঢাকায় এমন ৬০টি ক্যাসিনো আছে। এই প্রত্যেকটি ক্যাসিনোই পরিচালনা করতেন ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী একটি সংগঠনের প্রভাবশালী নেতারা। ক্লাবভেদে প্রতিটা ক্লাব নিতেন মোটা অঙ্কের টাকা। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বুধবার ঢাকার চারটি ক্লাবে অভিযান চালায়। ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাব, ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাব, গুলিস্তানের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র ও বনানীর গোল্ডেন ক্লাব সিলগালা করে দিয়েছে। এ ছাড়া দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাব ও আরামবাগ ক্রিড়া চক্র, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব অভিযানের খবর পেয়ে নিজেরাই বন্ধ করে দিয়েছে। এরপর থেকে ক্যাসিনো পাড়ায় জুয়াড়িদের আনাগোনা কমেছে। উৎসুক জনতা এসে ভিড় করছেন ক্যাসিনো দেখার জন্য। বন্ধ হয়ে গেছে আশেপাশের দোকানিদের বিক্রি।
এদিকে বুধবার ওই এলাকার ক্যাসিনোতে র্যাব অভিযান চালালেও বৃহস্পতিবার কোনো অভিযান চালায়নি। তাই সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন যদি নিয়মিত অভিযান চালানো হয় তবে ক্যাসিনো ফের চালু হয়ে যাবে। যদিও র্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিটা ক্যাসিনোতে অভিযান চালানো হবে। আর ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলামও বলেছেন, ঢাকায় কোনো ক্যাসিনো রাখা হবে না। সব বন্ধ করে দেয়া হবে।
বৃহস্পতিবার ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সামনের চা দোকানি খালেদ বলেন, এখন সবচেয়ে বড় ক্লাব ওয়ান্ডারার্স ক্লাব। রাতদিন রাজনৈতিক বড় বড় নেতা, শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, অভিনয় শিল্পি, সংগীত শিল্পি, সরকারি বড়বড় কর্মকর্তা, ধনী ঘরের ছেলেরা এখানে আসা যাওয়া করতেন। সবাই লাখ লাখ টাকা নিয়ে আসতেন। রাত গভীর হলে ক্লাবের সামনের সড়কে পা ফেলার জায়গা মিলত না। কোটি কোটি টাকার খেলা চলত। দুদিন ধরে কেমন জানি ঝিমিয়ে পড়েছে এলাকাটা। পাশাপাশি চারটি ক্লাব। তাই এখানকার ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততাও বেশি থাকত। রাতদিন সমানতালে বিক্রি হতো। ভেরাইটিজ পণ্যের দোকানি আবুল হোসেন বলেন, ক্লাব থেকে শুরু করে এখানকার দোকানপাট সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করতেন যুবলীগ নেতারা।
দুবছর আগে এক নেতা চাঁদাদাবি করে সবকটি দোকানে তালা দিয়েছিলেন। পরে সবাই ২/৩ লাখ করে টাকা দিয়ে আবার দোকান চালু করেছেন। এখানে যে কত ধরনের ব্যবসা হয় তার হিসাব নাই। জুয়া খেলে অনেকেই হেরে যেতেন। পরে তাদের মোবাইল, মোটরসাইকেল বন্ধক রেখে এখানকার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা দিতেন। ক্লাবে যারা খেলতে আসতেন তারা অনেকেই আমাদের দোকানে এসে কেনাকাটা করতেন। কিন্তু র্যাবের অভিযানের পর থেকে সব বন্ধ হয়ে গেছে। ইয়াংমেনস ক্লাবের সামনে সায়েম বলেন, কোটি টাকা দামের গাড়ি নিয়ে আসতেন অনেকে। দামি মোটরসাইকেলে করে আসতেন অনেক ধনীর দুলালরা। সারারাত এলাকাটা জমজমাট থাকত। বুধবারে র্যাব অভিযান চালিয়ে ১৪২ জনকে ধরে নিয়ে গেছে।
ভয় পেয়ে আশেপাশের সব ক্লাব বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাবের সামনে বেসরকারি চাকরিজীবী আল আমিন হোসেন বলেন, ডিউটি শেষ করে আমি সন্ধ্যার পর এই এলাকায় এসে সময় কাটাতাম। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতাম ঢাকার ভেতরে ও বাইরের কত মানুষ যে আসতেন। রাস্তার পাশে শতাধিক মোটরসাইকেল লাইন ধরে পার্কিং করা থাকত। কত ছেলেরা খেলায় হেরে কমদামে মোটরসাইকেল বিক্রি করে দিয়ে যেত। যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতারা ক্লাব পাড়ায় আসতেন। তারা সবাই ছিলেন, যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি সম্রাট, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ ও আরেকজন কাউন্সিলরের ক্যাডার বাহিনী। বড় নেতারা স্পটে কম আসতেন। এজন্য এই ক্যাডার বাহিনীই ক্যাসিনোর দেখাশুনা করত। মোহামেডান ক্লাবের নিরাপত্তাকর্মী বুলবুল বলেন, যারা আসা যাওয়া করতেন তাদের গাড়ি পার্কিং, ভেতরে প্রবেশের জন্য গেট খুলে দেয়া এসবই আমার কাজ ছিল। এই দুদিন ধরে কেউ আসা-যাওয়া করছেন না। রাত ১২টার দিকে গুলিস্তানের মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়া চক্রের সামনে গিয়ে দেখা যায় নেই মানুষের আনাগোনা। নীরব-নিস্তব্ধ ক্লাবটি। ক্লাবের বাইরের চা বিক্রেতা জামাল হোসেন বলেন, দুদিন ধরে পরিচিত-অপরিচিত কাউকেই দেখছি না। ক্যাসিনো চললে দম ফেলার সময় পেতাম না। সবসময় ব্যস্ততা লেগে থাকত।
জানা যায় নেপালি নাগরিকরাই ক্লাবের আড়ালে বসিয়েছে পশ্চিমা দেশের ধাঁচে ক্যাসিনো ব্যবসা। মূলত ১১ নেপালির হাত ধরেই ঢাকায় একের পর এক ক্যাসিনো গড়ে ওঠে। ক্ষমতাসীন দলের নেতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট এলাকার দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই নেপালিরা ক্যাসিনোর বিস্তার করে। ক্যাসিনো চালানোর জন্য তারা নেপাল থেকে প্রশিক্ষিত জুয়াড়িদের এনে কাজে লাগাত। ঢাকায় ক্যাসিনো বিস্তারে নেপালি নাগরিক বিনোদ, রাজকুমার, দিনেশ শর্মা, দিনেশ কুমার, ছোট রাজ কুমার, বল্লভ, বিজয়, সুরেশ বাটেল, কৃষ্ণা, জিতেন্দ্র ও নেপালি বাবা অন্যতম। এই ১১ নেপালি নাগরিকই ঢাকায় অর্ধশত ক্যাসিনো গড়ে তুলেছে। এই চক্রটিকে নিয়ন্ত্রণ করেন যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি ইসমাঈল হোসেন সম্রাট, খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। বিনিময়ে প্রতিটা ক্লাব থেকেই তারা প্রতিদিন নেন অন্তত ৪০ লাখ টাকা। র্যাবের হাতে আটকের পর খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া এ সংক্রান্ত অনেক তথ্যই দিয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাফিয়া ডন শামীম গ্রেপ্তার by রুদ্র মিজান ও আল আমিন

শামীমের কার্যালয় থেকে যা কিছু উদ্ধার: গতকাল সকাল ৭ টার দিকে র্যাবের একটি দল গুলশানের নিকেতনের ৫ নম্বর রোডের ১১৩ নম্বর বাসা ঘিরে ফেলে। ওই বাসার তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় জিকে শামীম তার পরিবার নিয়ে থাকেন। দুইটি ফ্ল্যাটকে তিনি ডুপ্লেক্স বাসা বানিয়েছিলেন। র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি সব কিছু গোপন করার চেষ্টা করেন। ওই বাসায় র্যাবের সদস্যরা তল্লাশি শেষ করে শামীমের অফিস ১১৪ নম্বর বাড়িতে যান। ওই বাড়ির দ্বিতীয় তলা ও তৃতীয় তলায় শামীমের বিলাসবহুল অফিস। সেখানে অভিযান চালিয়ে নগদ ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা, ১৬৫ কোটি টাকার বিভিন্ন ব্যাংকের এফডিআর, ১টি রিভলবার, ৪ টি বিদেশি মদের বোতল ও বিভিন্ন ব্যাংকের চেকবই উদ্ধার করা হয়। এসময় শামীমসহ তার ৭ দেহরক্ষীকে আটক করা হয়। র্যাব দেহরক্ষীর অস্ত্রগুলো জব্দ করে। আটককৃত দেহরক্ষীরা হলেন, শহিদুল ইসলাম, মুরাদ, দেলোয়ার, জাহেদ, সায়েম, আমিনুল ও কামাল। ভিআইপি এলাকায় র্যাবের অভিযানের কারণে ওই এলাকার লোকজন সেখানে ভিড় করে। তাদের ভিড় সামলাতে র্যাবের সদস্যদের বেগ পেতে হয়। অভিযান শেষে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম বিভাগের পরিচালক লে. কর্নেল সারোয়ার বিন কাশেম সাংবাদিকদের জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে সকাল থেকে আমরা শামীমের বাসা ও অফিসে অভিযান শুরু করি। এ সময় শামীম ও তার সাত জন দেহরক্ষীকে আটক করা হয়।
তিনি জানান, অভিযানে শামীমের অফিস থেকে তার একটি অত্যাধুনিক অস্ত্র ও দেহরক্ষীদের সাতটি শটগান এবং নগদ এক কোটি আশি লাখ টাকা, মোট ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআরের (১৪০ কোটি টাকার এফডিআর মায়ের নামে, বাকি ২৫ কোটি টাকার এফডিআর শামীমের নামে) কাগজ ও বিদেশি মদের কয়েকটি বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগ রয়েছে। আমরা সেসব তদন্ত করছি। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই তাকে আটক করা হয়েছে। যেসব টাকাগুলো উদ্ধার হয়েছে সেগুলো বৈধ না অবৈধ এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, অবৈধভাবে টাকাগুলো আয় করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তদন্ত প্রক্রিয়াধীন। তদন্ত শেষে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা হবে।
এসময় র্যাবের ভ্রামমাণ আদালতের মাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম সাংবাদিকদের জানান, শামীমের মায়ের নামে রয়েছে ১৪০ কোটি টাকার এফডিআর। তবে তার মায়ের নামে কোনও প্রতিষ্ঠান নেই। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখবো। শামীমের রাজনৈতিক পরিচয় বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার কোনও রাজনৈতিক পরিচয় আছে কিনা তা নির্ধারণ করবে তার দল ও নেতারা। এ দায়িত্ব আমাদের নয়। উদ্ধার হওয়া তার অস্ত্রের লাইসেন্স আছে কী-না প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, তার অস্ত্রের লাইসেন্স থাকলেও ওইসব অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার করা হতো বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। নিজেকে নির্দোষ প্রমানিত করলে তিনি ছাড়া পাবেন। আটক যুবলীগের নেতা খালেদের তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে কী-না প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন উত্তর দেননি। শামীমের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মো দিদারুল ইসলাম জানান, স্যার বাসায় ঘুমাচ্ছিলেন। র্যাবের কর্মকর্তারা তাকে ঘুম থেকে তুলে অফিসে নিয়ে আসে।
শামীমের উত্থান ও বিলাসী জীবন: মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান শামীম ঢাকায় শাহজাহানপুর, বাসাবো এলাকায় বড় হয়েছেন। শিক্ষক পরিবারের এই সন্তান থাকতেন টিনশেডের ঘরে। কিন্তু হঠাৎ করেই যেন আলাদীনের প্রদীপ পেয়ে যান হাতে। বদলে যায় তার জীবন-যাপন। এখন শত-শত কোটি টাকার মালিক জি কে শামীম। থাকেন বিলাসবহুল বাড়িতে, হাকান দামি গাড়ি। তার সেবায় রয়েছে অর্ধশত কর্মচারী। এরমধ্যে সাত জন রয়েছে তার সিকিউরিটি গার্ড। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার প্রথম পাঁচ বছরেই নিজের অবস্থান শক্তিশালী করেন শামীম। বাসাবো, কমলাপুর, ফকিরাপুল এলাকায় চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে নানা অপকর্মে জড়িত তার লোকজন। তবে বাসাবো এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে পা দেন না শামীম। যদিও এখান থেকেই তার উত্থান। এখন ওই এলাকা নিয়ন্ত্রন করে তারই লোকজন। বাসাবো এলাকায় সদ্য নির্মিত শামীমের ৫তলা ভবনে একটি ইউনিট গড়ে তোলা হচ্ছিলো তার সাঙ্গ-পাঙ্গদের বিনোদনের জন্য।
ওই ইউনিটের ডেকোরেশনের কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই জি কে শামীম গ্রেপ্তার হওয়ায় আতঙ্কে তার সঙ্গীরা। গতকাল বাসাবোর ওই বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে নিচ তলায় রয়েছে গ্যারেজ ও পার্লার। রয়েছে সিঁড়ি ও লিফট। বাড়িটি দেখাশোনা করেন জি কে শামীমের এলাকার লোক নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের মোহাম্মদ সায়েম। সায়েম জানান, তিন মাস যাবত এখানে আছেন। মাঝে-মধ্যে যুবলীগের স্থানীয় নেতারা ওই বাসায় গিয়ে আড্ডা দেন। বাসাটি নতুন হওয়ায় সিনিয়ররা আসেন না। তারা অন্য বাসায় আড্ডা দেন বলে জানান তিনি। এ বাড়ির তৃতীয় তলায় একটি ইউনিট তাদের জন্য করা হয়েছে বলে জানান সায়েম। বাসাবো এলাকার এক ব্যবসায়ী জানান, বাসাবো এলাকায় দুটি বাসা রয়েছে যেখানে রাত হলেই শামীমের লোকজন নারী ও মদে মত্ত হয়ে থাকতো। শামীমের কথার অবাধ্য হলে প্রকাশ্যে লোকজনকে ধরে নিয়ে যাওয়া হতো। বাসায় আটকে রাতভর নির্যাতন করে ছেড়ে দিতো। এমনকি রাজনৈতিক মামলায় আসামি করা হতো তাদের। এজন্য প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলেন না। ফকিরাপুলের একজন ব্যবসায়ী জানান, তার দোকানের সামনে ফুটপাতে দোকান বসিয়েছিলো শামীমের লোকজন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় তার ছেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় কমলাপুরে টর্চার সেলে।সেখানে বেদম মারধর করা হয়। এ ঘটনায় মামলার করারও সাহস পাননি এই ব্যবসায়ী।
এলাকাবাসী জানান, শামীমকে সন্ত্রাসী হিসেবেই জানেন এলাকার লোকজন। এই সরকারের আমলে আঙুল ফুলে কালাগাছ হয়েছেন তিনি। বাসাবো, শাহজাহানপুর এলাকাতে সাতটি বাড়ি রয়েছে তার। ওই এলাকায় শামীমের হয়ে নিয়ন্ত্রন করেন দুই জন। শামীমের সময় কাটে কমলাপুর, কাকরাইল ও গুলশানে। গুলশানের নিকেতনের বিলাসবহুল বাড়িতেই বেশি সময় কাটাতেন শামীম। তার অফিস হিসেবে ব্যবহৃত বাড়ির তৃতীয় তলায় রয়েছে শামীমের বসার কক্ষ। বাড়িটি সাজানোর জন্য চায়না থেকে বিভিন্ন ধরণের ল্যাম্প আনেন। প্রায় ৩০ ফুট লম্বা ও ২০ ফুট চওড়া কক্ষটিতে প্রায় রাতেই ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিতেন। কখনও কখনও নামিদামি মডেল, নায়িকারা ভিড় করতেন তার এখানে। এছাড়া দেশের বাইরেই বেশি থাকতেন তিনি। নেপাল, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ে বেশি আসা-যাওয়া করতেন তিনি। তার ঘনিষ্ঠরা জানান, মালয়েশিয়া ও নেপালে ব্যবসা রয়েছে তার।
তবে সাত আট বছর আগেও শামীমের আড্ডা ছিলো বাসাবো এলাকায়। ওই সময় থেকেই বিভিন্ন ক্লাবে জুয়ার আসরে রাত কাটাতেন তিনি। ঘুমাতেন দিনভর। এমনকি ঢাকার আশপাশে মাদারীপুর, শরীয়তপুর, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর এলাকায় জুয়ার আয়োজন করতো তার লোকজন। প্রশাসন ম্যানেজ থেকে শুরু করে আর্থিক কাজগুলো করতেন তিনি। জি কে শামীমের আরেকটি সিন্ডিকেট রয়েছে যারা ফুটপাত থেকে চাঁদা আদায় করে নিয়মিত। স্থানীয় যুবলীগের নেতাকর্মীদের দিয়ে এসব অপকর্ম করতেন শামীম। এমনকি মাদক ব্যবসায়ীরাও মাসোহারা দিতো তাদের। ঠিকাদার হিসেবে তিনি গণপূর্ত ভবনের কাজ বাগিয়ে নেন সহজেই। এই চক্রে রয়েছে প্রভাবশালী বেশ কয়েক যুবলীগ নেতা ও সরকারি কর্মকর্তা। অন্য ঠিকাদারদের মুখ বন্ধ করতে রয়েছে শামীম বাহিনীর অস্ত্র। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ঠিকাদার জানান, অনিয়ম করে কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় কাজ বাগিয়ে নেয় এই চক্রটি। এ নিয়ে কথা বলার সাহস কারও নেই। সন্ত্রাসী ও অস্ত্র সবই তাদের। অস্ত্র ও সিকিউরিটি গার্ড ছাড়া চলাফেরা করেন না শামীম। গত ১০ বছর যাবত দামি দামি গাড়ি ব্যবহার করেন তিনি। বাসা থেকে বের হলেই নিরাপত্তা বলয়ে থাকেন তিনি। জি কে শামীমের এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি জানান, সন্ধ্যার পর চাঁদাবাজি ও জুয়ার আসরের টাকা বস্তায় ভরে নিয়ে যাওয়া হতো কাকরাইলে। সেখানে তাদের এক নেতার অফিসে ভাগ বাটোয়ারা হতো এসব টাকার। ওই অফিসে ঢাকা দক্ষিণ এলাকার আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা হাজির হতেন।
জি কে শামীমের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সন্মানদী ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া গ্রামে। তার পিতা মৃত মো. আফসার উদ্দিন। তিনি ছিলেন শিক্ষক। তবে কৈশোর থেকেই শামীম থাকতেন ঢাকায়। সুবিধাবাদী হিসেবে পরিচিত শামীম গত বিএনপি সরকারের আমলে যুবদলের রাজনীতি করতেন। ক্ষমতার পালা বদলে মিশে যান যুবলীগের সঙ্গে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রে পালালেন পাকিস্তানি অধিকারকর্মী গুলালাই

গুলালাইয়ের ওপর পাকিস্তানে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। তা সত্ত্বেও কীভাবে দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পৌছেছেন সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি। কেবল বলেছেন, পালাতে কোনো বিমানবন্দর ব্যবহার করেননি। তার বিরুদ্ধে পাকিস্তানে রাষ্ট্র-বিরোধী কার্যক্রমে জড়িত থাকা ও সহিংসতা উস্কে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় গণমাধ্যম অনুসারে, বর্তমানে নিউ ইয়র্কে তার বোনের সঙ্গে অবস্থান করছেন ৩৩ বছর বয়সী গুলালাই। যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
গুলালাই ইসমাইল কে?
বহু বছর ধরে পাকিস্তানে মানবাধিকার লঙ্ঘন, বিশেষ করে নারী ও মেয়েদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের স্পষ্টভাষী সমালোচনা করে আসছেন গুলালাই। খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে ১৬ বছর বয়সে কম বয়সী মেয়েদের মানবাধিকার সম্পর্কে শিক্ষা দিতে ‘অ্যাওয়ার গার্লস’ নামে একটি এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। ২০১৩ সালে ১০০ নারী সদস্যকে নিয়ে একটি দল গঠন করেন তিনি। তারা গৃহ নির্যাতন ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কাজ করতো। তার কাজের জন্য তিনি একাধিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
তাকে ২০১৮ সালে প্রথমবার গ্রেপ্তার করা হয়। লন্ডন থেকে এক সফর শেষে ফেরার পরপরই গ্রেপ্তার হন তিনি। সেসময় তিনিসহ মোট ১৯ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী বক্তব্য দেয়ার অভিযোগ আনা হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তাকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়। এক বিক্ষোভের সময় পিটিএম কর্মী আরমান লুনির মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার হন তিনি। তবে অভিযোগ রয়েছে যে, পুলিশের মারধরে আরমানের মৃত্যু হয়েছিল। যদিও পুলিশ সে অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। মে মাসে ১০ বছর বয়সী এক কন্যা শিশুর ধর্ষণ ও হত্যার বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে রাষ্ট্র ও অন্যান্য জাতীয়তার বিরুদ্ধে উস্কানি দেয়ার অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। তখন থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
পাকিস্তাব থেকে পালানোর আগে তার বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। কীভাবে দেশ ছেড়েছেন সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছুই জানাননি তিনি। কেবল বলেছেন যে, আকাশপথে যুক্তরাষ্ট্রে পৌছাননি। শ্রীলংকা হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পৌছেছেন। পাকিস্তানি নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই শ্রীলংকা যেতে পারেন।
পালানোর আগে আত্মগোপন থাকার সময় নিয়েও কিছুই খুলে বলেননি গুলালাই। তার আশঙ্কা, ওই বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করলে তাকে দেশ ছাড়তে সাহায্যকারীরা ঝুঁকিতে পড়বেন। গুলালাইয়ের বাবা মোহাম্মদ ইসমাইল জানান, তার বিরুদ্ধে পাকিস্তানি আদালতে ছয়টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিজের প্রাণনাশের ঝুঁকি রয়েছে, এমন আশঙ্কা থেকে দেশ ছেড়েছেন গুলালাই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বের সবচেয়ে ছোট দেশ, জনসংখ্যা মাত্র ৫৬!

১৭৯০ সালে পিটকার্নে জনবসতি গড়ে ওঠে। শোনা যায়, ১৭৮৯ সালে ব্রিটিশ নৌসেনার এক দল সেনা বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। ব্রিটিশ নৌসেনার তাহিতিগামী জাহাজের ক্যাপ্টেনকে জাহাজ থেকে ছোট নৌকায় জোর করে চড়িয়ে দিয়ে জাহাজের দখল নেয় তারা। পরে তাহিতি পৌঁছায় ওই বিদ্রোহী নৌবাহিনীর সদস্যরা। কিন্তু সেখানেও তাদের বেশি দিন থাকা হয়নি। ব্রিটিশ প্রশাসনের শাস্তির হাত থেকে বাঁচতে তাহিতি ছেড়ে তারা সকলে পিটকার্ন চলে যান। এই সময় ওই বিদ্রোহী ব্রিটিশ নৌ বাহিনীর সদস্যর সঙ্গে তাহিতির কিছু মানুষও পিটকার্ন চলে যান। আশ্রয় নেন ছোট্ট এই দ্বীপে। আর তখন থেকেই এখানে জনবসতি গড়ে ওঠে। সে সময়ের ওই বিদ্রোহী ব্রিটিশ নৌবাহিনীর সদস্যরা আর তাদের সঙ্গী তাহিতির বাসিন্দাদের বংশধররাই আজ পিটকার্নের নাগরিক।
এখন যে ক’জন মানুষ পিটকার্নে রয়েছেন, তারা মূলত চারটি পরিবারের সদস্য। পাহাড়, জঙ্গল আর সমুদ্রে ঘেরা অপূর্ব প্রাকৃতিক শোভা নিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে মাঝে ভেসে রয়েছে এই দেশ। ২০১০ সালে পিটকার্নের জনসংখ্যা ছিল ৪৫। ২০১৩ সালে আদমশুমারি করে দেখা যায় তা সামান্য বেড়ে হয়েছে ৫৬। জাতিসঙ্ঘ পিটকার্ন আইল্যান্ডসকে স্বশাসিত রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয়নি। তাই এই দেশের প্রশাসনিক দায়িত্ব রয়েছে ব্রিটেনের ওপর।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তদন্তের জালে ছাত্রলীগের শতাধিক নেতা

যারা বিগত সোহাগ-জাকির নেতৃত্বাধীন কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। কিন্তু শোভন-রাব্বানী এদের অনেককেই কমিটিতে রাখেননি। আবার যাদের রেখেছেন তাদেরও যোগ্য মূল্যায়ন হয়নি বলে দাবি তাদের। এরপর পদবঞ্চিতরা ৩০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটিতে থাকা বিতর্কিত ১০৫ জনের তালিকা প্রকাশ করে। এদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, কমিটি বাণিজ্য, মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকা, বিবাহিত, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, বয়সোর্ধ্ব, অছাত্র বিএনপি-জামায়াত পরিবারের সন্তান এবং রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগ আনা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, পদ পাওয়া এসব নেতা স্ব স্ব পদের জন্য অযোগ্য। পদবঞ্চিতরা এদের কমিটি থেকে বাদ দিতে লাগাতার আন্দোলন করলেও শোভন-রাব্বানী তাতে কর্ণপাত করেননি। উল্টো মারধরের শিকার হয়েছেন পদবঞ্চিতরা। একপর্যায়ে তীব্র চাপের মুখে বিতর্কিত ১৯ জনের পদ শূন্য ঘোষণা করলেও তাদের তালিকা প্রকাশ করেননি। এমনকি ঘোষণা দেয়ার পরও তাদের পদ থেকে বাদ দেননি।
তাই ক্ষোভ বাড়ে পদবঞ্চিতদের। সম্প্রতি একটি গোয়েন্দা সংস্থা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে থাকা বিতর্কিত ৭২ জনের একটি তালিকা তৈরি করে। যেখানে মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছয়জন। ১৫ জন বিবাহিত। প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এমন একাধিক নেতাও কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন। জামায়াত পরিবারের সন্তান ও গোপনে শিবিরের রাজনীতি করেছেন এ রকম কয়েকজনও ছাত্রলীগের পদে আছেন। সদ্য পদত্যাগকারী ছাত্রলীগ সেক্রেটারি গোলাম রাব্বানীর জেলা মাদারীপুর থেকেই কমিটিতে ঠাঁই হয়েছে ২২ জনের। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের হস্তক্ষেপে উদ্ভূত সংকট নিরসন করা যেতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়। এদিকে, আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের একজন নেতা জানিয়েছেন, ছাত্রলীগসহ সব সহযোগী সংগঠনের নেতাদের নজরদারিতে রেখেছেন শেখ হাসিনা। যেকোনো সময় ছাত্রলীগের মতো শুদ্ধি অভিযান চলবে এসব সংগঠনেও। এ নেতা জানান, শোভন ও রাব্বানীকে অব্যাহতি দেয়া হলেও ছাত্রলীগের আরো অনেকের বিরুদ্ধে চলছে তদন্ত। যারা বিভিন্ন কমিটি থেকে নানা অপকর্মে নিজেদের জড়িয়ে রেখেছেন।
এদের মধ্যে আছেন বিএনপি-জামায়াত পরিবারের সন্তানও। তাই যেকোনো সময় এসব নেতাকেও বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত আসতে পারে। সেজন্য ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকেও নির্দেশনা দেয়া হবে। এ নেতা বলেন, এরা ছাত্রলীগে থেকে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। এদিকে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এবারই প্রথম এ সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। এর আগে কাউকে এমন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়নি। ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক দেয়া হলেও সংগঠনে শৃঙ্খলা ফিরবে কিনা তা নিয়ে চিন্তিত অভিভাবক সংগঠন আওয়ামী লীগও। জয়-লেখককে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বলয় তৈরি হলেও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে অনুমান করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাই ছাত্রলীগের আগাম সম্মেলনের কথা ভাবছে আওয়ামী লীগ। ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাধারণ সম্পাদককে পূর্ণ সাংগঠিক ক্ষমতা দেয়া হলেও সম্মেলনের প্রস্তুতি নিতে তাদের বলা হয়েছে। বুধবার রাতে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের সম্মেলনের পরপরই ছাত্রলীগের সম্মেলনের আয়োজন করতে শীর্ষ নেতাদের নির্দেশনা দেয়া হবে। আবার পরিস্থিতি ডিমান্ড করলে আওয়ামী লীগের সম্মেলনের আগেই ছাত্রলীগের সম্মেলন করতে হতে পারে। সার্বিক বিষয়ে জানতে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সন্ধ্যা হলেই আলোকিত হয় ধরন্তির হাওর by অর্পিতা চৌধুরী

সন্ধ্যা হলেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এই ধরন্তির হাওরসহ উপজেলা সরাইল বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের দুই পাশ স্বয়ংক্রিতভাবে জ্বলে ওঠে সৌরবিদ্যুত্-চালিত সড়কবাতি। আবার সকাল হলেই স্বয়ংক্রিতভাবে নিভে যায় বাতিগুলো। কিন্তু রাতে দিনের মতো ঝলমলে আলো দিয়ে থাকে। দৃষ্টিনন্দন এসব সৌরবাতির আলো হাওরের শোভা বাড়িয়ে তুলেছে অনেকগুণ। বিদ্যুত্সাশ্রয়ী এই প্রকল্প ইতিমধ্যেই উপজেলায় প্রশংসা অর্জনেও সক্ষম হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় সৌরবিদ্যুত্-চালিত সড়কবাতির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হাওরবাসী। শুধু তা-ই নয়, এসব সড়কবাতির ব্যবহারে উপজেলা চুরি, ছিনতাইসহ অন্যান্য অপকর্মকাণ্ড কমে আসছে। স্থানীয়রা জানায়, আগে হাওরের দুই পাশে বাতি না থাকার কারণে অনেক সময় চুরি, ছিনতাই হতো। মাদকসেবীরা এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মাদক সেবন করত। তবে এই সৌরবাতি স্থাপনের পর এই চিত্র পরিবর্তিত হয়েছে। চুরি-ডাকাতি কমে আসছে। রাতে হাওরের দুই পারের মানুষ নির্ভয়ে চলতে পারে। ধরন্তি হাওরপারের চায়ের দোকানদার আনোয়ার হোসেন বলেন, বিগত দিনে হাওরের এই দীর্ঘ সড়কে কোনো আলোর ব্যবস্থা ছিল না। এখানে অনেক ডাকাতির ঘটনা ঘটত। রাতে এই সড়কে কোনো মানুষ চলাচল করত না। সৌরবিদ্যুতায়িত সড়ক বাতি স্থাপনের পর আমরা নিরাপদে চলাচল করতে পারছি। এখন রাতের বেলায় সার্বক্ষণিক আলোকিত থাকে। তবে দীর্ঘ এই সড়কের এই কিছু অংশ এখনো অন্ধকার রয়ে গেছে। সরকার যদি বাকি অংশটুকু সৌরবাতির ব্যবস্থা করে দিত, তাহলে এই এলাকার মানুষের জন্য অনেক উপকার হবে। এই এলাকার বাসিন্দা হাতিম বলেন, এক বছর আগে বসানো হয়েছে এই সৌরবাতিগুলো এবং এখন পর্যন্ত কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয় নাই। এখন আর রাতে চলাচল করতে কোনো অসুবিধা হয় না। আগে ডাকাতির ভয়ে রাত হলে এই সড়ক দিয়ে কোনো মানুষ চলাচল করতে পারত। এখন এই ভয় আর নেই।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার সরাইল গ্রামের অন্নদা সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিক বলেন, সৌরবিদ্যুতের গ্রামের মানুষের অনেক উপকার হয়েছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় বিদ্যুত্ নেই। এ ছাড়া এই আলো নিতে সাধারণ মানুষের কোনো টাকা দিতে হয় না। অন্যদিকে পরিবেশের কোনো ক্ষতি সাধন করে না। আমার বিদ্যালয়ের সামনে আগামী মাসে বসানো হবে দুই সৌরবিদ্যুত্ বাতি, যা ছাত্রছাত্রীসহ গ্রামের মানুষের উপকারে আসবে আশা করি। শুধু হাওরের নয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সারাইল উপজেলায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এসব সৌরবাতি বসানো হয়েছে। সোলার কোম্পানির পক্ষে থেকে জানানো হয়েছে, গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ/ সংস্কার (টিআর/কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় চার অর্থবছরে মসজিদে ও মাদ্রাসা স্কুল ও কলেজ, সরকারি কার্যালয় ও বসতবাড়িতে ৩ হাজার ২৪৭টি সোলার হোম সিস্টেম বসানো হয়েছে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সড়কে ৫৯২টি সোলার ও সড়কবাতি এবং ৪০টি সোলার এসি/ডিসি সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। এতে টিআর ও কাবিটা প্রকল্পের ৮ কোটি ৫৮ লাখ ১৪ হাজার ৯৪৬ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। রুরাল সার্ভিসেস ফাউন্ডেশন ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেছেন, ২০০৬ সাল থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে সচেতনতা তৈরি এবং সম্প্রসারণে কাজ করে আসছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলকে আলোকিত করার পাশাপাশি এ প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ, বিনামূল্যে সোলার বিদ্যুত্’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় নিরলসভাবে কাজ করে এই প্রকল্পকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সরকারের টিআর/কাবিটা কর্মসূচির আওতায় সোলার বিদ্যুত্ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে গ্রামীণ জনপদের কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং বেকার সমস্যা দূরীকরণসহ সার্বিকভাবে আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। আমরা সরকারের টিআর/কাবিটা প্রকল্পের সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
>>>লেখক : উন্নয়নকর্মী
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে গত দুই বছরে সিজারিয়ানের হার বেড়েছে ৫১ শতাংশ
| বাংলাদেশে কেন বাড়ছে সিজারিয়ান প্রসব? |
বিষয়টিকে অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার উল্লেখ করে সংস্থাটি বলছে, এতে বাবা-মায়েদের সন্তান জন্মদানে ব্যাপক পরিমাণে খরচের ভার বহন করতে হচ্ছে।
প্রতিবেদনে যা উঠে এসেছে
২০১৮ সালে বাংলাদেশি বাবা-মায়েরা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান জন্মদানে খরচ করেছেন প্রায় চার কোটি টাকার বেশি।
জনপ্রতি গড়ে তা ছিল ৫১ হাজার টাকার বেশি। সিজারিয়ানে সন্তান জন্মদানের হার বাংলাদেশের বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে মারাত্মক হারে বেশি।
বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে যত শিশু জন্ম নেয় তার ৮০ শতাংশই হয় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে।
সংস্থাটি আরও বলছে, ২০১৮ সালে যত সিজারিয়ান হয়েছে তার ৭৭ শতাংশই চিকিৎসাগতভাবে অপ্রয়োজনীয় ছিল। কিন্তু তারপরও এমন সিজারিয়ান হচ্ছে।
প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়, ২০০৪ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রসবকালীন অস্ত্রোপচার ৪ থেকে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
![]() |
| ২০১৮ সালে যত সিজারিয়ান হয়েছে তার ৭৭ শতাংশই চিকিৎসাগতভাবে অপ্রয়োজনীয় ছিল। |
এমন প্রবণতার জন্য সংস্থাটি আংশিকভাবে বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবা খাতের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করছে।
সংস্থাটি বলছে কিছু অসাধু চিকিৎসক এর জন্য দায়ী, যাদের কাছে সিজারিয়ান একটি লাভজনক ব্যবসা।
বাংলাদেশে সেভ দ্য চিলড্রেনের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর এবং নবজাতক ও মাতৃ-স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডঃ ইশতিয়াক মান্নান বলছেন, "চিকিৎসক এবং চিকিৎসা সুবিধা আসলে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে না গিয়ে অস্ত্রোপচার করতে অনুপ্রাণিত করে।"
ডঃ মান্নান আরও বলছেন, "অস্ত্রোপচারের এই জনপ্রিয়তা এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করেছে যে দিনকে দিন মায়েরা আরও বেশি এই অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের দিকে ঝুঁকছেন।"
সিজারিয়ানের কয়েকটি ঝুঁকি
শিশু জন্মে অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের ফলে ইনফেকশন, মাত্রাতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, অঙ্গহানি, জমাট রক্ত ইত্যাদির কারণে মায়েদের সুস্থতা ফিরে পেতে প্রাকৃতিক প্রসবের তুলনায় অনেক দীর্ঘ সময় লাগে। মা ও শিশু উভয়কেই এমন অস্ত্রোপচার ঝুঁকিতে ফেলে।
এছাড়া সিজারিয়ানের কারণে প্রাকৃতিক জন্মের লাভজনক দিকগুলোও নষ্ট হতে পারে।
যেমন, শিশু মায়ের প্রসবের পথ দিয়ে যদি স্বাভাবিকভাবে বের হয় তাহলে তার শরীর কিছু ভালো ব্যাকটেরিয়া গ্রহণ করতে পারে।
![]() |
| সিজারিয়ান প্রাকৃতিক জন্মের উপকারী দিকগুলোও নষ্ট করে ফেলে। |
অস্ত্রোপচারের ফলে এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সে যেতে পারে না।
এছাড়া মায়ের বুকের দুধ পান করার জন্য মায়ের সাথে শিশুর যে শারীরিক নৈকট্যে আসা দরকার সিজারিয়ান হলে সেটি প্রয়োজনের তুলনায় দেরিতে ঘটে।
কারণ মায়ের সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য শিশুকে তখন কিছু সময় দুরে রাখা হয়।
প্রশিক্ষিত ধাত্রীর অভাব
বাংলাদেশে এক সময় বাড়িতে ধাত্রীর কাছেই সন্তান জন্মদান স্বাভাবিক ছিল।
বিভিন্ন জটিলতা ও মাতৃমৃত্যু কমাতে হাসপাতাল বা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসবকালে মায়েদের নিয়ে যাওয়ার জন্য এক পর্যায়ে প্রচারণা শুরু হয়।
কিন্তু তবুও প্রশিক্ষিত ধাত্রীর প্রয়োজন নিয়েও অনেকে মত প্রকাশ করেন।
বিশ্বব্যাপী অনেক দেশেই হাসপাতালেই ধাত্রী নিয়োগের প্রথা রয়েছে।
যেখানে অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসকের পরামর্শ ও পর্যবেক্ষণে ধাত্রীর দ্বারা শিশুর জন্ম হয়ে থাকে।
বাংলাদেশে প্রশিক্ষিত ধাত্রীর অভাব একটি বড় সমস্যা।
সেভ দ্য চিলড্রেনের হিসেবে, বাংলাদেশে বর্তমানে মাত্র ২৫০০ জন স্বীকৃত ধাত্রী রয়েছেন।
তবে তাদের গবেষণা অনুযায়ী, দেশে ২২ হাজার মিডওয়াইফ প্রয়োজন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৫০ দেশে শুরু হলো বিশ্ব জলবায়ু আন্দোলন

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের সম্মুখভাবে রয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়লে ডুবে যাবে অসংখ্য শহর। তাই জলবায়ু পরিবর্তন থামাতে বৈশ্বিক পর্যায়ে জরুরি-ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক। সরকারের প্রতি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়ে শুক্রবার নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও থাইল্যান্ডসহ রাস্তায় নেমে এসেছে ওই অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ।
টুইটারে আন্দোলনের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন থুনবার্গ। এক টুইটে লিখেছেন, অবিশ্বাস্য সব ছবি দেখতে পাচ্ছি। সিডনীতে জনতার সমাবেশ বড় হয়ে ওঠছে। অস্ট্রেলিয়া আন্দোলনের মানদ- ঠিক করে দিচ্ছে। প্রসঙ্গত, শুক্রবার নিউ ইয়র্ক থেকে বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেয়ার কথা রয়েছে তার। উল্লেখ্য, পরিবেশ নিয়ে কাজ করার অবদানস্বরূপ থুনবার্গকে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে ইতোমধ্যে। এই আন্দোলনের শুরু হয় তার হাত ধরেই। এই স্কুল-পড়–য়া বিশ্বখ্যাত পরিবেশকর্মীই প্রথম ক্লাস পালিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে প্রতিবাদ করতে সুইডিশ পার্লামেন্টের বাইরে জড়ো হয়েছিল। তার ভাষ্য, বেশিরভাগ বড়রা এখনো বুঝতে পারে না জলবায়ু সংকট মোকাবিলা কেবলমাত্র আমাদের মতো তরুণদের পক্ষে সম্ভব নয়। এটা একটি নির্দিষ্ট কোনো প্রজন্মের কাজ নয়। এটা আমাদের পুরো মানবজাতির দায়িত্ব।
সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ১১০টি শহরে এই আন্দোলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় কয়লা ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানিকারী দেশ অস্ট্রেলিয়া। আন্দোলনকারীরা দেশটির সরকারকে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমণ শূন্যের কোথায় নিয়ে আসার প্রতিশ্রুতি দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। আন্দোলনের অংশ নেয়ার জন্য দেশটির অন্তত ২০০০ প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মীদের সাময়িক ছুটি দিয়েছে।
শুক্রবার সর্বমোট ১৫০টি দেশে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে আন্দোলন হওয়ার কথা রয়েছে। সবশেষে নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত হবে শুক্রবারের সমাপনী আন্দোলন। থুনবার্গের নেতৃত্বে এদিন শহরজুড়ে আন্দোলন হবে। আন্দোলন শেষে পদযাত্রা হবে জাতিসংঘের সদরদপ্তরের উদ্দেশ্যে। নিউ ইয়র্কে এদিন ১১ লাখ শিশুর জড়ো হওয়ার কথা রয়েছে। ১৮০০টি সরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের এদিন ক্লাস বাদ দেয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ২৩ সেপ্টেম্বর শহরটিতে জাতিসংঘের সম্মেলনে অংশ নেবেন বিশ্বের শীর্ষ নেতারা। জলবায়ু পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন তারা।
এদিকে, বিশ্বজুড়ে আন্দোলন হলেও বিশ্বের সবচেয়ে বড় কার্বন নির্গমনকারী দেশ চীনে আন্দোলনের অনুমোদন দেয়া হয়নি। চীনের ইয়ুথ ক্লাইমেট একশন নেটওয়ার্কের প্রধান ঝেং শিয়াওয়েন জানান, প্রয়োজনে অনুমোদন ছাড়াই চীনের তরুণরা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেবে। তিনি বলেন, চীনের তরুণদের নিজস্ব পদ্ধতি রয়েছে। আমরাও জলবায়ু নিয়ে উদ্বিগ্ন। জলবায়ু নিয়ে আমরা গভীরভাবে চিন্তা করছি, কাজ করছি। আমাদের সঙ্গে বহু মানুষ এই ইস্যুতে একমত পোষণ করে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভাসে পেয়ারা, আমরাও ভাসি বই কী! by কাউসার রুশো

![]() |
| ভীমরুলি পেয়ার বাজার |
কখন যাবেন
জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পেয়ারার মৌসুম। পেয়ারার মৌসুম শেষ হলে শুরু হয় আমড়ার মৌসুম। এ অঞ্চলে আমড়ার ফলন অনেক বেশি। আর সবশেষে আসে সুপারি। তবে ভাসমান পেয়ারার বাজার জমজমাট রূপ লাভ করে আগস্টের মাঝামাঝি থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যভাগ পর্যন্ত।যেভাবে যাবেন
বানারীপাড়া পৌঁছে সেখান থেকে সারাদিনের জন্য ট্রলার ভাড়া নেওয়া যাবে। ভাড়া ১৫০০-২০০০ টাকার মতো। আকারভেদে প্রতিটি ট্রলারে ১৫-২৫ জন বসতে পারে।
কোথায় থাকবেন
ভাসমান পেয়ারা বাজার দেখার ভ্রমণে হোটেলে থাকার প্রয়োজন নেই। ঢাকা থেকে সন্ধ্যার লঞ্চে গিয়ে আবার বরিশাল থেকে সন্ধ্যার লঞ্চেই ঢাকায় ফিরে আসা যাবে। কেউ থাকতে চাইলে বরিশাল শহরের হোটেলে থাকাই শ্রেয়। এখানে রয়েছে বিভিন্ন মানের হোটেল।কোথায় খাবেন
সতর্কতা
যেহেতু পুরোটাই জলপথে ঘুরতে হবে তাই বর্ষায় বেড়াতে গেলে অবশ্যই কিছু সতর্কতা অবলম্বন জরুরি। রেইনকোট, লাইফ জ্যাকেট, মোবাইল ফোন ও টাকা-পয়সা রাখার জন্য ওয়াটার প্রুফ ব্যাগ বা পলিথিন, প্রয়োজনীয় ওষুধ ইত্যাদি নেওয়া দরকারি। নদী-খালসহ যত্রতত্র আবর্জনা ফেলে ভ্রমণের পরিবেশ নষ্ট করবেন না।About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেরিয়ে এলো সাড়ে ৩ হাজার বছরের পুরনো রহস্যময় প্রাসাদ

এই সাম্রাজ্য সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য গবেষকদের কাছে নেই। এমনকি বর্তমান সিরিয়ার কিছু অংশ ও মেসোপটেমিয়ার উত্তরাঞ্চল নিয়ে গঠিত ঐ সাম্রাজ্যের রাজধানী কোথায় ছিল, তাও জানেন না গবেষকরা।
গতবছর এই প্রাসাদের সন্ধান পাওয়ার পর একদল জার্মান ও কুর্দি প্রত্নতত্ত্ববিদ প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন।
টাইগ্রিস নদীর তীরে খুঁজে পাওয়া প্রায় ৩ হাজার ৪০০ বছর আগের এই প্রাসাদ রহস্যময় মিত্তানি সাম্রাজ্যের সময়কার বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছে জার্মানিক ট্যুবিঙেন বিশ্ববিদ্যালয়।
‘‘প্রাচীন মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে কম গবেষণা হওয়া সাম্রাজ্যগুলোর মধ্যে মিত্তানি একটি,'' বলেন ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ববিদ ইভানা পুলিৎস। ‘‘এমনকি মিত্তানির রাজধানী সম্পর্কেও জানা যায় না,'' যোগ করেন তিনি।
জার্মান ও কুর্দি প্রত্নতত্ত্ববিদরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঐ প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধারের চেষ্টা করছেন, কেননা পানি বেড়ে গিয়ে আবারও তা তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এখন পর্যন্ত তারা দেয়ালে খোদিত কিছু শিল্পকর্মের অবশিষ্ট ও কিউনিফর্ম পদ্ধতিতে লিখিত কাদামাটির কমপক্ষে ১০টি লিপিফলক পেয়েছেন।
জার্মান গবেষকরা আশা করছেন, এসব লিপিফলকের বার্তা উদ্ধার করা গেলে মিত্তানি সাম্রাজ্য সম্পর্কে আরও বেশি তথ্য জানা যাবে। ডয়েচে ভেলে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কানাডায় পার্ক ও লেকে কয়েকদিন by তৌহিদ পারভেজ বিপ্লব
![]() |
| কানাডার জেসপার ন্যাশনাল পার্কে মালিং লেক |
এডমন্টন থেকে জেসপার যেতে লাগে দুই ঘণ্টার মতো। বিমানবন্দর থেকে বাসের টিকিট কেটে রওনা হলাম। জেসপার যেতে যেতে বিকেল গড়ালো। আর ঠাণ্ডাও যেন বাড়তে শুরু করলো। সন্ধ্যায় তেমন কিছু দেখতে পারিনি, কারণ তাপমাত্রা তখন ছিল শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ কারণে নৈশভোজ সেরেই ঘুমিয়ে পড়তে হলো।
![]() |
| কানাডার জেসপার ন্যাশনাল পার্ক |
লেক মালিং দেখার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না! মন ভরে উপভোগ করেছি শুধু। আর মোরাইন লেক নিয়ে কী বলবো! ছবিই কথা বলে।

মোরাইন লেক ঘোরার পর বাসে চড়লাম। গন্তব্য বেন্ফ। সময় লাগলো প্রায় দুই ঘণ্টা। সেখানে দেখার মতো ছিল বো লেক ও মিউজিয়াম ফর হিস্ট্রিক্যাল সাইট। গাড়ি নিয়ে ঘুরে দেখলাম অনেক কিছু।
কানাডার শহরগুলোর মধ্যে ভ্যানক্যুভারে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় স্থান ছিল গ্রুজ মাউন্টেন। সেখানে অবসর কাটানোর অনেক সুযোগ-সুবিধা। এছাড়া আমরা ঘুরলাম ইংলিশ বে ও কেপিলানো সাসপেনশন ব্রিজে।
![]() |
| নায়াগ্রা ফলসের কানাডার অংশ |
![]() |
| কানাডার জেসপার ন্যাশনাল পার্কে মালিং লেক |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কচুরি-শিঙাড়া বেচে কোটিপতি, তারপর...
ইন্ডিয়া টুডে ও এনডিটিভির খবরে জানানো হয়, উত্তর প্রদেশের আলিগড়ে বাড়ি মুকেশ কুমারের। সেখানেই ‘সীমা টকিজ’ সিনেমা হলের পাশে মুকেশের কচুরির সেই দোকান। সকাল সকাল কর্মচারীদের সঙ্গে কাজে নেমে পড়েন মুকেশ নিজেও। ময়দা মাখা, তরকারির আলু কাটা, কড়াইয়ে তেল ঢালা—সবই করেন নিজে হাতে। এরপর গরম তেলে কচুরি-সমুচা ভেজে তুলে দেন ক্রেতাদের পাতে। সস্তায় ভালো কচুরির জন্য মুকেশের দোকানের সুনাম আছে। সেই ‘মুকেশ কচুরি’তে হঠাৎ হাজির রাজ্যর আয়কর দপ্তরের কর্মকর্তারা।
![]() |
| ১২ বছর ধরে পুরি (কচুরি) বিক্রি করে আসছেন ভারতের এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। বছরে ৬০ লাখ রুপির বেশি আয় তাঁর। ছবি: সংগৃহীত |
এরপরই নড়েচড়ে বসেন আয়কর দপ্তরের কর্মকর্তারা। তড়িঘড়ি নোটিশ পাঠানো হয় মুকেশের কাছে। তবে আয়কর কর্মকর্তাদের কাছে নিজের সাফাই দিয়েছেন মুকেশ। আয়কর না দেওয়া প্রসঙ্গে মুকেশ বলেন, ‘কচুরি-শিঙাড়া বেচেই আমার দিন চলে। এসব নিয়মের কথা কেউ কখনো বলেনি আমায়। আমি ১২ বছর ধরে দোকান চালাচ্ছি। সহজ-সরল মানুষ আমি। অত জটিল ব্যাপার বুঝি না।’
একজন আয়কর কর্মকর্তা বলেন, মুকেশ তাঁর আয়ের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, মুকেশ সরকারকে এক বছরের আয়কর দিয়েছেন।
মুকেশ জিএসটি নিবন্ধন করেছেন। আর আয়ের জন্য গত এক বছরের করও দিয়েছেন।
বছরে কোনো ব্যবসায়ী বা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর আয় ৪০ লাখ রুপির বেশি হলে সরকারকে জিএসটি দিতে হবে। আর খাদ্যপণ্যের ব্যবসায়ীদের ৫ শতাংশ হারে কর দিতে হয়।
![]() |
| মুকেশ কুমারের দোকানটি ছোট্ট হলেও সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি বিক্রিবাট্টা ভালো। ছবি: এএনআই |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
September
(820)
-
▼
Sep 21
(27)
- জন্মান্ধ আশার বেঁচে থাকা by পিয়াস সরকার
- অবহেলিত সিরাজউদ্দৌলা, যত্নে আছে মীর জাফরের কবর by ...
- এখন তো ছাত্র রাজনীতি নেই: -বিশিষ্টজনদের প্রতিক্রিয়...
- কাশ্মীর সংকট: বন্দিদের রাখা হয়েছে নিজ অঞ্চল থেকে ...
- কাশ্মীর নিয়ে ভারত সরকারের পদক্ষেপের ব্যাখ্যা চাইলো...
- বদলে গেল ক্লাবপাড়ার দৃশ্যপট, তবে by শুভ্র দেব
- মাফিয়া ডন শামীম গ্রেপ্তার by রুদ্র মিজান ও আল আমিন
- যুক্তরাষ্ট্রে পালালেন পাকিস্তানি অধিকারকর্মী গুলালাই
- বিশ্বের সবচেয়ে ছোট দেশ, জনসংখ্যা মাত্র ৫৬!
- তদন্তের জালে ছাত্রলীগের শতাধিক নেতা
- সন্ধ্যা হলেই আলোকিত হয় ধরন্তির হাওর by অর্পিতা চৌধুরী
- বাংলাদেশে সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে গত দুই বছরে সিজা...
- ১৫০ দেশে শুরু হলো বিশ্ব জলবায়ু আন্দোলন
- ভাসে পেয়ারা, আমরাও ভাসি বই কী! by কাউসার রুশো
- বেরিয়ে এলো সাড়ে ৩ হাজার বছরের পুরনো রহস্যময় প্রাসাদ
- কানাডায় পার্ক ও লেকে কয়েকদিন by তৌহিদ পারভেজ বিপ্লব
- কচুরি-শিঙাড়া বেচে কোটিপতি, তারপর...
- দক্ষিণ চীন সাগরে ভাসমান পারমাণবিক প্রকল্প
- সুদান: কীভাবে গণ-বিক্ষোভে ধসে গেল ৩০ বছরের একনায়ক...
- ভারতের কৌশল ধ্বংস করছে সার্ককে by ভিম ভুরতেল
- ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শূন্যে নামিয়ে আনতে আমের...
- রুমা আপা আমার জীবনটা তছনছ করে দিয়েছে by সিদ্দিক আল...
- মালয়েশিয়ায় চারকন্যার পাঁচ দিন by সানজিদা আফরোজ
- ইশকুলের বাইরে অন্য রকম শিক্ষা by কাউসার খান
- জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় বোঝা বাংলাদেশের দরিদ্র...
- পাখির চোখে বগুড়া (ফটোস্টোরি) by তৌহিদ পারভেজ বিপ্লব
- ইস্টার হত্যাযজ্ঞের নিরপেক্ষ তদন্ত চান লঙ্কার ক্ষুদ...
-
▼
Sep 21
(27)
-
▼
September
(820)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...









