Wednesday, March 21, 2018
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের সম্পৃক্ততা চায় জাপান

আজ বুধবার ঢাকায় পৌঁছানোর পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলীর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সাক্ষাত করেন ইওয়াও হোরি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার কক্সবাজারে শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শনে যাবেন তিনি। এ সফরের মূল লক্ষ্য হলো রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আগামী ২৩-২৪শে মার্চ তিনি মিয়ানমার সফর করবেন।
তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারা কোনার নির্দেশনা মোতাবেক বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে হওয়া সমঝোতার ভিত্তিতে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় সহায়তা দিতে আমি এ সফর করছি।’
ভাইস মিনিস্টার ইওয়াও হোরি বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা হলো স্থিতিশীল ও দ্রুত প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়াটা যেন নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং সম্মানজনকভাবে হয় সেটা নিশ্চিত করা।’
বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেন তিনি। শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি মানুষের অবস্থান এবং এতে করে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ঝুঁকি বৃদ্ধির পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন ইওয়াও হোরি বলেন, ‘এ কারণে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেই বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের প্রত্যাবাসন তরান্বিত করা প্রয়োজন।’
মিয়ানমার সফরে তিনি দেশটির প্রতি প্রত্যাবাসনের পর বাস্তুচ্যুতদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আরো স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেয়ার আহ্বান জানাবেন। একইসঙ্গে আহ্বান জানাবেন, পুনর্বাসনের পরিবেশ সৃষ্টি, নাগরিকত্ব যাচাই করতে। এসব কাজে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরকে সম্পৃক্ত করতে তিনি মিয়ানমারকে পরামর্শ দেবেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা শিবিরে যৌনতার ফাঁদ

অনেক শিশু এভাবে হারিয়ে গেছে। তাদের কোনো খোঁজ পাচ্ছেন না অনেক পিতামাতা। তারা আতঙ্কে এখন শুধু কাঁদেন। আবার কেউ এটাকেই মেনে নিয়েছেন। একজন মা বলেছেন, এই উদ্বাস্তু শিবিরের বাইরে যেকোনো জায়গায় জীবন উন্নততর।
কিন্তু এসব শিশুকে কোথায়, কারা নিয়ে গেছে? এমন প্রশ্ন আসতেই পারে। এ তথ্য উদঘাটনের জন্য বিবিসির অনুসন্ধানী টিম ছদ্মবেশ ধারণ করে। তারা সম্প্রতি বাংলাদেশে আসা বিদেশী হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেন। শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য সুযোগ খুঁজতে থাকেন। উদ্দেশ্য, সত্যিই শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য রোহিঙ্গা শিশুদের ব্যবহার করা হয় কিনা তা প্রামাণ্য আকারে উপস্থাপন করা। এ জন্য টিমের সদস্যরা ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই কক্সবাজারের ছোট ছোট হোটেল ও সৈকতের কটেজ মালিকদের কাছে পেয়ে যান স্থানীয়ভাবে যৌন ব্যবসার দালালদের বেশ কিছু নাম্বার। আগে থেকেই অনুসন্ধানকারীরা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করে রাখে। এরপর যোগাযোগ করেন ওই দালালদের সঙ্ঙেগ। তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয় তাদের হাতে একজন বিদেশীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য কোন মেয়ে আছে কিনা, বিশেষ করে রোহিঙ্গা। জবাবে একজন দালাল বলে, আমাদের কাছে অনেক তরুণী আছে। কিন্তু আপনারা কেন রোহিঙ্গা মেয়ে খুঁজছেন? ওরা তো নোংরা হয়।
রোহিঙ্গা নারীদের এভাবেই দেখা হয়। মনে করা হয়, তারা সবচেয়ে সস্তা। তাদের চাহিদা কম। এ জন্য বিভিন্ন রকম দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। অল্প সময়ের মধ্যে অনেক মেয়ের ছবি আসতে থাকে। তাদের বয়স ১৩ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। যে পরিমাণ মেয়ের ছবি দেখানো হয়েছে এবং বলা হয়েছে তাদের হাতে আছে তা বিস্ময়কর। দালালরা বলে, ছবির মেয়েদের যদি তাদের পছন্দ না হয় তাহলে আরো অনেক মেয়ে আছে। এসব মেয়ের বেশির ভাগই বসবাস করে দালালদের পরিবারের সঙ্গে। যখন তাদের কোনো খদ্দের থাকে না তখন তারা ওই পরিবারে রান্নাবান্না ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করে। অনুসন্ধানকারীদের জানানো হয়, ‘আমরা এসব মেয়ে বেশিদিন আমাদের সঙ্গে রাখি না। এসব মেয়ের কাছে শুধু বাংলাদেশী পুরুষরাই আসে। অল্প সময় পরেই এতে তাদের বিতৃষ্ণা চলে আসে। তবে কিশোরী মেয়েদের চাহিদা আছে’। এসব তথ্য রেকর্ড করে স্থানীয় পুলিশের কাছে প্রামাণ্য হিসেবে উপস্থাপন করেছেন অনুসন্ধানকারীরা। এরপরই দালালকে সনাক্ত করে পুলিশ। তাদেরই একজন কর্মকর্তা বলেন ‘আমি তাকে চিনি। তাকে আমি ভালভাবে চিনি’। তবে এর মাধ্যমে কি বুঝাতে চাইলেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা তা পরিষ্কার নয়। এক পর্যায়ে ওই দালালকে ফোন করেন অনুসন্ধানকারীরা। তার কাছে কক্সবাজারের একটি অভিজাত হোটেলে দুটি মেয়েকে পৌঁছে দেয়ার জন্য বলা হয় স্থানীয় সময় রাত আটটায়। এ সময় ছদ্মবেশ ধারণকারী খদ্দের, যিনি হলেন ফাউন্ডেশন সেন্টিনেলের একজন সদস্য, তিনি ওই হোটেলের বাইরে অপেক্ষা করতে থাকে দোভাষী সহ। পাশেই ছদ্মবেশে অপেক্ষায় থাকে পুলিশ কর্মকর্তারা। রাত আটটার কাছাকাছি দালাল ও ছদ্মবেশধারণকারী খদ্দেরের মধ্যে ফোনে কথা হয়। এ সময় দালাল তার খদ্দেরকে হোটেল থেকে বের হয়ে আসতে বলে। কিন্তু খদ্দের তা প্রত্যাখ্যান করেন। ফলে দালালই একজন ড্রাইভার দিয়ে দু’জন কিশোরীকে পাঠিয়ে দেয় হোটেলে। এরপর অর্থ পরিশোধ হয়। এ সময় খদ্দের জানতে চান, আজকের রাতটা যদি ভাল কাটে তাহলে আমরা কি আরো আপনাদের এই সেবা পেতে পারি? এ সময় চালক সম্মতিসূচক মাথা নাড়ান। টাকা হস্তান্তর হওয়ার পরই পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে যান। চালককে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয় ওই দুই কিশোরীকে। এর মধ্যে একজন উদ্বাস্তু শিবিরে ফেরত যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। অন্যজন সামাজিক সেবা নিচ্ছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ধর্ষণ নয়, হত্যা করতে চেয়েছিলাম’ -লম্পটের দম্ভোক্তি

জানা গেছে, গত শুক্রবার সকালে উপজেলার দুর্গম এলাকা জিগারবাড়িয়া গ্রামের ৩য় শ্রেণি পড়ুয়া স্কুলছাত্রী তার হতদরিদ্র দিনমজুর পিতাকে বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে ওই গ্রামের দক্ষিণ ঢিবি (মাওলানার বাড়ীর পূর্বে) নামক ফাঁকা মাঠে খাবার পৌঁছে দিয়ে ফিরছিল শিশুটি। পথে নির্জন ফাঁকা নেপিয়ার ঘাস ক্ষেতের কাছে পৌঁছালে পেছন থেকে ওঁত পেতে থাকা লম্পট একই গ্রামের আজাহার ওরফে আজা (৪৮) স্কুলছাত্রীর গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় স্কুলছাত্রী লম্পট আজার মুখে নখের আঁচড় দিয়ে চিৎকার করে পালানোর চেষ্টা করে। স্কুলছাত্রীর আর্তচিৎকারে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে বাড়ি পৌঁছে দেয়। ঘটনার প্রতিকারে স্কুলছাত্রীর পিতা আকতার বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করে।
কিন্তু গ্রাম প্রধানরা গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে লম্পট আজা গ্রাম্য শালিসে বলেছে, ‘স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করতে নয়, গলা কেটে বস্তায় ভরে গুম করার জন্য ঘাস ক্ষেতে নিয়ে গিয়েছিলাম।’ থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহিদ বলেন, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত-পূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ স্কুলছাত্রীর পিতা আকতার বলেন, চেয়ারম্যান দায়িত্ব নিয়েছে। আমরা মীমাংসা করে নিয়েছি।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সোনার হরিণ পাওয়ার জন্য লড়াই by সুদীপ অধিকারী

এ বিষয়ে দেশের ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমেদ বলেন, সাধারণত বেসরকারি খাতে ৭০ শতাংশ কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন জনবল প্রয়োজন। কিছু অফিসিয়াল কাজের জন্য বাকি ৩০ শতাংশ মানুষের শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থাকলেই হয়। কিন্তু আমাদের দেশের ৯০ শতাংশ উচ্চশিক্ষিতের মধ্যেই কোনো কারিগরি বা বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান নেই। ফলে তারা চাকরি পাচ্ছেন না। আর উচ্চ শিক্ষিতদের এই বেকারত্বের কারণে, সমাজ ও রাষ্ট্রে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রাণলয়ের সচিব মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, এখন প্রয়োজন দেশের জনপ্রশাসন নিয়ে নিবিড় পর্যালোচনা ও গবেষণা করে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। তাহলে এই দেশের এই বিশাল বেকার সমস্যা কিছুটা লাঘব হতে পারে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেষ ঠিকানা ভাইভা বোর্ড by হাফিজ মুহাম্মদ

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক চাকরি প্রত্যাশী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি অনার্স শেষ করেই ১০ম জুডিসিয়ারি (বাংলাদেশ জুডিসিয়ারি সার্ভিস কমিশন-বিজেএসসি) পরীক্ষায় অংশ নিই। সবকিছু ঠিকভাবেই এগিয়েছিল। প্রিলি, লিখিত এবং ভাইভা। কিন্তু স্বপ্ন এক জায়গায় এসে আটকে গেল। ভাইভায় উত্তীর্ণ হলেও পুলিশ ভেরিফিকেশনের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসে আমার ফাইল আটকে যায়। এ মন্ত্রণালয় থেকে আমার ফাইল আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি। আমার সঙ্গের সবাই গত ১লা মার্চ নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দিয়েছে। অথচ আমি এখনো দিন গুনি কবে সুখবরটা পাবো সে আশায়। তিনি আরো বলেন, প্রথমবার অংশ নিয়ে জুডিসিয়ারি পরীক্ষার সব পর্বে উত্তীর্ণ হওয়ায় আর কোথাও কোনো পরীক্ষায় অংশ নিইনি। এমনকি ১১তম জুডিসিয়ারি পরীক্ষায় অংশ নিইনি। কোর্টে প্রাক্টিসও শুরু করিনি। আমার স্বপ্ন এখন ডুকরে কাঁদে। এখন আমি কী যে করবো তা আর ভাবতে পারছি না। ভাবছি, আমাদের যে কয়জনের পোস্টিং হয়নি তারা মিলে আপিল করবো। সেখানে ফলাফল কী হবে জানি না। তবে সেখানে যদি ফলাফল পক্ষে না যায় তাহলে আমার তিনটি বছর তো মাটি হয়ে গেল।
হতাশা কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘এ দেশে মামু, চাচা না থাকলে শুধু মেধা দিয়ে এগোনো যায় না। অন্যদিকে আবার দেখা হয় বংশে কোনোকালে কেউ সরকারি দলের মতাদর্শী ছিল কি না। পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে করা হয় হয়রানি। তারা ঠিকভাবে তথ্য যাচাইবাছাই না করে স্থানীয় রাজনীতিবিদ থেকে তথ্য নেন। একই কথা বলেন আরেক চাকরি প্রত্যাশী। যিনি দুবার বিজেএসসি এবং একবার বিএমএর ফাইনাল ভাইভা দিয়েও চাকরি পাননি। ক্লাস নাইনে পড়ার সময় থেকে স্বপ্ন ছিল বড় আইনজীবী হবো। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম বছর থেকে সংবাদপত্রে চাকরি করতাম। অনার্স শেষ বর্ষে এসে পরিবারের প্রত্যাশা আর নিজের স্বপ্ন নিয়ে আটঘাট বেঁধে পড়ালেখা শুরু করি। জুডিসিয়ারির পরীক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করলাম। ২০১৬ সালে ১০তম জুডিসিয়ারিতে প্রিলিতে উত্তীর্ণ হওয়ার পরে পড়ালেখা আরো বাড়িয়ে দিই। ফলে লিখিত পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হলাম। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস ভাইভাতে গিয়ে ফিরতে হলো। আমি মৌখিক পরীক্ষা দিয়ে আশাবাদী ছিলাম ভাইবা পরীক্ষায় আমি টিকবো। অনেক ভালো প্রস্তুতি, আত্মবিশ্বাস থাকা সত্ত্বেও স্বপ্ন পূরণ হলো না। ভাবলাম, একবার হয়নি তাতে কী? সামনে হবে। এই আশায় আবারো লেখাপড়া অব্যাহত রাখলাম। তুলনামূলকভাবে ১১তম জুডিসিয়ারির জন্য নিজেকে তৈরি করেছিলাম আগের থেকে অনেক ভালোভাবে। কিন্তু আবারো একইভাবে প্রিলি এবং লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হই। কিন্তু ভাইভা থেকে ফেরত। এবারের ভাইভাটা আগের বছরের তুলনায় অনেক ভালো হয়েছিল। মানসিকভাবে আমি সন্তুষ্ট ছিলাম। ভেবেছিলাম আমার স্বপ্ন এবার পূরণ হবে। পরিবারের আশাও রাখতে পারবো। জুডিসিয়ারিতে টিকতে হবে, জজ হতে হবে, এই স্বপ্ন পূরণের জন্য গত ২টি বছর অন্য কোনো চাকরিতে আবেদন করিনি। এমনকি কোর্টে প্র্যাকটিসেও যাইনি। এখন সামনে শুধু হতাশা এবং স্বপ্নভঙ্গের হাতছানি। কোনো কাজে হাত দিলেও কেমন জানি মনে হয়, আমি কি পারবো? নাকি আবারো তীরে এসে তরী ডুববে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন গণমাধ্যম থেকে যা শেখার আছে বাংলাদেশের by নাজমুল আহসান

বিশ্বের প্রতিটি দেশে যেখানে গণতন্ত্র দুর্বল হতে শুরু করে, সেখানেই স্বৈরাচারের উদয় ঘটে। এ যেন ‘জিরো-সাম গেইম’। আর দেশে দেশে স্বৈরাচারের একটি অভিন্ন বৈশিষ্ট্য হলো, গণমাধ্যম তার চক্ষুশূল হবেই হবে। এ কারণে সস্তা প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে গণমাধ্যমকে একটি জায়গায় একতাবদ্ধ হতেই হয়। রাষ্ট্র বা ক্ষমতাশালী কোনো গোষ্ঠীর হাতে একটি সংবাদপত্র আক্রান্ত হলে, দেশের প্রতিটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবাদ করা অপরিহার্য। শুধু স্বৈরতন্ত্র বা দুর্বল গণতন্ত্রেই নয়। গণমাধ্যমের ঐক্য একটি উন্নত গণতন্ত্রেও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
যারা আমেরিকার রাজনীতি কৌতূহল নিয়ে অনুসরণ করেন, তারা দেখে থাকবেন যে, কীভাবে দেশের প্রেসিডেন্টকে যাচ্ছেতাইভাবে সমালোচনা করছে গণমাধ্যম। এমনকি গালিগালাজ করতেও কারও মুখ কাঁপে না। আমেরিকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দেশটির সংবিধানে প্রোথিত। আমাদের সংবিধানেও এই মত প্রকাশের নিশ্চয়তা দেয়া আছে। কিন্তু আমেরিকার সঙ্গে আমাদের পার্থক্য কোথায়? তাদের প্রতিটি ছেলেমেয়ে এই সংবিধানকে ধারণ করে বড় হয়। সংবিধানে সুরক্ষিত অধিকার সম্পর্কে তারা অবগত। আমাদের দেশে এমনটা চিন্তাও করা যায় না। দেশের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ক্ষুদ্র অংশ হয়তো সংবিধান পড়ে দেখেছে। এদের অনেকে পড়েছে চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে। সংবিধানকে ধারণ করাটা নাগরিকদেরকে শাসকরা কখনও শেখাননি। নাগরিকরাও শিখেননি।
উপনিবেশিক শাসনযন্ত্রের উত্তরাধিকার আমরা। সরকারের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক এখনও শাসক-প্রজার মতো। শুধু ভোটাভুটি ছাড়া গণতন্ত্রের আর কোনো বিষয়ই আমরা আয়ত্ত করতে পারিনি। ভোটাভুটিও এখন হয় নামেমাত্র। যে দেশে গণতন্ত্রই সবল নয়, সেখানে মুক্ত গণমাধ্যমের আশা করাটা বাতুলতা। কিন্তু এ দেশে সংবাদমাধ্যম জগতে কাজ করা প্রায় প্রত্যেকটি মানুষই স্বপ্ন দেখেন মুক্ত ও স্বাধীনভাবে কাজ করার। সেই লক্ষ্য অর্জনে একটি সংবাদ মাধ্যমকে অপর একটি সংবাদ মাধ্যমের বিপদে শামিল হতে হবে। আমাদের দেশই নয়। একটি সুষ্ঠু গণতন্ত্রের গণমাধ্যম যে কোনো সময় শাসকগোষ্ঠীর রোষানলে পড়ে যেতে পারে। তাই আমেরিকার মতো দেশেও সংবাদ মাধ্যমের পারস্পরিক সংহতির গুরুত্ব প্রত্যেকে বোঝেন।
আমেরিকায় প্রায় প্রত্যেকটি সংবাদমাধ্যমই কোনো না কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত। আমাদের দেশে কে বিএনপি করেন বা কে আওয়ামী লীগ করেন, তা নিয়ে কানাঘুষা থাকে। এখন অবশ্য যুগ পাল্টেছে। প্রত্যেকে নিজেকে তীব্র আওয়ামী লীগ প্রমাণ করার প্রতিযোগিতায় আছেন। কিন্তু একটা সময় ছিল, যখন নিজের রাজনৈতিক অবস্থান প্রকাশ করার আগে মানুষ দু’বার ভাবতেন। কিছু বিশেষ পেশার মানুষদের কাছ থেকে সবাই নিরপেক্ষতা আশা করতো বা করে। যেমন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, বিচারক, সাংবাদিক, ইত্যাদি। এখন অবশ্য কী সরকারি কর্মচারী কী সাংবাদিক! শাসকদলের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করার সুযোগ পেলে কেউ ছাড়েন না।
আমেরিকায় রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে কেউ লুকোছাপা করেন না। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শ ধারণ করেন, সেটিও সবার জানা থাকে। কিন্তু পেশাদারিত্বে কেউ ঘাটতি দেখান না। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, এফবিআই’র সাবেক প্রধান জেমস কমি একজন নিবন্ধিত রিপাবলিকান ছিলেন। কিন্তু তিনিই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের মামলার তদন্ত বেশ জোরেশোরে এগিয়ে নিয়েছিলেন। জেমস কমিকে যখন ট্রাম্প বরখাস্ত করলেন, তখন ট্রাম্পের মামলার প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা কিন্তু আইন বা বিচার মন্ত্রণালয়ের কেউ হলেন না। কারণ, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সবাইকে ট্রাম্প প্রশাসন নিয়োগ দিয়েছে। ফলে তার বিরুদ্ধে মামলা তদন্ত করার জন্য আনা হলো অবসরপ্রাপ্ত এক এফবিআই প্রধানকে। তিনি থমাস মুলার। মুলারও একজন রিপাবলিকান। অথচ, রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তদন্তে তিনি এক সুঁই ছাড় দিয়েছেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছে না।
আমেরিকার কাছ থেকে এখানে তিনটি বিষয় শেখার আছে। এক. পেশাদারিত্ব। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি পেশা ও দায়িত্বের প্রতি নিষ্ঠাবান থাকবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত আপনার রাজনৈতিক মতাদর্শ কোনো সমস্যা নয়। দুই. ক্রেডিবিলিটি বা বিশ্বাসযোগ্যতা। আমেরিকার একজন সাধারণ নাগরিকও নিজের ক্রেডিবিলিটি বা বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সচেতন থাকেন। অবশ্য ট্রাম্পের মতো কিছু ব্যতিক্রম যে নেই, তা নয়। উচ্চপদে আসীন কর্মকর্তা ও বিশেষ পেশাজীবী যেমন সাংবাদিকদের ক্যারিয়ারই ধসে যেতে পারে, যদি তারা এমন কিছু করে বসেন যাতে তাদের ক্রেডিবিলিটি ক্ষুণœ হয়। ট্রাম্প প্রশাসন বিচার মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়েছে। তাই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলায় তৃতীয় একজন কৌসুঁলিকে আনা হলো তদন্ত করতে। কেন? কারণ, ট্রাম্পের নিয়োগকৃত কোনো কৌঁসুলি বা কর্মকর্তা এই মামলা তদন্ত করলে, সেই তদন্তের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতো। আর আমাদের দেশে কার যে একটু ক্রেডিবিলিটি আছে, সেটি খুঁজে পাওয়া ভার।
তিন. কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব। এই ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্টে’র ধারণা আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষের কাছেই স্পষ্ট নয়। ট্রাম্পের মামলার তদন্ত থেকেই উদাহরণ টানা যাক। গত মার্কিন নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ নিয়ে যে তদন্ত চলছে, তার তত্ত্বাবধান করার কথা কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেলের, যিনি কিনা আইন মন্ত্রণালয়ের প্রধান। বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশন্স ছিলেন রিপাবলিকান সিনেটর। গোঁড়া ডানপন্থি। তিনি ট্রাম্পের প্রথম দিককার সমর্থক। নির্বাচনে জেতার পর ট্রাম্প তাকে দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল বানিয়েছেন। কিন্তু মাঝেই খবরে প্রকাশ হয় যে, নির্বাচনের আগে সেশন্স রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে তার নিয়োগকালীন সাক্ষাৎকারে সিনেট সদস্যরা তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, রাশিয়ার কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে তিনি সম্প্রতি সাক্ষাৎ করেছিলেন কিনা। জবাবে তিনি নেতিবাচক উত্তর দেন। ফলে যখন খবর প্রকাশ হলো যে, সিনেট সাক্ষাৎকারে সেশন্স মিথ্যা বলেছিলেন, তখন অবধারিতভাবে এই রাশিয়া কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি। অবশেষে নিজের তাগিদ থেকেই তিনি রাশিয়া তদন্তের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। কেউ তাকে বাধ্য করেনি। তিনি চাইলেও থাকতে পারতেন। এমনকি পরে জানা যায়, ট্রা¤প দূত পাঠিয়ে তার সিদ্ধান্ত পাল্টানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
নিজের নামই যেই তদন্তের আওতাভুক্ত হয়ে গেছে, সেই তদন্তের তত্ত্বাবধান করাটা সেশন্স সমীচীন মনে করেননি। তিনি যদি দায়িত্বে অটল থাকতেন, তাহলে ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্টে’র প্রশ্ন উঠতো। এই বিষয়টি আমেরিকায় খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। কিন্তু আমাদের দেশে যিনি ক্ষমতায় আসেন, তাদের বিরুদ্ধে আগের মামলা বা অভিযোগ এক অঙ্গুলি হেলনে গায়েব হয়ে যায়।
ধান ভানতে এসে শিবের গীত গাওয়ার মতো শোনাচ্ছে হয়তো। কিন্তু একটি দেশের মননে, চিন্তা ও চেতনায় স্বাধীনতা (ফ্রিডম) প্রোথিত না থাকলে, সেই দেশ মুক্ত হয় না, গণতান্ত্রিক হয় না। যেই প্রসঙ্গে এতগুলো কথা বলা হলো, সেটা হলো গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক সংহতি থাকার বিষয়টি। আমেরিকায় সবার মতো গণমাধ্যমেরও মতদর্শগত অবস্থান স্পষ্ট। কেউ কেউ প্রকাশ্যেই তা উল্লেখ করে। কারও কারও অবস্থান তাদের কভারেজ, সম্পাদকীয় নীতি ও টোন থেকে বোঝা যায়। কেউ কেউ আবার একেবারে খুল্লামখুল্লা। যেমন, ফক্স নিউজ। আমেরিকার রিপাবলিকান দল বা রক্ষণশীল গোষ্ঠীর প্রতিনিধি এই টিভি চ্যানেল।
গত বছরের ফেব্রুয়ারির দিকে ট্রাম্প প্রশাসন সিএনএন, নিউ ইয়র্ক টাইমস, বিবিসি, লস এঞ্জেলস টাইমস ও পলিটিকোকে হোয়াইট হাউসের সংবাদ সম্মেলন কাভার করতে না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কারণটা সহজেই অনুমেয়। এই প্রত্যেকটি সংবাদ মাধ্যমকেই নিজের প্রতিপক্ষ বলে ট্রাম্প মনে করেন। অবশ্য রয়টার্স, ব্লুমবার্গ এবিএস, সিবিএস, এনবিসি ও ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের মতো বৃহৎ সংবাদ মাধ্যমকে অনুমতি দেয়া হয়েছিল। অনুমোদিত বাকি মিডিয়াগুলোর মধ্যে প্রায় সবাই ছিল ফক্স নিউজ বা ব্রেইটবার্টের মতো কট্টর ডানপন্থি বা ডানপন্থি মিডিয়া। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়া হয় ভয়াবহ।
বাদ পড়া প্রত্যেক সংবাদ মাধ্যম তো বটেই, হোয়াইট হাউস কভার করার দায়িত্বে থাকা সাংবাদিকদের সংগঠন কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। টাইম ম্যাগাজিন, বার্তা সংস্থা এপি অনুমতি থাকা সত্ত্বেও বাদপড়া সংবাদ মাধ্যমের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে হোয়াইট হাউসের সম্মেলন বয়কট করে। রক্ষণশীল বলে পরিচিত ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানায়, তাদের রিপোর্টার নিজের অজ্ঞাতে ওই সম্মেলনে ছিলেন। কিন্তু ভবিষ্যতে বিশেষ কোনো গণমাধ্যমকে টার্গেট করা হলে, সম্মেলন বয়কট করবে ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল। কড়া প্রতিবাদ আসে আমেরিকার বৃহৎ পাঁচটি জাতীয় টিভি চ্যানেলের জোটের পক্ষ থেকে। এই জোটের অংশ কিন্তু ফক্স নিউজও। গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক সংহতির প্রতিক্রিয়া হিসেবেই ট্রাম্প প্রশাসন তাদের অবস্থান থেকে পিছু হটে।
ফক্স নিউজের উপস্থাপক ব্রেট বেইয়ের তখন ব্যবসায়িক ও মতাদর্শগত প্রতিদ্বন্দ্বী সিএনএন ও নিউ ইয়র্ক টাইমসের পক্ষে দাঁড়ান। পুরনো একটি ঘটনার সূত্র ধরে তিনি টুইটারে লিখেন, ২০০৯ সালে বারাক ওবামার প্রশাসন ফক্স নিউজকে হোয়াইট হাউসের সংবাদ কভার করা থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তখন ওই সিদ্ধান্তের কড়া প্রতিবাদ করে সিএনএন ও নিউ ইয়র্ক টাইমস। পাশে দাঁড়ায় ফক্স নিউজের। হোয়াইট হাউসের সংবাদ সম্মেলনে সকল সংবাদ মাধ্যমের প্রবেশাধিকার থাকা উচিত। এই বক্তব্যের মাধ্যমেই ব্রেট বেইয়ের বুঝিয়ে দিলেন গণমাধ্যম সম্প্রদায়ে পারস্পরিক সংহতির গুরুত্ব কতটা।
আমাদের দেশে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে অন্তত দু’টি বড় পত্রিকার প্রতিনিধিকে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেয়া হয় না। কেন যে দেয়া হয় না, সেটা বোঝাটা কঠিন কিছু নয়। যেসব সাংবাদিক উপস্থিত থাকেন, তাদের ‘প্রশ্ন’ শুনলেই তা বোঝা যায়।
কোনো বিশেষ সংবাদ মাধ্যমকে আপনি অপছন্দ করতেই পারেন। তার সমালোচনা করুন। ত্রুটি- বিচ্যুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলুন। সংবাদ মাধ্যমের সমালোচনা সংবাদ মাধ্যমকেই করতে হবে। আমেরিকায় ফক্স নিউজের মিথ্যার বেসাতি বা বিভ্রান্তির যে সমালোচনা করা হয় নিউ ইয়র্ক টাইমস, সিএনএন বা ওয়াশিংটন পোস্টে, সেটি না দেখলে বোঝানো সম্ভব নয়। তেমনি, ফক্স নিউজও সুযোগ পেলে প্রতিপক্ষকে এক চোট দেখে নিতে ভোলে না। বৃটেনে দ্য সান বা ডেইলি মেইলকে প্রায়ই সমালোচনায় জর্জরিত করে গার্ডিয়ান। আবার তারাও সুযোগ পেলে সমালোচনা করতে ছাড়ে না। কিন্তু পেশাগতভাবে কেউ হুমকিতে পড়লে, অন্যরা ঠিকই একে-অপরের পাশে এসে দাঁড়ায়।
আমাদের দেশে ‘কাকে কাকের গোস্ত খায় না’ নামে এক অদ্ভুত নীতির আওতায় সংবাদ মাধ্যম অপর সংবাদ মাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনা করে না। অবশ্য, উদ্দেশ্যমূলক সমালোচনা আমরা দেখেছি, যেটাকে সমালোচনা না বলে, শত্রুতার বহিঃপ্রকাশ বলা ভালো।
আবার কারও বিপদে কেউ সংহতিও প্রকাশ করে না। আমেরিকার কাছ থেকে সবচেয়ে বড় যেই জিনিসটি বাংলাদেশের গণমাধ্যম শিখতে পারে সেটি হলো এই সংহতির চর্চা। দেশের শাসক স্বৈরাচার হোন আর গণতান্ত্রিক হোন, ডনাল্ড ট্রাম্প হোন আর বারাক ওবামা হোন, সংবাদ মাধ্যমকে তারা প্রায়ই প্রতিপক্ষ বা শত্রু মনে করেন বা করবেন। তাই শাসকদের বিপরীতে মতাদর্শগত মতপার্থক্য ভুলে গণমাধ্যমকে অন্তত পেশাগত স্বাধীনতার জায়গায় একাট্টা থাকতেই হবে। নয়তো আজ সরকার, কাল গোয়েন্দা বাহিনী নয়তো পরশু জঙ্গিদের আক্রমণে সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হবে।
(লেখক: সাংবাদিক।)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গাদের ফেরত যাওয়া বন্ধ করছে মিয়ানমার: সীমান্তে বেড়া, কাঁটাতার, স্থল বোমা by জন এমোন্ট

রোহিঙ্গারা বলছেন, এই অবস্থায় যে দেশ তারা ছেড়ে এসেছেন সেখানে ফিরে যাওয়া অসম্ভব। বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষীরা ও রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুরা বলছেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সীমান্তকে অধিকহারে সুরক্ষিত করছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এটা হতে পারে এমন একটি কর্মতৎপরতা, যাতে রোহিঙ্গাদেরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার নিশ্চিত করা যায়। বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমার সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করে আসছে। ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল ওয়্যার কলেজের প্রফেসর জাচারি আবুজা বলেছেন, (মিয়ানমার) মনে করছে তারা সফলতার সঙ্গে বিশাল পরিমাণ রোহিঙ্গাকে দেশ থেকে বের করে দিতে পেরেছে এবং রোহিঙ্গারা ফেরত গেলে তারা যেন নরকের মতো পরিস্থিতিতে পড়েন সে ব্যবস্থাই করতে যাচ্ছে তারা।
মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচির সরকার বলেছে, যেসব রোহিঙ্গা প্রমাণ দিতে পারবে যে, তারা মিয়ানমার থেকে গিয়েছে শুধু তারাই ফিরে যেতে পারবে। কিন্তু এতে উচ্চ মাত্রায় একটি বাধা বা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে প্রত্যাখ্যান করা হবে। প্রথম ব্যাচের ৮০২৩ জনের তালিকা দেয়া হয়েছিল। তার মধ্য থেকে মাত্র কয়েক শতকে নেয়ার কথা বলেছে তারা, যদিও রোহিঙ্গাদের শিকড় প্রোথিত রয়েছে মিয়ানমারে। সেখানে তারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম বসবাস করে আসছিলেন। ওদিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সীমান্তের কাছাকাছি রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলো জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে নৃশংসতার সময়। সেসব গ্রাম মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়ে সেখানে নিরাপত্তা রক্ষাকারী বিশেষ করে সেনাবাহিনীর জন্য ঘাঁটি নির্মাণ করা হচ্ছে বলে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। কিন্তু মিয়ানমার বলছে, তারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনের জন্য অবকাঠামো নির্মাণ করছে। এ মাসে এ জন্য বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছিল বাংলাদেশ। তার কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে, এভাবে সামরিক স্থাপনা নির্মাণের ফলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে। অং সান সুচির অফিসের একজন মুখপাত্র বলেছেন, সীমান্তের বাইরে যেসব উদ্বাস্তু বসবাস করছে তাদের হুমকি থেকে নিরাপত্তার জন্য ওইসব অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। এখন সীমান্তের ৪০ মাইল বাদে বাকি অংশে নতুন বেড়া নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এমনটা বলেছেন রাখাইনে পুলিশের একজন কর্মকর্তা অং মিয়াত মোই। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে সীমান্তে বেড়া নির্মাণ বা সেটা আধুনিকায়ন করতে এক কোটি ৫০ লাখ ডলার অনুমোদন দেয় দেশটির পার্লামেন্ট।
ওদিকে ২৫ শে আগস্ট নৃশংসতা শুরু হওয়ার পর মিয়ানমার ছেড়ে প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। আবার তাদের নিজ দেশেও অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে অনেক রোহিঙ্গা। যারা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন তারা ঠাঁই পেয়েছেন বিভিন্ন ক্যাম্পে। তবে তাদের প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া খুব ধীর গতির। এ ছাড়া বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে কোনাপাড়ায় মিয়ানমার অংশে বিপদজনক অবস্থায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন প্রায় সাড়ে তিন হাজার রোহিঙ্গা। এর একদিকে সীমান্ত বেড়া। মিয়ানমারের ১৫০ ফুট ভিতরে তা। সেখানে রয়েছে মিয়ানমারের নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা। অন্যদিকে রয়েছে বাংলাদেশ। সেখানে ছোট্ট ছোট্ট চেকপয়েন্টে অবস্থান নিয়ে আছেন বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডসরা। তাদের হাতে রাইফেল। তারা পায়ে হেঁটে অথবা ট্রাকে করে প্রহরা দিচ্ছেন। মিয়ানমারে আন্তর্জাতিক রেড ক্রসের প্রধান ফ্যাব্রিজিও কারবোনি বলেছেন, এই স্থানে (এসব মানুষের) অবস্থান করা নিরাপদ নয়। সেখানে যেসব মানুষ আটকা পড়ে আছেন তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে চাইছে না। তারা বলছে, তারা মিয়ানমারের নাগরিক। নিজের দেশ ছেড়ে যাবে না। কিন্তু রোহিঙ্গাদেরকে নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে না মিয়ানমার। তাদেরকে মিয়ানমার বাংলাদেশী হিসেবে আখ্যায়িত করে।
কিছু রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু বলেছেন, জানুয়ারি পর্যন্ত তারা সীমান্ত অতিক্রম করে মিয়ানমারের বেশ গভীরে প্রবেশ করতে পারতেন। সেখানে গিয়ে তাদের নারকেল, তাল সংগ্রহ করে নিয়ে আসতে পারতেন। আগস্টে যে বাড়ি তারা ফেলে এসেছেন তা দেখে আসতে পরতেন। রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু নেতা নূর আলম বলেন, এখন আমরা আর সীমান্ত অতিক্রম করে সেখানে যেতে পারি না। সীমান্ত এখন আর খোলা নেই। এ অবস্থায় সীমান্ত অতিক্রম করা হবে অত্যন্ত বিপদজনক।
(ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল থেকে সংক্ষেপিত অনুবাদ)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বাংলাদেশকে আর কেউ অবহেলা করতে পারবে না’

এসময় তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পাকিস্তানী দোসররা যারা দেশের স্বাধীনতা চায়নি তারা ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। ‘৭৫ এর পর যুদ্ধপরাধীদের ক্ষমতায় বসানো হয়েছিলো। কারা বসিয়ে ছিলো। যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, যারা দেশের স্বাধীনতা মানে নি তারাই করেছে। আওয়ামী লীগ আসলে দেশে উন্নয়ন হয় জানিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আসলে দেশে উন্নয়ন হয়। বিএনপি-জামায়াত আসলে মানুষ খুন হয়। কোন ধর্মের লোক বাদ যায় না। তারা জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। স্কুলের ছাত্রের ওপর পেট্রোল বোমা মেরেছে। খালেদা জিয়ার নির্দেশে মানুষ হত্যা করেছে। মানুষ হত্যা করলে বেহশতে যাবে না। যারা মানুষ হত্যা করে তারা নরকে যাবে। এটা কোরআনের বিধান।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের মানুষ অনেক কষ্ট ভোগ করেছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর অনেক দিন দেশে উন্নয়ন হয়নি। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে উন্নয়ন শুরু করি। কিন্তু ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসতে পারি নাই। কেন আসতে পারি নাই? কারণ আমি গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিই নাই। খালেদা জিয়া মুচলেকা দিয়ে ভারতের কাছে গ্যাস বিক্রি করেছে। আমি রাজি হই নি। বলেছি, এটা জনগণের গ্যাস।
তিনি আরো বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবো ওয়াদা করেছিলাম। সেই বিচার আমরা করেছি। রায় কার্যকর করেছি। জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিচার করেছি।
দেশ এখন বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পন্ন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবার ক্ষমতায় এসে ১৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছি। যেখানে বিদ্যুতের লাইন যায়নি সেখানে সোলারের ব্যবস্থা করেছি। কোনো ঘর অন্ধকার থাকবে না। তিনি আরো বলেন, বেকার যুবকদের জন্য অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরী করেছি। তরুনরা যাতে নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারে সেজন্য তাদের সাহায্য করা হবে। কেউ বেকার থাকবে না। শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালে আমার পরিবারকে হত্যা করা হয়। আমি আর আমার ছোট বোন বিদেশ থাকার কারণে বেঁচে যাই। এরপর ৬টি বছর দেশে আসতে পারি নি। ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের লোকজন দলের সভানেত্রী বানিয়ে ছিলেন। তখন জনগণ আমাকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। আমার একটা ইচ্ছা মানুষের জন্য কাজ করা। সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। একটাই লক্ষ্য আমার-বাংলার মানুষ উন্নত জীবন পাবে, সুন্দর ভাবে বাঁচতে পারবে। আগামী সংসদ নির্বাচনে নৌকায় ভোট চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাই। নৌকায় ভোট দিলে উন্নয়নের ধারবাহিকতা থাকবে। একমাত্র নৌকা মার্কায় ভোট দিলে দেশে উন্নয়ন হবে। হাত তুলে ওয়াদা করেন আপনার নৌকায় ভোট দেবেন। তখন উপস্থিত লোকজন হাত তুলে সায় দেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতির বাংলাদেশ মডেল by সাজেদুল হক

মহিউদ্দিন আহমদের ‘জাসদের উত্থান পতন: অস্থির সময়ের রাজনীতি’ বইতে লেখা হয়েছে ‘আমীর-উল ইসলামের সঙ্গে আলাপ করে তাজউদ্দীন আহমদ সিদ্ধান্ত নিলেন, স্বাধীন বাংলার সরকার গঠন করবেন এবং তিনি নিজে সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন। ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠক হলে তাজউদ্দীন তাকে সরকার গঠনের ব্যাপারে অবহিত করেন। ততদিনে শেখ ফজলুল হক মনি, সিরাজুল আলম খান, আবদুর রাজ্জাক ও তোফায়েল আহমেদ কলকাতায় পূর্বনির্ধারিত চিত্তরঞ্জন সুতারের বাড়িতে এসে উপস্থিত। তাদের সঙ্গে আলোচনা না করে তাজউদ্দীন দিল্লি গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন, এটা জেনে তারা খুব ক্ষুব্ধ হন।’
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক নূরে আলম সিদ্দিকীর বয়ানেও এই ইঙ্গিত মেলে। সাংবাদিক কাজল ঘোষের লেখা ‘এক খলিফার বয়ান’ শীর্ষক বইয়ে পাওয়া যায় নূরে আলম সিদ্দিকীর বর্ণনা-‘এফএফ বাহিনীর কথায় আসি। ফ্রিডম ফাইটার্স সম্পূর্ণ প্রবাসী সরকারি প্রণোদনায় গঠিত এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষিত। এরা সামগ্রিকভাবে মুক্তিবাহিনী হিসেবে পরিচিত এবং বিভিন্ন সেক্টরে; বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এরা সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। এরা ছিলেন অকুতোভয়; মৃত্যুঞ্জয়ী; স্বাধীনতা যুদ্ধের গৌরবের ধন।.....দেশের প্রান্তিক জনতা, লুঙি পরা কাছা বেঁধে থাকা কৃষক এফএফ-এর সংগৃহীত লোকবল ছিল। এরা প্রশিক্ষণের পর তখনকার মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর জিয়া, মেজর জলিলসহ ১১টি সেক্টর কমান্ডারের নেতৃত্বে সক্রিয়ভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। এখানে বাস্তবতার নিরিখে একটা কথা নির্মোহচিত্তে উল্লেখ করা দরকার। মুজিব বাহিনী বলে যে একটি রাজনৈতিক, সামরিক ক্যাডার তৈরি করা হয়, দুর্ভাগ্যক্রমে তাদের মোটিভেশন দেয়া হয় ভিন্ন আঙ্গিকে। মুজিব বাহিনীর নেতৃচতুষ্টয়ের ধারণা ছিল মুজিব ভাইকে আমরা ফিরিয়ে আনতে পারব না। পাকিস্তানিরা তাকে নিশ্চিতভাবেই হত্যা করবে। তখন স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে মুজিব বাহিনীর মাধ্যমে একটি সামাজিক বিপ্লব সংগঠিত করে অনায়াসে তারা তাজউদ্দীন সাহেবের সরকারকে উৎখাত করে সমাজতান্ত্রিক একটি ভ্রান্ত বাম সরকার প্রতিষ্ঠা করবে।’
সে বিভক্তির বীজের কড়া মূল্য অবশ্য পরে চুকাতে হয়েছে বাংলাদেশকে। যুদ্ধবিধস্ত দেশ গড়ার কাজে মনোনিবেশ করেন বঙ্গবন্ধু। কিন্তু বাধা আসতে থাকে নানা দিক থেকে। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় তাজউদ্দীন আহমদের। বিভক্তির একটা চূড়ান্ত পর্যায়ে সিরাজুল আলম খান এবং তার সহযোগীদের তৎপরতায় বাহাত্তরের ৩১শে অক্টোবর এক সভায় ‘জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। নানা রকম হঠকারী রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ে জাসদ। সংঘাত আর রক্তপাতের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু বাকশাল গঠন করে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন। যদিও তা সফল হয়নি।
রাজনৈতিক বৈরিতার মধ্যে আঘাত হানে শত্রুরা। সপরিবারের হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুকে। দৃশ্যপটে আবির্ভাব ঘটে খোন্দকার মোশতাকের। তারপর দীর্ঘ এক রক্তক্ষয়ী অধ্যায় অতিক্রম করে বাংলাদেশ। সামরিক ছাউনি থেকে আসা জিয়াউর রহমান শাসক হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। একাত্তরের কণ্ঠস্বর জিয়া সেনাবাহিনীতেও ছিলেন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব। যদিও পরে নানা কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন। এক পর্যায়ে এক ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে তিনি নিহত হন। সামরিক শাসক এরশাদ ৯ বছর পর্যন্ত টিকে যান। তার সময়ে রাজনৈতিক ময়দানে জনপ্রিয়তা পান দুই নেত্রী। গণতন্ত্র ফেরানোর লড়াইয়ে বহু ত্যাগ স্বীকার করেন তারা। এক পর্যায়ে সেনাবাহিনী এরশাদের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয়। পতন হয় এরশাদের।
কথিত গণতান্ত্রিক জমানায় ওয়ান ইলেভেনের আগ পর্যন্ত দুই নেত্রীর ছিল সমান দাপট। রাস্তায় তখনো রক্ত ঝরেছে। শেরেবাংলা নগরের অপারেশন থিয়েটারে জন্ম নেয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা মোটামুটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছিল। কিন্তু তা শেষ পর্যন্ত টেকেনি। সে দায় কার তা নিয়ে দীর্ঘ বিতর্ক হতে পারে।
২০০৭ সালের ‘বিখ্যাত’ ওয়ান ইলেভেন বাংলাদেশের রাজনীতির খোলনলছেই বদলে দেয়। এক পর্যায়ে গ্রেপ্তার হন দুই নেত্রী। অস্থায়ী কারাগারে সমঝোতার চেষ্টা চলে। শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সঙ্গেই সমঝোতা হয়। বিদেশিদের সবাই তখন দলটির পক্ষই নেয়। নির্বাচন হয়। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে আওয়ামী লীগ। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার সামনে আসে। জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের সবারই ফাঁসি হয়। একই পরিণতি ভোগ করেন কট্টরপন্থি হিসেবে পরিচিতি বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীও। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার মৃত্যু হয়। তা ফেরাতে বিএনপি জোটের আন্দোলন কাজে আসেনি। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হয় না। ১৫ই ফেব্রুয়ারির পরিণতি হয়নি ৫ই জানুয়ারির। সরকার টিকে যায়। আরেকটি নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে।
কী হবে ডিসেম্বর নির্বাচনে, তা অবশ্য এখনই বেশ পরিষ্কার হয়ে গেছে। খুব সম্ভবত খালেদা জিয়া কারাগারেই থাকবেন। তাকে রেখে তার দল কি নির্বাচনে যাবে অথবা যাওয়ার সুযোগ পাবে? সেটা বুঝতে আরো খানিকটা সময় লাগবে। একটা কথা বলা দরকার, বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কে আগে বলা হতো, অনিশ্চয়তাই একমাত্র নিশ্চয়তা। কিন্তু সেদিন এখন আমরা ফেরিয়ে এসেছি। এখন সবকিছুই যেন নিশ্চিত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কৃষিপণ্য রপ্তানি সংকোচন

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আওয়ামী লীগের ঘাড়ে ‘কোন্দলের’ বোঝা by মিজানুর রহমান খান

মিজানুর রহমান খান : প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক
mrkhanbd@gmail. com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুতিন কেন এত জনপ্রিয়?

স্পুতনিক : মূলধারার গণমাধ্যমে থেকে আমরা অনেক অভিযোগ শুনতে পাচ্ছি যে নির্বাচন স্বচ্ছ ছিল না। আপনি কি তাই মনে করেন?
চেনোই : নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব ছিল, আমি তা মনে করছি না। এ বিষয়ে মন্তব্য করার আগে রাশিয়ায় যেভাবে রাজনীতির চর্চা গড়ে উঠেছে, তা জানতে হবে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর রাশিয়া স্বাধীন হলেও সে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো দুর্বলই রয়ে গেছে। যেখানে গণতন্ত্রচর্চা হয়, সাধারণত সেখানে অনেক শক্তিশালী বহু দলগত পদ্ধতি থাকে, কিন্তু রাশিয়ার ক্ষেত্রে আমরা তা দেখতে পাইনি। প্রেসিডেন্ট পুতিন ও তাঁর দল অন্যদের ওপর একচেটিয়া প্রভাব রেখেছে। তবে ভালো হতো যদি রাশিয়ায় আরও শক্তিশালী রাজনৈতিক দল থাকত, কিন্তু এর জন্য অনেক সময়ের প্রয়োজন। গণতন্ত্র বিকশিত হতে সময় দরকার। তাই আমি মনে করি না যে এ কারণে রাশিয়াকে বা প্রেসিডেন্ট পুতিনকে কেউ দোষ দিতে পারে।
স্পুতনিক : রাজনৈতিক দলগুলোর একে অপরের সঙ্গে কেন বৈশিষ্ট্যগত এত ফারাক রয়েছে বলে আপনি মনে করেন?
চেনোই : অনেক রাজনৈতিক দল রয়েছে, কিন্তু গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির সত্যিই বণ্টন করা প্রয়োজন। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া উচিত এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় একধরনের আস্থা থাকা উচিত। সবকিছু নিয়ে দোষ দেওয়ার মনোভাব থাকা ঠিক নয়। তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট করা উচিত। তরুণদের পথ দেখানো উচিত এবং সৃজনশীলতা রক্ষা করে রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্ক বৃদ্ধি করা উচিত। আমি মনে করি, এ দেশে একটা রাজনৈতিক বিতর্ক অবশ্যই রয়েছে। তবে ক্যাডার, সংগঠন, শক্তি ও অর্থের সমন্বয়ে রাজনৈতিক দলগুলো কাঠামোগতভাবে এখনো সংগঠিত হয়নি। বর্তমানে রাশিয়াসহ সব দেশই অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তাই অনেক দেশের মানুষই সে দেশে একজন শক্তিশালী ও জনপ্রিয় নেতা চাইছেন। আমি ব্যক্তিগতভাবেই মনে করি, রাশিয়া ভাগ্যবান এই অর্থে, সে দেশের মানুষের প্রেসিডেন্ট পুতিনের মতো একজন চৌকস নেতা রয়েছে। পুতিন রাশিয়াকে স্থিতিশীল করেছেন, তিনি রাশিয়াকে রাষ্ট্র হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন। এ কারণেই তিনি রাশিয়ায় এতটা জনপ্রিয়। আমি তাঁকে একজন জনপ্রিয় নেতা বলে মনে করি। আমি মনে করি, সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে পুতিন তাঁর কথা রাখতে পেরেছেন। যদিও এ নিয়ে রুশ সমাজে ভিন্নমত রয়েছে। তবে অর্থনৈতিক নীতিমালা এবং সিরিয়া ও ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে পুতিনের অবস্থান সম্পর্কে তিনি নিজেই বেশ কিছু যুক্তি তুলে ধরেছেন; যা ছিল ন্যায্য এবং রুশ নাগরিকেরা অবশ্যই তাঁকে সমর্থন করেছেন।
রুশ থেকে অনুবাদ : জামিল খান
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচনে গাদ্দাফির অর্থ, সারকোজি পুলিশের হেফাজতে

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষমতার মোহময় মসনদ

চার দশকের বেশি সময় ক্ষমতায়
এ তালিকায় সবার ওপরে কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো। ৪৯ বছর ক্ষমতায় থাকার পর ছোট ভাই রাউল কাস্ত্রোর হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন তিনি। ২০০৮ সালে স্বেচ্ছায় ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। তখন তাঁর বয়স আশির ঘরে। ২০১৬ সালের ২৫ নভেম্বর মারা যান কাস্ত্রে। তাইওয়ানের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিয়াং কাই-শেক ক্ষমতায় ছিলেন ৪৭ বছর। ১৯৭৫ সালে মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্ত এই দ্বীপের ক্ষমতা আঁকড়ে ছিলেন। উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাতা কিম ইল সুং ৪৬ বছর দেশ চালিয়েছিলেন। ১৯৯৪ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনিই ছিলেন উত্তর কোরিয়ার দণ্ডমুণ্ডের কর্তা। ওই দেশে এখনো ‘শাশ্বত নেতা’ হিসেবে সম্মান জানানো হয় কিম ইল সুংকে। আলবেনিয়ার কমিউনিস্ট শাসক এনভার হোজা আমৃত্যু ক্ষমতায় ছিলেন। বছরে হিসাবে ৪০ বছর। ১৯৮৫ সালে মারা যান তিনি। লিবিয়ার সাবেক শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফি প্রায় ৪২ বছর রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন। ২০১১ সালে বিদ্রোহীদের হাতে প্রাণ হারান গাদ্দাফি। গ্যাবন পরিচিত তেলের খনির জন্য। ৪১ বছর দেশটি শাসন করেন ওমর বংগো অনদিম্বা। ২০০৯ সালে মারা যান ওমর।
এখনো যাঁরা ক্ষমতায়
বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট হলেন তিওদোরো ওবিয়াং এনগেমা। গিনির প্রেসিডেন্ট তিনি। রাষ্ট্রক্ষমতায় তাঁর ৩৮ বছর চলছে। ১৯৭৯ সালে নিজের চাচাকে অপসারণ করে ক্ষমতায় এসেছিলেন এনগেমা। এখনো চলছে তাঁর শাসন। ক্যামেরুনের প্রেসিডেন্ট পল বিয়া ৩৫ বছর ধরে শাসন করছেন দেশ। কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট ডেনিস সাসৌর চলছে ৩৪ বছর। তবে এর মধ্যে পাঁচ বছরের বিরতি ছিল তাঁর। ওই সময়টাতে ক্ষমতার বাইরে ছিলেন তিনি। কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেন টানা ৩৩ বছর ধরে ক্ষমতায় আছেন। উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইওয়ারি মুসাভেনি দেশ শাসন করছেন ৩২ বছর হলো। অন্যদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লা আলী খামেনি ২৯ বছর ধরে দেশটির শাসনসংক্রান্ত সব নির্দেশ দিয়ে আসছেন। সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশিরের শাসনামলের ২৮ বছর চলছে। চাদের প্রেসিডেন্ট ইদ্রিস দেবি ২৭ বছর ধরে শাসনকাজ চালাচ্ছেন। কাজাখস্তানের নুরসুলতান নজরবায়েভ প্রেসিডেন্ট হিসেবে আছেন ২৮ বছর ধরে। তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এমামোলি রাখমনের চলছে ২৫ বছর। অন্যদিকে, ইসাইয়াস আফওয়ারকি ইরিত্রিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে আছেন ২৪ বছর।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরকারি প্রকল্পে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি by এএমএম শওকত আলী

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগানিস্তানে মার্কিন উপস্থিতি শেষ হওয়ার পথে by বদরুদ্দীন উমর

সভাপতি, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বলব না তো- পুনর্মূষিকোভব! by অজয় দাশগুপ্ত

ajoydg@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বে বাংলাদেশের নতুন পরিচয়, নতুন দিগন্ত by ড. খোন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম

গবেষণা পরিচালক, সেন্টার ফর
পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুক্তিদাতাকে নিয়ে কিছু স্মৃতিকথা by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
March
(1701)
-
▼
Mar 21
(81)
- রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের সম্পৃক্ততা চায় জাপান
- রোহিঙ্গা শিবিরে যৌনতার ফাঁদ
- ‘ধর্ষণ নয়, হত্যা করতে চেয়েছিলাম’ -লম্পটের দম্ভোক্তি
- সোনার হরিণ পাওয়ার জন্য লড়াই by সুদীপ অধিকারী
- শেষ ঠিকানা ভাইভা বোর্ড by হাফিজ মুহাম্মদ
- মার্কিন গণমাধ্যম থেকে যা শেখার আছে বাংলাদেশের by ন...
- রোহিঙ্গাদের ফেরত যাওয়া বন্ধ করছে মিয়ানমার: সীমান্ত...
- ‘বাংলাদেশকে আর কেউ অবহেলা করতে পারবে না’
- রাজনীতির বাংলাদেশ মডেল by সাজেদুল হক
- কৃষিপণ্য রপ্তানি সংকোচন
- আওয়ামী লীগের ঘাড়ে ‘কোন্দলের’ বোঝা by মিজানুর রহমান...
- পুতিন কেন এত জনপ্রিয়?
- নির্বাচনে গাদ্দাফির অর্থ, সারকোজি পুলিশের হেফাজতে
- ক্ষমতার মোহময় মসনদ
- সরকারি প্রকল্পে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি by এএমএম শও...
- আফগানিস্তানে মার্কিন উপস্থিতি শেষ হওয়ার পথে by বদর...
- বলব না তো- পুনর্মূষিকোভব! by অজয় দাশগুপ্ত
- বিশ্বে বাংলাদেশের নতুন পরিচয়, নতুন দিগন্ত by ড. খো...
- মুক্তিদাতাকে নিয়ে কিছু স্মৃতিকথা by আবদুল গাফ্ফার...
- বাল্যবিয়ে ও গ্রামে আর্থ-সামাজিক সংস্কার by আহমদ রফিক
- সবুজ বন সমৃদ্ধ নগর by ড. মোহাম্মদ কামাল হোসাইন
- ইরানি জনগণকে ট্রাম্প অপমান করেছেন: জারিফ
- যুক্তরাষ্ট্রকে ধমকালেন এরদোগান
- ভিডিও গেম নিয়ে ঝগড়া, বোনকে গুলি করে হত্যা
- সিরিয়ায় রকেট হামলায় নিহত ৩৫
- মার্ক জাকারবার্গকে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তলব
- সৌদিকে শাস্তির পথ খোলা রেখেই প্রিন্স মোহাম্মদের পি...
- দেশে বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ ৮০ হাজার
- ফেসবুক অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার এখনই সময়
- আমরা কতটা সুখী by এমদাদুল হক সরকার
- বিল না দিলে খাবার ফ্রি!
- অল্পবয়সী রোহিঙ্গা মেয়েদের যৌনকাজে ব্যবহার করছেন বি...
- ১৫ বছরে ইরাকে মার্কিন আগ্রাসন
- ভুয়া কাগজে ট্রাম্প জামাতার ব্যবসা
- বাংলাদেশে সুষ্ঠু-মসৃণ নির্বাচন দেখতে চায় চীন: রাষ্...
- ছেলের বউকে জড়িয়ে ধরায় বৃদ্ধকে খুন
- আখাউড়া দিয়ে পালাটানার ৫৫৬ টন স্টিল পাইপ গেল ত্রিপুরায়
- কখনও রাত নামে না যে গ্রহে
- যে গ্রামের ছবি তুললে জরিমানা
- বন্দর সেবায় ভ্যাট আদায়
- স্বজনের অশ্রুভেজা কফিন
- রাশিয়াকে ঝুঁকিপূর্ণ খেলার প্রতিশ্রুতি দিলেন পুতিন
- রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় চা
- আবারো আটকে গেল চীনা বিনিয়োগ প্রস্তাব
- তারা জীবনের জন্যে লড়ে, আর আমরা তাদের জন্য by লিন হ...
- শাবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ : একজন গুলিবি...
- রিফ্লেক্সোলজি ও আকুপ্রেসার বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচ...
- মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ
- বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, হতাহত অর্ধশত
- 'সন্ত্রাস-বিরোধী নাগরিক' হোন : ব্রিটিশ পুলিশ
- ইস্টার্ন ঘৌটায় সরকারী বাহিনীর হামলায় শিশুসহ নিহত ৩২
- স্থিতি-অবস্থা বনাম পরিবর্তনের প্রয়োজনীতা by সৈয়দ ম...
- স্টিফেন হকিং ঈশ্বরের মন ও ভিনগ্রহে বসতি by সৈয়দ আব...
- বিবিসির অনুসন্ধান : বিদেশীদের যৌন কাজের টার্গেট হচ...
- ১৫ মাস পর যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানি বাড়লো
- মানসম্মত শিক্ষা by প্রফেসর মো: আবু নসর
- হেড ইনজুরি বা মাথার আঘাতে করণীয়
- খালেদার মামলায় বৃটিশ আইনজীবী নিয়োগ
- ওয়াইফাই রাউটার আরো দ্রুতগতির করবেন যেভাবে
- শিশুর দাঁতের পরিচর্যা
- হৃদরোগ প্রতিরোধ করবেন কিভাবে
- ট্রাম্পকে রিপাবলিকানদের সতর্কতা
- জাপানের সামরিক প্রস্তুতি, টার্গেট চীন
- এক চীনের জন্য যুদ্ধের হুমকি চীনা প্রেসিডেন্টের
- মিরপুরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে গোয়েন্দা পরিদর্শক নিহত
- শ্রীহট্ট ইকোনমিক জোন দুই বছরেও নেই দৃশ্যমান অগ্রগত...
- সমাধি খুলতেই পাওয়া গেল রত্নভাণ্ডার
- গোপন চুক্তিতে মুক্তি মিলেছে প্রিন্স আলওয়ালিদ বিন ত...
- পানি সঙ্কটে পড়বে ৫৭০ কোটি মানুষ
- দুই পরিবারেই আটকে আছে সুনামগঞ্জের মেয়র নির্বাচন by...
- ইরাকে ৩৪ লাখ মানুষের প্রাণহানি
- ফিলিস্তিনি বীরকন্যাদের ভয় পাচ্ছে ইসরাইল
- মৃত্যুর কাছ থেকে ফেরা স্বর্ণার বর্ণনা: মাটিতে পড়েই...
- ছাত্রীদের পর্দা করা নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করে বিপাক...
- চাকরি হারাচ্ছেন সৌদি প্রবাসীরা
- ধর্ষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছেন কাজাখ নারীরা
- শেষ শ্বেত গণ্ডারটি মারা গেছে
- ফয়জুরের বন্ধু সোহাগ জাফর ইকবালের ওপর হামলা সবই জান...
- আবিদের স্ত্রীর অবস্থা অপরিবর্তিত
- চিকিৎসার সব খরচ দিবেন আফ্রিদি
- সিরিয়া নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগেছে পশ্চিমা দুনিয়া
-
▼
Mar 21
(81)
-
▼
March
(1701)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...