Monday, November 19, 2018
ইসরাইলে আগাম নির্বাচন: হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

বিবিসির খবরে বলা হয়, গত সপ্তাহে গাজার সশস্ত্র হামাস গোষ্ঠীর সঙ্গে ইসরাইলের অস্ত্রবিরতির বিরোধিতা করে পদত্যাগ করেন নেতানিয়াহুর জোটসঙ্গী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এরপরই সমস্যা শুরু হয়। বর্তমানে নেতানিয়াহু প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি এই পদে বসেছেন। কিন্তু অন্য জোট শরিকরা বিষয়টি মানছে না।
এই প্রেক্ষিতে নেতানিয়াহু বলেন, ‘এমন এক সময়ে সরকার উৎখাত করা বা আগাম নির্বাচনে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে এখনও পুরো এক বছর বাকি। এখন আমরা যুদ্ধের চূড়ায়।
এই লড়াইয়ের মাঝে পালিয়ে যাওয়া যায় না। এই লড়াইয়ের মাঝে আপনি রাজনীতি খেলতে পারেন না। ইসরাইল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা যেকোনো রাজনীতির উর্ধ্বে। এই রাষ্ট্রের নিরাপত্তা যেকোনো ব্যক্তিগত বিবেচনার উর্ধ্বে।’
গত সপ্তাহে প্রতিরক্ষামন্ত্রী আভিগদর লিবারম্যান ও তার দল ইসরাইল বেইতেইনু দল শাসক জোট থেকে সরে যায়। ফলে বর্তমানে পার্লামেন্টে নেতানিয়াহুর সংখ্যাগরিষ্ঠতা মাত্র ১ ভোটের।
শুক্রবার এ নিয়ে আলোচনা হয় নেতানিয়াহু ও জোটের আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী নাফতালি বেনেটের মধ্যে। কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয় আলোচনা। তাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ দেওয়া না হলে জোট থেকে নিজের দল হাবায়িত হায়েহুদিকে প্রত্যাহার করার হুমকি দিয়েছেন বেনেট। বেনেটের দল জোটের তৃতীয় বৃহত্তম দল। এটি চলে গেলে নেতানিয়াহুর সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে।
এছাড়াও অর্থমন্ত্রী মোশে কাহলুনের দল কুলানু সরকারী জোটের অস্তিত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কাহলুন বলেছেন, তার মনে হচ্ছে না যে জোট আর চলবে।
সঙ্কটের শুরু হয় গত রোববার থেকে। সেদিন ছদ্মবেশী একটি ইসরাইলি সেনা কমান্ডো ইউনিট গাজায় প্রবেশ করে, যেটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস।
এ সময় ইসরাইলি ট্যাঙ্ক ও বিমান থেকে গোলা নিক্ষেপ করা হয় গাজায়। পাশাপাশি ছদ্মবেশে ঢুকে পড়ে ওই কমান্ডো ইউনিট। তাদের সঙ্গে লড়াইয়ে ৭ হামাস সদস্য ও ওই কমান্ডো দলের অধিনায়ক নিহত হন। এর পরপরই ৪৮ ঘণ্টায় ইসরাইলের দিকে প্রায় ৪৬০টি রকেট ও মর্টাল ছুড়ে হামাস।
২০১৪ সালের যুদ্ধের পর দু’ পক্ষের মধ্যে এটিই ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত। এরপর ইসরাইল হামাস সদস্যদের লক্ষ্য করে ১৬০টি বিমান হামলা চালায়। এতে গাজায় আরও ৭ জন ও ইসরাইলে ১ জন নিহত হয়। পরে মঙ্গলবার মিশরের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরাইল অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়।
কিন্তু নেতানিয়াহু সরকার কেন অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হলো তা মানতে পারেন নি লিবারম্যান ও বেনেট। তারা বিষয়টিকে হামাসের সামনে ইসরাইলের আত্মসমর্পণ হিসেবে দেখছেন। এরই প্রেক্ষিতে লিবারম্যান পদত্যাগ করেন। আর বেনেট প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ দাবি করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর অগ্নিপরীক্ষা

তিনি বলেন, বর্তমান জোট টিকে থাকবে বলে তার মনে হয় না। এরই প্রেক্ষিতে রোববার তাকে নিয়ে বৈঠকে বসছেন নেতানিয়াহু। তার এ পরীক্ষাকে দেখা হচ্ছে এক অগ্নিপরীক্ষা হিসেবে।
গাজা উপত্যকা ইস্যুতে যোদ্ধা গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে অস্ত্রবিরতি মেনে নেয়ার ইসরাইলি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বুধবার পদত্যাগ করেন ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আভিগডর লিবারম্যান। সঙ্গে সঙ্গে লিবারম্যান ও তার দল ইসরাইল বিতেইনু পার্টি ক্ষমতাসীন জোট থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে ইসরাইলি পার্লামেন্ট নেসেটে মাত্র একটি বেশি আসন নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ রয়েছেন নেতানিয়াহু। এ অবস্থায় তার ওপর চাপ প্রয়োগ করেছে জোটে থাকা তৃতীয় দল হাবিয়িত হায়েহুদি। নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিজেকে নিয়োগ দেয়ার জন্য বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর চাপ প্রয়োগ করেছেন এ দলের নেতা নাফতালি বেনেট। তিনি বলেছেন, তাকে যদি নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিয়োগ দেয়া না হয় তাহলে জোট ছেড়ে দেবে তার দল। যদি তাই হয় তাহলে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর ঝুঁকিতে পড়বেন। একই সঙ্গে পার্লামেন্টে তার দল একা হয়ে পড়বে। কিন্তু ইসরাইলে একক একটি দলকে সরকার চালাতে নেয়ার বিধান নেই। এ অবস্থায় কোনো কাজ করতে পারবেন না নেতানিয়াহু। নাফতালি বেনেট অবশ্য চাপ বাড়াতে এরই মধ্যে আগাম নির্বাচন দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তার এ আহ্বানের বিরোধিতা করছেন নেতানিয়াহু।
বুধবার পদত্যাগ করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আভিগডর লিবারম্যান। এরপর থেকে পরিস্থিতি সামাল দিতে একের পর এক বৈঠক করে আসছেন নেতানিয়াহু। তিনি শুক্রবার প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য জোটসঙ্গীদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। তবে কোন সিদ্ধান্ত ছাড়াই তা শেষ হয়েছে।
আগাম নির্বাচন দেয়া হয় হলে তার অর্থ কি দাঁড়াবে?
উল্লেখ্য, ইসরাইলে ২০১৫ সালের মার্চ থেকে ক্ষমতায় বর্তমান সরকার। ইসরাইলের ইতিহাসে সবচেয়ে উগ্র ডানপন্থি বলে তাদেরকে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সরকারে রয়েছে অতিমাত্রায় জাতীয়বাদী ও ধর্মীয় দলগুলো। তারা ফিলিস্তিন ইস্যুতে কট্টর অবস্থান অবলম্বন করে। দখলীকৃত এলাকা নিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার যেকোনো উদ্যোগকে প্রত্যাখ্যান করে তারা। ইসরাইলের সব সরকারই জোট সরকার। কারণ, ইসরাইলের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় আনুপাতিক হারে প্রতিনিধিত্ব রাখার নিয়ম আছে। এর অর্থ হলো কোনো একক দল দেশ চালাতে পারবে না। যদিও প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আগাম নির্বাচন আহ্বান করতে চান না, কিন্ত সাম্প্রতিক জরিপগুলো বলছে, ভোটারদের মধ্যে এখনও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা রয়েছে। তার দল লিকুদ পার্টির প্রতি রয়েছে সবচেয়ে বেশি সমর্থন। তবে তারা যদি একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দলও হয় আর তাদের সঙ্গে জোটে অন্য দল না থাকে তার অর্থ এই নয় যে, লিকুদ পার্টি ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে। কারণ, একক একটি দলের দেশ শাসনের অধিকার নেই।
উল্লেখ্য, চার বার নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি ২০১৯ সালের ৩১ শে মে পর্যন্ত ক্ষমতায় আছেন। এ সময়টা যদি অতিক্রম করতে পারেন তাহলে তিনি ইসরাইলের প্রতিষ্ঠাতা, জনক ডেভিড বেন-গারিসনের রেকর্ডকে অতিক্রম করে যাবেন। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুই হয়ে উঠবেন ইসরাইলের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী প্রধানমন্ত্রী।
কি নিয়ে এই সঙ্কট?
গত রোববার ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ছদ্মবেশ ধারণ করে ইসরাইলের একটি ইউনিট অভিযান চালায়। ইসরাইলের ট্যাঙ্ক ও আকাশ থেকে বিমানের গোলায় ওই এলাকায় তখন কমপক্ষে ৭ ফিলিস্তিনি নিহত হন। আর ইসরাইলের পক্ষে নিহত হন একজন। এর আগে হামাস ইসরাইলের দিকে প্রায় ৪৬০টি রকেট নিক্ষোপ করে বলে ইসরাইলের অভিযোগ। তার জবাবে ইসরাইল গাজায় হামাসকে লক্ষ্য করে ১৬০টি বিমান হামলা চালায়। তিনদিন এমন উত্তেজনা চলে। মঙ্গলবার মিশরের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়। এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছার জন্য ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আভিগডর লিবারম্যান ক্ষিপ্ত হন। তার মতে, এর মধ্য দিয়ে ইসরাইল হামাসের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। প্রকাশ্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। তারপরই পদত্যাগ করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বায়ুদূষণে কেমন আছেন দিল্লির রিক্সাওয়ালা!

সঞ্জয় জানান, পাঁচ বছর আগে তিনি চাকরির খোঁজে বিহার থেকে দিল্লিতে যান।
কিন্তু চাকরি না পেয়ে অবশেষে পেটের দায়ে আর পরিবারের কথা ভেবে রিক্সা চালানো শুরু করেন। রিক্সা চালিয়ে তিনি যা আয় করেন তা দিয়ে বাসা ভাড়া করে থাকা সম্ভব নয়। তাই তিনি ফুটপাতে থাকতে শুরু করেন।
তিনি বলেন, আমি বিছানায় ঘুমানোর আশা করি। কিন্তু জানি সেটা অনেক দূরের স্বপ্ন। আমি ভালো খাবার আশা করি। কিন্তু সেটাও দু®প্রাপ্য। এসব কিছু না হোক, কমপক্ষে বিশুদ্ধ বায়ুতে নিঃশ্বাস নেবার আশা করতেই পারি। কিন্তু শীতের সময়টাতে সেটাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আপনার আরামদায়ক একটি বাড়ি আছে। আর আমাকে তো সব সময় রাস্তাতেই থাকতে হয়।

দিল্লির বায়ু দূষণের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রতিবছর নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে পার্শ্ববর্তী রাজ্য পাঞ্জাবের কৃষকরা ফসলি জমি পরিষ্কার করার জন্য আগুন লাগিয়ে দেবার কারণে বায়ু দূষণের মাত্রা আরো খারাপ হয়ে যায়। এছাড়া দিওয়ালিতে বাজি পোড়ানোর কারণে বাতাসে বিষাক্ত গ্যাস মিশে দূষণ আরো তীব্রতর করে।
সঞ্জয় কুমারের মতো আরো এক রিক্সাচালক জয় চাঁদ যাদব। পশ্চিম বাংলা থেকে সাত বছর আগে দিল্লিতে গেছেন। বলছিলেন, বিরতি নেয়ার কোনো সুযোগ নাই। আমি দিনে ৩০০ রুপি আয় করি। তার কিছু অংশ দিয়ে পরিবারের জন্য খাবার কিনি, আর বাকিটা সঞ্চয় করি। আমার পরিবার আমার উপর নির্ভরশীল। তাই নিঃশ্বাস নিতে যত কষ্টই হোক না কেন, কাজ চালিয়ে যেতেই হবে।
তিনি আরো বলেন, আমি মাঝেমধ্যে না খেয়েই রিক্সা চালাই। আমি সেটা কোনোভাবে চালিয়ে নিতে পারি। কিন্তু বায়ুর অবস্থা এতোটাই খারাপ যে, আমার মনে হয় বুকের উপর ৫০ কেজি নিয়ে আমি রিক্সা চালাচ্ছি।

সঞ্জয় কুমার আর জয় চাঁদ যাদবের মতো দিল্লিতে হাজার হাজার রিক্সাচালক রয়েছেন। শীতকালে দিল্লির বায়ু দূষণের মাত্রা গ্রহণযোগ্য মাত্রা থেকে ৩০ গুণ দূষিত হয়ে পড়ে। আর এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় রিক্সাচালকরা। রিক্সা চালানোর সময় শ্বাসযন্ত্রে বেশি চাপ পড়ে। এতে করে বাতাসে মিশে থাকা পিএম২.৫ নামের বিষাক্ত ক্ষুদ্র কণা শ্বাসযন্ত্রে প্রবেশ করে রক্তে মিশে যায়। এতে করে তাদের শারীরিক পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। ভারতের সুপ্রিম কোর্টও বিষয়টি আমলে নিয়েছে। রায়ু দূষণ স¤পর্কে সম্প্রতি এক শুনানিকালে আদালত সরকারকে বলেছেন, ঘরে থাকার পরামর্শ দেয়া কোনো সমাধান নয়। রিক্সাচালকদের এটা বলা সম্ভব নয় যে, বাইরে কাজ করতে যাওয়া নিরাপদ নয়। আপনাকে ঘরে থাকতে হবে। এটি খুবই সংকটময় পরিস্থিতি। বিচারক বলেন, যত রিক্সাচালককে আমি দেখেছি, তারা সবাই কাঁশছে অথবা শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা নিয়ে অভিযোগ করছে। কিন্তু এসব কিছুর পরও রিক্সাচালকরা এখনও রাস্তাতেই রয়েছে। কুয়াশাচ্ছন্ন বিষাক্ত বায়ুর মধ্যেই রিক্সা চালাচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারত কি ইসলামী নাম পরিবর্তনে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে?

এর শুরু হয় এ বছরের জুলাই মাসে। বিজেপি শাসিত রাজ্য উত্তর প্রদেশের মুঘলসারাই নামের একটি রেল স্টেশনের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় দিনদয়াল উপাধ্যায়া।
এর আগে গত মাসে বিখ্যাত শহর এলাহাবাদের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় প্রায়াগরাজ। হিন্দুদের কাছে স্থানটি পবিত্র হওয়ায় এলাহাবাদ নামটি বিজেপি সরকারের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারায়। তবে নাম পরিবর্তনের আসল কারণ হচ্ছে, এলাহাবাদ নামটি ৪৩৫ বছর আগে তৎকালীন মুসলিম শাসকদের রাখা। কিন্তু এত মাত্র শুরু। কট্টরপন্থি হিন্দু ধর্মীয় নেতারা সমপ্রতি ফয়জাবাদ জেলার নাম পরিবর্তন করে অযোধ্যা রেখেছেন। এটি হিন্দুদের দেবতা রামের জন্মভূমি হিসেবে পরিচিত। ১৯৯২ সালে এ অযোধ্যাতেই উগ্রপন্থি হিন্দুরা মুঘল আমলে নির্মিত বাবরি মসজিদ ভেঙেছিল। এর ফলে সমগ্র ভারত জুড়ে ধর্মীয় দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। যাতে নিহত হয় প্রায় ২০০০ মানুষ। বিজেপি সরকার এখন উত্তর প্রদেশের আগ্রা জেলার নামও পরিবর্তন করতে যাচ্ছে। এখানেই অবস্থিত বিশ্ববিখ্যাত তাজমহল। এ ছাড়াও পাল্টে ফেলা হচ্ছে গুজরাটের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আহমেদাবাদের নামও। এ স্থানগুলোর নাম বদলে আরো হিন্দুবান্ধব নাম রাখার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। এ বছরের শুরুতে বিজেপি শাসিত রাজস্থানের তিনটি গ্রামের নামও ইসলামপন্থি হওয়ায় বদলে দেয়া হয়।
নাম পরিবর্তনের বিষয়ে বিজেপি নেতারা বলছেন, নতুন নামগুলো ভারতের হিন্দু শাসনের গৌরবোজ্জ্বল অতীতকে তুলে ধরবে। এতে দেশটির ইসলামী ঐতিহ্য কার্যত হুমকির মুখে পড়েছে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক গগনপ্রীত সিং এ বিষয়ে বলেন, নাম পরিবর্তনের এ রাজনীতি ঐতিহ্যের রাষ্ট্রীয়করণের মধ্যে নিহিত। ২০১৪ সালে মোদি সরকার মুঘল শাসক আওরঙ্গজেবের নামে থাকা দিল্লির একটি সড়কের নাম বদলে সাবেক প্রেসিডেন্ট এপিজে আবদুল কালামের নামে নামকরণ করে। কলাম লেখক আতিশ তাসির বলেন, বিজেপি এর মাধ্যমে মুসলিম দেশপ্রেমিকের নাম দিয়ে মুসলিম খলনায়কের নাম মুছে ফেলেছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে ভারতে। নির্বাচনের মাত্র পাঁচ মাস আগে বিজেপির এই নাম পরিবর্তনের খেলাকে অনেকেই দেখছেন ভোট পাওয়ার কৌশল হিসেবে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা মার্চ মাসে পার্লামেন্টে জানান, রেল স্টেশন, শহর ও গ্রামসহ নানা স্থানের নাম পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন রাজ্য থেকে তাদের কাছে ২৭টি প্রস্তাব এসেছে। তবে সব থেকে বেশি আবেদন এসেছে বিজেপি শাসিত রাজস্থান ও হরিয়ানা রাজ্য থেকে।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই নানা কারণে শহর ও স্থানের নাম পরিবর্তন করা হয়। তারমধ্যে কিছু কারণে ভারতের সঙ্গেও মিল রয়েছে। কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ইসলামী নামগুলোকেই বেছে নেয়ার মাধ্যমে মূলত ভারতের ইতিহাসে মুসলিমদের অস্বীকার করা হচ্ছে। তারা তাদের এ সিদ্ধান্তকে ন্যায্য প্রমাণ করতে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র পাকিস্তানের উদাহরণ দেন। সেখানে প্রায় সকল স্থান ও সড়কের নাম মুসলিম বীর ও ব্যক্তিদের নামে নামকরণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইতিহাসবিদ ইরফান হাবিব বলেন, রাজনীতির সব থেকে বড় শিকার হচ্ছে ইতিহাস।
(বিবিসিতে প্রকাশিত সৌতিক বিশ্বাসের কলাম থেকে)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকায় নয়া মার্কিন দূত: পূর্বসূরিদের দেখানো পথে হাঁটতে চাই by মিজানুর রহমান

সেগুনবাগিচার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন প্রথম সাক্ষাতে বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেন নয়া মার্কিন দূত। বলেন, আমি আমার পূর্বসূরিদের কাছ থেকে বাংলাদেশ সম্পর্কে অনেক কিছু জেনেছি। তারা এখানকার অনেক ঘটনার সাক্ষী। বাংলাদেশের অনেক ইতিবাচক দিক রয়েছে উল্লেখ করে রবার্ট মিলার বলেন, পূর্বসূরিদের কাছ থেকে লব্ধ জ্ঞান আমার চলার পথে সহায়ক হবে।
আমি তাদের দেখানো পথেই হাঁটতে চাই। আমাদের উন্নয়ন অংশীদার বাংলাদেশকে আরো সমৃদ্ধকরণে কাজ করতে আমি প্রস্তুত।
এর আগে প্রথা অনুযায়ী গত মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথ নেন আর্ল রবার্ট মিলার। পররাষ্ট্র দপ্তরের চিফ অব প্রটোকল সেন ললার তার শপথ পরিচালনা করেন। শপথ অনুষ্ঠানে সদ্য সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা ব্লুম বার্নিকাট এবং তারও আগে ঢাকায় দায়িত্ব পালনকারী মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা উপস্থিত ছিলেন। ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম জিয়াউদ্দিনও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন। কূটনীতিক হিসেবে যোগ দেয়ার আগে আর্ল মিলার মার্কিন মেরিন কোরে কাজ করেছেন। বাংলাদেশের জন্য মনোনীত হওয়ার আগে তিনি বতসোয়ানায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আর্ল রবার্ট মিলার ১৯৮৭ সালে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে যোগ দেন। তিনি ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে যুক্তরাষ্ট্রের কন্সাল জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া নয়াদিল্লি, বাগদাদ ও জাকার্তায় মার্কিন দূতাবাসে আঞ্চলিক নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন তিনি। মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনাইটেড স্টেটস মেরিন কপস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮১ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত মিলার মার্কিন মেরিন কোরে অফিসার এবং ১৯৮৫ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত মেরিন কোর রিজার্ভে অফিসার পদে ছিলেন।
উল্লেখ্য, জাতীয় নির্বাচনের মুহূর্তে ঢাকায় আসা জ্যেষ্ঠ ওই মার্কিন কূটনীতিক দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রেসিডেন্টের কাছে পরিচয়পত্র পেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। কয়েক মাস আগে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে আর্ল মিলারকে নিয়োগের ঘোষণা দেয় হোয়াইট হাউস। দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বিশেষ করে সিনেটের শুনানি এবং চূড়ান্ত অনুমোদনের পর শপথ নিয়ে ঢাকা মিশন শুরু করতে এলেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসন বণ্টন নিয়ে কতটা জটিলতায় দুই জোট?

রবিবার থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিতে শুরু করেছে বিএনপি, পাশাপাশি তাদের দুইটি জোটের শরীকদের সঙ্গে আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনাও চলছে।
এই জোটের শরীকরা একশোর বেশি আসন চাইছে। তবে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আরো পরে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে চায় বিএনপি, বলছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
তিনি বলছেন, আমরা প্রার্থী চূড়ান্ত করবো আরো পরে। কারণ আমাদের জোটের দলগুলো আছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। আরপিও অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহারের চূড়ান্ত দিনে হয়তো মনোনয়ন দিতে হবে।
পুরো ব্যাপারটা চ্যালেঞ্জিং বলে মনে করলেও, খুব কঠিন হবে না বলেই তার মত।
কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলছেন, '' এর আগেও জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করেছি। আর একটা বিষয়ে আমরা সকলেই একমত, যে আসলে যে প্রার্থী গ্রহণযোগ্য, যার জেতার সম্ভাবনা বেশি, তিনি যে দলেরই হোন, তাকেই আমরা মনোনয়ন দেয়ার চেষ্টা করবো।''
''ছোট একটা দলের যদি বেশি যোগ্য প্রার্থী থাকে, যার জেতার সম্ভাবনা বেশি, তারা হয়তো বেশি মনোনয়ন পাবে।
আবার কোন বড় দল থেকে সম্ভাবনা কম থাকলে তারা কেউ বাদ পড়তে পারেন।''
২০দলীয় জোটের বাইরে কিছুদিন আগে গঠন করা জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের শরীকদের সঙ্গেও আসন ভাগাভাগি করতে হবে বিএনপিকে।
বিএনপির আরেক জোট শরীক, জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন না থাকলেও, দলটি বিএনপির সঙ্গেই নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে। তবে তারা বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহার করবে, নাকি স্বতন্ত্র প্রতীক বেছে নেবে। জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরোয়ার বলছেন,''আলাপ আলোচনা করে, বার্গেনিং করে আমাদের আসনের বিষয়টি নিশ্চিত হবে। আমরা ৫০টা আসনের তালিকা ঠিক করে দিয়েছি। কেন সেখানে আমাদের প্রার্থী থাকা উচিত, সেটা ব্যাখ্যা সহকারে দিয়েছি।
তবে তিনি বলছেন, ''যেহেতু শরীক দলের সংখ্যা বেশি, এটা আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে জোট রক্ষার স্বার্থে কিছু কমবেশ তো হতেই পারে। সেটা আলোচনার পরই চূড়ান্ত হবে।''
তবে নিবন্ধন না থাকায় জামায়াতে ইসলামীর নাম বা প্রতীক ব্যবহার করতে পারবেন না এই দলের নেতারা। ফলে তাদের শরীক কোন দলের প্রতীক বা স্বতন্ত্র প্রতীক ব্যবহার করতে হবে। এ নিয়ে দলটির নেতারা এখন আলোচনা করছেন।
প্রধান দুই জোটের নেতাদের মনোনয়ন পত্র সংগ্রহের তালিকার দিকে তাকালে দেখা যাবে, অনেক নির্বাচনী আসনে একই দলের যেমন একাধিক নেতা মনোনয়ন পত্র নিয়েছেন, আবার সেখানে জোটের নেতারাও প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
ফলে প্রার্থী চূড়ান্ত করাটা বড় দুই জোটের মধ্যে জটিলতার তৈরি করতে পারে অনেক নেতাই আশঙ্কা করছেন।
মহাজোটের শরীক দল জাতীয় পার্টি বলছে, তারা আলোচনা করে বিষয়টির সমাধান সমাধান করতে চান।
দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায় বলছেন, ''আসন ভাগাভাগির বিষয়টি আলোচনার টেবিলেই নির্ধারিত হবে। বাস্তবিক অর্থে তিনশো আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি আমাদের আছে। এখন আমাদের যদি জোটগতভাবে নির্বাচন করতে হয়, তখন কিভাবে আর কোথায় কোথায়, কোন আসনে আমাদের ভালো প্রার্থী আছে, সেটা আওয়ামী লীগের সঙ্গে আলোচনা করেই নির্ধারিত হবে।''
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শরীক দলগুলো সবমিলিয়ে দেড়শর মতো আসন আশা করছে, যেখানে ক্ষমতাসীন দলটি ৬০ থেকে সত্তরটি আসন দিতে আগ্রহী। তবে এ নিয়ে কোন টানাপড়েন আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ।
তিনি বলছেন, ''এখানে টানাপড়েনের কিছু নেই। কারণ আমাদের সভানেত্রী আগেই বলেছেন, আসন বণ্টনটা সংখ্যাভিত্তিক হবে না, এটা হবে নির্বাচনে জয়লাভের সম্ভাবনার ওপর ভিত্তি করে। সে কারণে কে কতটা আসন দাবি করলো, সেটা বড় কথা নয়। শরীক দলগুলোর মধ্যে কার কতটা আসনে জয়লাভের সক্ষমতা আছে, সেই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আসন বণ্টন হবে।''
শরীকদের কতটা আসন ছাড়া হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে তিনি জানান।
মি. হানিফ বলছেন, ''আমাদের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আগেই বলেছেন, শরীকদের সঙ্গে আসন বণ্টনের ব্যাপারে, আমাদের চৌদ্দ দল, মহাজোটের জাতীয় পার্টি, সদ্য আসা যুক্তফ্রন্ট, বিকল্প ধারাসহ আরো কয়েকটি দল আছে, সবার কথা বিবেচনা করে সর্বোচ্চ ৬০ থেকে ৭০টা আসন বণ্টন হতে পারে।''
তফসিল অনুযায়ী, ২৮ নভেম্বরের মধ্যে মনোনয়ন ফরম দাখিল করতে হবে। তবে প্রত্যাহারের সুযোগ রয়েছে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৩০ ডিসেম্বর।
দুই জোটের নেতারাই জানিয়েছেন, একেকটি আসনে দল এবং শরীক মিলিয়ে একাধিক ব্যক্তিকে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে বলা হবে। পরবর্তীতে দল বা জোট থেকে যাকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হবে, তিনি ছাড়া অন্যদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিতে বলা হবে।
সূত্রঃ বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লক্ষ্য ক্রাউন প্রিন্সকে রক্ষা করা!

নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, পরস্পরের মিত্র দু’দেশের এই পদক্ষেপ পূর্বপরিকল্পিত। দুই পক্ষই প্রত্যাশা করছে, তাদের কর্মকান্ড ক্রাউন প্রিন্সকে খাশোগি হত্যায় সম্পৃক্ত থাকার ক্রমবর্ধমান অভিযোগ থেকে রক্ষা করবে।
কিন্তু পরেরদিনই পরিস্থিতি পাল্টে যায়। শুক্রবার মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ সিদ্ধান্ত দেয় যে, গত মাসে ক্রাউন প্রিন্স ব্যক্তিগতভাবে ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটের মধ্যে খাশোগিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
মার্কিন প্রশাসনের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা ও এ বিষয়ে জানাশোনা আছে এমন একটি সূত্র সিএনএনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। যদিও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিদার নর্ট বলেছেন, খাশোগি হত্যাকান্ডে দোষী কে এ বিষয়ে মার্কিন সরকার কোন সিদ্ধান্তে পৌছে নি। এখনো অনেক প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর পাওয়া যায়নি।
খাশোগি হত্যার ঘটনায় সৌদি আরব সব সময়ই ক্রাউন প্রিন্স বিন সালমানকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু শুক্রবার সিআইএ’র দেয়া বক্তব্য সৌদি আরবের জন্য কঠিন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। যদি সিআইএ’র বক্তব্য হলে তা হবে সৌদি রাজ পরিবারের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠতায় বড় ধাক্কা। শনিবার সিআইএ তাদের অনুসন্ধানের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ব্রিফ করেন। ব্রিফের আগে ট্রাম্প আবারো তার পুরনো মত ব্যক্ত করেন। তার বিশ্বাস যে, ক্রাউন প্রিন্স নির্দোষ। ট্রাম্প বলেন, বিন সালমান হত্যাকান্ডে সরাসরি কোন ভূমিকা না থাকার বিষয়ে তাকে বলেছেন। এসময় তিনি সৌদি আরবকে সত্যিকারের মিত্র বলেও আখ্যা দেন। ট্রাম্প বলেন, তারা আমাদের চাকরি দিয়েছে, ব্যবসা দিয়েছে, অর্থনৈতিক উন্নতি দিয়েছে। এর পরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সিআইএ’র অনুসন্ধানের বিষয়ে ব্রিফ করা হয়। কিন্তু ধারণা করা হচ্ছে, সিআইএ’র রিপোর্টের পরেও ট্রাম্প সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য তার মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের নির্দেশনার প্রতি নির্ভর করবেন।
তুর্কী সরকারের দেয়া তথ্য-প্রমাণ ও অন্যান্য বিষয়গুলোর ভিত্তিতে সিআইএ তাদের অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্ট তৈরি করে। শুক্রবার এই রিপোর্ট প্রকাশ করে ওয়াশিংটন পোস্ট। এতে বলা হয়, ক্রাউন প্রিন্সের ভাই খালিদ বিন সালমান খাশোগিকে কনস্যুলেটে যাওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত করেছিলেন। তিনি বড় ভাই মোহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশেই এই ফোন কল করেছিলেন। তবে খালিদ বিন সালমান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। টুইটারে দেয়া বার্তায় তিনি বলেন, তিনি খাশোগির সঙ্গে কখনো কথাই বলেননি।
যা হোক, খাশোগি হত্যকান্ডের বিষয়টি এখন একটি ভূরাজনৈতিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। খাশোগি নিখোঁজের সময়ই বিশ্ব নেতারা নিরপেক্ষ স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সে দাবি গত কয়েক সপ্তাহে কমে এসেছে। তবে কানাডাসহ কয়েকটি দেশ সৌদি আরবের ওপর নিষেধাজ্ঞার আরোপের কথা ভাবছে। ইউরেসিয়া গ্রুপের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক প্রধান আয়হাম কামেল বলেন, ঘনিষ্ঠ মিত্রদের কেউই সৌদি আরবকে অস্থীতিশীল করতে চায় না। তারা রিয়াদে এমন কোন পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চায় না, যেখানে ক্ষমতার জন্য উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা হবে। কেননা ক্ষমতার উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা নিয়ন্ত্রণ করা কষ্ট। এতে কোন ভবিষ্যদ্বাণীও করা যায় না।
বাস্তবে বিন সালমানের প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ করা হলে বিপযয়কর পরিস্থিতি তৈরি হবে। কেননা ৩৩ বছর বয়সী ক্রাউন প্রিন্স পূর্ববর্তী সকল প্রিন্সের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষমতাধর। তিনি দেশের অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংশ্লিষ্ট সব এজেন্সীর দেখভাল করেন।
দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার পর বিন সালমান বর্তমান অবস্থানে এসেছেন। শত শত যুবরাজ, সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীকে তিনি রিটজ কার্লটন হোটেলে কার্যত বন্দী করে রাখেন। দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের নামে তিনি বিলাসবহুল হোটেলকে অনেকটা বন্দী শিবিরে পরিণত করেন। রাজ পরিবারেও ক্রাউন প্রিন্সের শত্রু রয়েছে। কেননা কয়েক ডজন যুবরাজকে অতিক্রম করে বিন সালমান ক্রাুউন প্রিন্স হয়েছেন। অথচ স্বাভাবিক নিয়মে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হিসেবে তার নাম অনেক পেছনে ছিল। এমন পরিস্থিতিতে বিন সালমানের বিরুদ্ধে যদি খাশোগি হত্যাকান্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে বিন সালমানকে ঘায়েল করতে প্রতিপক্ষ যুবরাজদের জন্য তা বিরাট সুযোগ হয়ে দাড়াবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেই সম্পর্ক নিয়ে ২০ বছর পর মুখ খুললেন মনিকা লিউনস্কি

তবে নিজের জীবনে সেই ২০ বছর আগের ঘটনা নিয়ে তিনি নতুন করে আবার কথা বলেছেন ‘দ্য ক্লিনটন অ্যাফেয়ার’-এ। সিরিজটির এমন নামকরণকে মনিকা যথার্থ বলে মনে করেন। তিনি গত সপ্তাহে ভ্যানিটি ফেয়ার ম্যাগাজিনে লিখেছেন, ‘বাই বাই লিউনস্কি স্ক্যান্ডাল’। এতে তিনি ওই সিরিজে কথা বলার সিদ্ধান্ত ব্যাখ্যা করেছেন। মনিকা বলেন, ওই স্মৃতি বয়ে নিয়ে বেড়ানোর জন্য ২০ বছর যথেষ্ট সময়। ওই সিরিজ থেকে বেশ কিছু ক্লিপ প্রকাশ হয়ে পড়েছে। তাতে মনিকাকে বলতে শোনা যায় ওভাল অফিসে প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত স্যুটে তার সঙ্গে যেসব যৌন সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল তা নিয়ে কথা বলছেন। তা ছাড়া তাদের ওই সম্পর্ককে গোপন রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তাও গোপন রাখতে পারেন নি তারা। তা নিয়েও কথা বলেছেন মনিকা। গুড মর্নিং আমেরিকায় একটি ক্লিপ প্রচারিত হয়েছে। তাতে মনিকা বলেন, (আমাদের ওই সম্পর্কের বিষয়ে) আমরা দু’জনেই সাবধান ছিলাম। তবে যথেষ্ট সাবধান ছিলাম না।
মনিকা স্মরণ করেন বিল ক্লিনটন কিভাবে তাকে সতর্ক করেছিলেন। তিনি তাকে বলেছিলেন আরেকজন নারী পলা জোনসের আনা যৌন হয়রানির অভিযোগের বিষয়ে মনিকাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। এ সময় তাকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছিল।
এ সম্পর্কে মনিকা বলেন, আমি শিলার মতো শক্ত হয়ে গিয়েছিলাম। আমার পরিবার ও জনগণের কাছে বিষয়টি প্রকাশ হয়ে পড়ায় বিষয়টি ছিল চরম অপমানের। মনিকা বলেন, বিল ক্লিনটন তাকে বলেছিলেন সাক্ষ্য দেয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখার একটি এফিডেভিটে স্বাক্ষর করতে পারেন মনিকা। তিনি বলেন নি যে, শোনা (মনিকা) তুমি মিথ্যা বলতে যাচ্ছো না। তিনি বলেন নি, শোন বিষয়টা বাস্তবেই প্রকাশ হতে চলেছে। আমাদেরকে সত্য বলতে হবে।
এরপর বিল ক্লিনটনের সঙ্গে তার কোন যৌন সম্পর্ক ছিল না এমন একটি ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করেন মনিকা। দু’জনের এ সম্পর্কের কথা অস্বীকার করার জন্য বিল ক্লিনটনকে অভিশংসন করা হয়। তবে সিনেট তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলো। ফলে বিল ক্লিনটন দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইইউ, অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছতার প্রত্যাশা

ক্রিস্তোস স্টাইলিয়ানিডস বলেছেন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলো ও সমমনা অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে অব্যাহতভাবে এ ইস্যুতে আলোচনা করে যাচ্ছে ইউরোপিয় ইউনিয়ন।
সাম্প্রতিক বেশ কিছু বিবৃতিতে এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সহিংসতার প্রতিক্রিয়ায় এর প্রয়োজন ছিল। ক্রিস্তোস স্টাইলিয়ানিডস আরো বলেন, আমরা সাংবাদিক শহিদুল আলমের পরিস্থিতিতে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।
বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ক্রিস্তোস স্টাইলিয়ানিডস আরো বলেন, পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে নিয়মিত বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষর সঙ্গে আমাদের আলোচনা হচ্ছে। এক্ষেত্রে আসন্ন নির্বাচন স্বচ্ছ, সবার অংশগ্রহণমুলক ও পক্ষপাতিত্বহীন হবে বলে প্রত্যাশা করে ইউরোপিয় ইউনিয়ন। তিনি বলেন, আইনের শাসন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও মুক্তভাবে শান্তিপূর্ণ সভা সমাবেশ করার অধিকারকে সমুন্নত রাখা ও সুরক্ষিত রাখা উচিত বাংলাদেশের। নাগরিক সমাজ, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের জন্য একটি নিরাপদ ও উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা উচিত সরকারের। শ্রমিকদের অধিকারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও’র সুপারিশগুলোর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করা উচিত। বিশেষ করে শ্রমিকদের বিনা বাধায় সংগঠন গড়ে তোলার অধিকার নিশ্চিত করা উচিত। বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপিয় ইউনিয়নের যে উন্নয়ন সহযোগিতা রয়েছে তাতে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মানবাধিকার। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় ৪ কোটি ইউরোরও বেশি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইউরোপিয় ইউনিয়ন। নাগরিক সমাজের সঙ্গে যুক্ত হওয়া, স্থানীয় শাসন ব্যবস্থা সহ গণতান্ত্রিক ক্ষমতায়নকে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক মালিকানা নিশ্চিত করার দিকে ফোকাস করেছে বা দৃষ্টি দিয়েছে ইউরোপিয় ইউনিয়ন।
ক্রিস্তোস স্টাইলিয়ানিডস আরো বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে দৃঢ় ও দীর্ঘস্থায় সম্পর্ক রয়েছে ইইউয়ের। শরণার্থী সঙ্কটের প্রেক্ষিতে গত কয়েক মাসে আমাদের রাজনৈতিক সংলাপ তীব্র হয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রশংসা করি আমরা। রোহিঙ্গাদের তাদের নিজেদের দেশে ফেরত যাওয়ার বিষয়টি এখনও রয়েছে অভিষ্ট লক্ষ্যে। তবে এই ফেরত যাওয়া হতে হবে স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, স্থিতিশীল ও মর্যাদার সঙ্গে। এটা তাদের মৌলিক অধিকারের বিরুদ্ধে হওয়া উচিত নয়। আন্তর্জাতিক আইন অনুসরণ করে এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরকে জড়িত করার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ যে, রাখাইনে তাদের ফিরে যাওয়া নিরাপদ ও স্থিতিশীল হবে।
ক্রিস্তোস স্টাইলিয়ানিডস আরো বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের মূল যে সংলাপ তাতে অগ্রাধিকারে রয়েছে মানবাধিকার। বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে নিয়মিতভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে ইইউ। এক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। তা হলো, বাংলাদেশ সরকার এ ইস্যুতে ইইউয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। এপ্রিলে সাব গ্রুপ অন গুড গভর্নেন্স অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস এবং জুলাইয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ডিপ্লোম্যাটিক কনসালটেশনস-এ গৃহীত যৌথ প্রেস রিলিজে কর্তৃপক্ষ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, তারা মানবাধিকার, মৌলিক অধিকার ও গণতন্ত্রে ঘাটতির বিষয়গুলো দেখবে এবং এসব ইস্যুর প্রতি সম্মান দেখিয়ে পলিসি নেবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জেলখানায় অনিরাপদ নারী: যুক্তরাষ্ট্রের জেলখানায় ধর্ষণ, যৌন নির্যাতনের শিকার নারী

এমনকি তাদের পনি-টেইলের মতো বাঁধা চুল অপ্রত্যাশিত মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে। তারা পুরুষের চোখে আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারেন। তাই নারীরা তাদের চুল পিছন দিকে দিয়ে বেঁধে রাখেন। এ রকম চুল বাঁধার পদ্ধতি স্থানীয়ভাবে ‘ব্যুরো বান’ নামে পরিচিত। এসবই হচ্ছে ফেডারেল ব্যুরো অব প্রিজন্সে। অর্থাৎ সরকারের কেন্দ্রীয় জেলখানাগুলোতে।
এসব জেলখানায় নিজেদের শরীর বা শরীরে পরা অন্তর্বাসকে ঢেকে রাখতে নারীরা পড়েন আলখাল্লা, অতি বড় আকারের পোশাক। কাঁধ থেকে উরু পর্যন্ত তারা কালো পোশাকে ঢেকে রাখেন। এ জন্য এমন পোশাকের পরিচয় হয়েছে ‘ট্রাস ব্যাগ’ বা ময়লা ফেলার ব্যাগ হিসেবে। শীতের দিনে হলে কথা নেই। কিন্তু গ্রীষ্মের গরমেও নারীদেরকে কংক্রিটের তৈরি জেলখানার ভিতরে এই পোশাক পরে থাকতে হয়।
কেন্দ্রীয় সরকারের এসব জেলখানায় যেসব নারী কাজ করেন তারা তাদের নারীত্বকে প্রতিটি সময় টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। তাদের সংখ্যা পুরুষ সহকর্মী ও পুরুষ বন্দির চেয়ে অনেক বেশি। ক্যালিফোর্নিয়ার ভিক্টরভিলেতে বন্দিদের ওপর নজর রাখেন সুপারভাইজার অক্টাভিয়া ব্রাউন। তিনি বলেন, নারীরা কি পোশাক পরছেন কখনো তা দেখে না তারা (পুরুষরা)। তারা এ পোশাকের ভিতর দিয়ে তাদের অন্তর্চক্ষু প্রবেশ করিয়ে দেয়। অনেক বন্দি নারীদের দিকে তাকিয়ে থাকে নির্লজ্জের মতো। তারা নারীদের পাকড়াও করে। তাদেরকে হুমকি দেয়। এমন কি এসব বন্দি নিজেদের শরীরকে উন্মুক্ত করে প্রকাশ করে।
বিভিন্ন জনের সাক্ষ্য, আদালতের ডকুমেন্ট ও জেলখানার নারী কর্মীদের সাক্ষাৎকার অনুযায়ী, পুরুষ সহকর্মীরা এমন আচরণকে উৎসাহি করেন। তারা জেলখানায় নিয়োজিত নারী অফিসারদের অবমাননা করেন। তাদের নিরাপত্তাকে বিপর্যস্ত করেন। অন্য পুরুষ কর্মচারীরা নিজেরাই যৌন হয়রানির সঙ্গে যুক্ত হয়ে যান। এক্ষেত্রে কোনো নারী যদি এমন হয়রানির বিরুদ্ধে রিপোর্ট করেন তাহলে তাকে প্রতিশোধের মুখে পড়তে হয়, তার বিরুদ্ধে পেশাগত সাবোটাজ করা হয়। এমন কি তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। নিউ ইয়র্ক টাইমস দেখতে পেয়েছে এমন হয়রানির জন্য যারা অভিযুক্ত এবং এসব অভিযুক্তকে যারা সুরক্ষা দিয়েছেন তাদের অবস্থা ফুলেফেঁপে উঠেছে।
একবার একজন পুরুষ বন্দি জেসিকা হোদাকের শরীরের পিছন দিকে তার শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গ চেপে ধরে। এমন কি তাকে ধর্ষণের হুমকি দেয়। এ সময় জেসিকা তার বিরুদ্ধে শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগ আনতে চান। জেসিকা তখন ছিলেন ক্যালিফোর্নিয়ায় জেলের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে। তিনি ওই অভিযোগ আনতে চাইলে তার ম্যানেজার তাকে এসব বিষয় ভুলে যাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন। এ নিয়ে মামলা করেছেন জেসিকা।
ইকুয়াল এমপ্লয়মেন্ট অপরচুনিটি কমিশনে একটি অভিযোগ মুলতবি অবস্থায় আছে। এতে একজন নারী প্রহরী মেলিন্দা জেনসিনস অভিযোগ করেছেন যে, একজন পুরুষ বন্দি তাকে পাকড়াও করেছিল। কিন্তু তাতে ওই অভিযোগ ভুলে যেতে বলা হয়েছে। মেলিন্দা তাতে অস্বীকৃতি জানান। ফলে ম্যানেজার তার ওপর ক্ষিপ্ত হন। তিনি অপ্রত্যাশিতভাবে তাকে একটি মেডিকেল চেকআপের জন্য দরখাস্ত জমা দিতে বলেন। এই চেকআপ করাতে গেলে মেলিন্দাকে অন্য একজন সহকর্মীর সামনে তার বক্তদেশ উন্মুক্ত করাতে হবে।
এর চেয়েও ভয়াবহ ঘটনা আছে। তাকসান জেলের একজন বন্দি ধর্ষণ করে একজন ম্যানেজার ওয়াইনোনা মিক্সনকে। এরপরই অকস্মাৎ তিনি নিজেকে দেখতে পান এমন এক অবস্থায়, যাতে তাকে জেলে যেতে হতে পারে। তার বিরুদ্ধে উল্টো অভিযোগ গঠন করা হয়। বলা হয়, তার ওপর হামলাকারীকে তিনিই ধর্ষণ করেছেন।
এসব জেলে নারীদের ওপর যৌন হয়রানি করেছেন বা করেন এমন অনেক উচ্চ পদস্থ অফিসর আছেন। তবে তাদের খুব কম জনকেই এর জন্য আইনের বা বিচারের সম্মুখিন হতে হয়। একই কথা প্রযোজ্য তাদের সুপারভাইজারদের ক্ষেত্রেও। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মাঝে মাঝে অন্য জেলখানায় স্থানান্তর করা হয়। এক্ষেত্রে তাদেরকে দেয়া হয় প্রমোশন। এর মাধ্যমে আরও একবার যৌন হয়রানির সুযোগ পান তারা। এভাবেই যৌন হয়রানির চক্রটি ঘুরতে থাকে বৃত্তের মতো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৯ কোটি ডলারে বিক্রি হলো ডেভিড হুকনির চিত্রকর্ম
| প্রখ্যাত ব্রিটিশ চিত্রকর ডেভিড হুকনির একটি চিত্রকর্ম নিলামে রেকর্ড পরিমাণ অর্থে বিক্রি হয়েছে। নিউ ইয়র্কের ক্রিস্টিতে নিলামে তার ওই ছবিটি নয় কোটি মার্কিন ডলারের বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। জীবিত যেকোনো শিল্পীর কাজের অর্থমূল্যের ক্ষেত্রে এটি নতুন একটি রেকর্ড। প্রোট্রেট অব অ্যান আর্টিস্ট নামের ছবিটি আট কোটি ডলারে বিক্রি হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল। তবে সাত কোটি ডলার দর ওঠার পর টেলিফোনে অংশ নেওয়া দুই নিলামকারীর দশ মিনিটের দামাদামিতে এর দর নতুন রেকর্ড গড়ে। এর আগে এই রেকর্ড ছিল যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পী জেফ কুনসের। ২০১৩ সালে তার স্টেইনলেস স্টিল বেলুন ডগ বিক্রি হয়েছিল ৫ কোটি ৮০ লাখ ডলারে। শুক্রবার নিউ ইয়র্কের নিলাম কক্ষটি চূড়ান্ত হাতুড়ির শব্দের পর করতালিমুখর হয়ে ওঠে। কমিশন ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে এখন শিল্পকর্মটি পেতে ক্রেতাকে নয় কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার পরিশোধ করতে হবে। ১৯৭২ সালে ছবিটি এঁকেছিলেন বর্তমানে ৮১ বছর বয়স্ক ডেভিড হুকনি। ইয়র্কশায়ারের এই চিত্রকরের সবচেয়ে স্বীকৃত ছবিগুলোর অন্যতম এটি। ১৯৭২ সালে নিউ ইয়র্কের আন্দ্রে এমিরেক গ্যালারিতে ছবিটির প্রথম প্রদর্শনী হয়। নিলাম প্রতিষ্ঠান ক্রিস্টি বলেছে, এটি আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা মাস্টার পিস। এর আগে চলতি বছরের শুরুতে হুকনির আরেকটি ছবি বিক্রি হয়েছিল ২ কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলারে। সেটিই ছিল সর্বোচ্চ দরে বিক্রি হওয়া তার কোনও শিল্পকর্মের দাম। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধে সুবিধা আদায়ে অপ্রস্তুত বাংলাদেশ

বিশেষ অতিথি ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য। ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশনের সিনিয়র ইকোনোমিস্ট ড. এম মাশরুর রিয়াজ, বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের সদস্য ড. মোস্তফা আবিদ খান, ঢাকা চেম্বারের পরিচালক ও এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন রশিদ আলোচনায় অংশ নেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটেরপ্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলী আহমেদ। বক্তারা যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের অন্য দেশগুলো একে অপরের পণ্যের ওপর ট্যারিফ ও পাল্টা ট্যারিফ আরোপের ফলে যে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু হয়েছে তাতে বৈশ্বিক জিডিপির ০.৮১ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সম্ভাবনা রয়েছে দীর্ঘ বৈশ্বিক মন্দার। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করেন তারা।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শুভাশীষ বসু বলেন, সমপ্রতি শুরু হওয়া বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে সারা পৃথিবীজুড়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে। চীনের সানসেট ইন্ডাস্ট্রিকে স্থানান্তরের লক্ষ্যে বাংলাদেশকে উপযোগী গন্তব্য হিসেবে উপস্থাপনের জন্য বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতের উন্নয়ন, মানবসম্পদের দক্ষতা বাড়ানো এবং তথ্য-প্রযুক্তি খাতের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বেসরকারি খাতের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অতিদ্রুত এগুলোর বাস্তবায়ন সম্ভব হলে, আমরা আরো বেশি হারে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে সক্ষম হব। তিনি বলেন, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন করা হলে দেশের শিল্প-কারখানার কাঁচামাল আমদানি নির্ভর হওয়ার কারণে পুরো ব্যবসায়িক কার্যক্রমে একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এ থেকে আমাদের উত্তরণের জন্য উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর আরো বেশি হারে মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।
ইপিবি ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য বলেন, মূলত চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ব্যবধান কমানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র সমপ্রতি চীনের অ্যালুমিনিয়াম ও স্টল পণ্যের ওপর শুল্কারোপ করে। যার ফলে দুটো বৃহৎ রাষ্ট্রের মধ্যে সৃষ্ট বাণিজ্য যুদ্ধ হতে বাংলাদেশকে সুবিধা নিতে হলে সরকারি-বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে এখনই কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, আশির দশকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের দেশগুলোর চীনে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্তের পেছনে তৎকালীন সময়ে চীনের অবকাঠামো, দক্ষ মানবসম্পদ ও তথ্য-প্রযুক্তি খাতের উদ্ভাবন প্রভৃতি বিষয় প্রাধান্য পেয়েছিল এবং এক্ষেত্রে বাংলাদেশ বেশ পিছিয়ে রয়েছে।
এর আগে সেমিনারে স্বাগত বক্তব্যে ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাসেম খান বলেন, চীনের সানসেট ইন্ডাস্ট্রিকে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উৎকৃষ্ট স্থান হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এজন্য অবকাঠামো খাতের উন্নয়ন, বাণিজ্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি এবং পরিকল্পিত বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
ডিসিসিআইর পরিচালক হুমায়ুন রশিদ বলেন, বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতার ফলে তেল ও ডলারের মূল্য বাড়ার সম্ভাবনা পাশাপাশি ব্যাংকঋণের উচ্চহারের ফলে আমাদের পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়বে এবং এর ফলে আমাদের ব্যবসায়ীরা বৈশ্বিক বাজারে সক্ষমতা হারাবে।
বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের সদস্য ড. মোস্তফা আবিদ খান বলেন, বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে চীন হতে ইলেকট্রিকাল ও ইলেকট্রনিক্স খাতের কারখানা স্থানান্তরের সম্ভাবনা রয়েছে এবং এক্ষেত্রে ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়া আগ্রাধিকার পাবে। কারণ হিসেবে তিনি দুটো দেশের দক্ষ মানবসম্পদ, অবকাঠামো এবং প্রযুক্তির অগ্রগতিকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বাংলাদেশের মানবসম্পদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উৎপাদিত পণ্যের ‘রুলস অফ অরিজিন’ বিষয়ক জটিলতা নিরসনের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশনের সিনিয়র ইকোনোমিস্ট ড. এম মাশরুর রিয়াজ বলেন, চীন মোট রপ্তানির ৩০ শতাংশ অন্য দেশ থেকে আমদানির মাধ্যমে মিটিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে চীনের রপ্তানি কমে গেলে আমাদের দেশের রপ্তানি কমার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রশ্নের মুখে ইসির কর্তৃত্ব by সিরাজুস সালেকিন

বাকস্বাধীনতা খর্বের অভিযোগ তুলে ওই সভা বর্জন করেন মাহবুব তালুকদার। গত শনিবার ও রোববার বিএনপির পক্ষ থেকে দুটি আলাদা চিঠি আসে নির্বাচন কমিশনে। তফসিলের পর থেকে দলটির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা ও বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের তালিকা এসব চিঠির সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়।
চিঠিতে পুলিশের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ করেছে বিএনপি। এ পরিস্থিতিতে ইসির হস্তক্ষেপ কামনা করেছে দলটি। ইসি কর্মকর্তারা জানান, পুলিশের অতি উৎসাহী কিছু কর্মকর্তার কারণে অনেকটা বিব্রত ইসি। গত সপ্তাহে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার জন্য শাস্তির কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে ইসির পক্ষ থেকে। নির্বাচন কমিশনাররা প্রায় প্রতিদিনই বক্তব্য দিচ্ছেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর নিয়ন্ত্রণ না থাকায় পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না। বিএনপি নেতাকর্মীদের মামলার তালিকার বিষয়ে গতকাল নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, তালিকাটি আমি দেখিনি।
আমরা দেখে সত্যিকারের অর্থে যদি কোনো হয়রানিমূলক মামলা হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশনা দেবো- যেন হয়রানিমূলক মামলা না করে। কারণ হয়রানিমূলক মামলা করলে নির্বাচনের পরিবেশ কিছুটা হলেও বিনষ্ট হবে। নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সংঘর্ষের ঘটনায়ও বিব্রত কমিশন। পুলিশের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠিও দেয়া হয়েছে এজন্য। সম্প্রতি প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের পুলিশ ফোন দিয়ে হরয়ানি করছে গণমাধ্যমে এমন খবর প্রকাশিত হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, কমিশন থেকে এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত দেয়া হয়নি। যদি কেউ এই ধরনের কাজ করেন তাহলে অতি উৎসাহী হয়ে করছেন।
এক প্রশ্নের জবাবে রফিকুল ইসলাম বলেন, পুলিশের কাছে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের তালিকা কিভাবে গেল এটা যদি জিজ্ঞাস করেন তাহলে বলবো, আসলে পুলিশের তালিকা কারও কাছ থেকে নেয়ারই দরকার ছিল না। তালিকা নিয়েছে কিনা আমি জানি না। কারণ নীতিমালায় বলা আছে কাদের আমরা প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং, পোলিং অফিসার করবো। আমরা যেই তালিকা দিয়েছি সেই প্যানেলের মধ্য থেকেই তাকে নিয়োগ করতে হবে। কে কি তালিকা দিলো তাতে আমাদের যায় আসে না। গতকাল ইসির কাছে অভিযোগ করে বিএনপি বলেছে, প্রধানমন্ত্রী তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি। তফসিল ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত তাদের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, মামলা ও হয়রানি অব্যাহত আছে।
সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ উপেক্ষা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার অব্যাহত রেখেছে বলেও অভিযোগ করে দলটি। সিইসি বরাবর দেয়া অভিযোগে বলা হয়, গত ৮ই নভেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে রোববার পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ৭৭৩ জন বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ তালিকা গত ১৫ই নভেম্বর নির্বাচন কমিশন বরাবর দেয়া হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বাচন কমিশনের অধীনে হলেও কমিশনের নির্দেশ উপেক্ষা করে ধারাবাহিকভাবে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও বাড়িতে পুলিশি তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে দেয়া তালিকা প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর দেয়া হলো। অবিলম্বে নেতাকর্মীদের মামলা থেকে অব্যাহতিসহ গ্রেপ্তার বন্ধের জন্য সিইসি কাছে অনুরোধ করা হয়েছে। এর আগে ১৬ই নভেম্বর সিইসির কাছের ৪৭২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তারের তালিকা জমা দেয় বিএনপি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মনোনয়নে যেসব বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি by কাফি কামাল

এছাড়া বিশেষ পরিস্থিতিতে বিএনপি এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে যাঁরা নিজ নিজ এলাকায় বিরূপ পরিবেশের সঙ্গে লড়াই করে ভোটের মাঠে থাকতে পারবেন, ভোটারদের সঙ্গে থাকতে পারবেন বলে শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে প্রতীয়মান হবে, তারাই অগ্রাধিকার পাবেন মনোনয়নে। প্রতিটি আসনে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে প্রার্থীদের আমলনামা। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলছেন তারেক রহমান।
অন্যদিকে ২০ দল ও ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের ক্ষেত্রে জাতীয় রাজনীতিতে অবস্থান ও ভোট ব্যাংক বিবেচনা করেই ছাড় দেবে বিএনপি। দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের নির্বাচন কমিশনে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন মনোনয়ন বোর্ড। সেই সঙ্গে জানিয়েছেন, আগামী ৮ই ডিসেম্বর দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। যিনি দলের চিঠি পাবেন তিনিই প্রার্থী হবেন, বাকিরা তাকে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করবেন।
দলটির নীতিনির্ধারক ফোরাম সূত্রে জানা গেছে বিএনপির এমন নীতিগত অবস্থানের কথা।
সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মাধ্যমে অন্তত ১০টি জরিপ চালিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এসব জরিপে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় দলের সাংগঠনিক অবস্থান, আন্দোলন সংগ্রামে সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ভূমিকা, তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ও মামলা-মোকদ্দমাসহ সার্বিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ফলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিটি আসনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা বা সম্ভাব্য প্রার্থীদের তথ্য রয়েছে।
অন্যদিকে প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার পর্বের আগেই তিনি একটি নির্দেশনা দিয়েছেন মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যদের। তাদের বলা হয়েছে, মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মনোনয়ন চূড়ান্তকরণে প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো যেন দ্রুত সংগ্রহ করে নেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাক্ষাৎকার পর্বে প্রতিটি আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সামনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একটি দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখানে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশ দিচ্ছেন। বলা হচ্ছে, একাদশ জাতীয় নির্বাচন হচ্ছে মানুষের অধিকার আদায় ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের একটি অংশ। তাই দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে সবাইকে দল মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে হবে।
অন্যদিকে দলের মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য ও সিনিয়র নেতাদের প্রতি তিনি প্রার্থীদের ব্যাপারে সুপারিশ করার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সম্পর্কের চেয়ে দলের বৃহত্তর স্বার্থকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের একচেটিয়া ক্ষমতা বজায় রাখার কৌশল নিয়ে বিরক্ত প্রকাশ করেছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তারা বলেছেন, যোগ্য প্রার্থী থাকার পরও বেশ কয়েকটি জেলার দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ তাদের নিজস্ব অনুসারীদের মনোনয়ন দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন। নানা উপায়ে নিজ জেলায় ভালো প্রার্থী বাছাইয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে চাইছেন।
এ ছাড়া আন্দোলন-সংগ্রাম চলাকালে ও দলের দুঃসময়ে নিরাপদে বিদেশে অবস্থান করে নির্বাচনের সময়ে দেশে ফিরে মনোনয়ন আদায়ে নানামুখী লবিং-তদবির করছেন। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে শীর্ষ নেতৃত্বকে শক্ত অবস্থান নেয়ার তাগিদ দেয়া হয়েছে। এদিকে সাক্ষাৎকার পর্বে মনোনয়ন বোর্ড থেকে প্রত্যেক মনোনয়ন প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা জানানো হবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আগে। দলের তরফে যিনি মনোনয়নের মূল চিঠি পাবেন তিনি ছাড়া বাকিরা সরে দাঁড়িয়ে মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন।
সাক্ষাৎকার দেয়া অন্তত ২০ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী জানান, সাক্ষাৎকারের শুরুতেই দলের পার্লামেন্টারি বোর্ডের সদস্যরা বলছেন- কোন নেতার কী অবদান, বিগত ১২ বছর কে কী করছেন, সে খবর দলের কাছে আছে। এরপরই প্রার্থীর কাছে প্রশ্ন করা হয়, এই ১২ বছর প্রার্থী সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারি দলের মাধ্যমে কী ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছেন? তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পাশে কীভাবে ছিলেন? নিজে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং মামলা কতটি? এরপর সাক্ষাৎকারে জানতে চাওয়া হয়, এলাকায় প্রার্থীর অবস্থান কতটা শক্তিশালী।
সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে ভোটের লড়াইয়ে থাকতে পারবে কি না? যেসব প্রার্থীর কর্মকাণ্ড, নিজ নিজ আসনে অবস্থা ভালো এবং মনোনয়ন পাওয়ার সব যোগ্যতা আছে তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়- ভোটের মাঠে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারবে কিনা? মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতারা জানান, মূলত ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব কথা জানতে চেয়েছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দল যাকে মনোনয়ন দেবে তার পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করারও নির্দেশ দেন তিনি।
বিএনপির পার্লামেন্টারি বোর্ডের এক সদস্য জানান, জাতীয় রাজনীতির এক ভিন্ন পরিস্থিতিতে এবার নির্বাচন করছে বিএনপি। ফলে এটি নিশ্চিত হওয়া দরকার প্রার্থী আগেই মাঠ ছেড়ে দেবেন নাকি শেষ পর্যন্ত বিরূপ পরিস্থিতিতেও থাকবেন। সূত্র জানায়, মাঠের রাজনীতি ও তৃণমূলে প্রার্থীর শক্ত অবস্থান, সাহস ও দৃঢ় মনোবলের বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিতে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দুইটি নামও উল্লেখ করেছেন। সিলেট ও রাজশাহী সিটি নির্বাচনে দল মনোনীত দুই প্রার্থী যে সাহসিকতা দেখিয়েছেন তা উদাহরণ হিসেবে সামনে আনেন তিনি।
দিনাজপুর-৪ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে সাক্ষাৎকার দেয়া জেলা বিএনপি নেতা আবদুল হালিম বলেন, এই আসনে আমরা ৪ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছি। আমার কাছে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জানতে চেয়েছেন কেন দল আমাকে মনোনয়ন দেবে? মনোনয়ন দিলে আমার জয়ের সম্ভাবনা কতটুকু? উত্তরে আমি বলেছি, দীর্ঘ ২৫ বছর আমি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। আর এই আসনে অপর দুই মনোনয়ন প্রত্যাশীর মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে। আমার সঙ্গে কারও দ্বন্দ্ব নেই। তাই আমাকে মনোনয়ন দিলে ধানের শীষকে বিজয় উপহার দিতে পারবো।
পঞ্চগড়-২ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ফরহাদ হোসেন বলেন, আমার কাছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম জানতে চেয়েছেন কেন আমি নির্বাচন করতে চাই? অন্য কাউকে মনোনয়ন দিলে আমি কাজ করবো কিনা। এ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জানতে চেয়েছেন, নির্বাচনী এলাকার নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক কেমন। ফরহাদ হোসেন বলেন, জবাবে আমি বলেছি- খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোট চাইবো।
ঠাকুরগাঁও-৩ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুর রহমান জাহিদ বলেন, আমার কাছে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রশ্ন ছিল- আপনি তো এর আগেও নির্বাচন করেছেন। কিন্তু জয়লাভ করতে পারেননি। এখন কেন আবার নির্বাচন করতে চান? উত্তরে আমি বলেছি- আগে তিনবার ধানের শীষে নির্বাচন করেছি। এবার দলের সবাই আমার সঙ্গে থাকলে আমি জয়লাভ করতে পারবো। এই আসনের জন্য বিএনপি থেকে ১০ জন নেতা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন জানিয়ে জাহিদ বলেন, পরে জানিয়ে দেয়া হবে কাকে দল নির্বাচনের জন্য দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে।
দিনাজপুর-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, আমাদের আসনে যতগুলো প্রার্থী আছে সবাইকে একবার ডাকা হয়েছে। মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা সাক্ষাৎকারে প্রত্যেকের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেছেন।
নাটোর-৪ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তারিকুল ইসলাম টিটু বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রার্থীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সরাসরি কথা বলছেন। কোনো রেকর্ড নয়। এ ছাড়া সাক্ষাৎকারের শুরুতে একটি দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখছেন তিনি।
দিনাজপুর-১ আসনের আরেক প্রার্থী মামুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, তাদের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছে- জয়ী হতে পারবেন কী না? দল থেকে যাকে নমিনেশন দেয়া হবে তার পক্ষে কাজ করবেন কী না? তিনি বলেন, এসব প্রশ্নের জবাবে আমি বলেছি- আমি এখন রানিং উপজেলা চেয়ারম্যান। প্রতিকূলতার মধ্যেও জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছি। আমাকে দল থেকে মনোনয়ন দিলে অবশ্যই আমি নির্বাচিত হবো বলে আশা রাখি।
এ ছাড়া দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়ার জন্যও প্রস্তুত আছি। এ আসনে ধানের শীষের টিকিট চান ৯ প্রার্থী। একজন মনোনয়ন প্রত্যাশী বলেন, সমপ্রতি অনুষ্ঠিত বরিশাল, সিলেট ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা জানতে চেয়েছেন, ভোটের মাঠে শেষ পর্যন্ত তিনি টিকে থাকতে পারবেন কি না। যুক্তি হিসেবে নেতারা বলছেন, তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মধ্যে সিলেটে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী আরিফুল হক ও রাজশাহীর মেয়রপ্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ভোটের মাঠে শেষ পর্যন্ত ছিলেন। আরিফুল হক জয় পেয়েছেন আর বুলবুল একাই লড়াই করছেন। সেখানে স্থানীয় নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে সাহস নিয়ে রুখে দাঁড়াতে পারলে তিনিও জয় পেতেন। মনোনয়ন প্রত্যাশী আরেক নেতা জানান, বোর্র্ড সদস্যরা বলেছেন- এখানে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে টিকে থাকতে হবে। ভোটের মাঠ ছেড়ে দেয়া যাবে না।
বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে প্রথমদিন দলের মনোনয়ন বোর্ডের কাছে সাক্ষাৎকার দেন দুই বিভাগের ১৮টি জেলার ৭২টি নির্বাচনী এলাকার মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। দেশের সর্ব উত্তরের নির্বাচনী আসন পঞ্চগড়-১ আসন থেকে শুরু হয় এ সাক্ষাৎকার পর্ব। সকালে রংপুর ও বিকালে রাজশাহী বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়। বিএনপির পার্লামেন্টারি বোর্ডে ছিলেন- দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যাারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
প্রতিটি নির্বাচনী আসনের মনোনয়ন প্রার্থীদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্দেশনা দেন লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রথম সাক্ষাৎকার দেন ওই আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ইউনুস আলী। এরপর পর্যায়ক্রমে ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জয়পুরহাট, বগুড়া, চাঁপাই নবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণকালে সংশ্লিষ্ট মহানগর ও জেলার নির্বাচনী এলাকার দলের মহানগর ও জেলার বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহসাংগঠনিক সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় দিনে আজ সকাল ৯টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বরিশাল বিভাগ, দুপুর আড়াইটা থেকে খুলনা বিভাগ, আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগ ও দুপুর আড়াইটা থেকে কুমিল্লা ও সিলেট বিভাগের সাক্ষাৎকার পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। সবার শেষে বুধবার সকালে ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর বিভাগ এবং দুপুরে ঢাকা বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।
আমার দলের সাক্ষাৎকার কিভাবে নেব এটা আমার সিদ্ধান্ত: ফখরুল
এদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমার দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার কিভাবে নেব এটা আমার সিদ্ধান্ত। ভিডিও কনফারেন্সে নাকি সরাসরি সাক্ষাৎকার নেয়া হবে সেটা নিজেদের ব্যাপার। তারেক রহমান সাক্ষাৎকার নেয়ায় নির্বাচনী আচারণ বিধি ভঙ্গ হচ্ছে বলে ক্ষমতাসীনরা ইসিতে যে অভিযোগ করেছেন তার জবাবে সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।
মির্জা আলমগীর বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও খালেদা জিয়ার মুক্তির অংশ হিসেবে আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছি। সেই জন্য প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতার কাজগুলো করছি। আজকে আমাদের দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু হয়েছে। আমরা মনে করছি না অবাধ সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। যে নির্বাচনের জন্য আমরা দীর্ঘকাল আন্দোলন সংগ্রাম করছি। সরকার একতরফা, একদলীয় নির্বাচন করার পাঁয়তারা করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ২০দল, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টসহ একটি ফলপ্রসূ ও অর্থবহ নির্বাচনের দাবি সব সময় তুলে ধরছে।
আমরা নিজেরাও সংলাপে গিয়েছি। কিন্তু নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সমতলক্ষেত্র এখনো তৈরি হয়নি। সংসদ ভেঙে দেয়া হয়নি। বিটিভি, সংবাদ সংস্থা, বেসরকারি গণমাধ্যমগুলো সরকারের তথাকথিত উন্নয়নগুলো প্রচার করছে। নিরপেক্ষতা বজায় রাখছে না। বিরোধী নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার বন্ধ হয়নি। বারবার বলার পরও গ্রেপ্তার চলছে। এগুলো সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্রে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে। আমরা চাই সুষ্ঠু অবস্থা তৈরি হোক।
দলগুলো যে অবস্থায় স্বস্তিবোধ করবে। এই জন্য মামলা মোকদ্দমা দায়ের বন্ধ করা হোক। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিটিভিকে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে। তথাকথিত উন্নয়ন প্রচার বন্ধ রাখতে হবে। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদেরও সমান সুযোগ দিতে হবে। এই বিষয়গুলো ইসিকে জানানো হয়েছে। আরো অন্যান্য বিষয়গুলো জানানো হবে। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কি নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে যেভাবে প্রস্তুতি দরকার সেভাবে প্রস্তুতি নিন। কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। সজাগ থাকতে হবে। একতরফা নির্বাচনের জন্য যেন কেউ কেন্দ্র দখলে নিতে না পারে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইভিএম ব্যবহারের ঝুঁকি কোথায়?

এর আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইভিএমের ব্যবহার হয়। তবে প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের আগে বেশকিছু চ্যালেঞ্জ আছে নির্বাচন কমিশনের সামনে। আর তা হল এটার বিশ্বাসযোগ্যতা ও আস্থা অর্জন।
যেভাবে কাজ করে ইভিএম?
ইভিএম মেশিনগুলোর তিনটা অংশ থাকে। প্রথমত, কন্ট্রোল ইউনিট-যাতে ভোট ও ভোটারদের তথ্য জমা থাকে, দ্বিতীয়ত ডিসপ্লে ইউনিট, সেই তথ্যগুলো প্রদর্শন করে এবং ব্যালট ইউনিট, যেটাতে সুইচ টিপে ভোটাররা গোপন কক্ষে তাদের ভোট প্রদান করে থাকেন।
ইভিএম কেনা নিয়ে নানা বিতর্ক থাকলেও, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের দাবী এই ইভিএমটি "সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ও নতুন এমন কিছু ফিচার" যোগ করা আছে এতে যা এর আগে বিশ্বের কোথাও ব্যবহার হয়নি।
"ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিনের বড় সুবিধা হল, দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ শেষে সহজেই মূহুর্তের মধ্যে ভোট গণনা করে ফেলা যাবে," বলছিলেন নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা ও যোগাযোগ বিভাগের অপারেশন ইনচার্জ মাহমুদ আরাফাত।
কিন্তু এটি নিয়ে এত সমালোচনা কেন? আর যুক্তরাষ্ট্র, ভারতে ইভিএম নিয়ে বিতর্কটা কোথায়?
বাংলাদেশে ইভিএমের উদ্ভাবক হিসেবে পরিচিত বুয়েট অধ্যাপক লুৎফুল কবীর বলছিলেন ইভিএম মেশিনের দুটো প্রধান ঝুঁকির কথা।
পছন্দের প্রতীকে ভোট দিলেও নির্দিষ্ট প্রতীকে জমা হতে পারে
মেশিনটি চাইলে এমনভাবে প্রোগ্রাম করা সম্ভব যে, নির্দিষ্ট কিছু সংখ্যক ভোটের পর বাকি সব ভোট একটা প্রতীকেই জমা হবে।
হয়তো ভোটার দেখবে যে সে তার পছন্দের প্রতীকে ভোট দিয়েছে, কিন্তু আসলে তা হবে না।
মি কবীর বলছিলেন, "এখন এইটা নিশ্চিত করার জন্য সব দলের অংশগ্রহণে একটা টেকনিক্যাল কমিটি করা যেত, যারা মেশিনটি ভেরিফাইড করবে।"
পুনর্গণনার সুযোগ নেই
ইভিএম মেশিনে ভোটার ভ্যারিয়েবল পেপার অডিট ট্রেইল বা ভিভিপিএটি নেই। একজন ভোটার ভোট দেবার পর তাঁর কাছে একটা প্রিন্টেড স্লিপ আসতো, যাতে কোন কারণে ভোট পুনর্গণনার প্রয়োজন হলে এটি কাজে আসতো।
নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানমও জানালেন ইভিএম তৈরীর কারিগরি কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী এই অপশনটি রাখতে চেয়েছিলেন তারা।
"এটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে, ঐ ফিচারটি রাখতে গেলে অন্য কিছু টেকনিক্যাল সমস্যা হচ্ছে।"
শুধু অর্থ ও লোকবল সাশ্রয়?
ইভিএম - এ কোন ঝুঁকি আছে বলে মনে করেন না নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম।
বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, "আমরা তো দেখলাম মানুষ খুব সহজে ভোট দিতে পারছে।"
"এছাড়া ম্যানুয়্যাল পদ্ধতিতে আমাদের যে পরিমাণ লোকবল, অর্থ, ট্রান্সপোর্ট ও ম্যাটেরিয়াল লাগতো তা থেকেও মুক্তি মিলছে।"
এই কমিশনার আরো জানান যদি আরো বাড়তি কিছু যোগ করতে হয় ইভিএমের শঙ্কা দূর করতে তাহলে কমিশন সেটা পরিপত্র জারী করেও করতে পারে।
অন্যদিকে প্রোগ্রামিংয়ের ব্যাপারটার ব্যাখ্যা করেন মি. আরাফাত বলেন, "মেশিনটি এমনভাবে প্রোগ্রাম করা যে এটি ভোটের দিন সকাল ৭টার আগে কোনভাবেই চালু হবেনা। আর ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত শুধু ডেমো ভোট দেয়া যাবে।"
"তাই কেউ যদি কোনভাবে মেশিনটি নিয়েও যায় কোন লাভ হবেনা। আর ভোট শুরুর আগে সবার উপস্থিতিতে মেশিনটি চেক করে নিশ্চিত হওয়ার ব্যবস্থা আছে যে এই মেশিনে কোন ভোট পড়েনি।"
ইভিএম শুধু মাত্র যেসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে
ইভিএমের ৪৮ ঘন্টার ব্যাটারি ব্যাকআপ থাকলেও আপাতত শুধু যেসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে সেখানেই সীমিত আকারে ব্যবহারের চিন্তা নির্বাচন কমিশনের।
আর সাধারণ মানুষকে এর সাথে পরিচয় করাতে দেশব্যাপী নানা প্রচারণা চালিয়েছে কমিশন।
কিন্তু এটি ঘিরে বিতর্ক বন্ধ করা যায়নি তাতে।
সুত্র- বিবিসি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাপানে শ্রমিক সংকট, বাংলাদেশের জন্য সুযোগ by সাদ্দিফ অভি

জরিপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মাসাহিরো আবে বলেছেন, সরকার ও বাণিজ্য খাতকে অবশ্যই জরুরি ভিত্তিতে দেশটির নারী ও বৃদ্ধদের দক্ষতা কাজে লাগানোর মতো পদক্ষেপ বিবেচনা করে দেখতে হবে।
এদিকে মঙ্গলবার জাপান সরকার জানিয়েছে সেদেশের অনুমিত হিসাব অনুযায়ী, অভিবাসন আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনের আওতায় আগামী অর্থবছরে ৪৭ হাজার বিদেশি শ্রমিক জাপানে প্রবেশ করতে পারেন। মঙ্গলবার জাপানের সংসদের অধিবেশনে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধন সংশ্লিষ্ট এমন একটি বিল নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়, যার আওতায় আগামী বছরের এপ্রিল থেকে আরও বেশি সংখ্যক বিদেশি কর্মীদের জাপানে প্রবেশের অনুমোদন দেওয়া সম্ভব হবে।
জাপানের সরকারি কর্মকর্তারা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আগামী অর্থবছরে জাপানে ৬ লাখেরও বেশি শ্রমিকের ঘাটতি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তারা মনে করেন, যদি বিলটি পাশ হয়, তবে ওই সময়ের মধ্যে ৩৩ থেকে ৪৭ হাজার বিদেশি শ্রমিককে জাপানে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া যাবে। আর ২০১৯ থেকে পরবর্তী ৫ অর্থবছরে ২ লাখ ৬০ হাজার থেকে ৩ লাখ ৪০ হাজার বিদেশি শ্রমিক জাপানে প্রবেশ করতে পারেন।
এদিকে বুধবার (১৪ নভেম্বর) জাপান সরকার জানিয়েছে সংসদে নতুন বিল পাস হলে আগামী পাঁচ বছরে সাড়ে তিন লাখেরও বেশি দক্ষ বিদেশি শ্রমিক ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকে সেদেশে প্রবেশ করতে পারবে। সরকারের দেওয়া পরিসংখ্যান মতে, ১৪টি নির্দিষ্ট শিল্পের মধ্যে শুধুমাত্র নার্সিং কেয়ার সেক্টরে সুযোগ হবে ৫০-৬০ হাজার বিদেশি শ্রমিকের। এ ছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কর্মীর দরকার পড়বে রেস্তোরাঁ খাতে। এই খাতে ৪১ থেকে ৫৩ হাজার শ্রমিক, কন্সট্রাকশন খাতে ৩০-৪০ হাজার এবং বিল্ডিং ক্লিনিং প্রতিষ্ঠানগুলোতে ২৮-৩৭ হাজার বিদেশি শ্রমিক প্রয়োজন পড়বে।
ইতোমধ্যে জাপান সরকার অদক্ষ শ্রমিকদের জন্য ভিসা নিষিদ্ধ করলেও শ্রমিক সংকট কাটাতে স্টুডেন্ট ভিসা এবং ইন্টার্ন ট্রেইনি ভিসার মাধ্যমে অনেককেই কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে শুধুমাত্র টেকনিক্যাল ইন্টার্ন জাপানে যাচ্ছে। এই লক্ষ্যে গত বছর প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং আই এম জাপানের সঙ্গে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলামের ভাষ্য- দক্ষ জনশক্তি দিয়ে জাপানে শ্রমিকের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।
এদিকে বাংলাদেশে সফররত আই অ্যাম জাপান (IM Japan) এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মি. ইয়োশিহিরো হোতা বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ জনশক্তি নিতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি নিয়োগ করার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে পাবনাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা সফর করছি। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনশক্তির দক্ষতায় মুগ্ধ হয়েছি। আশা করছি, জাপান বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ দক্ষ এবং প্রশিক্ষিত জনশক্তি নিতে পারবে। এতে দু’দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।
জাপানের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে জাপানি ভাষা শেখানোসহ বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক সেলিম রেজা।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি এবার বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নেওয়ার জন্য জাপান আগ্রহ দেখিয়েছে।
জাপানের শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য বড় সম্ভাবনাময় খাত হতে পারে বলে মনে করেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা। ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, জাপানের চাহিদা মূলত দক্ষ শ্রমিকের। এই চাহিদার সঙ্গে ম্যাচ করতে আমাদের একটা সমস্যা আছে। দেশটি গতবছরও একটা উদ্যোগ নিয়েছিল বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে। জাপানে বেতন, খাওয়া এবং থাকার পরিবেশ খুবই ভালো। কিন্তু সেখানে যে ধরনের শ্রমিক দরকার সেটা অনেক সময় পাওয়া যায় না। আমাদের এককেন্দ্রিক মধ্যপ্রাচ্য থেকে এই বাজারে সুযোগ আছে ভালো। সেজন্য আমাদের দক্ষ শ্রমিক তৈরি করতে হবে, ভাষা শিক্ষা দিতে হবে। আমাদের টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারগুলোর (টিটিসি) মাধ্যমে এই উদ্যোগ নেওয়া যায়। সরকারকে সেভাবে প্ল্যান করে আগাতে হবে। এই বাজারে আমরা সুযোগ করে নিতে পারলে অন্য বাজারেও প্রবেশ করা আমাদের জন্য সহজ হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বন্ধ্যাকরণের ভুক্তভোগী কানাডীয় আদিবাসী নারীদের ক্ষতিপূরণ দাবি

২০১৫ সালের দিকে প্রথম এই খবর প্রকাশিত হয় যে কানাডায় স্পষ্ট সম্মতি ব্যতিরেকে আদিবাসী নারীদের বন্ধ্যাকরণ হচ্ছে। সাসকাচুয়ান প্রদেশের চার নারী ওই সময় প্রথম মুখ খুলেছিলেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রদেশের স্বাস্থ্য বিভাগ একটি তদন্ত শুরু করে এবং অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করে। বন্ধ্যাকরণের আইনেও পরিবর্তন আনা হয় তখন। কিন্তু ক্ষতিপূরণের যে মামলা হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে ২০১৭ সালে এসেও আদিবাসী নারীর সম্মতি ব্যতিরেকে বন্ধ্যাকরণের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
ক্ষতিপূরণের দাবিতে মামলাটি এখনও আদালতে গৃহীত হওয়ার অপেক্ষায় আছে। ৬০ জনের নারীর ক্ষতিপূরণের মামলা করার প্রেক্ষিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, এ বিষয়ে কানাডার সরকারের ওপর চাপ দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের কাছে আবেদন জানানো হবে। এদিকে মানবাধিকার কর্মীরা দাবি তুলেছেন, কানাডা যেন নারীর অজ্ঞাতে এমন বন্ধ্যাকরণ না করে। সংস্থাটির পক্ষে জ্যাকেলিন হ্যানসেন বলেছেন, ‘যে নারীর শরীর সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারও সেই নারীর। কিন্তু তা কেড়ে নিতে দেখা যাচ্ছে।’
নারীদের এভাবে বন্ধ্যাকরণ একদিকে যেমন চিকিৎসা শাস্ত্রের নৈতিকতা বিরোধী তেমনি আইনত অবৈধ। কিন্তু ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, বন্ধ্যাকরণের আগে তাদেরকে শুধু বলা হয়েছিল, যদি তারা ‘প্রক্রিয়াটি’ বাস্তবায়নে রাজি না হন তাহলে তারা তাদের নবজাতকের মুখ দেখতে পারবেন না।
আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্য সিনেটর ভন বোয়ের মনে করেন, যতটা অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে তার চেয়েও বেশি মাত্রায় এমন ঘটনা ঘটেছে। তিনি তার এক সহযোগীর সঙ্গে যৌথভাবে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছেন সাসকাচুওয়ানের নারীদের বিষয়ে। তিনি কানাডার সংবাদমাধ্যমের কাছে বলেছেন, ‘এমন ঘটনা সাসকাচুয়ান ঘটেছে। রেজিনাতে ঘটেছে। উইনিপেগে ঘটেছে। এমন ঘটনা সেসব স্থানে ঘটেছে যেসব স্থানে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ বেশি।’
ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের আইনজীবী অ্যালিসা লোমবার্ড মনে করেন এমন আচরণ স্পষ্টতই বর্ণবাদী। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর মানুষকে বংশবৃদ্ধি করতে না দেওয়া। তার ভাষ্য, ‘এই নারীরা ও তাদের সম্প্রদায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিপূরণ তাদের পাওনা যেহেতু এই ক্ষতি তাদের বয়ে বেড়াতে হবে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমাকে সরালেও বেক্সিট সহজ হবে না: থেরেসা মে
গত বুধবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার বিষয়ে খসড় পরিকল্পনা প্রকাশ করার পর থেকেই নিজ দলেরই কয়েকজন এমপি তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার আহ্বান জানিয়েছেন। আর বিরোধী দল লেবারপার্টির নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন, তার দল বেক্সিট ইস্যুতে আরও ভাল চুক্তি করতে পারবে।
খসড়া চুক্তি প্রকাশের পর থেকেই সমালোচনার ঝড় বইছে। আগামী সপ্তাহে ইউরোপীয় বিশেষ সম্মেলনে এই চুক্তি স্বাক্ষর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে তার আগে এটা যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমন্সে পাস হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। কারণ উত্তর আয়ারল্যান্ডের ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টিসহ বিরোধি দলগুলো এর বিরোধিতা করেছে।
ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য পদত্যাগ করেছেন। আর অন্যরা এখনও এটা পরিবর্তন করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এর মধ্যে টরি ব্যাকবেঞ্চ এমপিদের চেয়ারম্যান বলেছেন, তিনি নেতৃত্ব পরিবর্তন দেখতে চান না কিন্তু এই চুক্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন। আর কনজারভেটিভ পার্টির মধ্যে বেক্সিটের কট্টর সমর্থকরা এই খসড়া পরিকল্পনা বিশ্লেষণ করে বলেছে, এটা যুক্তরাজ্যকে অন্যের ‘নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য’ করবে। ৫০৫ জন টরি কাউন্সিলরের মধ্যে ভোট করে দেখা গেছে তাদের বেশিরভাগই এই চুক্তির বিরুদ্ধে। তবে তাদের বেশিরভাগই থেরেসা মে’কে প্রধানমন্ত্রী রাখতে চান। টল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নিকোলা স্টারজেওন বলেছেন, এই প্রস্তাবের আওতায় উত্তর আয়ারল্যান্ড সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে অসু্বিধায় পড়বে তার রাজ্য।
থেরেসা মে স্কাই নিউজকে বলেন, তিনি একটি কঠিন সপ্তাহ পার করেছেন তবে তার জন্য তিনি বিভ্রান্ত নন। তিনি বলেন, ‘রাজনীতি একটি কঠিন কাজ আর আমি দীর্ঘদিন ধরে এটা করে আসছি’। তিনি পরবর্তী সাত দিনকে যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যতের জন্য সংকটপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন।
তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য ব্যাকবেঞ্চ কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে প্রয়োজনীয় ৪৮টি চিঠি গেছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি যতদূর জানি এটা হয়নি’।
যারা যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন করার জন্য চাপ দিচ্ছেন তাদের সতর্ক করে মে বলেন, ‘এটা আলোচনাকে কোনওভাবে সহজ করবে না আর এতে সংসদীয় হিসাবেও কোনও পরিবর্তন আসবে না’। সূত্র: বিবিসি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্রেপ্তারের আগে নিপুন রায় টকশোতে কি বলেছিলেন

টকশোতে নিপুন রায় চৌধুরীকে উদ্দেশ্যে করে সাংবাদিক জ ই মামুন বলেন- ‘আপনার বা আপনাদের সমস্যা হল শুধু বলে যান। শুনতে চান না।’ জবাবে নিপুন রায় বলেন, ‘আপনারা টিভি ক্যামেরার সামনে মিথ্যাচার করবেন। অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবেন।
আইনকে সরকারের গতিতে চলতে বাধ্য করবেন। আর আমরা চুপ করে বসে থাকব?’
এ সময় জ. ই. মামুন বলেন- ‘আপনারা অবশ্যই গাড়িতে আগুন দেবেন।’ তার কথা কেড়ে নিয়ে নিপুন রায় বলেন, ‘আগুন যে আপনারা দিয়েছেন এই কথাটা আপনি আপনার বক্তব্যের মাধ্যমে বার বার প্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছেন। আপনার কাছে কি প্রমাণ আছে যে, বিএনপি পুলিশের গাড়িতে আগুন দিয়েছে? আমার কাছে প্রমাণ আছে হেলমেট বাহিনী, সন্ত্রাস বাহিনী, ছাত্রলীগ-যুবলীগ দিয়ে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’
এসময় জ. ই. মামুন বলেন, ‘আপনিই একটু আগে বলেছেন- কেন সাংবাদিকরা গাড়ি সরিয়ে নিল, টেলিভিশনের গাড়ি সরিয়ে নিল। কিন্তু পুলিশ কেন গাড়ি সরিয়ে নিল না? সরালে তো আগুন দিতাম না।’
জবাবে নিপুন রায় বলেন, ‘এই ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত। এই গাড়ি সরাবো না। কাগজপত্র তুলে নিলাম। যে ছেলেটি আগুন দিল তাকে গ্রেপ্তার করা হল না। আগুন যখন দিচ্ছে প্রশাসন তখন তাকিয়ে দেখছে। তারা ঘটনাস্থলে এলো না। এ থেকেই বোঝা যায় এটা পরিকল্পিত। এটা সরকারের বাহিনী দিয়ে ঘটানো হয়েছে।’ নিপুন রায় বলেন, ‘আমি বলিনি সাংবাদিকরা আগুন দিয়েছে। বলেছি সরকারের বাহিনী আগুন দিয়েছে। আপনারা টিভি ক্যামেরার সামনে সরকারের পক্ষ নিয়ে অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবেন। সেটা তো আমরা মেনে নিতে পারব না। আমরা তো নীতি নিয়ে চলি। আমরা জনগণের পক্ষে কাজ করি। জনগণের জন্য বিএনপি রাজনীতি করে। আমাদের নেত্রী, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের মা। তিনি গণতন্ত্রের জন্য, স্বার্বভৌমত্বের জন্য, সরকারের নির্যাতন সহ্য করছেন।’
এ পর্যায়ে জ. ই. মামুন বলেন, ‘আপনার নেত্রীর সম্পর্কে যত ভালো ভালো কথা বলবেন, তত আপনার পদ পদবি ভালো হবে। এই রাজনীতি আমরা জানি। এসব কথা আমাদের বলে লাভ নেই। আপনি অনেকদিন ধরে বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। কিন্তু মূল কথা হচ্ছে বিএনপির রাজনীতি নিয়ে আমরা আলোচনা করছি না। আমরা আলোচনা করছি একটি ইনসিডেন্ট নিয়ে। সেই ইনসিডেন্টের সময় যে সন্ত্রাসীরা আগুন দিল। সে ছাত্রলীগ না ছাত্রদল নাকি শিবির সেটি আমার জানার কথা না। আপনাদের তো হাজার হাজার লোক ছিল লাঠি নিয়ে। আপনি নিজেও লাঠি নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আপনারা কেন তাকে ধরতে পারলেন না। নাগরিক হিসেবেও তো একটা দায়িত্ব ছিল দুষ্কৃতকারীকে ধরিয়ে দেয়া। সেই দায়িত্ব কেন আপনি পুলিশের উপর ছেড়ে দিলেন?’
জবাবে নিপুন রায় বলেন, রাস্তার ওই পারে হেলমেট বাহিনীর ছেলেটি গাড়িটি ভাঙতে গিয়েছিল। আমাদের নেতৃবৃন্দ এগিয়ে গিয়েছিল ছেলেটিকে ধরতে। কিন্তু সে সেখান থেকে সরে গিয়েছে। তার পাশেই প্রশাসন। প্রশাসন তাকে প্রটোকল দিয়ে সরিয়ে দিয়েছে। কেন তাকে সরিয়ে দেয়া হল। কেন আমাকে ওই ছেলেটি বলল দিদি আপনি গাড়িতে লাথি মারেন। দিদি আপনি গাড়িতে আগুন দেয়ার ব্যবস্থা করেন। তার মানে বিএনপির একজন কেন্দ্রীয় কমিটির মেম্বার হিসেবে যদি আমি হঠাৎ কন্ট্রোলের বাইরে গিয়ে আক্রমণ করতাম তাহলে আপনারা প্রতিষ্ঠিত করতে পারতেন এই ঘটনা বিএনপি ঘটিয়েছে। কিন্তু না। আমরা নীতিগত দিক থেকে এতটাই নীতি মেনে চলি। জনগণের জানমাল রক্ষার্থে আমরা এতটাই নীতি মেনে চলি যে, আমরা কোন অন্যায়কে প্রশ্রয় দিইনা।’
এ পর্যায়ে জ. ই. মামুন বলেন- ‘সবাই গাড়ি সরিয়ে নিল। পুলিশের ওই লোক গাড়ি সরিয়ে নিল না। এই কথাটা কেন বললেন?’ জবাবে নিপুন রায় বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসন জানতো আজ আমরা এই গাড়িটা পোড়াবো। এবং বিএনপির উপর তার দায় চাপাবে। যার কারণে তারা গাড়ি সরালো না। এটা তাদের প্রি-প্ল্যান ছিল। এই জন্য সব গাড়ি সরানো হল। ওই গাড়ি কেন সরানো হল না। আমাদের কাছে এমন প্রশ্ন থাকতেই পারে। আমাদের প্রশ্ন থাকতেই পারে কেন ড্রাইভার সামনে এল না। কেন অফিসারকে ফোন করল না।’
জ. ই. মামুন বলেন- ‘আমরা ভিডিও ফুটেজে দেখলাম আপনারা পুলিশের উপরও আক্রমণ করেছেন। ওখানে দায়িত্বরত ওসির (তদন্ত) উপর আপনারা, আপানাদের নেতাকর্মীরা আক্রমণ করেছেন। এই ঘটনা আমরা টেলিভিশনের ক্যামেরায় দেখেছি। সেটা কেন করেছেন?’ এসময় সঞ্চালক বলেন, ‘ওখানে কি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল যে অন্য সব গাড়ি সরিয়ে নিতে হয়েছে।’ জবাবে নিপুন রায় চৌধুরী বলেন- ‘যখন জলকামান, বুলেট ও চারিদিক থেকে গুলি করা শুরু হল। পুলিশ প্রশাসন থেকে যখন টিয়ারশেল মারা হল। তখন রাস্তার সব গাড়ি উল্টা দিকে ঘুরানো শুরু হল। মিডিয়ার গাড়িগুলো সব সরিয়ে নেয়া হল।’
এ পর্যায়ে জ. ই. মামুন বলেন, ‘পুলিশ তো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তারা কি পলায়নপর মনোবৃত্তি নিয়ে ওখানে যাবে? তারা তো আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যাবে। আপনারা পুলিশের উপরে আক্রমণ করবেন। পুলিশের গাড়িতে আগুন দিবেন। আর পুলিশ ওখান থেকে পালিয়ে যাবে। এটাই কি চাচ্ছিলেন আপনারা।’ জবাবে নিপুন রায় বলেন, ‘আমি সেটাই বলছি। গাড়ি দুটিতে ভাঙচুর করা হল। গাড়িতে আগুন ধরানো হল। পুলিশ কেন নিয়ন্ত্রণ করতে এলো না।’
জ. ই. মামুন বলেন- ‘পুলিশকে আক্রমণ করলেন কেন আপনারা? সেটার উত্তর দেন।’ জবাবে নিপুন রায় বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসকে পাঠানো হল আগুন নেভানোর জন্য। কিন্তু তারা যদি ন্যূন্যতম চেষ্টা তারা করতো তাহলে বুঝে নিতাম। প্রশাসনের মাধ্যমে এই ঘটনা ঘটানো হয়নি। তার দায়ভার আমরা নিতাম।’
এ পর্যায়ে সঞ্চালক বলেন, ‘তাহলে পুলিশের উপর আক্রমণ কে করেছে?’ জবাবে নিপুন রায় বলেন, ‘যারা হেলমেট বাহিনী তারা।’ এ সময় কথা কেড়ে নিয়ে জ. ই. মামুন বলেন, ‘বিএনপি অফিসের সামনে কি সব আওয়ামী লীগের লোকজন গিয়ে ভিড় করেছিল মনোনয়নের জন্য?’ এসময় নিপুন রায় বলেন, ‘যখন আমার উপর আক্রমণ হল। তখন আমার জীবন রক্ষার জন্য পাল্টা কাউন্টার নেব, এটাই স্বাভাবিক। প্রথম স্টেপ আমাকে নিতেই হবে।’
জ. ই. মামুন প্রশ্ন রেখে বলেন- ‘তাহলে আপনারা জীবন রক্ষার জন্য পুলিশের উপর আক্রমণ করেছিলেন?’ জবাবে নিপুন রায় বলেন, ‘আমরা আক্রমণ করিনি। আক্রমণ করতে যাব কেন? কয়জন পুলিশ আহত হয়েছে সেটা ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে দেখানো হোক। আর কয়জন বিএনপি নেতাকর্মী আহত হয়েছে সেটা কেন আপনারা বলছেন না। এটা তো একবারের জন্য বের হল না বিএনপির এই নেত্রী গুলিবিদ্ধ হয়েছে। বিএনপির ওই নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তার জন্য আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আপনি তো একজন সাংবাদিক হয়ে নিজেকে বিসর্জন দিয়ে দিলেন।’
এসময় অনুষ্ঠান সঞ্চালক বড় পর্দায় ভিডিও ফুটেজ দেখিয়ে বলেন- ‘দেখা যাচ্ছে একজন পুলিশকে আলাদা করে নিয়ে পেটানো হচ্ছে। একজনকে বেশ ভালোই প্রহার করা হচ্ছে। মিছিল থেকে তাকে দাবড়িয়ে ধরে প্রহার করা হচ্ছে। এই ফুটেজটা আমরা আজকে সারাদিন দেখেছি। এটিএন নিউজে সম্ভবত এই ফুটেজ দেখেছি।’ তার কথা কেড়ে নিয়ে নিপুন রায় বলেন, ‘মিছিলের উপর যখন পুলিশ স্বেচ্ছায় গাড়ি তুলে দিচ্ছিলেন। তখন এই ঘটনা। সব ভিডিও আপনি ফুটেজে পাবেন না। যে ঘটনা তাৎক্ষণিক ঘটেছে। ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর ক্যামেরাম্যান এলে তো অন্য ফুটেজ কালেক্ট করছেন। কারণ সে তো জানতো না এখানে কি হচ্ছে।’ এ সময় জ. ই. মামুন বলেন, ‘তাহলে ফুটেজে পাব না। আপনি যা বলবেন সেটাই বিশ্বাস করতে হবে। মিডিয়া তো আপনি যাওয়ার আগে থেকেই ওখানে ছিল।’ তার কথার জবাবে নিপুন রায় বলেন- ‘সরকার উদ্দেশ্য করে যে এই ঘটনা ঘটাবে সেটা তো মিডিয়াকে ইনফর্ম করেনি। তাহলে তো এই ঘটনা ঘটতো না। এই ঘটনা ঘটালো। গাড়ি চাপা দেয়া হল। ঘটনা ঘটার পর মিডিয়া সেই ভিডিওগুলো কালেক্ট করেছে। এখন আগের ঘটনা মিডিয়াতে আসেনি বলে অস্বীকার করবেন সেটা তো ঠিক না।’
এ পর্যায়ে জ. ই. মামুন বলেন, ‘আগের ঘটনাও মিডিয়াতে এসেছে। পুরোটাই মিডিয়াতে এসেছে।’ দ্বিমত প্রকাশ করে নিপুন রায় বলেন- ‘না না। কিভাবে বলেন আপনি? আপনি একতরফা কথা বলছেন। আমার তো মনে হয় আপনি সরকারের একজন পে ভুক্ত। অন্যায়কে যেভাবেই হোক জবর দখল করে স্টাবলিস্ট করতে হবে। বিএনপি এই করেছে। ওই করেছে। সেই দায়িত্ব নিয়েছেন।’ এসময় জ. ই. মামুন বলেন, ‘এখানে স্টাবলিস্ট করার কিছু নেই। এটা অলরেডি স্টাবলিস্ট বাই দ্য ভিডিও ফুটেজ।’
এসময় সঞ্চালক বলেন, ‘আমার মনে হয় এটা ব্যক্তিগত আক্রমণের পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। উনি উনার মত দিচ্ছেন। উনি যদি মনে করেন এই ঘটনা এভাবে ঘটেছে তাহলে সেটি বলার অধিকার নিশ্চয় উনার আছে।’
অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1421)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
November
(232)
-
▼
Nov 19
(19)
- ইসরাইলে আগাম নির্বাচন: হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর
- ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর অগ্নিপরীক্ষা
- বায়ুদূষণে কেমন আছেন দিল্লির রিক্সাওয়ালা!
- ভারত কি ইসলামী নাম পরিবর্তনে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে?
- ঢাকায় নয়া মার্কিন দূত: পূর্বসূরিদের দেখানো পথে হাঁ...
- আসন বণ্টন নিয়ে কতটা জটিলতায় দুই জোট?
- লক্ষ্য ক্রাউন প্রিন্সকে রক্ষা করা!
- সেই সম্পর্ক নিয়ে ২০ বছর পর মুখ খুললেন মনিকা লিউনস্কি
- নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ...
- জেলখানায় অনিরাপদ নারী: যুক্তরাষ্ট্রের জেলখানায় ধর্...
- ৯ কোটি ডলারে বিক্রি হলো ডেভিড হুকনির চিত্রকর্ম
- বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধে সুবিধা আদায়ে অপ্রস্তুত বাংল...
- প্রশ্নের মুখে ইসির কর্তৃত্ব by সিরাজুস সালেকিন
- মনোনয়নে যেসব বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি by কাফি ক...
- ইভিএম ব্যবহারের ঝুঁকি কোথায়?
- জাপানে শ্রমিক সংকট, বাংলাদেশের জন্য সুযোগ by সাদ্দ...
- বন্ধ্যাকরণের ভুক্তভোগী কানাডীয় আদিবাসী নারীদের ক্ষ...
- আমাকে সরালেও বেক্সিট সহজ হবে না: থেরেসা মে
- গ্রেপ্তারের আগে নিপুন রায় টকশোতে কি বলেছিলেন
-
▼
Nov 19
(19)
-
▼
November
(232)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...