Thursday, September 25, 2025
পশ্চিমা নেতারা কি মুখ রক্ষা করতে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন
ইসরায়েল সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের আগ্রাসী অবস্থান আরও জোরদার করেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এক মুখপাত্র বলেন, এই স্বীকৃতি ‘হাস্যকর’। এটি ‘সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করবে’ বলে উল্লেখ করেছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
১৫ সেপ্টেম্বর অধিকৃত পশ্চিম তীরে এক অনুষ্ঠানে নেতানিয়াহু তাঁর সমর্থকদের উদ্দেশে দম্ভভরে বলেন, ‘ফিলিস্তিন নামে কোনো রাষ্ট্র হবে না।’
কানাডা, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও পর্তুগালের এই স্বীকৃতি সারা বিশ্বের নজর কেড়েছে। আন্তর্জাতিক খবরের প্রধান শিরোনাম। বিশ্লেষকেরা আল-জাজিরাকে বলেছেন, অবমাননা, হত্যাকাণ্ড ও শত–সহস্র ফিলিস্তিনিকে ঘরছাড়া করার বিরুদ্ধে এটি একটি ক্ষুদ্র ও প্রতীকী পদক্ষেপ। তবে এর বাইরেও পদক্ষেপটির গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিক রয়েছে।
ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আবু রাস আল-জাজিরাকে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্ররা কেবল একটি সমঝোতাপূর্ণ চুক্তির পরই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন। কিন্তু তার আগেই প্রচলিত ধারা ভেঙেই দেশগুলো স্বীকৃতির ঘোষণা দিয়েছে। এ কারণেই এটি গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে ইসরায়েল আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ল। আমি মনে করি, এটি তাৎপর্যপূর্ণ।’
ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে চার দেশের স্বীকৃতি দেওয়ার দিনও গাজায় নৃশংস হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। হামলায় অন্তত ৫৫ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৩৭ জনই গাজা নগরীর।
লোকদেখানো স্বীকৃতি
ইসরায়েলি আগ্রাসনের ফলে চরম দুর্দশায় জীবন কাটছে ফিলিস্তিনিদের। এই স্বীকৃতি কি তাঁদের দুর্দশার অবসান ঘটাবে? কোনো বাস্তবসম্মত পরিবর্তন কি আসবে?—সংশয়ে আছেন বিশ্লেষকেরা।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় ৬৫ হাজার ২৮৩ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। যুদ্ধে আহত হয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৭৫ জন। তবে অনেক বিশ্লেষকের বিশ্বাস, হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
অন্যদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এবং বসতি স্থাপনকারীদের সহিংস হামলায় এ পর্যন্ত ১ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সরকার হুমকি দিয়েছে, তারা পুরো অঞ্চলটি নিজেদের দেশের সঙ্গে যুক্ত করে নেবে।
বিশ্লেষকেরা বলেছেন, রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনকে চার দেশের স্বীকৃতি গাজায় যুদ্ধ থামাতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না। এ যুদ্ধকে ইসরায়েলি ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো জাতিগত হত্যা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
স্বাধীন গবেষক ক্রিস ওসিক বলেন, ‘এই স্বীকৃতির পাশাপাশি যতক্ষণ পর্যন্ত ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা, অস্ত্র অবরোধ এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনে নো ফ্লাই জোন বাস্তবায়নের মতো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমি আশাবাদী হতে পারছি না।’
দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি আল–জাজিরাকে বলেন, ‘এটি মূলত লোকদেখানো স্বীকৃতি। আমি মনে করি, তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান চাপ এবং স্থানীয় জনগণের চাপের মুখে এই পদক্ষেপ নিয়েছে। যাতে বলতে পারে যে তারা কিছু একটা করেছে। প্রকৃতপক্ষে তারা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।’
তবে এরপরও এই স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ। ফলে ফিলিস্তিন সরকার স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলোর সঙ্গে চুক্তি ও রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত করতে পারবে। এরই মধ্যে যুক্তরাজ্য ঘোষণা করেছে, তারা হুসাম জোমলটকে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত হিসেবে স্বীকৃতি দেবে।
আন্তর্জাতিক সংগঠনে যোগদান
বিশ্বের বড় একটি অংশ ইতিমধ্যেই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সম্প্রতি আরও কিছু স্বীকৃতি যোগ হয়েছে। কেবল যুক্তরাষ্ট্র, হাতেগোনা কিছু ইউরোপীয় ও বাল্টিক দেশ, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপানসহ কয়েকটি দেশ এখনো ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়নি।
বেশির ভাগ দেশের স্বীকৃতি পেলেও জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য হতে পারেনি ফিলিস্তিন। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আবু রাস বলেন, মার্কিন সহায়তা ছাড়া এসব স্বীকৃতি জাতিসংঘের নতুন কোনো সুযোগ-সুবিধা এনে দেবে না। নতুন করে কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যও হতে পারবে না ফিলিস্তিন।
আল রাস বলেন, ‘ফিলিস্তিন বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য নয়, বরং পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র।’ পূর্ণ সদস্য হতে হলে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ পেতে হবে এবং জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভোট পেতে হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো দেওয়ার ক্ষমতার কারণে এটি প্রায় অসম্ভব।
গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করতে ইসরায়েলের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে ইউরোপ থেকে চাপ জোরালো হচ্ছে। গতিশীল হচ্ছে ইসরায়েলকে বর্জনের প্রচার-প্রচারণাও। ফলে ইউরোভিশন ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাগুলো থেকে ইসরায়েলকে বাদ দেওয়া হতে পারে।
পাশাপাশি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) সম্প্রতি কিছু ইসরায়েলি পণ্যের ওপর শুল্ক বৃদ্ধি এবং দেশটির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়েও আলোচনা করেছে।
মুখ বাঁচাতে স্বীকৃতি
বিশ্লেষকেরা আল–জাজিরাকে বলেছেন, কয়েক মাস ধরে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা করলেও কিছু পশ্চিমা দেশ মূলত গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায় এ পদক্ষেপ নিয়েছে। শর্তসাপেক্ষে কিছু দেশের সমর্থনও এ পদক্ষেপের পেছনে জোরালো ভূমিকা রেখেছে।
বিশ্লেষকেরা আরও বলেছেন, একদিকে প্রতিষ্ঠিত রাজনীতিক দলগুলোর সঙ্গে জড়িত ইসরায়েলপন্থী গোষ্ঠীগুলোর চাপ, অন্যদিকে জাতিগত হত্যা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে জনগণের ক্রমবর্ধমান দাবি—দেশের ভেতরে এমন নানামুখী চাপের কারণেই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পশ্চিমা নেতারা।
আল রাস বলেন, বর্তমানে উদার-বামপন্থী সরকারগুলোর ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের কারণে এমনটি ঘটেছে। আসলে কিছুই বদলায়নি। ধীরে ধীরে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে জনগণকে খুশি রাখতে এটি ছিল অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ। তাঁরা আসলে নিজেদের মুখ বাঁচাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
গত জুলাইয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, গাজায় যুদ্ধ বন্ধে ইসরায়েল কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে তিনি ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবেন।
গতকাল রোববার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়াও শর্তসাপেক্ষে এই স্বীকৃতি দিয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেছেন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সংস্কারের প্রতিশ্রুতি পূরণে আরও অগ্রগতি করলে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন এবং দূতাবাস চালুর মতো পদক্ষেপও নেওয়া হবে।
![]() |
| গাজায় যুদ্ধ বন্ধ ও ইসরায়েলকে বয়কটের দাবিতে স্পেনে একটি বিক্ষোভের চিত্র। ফাইল ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্র এক ফোনকলেই গাজায় গণহত্যা বন্ধ করতে পারে, কিন্তু করে না কেন? by আমিয়েল আলকালাই
১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের হিরোশিমায় প্রথম পারমাণবিক বোমা ব্যবহার করা হয়েছিল। তিন দিন পর ৯ আগস্ট নাগাসাকিতে দ্বিতীয় বোমা ফেলা হয়। এই দুই হামলায় আনুমানিক দুই লাখ মানুষ নিহত হয়েছিল।
এর আগেই ১৯৪৫ সালের মার্চে ‘অপারেশন মিটিংহাউস’ নামে পরিচিত ভয়াবহ অগ্নিবোমা হামলায় টোকিওতে কয়েক হাজার মানুষ মারা যান এবং এক মিলিয়নের বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েন।
আজ গাজার গণহত্যার সময় যে ‘সংখ্যার রাজনীতি’ আমরা দেখছি, তা এক শীতল বাস্তবতার প্রতিফলন। টোকিও অভিযানের নেতৃত্বদানকারী মার্কিন জেনারেল কার্টিস লে মে খুব ভালো করেই জানতেন, জনবহুল এলাকায় ন্যাপাম ফেলার মানে কী। তাঁর নিজের ভাষায়, ‘যদি আমরা যুদ্ধে হেরে যেতাম, তাহলে আমাদের সবাইকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে বিচার করা হতো।’
লে মে শুধু জাপানেই থেমে থাকেননি। ১৯৮৪ সালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেন, মার্কিন বোমা উত্তর কোরিয়ার ২০ শতাংশ জনগণকে হত্যা করেছিল এবং ‘যা নড়াচড়া করেছে’—এ রকম সবকিছুকে তারা লক্ষ্যবস্তু করেছিল।
ইতিহাসবিদ ব্রুস কামিংস নিউজউইকে বলেছিলেন, ‘বেশির ভাগ আমেরিকান জানেনই না যে আমরা উত্তর কোরিয়ার শহরগুলো জাপান বা জার্মানির তুলনায় বেশি ধ্বংস করেছিলাম।…কিন্তু প্রত্যেক উত্তর কোরীয় জানেন। তাঁদের মগজে সেটা গেঁথে দেওয়া হয়েছে। অথচ আমরা কখনো এসব শুনি না।’
সম্মিলিত শাস্তির নীতি
লে মে একসময় কিউবার বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারেরও পরামর্শ দিয়েছিলেন, যদিও প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি তাঁকে আটকে দেন। কিন্তু ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বোডিয়ায় ন্যাপাম হামলার সময় তিনি ‘মানুষকে পাথরযুগে ফেরত পাঠানোর’ বোমাবর্ষণ নীতিতে বিশ্বাস করতেন।
গালফ যুদ্ধ (১৯৯১) শুরুর আগেই লে মে মারা যান। কিন্তু আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া এবং আরও বহু মার্কিন আগ্রাসনে তাঁর তত্ত্ব বেঁচে আছে। আকাশ থেকে নির্বিচারে গণসন্ত্রাস চাপিয়ে দিয়ে স্থানীয় জনগণকে অমানবীয় করে তোলা হয়, যেখানে সবাইকে দোষী ধরা হয় এবং সম্মিলিত শাস্তি দেওয়া হয়।
সাম্প্রতিক মার্কিন বক্তব্যও এ ধারাই বজায় রেখেছে। ৮ সেপ্টেম্বর জেরুজালেমে এক বাসস্ট্যান্ডে দুই ফিলিস্তিনির হামলায় ছয়জন ইসরায়েলি নিহত হওয়ার পর মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি ঘোষণা করেন, ‘এই বর্বরতার বিরুদ্ধে আমরা ইসরায়েলের পাশে আছি।’
বিশ্বনেতারা শোক প্রকাশ করেন, আর বিশ্লেষক মুইন রাব্বানির ভাষায় ‘সিম্ফনি অর্কেস্ট্রা’ আবারও সক্রিয় হয়—‘টেরর টাওয়ার’, ‘ব্রিডিং গ্রাউন্ড’ ইত্যাদি প্রোপাগান্ডা শব্দগুচ্ছ ছড়িয়ে দিয়ে ইসরায়েলি যুদ্ধাপরাধ আড়াল করার প্রচেষ্টা চলে।
এখানে প্রশ্ন ওঠে: মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি কি সত্যিই স্বাধীন, নাকি ইসরায়েলপন্থী লবিগোষ্ঠী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত? একই সঙ্গে কি দুটি বিষয় সত্য হতে পারে? আর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের খামখেয়ালি মন্তব্য বা ‘শান্তি উদ্যোগ’ আসলে কী বোঝায়?
প্রত্যাখানেযাগ্যতা বনাম বাস্তবতা
একসময় ‘প্লজিবল ডিনায়েবিলিটি’ (প্রত্যাখ্যানযোগ্যতা) ছিল মার্কিন কৌশলের কেন্দ্রীয় উপাদান। কিন্তু এডওয়ার্ড স্নোডেন, চেলসি ম্যানিং ও জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের ফাঁস করা তথ্য সেই মুখোশ খুলে দিয়েছে। তবু ইসরায়েলের অস্বাভাবিক প্রভাব—মার্কিন অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতিতে—আরও জটিল অস্বীকারযোগ্যতার কাঠামো তৈরি করেছে।
বাইডেন–হ্যারিস প্রশাসন ‘গাজা পিয়ার প্রকল্প’-এর মতো হাস্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে আর ট্রাম্প–ভ্যান্সের দল ‘উইটকফ প্ল্যান’ বা ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ হুমকির মতো কৌতুকময় নাটক করেছে। কিন্তু উভয় প্রশাসনই জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে এবং ইসরায়েলকে অব্যাহত সামরিক সহায়তা দিয়েছে। বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্র চাইলে এক ফোনকল বা নির্বাহী আদেশেই গাজার গণহত্যা থামাতে পারত।
কিন্তু বাস্তবতা হলো মার্কিন রাজনীতি ও নিরাপত্তাকাঠামো ইসরায়েলের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। আইপ্যাকের নির্বাচনী তহবিল থেকে শুরু করে পুলিশ প্রশিক্ষণ, নজরদারি প্রযুক্তি—সবখানেই ইসরায়েলি প্রভাব দৃশ্যমান।
প্রক্সি রাষ্ট্র ও মার্কিন আধিপত্য
এতে প্রশ্ন ওঠে, ইসরায়েলি জায়নবাদী আদর্শ, প্রযুক্তি ও রাজনীতির এই অতিরিক্ত প্রভাব আসলে কি যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক নীতির জন্যই এক ‘অস্বীকারযোগ্য’ প্রক্সি কাঠামো?
সিরিয়ার শাসন পরিবর্তন, লেবাননকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা, ইরানকে লক্ষ্য করে যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞা, মিসরকে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ দিয়ে শ্বাসরোধ করা, আব্রাহাম চুক্তি—সবই সেই ইঙ্গিত দেয়।
এই পরিপ্রেক্ষিতে আমেরিকান ইহুদি সমাজ কোথায় দাঁড়াবে? সমর্থনকারী বা বিরোধী উভয় পক্ষের জন্যই এটি এক কঠিন বাস্তবতা। নেতানিয়াহু, যিনি আমেরিকায় বহু বছর কাটিয়েছেন, একদিকে প্রগতিশীলদের কাছে সমালোচিত, অন্যদিকে জায়নবাদীদের কাছে নায়ক হিসেবে বিবেচিত হন।
শেষ পর্যন্ত, বর্তমান কাঠামো কেবল ইসরায়েলকে মার্কিন প্রক্সি হিসেবে ধরে রাখছে, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত বিশ্বভূমিকা নিয়ে গভীরভাবে প্রশ্ন না ওঠে। একই সঙ্গে এই প্রক্সি ভূমিকা মার্কিন ইহুদি সমাজের জন্য নতুন বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা নিয়ে তাদের ভাবনা শুরুই হয়নি।
* আমিয়েল আলকালাই, মার্কিন কবি, ঔপন্যাসিক, অনুবাদক, প্রবন্ধকার, সমালোচক ও গবেষক।
- মিডলইস্ট আই থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে অনুবাদ।
![]() |
| হোয়াইট হাউসে ডিনার আয়োজনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রে এখনই যে রাজনীতি দরকার by অ্যান-মেরি স্লটার
এদিকে রিপাবলিকান পার্টি এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ বা মাগা আন্দোলনের মাধ্যমে আমূল বদলে গেছে। অন্যদিকে গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখা, নতুন করে গড়ে তোলা এবং প্রসারিত করার জন্য বড় পরিসরে কাজ চলছে।
‘ডেমোক্রেসি ফান্ডারস নেটওয়ার্ক’ নামের একটি সংগঠন ৪ হাজার ১০০টি অলাভজনক সংস্থা ও ২৭ হাজার অনুদানদাতার তথ্য বিশ্লেষণ করে ‘৭০টি সংগঠিত ক্ষেত্র’ চিহ্নিত করেছে। এ ক্ষেত্রগুলো ভোটাধিকার, সংলাপ গঠন ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মতো গণতান্ত্রিক কাজ করছে। স্থানীয় পর্যায়ে ‘ন্যাশনাল সিভিক লিগ’ দেশজুড়ে ১১ হাজারের বেশি সংগঠন চিহ্নিত করেছে, যেগুলো যুক্তরাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক কথাবার্তা ও সচেতনতা বাড়াতে কাজ করছে।
এ ছাড়া বিভাজন কমাতে এবং ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয়েই একসঙ্গে কাজ করতে পারে, এমন একটি কেন্দ্র গড়ে তুলতে অনেক সংগঠন গড়ে উঠেছে। আরও কিছু সংগঠন আছে, যারা চায় নির্বাচনী সংস্কার ঘটিয়ে যেন ভোটাররা আরও বেশি প্রার্থী ও দলের মধ্যে বেছে নিতে পারেন। কিছু সংগঠন রাজনৈতিক অবস্থান নয়; বরং নীতিমূল্য ও আদর্শের ভিত্তিতে নিজেদের পরিচয় দেয়।
এই প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্রপন্থী সংগঠনগুলোও যুক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক নতুন শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য ভবিষ্যৎ কল্পনা উপস্থাপন করতে পারে, তাহলে তারা এমন ভোটারদের আকৃষ্ট করতে পারবে, যারা নৈতিক আদর্শকে গুরুত্ব দেয় এবং ধর্মনিরপেক্ষ নাগরিক মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনতে চায়।
এ ভাবনা নিয়েই প্রকাশিত হয়েছে একটি প্রবন্ধ সংকলন, আউট অব মেনি, ওয়ান: রাইটিংস অন আমেরিকান ইউনিভার্সালিজম। ‘ক্যাটালিস্ট ফর আমেরিকান ফিউচার’ নামের একটি সংগঠন সংকলনটি প্রকাশ করেছে। সংগঠনটি উদার গণতন্ত্রের পক্ষে একটি দেশপ্রেমভিত্তিক, বহুত্ববাদী রাজনৈতিক আন্দোলন তৈরি করতে চায়। বইয়ের সম্পাদকেরা ‘আমেরিকান ইউনিভার্সালিজম’ বা সর্বজনীনতাবাদের ভাবনাকে পুনরুজ্জীবিত করতে চেয়েছেন। এ ভাবনার শিকড় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময়কাল থেকে। তাঁরা এই ধারাকে ব্যাখ্যা করেছেন এভাবে, ‘এটি সেই আন্দোলন, যা সর্বজনীন স্বাধীনতা, অধিকার ও সুযোগকে ধারণ করে।’
আজকের দিনে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির দুটি প্রান্তেই এ ধারণার খুব একটা সমর্থন নেই। ডানপন্থী মাগা রিপাবলিকানরা একে ‘গ্লোবালিজম’-এর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। এটি তাঁদের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ চিন্তার বিরুদ্ধে যায়। আবার বামপন্থীরা মনে করেন, দেশটির প্রতিষ্ঠাতাদের নথি থেকে নেওয়া এসব ধারণা ব্যবহার করলে সংখ্যালঘুদের বাস্তব অভিজ্ঞতাগুলোকে মুছে ফেলা হয়।
কিন্তু আউট অব মেনি বইয়ের লেখকেরা মনে করেন, এ সর্বজনীনতা যুক্তরাষ্ট্রের মৌলিক আদর্শের কেন্দ্রবিন্দু।’ তাঁদের ভাবনাকে সহজ করে বুঝিয়ে বলা যায় এভাবে, ‘এই নতুন ধরনের দেশপ্রেম মানে এমন এক অনুভূতি, যেখানে কেউ নিজের দেশের জন্য গর্ববোধ করতে পারেন, আবার একই সঙ্গে দেশের ভুল ও অবিচারের কারণে লজ্জাও বোধ করেন। এর অর্থ, দেশ ভালো কাজ করলে গর্ব আবার অন্যায় করলে সেটাও স্বীকার করার সাহস।’
থিওডর রুজভেল্ট জনসন নামের একজন সাবেক মার্কিন নৌবাহিনীর সদস্য লিখেছেন, তিনি এমন একটি দেশের জন্য শপথ নিয়েছিলেন, যে দেশ একদিকে বলে সবার জন্য সমান অধিকার (ইউনিভার্সালিজম), কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় তা মানে না। তিনি উদাহরণ দিতে গিয়ে বলেছেন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় নিউইয়র্কের হারলেম এলাকার কৃষ্ণাঙ্গ সেনাদের যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে যুদ্ধ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তাঁদের ফরাসি সেনাবাহিনীর অধীন পাঠানো হয়েছিল, অর্থাৎ নিজের দেশের পতাকার নিচে যুদ্ধ করার সম্মান তাঁরা পাননি।
জনসনের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি দেশের আদর্শ টিকিয়ে রাখতে হলে মানুষকে শেখাতে হবে, কীভাবে দেশ নিয়ে গর্ব করা আর দেশের ভুল দেখে সেটাও স্বীকার করা—এই দুটি অনুভূতি একসঙ্গে রাখতে হয়। তবেই দেশ সত্যিকারের অর্থে উন্নত হতে পারে।
এই বইয়ের অনেক লেখাই তরুণ প্রজন্মের (মিলেনিয়াল ও জেনারেশন জি) কাছ থেকে এসেছে। যেমন হান্না কোইজুমি ও হিউ জোন্সের কথা বলা যেতে পারে। তাঁরা ‘সিভিক অ্যাটেনশন’ নামের একটি অলাভজনক সংস্থার সহপরিচালক। তাঁরা তাঁদের প্রজন্মের (যাঁরা ইন্টারনেটের যুগে বড় হয়েছেন, যেখানে রাগ, হতাশা আর গোষ্ঠীগত বিদ্বেষ বাড়ছে) উদ্দেশে বলেছেন, তরুণদের উচিত হবে কেবল অভিযোগে না ভেসে গিয়ে নতুন করে গড়ার দায়িত্ব নেওয়া।
পুরো বইয়ে একটা বিষয় বারবার বলা হয়েছে। সেটি হলো যুক্তরাষ্ট্রে বিভক্তির চেয়ে ঐক্য অনেক বেশি জরুরি। তবে এই ঐক্য মানে সবাইকে এক রকম করে ফেলা নয়; বরং এটি এমন একটা একতা, যেখানে মানুষ আলাদা হলেও তারা একসঙ্গে মিলে দেশের জন্য কাজ করে। যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি দেশ হতে চায়, যেখানে একটি সত্যিকারের সাংবিধানিক গণতন্ত্র হিসেবে সবাই সমান অধিকার, স্বাধীনতা আর ন্যায়ের সুযোগ পায়।
যাঁরা এখনো এই সর্বজনীন মূল্যবোধে বিশ্বাস করেন, তাঁদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্ন এখনো বেঁচে আছে। সেটি হারিয়ে যায়নি। সেটি লড়াইয়ের উপায় খুঁজছে।
* অ্যান-মেরি স্লটার, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক নীতিনির্ধারণ বিভাগের পরিচালক
- স্বত্ব: প্রজেক্ট সিন্ডিকেট, অনুবাদ: সারফুদ্দিন আহমেদ
![]() |
| অভিবাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মূলধারার রাজনীতির বিরোধিতা বাড়ছে। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হার্টের রিংয়ের দাম কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের ওষুধ প্রশাসন-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞ পরামর্শক কমিটির সুপারিশ, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের যুক্তিসঙ্গত মুনাফা এবং ভ্যাট-শুল্ক ইত্যাদি বিবেচনায় তিনটি আন্তর্জাতিক কোম্পানি— অ্যাবট, বোস্টন সায়েন্টিফিক এবং মেডট্রনিক এর আমদানি করা স্টেন্টগুলোর দাম পুনর্র্নিধারণ করা হয়েছে।
যেমন, মেডট্রনিক কোম্পানির ‘রিজলিউট অনিক্স’ স্টেন্টের আগের দাম ছিল ১,৪০,৫০০ টাকা, যা কমিয়ে ৯০,০০০ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।
বোস্টন সায়েন্টিফিক কোম্পানির ‘প্রোমাস এলিট’ স্টেন্ট আগে ৭৯,০০০ টাকায় বিক্রি হতো, এখন তা ৭২,০০০ টাকা করা হয়েছে। একই কোম্পানির ‘প্রোমাস প্রিমিয়ার ’ স্টেন্টের দাম ৭৩,০০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৭০,০০০ টাকা করা হয়েছে।
সিনার্জি সিরিজের তিনটি স্টেন্টের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে ‘সিনার্জি এক্সডি’ স্টেন্টে, যার আগের দাম ছিল ১,৮৮,০০০ টাকা। নতুন দামে এটি এখন বিক্রি হবে ১,০০,০০০ টাকায়। অন্যদিকে ‘সিনার্জি’ ও ‘সিনার্জি শিল্ড’ স্টেন্ট দুটির দাম কমিয়ে যথাক্রমে ৯০,০০০ টাকা করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১,১৭,০০০ ও ১,২০,০০০ টাকা।
অ্যাবট কোম্পানির ‘জায়েন্স প্রাইম’ স্টেন্টের দাম ছিল ৬৬,৬০০ টাকা, যা কমিয়ে ৫০,০০০ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। ‘জায়েন্স এক্সপেডিশন’ স্টেন্টের দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি, এটি আগের মতোই ৭১,৫০০ টাকায় বিক্রি হবে।
তবে ‘জায়েন্স আলপাইন’ এবং ‘জায়েন্স সিয়েরা’ স্টেন্ট দুটির দাম ছিল যথাক্রমে ১,৪০,৫০০ এবং ১,৪০,০০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৯০,০০০ টাকায় আনা হয়েছে।
এছাড়া মেডট্রনিক কোম্পানির আরেকটি স্টেন্ট ‘অনিক্স ট্রুকর’ আগে বিক্রি হতো ৭২,৫০০ টাকায়। এখন সেটি পাওয়া যাবে ৫০,০০০ টাকায়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অনুমোদিত দাম সংক্রান্ত তালিকা হাসপাতালে দৃশ্যমান স্থানে টানিয়ে রাখা এবং তা ব্যাপকভাবে প্রচারের ব্যবস্থা নিতে হবে। স্টেন্টের ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জ হিসেবে ৫ শতাংশের বেশি আদায় না করতে এবং নির্ধারিত দামের বাইরে কোনো কার্ডিওভাসকুলার বা নিউরো ইমপ্ল্যান্ট ডিভাইস কিনতে না দেয়ার নির্দেশও দেয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবা বিশ্লেষকদের মতে, এই মূল্যহ্রাস সাধারণ মানুষের হৃদরোগ চিকিৎসায় বড় স্বস্তি নিয়ে আসবে। রিংয়ের দাম হ্রাস পাওয়ায় সরকারি-বেসরকারি উভয় হাসপাতালেই চিকিৎসা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে রোগীরা উন্নত সেবা নিতে পারবেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আরব নেতাদের ‘মুখোশ’ উম্মোচিত হচ্ছে কীভাবে, টিকবে কত দিন by উসামা মাকদিসি
১৯১৯ সালের তথাকথিত প্যারিস শান্তি সম্মেলনের সময় ব্রিটিশরা বুঝে যায়, ব্যাহত প্রতীয়মান ‘স্বনির্ধারণীর’ এ যুগে নিজেদের আধিপত্য আর সরাসরি চাপিয়ে দিতে পারবে না তারা। তাই তাঁদের আধিপত্য আড়াল করতে দরকার ‘স্থানীয় কর্তৃত্ব’ নামের এক মুখোশ।
কিছু ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী, যেমন টি ই লরেন্স ভাবতেন, তাঁরা আরবদের সহায়তা করার মধ্য দিয়ে নিজেদের অহংকার চরিতার্থ করছেন। কিন্তু তাঁরা মূলত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যেরই সেবক ছিলেন।
এই সাম্রাজ্যবাদীরা একদিকে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে চাইছিল; অন্যদিকে দাবি করছিল, ওসমানি শাসন–পরবর্তী নতুন এ স্বাধীনতার যুগকে তারা আন্তরিকভাবে মেনে নিয়েছেন।
এ ‘আরব মুখোশ’ ছিল ব্রিটিশদের ‘পরোক্ষ শাসন’ নামে এক পুরোনো কৌশলেরই নতুন সংস্করণ—যেমনটা আফ্রিকায় চালু করেছিল তারা। এখানেও সেই ছাঁচে নতুন একটি ব্যবস্থা গড়া হয়। উদ্দেশ্য ছিল, যেকোনো প্রকৃত স্বাধীনতার উদ্যোগ রুখে স্থানীয় শাসনের নামে নিজেরাই শাসন চালিয়ে যাওয়া।
পরোক্ষ শাসন
ব্রিটিশরা ওসমানি শাসকদের উৎখাতে আরবদের সহায়তা করেছিল। ১৯১৬ সালে হাশেমি নেতা শরিফ হোসাইন ইবনে আলিকে সমর্থন ও অর্থসহায়তা দিয়ে আরব বিদ্রোহে উসকানি দেয় তারা। হাশেমিরা আগে ওসমানিদের সেবা করলেও প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশদের পক্ষে চলে যায়।
ফিলিস্তিনকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি স্বাধীন আরব রাজ্যের প্রতিশ্রুতি শরিফ হোসাইনকে দিয়েছিল ব্রিটিশরা। তবে এ বিশাল এলাকায় সত্যিকারের সার্বভৌমত্ব তারা কখনোই দিতে চায়নি। শুধু চেয়েছিল, ওসমানিদের ঐক্য ভাঙতে।
আরবদের এখন এটা জানা—ব্রিটিশ ও ফরাসিরা গোপনে ঠিক করে রেখেছিল কীভাবে ওসমানিদের আরব ভূখণ্ড নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেবে। এ গোপন চুক্তির নাম সাইক্স-পিকো চুক্তি (১৯১৬), যা সরাসরি আরবদের দেওয়া ব্রিটিশ প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ‘সাইকস–পিকো’ শব্দবন্ধ উপনিবেশবাদকে সামগ্রিকভাবে বোঝাতে একটি রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এর ঠিক এক বছর পর ১৯১৭ সালে, ব্রিটিশ সরকার ফিলিস্তিনে একটি ‘ইহুদি জাতীয় আবাস’ প্রতিষ্ঠার সমর্থনে কুখ্যাত বেলফোর ঘোষণা দেয়। এ ঘোষণা মূলত ফিলিস্তিনে ইউরোপীয় ইহুদিদের একটি জাতীয়তাবাদী ও উপনিবেশ স্থাপন প্রকল্পকে সমর্থন করেছিল; যেখানে সে সময় ইহুদিরা ছিল জনসংখ্যার এক ছোট অংশ। অথচ ফিলিস্তিনের সংখ্যাগরিষ্ঠ আরব জনগণের জাতীয় অধিকারকে অস্বীকার করা হয়েছিল। এ ঘোষণা আরবদের অবজ্ঞাসূচকভাবে শুধু ‘ইহুদিবহির্ভূত সম্প্রদায়’ বলে উল্লেখ করে।
সাইক্স-পিকো ও বেলফোর ঘোষণার পর মুখোশ পাকা করার প্রয়াস
সাইক্স-পিকো ও বেলফোর ঘোষণার তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর ক্ষুব্ধ আরবদের শান্ত করতে ব্রিটিশ ও ফরাসিরা প্রকাশ্যে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে তাদের লক্ষ্য ঘোষণা করে। ১৯১৮ সালের নভেম্বর মাসে তারা এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, তাদের উদ্দেশ্য হলো ‘তুর্কি নিপীড়নের’ অবসান ঘটিয়ে এ অঞ্চলের মানুষকে জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠার স্বাধীনতা দেওয়া।
এ ঘোষণার (অ্যাঙ্গলো-ফ্রেঞ্চ ডিক্লারেশন নামে পরিচিত) অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য ছিল, মুখোশটিকে আরও পোক্ত ও দীর্ঘস্থায়ী করা। এ মুখোশের মূল উপাদান ছিল এমন এক অনির্বাচিত স্থানীয় শাসক, যিনি—ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের প্রতি অনুগত থাকবেন; নিজের ভাগ্য ও পরবর্তী বংশকে ব্রিটিশ আনুগত্যের সঙ্গে যুক্ত মনে করবেন; ইহুদি উপনিবেশ গঠনে ব্রিটিশ সমর্থনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করবেন না; ফিলিস্তিন মুক্তির দাবিতে জনতার চাপ কমাতে হয় আশ্বাস, নয় দমন-পীড়নের পথ বেছে নেবেন।
এসব শর্ত মেনে নিলে শুধু নামমাত্র স্বাধীনতা পাওয়া যাবে।
ইতিহাসবিদেরা দেখিয়েছেন, এ কাঠামোর সঙ্গে হাশেমি পরিবার যেমন মানিয়ে নিয়েছিল, তেমন অন্যান্য আরব রাজবংশের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য, যেমন ইবনে সউদ ও মিসরের বাদশাহ ফুয়াদ।
শরিফের দুই ছেলে—ফয়সাল ও আবদুল্লাহকে ইরাক এবং ট্রান্সজর্ডানে পুতুলশাসক হিসেবে বসানো হয়।
আরব-মার্কিন লেখক আমিন রিহানি তাঁর ইরাকি রাজা ফয়সালের জীবনীতে লিখেছিলেন, ‘এ ধরনের শাসকদের হতে হতো উপনিবেশবাদের ক্রীড়ানক থেকেও একটু বেশি, কিন্তু স্বাধীন নেতা থেকে কিছুটা কম।’
এটাই ছিল ১৯২০-এর দশকের ‘আরব মুখোশ’। এর বিপরীতে, তুরস্কের মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক নেতৃত্বাধীন কামালপন্থী আন্দোলন পশ্চিমা বিভাজনের বিরুদ্ধে সফল প্রতিরোধ গড়ে তোলে। যদিও সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন, গ্রিসের সঙ্গে জনসংখ্যা বিনিময়, ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদী মৌলবাদ নীতির অনুসরণ নিন্দিত হয়, তবু তুরস্কের সার্বভৌমত্ব ছিল আরব রাষ্ট্রগুলোর চেয়ে বহুগুণ দৃঢ়।
নাকবার পরপরই নতুন প্রতিরোধ
১৯৪৮ সালের ‘নাকবা’ তথা ফিলিস্তিনি উৎখাতের পর মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক কর্মকর্তারা পশ্চিমা নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে নামেন।
মিসরে গামাল আবদেল নাসের ও তাঁর ‘ফ্রি অফিসার্স’ ব্রিটিশপন্থী রাজাকে উৎখাত করে ১৯৫২ সালে বিপ্লব ঘটান। ইরাকেও ১৯৫৮ সালে বিপ্লবের মাধ্যমে হাশেমি রাজতন্ত্রের পতন হয়।
কিন্তু ১৯৬৭ সালের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশদের স্থান নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে প্রধান প্রভাবশালী শক্তিতে পরিণত হয়। আর তারাই আবার গড়ে তোলে নতুন রূপের ‘আরব মুখোশ’।
দ্বিতীয় প্রজন্মের ‘মুখোশ’
আজকের ‘আরব মুখোশ ২.০’ প্রকৃতপক্ষে সেই পুরোনো ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ছকেরই পুনরাবৃত্তি। তবে এবার তা যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য টিকিয়ে রাখার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
ব্রিটিশ আমলের পুরোনো শর্তগুলোর সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে, তেল রাজস্বের পাশ্চাত্যমুখী পুনর্বিনিয়োগ।
আজকের আরব শাসকেরা নিজেদের কিছুটা কৌশলী ভূমিকা রাখতে পারেন। তবে তা যুক্তরাষ্ট্রের নীতির প্রতি অনুগত থেকে, বিশেষত ফিলিস্তিন প্রশ্নে জনমতের বিপরীতে গিয়েও।
এ শাসকেরা কখনো পাশের দর্শক, কখনো সহচর—কিন্তু একবাক্যে বলা যায়, তাঁরা এমন এক বহিঃশক্তির ছত্রছায়ায় টিকে আছেন, যে শক্তি মুসলিম ও আরবদের তাচ্ছিল্য করে।
যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছায় মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে সম্প্রসারণবাদী ইসরায়েল।
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি, অসলো ‘শান্তি প্রক্রিয়া’ ও তথাকথিত আব্রাহাম চুক্তি—সবই মার্কিন ছকে গড়া একধরনের আত্মসমর্পণ; যা ‘সহনশীলতা’ ও ‘সহাবস্থান’-এর মোড়কে উপস্থাপন করা হয়। আরব দেশগুলো একের পর এক ছাড় দিচ্ছে, আর ইসরায়েল তাদের দখল বাড়াচ্ছে।
তবু এই সাম্রাজ্যিক ছকের বিরুদ্ধে এখনো প্রতিরোধ আছে—গাজা, লেবানন ও ইয়েমেনে।
কিন্তু যাঁরা মার্কিন স্বার্থে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন, তাঁরা এই প্রতিরোধকে অস্বীকার করেন এবং গণতান্ত্রিক মুক্তিকেও বাধা দেন। কেউ কেউ তো ইসরায়েলি দখলদারত্বে বিনিয়োগও করছেন।
‘আরব জাতীয়তাবাদ’ হয়তো বিলুপ্ত। কিন্তু ‘আরব মুখোশ’ এখনো রয়ে গেছে।
এ পাঠ একরকম পরিষ্কার। আগে যেমন ছিল, এখনো তেমন। এ মুখোশ কোনো মুক্তির পথ দেখায় না; বরং মুক্তিকে বাধাগ্রস্ত করে। এটি কখনো জনগণের জন্য নির্মিত হয় না—তাতে যত ভালো মানুষই আশ্রয় নিক।
তবে উপনিবেশবাদের মতো এ মুখোশের স্থায়িত্বও চিরকাল নয়। এ মুখোশ টিকিয়ে রাখতে যে দমননীতি চালানো হচ্ছে, গাজায় চলমান গণহত্যার প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলি ঔপনিবেশিকতা নিয়ে জনমনে যেভাবে ক্ষোভ জমেছে, তাতে আরব নেতাদের মুখোশ আর কত দিন টিকবে, তা সময়ই বলে দেবে।
[মতামতধর্মী এ নিবন্ধের লেখক উসামা মাকদিসি। তিনি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসবিদ এবং ‘চ্যান্সেলরস চেয়ার’ পদে অধিষ্ঠিত]
![]() |
| আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়ে ‘কোয়ালিশন ফর রিজিওনাল সিকিউরিটি’ নামের সংগঠনের পৃষ্ঠপোষকতায় তৈরি করা একটি বিলবোর্ড। রামাত গান, ইসরায়েল, ২৬ জুন ২০২৫ ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ▼ 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



