Monday, October 21, 2019
রাজনীতিক, ফুটবলার, হলিউড তারকাদের সেক্স পার্টি

এসব তথ্য প্রকাশ করেছে লন্ডনের একটি হাই ক্লাস এসকর্ট এজেন্সি। তারাই জানিয়েছে, তাদের খদ্দেরের তালিকায় আছেন প্রিমিয়ার লিগের বিবাহিত ফুটবল তারকা, ধনশালী ব্যক্তিরা। এরা ওইসব পার্টিতে গিয়ে যুবতীদের পরতে বলেন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী এক ফালি পোশাক।
এ সময় তারকাদের কেউ কেউ তাদেরকে ‘টয়লেটের’ মতো ব্যবহার করতে অনুরোধ করেন। অর্থাৎ একটি টয়লেট যেমন বিভিন্ন জন ব্যবহার করেন ঠিক সেই রকম একাধিক যুবতীকে আমন্ত্রণ জানান তাদেরকে ব্যবহার করতে। এ ছাড়া থাকে আরো নোংরা সব অনুরোধ। আবার অর্থের বিনিময়ে বিলাসবহুল বিদেশ ভ্রমণ অথবা রাতের অন্ধকারে সময় কাটাতে যান কিছু মানুষ। অর্থ খরচ করে সঙ্গে নিয়ে যান ওইসব যুবতীদের কাউকে কাউকে। ওই এজেন্সি জানাচ্ছে, তাদের পার্টিতে প্রবেশ করতে হলে কোনো অর্থের প্রয়োজন হয় না। তবে যিনি সদস্য হতে চান তার কমপক্ষে এক কোটি পাউন্ড অর্থ আছে এটা অবশ্যই প্রমাণ করতে হয়। এসব পার্টিতে আমন্ত্রণ পাওয়ার জন্য বার্ষিক ৩০ হাজার পাউন্ড ফি দিতে হয়।
লিথুয়ানিয়ায় জন্মগ্রহণকারী এসকর্ট আনা (২১) বলেছেন, মিয়ামিতে একবার এক সপ্তাহের জন্য আমাকে সহ দু’জন এসকর্টকে বুকিং করা হলো। সেখানে আমাদেরকে নোংরা কাজ করার অনুরোধ করা হয়েছে। একজন ফুটবল তারকা তাকে ‘টয়লেটের মতো’ একের পর আমাদেরকে ব্যবহার করার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সব মেয়েই এমন আহ্বানে সাড়া দেয় না। যদিও এর সঙ্গে অর্থের সম্পর্ক আছে, তবু আমরা ওই তারকার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করি নি। আনা আরো বলেন, আমাকে ভাড়া করে মিউনিখে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আমি এই পেশা শুরু করেছি লন্ডনে। এখন আমি খুব কমই এসকর্ট ক্লায়েন্টের সঙ্গে সাক্ষাত করি। আমার কিছু ধনী স্পন্সর আছে। সদস্যদের পার্টিতে যাই। আমার জন্য ইংরেজিতে সি এবং ই আদ্যক্ষরযুক্ত এসকর্ট এজেন্সি দু’জন সুগার ড্যাডি ম্যানেজ করে দিয়েছে। তারা আমাকে মাসে ২০ হাজার ইউরো দেন। এটাই আমার জীবন ভালভাবে চালিয়ে নেয়ার জন্য যথেষ্ট।
ভিআইপি এসকর্ট বলে পরিচিত সেনিয়া। তিনি প্রতি ঘন্টার জন্য সুগার ড্যাডিদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেন ২ হাজার পাউন্ড। এ জন্য মাসে তার আয় হয় মোটামুটি ৩০ হাজার পাউন্ড। তিনি বলেন, সবাই থাকেন মদ্যপ। তারা পরের দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত নাচতে থাকেন। তারা সবাই পোশাক পরা অবস্থায়ই ঝাঁপিয়ে পড়েন পুলে। সেখানে কেউ কেউ যুবতীদের নিয়ে মেতে থাকেন। এটা কোনো ব্যাপারই নয়। কখনো কখনো তারা থাকেন ক্লাসিক্যাল। তিনি আরো বলেন, ইউরোপের একজন ফুটবল খেলোয়াড় তার ক্লায়েন্ট।
তার সম্পর্কে তিনি বলেন, আমার কাস্টমারদের মধ্যে আছেন ফুটবল খেলোয়াড়রাও। তাদেরকে আমি দেখেছি পার্টিতে। তারা মাঝেমাঝে আমাকে সুগার ড্যাডি অফার করেন। বিখ্যাত একজন ফুটবল খেলোয়াড় আমার ক্লায়েন্ট ছিলেন। তিনি আমার পা খুব পছন্দ করতেন। আমাকে নিয়ে ব্যক্তিগত জেটে উড়তেন। শপিংয়ে যেতেন। সারাদিন আমার পা ম্যাসাজ করতেন। এসব তিনি করতেন এ জন্য যে, এতে তিনি আনন্দ পেতেন। আবার অনেক খদ্দের আছেন যারা অত্যন্ত সতর্ক। কারণ, মানুষ যদি জেনে যায়।
আরো একজন মডেল অ্যানাস্তাসিয়া। তার মাসিক প্রত্যাশিত বাজেট ২০ হাজার পাউন্ড। তিনি বলেন, অবশ্যই এ অর্থ আসে যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে। আমি একে সেক্স পার্টি বলবো না। কারণ, গেস্টরা আমাদের সঙ্গেই তো শ্যাম্পেন পান করেন। এসব পার্টিতে অনেক সফল মানুষদের দেখবেন। আছেন রাজনীতিক। আছেন ফুটবলার। আছেন হলিউড তারকারা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর: সর্বনাশের ঝুঁকি, তবুও বাকি বিশ্বের অনীহা by শাকিল আনোয়ার
ভারতের বাজার এবং পাকিস্তানের হতাশা
কাশ্মীরে অনীহা এবং চীন ফ্যাক্টর
'এতটাই গিলেছে যে হজম হবেনা'
পাকিস্তানের আফগান অস্ত্র
যু্দ্ধের কথা কি ফাঁকা আওয়াজ
![]() |
| সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে ভারত শাসিত কাশ্মীরে মানুষজন অবরুদ্ধ জীবনযাপন করছে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সম্রাটের অস্ত্র ভাণ্ডারের খোঁজ মিলেছে by আল-আমিন

সম্রাট ছিলেন প্রধান সমন্বয়ক। সম্রাট তার আস্থাভাজন ও প্রধান সহযোগীদের কাছে ওই অস্ত্রগুলো বিতরণ করেছেন।
এসব অবৈধ অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তিনি এবং তার সহযোগিরা ক্যাসিনো পরিচালনা, সরকারি জমিতে অবৈধ মার্কেট নির্মাণ, নতুন নির্মাণাধীন ভবনে চাঁদা আদায়, ফুটপাতে চাঁদাবাজী, সস্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও টেন্ডারবাজি করতেন। অনেক ভুক্তভোগী অস্ত্রের ভয় পেয়ে তাদের চাঁদা দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাট স্বীকার করেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার ভান্ডারে অবৈধ অস্ত্রের কথা স্বীকার করেছেন। ১৪ টি একে-২২, কাটা রাইফেল ৫ টি, ছোট ও বড় রিভলবার ৩০ টি এবং ১টি অত্যাধুনিক একে-৪৭ রয়েছে সম্রাটের শিষ্যদের হাতে। সম্রাট ঢাকার বাইরে গেলে তিনি একে-৪৭ গাড়িতে করে নিয়ে যেতেন। যুবলীগের ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ একটি জোনের নেতা হওয়ার কারণে তার গাড়ি তল্লাশির সাহস পেতেন না আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। ওইসব অস্ত্র তিনি যশোরের বেনাপোল ও সাতক্ষীরার শ্যামনগর সীমান্ত এলাকা থেকে সংগ্রহ করেছেন। সম্রাটের সঙ্গে একাধিক অস্ত্র চোরাকারবারীর সখ্য গড়ে উঠেছিল। তাদেরও নাম সম্রাট র্যাবকে জানিয়েছেন। সম্রাট ওই অবৈধ অস্ত্রগুলো তার সহযোগিদের কাছে বিতরণ করেছেন। তাদেরও নামের তালিকা এখন মাঠ পর্যায়ের গোয়েন্দাদের হাতে। তাদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে র্যাবের গোয়েন্দারা। র্যাবের ধারণা, ওইসব অবৈধ অস্ত্রগুলো দ্রুত উদ্ধার করা না গেলে আন্ডারওয়ার্ল্ডের অন্য সদস্যদের কাছে চলে যেতে পারে।
গত ১৫ই অক্টোবর অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ মামলায় ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে ১০ দিন ও তার অন্যতম সহযোগী এনামুল হক আরমানকে ৫ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত। পরে পুলিশ মামলার তদন্তভার র্যাবের কাছে হস্তান্তর করেন। তাদের দুইজনকে র্যাবের ঊর্ধতন কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। গতকাল তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পঞ্চম দিন পার হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক লে.কর্নেল সারোয়ার বিন কাসেম জানান, সম্রাটকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার তথ্যের সূত্র ধরে তদন্ত চলছে।
র্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তা গতকাল মানবজমিনকে জানান, সম্রাট ঢাকায় যুবলীগের রাজনীতিতে প্রবেশ করার পরই আন্ডারওয়ার্ল্ডের একাধিক শীর্ষ সস্ত্রাসীদের সঙ্গে সখ্য গড়ে উঠে। তার মধ্যে জিসান ছিল অন্যতম। জিসান মালিবাগ ও রমনা এলাকায় তার সাম্রাজ্য ধরে রাখার জন্য অবৈধ বিশাল অস্ত্রের ভান্ডার গড়ে তুলেছিলেন। জিসানের কাছ থেকে অবৈধ অস্ত্র সংগ্রহের পরামর্শ পান সম্রাট তা তিনি র্যাবের কাছে স্বীকার করেছেন।
সূত্র জানায়, সম্রাট ২০১২ সালের জুলাই মাসে যশোরের শমসের আলী নামে এক অস্ত্র চোরাচালানির কাছ থেকে ২টি রিভলবার সংগ্রহ করেন। ওই সময় থেকেই তার অবৈধ অস্ত্র সংগ্রহ শুরু হয়েছে। ২ টি রিভলবার সংগ্রহের সমন্বয়কারী ছিলেন সম্রাটের পরিচিত পল্টনের বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটের এক বৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী। সম্রাট গ্রেপ্তার হওয়ার পর তিনি আত্মগোপনে গেছেন। র্যাব তাকে খুঁজছে। আরও জানা যায়, যশোরের বেনাপোলের অস্ত্র চোরাচালানী শমসের ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে উঠতি সস্ত্রাসীদের অস্ত্র সরবরাহ করে থাকে। তবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি কারণে ওই রুট দিয়ে অস্ত্র চোরাচালান অনেকটা কমে গেছে।
সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ২৪শে নভেম্বর সাতক্ষীরার শ্যামনগর এলাকা থেকে সম্রাট অত্যাধুনিক একে-৪৭ অস্ত্রটি সংগ্রহ করেন বলে র্যাবের কাছে স্বীকার করেছেন। সেই অস্ত্রটি সংগ্রহে তাকে সহযোগিতা করেছে তার অন্যতম সহযোগী খালেদ হোসেন ভুঁইয়া। ওই অস্ত্রটি নিয়ে তিনি সহযোগীদের কাছে গর্ব করতেন। ঢাকার বাইরে গেলে তিনি তার গাড়িতে করে একে-৪৭টি নিয়ে যেতেন।
র্যাবের গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সম্রাট ও তার সহযোগীরা ওইসব অস্ত্র গণপূর্ত ভবন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, রেল ভবন, ক্রীড়া পরিষদ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, যুব ভবন, কৃষি ভবন, ওয়াসাসহ বিভিন্নস্থানে যেখানে টেন্ডার হতো সেখানে বহন করে নিয়ে যেতেন। চাঁদা দিতে রাজি না হলে অস্ত্র প্রদর্শন করে প্রতিপক্ষকে ভয়ভীতি দেখাতেন।
সূত্র জানায়, সম্রাট ওইসব অস্ত্র তার সহযোগীদের কাছে বিতরণ করেছেন যারা মাঠ পর্যায়ে তার হুকুম অনুযায়ী চাঁদা আদায় করে। তাদের নামও তিনি র্যাবকে জানিয়েছেন। তারা হলেন, পল্টনের যুবলীগের নেতা আজাদ, মতিঝিলের সেচ্ছাসেবক লীগের নেতা সুমন ওরফে গলাকাটা সুমন, গোপীবাগের হাতকাটা মোতালেব, খিঁলগাওয়ের ছাত্রলীগের নেতা রাসেল, গুলিস্থানের এলাম উদ্দিন, লালবাগের হান্নান, ও সূত্রাপুরের ছোট লালচাঁন। সম্রাট গ্রেপ্তার হওয়ার পরই তারা গাঢাকা দিয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আটক ৪ ইসরাইলি সেনার বিষয়ে ভিডিও বার্তা দিল হামাস

সেখানে আটক চার জনের ছবি যুক্ত করে আরবি ও হিব্রু ভাষায় তাদের সম্পর্কে তথ্যও দেওয়া হয়েছে।
ইয্যাদ্দিন কাস্সাম ব্রিগেডস'র ভিডিওতে আরও বলা হয়েছে, দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ফিলিস্তিনি সংগ্রামীদের হাতে আটক সেনাদের মুক্তির জন্য কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না, বিষয়টি তার কাছে গুরুত্বই পাচ্ছে না। নেতানিয়াহু বন্দী বিনিময় চুক্তি করতেও আগ্রহী নয় বলে ভিডিও বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এ অবস্থায় হামাসের মুখপাত্র হাযেম কাসেম বলেছেন, ভিডিওতে এই বার্তায় দেওয়া হয়েছে যে ইসরাইলের হাতে বন্দী বীর ফিলিস্তিনিদের মুক্তির বিনিময়েই কেবল এসব দখলদার সেনা মুক্তি পেতে পারে। তিনি আটক ইসরাইলি সেনাদের পরিবারকে এ বিষয়ে দখলদার মন্ত্রিসভার ওপর চাপ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রণক্ষেত্র বোরহানউদ্দিন পুলিশের গুলি, নিহত ৪ by মনিরুল ইসলাম ও ফয়সাল আহমেদ

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৭ই অক্টোবর বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের চন্দ্র মোহন বৈদ্দের ছেলের বিপ্লব চন্দ্র শুভ’র ফেসবুক আইডি থেকে তার ফ্রেন্ডলিস্টের বেশ কয়েকজনের কাছে আল্লাহ এবং রাসুল (সাঃ) কে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালিগালাজের মেসেজ আসে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুভর শাস্তির দাবিতে বোরহানউদ্দিন উপজেলার সর্বস্তরের মুসলমানের ব্যানারে গতকাল সকাল ১০টায় বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়। সকাল থেকে বোরহানউদ্দিন উপজেলার গ্রামগঞ্জ থেকে মুসল্লিরা শহর অভিমুখে আসতে থাকে। এতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ সমাবেশের জন্য পুলিশ অনুমতি দেয়ার আগেই তারা মাইকিং করে। পরে সমাবেশের জন্য পুলিশ অনুমতি না দিলেও সকাল নয়টা থেকে লোকজন মাঠে জড়ো হতে থাকে। মিছিল করতে না পেরে সেখানেই অবস্থান শুরু করে তারা। পরে পুলিশ ‘বাটামারা পীর সাহেব’ মাওলানা মহিবুল্লাহকে সেখান থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করে এবং তাকে ঈদগাহ জামে মসজিদের দোতলায় নিয়ে যায়। ওই সময় গুঞ্জন ওঠে, মাওলানা মহিবুল্লাহকে পুলিশ আটক করেছে। এ গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে পুলিশ গুলি ছুড়লে পাঁচজন নিহত হন। পুলিশের দাবি, উত্তেজিত লোকজন পুলিশের ওপর হামলা করলে তারা গুলি করতে বাধ্য হয়।
অভিযোগ উঠেছে, শুক্রবার বিকেলে বিপ্লব চন্দ্র শুভর নিজের ছবিসংবলিত ফেসবুক আইডি থেকে আল্লাহ ও হজরত মুহাম্মদ (সাঃ)কে গালাগাল ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে কয়েকজন ফেসবুক বন্ধুর কাছে মেসেজ পাঠানো হয়। যাদের মেসেজ পাঠানো হয়, তারা এর স্ক্রিনশট নিয়ে ফেসবুকে দিলে লোকজন প্রতিবাদ জানানো শুরু করে। বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। এ নিয়ে বিভিন্ন মসজিদ থেকে কয়েক দফায় বিক্ষোভ প্রদর্শন হয়। শুক্রবার সন্ধ্যার পর বিপ্লব চন্দ্র বোরহানউদ্দিন থানায় তাঁর আইডি হ্যাক হয়েছে মর্মে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে আসেন। এ সময় পুলিশ বিষয়টি তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিপ্লব চন্দ্রকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে তাঁর কথা ধরে পটুয়াখালী থেকে আরেকজনকে শনিবার আটক করে। বিপ্লব চন্দ্রের বিচারের দাবিতে গতকাল সকাল, দুপুর ও বিকেলে বোরহানউদ্দিন উপজেলা শহরে, কুঞ্জেরহাট বাজারে ‘সর্বস্তরের মুসলিম তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। একই দাবিতে আজ সকাল নয়টায় বিক্ষোভের ডাক দেয় তৌহিদী জনতা।
আয়োজকরা জানান, তাঁরা গতকাল রাতে মাইকিং করার পরে বোরহানউদ্দিন থানার পুলিশের কাছে অনুমতি চাইতে যান। কিন্তু থানা অনুমতি দেয়নি। সকালের দিকে তৌহিদী জনতার ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল হয়। এ বিক্ষোভ মিছিলটি না করার জন্য বোরহানউদ্দিন ঈদগাহ মসজিদের ইমাম মাওলানা জালাল উদ্দিন, বাজার মসজিদের ইমাম মাওলানা মিজানকে পুলিশ অনুরোধ জানায় এবং সাধারণ মানুষ আসার আগে বিক্ষোভটি বন্ধ ঘোষণা করতে বলে। তাদের অনুরোধে এ দুই ইমাম সকাল ১০টার দিকেই যেসব লোক এসেছিল, তাদের নিয়ে দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে বিক্ষোভ মিছিল সমাপ্ত করেন। কিন্তু ততক্ষণে বোরহানউদ্দিনের বিভিন্ন গ্রাম থেকে হাজার হাজার লোক এসে ঈদগাহে জড়ো হয়। একপর্যায়ে তারা ওই দুই ইমামের ওপর ক্ষিপ্ত হয় এবং সেখানে থাকা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে মসজিদের ইমামের কক্ষে আশ্রয় নেয়। উত্তেজিত জনতা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরে পুলিশ গুলি ছোড়ে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো জেলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বোরহানউদ্দিনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ভোলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়ছার বলেন, ‘বোরহানউদ্দিন উপজেলার বিপ্লব চন্দ্র শুভ নামের এক যুবকের ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছে।
আমরা হ্যাকিংয়ের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের আটক করেছি। আমরা এ নিয়ে গত রাতে স্থানীয় আলেমদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলছে, আজকের প্রোগ্রাম হবে না। কিন্তু সকাল থেকে আমাদের কাছে খবর আসে, সেখানে মাইকিং হচ্ছে এবং স্টেজ বানানো হচ্ছে। সেখানে গিয়ে আমরা উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে কথা বলেছি। আমি নিজে সেখানে বক্তব্য দিয়েছি। তারা সবাই আমার বক্তব্য শুনেছে। যখন আমি স্টেজ থেকে নেমে আসি, তখন এক দল উত্তেজিত জনতা আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমরা আত্মরক্ষার্থে একটি রুমে গিয়ে আশ্রয় নিই।’ তিনি আরও বলেন, ‘যখন তারা আমাদের রুমের জানালা ভেঙে ফেলে, তখন আমরা প্রথমে শটগানের ফাঁকা গুলি ছুড়ি। এতে কাজ না হওয়ায় ওপরের দিকে গুলি চালানো হয়। আমার জানামতে, একজন পুলিশ সদস্য বুকে গুলি লেগে গুরুতর আহত হয়েছেন। আমরা আহত অবস্থায় যাঁদের হাসপাতালে পাঠিয়েছি, তাঁদের মধ্যে তিনজন নিহত হয়েছেন। তবে আরও নিহত থাকতে পারে, সেটা আমাদের কাছে তথ্য নেই।’
এ ঘটনায় তদন্তে ভোলার এডিসি রেভিনিউকে আহবায়ক করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ৩ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার ইয়ামিন চৌধুরী সন্ধ্যায় প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি। এছাড়া আলেম সমাজকে নিয়ে থানায় বৈঠকে বসছেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল এমপি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৃটেনে ব্রেক্সিট বিরোধী ঐতিহাসিক বিক্ষোভ

বিক্ষোভকারীরা তাদেরকে দেখেই বিশ্বাসঘাতক, শেম অন ইউ স্লোগান দিতে থাকে। তারা হাউজ অব কমন্স থেকে বেরুতেই এমন অবস্থার মুখে পড়েন। তখন পুলিশ তাদেরকে প্রহরা দিয়ে বাসা পর্যন্ত পৌঁছে দেয়। এই বিক্ষোভে সারা বৃটেন থেকে সমবেত হয়েছিলেন ব্রেক্সিট বিরোধী সমর্থকরা। ১৯৮০র দশকে ফকল্যান্ড যুদ্ধের পর এই প্রথমবার কোনো শনিবার বৃটেনে পার্লামেন্ট অধিবেশন বসে। এ সময় পার্লামেন্টের বাইরে এবং বিভিন্ন স্থানে সমবেত হতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। তারা আন্ডারগ্রাউন্ড স্টেশনগুলোতেও অবস্থান নেন। হাইড পার্ক থেকে শুরু হয়ে বিক্ষোভকারীরা ছড়িয়ে পড়েন তাফালগড় স্কয়ার এবং পার্লামেন্ট পর্যন্ত। এ সময় তাদের হাতে ছিল বিভিন্ন প্লাকার্ড। তার একটিতে লেখা ছিল, আমার বয়স ১৭ বছর। ব্রেক্সিট আমার ভবিষ্যত চুরি করেছে। অন্যটিতে লেখা, বৃটেন ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের শান্তি কোনো কিছু নয়। এর আগে দুটি বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন ৫ থেকে ১০ লাখ মানুষ। রেকর্ড সংখ্যক ১৭০টিরও বেশি কোচ ভাড়া করা হয়েছিল বিক্ষোভকারীদের লন্ডনে নেয়ার জন্য। তাতে অর্থায়ন করেছিলেন স্থানীয় সেলিব্রেটিরা। বৃটিশ ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় এসব খবর বেশ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে।
অনলাইন ডেইলি মেইল লিখেছে, শনিবার ছিল এমপি জ্যাকব রিজ-মগ ও তার ছেলের জন্য একটি হতাশার দিন। এদিন পার্লামেন্টে ব্রেক্সিটের খসড়া চুক্তি প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর তারা পার্লামেন্টের বাইরে বিক্ষোভকারীদের রোষানলে পড়েন। তাদেরকে দেখেই বিক্ষোভকারীরা বিশ্বাসঘাতক, শেম অন ইউ এবং স্কামবাগ বলে চিৎকার করতে থাকেন। এমনকি তাদেরকে নাৎসী বলেও সম্বোধন করা হয়। তবে ব্রেক্সিটপন্থিরা পাল্টা স্লোগান দেন। তারা বলতে থাকেন, লড়াই চালিয়ে যান জ্যাকব। কোনো চুক্তি ছাড়াই ব্রেক্সিট করুন। এ ছাড়া কনজারভেটিভ দলের এমপি আন্দ্রেয়া লিডসাম ও মাইকেল গভও ভয়াবহ অবমাননাকর অবস্থায় পড়েন। তাদেরকেও কড়া পুলিশ প্রহরায় হাউজ অব কমন্স ত্যাগ করতে হয়। এসব ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন স্কাই নিউজের রাজনৈতিক প্রতিনিধি লুইস গুডল।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টক অব দ্য কান্ট্রি মেননের বক্তব্য, নেপথ্যে কি? by কাজল ঘোষ

সেই রসনার গন্ধে ঘুম ভাঙে কুম্ভকর্ণের। হঠাৎ রাশেদ খান মেননের কথায় তেমনটাই মনে হচ্ছিল। তিনি কীসের গন্ধে জাগলেন এমন প্রশ্ন জনমনে। যে কথা মানুষ ভোটের আগে পরে সবসময় বলে আসছে তিনি এতপরে কেন বললেন? হঠাৎ কেন সাক্ষ্য দিচ্ছেন গত নির্বাচনে ভোট কারচুপির?
বলেছেন, গত নির্বাচনে জনগণ ভোট দেয়নি। নির্বাচনে ভোট কারচুপি হয়েছে এটা গণমানুষ জানে ভোটরঙ্গ ঘটাবার আগের রাত থেকেই। এলাকায় এলাকায় যখন ভোটকেন্দ্রে ব্যালট বাক্স ভরে ভোজের আয়োজন করা হয় জয় লাভের। আর সেই ভোটে তিনিও একজন এমপি। এতদিন তৃপ্তির ঢেকুর দিচ্ছিলেন। জয়ের আনন্দে মশগুল ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে বেশকিছু ঘটনার সঙ্গে তার নামও বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে। গতকাল বরিশালে দলের সম্মেলনে সরকারের সমালোনা করে তিনি বেশকিছু প্রসঙ্গ তুলেছেন। কিন্তু একইসঙ্গে বিনাভোটে এমপি পদ নিয়ে নানান সুবিধা যুক্তও আছেন। কিন্তু হঠাৎ কেন রাশেদ খান মেনন একথা বলছেন সেটাই টক অব দ্য টাউন?
গত কিছুদিন ধরেই ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান চলার পর থেকেই রাশেদ খান মেনন আলোচনায়। বিশেষত, তিনি যে ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত সে ক্লাবেও ক্যাসিনো চলতো, জুয়ার আসর বসতো। এর আগেও নানা অনিয়মের সঙ্গে রাশেদ খান মেননের নাম এসেছে। ভিকারুননিসা নূন স্কুলে ছাত্রী ভর্তি নিয়ে বাড়তি অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। বাম রাজনীতির যে ধারা মানুষ জানে এবং বুঝে সে ধারায় একেবারে ভিনড়ব রাশেদ খান মেনন। গত টার্মে মেনন এবং ইনুর একটি ছবি ভাইরাল হয়েছিল। তা হচ্ছে সরকারি টাকায় তাদের হজের যাওয়ার ছবি। দুজনই একেবারে ইউটার্ন করেছেন হজে যাওয়ার মাধ্যমে। যদিও এখনও তারা বামের লাল ঝান্ডা নিয়ে ছুটছেন। কিন্তু আমজনতা তাদেরকে সুবিধাভোগী বাম বলেই আখ্যায়িত করে থাকে। হঠাৎ রাশেদ খান মেননের বক্তব্য নিয়ে তুমুল আলোচনা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে।
এক সিনিয়র সাংবাদিক লিখেছেন, জ্বালারে জ্বালা, এ কি কম জ্বালা। সাংসদ হতে নৌকা, পরে কন বিরোধী দল-এ জ্বালা সইতে পারে। আরেকজন প্রশ্ন তুলেছেন, মেনন স্বাক্ষ্য দিলেন জনগণ ভোট দেয়নি, তাহলে শপথ নিলেন কেন? আরেক সাংবাদিক তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘ওকে, তাহলে এখন ওই আসনে নতুন নির্বাচন দেয়ার দাবি জানান’।
এদিকে সামাজিক মাধ্যমে মেননের বক্তব্য নিয়ে যখন ঝড় বয়ে যাচ্ছে সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও প্রশ্ন তুললেন এই বিষয়ে। তিনি বলেছেন, তিনি (মেনন) এতদিন পর কথা বলছেন কেন? তিনি মন্ত্রী হলে কি এমন কথা বলতে পারতেন?
তবু বলতে হয়, রাশেদ খান মেনন অনেকদিনপর উপলব্ধি করলেন, জনগন ভোট দেয়নি। কিন্তু শপথও নিলেন, লাল পাসপোর্ট আর এমপির জন্য বরাদ্দ গাড়িও হাঁকালেন। এখন দেখার বিষয় নীতি ও মূল্যবোধের প্রশ্ন থেকে, ক্সনতিকতা থেকে, আদর্শ রাজনীতির প্রশ্নে ভোটারবিহীন নির্বাচনের প্রতিবাদে তিনি কবে এমপি পদ ছাড়ছেন?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৃটিশ রাজনীতিতে নাটকীয়তা: ইইউতে স্বাক্ষরবিহীন চিঠি পাঠালেন জনসন

একে ঐতিহাসিক বলা হচ্ছে। এতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে করা জনসনের সর্বশেষ ব্রেক্সিট চুক্তির খসড়া নিয়ে আলোচনার পর তা ভোটে দেয়া হয়। কিন্তু এমপিরা তা প্রত্যাখ্যান করেন। ফলে নীতিগতভাবে না হলেও আইনগতভাবে বাধ্য হয়েই ব্রেক্সিট সম্পাদনের সময়সীমা আবার বর্ধিত করতে নতুন করে তাকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দ্বারস্থ হতে হয়েছে জনসনকে। তাই তিনি নিজের স্বাক্ষরবিহীন চিঠি পাঠিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে। এতে ব্রেক্সিট সম্পাদনের সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন করা হয়েছে। এর সঙ্গে আরো একটি চিঠি দেয়া হয়েছে। তাতে স্বাক্ষর রয়েছে বরিস জনসনের। এতে তিনি বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন ব্রেক্সিট বিলম্বিত করা একটি ভুল। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।
আগামী ৩১ শে অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পাদনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে বৃটেনের। কিন্তু নতুন চুক্তির খসড়ার ওপর ভোটে হাউজ অব কমন্সে হেরে যান জনসন। ফলে আইনগতভাবে তিনি বাধ্য হন ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ওই সময়সীমা বৃদ্ধি করতে অনুরোধ করতে। এর আগেই এমপিরা সময়সীমা বৃদ্ধির বিষয়ে একটি প্রস্তাব পাস করেছিলেন। ওদিকে বরিস জনসনের পাঠানো চিঠি হাতে পাওয়ার কথা টুইটে জানিয়েছেন ইউরোপিয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাস্ক। এ নিয়ে কি জবাব দেয়া হবে সে বিষয়ে তিনি ইউরোপিয় ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানান।
এর আগে হাউজ অব কমন্সের ঐতিহাসিক অধিবেশনে হেরে প্রধানমন্ত্রী তার একজন সিনিয়র কূটনীতিককে নির্দেশ দেন তিনি যেন ব্রেক্সিট সম্পাদনের সময়সীমা বৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি চিঠির ফটোকপি পাটিয়ে দেন ইউরোপিয় ইউনিয়নের নেতাদের কাছে। এই চিঠিতে বরিস জনসন স্বাক্ষর করেন নি। দি¦তীয় চিঠিটিতে তিনি স্বাক্ষর করেছেন। তাতে ব্রেক্সিট বিলম্বিত করাকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে অন্যায় বলে মনে করেন বলে জানিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ব্রেক্সিট নিয়ে যে চুক্তি হয়েছে তা পর্যালোচনা করে আইনে পরিণত করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার। বরিস জনসন দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করেন যে, তা ৩১ শে অক্টোবরের মধ্যে সম্পন্ন করা যেতে পারে।
বরিস জনসনের স্বাক্ষরবিহীন চিঠি সম্পর্কে ব্রাসেলসে বৃটেনের প্রতিনিধি স্যার টিম ব্যারো একটি কভার নোট লিখেছেন। তাতে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, প্রথম চিঠিটি পার্লামেন্টের আইনের আওতায় সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে কেন সেই চিঠিতে বরিস জনসন স্বাক্ষর করেন নি এর জবাব হতে পারে এমন- এর আগে জনসন বলেছেন, ব্রেক্সিট বিলম্বিত করতে বলার চেয়ে তিনি একটি পরিখার মধ্যে পড়ে মরাকে বেছে নেবেন। তিনটি ডকুমেন্ট পাঠানোর বিষয়কে বিতর্কিত বলে বর্ণনা করেছেন বিবিসির পলিটিক্যাল এডিটর লরা কুয়েন্সবার্গ। এতে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে বরিস জনসন আদালতকে পাশ কাটিয়ে চলার চেষ্টা করছেন কিনা তা নিয়ে একটি লড়াই হতে পারে। বিষয়টি আদালতের দিকে যাচ্ছে। খুব সহসাই বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে ফয়সালা হতে পারে। এর আগে ডনাল্ড ট্রাস্ক সহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের ফোন করেছেন বরিস জনসন। তাতে তিনি প্রথম চিঠি সম্পর্কে বলেছেন, ‘ওই চিঠিটি বৃটিশ পার্লামেন্টের। আমার তরফ থেকে নয়।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিঙ্গাপুরে রাজার হালে ক্যাসিনো ডন সাঈদ by মিজানুর রহমান

ক্যাসিনো সম্রাট ইসমাইল হোসেন সম্রাটের আলোচিত ওই ভাবশিষ্য বিচলিত নানা কারণে। এক সময় যেসব জুনিয়র এবং সহযোগী বেনিফিশিয়ারি তাদের ঘিরে থাকতেন দিনের পর দিন, যে সব নেতাদের তুষ্ট করতেন দেশ-বিদেশে, আজ তাদের দুর্দিনে ওই সব ব্যক্তিরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।
বিশেষ করে কমিশনার পদ ঠেকাতে ব্যর্থতা সাঈদকে মানসিকভাবে কাবু করে ফেলেছে- ঘনিষ্ঠজনদের তা-ই বলেছেন তিনি। সাঈদ এক সময় নিয়মিত আড্ডা দিতেন মোস্তাফা সেন্টার এলাকায়। সিটি স্কয়ার আবাসিক কন্ডো আর মোস্তাফা সেন্টারের মাঝামাঝিতে হান্ডি নামে একটি ইন্ডিয়ান (ফুড) রেস্টুরেন্টে বসতেন। যার একক আশীর্বাদে সাঈদের এত দূর আসা সেই গুরু ক্যাসিনো সম্রাট ইসমাইল হোসেন সম্রাটের গ্রেপ্তারের দিনেও হান্ডিতে ছিলেন তিনি। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডারত অবস্থায়ই সাঈদের কাছে তার ‘গুরু’র গ্রেপ্তারের খবর আসে। ঘনিষ্ঠরা জানান, সেদিন থেকে সাঈদ কিছুটা চিন্তিত-বিচলিত! তবে সম্রাটের সহযোগী-সাপ্লাইয়ারসহ তার সুদিনের বন্ধুরা গাঢাকা বা স্থান বদল করে অনেকটা আত্মগোপনে থাকলেও বিশ্বস্ত অনুচর সাঈদ সে পথে যাননি। যদিও সাঈদ এখন অনেকটাই নিঃসঙ্গ, বন্ধুহীন। কমিশনার পদ থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর তার বন্ধু সার্কেল আরো ছোট হয়ে এসেছে।
একটি সূত্রের দাবি, সাঈদ সিঙ্গাপুরে এলে বরাবরই থাকতেন অরচার্ডে। সম্রাটের সিঙ্গাপুরে থাকা স্ত্রী এক সময় ওই এলাকায় থাকতেন, সম্রাট সেখানে সময় কাটাতেন। পরবর্তীতে সম্রাট-সাঈদরা নিজেদের মতো ক্যাসিনোতে যেতেন। কিন্তু এই কিছুদিন ধরে ফেরার পার্ক এলাকায় আছেন তার ছেলের চিকিৎসার জন্য।
ফেরার পার্কের ২২০ বেডের নবপ্রতিষ্ঠিত অত্যাধুনিক হাসপাতালে ছেলের চিকিৎসার ফলোআপের জন্য তিনি হাসপাতালের কাছাকাছি ওই অ্যাপার্টমেন্টটা নিয়েছেন। তবে এটা কেনা না ভাড়া তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সিটি স্কয়ার কন্ডোতে হাজারের উপরে ফ্ল্যাট। ওই এলাকায় ৬-৭ জন বাংলাদেশি থাকেন জানিয়ে এক ব্যবসায়ী বলেন, ব্যবসা করে কোনোভাবে চলা যায়। কারণ দেশেও পয়সা পাঠাতে হয়। কিন্তু দুঃখজনক হলো এখান থেকে শ্রম দিয়ে আমরা কষ্ট করে অর্থ দেশে পাঠাই, আর সম্রাট-সাঈদদের মতো প্রভাবশালীরা বিদেশে নিয়ে এসে সেটি উড়ায় ক্যাসিনোতে, লটারিতে। দেশের টাকা বিদেশে পাচারের পথ রুদ্ধ হলে একজন লোকেরও সিঙ্গাপুর তথা বিদেশে কাজ করতে হবে না বলে মনে করেন সাঈদের পৈতৃক নিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ওই ব্যবসায়ী।
সিটি স্কয়ারের পাশেই একটি রেস্টুরেন্টে আড্ডা দিতেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতারা। ক’দিন আগ পর্যন্ত তাদের ৩টি টেবিল রিজার্ভ থাকতো। সাঈদও ঘরের কাছের ওই রেস্টুরেন্টে যেতেন। সেখানে ঢাকা থেকে বিশেষ কেউ এলে তার পদধূলি দেয়ার আয়োজন হতো। কিন্তু এই ক’দিনে রহস্যজনক কারণে পুরনো সেই চিত্র বদলে গেছে। বাঙালিদের বদলে এখন ইন্ডিয়ানসহ অন্যরা সেখানে আড্ডা দিচ্ছেন- এমনটা দেখা যায় গত শনিবার রাতে। ম্যানেজার অবশ্য ভিন্ন কথা বলছেন। তার মতে কাস্টমারই লক্ষ্মী, সে যেই হোক। পাশেই ইন্ডিয়ান অন্য এক রেস্টুরেন্টে কাজ করেন ঢাকায় এক সময় রাজনীতি করা পলাশ। বিরোধী মতের তিনি। তার ভাষ্য এমন- রাতে মাঝে মধ্যে সাঈদ মোস্তাফা সেন্টারের ৪ নম্বর গেটের কাছে দাঁড়ান। চুপচাপই থাকেন। নিজের মতো সময় কাটান তিনি।
সিঙ্গাপুরে পলাতক যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির যুগ্ম সম্পাদক কমিশনার মুমিনুল হক সাঈদের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ। ডিএসসিসির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হলেও তিনি বোর্ড সভায় নিয়মিত যেতেন না। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া জুয়া-ক্যাসিনোর নেশায় সিঙ্গাপুরে পড়ে থাকতেন মাসের পর মাস। অবশ্য এ জন্য তাকে ওই পদ থেকে সদ্য অপসারণ করা হয়েছে। সাঈদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগ পুরনো। ঢাকার ক্যাসিনো বাণিজ্যের হোতাদের অন্যতম তিনি। ফকিরাপুলে ওয়ান্ডারার্স ক্লাবটি চালাতেন তিনি। সাঈদের ক্লাবে নিয়মিত ক্যাসিনো, জুয়া, মাদকের আসর বসতো।
সেপ্টেম্বরে র্যাবের অভিযান আঁচ করতে পেরে পালিয়ে সিঙ্গাপুরে চলে আসেন তিনি। সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডে নানা কারবারের সঙ্গে যুক্ত তিনি। এটা তার পুরনো কানেকশন। ক্যাসিনো তো আছেই। আগে মাসে দু’তিনবারও তিনি সিঙ্গাপুরে আসতেন। এখন টানা সময় ধরে থাকছেন। ব্যতিক্রম খুব একটা নয়। ফকিরাপুল ও আরামবাগের মতো এখানেও তাকে বাংলাদেশিরা ‘ক্যাসিনো সাঈদ’ নামেই চেনেন।
সাঈদের উত্থান মূলত মতিঝিলে। বঙ্গভবন কলোনিতে বেড়ে ওঠা সাঈদ ২০১৫ সালে ওই এলাকার কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর আর পেছনে তাকাতে হয়নি। ওই সময়েই ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা চালু করেন। কাঁচা টাকা। এই ক্লাব পরিচালনায় তার পার্টনার ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওসার। স্বেচ্ছাসেবক দলের অন্য নেতারাও ভাগ পেতেন। এ ছাড়া আরো চারটি ক্লাবের ক্যাসিনোর ব্যবসা ছিল সাঈদের নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু সাঈদ তার ঘনিষ্ঠ মহলে যেটা বলার চেষ্টা করেন তা হলো- ফকিরাপুল ও আরামবাগে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদাবাজি এবং ক্যাসিনো ব্যবসার যে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে ওঠেছে তার সবটুকু তার বেলায় প্রযোজ্য নয়। সাঈদ এ-ও বলেন, ওয়ান্ডারার্স ক্লাব নাকি এককভাবে পরিচালনা করতেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা আবু কাওছার এবং তার সহযোগী স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক নেতারা। তিনি কিছু টাকা পেতেন মাত্র!
সাঈদের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ: ফকিরাপুল, আরামবাগ এলাকা নিয়ে ডিএসসিসির ৯ নম্বর ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডের প্রতিটি গলির মাথায় লোহার গেট লাগিয়েছেন কাউন্সিলর সাঈদ। শান্তিনগরসহ পাশের ওয়ার্ডগুলোতেও এমনটা করা হয়েছে। পাহারা দেয়ার জন্য নিরাপত্তাকর্মীও নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সাঈদ বাড়তি যেটা করেছেন তা হলো পুরো এলাকায় সিসি ক্যামেরা লাগিয়েছেন। বিনিময়ে তিন বছরের বেশি সময় ধরে এলাকার বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে মাসওয়ারি চাঁদা তুলছেন। তার এলাকায় দোকান বা প্রতিষ্ঠানের আয়তন অনুযায়ী চাঁদা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। চাঁদা না দিলে হুমকি-ধমকি ও ব্যবসা পরিচালনায় বিঘ্ন সৃষ্টি করতেন লোক দিয়ে।
প্রভাব খাটিয়ে কমলাপুর স্টেডিয়াম ও গোপীবাগ বালুর মাঠে দুটি কোরবানির পশুর হাট বসাতেন। মতিঝিল ও আশেপাশের এলাকার ফুটপাথে চাঁদাবাজি করাতেন। এলাকার উন্নয়নকাজ তদারকির নামে চাঁদার জন্য ঠিকাদারকে জিম্মি করে ফেলতেন। এ নিয়ে ডিএসসিসির মেয়র সাঈদ খোকনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায়ও পিছপা হতেন না তিনি। বোর্ড সভায় উত্তেজনা ছড়ানোর দায়েও অভিযুক্ত সাঈদ। উল্লেখ্য, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কুর্দিদের মাথা চূর্ণ করে দেয়ার হুঁশিয়ারি এরদোগানের

কুর্দিদেরকে তুরস্ক সন্ত্রাসী হিসেবে দেখে।
কুর্দিদের বসবাস সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে তুর্কি সীমান্তের সঙ্গে। যেহেতু কুর্দিরা তুরস্কের প্রতি হুমকি তাই ওই এলাকা থেকে তাদেরকে সরিয়ে দিয়ে সেখানে একটি নিরাপদ এলাকা গড়ে তোলার পরিকল্পনায় হামলা শুরু করে তুরস্ক। কুর্দিদের সেখান থেকে তাড়িয়ে দিয়ে গড়ে তোলা নিরাপদ এলাকায় পুনর্বাসন করতে চায় তুরস্কে আশ্রয় নেয়া সিরিয়ার শরণার্থীদের।
ওদিকে তুরস্কের কায়সেরি শহরে শনিবার বক্তব্য রাখেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান। এতে তিনি বলেন, যদি মঙ্গলবার সন্ধ্যার মধ্যে কুর্দি যোদ্ধারা এলাকা ছেড়ে না যায়, তাহলে যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী আমরা যুদ্ধ যেখানে রেখে এসেছিলাম, সেখান থেকে শুরু করবো। সন্ত্রাসীদের মাথা চূর্ণ করে দেবো। ওদিকে আগামী সপ্তাহে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে এরদোগানের। এ বৈঠককে সামনে রেখে শনিবার এরদোগান বলেছেন, যদি ওই আলোচনায় কোনো সমাধান না আসে তাহলে তুরস্ক তার নিজস্ব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। এর আগে কুর্দি বাহিনী ৩৬ ঘন্টায় ১৪ বার উস্কানিমুলক হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে বেশি হামলা হয়েছে রাস আল আইন শহরে। তবে মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, তা সত্ত্বেও তুর্কি বাহির্নী চুক্তি মেনে চলবে পুরোপুরি।
ওদিকে কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য তুরস্ককে অভিযুক্ত করেছে। দখল করে নেয়া শহর থেকে বেসামরিক লোকজন ও হতাহতদের সরিয়ে আনার জন্য নিরাপদ করিডোর সৃষ্টিতে তুর্কি সেনারা ব্যর্থ হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের কাছে শনিবার এসডিএফ অনুরোধ করে, তিনি যেন বেসামরিক লোকজনকে সরে আসার পথ করে দিতে তুরস্ককে চাপ দেন। অস্থায়ী এই যুদ্ধবিরতিতে তিনি কাজ করছেন। এ বিষয়ে এসপিএফ একটি বিবৃতি দিয়েছে। তারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অব্যাহত যোগাযোগ করা হচ্ছে। তারা আমাদেরকে সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও পরিস্থিতিতে কোনোই অগ্রগতি নেই।
অন্যদিকে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ইব্রাহিম কালিন বলেছেন, তারা চান যুক্তরাষ্ট্র কুর্দিদের ওপর চাপ সৃষ্টি করুক, যাতে তারা ওই এলাকা ছেড়ে যায়। তিনি আরো বলেন, এ বিষয়ে আমরা আমাদের আমেরিকান সহযোগিদের তাদের প্রভাব ব্যবহার করতে বলেছি। তাদের কানেকশন ব্যবহার করে নিশ্চিত করতে বলেছি যাতে তারা কোনো ঘটনা না ঘটিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যায়।
ওদিকে বৃটেনভিত্তিক সিরিয়ান অবজার্ভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস বলেছে, রাস আল আইন শহরে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। নজরদারি এই গ্রুপটি শুক্রবার বলেছে, তুরস্কের এই হামলায় কমপক্ষে ৮৬ জন নিহত হয়েছেন। বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন এক লাখ ৬০ হাজার থেকে তিন লাখ মানুষ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোহাম্মদপুরের সুলতানের পতন: বেরিয়ে আসছে আরো অপকর্ম by মোহাম্মদ ওমর ফারুক

একই সময় আলামত ধ্বংস এবং কাজে অসহযোগিতার কারণে রাজীবের সহযোগী (পিও) সাদেককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
র্যাব জানায়, শনিবার রাত সোয়া ১টার দিকে কাউন্সিলর রাজীবকে নিয়ে মোহাম্মদপুরে তার নিজ বাসায় অভিযান শুরু করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভোর চারটার দিকে বাসায় মোটামুটি অভিযান শেষ করে রাজীবকে নিয়ে তার অফিসে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে র্যাব-২ ছাড়াও র্যাব-১ এবং র্যাব সদর দপ্তরের একাধিক টিম কাজ করছে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে রাজীবকে গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগজিন, ৭ বোতল বিদেশি মদ, একটি পাসপোর্ট ও ৩৩ হাজার নগদ টাকা জব্দ করা হয়। মোহাম্মদপুরের কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীবও গত দুই সপ্তাহ ধরে আত্মগোপনে ছিলেন।
র্যাব সদর দপ্তর ও র্যাব-২ এর একটি যৌথ দল তাকে নজরদারি করে। এই ঘটনার পর তারেকুজ্জামানকে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিস্কার করা হয়। যুবলীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্যদের সিদ্ধান্তের আলোকে অসামাজিক ও সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে গতকাল তাকে বহিষ্কার করা হয়। গ্রেপ্তারের খবরে গতকাল মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকায় চলে আনন্দ মিছিল। এর আগে গত ১৪ই আক্টোবর‘ মোহাম্মপুরের সুলতান ’ শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় মানবজমিনে। এর পর থেকে নড়েচড়ে বসে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।
২০১৫ সালে কাউন্সিলর হওয়ার পরপরই সম্পূর্ণ বদলে যায় রাজীবের জীবন। চালচলনে আসে ব্যাপক পরিবর্তন। কোথাও গেলে সঙ্গে থাকতো গাড়ি আর মোটরবাইকের বহর। রাস্তা বন্ধ করে চলতো এসব গাড়ি। রোদে গেলে আশেপাশের কেউ ধরে রাখে ছাতা। সঙ্গে ক্যাডার বাহিনী থাকতো সব সময়। মাত্র চার বছরে মালিক বনে গেছেন অঢেল সম্পত্তি, গাড়ি আর বাড়ির। কাউন্সিলর নিজের এলাকায় গড়ে তুলেছিলেন রাজত্ব। চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, টেন্ডারবাজি, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ আর মাদকসেবীদের আখড়ায় পরিণত করেছেন তার সাম্রাজ্য । মোহাম্মদপুরের বসিলা, ওয়াশপুর, কাটাসুর, গ্রাফিক্স আর্টস ও শারীরিক শিক্ষা কলেজ, মোহাম্মদিয়া হাউজিং সোসাইটি এবং বাঁশবাড়ী এলাকায় তৈরি করেছেন একক আধিপত্য। ২০১৫ সালের কাউন্সিলর নির্বাচনে তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী । বিভিন্ন কারসাজি করে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট নেতা ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ বজলুর রহমানকে হারান। অভিযোগ রয়েছে এরপর থেকেই এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করছেন না তিনি।
কাউন্সিলর হওয়ার পর মোহাম্মদপুর এলাকায় নিজেই গড়ে তুলেছেন দখদারিত্ব, হয়ে ওঠেন ভূমিদস্যুদের গডফাদার। দখল করেন সাধারণ মানুষের জমি। বাসস্ট্যান্ড, সিএনজি স্ট্যান্ড, ফুটপাতই তার চাঁদা তোলার মূল উৎস। অনুসন্ধানে জানা গেছে, শাহ আলম, জীবন, ইয়াবা ব্যবসায়ী সিএনজি কামাল, অভি ফারুক, আশিকুর রহমান রনির মাধ্যমে প্রতিমাসে শুধু স্ট্যান্ড থেকেই তুলেন প্রায় দুই কোটি টাকা। কোথা থেকে কে, কত টাকা করে চাঁদা তুলে কাউন্সিলরকে দেন- এমন একটি তালিকা এসেছে আমাদের হাতে। এতে দেখা যায়, মোহাম্মপুর থেকে সিকশনের ১৬০ টি সিএনজি থেকে ১৫০টাকা করে প্রতিদিন সিএনজি কামাল চাঁদা তুলেন ২৪ হাজার টাকা। যা প্রতি মাসে এসে দাড়ায় ৭ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। মোহাম্মদপুর থেকে ঢাকা উদ্যানে চালিত অটো বাইক থেকে চাঁদা তুলেন কমিশনারের বড় ভাই রাসেল। যা প্রতি মাসে অর্থলক্ষ টাকার মতো চাঁদা তুলে সে। মোহাম্মপুর থেকে বছিলা রোডে অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা থেকে চাঁদা তুলেন কমিশনারের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভি ফারুক।এখানে প্রায় তিন’শটি আটো রিকশা থেকে ২০ টাকা করে প্রতিদিন এবং মাসিক ২০০ টাকা করে চাঁদা তুলে সে। যা মাসিক চাঁদার হার এসে দাড়ায় ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। শিকসন থেকে গাবতলীর ১২০টি লেগুনা থেকে ১৫০ টাকা করে প্রতিদিন চাঁদা তুলে ১৮ হাজার টাকা। যার প্রতি মাসে দাঁড়ায় ৫ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। এদিকে মোহাম্মদপুর থেকে আটিবাজারের ১শ’টি সিএনজি থেকে ৪০ টাকা করে প্রতি দিন ৪ হাজার টাকা করে তুলেন লাইনম্যান সাইদ এবং আলমীগর । তাদের নেতৃত্ব দেন সাইদুল। প্রতি মাসে যেখানে ওঠে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা। মোহাম্মদপুর টু সলমাসি থেকে জাহাঙ্গীর এবং আসলাম ৩৫টি সিএনজি থেকে ৪০ টাকা করে প্রতিদিন তুলেন ১৪০০ টাকা। প্রতি মাসে ওঠে ৪২হাজার টাকা। মোহাম্মপুর টু দুদু মার্কেট দিলু আর সুমন ৩০টি থেকে তুলেন ৪০টাকা করে ১২০০ টাকা। মাসে ৩৬হাজার টাকা। মোহাম্মদপুর থেকে দোহার বনদুরা সবুজ এবং নাসির ৭০টি সিএনজি থেকে তুলেন ৪০টাকা করে । যা মাসে এসে দাঁড়ায় ৮৪ হাজার টাকা। এই টাকাটি নেন আপন নামে একজন। একই রোডে কাইলা সুমন নামে একজন ৬০টি সিএনজি থেকে ৪০ টাকা করে তুলেন ২৪০০টাকা। মাসে তুলেন ৭২০০ হাজার টাকা। মোহাম্মদপুর টু রহিতপুর দুলাল ও সুমন নামে দুই লাইনম্যান ৪০টি সিএনজি থেকে ৪০ টাকা করে তুলেন মাসে ৪৮ হাজার টাকা। মোহাম্মদপুর টু বছিলা, আল আমিন ও অভি ফারুক মিলে ৩৫টি সিএনজি থেকে তুলেন ৪০ টাকা করে ১৪০০ টাকা। এই টাকা তুলে শাহ আলমকে দেয়। যা মাসে ৪২ হাজার টাকা। মোহাম্মদপুর টু কোনাখোলা সুমন আর দুলাল তুলেন ৪০ টি সিএনজি থেকে ১৬০০ টাকা। এই টাকা পান সাইদুল । মাসে এসে দাড়ায় ৪৮০০ হাজার। মোহাম্মদপুর থেকে কদমতলি থেকে মারুফ ও সুমন তুলে ৭০টি সিএনজি থেকে ২৮০০ টাকা। যা মাসে এসে দাড়ায় ৮৪ হাজার টাকা। ফুটপাত ছাড়া এই হিসেব দাঁড়ায় প্রায় দুই কোটি টাকা। মোহাম্মদপুর এলাকার ফুটপাথগুলো থেকে আরো প্রায় কোটি টাকা চাঁদা আসে তার পকেটে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চাদাঁবাজির বাইরে নানান অপকর্ম করতো তার লোকজন। কোরবান আলী নামে একজন রাজিবের খুব ঘনিষ্ট হিসেবে পরিচিত ছিলো। কোরবানী আলী বাসবাড়ি বস্তিতে ছিলো তার রাজত্ব। অবৈধ বিদ্যুতের লাইন, পানির লাইন, বাসা বাণিজ্যসহ সবই করতো সে। এখান থেকে প্রতিমাসে তার কাছে চলে যেতো মাশোয়ারা। আমজাদ হোসেন নামে আরেক ব্যাক্তি শিয়া মসজিদ এলাকায় দখদারিত্ব নিয়ন্ত্রণ করতো। মানুষকে হয়রানী করাই ছিলো তার কাজ। তার সহযোগী হিসেবে কাজ করতো হালিম ও মমিন নামে দুইজন।
বসিলা উচ্চ বিদ্যালয়ে গর্ভানিং বডির সভাপতি আনোয়ার হোসেনকে মারধর করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বছর খানেক আগে বিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানের ব্যানারে তার নাম না লেখাতে ক্ষেপে যান রাজিব। পরে অনুষ্ঠান স্থলেই তার লোকজন আনোয়ার হোসেনকে মারধর করেন। পরে তিনি এই বিদ্যালয়টির গর্ভানিং বডির সভাপতি পদটি ভাগিয়ে নেন।
এদিকে মোহাম্মদপুর তিন রাস্তার মোড়ে একটি দু’তলা ভবন দখলের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তাছাড়া মোহাম্মদীয়া হাউজিং কাঁচাবাজারে একটি সাত তলা ভবন অবৈধভাবে তার লোকজন দখল করে রেখেছে। তাছাড়া মোহাম্মদীয়া হাউজিং কাঁচাবাজারের নির্বাচিত সভাপতি আবুল হোসেনকে দীর্ঘদিন ধরে বাজারে প্রবেশ করতে দেয় না কাউন্সিলরের লোকজন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেমন চলছে ‘মা ছাড়া গ্রামের’ শিশুদের জীবন
এলি সুশিয়াতির মা যখন তার দাদির কাছে তাকে রেখে যান সে সময় তার বয়স ১১ বছর।
তার বাবা-মায়ের মাত্রই বিচ্ছেদ হয়েছে তখন, পরিবারের সবার মুখে দুটো খাবার তুলে দেবার চিন্তায় গৃহকর্মীর কাজ নিয়ে সৌদি আরবে চলে যান এলির মা। এলি এখন দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ে।
সে জানিয়েছে, মা চলে যাবার পর সেই সময়টা কী কষ্টে কেটেছে! মায়ের সাথে দীর্ঘ সেই বিচ্ছেদের ব্যথা যেন এখনো তার চোখ মুখে।
‘আমার ক্লাসের বন্ধুদের বাবা-মায়েদের যখন আমি যখন দেখি, আমার মনটা তিতা লাগে। কত বছর ধরে আমি অপেক্ষা করছি মা আসবে!
আমি চাই না আমার মা আর বিদেশে কাজ করুক, আমি চাই উনি দেশে ফিরে আসুক। আমাকে আর আমার ভাইবোনকে দেখে-শুনে রাখুক।’
মাতৃহীন এসব বাচ্চা কে দেখাশোনা করে?
দেশটির পূর্ব লম্বকের গ্রাম ওয়ানাসাবাতে থাকে এলি। সেখানে এটাই স্বাভাবিক যে সন্তানদের উন্নত জীবন দিতে অল্প বয়েসী মায়েরা পরিবার ছেড়ে বিদেশে কাজ করতে যাবে।
এখানকার পুরুষেরা কৃষিকাজ করে কিংবা কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করে। পরিবারের নারীদের আয়ের তুলনায় এদের আয় একেবারেই নগণ্য।
গ্রামটির প্রতিটি বাড়ি একটির গায়ে আরেকটি লাগোয়া, পুরো গ্রামে সারি সারি বাড়ি।
মাঝের গলিও একেবারে সরু, কোনোমতে দুটো মোটরসাইকেল পাশাপাশি চলতে পারে। বাড়ির পেছনে বিশাল ধানক্ষেত।
যখন মায়েরা ছোট বাচ্চা রেখে বিদেশে যায়, তখন পরিবারের পুরুষ ও বয়স্ক সদস্যরা সন্তান পালনের দায়িত্ব নেয়।
এই গ্রামের প্রতি পরিবারেই যেহেতু মা প্রবাসী, দেখা গেছে সব পরিবারই সবার বাচ্চা দেখে শুনে রাখতে সাহায্য করে।
কিন্তু যখন মায়েরা বাড়ি ছেড়ে যায়, সন্তানদের বিদায় জানানোই যেন তখন পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ।
কারিমাতুল আবিদিয়ার মা যখন বিদেশে যায়, তখন তার বাচ্চার বয়স এক বছর। ফলে সেই কষ্টের স্মৃতি আবিদিয়ার মনে নেই।
তার প্রাইমারি স্কুল যে বছর শেষ হয়, সে বছর তার মা দেশে ফিরে এসেছিল। ততদিনে আবিদিয়া তার খালাকে মা ভাবত, যে তাকে কোলেপিঠে করে বড় করেছে।
সুতরাং তার মা যখন ফিরে এলো, সে খুবই দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল।
তার মনে আছে, তার মা রোজ কাঁদত আর অভিযোগের সুরে তার খালাকে জিজ্ঞেস করতো ‘ও কেন জানে না যে ও আমার বাচ্চা?’
খালা জবাব দিতো, আবিদিয়ার মায়ের কোনো ছবি ছিলো না বাড়িতে।
স্মৃতি বলতে মায়ের নাম আর তার কর্মক্ষেত্রের ঠিকানা, যা ছোট একটি বাচ্চার কাছে হয়তো কোনো অর্থই বহন করে না।
এখনো যখনই তার মা দেশে আসেন, আবিদিয়া তার খালার কাছেই থাকে।
মা কাছে থাকতে বললেও, আবিদিয়া দূরে দূরে থাকে।
তার খালা বাইক নুরজান্নাহ আরো নয়টি বাচ্চাকে কোলেপিঠে করে মানুষ করেছেন, এর মধ্যে কেবল একটি তার নিজের সন্তান।
এ বাচ্চাগুলো তার বোনেদের বা ভাইয়ের বউদের।
‘কিন্তু আমি কাউকে আলাদা চোখে দেখি না। ওরা সবাই আপন ভাইবোনের মতোই। ওদের কেউ অসুস্থ হলে বা ওদের কিছু লাগলে আমি আলহামদুলিল্লাহ পাশে থাকতে পারি।’
পঞ্চাশোর্ধ নুরজান্নাহ এই গ্রামের সবচেয়ে বয়স্ক মা।
কবে থেকে মহিলারা বিদেশ যাচ্ছেন?
১৯৮০ দশক থেকে ইন্দোনেশিয়ার এ অঞ্চল থেকে নারীরা গৃহকর্মী ও আয়া হিসেবে কাজ করতে বিদেশে যাওয়া শুরু করেন।
কোনো ধরণের নিরাপত্তা ছাড়া বিদেশে কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় তারা নিপীড়নের শিকার হন।
উন্নত জীবনের খোঁজে গিয়ে কফিনে করে ফিরে আসার অনেক ঘটনা রয়েছে।
কেউ কেউ শারীরিক নির্যাতনেরও শিকার হন, কেউবা নিয়মিত বেতন পান না।
অনেক সময় দেখা যায়, এসব মায়েরা আরো সন্তান নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন, এসব বাচ্চা কর্মস্থলে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রবাসী ওই নারীর গর্ভে জন্মানো বাচ্চা।
ভিন্ন জাতি পরিচয়ের এসব বাচ্চাও অন্য বাচ্চাদের সাথে মিলেমিশে এ গ্রামে থাকে। চেহারা বা গায়ের রং ভিন্ন হবার কারণে হয়তো কিছুটা বেশি মনোযোগ পায় আর সবার কাছে।
আঠারো বছর বয়েসী ফাতিমাহ জানায়, সেই বাড়তি মনোযোগ তার ভালোই লাগে।
‘মানুষজন আমাকে দেখে বিস্মিত হয়। কেউবা বলে তুমি খুব সুন্দর কারণ তোমার গায়ে আরব রক্ত রয়েছে। আমার এসব শুনতে খুব ভালো লাগে।’
কিন্তু এ ধরণের বাচ্চাদের সেখানকার সমাজে খাটো করেও দেখা হয় এবং স্কুলেও এরা নিপীড়নের শিকার হয়।
ফাতিমা কখনো তার সৌদি বাবাকে দেখেনি।
কিন্তু তিনি ইন্দোনেশিয়ায় ফাতিমার মায়ের নামে টাকা পাঠাতেন। কিন্তু কিছুদিন আগে তিনি মারা যান, এখন ফাতিমার মাকে আবার বিদেশে যেতে হচ্ছে।
ইন্দোনেশিয়ার প্রবাসী আয়
দেশটির প্রবাসী শ্রমিকের দুই তৃতীয়াংশের বেশি নারী শ্রমিক। তাদের পাঠানো অর্থে চলে সন্তানদের ভরণপোষণ।
গত নয় বছরে এলি তার মাকে দেখতে পায়নি, কিন্তু তার মায়ের পাঠানো অর্থের কারণেই এলি আজ তার গ্রামের প্রথম মেয়ে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাচ্ছে।
এলির মা জানিয়েছেন, তার মেয়ে যে কঠিন মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করেছে, সেজন্য তিনি খুব খুশী।
এলি বিবিসিকে জানিয়েছে, যে সে এখন তার মায়ের ত্যাগ বুঝতে পারে।
‘আমার কর্মজীবন অবশ্যই ভিন্ন হবে। কারণ আমি বুঝি আমাদের মায়েদের শিক্ষার অভাবের কারণেই তাদের আমাদের ছেড়ে দূরে চলে যেতে হয়েছিল। এটাই আমাদের মনে রাখতে হবে। আমি কিছুতেই আমার মায়ের মত সেখানে যাব না, আমি গেলে বরং ওদের সাথে ব্যবসায়িক চুক্তি করবো।’
হাসিমুখে আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলে এলি।
সূত্র : বিবিসি
![]() |
| ফাতিমা কখনো তার সৌদি বাবাকে দেখেনি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘কংগ্রেস সরকার পাকিস্তানকে দুই টুকরো করেছিল, প্রধানমন্ত্রীর তা বলা উচিত’
![]() |
| কপিল সিব্বাল |
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন আসার সাথে সাথে নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ আসল বিষয়গুলো ভুলে যান এবং কখনও তারা এনআরসি সম্পর্কে কথা বলেন, কখনও তারা ৩৭০ ধারা নিয়ে কথা বলেন। আসলে ৩৭০ ধারার কথায় জনগণের পেট ভরাবে না, মানুষ কর্মসংস্থান পাবে না।’
কপিল সিব্বাল বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে ৩৭০ ধারা সম্পর্কে কথা বলেছেন। ৩৭০ ধারা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। কিন্ত জনগণকে তাদের এটাও বলা উচিত যে, কংগ্রেস সরকারের সময়ে পাকিস্তান দুই টুকরা হয়েছিল। কিন্তু আমি জানি যে, তিনি এটি বলবেন না কারণ এটি বলার মতো সাহস তার নেই।’
দেশে অর্থনীতির অবস্থার কথা উল্লেখ করে কপিল সিব্বাল বলেন, 'আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান বলছে যে ভারতে মন্দা রয়েছে কিন্তু সরকার তা মানতে রাজি নয়।’
তিনি বলেন, ‘মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানায় বেকারত্ব বেড়েছে এবং কৃষকদের অবস্থা আগের চেয়ে আরও খারাপ হয়ে উঠেছে। যদিও বিজেপি এসকল বিষয় এড়িয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন পরিসংখ্যান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মানব উন্নয়ন সূচকে ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলো থেকে ভালো।’
মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানায় আগামী ২১ অক্টোবর বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ফল ঘোষণা হবে ২৪ অক্টোবর। বিজেপি জাতীয়তাবাদের হাওয়া তুলে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল, এনআরসি, অনুপ্রবেশ, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল, সন্ত্রাসবাদ ইত্যাদি ইস্যুতে ভোট বৈতরণী পার হওয়ার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস ও অন্যরা বেকারত্ব, অর্থনৈতিক দুর্দশা, কৃষকদের সমস্যাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে সফল হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইলিয়াস কোথায়- সাত বছরেও উত্তর মেলেনি by ওয়েছ খছরু

তাদের মন বলছে- ইলিয়াস আলী ফিরে আসবেন। কিন্তু দীর্ঘ সাত বছরেও ইলিয়াস নিখোঁজের রহস্য উন্মোচিত হয়নি।
মেলেনি কোনো উত্তরও। এই অবস্থায় রাজনীতিতেও পট-পরিবর্তন হয়েছে। ইলিয়াসের অবর্তমানে হাল ধরেছেন তার স্ত্রী বেগম তাহসিনা রুশদীর লুনা। তিন সন্তানকে নিয়ে তিনিও স্বামীর অপেক্ষায় রয়েছেন। ২০১২ সালের ১৭ই এপ্রিল ঢাকার বনানী থেকে নিখোঁজ হন বিএনপির তখনকার সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী। সঙ্গে গাড়ি চালক আনসার আলীও। তার নিখোঁজের পর সিলেটজুড়ে আন্দোলন শুরু হয়। বিশ্বনাথে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষে তিনজন নিহত হন। গঠন করা হয় ইলিয়াস মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ। এই সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে সিলেটে লাগাতার আন্দোলন চললেও ইলিয়াসের কোনো খোঁজ মিলেনি। এদিকে- ইলিয়াসের পর গুম হয়েছিলেন বিএনপির আরেক শীর্ষ নেতা সালাহ উদ্দিন আহমদ। কয়েক মাস পর তাকে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলং-এ পাওয়া যায়।
কিন্তু ইলিয়াসের কোনো হদিস মিলেনি। নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর গ্রামের বাড়ি সিলেটের বিশ্বনাথের রামধানা গ্রামে। বয়োবৃদ্ধ মা সূর্যবান বিবি ছেলের আশায় এখনো পথ চেয়ে আছেন। তাদের পরিবারের ধারণা- ইলিয়াস আলী বেচে আছেন। তাকে আটকে রাখা হয়েছে। তিনি ফিরে আসবেন। এ কারণে তাদের অপেক্ষার প্রহর শেষ হচ্ছে না। ইলিয়াস আলীর ছোটো ভাই সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আসকির আলী বর্তমানে লন্ডন প্রবাসী। কয়েক দিন আগে বাংলাদেশ ত্যাগের প্রাক্কালে তিনি ইলিয়াসের সন্ধানের দাবি জানিয়ে গেছেন।
বলেন- ইলিয়াস আলীকে গুম করা হয়েছে। আমাদের সব সময়ের দাবি হচ্ছে ইলিয়াস আলীকে অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়া। তার পথ পানে চেয়ে আছেন আমাদের বৃদ্ধা মা। তার সন্তানরাও পিতা ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন। একটি পরিবারের মানবিক দিক বিবেচনা করে ইলিয়াস আলীকে দ্রুত ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানান তিনি। এদিকে- সিলেট বিএনপি নেতারাও ইলিয়াস আলী ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন। তারা জানান- বিএনপির তুখোড় নেতাদের ইচ্ছে করেই গুম নামক কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। যে পরিকল্পনায় একের পর এক গুমের ঘটনা ঘটানো হয়ে সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দি করে রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
সিলেট জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলী আহমদ মানবজমিনকে জানিয়েছেন- ‘এরই সরকারের অগণতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে কেউ যাতে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলতে না পারে এ কারণে ইলিয়াস আলীর মতো সাহসী ও সংগ্রামী নেতাদের গুম করা হয়েছে। যেহেতু আমরা মনে করি বর্তমান সরকারই তাকে গুম করে রেখেছে সেহেতু সরকারি হেফাজতে তিনি রয়েছেন। এ কারনে আমরা অক্ষত অবস্থায় ইলিয়াস আলীকে ফিরিয়ে দেয়ার জোর দাবি জানিয়ে আসছি।’ তিনি বলেন- ‘ইলিয়াসের মতো সিলেটের দিনার সহ দেশের সাহসী নেতাদের সরকার পরিকল্পনা মতো গুম করে আটকে রেখেছে। এর ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে এখন চেয়ারপার্সনকে আটকে রাখা হয়েছে।’
ইলিয়াস মুক্তি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও মহানগর বিএনপি নেতা মতিউল বারী চৌধুরী খুরশেদ জানিয়েছেন- ‘গুমের সংস্কৃতি রাজনীতিতে কোনভাবেই মঙ্গল বয়ে আনতে পারে না। এতে করে রাজনীতিতে অশুভ অশনি সংকেত দেখা দেয়। এখনকার রাজনীতিতে এই অবস্থা এখন চলছে।’ তিনি বলেন- ‘ইলিয়াস আলীকে অন্যায় ভাবে গুম করে রাখা মানবতা বিরোধী অপরাধের শামিল। আমরা মনে করি- একদিন গুম নামক মানবতা বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিচারও বাংলাদেশে হবে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সত্যজিতের চলচ্চিত্রে নারী by সুদীপ্ত মিত্র

অথচ রুপালি পর্দায় সত্যজিৎ? সে এক বিপরীত মানুষ। নারী চরিত্রের জটিল মনস্তাত্ত্বিক দিকগুলোকে নিয়ে সূক্ষ্মভাবে কাজ করেছেন তিনি। মোট ৩৪টি গল্প নিয়ে ছবি করেছেন সত্যজিৎ, তার মধ্যে ১৯টি ছবিতে গল্পের ধারাকে নিয়ন্ত্রণ করেছেন মুখ্য ভূমিকায় থাকা কোনো নারী। নারীর আত্মমর্যাদা, নারীর মমতা, নারীর প্রেম, নারীর ভালোবাসা, নারীর লালসা, নারীর স্বাধীনতা, মাতৃরূপী নারী, নারীর উচ্চাকাক্সক্ষা, নারীর অভিলাষ, নারীর দ্বিচারিতা ও নারীর ব্যাভিচার-মূলত নারী চরিত্রের এই জটিল দিকগুলোকে সত্যজিৎবাবু তাঁর সিনেমায় ব্যবহার করেছেন।
আজকের আলোচনায় আমরা এরকমই ৯ জন নারীকে উদাহরণ স্বরূপ বেছে নিয়েছি। যে কজন বিশেষ নারী আজ আপনাদের সঙ্গে পরিচিত হবেন, তাঁরা হচ্ছেন- সর্বজয়া, মণিমালিকা, রতন, দয়াময়ী, চারুবালা, আরতি, বিমলা, প্রমীলা এবং মিসেস ত্রিপাঠি।
প্রথমে আমরা যাঁকে দেখবো তিনি সর্বজয়া। সর্বজয়া দরিদ্র ব্রাহ্মণ গৃহিণী। সর্বজয়া দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক, সর্বজয়া মাতৃত্বের প্রতীক, সর্বজয়া আত্মমর্যাদার প্রতীক। সর্বজয়া শত দারিদ্র্যেও আত্মমর্যাদাকে বিসর্জন দেয়নি। ‘পথের পাঁচালি’ ছবিতে চরিত্রটির রূপদান করেছেন করুণা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘পথের পাঁচালি’ ছবির একটি দৃশ্যে আমরা দেখতে পাই পাড়ার প্রতিবেশী ও জ্ঞাতি, সর্বজয়ার বাড়ি বয়ে এসে দুর্গাকে ভর্ৎসনা করে যাচ্ছে। দুর্গা সেই সময় বাড়ির বাইরে। দুর্গার বিরুদ্ধে অভিযোগ দুর্গা নাকি তাঁদের বাড়িতে বাড়ির ছোট মেয়েদের সঙ্গে খেলতে এসে নতুন কেনা একটি পুঁথির মালা চুরি করে নিয়ে গেছে। সর্বজয়ার মাতৃস্নেহ এই অভিযোগ মেনে নিতে পারে না। মেয়ের নামে অপবাদের তীব্র প্রতিবাদ করে সে। এই কাজ দুর্গা করতেই পারে না। অথচ ছবির শেষে আমরা দেখতে পাই পুঁথির মালাটা দুর্গাই নিয়েছিল। কিশোরী দুর্গা তার বড় লোক জ্ঞাতির বাড়িতে মালাটা দেখে লোভ সামলাতে পারেনি। দুর্গার মৃত্যুর পরে একটি লুকানো নারকেলের মালার ভেতর থেকে অপু সেটিকে উদ্ধার করে গোপনে পুকুরের জলে বিসর্জন দিয়ে যায় মুক্ত হয়।
অলঙ্কার প্রত্যেক নারীরই প্রিয়। কিন্তু অলঙ্কারের প্রতি নারীর আসক্তি কখনো কখনো মানসিক ব্যাধির আকার নেয়। যেমনটি ঘটেছিল মণিমালিকার ক্ষেত্রে। এটি রবীন্দ্র সৃষ্ট চরিত্র। নিঃসন্তান সুন্দরী স্ত্রীর ভালোবাসা পেতে বিত্তশালী ফণিভূষণ একের জানতেন না তার স্ত্রীর এই স্বর্ণতৃষ্ণাই তাঁর জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনবে। ঘটনা চক্রে একদিন ফণিভূষণের ব্যবসায় মন্দা আসে এবং ফণিভূষণ কলকাতায় যায় অর্থ সংগ্রহ করতে। পাছে তার গয়নার বাক্সে হাত পড়ে, তাই মণিমালিকা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অন্য পুরুষের সঙ্গে রাতের অন্ধকারে গোপনে গৃহত্যাগ করতে দ্বিধাবোধ করেন না। কিন্তু মণিমালিকার একটি আপসোস রয়ে গেল, টাকার জোগাড় হলে তার স্বামী একটা গয়না গড়িয়ে দেবেন বলেছিলেন, সেটি আর নেয়া হলো না। ‘মণিহারা’ ছবিতে চরিত্রটিতে অভিনয় করেছেন কণিকা মজুমদার। কিন্তু লালসা নারীর আসল রূপ নয়। নারী নিঃস্বার্থ ভালোবাসারও প্রতীক। যেমন ধরুন ‘পোস্টমাস্টার’ ছবিতে গ্রামের অনাথ বালিকা রতনের কথা। গ্রামের একটি মাত্র সাব পোস্ট অফিস। আর সেই পোস্ট মাস্টারমশাইয়ের বাড়িতে কাজ করে রতন। বিনিময়ে জোটে একমুঠো অন্ন আর একটু আশ্রয়। তবুও নতুন মাস্টারমশাইয়ের একটু স্নেহ, একটু মমতা তাকে নিঃস্বার্থ ভালোবাসার বন্ধনে বেঁধে ফেলে। মাস্টারমশাই একদিন চাকরি ছেড়ে চলে যান। ভগ্ন হৃদয়ে এই অনাথ বালিকার মনের খবর কে রাখে? ছবির শেষ দৃশ্যে বোঝা যায় অনাথ শিশুটির কাছে সামান্য ক’টা টাকার চেয়ে স্নেহ ভালোবাসার দাম অনেক বেশি।
মাতৃত্ব নারীর আভরণ। আবার সেই মাতৃরূপ কখনো কখনো বিড়ম্বনার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। যেমনটি ঘটেছিল গ্রামের জমিদারের ছোট বৌমা দয়াময়ীর জীবনে। কালীভক্ত জমিদার কালীকিঙ্কর রায় একদিন তাঁর ছোট বৌমার মধ্যে দেবী দর্শন লাভ করেন। সেই থেকে রক্ত মাংসের দয়াময়ীর স্থান হয় দেবী দালানে। স্বামী ও সংসারের সুখের বিনিময়ে দয়াময়ী আজ দেবীর আসনে অধিষ্টিত। ‘দেবী’ ছবিতে দয়াময়ীর ভূমিকায় অভিনয় করেন শর্মিলা ঠাকুর।
চারুবালা শিক্ষিতা, বুদ্ধিমতী, রুচিশীলা তরুণী। চারু সাহিত্যপ্রেমী। তার সাহিত্য চর্চায় একমাত্র সঙ্গী অমল। প্রায় সমবয়স্ক অমল চারুর পিশততো দেওর। চারুর একান্ত ইচ্ছে তাদের দুজনের সাহিত্য সৃষ্টি যেন বাইরের জগতে প্রকাশ না পায়। কিন্তু অমল তার কথা রাখেনি। একদিন এক পত্রিকায় আমলের লেখা ছাপা হয়। মনে মনে কষ্ট পেলেও প্রকাশ করে না চারু। অমলের প্রতি তার অন্ধ ভালোবাসা কখনো অমলকে জানতে দেয়নি চারু। অমল তার একান্ত সাহিত্য চর্চার সঙ্গী। অমল শুধু চারুর। আমলের সাহিত্য সৃষ্টি যেন শুধুই তার-অন্যকে ভাগ করার বস্তু নয়। অমলের লেখার কদর করার অধিকার একমাত্র চারুই থাকবে। অথচ বৌঠানের এই প্রচ- অধিকারবোধের সন্ধান অমল কখনো পায়নি। অমলের লেখা পত্রিকায় ছাপা হয়েছেÑ এতে অমলের প্রতি তার অধিকার খর্ব হয়েছে। অমলকে কিছুটা জব্দ করার জন্যই একদিন চারুও গোপনে কলম ধরে এবং অচিরেই তার লেখা বের হয় ‘বিশ্ববন্ধু’র মতো জনপ্রিয় পত্রিকায়। চারুর উদ্দেশ্য ছিল অমলের কাছে নিজেকে প্রমাণ করা যে সাহিত্য সৃষ্টিতে সেও কম যায় না। অথচ অমল যেন তাতে দুঃখ না পায়ে। অমল অবশ্য বৌঠানের লেখন শৈলী দেখে আশ্চর্যই হয়। রবীন্দ্রনাথের ‘নষ্টনীড়’ অবলম্বনে ‘চারুলতা’য় নামভূমিকায় অভিনয় করেছেন মাধবী মুখোপাধ্যায়।
‘মহানগরের’ আরতি নারী স্বাধীনতার প্রতীক। মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের শিক্ষিতা স্ত্রী, বৃহত্তর সংসারের হাল ধরতে স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ির এমনকি নিজের বাবার অমতে চাকরিরতা। স্বামী সুব্রত সামান্য ব্যাংকের কর্মচারী কিন্তু সংসারের অভাব তাঁর কাছে স্ত্রী স্বাধীনতার চেয়ে অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক। চাকরির সুবাদে অন্য পুরুষের সঙ্গে মেলা মেশায় তাঁর ঘোর আপত্তি। অবশেষে একদিন আরতির স্বামী চাকরি খোয়ায়। হীনম্মন্যতায় ভুগতে শুরু করেন সুব্রত। অথচ পুরুষ শাসিত সমাজে আরতি তার স্বামীর আর্থিক সংকটের কথা কাউকে মুখ ফুটে বলতে পারে না। ছবিতে আরতির ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মাধবী মুখোপাধ্যায়।
‘ঘরে বাইরে’ ছবির বিমলা রবীন্দ্র সৃষ্ট চরিত্র। ১৯০৫ সালে স্বদেশি আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই চরিত্রের জন্ম। বিমলার স্বামী নিখিল জমিদার। আর দশটা বিত্তশালী জমিদারের থেকে নিখিল একটু আলাদা। প্রগতিশীল নিখিল বিলেত ফেরত উচ্চ শিক্ষিত। নিখিল ‘মহানগরের’ সুব্রত নয়। নিখিল নারী স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। নিখিল চায় তাঁর স্ত্রী অন্দরমহল থেকে বেরিয়ে এসে আধুনিক যুগের সঙ্গে পরিচিত হোক। অবশেষে প্রথা ভেঙে স্ত্রীকে অন্দরমহল থেকে বাইরে এনে এক বিপ্লব সৃষ্টি করে নিখিল। বিমলা তাঁর স্বামী ছাড়া জীবনে যে পুরুষটির কাছে প্রথম এসেছিল তিনি স্বদেশি বিপ্লবী নিখিলের সহপাঠী, সন্দীপ। সন্দীপের বাচন শৈলী বিমলাকে আকৃষ্ট করে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় নিজেকে সামলাতে পারেনি বিমলা। গড়ে উঠে এক ত্রিকোণ প্রেমের উপাখ্যান। ক্রমশ আত্মসংযম হারায় বিমলা। ‘ঘরে বাইরে’ ছবিতে বিমলার চরিত্রে অভিনয় করেন স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত।
নারী সর্বদাই রহস্যময়ী, আর যদি সে হয় উচ্চাভিলাষী তা হলে তো কথাই নেই। প্রমীলা এমনি এক রহস্যময়ী নারী। নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো রহস্য? পর্দায় হিরোইন হওয়াই কি তার জীবনের একমাত্র বাসনা? তবে কেন স্বপ্নের নায়কের সঙ্গে দেখা করতে রাতের অন্ধকারকেই বেছে নেয় সে? মাত্র একটি দৃশ্যে প্রমীলাকে পর্দায় এনেছেন সত্যজিৎ। আলো আঁধারি দৃশ্যে রহস্যমাখা কথোপকথন। উচ্ছ্বসিত যৌবনা প্রমীলা কি তার স্বপ্নের নায়ককে প্রলুব্ধ করতে চায়? প্রমীলা কি বিবাহিতা? অরিন্দম উত্তর পায় না। সে কিন্তু সংযত, সতর্ক। গোটা ছবিতে আমরা দেখতে পাই অরিন্দমের মনের কোঠায় এমনকি স্বপ্নেও প্রমীলার উপস্থিতি বার বার অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। প্রমীলাকে মন থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারে না অরিন্দম। ...“নায়ক” ছবিতে প্রমীলার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সুমিতা সান্যাল।
মিসেস জয়া ত্রিপাঠি। একজন প্রাণবন্তু, প্রাণোচ্ছল নারী। কলকাতার এক আধুনিক শিক্ষিত উচ্চবিত্ত পরিবারের ঘরনী, খুব অল্প বয়সে স্বামীকে হারিয়েছেন। অত্যন্ত মিশুকে এই পরিবারটির সঙ্গে পালামৌয়ে ছুটি কাটাতে গিয়ে আলাপ হলো কলকাতার কয়েকজন শিক্ষিত প্রতিষ্ঠিত যুবকের। রক্ষণশীল বিত্তশালী পরিবারের বিধনা নারী আকৃষ্ট হন অত্যন্ত সংযক্ত, সুদর্শন, বুদ্ধিদীপ্ত, শিক্ষিত অথচ অনাড়ম্বর, সাম্যবাদী সঞ্জয়ের প্রতি। সেদিন এক অন্তরঙ্গ মুহূর্তে মনের কথা গোপন রাখতে পারেননি মিসেস ত্রিপাঠি। ‘অরণ্যের দিন রাত্রি’ ছবিতে চরিত্রটি রূপায়ণ করেছেন কাবেরী বসু।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কর্মক্ষেত্রে ভালো থাকার তাঁদের ৫ উপায়

এমন পাঁচ ক্ষেত্রের বিখ্যাত ব্যক্তিদের অনুসরণযোগ্য পাঁচটি সাফল্যমন্ত্র তুলে ধরেছে মার্কিন পডকাস্ট থ্রাইভ গ্লোবাল। জীবন থেকে দুশ্চিন্তা দূর করার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি জীবনযাপনবিষয়ক এই ডিজিটাল মিডিয়ায় মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, মার্কিন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব অপরাহ উইনফ্রে, মার্কিন লেখক ম্যালকম গ্ল্যাডওয়ে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস এবং সাবেক মার্কিন ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার পাঁচটি আচরণের কথা তুলে ধরা হয়েছে। সেগুলো তুলে ধরেছেন থ্রাইভ গ্লোবালের সহকারী সম্পাদক রেবেকা ম্যুলার।

বিল গেটসের মতো আশ্রয় নিন প্রকৃতির কাছে
গবেষণা বলছে, কাজের ভারে যখন নাভিশ্বাস ওঠে, তখন প্রকৃতির সান্নিধ্য আপনাকে মুক্তি দিতে পারে। প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটানো ব্যক্তি কর্মক্ষেত্রে কোন বিষয়ে আলোকপাত করতে হবে, তা ভালোভাবে বুঝতে পারেন। এ ব্যাপারে বিল গেটস নিজস্ব একটি রীতি মেনে চলেন। তিনি প্রতিবছর পুরো দুই সপ্তাহ সময় কাটান জঙ্গলে। প্রকৃতি থেকে তুলে নেন ‘নির্যাস’। এই রীতির নাম দিয়েছেন তিনি ‘থিং উইক’ মানে ‘ভাবনার সপ্তাহ’। সপ্তাহজুড়ে কর্মযজ্ঞ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হন। তাঁর প্রতিদিনকার করপোরেট হালচালের মধ্যে সৃষ্টিশীল হওয়ার উদ্দীপনা পান। যেহেতু আমরা সবাই বছরের দুই সপ্তাহ দুর্গম এলাকায় বিলীন হয়ে যেতে পারি না, তাই আমরা বিল গেটসের এই পরামর্শের একটি দিক গ্রহণ করতে পারি। লম্বা ছুটি নিয়ে চলে যেতে পারি প্রকৃতির কাছে। এমনকি কাজের সময় দুপুরের খাবারের বিরতিতে চলে যেতে পারি আশপাশের পার্কে।

অপরাহর মতো বৈঠকের আগে উদ্দেশ্য ঠিক করুন
প্রতিটি বৈঠকের আগে অপরাহ উইনফ্রে নিজেকে তিনটি প্রশ্ন করেন, ‘এই বৈঠকের লক্ষ্য কী? কোনটি গুরুত্বপূর্ণ? এতে কি কাজ হবে?’ বৈঠক শুরুর আগে এমন তিনটি বিষয় সামনে রাখেন অপরাহ। তিনি মনে করেন, বৈঠকে উপস্থিত প্রত্যেকের মধ্যে সম্ভাবনা আছে। তিনি নিজে বৈঠকের লক্ষ্যের ওপর আলোকপাত করেন, উপস্থিত অন্যদেরও তা করতে বলেন। মার্কিন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, অভিনেত্রী, টক শোর জনপ্রিয় উপস্থাপক অপরাহ উইনফ্রে বলেন, এভাবে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা অভিপ্রায় ঠিক করার গুণটি তাঁর পেশাগত জীবনকে শাণিত করতে সহায়তা করেছে। তাঁর এই কৌশলের সঙ্গে একমত মনোবিদেরাও। গবেষণা বলছে, অফিসের বৈঠকের আগে এবং বৈঠকের সময়ে কী করবেন বা বলবেন বা উদ্দেশ্য কী, তা আগে ভেবে রাখলে বৈঠকটি হবে ফলপ্রসূ এবং তা বিষয়বস্তুতে আলোকপাত করতে ও আলোচনাকে কার্যকরী করতে সহায়তা করবে।

ম্যালকমের ই-মেইল নিয়ম অনুসরণ করতে পারেন
কাজের সময়কে সুবিন্যস্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কোন সময়টায় আপনি ভালো কাজ করতে পারেন, তা খুঁজে বের করুন এবং সেই সময়টাকে যথাযথভাবে বাঁচিয়ে রাখুন। লেখক ম্যালকম গ্ল্যাডওয়েল এ ব্যাপারে নিজের একটি তরিকা দিয়েছেন। ম্যালকম নিউইয়র্কের দীর্ঘ সময়ের লেখক, তাঁর বই সর্বোচ্চ বিক্রির তালিকায় রয়েছে। ম্যালকম বলেন, নিজের ক্ষেত্রে তিনি ই-মেইল পড়ার সময়টাকে সেই যথাযথ সময় হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, প্রতি ২৪ ঘণ্টায়, বিশেষ করে পরদিন ই-মেইল দেখার সময়টা তিনি কাজে সবচেয়ে ভালো আলোকপাত করতে পারেন। আপনি যদি কারও ফোন বা বার্তার জবাব না দেন, তাহলে ভুল-বোঝাবুঝি থেকে রেহাই দিতে পারে ই-মেইল। ওই ব্যক্তিদের ই-মেইল করলে তাঁরা ভুল না বুঝে আপনাকে ঠিকই বুঝে নেন। গত গ্রীষ্মে থ্রাইভ গ্লোবালের প্রতিষ্ঠাতা আরিয়ানা হাফিংটনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘যদি প্রত্যেকে ই-মেইলে জবাব দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার এই নিয়ম মেনে চলেন, তাহলে পৃথিবী আরও সুন্দর হতে পারে।’

জেফ বেজোসের ‘টু পিৎজা’ নিয়ম
এর আগে বলা হয়েছে, কর্মক্ষেত্রের বৈঠক সফল করতে সুনির্দিষ্ট বিষয়ে আলোকপাত করা জরুরি। তবে বেশিসংখ্যক লোকের সরব উপস্থিতিতে এমন একটি বৈঠকও কেচে যেতে পারে। ব্যাপক প্রস্তুতির দারুণ একটি বৈঠক এভাবে ভেস্তে যাওয়ার বিষয় সম্পর্কে খুব ভালো করেই জানেন আমাজনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জেফ বেজোস। তাই এ ধরনের পরিস্থিতি ঠেকাতে নিজস্ব একটি নিয়ম অনুসরণ করেন তিনি। বৈঠকের ক্ষেত্রে ‘টু পিৎজা নিয়ম’ প্রয়োগ করেন। দুটির বেশি পিৎজার প্রয়োজন হবে—এতসংখ্যক কর্মী নিয়ে বৈঠক আয়োজনকে নিরুৎসাহিত করেন তিনি। অর্থাৎ বৈঠকে কর্মীর সংখ্যা কম রাখেন তিনি। বেজোস বলেন, তাঁর এই নিয়ম কাজের গতি বাড়ায়। মূল কাজকে বাধাগ্রস্ত করে এমন কাজে সময় ব্যয় না করে কর্মীরা নিজস্ব চিন্তাভাবনা ভাগাভাগি করতে পারেন।

ভারমুক্ত হোন মিশেল ওবামার মতো
কাজের দিনটিকে ফলপ্রসূ করার নানা উপায় সম্পর্কে আমরা প্রচুর কথা বলে থাকি। দ্রুততার সঙ্গে পৌঁছাতে চাই লক্ষ্যে। তবে প্রায়ই আমরা ভুলে যাই, সফলতার সূত্রগুলোর মধ্যে কর্মক্ষেত্রের ভেতরে-বাইরে কী ঘটছে, তা-ও অন্তর্ভুক্ত হয়। এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার ব্যক্তিগত কষ্টের অভিজ্ঞতা থেকে উদ্দীপনা পেতে পারেন। তিনি বলেছিলেন, কর্মজীবনে একবার গর্ভপাতের খবরে তিনি প্রচণ্ড বিষণ্ন হয়ে পড়েছিলেন, এটা প্রভাব ফেলছিল তাঁর কাজকর্মে। পরে বিষণ্নতা কাটাতে নিজেই উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি নিজেকে বুঝিয়েছিলেন, এখন নিজেকে নিয়ে এবং নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের কথা সবার আগে ভাবতে হবে। নিজেকে দায়ী না করে সুখকে প্রাধান্য দিতে হবে। আপনিও এই ভাবনা প্রয়োগ করে নিজেকে ভারমুক্ত করতে পারেন। যা ঘটে গেছে তা নিয়ে খোঁচাখুঁচি না করে নিজেকে গুরুত্ব দিন। এভাবে ভাবলে কর্মক্ষেত্রে চাপ কম অনুভূত হবে। আমরা কোন কোন বিষয়কে প্রাধান্য দেব, তা আরও ভালোভাবে নির্ধারণ করতে পারব।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বীমা খাতেও দুরবস্থা মেয়াদ শেষেও টাকা ফেরত পান না গ্রাহকরা by এম এম মাসুদ

সংশ্লিষ্টরা জানান, বীমা খাতে দুরবস্থার জন্য বেশিরভাগ কোম্পানির ব্যবস্থাপনাই দায়ী। কারণ কোম্পানিগুলো সময়োপযোগী পণ্য-সেবা দিতে পারছে না।
বীমা দাবি নিয়ে কালক্ষেপণের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বীমা সম্পর্কে গণমানুষের আস্থার সংকট রয়েছে। জানা গেছে, বীমা খাতে গতি আনতে ২০১০ সালে আইন প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা পুনর্গঠনসহ বেশ কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়। কিন্তু তারপরও এ খাতে গতি ফেরেনি। বরং নিয়ন্ত্রক সংস্থার কড়াকড়ি আরোপ, নতুন কোম্পানির কারণে অসুস্থ প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি ও দাবি পরিশোধ নিয়ে জটিলতাসহ আরো কিছু কারণে এ খাতের এগিয়ে চলার গতি শ্লথ হয়ে পড়েছে। সময়ের সঙ্গে কোম্পানিগুলোর গ্রস প্রিমিয়াম আয়ের প্রবৃদ্ধিও কমছে।
সূত্র জানায়, ২০১০ সালে জীবন বীমা খাতে ১৮ কোম্পানি ছিল। ওই বছর কোম্পানিগুলো প্রায় ৫ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা গ্রস প্রিমিয়াম আয় করেছিল। আর প্রিমিয়াম আয়ের প্রবৃদ্ধি ছিল ১৮.৪০ শতাংশ। নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাড়াকড়ির ফলে পরের বছর থেকে আয় কমতে থাকে। ২০১৫ সালে এসে ওই প্রবৃদ্ধি সর্বনিম্ন ৩.৩৯ শতাংশে নেমে যায়।
এর আগের দুবছরের ইতিবাচক ধারায় কোম্পানিগুলো কিছুটা এগোলেও ২০১৭ সাল শেষেও গ্রস প্রিমিয়াম আয়ের প্রবৃদ্ধি এখনও ৮.০৩ শতাংশে আটকে আছে। ওই বছরে প্রায় ৮ হাজার ১৯৮ কোটি টাকা গ্রস প্রিমিয়াম আয় করেছে কোম্পানিগুলো। ৮ বছরে জীবন বীমা কোম্পানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২টি হলেও গ্রস প্রিমিয়াম আয়ের প্রবৃদ্ধি এখনও ২০১০ সালের অর্ধেকের কম রয়ে গেছে। এসব কোম্পানির গ্রস প্রিমিয়াম আয় এখন ১০ হাজার কোটি টাকার নিচে অবস্থান করছে। বাজারে নতুন কোম্পানি আসলে বীমা ব্যবসার পরিধি বাড়বে বলে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও বাস্তব চিত্র এখনও উল্টো। নতুন ১৪ কোম্পানি অনুমোদনের পর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পুরোনো ব্যবসা ভাগাভাগি হচ্ছে। কোম্পানির তুলনায় ব্যবসার পরিধি বাড়েনি। বরং এ খাতে অসুস্থ প্রতিযোগিতা আরো প্রকট হয়েছে।
এ বিষয়ে একটি বীমা কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, সময়ের সঙ্গে দেশের জীবন বীমা খাতের পরিধি বাড়ছে।
কিন্তু মান বাড়ছে না। তার মতে, সময়োপযোগী বীমা পণ্য, গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণ, স্বল্প সময়ে দাবি পরিশোধ ও গ্রাহকবান্ধব করে কোম্পানিকে গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। ফলে এ খাত ধুকছে। গ্রাহকরা সন্তুষ্ট হলে কোম্পানি এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোম্পানিগুলোকে সময়োপযোগী পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। অন্যথায় অস্তিত্ব সংকটে পড়বে এ খাত।
বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের সভাপতি ও পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিএম ইউসুফ আলী বলেন, গত কয়েক বছরে জীবন বীমা কোম্পানিগুলোকে খুব খারাপ সময় পার করতে হয়েছে। তবে এখন কোম্পানিগুলো অতীতের দুর্নাম কাটিয়ে উঠছে।
এদিকে জমানো টাকা ফিরে পেতে প্রতিদিনই গ্রাহকরা আইডিআরের অফিসে ভিড় করছেন। সরজমিন দেখা গেছে, পলিসির টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য প্রতিদিনই আইডিআরের কর্মকর্তাদের রুমের সামনে গ্রাহকের লাইন। দীর্ঘদিন কোম্পানির কাছে ধরনা দিয়ে শেষ পর্যন্ত আসছে আইডিআরের কাছে। কর্মকর্তাদের সামনে গ্রাহকরা কান্নায় ভেঙে পড়ছে। পলিসির মেয়াদ শেষ হলেও বছরের পর বছর কোম্পানিগুলো গ্রাহকের টাকা পরিশোধ করছে না। এসব পলিসির বিপরীতে সুদ ছাড়া টাকার পরিমাণ ৩ কোটি। কিন্তু সুদসহ হিসাব করলে তা কয়েক কোটি ছাড়িয়ে যাবে।
আইডিআরের তথ্য অনুসারে, ৫ কোম্পানির বিরুদ্ধে ৫৬০৯ গ্রাহককে পলিসির টাকা পরিশোধ না করার অভিযোগ জমা পড়েছে। এ ছাড়া প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে যেসব নিয়ন্ত্রণ সংস্থার কাছে পৌঁছাতে পারেনি, সে সংখ্যা হিসাব করলে তা ২০-২৫ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। আইডিআরের কাছেই ২ হাজার ৩৪৪টিঅভিযোগ রয়েছে। এছাড়া আইডিআরের বাইরে থাকা অভিযোগ তদন্ত করলে বিশাল আকারে পৌঁছাবে।
আইডিআরের নির্বাহী পরিচালক ড. রেজাউল ইসলাম বলেন, কয়েকটি কোম্পানি গ্রাহককে পলিসির টাকা দিচ্ছে না। সমপ্রতি এ ব্যাপারে আইডিআরের কাছে বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়েছে। কোম্পানিগুলো টাকা না দিয়ে বিভিন্ন ভাবে গ্রাহককে হয়রানি করছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। কারণ গ্রামের গরিব মানুষ খুব কষ্ট করে টাকা জমা দিয়েছে। মেয়াদ শেষ হলেও কোম্পানিগুলো তাদের টাকা দিচ্ছে না। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে আমরা প্রতিটি কোম্পানির সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করে কঠোর বার্তা দিয়েছি। আর টাকা পরিশোধের সময়ও বেঁধে দেয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা না দিলে বাধ্য হয়েই কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
নিয়ম অনুসারে একজন গ্রাহক জীবন বীমায় কিস্তিতে টাকা জমা রাখে। এই কিস্তি মাসিক, তিন মাস অথবা ছয় মাসের হতে পারে। এসব পলিসির মেয়াদ ৫ থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত। জীবনের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য এই দীর্ঘ সময় তারা স্বল্প আয় থেকে একটু একটু করে টাকা জমা রাখে। বীমা আইন অনুসারে, পলিসির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিশ্রুত টাকা দিতে হয়। আর ৯০ দিনের বেশি হলে বাকি দিনগুলোর সুদসহ টাকা পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু কোম্পানিগুলো টাকা পরিশোধ না করে গ্রাহককে বছরের পর বছর হয়রানি করছে। এরা পলিসির টাকা আত্মসাৎ করেছে।
বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ কবির হোসেন বলেন, গ্রাহকের টাকা পরিশোধ করছে না, এ ধরনের কোম্পানির সংখ্যা বেশি নয়। তবে কয়েকটি কোম্পানি এ খাতের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। তিনি বলেন, এ খাতের আস্থা অর্জনের জন্য সবার আগে গ্রাহকের টাকা পরিশোধ করতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মালচিং পদ্ধতিতে লাউ চাষে দিদারের সাফল্য by এস আলম তুহিন

এবার মালচিং পেপার ছিদ্র করে বীজ অঙ্কুরিত হওয়ার পর, তা মাচায় প্রতিস্থাপন করা হয় ধীরে ধীরে। যেহেতু বীজগুলো পলিথিন দিয়ে মোড়ানো থাকে, তাই কোনো কীট-পতঙ্গ আক্রমণ করতে পারে না। ফলে কীটনাশক ব্যবহারেরও প্রয়োজন হয় না। একই কারণে ক্ষতিকর সূর্যালোকও এর ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না। সাধারণ পদ্ধতিতে অনেক সময় বৃষ্টি হলে বীজতলা বা ক্ষেত থেকে সার ধুয়ে যায়। মালচিং পেপার দিয়ে মোড়ানো থাকায় এখানে সেই সম্ভাবনাও নেই।
দিদার বলেন, মালচিং পদ্ধতিতে যে পেপারটি ব্যবহার হয় তা সরাসরি চায়না থেকে বাংলাদেশের বাজারে আসে তারপর আমরা তা ক্রয় করি। এবার ৬০ শতক জমিতে ৩শ’ লাউ বীজ রোপণ করেছি। সার, বীজ ও অন্যান্য উপকরণ বাবদ আমার ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। খরচ বাদে আমার প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকার অধিক আয় হবে। বর্তমানে আমার ক্ষেতে ৬-৭ জন শ্রমিক কাজ করে। প্রতিদিন ১৫০-২০০ লাউ ক্ষেত থেকে কাটা হয়। মাগুরাসহ বাইরের জেলার ব্যাপারীরা ক্ষেত থেকেই লাউ ক্রয় করে নিয়ে যায়। শীত মৌসুমে লাউয়ের চাহিদা আরো বাড়তে থাকে বলে তিনি মনে করেন। লাউ উৎপাদনে সাধারণত অন্যান্য ফসলের তুলনায় পরিশ্রম কম। তবে, মালচিং পদ্ধতি লাউ চাষ করলে ফলন ভালো পাওয়া যায় বলে জানান। তিনি আরো জানান, বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুরসহ বিভিন্ন জেলায় মালচিং পদ্ধতিটি ফসল চাষ করে অনেক কৃষক সাফল্য অর্জন করেছেন। তাদের এ পদ্ধতি দেখে মাগুরাতে এ পদ্ধতিতে চাষে আগ্রহী হই। শুধু লাউ নয়, এর আগে তিনি এ পদ্ধতি ব্যবহার করে দেশি জাতের সবজি ভেনডি, করলা, শসা, খিরে ও তরমুজের চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন। জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জাহিদুল আমিন বলেন, ‘প্রচলিত পদ্ধতির চেয়ে এ পদ্ধতিতে কমপক্ষে ৫০ ভাগ সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কম লাগে, যা পরিবেশবান্ধব। প্রচলিত পদ্ধতিতে জমিতে ৫-৬ বার সেচ দিতে হয়, সেখানে এ পদ্ধতিতে মাত্র দুবার সেচ দেয়াই যথেষ্ট। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় মালচিং পদ্ধতিতে লাউসহ নানা সবজি আবাদ হলেও মাগুরায় এই প্রথমবারের মতো আবাদ হলো। দিদারের সাফল্যে আমরাও গর্বিত। এখন চেষ্টা করছি, এ পদ্ধতিকে কীভাবে এ জেলায় আরো কৃষকদের মাঝে জনপ্রিয় করা যায়।’
ইতিমধ্যে দিদারের সাফল্য দেখে জেলার অনেক যুবক মালচিং চাষে ফসল উৎপাদনে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে কিভাবে, কোন পদ্ধতিতে চাষ করতে হয়। আমরা তাদের সঠিক পরামর্শ দিয়ে উৎসাহিত করছি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
October
(602)
-
▼
Oct 21
(18)
- রাজনীতিক, ফুটবলার, হলিউড তারকাদের সেক্স পার্টি
- কাশ্মীর: সর্বনাশের ঝুঁকি, তবুও বাকি বিশ্বের অনীহা ...
- সম্রাটের অস্ত্র ভাণ্ডারের খোঁজ মিলেছে by আল-আমিন
- আটক ৪ ইসরাইলি সেনার বিষয়ে ভিডিও বার্তা দিল হামাস
- রণক্ষেত্র বোরহানউদ্দিন পুলিশের গুলি, নিহত ৪ by মনি...
- বৃটেনে ব্রেক্সিট বিরোধী ঐতিহাসিক বিক্ষোভ
- টক অব দ্য কান্ট্রি মেননের বক্তব্য, নেপথ্যে কি? by ...
- বৃটিশ রাজনীতিতে নাটকীয়তা: ইইউতে স্বাক্ষরবিহীন চিঠি...
- সিঙ্গাপুরে রাজার হালে ক্যাসিনো ডন সাঈদ by মিজানুর ...
- কুর্দিদের মাথা চূর্ণ করে দেয়ার হুঁশিয়ারি এরদোগানের
- মোহাম্মদপুরের সুলতানের পতন: বেরিয়ে আসছে আরো অপকর্ম...
- যেমন চলছে ‘মা ছাড়া গ্রামের’ শিশুদের জীবন
- ‘কংগ্রেস সরকার পাকিস্তানকে দুই টুকরো করেছিল, প্রধা...
- ইলিয়াস কোথায়- সাত বছরেও উত্তর মেলেনি by ওয়েছ খছরু
- সত্যজিতের চলচ্চিত্রে নারী by সুদীপ্ত মিত্র
- কর্মক্ষেত্রে ভালো থাকার তাঁদের ৫ উপায়
- বীমা খাতেও দুরবস্থা মেয়াদ শেষেও টাকা ফেরত পান না গ...
- মালচিং পদ্ধতিতে লাউ চাষে দিদারের সাফল্য by এস আলম ...
-
▼
Oct 21
(18)
-
▼
October
(602)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


