Monday, November 20, 2023
প্রেগন্যান্সি টেস্টের সেকাল-একাল by মুহসিনা মিঠা

আগেকার দিনে একজন নারী গর্ভবতী কিনা তা নিশ্চিত হতে প্রকৃতির উপরেই নির্ভর করতে হত, যা কিনা ছিল অনেকটা Wait and See এর মত। তবে মানবসভ্যতা কখনোই প্রকৃতির উপরে ভরসা করে চলেনি, বরং মানুষের নিজের মত করে প্রকৃতি জয় করার চেষ্টা ছিল সবসময়ই। আর এরই প্রমাণ বিভিন্ন মানবসভ্যতায় ব্যবহৃত অদ্ভুত সব গর্ভনিশ্চিতকরণ পদ্ধতি। এর ভেতরে অনেকগুলি পরে বৈজ্ঞানিকভাবে সত্যও প্রমাণিত হয়েছে। তারমধ্যে ঐতিহাসিক কয়েকটি পরীক্ষার কথা চলুন জেনে আসা যাক।
১. গম আর বার্লি বলবে গর্ভবতী কি না!
যীশু খৃষ্টের জন্মেরও প্রায় ১৩০০ বছর আগে মিশরীয় মেয়েরা গর্ভবতী কিনা তা জানতে এক অদ্ভুত পদ্ধতি ব্যবহার করত। ঋতুস্রাব বন্ধ অথবা বিলম্ব হলে গর্ভধারণ নিশ্চিত করার জন্যে মেয়েরা দুইটি পাত্রে রাখা গম আর বার্লির বীজের উপরে মূত্রত্যাগ করত। কিছুদিন মূত্রত্যাগের পর সেই বীজ থেকে গাছ হয়েছে কিনা তা দেখা হত। বলা হয়ে থাকে যে, গমের বীজ থেকে চারা বের হলে অনাগত সন্তান মেয়ে আর বার্লির বীজ থেকে চারা বের হলে সেক্ষেত্রে ছেলে হবার সম্ভাবনা বেশি ধরা হত। আর কোন বীজ থেকেই যদি চারা বের না হত সেক্ষেত্রে সেই নারী গর্ভবতী না বলে ধারণা করা হত।
ছেলে কিংবা মেয়ে হওয়ার ব্যাপারটা ব্যাখ্যা না করা গেলেও বীজ থেকে চারা বের হওয়াটা যে গর্ভধারণের সাথে সম্পর্কিত তা আবিষ্কার হয়েছে ১৯৬৩ সালে। গর্ভবতী নারীর মূত্রে থাকা অত্যাধিক ইস্ট্রোজেন বীজ থেকে চারা হবার জন্যে সহায়ক- ইংল্যান্ডের একদল গবেষক এমনটাই মত দিয়েছেন। তারা আরো বলেন, এই পদ্ধতিতে মিশরীয়রা ৭০% ক্ষেত্রেই নির্ভুল ফল পেয়ে থাকত।
২. পি ফর পিঁয়াজও!
গর্ভধারণ নিশ্চিতকরণে প্রাচীন মিশরীয়দের মত প্রাচীন গ্রীকেরাও পিছিয়ে ছিল না। গ্রীকদের বরাবরই হিউম্যান এনাটমিতে ভাল দখল ছিল। সেই এনাটমির উপর ভর করেই তারা মিশরীয়দের থেকেও অদ্ভুত পদ্ধতি আবিষ্কার করেছিল। পদ্ধতিটি ছিল এরকম, “কোন নারী যদি সন্দেহ করে সে গর্ভবতী, তবে তা নিশ্চিত হতে যেন সে ঘুমানোর আগে যোনীপথে পিঁয়াজ ঢুকিয়ে রাখে। যদি সকালে ঘুম থেকে উঠে তার মুখে পিঁয়াজের গন্ধ পাওয়া যায় তবে সে গর্ভবতী নয় আর যদি পাওয়া না যায় তবে সে গর্ভবতী।”
![]() |
| গম আর বার্লির বীজ- এটি ব্যবহার করেই মিশরীয় মেয়েরা গর্ভবতী কিনা নিশ্চিত হত |
![]() |
| চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটস |
***“কোন নারী গর্ভবতী কিনা তা নিশ্চিত হতে সে যেন রাত্রে ঘুমাতে যাবার আগে পানির সাথে অল্প মধু মিশিয়ে পান করে। গর্ভবতী হলে সেক্ষেত্রে সে তার পেট ফাঁপছে এমন বোধ করবে।”
৩. পিস প্রফেটস
ইউরোপে ১৬ শতকে একদল মানুষ নিজেদেরকে ‘পিস প্রফেটস’ (Piss Prophets) বলে পরিচয় দিত। তারা দাবী করত, মূত্র দেখেই তারা একজন নারী গর্ভবতী কিনা তা বলে দিতে পারে! তারা মূলত মূত্রের সাথে সামান্য মদ মিশিয়ে তা দেখে বলতে পারত গর্ভবতী কিনা।
পরবর্তীতে বিজ্ঞানীরা এটির ব্যাখ্যা দিয়েছেন এভাবে- গর্ভবতীদের মূত্রে থাকা অধিক প্রোটিন মদের সাথে বিশেষ বিক্রিয়া করত, যা দেখে সে নারী গর্ভধারণ করেছে বলতে পারাটা আদৌ কঠিন কিছু ছিল না।
৪. চোখ দেখে যায় চেনা
১৬ শতাব্দীর প্রখ্যাত চক্ষুবিদ ডা. জ্যাকিস গিলিমে বলেন, নারীর চোখ দেখে সে গর্ভবতী কিনা তা বলে দেয়া সম্ভব। একজন সন্তানসম্ভবা নারীর চোখের পিউপিল বা তারারন্ধ্র স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট থাকবে এবং চোখের আশেপাশের শিরাগুলিও সুস্পষ্ট হবে- এমনটাই দাবি করেন তিনি।
তার এই ব্যাখ্যার অবশ্য বিপক্ষে মতই বেশি পাওয়া যায়। তবে এটা মেডিকেল সায়েন্সে স্বীকৃত যে গর্ভকালীন অবস্থায় চোখের দৃষ্টিতে পরিবর্তন আসাটা অস্বাভাবিক নয়। এই কারণে ‘কেবল গর্ভাবস্থায়’ চোখের দৃষ্টিতে সমস্যা মনে হলে কোনরকম ওষুধপথ্য নিতে মানা করেন চিকিৎসকরা।
৫. চ্যাডউইক’স টেস্ট
১৮৮৬ সালে আমেরিকান গাইনাকোলজিকাল এসোসিয়েশনের একটি সভায় ডা. জেমস চ্যাডউইক নামের একজন চিকিৎসক প্রথম মত দেন যে, গর্ভকালীন ৬ষ্ঠ থেকে অষ্টম সপ্তাহে যোনীপথে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। এতে করে সেখানে কোষগুলি গাঁঢ় নীলাভ অথবা লালচে বেগুনি মত রঙ ধারণ করে।
![]() |
| পিস প্রফেটসদের ব্যবহৃত ডায়াগ্রাম |
৬. খরগোশ বলে দিবে গর্ভবতী কিনা
১৯২০ সালে দুইজন জার্মান বিজ্ঞানী আশেইম ও জোনদেক মত দেন যে, গর্ভবতী নারীদের মূত্রে এমন একটি হরমোন আছে যা কিনা খরগোশের গর্ভাশয় এর বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। এই হরমোনটি আসলে HCG (হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন), হিউম্যান প্রেগনেন্সি কিটে যার মাধ্যমে গর্ভধারণ নিশ্চিত করা হয়।
![]() |
| ডা. জ্যাকিস গিলিমে- প্রখ্যাত চক্ষুবিদ ও গাইনি বিশেষজ্ঞ |
৭. প্রেগন্যান্সি কিট
বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ‘প্রেগন্যান্সি কিট’ মূত্রে থাকা HCG হরমোনের উপস্থিতি বলে দেয়, যে হরমোন কেবল গর্ভাবস্থায় একজন মায়ের শরীরে উৎপন্ন হয়। ১৯২০ সালে র্যাবিট টেস্টের হাত ধরেই পরবর্তীতে ১৯৬৮ সালে উদ্ভাবিত হয় এই প্রেগন্যান্সি কিট।
![]() |
| জেমস চ্যাডউইক- চ্যাডউইক টেস্টের আবিষ্কর্তা |
মেডিকেল সায়েন্সে একটা কথা প্রচলিত আছে যে, P for Pee and P for Pregnancy. অবাক না হয়ে পারা যায় না, মিশরীয়রা সেটি আবিষ্কার করেছিল আজ থেকে প্রায় তিন হাজার বছর আগেই! এরপরে বিভিন্ন সভ্যতায় বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়েছে, তবে অধিকাংশ পদ্ধতিতেই গর্ভবতী মায়ের মূত্রের ব্যবহার লক্ষণীয়। বর্তমানে প্রেগন্যান্সি কিটে গর্ভধারণের ১০ দিনের মাথায় জানতে পারা যায়। অদূর ভবিষ্যতে হয়ত এমন প্রেগন্যান্সি টেস্ট আসবে যা কিনা আরো দ্রুত বলে দিতে পারবে গর্ভধারণের কথা, এমনটাই আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।
![]() |
| প্রেগন্যান্সি কিট |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Wednesday, November 15, 2023
পাইলস কি অপারেশন করলে আবারো হয় by অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল হক

আধুনিক প্রযুক্তির ফলে অপারেশন ছাড়াই বেশির ভাগ পাইলস রোগীর চিকিৎসা সম্ভব। এ পদ্ধতির নাম হচ্ছে রিং লাইগেশন পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে চিকিৎসার ফলে এখন ৮০-৯০% পাইলস রোগী অপারেশন ছাড়াই ভালো হচ্ছেন। লেখক বিগত নয় বছরে এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা করে চমৎকার ফল পেয়েছেন। প্রথিতযশা আমেরিকান কলোরেক্টাল সার্জন ডা. মারভিল এল করম্যান এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা করে বলেন যে, আমি এখন ৮০-৯০% পাইলস রোগীকে অপারেশন এড়াতে পারছি।
প্রায়ই আমরা একটি বিব্রতকর সমস্যার সম্মুখীন হই। সেটি হচ্ছে সম্মানিত রোগীরা জিজ্ঞাসা করেন যে, শুনেছি পাইলস অপারেশন করলে আবার হয়, তাই আর অপারেশন করে লাভ কি? এক কথায় এর উত্তর দেয়া যায় না। রোগীদের এ প্রশ্নের উত্তর দেয়ার পূর্বে আমাদের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাস পর্যালোচনা করা দরকার। রেকটাম ও মলদ্বারের অনেক রোগ আগের যুগে অপারেশন করে ভালো করা দুষ্কর ছিল। পাইলস বা ফিস্টুলা অপারেশন করলে আবার হওয়াই ছিল নিয়ম। এ প্রসঙ্গে আমি আমেরিকান সার্জন অধ্যাপক ডা. মারভিন এল করম্যানের লেখা ‘কোলন-এর রেকটাল সার্জারি’ নামক টেক্সট বই থেকে একটি উদ্ধৃতি দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে এবং এ জাতীয় সার্জারির অতীত পেক্ষাপট বুঝতে সুবিধা হবে। অধ্যাপক ডা. করম্যান তার বইয়ে লেখেন যে, বিগত দুই হাজার বছর ধরে মলদ্বারে ফিস্টুলার ওপর অসংখ্য বই ও বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা প্রমাণ করে যে এটি একটি বিশেষ সমস্যা এবং ফিস্টুলার অপারেশনের ব্যর্থতার জন্য সার্জনদের যত বদনাম হয়েছে অন্য কোনো অপারেশনে আজ পর্যন্ত তা হয়নি। এ কারণে ১৮৩৫ সালে ডা: স্যালমন লুনের কেন্দ্রে একটি আলাদা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন যার নাম দেয়া হয় সেন্ট মার্কস হসপিটাল ফর দ্য ডিজিজেস অব কোলন অ্যান্ড রেকটাম। যে হাসপাতালের উদ্দেশ্য ছিল বৃহদন্ত্র ও পায়ুপথেরে বিভিন্ন রোগের চিকিৎ করা এবং এ জাতীয় বিশেষজ্ঞ সার্জন তৈরি করা। যারা এ জাতীয় রোগগুলো বিশেষজ্ঞ হিসবে নৈপুণ্যের সঙ্গে চিকিৎসা করবেন যাতে আবার হওয়ার বদনাম থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায়।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে আমরা বুঝতে পারছি সম্মনিত রোগীদের প্রশ্নের যথাযথ এবং এর ঐতিহাসিক প্রাসঙ্গিকতা। বিগত ১৬৫ বছর ধরে উন্নত দেশগুলোতে এ কারণেই বৃহদন্ত্র ও পায়ুপথ সার্জারি একটি আলাদা বিশেষজ্ঞ বিভাগ হিসেবে স্বীকৃত। এবার আসা যাক মূল প্রশ্নের তাত্ত্বিক আলোচনায়। প্রশ্ন হচ্ছে- পাইলস অপারেশনের পর আবার হয় কি না। মলদ্বারে সাধারণত হয় এমন তিনটি রোগ পাইলস, এনাল ফিশার ও ফিস্টুলা। কিন্তু সাধারণ রোগীরা সব রোগকেই পাইলস বলে মনে করেন। তাই এসব রোগের চিকিৎসার পর যখন কোনো সমস্যা হয় তখন তারা পাইলস আবার হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।
চিকিৎসা বিজ্ঞানে যাকে পাইলস বা হেমোরায়েড বলে সেটি অপারেশনের পর আবার হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা ২ ভাগ। বেশির ভাগ রোগী যারা পাইলস আবারো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন, তারা এটি বলতে সাধারণত বোঝান মলদ্বারে বাড়তি ত্বক বা মাংসপিণ্ড অথবা চুলকানি হয়েছে এটিকেও কেউ কেউ আবার পাইলস হয়েছে বলে ধরে নেন। এ সমস্যাগুলো দ্বারা পাইলস আবার হয়েছে বোঝায় না। মলদ্বারের চুলকানি বিভিন্ন রোগের একটি লক্ষণ মাত্র। খুবই কম অর্থাৎ ২% ক্ষেত্রে হলেও পাইলস আবার হতে পারে।
ব্যাপারটি কি করে ঘটে তা বোঝাতে বিস্তারিত ব্যাখ্যার প্রয়োজন। এ ব্যাপারটি ঘটার পেছনে অপারেশনের একটি কৌশলগত কারণ রয়েছে। অপারেশনের সময় যে শিরাগুলো স্বাভাবিক বলে মনে হয়েছিল পরবর্তী সময়ে মলদ্বারের চাপ বৃদ্ধি পাওয়া অথবা কোলাটারাল রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে কয়েক বছর পর এগুলো পাইলস আকারে দেখা দিতে পারে। তাছাড়া পাইলস যখন খুব বড় হয় তখন মনে হয় মলদ্বারের চতুর্দিকের সব এলাকাই পাইলসে ভর্তি। তখন একজন সার্জনের মনে হয় সব স্ফীত অংশই কেটে ফেলে দিতে হবে। না হলে পাইলস থেকে যাবে। যদি এভাবে সবকিছু কেটে ফেলে দেয়া হয় তাহলে মলদ্বার সঙ্কুচিত হয়ে মলদ্বারে বাধা সৃষ্টি হবে। এ ক্ষেত্রে সঠিক কৌশলটি হচ্ছে- দুটি পাইলসের মাঝখানে আমাদের বাধ্যতামূলকভাবে কিছু ঝিলি ও ত্বক সংরক্ষণ করতে হবে। যেহেতু এর তলদেশে পাইলসের শিরাগুলো বিস্তৃত থাকে তাই ঝিলির তলদেশে থেকে সতর্কতার সঙ্গে এ শিরাগুলোকে কেটে নিয়ে আসতে হবে। এ কৌশল অবলম্বন করলে পাইলসের শিরাগুলো যেমন সম্পূর্ণরূপে অপসারণ করা সম্ভব, তেমনি দুটি পাইলসের মধ্যবর্তী ঝিলির এবং ত্বকও সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে, যাতে মলদ্বারে সঙ্কুচিত (Anal Stenosis) হওয়ার সম্ভাবনাও থাকবে না।
যা হোক, অপারেশনের পর অল্প কিছু ক্ষেত্রে যখন আবারো পাইলস দেখা দেয়, তখন এগুলোর উপসর্গ ততটা তীব্র হয় না। এটিকে তখন বিনা অপারেশনে রিং লাইগেশন চিকিৎসা করা সম্ভব। সাধারণত আবার অপারেশনের প্রয়োজন হয় না।
ব্যক্তিগত মতামত : লেখক বিগত নয় বছরের ২৯,৬৩৫ জন পায়ুপথের সমস্যায় ভুগছেন এমন রোগীদের ওপর গবেষণা করে দেখেছেন যে, পাইলস ও ফিস্টুলা রোগ অপারেশন করলে আবার হয়, এ ধারণা সম্পূর্ণ অমূলক। তবে বিনা অপারেশনে রিং লাইগেশন পদ্ধতিতে পাইলস চিকিৎসা করলে ৯০ শতাংশ রোগী ভালো হন, বাকিদের অপারেশন প্রয়োজন হয়।
>>>লেখক : বৃহদন্ত্র ও পায়ুপথ বিশেষজ্ঞ, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, (অব) কলোরেকটাল সার্জারী বিভাগ, বিএসএমএমইউ, ঢাকা।
>>>চেম্বার : ইডেন মাল্টি-কেয়ার হসপিটাল, ৭৫৩, সাতমসজিদ রোড, (ষ্টার কাবাব সংলগ্ন) ধানমন্ডি, ঢাকা। ফোন : ০১৭৫৫৬৯৭১৭৩-৬
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Friday, November 10, 2023
কোনো ইহুদিরাষ্ট্র ৮০ বছর টেকে না—যে ভয়ে ভীত ইসরায়েল by সারফুদ্দিন আহমেদ
সর্বশেষ ঘটনায় ইসরায়েলের একজন মন্ত্রী বলেছেন, গাজায় পারমাণবিক বোমা ফেলা উচিত। মনে হচ্ছে, এক ধরনের আতঙ্ক বা ফোবিয়ায় ইসরায়েল আক্রান্ত হয়েছে। মনে হচ্ছে, অস্তিত্ব সংকটে পড়ার মতো কোনো অনুভূতি রাষ্ট্রটির নেতাদের আচ্ছন্ন করে ফেলেছে।
সব দিক থেকে সমৃদ্ধ ও সুসজ্জিত থাকার পরও ইসরায়েল এমন অস্থির আচরণ কেন করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এটি নিয়ে বাইরের গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি হচ্ছে। এই প্রবন্ধটি লেখার ক্ষেত্রে সেসব সূত্র থেকে সহায়তা নেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েল কেন গাজায় উন্মত্ত আচরণ করছে, কেন তারা গোটা গাজাকে গিলে ফেলার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে, তার জবাব খুঁজতে গিয়ে ইসরায়েলকে জড়িয়ে ‘অষ্টম দশকের অভিশাপ’ শব্দগুচ্ছটি আবার জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে।
ইংরেজিতে এই টার্মটিকে বলে ‘কার্স অব এইট্থ ডেকেড’। আরবিতে বলে ‘লা'নাতুল আকদিস সামিন’।
‘অষ্টম দশকের অভিশাপ’ টার্মটির জন্ম হয়েছে ইহুদিদের অতিগুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ন্যায়শাস্ত্র তালমুদ-এর একটি ভবিষ্যদ্বাণী থেকে। (এইখানে বলে রাখা ভালো, তালমুদ কিন্তু ইহুদি সম্প্রদায়ের ধর্মগ্রন্থ তাওরাত নয়।
এটি তাওরাতের আলোকে ইহুদি পণ্ডিতদের রচিত নীতি ও আইন শাস্ত্র যা ইহুদিদের প্রাত্যহিক জীবনের করণীয়, পালনীয়, পরিত্যাজ্য বিষয়গুলোকে বাতলে দেয়)।
এই তালমুদের একটি ভবিষ্যদ্বাণী হলো: কোনো ইহুদি রাষ্ট্র আট দশকের বেশি টিকবে না। ভেঙে যাবে। আর সে ভাঙন বাইরের কোনো শক্তির কারণে হবে না। হবে নিজেদের মধ্যকার জাতি-উপজাতির কোন্দল থেকে। বাস্তবিক দেখাও গেছে তাই।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, গত দুই হাজার বছরে বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় সার্বভৌম ইহুদি রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর মধ্যে কিং ডেভিডের (ইসলামে যিনি নবী দাউদ আঃ) রাজত্ব আর হাসমোনিয়ান রাজত্ব ছাড়া আজ পর্যন্ত কোনো ‘ইহুদি রাজ্য’ ৮০ বছরের বেশি টেকেনি।
কিং ডেভিডের রাজত্ব ও হাসমোনিয়ান রাজত্ব ৮০ বছরের বেশি টিকে থাকলেও এই দুই রাজত্বের ভাঙন ধরেছিল ৮০ বছরের মাথায়। এরপর সে দুটো রাজত্ব টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছিল।
আজকের আধুনিক এই ‘ইহুদি রাষ্ট্র’ ইসরায়েলের জন্ম হয়েছিল ১৯৪৮ সালের ১৪ মে। ২০২৮ সালে ৮০ বছর পূরণ হবে। তার মানে হাতে আছে চার বছর। তালমুদের ভবিষ্যদ্বাণী সত্য হলে আর তিন-চার বছরের মধ্যে ইসরায়েল রাষ্ট্রটি ভেঙে যাওয়ার কথা। ইসরায়েলিদের অনেকের মনে ভয়, তা হলে কি সেটাই ঘটতে যাচ্ছে?
শুধুমাত্র ধর্ম কিংবা ভবিষ্যদ্বাণীতে বিশ্বাসী সাধারণ মানুষের মধ্যে যদি এই প্রশ্ন সীমাবদ্ধ থাকত তাহলে হয়তো এ নিয়ে রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে কোনো চর্চা হতো না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই ‘অষ্টম দশকের অভিশাপ’ কথাটি এমন সব নেতাদের মুখ থেকে উচ্চারিত হয়েছে যার প্রবল রাজনৈতিক প্রভাব আছে।
যেহেতু ইসরায়েলের ইহুদি সম্প্রদায়ের লোক তাদের ধর্মগ্রন্থ তাওরাতে বিশ্বাসী ও তালমুদের আদেশ-নিষেধ সংক্রান্ত প্রত্যাদেশের অনুসারী, সেহেতু ইসরায়েলের বাসিন্দাদের একটি বিরাট অংশ ‘অষ্টম দশকের অভিশাপ’ নিয়ে নিজেদের মধ্যে সিরিয়াস আলাপ আলোচনা করে থাকেন।
লেবানন থেকে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের কোনো কোনো প্রতিবেদন বলছে, যেহেতু ইসরায়েলের বয়স এখন ৭৭ বছর, সেহেতু অনেক ইহুদি ইসরায়েলের ওপর কোনো দুর্যোগ নেমে আসলে কীভাবে সেখান থেকে সরে যাবেন, তা নিয়ে আলাপ আলোচনা করছেন। তারা এই ন্যাচারাল ফেনোমেনন বা প্রাকৃতিক প্রপঞ্চ অমোঘ নিয়মে নেমে আসতে পারে বলে বিশ্বাস করেন।
ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাক (যিনি কিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে দেশটির সেনাপ্রধান হিসেবে ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সম্মানসূচক মেডেল পেয়েছিলেন) গত বছর ইসরায়েলের ‘ইয়েদিয়ত আহরোনত’ পত্রিকায় এক নিবন্ধে তিনি লিখেছিলেন, ‘ইহুদিদের গোটা ইতিহাসে দুটি ছাড়া ৮০ বছরের বেশি স্থায়ীত্বকালের কোনো রাষ্ট্র ইহুদিদের ছিল না। সে দুটির একটি হলো, কিং ডেভিডের রাজত্ব ও হাসমোনিয়ান রাজত্ব।
উভয় রাজত্বকালের ভাঙনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল অষ্টম দশকে। অষ্টম শতকের দ্বারপ্রান্তে এসে ফিকে হতে থাকা আগেকার সেই ইহুদি রাজ্যগুলোকে যে বিভাজন জর্জরিত করছিল, সেই বিভাজন থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।’
ওই নিবন্ধে এহুদ বারাক বলেছেন, ইসরায়েল সমাজে বিভাজন ও বিভেদ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। বামপন্থী বনাম ডানপন্থী; ধর্মীয় গ্রুপ বনাম সেক্যুলার গ্রুপ; ধর্মীয় জায়নবাদী বনাম ধর্মীয় ইহুদিবাদী গোটা ইসরায়েলি সমাজকে শতধা বিভক্ত করছে যা ইসরায়েল রাষ্ট্রটির জন্য হুমকি হয়ে পড়েছে।
এহুদ বারাকের মতোই বিভক্তি নিয়ে তারও আগে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছিলেন, ইসরায়েলের সাবেক প্রেসিডেন্ট রিউভেন রিভলিন। ২০১৭ সালে তিনি হার্জলিয়া কনফারেন্সে দেওয়া ভাষণে বলেছিলেন, ইসরায়েলে ৩৮ শতাংশ সেক্যুলার ইহুদি, ১৫ শতাংশ জায়নবাদী ইহুদি, ২৫ শতাংশ আরব এবং জায়নবাদী নয় এমন উগ্র অর্থোডক্স মৌলবাদীরা আছে ২৫ শতাংশ। রিউভেন বলেছিলেন, এরা নিজেদের মধ্যে যেভাবে বিবাদে জড়াচ্ছে তা উদ্বেগের বিষয়।
রিউভেন বলেছিলেন, ‘আমরা জায়নবাদীরা এই বাস্তবতা কি মেনে নিতে পারি? আমরা কি এই বাস্তবতা মেনে নিতে পারি যে, ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক (আরব ও ফান্ডামেন্টালিস্ট ইহুদি) নিজেদের জায়নবাদী মনে করে না এবং আমাদের জাতীয় সংগীত গায় না?’
২০১৭ সালে ইসরায়েলের হারেৎজ পত্রিকায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছিলেন, ইসরায়েলকে অবশ্যই অস্তিত্ব বিষয়ক হুমকির কথা মাথায় রেখে এক হয়ে থাকতে হবে।
তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের মাথায় রাখতে হবে, ১৪০ বছর ধরে কেনান শাসন করা হাসমোনিয়ান ইহুদিরাও ৮০ বছরের বেশি একতা ধরে রাখতে পারেনি।’
চলতি দফায় প্রধানমন্ত্রিত্ব নেওয়ার আগে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছিলেন, ইসরায়েলকে আট দশকের অভিশাপ থেকে মুক্তি দেওয়ার নিশ্চয়তা তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারই দিতে পারে।
আর এর আগের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট ২০২০ সালে তাঁর নির্বাচনী প্রচারে বলেছিলেন, একমাত্র তাঁর সরকারই অষ্টম দশকের অভিশাপকে মিথ্যা প্রমাণ করে দিতে পারে। তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের অবশ্যই দেশের ভেতর থেকে ভেঙে না পড়ার দিকে মনোনিবেশ করতে হবে; কারণ ইসরায়েলের মুখোমুখি সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা হলো অভ্যন্তরীণ বিচ্ছিন্নতার ঝুঁকি। আমরা সেই বিলুপ্তির ঝুঁকিতে আছি যা ইহুদিদের পূর্ববর্তী রাজ্যগুলোর সঙ্গে ঘটেছিল।’
অর্থাৎ এই ‘অষ্টম দশকের অভিশাপ’ নিয়ে যে একটি ধারণা ইহুদিদের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে, সেটি এই নেতাদের কথায় বোঝা যায়।
দ্য মিডল ইস্ট মনিটর পত্রিকায় ২০২২ সালের ১২ মে প্রকাশিত একটি কলামে লিগ অব পার্লামেন্টারিয়ানস ফর আল কুদস-এর মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মাকরাম বালাবি বলেছেন, ইসরায়েলিদের মধ্যে নানা বিভেদ ইতিমধ্যেই দৃশ্যমান হচ্ছে। হেরেদি সম্প্রদায় ও ধর্মীয় জায়নবাদীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব অনেক গভীর হয়েছে।
হেরেদি সম্প্রদায় জায়নবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে থাকেন, তারা তাওরাতের শিক্ষার পরিপন্থী কাজ করে থাকেন এবং তাঁদের জুলুমের কারণেই মুসলমানদের দিক থেকে ইহুদিদের ওপর পাল্টা আঘাত আসে। আর জায়নবাদীরা হেরেদি সম্প্রদায়কে আরবদের তোষণকারী বলে থাকে। এ ইস্যুতে আদর্শগতভাবে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব গভীর হচ্ছে।
‘অষ্টম দশকের অভিশাপ’ শুধু যে ইহুদি সমাজে আলোচিত হয় তা নয়, ফিলিস্তিনি ও আরব নেতাদের কথার মধ্যেও সেই শাস্ত্রীয় অভিশাপের উল্লেখ অনেকবার এসেছে।
২৫ বছর আগে হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শেখ আহমাদ ইয়াসিন বলেছিলেন, ইসরায়েলের ভেঙে পড়ার সময়কাল শুরু হয়ে গেছে।
হামাসের বর্তমান মুখপাত্র আবু উবায়দাও তাঁর সর্বশেষ ঘোষণায় ইহুদিদের উদ্দেশে বলেছেন, ইসরায়েলের সময় শেষ। এই যুদ্ধই চূড়ান্ত যুদ্ধ।
অবশ্য ইতিহাসবেত্তাদের অনেকে বলছেন, যেহেতু এর আগের সবগুলো ইহুদি রাজ্য ৮০ বছরের মধ্যে ভেঙে পড়েছে, সে কারণে ভবিষ্যতে যাতে ইহুদিরা নিজেদের মধ্যে হানাহানি করে শেষ না হয়ে যায়; তাঁরা যাতে একতাবদ্ধ থাকে; সে জন্য ধর্মীয় নেতারা এই অভিশাপের কথা বলেছেন।
অনেকে বলছেন, ৮০ বছরে তৃতীয় প্রজন্মের উদ্ভব হয়। তাঁরা বলছেন, একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর প্রতিষ্ঠাকালীন প্রজন্ম সাধারণত ঐক্যবদ্ধ থাকে। তাঁদের সন্তানদের মধ্যে, অর্থাৎ দ্বিতীয় প্রজন্মের মধ্যে কিছুটা বিরোধ তৈরি হয়।
আর দ্বিতীয় প্রজন্মের সন্তানদের মধ্যে, অর্থাৎ তৃতীয় প্রজন্মের মধ্যে সেই বিরোধ চূড়ান্ত রূপ নেয়। এতে মোটামুটি ৮০ বছর সময় লেগে যায়। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে ইসরায়েলের নাগরিকদের পারস্পরিক মতানৈক্য হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু ২০২৮ সালের মধ্যে ইসরায়েল নামক শক্তিশালী রাষ্ট্রটি অন্তর্কোন্দলে ভেঙে যাবে তা কোনো যুক্তির কথা নয়।
তাঁরা এই অভিশাপের ধারণাটিকে ধর্মীয় কুসংস্কার বলে উড়িয়ে দিতে চান।
কিন্তু যেহেতু ইসরায়েলের জনগণের মনে এ নিয়ে একটা আতঙ্ক রয়ে গেছে, সেহেতু হামাসের সর্বশেষ এই হামলাকে তাঁদের অনেকে ‘অষ্টম দশকের অভিশাপের’ সঙ্গে মিলিয়ে ফেলছেন।
এতে তাঁরা প্রচণ্ড ভয় পাচ্ছেন এবং সে কারণেই হয়তো ইসরায়েল সরকার সাধারণ জনমানসকে আশ্বস্ত করতে দানবের মতো প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।
* সারফুদ্দিন আহমেদ, প্রথম আলোর সহকারী সম্পাদক
_ sarfuddin2003@gmail.com
![]() |
| মনে হচ্ছে, এক ধরনের আতঙ্ক বা ফোবিয়ায় ইসরায়েল আক্রান্ত হয়েছে। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






