Friday, September 4, 2015
শিশু আয়লানকে সিরিয়ায় দাফন
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লতিফ সিদ্দিকীর পদত্যাগ সাংবিধানিকভাবে হয়নি : সুরঞ্জিত
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু একাডেমী আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা হাজী মোহাম্মদ সেলিম।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যাটা সঙ্কটে পরিণত হওয়ার আগেই শিক্ষামন্ত্রীকে দ্রুত সমাধান করার পরামর্শ দিয়ে সুরঞ্জিত সেন বলেন, ভিসি নিজ স্বার্থে ছাত্রদের ব্যবহার করে শিক্ষকদের সাথে দুর্ব্যবহার করেছেন। এর দায় নিয়ে হয় তিনি নিজ থেকে পদত্যাগ করবেন, না হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাকে অপসারণ করবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘আইআরআই’র জরিপ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের এই উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বলেন, সরকারের জনপ্রিয়তা বেড়েছে; প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা আরো বেড়েছে। এটা আমাদের কথা নয়, আমেরিকার গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জরিপ এটা বলেছে। সুতরাং বিএনপির মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে আর প্রশ্ন থাকার কথা নয়। আশা করি বিএনপি তাদের দল গোছানোয় ব্যস্ত থাকবেন। যথাসময়েই নির্বাচন হবে।
রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিয়ে মেয়রদের উদ্দেশ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, খাল বন্ধ হয়ে গেছে এই অজুহাত দেখিয়ে চোখ বন্ধ থাকলে কেমন করে বন্ধ খাল খুলবে। প্রয়োজনে আইন করে যেসব ব্যবসায়ীরা খাল বন্ধ করেছে টাস্কফোর্স গঠন করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। সমস্যার সমাধান করতে হবে। জনগণকে দুর্ভোগ থেকে রেহাই দিতে হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফজাল-মেমনের ফাঁসি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত : বিচারপতি এ পি শাহ
![]() |
| আফজাল গুরু এবং ইয়াকুব মেমন, ইনসেটে বিচারপতি এ পি শাহ |
ভারতের জাতীয় আইন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি অজিত প্রকাশ শাহ (এ পি শাহ) এক সংবাদ চ্যানেলে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, আফজাল গুরুর ক্ষমা প্রার্থনার আবেদনপত্র দীর্ঘ সময় ধরে মুলতুবি রাখা হয়েছিল। পরে সরকার আচমকাই তার ফাঁসি কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেয়।
ইয়াকুব মেমন প্রসঙ্গে বিচারপতি অজিত প্রকাশ শাহ বলেন, ‘মেমনের ক্ষেত্রে সবকিছু খতিয়ে দেখলে তার ফাঁসি হওয়ার কথা নয়।’ সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বহু বছর ধরে কারাগারে থাকলে তার ফাঁসি হওয়া দুষ্কর হয়।
বিচারপতি বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের মধ্যে এ নিয়ে মতাদর্শগত পার্থক্য ছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে পাঠানো হয়।’
তিনি বলেন, ‘প্রাণ ভিক্ষার আবেদন খারিজ হওয়ার পরে ১৪ দিনের মধ্যে ফাঁসি কার্যকর করা যায় না। এক্ষেত্রে সেই নিয়ম মানা হয়নি। আর ফাঁসি এমন এক রায় যার উপরে কোনো শাস্তি হয় না।’ ফাঁসি দিয়ে সন্ত্রাস ঠেকানো যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তার দাবি, সরকার এ ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করে পদক্ষেপ নিয়েছে এবং এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিষয়।
১৯৯৩ সালে মুম্বাইতে ধারাবাহিক বোমা হামলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় গত ৩০ জুলাই ইয়াকুব মেমনের ফাঁসি হয়। ২০০১ সালের ১৩ ডিসেম্বর পার্লামেন্টে হামলা চালানোর দায়ে আফজাল গুরু দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তাকে ফাঁসি দেয়া হয়।
গত ফেব্রুয়ারিতে কংগ্রেস নেতা শশী থারুর, আফজাল গুরুর ফাঁসি দেয়া ভুল ছিল বলে মন্তব্য করেন। একইভাবে ইয়াকুব মেমনের ফাঁসির বিরোধিতা করেছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
এবার দিল্লি হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি এবং জাতীয় আইন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি অজিত প্রকাশ শাহ বললেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই আফজাল গুরু এবং ইয়াকুব মেমনকে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল।
সূত্র : রেডিও তেহরান
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুসলিম দম্পতির দুটির বেশি সন্তান হলে শাস্তি দেয়া উচিত : তোগাড়িয়া
তিনি এর আগে বলেছিলেন, 'যদি এরকম পরিস্থিতি চলতে থাকে তাহলে ভারত থেকে হিন্দু ওইভাবে সাফাই হয়ে যাবে যেরকম আফগানিস্তান এবং কাশ্মীরে হয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর সাধু সম্মেলনে এই বিষয়টি তোলা হবে বলেও জানিয়েছিলেন তোগাড়িয়া।
প্রসঙ্গত, ২০০১ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত আদমসুমারি রিপোর্টে প্রকাশ, ভারতের মোট জনসংখ্যা ১২১.০৯ কোটি। এরমধ্যে হিন্দু জনসংখ্যা ৯৬.৬৩ কোটি। অন্যদিকে, মুসলিম জনসংখ্যা মাত্র ১৭ কোটি ২২ লাখ।
২০০১ সালে মুসলিম জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার ছিল ২৯.৫২ শতাংশ। ২০১১ সালে এই বৃদ্ধির হার কমে ২৪.৬০-এ দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, ২০০১ সালে হিন্দু জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ১৯.৯২ শতাংশ। ২০১১ সালে এই বৃদ্ধির হার ১৬.৭৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে, মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে, হিন্দু জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমেছে মাত্র ৩ শতাংশ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে গরু না পাঠালে ভারতের ক্ষতি বছরে ৩১ হাজার কোটি রুপি
সিদ্ধান্তটি হচ্ছে গত চার দশক ধরে ভারত থেকে চোরাই পথে বাংলাদেশে যে গরু পাচার হয়ে আসছে সেটা পুরোপুরি বন্ধ করতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং৷ এর পেছনে যে অবৈধ কাজ বন্ধের লক্ষ্য কাজ করেছে তা নয়, ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন নির্দেশের কারণ, ‘বাংলাদেশের মানুষ যেন গরুর মাংস খাওয়া ছাড়তে বাধ্য হয়৷'
ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষতির কারণ হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে একটি বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতের সংবাদমাধ্যম ‘ফার্স্টপোস্ট'৷ ভারতের এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশিরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে কারণ এর ফলে মাংসের দাম অনেক বেড়ে গেছে৷ তাছাড়া সামনেই কোরবানির ঈদ৷ তার আগে গরুর সংকটে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ৷
এদিকে, ভারতের আরেকটি সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া' গত এপ্রিল মাসে হিসেব করে দেখিয়েছে যে, বিএসএফ যদি বাংলাদেশে গরু পাচার পুরোপুরি বন্ধ করতে সমর্থ হয় তাহলে ভারত সরকারকে প্রতি বছর ৩১ হাজার কোটি রুপি খরচ করতে হবে৷ কারণ স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী, একটি গরু মারা যাওয়ার পাঁচ বছর আগে থেকে দুধ দেয়া বন্ধ করে দেয়৷ এতদিন এই গরুগুলোই বাংলাদেশে পাচার করতো৷ কিন্তু এখন যদি সেটি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে এই গরুগুলোকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত লালনপালন করে যেতে হবে৷ এবং সেজন্যই এত বিশাল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হবে৷
বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টার তিন পর্বের একটি সিরিজ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে৷ ভারতের সিদ্ধান্তের কারণে দুই দেশই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে৷
সূত্র : ডয়চে ভেলে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ত্রুটি সত্ত্বেও, গণতন্ত্রেই আস্থা বাংলাদেশীদের -মার্কিন সংস্থার জরিপ
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সাইফুর রহমান দেশের আর্থিক সু-ব্যবস্থার প্রধান স্থপতি’
দেশের অর্থনীতির জন্য সাইফুর রহমান যে অবদান রেখে গেছেন চাইলেই কেউ এ অবদান অস্বীকার করতে পারবে না। ব্যাংকিং সেক্টরে যে বিশৃঙ্খলা ছিল, তা শৃঙ্খলায় এনেছেন তিনি। ঋণ খেলাপীর বিষয়ে তার ছিল শক্ত অবস্থান। এছাড়া বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালকের ক্ষেত্রে কোন নিয়ম-কানুনের বালাই ছিল না। সাইফুর রহমান সেটাকে নিয়মের ভেতরে এনেছেন।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সাইফুরের রহমানের ৬ষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। শামছুল হুদা বলেন, সাইফুর রহমান দেশের জন্য যা কল্যাণ মনে করেছেন, তাই করার চেষ্টা করেছেন। তিনি সিলেট জেলার সন্তান হলেও কাউকে জেলা দিয়ে মূল্যায়ণ করতেন না। কাজ ও সুনাম দিয়ে সবাইকে মূল্যায়ণ করতেন। এজন্য তার প্রতি সরকারি কর্মচারীদের যে শ্রদ্ধা ও ভক্তি ছিলো, তা বিরল। সাবেক এই সিইসি আরো বলেন, সাইফুর রহমানকে বাইরে থেকে অনেকেই খুব কঠিন হিসেবে জানতেন। কিন্তু তার ভেতরের প্রকৃতিটা কত সরল, তা কাছে না গেলে বুঝা যেতো না। শামছুল হুদা বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যক্তি স্বার্থ বলে একটা কথা থাকে। কিন্তু সাইফুর রহমান এর থেকে অনেক দূরে ছিলেন।
আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, সাইফুর রহমান বাংলাদেশের সফল অর্থমন্ত্রী ছিলেন। তিনি খুটিনাটি বিষয়গুলি খুব সহজে বুঝতেন। তিনি ছিলেন অনেক প্রজ্ঞাবান ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মুহাম্মদ মনসুর আহমেদ বলেন, সাইফুর রহমানের মধ্যে দলকানা ব্যাপারটি ছিল না। তিনি নিজেকে সব সময় রাজনীতির উর্ধে রাখতেন। তিনি বলেন, সাইফুর রহমান এমন একজন ব্যাক্তিত্ব, যাকে আঞ্চলিক পরিসরে আবদ্ধ করে রাখা ঠিক হবে না। তিনি গোটা দেশর সম্পদ। যার মৃত্যুতে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ শোকবার্তা পাঠিয়েছিলেন। সাবেক অর্থ সচিব ও বিশ্ব ব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক জাকির আহমদ খান বলেন, সাইফুর রহমান দেশের জন্য যে অবদান রেখে গেছেন। তা চিরদিন অবস্মরনীয় হয়ে থাকবে।
দূররে সামাদ রহমান ও সাইফুর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাইফুর রহমানের পূত্র এম নাসের রহমানের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বিএনপি নেতা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও সাবেক অর্থসচিব ছিদ্দিকুর রহমান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গোর by সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
নেহাত দুর্ভাগ্য না হলে এমন ভরসন্ধ্যায় বৃষ্টির ভেতর কোনটা সিন্দুক আর কোনটা আলমারি, ওয়ার্ড-রোব কবর—এসব মারফতি জ্ঞান ফয়েজের নেওয়ার কথা না। এটুকু সময়ের মধ্যেই তিনি যে বাইরে রাখা ফ্রিজের পানির বোতলের মতো ঘেমে উঠেছেন, সেটা টের পাচ্ছেন। রুমাল হাতড়ালেন পাঞ্জাবির পকেটে। নেই। একটা জিনিস যদি শিরিন মনে করে দিত! বৃষ্টি-ঘামে ভিজে ক্যাতকেতে সারা শরীর। কপালের ঘাম মুছলেন হাত দিয়ে। হাতের তালুতে লোনাপানিটা ঘোলাটে আলোয় দেখতে কেমন লাল রঙের মতো। সেই সকালে বেরিয়েছেন বাসা থেকে। এখন ভাবনাগুলোও কাজ করছে না ঠিকঠাক। এখান থেকে বের হওয়া দরকার, কিন্তু সিদ্দিক কথা বলেই যাচ্ছে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও তিনি স্বাভাবিক মুখে শুনে যাচ্ছেন সব।
এক মাপে ধার কেটে চার ফুটের মতো গহ্বর তৈরি। কোদাল চালিয়ে ভেজা সুতি শাড়ির মতো মোলায়েম করে মেঝেটা বানানো।—সিদ্দিক কবর বোঝাতে খুব উন্মুখ; আর এটাই ভয় ধরিয়ে দিচ্ছে ফয়েজকে।
: স্যার, হিন্দুক কব্বরে লাশ ঠিক মধ্যিখানে থাকে না। নামায়া ধাক্কা দিয়া ভিতর দিক ঢুকায় দিওয়া লাগে।
: কেন?
: হিয়াল-কুত্তার ভয়ে। এই কব্বরে টাইন্না বাইর করা যায় না।
: সবাই এ রকম কাটলেই পারে?
: জমি না কিনলি অনুমতি নাই। বড়লোকগো কব্বর।
: ও আচ্ছা।
কথাটি বলে খানিক চুপচাপ ফয়েজ। চাইলেও প্রসঙ্গটা এড়াতে পারছেন না। সিদ্দিক কথা বলেই যাচ্ছে, ‘কব্বর যেমনই কাডুক রক্ষা নাই, দ্যাহেন না তলের থ্যা পানি উডছে ক্যামায়!’
কপালে ভাঁজ তুলে সিদ্দিকের দিকে ঘুরে জিজ্ঞেস করলেন, ‘পানি যদি না নামে তাহলে কী হবে?’ নিজের পান খাওয়া দাঁত বের করে নিষ্ঠুর প্রশস্ত হাসি দিয়ে বলল সিদ্দিক, ‘এইডা মুর্দার পরিবারের ধৈর্যের পর নিব্বর করতেছে। হেরা অপেক্ষা করলি এট্টু না শুহান পর্যন্ত থ্যুয়া দিবি আর নইলি দুইডা কলাগাছ ফ্যালায়া বা এক বস্তা বালি ঢাইলা দিবেনে নামায়া।’
‘নামানো’ শব্দটা খুব নিষ্ঠুর শোনাল কানে। আগে কোনো গোরখোদকের সঙ্গে ফয়েজের আলাপ হয়নি। তাঁকে আশ্রয় দেওয়ার নামে সিদ্দিক ইচ্ছে করে আতঙ্ক তৈরি করছে মনে হচ্ছে। অবশ্য সেটা অমূলক নয়। এই কাজটা সে করতেই পারে। আর তাকে অন্য কিছু জিজ্ঞেস করার সাহসও ফয়েজের এখন নেই। তবু প্রসঙ্গ পাল্টে জানতে চাইলেন, ‘তুমি না ফলের ব্যবসা করতে। এখানে কাজ করছ কত দিন?’
: আমিও জানতাম নিকি এই কাম করা লাগবি? বছর দুই ধইরা, স্যার।
: আয় বেশি হয়?
: না, অন্য হিসাব আছে।
গোপনে ঢোঁক গিললেন ফয়েজ। সিদ্দিকের পরিবারের কথা জানতে চেয়েও সামলে নিলেন। এর মধ্যে তিনি যে সিদ্দিককে দুবার খুঁজেছেন, চেপে গেলেন তা-ও। ওর সঙ্গে আজ দ্বিতীয়বার দেখা। চিনতে পারার কথা না, কিন্তু মনে আছে একটা কারণে।
সেদিন রাতে বাসায় অনেক অতিথি খাবে বলে তিনি বাজার করতে গিয়েছিলেন কারওয়ান বাজারে। এফডিসির পাশে ভোরবেলা বেশ ভালো মাছ পাওয়া যায়। আড়তে তোলার আগেই পাইকারি দরে মাছ ব্যবসায়ীরা ভাগে বড় বড় মাছ তুলে দেয় পাল্লায়। দেখেশুনে মেহমানদের জন্য মাছ কিনে কাজের ছেলেটার হাতে ব্যাগটা দিয়ে হেঁটে এলেন ভেতর দিকটায়। সবজির দামদর করে প্রগতি ভবনের সামনে দিয়ে আসার সময় দেখলেন, ফল নিয়ে বসেছে কয়েকজন। এরা চতুর্থ শ্রেণির দোকানদার। যারা আড়তের পাশে টিউব লাইট জ্বালিয়ে ফ্যানের নিচে দাঁড়িয়ে বিক্রিবাট্টা করে, তারা হলো প্রথম শ্রেণির। চতুর্থ শ্রেণির দোকানদারদের মুখে পোড় খাওয়া বলিরেখা চিত্রাঙ্কন করা থাকে। চারুকলার ছেলেমেয়েদের প্রথম প্রথম এমন সোজা, বাঁকানো দাগ আঁকতে শেখানো হয়। চোখের কোণে বাসি পিচুটি লাগানো এসব মুখ দেখলেই বোঝা যায়, তাদের পণ্যের অর্ধেক দামও বলা যায়। ঝাঁকা থেকে পাকা বেল আর পেঁপে তুলে যাচাই-বাছাই করলেন ফয়েজ।
: গিরস্ত বাড়ির, ওষুধপাত্তি দিয়া নাই, নিচ্চিন্তে ন্যান।
: সবগুলো কত রাখবা?
: ঠেইক্কা গেছি, এক টাহাও বেশি চাইতাম না, পনেরোডা বেল আর দুই হালি কম্ফা—সবগুলা বারো শ দিয়েন। খাইয়া আমারে বিচরাইবেন।
: ধুর মিয়া দাম বুইঝা চাও, কততে দিবা বলো?
: স্যার, মাইয়াডার পরীক্ষার ফি লাগব বইলা হেই বিহানে আইছি। বিশ্বাস করেন, বেশি চাই নাই।
: তোমাদের এই সমস্যা, সবকিছুতে সুযোগ খোঁজো। ফিসের সঙ্গে কী সম্পর্ক? একদাম বলো।
: আল্লার কিরা স্যার, কাইলকা লাস্ট তারিখ। ফি না দিলি পরীক্ষা দিতে দিবিন্যা। বারো শ— বেশি চাই নাই। জিনিস ভালো, নিয়া যান।
কার্তিক মাসেও গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত। ফলগুলো ডিপ ফ্রিজে রেখে দিলে অনেক দিন খাওয়া যাবে। এই ভেবে সিদ্ধান্ত নিলেন নাকি দোকানদারের বারবার স্যার ডাকায় কাজ হয়েছে, কে জানে। পাকা দরদাম করে ফয়েজ বললেন, ‘ঠিক আছে কথা বাড়িয়ো না। এক হাজার টাকা। ব্যাগে তোলো।’
প্যান্টের পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করে চকচকে নোটটা দিয়ে মনে মনে বেশ স্বস্তি বোধ করলেন। কোমরের লুঙ্গির গিঁটে টোপলামতো জায়গার প্যাঁচ খুলে টাকা রাখল লোকটা।
সিদ্দিককে তিনি আবার খুঁজতে এসেছিলেন দুদিন পর। অতিথিরা চলে যাওয়ার পরদিন ড্রয়িংরুমের সোফায় ক্যালকুলেটর আর কাগজপত্র নিয়ে ব্যবসার হিসাব মেলাচ্ছিলেন। ঠিক সে সময় সিঁড়িতে প্রথম শব্দটা শুনলেন। ঊর্ধ্বশ্বাসে দৌড়ে দরজা খুলে যা দেখলেন, তাঁর বিশ্বাস হলো না। দীপ্র মেঝেতে পড়ে আছে। তার মাথার পেছনের রক্ত। দীপ্র অসম্ভব দুরন্ত বাচ্চা। ধারেকাছে কেউ নেই দেখেই হয়তো তার মাথায় বুদ্ধিটা এসেছে—নিজের সর্বোচ্চ মেধা খাটিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছে পাশের ফ্লাটের বাচ্চার সঙ্গে। সিঁড়ির হাতলে বসে পিছলে পিছলে কার আগে কে নামতে পারে—প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে হাতল থেকে ছিটকে পড়েছে সিঁড়ির দুই স্তরের মাঝখানের সমান প্রশস্ত অংশে। মাথা ফেটে জামা-কাপড় রক্তে মাখামাখি। ছেলের মাথায় সেলাই-ব্যান্ডেজ দিয়ে আনলেন ফয়েজ। সকালে কাগজে-কলমে যে হিসাব নিয়ে বসেছিলেন, সেটা মিলেছে কিন্তু অন্য একটা হিসাব মেলাতে পারলেন না সারা রাতেও। পরদিন গেলেন কারওয়ান বাজারে। রাস্তার পাশের ফলের দোকানগুলোতে খুঁজলেন সেই ফলবিক্রেতাকে। নাম জানেন না, তাই ভালোভাবে জিজ্ঞেস করতে পারলেন না কাউকে। দুদিন পর আবারও গেলেন। ওই একই জায়গায় সেদিন এক বুড়ো ফলওয়ালাকে পেয়ে লোকটির বর্ণনা দিতেই শুনলেন ঘটনাটা। ফল নিয়ে বসা লোকটার মেয়ে মারা গেছে শুক্রবারে। অস্বাভাবিক মৃত্যু। আত্মহত্যা করেছে ১৬ বছরের মেয়েটা। এর বেশি কেউ জানে না। একজন আবার টিপ্পনী কাটল, ‘সিয়ানা মাইয়া প্যাট-পুট বাধায় হালাইছিল নাকি কইব কিডা, কিন্তু আপনে খুঁজেন ক্যা সিদ্দিকরে? টাহা পাননি?’
সব শুনে স্তব্ধ ফয়েজ। তখনই তিনি জেনেছেন, ভ্রাম্যমাণ ওই ফলবিক্রেতার নাম—সিদ্দিক। সে-ও তো বছর দুই আগের কথা।
হ্যাঁ, সেই সিদ্দিকের সামনে সন্ধ্যায় এই কবরস্থানে দাঁড়িয়ে অবশ হয়ে আসছে তাঁর শরীর। এখন বৃষ্টিও কমেছে অনেকটা। হিজলগাছের নিচে দাঁড়িয়ে ভয় পেতে পেতে কেন যেন ফয়েজ মুগ্ধ হয়ে উঠেছেন গোরস্তানের নীরবতায়। দূরে দূরে টিউব লাইট জ্বলছে, তাই অন্ধকারের বদলে একটা ঘোলাটে আলো ছড়িয়ে আছে পুরো জায়গাটায়। সব কবরের মাপ যে সমান নয়, তিনি এই প্রথম লক্ষ করলেন। চোখে পড়ল কিছু ছোট কবর। আহারে, এগুলো বাচ্চাদের হবে। কিছুটা দূরে নীল রঙের প্লাস্টিক টাঙিয়ে আরও একটা কবর খোঁড়া হচ্ছে। বৃষ্টি ঠেকাতেই এই ব্যবস্থা। গর্তের ভেতর থেকে দুজন মানুষের মাথা ওঠানামা করছে, অনেকটা কচ্ছপের খোলের ভেতর থেকে মাথা বেরিয়ে আসার মতো। এরা নিচ থেকে মাটি তুলে রাখছে কবরের বাইরের দুপাশে।
প্রাচীরের চারপাশে লাগানো হিজল আর দেবদারুগাছের দিকে হঠাৎ তাকালে মনে হয়, সোনালি সাপ নামছে গা বেয়ে। বৃষ্টি হওয়ায় গোরস্তানের ভেতর কাঁচামাটি আর বাঁশের ঘ্রাণের মিথস্ক্রিয়া। প্রাণপণে কবরের ভাবনা ঝেড়ে ফেলার প্রস্তুতি নিলেন ফয়েজ। প্রায় এক ঘণ্টা হয়েছে এখানে আটকা পড়েছেন।
মোহাম্মদপুর থেকে বাসে নীলক্ষেত নামার পরই বৃষ্টি শুরু হয়েছিল। নিউমার্কেট ক্রস করতেই পুরুষ্ট হলো পানির ফোঁটা। দৌড়ে আজিমপুর কবরস্থানের গেটের টিনশেডের নিচে দাঁড়ালেন। তখনই সিদ্দিকের সঙ্গে দেখা। নতুন কবর খুঁড়ে ছাতা নিয়ে বিড়ি খেতে বেরিয়েছে সিদ্দিক। পরিচয় না দিলে হঠাৎ চিনতেনও না, কিন্তু সিদ্দিক তাঁকে মনে রেখেছে দেখে এখন অস্বস্তিটা বেশি হচ্ছে।
সিদ্দিকই এগিয়ে এসে বলল, ‘স্যার, চিনছেন? আপনি তো পুরাই ভিজ্জা গেছেন। ভিতরে আইসা অফিসরুমের বারান্দায় খাড়ান।’
দীর্ঘ সময় দম আটকে থাকার পর এখন তাঁর অস্থির লাগছে বাইরে যাওয়ার জন্য। মনে হচ্ছে, দ্রুত বাসায় ফেরা দরকার। এই বৃষ্টি-বাদলার মধ্যে ছেলেটা না আবার বেরিয়ে যায় সাইকেল নিয়ে। এখন নিশ্চয়ই দু-একটা রিকশা পাওয়া যাবে। চলে যাওয়ার আগে তবু মনে হলো, তিনি যে সিদ্দিককে খুঁজতে গিয়েছিলেন, খবরটা তাকে জানানো দরকার, তা ছাড়া তার মেয়ের কথাটা একবার জিজ্ঞেস না করাও অন্যায় হবে। অস্বস্তি নিয়েই সিদ্দিকের কাঁধে হাত রাখলেন ফয়েজ, ‘তোমার মেয়েটার কী হয়েছিল? আমি খুঁজতে গিয়েছিলাম তোমাকে।’
হাত সরিয়ে দিল সিদ্দিক।
: বাসি গতর স্যার, ধইরেন না। কব্বর কাটছি তো।
: কী হয়েছিল মেয়েটার?
সিদ্দিকের চোখের মণিতে কোনো মায়া নেই, বরং যেন আগুন জ্বলে উঠল।
: গরিবের পুলাপান। আপনে যেমতে পরথম বিশ্বাস করেন নাই ফলগুলানে ওষুধ দেই নাই, হের মাস্টারও বিশ্বাস করে নাই ফিয়ের একখান এক হাজার টাকার জাল নোট বাপে ইচ্ছা কইরা দেয় নাই। কেলাশের ছাত্রছাত্রীগো সামনে অপমান করছিল। আদুইরা মাইয়া তো...।
সিদ্দিকের কথায় নির্বাক ফয়েজ কেবল আমতা আমতা করে বললেন, ‘ভুলটা আমারই, কিন্তু না বুঝে হয়েছে ভুলটা। আমি তোমাকে খুঁজতে গিয়েছিলাম।’
: না বুইজঝা করেন নাই। চালায় দিতে চাইছিলেন।
শক্ত করে ‘না’ বলার শক্তিটা এতক্ষণে হারিয়ে ফেলেছেন ফয়েজ। তাঁর বিদায় নেওয়া জরুরি। তবে এমন অপরাধী হয়ে ‘যাই’ বলেই তো আর যাওয়া যায় না। সামান্য দায় লাঘবের শেষ চেষ্টায় স্বগতোক্তি করলেন তিনি, ‘মেয়েটা তাই বলে আত্মহত্যা করে বসল!’
: বাপের মতো ঘিন সহ্য করা শিখে নাই। আমিই ঝুলা শরীলডা দড়ি কাইড্ডা নামাইছিলাম। এরপর থিকাই কব্বর কাটি, স্যার।
: কেন?
বুকের ভেতর জমাট আতঙ্ক ফয়েজের।
: আত্মহত্যার মাইনষের নাকি জানাজা হয় না। গ্রামের বাড়ি নিয়া গেছিলাম। নিজের মাইয়ার কব্বর নিজেই কাটছি। হেরপর থিকা কাডি আর অপেক্ষা করি।
: কিসের অপেক্ষা?
একটা হাসি দিল সিদ্দিক। মানুষের পক্ষে শব্দহীন সেই হাসি সহ্য করা অসম্ভব। ঘাড়ের রগটা দপদপ করছে ফয়েজের, বুঝতে পারছেন প্রেশার বেড়েছে। নিশ্বাস আটকে আসছে তাঁর। একমুহূর্তও দাঁড়িয়ে থাকতে পারছেন না গোরস্তানে। বৃষ্টি কমে আসায় এবার যাবেন বলেই সিদ্ধান্ত নিলেন। কিন্তু পা বাড়াতেই তাঁর হাতে একটা হ্যাঁচকা টান দিল সিদ্দিক, ‘কই যান স্যার? আমার কব্বরের লাশ আইছে। দাফন দেইখা যান।’
স্থাণু হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন ফয়েজ আহমেদ। গোরস্তানের গেটে থেমেছে পিকআপ ভ্যানটা। অন্ধকার গাছের নিচে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। পিকআপ থেকে মরদেহ নামাচ্ছে মৃতের আত্মীয়রা। আবার শুরু হয়েছে বৃষ্টি। তিনি কি ভুল দেখলেন! সাদা পাঞ্জাবি গায়ে কাকে দেখলেন তিনি? শিরিনের ছোট ভাই আফাজ এখানে কী করে! আর আফাজের পাঞ্জাবির কোনা ধরে কি দীপ্র দাঁড়িয়ে আছে? অসম্ভব। হতেই পারে না। তিনি এগিয়ে যেতে চাইলেন, গাছের শিকড়ের মতো কিছু একটা মাটির নিচ থেকে আঁকড়ে ধরল তাঁর পা।
শব্দ করে ডাকলেন; কিন্তু এইমাত্র মুর্দা নিয়ে আসা পিকআপের যাত্রীরা তাকাল না কেউই। স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন, দীপ্রর পাঞ্জাবি ভিজে যাচ্ছে বৃষ্টিতে। ছেলেটা আবার জ্বর বাধাবে। তিনি আবারও ডাকলেন দীপ্রকে। না, কেউ তাকায়নি। তাঁর শব্দ শুনছে না কেউ!
শবযাত্রীর দলে আরও পরিচিত মুখ দেখতে পাচ্ছেন ফয়েজ। তারই গা ঘেঁষে মরদেহের খাটিয়া নিয়ে সবাই গেল নতুন কাটা সিন্দুক কবরটার কাছে। সিদ্দিককে দেখা যাচ্ছে। লাশ নামাতে কবরের ভেতরে নেমেছে সে। পানির ভেতরই কি নামাচ্ছে ওরা? কিন্তু কার লাশ? কাফনের কাপড়ে মৃতদেহের মাথার কাছটায় গেরো দেওয়া। মুখ দেখার উপায় নেই।
কবরের চারপাশে দাঁড়িয়ে পড়েছে সবাই। চাটাই দেওয়া হচ্ছে। ফয়েজ আহমেদের নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে। তিনি কি আসলে বাসা থেকে বের হয়ে বাসে উঠেছিলেন? মনে পড়ছে না।
পুরোপুরি নিশ্বাস আটকে আসছে ফয়েজের। সামনে ঘিরে ধরছে অন্ধকার। আশ্চর্য, এতক্ষণ যে গাছের নিচে দাঁড়িয়ে ছিলেন, দেখতে পাচ্ছেন না সেটা! পায়ের আওয়াজ পাচ্ছেন। গুম গুম শব্দ হচ্ছে সবার ফিরে যাওয়ার। চিৎকার করে ছেলের নাম ধরে ডাকলেন তিনি, জবাব না পেয়ে ডাকলেন সিদ্দিককে। অবাক ব্যাপার, সবার পায়ের শব্দ ক্ষীণ হয়ে যাওয়ার আওয়াজ পাচ্ছেন; কিন্তু তাঁর ডাক শুনছে না কেউ! একবার মনে হলো, অল্প বয়সী একটা মেয়ে দ্রুত সরে গেল পাশ দিয়ে। তখনই ‘আইজ থিকা আর কব্বর কাটুম না’ বলে অট্টহাসি দিল কেউ একজন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাক মানবতা
কেউ বলছেন, তাদের আশা ছিল, এ ছোট্ট ছেলেটির নিস্তেজ শরীরের ছবিটির কারণে ইউরোপগামী শরণার্থীদের স্রোত মোকাবিলার উপায় নিয়ে চলমান বিতর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক বাঁক নেবে। চোখে আঙ্গুল দিয়ে রাজনীতিকদের ব্যর্থতা দেখিয়ে দেবে ছবিটি। আত্ম-ব্যর্থতায় দগ্ধ হবে কিছুটা মানবিক হবেন দোর্দণ্ড প্রতাপশালীরা। কিন্তু অচিরেই তারা বুঝেছেন, আশা কুহকিনী বৈ অন্য কিছু নয়। এজন্যই হয়তো প্রভাবশালী দৈনিক দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের শিরোনাম- ‘এ ছবিগুলোও যদি ইউরোপকে পাল্টাতে না পারে, তবে কি পারবে?’।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উপ-পরিচালক নাদিম হওরি ছবিটিকে বলছেন, ‘গা ছমছমে’। আসলেই তাই। এ ছবি হয়তো অনেকদিন তাড়িয়ে বেড়াবে বিশ্বজুড়ে অসংখ্যা মানবতাবাদীকে। নাদিমের মতে, এটিই সামগ্রিক ব্যার্থতার সবচেয়ে সপষ্ট প্রতিবিম্ব। তুরস্কের বুরহান আকমান শুধু লিখেছেন, গোটা পৃথিবীর জন্য একরাশ লজ্জা। আমি ছবিটিতে শুধু মানুষ দেখছি, মানবতার ছোঁয়া দেখছি না।
লন্ডনের প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রথম পৃষ্ঠাজুড়ে ছেপেছে হতভাগা এ শিশুর ছবি। সেখানে ক্যাপশন আকারে মাত্র চারটি লাইন লেখা হয়েছে। এতে লেখা হয়েছে ‘সামবডিজ চাইল্ড’। এতে ওই শিশুটিকে সিরিয়ান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তুরস্ক থেকে গ্রিস যাওয়ার পথে পরিবারের সঙ্গে সে ডুবে মারা গেছে। ইউরোপে প্রবেশ করতে মানবতার সঙ্কট বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যদিকে ডেইলি এক্সপ্রেস লিখেছে, ‘মানবিক এ সঙ্কটের জন্য ইইউ দায়ী’। মেট্রো পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠাজুড়ে শিশুটির ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, একজন উদ্ধারকর্মী শিশুটিকে দুই হাতে কোলে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। শিরোনামে বলা হয়েছে- ‘ইউরোপ তাকে বাঁচাতে পারেনি’। দ্য টাইমসেও প্রায় একই রকম ছবি ছাপা হয়েছে। এর শিরোনাম ‘ইউরোপ ডিভাইডেড’। ডেইলি মেইলও একই কাজ করেছে। এর শিরোনাম ‘ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের শিকার ছোট্ট শিশু’। দ্য সানের শিরোনাম ‘জীবন এবং মৃত্যু’। ডেইলি মিররের শিরোনাম ‘অসহনীয়’। দ্য গার্ডিয়ানের শিরোনাম ‘হতাশাজনক, নিষ্ঠুরতায় ইউরোপে শরণার্থী সঙ্কট’।
শিশুটির নাম জানা যায়নি। কেউ জানে না, তার যাত্রা শুরু হয়েছিল কোথা থেকে। তবে তুরস্কের মুগলা প্রদেশের গভর্নরের কার্যালয় বলেছে, একদল সিরিয়ান শরণার্থীদের সঙ্গে ছিল শিশুটি। দুইটি নৌকায় করে তারা ভূ-মধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিক দ্বীপ কোসে পৌঁছতে চেয়েছিলেন। নৌকার কয়েকজনকে উদ্ধার করতে পেরেছে তুরস্কের উদ্ধারকারী দল। কিন্তু এখন পর্যন্ত ওই দলের ২ পুরুষ ও ১ শিশু নিখোঁজ। প্রসঙ্গত, ভূমধ্যসাগর পার হয়ে ইউরোপে পাড়ি জমাতে গিয়ে কেবল এ বছরই মারা গেছে ২৬০০ জনেরও বেশি। বিশ্বে এ বছর যত অভিবাসী বা অভিবাসন-প্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে, গড়ে তাদের চার জনের তিন জনই মারা গেছেন ভূ-মধ্যসাগরে। গত বছরের (২২২৩) চেয়ে এ বছর মৃত্যুর পরিমাণ ২০ শতাংশ বেশি। এদের কেউ ডুবে গেছেন অতল সমুদ্রে। কেউবা মারা গেছেন পদপিষ্ট হয়ে। কেউ আবার নৌকার ইঞ্জিনের ধোঁয়ায় নিঃশ্বাস নিতে না পেরে। নাম না জানা ওই শিশুটিও হয়তো এদের কোনো এক দলের হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইআরআইয়ের জরিপ- দুর্নীতি নিয়ে উদ্বেগ বাংলাদেশীদের: দ্রুত নির্বাচনের পক্ষে তারা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকি ফাঁকা বুলি
পাকিস্তানের সরকারি কার্যালয় থেকে বুধবার ঘোষণা দেয়া হয়, পরমাণু শক্তিধর পাক-ভারতের মাঝে কোনো সীমিত যুদ্ধের সম্ভাবনা নেই। দলবীর সিং যা বলেন তা নিতান্তই ফাঁকা বুলি। গত সপ্তাহে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ ভারতকে হুশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ইসলামাবাদকে যুদ্ধে জড়ানোর চেষ্টা করলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ। তিনিও বলেছিলেন, দেশ দুটির মাঝে কোনো খণ্ড যুদ্ধের সম্ভাবনা নেই। আসিফ আরও বলেছিলেন, ‘আমাদের ওপর যে কোনো হামলার ধরন নির্ভর করবে আমাদের চাওয়া ও প্রতিক্রিয়ার মধ্যে।’ ২০০৩ সালের যুদ্ধ বিরতি চুক্তির পর বারবার দুই দেশ তা লংঘনের কারণে সম্পর্ক তলায় ঠেকেছে। এরই মাঝে পরস্পরের মধ্যে নানা উসকানিমূলক বাক্যবাণ ছোড়াছুড়ির ফলে অবস্থার অবনতি আরও ত্বরান্বিত হচ্ছে। আগস্টে জাতীয় পর্যায়ের উপদেষ্টাদের মধ্যে বৈঠকটিও অনুষ্ঠিত হয়নি দরকষাকষির রোষানলে পড়ে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেসরকারি খাতে গেল তিন কনটেইনার জাহাজ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমি একটা নীল নয়না চাই!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের চ্যালেঞ্জ by আনু মুহাম্মদ
প্রচলিত মাপকাঠিতে পরিসংখ্যান অনেক ভালো খবর দিলেও পাশাপাশি তা এটাও বলছে যে পুরো দক্ষিণ এশিয়া এখন বিশ্বের চরম দরিদ্র জনগোষ্ঠীর শতকরা প্রায় অর্ধেক মানুষের অঞ্চল, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গরিব মানুষ কেন্দ্রীভূত এই অঞ্চলে। জাতিসংঘের ‘বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক’ (Multidimensional Poverty Index) অনুযায়ী বিশ্বের দরিদ্রদের এক-চতুর্থাংশ আফ্রিকায় বাস করে, আর অর্ধেক বাস করে দক্ষিণ এশিয়ায়। এই সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে, আফ্রিকার ২৬টি দরিদ্রতম দেশের চেয়ে বেশিসংখ্যক দরিদ্র মানুষ ভারতের আটটি রাজ্যে বাস করে। বলা হয়, এই সূচক অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ায় দরিদ্র মানুষের অনুপাত শতকরা ৫৫। যদি দিনপ্রতি আয় দুই ডলার ধরে দারিদ্র্য পরিমাপ করা হয়, তাহলে জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী এই অঞ্চলের শতকরা ৭৭ জন মানুষই দারিদ্র্যসীমার নিচে। বিশুদ্ধ পানি, শিক্ষা, চিকিৎসা, আশ্রয়—সব কটিতেই এসব দেশের বেশির ভাগ মানুষ বিপন্ন অবস্থায় আছে। শ্রেণিগত, জাতিগত, লিঙ্গীয়, ধর্মীয়, বর্ণগত বৈষম্য নিপীড়নে ক্ষতবিক্ষত শতকোটি মানুষ। প্রচলিত মানব উন্নয়ন সূচক বিবেচনা করলে শ্রীলঙ্কা ছাড়া সব কটি দেশই ১২০-এর পরে।
শ্রেণি ও লিঙ্গীয় বৈষম্য নিপীড়নে সব কটি দেশেই কমবেশি একই চিত্র। এ ছাড়া ভারতে বিশেষভাবে বর্ণ ও জাতিগত বৈষম্য ও নিপীড়ন, পাকিস্তানে শিয়া-সুন্নি-আহমদিয়া, বাংলাদেশে জাতিগত নিপীড়ন, শ্রীলঙ্কায় জাতিগত নিপীড়ন ও সংঘাত এবং এসব দেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। গত কয়েক দশকে, বিশেষত নব্বইয়ের পর সব কটি দেশেই জাতিবিদ্বেষী, সাম্প্রদায়িক-ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী শক্তির উত্থান ঘটেছে।
গত কয়েক দশকের উন্নয়ন ধারায় এই দেশগুলোয় খুবই ক্ষুদ্র অংশের মধ্যে বিপুল ঐশ্বর্যের ছড়াছড়ি, নির্লজ্জ মাত্রার ভোগবিলাস ও চোরাই অর্থনীতির দাপট বেড়েছে। ভারত ও পাকিস্তানে শুধু যুদ্ধ উন্মাদনাতেই বিপুল সম্পদ ব্যয় হয়। দারিদ্র্য-নিরক্ষরতা-বঞ্চনাভরা দুটো দেশের শাসকেরাই বিপুল অর্থব্যয়ে ভয়ংকর পারমাণবিক বোমা বানিয়ে গর্বিত এবং জনগণের মধ্যে এই গর্ব উন্মাদনা ছড়ানোতে তৎপর।Õ স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (সিপরি) সংকলিত তথ্য অনুযায়ী ভারত বর্তমান বিশ্বের সর্ববৃহৎ অস্ত্র আমদানিকারক এবং পাকিস্তান তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। দারিদ্র্যের পাশাপাশি ঐশ্বর্যের আর ধ্বংস উন্মাদনার এ রকম অশ্লীল সহাবস্থান খুব কম অঞ্চলেই আছে।
বাংলাদেশ, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের মধ্যে তাই যোগাযোগ বাড়ানো দরকার, কথা বলা দরকার, সংহতি দৃঢ় করার জন্য বিতর্ক করা দরকার দারিদ্র্য বঞ্চনার কদর্য চেহারা আর প্রাচুর্যের জৌলুশ; মুক্ত চিন্তার পাশাপাশি উগ্র সাম্প্রদায়িকতা ও বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গি; ক্রমবিস্তারমান বিরাজনীতিকৃত মধ্যবিত্তের পাশে বিভিন্ন প্রান্তে অপমানিত-বঞ্চিত কোটি মানুষের অদম্য লড়াই; গণতন্ত্রের চর্চার পাশাপাশি নিপীড়নের বর্বরতা ও ক্রমবর্ধমান সামরিকীকরণ ইত্যাদি বৈপরীত্য নিয়েই দক্ষিণ এশিয়া। এই অঞ্চলে মিয়ানমার ছাড়া আর কোনো দেশেই এখন প্রত্যক্ষ সামরিক শাসন নেই, কিন্তু সব দেশেই সামরিকীকরণ বেড়েছে। প্রায় সব কটি দেশেই নির্বাচিত সরকারের অধীনে একের পর এক ‘নিরাপত্তা আইন’, ‘নিরাপত্তা ব্যবস্থা’ আর দমনমূলক নানা ব্যবস্থার সম্প্রসারণ দেখা যাচ্ছে।
পুরো দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়ন ও মূলধন সংবর্ধনের ধরন, বিশ্ব পুঁজি ও সাম্রাজ্যবাদের সঙ্গে তার যুক্ততা, করপোরেট স্বার্থে মানুষ ও প্রকৃতিবিরোধী আগ্রাসন ইত্যাদিতে রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের ঐক্য আছে। ঐক্য আছে নিপীড়নমুখী রাষ্ট্রের শক্তি বৃদ্ধির অবিরাম চেষ্টায়। মার্কিন নেতৃত্বাধীন সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বব্যবস্থায় কমবেশি অঙ্গীভূত সব কটি দেশই। ‘সন্ত্রাসবাদবিরোধী যুদ্ধ’ এখন সব দেশের শাসকদেরই নিজ দেশের জনগণের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিস্তারের প্রিয় কৌশলসূত্র।
রাষ্ট্র ও জনগণ সমার্থক নয়। অখণ্ড কোনো দেশ নেই, একক সত্তা বলে কোনো কিছু নেই। জাতীয়তাবাদী কিংবা ধর্মান্ধ আওয়াজ তুলে রাষ্ট্র নিজের পেছনে মানুষকে জমায়েত করতে চায়, সংঘাত আর বৈরিতার দেয়াল তুলতে চায় জনগণের মধ্যে। কিন্তু সব দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের স্বার্থ অভিন্ন। সব দেশেই করপোরেট জগতের একটি অভিন্ন প্রচার আছে। যারা মানুষের জীবন-জীবিকার পক্ষে দাঁড়ায়, যারা ভুল প্রতিশ্রুতিতে নির্মিত বাঁধের জন্য উচ্ছেদ হওয়া কোটি কোটি মানুষের লড়াইয়ে শামিল, যারা নির্বিচার রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ড, লক্ষ কোটি মানুষ উচ্ছেদ করে ‘করপোরেট হাব’ বানানোর বিরোধী, যারা জনগণের শিক্ষা ও চিকিৎসা অধিকার নিয়ে সোচ্চার, তাদেরই, বাংলাদেশের মতোই, ভারতেও ‘উন্নয়নবিরোধী’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। উন্নয়ন দর্শনে রাষ্ট্রগুলোর সংহতি আছে, সেখানে কাঁটাতার নেই। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ভারতের সঙ্গে অন্য দেশের জনগণের যোগাযোগ খুবই কম, মাঝখানে দৃশ্যমান অদৃশ্য অনেক রকম কাঁটাতার।
সব দেশে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ না থাকলেও আমরা যারা অভিন্ন স্বপ্ন নিয়ে লড়াই করি, তারা মানুষের জীবনকে কেন্দ্রে রেখে উন্নয়ন বিচার করি। আর তাই প্রকৃতি-পানি-মাটি রক্ষা আমাদের কর্তব্য জ্ঞান করি। আমাদের কাছে শিক্ষা-চিকিৎসা অধিকার, ব্যবসায়ীর পণ্য নয়। আমরা নদী, পানি, বন ও খনিজ সম্পদকে আমাদের সবার সম্পত্তি মনে করি; এগুলো কোনোভাবে মুনাফাখোরদের হাতে যেতে দিতে চাই না। আমাদের কাছে মানুষের মর্যাদা সবার ওপরে, লিঙ্গ বা ধর্ম বা বর্ণ বা ভাষা বা জাতি নয়। আমরা মনে করি, এই বিশ্বে মানুষের জন্য সম্পদের কোনো অভাব নেই, কিন্তু লুটেরা দস্যুদের জন্য সেই সম্পদ মানুষের হাতছাড়া অথবা বিপর্যস্ত। তাদের দখল লোভের জন্যই যুদ্ধ সংঘাত নিপীড়ন আর এই রাষ্ট্রব্যবস্থা। এর বিরুদ্ধে মানুষের দক্ষিণ এশিয়ার কণ্ঠ অভিন্ন, জীবন ও মরণ অভিন্ন লক্ষ্যে নিয়োজিত।
আশার কথা এই যে মানুষ নির্দিষ্ট মডেলের পতনে থেমে নেই, সব দেশেই জনগণের বিভিন্ন মাত্রার লড়াই আছে জল-জমি-জঙ্গলের ওপর নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, লড়াই আছে করপোরেট আগ্রাসন ও সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্যের বিরুদ্ধে, লড়াই আছে শ্রেণি, জাতি, ধর্মীয়, লিঙ্গীয় নিপীড়ন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে, লড়াই আছে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে। এসব লড়াইয়ের মধ্যে যে ঐক্যসূত্র আছে, তা থেকেই আমরা একটি মুক্ত দক্ষিণ এশিয়ার স্বপ্ন দেখতে পারি, যেখানে করপোরেট স্বার্থ নয়, বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের স্বার্থে সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মধ্য দিয়ে উন্নয়নের নতুন চেহারা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। গণতন্ত্র, সাম্য ও মর্যাদা নিয়ে নতুন ইতিহাস পর্বে প্রবেশ করবে এই এলাকার মানুষ। কিন্তু এর জন্য জনগণের লড়াই ও মুক্ত চিন্তার যে সংহতি দাঁড় করা দরকার, সেখানে বড় ঘাটতি আছে।
বাংলাদেশ, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের মধ্যে তাই যোগাযোগ বাড়ানো দরকার, কথা বলা দরকার, সংহতি দৃঢ় করার জন্য বিতর্ক করা দরকার। প্রাথমিক পর্যায়ে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের ক্ষেত্র তৈরি করে আমরা এই যাত্রা জোরদার করতে পারি। যেমন: প্রথমত, সর্বজনের মুক্ত বিশ্বের রূপকল্পের সঙ্গে সংগতিপূর্ণভাবে মুক্ত দক্ষিণ এশিয়ার রূপকল্প দাঁড় করানো এবং তা মানুষের চিন্তা ও সক্রিয়তায় আনার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া। দ্বিতীয়ত, দক্ষিণ এশিয়ার সব সম্পদ, বিশেষত খনিজ সম্পদ ও পানিসম্পদ যাতে সব মানুষের কাজে সর্বোত্তম ব্যবহার করা সম্ভব হয়, সে জন্য আঞ্চলিকভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন বা নকশা তৈরির কাজ। এটা হবে বিশ্বব্যাংক, ইউএসএআইিড ও দেশি-বিদেশি ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর মুনাফামুখী উন্নয়ন কৌশলের পাল্টা নকশা। তৃতীয়ত, নদী ও পানিপ্রবাহ নিয়ে, সবার অধিকারে স্বীকৃতি দিয়ে, সমন্বিত চিন্তা ও পরিকল্পনা মূর্ত করা। চতুর্থত, সাম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ, শ্রেণি-লিঙ্গ-জাতি-বর্ণগত নিপীড়ন ও বৈষম্যবিরোধী আমাদের চিন্তা ও লড়াইকে পরস্পরের কাছে পরিষ্কার রাখা এবং সমন্বয় করা।
কয়েক হাজার একর জমি নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ বিরোধ জিইয়ে ছিল ৬৮ বছর। ১৯৭৪ সালে মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির পর বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও ভারত এত দিন এটা আটকে রেখেছিল। এর জন্য দুই দেশের ছিটমহলে আটকে থাকা দুই দেশের মানুষের অবর্ণনীয় কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে এত বছর। ভারতের লোকসভা ও রাজ্যসভায় প্রায় সর্বসম্মতিক্রমে এ-সংক্রান্ত বিল পাস হওয়ার মধ্য দিয়ে এটা পরিষ্কার হলো যে ইচ্ছা করলে সহজ কাজ কত সহজে করা যায়! এত বছর পরে হলেও অচলাবস্থার অবসান ঘটেছে, সে জন্য আমরা খুশি। আমরা চাই এখন সীমান্ত হত্যা বন্ধ হবে, কাঁটাতারের বেড়া থেকেও বাংলাদেশ মুক্ত হবে। আমরা চাই অভিন্ন নদী নিয়ে আমাদের বিপর্যয়ের অবসান হবে। আমরা চাই ট্রানজিট নিয়ে লুকোচুরি, অস্বচ্ছতা ও আগ্রাসী তৎপরতা বন্ধ হবে। আমরা চাই, সুন্দরবনধ্বংসী সব প্রকল্প থেকে বাংলাদেশ ও ভারত যৌথ ঘোষণা দিয়ে সরে যাবে এবং সুন্দরবন বিকাশে মন দেবে।
আনু মুহাম্মদ: অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
anu@juniv.edu
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
September
(460)
-
▼
Sep 04
(14)
- শিশু আয়লানকে সিরিয়ায় দাফন
- লতিফ সিদ্দিকীর পদত্যাগ সাংবিধানিকভাবে হয়নি : সুরঞ্জিত
- আফজাল-মেমনের ফাঁসি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত : বিচ...
- মুসলিম দম্পতির দুটির বেশি সন্তান হলে শাস্তি দেয়া উ...
- বাংলাদেশে গরু না পাঠালে ভারতের ক্ষতি বছরে ৩১ হাজার...
- ত্রুটি সত্ত্বেও, গণতন্ত্রেই আস্থা বাংলাদেশীদের -মা...
- ‘সাইফুর রহমান দেশের আর্থিক সু-ব্যবস্থার প্রধান স্থ...
- গোর by সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
- নির্বাক মানবতা
- আইআরআইয়ের জরিপ- দুর্নীতি নিয়ে উদ্বেগ বাংলাদেশীদের:...
- ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকি ফাঁকা বুলি
- বেসরকারি খাতে গেল তিন কনটেইনার জাহাজ
- আমি একটা নীল নয়না চাই!
- দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের চ্যালেঞ্জ by আনু মুহাম্মদ
-
▼
Sep 04
(14)
-
▼
September
(460)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...













