Sunday, November 17, 2024
কেন উদ্ধার হচ্ছে না টাইটানিক, কী অদৃশ্য শক্তি রয়েছে গভীরে?
১৯১১ সালের ৩১ মে টাইটানিক প্রথম সমুদ্রে ভাসানো হয়। আর সে দৃশ্য দেখতে সেই সময় প্রায় ১ লাখ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। এর এক বছর পর ১৯১২ সালের ১০ এপ্রিল ক্যাপ্টেন অ্যাডওয়ার্ড জন স্মিথের নেতৃত্বে সাউদাম্পটন থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল টাইটানিক। তার ঠিক চার দিন পর ১৫ এপ্রিল আটলান্টিক মহাসাগরে রহস্যজনকভাবে ডুবে যায় টাইটানিক। আর এ দুর্ঘটানায় জাহাজের ক্রু ও যাত্রীসহ প্রাণ হারায় প্রায় ১৫শ জন। ইতিহাসে একই সাথে এত প্রাণহানী বিরল ঘটনা। জাহাজটি আশ্চর্যজনকভাবে ডুবে যাওয়ার পেরিয়েছে ১১২ বছর, আজ পর্যন্ত একে ঘিরে মানুষের আগ্রহ এতটুকু কমেনি। কীভাবে ডুবেছে, কেনো ডুবেছে? তা হয়তো এখন আর রহস্য নেই। তবে প্রশ্ন থেকে যায় টাইটেনিক ডুবে যাওয়ার এত বছর পেরোলেও কেন সমুদ্র থেকে আজও তোলা যায়নি জাহাজটিকে।
‘টাইটানিক ইজ আনসিংকেবল’ অর্থাৎ টাইটানিক কখনো ডুববে না। সেই টাইটানিক ডুবে যায় প্রথম যাত্রাতেই। জেমস ক্যামেরুনের ‘টাইটানিক’ সিনেমার পরে টাইটানিক পরিচিতি পায় এক ভিন্ন রূপে। সেই ডুবে যাওয়ার দৃশ্য দেখে কাঁদেনি এমন লোকও খুঁজে পাওয়া যাবে না। টাইটানিক ডুবার ৭৩ বছর পর্যন্ত কেউ জানতোই না জাহাজটি কোথায় আছে, আর কী অবস্থায় আছে। ১৯৮৫ সালে রবার্ট বালার্ড নামক ফরাসি বিজ্ঞানী টাইটানিককে খুঁজে বের করেন। জাহাজটি খুঁজে পাওয়ার পর অনেক রহস্যের উন্মোচন হয়। আনসিংকেবল টাইটানিক এখন সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১২ হাজার ৬০০ ফুট নিচে আটলান্টিকের তলদেশে স্থির হয়ে আছে।
তবে জাহাজটি খুঁজে পাওয়ার ৩৯ বছর পার হলেও এটিকে সমুদ্র থেকে বের করে আনা সম্ভব হয়নি। টাইটানিক সমুদ্র থেকে তুলতে অনেক রকম চেষ্টা চালানো হয়। সাধারণ পদ্ধতিতে সমুদ্রের নিচ থেকে যেভাবে জাহাজ বের করে আনা হয়, টাইটানিক সেভাবে বের করা সম্ভব নয়। কেননা টাইটানিক দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। টাইটানিক বের করে আনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্য যেটি, সেটি হলো টাইটানিকের ওজন, যা প্রায় ১ লক্ষ ৪৩ হাজার টন। যা তোলার মতো শক্তিশালী ম্যাগনেট পৃথিবীতে নেই।
বিজ্ঞানীরা বলছে- পানি আর বরফের প্রকোপে ডুবে থাকা টাইটানিক ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে। তারা মনে করে টাইটানিকের অবস্থা যদি এইভাবে চলতে থাকে তাহলে আগামী ৫০ বছরের মধ্যে টাইটানিক সাগরের বুকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
![]() |
| সাগরের তলদেশে জাহাজের ধ্বংসাবশেষ। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে যেতে প্রস্তুত গাজার স্বাধীনতাকামীরা
শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) হামাসের পক্ষ থেকে গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
একইসঙ্গে হামাস যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের ক্রমাগত হামলা বন্ধে চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানায়।
এদিকে যুদ্ধবিরতি নিয়ে হামাসের এমন সিদ্ধান্তের আগেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার হামাসের রাজনৈতিক কার্যালয় বন্ধ করেছে। গত সপ্তাহে ইসরায়েল ও হামাসকে আলোচনায় গুরুত্ব দেখানোর আহ্বান জানিয়ে দেশটিতে হামাসের কার্যক্রম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়।
সংবাদ সংস্থা এএফপিকে এই বিষয়ে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য বাসেম নাইম বলেন, ‘যদি যুদ্ধবিরতির এই প্রস্তাব মেনে নেওয়া হয়, তাহলে হামাস গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর জন্য প্রস্তুত রয়েছে।’
তিনি আরও জানান, হামাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন ও ট্রাম্পের কাছে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ করতে চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানাচ্ছে।
কিন্তু হামাসের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতিতে সম্মতির প্রস্তাব দেওয়া হলেও এখনো গাজায় ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত রয়েছে।
পাশাপাশি লেবাননেও বর্তমানে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলছে। লেবাননের কর্মকর্তারা জানান, তারা যুক্তরাষ্ট্রের একটি খসড়া যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পেয়েছেন, যা এখন পর্যালোচনায় রয়েছে। এই প্রস্তাবের মধ্যে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই প্রস্তাবে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে সেনা মোতায়েন রাখার কথা বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে এক শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত লিসা জনসন বৃহস্পতিবার লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাজিব মিকাতি ও হিজবুল্লাহর ঘনিষ্ঠ স্পিকার নাবিহ বেরির সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এই পাঁচ পাতার প্রস্তাবে মোট ১৩টি পয়েন্ট রয়েছে। প্রস্তাবের পর্যালোচনার জন্য স্পিকার তিন দিন সময় চেয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের এই যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ফ্রান্স যুক্ত হয়েছে। যদি ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহ রাজি হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র এবং ফ্রান্স যৌথ বিবৃতি প্রদান করবে। এদিকে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা চালাতে চায়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর কূটনৈতিক সমাধানে আগ্রহী।
উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। এরপর ইসরায়েল গাজায় ব্যাপক হামলা শুরু করে। এখন পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৪৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যার অধিকাংশই নারী ও শিশু।
গাজার পাশাপাশি, লেবাননেও ইসরায়েলি হামলা চলছে। লেবাননের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অক্টোবর মাস থেকে ইসরায়েলি হামলায় সেখানে ৩ হাজার ৩৮০ জন নিহত হয়েছে।
![]() |
| যুদ্ধবিরতির খবরে ফিলিস্তিনিদের মাঝে দেখা যায় উৎসাহ ও উদ্দীপনা। পুরোনো ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জান্নাতের ৪টি নদী যেগুলো পৃথিবীতে বহমান
সহিহ মুসলিম শরিফের হাদিসে ৪টি নদীকে জান্নাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে বর্ণনা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, পৃথিবীতে এমন ৪টি নদী প্রবাহিত হয়েছে, যেগুলো জান্নাতের নদীগুলোর অন্তর্ভুক্ত। এ নদীগুলো শুধু ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং তাদের ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ইসলামের ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
ফোরাত নদী ফোরাত নদী বা ইউফ্রেটিয়াস রিভার, ২,৮০০ কিলোমিটার দীর্ষ এই নদীটি তুর্কি, সিরিয়া ও ইরাকের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে। আজ থেকে প্রায় ১৪০০ বছর আগে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলে গেছেন, কেয়ামতের আগে শুকিয়ে যাবে এই ফোরাত নদী। ইতোমধ্যে এই নদী শুকানো শুরু করেছে। আবু হোরায়রা (র.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত কেয়ামত সংগঠিত হবে না, যতক্ষণ না ফোরাত নদী শুকিয়ে যায় এবং তার মাঝ থেকে একটি স্বর্ণের পাহাড় উন্মোচন হয়। মানুষ এই স্বর্ণের জন্য যুদ্ধ করবে এবং প্রতি ১০০ জনের মাঝে ৯৯ জনই মারা যাবে এবং তারা প্রত্যেকেই ভাববে হয়ত আমিই সেই বেঁচে যাওয়া একজন।
মিসরের নীল নদ নীল নদের উৎস ছিল এক মহারহস্য। নীল নদটি সহিহ মুসলিমে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নীল ও ফোরাত জান্নাতের নদীগুলোর মধ্যে রয়েছে। নীল নদ ইসলামের ঐতিহ্যের সঙ্গে সবচেয়ে বিখ্যাত সংযোগ হলো নবী মুসা (আ.)-এর গল্প। তার মা ফেরাউনের আদেশ থেকে তাকে রক্ষা করার আশায় একটি ঝুড়িতে রেখে নীলতে নদীতে ভাসিয়ে দেন, যা অবশেষে ফেরাউনের পরিবারের কাছে পৌঁছে যায়। মুসার নবী হওয়ার যাত্রা শুরু হয় সেখান থেকেই।
মহানবী (সা.) মিরাজে গিয়ে জান্নাতের ৪টি নদী দেখেছেন। দুটি বাহ্যিক ও দুটি অভ্যন্তরীণ। বাহ্যিক নদী দুটি দুনিয়ায় প্রবহমান, নীল ও ফোরাত।
তুরস্কের জয়হান নদী সহিহ মুসলিমে জয়হান নদীকে জান্নাতের নদীগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থাৎ পৃথিবীতে আমরা যেসব উপহার উপভোগ করি তা জান্নাতের অফুরন্ত দানের একটি ক্ষুদ্র ঝলক। এ নদী পূর্ব তারাস পর্বতমালার নুরহাক পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে গিয়ে মিশেছে। এটি প্রাচীনকাল থেকে একটি প্রাকৃতিক সীমানা ও বিভিন্ন সভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে পরিচিত ছিল।
তুরস্কের সিহান নদী যেটি সেরাস নামেও পরিচিত। সিলিসিয়া অঞ্চলের দীর্ঘতম নদী এটি। যা প্রায় ৫৬০ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে মিশেছে। প্রাচীন লেখকরা সিহান নদী সম্পর্কে বিশদভাবে লিখেছেন, এটি সিলিসিয়া অঞ্চলের সভ্যতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এ নদীটি কৃষি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে গম, ভুট্টা, বার্লি, তুলা, ফল এবং সবজি চাষ করা হয়, যা স্থানীয় অর্থনীতির একটি বড় অংশ।
অন্য এক বর্ণনায় আছে, রসুলল্লাহ (সা.) বলেছেন, সিহান ও জায়হান, ফোরাত এবং নীল প্রত্যেক নদীই জান্নাতের নদ-নদীসমূহের অন্যতম।
জান্নাতের নদীমালার মধ্যে একটির নাম কাউসার; যা শেষ নবী (সা.)-কে হওজরূপে দান করা হয়েছে। যেখান হতে মহানবী (সা.) তার উম্মতকে কিয়ামতে পানি পান করাবেন। সুর্ববৃহৎ হওজ ও কাউসার নহর থাকবে জান্নাতি শরাবে পরিপূর্ণ। যে পবিত্র শরাব বা পানীয় দুধের চেয়েও সাদা, বরফের থেকেও শীতল, মধুর চেয়েও মিষ্ট এবং মিসকের চেয়েও সুগন্ধময়। হাদিসে বলা হয়েছে, যে একবার সে পানি পান করবে তাকে আর কোনোদিন পিপাসা স্পর্শ করবে না।
![]() |
| নীল নদ। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মণিপুরে আবারও কারফিউ জারি, ইন্টারনেট সেবা বন্ধ
ধারণা করা হচ্ছে মরদেহগুলো মেইতেই সম্প্রদায়ের। গত সপ্তাহে জিরিবাম জেলায় মণিপুর পুলিশ ও কুকি বিদ্রোহীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ হয়। ওই ঘটনার পর থেকে তাঁরা নিখোঁজ ছিলেন।
মণিপুরের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, গতকাল শুক্রবার জিরিবামের একটি নদী থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অন্য তিনজনের মরদেহ আজ পাওয়া গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সেনাবাহিনীর একটি সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, মরদেহগুলো উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ জনতা বেশ কয়েকজন স্থানীয় রাজনীতিকের বাড়িতে হামলা চালিয়েছেন। তবে এতে সামান্যই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শনিবার বিক্ষোভকারীরা টায়ার জ্বালিয়ে রাজধানী ইম্ফলের সড়ক অবরোধ করেন। এরপর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় শহরে কারফিউ জারির ঘোষণা দেয় মণিপুর সরকার।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুই দিনের জন্য মণিপুরের ব্রডব্যান্ড ও মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সহিংসতার কারণে গত বছর কয়েক মাস মণিপুরে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছিল। ওই সময় অন্তত ৬০ হাজার মানুষ গৃহহীন হন।
ওই ঘটনার পর থেকে কয়েক হাজার বাসিন্দা জরুরি আশ্রয়শিবিরে বসবাস করছেন। চলমান বিরোধের কারণে তাঁরা এখনো নিজের বাড়িতে ফিরতে পারছেন না।
সরকারি চাকরি ও জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। মানবাধিকারকর্মীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য স্থানীয় নেতারা জাতিগত বিভাজন বাড়াচ্ছেন।
![]() |
| সহিসংতার প্রতিবাদে মণিপুরের নারীরা সমাবেশ করেন। ইম্ফল, মণিপুর, ভারত, ১৬ নভেম্বর। ছবি: এএনআই |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসপাতালে হৃদয়বিদারক দৃশ্য: পুড়ে মরলো ১০ নবজাতক, ১৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক
শর্ট সার্কিটের ফলে তা থেকে অগ্নিকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, হাসপাতালের বাইরে অস্থির পিতামাতা ও আত্মীয়রা উদ্বেগ নিয়ে অপেক্ষা করছেন। হাসপাতালের ভিতরে বেশ কিছু মেডিকেল সরঞ্জাম পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সন্তান হারানো এক মা বলেছেন, আগুনের পর তার সন্তানকে খুঁজে পাননি। পরে জানানো হয়েছে তার বুকের ধন মারা গেছে। ঝাঁসির সিনিয়র এসপি সুধা সিং শনিবার সকালে বলেছেন, আগুনে পুড়ে যাওয়া ১৬টি শিশুকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তাদেরকে রক্ষা করার সব চেষ্টাই করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় সব রকম চিকিৎসক রাখা হয়েছে সেখানে। অভিযোগ আছে ওই হাসপাতালের ফায়ার এলার্ম এবং অন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথভাবে ঘটনার সময় কাজ করছিল না। কিন্তু এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে উত্তর প্রদেশ রাজ্য সরকার।
রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন ব্রজেশ পাঠক। তিনি বলেন, হাসপাতালের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা অডিট করা হয়েছে ফেব্রুয়ারিতে। তারপর জুনে একটি মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। তা সত্ত্বেও কেন অগ্নিকাণ্ড ঘটলো সে বিষয়ে তিনি বলেন, তদন্তের পর বলা যাবে। তিনি বলেন, তিন স্তরের তদন্ত হচ্ছে। একটি তদন্ত করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। একটি করছে পুলিশ এবং একটি তদন্ত করছেন ম্যাজিস্ট্রেট। শুক্রবার রাতেই সিনিয়র কর্মকর্তা ও চিকিৎসকদের উদ্ধার এবং আহতদের দ্রুত চিকিৎসার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগি আদিত্যনাথ। হতাহতদের পরিবারের প্রতি ৫ লাখ রুপি করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। যেসব শিশু গুরুত্বর আহত হয়েছে তার প্রতিজনের জন্য দেয়া হবে ৫০ হাজার রুপি। ১২ ঘণ্টার মধ্যে বিভাগীয় কমিশনার, ঝাঁসির ডিআইজিকে রিপোর্ট জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডে শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট দ্রুপদি মুরমু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অগ্নিকাণ্ডকে হৃদয়ভাঙ্গা বর্ণনা করে নিহতদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে দুই লাখ রুপি এবং আহতদের দ্রুত রোগমুক্তির জন্য ৫০ হাজার রুপি করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মোদি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিপ্লবের পর সংবিধানের কার্যকারিতা নেই
সংবিধানের খসড়া প্রস্তাবনায় সালেহ উদ্দিন জাতীয় পরিষদ নিয়ে বলেন, জাতীয় পরিষদের সদস্য সংখ্যা হবে ২০০। তারা জাতীয় পরিষদের সদস্য হিসেবে অভিহিত হবেন। তাদের মধ্যে ৬৪ জন নির্বাচিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ১২ জন নির্বাচিত সিটি করপোরেশনের মেয়র, ২৫ জন সংরক্ষিত মহিলা এবং ১০ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, অনগ্রসর জাতিগোষ্ঠী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু সমপ্রদায় ও তৃতীয় লিঙ্গের নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। ২৫ জন সংরক্ষিত নারী সংসদ-সদস্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে নির্বাচিত হবেন। অবশিষ্ট ৮৯ জন জাতীয় সদস্য নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে নির্বাচিত হবেন। এরূপ বণ্টনের ফলে যে রাজনৈতিক দল আনুপাতিক হারে যত আসন পাবে, এর ভিত্তিতে তারা মনোনয়ন দেবে। তবে শর্ত থাকে, রাজনৈতিক দলগুলো যত আসন পাবে, এর অর্ধেক সদস্য নিজ দলীয় সদস্যদের মধ্যে থেকে, বাকি অর্ধেক সদস্য বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নির্বাচিত করবে। তবে তারা কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হতে পারবেন না। সংরক্ষিত অপর ১০ জনকে প্রেসিডেন্ট সরাসরি মনোনয়ন দেবেন। এ মনোনয়নের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট যতদূর সম্ভব সমতাবিধান করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, অনগ্রসর জাতিগোষ্ঠী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু সমপ্রদায় ও তৃতীয় লিঙ্গের নাগরিকদের প্রতিনিধি নিশ্চিত করবেন। খসড়ায় বলা হয়, জাতীয় পরিষদ হবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ও আইনপ্রণয়ন সভা, যা অর্থনৈতিক নীতি, জাতীয় নিরাপত্তা নীতি, বৈদেশিক সম্পর্কের নীতি এবং জাতীয় ঐক্য ও সংহতি বিকাশে পথরেখা প্রণয়ন করবে। জাতীয় বাজেট (অর্থবিল) ছাড়া জাতীয় সংসদে পাস হওয়া আইন চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে জাতীয় পরিষদ। জাতীয় সংসদে বাজেট উত্থাপনের ছয় মাস আগে জাতীয় পরিষদে প্রাক-বাজেট আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় পরিষদের মেয়াদ হবে চার বছর। জাতীয় সংসদ নিয়ে বলা হয়, জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা থাকবে ৩০০। কোনো সংরক্ষিত মহিলা আসন থাকবে না। তবে প্রত্যেক রাজনৈতিক দল দশ ভাগ নারী সদস্যকে মনোনয়ন দিতে হবে। সরকার গঠন, সরকারের প্রতি অনাস্থা এবং অর্থবিল পাসের নিরঙ্কুশ ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে থাকবে। এর বাইরে রাষ্ট্রের সকল আইন প্রণয়ন জাতীয় সংসদের প্রাথমিক অনুমোদনের পর জাতীয় পরিষদ চূড়ান্ত অনুমোদন দিবে। জাতীয় পরিষদ এবং সংসদ নিজেদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা নিজেরাই বৃদ্ধি করতে পারবেন না। কোনো শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবেন না। তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির আবেদন সাংবিধানিক আদালত বিবেচনা করবে। নাগরিকের অধিকার বিষয়ে বলা হয়, আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন দণ্ড হতে পারে-এমন অপরাধে অভিযুক্ত কোনো ব্যক্তিকে আদালতের অনুমতি ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তার করা যাবে না। তবে গুরুতর অপরাধ সংঘটিত করবে-এমন সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি ছাড়া কাউকে আটক রাখা যাবে না। তবে সন্দেহের উপযুক্ত ভিত্তি থাকতে হবে। আদালতে হাজিরের সময় প্রতিবেদনে উপযুক্ত কারণগুলো উল্লেখ করতে হবে। অহেতুক হয়রানি করা যাবে না। আদালতের অনুমতি ছাড়া নাগরিকের গৃহে প্রবেশ ও তল্লাশিতে পুলিশের অধিকার থাকবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে প্রস্তাবনায় তিনি বলেন, জাতীয় পরিষদের যেসব রাজনৈতিক দলের অরাজনৈতিক সদস্য আছেন তাদের এক জন করে প্রতিনিধি নিয়ে ‘নির্দলীয় তত্ত্বাবধাবধায়ক সরকার গঠন’ বিষয়ক একটি সার্চ কমিটি গঠিত হইবে। ওই কমিটিতে সংসদের সরকারি দলের নেতা এবং বিরোধীদলীয় নেতা অথবা তাহাদের একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন। জাতীয় পরিষদের অধ্যক্ষ এই সার্চ কমিটির সভাপতি হইবেন। তাহারা ঐকমত্যের ভিত্তিতে জাতীয় পরিষদের একজন নির্দলীয় সদস্যকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে এবং পনেরো জন উপদেষ্টার মধ্যে দশ জন নির্দলীয় জাতীয় পরিষদ সদস্যকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেয়ার জন্য প্রেসিডেন্টের কাছে সুপারিশ করিবেন। সুপারিশ পাওয়ার পর তিনি প্রধান উপদেষ্টা এবং দশ জন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দিবেন। তারা ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রধান উপদেষ্টা ও দশ উপদেষ্টার তালিকা চূড়ান্ত করতে ব্যর্থ হইলে কমিটির সদস্যদের দুই তৃতীয়াংশ মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হবে। প্রধান উপদেষ্টা এবং দশ জন উপদেষ্টা নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ার পর প্রধান উপদেষ্টা অন্যান্য উপদেষ্টাদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে অবশিষ্ট পাঁচ জন উপদেষ্টা নিয়োগের জন্য প্রেসিডেন্টের কাছে লিখিতভাবে সুপারিশ করিবেন। তাহারা জাতীয় পরিষদ অথবা জাতীয় সংসদের নির্দলীয় সদস্যদের মধ্য থেকেও হইতে পারিবেন অথবা আইনসভার বাহিরে সমাজের আস্থাভাজন ব্যক্তিদের মধ্য থেকেও হইতে পারবেন। তবে তাদের কেউই কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হইতে পারিবেন না। জাতীয় সংসদের কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন না। সাংবিধানিক আদালত নিয়ে বলা হয়, প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে একটি সাংবিধানিক আদালত থাকবে। সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত একজন প্রধান বিচারপতি, আপিল বিভাগের তিন জন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এবং হাইকোর্টর দুই জন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি লইয়া এই আদালত গঠিত হইবে। সাংবিধানিক আদালতে কেউ মামলা দায়ের করতে পারবে না। আদালত শুধু নিজ উদ্যোগে সংবিধান লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা নিজ উদ্যোগে পর্যবেক্ষণ করিতে এবং এহেন কার্য হইতে বিরত রাখিতে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করিতে কিংবা এই ধরনের কোনো কার্যসম্পাদন হইলে তাহা অবৈধ ঘোষণা করিতে পারিবে। সংবিধানের কোনো ব্যাখ্যার প্রশ্ন উত্থাপিত হইলে প্রেসিডেন্ট, জাতীয় পরিষদ অধ্যক্ষ ও স্পিকার সাংবিধানিক আদালতের মতামত গ্রহণ করিতে পারিবেন। এমনকি নির্বাহী কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কমিশনের কোনো চাহিদা পূরণে অনীহা দেখালে কমিশন সাংবিধানিক আদালতে অভিযোগ করতে পারবে।
সুপ্রিম জুডিশিয়াল কমিশন নিয়ে বলা হয়, উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগ দিবে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কমিশন। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে কমিশনে সদস্য হবেন আইনমন্ত্রী, আপিল বিভাগের একজন এবং হাইকোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ বিচারক। অ্যাটর্নি জেনারেল, আইনজীবী সমিতির সভাপতি, বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান এবং সরকারি ও বিরোধী দল ও জাতীয় পরিষদের অধ্যক্ষ মনোনীত একজন করে সদস্য থাকবেন। ভোটের অধিকার নিয়ে প্রস্তাবনায় বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের কোনো কর্মকর্তা এবং প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি ভোটের অধিকার নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র করলে কিংবা ভোট প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করলে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটের ৫০ ভাগ প্রদত্ত না হলে নির্বাচন বাতিল হবে এবং পুনরায় দুই মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। জন্মসূত্রে বাংলাদেশের যেকোনো নাগরিক দেশে ১৮ বছর পর্যন্ত বসবাস করলে জাতীয় সংসদ ও জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে অযোগ্য হবেন না। রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে বলা হয়, রাজনৈতিক দল গণতান্ত্রিক ও গঠনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কমিটি গঠন হয় কিনা তা নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করবে। রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন বা ছদ্মনামে কোনো সংগঠন থাকবে না। জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল নিয়ে বলা হয়, সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণ রেখে জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। কাউন্সিলের প্রধান হবেন রাষ্ট্রপতি। সরকার প্রধান, আইন সভার অধ্যক্ষ, স্পিকার, সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, তিন বাহিনী প্রধান এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব কাউন্সিলের সদস্য হবেন। ৭০ অনুচ্ছেদের বিষয়ে বলা হয়, সরকারের প্রতি আস্থা-অনাস্থা ভোট এবং অর্থ বিল ছাড়া আর সকল কিছুতে স্বাধীনভাবে মত প্রদান ও ভোট দেয়ার অধিকার আইন সভার সদস্যদের থাকবে। এ ছাড়াও সরকারি দপ্তরে নেতা-নেত্রী বা সরকারপ্রধানের বদলে জাতীয় পতাকা ও জাতীয় প্রতীক থাকবে। রাষ্ট্রের শত্রু ছাড়া কোনো নিবর্তনমূলক আইন থাকবে না। প্রেসিডেন্টের দণ্ড মওকুফের কোনো স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতা থাকবে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে নির্দলীয় ভিত্তিতে। এক ব্যক্তি সংসদের একাধিক আসনে নির্বাচন করতে পারবে না। ন্যায়পাল থাকবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিপ্লবত্তোর বাংলাদেশে যাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা সংবিধান সংশোধনের কথা ভাবছি সেটা তাদের (শহীদদের) প্রতি এক ধরনের শ্রদ্ধা জানানো। কিন্তু আমাদের কিছু সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার বিষয় চিন্তায় রাখতে হবে। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদে যদি তাকাই তাহলে এই প্রস্তাবনাগুলো (খসরা) এই সরকারের জায়গা থেকে সংবিধান সংশোধনের কোনো সুযোগ আছে কিনা সেটা ভেবে দেখা দরকার। কেন না এই অনুচ্ছেদে আপনি সবকিছু করতে পারবেন শুধু সংবিধান সংশোধন ছাড়া। তিনি বলেন, এখন সংসদ নেই, গণভোট নেই- এসব প্রশ্নগুলো এখানে যৌক্তিক ও আইনগতভাবে আসবে। গণতন্ত্র যদি ঠিক থাকে, যদি ভোটাধিকার নিশ্চিত করা যায়, তাহলে সব ঠিক থাকবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এম. এ মতিন বলেন, যে সংবিধান ফ্যাসিস্টদের জন্ম দিয়েছে, বিপ্লবের পর সেই সংবিধান গুরুত্ব হারিয়েছে। কেন না বিপ্লব তো সংবিধানের আওতায় হয়নি। এই বিপ্লব ব্যর্থ হলে তো বিপ্লবীদের ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে হতো। এখন যারা জীবন দিলো, তাদের যে চিন্তা-ভাবনা, তাদের যে চাওয়া-পাওয়া এগুলোকে ধারণ করে সংলাপের ভিত্তিতে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা করা এবং একটি নির্বাচন করাই হোক লক্ষ্য। নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় আসবে তারা এসে সংবিধানের বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। তাহলে আমরা একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে যেতে পারবো। সংবিধানের আকার ছোট করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, সংবিধান পুনর্লিখন নাকি সংশোধন হবে, সেটা জনগণের সিদ্ধান্ত। তবে সেটা তো সংবিধানে লেখা থাকবে না। সবসময় মানুষের অলিখিত অধিকার অসংখ্য থাকবে, কিন্তু কিছু কিছু অধিকার থাকবে লিখিত। তবে লিখিত থাকার অর্থ এই নয় যে এর বাইরে আমাদের কোনো অধিকার থাকবে না।
নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার বিষয়ক কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সংবিধান শুধু আইনজ্ঞদের বিষয় নয়, এটি জনগণের বিষয়। এখানে নাগরিকদেরও মতামত থাকতে হবে। তিনি বলেন, সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। ওই সংশোধনী ছিল একটা ধৃষ্টতা। এর মাধ্যমে সংবিধানকে কলুষিত করা হয়। এর মাধ্যমে সংবিধানের এক-তৃতীয়াংশ পরিবর্তন করে ফেলা হয়। এক সংসদকে আরেক সংসদের বেঁধে ফেলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে উচ্চ আদালতে চলমান মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ সংশোধনী বাতিল হলেই তত্ত্বাবধায়ক ফিরে আসবে না। এজন্য পরবর্তী সংসদ বিষয়টি তুলতে হবে। বদিউল আলম মজুমদার জাতীয় সংসদে ৪৫০ আসন এবং এর মধ্যে নারীদের জন্য ১০০ আসন বরাদ্দ রাখার দাবি জানান। একই সঙ্গে শাসন ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণের ওপর জোর দেন দেন। সংবিধানের পুনর্লিখন আদৌ সম্ভব নয় এবং সে প্রক্রিয়াও সংবিধানে নেই উল্লেখ করে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরের বেশি অতিক্রম করেছে। এখন একটা নতুন প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে। এখন সংবিধানের কিছু জায়গায় নতুন চিন্তা-ভাবনা হতেই পারে। তাই মৌলিক মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত কি কি ধরনের প্রতিকার আমরা পেতে পারি, ভবিষ্যতে কি করতে পারি সেটা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। তিনি বলেন, একটা জিনিস আমাদের মাথায় রাখতে হবে যে, গণতন্ত্রে যারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে তারাই তো সরকার গঠন করে। কিন্তু ওই অবস্থায় যারা সংখ্যালঘু, শুধু ধর্মীয় সংখ্যালঘু নয়, ভিন্ন মত ও ভিন্ন গোষ্ঠীর যারা তাদের অধিকার তো রক্ষা করতে হয়। সেটার জন্যই কিন্তু সংবিধান এবং সেজন্য আমাদের সংবিধানে যারা সুবিধাবঞ্চিত, প্রান্তিক, সেটা ভাষার কারণে, লিঙ্গের কারণে, প্রতিবন্ধিতা ও জাতিসত্ত্বার কারণে হতে পারে, তাদের অধিকার শুধুমাত্র সংবিধানের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে পারবো। জেষ্ঠ আইনজীবী হাসনাত কাইয়ূম বলেন, ৫৩ বছরে আমরা একটা ভালো নির্বাচনী ব্যবস্থা তৈরি করতে পারিনি। গত ১৫ বছরে আইন করে লুটপাটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জাতীয় সংসদকে একটা চুরির আইন বানানোর সংস্থায় পরিণত করা হয়েছে। মৌলিক অধিকার চর্চার মতো পরিস্থিতি তৈরি না করলে কোনো চেষ্টাই ফলপ্রসূ হবে না। অনুষ্ঠানে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও গণমাধ্যম কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ বলেন, আমাদের রাজনীতিবিদরা নাগরিকদের প্রজা মনে করেন। আমরা আসলেই প্রজা হয়ে গেছি। সংবিধান বার বার ব্যর্থ হয়েছে। নাগরিকের ক্ষমতা নেই। তাই জনগণের ক্ষমতার চর্চার সুযোগটা আসেনি। সংসদ সদস্যরা যতক্ষণ পর্যন্ত জবাবদিহিতার আওতায় না আসবেন ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের প্রজা হয়েই থাকতে হবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করছে স্পেসএক্স
অনেকে বলেন, ইসরো এবং স্পেসএক্স হলো কম খরচের ক্ষেত্রে দু’টি প্রতিযোগী। কিন্তু বৈশ্বিক বাণিজ্যিক মহাকাশ বিষয়ক বাজারে কারও সন্দেহ থাকা উচিত নয় যে, স্পেসএক্স অনেক অনেক অগ্রগামী। এটা সুবিদিত যে, ডনাল্ড ট্রাম্প এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে চমৎকার বন্ধুত্ব আছে। তারা একজন অন্যজনকে ‘আমার বন্ধু’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। যুক্তরাষ্ট্রের ঝুঁকি নেয়া উদ্যোক্তা ইলন মাস্কও এই দুই নেতার বন্ধু। ইলন মাস্ক বলেন, তিনি মোদির একজন ভক্ত। এই দিক থেকে এই মহাকাশ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের আশা ও সময়টা উপযুক্ত। তবে ইসরো এবং স্পেসএক্সের মধ্যে চুক্তি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনের আগে। ফলে ওয়াশিংটন ডিসি বা নয়া দিল্লির কেউ সুবিধাভোগী পুঁজিবাদ বলে সমালোচনা করতে পারেননি। ইসরোর বাণিজ্যিক শাখা ব্যাঙ্গালোরভিত্তিক নিউ স্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেডের (এনএসআইএল) চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাধাকৃষ্ণ দুরাইরাজ বলেছেন, এ বিষয়ে স্পেসএক্সের সঙ্গে আমরা ভাল চুক্তি করেছি। এই ধরনের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মূল্যের দিক থেকে আমরা বলবো একটি ভাল কাজ করেছি। উল্লেখ্য, জিস্যাট-এন২ স্যাটেলাইটটি মিশনের সময়কাল ১৪ বছর। এটি পুরোপুরি একটি বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ। স্যাটেলাইটটি ৩২টি ব্যবহারকারী রশ্মি দিয়ে সজ্জিত। এর মধ্যে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৮টি সরু স্পট বিম এবং ভারতের বাকি অংশে ২৪টি প্রশস্ত স্পট বিম রয়েছে। ৩২টি বিম ভারতের মূল ভূখণ্ডের মধ্যে অবস্থিত উপস্টেশনকে সমর্থন দেবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিবাদের নয়া ধরন, নাচতে নাচতে পার্লামেন্টে বিল ছিঁড়লেন তরুণী এমপি
সূত্র : হিন্দুস্থান টাইমস

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাষ্ট্রের মেরামত না হলে সংস্কার করে লাভ হবে না: ড. দেবপ্রিয়
দেবপ্রিয় বলেন, মাসোহারা দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেতরে লোক রাখা হয়েছিল। তারা টাকা ছাপিয়েছে, ভুয়া রিজার্ভ দেখিয়েছে। ব্যাংক চালানোর মতো যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও এমন ব্যক্তিকে ব্যাংকের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের দুটো কিডনি। একটি ফিন্যানসিয়াল সেক্টর, আরেকটি এনার্জি সেক্টর। দুটোই খেয়ে ফেলেছে বিগত সরকার। যারা এনার্জি সেক্টর খেয়েছে, তারাই আবার ফিন্যানসিয়াল সেক্টর খেয়েছে। আমরা মধ্যম আয়ের ফাঁদে পড়ে আছি। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনার পর, যদি দ্রুত সংস্কার না করা যায় তাহলেও এগোনো সম্ভাবনা হবে না বলেও মন্তব্য করেন সিপিডির এই বিশেষ ফেলো।
উন্নয়নের বয়ানের ব্যবস্থা করা না গেলে এগোনো সম্ভব নয় জানিয়ে দেবপ্রিয় বলেন, বিগত সরকারের আমলে প্রবৃদ্ধির তথ্য ও উপাত্তে মারাত্মক সমস্যা ছিল। তথ্যে রাজনীতিকীকরণ করা হয়েছে। বেসরকারি বিনিয়োগ ছাড়া প্রবৃদ্ধি দেখানো হয়েছে, যেখানে ট্যাক্স জিডিপি বাড়েনি। ট্যাক্স নাই, বিনিয়োগ নাই আর দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখাতে গিয়ে সামাজিক উন্নয়ন, স্বাস্থ্য শিক্ষায় গুরুতর অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংককে ডিজিটালাইজ করতে হবে, অর্থনৈতিক লেনদেনে স্বচ্ছতা আনতে হবে উল্লেখ করে সেমিনারে এসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ লিমিটেডের (এবিবি) চেয়ারম্যান সেলিম আর এফ হোসাইন বলেন, সরাসরি সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় অর্থনৈতিক সেক্টরে লুটপাট হয়েছে। যেখানে ব্যবসায়ী এবং রাজনীতিবিদরা জড়িত ছিলেন।
অর্থনৈতিক সংস্কার ছাড়া কোনো উপায় নেই উল্লেখ করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার ফারজানা লালারুখ বলেন, বিএসইসি মার্কেট রিফর্ম করতে চায়। বর্তমান মার্কেটকে উল্লেখযোগ্য জায়গায় নিয়ে যেতে কাজ করছি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরাইলপন্থিদের নিয়োগে মার্কিন মুসলিমরা হতাশ
ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটা, টুইট সিটিজ সাবেক প্রফেসর ও অ্যাবান্ডন হ্যারিস প্রচারণা গ্রুপের সহপ্রতিষ্ঠাতা হাসান আবদেল সালাম। তিনি সমর্থন করেছিলেন গ্রিন পার্টির প্রার্থী জিল স্টেইনকে। তিনি বলেন, ট্রাম্প তার স্টাফ বাছাই করতে যে পরিকল্পনা করেছেন তাতে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। তিনি আরও চরম অবস্থান নিয়েছেন এরও আগে। তিনি ইহুদিবাদকেই সামনে এগিয়ে নেয়ার জন্য কাজ করছেন। তা সত্ত্বেও আমরা সব সময় চরমমাত্রায় সন্দিহান। অপেক্ষায় আছি যে, প্রশাসন কোথায় যায়।
এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাম্পের প্রচারণা টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেয়নি। ওদিকে মুসলিম অনেক নেতা এবং ট্রাম্পের আরবের অনেক সমর্থক বলেছেন, তারা আশা করেন ট্রাম্পের জাতীয় গোয়েন্দা বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রিচার্ড গ্রেনেল গুরুত্বপূর্ণ কোনো দায়িত্ব পাবেন। তিনি বেশ কয়েকমাস মুসলিম ও আরব আমেরিকান সম্প্রদায়ের সঙ্গে মিশেছেন। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাকে পরবর্তী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবেও পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। ট্রাম্পের মেয়ে টিফ্ফানির লেবানিজ শ্বশুর মাসাদ বোলুস হলেন ট্রাম্পের আরেকজন গুরুত্বপূর্ণ মিত্র। তিনিও বার বার আরব আমেরিকান ও মুসলিম নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এই দু’জনই আরব আমেরিকান ও মুসলিম ভোটারদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, ট্রাম্প শান্তির পক্ষের একজন প্রার্থী। তিনি দ্রুততার সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধ করবেন। কিন্তু এই দুই ব্যক্তির কাউকে আর মন্তব্যের জন্য পাওয়া যায়নি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশুটির অপহরণের নেপথ্যে কী?
গতকাল র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল মুনীম ফেরদৌস বলেন, শিশু জাইফার মায়ের সঙ্গে সম্প্রতি সম্পর্ক গড়ে তোলে অপহরণ চক্রের প্রধান ফাতেমা আক্তার। শিশুটির মা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টেনোগ্রাফার হিসেবে কর্মরত। তিনি মন্ত্রণালয়ের বাসে যাতায়াতকালে কৌশলে ওই বাসে ওঠেন অপহরণকারী ফাতেমা। নানানভাবে অপহৃতের মায়ের সঙ্গে সু-সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে শিশুর মায়ের সঙ্গে সাবলেটে একই বাড়ি থাকার পরিকল্পনাও করেন তারা। ঘটনার দিন আজিমপুরে ভুক্তভোগী শিশুটির বাড়িতে প্রবেশ করেন ফাতেমা আক্তার। এ সময় কৌশলে ভুক্তভোগীকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়। এরপর ফাতেমার তিনজন সহযোগী ওই বাড়িতে প্রবেশ করে। বাড়িতে থাকা নগদ ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা, প্রায় সাত ভরি স্বর্ণালংকার লুট করা হয়। এরপর শিশু মেয়ে আরিশা জান্নাতকে অপহরণ করে আনা হয়। রাখা হয় আদাবর নবীনগর হাউজিংয়ে। সেখান থেকে শুক্রবার রাতে র্যাব শিশুটিকে উদ্ধার করে। তিনি বলেন, অপহৃত ভিকটিম ৮ মাস বয়সী শিশু কন্যা আরিসা জান্নাত জাইফাকে উদ্ধার করে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত উক্ত ব্যক্তিরা ডাকাতি ও অপহরণের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য প্রদান করেছে। ভুক্তভোগী আরিসা জান্নাত জাইফার মায়ের নাম ফারজানা আক্তার। ভুক্তভোগীর মা চাকরি করেন এবং বাবা বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। রাজধানীর আজিমপুরের লালবাগ টাওয়ার এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় ভিকটিমের পরিবার বিগত ৩ বছর ধরে বসবাস করে আসছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, অপহরণের দুই সপ্তাহ পূর্বে ভুক্তভোগীর মায়ের সঙ্গে অফিসে যাতায়াত করার সময় গ্রেপ্তারকৃত শাপলার পরিচয় হয়। এ সময় শাপলা ভুক্তভোগীর মায়ের কাছে তার নাম রাইসা এবং তার বাড়ি নওগাঁ জেলা বলে মিথ্যা পরিচয় দেয়। শাপলা আরও জানায়, সে অবিবাহিত এবং একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ ২য় সেমিস্টারের ছাত্রী। পড়ালেখার পাশাপাশি সে সচিবালয়ের পরিবহন পুলে অফিস সহায়ক হিসেবে চাকরি করে। পরিচয়ের একপর্যায়ে শাপলা জানায়, তার ঢাকায় থাকার জন্য সাবলেট হিসেবে একটি ভালো রুম দরকার এবং তাকে সাবলেট হিসেবে বাসায় ভাড়া দিলে সারাদিন বাসায় পড়াশোনার পাশাপাশি ভুক্তভোগী শিশুকে দেখভালও করতে পারবে। ভিকটিমের মা ভিকটিমের দেখাশুনার কথা চিন্তা করে শাপলাকে সাবলেট হিসেবে বাসা ভাড়া দেয়ার জন্য রাজি হয়। পরে শাপলা গত ১৪ই নভেম্বর বিকালে এসে ভুক্তভোগীর মাকে ২০০০ টাকা অগ্রিম ভাড়া হিসেবে প্রদান করে বাসায় রাত্রিযাপন করে। পরের দিন সকালে শাপলা ভুক্তভোগীর মা ফারজানা আক্তারকে জানায়, গ্রাম থেকে তার চাচাতো ভাই চাল নিয়ে তার বাসায় আসবে। সকাল সাড়ে ৮টায় শাপলা তার চাচাতো ভাই পরিচয়ে ৩ ব্যক্তিকে বাসায় নিয়ে আসে। বাসায় আসার পর আলাপচারিতার একপর্যায়ে শাপলা ও তার কথিত চাচাতো ভাইয়েরা ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগী শিশুর মাকে ওড়না দিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এ সময় শাপলা ও তার সহযোগীরা বাসার স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে ভিকটিম জাইফাকে নিয়ে শাপলার বাসায় চলে আসে এবং তার সহযোগীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেপ্তার এড়াতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করে। পরে গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিং এলাকা থেকে ভিকটিম জাইফাকে উদ্ধারপূর্বক অপহরণের পরিকল্পনাকারী শাপলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। উল্লেখ্য, শাপলা ও তার সহযোগীরা মুক্তিপণ আদায় করার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু ঘটনাটি বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে দেশব্যাপী ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে তারা ভিকটিমের পরিবারের নিকট মুক্তিপণ দাবি করতে পারেনি বলে জানায়।
র্যাব জানিয়েছে, ফাতেমা আক্তার শাপলা একজন গৃহিণী। সে ২০১০ সালে তার পরিবারের সঙ্গে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসবাস শুরু করে। সে ২০১২ সালে বগুড়ার একটি স্কুল থেকে এসএসসি এবং ২০১৪ সালে রাজধানীর একটি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে। পরবর্তীতে রাজধানীর অপর একটি কলেজে মার্কেটিং বিষয়ে অনার্সে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা শুরু করলেও তা শেষ করেনি। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয় এবং বিগত ৩-৪ মাস পূর্বে মোহাম্মদপুর নবীনগর হাউজিং এলাকায় তার স্বামীর নিজস্ব ফ্লাটে বসবাস শুরু করে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঐকমত্য ছাড়া সংস্কার নয়
গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত ‘জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে প্রবাসীদের ভূমিকা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। আইবি টিভি, নিউ ইয়র্ক সময় এবং কালার্স যৌথভাবে বৈঠকটির আয়োজন করে। বক্তারা জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে প্রবাস থেকে সমর্থন দেয়া দুবাইয়ের জেলে বন্দিদের মুক্ত করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে অন্তর্বর্তী সরকারের নিকট আহ্বান জানান।
মান্না বলেন, বাংলাদেশ যতদিন আছে প্রতিদিনই এর সংস্কার করা দরকার। যেকোনো একটা বস্তুকে প্রতিদিন সংস্কার করবেন, প্রতিদিনই সেটা আরও উন্নত হবে। আমরা একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এই সংস্কার করার কথা ভাবছি। তাহলে বর্তমান সময়ের সংস্কার করার মেন্ডেট কতোদিন হতে পারে এটা ভাবা দরকার।
অন্তর্বর্তী সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ওরা বলছে সংস্কার সম্পন্ন করে তারপর নির্বাচন, তাহলে কি সবার জন্য অন্ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার পরে কি হবে? এটা তো হতে পারে না। আামাদের লড়াইটা হয়েছে গণতন্ত্রের জন্য, নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু হয় তার জন্য। আমরা একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাই, যে নির্বাচনের ফলাফলের ওপরে দাঁড়িয়ে আমরা এমন একটা বাংলাদেশ গড়তে পারবো, যারা প্রবাসীদের প্রতি সম্পূর্ণ সহযোগিতামূলক দেশ গঠন করতে পারি।
পুলিশ বাহিনী, গণপ্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন সংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকারের করণীয় সম্পর্কে মান্না বলেন, একটা পুলিশ বাহিনী ও গণপ্রশাসন লাগবে, যেটা এই ভোটকে সহযোগিতা করবে। নির্বাচন কমিশন লাগবে, যেটা এই ভোটে নিরপেক্ষভাবে তার দায়িত্ব পালন করবে। একেবারে ডাউন টু দ্য গ্রাউন্ড, যেখানে ভোট হয় সেই সেন্টার পর্যন্ত যারা যারা দায়িত্বে আছেন সবার সংস্কার লাগবে।
অন্তর্বর্তী সরকারকে নির্বাচনের ব্যাপারে পুনর্ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়ে মান্না আরও বলেন, অনেকে দলগতভাবে আমার সঙ্গে একমত পোষণ নাও করতে পারেন, তবে প্রথম এই নির্বাচনের ব্যাপারে পুনর্ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা একটা খারাপ পরিস্থিতিতে আছি, এমন পরিস্থিতিতে যারা দেশকে পরিচালনা করছেন, তারা কতোদূর সামনে নিয়ে যেতে পারছেন- এটা একটা বিতর্কিত বিষয়। তিনি বলেন, এই ভোটের আগে সমস্ত বিষয়ে সংস্কার করা যাবে না। ভোটের পরে সংস্কারের দায়িত্ব থাকবে, নতুন বাংলাদেশ গড়বার দায়িত্ব থাকবে। এবং সেটা যদি সম্পন্ন করতে চান তাহলে আপনাকে ভোটের মাধ্যমে এমন কোনো সরকার গঠন করতে হবে যিনি এই সংস্কার করবেন এবং জনগণের কল্যাণের জন্য সমস্ত নিবেদন রাখবেন।
তিনি আরও বলেন, এই আন্দোলনে যারা মারা গেছেন সরকার তাদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে পারেনি। যারা আহত হয়েছেন তারা শেষ পর্যন্ত চিকিৎসার টাকার দাবিতে রাস্তায় নেমেছেন। সরকারের নিকট দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এদেরকে যথাযথ সম্মান দেয়া হোক। বাংলাদেশে আসার পরে তাদের জীবন যেন সচ্ছলভাবে চলতে পারে সেই ব্যবস্থা করা হোক। সিন্ডিকেট ভেঙে এত টাকা দিয়ে অনেক নির্যাতনের শিকার হয়ে যারা যেতে চান, তাদের জায়গায় নিজের জীবন যেন সুন্দর করতে পারেন সেটা ব্যবস্থা করার চেষ্টা করতে হবে।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সাংবাদিক গোলাম মোর্তোজা বলেন, বিদেশে বন্দি ৩৫৭ জনের বিষয়টি অবিলম্বে সরকারের নজরে আনতে হবে, নজরে যদি থেকে থাকে তাহলে সেটি সরকারকে মনিটর করতে হবে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, প্রবাসীদের মুক্তির ব্যাপারে কেন এত দেরি হচ্ছে? অথবা আদৌ কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়েছে কিনা? অন্যদিকে সরকারি অর্থ পাচারকারীদের তথ্য আলোচনায় আনার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রবাসীরা দেশে অর্থ পাঠায়। আরেকটি গ্রুপ বিদেশে অর্থ নিয়ে যায়। এখানে এক নম্বরে যার নামটা আসা দরকার, সেটি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের নাম। জয় ওয়াশিংটনে কিছু করে না, কখনই কিছু করতো না।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের রাজপুত্ররা যেমন জীবনযাপন করে, সজীব ওয়াজেদ জয় তেমন জীবনযাপন করে। তার কোনো পেশা নাই, তথাকথিত কম্পিউটার বিজ্ঞানী। হিসাব করে দেখেন কতো টাকা তিনি বাংলাদেশ থেকে নিয়ে গেছেন। এক স্যাটেলাইটের জন্য ৩ হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে, যেখানে ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকার উপরে খরচ হয় নাই। এমন আরও কতো আছে! তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার কোনো পেশা নাই। লন্ডনে তিনি বিশাল বাড়িতে থাকেন। তারা কীভাবে টাকা দেশের বাইরে নিয়ে গেছে? এটা আমরা এত বছর আলোচনা করতে পারিনি। আলোচনাগুলো সামনে আনা দরকার।
প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের নিকট আহ্বান জানিয়ে গোলাম মোর্তোজা বলেন, সৌদি আরব, দুবাই অথবা মালয়েশিয়া হোক- ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা খরচ করে যাওয়ার একটা লুটপাট-জালিয়াতির যে ধারাটা তৈরি হয়েছে, এই ধারাটা বন্ধ করে দিতে হবে। এবং যখন-যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারাই এই ধারার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, সাংবাদিক সোহরাব হাসান, সাংবাদিক মাসুদ কামাল, সাংবাদিক আশরাফ কায়সার, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. সায়ন্ত সাখাওয়াত, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর প্রমুখ।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে প্রবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এখন পতিত সরকারের দোসররা ভারতের সহযোগিতায় সে লড়াইয়ের সফলতা নস্যাৎ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ডনাল্ড ট্রাম্পের ছবি নিয়ে কর্মীদের ছবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছে।
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সোহরাব হোসেন বলেন, প্রবাসীদের ভোটাধিকারের ব্যবস্থা করার ওপরে গুরুত্ব দিতে হবে। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, কোনো নেতা যদি ঢাকায় থেকে কোনো জেলার প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন, তাহলে অন্য কোনো দেশে থেকে কেন দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন না। এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রবাসীদের প্রতি মানবিক দৃষ্টি দিলে দেশ আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে।
সাংবাদিক মাসুদ কামাল বলেন, জুলাই-আগস্টে প্রবাসীদের ভূমিকা অনেক বেশি ছিল। হাসিনা সরকারের সময় রেমিট্যান্স পাঠানো বন্ধ করে দিয়ে তারা খুব ভালো কাজ করেছে। কনক, সারোয়ার, ইলিয়াস, পিনাকীরা মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছিল। এটাই সফলতা।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই সন্তানকে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যার চেষ্টা
পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক সোহান মোল্লা ও আব্দুল হাই বলেন, খবর পেয়ে বাইগারটেক হাজী মার্কেট এলাকার একটি বাসার নিচতলার একটি রুম থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় মো. আহাদকে উদ্ধার করে প্রথমে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে যাই। তার অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে আবার ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসি। তাকে ভর্তি দেয়া হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি আহত আহাদ ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। এই অভাব-অনটন নিয়েই তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকতো। সেই থেকেই হতাশাগ্রস্ত হয়ে দুই সন্তানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন। বাসা বাড়িতে কাজ করায় ঘটনার সময় তার স্ত্রী কোলের মেয়ে সন্তানকে নিয়ে তখন বাসায় ছিল না। আর বড় ছেলেও বাসার বাইরে ছিল।
আহত আহাদের সঙ্গে হাসপাতালে আসা তার প্রতিবেশী মো. হাসান খান বলেন, শনিবার সকাল সাতটা থেকে আহাদের বাসায় চিল্লাচিল্লি শুরু হয়। এরপর তার স্ত্রী মেয়েকে নিয়ে তার কাজে বের হয়ে যায়। তারপরও ঝামেলা থামেনি। সকাল ৯টার দিকে আমরা গিয়ে দেখি তার দুই সন্তান রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে রয়েছে। আর আহাদের গলা দিয়েও রক্ত ঝরছে। পরে আমরা পুলিশে খবর দিই। পুলিশ এসে সকল উদ্ধার করে নিয়ে আসে।
আহত আহাদের বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শেখ আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, আহাদের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এখনো তাকে সংকটমুক্ত বলা যাচ্ছে না।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ মাকছেদুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে- পারিবারিক কলহ, আর্থিক অনটনসহ নানাবিধ কারণে দুই শিশু সন্তানকে গলা কেটে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যার জন্য গলায় ধারালো ছুরি চালিয়েছেন। এরপরও ঘটনার সঠিক কারণ সন্ধানে আমাদের তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্তের পরই বিস্তারিত বলা যাবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ড. ইউনূসের উচিত নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা: ইকোনমিস্টের রিপোর্ট: বিপ্লবের পর বাংলাদেশ স্থিতিশীল
ড. ইউনূস অস্থির। সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতা নেই তার। দুই শক্তির চাপে তিনি সংকুচিত হয়েছেন। যেসব ছাত্র আন্দোলনকারী তাকে ক্ষমতায় আসার পালে হাওয়া দিয়েছে তারাই তার কাছে ক্রমবর্ধমান আকারে চরম সব দাবি তুলে ধরছেন। এর মধ্যে শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি আছে। মানবতার বিরুদ্ধে যে অপরাধ করেছেন তার বিচার করার জন্য ভারতের কাছ শেখ হাসিনাকে ফেরত চাইছে। বাংলাদেশে অন্য শক্তি হলো আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। তারা ড. ইউনূসের কাছে দ্রুত নির্বাচন দাবি করছে, সম্ভবত যতটা সম্ভব জুনে। তিনি সেটা না দেয়া পর্যন্ত তারা গণআন্দোলন করতে পারে।
মাঝে মাঝে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সম্ভব হচ্ছে। আওয়ামী লীগের প্রতি ড. ইউনূসের মোটামুটি সহনশীলতা দেখে হতাশ ছাত্রআন্দোলনকারীরা। তারা আবার রাজপথকে বেছে নিতে পারে। এ সময় সহিংসতার হুমকিও আছে। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ইতিহাস আছে যে দেশে, সেখানে এ বিষয়টি ভয়াবহ উদ্বেগের। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৮ ভাগ হিন্দু সম্প্রদায়ের। তাদের অনেকে আওয়ামী লীগের সমর্থক। এরই মধ্যে তাদের ওপর মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতা হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আরেকটি উদ্বেগ হলো- পচে যাওয়া একটি বিচার ব্যবস্থাকে সংস্কার করার জন্য যে সময় প্রয়োজন তা করার প্রয়োজনীয় সময়ের আগেই বিএনপি’র দাবির কাছে তাকে আত্মসমর্পণ করতে হতে পারে এবং নিশ্চিত করতে হবে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। বিএনপি যদি একটি ত্রুটিপূর্ণ, অপরিপক্ব নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারে তাহলে এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে পুরনো খারাপ ধারার ক্ষমতার প্যাটার্ন ফিরতে পারে, যা এ দেশের অপরাধপ্রবণ অলিগার্কদের মধ্যে পালাবদল হয়।
কী করা যেতে পারে? বিশ্ব যখন প্রেসিডেন্ট-নির্বাচিত ডনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে, তখন বাংলাদেশ যেকোনো সরকারের খুব কমই প্রথম অগ্রাধিকার। এখনও বাংলাদেশ একটি রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে আর্থিক সংকট এড়ানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। তাই অন্যান্য দেশ বাংলাদেশের সেই উদ্যোগকে নিশ্চিত করতে সহায়তা করতে পারে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ১.২ বিলিয়ন সহায়তা প্যাকেজ, আইএমএফ’র কাছ থেকে বেইল-আউট হিসেবে ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের প্যাকেজ পেয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের প্রয়োজন হবে আরও অনেক বেশি। শেখ হাসিনার অধীনে বিদেশে পাচার হওয়া প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলারের কিছুটা উদ্ধারে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সহায়তা করছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। যদি বাংলাদেশকে বাঁচিয়ে রাখতে পশ্চিমা ঋণদাতারা ও ভারত ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে এ দেশ তার পরিবর্তে চীনের কাছে ঋণী হয়ে উঠতে পারে। এরই মধ্যে তারা প্রতিশ্রুত অনুদান ও ঋণের আরও ৫ বিলিয়ন ডলার ঝুলিয়ে দিয়েছে।
ড. ইউনূসের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ক্ষমতায় থাকার তিন মাস পরে নির্বাচনের জন্য তাকে একটি টাইমটেবিল ঘোষণা করা উচিত। সেটা হতে পারে এক বছর বা তেমন সময়ে। আইনি এবং নির্বাচনী সংস্কারের জন্য কেন বিলম্বের প্রয়োজন তা ব্যাখ্যা করার জন্য তাকে আরও কিছু করতে হবে। এই সংস্কার দীর্ঘমেয়াদে গণতন্ত্রকে সমৃদ্ধ করবে। ড. ইউনূস দেশের তত্ত্বাবধায়ক হওয়ায় বহু মানুষ উল্লাস করেছে। কিন্তু কীভাবে তিনি শাসন করবেন এবং কীভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন তার একটি পরিষ্কার পরিকল্পনা দেয়া উচিত। এক্ষেত্রে অনেক দেরি হলে বাংলাদেশের বিপ্লব অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়তে পারে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে ক্ষোভ থেকে খুন করা হয় মুনতাহাকে by ওয়েছ খছরু
তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন- এসব কারণে একটি শিশুকে হত্যা করা না-ও হতে পারে। বিষয়টির আরও তদন্ত প্রয়োজন। রিমান্ডে পাওয়া তথ্য সহ সার্বিক বিষয় নিয়ে তদন্ত করা হবে। এরপর আদালতে চার্জশিট দেয়া হবে। সূত্র জানায়, মুনতাহা হত্যা মামলার চার আসামি কানাইঘাট থানার বীরদল ভাড়ারিফৌদ গ্রামের মৃত ময়না মিয়ার স্ত্রী আলিফজান, তাদের মেয়ে শামীমা বেগম মার্জিয়া, একই এলাকার ইসলাম উদ্দিন ও নাজমা বেগমকে পুলিশ ১১ই নভেম্বর আদালতে প্রেরণ করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। আদালত সে সময় ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করলে পুলিশ আসামিদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জিজ্ঞাসাবাদকালে প্রধান অভিযুক্ত মার্জিয়া নিজের দোষ স্বীকার করে এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিবে বলে পুলিশকে জানায়। তাই রিমান্ডের ৫ দিন শেষে শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ৪ আসামিকে আদালতে তোলা হয়। কিন্তু আদালতে এসে আর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি তিনি। পরে আসামিদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন আদালত। সিলেট জেলা জজ আদালতের ইন্সপেক্টর জমসেদ আহমদ জানিয়েছেন- চার আসামিকে আদালত কারাগারে প্রেরণ করেছেন। তিনি বলেন- প্রয়োজন মনে করলে পুলিশ আবার তাদের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করবে। গত ৩রা নভেম্বর বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিল কানাইঘাট সদরের বীরদল গ্রামের শামীম আহমদের মেয়ে মুনতাহা আক্তার জেরিন। সেদিন সকালে বাড়ির অদূরে একটি মাদ্রাসার ওয়াজ মাহফিল থেকে ছেলে আব্দুর রহিম ও মেয়ে মুনতাহাকে নিয়ে বাড়ি ফেরেন শামীম আহমদ। সেখান থেকে তাদের ফল কিনে দেন। এরপর মুনতাহা শিশুদের সঙ্গে বাড়ির সামনের সড়কে খেলতে যায়। বেলা আড়াইটার দিকে খাবার খেতে মুনতাহার ডাক পড়ে। খুঁজতে গিয়েও শিশুটিকে আর পাওয়া যায়নি। এরপর ওইদিন রাত ১২টায় মুনতাহার বাবা শামীম আহমদ কানাইঘাট থানায় একটি জিডি করেন। ফেসবুকে ঝড় তুলে নিষ্পাপ এই শিশুর নিখোঁজের খবরটি। শোবিজের তারকারা পর্যন্ত ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে মুনতাহার সন্ধান কামনা করেন। তার প্রবাসী ভাই মুনতাহার খোঁজ দিলে আর্থিক পুরস্কার দেবেন বলেও ঘোষণা দেন। কিন্তু মুনতাহা আর জীবিত ফিরে আসেনি। সপ্তাহান্তে মিলে ভয়ঙ্কর খবর। মুনতাহাকে হত্যার পর মরদেহ বাড়ির পাশের একটি খালে কাদামাটিতে চাপা দিয়ে রাখা রেখেছিল ঘাতকরা। ১০ই নভেম্বর ভোররাত ৪টার দিকে মুনতাহার মরদেহ কোলে তুলে পুকুরে ফেলার চেষ্টাকালে স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করেন। এই ঘটনায় অভিযুক্ত মার্জিয়া আক্তার, তার মা আলিফজান ও আলিফজানের মা কুতুবজানকে আটক করা হয়। ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা মার্জিয়ার বসতঘর গুঁড়িয়ে দেন। শিশু সন্তানের গলিত নিথর দেহ দেখে শোকে স্তব্ধ হয়ে এলাকার মানুষ। স্থানীয়রা জানান- মুনতাহাকে ২৫০ টাকায় প্রাইভেট পড়াতো মার্জিয়া। তার মা আলিফজান ভিক্ষাবৃত্তি করতেন। ঘরে তার আশি বছরের বেশি বয়সী নানি কুতুবজান ছিলেন। মার্জিয়া চুরির ঘটনায় এবং তার চলাফেরা খারাপ প্রতীয়মান হওয়াতে টিউশনি থেকে তাকে বাদ দেয় মুনতাহার পরিবার। সেই ক্ষোভে প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠে মার্জিয়া। জনতার হাতে আটকের পর মার্জিয়ার মা আলিফজান বেগম স্থানীয়দের কাছে বক্তব্য রেখেছিলেন। সেই বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে। সেখানে আলিফজান বলেছিলেন- ‘অপহরণের পর মার্জিয়াকে আটকাতে চেয়েছিলেন। তখন মেয়ে তাকে বলে টাকা ৫ লাখ পাইমু, আমি আরও দুইটা শিশু আনিয়া দিতাম। অপহরণের রাতে শিশুটিকে জীবিত ঘরে নিয়ে আসে। এরপর আবার তাকে নিয়ে যায়। পরে কী করছে জানি না। এই ঘটনায় যাতে নিজে ফেঁসে যেতে পারেন ভেবে ঘরের পাশের খালে কাদামাটি থেকে শিশুটির মরদেহ কোলে করে নিয়ে পুকুরে ফেলার চেষ্টাকালে তিনি ধরা পড়ে যান। এদিকে, মার্জিয়ার নানি কুতুবজান বিবিকে বয়সের বিবেচনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধির জিম্মায় দিয়ে দেয়া হয়। পরে গত বৃহস্পতিবার সকালে কানাইঘাট সদর ইউনিয়নের ছাউরা গ্রামে ছোটভাইয়ের বাড়িতে মারা যান তিনি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে ন্যায়বিচার মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতার

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টেইক ব্যাক বাংলাদেশ: নাগরিক ভাবনা
যুগে যুগে অনেক ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচার রাষ্ট্র কিংবা রাজ্য দখল করে। অবৈধভাবে নিজের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে গিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যার ঘটনাও বিশ্বের ইতিহাসে অজানা নয়। নিজের অবৈধ ক্ষমতাকে সুসংহত করার জন্য কিংবা নিজ দেশের স্বাধীনতা কিংবা শ্রেষ্ঠত্ব জাহির করার জন্য, বিশ্বের ইতিহাসে অনেক ফ্যাসিস্ট কিংবা স্বৈরাচারী শাসক, গণহত্যায় লিপ্ত হয়েছেন। তবে বিশ্বের ইতিহাসে বোধ করি বঙ্গকসাই হাসিনাই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি নিজ দেশের স্বাধীনতাকে অন্য দেশের হাতে তুলে দিতে নিজ দেশের জনগণকে হত্যায় লিপ্ত হয়েছিলেন। হাসিনার দুঃশাসনকালে দেশের জনগণ টের পেয়েছে, জনগণ নিজ দেশেই পরাধীন। গণতন্ত্র, মানবাধিকার আর স্বাধিকার হারাতে হারাতে শেষপর্যন্ত তাঁবেদার হাসিনা বাংলাদেশকে এমন অবস্থায় নিয়ে পৌছিয়েছিল, স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিকগণ গরুর গোশত খেতে পারবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেছিল। এ কারণেই আমরা দেখেছি, ৫ই আগস্ট হাসিনামুক্ত বাংলাদেশকে জনগণ ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
গত ১৫ বছরের বেশি সময় ধরেই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিসহ বাংলাদেশের পক্ষের আরও অনেকগুলো রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন, এমনকি ব্যক্তি পর্যায়েও অনেকেই ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরুদ্ধে যার যার অবস্থান থেকে আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। আন্দোলনের চূড়ান্ত সফলতা অর্জিত না হলেও শত জুলুম নির্যাতনের পরও কেউ আপস করেননি। রাজপথ ছেড়ে যাননি। ফ্যাসিস্ট হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাদার অব ডেমোক্র্যাসি বেগম খালেদা জিয়াকে অকারণে বছরের পর বছর কারাবন্দি জীবন কাটাতে হয়েছে। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অনেক অপবাদ অপপ্রচার এমনকি মিথ্যা মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। দেশের জনগণ যাতে শুনতে না পারে সেজন্য উচ্চ আদালতকে ব্যবহার করে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে বাধ্য করা হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে দেশের অবস্থা উপলব্ধি করে তারেক রহমান বাংলাদেশ পুনরুদ্ধারের জন্য ডাক দিয়েছিলেন। একটি স্লোগান তুলেছিলেন। স্লোগানটি হলো ‘টেইক ব্যাক বাংলাদেশ’।
তাঁবেদার হাসিনার পলায়নের মুহূর্তটিকে স্বাধীনতাপ্রিয় মানুষ যখন ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’ হিসেবে অভিহিত করে তখন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের ‘টেইক ব্যাক বাংলাদেশ’ স্লোগানটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ এবং গভীর অর্থবহ বলেই প্রতিভাত হয়। ‘টেইক ব্যাক বাংলাদেশ’ কিংবা ভাষান্তর করলে ‘ফিরে লও বাংলাদেশ’। এই স্লোগানের মর্মার্থ এভাবে উপলব্ধি করা যায়, বাংলাদেশে যেখানে থাকার কথা ছিল সেখানে নেই। সুতরাং, বাংলাদেশ যেখানে ছিল সেখানে ফিরিয়ে আনতে হবে এটাই ছিল এই স্লোগানের উদ্দেশ্য।
বাংলাদেশ কোথায় থাকার কথা ছিল? আসুন একটু জেনে নেই। সাম্য-মানবিক মর্যাদা-সামাজিক সুবিচার, মুক্তিযুদ্ধের এইসব মূলমন্ত্রে বাংলাদেশ পরিচালিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের মূলমন্ত্র থেকে সরে গিয়েছিল। দেশের গৌরব এবং মর্যাদার প্রতীক সেনাবাহিনীকে ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিল। গণতন্ত্র হত্যা করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করা হয়েছিল। বাংলাদেশকে একটি তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে অপচেষ্টা চলেছিল।
১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর দেশের সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মধ্যদিয়ে দেশের স্বার্থবিরোধী অপশক্তিকে পরাজিত করা হয়েছিল। দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা সুরক্ষিত করা হয়েছিল। তখন থেকে দেশে মূলত মুক্তিযুদ্ধের মূলমন্ত্র সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়েছিল। ৭ই নভেম্বর বিজয়ী হয়েছিল দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ, জাতীয়তাবাদী শক্তি। সুসংহত হয়েছিল বাংলাদেশের পক্ষের জনগণের ঐক্য ও সংহতি। অপশক্তির পরাজয়ের মধ্যদিয়ে শক্তিমান হয়ে উঠেছিল দেশের শৌর্য ও সাহসের প্রতীক সেনাবাহিনী। ’৭৫-এর ৭ই নভেম্বর সিপাহী-জনতার সম্মিলিত বিপ্লবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ। সুতরাং, ৭ই নভেম্বর ছিল, দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা সুরক্ষার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দিন।
’৭৫-এর ৭ই নভেম্বর পরাজিত অপশক্তি তাদের পরাজয় মেনে নিতে পারেনি। ফলে সেদিনের পরাজিত সেই অপশক্তির দেশের স্বার্থবিরোধী ষড়যন্ত্র কখনোই থেমে ছিল না। অপশক্তির ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র এবং সুদূরপ্রসারী চক্রান্তের অংশ হিসেবেই তারা সকল সময়েই দেশের ইমেজ বিনষ্টের চক্রান্তে ছিল লিপ্ত। পরাজিত অপশক্তি দেশে সুকৌশলে তথাকথিত জঙ্গিবাদের জন্ম দিয়েছিল। সেনাবাহিনীকে ধ্বংসের সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনীতেও জঙ্গি রয়েছে, দেশে-বিদেশে এমন প্রচারণাও চালিয়েছিল। অপরদিকে দেশে-বিদেশে জাতীয়তাবাদী শক্তির ইমেজ ক্ষুণ্ন করতে ২০০৪ সালে ঘটানো হয়েছিল ২১শে আগস্ট। ২১শে আগস্ট ছিল স্পষ্টতই দেশের জাতীয়তাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে এক গভীর ষড়যন্ত্র। ২১শে আগস্টের নৃশংস ঘটনাটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না। ২১শে আগস্ট ছিল ২০০৭ সালের কথিত ‘ওয়ান ইলেভেন’ সৃষ্টির প্রাক মহড়া। ‘একুশে আগস্ট’ আর ‘ওয়ান ইলেভেন’ একই সূত্রে গাঁথা।
৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে পরাজিত অপশক্তি ‘মহাজোটে’র নামে ‘একজোট’ হয়েছিল। ৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর যারা দেশকে উল্টো পথে নিতে ব্যর্থ হয়েছিল ২০০৭ সালের কথিত ওয়ান-ইলেভেনের মাধ্যমে তারা সাময়িকভাবে সফল হয়। ‘একুশে আগস্ট’ আর ‘ওয়ান ইলেভেন’-এর ষড়যন্ত্রের পথ ধরেই ‘মহাজোটে’র নামে ‘একজোট’ হওয়া, ৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের পরাজিত অপশক্তি রাষ্ট্রক্ষমতা কুক্ষিগত করে। ক্ষমতা দখল করেই ঘষেটি বেগম, রায় দুর্লভ আর জগৎশেঠদের মতো মীরজাফর চক্রটি প্রথম আঘাতটি হানে দেশের সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত সেনাবাহিনীর ওপর। বিডিআর বিদ্রোহের নামে রাজধানীর পিলখানায় ঘটানো হয় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ। এটি আসলে কোনো বিদ্রোহ নয়, এটি ছিল ঠাণ্ডা মাথায় সেনা হত্যাযজ্ঞ। এই হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে দেশের ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার প্রাণ কেড়ে নেয়া হয়। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সেনা হত্যাযজ্ঞের এই বর্বরোচিত দিনটি অবশ্যই বাংলাদেশে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা উচিত বলে আমি মনে করি।
আবু সাইয়িদ, মুগ্ধ কিংবা ওয়াসিমদের বীরত্বগাঁথা আত্মত্যাগের মধ্যদিয়ে জনগণের বাংলাদেশ জনগণের কাছে আবার ফিরে এসেছে। ‘টেইক ব্যাক বাংলাদেশ’ স্লোগানটি সার্থক রূপলাভ করেছে। তবে ২০২৪ কিংবা ’৭১ বার বার আসে না। বার বার হয় না। সুতরাং, হাজারো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে পুনরুদ্ধার হওয়া বাংলাদেশ যাতে আর জনগণের কাছ থেকে কেউ কেড়ে নিতে না পারে, এজন্য জনগণের বাংলাদেশে জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠা করতে হবে, একজন নাগরিক হিসেবে এটাই আমার এই মুহূর্তের ভাবনা। প্রশ্ন হলো, দেশের সঙ্গে জনগণের মালিকানা কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। একজন নাগরিক হিসেবে আমি আমার ভাবনাটি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই। এই বিষয়টি নানা দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে।
তবে আমি মনে করি,
১. ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য থেকে আরম্ভ করে মেম্বার অব পার্লামেন্ট, অর্থাৎ স্থানীয় সরকার থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় সরকার পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে যদি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি অর্থাৎ নাগরিকদের এই প্রত্যক্ষ ভোট প্রয়োগের অধিকার নিশ্চিত হওয়ার মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিকের সঙ্গে রাষ্ট্রের মালিকানার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।
২. যখন একটি রাষ্ট্রে এটি প্রমাণিত হবে যে, কোনোভাবেই ‘নাগরিকের ভোট ছাড়া জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়া সম্ভব নয়’ তখন বোঝা যাবে নাগরিকদের সঙ্গে রাষ্ট্রের মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
৩. জনগণের ভোট ছাড়া যখন মনে হবে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে রাষ্ট্রপরিচালনা সম্ভব নয় তখনি বোঝা যাবে রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের মালিকানা সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।
এক্ষেত্রে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একটি উক্তি প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেছেন, একটি রাষ্ট্রে ভোটের অধিকারবিহীন নাগরিকের অবস্থা রণাঙ্গনে অস্ত্র এবং প্রশিক্ষণবিহীন সৈনিকের মতোই নাজুক।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিংবা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, সময়ের প্রয়োজনে আমরা যাই বলি না কেন, শেষপর্যন্ত রাজনীতিবিদরাই রাষ্ট্র পরিচালনা করেন। এটাই বাস্তবতা। নজিরবিহীন সাহসিকতায় ২০২৪-এর বিজয় কীভাবে সুসংহত রাখা যায়, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বেশ কয়েকটি বক্তব্যও আমার চিন্তার খোরাক জুগিয়েছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশেষ করি যে, নাগরিকদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রশ্নে সাম্প্রতিক সময়ে তার দেয়া প্রতিটি বক্তব্যই ইতিবাচক এবং রাজনৈতিক বার্তাবহ বলেই দেশের মানুষের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ছাড়া গণতন্ত্র, উন্নয়ন কিংবা সংস্কার কোনো কিছুই টেকসই হবে না। জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে, মানুষের ভোট প্রয়োগের অধিকার নিশ্চিত করা। তিনি আরও বলেছেন, একটি দেশের জাতীয় সংসদই হচ্ছে, জনগণ এবং সরকারের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগের সেতুবন্ধন। সুতরাং জাতীয় সংসদকে কার্যকর রাখা খুবই জরুরি।
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও একটি বিষয় বেশ সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। তার এই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত না থাকায় আমি হুবহু তার বক্তব্যটিই এখানে উল্লেখ করতে চাই। গণতন্ত্রকামী জনগণের উদ্দেশ্যে দেয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেছেন, ‘জনগণের আদালত এবং রাষ্ট্রীয় আদালত, দেশে এই দুইটি আদালত শক্তিশালী স্বাধীন এবং কার্যকর থাকলে ফ্যাসিবাদ কিংবা স্বৈরাচার আর কখনই জনগণের স্বাধীনতা এবং ভোটের অধিকার কেড়ে নিতে সক্ষম হবে না। জনগণের আদালতের অর্থ ‘মব জাস্টিস’ নয়। জনগণের আদালতের অর্থ ‘কোনো ব্যক্তি বা দলকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতায়িত কিংবা ক্ষমতাহীন করার চূড়ান্ত ক্ষমতা জনগণের হাতে ন্যস্ত থাকা’। রাষ্ট্রের রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এমন হওয়া প্রয়োজন যেখানে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ যে পর্যায়ের প্রতিনিধিই হোক না কেন নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভোট ছাড়া কোনোভাবেই একজন নেতা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হতে সক্ষম হবেন না। এমন রাজনৈতিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে জনগণের ভোট ছাড়া জনপ্রতিনিধি হওয়ার পথ স্বাভাবিকভাবেই রুদ্ধ হয়ে যাবে। অপরদিকে যেকোনো ফৌজদারি অপরাধের বিচার হতে হবে রাষ্ট্রীয় বিচারিক আদালতে। রাষ্ট্রের হস্তাক্ষেপ ছাড়া সম্পূর্ণ স্বাধীন বিচারালয়ে যেকোনো অপরাধের বিচার হবে।
আমিও জনগণের আদালত এবং রাষ্ট্রীয় আদালত সত্যিকার অর্থে এই দুইটি আদালত থাকলে অবশ্যই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার দিকে কার্যকরভাবে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।
মাফিয়া চক্রের প্রধান হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের বাংলাদেশে জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব নিয়েছে। আমি মনে করি, এ সরকারের প্রতি বাংলাদেশের পক্ষের শক্তির নিঃশর্ত সমর্থন অব্যাহত থাকা জরুরি। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যেন জনগণের এই চাওয়া বুঝতে ব্যর্থতার পরিচয় না দেন, সে ব্যাপারে সরকারেরও সতর্ক থাকা জরুরি। আমার মতামত তুলে ধরলাম।
লেখক: সংবাদ বিশ্লেষক ও সাবেক সহকারী অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ গেমস আগামী বছর

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরাও আসামির তালিকায়: মামলার স্টিয়ারিং কার হাতে? by জাবেদ রহিম বিজন
বিএনপি’র দায়িত্বশীল এক নেতা জানান-জমি-সংক্রান্ত বিরোধ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব ইত্যাদি নানা বিরোধের বদলা নিতে অনেককে মামলায় আসামি করা হচ্ছে। যা থেকে তাদের দলের নেতাকর্মীরাও পরিত্রাণ পাচ্ছেন না।
সরাইলের অরুয়াইল ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহ মিরান মামলা খেয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এখন। তার পুরো পরিবার বিএনপি’র সমর্থক। তার ভাই যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। এসব জানিয়ে মিরান বলেন-তারপরও আমি মামলার আসামি। আমার অপরাধ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আমি অ্যাকটিভ ছিলাম। আমাদের স্কুলের একটি জায়গা আওয়ামী লীগের লোকজন দখল করে রেখেছিল। ৫ই আগস্টের পর আমি এ নিয়ে আন্দোলন করেছিলাম। দুইজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাও এই জায়গা দখলে জড়িত ছিল। তাদের বিষয়ে মন্ত্রণালয়, ডিসি ও ইউএনও অফিসে স্মারকলিপি দিয়েছিলাম। এ কারণে আমাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। ইতিপূর্বে আমার পরিবারের কেউ মামলায় পড়েনি। আমি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আতঙ্কের মধ্যে আছি। মিরান আরও জানান- তার এলাকাতেই আরও অনেক নিরপরাধ লোক মামলার আসামি হয়েছে।
বিজয়নগরের পাহাড়পুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবদুল হককে মামলা ছাড়াই ১৫/২০ দিন আগে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে মামলায় ঢুকিয়ে দেয়া হয়। এরপরই আতঙ্কে এলাকা ছাড়া হন ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামরুল, ৫নং ওয়ার্ডের রফিকুল ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ডের সিরাজ মিয়াসহ ইউনিয়নের আরও কয়েকজন ইউপি সদস্য। কে কাকে ইশারা দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেয় সেই আতঙ্কে আছেন এখন ওই এলাকার সবাই। ওই ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্য জানান- মামলায় আসামি করার ভয় দেখিয়ে বা আসামি থেকে নাম কাটানোর কথা বলে টাকা দাবি করা হচ্ছে। এসব কারা করছে তা সবাই জানে। কিন্তু ভয়ে মুখ খুলেন না।
জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মোবারক হোসেন জানান-মামলায় তাদের ১২ কর্মীকে আসামি করা হয়েছে। বলেন, আমরা যেখানে ১৭ বছর নির্যাতনের শিকার হলাম। আমাদের আবার মামলা দেয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে আমি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। ইতিমধ্যে আখাউড়ায় আমাদের গ্রাম কমিটির এক অর্থ সম্পাদককে অ্যারেস্ট করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী কোনো মামলা-মোকদ্দমা করেনি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদের নামেই মামলা করা হোক। সাধারণ জনগণের নামে হয়রানিমূলক মামলা যেন না করা হয়।
হেফাজতে ইসলামের নেতা মুফতি জাকারিয়া খান জানান- হেফাজতে ইসলাম কোনো মামলা করছে না। যারা মারা গেছেন তাদের ফ্যামিলি মামলা করছেন।
জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম জানান- ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২১ সালে স্বৈরাচার সরকারের নির্যাতনের শিকার হয়ে যারা নিহত হয়েছেন তাদের স্বজনরা তৎকালীন সময়ে কোনো মামলা করতে পারেননি। সরকার তাদের বিভিন্নভাবে বাধা দিয়ে রেখেছিল। সরকারের পতনের পর এখন তারা নিজ নিজ দায়িত্বে এসব মামলা করছে। ওই তিনটি সালে যেসব ঘটনা ঘটেছে এর সঙ্গে বিএনপি’র কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। বিএনপি এখন পর্যন্ত কোনো মামলা করেনি। তবে পরিবেশ-পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যতে আলাপ-আলোচনা করে মামলা করতে পারেন। যেসব মামলা হয়েছে এতে তার দলের কেউ আসামি হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে জানান, দলের পদধারী কেউ আসামি হয়েছেন- এমন তথ্য তার জানা নেই। মামলার শিকার হয়ে সাধারণ লোকজন হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার হোক- তা আমরা চাই না।
জেলার রাজনৈতিক দলের নেতারা মামলা-মোকদ্দমার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করলেও হয়রানির শিকার মানুষজন মামলা খেয়ে তাদের কাছে ছুটে যাচ্ছেন পরিত্রাণ পেতে।
উল্লেখ্য, ৫ই আগস্টের পর জেলার বিভিন্ন থানায় রাজনৈতিক মামলা হয়েছে ২৯টি। এসব মামলায় এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে ১৯২৯ জনকে। প্রত্যেক মামলায় আরও এক-দেড়শ’ জন অজ্ঞাতনামা আসামি রয়েছে। এছাড়া আদালতেও হয়েছে বেশ কয়েকটি মামলা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
-
▼
2024
(2551)
-
▼
November
(469)
-
▼
Nov 17
(19)
- কেন উদ্ধার হচ্ছে না টাইটানিক, কী অদৃশ্য শক্তি রয়েছ...
- ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে যেতে প্রস্তুত গাজার স...
- জান্নাতের ৪টি নদী যেগুলো পৃথিবীতে বহমান
- মণিপুরে আবারও কারফিউ জারি, ইন্টারনেট সেবা বন্ধ
- হাসপাতালে হৃদয়বিদারক দৃশ্য: পুড়ে মরলো ১০ নবজাতক, ১...
- বিপ্লবের পর সংবিধানের কার্যকারিতা নেই
- ভারতের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করছে স্পেসএক্স
- প্রতিবাদের নয়া ধরন, নাচতে নাচতে পার্লামেন্টে বিল ছ...
- রাষ্ট্রের মেরামত না হলে সংস্কার করে লাভ হবে না: ড....
- ইসরাইলপন্থিদের নিয়োগে মার্কিন মুসলিমরা হতাশ
- শিশুটির অপহরণের নেপথ্যে কী?
- ঐকমত্য ছাড়া সংস্কার নয়
- দুই সন্তানকে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যার চেষ্টা
- ড. ইউনূসের উচিত নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা: ইকোনম...
- সিলেটে ক্ষোভ থেকে খুন করা হয় মুনতাহাকে by ওয়েছ খছরু
- ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে ন্যায়বিচার মানবাধিকার ও বাক...
- টেইক ব্যাক বাংলাদেশ: নাগরিক ভাবনা
- বাংলাদেশ গেমস আগামী বছর
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরাও আসাম...
-
▼
Nov 17
(19)
-
▼
November
(469)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



