Friday, September 14, 2018
বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমছে: জাতিসংঘ মহাসচিব

বৃহস্পতিবার মার্কিন ম্যাগাজিন দ্য আটলান্টিককে দেয়া সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রকে এভাবেই মূল্যায়ণ করেন বিশ্বের সর্বোচ্চ সংস্থা জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। তিনি আরো বলেন, ‘আমি মনে করি, বর্তমান সময়ে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে যুক্তরাষ্ট্রের মূখ্য ভূমিকা পালনের ক্ষমতা (সফট পাওয়ার) কমে যাচ্ছে।
এখন যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরণের সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে। এর অর্থ হলো, কয়েক দশক আগে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমেরিকান সমাজের যে কর্তৃত্ববাদী ভূমিকা ছিল, বর্তমানে তা কমে গেছে। একই সময়ে বিশ্ব বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। বিশ্ব আমেরিকার নেতৃত্বাধীন ব্যবস্থা থেকে একাধিক শক্তি নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার দিকে ধাবিত হচ্ছে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইমাম হুসাইনকে (আ.) হত্যার জন্য দরবারি আলেমের ফতোয়া

কুফার মসজিদে ইবনে জিয়াদ ওই ফতোয়া শুনিয়ে একদল মানুষকে ইমামের বিরুদ্ধে উত্তেজিত করে। ইবনে জিয়াদ কুফার মসজিদে সমবেত জনগণকে এই বলে হুমকি দেয় যে, তাদেরকে হয় ইমাম হুসাইনের (আ) বিরুদ্ধে সেনা-সমাবেশ ঘটাতে হবে অথবা মৃত্যু-বরণ-- এ দু'য়ের যে কোনো একটি পথ বেছে নিতে হবে! তারা যদি হুসাইন (আ)'র বিপক্ষে যুদ্ধ করে তবে তাদের পুরস্কার দেয়া হবে বলেও জিয়াদ ঘোষণা দেয়।
ইবনে জিয়াদের নির্দেশে তৈরি করা কাজি শুরাইহ'র ওই ফতোয়ায় বলা হয়েছিল হযরত ইমাম হুসাইন (আ.) তৎকালীন মুসলিম বিশ্বের তথাকথিত খলিফা ও 'আমিরুল মুমিনিন' ইয়াজিদের আনুগত্য করেননি, তাই তাকে দমন করা তথা তার রক্তপাত ঘটানো মুসলমানদের জন্য ওয়াজিব।
কুফার ১৩ হাজার বিভ্রান্ত মুসলমান ইমাম হুসাইন (আ.)’র বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য ওমর সাদের সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়। এদের মধ্যে শিমার বিন জিল জুশান ছিল ওই ১৩ হাজার সেনার চার জন গ্রুপ-লিডারের অন্যতম।
হযরত ইমাম হুসাইন (আ.)’র নেতৃত্বে কারবালার মহাবিপ্লব খোদাদ্রোহী ও মুনাফিক চরিত্রের অধিকারী উমাইয়া শাসকদের স্বরূপ উন্মোচন করেছিল। ইসলামের নামে ধর্মান্ধতা ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ চালু করেছিল ইয়াজিদি শাসক গোষ্ঠী। উমাইয়াদের রাজতান্ত্রিক ইসলামে বসেছিল দরবারি আলেমদের মেলা। লাখ লাখ জাল হাদিস প্রচার করে ইসলাম সম্পর্কে ধুম্রজাল ও বিভ্রান্তি জোরদার করা হয়েছিল সে সময়। ইসলামের খাঁটি নেতাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা ও ভন্ড প্রকৃতির নেতাদের মাহাত্ম্য প্রচার করা ছিল তাদের স্বভাব।
উমাইয়া রাজশক্তি পক্ষ থেকে ইমাম হুসাইন (আ.) ও তাঁর মহান সঙ্গীদেরকে ‘ইসলামী হুকুমাতের’ বিরুদ্ধে বিদ্রোহী বলে প্রচার করা হয়েছিল। তাই ঐতিহাসিক বর্ণনায় দেখা গেছে, হযরত ইমাম হুসাইন (আ.)-কে হত্যার জন্য উদ্যত সেনাদের মধ্যে কেউ কেউ ছিল নামাজি। তারা বলছিল: তাড়াতাড়ি হুসাইনের মাথা কাট, নামাজ বা জামায়াতে নামাজ আদায়ের সময় পার হয়ে যাচ্ছে!
এরা একবারও হয়তো চিন্তা করেনি যে, রাসূল (সা.)’র আহলে বাইতের একজন মহান সদস্যকে তারা হত্যা করতে এসেছে! আর আহলে বাইত (আ.)’র ওপর দরুদ পেশ করা ছাড়া নামাজ আদায় হয় না।
উল্লেখ্য জাহেলি যুগেও আরব মুশরিক ও কাফিররা পবিত্র মহররম মাসে যুদ্ধ-বিগ্রহ করত না। কিন্তু উমাইয়া শাসনামলে মুসলমান নামধারী শাসকরা এতটাই হীন ও নীচ হয়ে পড়েছিল যে তারা রাসূলের(সা.) নাতি ও তাঁর পরিবারকে এই নিষিদ্ধ বা পবিত্র মাসেই নৃশংসভাবে শহীদ করতে কুণ্ঠিত হয়নি।
বাংলার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম সে যুগের উমাইয়া শাসকদের প্রকৃতি তুলে ধরেছিলেন এভাবে:
ওরে বাংলার মুসলিম তোরা কাঁদ্।..তখতের লোভে এসেছে এজিদ কমবখতের বেশে !
এসেছে সীমার, এসেছে কুফা'র বিশ্বসঘাতকতা,ত্যাগের ধর্মে এসেছে লোভের প্রবল নির্মমতা !
মুসলিমে মুসলিমে আনিয়াছে বিদ্বেষের বিষাদ, ...কাঁদে আসমান জমিন, কাঁদিছে মোহররমের চাঁদ।
একদিকে মাতা ফাতেমার বীর দুলাল হোসেনী সেনা,আর দিকে যত তখত-বিলাসী লোভী এজিদের কেনা।..
এই ধুর্ত্ত ও ভোগীরাই তলোয়ারে বেঁধে কোরআন,আলী'র সেনারে করেছে সদাই বিব্রত পেরেশান !
এই এজিদের সেনাদল শয়তানের প্ররোচনায় হাসানে হোসেনে গালি দিতে যেত মক্কা ও মদিনায়।..
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঐক্যের আহবানের মধ্যে অনৈক্যের সুর থাকা সঠিক হবে না by মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন

কিন্তু কোন মহৎ উদ্যোগই যাতে সফল না হয় সেজন্য বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহলের লোকেরা অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এর পেছনে লেগে থাকে। এখানেও তার ব্যতিক্রম নয়। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ ও দূরদৃষ্টিতা বজায় রাখতে হবে। যেকোন উদ্যোগেরই আল্টিমেট গোল নির্ধারণ করতে হয়। আমার মতে, এ সময়ে জাতীয় ঐক্যের আল্টিমেট গোল হল:
একটি নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সকল দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় সংসদ নির্বাচন। যেখানে সকল নাগরিক স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। এ লক্ষ্যে দেশের নাগরিকদের মধ্য থেকে যারাই সহমত পোষণ করবেন তাদেরকে নিয়েই ঐক্য গড়তে হবে এটাই স্বাভাবিক। এখানে যদি বর্তমান সরকারের সমর্থক কোন ভোটারও এই সরকারের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করে পরিবর্তনের ডাকে সাড়া দিয়ে ঐক্যের মধ্যে শামিল হতে চায় তাকে আপনি কোন যুক্তিতে বাঁধা দিবেন? মানুষের চিন্তা চেতনা কি পরিবর্তনশীল নয়? পূর্বে কোন একটা মত বা আদর্শকে সমর্থন করলে তাকে আজীবন ঐটারই সমর্থক ভাবা কি উচিৎ? এক্ষেত্রে বর্তমান উদ্যোগ গ্রহণকারী সিনিয়র সিটিজেনগণ নিজেদের দিকে তাকালেও বিষয়টি সহজেই বুঝতে পারবেন।
সুতরাং প্রকৃত অর্থে যে ঐক্য গঠন সময়ের অনিবার্য দাবী, সেটা হতে হবে জনগণের ঐক্য। এই ঐক্যের উদ্যোক্তা একজন প্রথিতযশা সিনিয়র সিটিজেন শুরুতে সেই কথাই বলেছিলেন যে, আমি জনগণের ঐক্য চাই। অবশ্য এখন ভিন্ন সুর পরিলক্ষিত হচ্ছে।
ঐক্যের উদ্যোক্তা সম্মানিত নাগরিকগণের বিবেকের কাছে সবিনয় প্রশ্ন রাখতে চাই, বর্তমান সরকার যে অপকৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে জাতিকে বিভক্ত করে ক্ষমতায় আরোহণ করেছিল এবং এখনো ক্ষমতার মসনদ রক্ষায় উঠে পড়ে লেগেছে, সেই একই কৌশলও বক্তব্য যদি ঐক্যের উদ্যোক্তারা প্রয়োগ ও প্রদান করেন তাহলে জনগণ কোন দুঃখে বর্তমান ক্ষমতাসীনদের পরিত্যাগ করে আপনাদের ডাকে সাড়া দেবে? এই সরকার তো জাতির মধ্যে দ্বিধা বিভক্তি সৃষ্টিকারী এ জাতীয় বক্তব্য অনেকদিন ধরে ব্যাপকভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। ক্ষমতার স্বার্থে সরকারি দলের গৃহিত অপকৌশল তাদের দিক থেকে সঠিক বিবেচিত হলেও আপনাদের জন্য তা কিভাবে সঠিক হতে পারে? বিষয়টি সুবিবেচনার দাবি রাখে। তারা তাদের এ অপকৌশল ও অপপ্রচারের মাধ্যমে দেশবাসীসহ বিশ্বকে বারবার বুঝানোর চেষ্টা করেছিল যে, দেশের আসল সমস্যা জামায়াত।
তাদের বিচার করলেই দেশ সমস্যামুক্ত হয়ে যাবে। দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, আইন ও যুদ্ধাপরাধ বিশেষজ্ঞগণসহ বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে ব্যাপক সমালোচনা সত্ত্বেও তারা তো যেভাবেই হোক তাদের হীন উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করেছে। তাদের কথা অনুযায়ী দেশ আদৌ সমস্যামুক্ত হয়েছে কি? বরঞ্চ সমস্যা মহামারী আকার ধারণ করেছে যা তাদেরকেসহ গোটা দেশকে গ্রাস করতে চলেছে। সেজন্যই তো আপনাদের মতো বিবেকবান মানুষেরা জীবনের এ পর্যায়ে এসে যখন বিশ্রামে থেকে দেশের উন্নতির দৃশ্য অবলোকন করে চোখ শীতল হওয়ার কথা, তখন শিশু-কিশোর নারীসহ সর্বশ্রেণী ও পেশার মানুষের অবর্ণনীয় কষ্ট দেখে সহ্য করতে না পেরে আপনাদের চোখে অশ্রু বিসর্জন হচ্ছে আর সে কারনেই এই পড়ন্ত বিকেলে জেল-জুলুম, গুম, খুন ও মৃত্যুর খড়গ মাথায় নিয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে রাস্তায় নামার ডাক দিচ্ছেন। চূড়ান্ত আহবানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আবারো আল্লাহর দরবারে দোয়া করি আল্লাহ আপনাদের এ মহতি প্রচেষ্টাকে সফলতায় পৌঁছে দিন। আমীন।
মান্যবর সিনিয়র নাগরিকবৃন্দ, ঐক্যের আহবানের মধ্যে অনৈক্যের সুর থাকা সঠিক হবে না। জোড়াতালির ঐক্য দিয়ে কোন উদ্দেশ্য সাধিত হবেনা। একটা সুপ্রতিষ্ঠিত ঐক্য ভেঙ্গে আরেকটা ঐক্য গঠন এটা জোড়াতালির মতই। ঐক্যের নামে আপনারা একটি প্রতিষ্ঠিত ঐক্যকে ভাঙ্গতে ভূমিকা রাখাটা কতটুকু সমীচিন কিংবা যথার্থ হচ্ছে মেহেরবাণী করে ভেবে দেখার অনুরোধ করছি। ২০ দলীয় ঐক্যজোট দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের সমর্থিত ঐক্যজোট। এই জোটের প্রধান দু’ই শরীক হল- বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। একটি বিশেষ প্রেক্ষাপটেই এ দু’টি দলসহ অন্য দলগুলোকে নিয়ে এই ঐক্যজোট গঠিত হয়। যে প্রেক্ষাপট কিংবা যে উদ্দেশ্য নিয়ে এ জোট গঠন হয়েছিল তার প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়নি। তার প্রমাণ আপনারাই। কারণ আপনারাও বৃহত্তর ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছেন। সুতরাং ২০ দলীয় ঐক্যজোটের মাধ্যমে দেশের একটি ব্যাপক সংখ্যক জনগণের মধ্যে যে ঐক্যের বন্ধন তৈরি হয়েছে, সেটাতে কোনভাবে চির না ধরিয়ে কিংবা দূর্বল না করে যতটুকু অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে সেখান থেকে শুরু করে পরিপূর্ণ জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির প্রয়াসই সময়োপযোগী ও সঠিক সিদ্ধান্ত বলে দেশবাসী মনে করেন।
কিন্তু একটা বিষয়ে ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। আর তা হলো: আপনারা জাতীয় ঐক্যের ডাক দেন এটা আপনাদের অধিকার। কিন্তু ঐক্যের নামে আপনারা একটি দলকে তার সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্কে আবদ্ধ আরেকটি দল ছেড়ে আসার আহবান কতটুকু বিবেচনা প্রসূত তা অনেকের বুঝে আসতেছেনা। বিষয়টি অপ্রত্যাশিত, একেবারেই বেরসিক ও বেমানান বলে দেশের জনগণ মনে করে।
সম্মানিত সিনিয়র নাগরিকবৃন্দ, আপনাদের ডাকে সাড়া দিয়ে বিএনপি যদি বৃহত্তর ঐক্যে যেতে চায়, সেখানে জামায়াত তো কোন বাঁধা দিচ্ছে না। জামায়াত তো আপনাদেরকে কোন শর্ত দিচ্ছে না যে, তাদেরকেও আপনাদের ঐক্যে রাখতে হবে। তবে কেন আগ বাড়িয়ে বিভিন্ন বক্তব্য প্রদান করে বহুল প্রত্যাশিত জাতীয় ঐক্যের ব্যাপারে হতাশা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
প্রকৃতপক্ষে, মূল সমস্যাকে পাশ কাটিয়ে সমস্যা নয় বরং সম্ভাবনাকে সমস্যা বানিয়ে দেশের কোন কল্যাণ হবে না। অতীতে দেশের বিভিন্ন ক্রান্তিকালে জামায়াতের গঠনমূলক ভূমিকা ছোট করে দেখার কোন সুযোগ নেই। দেশের নির্বাচন পদ্ধতি কি হবে, তারই সমাধান দিয়ে কেয়ারটেকার সরকারের রূপরেখা জামায়াতই প্রথম উত্থাপন করেছিল। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগসহ দেশের সকল দল এ ব্যবস্থাকে সাধুবাদ জানিয়েছিল এবং এখনও আপনারাসহ প্রায় সকল রাজনৈতিক দল এই কেয়ার টেকার তথা তত্ত্ববধায়ক সরকারের দাবিতে সোচ্চার আছেন।
তাছাড়া জনগণের মেন্ডেট ছাড়াই গত ৫ বছর যে সরকার দেশ শাসনের নামে জনগণের উপর অত্যাচারের স্টীম রোলার চালিয়ে আসছে, যার বিরুদ্ধে আপনারাও আজকে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছেন, সেই স্বৈরাচারী সরকারের হাতে সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার মজলুম দলের নাম হচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
তাই যারাই পরিবর্তন চান, তাদেরকে ন্যূনতম শর্তের ভিত্তিতে যার যার অবস্থান থেকে অনেক কিছু ছাড় দিয়েই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা, গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসতে হবে। আরেকটি কথা না বললেই নয়, সেটি হল, বর্তমান সময়ে দেশের রাজনীতিবিদদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন ও ২০ দলীয় ঐক্যজোট নেত্রী, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের অগ্রসেনানী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। জাতীয় ঐক্যের জন্যে তার মতো একজন দেশপ্রেমিক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর এই মুহুর্তে জনগণের পাশে থাকা দরকার। ঐক্যের উদ্যোক্তাদেরকে এই দাবিটিও উপেক্ষা করলে চলবে না বলে দেশের জনগণ মনে করেন।
(লেখাটি ফেসবুক থেকে নেয়া। লেখক নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন না থাকা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য)
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে অতিদ্রুত ধনী হচ্ছে কারা by গোলাম মওলা

এ প্রসঙ্গে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক ও অর্থনীতি বিশ্লেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বাংলাদেশের মতো একটি দরিদ্র দেশে হঠাৎ করে ধনী মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া বিস্ময়কর ব্যাপার। তিনি উল্লেখ করেন, এটা পরিষ্কার যে বাংলাদেশের সম্পদ গুটিকয়েক মানুষের হাতে কেন্দ্রীভূত হচ্ছে। কিছু সংখ্যক ব্যক্তি বা গ্রুপ সম্পদের মালিক হচ্ছেন। এক্ষেত্রে ব্যাংক খাত থেকে টাকা নিয়ে ফেরত না দিয়ে অনেকে ধনী হচ্ছেন।
তিনি বলেন, দেখা যাচ্ছে সব খাতে এক বা দুই ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর হাতে বাজার নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। ফলে বাজার ব্যবস্থায় কোনও প্রতিযোগিতা থাকছে না।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়েলথ এক্স-এর তৈরি প্রতিবেদনটির নাম ‘ওয়ার্ল্ড আলট্রা ওয়েলথ রিপোর্ট-২০১৮’। ৫ সেপ্টেম্বর এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এতে বিভিন্ন দেশে সম্পদশালীর সংখ্যা বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরা হয়। ওয়েলথ এক্স মার্কিন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি ইনসাইট ভেঞ্চার পার্টনারসের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। সংস্থাটির দাবি, তাদের তথ্যভান্ডারে ১ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি ধনীর তথ্য রয়েছে। ৩ কোটি মার্কিন ডলার বা ২৫২ কোটি টাকার সম্পদ থাকলে তাঁদের আলট্রা ওয়েলদি বা অতি ধনী হিসেবে গণ্য করে সংস্থাটি।
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধনী মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির হিসাবে সবার ওপরে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। এদের সংখ্যা বাড়ছে ১৭.৩ শতাংশ হারে। এরপরের অবস্থানে আছে চীন। সেখানে ধনীর সংখ্যা বাড়ছে ১৩.৭ শতাংশ হারে। ২০১২ সাল থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৭ শতাংশ হারে ধনীর সংখ্যা বেড়েছে।
দেশে ধনীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়াকে সংবিধান লঙ্ঘন বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন,সংবিধানে আছে অর্থনীতির মূলনীতি হলো, সমাজতন্ত্র। আর সমাজতন্ত্র মানে হলো মানুষে মানুষে বৈষম্যটা কমিয়ে রাখা। কিন্তু সরকার লালন করছে পুঁজিবাদী অর্থনীতি যা চীনকেও ছাড়িয়ে গেছে। আমেরিকাকেও ছাড়িয়ে গেছে। এই কারণে দেশে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলেও সুবিধাভোগী হচ্ছে শীর্ষ ৫ শতাংশ মানুষ। তার মতে, দেশে বড় লোকই বড় লোক হচ্ছে। দরিদ্রের হাতে অর্থ থাকছে না। এমনকি নিম্ন মধ্যবিত্ত্বরা মধ্যবিত্ত হতে পারছে না। নিচের স্তরের মানুষের কোনও উন্নতি হচ্ছে না। তিনি উল্লেখ করেন,এদের একটা বড় অংশ ব্যাংকের টাকা চুরি করে ধনী হচ্ছে। নিয়ম ও অনিয়মের মধ্য দিয়ে এরা ধনী হচ্ছে। বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা চুরি করেও ধনী হচ্ছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) খানা আয়-ব্যয় জরিপ-২০১৬ এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে দেশে সবচেয়ে ধনী ৫ শতাংশ পরিবারের আয় প্রায় ৫৭ শতাংশ বেড়েছে। তাদের মাসিক আয় দাঁড়িয়েছে ৮৮ হাজার ৯৪১ টাকায়। বিপরীতে একই সময় সবচেয়ে দরিদ্র ৫ শতাংশ পরিবারের আয় কমেছে ৫৯ শতাংশ। তাদের মাসিক আয় দাঁড়িয়েছে ৭৩৩ টাকা। বিবিএসের তথ্যমতে, বর্তমানে দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ২০ লাখ। সেই হিসাবে দেশে ৩ কোটি ৯৩ লাখ দরিদ্র মানুষ আছে। দেশের একটি পরিবারের গড় আয় ছয় বছরের ব্যবধানে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা বেড়েছে। এখন একটি পরিবারের গড় আয় ১৫ হাজার ৯৪৫ টাকা। তবে এই আয় বৃদ্ধির দৌড়ে গরিবের চেয়ে ধনীরাই বেশি এগিয়ে আছে। অর্থাৎ আয়ের ক্ষেত্রে সৃষ্টি হয়েছে বড় ধরনের বৈষম্য। যেমন দেশের সব মানুষের মোট আয়ের ৩৮ শতাংশই আয় করে ওপরের দিকে থাকা ১০ শতাংশ ধনী মানুষ। ছয় বছর আগে তাদের আয়ের পরিমাণ ছিল মোট আয়ের ৩৫ শতাংশের মতো। অন্যদিকে, এখন মোট আয়ের মাত্র ১ শতাংশের সমান আয় করে সবচেয়ে গরিব ১০ শতাংশ মানুষ।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডাকে-কুরিয়ারে আসছে ভয়ঙ্কর মাদক by রুদ্র মিজান

দেশে আসা নতুন এই মাদক ঢাকায় পরিচিতি পেয়েছে খাত ও খাট নামে। বিশেষজ্ঞরা জানান, চায়ের পাতার মতো দেখতে ওই পাতার নাম ‘নিউ সাইকোট্রফিক সাবস্ট্যানসেস’। সংক্ষপে এনপিএস। এটি চিবিয়ে যেমন খাওয়া হয় তেমনি চায়ের মতো পান করা যায়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মনে করে, দেশের অভ্যন্তরে যেমন এই মাদক ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে একইভাবে দেশকে আন্তর্জাতিক মাদক কারবারিরা রুট হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। ইতিমধ্যে ভয়ঙ্কর এই মাদক প্রতিরোধে সক্রিয় হয়ে উঠেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গত এক সপ্তাহে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে খাতের তিনটি চালান জব্দ করেছেন গোয়েন্দারা। তবে বড় চালানটি জব্দ করেছে সিআইডি।
সিআইডি’র অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার রাজীব ফারহান মানবজমিনকে জানান, গত ৯ই সেপ্টেম্বর ২ কোটি ৩৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকা মূলের খাত জব্দ করা হয়েছে। প্রতিটি ১৬ কেজি ওজনের ৯৬টি কার্টনে করে ইথিওপিয়া থেকে ডাকযোগে ঢাকায় পাঠানো হয় এই মাদক। এতে তুরাগের এশা এন্টারপ্রাইজসহ ব্যবসায়ী আলমগীর, সাইফুল অনেকে জড়িত।
বিমানবন্দর দিয়ে সরাসরি মাদক আমদানি ঝুঁকি হওয়ায় ডাক বিভাগের মাধ্যমে মাদক আমদানি করছিল এই চক্র। গোয়েন্দা সূত্রে খবর পেয়ে ডাক বিভাগের বৈদেশিক পার্সেল শাখা থেকে মাদক জব্দ করা হয়। এ বিষয়ে সোমবার পল্টন থানায় মামলা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত জব্দকৃত নতুন মাদকের মধ্যে এই চালানটি সবচেয়ে বড়।
সেপ্টেম্বরের শুরুতেই মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক অভিযানে প্রথম জব্দ করা হয় খাত। এরপরই তোলপাড় শুরু হয় নতুন এই মাদক নিয়ে। গ্রিন-টির মোড়ক দিয়ে আবৃত করে ব্যাগে আনা হয় এই মাদক। নতুন মাদক খাতের ৪৬৭ কেজির একটি চালান শাহজালাল বিমানবন্দর ও ৩৯৪ কেজির আরেকটি চালান শান্তিনগর থেকে জব্দ করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
তারপরই সিআইডি’র অভিযানের দেড় টনেরও বেশি খাত জব্দ করা হয়। এর আগে বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবহার করে দেশের অভ্যন্তরে ইয়াবা পরিবহন করতো মাদক কারবারিরা। এবার ব্যবহার করা হয়েছে ডাক বিভাগকে। এ বিষয়ে সিআইডি’র ডিআইজি শাহ আলম বলেন, ডাক বিভাগকে ব্যবহার করে মাদক আমদানির বিষয়টা আমাদের কাছে নতুন।
গত ৩১শে আগস্ট প্রথম বার জব্দ করা হয় খাত। খাতের ওই চালানটি এসেছিল আদ্দিস আবাবা থেকে ঢাকার নওয়াহিন এন্টারপ্রাইজের জিয়াদ মহম্মদ ইউসুফ নামে এক ব্যক্তির কাছে। কার্টনগুলো খুলে সাধারণভাবে কোনো অবৈধ জিনিস বলে মনে হচ্ছিল না। যা গ্রিন-টি বলেই মনে করছিলেন অনেকে। পরে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানান, এটি চায়ের পাতার মতো দেখতে হলেও আসলে একটি মাদক। এরপরই অভিযান চালায় শুল্ক বিভাগ। অভিযান চালিয়ে ৮৬১ কেজি খাতসহ নাজিম নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।
তারপর ৬ই সেপ্টেম্বর ধরা পড়ে খাতের আরেকটি চালান। চালানটি এসেছিল ভারতের মুম্বই থেকে। ওইদিন নয়টি সন্দেহজনক কার্টন দেখে আটক করা হয়। এতেও পাওয়া যায় খাত। ৮ই সেপ্টেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ইউনিটের ভেতর থেকে ১৬০ কিলোগ্রাম এনপিএস আটক করে শুল্ক বিভাগ।
গত ২০শে আগস্ট মতিঝিলের দিলকুশা এলাকার সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ঢাকায় আসে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা। র্যাব জানায়, ৪০টি ক্রিমের কৌটায় বিশেষ কায়দায় লুকানো ছিল ইয়াবা। প্রতিটি কৌটায় ১০ হাজার পিস ইয়াবা ছিল। খবর পেয়ে কুরিয়ার সার্ভিসের আশেপাশে অবস্থান নেয় র্যাব। ইয়াবা নিতে এলে গ্রেপ্তার করা হয় চার মাদক ব্যবসায়ীকে।
কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে দীর্ঘদিন থেকেই মরণনেশা ইয়াবা নিরাপদে পরিবহন করা হচ্ছে। গত বছরের ৯ই জুলাই এলিফ্যান্ট রোডের শেল সিদ্দিক বহুতল ভবনে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় রবিউল ইসলাম ও ডালিয়াকে। তাদের তথ্যানুসারে গ্রেপ্তার করা হয় ডালিয়ার বোন স্বপ্না ও তার স্বামী শামীম আহমেদ, রানী ও মনোয়ারা বেগমকে। এই পুরো পরিবারটি মাদক ব্যবসায়ী পরিবার। এই চক্রের টাইলস ও ইলেকট্রিকের দোকানের আড়ালে মূল ব্যবসা ছিল মাদক। এই চক্রের হোতা হেলাল উদ্দিন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ইয়াবা পাঠাতো ঢাকায়। তারপরই কুরিয়ার সার্ভিসের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক খুরশিদ আলম জানান, কুরিয়ার সার্ভিসগুলোর প্রতি আমাদের নজরদারি রয়েছে। মাদক প্রতিরোধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর তৎপর রয়েছে বলে জানান তিনি।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হৃদরোগ চিকিৎসায় সংকট by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

দেশের প্রথম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) হৃদরোগ বিভাগের প্রায় সবগুলো ক্যাথল্যাব মেশিন নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। ফলে সেখানে বন্ধ রয়েছে সব ধরনের এনজিওগ্রাম ও এনজিওপ্লাস্টি। অন্যদিকে হৃদরোগ চিকিৎসার বিশেষায়িত একমাত্র সরকারি হাসপাতাল জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার সংস্কারের দোহাই দিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। চিকিৎসার জন্য রোগীরা মিরপুরের ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে গেলেও শয্যা সংকটের কারণ দেখিয়ে তাদের ফিরেয়ে দেয়া হচ্ছে।
বিএসএমএমইউ কার্ডিওলজি বিভাগের তিনটি ক্যাথল্যাব মেশিনের তিনটিই প্রায় নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। এরমধ্যে বয়স্কদের জন্য দু’টি মেশিনের একটি প্রায় দু’বছর ধরে নষ্ট। অন্যটিও প্রায় ৬ মাস ধরে নষ্ট। ইতিপূর্বে দু’বার মেরামত করা হলেও এগুলো দিয়ে বেশিদিন কাজ চালানো সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে শিশুদের জন্য নির্ধারিত পেডিয়াট্রিক ক্যাথল্যাবটিও বেশ কিছুদিন ধরে নষ্ট। এ মেশিনটি ঠিক করতে কোটি টাকা প্রয়োজন। তবে মেশিনটির ওয়ারেন্টি পিরিয়ডও প্রায় শেষ। এ কারণে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে সব ধরনের এনজিওগ্রাম ও এনজিও প্লাস্টি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছেন। ফলে রোগীদের অনেকে চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন হৃদরোগ হাসপাতাল বা বেসরকারি হাসপাতালে।
বিএসএমএমইউ’র অধ্যাপক (চেয়ারম্যান, শিশু কার্ডিওলজি) ডা. মো. জাহিদ হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মানবজমিনকে বলেন, আমরা উৎকণ্ঠার মধ্যে আছি। অ্যাডাল্ট মেশিন দু’টি নষ্ট থাকায় দীর্ঘদিন ধরে এনজিওগ্রাম ও এনজিওপ্লাস্টি হচ্ছে না। মেশিন দু’টি অনেক পুরনো হয়ে যাওয়ায় মেরামত করেও কাজ চালানো যাচ্ছে না। নতুন ক্যাথল্যাব মেশিন না আসা পর্যন্ত চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হবে না। পেডিয়াট্রিক ক্যাথল্যাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ মেশিনটির মেয়াদকাল আগামী ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত। এমন সময় মেশিনটির এক্স-রে টিউব নষ্ট হয়ে গেছে। এ টিউবটি ঠিক করতে প্রায় এক কোটি টাকা প্রয়োজন।
এটি সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে নতুন মেশিন আনা দরকার। তিনি বলেন, ক্যাথল্যাব চালু থাকলে গড়ে ১০টি এনজিওগ্রাম ও এনজিওপ্লাস্টি করা সম্ভব। অ্যাডাল্ট মেশিন দু’টিতে করা যায় গড়ে ২০ থেকে ২৫টি। এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসএমএমইউ’র কার্ডিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আলী আহসান মানবজমিনকে বলেন, মেশিনগুলো খারাপ ছিল। একটি মেশিন দিয়ে এতদিন ধরে কাজ করছি। কোটেশন পদ্ধতিতে মেশিন আনা সমস্যা। মেশিন আগামী এক সপ্তাহ লাগবে ঠিক হতে।
সূত্র জানায়, সরকারি হাসপাতালে এনজিওগ্রাম করতে খরচ পড়ে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা। হত দরিদ্র রোগীরা এটা মাত্র ৫শ’ টাকায় করতে পারেন। কিন্তু বেসরকারি হাসপাতালে খরচ পড়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। আর এনজিওপ্লাস্টি সরকারি হাসপাপাতালে ৬২ হাজার থেকে এক লাখ টাকায় চিকিৎসা খরচ হয়। বেসরকারি হাসপাতালে দেড় লাখ টাকা খরচ পড়ে। হৃদরোগে আক্রান্ত হানিফ মিয়া (ছদ্মনাম)।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে এনজিওগ্রাম করতে চেয়েছিলেন। একদিন আগে তিনি হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারেননি হাসপাতালটির অপারেশন থিয়েটার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ। তিনি আর্থিকভাবে সচ্ছল না হওয়ায় বেসরকারি হাসপাতালে এনজিওগ্রাম করাতে পারছেন না। কতদিন পরে আবার চালু হবে তাও বলছে না কেউ। রাজধানীর আজিমপুরের এই বাসিন্দা তার জীবন নিয়ে এখন উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন ।
এদিকে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দু’-তিন ধরে ওই প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা নিতে আসা কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের রোগীদের ভর্তি করা হচ্ছে না। কারণ হাসপাতালের অপারেশর থিয়েটারে সংস্কার কাজ চলছে। তবে এ অবস্থা কতদিন থাকবে সে বিষয়ে কিছুই বলতে পারছেন না তারা। যেসব রোগীর জটিল (শিশু ও প্রাপ্ত বয়স্ক) ভাসকুলার সার্জারি, বাইপাস সার্জারি, সিএপিজি, বাল্ব প্রতিস্থাপন বা চিকিৎসার প্রয়োজন তাদের ফিরে যেতে হচ্ছে।
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব রোগী দ্রুত উপযুক্ত চিকিৎসা না পেলে মৃত্যু ঝুঁকি থাকে। জানা গেছে, শুধু ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের ক্যাজুয়ালিটি ওটি চালু রয়েছে। যেখানে পায়ের শিরার অপারেশন ছাড়া আর তেমন কোনো কাজ করা হচ্ছে না। হৃদরোগ হাসপাতালে ৫টি অপারেশন থিয়েটার বা ওটি রয়েছে। এরমধ্যে প্রতিদিন অন্তত তিনটি ওটিতে কাজ চলে। এসব ওটিতে কমপক্ষে ৪ থেকে ৫টি ওপেন হার্ট সার্জারি হয়ে থাকে।
কিন্তু ওটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কারণে সাধারণ মানুষের জীবন বাঁচানোর এসব জটিল অস্ত্রোপচার স্থগিত থাকছে। এতে করে বিপুলসংখ্যক রোগীর চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালটিতে জীবাণু সংক্রামকের অভিযোগও উঠেছে। এ বিষয়ে জানতে হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আফজালুর রহমানের সঙ্গে মোবাইলে কয়েকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ক্ষুদে বার্তা দিলেও উত্তর দেননি।
অন্যদিকে হৃদরোগ চিকিৎসায় অপর প্রতিষ্ঠান মিরপুর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন। চাদিহার তুলায় এখানেও শয্যার সংকট রয়েছে। ফলে এই হাসপাতালে ভর্তি হতে গিয়েও রোগী ফিরে আসতে হচ্ছে। হাসপাতালের জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহাজাদী ডলি বলেন, হাসপাতালে সিট মাত্র ৩৩০টি। কিন্তু চাহিদা বেশি। প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
সিসিইউতে মাত্র ১৬টি শয্যা। সুতরাং অনেক সময়ে রোগীকে এখানে রাখা যায় না, অন্যত্র রেফার করতে হয়। আইসিইউতে সংক্রমণের কারণে রোগীদের হৃদরোগ হাসপাতালে রেফার করা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি এমন নয়। আইসিইউতে সিট কম থাকায় ওখানে রেফার করা হয়।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আশা-নিরাশার দোলাচলে ব্রেক্সিট চুক্তি

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, কোনো চুক্তি ছাড়াই যদি বৃটেনকে ইইউ ছাড়তে হয়, তাহলে বৃটিশ ব্যবসায়ীরা কীভাবে এর ধাক্কা সামলাবেন তা নিয়ে আলোচনা করেছে বৃটিশ প্রশাসন। চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিটের প্রস্তুতি নিয়ে গতকাল প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে বৈঠকে বসেন। সেখানে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর মার্ক কার্নি উপস্থিত ছিলেন। দ্রুতই সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা দেয়া হবে।
ইইউ’র সঙ্গে ব্রেক্সিট নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য বৃটেনের হাতে মাত্র কয়েক মাস সময় রয়েছে। চুক্তি হোক বা না হোক, আগামী বছরের ২৯শে মার্চের মধ্যে তাদেরকে ইইউ ছাড়তে হবে। সমঝোতা ছাড়া বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ‘ব্লক’ ছেড়ে দিলে মোবাইল বিল থেকে শুরু করে গাড়ি ভাড়া পর্যন্ত বৃটেনের সকল খাতেই এর প্রভাব পড়বে। বৃটেনের বেশিরভাগ ব্যবসায়ী আশঙ্কা করছেন, রাজনীতিবিদরা চেকার্সের প্রস্তাবিত ব্রেক্সিট প্ল্যান ভণ্ডুল করে দিতে পারে। এমনটি ঘটলে কোনো চুক্তি ছাড়াই বৃটেনকে ইইউ ছাড়তে হবে। এতে বৃটিশ অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়বে। রুদ্ধ হবে বাণিজ্য প্রবাহ। এমন প্রতিকূল পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু করেছে বৃটিশ কর্তৃপক্ষ। গতকাল দিন শেষে এ বিষয়ে বিশেষ নোটিশ দেয়ার কথা রয়েছে।
তবে, নির্ধারিত সময়ের আগেই পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে আশাবাদী উভয়পক্ষ। ব্রেক্সিট মন্ত্রী ডমিনিক রাব বলেছেন, চুক্তি ছাড়া বৃটেনের ইইউ ত্যাগ করার সম্ভাবনা কম। কিন্তু এমনটি ঘটলে যুক্তরাজ্য ওই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে। তিনি বলেন, ইইউ ছাড়ার জন্য আর ছয় মাস সময় রয়েছে। আমরা ‘নো-ডিল’ প্রস্তুতি শুরু করেছি। চুক্তি হোক বা না হোক, বৃটেন যেন তার উন্নতি অব্যাহত রাখতে পারে। ডমিনিক রাব বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার এখনো বড় সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, আন্তর্জাতিক আর্থিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান মুডিজ ইনভেস্টর সার্ভিস বলছে, কোনো চুক্তি ছাড়াই বৃটেনের ইইউ ছাড়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন দৃশ্যপট তৈরি হলে তা বৃটিশ অর্থনীতির ক্ষতি করবে। বিশেষ করে মোটর যান, মহাকাশযান, বিমান ও রাসায়নিক খাতে তা ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। ইইউভুক্ত ২৭টি দেশের অর্থনীতি বৃটিশ অর্থনীতির চেয়ে পাঁচগুণ বেশি শক্তিশালী। তাই ইইউ বৃটেনের ব্রেক্সিট প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, নিজ দলের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র ভাবমূর্তি হুমকির মুখে পড়েছে। তার দল কনজারভেটিভ পার্টির উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদ্রোহী সদস্য ইতিমধ্যেই চেকার্সের ব্রেক্সিট পরিকল্পনার বিরোধিতা করে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছেন। এমনকি পার্লামেন্টে চেকার্সের ব্রেক্সিট প্রস্তাবের বিরোধিতা করে না ভোট দেয়ার কথাও বলেছেন তারা। এ বিষয়ে ব্রেক্সিট মন্ত্রী ডমিনিক রাব বলেন, চেকার্সের ব্রেক্সিট প্রস্তাব পার্লামেন্টের অনুমোদন পাবে না, এমনটি তিনি মনে করেন না। ওদিকে, ইইউ’র প্রধান মধ্যস্থতাকারী মাইকেল বার্নার বলেছেন, উভয়পক্ষ যদি দাবি তোলার ক্ষেত্রে বাস্তববাদী হয়, তাহলে আগামী ছয় বা আট সপ্তাহের মধ্যেই ব্রেক্সিট চুক্তি সম্ভব।
প্রসঙ্গত, কনজারভেটিভ পার্টির প্রায় অর্ধশত সদস্য তেরেসা মে’কে বরখাস্ত করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন, সম্প্রতি এই মর্মে বিবিসি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, এক বৈঠকে তারা প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করার বিস্তারিত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছেন। তবে, বুধবার রাতে তারা প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন। তারা চেকার্সের ব্রেক্সিট পরিকল্পনার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে সহায়তা করার অঙ্গীকার করেন।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খিজির খান হত্যা: বিচার নিয়ে শঙ্কায় স্বজনরা by রাশিম মোল্লা

আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে তারেক ও রাসেল। তাদের জবাবন্দিতে বেরিয়ে এসেছে হত্যার লোমহর্ষক ঘটনা। বর্তমানে মামলাটি ৪র্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারাধীন। ওই আদালতের পেশকার ইফতেখার হোসেন সোহাগ মানবজমিনকে বলেন, আগামী ২৪শে অক্টোবর আদালত এই মামলার চার্জ শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। সকল আসামির উপস্থিতিতে চার্জ শুনানি করা হবে। এ ব্যাপারে মামলার বাদী ছেলে আশরাফুল ইসলাম মানবজমিনকে বলেন, এই হত্যার বিচার করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। রাষ্ট্র চাইলে হবে, না হলে হবে না।
আল্লাহু আকবর বলে জবাই করে: স্বীকারোক্তিতে তরিকুল জানান, পাশের বাড়ির জনৈক আব্দুল গাফফার জেএমবির সদস্য। সে বিভিন্ন সময় আমাকে বিভিন্নভাবে ইসলামি আন্দোলনে উৎসাহ দিত। তারই উৎসাহে জেএমবির সদস্য হয় তরিকুল। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের ৫ই অক্টোবর জনৈক পীর খিজির খান হত্যাকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। সঙ্গে যুক্ত হয় জেএমবি সদস্য আব্দুল গাফফার, মধু, মাহফুজ, আতিক, জাহিদ, আমিন খালেদ চশমা রনি। আদর্শিক কারণে তারা পীরবাদকে অবিশ্বাস করেন। তাই খিজির খানকে হত্যার লক্ষ্যে ২০১৫ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর আমরা ৫ জন মিটিং করি। ওই মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয় ৫ই অক্টোবর খিজির খানকে হত্যা করা হবে। আমি এবং গাফফার হত্যার দিন টাঙ্গাইল থেকে ঢাকার বাড্ডায় আসি।
মাহফুজ আগে থেকেই সেখানে ছিল। অন্যান্যরাও ছিল। আমি এবং গাফফার সন্ধ্যায় ওদের সঙ্গে মিলিত হই। মাহফুজের কালো ব্যাগে ৫-৬টি হাতবোমা ছিল। আর গাফফারের কাছে ছিল ছোড়া । চশমা রনির কাছে একটি গুলিভর্তি পিস্তল ছিল। ওই দিন আনুমানিক ৭টার দিকে আমরা পীরের বাসায় প্রবেশ করি। মাহফুজ ছিল লিডার। মাহফুজ এবং গাফফার বাসার তৃতীয় তলায় ওঠে।
মাহফুজ আদেশ দেয় বাসায় যারা ঢুকবে তাদের সবাইকে হাত পা বেঁধে রাখার। কথা অনুযায়ী তৃতীয় তলায় ছয়জন এবং দ্বিতীয় তলায় তিনজনকে বেঁধে ফেলা হয়। মাহফুজ এবং গাফফার পীরকে ডেকে দ্বিতীয় তলায় নিয়ে আসে। আমিসহ অন্যরা দ্বিতীয় তলায় ছিলাম। মাহফুজ পীরকে বলে ‘তুই পীরগিরি করিস, আজকে তুই খতম’ এই বলে পীরকে শুইয়ে দেয়। রনি, আতিক ও জাহিদ বুকের উপর চেপে ধরে। আর আমি পা চেপে ধরি। মাহফুজ ভাই পীরকে আল্লাহু আকবার বলে জবাই করে। তারপর বাসা থেকে টাকা পয়সা, গহণা, ল্যাপটপ ও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী নিয়ে বের হই। ওই বাসা থেকে নেয়া ল্যাপটপ ও ক্যামেরা আমার কাছে ছিল। এরপর আমি গ্রামের বাড়ি চলে যাই।
হাত, মুখ বেঁধে ডাকাতি করি : অপর আসামি গোলাম মোস্তফা রাসেল ২০১৫ সালের ৪ঠা নভেম্বর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। তিনি জানান, আমি একজন পেশাদার ডাকাত। জেল খানায় মানিক দাদার সঙ্গে পরিচয় হয়। একদিন জেলখানা থেকে বের হওয়ার পর তার সঙ্গে আমার দেখা হয়। তিনি আমাকে বলেন, একটি ডাকাতি করতে হবে। তার কথা মতো ডাকাত দলের সবাইকে জানাই। সেই অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৫ই অক্টোবর বাড্ডা গোদারাঘাট গলির মাথায় মানিক দাদা ও ডাকাত দলের অন্যান্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়।
পীর খিজির খানের বাড়ির কাছে পৌছালে মানিক দাদা আমাদেরকে সরাসরি তিন তলায় গিয়ে ডাকাতি করতে বলে। তার কথামতো আমরা তিন তলায় গিয়ে দু’জন মহিলা ও একজন পুরুষের হাত, মুখ বেঁধে ডাকাতি করি। আমি একটি বঁটি দিয়া আলমারি ভেঙে স্বর্ণ ও ৫০০ টাকার একটি বান্ডিল নিয়ে মানিক দাদার হাতে জমা দিই। পরে আমি অ্যাম্বুলেন্সে করে গ্রামে চলে আসি। পরের দিন টিভির খবরে পীর জবাইর খবর দেখি। দু’দিন পর ডাকাতির টাকা ভাগ হয়। আমি ৫১ হাজার টাকা পাই।
পীর জাবাইর ঘটনা জানতে চাইলে সে আমাকে বলে, ভাগের টাকা পাইছিস আর কোনো কথা বলিস না। কি হয়েছে তা তোর জানার দরকার নেই। জেএমবি সদস্য তারেক আমার কাছ থেকে ল্যাপটপ নিয়ে যায়। মানিক দাদা জেএমবি সদস্য তারেক মিঠু, গাফফার মাহফুজ, চশমা রনি, আতিক, জাহিদ এদের দিয়ে দ্বিতীয় তলায় পীর খিজির খানকে জবাই করে এবং আমাকে দিয়ে ডাকাতি করায়।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইমাম হুসাইনের (আ) কাফেলাকে ঘেরাও করতে আসে ৪০০০ সেনা

ইমাম হুসাইন (আ.) তেসরা মহররম কারাবালায় তাবু স্থাপন করেন। আর ইয়াজিদ বাহিনীর সেনাপতি ওমর ইবনে সাদ তার সেনাদের নিয়ে কারবালায় পৌঁছে। প্রথমে নানা জায়গায় ইমামের কাফেলার তাবুগুলো কিছুটা উঁচু বা টিলার মত স্থানে বসানো হয়েছিল। কিন্তু পরে ইমাম (আ.) সমতল বা কিছুটা গর্তময় স্থানে তাবু বসানোর নির্দেশ দেন। সম্ভবত এর কারণ ছিল শিশু ও নারীদেরকে যাতে যুদ্ধের দৃশ্য দেখতে না হয়।
হোর ইবনে ইয়াজিদ (রা.) নামের একজন সেনা কর্মকর্তা সর্ব প্রথম কারবালায় ইমাম শিবিরের বিপরীতে তাবু গাঁড়েন। তিনিই ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদকে প্রথম খবর দেন যে ইমাম হুসাইন (আ.) কারবালায় এসেছেন। (হোর পরে ইয়াজিদের পক্ষ ত্যাগ করে ইমামের শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন এবং ইয়াজিদ বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে শহীদ হন।)
ইমাম জানতেন কারবালায় কি ঘটতে যাচ্ছে। তিনি তেসরা মহররমই কারবালার জমি স্থানীয় নেইনাভাবাসীদের কাছ থেকে কিনে নেন। তিনি তাদের এ শর্ত দেন যে ভবিষ্যতে যারা এখানে নবী (সা) পরিবারের সদস্যদের কবর জিয়ারত করতে আসবেন তাদের জন্য আপ্যায়ন করা হয় ও পথ দেখিয়ে দেয়া হয়।
কুফায় নিযুক্ত উমাইয়া গভর্নর ইবনে জিয়াদ দোসরা মহররম ইমামের কাছে একটি চিঠি পাঠান। ওই চিঠিতে সে জানায়, তাঁকে ও তাঁর সঙ্গীদেরকে ইয়াজিদের প্রতি বায়আত বা আনুগত্যের অঙ্গীকার করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, এর অন্যথা হলে তাঁদেরকে হত্যা করতে বলেছেন ইয়াজিদ। ইমাম এ চিঠির জবাব না দিয়ে বললেন, ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদের জন্য কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে।
ইবনে জিয়াদ ইমামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে ওমর বিন সাদকে পাঠান। তাকে ইরানের রেই শহরের শাসনভার দেয়ার লোভ দেখানো হয়। (এই শহরটি ইরানের আধুনিক তেহরান শহরের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত)। সাদ ইমামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে ভয় পাচ্ছিল। কিন্তু একদল সঙ্গীর নিষেধ সত্ত্বেও সে শেষ পর্যন্ত ইমামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে অগ্রসর হয়। তেসরা মহররম কুফার চার হাজার সেনা নিয়ে ওমর বিন সাদ কারবালায় প্রবেশ করে। সে প্রথমে ইমামের উদ্দেশ্য সম্পর্কে একজন দূতের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে জানতে পারে যে, ইমাম বলেছেন, কুফার জনগণই তাঁকে দাওয়াত করেছে ও প্রতিনিধিও পাঠিয়েছিল তাঁর কাছে যাতে তিনি এই শহরে আসেন। তারা (কুফাবাসী) যদি তাঁর আগমনে অসন্তুষ্ট হয়ে থাকে তাহলে তিনি ফিরে যাবেন বলে জানান।
ওমর বিন সাদ এই তথ্য ইবনে জিয়াদের কাছে পাঠালে ইবনে জিয়াদ ধারণা করে যে ইমাম (আ.) যুদ্ধের ফাঁদে পড়েও মুক্তির আশা করছেন, কিন্তু সে সুযোগ আর নেই। তিনি সাদকে এক চিঠিতে জানান, তোমার চিঠি পেয়ে সব কিছু জেনেছি। হোসাইন (আ) ও তাঁর সঙ্গীদের বল ইয়াজিদের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করতে। যদি তারা তা করে তাহলে আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত জানাব। সাদ বুঝতে পারে যে জিয়াদের উদ্দেশ্য ভাল নয়। তাই সে জিয়াদের এই চিঠি ইমামের (আ.) কাছে পাঠায়নি। কারণ, সে জানত ইমাম হুসাইন (আ.) কখনও ইয়াজিদের প্রতি আনুগত্য করবেন না।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাতিসংঘ-বিএনপি বৈঠক নির্বাচন নিয়ে আলোচনা

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এক ঘন্টা স্থায়ী এ বৈঠকে বাংলাদেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বিএনপি’র প্রতিনিধি দলটি। বৈঠকের উদ্দেশে তাঁরা জাতিসংঘ ভবনে প্রবেশ করেন সকাল ১০টার কিছু আগে। আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর আগে তারা সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মিরোসøাভের দফতরে অপেক্ষা করেন। ওই দফতরেই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে মির্জা ফখরুল ও বিএনপি’র অপর দুই নেতা বৈঠকের উদ্দেশে মঙ্গলবার বিকেলে নিউ ইয়র্কে এসে পৌঁছান। বুধবার জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তাঁরা ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওয়ানা দেন। সেখানে মার্কিন প্রশাসনের একাধিক উর্দ্ধতন কর্মকর্তার সঙ্গে তাদের বৈঠকের কথা রয়েছে।
জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও তাঁর সহকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় অপেক্ষমান কয়েকজন বাংলাদেশি সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংক্ষেপে বলেন, আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছি। মানবাধিবার পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছি।
সেক্রেটারি জেনারেলের পক্ষে তার রাজনৈতিক বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও অন্যরা আমাদের বক্তব্য শুনেছেন।
তবে ওয়াকিবহাল সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, বিএনপি নেতৃবৃন্দ জাতিসংঘের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে সম্পন্ন করে বর্তমান ক্ষমতাসীনরা আবারও রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে রাখতে চায়। এ লক্ষে তারা বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর বহু নেতা-কর্মীকে জেলে আটকে রেখেছে। তাদের বিরদ্ধে লাখ লাখ মিথ্যা মামলা দিয়ে রেখেছে। স্বয়ং বিএনপি চেয়ারপারসনকে মিথ্যা মামলায় জেলে আটকে রেখেছে। কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ ছাড়াই তার জামিন পাবার অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। এ অবস্থায় বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন সামান্যতমও অবাধ ও নিরপেক্ষ হওয়ার সুযোগ নেই। এ পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে এ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানান তারা। এ ব্যাপারে জাতিসংঘ কর্মকর্তারা বিষয়টি সেক্রেটারি জেনারেলের নজরে নেয়ার আশ্বাস দেন।
জানা যায়, কিছুকাল আগে জাতিসংঘের মহাসচিব এন্টোনিও গুতেরেস যখন ঢাকায় গিয়েছিলেন তখন তার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য এপয়েন্টমেন্ট চেয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কিন্তু সে সময় তাকে সাক্ষাত দিতে পারেননি। সে কারণেই এ পর্যায়ে বিএনপি মহাসচিবকে এখন বৈঠকের জন্য নিউ ইয়র্কে আমন্ত্রণ জানানো হয়। কিন্তু জাতিসংঘ মহাসচিব তাঁর পূর্ব নির্ধারিত সফরে আফ্রিকা ও ইউরোপ সফরে চলে যাওয়ায় তাঁর পক্ষে অন্য কর্মকর্তারা বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গার্মেন্ট শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৮০০০ নির্ধারণ

এদিকে রাজধানীর তোপখানা রোডে মজুরি বোর্ডের কার্যালয়ে গতকাল বিকাল সাড়ে তিনটার কিছুক্ষণ পর বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভা শুরু হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন পোশাক খাতের মালিকপক্ষের প্রতিনিধি সিদ্দিকুর রহমান, শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি শামছুন্নাহার ভূঁইয়া, শ্রমিকপক্ষের স্থায়ী প্রতিনিধি ফজলুল হক, মালিকপক্ষের স্থায়ী প্রতিনিধি কাজী সাইফুদ্দিন ও নিরপেক্ষ প্রতিনিধি কামাল উদ্দীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিকাল সাড়ে চারটার পর বৈঠক শেষে বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ অন্য সদস্যরা সচিবালয়ে যান। সেখানেই পোশাক শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানান শ্রম প্রতিমন্ত্রী। এর আগে চলতি বছরের ১৪ই জানুয়ারি পোশাক শ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠন করে সরকার। স্থায়ী চার সদস্যের সঙ্গে পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সভাপতি ও শ্রমিকদের একজন প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত এই মজুরি বোর্ড সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে মজুরি নির্ধারণ করেছে।
২০১৩ সালের ৭ই নভেম্বর পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৫ হাজার ৩০০ টাকা নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করা হয়। এই মজুরি কার্যকর হয় ওই বছরের ডিসেম্বর মাস থেকে। দেশের পণ্য রপ্তানির আয়ের ৮৪ শতাংশ পোশাক খাত থেকে আসে। এ খাতে কাজ করেন প্রায় ৩৬ লাখ শ্রমিক। ১৯৯৪ সালে শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ছিল ৯৩০ টাকা। ২০০৬ সালে সেটি বাড়িয়ে ১ হাজার ৬৬২ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়। ২০১০ সালের মজুরি বোর্ডে শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ৩ হাজার টাকা করা হয়। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে ৫ হাজার ৩০০ টাকা মজুরি কার্যকর হয়েছিল।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জোট গঠন রাজনৈতিক কৌশল

About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
September
(317)
-
▼
Sep 14
(12)
- বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমছে: জাতিসংঘ মহাসচিব
- ইমাম হুসাইনকে (আ.) হত্যার জন্য দরবারি আলেমের ফতোয়া
- ঐক্যের আহবানের মধ্যে অনৈক্যের সুর থাকা সঠিক হবে না...
- বাংলাদেশে অতিদ্রুত ধনী হচ্ছে কারা by গোলাম মওলা
- ডাকে-কুরিয়ারে আসছে ভয়ঙ্কর মাদক by রুদ্র মিজান
- হৃদরোগ চিকিৎসায় সংকট by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
- আশা-নিরাশার দোলাচলে ব্রেক্সিট চুক্তি
- খিজির খান হত্যা: বিচার নিয়ে শঙ্কায় স্বজনরা by রাশি...
- ইমাম হুসাইনের (আ) কাফেলাকে ঘেরাও করতে আসে ৪০০০ সেনা
- জাতিসংঘ-বিএনপি বৈঠক নির্বাচন নিয়ে আলোচনা
- গার্মেন্ট শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৮০০০ নির্ধারণ
- জোট গঠন রাজনৈতিক কৌশল
-
▼
Sep 14
(12)
-
▼
September
(317)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)