Tuesday, September 8, 2009
উরুমচির কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান বরখাস্ত
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হংকংয়ের পুকুরে পাওয়া গেল দৈত্যাকৃতির মাছ
পত্রিকার খবরে বলা হয়, গত শুক্রবার দর্শনার্থীদের কাছ থেকে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার খবর পাওয়ার পর একটি উদ্যানের পুকুর থেকে কর্তৃপক্ষ এক মিটার দৈর্ঘ্যের অ্যালিগেটর গার জাতের একটি মাছ ধরে। পরে হংকংয়ের অন্যান্য পুকুর ও দিঘি থেকেও একই ধরনের আরও ১৫টি মাছ ধরা হয়।
দেখতে কুমিরের মতো এই মাছের আবাস মূলত উত্তর আমেরিকায়। এসব মাছ মানুষকে হামলা করেছে এমন কোনো খবর পাওয়া যায়নি। হংকংয়ে অ্যাকুইরিয়ামে রাখার জন্য ৩০ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্যের এ জাতের মাছ বিক্রি করা হয়ে থাকে। মাছগুলো পূর্ণ বয়স্ক অবস্থায় সাধারণত তিন মিটার পর্যন্ত লম্বা হয় এবং ওজন ১৪০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
এক বিবৃতিতে হংকংয়ের অবকাশ ও সংস্কৃতি সেবা দপ্তর জানায়, এটি কোনো বিপন্ন প্রজাতির মাছ নয়। তবে এগুলোকে মুক্ত পরিবেশে বেড়ে উঠতে দিলে তা স্থানীয় পরিবেশের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে। কর্মীরা নিয়মিত পুকুর ও দিঘিগুলো পরিষ্কার করবে এবং ভয়ঙ্কর প্রজাতির কোনো মাছ পাওয়া গেলে তা তুলে নেবে। আর যদি এসব পুকুরে কেউ অনাকাঙ্ক্ষিত এসব মাছ ছাড়ে তাকে ২৬০ মার্কিন ডলার জরিমানা এবং দুই সপ্তাহের কারাদণ্ড দেওয়া হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সোয়াত ও মালাকন্দ প্রায় জঙ্গিমুক্ত: জারদারি
গতকাল রোববার ছিল পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা দিবস। দিবসটি উদ্যাপনের আগে এক বার্তায় জারদারি বলেন, সোয়াত ও মালাকন্দ এলাকা থেকে তালেবান জঙ্গি অপসারণের কাজ প্রায় শেষ। সেনাবাহিনী ও জনগণের ত্যাগের ফলেই এই সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি এও বলেন, জঙ্গিদের এবং পাকিস্তানের ভিত্তির প্রতি যারা হুমকি, তাদের সমূলে বিনাশ করা হবেই। এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
পৃথক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি বলেছেন, ‘সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে আমরা অভিযান অব্যাহত রেখেছি। এ লড়াইয়ে আমাদের গোটা জাতি সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা দিচ্ছে। আমাদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সোয়াত ও মালাকন্দ এলাকা থেকে জঙ্গিদের উত্খাত করেছে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলনের ঈদঋণ
ব্যাংকের নারায়ণগঞ্জ শাখার প্রধান আসাদুল্লাহ তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে এই কার্যক্রমের প্রথম অফার লেটার হস্তান্তর করেন। এই সুবিধা অনুযায়ী স্বাভাবিকের চেয়ে কম সুদে ঋণ নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করা যাবে। এই সুযোগ ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিঙ্গার থেকে ফ্রিজার কিনে নগদ লাখ টাকা জিতলেন ধামরাইয়ের আরানুর
গতকাল রোববার সিঙ্গারের ঢাকার গুলশানের করপোরেট কার্যালয়ে দেওয়ান আরানুরকে এ পুরস্কারের টাকা দেওয়া হয়। তাঁর হাতে টাকাটা তুলে দেন সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালক (করপোরেট অ্যাফেয়ার্স) ও কোম্পানির সচিব মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। এর আগে গত ৩০ আগস্ট একই কার্যালয়ে কুপন ড্র অনুষ্ঠিত হয়।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশব্যাপী সব সিঙ্গার প্লাস শপে গত ১৬ আগস্ট থেকে শুরু হয় ‘কোটি টাকার ঈদ’ শীর্ষক কার্যক্রম।
এতে বিভিন্ন পণ্যে মোট কোটি টাকার মূল্যছাড় ছাড়াও ক্রেতাদের জন্য রয়েছে লাখ লাখ টাকার নগদ পুরস্কার। এ কার্যক্রম চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমদানি ও রপ্তানিনীতির অনুমোদন পিছিয়ে গেল
গতকালের বৈঠকে কার্যসূচিগুলো ছিল—যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সড়ক খাতের সংস্কার প্রকল্পে বিকল্প অর্থায়ন, আমদানিনীতি আদেশ ২০০৯-১২ এবং রপ্তানিনীতি আদেশ ২০০৯-১২।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গতকালের বৈঠক কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে গতকাল কেউই কোনো কথা বলেননি।
সূত্র জানায়, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রকল্পটির আংশিক আলোচনা হয়েছে, কিন্তু কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। আর বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান বিদেশে থাকায় আমদানিনীতি আদেশ ও রপ্তানিনীতি আদেশ আলোচনায়ই ওঠেনি।
আগামী বুধবার অনুষ্ঠেয় অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে উল্লিখিত কার্যসূচিগুলো উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিদেশে থাকবেন। সুতরাং তাঁর অনুপস্থিতিতে আগামী বৈঠকেও আমদানিনীতি আদেশ ও রপ্তানিনীতি আদেশ অনুমোদন না পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অর্থবছরের প্রথম মাসে রপ্তানি আয় প্রায় ৭ শতাংশ কমেছে
এ মাসে দেশ থেকে মোট ১৪৩ কোটি ৮১ লাখ ৮০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। আর আগের অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ১৫৩ কোটি ৩০ লাখ ৯০ হাজার ডলারের পণ্য।
চলতি বছরের জুলাই মাসে পরিমাণগত দিক থেকে রপ্তানি আয়ের শীর্ষে রয়েছে নিট পোশাক খাত। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ওভেন পোশাক খাত।
এ মাসে নিট পোশাকের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। ওভেন পোশাকে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ ঋণাত্মক হয়েছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) গতকাল রোববার রপ্তানির এই তথ্য প্রকাশ করেছে। ইপিবির পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত জুলাই মাসে নিট পোশাক, পাদুকা, টেরিটাওয়েল, হস্তশিল্প ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যের রপ্তানি আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে।
তবে ওভেন পোশাক, হিমায়িত খাদ্য, হোম টেক্সটাইল, টেক্সটাইল ফেব্রিক্স, কৃষিজাত পণ্য, মেলামাইন টেবিলওয়্যার, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য, কাঁচা পাট ও পাটপণ্য, প্রকৌশল পণ্য, বাইসাইকেল, সিরামিক পণ্য, তামাক, রসায়ন পণ্য, চা ও চামড়া প্রভৃতি পণ্যের রপ্তানি আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে।
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী জুলাই মাসে ৬৫ কোটি সাড়ে ১৮ লাখ ডলারের নিট পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের ৬৪ কোটি ডলারের তুলনায় ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি।
আলোচ্য সময়ে ৫২ কোটি ১৮ লাখ ডলারের ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের ৫৪ কোটি ৭৩ লাখ ডলারের রপ্তানির চেয়ে ৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ কম।
চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে তিন কোটি ২৩ লাখ ডলারের হিমায়িত খাদ্য, ৬৪ লাখ ডলারের কাঁচা পাট, দুই কোটি ৬৯ ডলারের পাটপণ্য, এক কোটি ৪৮ লাখ ডলারের চামড়া, দুই কোটি ৫৯ লাখ ডলারের হোমটেক্সটাইল এবং দুই কোটি ডলারের পাদুকা রপ্তানি হয়েছে।
এ ছাড়া ৮৯ লাখ ৬০ হাজার ডলারের বাইসাইকেল, ৩৬ লাখ ডলারের ওষুধ, এক কোটি ৮২ লাখ ডলারের রাসায়নিক সার, ৫৬ লাখ ৬০ হাজার ডলারের তাজা শাকসবজি এবং ৬৯ লাখ ডলারের টেক্সটাইল ফেব্রিক্স পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জলবায়ু পরিবর্তন তহবিল গঠন নিয়ে আলোচনায় অচলাবস্থা by জি-২০ সম্মেলন
জি-২০ সম্মেলনের দুটি সূত্র বার্তা সংস্থাকে জানিয়েছে, শিল্পোন্নত দেশগুলোর প্রস্তাব উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ করে দিতে পারে—এমন আশঙ্কায় চীন ও ভারত এর বিরোধিতা করেছে।
তবে মন্ত্রীরা সম্মেলনের সমাপনী বক্তৃতায় বলেছেন, কোপেনহেগেনে ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় জলবায়ু সম্মেলনে তাঁরা এ ব্যাপারে একটি সফল প্রচেষ্টা চালাবেন। ওই সম্মেলনে কিয়েটো চুক্তি-পরবর্তী একটি নতুন জলবায়ু পরিবর্তন চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রী অ্যালিস্টাইর ডার্লিং বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অনেক বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা হলেও নির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপের ব্যাপারে একমত হওয়া যায়নি।’ ইতিবাচক কোনো প্রতিশ্রুতি না আসায় হতাশা ব্যক্ত করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইকোনমিক অ্যান্ড মনিটরিং এফেয়ার্স কমিশনার জোয়াকুইন আলমুনিয়াও।
সুইডেনের অর্থমন্ত্রী আন্দ্রে বর্গ খোলাখুলিই বলে দিয়েছেন, সম্মেলনের ফল সন্তোষজনক নয়। আমরা আশা করেছিলাম এই সম্মেলনে বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধে একটি চুক্তির খসড়া তৈরি করতে পারবো। কিন্তু সামনে এমন উদ্যোগ সফলহবে কিনা তা নিয়েও সংশয় তৈরি হলো।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিলিস্তিনিরা একরাষ্ট্রীয় সমাধানের কথাই ভাবছে: জিমি কার্টার
ফিলিস্তিনি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের কথা উল্লেখ করে ওই প্রতিবেদনে কার্টার বলেন, একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেন তাঁরা, যেখানে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে ইহুদি প্রতিবেশীদের সঙ্গে সমান অধিকার নিয়ে তাঁরা বাস করতে পারবেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওবামার উপদেষ্টা জোনসের পদত্যাগ
জোনস হোয়াইট হাউস কাউন্সিল অন এনভায়রনমেন্টাল কোয়ালিটির অধীনে কাজ করতেন। এক বিবৃতিতে ওই কাউন্সিলের প্রধান ন্যান্সি সুটলি জানান, তিনি জোনসের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন এবং জোনসের কাজের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে হোয়াইট হাউসের তথ্যসচিব রবার্ট গিবস বলেন, জোনস প্রশাসনিক পদে কর্মরত থাকবেন।
পদত্যাগপত্রে জোনস লেখেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা সংস্কার আর নিরাপদ জ্বালানি নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে বিরোধীরা আমার বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ প্রচারণায় নেমেছে। এ ক্ষেত্রে তারা বিভক্তি সৃষ্টি ও লক্ষ্যচ্যুত করার জন্য মিথ্যা তথ্যবিকৃতির আশ্রয় নিয়েছে।’ এর আগে বৃহস্পতিবার অতীত বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে জোনস একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন।
সম্প্রতি স্থানীয় পত্রিকাগুলোয় জোনসের ওই মন্তব্যের বিষয়টি আলোচিত হয়। ২০০৪ সালে জোনস অভিযোগ করেছিলেন, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর হামলার সঙ্গে ওই সময়ের সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা জড়িত। তবে ওবামা প্রশাসনে যোগ দেওয়ার আগেও জোনস তাঁর এ বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। কিন্তু রিপাবলিকানরা জোনসের পদত্যাগ দাবি করে।
এ পদত্যাগের প্রতিক্রিয়ায় রিপাবলিকান দলীয় সিনেটর মাইক পেন্স বলেন, এ প্রশাসনে ও সাধারণ বিতর্কে তাঁর কট্টরপন্থী মনোভাব এবং অমার্জিত বক্তব্যের কোনো জায়গা নেই। একই দলের সিনেটর ক্রিস্টোফার বন্ডস বলেন, জোনসের চাকরির যোগ্যতা নিয়ে কংগ্রেসের তদন্ত করা উচিত।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জ্যাকসনের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া নিয়ে সম্প্রচারে বাড়াবাড়ি, ক্ষুব্ধ হলেন ভাই র্যান্ডি
লস অ্যাঞ্জেলেসের ফরেস্ট লনে শুক্রবার পপসম্রাটের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার অনুষ্ঠান কভার করতে গিয়ে বাড়াবাড়ি করে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল। এ ব্যাপারে তাত্ক্ষণিক এক বিবৃতিতে পপসম্রাটের ভাই র্যান্ডি বলেন, ‘একটি পরিবার হিসেবে আমরা সবাই জানি, মাইকেলের জীবনটা কেমন করে কেটেছে। আমরা দেখেছি, বড় মর্মান্তিকভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মাইকেলের মৃত্যু যেমন আমাদের হূদয় বিদীর্ণ করেছে, তেমনি বিশ্বের বহু মানুষের মনও ওই বিষাদ ছুঁয়ে গেছে।’
র্যান্ডি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, অথচ গত রাতে (বৃহস্পতিবার) আমরা কী দেখলাম! একই রকম চিত্র দেখলাম আজকেও। মাইকেলের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার খবর বিভিন্ন টেলিভিশন সম্প্রচার করেছে। আমি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান রেখেছিলাম, যাতে তারা আমাদের পারিবারিক গোপনীয়তা এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পবিত্রতা বজায় রাখে। তারা যেন আমাদের পরিবারকে একান্তে একটু শোক প্রকাশ করার সুযোগ দেয়। কিন্তু তারা তা করেনি। এমনকি তারা হেলিকপ্টার দিয়ে ওপর থেকে গোপনে পারিবারিক ওই একান্ত অনুষ্ঠানটিও রেকর্ড করেছে। এতে অনুষ্ঠান বাধাগ্রস্তও হয়েছে। হেলিকপ্টার থেকে নেওয়া এসব ভিডিওচিত্র আমরা প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছি। ভবিষ্যতেও যেন এগুলো সম্প্রচার করা না হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউনিসেফ মুখপাত্রকে শ্রীলঙ্কা ছাড়তে সরকারের নির্দেশ
শ্রীলঙ্কার অভিবাসী কর্মকর্তা পি বি আবেকুন গতকাল রোববার বলেন, ‘৭ সেপ্টেম্বর (আজ) থেকে জেমস এল্ডারের ভিসা বাতিল করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাঁকে শ্রীলঙ্কা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে জাতিসংঘের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর ভিসার মেয়াদ ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।’ তিনি বলেন, জেমস এল্ডার গণমাধ্যমে তামিলদের সঙ্গে যুদ্ধ নিয়ে সরকারবিরোধী মন্তব্য করায় কয়েক মাস আগেই সরকার এ সিদ্ধান্ত নেয়। এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার পাসপোর্টধারী জেমস এল্ডার গত বছরের জুন থেকে শ্রীলঙ্কায় কাজ করছেন। তাঁর ভিসার মেয়াদ ২০১০ সাল পর্যন্ত। গত মে মাসে সেনাবাহিনীর সঙ্গে তামিল টাইগারদের যুদ্ধের শেষ দিকে ওই অঞ্চলের শিশুদের চরম দুর্দশাকে ‘দোজখের যন্ত্রণা’ বলে অভিহিত করেন জেমস এল্ডার। নয়াদিল্লিতে ইউনিসেফের যোগাযোগবিষয়ক আঞ্চলিক প্রধান সারাহ ক্রো বলেন, ‘আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। শ্রীলঙ্কার দুর্দশাগ্রস্ত শিশু ও নারীদের জন্য সেখানে তাঁর কাজ চালিয়ে যাওয়া উচিত বলে আমরা মনে করি।’
এ ব্যাপারে জেমস এল্ডার কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আট শতাধিক আরোহীউদ্ধার, পাঁচজনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৬৩ -ফিলিপাইনে ফেরিডুবি
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রায় ৯৬০ জন যাত্রী ও ক্রু নিয়ে মিন্দানাও দ্বীপের জেনারেল সান্তোস শহর থেকে ইলোইলো শহরে যাচ্ছিল ‘সুপার ফেরি-৯’। গতকাল ফেরিটি কাত হতে শুরু হওয়ার পরপরই বিপদ সংকেত পাঠায় এবং উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অধিকাংশ যাত্রীকে উদ্ধার করে। উপকূলরক্ষী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, দুর্ঘটনার সময় আবহাওয়া ভালো ছিল। তবে ফেরির ক্রুরা জেনারেটরে সমস্যার কথা জানিয়েছেন।
অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ফিলিপাইনে প্রায়ই ফেরি দুর্ঘটনা ঘটে। গত বছর এক ফেরিডুবিতে ৮০০ জনের বেশি যাত্রী ও ক্রু নিহত হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুয়ো শুনতে হলো ম্যারাডোনাকে
১৬ বছর আগে বুয়েনস এইরেসে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে কলম্বিয়ার কাছে ৫-০ গোলের সেই লজ্জার পর নিজেদের মাটিতে দ্বিতীয়বারের মতো হারল আর্জেন্টিনা। তবে কোচ ম্যারাডোনাকে ধিক্কার শুনতে হলো আসলে তাঁর অধীনে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তিন ম্যাচ হেরে যাওয়ায়। এই পরাজয়ের কোনো ব্যাখ্যা নেই তাঁর কাছেও, ‘আমরা প্রথম ২৪ মিনিট পর্যন্ত ব্রাজিলকে (বক্সে) আসতেই দিইনি। আমরা শূন্যে ভেসে আসা বলে খুবই খারাপ খেলেছি। সেটারই চড়া দাম আমাদের শোধ করতে হলো।’
ক্ষুব্ধ সমর্থকদের মধ্য থেকে বিশ্বকাপের আশা বাঁচাতে ম্যারাডোনাকে সরিয়ে বাছাইপর্বের শেষ তিন ম্যাচে অন্য কারও ওপর দায়িত্ব তুলে দেওয়ার দাবিও উঠেছে। কিন্তু ম্যারাডোনা জানাচ্ছেন, এখন হাল ছাড়ার প্রশ্নই ওঠে না। এই বুধবারই তো আবার ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে। ম্যারাডোনার সাফ জবাব, যেকোনো মূল্যে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য থেকে কেউ তাঁকে বিচ্যুত করতে পারবে না।
কষ্ট তো তাঁরও কম হচ্ছে না। হূদয়ে সবচেয়ে বেশি রক্তক্ষরণ হচ্ছে তাঁরই, ‘ব্রাজিলের কাছে হারা সব সময়ই কুিসত কিছু। এই ম্যাচটা জিতে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বের কাছাকাছি চলে যাওয়ার ব্যাপারে আমরা বেশ আত্মপ্রত্যয়ী ছিলাম। তবে আমাদের ভেঙে পড়লে চলবে না। কারণ সামনে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ।’
৯ সেপ্টেম্বর প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচটা আর্জেন্টিনার মাঠে নয়। পয়েন্ট তালিকার তিনে থাকা প্যারাগুয়েকে সামলাতে হবে ওদের ঘরে গিয়েই। যে ম্যাচে জিতে বিশ্বকাপ ওঠা নিশ্চিত করতে চাইবে স্বাগতিকেরা। এর আগে এই দুই দলের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। গ্যাব্রিয়েল হেইঞ্জ আত্মঘাতী গোল না করে বসলে আর্জেন্টিনাই জিতত। কিন্তু এখন অতীত নিয়ে আফসোস করার সময়টুকুও নেই ম্যারাডোনার, ‘প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ৩ পয়েন্ট পেতে চাইলে আমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। কাজটা কঠিন আর জটিল হবে। আর আজকের (গতকালের) পরাজয়ের পর তো সেটি আরও কঠিন হয়ে গেল।’
শিষ্যদের আড়াল করে দায়ভার নিজের কাঁধেই নিচ্ছেন কোচ, ‘দায়ভার আমারই। যা হয়েছে তার জন্য আমি তো কাউকে জেলে পাঠাতে পারি না।’ ভাগ্যকেও দুষছেন তিনি, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে প্রথমার্ধে ম্যাক্সি (রদ্রিগেজ) আর (কার্লোস) তেভেজ দুটো সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি। লিওনেল মেসিকেও দোষ দেওয়া চলবে না। কারণ ওর একার পক্ষে তো আর সব করা সম্ভব নয়।’
সংবাদ সম্মেলনে খুবই ধৈর্যের সঙ্গে আর্জেন্টাইন মিডিয়াকে সামলেছেন। শেষ করেছেন প্যারাগুয়ে, পেরু আর উরুগুয়ের বিপক্ষে শেষ তিন ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ের কথা জানিয়ে, ‘আমি পাগলের মতো খাটব। এই পরাজয় আমাকে দমাতে পারবে না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রাজিল ৩: ১ আর্জেন্টিনা -আর্জেন্টিনায় ব্রাজিলের উত্সব
![]() |
কী আর করবেন! ফলপ্রত্যাশী দুঙ্গার দুর্দান্ত এই ব্রাজিলের বিপক্ষে ০-২ গোলের উল্টো স্রোতে গিয়ে অতিকাঙ্ক্ষিত জয়টা পাওয়া সম্ভব নয়, এটা হয়তো বুঝেই গিয়েছিলেন ‘এল পেলুসা’। হ্যাঁ, নিজেদের মাঠে সর্বস্ব পণ করে আর্জেন্টিনার চাওয়া জয়টা ব্রাজিল ছিনিয়েই নিয়ে গেছে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলে পরাজয়ের লজ্জায় ডুবিয়ে লাতিন আমেরিকার ১০ দলের মধ্য থেকে সবার আগে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের টিকিট কেটে ফেলেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। এই অঞ্চল থেকে সরাসরি চার দল যাবে বিশ্বকাপের মূল পর্বে। কিন্তু পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে থাকা দুদলের চেয়ে তিন ম্যাচ বাকি থাকতে ৯ পয়েন্টেরও বেশি এগিয়ে গিয়ে নির্ভার এখন কাকা, রবিনহো, লুসিও বা দুঙ্গার ব্রাজিল। এই দলটিকে লুসিও কিংবা দুঙ্গার ব্রাজিল নামেই ডাকা ভালো। এখানে কাকা কিংবা রবিনহোর আক্রমণাত্মক, শিল্পিত ফুটবলের ছোঁয়া তো ছিল না। এই দলটি অধিনায়ক ও রক্ষণভাগের নেতা লুসিওর নেতৃত্বে, দুঙ্গার তত্ত্বাবধানে রক্ষণকে নিয়ে গেছে ইতালীয় শিল্পের পর্যায়ে। গোলকিপার হুলিও সিজার গোলপোস্টে যেন অতন্দ্র প্রহরী। আর লুসিও, লুইজাও, মেইকন ও সান্তোস আর্জেন্টিনার আক্রমণগুলোকে নস্যাত্ করেছেন হাসতে হাসতে।
এই লুইজাওই কাল সূচনা করেছেন আর্জেন্টিনার সর্বনাশের। ২৪ মিনিটে এলানোর ফ্রিকিকে ডি-বক্সের মধ্যে ফাঁকায় বল পেয়ে অব্যর্থ হেডে শেল বিঁধিয়েছেন মেসিদের বুকে। সেট পিসের এই গোলটাই খেলার চিত্রটা দেয় বদলে। যে আর্জেন্টিনা প্রথম ২০ মিনিট ছিল প্রচণ্ড আক্রমণাত্মক, মেসি ও তেভেজের মাধ্যমে অন্তত বার দুই যারা কাঁপিয়ে দিয়েছিল ব্রাজিলের রক্ষণ, তারা যেন হারিয়ে যেতে থাকে খেলা থেকে। আক্রমণের মূল স্তম্ভ লিওনেল মেসিকে আর কেউ যোগ্য সমর্থন দিতে না পারায় নৈরাশ্যই জমা হয় তাদের কাছে।
তবে ব্রাজিলের সমার্থক যে ছন্দময় আক্রমণাত্মক ফুটবল, সেটি তেমন দেখা গেল কই! কাকার কারিকুরি যাও দু-একবার দেখা গেছে, রবিনহো ছিলেন অদৃশ্য। আর্জেন্টিনা কেঁপে উঠেছে লুইজাওয়ের মতো দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডারদের ভয়ে, যারা লাফিয়ে উঠে কিছু ঘটিয়ে ফেলতে পারঙ্গম। ভয় পেয়েছে দীর্ঘদেহী স্ট্রাইকার লুইস ফ্যাবিয়ানোকে আর সেট পিস বিশেষজ্ঞ এলানোকে। যাঁর ফ্রিকিক মানেই আর্জেন্টিনার রক্ষণের বিপদ এবং পরীক্ষা। ৩০ মিনিটে লুইস ফ্যাবিয়ানো দলকে ২-০ এগিয়ে দিলেন আরেকটা ফ্রিকিক থেকেই। গোললাইন বরাবর গিয়ে কাকার সেন্টারে ফিলিপ মেলোর শট আর্জেন্টাইন গোলকিপার মারিয়ানো আন্দুজার দখলে নিতে পারেননি। তাঁর হাত থেকে বল পড়ে যায় মাটিতে। তখনই ধূর্ত, ক্ষিপ্র ফ্যাবিয়ানোর অব্যর্থ লক্ষ্যভেদ।
আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ ছিল যাচ্ছেতাই, পুরো দলের সমন্বয়হীনতার মূল প্রতীক। আর এটা দেখেই ব্রাজিল শূন্যে খেলতে চেয়েছে বেশি। তাতে আরও কয়েকটি সেট পিস আদায় করে ব্যবধান বাড়ানোর মতো সুযোগও তারা তৈরি করেছে।
দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধে মরিয়া আর্জেন্টিনা যখন আরও বেশি আক্রমণমুখর, লুসিওরা নিজেদের গুটিয়ে ফেলেছে। আঁটসাট, আর্জেন্টিনাকে কোনো সুযোগ না দিতে এককাট্টা। আর্জেন্টিনা ম্যাচে ফেরার আশা জাগানিয়া গোলটা পায় তখনই। প্রায় মাঝমাঠ থেকে দুর্দান্ত এক ভলিতে গোল করেন জেসাস দাতোলো (১-২)। রোজারিওর গ্যালারিতে নিভে যাওয়া প্রাণচাঞ্চল্য জেগে ওঠে হঠাত্ করেই। তবে সেটি স্তব্ধ করে দিয়েছেন ওই ফ্যাবিয়ানোই। ঘড়ির কাঁটাটা দুই মিনিট পেরিয়েছে কি পেরোয়নি, কাকার দুর্দান্ত এক থ্রু পাস থেকে ফ্যাবিয়ানোর গোলটি ছিল দারুণ। এগিয়ে আসা গোলকিপার আন্দুজারের ওপর দিয়ে বল পাঠিয়ে দিয়েছেন জালে। এ বছর ১০ ম্যাচে এটি তাঁর ১১তম গোল। রোনালদো-আদ্রিয়ানোদের ছায়া থেকে বেরিয়ে ব্রাজিলের মূল স্ট্রাইকার হয়ে উঠেছেন এই সেভিয়া-তারকাই।
ম্যারাডোনার ‘বদলি ঘোড়া’রা একটা কিছু করার চেষ্টা করে গেছেন এর পরও। মিলিতো প্রায় গোল পেয়েই গিয়েছিলেন মেসির পাস থেকে। তবে ব্রাজিলিয়ান গোলকিপার হুলিও সিজার ছিলেন যেন সত্যিকারেরই জুলিয়াস সিজার, ‘রোমান বীরত্বগাথা’র নায়ক। ম্যারাডোনার জামাই আগুয়েরোও ‘দাপাদাপি’ করেছেন বিচ্ছিন্নভাবে। নিজের ওজন অনুযায়ী খেলতে পারেননি, কিন্তু মেসিও ব্রাজিলের নিশ্ছিদ্র রক্ষণের জন্য হুমকি হয়েছিলেন। তবে সবই নিষ্ফলা। একসময় সেই অমোঘ বাঁশি। ব্রাজিলের জয়োত্সব। পাথুরে মুখে ম্যারাডোনার নখ খুঁটতে থাকা।
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযাত্রা একখণ্ড কালো মেঘেই ঢাকা পড়ল এই পরাজয়ে। তা-ও ভালো, দিনের আরেক ম্যাচে কলম্বিয়ার কাছে ইকুয়েডরের পরাজয় তাদের চতুর্থ স্থান টিকিয়ে আশাটা বাঁচিয়ে রেখেছে। কিন্তু পথটা কঠিন। হায় ৫ সেপ্টেম্বর! ক্যালেন্ডারে এই তারিখটা কেন যে আসে আর্জেন্টিনার কাছে! ১৬ বছর আগে এই তারিখেই নিজেদের মাঠে কলম্বিয়ার কাছে ৫-০ গোলে হেরে প্লে-অফ খেলতে হয়েছিল ম্যারাডোনার দলকে। ‘আর্জেন্টাইন ঈশ্বর’ তখন ছিলেন খেলোয়াড়। এবার কোচ। আবারও কি প্লে-অফ অপেক্ষা করছে তাদের জন্য?
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পিপিপি বাস্তবায়নে ১৭৭৩ কোটি টাকা সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক
তবে এ অর্থ পেতে সরকারকে আরও কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হবে। আগামী বছরের শুরুর দিকে বিশ্বব্যাংকের বোর্ডে এটি অনুমোদন পেতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বলে জানা গেছে।
তবে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ বলছে, বাংলাদেশে বিনিয়োগ উত্সাহ ও আর্থিক সহায়তা (আইপিএফএফ) নামের একটি প্রকল্প আগে থেকে চালু আছে। বেসরকারি খাতে বিদ্যুত্ উত্পাদন কেন্দ্র নির্মাণের জন্য বিশ্বব্যাংক আগে এই প্রকল্পে অর্থ দেয়। বাংলাদেশ ব্যাংক তহবিল ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে।
এখন একই প্রকল্পে পিপিপি বাস্তবায়নের জন্য নতুন করে অতিরিক্ত এই ২৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার সহায়তা দেওয়া হবে। তবে এ ঋণ সহজ শর্তে পাওয়া যাবে। ৪০ বছরে ঋণের অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
জানা গেছে, বিশ্বব্যাংকের পাওয়া অর্থের বেশির ভাগ ব্যয় করা হবে বেসরকারি খাতে নতুন করে ছোট ছোট বিদ্যুেকন্দ্র নির্মাণের কাজে। একই সঙ্গে পাঁচটি স্থলবন্দর, নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল ও মংলা বন্দরের জেটি উন্নয়নকাজে বিশ্বব্যাংকের ঋণের অর্থ ব্যবহার করা হবে।
প্রসঙ্গত, ২০০৯-১০ অর্থবছরের বাজেটে সরকার পিপিপি বাস্তবায়নের ঘোষণা দেয়। চলতি বাজেটে এ খাতে মোট দুই হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
পিপিপির উদ্যোগে বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্পগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে—জনগুরুত্বপূর্ণ অতি বিশাল প্রকল্প, জনগুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য প্রকল্প এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের প্রকল্প। এগুলো বাস্তবায়নে নির্মাণ, মালিকানা, পরিচালনা ও হস্তান্তর (বিওওটি); নির্মাণ, পরিচালনা ও হস্তান্তর (বিওটি) এবং নির্মাণ, মালিকানা ও পরিচালনা (বিওও)—এ তিনটি পদ্ধতির কথা প্রস্তাব করা হয়েছে।
সরকারি অবস্থানপত্রে আরও বলা হয়েছে, জনগুরুত্বপূর্ণ অতি বিশাল প্রকল্পগুলো পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে। এসব প্রকল্পের মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সেস কন্ট্রোল হাইওয়েতে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২২ হাজার ১০০ কোটি ৭০ লাখ টাকা; ঢাকা মহানগরে পাতাল রেল নির্মাণে ২১ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা; ঢাকা মহানগর বেষ্টন করে মনোরেল নির্মাণে ১৯ হাজার ৩২০ কোটি টাকা; ঢাকা মহানগরে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে আট হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-গাজীপুর-ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে ১৩ হাজার ১১০ কোটি টাকা; বিভিন্ন এলাকায় কয়লাভিত্তিক অথবা ডিজেল ও গ্যাসভিত্তিক ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন চারটি বিদ্যুেকন্দ্র নির্মাণে ১২ হাজার ৪২০ কোটি টাকা।
চট্টগ্রাম গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের কোনো ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়নি।
জনগুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে বিওও ভিত্তিতে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন তিনটি প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়। এগুলো হচ্ছে দ্রুত বাস পরিবহন, আরামদায়ক বাস সার্ভিস এবং বিভিন্ন রুটে চলাচলে ফ্র্যাঞ্চাইজ ব্যবস্থা চালু।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি ছাড়াই ডিএসইতে আজ চালু হচ্ছে ওটিসি বাজার
এ জন্য রাজধানীর মতিঝিলে ডিএসই ভবনের আটতলায় আলাদা কার্যালয় খোলা হবে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার এই ওটিসি বাজারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
এদিকে কোন কোন কোম্পানিকে ওটিসি ব্যবস্থায় নেওয়া হচ্ছে তা এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি ডিএসই। তাই শুরুতেই ওটিসি বাজারের সাফল্য নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে যেসব কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধ করা হয়েছে সেগুলোকেই ওটিসি মার্কেটে নিয়ে যাওয়া হবে।
বাজার বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলছেন, দুর্বল ও নিষ্ক্রিয় কোম্পানিগুলোকে মূল লেনদেনব্যবস্থা থেকে সরিয়ে নেওয়ার এ উদ্যোগটি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এতে বাজারে এক ধরনের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা হবে। তবে ওটিসি বাজার কাজ করবে কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। কারণ এর আগে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অনেক ঘটা করে ওটিসি বাজার চালু করা হলেও তাতে একটি শেয়ারও লেনদেন হয়নি।
যেসব কোম্পানির লেনদেন বন্ধ: উত্পাদন বন্ধ থাকা, নিয়মিত বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) না করা, শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ না দেওয়া ইত্যাদি কারণে এসইসি দুই দফায় ৩৬টি কোম্পানির লেনদেন বন্ধ করেছে।
কোম্পানিগুলো হলো, আল-আমিন কেমিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ, আশরাফ টেক্সটাইলস, বাংলাদেশ কেমিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ, বিডি ডায়িং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলস, বাংলাদেশ জিপার ইন্ডাস্ট্রিজ, বিচ হ্যাচারি, চিটাগাং ভেজিটেবল অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ, এক্সেলসিউর সু, গচিহাটা অ্যাকুয়াকালচার ফার্মস, জিএমজি ইন্ডাস্ট্রিয়াল করপোরেশন, ম্যাক এন্টারপ্রাইজেস, ম্যাক পেপার ইন্ডাস্ট্রিজ, মেটালেক্স করপোরেশন, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক ইন্ডাস্ট্রিজ, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, মিতা টেক্সটাইল মিলস, মডার্ন সিমেন্ট, পদ্মা প্রিন্টার্স অ্যান্ড কালার, কাশেম টেক্সটাইল মিলস, রহমান কেমিক্যালস, রাঙামাটি ফুড প্রোডাক্টস, রোজ হেভেন বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ, সজীব নিটওয়্যার অ্যান্ড গার্মেন্টস, সোনালি পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস, শ্রীপুর টেক্সটাইল মিলস, তমিজউদ্দিন টেক্সটাইল মিলস, ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েস, ওয়াটা কেমিক্যালস, আরবি টেক্সটাইল, বাংলাদেশ মনোস্পুল পেপার ম্যানুফ্যাকচারিং, বেঙ্গল ফাইন সিরামিকস, ঈগল স্টার টেক্সটাইল মিলস, লেক্সকো, পেপার প্রসেসিং অ্যান্ড প্যাকেজিং, ফিনিক্স লেদার কমপ্লেক্স ও টিউলিপ ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রডাক্টস।
তবে এসইসি পরবর্তী সময়ে বিচ হ্যাচারি, চিটাগাং ভেজিটেবল অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ, এক্সেলসিউর সু, মেঘনা কনডেন্সন্ড মিল্ক ও মেঘনা পেটের লেনদেন চালু করার অনুমোদন দেয়।
এর আগে ডিএসই আরও ১০টি কোম্পানির লেনদেন বন্ধ করেছিল। কোম্পানিগুলো হলো বায়োনিক সি ফুড, মোনা ফুড ইন্ডাস্ট্রি, আনাম সি ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ, কাশেম সিল্ক মিলস, এম হোসেন গার্মেন্টস ওয়াশিং অ্যান্ড ডায়িং, সালেহ কার্পেট মিলস, ডায়নামিক টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশ ইলেকট্রিসিটি মিটার কোম্পানি, পারফিউম কেমিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ ও বাংলাদেশ লাগেজ ইন্ডাস্ট্রিজ।
যেভাবে লেনদেন হবে: ওটিসি বাজারে লেনদেন হবে কেবল কাগজের শেয়ার। প্রথম দিকে শুধু শেয়ার বিক্রির আদেশ নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কেবল নিজ নামে থাকা শেয়ারই লেনদেন করা যাবে।
বিক্রেতাদের ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে শেয়ারের সংখ্যাসহ তাঁরা কী দামে বিক্রি করতে চান সেটি উল্লেখ করে ওটিসি বাজারে জমা দিয়ে একটি রসিদ সংগ্রহ করতে হবে। এরপর এ তথ্য ওটিসি বাজারে কম্পিউটারের পর্দার মাধ্যমে প্রদর্শন করা হবে।
যাঁরা শেয়ার কিনতে চাইবেন তাঁদের এখান থেকে শেয়ার পছন্দ করে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে ডিএসইতে পে-অর্ডার জমা দিতে হবে। এরপর শেয়ারের সনদ ও মালিকানা পরিবর্তনের ফরমসহ সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কাছে পাঠানো হবে। কোম্পানি পাঁচ দিনের মধ্যে মালিকানা পরিবর্তন করে পাঠানোর পর বিক্রেতাকে চেকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করা হবে।
আগের কথা: জানা গেছে, ওটিসি বাজার চালুর লক্ষ্যে এসইসি ২০০১ সালে একটি বিধিমালা প্রণয়ন করে। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালের জুলাই মাসে সিএসইতে ওটিসি চালু করা হয়। এসইসির তত্কালীন চেয়ারম্যান এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম এ বাজারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
পরে সিএসই থেকে তালিকাচ্যুত চার কোম্পানি প্যারাগন লেদার, রূপন অয়েল, ন্যাশনাল অক্সিজেন ও জেম নিটওয়্যারের শেয়ার এ বাজারে লেনদেনের জন্য অন্তর্ভুক্ত করার অনুমতি দেয় এসইসি। কিন্তু উদ্বোধনের পর গত পাঁচ বছরে এ বাজারে একটি শেয়ারও লেনদেন হয়নি।
এ ব্যাপারে বাজার বিশেষজ্ঞদের অভিমত হলো, সাধারণত তালিকাচ্যুত কোম্পানির শেয়ারকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেন বিনিয়োগকারীরা। তা ছাড়া এ বাজারে শেয়ার লেনদেন অপেক্ষাকৃত জটিল হওয়ায় এ বাজার থেকে কেউই শেয়ার কিনতে আগ্রহী হয় না। আবার শেয়ার কেনা হলে সহজে তা বিক্রি করা যাবে কি না, সে বিষয়েও সন্দেহ থেকে যায়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিনাজপুরের ৩৫৮ জন পোস্টমাস্টারকে সিম দিয়েছে গ্রামীণফোন
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগসচিব সুনীল কান্তি বোস। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ডাক বিভাগের রাজশাহী সার্কেলের পোস্টমাস্টার জেনারেল প্রবাস চন্দ্র সাহা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডাক বিভাগের মহাপরিচালক মোবাশ্বেরউর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা) এ কে এম শফিউর রহমান, দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল জলিল, পুলিশ সুপার মো. আবু কালাম সিদ্দিক ও গ্রামীণফোনের উপপরিচালক (ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস) দেলোয়ার হোসেন আজাদ এবং দিনাজপুরের ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল মো. ইউনুছ আলী।
সুনীল কান্তি বোস বলেন, সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অংশ হিসেবে দেশে আট হাজার গ্রামে তথ্যপ্রযুক্তি সেন্টার গড়ে তোলা হবে। প্রতিটি সেন্টার হবে ডাকঘরকেন্দ্রিক। সরকারি উদ্যোগে জমি কিনে ভবন নির্মাণ করে এসব তথ্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এই প্রক্রিয়ায় পোস্টমাস্টার, পিয়ন ও রানার—তিনজনকেই সরকারি উদ্যোগে গ্রামীণফোনের সিম কার্ড দেওয়া হবে।
মোবাশ্বেরউর রহমান বলেন, গ্রামের ডাগঘরগুলো তথ্য ও যোগাযোগের কেন্দ্রে পরিণত করা হবে, যাতে আগামী দুই মাসের মধ্যে গ্রামের মানুষকে মানি অর্ডারের মাধ্যমে টাকা আদান-প্রদানের বিড়ম্বনা থেকে মুক্তি দেওয়া যায়।
মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, দেশের সাধারণ মানুষকে সম্ভব সব রকম সেবা দিতে গ্রামীণফোন সব সময় তাদের পাশে থাকবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কালো টাকা উদ্ধারে সুইজারল্যান্ড-ভারত বৈঠক ডিসেম্বরে
ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে বলা হয়েছে, সুইস ব্যাংকগুলোতে ভারতীয়দের বেআইনিভাবে গচ্ছিত অর্থের হদিস করতে কীভাবে একটি আইনিব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়, সে জন্যই সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে ভারতের সরকারি কর্মকর্তারা প্রথম দফায় আলোচনা করবেন।
এদিকে এই কালো টাকা উদ্ধার নিয়ে প্রচণ্ড চাপের মধ্যে রয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। কারণ ভারতের লোকসভা নির্বাচনের আগে শাসক জোটের প্রধান দল কংগ্রেস এবং বিরোধী জোটের প্রধান দল বিজেপিও ক্ষমতায় গেলে ১০০ দিনের মধ্যেই দেশবাসীকে সুইস ব্যাংকে ভারতীয়দের গচ্ছিত কালো টাকার বিবরণ জানানোর ঘোষণা দিয়েছিল। নির্বাচনী প্রচারের সময় কংগ্রেসদলীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং বিরোধী জোটের প্রধান শরিক বিজেপির নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি এ ঘোষণা দেন।
খবরে প্রকাশ, সুইস অর্থমন্ত্রী ডরিস লিউ থার্ড বলেছেন, কর ফাঁকি দিয়ে কোন ভারতীয় সুইজারল্যান্ডের কোন ব্যাংকে কত টাকা জমা রেখেছেন—এমন তথ্য জানালে তাঁরা ভারত সরকারকে সহযোগিতা করবেন।
এদিকে নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের ১০০ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো এ ব্যাপারে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে পারেনি কংগ্রেস।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আগের সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়নি -পাটবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক আজ
এই বৈঠকে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী সভাপতিত্ব করবেন।
জানা গেছে, উপদেষ্টা কমিটির বিগত বৈঠকে পাটকলগুলোর উত্পাদন অব্যাহত রাখতে চলতি মূলধনের ঋণসীমা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল। এ ছাড়া আগের বকেয়া ঋণ পাঁচ বছরের সুদসহ ব্লক হিসেবে রেখে আড়াই বছর বা ৩০ মাসের মরাটোরিয়ামসহ (সুদ স্থগিত রেখে) ২০ বছরে পরিশোধের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু এ ব্যাপারে ব্যাংকগুলো কোনো সাড়া দেয়নি বলে পাটকল মালিকেরা অভিযোগ করেছেন।
উপদেষ্টা কমিটির গত বৈঠকে নেওয়া অন্য সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে পাটপণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ঋণের সুদের হার ৭ শতাংশে নির্ধারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা তফসিলি ব্যাংকগুলো কর্তৃক পরিপালন এবং এর সময়সীমা ২৭০ দিন বাড়ানোর জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো। সেই সঙ্গে পাটজাত পণ্যের রপ্তানিতে দেওয়া সহায়তা ১০ শতাংশে উন্নীতকরণ, সহায়তার ৭০ শতাংশ তাত্ক্ষণিকভাবে পরিশোধ এবং বাকি ৩০ শতাংশ নিরীক্ষা শেষে ছাড় করার বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
এ ছাড়া উপদেষ্টা কমিটির সুপারিশে বলা হয়, বাংলাদেশ পাট সমিতি (বিজেএ) দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাজারদর যাচাই করে গড় মূল্য ঠিক করে যুক্তিসংগত মূল্য নির্ধারণ করবে এবং ব্যাংকগুলো ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ওই মূল্য বিবেচনা করবে।
সুপারিশে আরও বলা হয়, পাট ও পাটপণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর অতিরিক্ত চাপ এড়ানোর জন্য বিকল্প হিসেবে মংলা বন্দর ব্যবহারের ব্যবস্থা করা এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কে ওই বন্দরের জন্য প্রয়োজনীয় জাহাজের ব্যবস্থা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার স্বস্তির জয়
অস্ট্রেলিয়া দলে খেলেছেন অ্যাশেজের বাইরে থাকা চার ক্রিকেটার। এঁদেরই দুজন বড় ভূমিকা রেখেছেন অস্ট্রেলিয়াকে ২৬০ রানে পৌঁছে দিতে—ক্যালাম ফার্গুসন (৭১*) ও ক্যামেরন হোয়াইট (৫৩)। আত্মসমালোচনা করলেও ক্লার্ক উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন দুই ওয়ানডে স্পেশালিস্টের, প্রশংসা করেছেন প্রতিপক্ষের এক নবাগতেরও। লেগ স্পিনে ১০ ওভারে মাত্র ৩৭ রান করার পর ব্যাট হাতে ২৩ বলে অপরাজিত ৩১ রান করা আদিল রশিদকে ক্লার্ক মনে করছেন ভবিষ্যতের তারকা, ‘তাঁর ভবিষ্যত্ দারুণ উজ্জ্বল। আমি তাঁর বলে কোনো রানই নিতে পারছিলাম না।’
রশিদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন অ্যান্ড্রু স্ট্রাউসও। টেস্ট সিরিজের দলে না থাকা চারজন ক্রিকেটার নিয়ে নেমেছিল ইংল্যান্ডও। ওয়াইস শাহর ৪০ রানের পর রশিদ ও লুক রাইটের (২৭ বলে ৩৮) আক্রমণাত্মক দুটি ইনিংসে পরশু জয়ের আশাই জাগিয়েছিল ইংলিশরা। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৩ রান, আর শেষ বলে ৬ রান। কিন্তু সাইডবটম শেষ বলটি থেকে নিতে পেরেছেন ১ রান। বড় কোনো জুটি গড়তে না পারাকেই পরাজয়ের কারণ মনে করেন ইংলিশ অধিনায়ক।
সাত ওয়ানডের সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে আজই লর্ডসে নামছে তারা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফুটবলে আসছে ‘ঢাকা সিটি লিগ’
বাফুফে সভাপতির কথা, “এতগুলো লিগ আয়োজন করা বাস্তবসম্মত হচ্ছে না। লিগগুলো বর্ষপঞ্জি মেনে করতে পারলে কথা ছিল, কিন্তু কমিটি নিয়ে নানা সমস্যা পোহাতে হচ্ছে। খেলোয়াড় বেরিয়ে আসছে না। টাকা-মাঠ ইত্যাদি সমস্যাও প্রবল। তাই শুধু পাইওনিয়ার রেখে বাকি তিন লিগকে একসঙ্গে একটা নামে আয়োজন করলে ভালো ফল আসবে। নাম হতে পারে ‘ঢাকা সিটি লিগ’। বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে এটাই সংগতিপূর্ণ হবে।”
বি-লিগ কমিটির মাধ্যমে পরিকল্পনাটা উপস্থাপন করা হবে বাফুফের নির্বাহী কমিটির কাছে। বি-লিগ কমিটির মতামত গুরুত্বপূর্ণই। কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ পরোক্ষে স্বাগতই জানালেন সালাউদ্দিনের পরিকল্পনাকে, ‘যেহেতু বি-লিগে দল ওঠানামা করবে এই লিগের দ্বিতীয় স্তর থেকে, এবং সেই স্তরে ঢাকার বর্তমান সিনিয়র ডিভিশন (প্রথম বিভাগ) থেকে কয়েকটি দল চলে যাবে, তাই ধারাবাহিকতা রাখার জন্য প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগ মিলিয়ে একটা লিগ করা যেতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটা নেবে বাফুফের নির্বাহী কমিটি।’
ঢাকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগ লিগ হয়েছে বেশ কিছুদিন আগে, তবে বাকি আছে পাইওনিয়ার ও সিনিয়র ডিভিশন লিগ। কমলাপুর স্টেডিয়ামে সংস্কারকাজ চলতে থাকায় সিনিয়র ডিভিশন লিগ কয়েক মাস পিছিয়েও এখনো করা যায়নি। এ অবস্থায় কমলাপুর স্টেডিয়াম খেলার উপযোগী হওয়া সাপেক্ষে ঈদের পর নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া হবে, জানালেন বাফুফে সভাপতি। তার আগে বাফুফের নির্বাহী কমিটির সভায় তা পেশ করে অনুমোদন করিয়ে নেওয়ার ইচ্ছা তাঁর।
মূল সমস্যা, ঢাকা মহানগরী ফুটবল লিগ কমিটির অধীনে থাকা পাইওনিয়ার লিগ কমিটি নিয়ে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই কমিটির নেতৃত্বে যাদের আনা হয়েছে, তারা ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের অনুসারী বলে একটা পক্ষ মেনে নিতে পারেনি। নিজেদের পছন্দনীয় লোকদেরই তারা কমিটিতে চায়। এ নিয়ে দিন কয়েক আগে লিগ কমিটি অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে। জল গড়িয়েছে অনেক দূর, এখন মহানগরী লিগ কমিটির চেয়ারম্যান মনজুর হোসেন মালুর বিরুদ্ধে জোট বেঁধে তাঁকে সরানোর চেষ্টা চলছে। নেতৃত্ব নিয়ে এমন দ্বন্দ্ব লিগ কমিটিকে প্রায় অকার্যকর করে ফেলেছে। কমিটি খেলা চালাতে পারছে না।
বি-লিগ থেকে বিপিএল: বি-লিগের নাম বদলে বাংলাদেশ পেশাদার লিগ (বিপিএল) করার চিন্তাভাবনা চলছে। কারণটাও জানালেন সালাউদ্দিন, ‘দেশ-বিদেশে অনেকেই প্রশ্ন করে, বি-লিগ কি দেশের দ্বিতীয় লিগ? তাহলে প্রথম লিগ কোনটা? যেহেতু বি-লিগই দেশের এক নম্বর লিগ, তাই বিভ্রান্তি এড়াতে বাংলাদেশ পেশাদার লিগ নাম দিতে চাই। সে ক্ষেত্রে এই লিগের দ্বিতীয় স্তরের নাম হবে বি-লিগ। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ঘরোয়া ফুটবলের নতুন কাঠামো দাঁড়াচ্ছে এমন—বাংলাদেশ পেশাদার লিগ, বি-লিগ, তারপর ঢাকার একমাত্র লিগ এবং সবশেষে বয়সভিত্তিক পাইওনিয়ার লিগ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিয়েগো একের ভেতর তিন
ফরাসি নায়ক জিদানকে পূর্ণাঙ্গ ফুটবলার হিসেবেই চেনেন সবাই। তবে সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকার জাদুকরী ড্রিবলিং ও অসামান্য পাসিং-দক্ষতাই এখনো বেশি করে চোখে লেগে আছে সবার। মিশেল প্লাতিনির ছিল বল নিয়ন্ত্রণে অসাধারণ দক্ষতা। আর রবার্তো বাজ্জিওর ছিল গোল করার সহজাত ক্ষমতা। এই সব কটি গুণই কি ডিয়েগোর মধ্যে আছে? জুভেন্টাসের পক্ষে ২০০ ম্যাচ খেলা আনাসতাসি বলেছেন, ‘সবাই জানত ডিয়েগোর সামর্থ্য আছে। সে তার নেতৃত্বগুণও ভালোই দেখাচ্ছে। আসলে ও আমাকে জিদানের সঙ্গে বাজ্জিও আর প্লাতিনির মিশ্রণটাও মনে করিয়ে দেয়।’
আনাসতাসি যে তিনজনের কথা বলেছেন, ক্যারিয়ারের কোনো না কোনো সময় তাঁরা জুভেন্টাসে খেলেছেন। তাঁদের সময় জুভেন্টাসের জৌলুশও ছিল। এ মৌসুমেই ওয়ের্ডার ব্রেমেন থেকে জুভেন্টাসে যোগ দেওয়া ডিয়েগোতে চড়েই নিজের সাবেক ক্লাব এবার শিরোপা-দৌড়ে টানা তিনবারের চ্যাম্পিয়ন ইন্টার মিলানকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবে বলে বিশ্বাস আনাসতাসির।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সেই সব ম্যাচ
১৯৩৭ সাল: প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ দুই লাতিন প্রতিবেশী খেলেছিল ১৯১৪ সালে। বেশি সময় লাগেনি এই দুই দেশের লড়াই জমে উঠতে। ১৯৩৭ সালের কোপা আমেরিকার ম্যাচটা যেমন হয়ে উঠেছিল দুই দেশের মর্যাদার লড়াই। মাঠে খেলার সঙ্গে ছিল কথার যুদ্ধ, ছড়িয়েছিল তা গ্যালারিতেও। স্বাগতিক আর্জেন্টাইন দর্শকেরা ‘ম্যাকাকিটোস’ বলে দিচ্ছিল বাঁদরের ডাক। বুয়েনস এইরেসের ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে গোলশূন্য থাকা ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে দুই গোলে এগিয়ে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। নিরাপত্তার কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হওয়ার আগেই স্টেডিয়াম ছেড়ে গিয়েছিল ব্রাজিল।
১৯৩৯ সাল: রোকা কাপের দুটো ম্যাচ খেলতে ব্রাজিলে এসেছিল আর্জেন্টিনা। তারা প্রথম ম্যাচটা ৫-১ গোল জিতলেও ঝামেলা বাধে দ্বিতীয় ম্যাচে। প্রতিশোধস্পৃহ ব্রাজিল এবার প্রথমেই গোল করে। সেটা শোধ করে আর্জেন্টিনা একসময় ২-১ গোলে এগিয়েও যায়। ফের সমতা আনে ব্রাজিল। ম্যাচ শেষ হওয়ার আগমুহূর্তে রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্তে পেনাল্টি পেয়ে যায় ব্রাজিল। আর্জেন্টিনার আর্কেডিও লোপেজ চড়াও হন রেফারির ওপর। পুলিশি প্রহরায় তাঁকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। রেফারি আর পুলিশের এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ আর্জেন্টিনা মাঠ ছেড়ে যায়। ফাঁকা পোস্টে পেনাল্টি থেকে গোল করে ৩-২-এ জেতে ব্রাজিল।
১৯৭৮ সাল: দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ রোজারিও স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল স্বাগতিক আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল। স্কোরবোর্ডে কোনো গোল জমা না পড়লেও জমে উঠেছিল উত্তেজনা, হই-হুল্লোড়। সেই ম্যাচটাই ‘ব্যাটল অব রোজারিও’ নামে খ্যাত।
১৯৮২ সাল: এই বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডের গ্রুপ ‘সি’টা হয়ে উঠেছিল আক্ষরিক অর্থেই মৃত্যুকূপ। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সঙ্গে ছিল ইতালি। প্রথম ম্যাচে ইতালির কাছে হেরে যাওয়ায় ব্রাজিলের বিপক্ষে জিততেই হতো আর্জেন্টিনাকে। কিন্তু ৩-১ গোলে হেরে যায় চ্যাম্পিয়নরা। হতাশায় নিজের প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে নামা ডিয়েগো ম্যারাডোনা লাথি মেরে বসেন ব্রাজিলের হোয়াও বাতিস্তাকে!
১৯৯০ সাল: এখন পর্যন্ত এটি বিশ্বকাপে দুই দলের মুখোমুখি হওয়া সর্বশেষ ম্যাচ। ১-০ গোলে জেতে আর্জেন্টিনা। এ ম্যাচেই সেই ‘হলি ওয়াটার’ বিতর্কের জন্ম।
১৯৯১ সাল: কোপা আমেরিকায় ব্রাজিলকে ৩-২ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা। উত্তেজনায় ঠাসা ম্যাচে হাতাহাতি করে পাঁচ খেলোয়াড় দেখেন লাল কার্ড। প্রথমে ক্লদিও ক্যানিজিয়া আর মাজিনহো; পরে এনরিকে আর মারসিও সান্তোস, সবশেষে বদলি হিসেবে নামার দুই মিনিটের মাথায় কারেকা।
১৯৯৫ সাল: কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালে বাঁ বাহু দিয়ে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ম্যাচের শেষ দিকে গোল করে সমতা ফেরান ব্রাজিলের তুলিও কস্তা। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকে জেতে ব্রাজিল। আর্জেন্টাইন মিডিয়া কস্তাকে আখ্যায়িত করে ‘শয়তানের হাত’!
২০০৪ সাল: কোপা আমেরিকায় এবারও আর্জেন্টিনার জিততে জিততে হেরে যাওয়ার হতাশা। তবে হাত দিয়ে নয়, বৈধভাবেই শেষ মুহূর্তে গোল করে সমতা ফেরান আদ্রিয়ানো। টাইব্রেকে গোলরক্ষক হুলিও সিজারের বীরত্বে জিতে যায় ব্রাজিল।
২০০৭ সাল: কোপা আমেরিকায় রিকেলমে-মেসির দাপটে দুর্দান্ত খেলছিল আর্জেন্টিনা। ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে ফেবারিট ছিল তারাই। নতুন কোচ দুঙ্গা তাঁর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুর্দান্ত কৌশল আঁটেন। আর্জেন্টিনা হেরে যায় ০-৩ গোলে।
২০০৮ সাল: হোক না অলিম্পিকের ম্যাচ, তার পরও সেমিফাইনালে ব্রাজিলকে ৩-০ গোলে হারিয়ে কোপার প্রতিশোধ নেয় আর্জেন্টিনা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবাহনীর তামিম যেভাবে মোহামেডানে
চমকটা তামিম ‘উপহার’ দিলেন সপরিবারে মালয়েশিয়ায় ঘুরে আসার পরদিনই। মালয়েশিয়ায় যাওয়ার আগে ১৫ লাখ টাকায় পুরোনো ক্লাব আবাহনীর সঙ্গে কথা পাকা করে গেলেও সে সিদ্ধান্ত বদলেছেন তিনি। ধানমন্ডি থেকে গাড়ি ঘুরিয়ে তামিম এখন মতিঝিলের সাদাকালো শিবিরে। তামিমকে জায়গা দিতে পুলের ক্রিকেটারদের মধ্য থেকে সম্ভবত ডলার মাহমুদকে ছেড়ে দেবে মোহামেডান।
তামিমের ‘ইউ টার্নের’ দুই রকম কারণ শোনা যাচ্ছে। আবাহনীর বক্তব্য, তাদের সঙ্গে কথা পাকাপাকি হওয়ার পরও মাত্র তিন লাখ টাকা বেশি পেতে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন তামিম। মোহামেডান থেকে নাকি ১৮ লাখ টাকা দেওয়া হবে তাঁকে। তবে তামিমের দাবি, অঙ্কটা ২০ লাখ এবং কেবল টাকার জন্যই মত বদলাননি, “কাল (পরশু) আবাহনীর এক কর্মকর্তাকে আমি শুধু জানিয়েছিলাম, একটা ক্লাব আমাকে ২০ লাখ টাকার প্রস্তাব দিয়েছে। বাকিটা আবাহনীর ওপরই ছেড়ে দিয়েছিলাম। তিনি আমাকে বললেন, ‘ক্লাবের অন্যদের সঙ্গে কথা বলে আমি তোমাকে জানাচ্ছি।’ সেটা তিনি জানালেন দুর্ব্যবহার করে। আবাহনীর একজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা ফোন করে আমার সঙ্গে খুব বাজে ভাষায় কথা বলেছেন। তাঁর আচরণে অসন্তুষ্ট হয়েই আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তামিম ইকবালের বিকল্প হিসেবে আবাহনী এখন জাতীয় দলের আরেক ওপেনার ইমরুল কায়েসকে দলে নিয়েছে। এর আগে সূর্যতরুণের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হলেও ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের প্রস্তাব পাওয়ার পর এ ক্লাবেই খেলবেন বলে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন ইমরুল।
মোহামেডানের প্রস্তাবের কথা জানিয়ে পরশু রাতে তামিম ফোন করেন আবাহনীর টিম কো-অর্ডিনেটর আই এইচ মল্লিককে। মল্লিক তাতে ইতিবাচক সাড়া দিতে পারেননি, ‘কাল (পরশু) বিকেলেও অগ্রিম টাকা দেওয়ার ব্যাপারে তামিমের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। কিন্তু রাতে ও ফোন করে বলে মোহামেডান নাকি তাকে ১৮ লাখ টাকার প্রস্তাব দিয়েছে । আমি তামিমকে তখনই বলে দিই, আমাদের পক্ষে ১৫ লাখের ওপরে ওঠা সম্ভব নয়। তামিমের দাবি মেনেই তাঁর সঙ্গে ১৫ লাখ টাকায় চুক্তি করতে রাজি হয়েছিল আবাহনী। তখন তামিম আরও বেশি টাকা দাবি করলে সেটাও ভেবে দেখা যেত। কিন্তু পাকা কথা হয়ে যাওয়ার পর তামিমের ‘বাজারদর’ বাড়ানোর চেষ্টা আবাহনীর কাছে রুচিকর মনে হয়নি।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আবাহনীর শীর্ষস্থানীয় এক কর্মকর্তা তামিমের কমিটমেন্ট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘তামিম একটা ভালো পরিবারের ছেলে, শিক্ষিত ছেলে। তার কাছ থেকে এমন আচরণ দুঃখজনক। মোহামেডান ওকে বেশি টাকা দিচ্ছে বলে সে আমাদের ব্ল্যাকমেইল করতে চেয়েছে। জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটারের মানসিকতা এমন হলে অন্যরা কী করবে?’ আবাহনীর সূত্র জানিয়েছে, মালয়েশিয়ায় যাওয়ার আগে চাচা ও সাবেক অধিনায়ক আকরাম খানকে সঙ্গে নিয়ে তামিম আবাহনীর ক্রিকেট কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হাসানকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এ বছরও আবাহনীতে খেলার।
আবাহনীর ক্রিকেট সম্পাদক জি এস হাসান দলবদল নিয়ে তামিমের আচরণকে বলেছেন দুঃখজনক, ‘বাংলাদেশ দলের একজন সিনিয়র ক্রিকেটারের এ রকম নির্লজ্জ আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত। সে যেটা করেছে সেটা আবাহনী ও আবাহনীর অসংখ্য সমর্থককে হতভম্ব করেছে। আবাহনী দলের ভারসাম্য নষ্ট করে দিয়েছে তামিম। ও আছে বলেই আমরা তখন আফতাবকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। এই বিশ্বাসঘাতকতা করে আবাহনীর দরজা তামিম চিরতরে বন্ধ করে দিল।’ তামিমের ঘটনায় সরাসরি মন্তব্য করতে না চাইলেও আবাহনীর কর্মকর্তা ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন বলেছেন, ‘এত দিন ক্রিকেটারদের সঙ্গে ক্লাবগুলোর কথাবার্তা মৌখিকভাবেই হয়ে আসছিল। তবে ক্রিকেটে এখন টাকা-পয়সা, দায়িত্ব—সবই বাড়ছে। আমার মনে হয়, ভবিষ্যতে পেশাদারির কথা চিন্তা করে এবং খেলোয়াড়দের সামর্থ্য আর ফিটনেসের কথা মাথায় রেখে কাগজে-কলমেই সব হওয়া উচিত।’
তামিমকে আবাহনী থেকে ছিনিয়ে নেওয়াটা মোহামেডানের একটা সাফল্যও বলতে পারেন। তবে ক্লাবের শীর্ষস্থানীয় এক কর্মকর্তা ‘তামিম মোহামেডানে খেলবে’ জানালেও ক্রিকেট সম্পাদক হানিফ ভূঁইয়া নিশ্চিত করে বলতে চাইলেন না কিছুই, ‘তামিমের সঙ্গে একটা কথাবার্তা চলছে। কিন্তু চুক্তি স্বাক্ষরেরও তো ব্যাপার আছে। সব ক্রিকেটারকে নিয়ে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে একটা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান করব।’ সতর্কতা তাঁরা অবলম্বন করতেই পারেন। ক্লাবসূত্রেরই তথ্য, আবাহনীর সঙ্গে এবার যা করলেন, গতবার মোহামেডানের সঙ্গেও নাকি একই কাজ করেছিলেন তামিম! আট লাখ টাকায় মোহামেডানে খেলার কথা দিয়েও শেষ পর্যন্ত ১০ লাখে চলে গিয়েছিলেন আবাহনীতে।
এবার লিগ শুরুর আগে আবাহনীকে কি সেটারই জবাব দিল মোহামেডান?
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্যাস রপ্তানির ধারাটি সোজা ভাষায় বলবেন কি? by বদরূল ইমাম
গ্যাস রপ্তানির বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে বিএনপি আমলের আন্দোলনের পটভূমি ছিল বিদেশি কোম্পানি কর্তৃক পাইপলাইন মারফত সুনির্দিষ্ট গ্যাস রপ্তানির প্রস্তাব। আর আন্দোলনের বর্তমান প্রেক্ষাপট হলো বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে গ্যাস অনুসন্ধান চুক্তি করার জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রণীত নীতিমালায় গ্যাসকে তরলীকৃত করে রপ্তানির সুযোগ রাখার কয়েকটি ধারা। এ নীতিমালাসংক্রান্ত নথিটি ‘মডেল পিএসসি ২০০৮’ নামে পরিচিত। পুরো নাম Model Production Sharing Contract 2008। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে বিদেশি কোম্পানিগুলো প্রথম থেকে প্রোডাকশন শেয়ারিং চুক্তির অধীনে অনুসন্ধান কাজ করে আসছে। তাই বর্তমান ‘মডেল পিএসসি ২০০৮’ যে কোনো নতুন নথি তা নয়, বরং এটি ইতিপূর্বে প্রণীত নীতিমালা বা মডেল পিএসসির পরিমার্জিত সংস্করণ।
উপরিউক্ত নীতিমালায় বর্ণিত গ্যাস রপ্তানিসংক্রান্ত ধারাগুলো নিয়ে সরকার ও বিরোধী পক্ষ পরস্পরবিরোধী মতপ্রকাশ করে। আন্দোলনরত বিরোধী পক্ষ বলে, এ নীতমালায় গাস রপ্তানির ধারা সুস্পষ্ট, এতে গ্যাস রপ্তানি অনিবার্য এবং গ্যাস রপ্তানির লক্ষ্য নিয়েই এটি প্রণীত হয়েছে। তাই সরকার এটি বাতিল না করলে আন্দোলন অপরিহার্য। সরকার বা পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষ ভিন্নতর ব্যাখ্যা দিয়ে থাকে। তাদের মতে, গ্যাস রপ্তানির ধারায় প্যাঁচ রাখা হয়েছে, যাতে প্রকৃতপক্ষে তা কখনো বাস্তবায়িত হবে না। দেশের গ্যাসসম্পদের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে নীতিমালায় ভিন্নতর ব্যাখ্যার অবকাশ কাম্য নয়, বরং এ ব্যাখ্যা হতে হবে একক, সুস্পষ্ট ও বোধগম্য। কেউ কেউ বলতে পারেন, আইনি বিষয়ের ব্যাখ্যা সাধারণের জন্য কখনো বা সরল নাও হতে পারে। কিন্তু দেশের গ্যাসসম্পদ রপ্তানি করব কি করব না এ নীতিমালায় এমন জটিলতা থাকবে কেন, যা জনগণের কাছে সহজবোধ্য হবে না? উপরিউক্ত বিষয়টি নিয়ে সুস্পষ্ট আলোচনা করতে হলে ‘মডেল পিএসসি ২০০৮’-এ বর্ণিত গ্যাস রপ্তানিসংক্রান্ত ধারাগুলো আলোচনা করা প্রয়োজন। ‘মডেল পিএসসি ২০০৮’-এ রপ্তানিসংক্রান্ত ধারাগুলোয় (Articles) কী বলা আছে? পাঠকের সুবিধার্থে নিচে প্রাসঙ্গিক ধারাগুলো উল্লেখ এবং এ নিয়ে আলোচনা করা হলো।
Articles 15.5.1 : Subject to article 15.5.4, 15.5.5 and 15.6 Contractor shall have the right to export any marketable natural gas produced from the contract area in the form of Liquified natural gas (LNG). ...Where contractor intent to export the natural gas as LNG, the related LNG facilities shall be constructed and operated on the basis of a special LNG export agreement between contractor and Petrobangla. এর মূল অর্থ দাঁড়ায়, ধারা ১৫.৫.৪, ১৫.৫.৫ এবং ১৫.৬ বিবেচনায় এনে কোম্পানি গ্যাস রপ্তানি করতে পারবে, তবে গ্যাসকে তরলীকরণ অর্থাত্ এলএনজি করে রপ্তানি করতে হবে। এখন দেখা যাক ধারা ১৫.৫.৪, ১৫.৫.৫ এবং ১৫.৬তে কী উল্লেখ করা হয়েছে।
Article 15.5.4 Where Petrobangla has installed necessary facilities to transport and use gas to meet domestic requirements, Petrobangla shall be entitled at its option to retain in kind any natural gas produced up to Petrobangla’s share of profit gas, but in no event more than 20% of the total marketable natural gas. এর মূল অর্থ দাঁড়ায়, যেখানে পেট্রোবাংলা দেশের চাহিদা মেটাতে গ্যাস পরিবহনের ব্যবস্থা করে নেবে, সে তার অংশের প্রফিট গ্যাস নিতে পারবে, তবে তা কখনো মোট প্রাপ্ত গ্যাসের ২০ শতাংশের এর বেশি হবে না।
Article 15.5.5. Contractor shall not enter into any agreement for LNG export unless the price or the pricing formula and the agreement itself are previously approved by Petrobangla. Such approval shall not be withheld where Contractor can demonstrate that the price received... represent the fair market value... এর মূল অর্থ দাঁড়ায়, কোম্পানি তরলীকৃত গ্যাস রপ্তানির কোনো চুক্তি করবে না, যদি না পেট্রোবাংলা গ্যাসের নির্ধারিত মূল্য ও চুক্তিটি অনুমোদন করে।
Article 15.6. (a) Contractor shall offer its share of cost recovery gas and profit gas to Petrobangla, and Petrobangla shall undertake that it or its affilities will purchase the gas... (b) If a written notice of a market outlet is not given by Petrobangla within six months after the date of submission of the Evaluation report..., the contractor will be free to find a market outlet within Bangladesh... (c) Contractor has the option to sell contractor’s share of natural gas in the domestic market to a third party, subject to Petrobangla’s right of first refusal. মূল অর্থ দাঁড়ায়, কোম্পানি তার অংশের গ্যাস পেট্রোবাংলার কাছে বিক্রয়ের প্রস্তাব দেবে, পেট্রোবাংলা তা কেনার সম্মতি জানাবে। ছয় মাসের মধ্যে পেট্রোবাংলা ক্রয়-সম্পর্কিত নোটিশ না দিলে কোম্পানি নিজে ক্রেতা খুঁজে নেবে। পেট্রোবাংলার গ্যাস কেনার ব্যাপারে প্রথম অসম্মতি দেওয়ার অধিকার থাকবে এবং কেবল তারপর কোম্পানি অন্যত্র গ্যাস বিক্রি করতে পারবে।
এবার উপরিউক্ত ধারাগুলো নিয়ে কিছুটা আলোচনা করা যাক। আন্দোলনকারীরা বলছেন, ১৫.৫.১ ধারায় গ্যাস রপ্তানির সুস্পষ্ট অনুমোদন দেওয়া আছে। অপরপক্ষ বলছে, না, ওই ধারাটি বাস্তবায়নের আগে ১৫.৬ ধারাটি বিবেচনায় আনতে হবে আর সেখানেই রয়েছে প্যাঁচ, subject to Petrobangla’s right of first refusal, অর্থাত্ কোম্পানি গ্যাস রপ্তানি তখনই করতে পারবে, যদি পেট্রোবাংলা গ্যাস কিনতে রাজি না হয়। আর বাংলাদেশ কখনো গ্যাস কিনতে অস্বীকার করবে না, যেহেতু গ্যাসের চাহিদা দিনে দিনে বেড়েই চলবে ও গ্যাসের বিকল্প পর্যাপ্ত কোনো জ্বালানি আসবে না। তদুপরি তরলীকৃত গ্যাস রপ্তানি করতে হলে অতি বড় মজুদ প্রয়োজন হবে এবং তরলীকরণ প্লান্ট তৈরিতে বিশাল বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে। তাই কোনো কোম্পানির পক্ষে এককভাবে এ পথ লাভজনক হবে না। আন্দোলনকারীদের মতে, দেশে সমুদ্রবক্ষে কখনো বিরাট গ্যাসক্ষেত্র পাওয়া গেলে অবস্থার পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু তখন বাংলাদেশ ভবিষ্যতের জন্য বাড়তি গ্যাস সংরক্ষণ করতে পারবে না, কারণ পেট্রোবাংলা গ্যাস না কিনলে তা রপ্তানিযোগ্য।
১৫.৫.৪ ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশকে গ্যাস নেওয়ার জন্য নিজস্ব পরিবহনব্যবস্থা অর্থাত্ পাইপলাইন তৈরি করে নিতে হবে। আন্দোলনকারীরা প্রশ্ন করেছেন, যদি গভীর সমুদ্রে অনেক দূরবর্তী স্থানে গ্যাস পাওয়া যায় তাহলে কি বাংলাদেশের পক্ষে গভীর সমুদ্রে অতি ব্যয়বহুল পাইপলাইন তৈরি করা সম্ভব হবে? তার মানে কি এই নয় যে কোম্পানি ওই গ্যাস রপ্তানি করতে পারবে? আর প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশের প্রাপ্য গ্যাসের সীমা মোট প্রাপ্ত ২০ শতাংশের বেশি হবে না, তার মানে কী?
আন্দোলনকারীরা বলছেন, মডেল পিএসসি ২০০৮ বিদেশি কোম্পানির স্বার্থ বজায় রাখতে ও গ্যাস রপ্তানির সুযোগ করে দিতে প্রণয়ন করা হয়েছে। পেট্রোবাংলা বলছে, রপ্তানির লোভ না দেখালে বিদেশি কোম্পানি আকৃষ্ট হবে না, বিশেষ করে সমুদ্রবক্ষে যেখানে বাংলাদেশের পক্ষে নিজস্ব অনুসন্ধান চালানো সম্ভব নয়। অতীতের মডেল পিএসসিগুলোয়ও গ্যাস তরলীকৃত করে রপ্তানির বিধান দেওয়া ছিল, কিন্তু ওই পন্থায় কোনো কোম্পানিই গ্যাস রপ্তানি করতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না।
‘মডেল পিএসসি ২০০৮ ও গ্যাস রপ্তানি’—এ বিষয়টি নিয়ে তর্কবিতর্ক থেকেই যাবে। নিঃসন্দেহে এর একাধিক ধারা প্রশ্নসাপেক্ষ, কোনো কোনো সরকারি ব্যাখ্যা বিভ্রান্তিমূলক। প্রশ্ন হলো, নীতিমালার ধারাগুলো কি আরও সুস্পষ্টভাবে বিভ্রান্তি এড়িয়ে করা যায় না? বিষয়টি নিয়ে একদিকে যেমন খোলা আলোচনা প্রয়োজন, প্রাতিষ্ঠানিকভাবেও এর ধারাগুলোর পরিমার্জনা বিবেচনাযোগ্য। আন্দোলনের কারণে গ্যাস অনুসন্ধান বিলম্বিত হোক তা কারও কাম্য নয়। কিন্তু চুক্তি যদি দেশের স্বার্থের চেয়ে বিদেশি স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়, তা কেবল অমঙ্গল ডেকে আনবে। সরকারের উচিত হবে মডেল চুক্তিকে জনগণের কাছে যথার্থ ব্যাখ্যা করা ও জনগণকে আস্থায় এনে তা প্রণয়ণ করা। নিশ্চয়ই তা পুলিশ দিয়ে লাঠিপেটা করে অধ্যাপকের পা ভাঙার চেয়ে উত্তম পন্থা।
ড. বদরূল ইমাম: অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি, রেজাইনা বিশ্ববিদ্যালয়, কানাডা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অসুস্থ ও ভ্রমণরত ব্যক্তির রোজার বিধান by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ইবাদতের বিষয়ে শারীরিক সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে রুগ্ণ ও প্রবাসীর জন্য রোজার বিধান যথেষ্ট শিথিল করা হয়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রোজাদাররা যথাযথ খাবার গ্রহণ না করার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তা ছাড়া অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ ও অপর্যাপ্ত ঘুম দেহকে বিপাকে ফেলে দেয়। তাই অসুস্থ এবং ভ্রমণরত ব্যক্তিদের রোজা পালন সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে সুস্পষ্ট ভাষায় ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমাদের কেউ যদি অসুস্থ হয়ে যায় কিংবা কেউ যদি সফরে থাকে, সে ব্যক্তি সমপরিমাণ দিনের রোজা (সুস্থ হয়ে গেলে অথবা সফর থেকে ফিরে এলে) পরে আদায় করে নেবে। এরপর যাদের জন্য রোজা রাখা একান্ত কষ্টকর ব্যাপার বলে মনে হবে তারা এর পরিবর্তে একজন মিসকিনকে খাদ্য দান করবে। যে ব্যক্তি খুশির সঙ্গে সত্কর্ম করে, তার জন্য তা কল্যাণকর হয়। আর যদি রোজা রাখ, তবে তা তোমাদের জন্য বিশেষ কল্যাণকর, যদি তোমরা তা বুঝতে পার।’ (সূরা আল-বাকারা, আয়াত-১৮৪)
রমজান মাসে গর্ভবতী মহিলা এবং দুগ্ধপোষ্য শিশুর মায়েদের জন্য রোজা পালন বাধ্যতামূলক নয়। আল্লাহ তাআলা গর্ভজাত ও নবজাত শিশুসহ মায়েদের সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণের জন্য মাহে রমজানে রোজা পালনের কড়াকড়ি শিথিল করেছেন। সুস্থ হলে বা সক্ষমতা অর্জন করলে পরবর্তী সময়ে অবশ্যই এ রোজা পূর্ণ করতে হবে। যেসব মা শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ান, তাঁরা রোজা রাখলে দুধের পরিমাণ কমে যায় বলে শিশু পর্যাপ্ত দুধ পায় না। অন্যদিকে গর্ভবতী মহিলা রোজা রাখলে কষ্ট হওয়া ছাড়াও গর্ভজাত সন্তানের প্রয়োজনীয় পুষ্টিপ্রাপ্তি, শারীরিক গঠন ও বয়োবৃদ্ধিতে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। তাই যে নবজাতকের মা শিশুকে দুধ পান করান তাঁর জন্য রোজা পালন করার বাধ্যবাধকতা পর্যন্ত শিথিল করে দেওয়া হয়েছে। এসব দৃষ্টিকোণ থেকে মসজিদের ইমাম, খতিব, আলেম সমাজ ও বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকেরা গর্ভবতী মহিলা এবং দুগ্ধপোষ্য শিশুর মায়েদের রোজা না রাখার পরামর্শ প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ মুসাফিরের ওপর থেকে চার রাকাতবিশিষ্ট নামাজের অর্ধেক রহিত করে দিয়েছেন এবং মুসাফির, স্তন্যদানকারিণী ও গর্ভবতী মহিলা থেকে মাহে রমজানের রোজা পালন করার বাধ্যবাধকতাও শিথিল করে দিয়েছেন।’ (তিরমিজি, আবু দাউদ ও নাসাঈ)
অসুস্থ ব্যক্তি বলতে রোজা রাখতে যার কঠিন কষ্ট হয় অথবা রোগ মারাত্মক বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কোনো বিশেষ রোগ-ব্যাধির উল্লেখ করে অসুস্থ ব্যক্তির রোজা কাজা করার নির্দেশের পরিধিকে সীমাবদ্ধ করে দেওয়া হয়নি। যেকোনো ধরনের রোগ, যাতে রোজা রাখা তার জন্য দুরূহ হয়ে যায় সে ক্ষেত্রের জন্য এই অনুমতি। প্রকৃতপক্ষে অসুস্থ ব্যক্তি যদি রোজা রাখার কারণে কোনো শারীরিক ক্ষতি বা মৃত্যুর আশঙ্কাবোধ করে, তাহলে এ অবস্থায় রোজা রাখবে না। সুস্থ হওয়ার পর কাজা আদায় করবে। শুধু মনের ধারণায় অসুস্থতার অজুহাতে রোজা রাখা থেকে বিরত থাকা দুরস্ত নয়। চিকিত্সকের পরামর্শ বা নিজের পূর্ব অভিজ্ঞতা কিংবা কোনো লক্ষণ দ্বারা প্রবল ধারণা জন্মে যে রোজা রাখলে ক্ষতি হবে তখন রোজা ত্যাগ করা যাবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মাহে রমজানের একদিনের রোজা কোনো (শরিয়ত অনুমোদিত) ওজর বা অসুস্থতা ব্যতীত ভঙ্গ করবে, সারা জীবনের রোজাও এর ক্ষতিপূরণ হবে না, যদি সে সারা জীবনও রোজা রাখে।’ (তিরমিজি, আবু দাউদ ও মুসনাদে আহমাদ)
ভ্রমণরত ব্যক্তি বলতে পবিত্র কোরআনের তাফসিরকারক এবং শরীয়তের পরিভাষাবিদেরা ব্যাখ্যা করেছেন যে ওই মুসাফির ব্যক্তি যিনি সফরে আছেন। প্রবাসে থাকলে বা শুধু বাড়ি থেকে বেরিয়ে কোথাও গেলেই কেউ মুসাফির হন না। তাঁর নির্দিষ্ট নিয়ত, নির্দিষ্ট দূরত্বে গমন এবং অবস্থানের কথা বলা হয়েছে। এতে কিছু শর্তও আরোপ করা হয়েছে। প্রথম শর্ত হলো, সফর দীর্ঘ হতে হবে। নবী করিম (সা.)-এর হাদিস এবং সাহাবায়ে কিরামের অনুসরণের ওপর ভিত্তি করে ইমাম আবু হানিফা (র.) এবং অন্যান্য ফিকহবিদগণ সফরের দূরত্বকে তিন মনজিল বলে অভিমত প্রকাশ করেন। অর্থাত্ একজন ব্যক্তি স্বাভাবিকভাবে পায়ে হেঁটে তিন দিনে যতটুকু দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে ততটুকু দূরত্বকে বোঝায়। পরবর্তীকালের ফিকহবিদগণ এ দূরত্বকে ৪৮ মাইল সাব্যস্ত করেন। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিস অনুযায়ী সফরের সময়সীমা বলতে সফরকালীন সময় এবং মধ্যবর্তী যাত্রাবিরতির মেয়াদ ঊর্ধ্বপক্ষে ১৫ দিনের কম সময়কে বোঝায়। কেউ যদি ভ্রমণের মধ্যেই কোথাও ১৫ দিন অবস্থান করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তখন সেটা আর সফরের মধ্যে বিবেচিত হবে না। সফরের দূরত্ব ও অবস্থানের মেয়াদ বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করলে দেখা যায় বিজ্ঞানের বদৌলতে এখন স্বল্প সময়ে প্রায় বিনাক্লেশে অনেক দূরের পথ অতিক্রম করা সম্ভব এবং অবস্থানস্থল অধিকাংশ ক্ষেত্রে অতীতের মুসাফিরের ন্যায় নয়। রোজা পালনের ক্ষেত্রে অতীতে যেসব প্রেক্ষাপটে বিশেষ বিবেচনায় প্রযোজ্য ছিল আধুনিককালে তা অবস্থা অনুযায়ীই প্রযোজ্য হবে। যে সফর কঠিন বিপজ্জনক, সমস্যাসঙ্কুল এবং রোজা পালনের জন্য অনুকূল নয় সে সফরের দূরত্ব ও সময়সীমা ওই আলোকেই বিবেচিত হবে।
রোজার সময় সুবহে সাদিক বা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার না করার ফলে শরীরের ওপর একটা প্রভাব পড়ে। সেটি কাটিয়ে ওঠার জন্য এ সময় শরীরকে ভিন্ন নিয়মে চালাতে হয়। যেনতেন অসুস্থতা বা সফরের দোহাই দিয়ে রোজা পালনে বিরত থাকার সহজ ব্যাখ্যা বা অজুহাত দাঁড় করার কোনো অবকাশ নেই। রমজান মাসে রোজা না রাখার জন্য অনেকেই বিভিন্ন অজুহাত খোঁজেন। বিশেষ করে কারও যদি সামান্য অসুস্থতা থাকে তাহলে তিনি রোজা না রাখার পেছনে সে বিষয়কেই তুলে ধরেন। অথচ সামান্য অসুস্থতা তো দূরে থাক, অনেক দীর্ঘস্থায়ী নিয়ন্ত্রণযোগ্য রোগেও রোজা রাখার ব্যাপারে কোনো বিধি-নিষেধ নেই। রোজা পালনে বিরত থাকার কোনো উপায় ও উপলক্ষ খোঁজা আত্মপ্রবঞ্চনার শামিল।
কতগুলো কঠিন রোগ-ব্যাধি নিয়ে রোজা পালন করলে স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য এসব জটিল অসুস্থতা নিয়ে রোজা পালন না করাই শ্রেয়। বস্তুত অসুস্থতা কিংবা ভ্রমণের কারণে শারীরিক দুর্বলতা, ক্লান্তি, শ্রান্তি ও অবসাদে রোজাদার যাতে সকল প্রকার হুকুম-আহকাম পালন করে যথার্থভাবে ইবাদত করতে অসুবিধার সম্মুখীন না হয় সে জন্য অসুস্থতা ও সফরকালে রোজা পালন থেকে সাময়িক অব্যাহতির বিধান দেওয়া হয়েছে। রোজা পালনের মাধ্যমে রোজাদার যাতে সজীবতা, হূদয়ের পবিত্রতা এবং চিন্তাধারার বিশুদ্ধতা অর্জনসহ রুহানি তৃপ্তি, নতুন উদ্যম ও অনুপ্রেরণা লাভ করে সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব আরোপিত হয়েছে।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান, সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক একাডেমি, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ -ভারত ও বাংলাদেশের শাশ্বত ও চিরস্থায়ী জাতীয় স্বার্থের অন্বেষণ by আকবর আলি খান
দ্বিতীয় ধরনের বাংলাদেশিরা ভারতবিদ্বেষী। এঁরা বিশ্বাস করেন, চাঁদের বুড়ি যেমন চব্বিশ ঘণ্টা চরকার সুতা কাটছে, তেমনি নয়াদিল্লিতে ভারত ভাগ্যবিধাতারা অষ্টপ্রহর বাংলাদেশের অনিষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এ দুই কিসিমের বাংলাদেশি ছাড়া অন্য কোনো ধরনের বাংলাদেশির খবর এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। খবরের কাগজে টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক এ পুরোনো অনুমানকে নতুন করে সমর্থন করছে। প্রস্তাবিত টিপাইমুখ জলবিদ্যুত্ কেন্দ্র নিয়ে বিতর্ক যত আলো জ্বেলেছে, তার চেয়ে অনেক বেশি উত্তাপ সৃষ্টি করেছে। খবরের কাগজে প্রতিবেদন থেকে দেখা যাচ্ছে, এ উত্তাপ শুধু বাংলাদেশিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, ভারতীয় কূটনীতিবিদদের মধ্যেও তা ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁরা নাকি বলেছেন যে টিপাইমুখ প্রকল্পের যাঁরা বিরোধিতা করেন, তাঁরা ভারতের শত্রু আর যাঁরা সর্মথন করেন, তাঁরা ভারতের মিত্র।
এ বিতর্কে আমরা অনেক সময় ভুলে যাই, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সম্পর্ক কখনো ব্যক্তিগত বন্ধুত্বের মতো হয় না। দুটি রাষ্ট্রের সম্পর্ক আবেগের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় না। এ সম্পর্ক গড়ে ওঠে জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৪৮ সালে তদানীন্তন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড পামারস্টোন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের যে মৌলনীতি ঘোষণা করেছিলেন, তা আজও সমভাবে প্রযোজ¨: “We have no eternal allies and we have no perpetual enemies. Our interests are eternal and perpetual and those interests it is our duty to follow.” (আমাদের কোনো শাশ্বত মিত্র নেই, আমাদের কোনো চিরস্থায়ী শত্রুও নেই। আমাদের স্বার্থই হচ্ছে শাশ্বত ও চিরস্থায়ী। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, এসব স্বার্থ সংরক্ষণ করা)
বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধের লক্ষ্য হলো, প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ সম্পর্কে একটি অর্থবহ বস্তুনিষ্ঠ আলোচনার সূত্রপাত করা। বাংলাদেশে এ ধরনের আলোচনার তিনটি অন্তরায় রয়েছে। প্রথমত, আবেগের উত্তাপে এ ধরনের আলোচনা মূল প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকে না, ভারত-বাংলাদেশ সামগ্রিক সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এ প্রবন্ধে আলোচনা শুধু টিপাইমুখ বাঁধের বিশ্লেষণে সীমাবদ্ধ থাকবে। দ্বিতীয় অন্তরায় হলো উপাত্ত ও তথ্যের অপ্রতুলতা। এ প্রবন্ধ মূলত টিপাইমুখ প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী সংস্থা কর্তৃক দাখিলকৃত পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন (Environmental Impact Assessment) প্রতিবেদন ও ভারতের পরিবেশ দপ্তর কর্তৃক জারীকৃত ছাড়পত্রের উপাত্তের ভিত্তিতে রচিত। ইন্টারনেটে এসব প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রকাশিত প্রবন্ধ ও গ্রন্থসমূহ ব্যবহূত হয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশ কর্তৃক সংগৃহীত প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে বিস্তারিত বিশ্লেষণ ছাড়া অনেক ব্যাপারেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছা সম্ভব নয়।
তৃতীয়ত, নদীর উজান (upper riparian) ও ভাটির (lower riparian) দেশগুলোর আইনগত অধিকার নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। হেলসিংকি চুক্তিতে পানির কল্যাণকর ব্যবহারের জন্য উজান ও ভাটির দেশগুলোর মধ্যে ন্যায়সংগত অংশীদারির নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। ১৯৯৭ সালের জাতিসংঘের নৌপথ ব্যতীত অন্য কাজে আন্তর্জাতিক পানিপ্রবাহের ব্যবহার-সংক্রান্ত কনভেনশনে ন্যায়সংগত ও যুক্তিসংগতভাবে পানির সদ্ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এসব নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবেযাগ্য নয়। এসব আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে সব দেশই তাদের দাবি সুপ্রতিষ্ঠিত বলে দাবি করে। এ প্রবন্ধে তাই আন্তর্জাতিক আইন নিয়ে আলোচনা করা হবে না। এ বিষয়ে ভারতের প্রাক্তন সেচসচিব রামস্বামী আর আয়ার তাঁর ঞড়ধিত্ফং ডধঃবত্ ডরংফড়স গ্রন্থে একটি চমত্কার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “The upper riparian in exercising its power of control over water must avoid causing harm to or infringing the rights of the lower riparian and the lower riparian in asserting its rights over the waters must not be oblivious of the needs and interests of the upper riparian or seek to impose unreasonable restriction on legitimate activities.” “পানির ওপর তার নিয়ন্ত্রণের কর্তৃত্ব প্রয়োগের ক্ষেত্রে উজানের দেশ অবশ্যই ভাটির দেশের ক্ষতি করা অথবা তার অধিকার ক্ষুণ্ন করা পরিহার করবে। অন্যদিকে ভাটির দেশকে উজানের দেশের প্রয়োজন ও স্বার্থ বিস্মৃত হলে চলবে না এবং অবশ্যই উজান দেশের বৈধ কার্যকলাপের ক্ষেত্রে অযৌক্তিক বিধিনিষেধ আরোপের চেষ্টা করবে না” (পৃষ্ঠা-১১০)। এ প্রবন্ধে টিপাইমুখ প্রকল্পের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ের স্বার্থ বিবেচনা করা হবে। উভয়ের স্বার্থের আলোকে সমস্যাসমূহ বিশ্লেষণ করা হবে।
এ নিবন্ধ চারটি অংশে বিভক্ত। প্রথম অংশে টিপাইমুখ বাঁধের রূপরেখা বিশেষ করে ইতিহাস, লক্ষ্য ও ভৌত বিশেষত্বসমূহ আলোচনা করা হবে। দ্বিতীয় অংশে টিপাইমুখ প্রকল্পে ভারতের সরকার ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের দৃষ্টিকোণ থেকে ভারতের স্বার্থ আলোচিত হবে। তৃতীয় অংশে এ বিষয়ে বাংলাদেশের স্বার্থ বিশ্লেষণ করা হবে। সবশেষে এ সম্পর্কে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের আলোচনার কৌশল ও আলোচনার মূল বিষয় চিহ্নিত করা হবে।
টিপাইমুখ বাঁধ: প্রকল্পের রূপরেখা
টিপাইমুখ ভারতের মণিপুর রাজ্যের মিজোরাম সীমান্তের কাছে একটি অখ্যাত জনপদ। এটি চূড়াচন্দর জেলার একটি উপজাতীয় ব্লক। এ অঞ্চলে প্রায় ২৪ হাজার উপজাতি বাস করে। দুর্গম এ পাহাড়ি অঞ্চলে সরকার প্রায় অনুপস্থিত, নেই কোনো বিদ্যালয় বা চিকিত্সাকেন্দ্র। সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অবহেলিত হলেও বরাক নদীর জলপ্রবাহের ক্ষেত্রে টিপাইমুখের গুরুত্ব অপরিসীম।
বরাক নদী মেঘনার আদি পর্যায়। শারদ কে জৈন, পুষ্পানন্দ কে আগরওয়াল ও বিজয় পি সিংহ রচিত Hydrology and Water Resources of India গ্রন্থে প্রদত্ত তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে যে এর উত্পত্তি হলো মণিপুরের জাপভো পর্বতশৃঙ্গে। তবে বরাক বরফপুষ্ট নদী নয়। বরাক হচ্ছে বৃষ্টিপুষ্ট (rain-fed) নদী। এর উেস রয়েছে অনেক পাহাড়ি ছড়া, যাদের মধ্যে গোমতী, হাওড়া, কাগনি, সেনাই বুড়ি, হরিমঙ্গল, কাকরাই, কুরুলিয়া, বালিঝুড়ি, সোনাইছড়ি এবং দরদরিয়া বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। উত্পত্তিস্থল থেকে টিপাইমুখ পর্যন্ত বরাক নদী পার্বত্য অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। টিপাইমুখের পর নদীটি সমতল ভূমিতে নেমে আসে। টিপাইমুখে বরাকের সঙ্গে মিলিত হয় টুইভাই (Tuivai) নদী। টিপাই শব্দটি টিইভাইয়ের অপভ্রংশ। টুইভাই নদীর মুখ হলো টিপাইমুখ। টিপাইমুখে বরাক নদীর ডান তীরে মণিপুর রাজ্য, বাম তীরে মিজোরাম রাজ্য। এখান থেকে নদীটি আসামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। উত্স থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত বরাক নদীর দৈর্ঘ্য ৫৬৪ কিলোমিটার। বাংলাদেশ সীমান্তে নদীটি সুরমা ও কুশিয়ারা দুটি ধারায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। পরে সুরমা ও কুশিয়ারা পুরোনো ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে সৃষ্টি হয় মেঘনা নদী। মেঘনা শব্দের উত্পত্তি মেঘ ও নাদ শব্দ দুটি থেকে। নাদ শব্দের অর্থ গর্জন। মেঘের গর্জনে যে নদী ফুলে-ফেঁপে ওঠে, সে নদীই হলো মেঘনা। এ নদীর আকার তাই উত্তর-পূর্ব ভারতে বর্ষণের সঙ্গে অচ্ছেদ্যভাবে জড়িত।
টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয় ১৯২৯ সালে, যখন কাছাড় উপত্যকায় প্রলয়ঙ্করী বন্যা দেখা দেয়। প্রস্তাব করা হয়, টিপাইমুখে জলাধার নির্মাণ করে বন্যার সময় পানির প্রবাহ কমানো হবে। ১৯৫৪ সালে ভারতের কেন্দ্রীয় পানি কমিশন টিপাইমুখে একটি বহুমুখী প্রকল্পের সম্ভাব্যতা পরীক্ষা শুরু করে। ১৯৭৪ সালে টিপাইমুখকে একটি বাঁধের স্থান হিসেবে নির্বাচন করা হয়। ১৯৮২ সালে ভারত গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সংযোগ খালের মাধ্যমে গঙ্গার পানি বৃদ্ধির যে প্রস্তাব দেয়, তাতে টিপাইমুখ বাঁধের প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত ছিল (দেখুন B M Abbas প্রণীত The Ganges Waters Dispute)
১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্রহ্মপুত্র বোর্ড এ সম্পর্কে বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। ১৯৯৯ সালের অক্টোবর মাসে টিপাইমুখে জলবিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং এর বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয় North Eastern Electric Power Company (NEEPCO) বা নিপকোকে। নিপকো ২০০৬ সালে পরিবেশ সম্পর্কে অনাপত্তি সার্টিফিকেটের (Environmental Clearance Certificate) জন্য ভারতের পরিবেশ দপ্তরের কাছে আবেদন করে। এ আবেদনে প্রকল্পটির নিম্নরূপ বর্ণনা দেওয়া হয়েছে:
“The Project envisages construction of a 162.8m high rockfill dam, which will intersect a catchments area of 12,756 Sq. Km.” (প্রকল্পটির লক্ষ্য হলো ১৬২.৮ মিটার উঁচু পাথর দিয়ে ভর্তি বাঁধ, যা ১২৭৫৬ বর্গকিলোমিটার আয়তনের অববাহিকার বৃষ্টির পানি আটকাবে)। এর সর্বোচ্চ বিদ্যুত্ উত্পাদনক্ষমতা ১৫০০ মেগাওয়াট। এ বাঁধের ফলে বন্যা নিয়ন্ত্রণের খাতে ভারতীয় মুদ্রায় ৪৫.৭০ কোটি রুপির সাশ্রয় হবে। পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের ফলে ২৩১ কোটি রুপির ফসল উত্পাদন বাড়বে ও বাঁধ এলাকায় মাছ চাষ করে বছরে ১৪ কোটি রুপির মুনাফা হবে। অবশ্য বাঁধের জন্য ক্ষতিও হবে। ২৯৬.৫ বর্গকিলোমিটার ভূমি পানির নিচে তলিয়ে যাবে। এ ছাড়া নৌচলাচলের সুবিধা হবে এবং বাঁধ এলাকায় পর্যটনের সুবিধা সম্প্রসারিত হবে।
এখন বাঁধটির মূল বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা করা যেতে পারে। প্রথমত, এটি একটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও জলবিদ্যুত্ প্রকল্প। সেচের জন্য পানি প্রত্যাহার এ প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত নয়। অথচ বাংলাদেশে এ প্রকল্পের মাধ্যমে সেচের জন্য পানি প্রত্যাহারের সম্ভাবনা সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয়। যখনই টিপাইমুখ বাঁধের প্রশ্ন উঠেছে, তখনই ভারত দাবি করছে যে এটি সেচ প্রকল্প নয়। ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন বৈঠকে টিপাইমুখ বাঁধ সম্পর্কে যৌথ সমীক্ষার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়িত হয়নি। পরবর্তীকালে যৌথ নদী কমিশনের ৩৫তম ও ৩৬তম সভায় টিপাইমুখ প্রশ্ন বাংলাদেশ কর্তৃক উত্থাপিত হলে ভারত জানায় যে টিপাইমুখ থেকে পানি প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা ভারতের নেই এবং বাংলাদেশের এ সম্পর্কে তথ্যের কোনো প্রয়োজন নেই।
কিন্তু বাংলাদেশের অনেকেই মনে করেন যে পানি প্রত্যাহার না করার ভারতীয় প্রতিশ্রুতি একটি ধাপ্পা। বাংলাদেশে এ ধরনের সন্দেহের কয়েকটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, একসময় টিপাইমুখ জলবিদ্যুত্ বাঁধের নিচে ফুলেরতল জলাধার নির্মাণের কথা ভারত বলেছিল। ফুলেরতল প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সম্পর্কে ভারত এখন কিছু বলছে না। এ প্রকল্প বাদ দেওয়া হয়েছে কি না এবং বাদ দিলে কেন দেওয়া হয়েছে, তা জানা যায়নি। তাই অনেকে ভয় করেছেন, টিপাইমুখ বাঁধের পর ফুলেরতল বাঁধ শুরু হবে। দ্বিতীয়ত, ভারত গঙ্গার প্রবাহ বৃদ্ধির প্রস্তাবে টিপাইমুখ থেকে পানি নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিল। তবে দুটি কারণে এসব সন্দেহ অমূলক মনে হয়। প্রথমত, এ ধরনের কোনো প্রকল্পের জন্য এখন পর্যন্ত পরিবেশগত ছাড়পত্রের আবেদন করা হয়নি। আপাতত, এ ধরনের সেচ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে না। দ্বিতীয়ত, পরবর্তীকালেও এখানে নতুন বৃহত্ সেচ প্রকল্প স্থাপনের সম্ভাবনা কম। ইতিমধ্যে কাছাড় অঞ্চলে ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্পের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। ১১ আগস্ট ২০০৯ তারিখে আসামের সেচমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে দেখা যাচ্ছে যে টিপাইমুখ বাঁধের নিম্নাঞ্চলে ভারত ২০৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮০টি ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। উপরন্তু আসামে ইতিমধ্যে অগভীর নলকূপ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্প ও অগভীর নলকূপের মতো সস্তা সেচের পরিবর্তে ব্যয়বহুল ফুলেরতল বাঁধ নির্মাণ অর্থনৈতিক দিক থেকে আকর্ষণীয় মনে হয় না। উপরন্তু টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের পর এ অঞ্চলে অতি সস্তায় নলকূপের জন্য বিদ্যুত্ সরবরাহ সম্ভব হবে।
প্রকল্পটির দ্বিতীয় বিশেষত্ব হচ্ছে, এটি আন্তর্জাতিক মানে একটি মুখ্য বা major বাঁধ। ১৫ থেকে ২০ মিটারের উঁচু বাঁধকে বৃহত্ (large) বাঁধ বলা হয় আর ১৫০ থেকে ২৫০ মিটার উচ্চতার বাঁধকে মুখ্য বা major বাঁধ বলা হয়ে থাকে। বাঁধের উচ্চতার দিক থেকে ভারতে টিপাইমুখের স্থান সপ্তম। কিছু উদাহরণ দিলে জলবিদ্যুত্ প্রকল্পটির প্রকৃতি বোঝা যাবে। টিপাইমুখ বাঁধের সর্বোচ্চ জলবিদ্যুত্ ক্ষমতা ১৫০০ মেগাওয়াট। বাংলাদেশে কাপ্তাই জলবিদ্যুত্ কেন্দ্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট। অর্থাত্ টিপাইমুখের সর্বোচ্চ জলবিদ্যুত্ উত্পাদনের ক্ষমতা কাপ্তাইয়ের সাড়ে ছয় গুণ। কাপ্তাই বাঁধের উচ্চতা ৪৫.৭ মিটার আর টিপাইমুখের উচ্চতা ১৬২.৮ মিটার, যা কাপ্তাইয়ের সাড়ে ছয় গুণ। কাপ্তাই হ্রদ ৭৭৭ বর্গকিলোমিটার প্লাবিত করেছে, অথচ টিপাইমুখে প্লাবিত হবে ২৯৬.৫ বর্গকিলোমিটার। অর্থাত্ টিপাইমুখে কাপ্তাইয়ের হ্রদের ৩৮ শতাংশ আয়তনের জলাধার থেকে সাড়ে তিন গুণ বিদ্যুত্ উত্পাদন করা হবে। টিপাইমুখ জলাধার হবে অত্যন্ত গভীর। টিপাইমুখ বাঁধের বিদ্যুত্ উত্পাদনক্ষমতা যেমন বেশি প্রলয়ঙ্করী ঝুঁকিও কাপ্তাইয়ের তুলনায় অনেক বেশি। পাকিস্তানে এখন পর্যন্ত টিপাইমুখ বাঁধের মতো উঁচু বিপজ্জনক বাঁধ নির্মিত হয়নি। পাকিস্তানে তারবেলা বাঁধের উচ্চতা হলো ১৩৮ মিটার, মংলা বাঁধের উচ্চতা হলো ১৪৩.২৬ মিটার আর টিপাইমুখের উচ্চতা হলো ১৬২.৮ মিটার। টিপাইমুখ বাঁধের দৈর্ঘ্য হলো ৩৯০ মিটার। উচ্চতা আর দৈর্ঘ্যের অনুপাত হলো ১:২.৩৯। কাপ্তাইয়ের ক্ষেত্রে এ অনুপাত হলো ১:৪৪.৬৬, তারবেলার ক্ষেত্রে এ অনুপাত ১:১৯.৭, মংলার ক্ষেত্রে ১:২২.৭৩। টিপাইমুখে একটি বিশাল জলরাশি একটি সংকীর্ণ গিরিবর্তে ধরে রাখা হবে। কোনো কারণে এ বাঁধ ভাঙলে ক্ষতি হবে অভূতপূর্ব ও অকল্পনীয়।
তৃতীয়ত, বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য বাঁধের জল নিয়ন্ত্রণ ছাড়া অন্য কোনো কাঠামোগত ব্যবস্থার প্রস্তাব পরিবেশ দপ্তরের দলিলে দেখা যাচ্ছে না। বন্যা নিয়ন্ত্রণের সুবিধা ২০৩৯ বর্গকিলোমিটার এলাকায় পাওয়া যাবে। কাছাড়, করিমগঞ্জ ও হাইলাকান্দি জেলার মোট আয়তন ৭৯২২ বর্গকিলোমিটার অর্থাত্ টিপাইমুখ প্রকল্পের ফলে এ তিনটি জেলার প্রায় ২৫.৭ শতাংশ অংশে বন্যা নিয়ন্ত্রণের সুবিধা সৃষ্টি হবে। কাজেই বন্যা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এ প্রকল্পের গুরুত্ব গৌণ। মূলত এটি জলবিদ্যুত্ প্রকল্প। এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় হচ্ছে ৬৯৭৯.৪৪ কোটি ভারতীয় রুপি। মার্কিন ডলারে এর পরিমাণ ১৪২০ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯৮৬৯ কোটি টাকা। প্রকল্পটি সমাপ্ত হতে সাত বছর লাগবে। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। তবে দরপত্র এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
আগামী কাল: ভারতে সরকার ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের স্বার্থ
আকবর আলি খান: গবেষক, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা, অর্থ, বন ও পরিবেশ এবং মন্ত্রিপরিষদের সাবেক সচিব। এ ছাড়া পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আখতারুন নাহার -স্মরণ by প্রবীণ হিতৈষী ডা. মো. ইব্রাহিম
ডা. মো. ইব্রাহিমের মানবসেবা, সমাজসেবা অবশ্যই অনুসরণযোগ্য। বাল্যকাল থেকেই তিনি স্বপ্ন দেখতেন একটি সুষম সুন্দর সমাজ, যেখানে থাকবে না আর্তপীড়িতের হাহাকার, কোনো শ্রেণীই নিপীড়িত হবে না, অর্থনৈতিকভাবে কোনো অসম বণ্টন থাকবে না, সর্বত্রই থাকবে ন্যায়নীতি। তিনি সেবামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য পাকিস্তান সরকারের উচ্চ খেতাব ‘সিতারা-ই-খিদমত’-এ ভূষিত হয়েছেন।
তিনি সমাজবিজ্ঞানীর দৃষ্টি দিয়ে সমাজকে দেখেছেন এবং প্রতিনিয়ত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছেন। তখনই তত্পর হয়েছেন সেসব সমস্যা সমাধানের জন্য। এর একটি হলো প্রবীণদের সমস্যা। আমাদের সমাজে প্রবীণেরা আর্থিক-মানসিক-শারীরিক সব দিক থেকেই অসহায় হয়ে পড়েন। তিনি লক্ষ করলেন, এ সমস্যা এ দেশে দিন দিন প্রকট হয়ে উঠছে। তিনি এও উপলব্ধি করলেন যে আমাদের সামাজিক সংগঠন, এমনকি সরকারও এ বিষয় নিয়ে তেমন উদ্বিগ্ন নয়। এ কারণে তিনি এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যাপক এম এ ওয়াহেদ এ বিষয় নিয়ে এগিয়ে আসেন। এরপর ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘ এবং জরাবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান। ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি। প্রথম দিকে ডা. ওয়াহেদের বাসভবনেই প্রবীণ হিতৈষী সংঘের কাজকর্ম হতো। এখানে প্রবীণদের বিনামূল্যে চিকিত্সাসেবা ও পরামর্শ দেওয়া হতো। ১৯৭৬ সালে ডা. ওয়াহেদের মৃত্যুর পর ডা. মো. ইব্রাহিম এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর তিনি ইউরোপের আদলে প্রতিষ্ঠানটিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার কাজে মনোনিবেশ করেন। তিনি তাঁর জরিপের তথ্য অনুযায়ী প্রবীণ বয়সে সেবা-শুশ্রূষার প্রয়োজনীয় উপকরণের চাহিদামতো পরিকল্পনা করে একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরে জমা দেন। তত্কালীন সরকার এই প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে এটিকে স্বীকৃতি দেয় এবং সে অনুযায়ী ৫০ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন করে। এই প্রকল্পের মধ্যে ছিল সমিতির নিজস্ব স্থান, প্রবীণদের দৈনিক পরিচর্যাকেন্দ্র, শরীরচর্চার ব্যবস্থা, চিকিত্সার সুবন্দোবস্ত ইত্যাদি। আগারগাঁওয়ে এই সমিতির জন্য জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়। সেখানে দালান নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করা হয় ১৯৮৬ সালে। ডা. মো. ইব্রাহিমের এটিও এক অনন্য সাফল্য। তিনি ১৯৮৪ সালে সরকারের সহায়তায় প্রবীণদের জন্য একটি আন্তর্জাতিক কর্মশালার আয়োজন করেন। ওই কর্মশালায় তিনি সরকারের কাছে প্রবীণদের কল্যাণে কিছু প্রস্তাব রেখেছিলেন, যেমন—জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় প্রবীণদের অধিকার নিশ্চিত করা, তাঁদের স্বাস্থ্য ও কল্যাণের জন্য শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, তাঁদের মর্যাদাশীল ব্যক্তি হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠা করা, বয়স্কদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা, মা-বাবার প্রতি কর্তব্য পালনে ধর্মীয় অনুশাসনের বিধান প্রচারের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি।
সুতরাং আমরা দেখতে পাই, ডা. মো. ইব্রাহিম শুধু চিকিত্সাবিজ্ঞানীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন দক্ষ সমাজবিজ্ঞানী। শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবার জন্যই তিনি ভেবেছেন এবং তাঁদের মঙ্গলের জন্য কাজ করে গেছেন। শুধু ডায়াবেটিক হাসপাতাল নিয়েই তাঁর চিন্তা ছিল না। তাঁর চিন্তার পরিধি ছিল বিশাল। এই অসাধারণ ব্যক্তিত্ব ১৯৮৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চলে গেছেন চিরদিনের জন্য। রেখে গেছেন তাঁর অনন্য অবদানগুলো। এ জন্য এ দেশের মানুষ তাঁর প্রতি সীমাহীন কৃতজ্ঞ ও ঋণী।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাষ্ট্র যখন নির্মম হয়ে ওঠে by সৈয়দ বদরুল আহ্সান
তবে আনু মুহাম্মদকে নিয়ে যে এত লজ্জাকর একটি কাণ্ড ঘটে গেল তাতে তো অবাক হওয়ার কিছুই নেই। বিশেষ করে, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার যেভাবে ঢাকা এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে পাঠিয়ে দিল এবং সেই রিমান্ডে থাকা অবস্থায় তাঁদের ওপর কী অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়েছিল, সেই ভয়ঙ্কর স্মৃতি আমাদের সবাইকে তাড়িয়ে বেড়াবে যতক্ষণ পর্যন্ত না আমরা ওইসব ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারব, যাঁরা এ অপরাধ করেছেন এবং তাঁদের সবাইকে বিচারের কাঠগড়ার দাঁড় করাতে পারি। হ্যাঁ, পৃথিবীতে অনেক দেশ রয়েছে যেখানে রাষ্ট্র আরও বেশি ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। কিন্তু বাংলাদেশের তো অন্য রকম রাষ্ট্র হওয়ার কথা ছিল। এই দেশে তো সামরিক শাসন হওয়ার কথা ছিল না। একাত্তরের বিজয়ের পর বাঙালি জাতি তো কখনো ভাবেনি, এই নতুন ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে একদিন আবার নতুন করে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির প্রচলন হবে। একে একে আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা এ স্বাধীন দেশে নিহত হয়েছেন এবং অন্যদিকে যারা পাকিস্তানের হয়ে কাজ করেছিল, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তারাই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অধিষ্ঠিত হয়েছে। এসব ব্যক্তি একাত্তরে নির্মমতার পরিচয় দিয়েছিল। সেই নির্মম রূপ তারা আবার স্বাধীন বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেয় ১৯৭৫-এর পরবর্তী সময়ে। তাই আজ যখন রাষ্ট্রকে নির্মম রূপ ধারণ করতে দেখি, তখন সেই অতীতেই ফিরে যেতে হয়। বঙ্গবন্ধু থেকে শুরু করে আমাদের সব সাহসী রাজনৈতিক নেতাকে আমরা নিহত হতে দেখেছি। নির্মমভাবে জাতির জনককে হত্যা করা হয় অথচ আমরা কোনো প্রতিবাদ করিনি। আজ যখন জেনারেল সফিউল্লাহকে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টে তাঁর ভূমিকার কারণে সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয় এবং সেটা যথার্থ কারণেই, তখন আমরা নিজেদের প্রশ্ন করি না কেন—কই, আমরা তো সেই দিন কোনো প্রতিবাদ করিনি! যে বঙ্গবন্ধুর কথায় আমরা যুদ্ধে গিয়েছি সেই বঙ্গবন্ধু যখন মৃতদেহ হয়ে সিঁড়িতে পড়ে আছেন তখন আমরা সবাই তো ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে বাড়িতে বসে ছিলাম। আমাদের হাত থেকে আমাদেরই সৃষ্ট রাষ্ট্র ফসকে গেল। এবং তারপর ধীরে ধীরে ভয়ঙ্কর আকার নিতে শুরু করল। যে দেশের মানুষ এত আন্দোলন করল বছরের পর বছর গণতন্ত্র আদায়ের জন্য, সে দেশেই আবার সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করে নিল এবং জেনারেল জিয়া ও জেনারেল এরশাদ আমাদের সেই সুন্দর স্বপ্ন, সেসব আকাঙ্ক্ষাকে গুঁড়িয়ে দিলেন—যেগুলো আমরা এত দিনে হয়তো বাস্তবায়িত করতে পারতাম। তাঁরা ফরাসি সম্রাট চতুর্দশ লুইয়ের মতো নিজেদের রাষ্ট্রের সঙ্গে এক করে ফেলেন; স্বৈরশাসকের মতো রাষ্ট্রও হয়ে ওঠে ভয়ঙ্কর।
দেশে সামরিক শাসন এখন নেই। কিন্তু সেই শাসনের রেশ এখনো রয়ে গেছে। ওই যে ২০০৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ধরে নিয়ে তাঁদের ওপর নির্যাতন চালানো হলো এবং ছাত্রদের অমানবিকভাবে কষ্ট দেওয়া হলো এ সবই সেই সামরিক শাসন ও সামরিক মেজাজের বহিঃপ্রকাশ। আজ যখন আমরা জাতি হিসেবে প্রস্তুতি নিচ্ছি বাংলাদেশ রাইফেলসের সেসব জওয়ান, যারা এতগুলো সামরিক বাহিনীর অফিসার হত্যা করল, তাদের বিচারে আনার জন্য, তখন আমাদের এও দাবি থাকবে—সামরিক ও গোয়েন্দা বাহিনীর যে লোকজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রদের ওপর ২০০৭ সালে নির্যাতন চালিয়েছে, তাদের বিচারের সম্মুখীন করা হোক। বাংলাদেশকে পুনরুদ্ধার করতে হলে সব ধরনের অন্যায়-অত্যাচারের তদন্ত এবং সেটা দ্রুততার সঙ্গে করা প্রয়োজন। যে নম্র, ভদ্র ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র আমরা পেয়েছিলাম ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ পর্যন্ত, সে রাষ্ট্রকে ফিরে পেতে হলে বর্তমান যে রাষ্ট্রীয় নির্মমতা রয়েছে, সেটা আগে দূর করা দরকার। পুলিশ সাংবাদিক পেটাবে এবং প্রবীণ ফটোসাংবাদিককে ঘুষি মেরে মটিতে ফেলে দেবে—এটা আমরা যত দিন সহ্য করে যাব তত দিন আমরা আমাদের নিজেদের বিবেকের কাছে অপরাধী হয়ে থাকব। ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদকে কোমরে দড়ি বেঁধে পুলিশ হাজতে নিয়ে যাবে, আর আমরা বলব দেশে গণতন্ত্র বিরাজমান, তা তো হয় না। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান সেই শহরের মেয়রের প্রদত্ত হুমকির কারণে এবং প্রাণ ও মানসম্মান রক্ষা করার জন্য শহর ত্যাগ করবেন—এ বাস্তবতা আমরা কেন মেনে নেব? শাসক দল ভালো করে জানে, এ ক্ষেত্রে কী ঘটেছে। তাহলে আইনগতভাবে সরকার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে অপারগ কেন? ক্ষমতাসীন হলে অথবা ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেই কি সবাইকে ভয় দেখাতে হয়?
বিগত বিএনপি-জামায়াত আমলে বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক পদে পদে অপমানিত হয়েছে। যখনই বিরোধী দল কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচির কথা বলেছে তখনই রাষ্ট্র পথে-প্রান্তরের যাকেই পেয়েছে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়েছে এবং সোজা কারাগারে নিয়ে গেছে। কেউ গ্রাম থেকে এসে গুলিস্তানে নেমেছেন, কেউ তাঁর কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার জন্য পথে নেমেছেন, কেউ হাসপাতালে অসুস্থ আত্মীয়কে খাবার দেওয়ার জন্য বেরিয়েছেন—এঁরা সবাই পতিত হয়েছেন কারাগারে। তাঁরা কারাগার থেকে বেরিয়ে এসেছেন অনেক দিন পর—বিভিন্ন পর্যায়ে পুলিশকে খুশি করে। রাষ্ট্র যে এসব নাগরিককে এবং যেহেতু তাঁরা অতি দরিদ্র—এঁদের অপমান করল, এ দিকটা দেখবে কে? আজ পর্যন্ত তো এ বিষয়ে কোনো প্রতিকার চাওয়া হয়নি, কোনো মামলা করা হয়নি সেদিনকার প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে।
আর প্রতিকারের কথা যখন উঠেছে তখন আরেকটু বলতে হয়। এই গেল কয়েক সপ্তাহ ধরে আমাদের মাঝে অনেকেই তাঁদের উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন এই বলে যে যদি পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে কিছুসংখ্যক সামরিক ক্যাম্প সরিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে সেই এলাকার বাঙালি বসবাসকারীরা সম্ভাব্য বিপদের সম্মুখীন হতে পারে। উত্তরে এটাই বলব যে সে ধরনের সমস্যা হবে না। তারপর যেটা বলব এবং যে বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ তা হলো—আমরা বাঙালিরা কোন অধিকারে বাংলাদেশের আদিবাসী জনগণের এলাকায় নিজেদের জন্য ঘরবাড়ি সম্পত্তি করলাম? ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে যে হারে চাকমা এবং অন্যান্য আদিবাসী গোষ্ঠী আমাদেরই রাষ্ট্রের হাতে নিপীড়িত হয়েছে সেই কথা আমরা বলি না কেন? এই যে অগণিত টক শো হয় টেলিভিশনে এবং বিভিন্ন জায়গায় এত গোলটেবিল আলোচনা হয় পার্বত্য অঞ্চলকে নিয়ে, সেখানে তো কেউ বলে না, কতজন আদিবাসী প্রাণ হারিয়েছে তাদের জায়গাজমি ও ঐতিহ্য আমাদের বাঙালিদের হাত থেকে রক্ষা করতে গিয়ে। যখন ফিলিস্তিনি এলাকায় ইহুদি বসতি স্থাপন করা হয় তখন আমরা যথার্থই প্রতিবাদ করি। সেই প্রতিবাদটি আমরা আমাদের নিজেদের ক্ষেত্রে করি না কেন—যখন আমাদের বাঙালিরাই সাঁওতালদের বাসভূমি দখল করে নেয়, যখন চাকমা নরনারী আমাদের ভয়ে তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়?
চোখ বন্ধ করে থাকলে হবে না। বাস্তবতাকে অস্বীকার করা অথবা ইংরেজি ভাষায় যাকে বলে ডিনায়াল মোডে থাকা অত্যন্ত নাজুক এবং ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটাতে পারে। রাষ্ট্র কল্যাণকর হলে, আধুনিক মানসিকতার দ্বারা পরিচালিত হলে অবশ্য তা হয় না, আনু মুহাম্মদও রাজপথে লুটিয়ে পড়েন না এবং আদিবাসীরাও ভয়ে পালিয়ে বেড়ায় না।
সৈয়দ বদরুল আহ্সান: সাংবাদিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লোভ-লালসা হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করুন -সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
লোভ-লালসা প্রতিনিয়ত মানুষকে অন্যায় ও জুলুমের দিকে ধাবিত করছে। তাই রোজাদার বান্দার মূল লক্ষ্য থাকবে সৃষ্টিকর্তার সান্নিধ্য লাভ ও তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন। ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে ধনসম্পদ, মানসম্মান, ক্ষমতা, পদমর্যাদা, প্রভাব-প্রতিপত্তির প্রতি লোভ-লালসা দীন ইসলাম ও ঈমানের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এ জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.) লোভ-লালসাকে সর্বদা দুশ্চিন্তা ও যন্ত্রণার উপকরণ বলে উল্লেখ করে বলেছেন, ‘ঈমান এবং লোভ এক অন্তরে একত্র হতে পারে না। এর কারণ অত্যন্ত সুস্পষ্ট। কেননা ঈমানের পরিণাম হচ্ছে ধৈর্য, সহনশীলতা ও অল্পে তুষ্ট থাকা। আর লোভ-লালসার পরিণাম হচ্ছে অশান্তি, ধৈর্যহীনতা ও অস্বস্তিবোধ।’ (নাসাঈ ও তিরমিজি)
রোজা দেহের জাকাতস্বরূপ। জাকাত আদায় করলে যেমন সমস্ত সম্পদ পবিত্র হয়ে যায়, তেমনি রোজা রাখলে সমস্ত শরীর পবিত্র হয়ে যায়। হাদিস শরিফে রোজাকে ইবাদতের দরজা বলা হয়েছে। অন্য বর্ণনানুযায়ী রোজাকে দোজখের আগুন থেকে আত্মরক্ষার ঢাল বলা হয়েছে। (মুসনাদে আহমাদ) মহানবী (সা.) বাণী প্রদান করেছেন, ‘রোজা মানুষের জন্য ঢালস্বরূপ যতক্ষণ না সেই ঢালকে কেউ বিনষ্ট করে ফেলে আর মিথ্যা ও পরনিন্দা দ্বারা এই ঢাল বিনষ্ট হয় বা এর মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়ে যায়।’
রমজান মাসে রোজা পালনকারী ব্যক্তির যেকোনো নেক দোয়া আল্লাহ তাআলা কবুল করেন। যিনি সিয়াম সাধনায় রত, তিনি কেবল মহান আল্লাহর প্রেমে বিমুগ্ধ হয়ে রোজা পালন করছেন। রোজাদারের সকল প্রার্থনা আল্লাহর দরবারে গ্রহণ করা হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহ তাআলা তাঁর আরশ বহনকারী ফেরেশতাদের নির্দেশ দান করেন, তোমাদের নিজস্ব ইবাদত মূলতবি রাখো এবং রোজাদারদের দোয়ার সময় আমিন বলতে থাকো।’ কিন্তু লোভ-লালসা ও হিংসা-বিদ্বেষকারী লোক তওবা করে নিজ নিজ বদ কার্যাদি পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা তাদের ক্ষমা করেন না।
রোজাদারদের লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ, ঝগড়া-ফ্যাসাদ থেকে অবশ্যই বিরত থাকা উচিত। নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘রোজাদারগণ বিশেষ একটি দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবেন। এ দরজার নাম রাইয়্যান বা তৃপ্তিদায়ক। সব রোজাদার প্রবেশ করার পর সে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে। তারপর আর কেউ এ দরজা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না।’ অপর এক বর্ণনানুযায়ী ‘রাইয়্যান দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশকারী ব্যক্তি কখনো পিপাসার কষ্ট অনুভব করবে না।’ (তিরমিজি)
বস্তুত মাহে রমজানের রোজার মাধ্যমে লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে রোজাদার বান্দারা অতিমানবীয় জীবনের দীক্ষা নেন। যারা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য মাহে রমজানে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে পার্থিব কামনা-বাসনা, লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ, ঈর্ষাপরায়ণতা ও পরশ্রীকাতরতা পরিহার করে রোজার যথার্থ তাত্পর্য ও মাহাত্ম্য উপলব্ধি করেন, সেই রোজাদারদের আল্লাহ তাআলা তাঁর অপার করুণা, ক্ষমাশীলতায় জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি লাভের তাওফিক দান করেন।
সুতরাং মাহে রমজানে লোভ-লালসা সংবরণ করুন; হিংসা-বিদ্বেষ ও ঝগড়া-বিবাদ এড়িয়ে চলুন। হতদরিদ্র প্রতিবেশীর প্রতি সহানুভূতিশীল হোন, অসহায় দুস্থ লোকদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। ব্যক্তিগত দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, ব্যবসায়িক লোভ-লালসা, জাগতিক হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে আর্তমানবতার কল্যাণে নিজের মানবিকতা জাগিয়ে তুলুন। তাহলে সমাজ থেকে লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ, পরশ্রীকাতরতা দূর হয়ে উত্তম চরিত্রের গুণাবলি প্রকাশ ঘটবে। আসুন, মাহে রমজানে অসহায় লোকদের সর্বাত্মক সাহায্য-সহযোগিতার মধ্য দিয়ে সেই ইচ্ছা পূরণের প্রত্যয় ব্যক্ত করি, ‘সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে মোরা পরের তরে’।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান, সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক একাডেমি, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অধ্যাপক নোমান: একটি বাসন্তী সন্ধ্যায় নায়ক -এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী
অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক, মাঝারি সাইজের ঘনশ্যাম বর্ণের একটি মানুষ ভদ্রলোকের তীক্ষ অনুসন্ধিত্সু এক জোড়া চোখ প্রথমে আকৃষ্ট করেন অসাধারণ বলেই। হাত মিলিয়ে বললেন, ‘Welcome to the college, আপনার আলমা মাটার, আমি প্রিন্সিপাল। আমার নাম নোমান।’
আমার সঙ্গে ছিলেন ঢাকা কলেজে পড়ুয়া অধ্যাপক মোহাম্মদ নোমানের আপন ছোট ভাই মোয়াত্তের। আমার খুবই ঘনিষ্ঠ। মোয়াত্তেরকে দেখে একনজরে বোঝা যেত ও নোমান সাহেবের ছোট ভাই। চেহারা-ছবি, চোখের ভাবভঙ্গি, নোমান সাহেবের বিলকুল কার্বন কপি (বয়সটা অনেক কম, এই যা)।
মূল অনুষ্ঠান শুরুর একই সঙ্গে অধ্যাপক নোমান বক্তব্য দিলেন। বহু পুরোনো বিদগ্ধ ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে তাঁর কাছে একটি কিউট ইংরেজি বক্তব্যের আশায় বসে ছিলাম। ডায়াসে প্রায় ১০ জন সমাজের ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্র এবং ওই দিনের মোটামুটি ডাকসাইটে গণ্যমান্য মানুষ। সুশীল সমাজের শীর্ষ ব্যক্তিত্বও উজ্জ্বল করেছেন উপস্থিতি। আর সামনে কিচিরমিচির করছিল হাজার দুই বা তারও বেশি সে সময়কার কিশোর তারুণ্যের মাঝামাঝি ছাত্র। তাদের আলাপসালাপ যেন শেষ হচ্ছিল না।
অনুষ্ঠানে এসে দারুণ ভালো লাগছিল। স্মৃতি রোমন্থনে মন ভোরে যাচ্ছিল। তখনকার দিনের ফুলবাড়িয়া রেলস্টেশনের অপেক্ষমাণ ঘোড়ার গাড়ি, অশ্বমুত্রে পূত গন্ধে এলাকার পাশে সরু গলিগুলোর পাশে কয়েকটি বাড়ি নিয়ে ঢাকা কলেজ। বাঘাসব অধ্যাপক, প্রভাষক ওই সব ঘুপচি ঘরে পড়াতেন। আমরা অবাক হয়ে শুনতাম, শিখতাম।
সেই চল্লিশ-পঞ্চাশের দশকের শ্রীহীন ঢাকা কলেজ আজকে তার বিশাল অঙ্গন নিয়ে শ্রীযুক্তি হয়েছে। সুযোগ-সুবিধা আরও বেড়েছে। পরবর্তীকালে যুক্ত হয়েছেন অসংখ্য ছাত্র-শিক্ষক। এবং এসেছেন একজন অধ্যাপক নোমান। বলেছি মাঝারি সাইজের ঘনশ্যাম মানুষটি।
অধ্যাপক নোমান দাঁড়াতেই হাজার হাজার কিশোর ছাত্রের কিচিরমিচির আকস্মিকভাবে থেমে গেল।
অধ্যাপক নোমান অনেক কথা বলেছিলেন, সুন্দর-সুন্দর, ভালো কথা। আজ আমার তেমন কিছুই মনে নেই। মনে আছে দুটি জিনিস। তিনি ইংরেজির অধ্যাপক হয়েও বাংলায় বক্তব্য দিলেন। আশা করেছিলাম তিনি সুন্দর ইংরেজিতে একটা বক্তব্য দেবেন।
বাংলায় বক্তব্যের একটা বিশেষ লাইন আমার স্মরণে এখনো গুনগুনিয়ে জাগে।
আমন্ত্রিত মহান অতিথিবৃন্দ, আমার প্রিয় ছাত্র ভায়েরা, আজকের এই বাসন্তী বিকেলে... ইত্যাদি।
ব্যস, ওই ‘বাসন্তী বিকেল’ শব্দটির কী জাদু ছিল, জানি না। কিন্তু আমার মস্তিষ্কের মেমোরি সেলগুলোতে আটকে গেল। আমার কাছে এখনো স্মৃতির মণিকোঠায় উজ্জ্বল শব্দ দুটি।
স্যারের ছোট ভাই মোয়াত্তেরকে বললাম, নোমান স্যার ইংরেজিতে তুখোড় জানি, এত চমত্কার বাংলা বলেন, সত্যি জানতাম না।
পরে এই বরেণ্য শিক্ষাবিদের সঙ্গে আরও সাক্ষাত্ হয়েছে। আর জেনেছি তাঁর কথা। তদানীন্তন পাকিস্তানে শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের সম্মানে ভূষিত, শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবধানের জন্য একুশে পদকপ্রাপ্তিসহ অনেক পদকে ভূষিত। অধ্যাপক, অধ্যক্ষ থেকে সবশেষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য—অনেক কিছু জেনেছি।
অধ্যাপনা করা যার ধ্যান, ছাত্রদের নিয়েই জগত্ যে মানুষটির...এতসব জেনেও আমার কাছে ‘বাসন্তী বিকেলের’ এ মানুষটি এখনো খুব কাছাকাছি হয়ে যান। সব মানুষের মতো এসব মানুষও চলে যান দুনিয়ার অমোঘ নিয়মে। কিন্তু তাঁরা যেন হারিয়ে না যান, এটাই হোক আমাদের ব্রত।
ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী: সাবেক রাষ্ট্রপতি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যশোবন্ত সিংয়ের জিন্নাহ দর্শন রাম পুন্যায়নি -ভারতীয় রাজনীতি
যে কেউই স্বীকার করবেন যে ভারতে মুসলমানদের বহিরাগত হিসেবে দেখা হয়। বড় দলগুলোর অন্যতম বিজেপি মুসলিমদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবন থেকে বিতাড়িত করে দিয়েছে। বিজেপির এই আগ্রাসী রাজনীতিই মুসলিমদের কোণঠাসা অবস্থানের অন্যতম কারণ। প্রশ্ন হলো, বিজেপি যখন হিন্দু জাতীয়তাবাদের জিগির তুলছিল তখন যশোবন্ত সিং কোথায় ছিলেন? এই প্রক্রিয়ায় মুসলমানদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। কেবল বিজেপিই নয়, আরএসএসের ভাবাদর্শ ভারতীয় জীবনের সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সংক্রমিত করে দেওয়া হয়েছে। যশোবন্ত সিং তো এত দিন আরএসএসের রাজনৈতিক শাখা বিজেপিরই নেতা ছিলেন। তাই তাঁর তরফে ‘মুসলমানদের আলাদা করে দেওয়ার’ অভিযোগ তোলা কুমিরের অশ্রুবর্ষণের মতো মনে হয়!
যে দলটিকে বিচক্ষণতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়েছেন জিন্নাহ তার নাম মুসলিম লীগ। এটা কি জিন্নাহর সেক্যুলার ভাবমূর্তির পরিহাস নয়? জীবনের প্রথম ভাগে ভারতীয় কংগ্রেসে কাজ করেও জিন্নাহ কেবলই মুসলমানদের ‘বিশ্বস্ত কণ্ঠস্বর’ হয়ে যান। কিন্তু কোন মুসলমানদের? যে মুসলমানরা ধনী, নবাব ও জমিদার। তাঁর ব্যক্তিচরিত্রের অনেক আকর্ষণীয় দিক থাকা সত্ত্বেও তিনি সেক্যুলার ছিলেন না। কারণ ধর্মপরিচয়কে তিনি জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তি হিসেবে নির্মাণ করেছিলেন। এ কথা সত্য যে কংগ্রেসের মধ্যে মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষিত হবে না জেনেই তিনি এ পথে এগিয়েছিলেন।
মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, খান আব্দুল গাফফার খান, রাফি আহমদ কিদওয়াই এবং অন্য অনেক মুসলমান নেতা ভারতীয় জাতীয়তাকে ধর্ম-বর্ণের বাইরে চিন্তা করে আন্দোলন করেছিলেন। দরিদ্র মুসলমানদের বেশির ভাগও গান্ধীর আন্দোলনে শামিল হয়েছিল। এমনকি বেরেলভী ও দেওবন্দের মতো ধর্মীয় নেতা ও শিক্ষকদের অনেকেও মিশ্র জাতীয়তার ধারণায় বিশ্বাসী ছিলেন। ‘মুসলমানরা আলাদা জাতি’ বলা আর সাভারকার-আরএসএসের ‘ভারত আদতে একটি হিন্দু রাষ্ট্র’ বলা আসলে একই মুদ্রার অন্য পিঠ। জিন্নাহ যাদের স্বার্থ রক্ষা করেছিলেন তারা মুসলমানদের কত ভাগ ছিল? জমিদার, ধনী ব্যবসায়ী মুসলমানদের স্বার্থ আর গরিব-কৃষক মুসলমানদের স্বার্থ কি এক? সাভারকার ও আরএসএস যে হিন্দু জাতীয় স্বার্থের কথা বলে তারা কোন পদের হিন্দু? গরিব হিন্দুদের স্বার্থ তারা কবে দেখেছে?
দেশভাগ নিয়ে বিতর্কে কেবল নেতাদের মধ্যেকার দ্বন্দ্বের কথাই আসে। আসে না ব্রিটিশের ভেদনীতির কথা, যেসব সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণ সাম্প্রদায়িকতার জন্ম দিয়েছিল তার কথা। তাই পাকিস্তানে ভারত বিভাগের জন্য কংগ্রেস ও হিন্দু নেতাদের দোষানো হয় আর ভারতে খলনায়ক বানানো হয় মুসলিম লীগ ও জিন্নাহকে। হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা মুসলমানদের ছাড় দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করে গান্ধীকেও।
১৮৮৫ সালে কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হলে তার মধ্যে ভারতের উদীয়মান সব শ্রেণীর ও শিক্ষিত অংশের লোকেরা জড়ো হয়। হিন্দু মহাসভা ও মুসলিম লীগের নেতারাও এর মধ্যে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলন করেন। ১৯০৬ সালে ভাগ করো শাসন করো নীতির ভিত্তিতে মুসলিম লীগকে স্বীকৃতি দেয় ইংরেজ। সে সময় এটি ছিল নিজ সম্প্রদায়ের গরিবদের ভয়ে ভীত কেবলই নবাব-নাইটদের দল। হিন্দু মহাসভা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৫ সালে। এখানেও জড়ো হয় নিম্নবর্ণের হিন্দুদের ভয়ে ভীত হিন্দু জাতীয়তাবাদী, ধনী ও জমিদার নেতারা। ব্রিটিশ পৃষ্ঠপোষকতায় হিন্দু ও মুসলিম জাতীয়তাবাদের সেটাই শুরু। পরের ইতিহাস সবার জানা।
জিন্নাহ দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে স্বতন্ত্র মুসলিম জাতি গঠন করতে চেয়েছিলেন। আর সাভারকারের উত্তরসূরি আদভানিরা চান হিন্দু জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে গঠন করতে। আদর্শিক দিক থেকে তাঁরা একই রাজনৈতিক তরঙ্গের লোক, ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষক। এ জন্যই দেশভাগের দায় থেকে জিন্নাহকে রেহাই দেওয়ার মাধ্যমে তাঁরা আসলে কংগ্রেস ও নেহরুকে কোণঠাসা করতে চান। এটা তাঁদের আজকের রাজনীতিতে সুবিধা দেবে। তবে প্যাটেলকে দোষারোপ করা বিজেপির বিরাট একটি অংশের মনঃপূত নয়। সে কারণেই তারা জিন্নাহর প্রশস্তি মানছে না। এখানেই রাজনাথ সিংয়ের সভাপতিত্বে বিজেপির যাবতীয় দোলাচল। নির্বাচনী জরুরতের কারণে আদভানি হয়তো তাঁর চামড়া বাঁচাতে পারবেন, কিন্তু অসুস্থ বাজপেয়ীকে নিয়ে বিজেপি তার নেতৃত্বের শূন্যতা পূরণ করবে কাকে দিয়ে?
ইতিহাসের রয়েছে শিক্ষা দেওয়ার এক অদ্ভুত প্রবণতা। আজকে নানা রকমের মত উঠছে। ধর্মের পরিচয়ের ভিত্তিতে অতীতের রাজাদের গুণগান বা নিন্দাও করা হচ্ছে। কিন্তু বাদ পড়ে রইছে কৃষক ও শ্রমিকেরা। বর্তমানের ইতিহাস নিয়েও একই সমস্যা বিরাজ করছে। সাম্প্রদায়িক ধারাগুলো, জন্মভিত্তিক বর্ণবাদী চিন্তার উত্সগুলো আড়ালে পড়ে যাচ্ছে। বীর ও খলনায়কের নির্মাণের বিষয়েও দেখা যায় একদলের বীর অন্যদলের খলনায়ক। তাই আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই যে বলিউডের ছবিগুলো এ কাজে বাজার পাবে। এবং বলিউড যেমন সমাজের ভেতরকার গভীর বিভক্তি ও তার কার্যকারণ নিয়ে চিন্তিত নয়, তেমনি কোনো কোনো বিশ্লেষক সস্তা আলোচনাকেই প্রশ্রয় দেন। তাঁদের কাছে সমস্যাটা কেবল কে দায়ী আর কে নয় তা ঠিক করা, কী কারণে বিভক্তি এল এটা তাঁদের চিন্তাতরঙ্গে থই পায় না।
তেহেলকা থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে সংক্ষেপিত অনুবাদ ফারুক ওয়াসিফ।
রাম পুন্যায়নি: ভারতীয় বিজ্ঞানী ও বিজেপি-বিশারদ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বায়তুল মোকাররমের পবিত্রতাঃ হিযবুত তাহ্রীরের গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিচার করুন
শুক্রবার জুমার নামাজের সময় উগ্রপন্থী হিসেবে পরিচিত সংগঠন হিযবুত তাহ্রীরের কয়েক শ নেতা-কর্মী জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ব্যাপক হাঙ্গামা করেছে। তারা জায়নামাজের ভাঁজে ও কাগজে মুড়িয়ে লাঠি নিয়ে মসজিদে ঢুকে সাধারণ মুসল্লিদের ফাঁকে ফাঁকে অবস্থান নেয়। ফরজ নামাজের পর মোনাজাত শেষ হওয়ার আগেই তারা সদলবলে বেরিয়ে গিয়ে বায়তুল মোকাররমের সামনের সড়ক অবরোধ করে মিছিল বের করতে উদ্যত হলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। তখন তারা লাঠিসোটা নিয়ে পুলিশ বাহিনীর ওপর হামলা চালায়; প্রায় আধঘণ্টা ধরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত থাকে। এতে পুলিশের চার উপপরিদর্শকসহ সাত সদস্য আহন হন।
জায়নামাজের ভাঁজে লাঠি লুকিয়ে নিয়ে যারা মসজিদে ঢোকে, তাদের উদ্দেশ্য আর যা-ই হোক, আন্তরিক ইবাদত নয়। তারা মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট করেই ক্ষান্ত হয় না, সাধারণ মুসল্লিদের ইবাদতেও ভীষণ বিঘ্ন ঘটায়। গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর হিযবুত তাহ্রীরের নেতা-কর্মীরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হলে মুসল্লিদের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি হয়, নিরাপত্তার খোঁজে তাঁদের মধ্যে এলোপাতাড়ি ছোটাছুটি শুরু হয়ে যায়। কোথায় রইল নামাজ শেষের মোনাজাত, তারপর কোথায় সুন্নত রাকাতগুলো আদায়; অক্ষত দেহে ঘরে ফেরার চেষ্টাই বড় হয়ে উঠল।
কীভাবে ব্যাখ্যা করা যায় এই ঘটনাকে? কোনো সভ্য দেশে কি এ রকম ঘটা সম্ভব? গত শুক্রবারের ঘটনাটি ব্যতিক্রমী কিছু নয়। এ রকম ঘটে আসছে অনেক বছর ধরেই। ধর্মভিত্তিক কিছু রাজনৈতিক দল ও নামে-বেনামে তাদের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমকে পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করে আসছে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে। বিক্ষোভ, মিছিল, সমাবেশ প্রভৃতি রাজনৈতিক কর্মসূচির সূচনাস্থল হিসেবে তারা বেছে নেয় জাতীয় মসজিদের গেট, তার আশপাশের রাস্তা ও চত্বর। অতীতে এমনও দেখা গেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের এক পর্যায়ে তারা মসজিদে আশ্রয় নিয়েছে, মসজিদের ভেতরে লাঠিসোটা, ইটপাটকেল প্রভৃতি মজুদ করে রেখেছে এবং সংঘর্ষের সময় সেগুলো ব্যবহার করেছে। এগুলো অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
মুসল্লি সেজে জায়নামাজের ভাঁজে বা অন্য কোনোভাবে কেউ লাঠি বা অস্ত্র লুকিয়ে নিয়ে মসজিদে ঢুকছে কি না, তা জনে-জনে তল্লাশি করা সম্ভব হবে না। তবে সরকার এমন একটি ঘোষণা দিতে পারে যে এ ধরনের তত্পরতায় যারা লিপ্ত হবে, তাদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শুক্রবারের ঘটনায় হিযবুত তাহ্রীরের ৩০ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জনশৃঙ্খলা, জনগণের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্থানের পবিত্রতা বিনষ্ট করার অপরাধে ফৌজদারি দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী তাদের বিচার নিশ্চিত করা উচিত।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানবাধিকার কমিশনকেই তদন্ত করতে দিন -বরিশালে ছাত্রলীগের নেতা নিখোঁজ
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বেশ ঢাকাঢোল পিটিয়ে ‘স্বাধীন’ মানবাধিকার কমিশন গঠনের আইন সংসদে পাস করা হলেও নীতিনির্ধারকদের অগ্রাধিকারের তালিকায় এই কমিশনের কোনো ঠাঁই আছে বলে মনে হয় না। সরকার এ-সংক্রান্ত আইন তৈরি প্রশ্নে আইন কমিশনের শরণাপন্ন হয়েছিল। কিন্তু তা মানবাধিকার কমিশনকে আরও উন্নত করতে, নাকি প্রচারণা-সুবিধা পেতে, তা এখন এক মস্ত প্রশ্ন বটে। মানবাধিকার কমিশন এখন পর্যন্ত গঠন করাই হয়নি। গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সৌজন্যে বর্তমানে আমরা একটি কমিশন নামের অবয়ব ও নামকাওয়াস্তে তার তত্পরতা দেখতে পাচ্ছি।
সত্যি বলতে কি, মানবাধিকার কমিশনের খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে পথচলার বৃত্তান্ত আমাদের জোট সরকারের আমলের বহুল আলোচিত দুদক-কাহিনী স্মরণ করিয়ে দেয়। আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি চৌধুরী অবশ্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সেরে যথাসময়ে তা সরকারের কাছে দাখিল করেছেন। কিন্তু তা তাঁরা করলে কী হবে, লাটাই তো সরকারের হাতে। গত ২২ ডিসেম্বর মানবাধিকার কমিশনের অর্গানোগ্রাম বা সাংগঠনিক বিন্যাস সরকারের কাছে পেশ করা হয়। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর বিধিমালার খসড়া তৈরি করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। প্রথমটির ক্ষেত্রে বহু আগেই কমিশনের সঙ্গে আলোচনা শেষ হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত তা চূড়ান্ত হতে পারল না।
আইনে কিন্তু বলা আছে, বরিশালের ছাত্রলীগের নেতার অপহরণ বা তথাকথিত ক্রসফায়ারের মতো ঘটনার তদন্ত কমিশন তার নিজস্ব কর্মকর্তাদের দিয়ে করাবে। এখন তার যেহেতু লোকবল নেই, তাই পত্রবাণ নিক্ষেপ করা ছাড়া তার সামনে তেমন বিকল্প নেই। বিধি প্রণয়ন প্রশ্নে সরকার মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে। দুদকের বিধি নিয়ে কালক্ষেপণ জাতির জন্য এক দুর্ভাগ্যজনক বিধিলিপি লিখেছিল। জোট সরকারের আমলে দুদক ছিল। কিন্তু তাদের কাজ করতে দেওয়া হয়নি। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ললাট-লিখন কোনোক্রমেই যেন তদ্রূপ না হয়। প্রস্তাবিত বিধি জনমত যাচাইয়ের দাবি রাখে।
সাম্প্রতিককালে তদন্তযোগ্য প্রচুর অভিযোগ জমা পড়ছে কমিশনে। ক্রসফায়ারের ঘটনা হঠাত্ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। অপ্রিয় হলেও সত্য, ক্রসফায়ার ও নিরাপত্তা হেফাজতে নির্যাতন এবং হত্যার মতো সংবেদনশীল মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের নিরিখেই আমরা স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন চেয়েছিলাম। প্রতিকারের ফোরাম হিসেবে জনগণ সেখানে নির্ভরতা খুঁজছে। তাই সরকারের উচিত হবে পূর্ণাঙ্গ কমিশন গঠন, লোকবল ও বিধিসংক্রান্ত কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা। কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার উপযোগী করে গড়ে তোলা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
September
(494)
-
▼
Sep 08
(35)
- উরুমচির কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান বরখাস্ত
- হংকংয়ের পুকুরে পাওয়া গেল দৈত্যাকৃতির মাছ
- সোয়াত ও মালাকন্দ প্রায় জঙ্গিমুক্ত: জারদারি
- কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলনের ঈদঋণ
- সিঙ্গার থেকে ফ্রিজার কিনে নগদ লাখ টাকা জিতলেন ধামর...
- আমদানি ও রপ্তানিনীতির অনুমোদন পিছিয়ে গেল
- অর্থবছরের প্রথম মাসে রপ্তানি আয় প্রায় ৭ শতাংশ কমেছে
- জলবায়ু পরিবর্তন তহবিল গঠন নিয়ে আলোচনায় অচলাবস্থা b...
- ফিলিস্তিনিরা একরাষ্ট্রীয় সমাধানের কথাই ভাবছে: জিমি...
- ওবামার উপদেষ্টা জোনসের পদত্যাগ
- জ্যাকসনের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া নিয়ে সম্প্রচারে বাড়াবা...
- ইউনিসেফ মুখপাত্রকে শ্রীলঙ্কা ছাড়তে সরকারের নির্দেশ
- আট শতাধিক আরোহীউদ্ধার, পাঁচজনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৬৩ ...
- দুয়ো শুনতে হলো ম্যারাডোনাকে
- ব্রাজিল ৩: ১ আর্জেন্টিনা -আর্জেন্টিনায় ব্রাজিলের উ...
- পিপিপি বাস্তবায়নে ১৭৭৩ কোটি টাকা সহায়তা দেবে বিশ্ব...
- পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি ছাড়াই ডিএসইতে আজ চালু হচ্ছে ওট...
- দিনাজপুরের ৩৫৮ জন পোস্টমাস্টারকে সিম দিয়েছে গ্রামী...
- কালো টাকা উদ্ধারে সুইজারল্যান্ড-ভারত বৈঠক ডিসেম্বরে
- আগের সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়নি -পাটবিষয়ক উপদেষ্টা কম...
- প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার স্বস্তির জয়
- ফুটবলে আসছে ‘ঢাকা সিটি লিগ’
- ডিয়েগো একের ভেতর তিন
- ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সেই সব ম্যাচ
- আবাহনীর তামিম যেভাবে মোহামেডানে
- গ্যাস রপ্তানির ধারাটি সোজা ভাষায় বলবেন কি? by বদরূ...
- অসুস্থ ও ভ্রমণরত ব্যক্তির রোজার বিধান by মুহাম্মদ ...
- প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ -ভারত ও বাংলাদেশের শাশ্বত...
- আখতারুন নাহার -স্মরণ by প্রবীণ হিতৈষী ডা. মো. ইব্র...
- রাষ্ট্র যখন নির্মম হয়ে ওঠে by সৈয়দ বদরুল আহ্সান
- লোভ-লালসা হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করুন -সিয়াম সাধনার ...
- অধ্যাপক নোমান: একটি বাসন্তী সন্ধ্যায় নায়ক -এ কিউ এ...
- যশোবন্ত সিংয়ের জিন্নাহ দর্শন রাম পুন্যায়নি -ভারতীয়...
- বায়তুল মোকাররমের পবিত্রতাঃ হিযবুত তাহ্রীরের গ্রেপ্...
- মানবাধিকার কমিশনকেই তদন্ত করতে দিন -বরিশালে ছাত্রল...
-
▼
Sep 08
(35)
-
▼
September
(494)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

