Sunday, November 12, 2017

দেশে ৮০ লাখ মানুষ ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত

বর্তমানে দেশে ৮০ লাখেরও বেশি মানুষ ক্রোনিক অবসট্রাকটিভ পালমোনারি (সিওপিডি) রোগে আক্রান্ত। এটি ফুসফুসের একটি দীর্ঘমেয়াদি ও মারাত্মক রোগ। ধূমপান পরিহারের মাধ্যমে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও স্ট্রোকসহ বিভিন্ন মারাত্মক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ এ রোগটির প্রতিরোধ সম্ভব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, পৃথিবীতে আনুমানিক ৩০ কোটি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। বাংলাদেশে আনুমানিক ৮০ লাখ মানুষ এ রোগে আক্রান্ত। এ রোগটি বিশ্বব্যাপী মানুষের মৃত্যুর চতুর্থ প্রধান কারণ।
বিশ্ব সিওপিডি দিবস উপলক্ষে গতকাল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের ক্লাসরুমে আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন। ক্রোনিক অবসট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজেস-সিওপিডি রোগটির বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে ও প্রতিরোধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্ষব্যাধি বিভাগের পক্ষ থেকে আয়োজিত শোভাযাত্রা ও সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসএমএমইউ’র ভিসি অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান। সেমিনারে বক্তারা বলেন, ধূমপান এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রধান কারণ। এছাড়া জীবাশ্ম-জ্বালানি থেকে উৎপন্ন ধোঁয়া যেমন কয়লা, কাঠ, শুকনো পাতা ইত্যাদি, ধুলাবালি, বায়ুদূষণ, কল-কারখানায় ও যানবাহনের উৎপন্ন ধোঁয়া ও রাসায়নিক পদার্থ, দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্ট, কাশি ও কফ ইত্যাদি এ রোগের প্রধান লক্ষণ। তবে এ রোগের প্রকাশ বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে। চিকিৎসকের মাধ্যমে সঠিক প্রকৃতি নির্ণয় ও চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ণয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ইনহেলার ও অন্যান্য ওষুধ সেবনের মাধ্যমে এ রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। যেহেতু এ রোগ সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হয় না তাই প্রতিরোধই সর্বোত্তম পন্থা। এ রোগটি প্রতিরোধের জন্য ধূমপান পরিহার করা, ধুলাবালি ও ধোঁয়া যথাসম্ভব এড়িয়ে চলা ও নিয়মিত ব্যায়াম করা প্রয়োজন। বক্ষব্যাধি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এএসএম জাকারিয়া স্বপন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী আসগর মোড়ল। প্যানেল এক্সপার্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ, অধ্যাপক ডা. মো. আবদুর রহিম, অধ্যাপক এমএ জলিল চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. মো. আবু রায়হান, ডা. আহমেদ ইমরান কবির। মডারেটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. শারমিন আকতার। এছাড়াও মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আবদুর রহিম, পরিচালক (পরিদর্শন) অধ্যাপক ডা. একেএম সালেক, সহযোগী অধ্যাপক ডা. সুনীল কুমার বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারের আগে সকাল ৯টায় বিএমএমএমইউ’র ‘এ’ ও ‘বি’ ব্লকের মধ্যবর্তীস্থলে বটতলায় একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। এটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অংশ প্রদক্ষিণ করে ‘ডি’ ব্লকে গিয়ে শেষ হয়।

‘পৃথিবীর বড়ো বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বেসরকারি’

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কমঃ প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেন, সভ্যতা ও সমাজকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান মাধ্যম। আমেরিকা, ইউরোপ তথা পৃথিবীতে  বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল বেসরকারিভাবে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো বড়ো বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বেসরকারি। আমেরিকায় ৩০০ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ও অনুরূপ। বস্তুত সভ্যতা ও সমাজের যে-অগ্রগতি আজ অব্দি সাধিত হয়েছে, তাতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অপরিসীম।
রোববার (১২ নভেম্বর) নগরীর ইঞ্জিনিয়ারর্স ইনস্টিটিউটে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিভাগের আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. তৌফিক সাঈদের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক ও আইটি বিশেষজ্ঞ মুনির হাসান এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আকরামুল কবির খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. অনুপম সেন তাঁর বক্তব্যে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৫ বছর পূর্তিকে গর্বের ব্যাপার উল্লেখ করে বলেন, এই বিভাগ সারা বিশ্বে তার অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে।এই বিভাগ থেকে বেরিয়ে যাওয়া অনেক শিক্ষার্থী কোরিয়া, জাপান, সুইডেন, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, স্পেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ থেকে স্কলারশিপ নিয়ে মাস্টার্স শেষ করেছে। এদের মধ্য থেকে ১ জন ফ্রান্স থেকে, আরেকজন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছে। ১জন ছাত্র ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অ্ব টেকনোলজির (এমআইটি) মতো বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেলো হিসেবে কাজ করছে। ১ জন শিক্ষার্থী বিশ্বের সবচে’ বড়ো প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফ্টে প্রোগ্রামার হিসেবে এবং আরেক জন ছাত্র যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়েস স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছে।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা ও প্রাক্তন মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রতি গভীর অনুরাগ রয়েছে মন্তব্য করে বলেন, তিনি চট্টগ্রামে আইটি ইনস্টিটিউট গড়ার চেষ্টা করেছিলেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাহীদ মো. আসিফ ইকবাল।
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের দ্বারা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর সম্প্রতি মিরসরাই উপজেলার নাপিত্তাছড়া ঝর্ণায় সাঁতার কাটতে গিয়ে নিহত হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ-র ছাত্র শাহাদাত হোসেন মামুনের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুকন উদ্দিন ওসমানি ও প্রভাষক সাদিয়া আফরোজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সহযোগী অধ্যাপক আকরামুল কবির খান। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী স্মৃতিচারণ করেন। অ্যালামনাইদের পক্ষ থেকে স্মৃতিচারণ করেন কামরুল হাসান।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ ও সনদ দেওয়া হয়।
এর আগে সকাল সাড়ে নয়টায় শোভাযাত্রা বের করার পর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. অনুপম সেন। অনুষ্ঠানে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

দেড় কিলোমিটার সড়কে পাল্টে যাবে বাকলিয়াবাসীর জীবনযাত্রার মান

সিরাজউদ্দৌলা রোড থেকে শাহ আমানত ব্রিজ সংযোগ সড়ক পর্যন্ত বাকলিয়া এক্সেস রোড নির্মাণের ফলে বাকলিয়াবাসীসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামগামী মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোটাই পাল্টে যাবে। যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো সহজতর হওয়ার কারণে এ অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পাবে।
আজ শনিবার (১১ নভেম্বর) বাকলিয়া থানার পাশে বাকলিয়া এক্সেস রোডের কাজের উদ্ভোধনী সভায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম এমন মন্তব্য করেন। নগরীর যানজট নিরসন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজীকরণে সিরাজউদ্দৌলা রোড থেকে শাহ আমানত ব্রিজ পর্যন্ত ২২১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬০ ফুট প্রশস্ত দেড় কিলোমিটারের সংযোগ সড়কটি নির্মান করা হচ্ছে।
নির্মান কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, বাকলিয়াবাসীকে নিয়ে রাজনীতি হয়েছে। অনেকে ওয়াদা করেছে। ভোট শেষ হওয়ার পরে বাকলিয়াবাসীর পাশে ছিলেন না। পদে পদে প্রতারিত হয়েছে বাকলিয়াবাসী। অবহেলিত বাকলিয়াতে আমি পা দেওয়ার দিন থেকেই মানুষের মনের কথা বুঝার চেষ্টা করেছি। কথার ফুলঝুড়ি না শুনিয়ে বাস্তব কাজে হাত দিয়েছি। বাকলিয়াকে নিয়ে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনেও সর্ববহৎ একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। শিঘ্রই এ অঞ্চলের মানুষ জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে। কর্ণফুলী তীর ঘেষে করা হবে একটি দৃষ্টিনন্দন সড়ক। সবকিছু মিলে বাকলিয়া হবে একটি আধুনিক উপশহর। পিছিয়ে থাকা বাকলিয়াতে আধুনিক সুবিধার সমন্বয় ঘটাতে সব সময় তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছি।
কথা নয়, কাজে বিশ্বাসী জানিয়ে সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, নগর রক্ষা বাঁধ, চার লেনের শাহ আমানত সেতু সংযোগ সড়ক, বাকলিয়া এক্সেস রোড, প্রশস্ত সিরাজদৌলা রোড, প্রশস্ত বাদুরতলা-কাপাসগোলা-চকবাজার সড়ক আজ স্বপ্ন নয়, এগুলো বাস্তব করে তুলেছি। ফ্লাইওভার, এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে, বেধিবাঁধ নির্মাণ, খালের মুখে সøুইস গেট নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের অবহেলা ও অন্ধকার থেকে আলোর মুখ দেখবেন এখানকার অধিবাসীরা। পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও বড় আশীর্বাদ হয়ে ওঠবে সড়কটি।
এক্সেস রোডের কারণে বাকলিয়াবাসী মাত্র ৫ মিনিটে মূল শহরে আসতে পারবে জানিয়ে আবদুচ ছালাম বলেন, বাকলিয়া থেকে মূল শহরে যাওয়ার জন্য আগে ৭/৮ কিলোমিটার ঘুরতে হতো। এখন মাত্র দেড় কিলোমিটার পথেই যাওয়া যাবে। এতে মাত্র ৫ মিনিট সময়ে মূল শহরে প্রবেশ করতে পারবে এখানকার মানুষ। বাকলিয়াবাসী আগে কখনো সেটা হয়তো কল্পনাও করতে পারেনি। মাত্র দেড় কিলোমিটার সড়কের জন্য ২২১ কোটি টাকা অনুমোদন দিবে সেটাও কল্পনার বাইরে ছিলো।
এতোদিন অনেকে প্রতিশ্রুতি পেলেও বাকলিয়াবাসী কাজ দেখেনি জানিয়ে তিনি বলেন, আমার উন্নয়ন কর্মকান্ডে বাকলিয়াকে অধিকতর গুরুত্ব দেয়ার মধ্যে এটি একটি কারণ হলেও চট্টগ্রাম তথা জাতীয় উন্নয়নের স্বার্থ বিবেচনায় বাকলিয়াকে অন্ধকারে রাখার সুযোগ নেই। বাকলিয়াবাসীকে পুরো রাষ্ট্রের মধ্যে পরিচিত করতে আরো কিছু পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। আইটি পার্ক করা হবে এখানে, নেভি বিশ্ববিদ্যালয় হবে, কল্পলোকে বিশ্বমানের মসজিদ নির্মাণ করা হবে। এরপর থাকে কর্মসংস্থানের বিষয়টি। যে রোডটি হচ্ছে সে রোডের পাশে শিল্প-বাণিজ্য হবে। বাকলিয়ার মানুষ কর্মহীন থাকবে না।
উন্নয়ন কাজের চিন্তায় ঘুমাতে পারেন না জানিয়ে আবদুচ ছালাম বলেন, ২০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজে হাত দিয়েছি। উন্নয়নের চিন্তায় ঘুম আসে না। চট্টগ্রামের মানুষ বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করায়। চট্টগ্রামের মানুষ ঢাকায় বা বিদেশে গিয়ে যাতে চিকিৎসা নিতে না হয় সেজন্য অ্যাপলো হাসপাতালের কাজ শুরু করেছি। যে কোন ধরনের আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা সেবা এখানে পাওয়া যাবে। অনেকে বলেন, চট্টগ্রাম অভিভাবকহীন, চট্টগ্রাম বসবাসের অনুপযোগী। খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের অভিভাবক।
বাকলিয়া এক্সেস রোডের উদ্বোধনী সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সিডিএ বোর্ড সদস্য জসিম উদ্দিন শাহ, কেবিএম শাহজাহান, আওয়ামী লীগ নেতা হাজী শফিকুল ইসলাম, কাউন্সিলর একেএম জাফরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ ছগির, আবদুল করিম সওদাগর, ইয়াকুব সওদাগর, আবদুল মান্নান, সহকারী প্রকল্প পরিচালক কাদের নেওয়াজ।
সিডিএ’র প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামসের সভাপতিত্বে ও সহকারী অথররাইজড অফিসার মোহাম্মদ ওসমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ শাহিনুল ইসলাম খান, সিডিএ উপ-সচিব অমল গুহ, হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা মো. নাজের, আওয়ামীলীগ নেতা এস.এম আনোয়ার মির্জা, মো. ফারুক, জসিম উদ্দিন, নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, সফিউল আজম হিরু, জাহেদ মুরাদ, কুতুব উদ্দিন, প্রমুখ।