Thursday, March 24, 2016

‘সেক্স ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি’

‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানা৷ শুধু এতেই থেমে থাকেননি আয়ুষ্মান৷ ভূমির বেড পার্টনার কেমন হবে সেটাও বুঝিয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু আয়ুষ্মান৷
সম্প্রতি, অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়ার সেলেব্রিটি চ্যাট শো ‘বিএফএফস উইথ ভোগ’-এ অতিথি হয়ে এসেছিলেন ভূমি ও আয়ুষ্মান৷ বেশ খোলাখুলিই আলোচনা করছিলেন দু’জনে। এরপর নেহা তাঁদের কিছু পার্সোনাল প্রশ্ন করেন৷
এক বিশেষ রাউন্ডে এসে নেহা প্রশ্ন করেন, সবথেকে বেশি কতক্ষণ সেক্স না করে থেকেছেন তাঁরা? আয়ুষ্মান প্রথমে মুচকি হেসে উত্তর দেন, “আউটডোরসে থাকার সময়”৷ তারপরই একই প্রশ্ন করা হয় ভূমিকে৷ তৎক্ষণাৎ উত্তর দিয়ে আয়ুষ্মান বলে উঠলেন, ‘এক ঘণ্টা৷’ অট্টহাসিতে ভরে গেল স্টুডিও৷ ভূমি বেচারি লজ্জায় হেসে চুপ করতে বললেন আয়ুষ্মানকে৷
না, বিস্ফোরক কোনও মন্তব্য নয়। সামান্য খুনসুটি চলছিল তাঁদের মধ্যে ৷ কিন্তু ভূমি নিজেই বললেন তিনি বেশ রোমান্টিক ৷ বেড-এ তিনি পছন্দ করেন স্লো অ্যান্ড স্টেডিলি এগোতে ৷ এমনকি ডেটিং টিপ চাইলে আবারও আয়ুষ্মান, ভূমির পেছনে লেগে বলেন, “শি ইজ আ প্রো” ৷ অর্থাৎ ভূমি নাকি এসব ব্যাপারে একেবারে প্রফেশনাল, এক্সপার্ট অ্যাডভাইজ নেওয়া যেতে পারে তাঁর থেকে ৷ এত ঠাট্টার মধ্যে বোঝা গেল দুজন বেশ ভালো বন্ড শোয়ার করেন একে অপরের সঙ্গে৷

মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার ছবি

নিশ্চিত, মমতাকে হারাতে পারব

চন্দ্রকুমার বসু
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী চন্দ্রকুমার বসু। তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নাতি। এবারের নির্বাচনে বিজেপির হয়ে দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর আসনে লড়ছেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গে এত দিন দেখা গেছে, মমতার সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দল তেমন শক্তিশালী প্রার্থী দাঁড় করায় না। তাদের ধারণা, মমতার সঙ্গে জেতা কঠিন। কিন্তু এবারের নির্বাচনের চিত্রটাই পাল্টে গেছে। ভবানীপুরে এবার চন্দ্রকুমারই শুধু নন, আছেন বাম-কংগ্রেস জোটের শক্তিশালী প্রার্থী দীপা দাশমুন্সি। এর আগে নেতাজির পরিজনেরা বামফ্রন্ট এবং তৃণমূলের প্রার্থী হলেও এবার বিজেপির পক্ষ থেকে এই প্রথম প্রার্থী হলেন চন্দ্রকুমার বসু। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন, এবার নির্বাচনে জিততে সত্যিই বেগ পেতে হবে মমতাকে।
নির্বাচনের জোর লড়াই যে হবে, গত মঙ্গলবার প্রথম আলোর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে চন্দ্রকুমার বসু সে কথাই বললেন। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তি মমতার সঙ্গে আমার লড়াই নয়। আমার লড়াই নীতির সঙ্গে। এই লড়াইয়ে আমি জিতব।’ চন্দ্রকুমার বসু বলেন, ‘মানুষ এখন বুঝতে পেরেছে মমতা যে পরিবর্তনের কথা বলছেন, তা আমাদের রাজ্যের জন্য সুফল বয়ে আনেনি। রাজ্য যে তিমিরে ছিল, সেই তিমিরেই আছে। সরকার পরিচালনায় পরিবর্তন আসেনি। বামফ্রন্ট আর তৃণমূল একই ধারায় চলেছে। আমি নিশ্চিত, এবার আমি মমতাকে পরাস্ত করতে পারব।’ চন্দ্রকুমার এ কথাও বলেন, ‘কংগ্রেস এবং বামফ্রন্ট নেতাজির আদর্শ মুছে ফেলেছে। তৃণমূলও যথাযোগ্য মর্যাদা দেয়নি নেতাজিকে। তবে মানুষের মন থেকে নেতাজিকে মুছতে পারেনি কোনো দলই। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার নেতাজির আদর্শ বাস্তবায়নে সচেষ্ট। তাই সেই আদর্শকে বাস্তবায়ন করার জন্য নেমেছি।’

অবশেষে তিনি জানলেন পিএইচডি ডিগ্রিটি ভুয়া!

চো ওয়ে
মিয়ানমারে অং সান সু চির দল এনএলডির নতুন সরকারের অর্থমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার আগেই হোঁচট খেলেন। জানতে পারলেন, তিনি যে পিএইচডি ডিগ্রিটি অর্জন করেছেন, তা ভুয়া। যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি সনদটি নিয়েছেন, আদতে সেই নামে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই নেই। মিয়ানমারের এই ভাবী অর্থমন্ত্রী হলেন এনএলডির নেতা চো ওয়ে। আগামী এপ্রিলে মিয়ানমারে গঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভা। এর ১৮ জনের তালিকা মঙ্গলবার পার্লামেন্টে প্রেসিডেন্ট থিন কিউয়ের কাছে পেশ করা হয়। তাতে সু চির দল এনএলডির ছয় সদস্যের নাম আছে। তাঁদেরই একজন ৬৮ বছর বয়সী চো ওয়ে। মন্ত্রিসভার ওই তালিকা প্রকাশের পরপরই স্থানীয় গণমাধ্যম চো ওয়েসহ পদ পেতে চলা মন্ত্রিসভা সদস্যদের দপ্তর সম্পর্কে গোপন খবর প্রকাশ করতে থাকে। সেখানে বলা হয়, পেশাজীবী আমলা ও এনএলডির অর্থনৈতিক কমিটির উপদেষ্টা চো ওয়ে প্রভাবশালী অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর পদ পেতে চলেছেন।
মন্ত্রিসভার তালিকা ঘোষণার পরপরই এনএলডির ইস্যু করা চো ওয়ের একটি আনুষ্ঠানিক জীবনবৃত্তান্তে উল্লেখ রয়েছে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিন পার্ক ইউনিভার্সিটির পিএইচডি ডিগ্রিধারী। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা তাৎক্ষণিকভাবে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন, পাকিস্তানের একটি গ্রুপের তৈরি করা কয়েকটি ভুয়া অনলাইন অর্গানাইজেশনের একটি হলো এই ব্রুকলিন পার্ক ইউনিভার্সিটি। পাকিস্তানি ওই গ্রুপটি ডিগ্রি দেওয়ার নাম করে বিশ্বজুড়ে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করত। গত বছরই ওই প্রতারক গ্রুপটির খবর প্রকাশিত হয়। এরপরই নিজের অর্থমন্ত্রী হওয়ার কথা নিশ্চিত করে চো ওয়ে বলেন, ‘আমি খোলাখুলি স্বীকার করছি যে আমি বৃদ্ধ বয়সে একটি ভুয়া অনলাইন ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেছি।’ কিন্তু তিনি বলেন, তরুণ বয়সে জ্ঞানপিপাসা থাকলেও সুযোগ ও অর্থের অভাবে বিদেশে পড়া হয়নি তাঁর। এ কারণে তিনি অনলাইনে ডিগ্রিটি নিয়েছিলেন।