Sunday, October 6, 2019
ক্ষতিকর প্রকল্প বাংলাদেশে সুবিধা ভারতের: -সুলতানা কামাল

কমিটির আহবায়ক সুলতানা কামাল বলেন, রামপালের প্রকল্প নির্মাতা ভারতীয় কোম্পানি এনটিপিসি তাদের নিজ দেশ ভারতে সকল কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থগিত করেছে। তারা তাদের কার্বন তৈরির দায় কমাতে চায়।
তারা গুজরাটে বিশ্বের বৃহত্তম সৌর শক্তি পার্ক স্থাপনের জন্য ২৫ হাজার কোটি রুপি বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা কয়েকটি রাজ্যের কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র অর্ধদিবস বন্ধ রাখার কথাও জানিয়েছে। অথচ ওই একই প্রতিষ্ঠান প্রবল গণআপত্তির মুখেও বাংলাদেশে কয়লা বিদ্যুৎ তৈরিতে পিছপা হচ্ছে না। এটি নিঃসন্দেহে একটি দায়িত্বজ্ঞানহীন ডাবল স্ট্যান্ডার্ড আচরণ।
তিনি বলেন, আমি ভারতবিরোধী কোনো কথা বলছি না। স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় ভারত যদি আমাদের পাশে না দাঁড়াতো তাহলে আমরা মুক্তিযুদ্ধটা যেভাবে শেষ করতে পেরেছি সেভাবে হয়তো শেষ করতে পারতাম না। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সেটা স্মরণ করি, সেজন্য অবশ্যই ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞও। কিন্তু আজকে বাংলাদেশকে একটা বাজারে কিংবা তাদের শিল্প কারখানার জায়গা বানিয়ে নিজেরা সব সুযোগ সুবিধা নিয়ে নেবে, এ বিষয়ে আমাদের এখন চিন্তাভাবনা করতে হবে।
তিনি বলেন, মানবাধিকার কর্মী হিসেবে কষ্ট হলেও বলছি, সবচেয়ে সস্তা শ্রমের দেশ বাংলাদেশ। এখানে বিনিয়োগে সবচেয়ে ভালো পরিবেশ রয়েছে। অর্থাৎ আমরা সব দিয়ে দিতে পারি। যেনতেনভাবে মানুষকে তাদের জায়গা-জমি থেকে উৎখাত করে রামপালের মতো পরিবেশ বিধ্বংসী প্রকল্প বিভিন্ন জায়গায় করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ইউনেস্কোর ৪৩তম সভা আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের দুরাবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এর আগে ৪১তম সভায় (২০১৭) বেশ কিছু নেতিবাচক কিন্তু সঠিক পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছিল ইউনেস্কো। বাংলাদেশের দায়িত্ব ছিল সেসব বিষয়ে করণীয় সকল কাজ সম্পন্ন করে এবারের অর্থাৎ গত জুনের ৪৩তম সভায় প্রতিবেদন জমা দেয়া। কিন্তু বাকুর সভায় বাংলাদেশের কৃত কাজের প্রতিবেদনে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি সন্তুষ্ট হয়েছে বলে মনে করেনি। কারণ ২০১৭ সালের কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্য কমিটি আবার জোর তাগাদা দিয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের পর্যবেক্ষণ দল সরেজমিন সুন্দরবন দেখতে আসবে। আর বাংলাদেশকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে আবার প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। যা ৪৪তম সভায় মূল্যায়িত হবে। কিন্তু সভা বাংলাদেশ সরকারের কাজকর্মে সন্তুষ্ট না হলে ‘সুন্দরবন বিপদাপন্ন ঐতিহ্য’ তালিকায় চলে আসতে পারে। যা হবে জনগণের ও দেশের জন্য অযোগ্যতা, ব্যর্থতা, দুঃখজনক, লজ্জাকর ও অপমানজনক।
তিনি বলেন দেশের মানুষ রামপালসহ সকল ক্ষতিকর প্রকল্প সম্পূর্ণ বাতিল চায়। সরকারের উচিত অবিলম্বে সব বন্ধ করে দেয়া।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে আছে, অবিলম্বে সুন্দরবন বিধ্বংসী রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল করা। বাংলাদেশের সমুদ্র উপকুল জুড়ে পরিকল্পিত সকল কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিল করে বিকল্প জ্বালানীর পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করা। সুন্দরবনের বাফার জোন, কোর জোন ও বনের নিকটবর্তী সকল কল কারখানা, এলপিজি কারখানা বন্ধ করা। লাল ক্যাটাগরির শিল্পকে কলমের খোঁচায় সবুজ করণের অবৈজ্ঞানিক, অসৎ ও বেআইনি কাজ বন্ধ করা।
ইউনেস্কোর সকল দিকনির্দেশনার পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত কর। সমগ্র দক্ষিণ পশ্চিম বাংলাদেশের কৌশলগত পরিবেশ সমীক্ষার কার্যসীমা নির্ধারণ করা এবং সমীক্ষার সকল স্তরে নৈতিক ও বৈজ্ঞানিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক ড. মো. আব্দুল মতিন এবং ওয়াটার কিপারস বাংলাদেশের সমন্বয়কারী ও বাপার যুগ্ম সম্পাদক শরীফ জামিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি নিষেধাজ্ঞায় ইয়েমেনের চিকিৎসা ব্যবস্থায় ধস: কষ্ট পাচ্ছে সাধারণ মানুষ

গত কয়েক মাসে সৌদি আরব ইয়েমেনি যোদ্ধাদের পাল্টা হামলায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। সৌদি দুটি তেল স্থাপনায় ইয়েমেনিদের ড্রোন হামলা এবং এর কিছুদিন পর 'নাসরুম মিনাল্লাহি' অর্থাৎ 'আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য' নামে ইয়েমেনিদের অভিযানে সৌদিরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২০১৫ সালের মার্চ থেকে সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনী ইয়েমেনের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিমান হামলা চালানোর পাশাপাশি এ দেশটির ওপর স্থল, আকাশ ও সমুদ্র পথে সর্বাত্মক অবরোধ আরোপ করে।
সৌদি এই অবরোধ ও আগ্রাসনের ফলে পশ্চিম এশিয়ার দরিদ্র এ দেশটিতে নেমে এসেছে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়েমেনে এ পর্যন্ত এক লাখের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এর মধ্যে বোমা হামলা নিহত হয়েছে ১৬ হাজার মানুষ এবং অবরোধের ফলে সৃষ্ট রোগ ও দুর্ভিক্ষসহ নানা কারণে নিহত হয়েছে ৮৫ হাজার মানুষ।
সৌদি আরবের সর্বাত্মক নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণে ইয়েমেনে খাদ্য, জ্বালানি ওষুধসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস প্রবেশ করতে পারছে না। এভাবে মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করে ইয়েমেনিদেরকে নতি শিকারে বাধ্য করার চেষ্টা চালাচ্ছে সৌদি আরব। সম্প্রতি ইয়েমেনের রাজধানী সানাসহ অন্যান্য বড় শহরে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সফল অভিযানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে জনগণ শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছে।
গত দুই মাসে ইয়েমেনিদের ধারাবাহিক হামলায় সৌদি আরবের রাজনৈতিক মর্যাদা ধুলার সাথে মিশে গেছে এবং তাদের সামরিক শক্তির দাবিও মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। সৌদি আরব কেবল বিমান হামলা চালিয়ে ও অবরোধ আরোপ করে ইয়েমেনে সাধারণ মানুষ হত্যা ও মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে যা কাপুরুষতার লক্ষণ। এ বাইরে ইয়েমেনের ব্যাপারে সৌদি আরবের কোনো সামরিক বা রাজনৈতিক লক্ষই অর্জিত হয়নি। সৌদি আরব অতি জরুরি জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দেয়ায় ইয়েমেনের হাসপাতাল ও চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্য পরিসেবা প্রায় ভেঙে পড়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইউসুফ আল হাজেরি বলেছেন, "বর্তমানে ১২০টির বেশি হাসপাতাল ও তিন হাজারটির বেশি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ শেষ হয়ে এসেছে, রক্ত ও অন্যান্য পরীক্ষা ব্যাহত হচ্ছে এবং ব্লাড ব্যাংকের মারাত্মক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ফলে রোগীদের জীবন নাশের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।"
গত প্রায় চাড়ে চার বছর ধরে এ অবস্থা চলে এলেও গত মাসে ইয়েমেনিদের সফল হামলার পর সৌদি আরব আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ইয়েমেনের তেল কোম্পানি জানিয়েছে, গত ৫০ দিনে জ্বালানিবাহী একটি জাহাজও ইয়েমেনে প্রবেশ করতে পারেনি।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বছরের পর বছর ধরে সৌদি আগ্রাসনের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সমাজ নীরব রয়েছে। এ কারণে সৌদি আরব আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে টোকাই থেকে ‘ভয়ঙ্কর’ অপরাধী রাজু by ওয়েছ খছরু

এ সময় চিৎকার করে ওঠেন ডা. মম। চিৎকার শুনে এগিয়ে আসেন স্থানীয়রা। এর মধ্যে একজন এসে রাজুকে জাপটেও ধরেন। কিন্তু রাজু ছুটে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় ডা. মমকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ছিনতাইয়ের ঘটনায় সিলেটজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। দেখা দেয় ক্ষোভও। এ ছিনতাইয়ের ঘটনায় কঠোর অবস্থান নেয় দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ। ১০-১২টি দলে বিভক্ত হয়ে তারা ছিনতাইকারী রাজুকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। দক্ষিণ সুরমার পাপরাজ্যে রাজুর খোঁজে চিরুনি অভিযান চালায়। রেলওয়ে স্টেশন এলাকার সব অপরাধ স্থানে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু রাজুকে কোথাও পাওয়া যাচ্ছিলো না। হঠাৎ করেই সে হাওয়া হয়ে গেছে। পুলিশের দু’টি টিম উত্তর সুরমায় আসে।
কাস্টঘর, মহাজনপট্টিতে রাজুর খোঁজে অভিযান চালায়। কিন্তু কোথাও তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অবশেষে সিলেটের আরেক ক্রাইম জোন ক্বীন ব্রিজ এলাকায় পুলিশ তল্লাশি চালায়। ঘড়ি ঘরের বারান্দায় চাদর গায়ে দিয়ে শুয়ে আছে সে। পুলিশ এসে তল্লাশিকালে তাকে ওখান থেকে গ্রেপ্তার করে। দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ জানায়- ছিনতাইয়ের সময় রাজু নিজেও তার হাতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। হাতের কিছু অংশ কেটে যায়। তার শার্ট ও প্যান্টে ডা. মমের রক্ত লেগেছিল। সে দৌড়ে দক্ষিণ সুরমা থেকে ক্বীন ব্রিজ হয়ে নদী পাড়ি দিয়ে উত্তর সুরমায় চলে আসে। এসে সে তার রক্তমাখা শার্ট ও প্যান্ট বদলে ফেলে। হাতে ব্যান্ডেজ দিয়ে ঘড়ি ঘরের নিচে শুয়ে পড়ে। আর ওখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে পুলিশের কাছে ঘটনা স্বীকার করেছে। এবং একাই এ ছিনতাইয়ের কাজে অংশ নেয় বলে জানায়। দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি খায়রুল ফজল গতকাল বিকালে মানবজমিনকে জানিয়েছেন- ছিনতাইকারী রাজুর বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করা হয়েছে। তাকে ওই মামলায় আদালতে সোর্পদ করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি। তার কাছ থেকে পুলিশ রক্তমাখা ছুরিও উদ্ধার করেছে। তিনি জানান- ডা. মমের ব্যাগ ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতে চেয়েছিল ছিনতাইকারী রাজু। এতে তিনি বাধা দিলে ছিতাইকারী তার মুখে ও হাতে ছুরি দিয়ে আঘাত করে।
এ সময় মমের চিৎকারে পথচারীরা এগিয়ে এসে ছিনতাইকারীকে ঘিরে ধরে। তবে কৌশলে সে পালিয়ে যায়। সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন- মুখে ছুরিকাঘাতের ফলে মমের মুখসহ জিহ্বার অনেকাংশ কেটে গেছে। সেখান থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো। এছাড়া হাতে তিনি আঘাত পেয়েছেন। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন- সিলেট রেলওয়ে স্টেশন এলাকা ফের অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। আবারো চিহ্নিত ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক বিক্রেতাদের দাপট বেড়েছে। শুক্রবার রাতে ছিনতাইয়ের ঘটনার পর পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করায় সব অপরাধীরা পালিয়ে যায়। তবে- গতকাল আবার তারা ফিরে এসেছে। রেলওয়ে স্টেশনের সামনের এলাকা ছিনতাইকারীদের হেডকোয়ার্টার। পুলিশ জানায়- ছিনতাইকারী রাজু রেলওয়ে স্টেশন এলাকার চিহ্নিত অপরাধী। কয়েক বছর আগে রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় এক মাছ বিক্রেতাকে খুন করেছিল। ওই খুনের মামলার প্রধান আসামি সে। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর প্রায় ৩ বছর কারাগারে ছিল।
সম্প্রতি সে কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পায়। জামিনে বেরিয়ে এসে আবার অবস্থান নিয়েছে রেলওয়ে স্টেশনে। রাজুর কোনো নির্দিষ্ট ঠিকানা নেই বলে জানান ওসি খায়রুল ফজল। তিনি জানান- সিলেট রেলওয়ে স্টেশন এলাকাই তার স্থায়ী ঠিকানা। আগে ছিল রেলওয়ে স্টেশনের টোকাই। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে ছিনতাই, খুন সহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। তিনি বলেন- রাজুর বেরিয়ে আসার খবর তাদের কাছে ছিল না। কিন্তু ডা. মমের ঘটনায় রাজুর নাম জানান ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী। তিনি জানান- রেলওয়ে স্টেশনের টোকাই থেকে সে ভয়ঙ্কর অপরাধী হয়ে উঠেছে। তার নিয়ন্ত্রিত একটি চক্র রয়েছে বলে ইতিমধ্যে খবর এসেছে। পুলিশ এখন রাজু সংশ্লিষ্ট সকল অপরাধীকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জামিন আর প্যারোলের টানাহেঁচড়ায় ঝুলে গেছে খালেদা জিয়ার মুক্তির চেষ্টা by কাদির কল্লোল
এখন বিএনপি কেন এই উদ্যোগ নিয়েছে?
খালেদা জিয়ার কোথায় চিকিৎসা করাবেন - কোন শর্ত হয়েছে?
সরকার সাড়া না দিলে
![]() |
| বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়া প্রায় ছয় মাস ধরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাট গ্রেপ্তার

র্যাব বলছে, চলমান ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট চলমান ক্যাসিনো-জুয়াবিরোধী অভিযানের শুরু থেকে তাদের নজরদারির মধ্যেই ছিলেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও চালিয়েছিলেন। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার কারণে তিনি দেশ ছাড়তে পারেননি।
তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান পরিচালনার পর থেকেই সম্রাট কোথায় অবস্থান করছেন তা নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল।
এর আগে, শনিবার রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সম্রাটের গ্রেপ্তারের বিষয়ে বলেছিলেন, আপনারা শিগগিরই দেখতে পাবেন। সম্রাট হোক আর যেই হোক, অপরাধ করলে তাকে আমরা আইনের আওতায় আনবো। আপনারা সময় হলেই দেখবেন।
সম্প্রতি মতিঝিলের ইয়ংমেনস, ওয়ান্ডারার্স, মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়া চক্র ও বনানীর গোল্ডেন ঢাকা ক্লাবে র্যাব অভিযান চালিয়ে সেগুলো সিলগালা করে দেয়। এ অভিযানের ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্লাব ও জুয়ার আসরে অভিযান চালায় পুলিশ।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় মোহামেডান, আরামবাগ, দিলকুশা, ওয়ান্ডারার্স, ভিক্টোরিয়া ও ফকিরেরপুল ইয়ংমেনস ক্লাবে ক্যাসিনো ছিলো। এর মধ্যে ইয়ংমেনস ক্লাবে ক্যাসিনো চালাতেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। বাকি পাঁচটি ক্লাবে ক্যাসিনো চালাতেন সম্রাটের লোকজন। সম্রাট নিজে ক্যাসিনো দেখাশোনা না করলেও তার ক্যাসিনো চালাতেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওসার এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ কে এম মমিনুল হক ওরফে সাঈদ।
রয়েছে একাধিক শিষ্য।
এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় সম্রাটের রাজনৈতিক জীবন শুরু। সেটা ১৯৯০ সাল। সেই সময় তিনি ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের রমনা অঞ্চলে সংগঠকের দায়িত্বে ছিলেন। এ কারণে তখন নির্যাতনসহ জেলও খাটতে হয় তাকে। এরপর থেকেই ‘সম্রাট’ খ্যাতি পান।
ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাটের পৈত্রিক নিবাস ফেনীর পরশুরাম উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের পূর্ব সাহেবনগর গ্রামে। তার পিতার নাম ফায়েজ উদ্দীন চৌধুরী। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড় সম্রাট।
১৯৯১ সালে ছাত্রলীগে থাকা অবস্থায় এরশাদের পতনের পর ক্ষমতায় আসে বিএনপি সরকার। সে আমলে সম্রাটের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। এরপর ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যুবলীগের একজন প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিতি পান তিনি। ১/১১-এর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের সময় সম্রাট যুবলীগের প্রথমসারির নেতা ছিলেন।
সম্রাটের চাঁদাবাজির হাতেখড়ি ২০০১ সালে। সংগঠন চালানোর নামেই চাঁদাবাজিতে নামে তিনি। এ সময় বিভিন্ন অফিসে, বিভিন্ন লোকের সঙ্গে যোগাযোগ শশুরু করেন। ব্যবসায়ীক মহলের যোগাযোগ গড়ে ওঠে তার।
২০০৬ সালের পর যখন ওয়ান ইলেভেন আসে সেই সময় সম্রাট আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন। এ সময় দল পরিচালনা করা, যুবলীগের ঢাকা মহানগরীকে ঠিক রাখার মূল কাণ্ডারি ছিলেন ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট।
এরপর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে রাতারাতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট বড় ফ্যাক্টরে পরিণত হন। বিশেষ করে মতিঝিল পাড়ায় তার একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম হয়। দ্রুতই মতিঝিল পাড়া তার দখলে চলে যায়।
এই সময়েই তার সঙ্গে সিঙ্গাপুরের কানেকশন হয়। সিঙ্গাপুরে যে ক্যাসিনো বাণিজ্য এবং নানারকম ব্যবসা বাণিজ্যের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়। একদিকে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজির কাঁচা টাকা অন্যদিকে সিঙ্গাপুরের হাতছানি দুইয়ে দুই মিলিয়ে সম্রাট নগরীতে আত্মপ্রকাশ করে।
এরপর সবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যান ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। সম্রাট সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের চেয়ে অর্থ উপার্জনের দিকেই বেশি মনোনিবেশ করেন।
সম্প্রতি ক্যাসিনো চালানো, চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজিসহ সব অভিযোগের তীর এখন যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের দিকে। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি রাজধানীর মতিঝিলসহ দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকার সরকারি দপ্তর, ক্লাবসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকাণ্ড তার নিয়ন্ত্রণে।
উল্লেখ্য, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার হন দক্ষিণ যুবলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। চার মামলায় তাকে রিমান্ডে নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ব্যবসায় খালেদের ‘গুরু’ হিসেবে পরিচিতি রয়েছে সম্রাটের। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সম্প্রতি প্রকাশিত খবরে সম্রাটকে ‘ক্যাসিনো সম্রাট’ হিসেবে উল্লেখও করা হয়েছে। সম্রাটের ইশারায় ঢাকার বেশকয়েকটি ক্লাবে ক্যাসিনো ব্যবসা চলে। সেখান থেকে নিয়মিত চাঁদা সংগ্রহ করেন তার সহযোগীরা। এ কাজ চালিয়ে যেতে প্রভাবশালীদের টাকা দিতেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর থেকে জানা গেছে, সম্রাট একজন পেশাদার জুয়াড়ি এবং এ কারণে সিঙ্গাপুরে যাতায়াত আছে তার। মাসের এক-তৃতীয়াংশ সময় জুয়া খেলতে সিঙ্গাপুরে কাটান তিনি। সেখানের মারিনা বে স্যান্ডস ক্যাসিনোতে সম্রাট একজন বিশিষ্ট জুয়াড়ি বলে জানা গেছে। সিঙ্গাপুরে গেলে বিমানবন্দর থেকে তাকে বিলাসবহুল লিমুজিন গাড়িতে করে ওই ক্যাসিনোতে নিয়ে যাওয়া হয়। সিঙ্গাপুর সফরের সময় আরমানুল হক ও মোমিনুল হক মোমিনসহ যুবলীগের একাধিক নেতা সম্রাটকে সঙ্গ দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীরে কিছু লুকানোর না থাকলে, সেখানে ঢুকতে দিতে ভয় কেন? -মার্কিন কংগ্রেসের সিনেটর ক্রিস ভ্যান
![]() |
| ক্রিস ভ্যান হোলেন |
সম্প্রতি ভারত সফরে এসেছিলেন সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন। গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার তিনি দিল্লিতে একাধিক আমলা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এর একসপ্তাহ আগে ভারত সরকারকে চিঠি দিয়ে কাশ্মীরে ঢোকার আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে যাওয়ার অনুমতি না পাওয়ায় তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করেছেন।
গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিজের চোখে দেখতে চেয়েছিলাম। সেইমতো একসপ্তাহ আগে থেকে আবেদন জানিয়ে রেখেছিলাম। কিন্তু তা সত্ত্বেও অনুমতি মেলেনি। কাশ্মীরে যাওয়ার পক্ষে এখন সময় অনুকূল নয় বলে জানিয়ে দেয়া হয় আমাদের।’
কাশ্মীরে গিয়ে নিজের চোখে পরিস্থিতি কেমন তা দেখতে চেয়েছিলাম। ভারত সরকারের আপত্তিতে তা হয়ে ওঠেনি। কোনও কিছু লুকনোর না থাকলে, সেখানে পা রাখা নিয়ে ভয় থাকার কথা নয়। আমার মতে, কাশ্মীরের যা ঘটছে, ভারত সরকার তা কাউকে দেখতে দিতে চায় না।’
গত দু’মাস ধরে উপত্যকাকে কার্যত অবরুদ্ধ ও বহির্বিশ্বের থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন।
সেনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন আগেও জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। তাঁর উদ্যোগেই গত সপ্তাহে হাউজ অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস্ কমিটিতে জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে একটি বিশেষ বিল গৃহীত হয়। এতে উপত্যকার মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে কাশ্মীরের সর্বত্র কারফিউ প্রত্যাহার করা, সমস্ত বন্দিদের মুক্তি দেয়া, যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করে ইন্টারনেট পরিসেবা চালু করতে হবে বলে দাবি জানানো হয়েছে।
গতমাসে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জম্মু-কাশ্মীরে রাজনৈতিক নেতাদের আটকে রাখা এবং যোগাযোগ নিষেধাজ্ঞার পরে বিপুল সংখ্যক লোককে আটক করার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারতকে মানবাধিকারের প্রতি সম্মান জানাতে অনুরোধ করেছিল।
আমেরিকা ভারতীয় কর্মকর্তাদের রাজ্যের স্থানীয় নেতাদের সাথে রাজনৈতিক সংলাপ শুরু করতে এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেখানে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্যও বলেছিল।
ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সেনেটর হোলেনের পুরো নাম ক্রিস্টোফার জে ভ্যান হোলেন। তিনি ১৯৫৯ সালে পাকিস্তানের করাচিতে জন্মগ্রহণ গ্রহণ করেন। হোলেন বর্তমানে দলের প্রচার কমিটির চেয়ারম্যান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শীর্ষ র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় কেন নেই by তাফসীর বাবু

ছড়িয়ে ছিটিয়ে নানা ভবনে চলছে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়
ক্যাম্পাস নেই
অনেক প্রশ্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান নিয়ে
শিক্ষা নয়, আলোচনার বিষয় হয়েছে দুর্নীতি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বাংলাদেশ রোল মডেল: -ভারতের প্রেসিডেন্ট
| শেখ হাসিনা ও রামনাথ কোবিন্দ |
নয়াদিল্লিতে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে রামনাথ কোবিন্দ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যকার এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব শহীদুল হক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
এ বৈঠক বিষয়ে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো অব ইন্ডিয়া জানায়, দুই দেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে রামনাথ কোবিন্দ বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। দুই দেশ একত্রে অংশদারিত্বের সোনালী অধ্যায় রচনা করেছে।
দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো বলেও উল্লেখ করেন রামনাথ কোবিন্দ।
ভারতের প্রেসিডেন্ট বলেন, পারস্পরিক বিশ্বাস ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
রামনাথ কোবিন্দ বলেন, আমাদের অংশীদারিত্ব ঐতিহাসিক, সময়ের পরিক্ষিত এবং টেকসই, যেটি গড়ে উঠে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকে।
সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জিরো টলারেন্স নীতির প্রশংসা করেন রামনাথ। তিনি বলেন, সন্ত্রাস, বিচ্ছিন্নতাবাদী, উগ্র চরমপন্থার বিরুদ্ধে যৌথ প্রচেষ্টা ভালো ফল দিচ্ছে।
ঠাকুর শান্তি পুরস্কার পেলেন শেখ হাসিনা
শান্তি প্রতিষ্ঠা, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ঠাকুর শান্তি পুরস্কার’ দেয়া হয়েছে।
শনিবার নয়াদিল্লিতে হোটেল তাজমহলে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে এ পুরস্কার দেয়া হয়। কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটির সভাপতি আশা মোহাম্মদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।
পুরস্কারের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বেছে নেয়ার কারণ হিসেবে এশিয়াটিক সোসাইটি কলকাতা বলেছে, শান্তিপ্রতিষ্ঠা, ক্ষুধা-দারিদ্র্য ও দুর্নীতি প্রতিরোধ, সন্ত্রাসবাদ নিমূল এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি ভূমিকা রাখায় তাকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
| প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হচ্ছে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমরা আইনহীন সমাজের দিকে যাচ্ছি: -ড. শাহদীন মালিক

এসব পচন শুরু হয়েছে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং গুম দিয়ে। এক্ষেত্রে বড় উদ্বেগ হচ্ছে এর আগে যেসব দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং গুম হয়েছে তাদের থেকে আমরাও আমাদের ভবিষ্যতের চিত্র দেখতে পাই। সে সমাজ আমাদের কারো কাম্য নয়। তিনি বলেন, সমাজে অবশ্যই অপরাধ আছে, অনিয়ম আছে, বিশৃঙ্খলা রয়েছে। তবে কোনো সমাজই আইনের বাইরে গিয়ে এসব সমস্যার সমাধান করতে পারেনি।
অনেক দেশই মূর্খের মতো এটা ভেবেছে কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। আমাদের দেশেও একটা ভাবনা এসেছে যে, দু’চারশ মানুষকে গুলি করে হত্যা করলেই মাদক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। এটা মোটেও সম্ভব নয়। কারণ এর আগে কোনো দেশ এ পথে অপরাধ দমন করতে পারেনি। কিন্তু এর প্রতিক্রিয়া হয় ভয়াবহ। তিনি আরও বলেন, আমাদের উদ্বেগের জায়গা হচ্ছে আমরা টোটালি ল’ লেস সোসাইটির দিকে এগোচ্ছি। প্রতিফলন কি সেটা যারা সরকার চালাচ্ছে তারা দেখে কি-না জানি না, তবে আমি তো দেখি। যারা সরকার চালান তারা কি সব চোখ বুজে থাকেন এমন প্রশ্ন রেখে শাহদীন মালিক বলেন, যেসব দেশে আশির দশকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা গুম শুরু হয়েছিল সেসব দেশে কী হয়েছিলে সেগুলো তারা দেখেন না কেন? ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা হচ্ছে সেন্ট্রাল আমেরিকা থেকে জনগণ আমেরিকায় চলে আসা।
হন্ডুরাস, গুয়েতেমালা, নিকারাগুয়ে এসব দেশ থেকে হাজার হাজার, লাখ লাখ লোক আমেরিকায় আসতে চাইছে, আর ট্রাম্প তাদের ঠেকানোর চেষ্টা করছে। আশির দশকে এসব দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড শুরু হয়েছিল এরই ফল হচ্ছে এগুলো। তিনি বলেন, এ লোকগুলো আমেরিকায় আসছে কেন? তাদের সবারই এক কথা অনেকটা আমাদের রোহিঙ্গাদের মতো। তাদের দেশে তাদের কোনো নিরাপত্তা নেই, তারা সম্পূর্ণ অসহায়, সাংঘাতিক ধরণের অপরাধ হচ্ছে, তারপরও সরকার তাদের কোনো সাহায্য করে না। জানে বাঁচতে তারা আমেরিকায় যাচ্ছে। এ সমস্যাটা সত্তর দশকে চিলিতে দেখা দিয়েছিল। কোনো দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা গুম শুরু হয় এর পরিণতি যে কি হয়, তার বড় উদাহরণ হচ্ছে সেন্ট্রাল আমেরিকার দেশগুলো। তিনি বলেন, আশির দশকে সেন্ট্রাল আমেরিকার দেশগুলোর লোকজনও বলেছিল, সেসব দেশের বিচারব্যবস্থা কিছু হয় না, কিছু ত্বরিত বিচার হলে তথা অপরাধীকে সরিয়ে দিলে অপরাধ দূর হয়ে যাবে। তবে বাস্তবতা হচ্ছে কোনো সমাজ এ পথে গিয়ে অপরাধ দূর করতে পারেনি। বরং সেক্ষেত্রে পুরো সমাজটাই অপরাধপ্রবণ হয়ে গেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, গুমের অপরাধের দায় সরকারের। বেশির ভাগ গুম যদি সরকার না করে থাকে তাহলে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা র?্যাব-পুলিশের নাম বলে কেন? কেন গুমের ঘটনায় মামলা নেয়া হয় না? মামলা নিলেও গড়িমসি কেন, অগ্রগতি হয় না কেন? যাঁরা ফিরে আসেন তারা মুখে তালা দেন কেন? তিনি বলেন, দেশে আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা, ভোটাধিকার, গণতন্ত্র অনেক কিছুই গুম হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক সি আর আবরার বলেন, গুম-বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে যত আলোচনা সব অরণ্যে রোদন। যাদের এসব ক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়া দেখানোর কথা সেই সরকার কোনো সাড়া দিচ্ছে না। তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারীপক্ষের আহ্বায়ক শিরিন হক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসিনা-মোদি বৈঠক: অগ্রগতি নেই তিস্তায় ফেনী নদীর পানি যাবে ত্রিপুরায়

তিস্তা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে ২০১১ সালে প্রায় চূড়ান্ত হওয়া কাঠামো চুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত চুক্তিটি সইয়ের কথা বললে ভারতের প্রধানমন্ত্রী তার স্টেট হোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে এটি নিষ্পত্তির ফের আশ্বাস দিয়েছেন। তবে ওই বৈঠকে বাংলাদেশ আচমকা ফেনী নদী থেকে ত্রিপুরার সাবরুম এলাকার জন্য পানি দেয়ার চুক্তি সই করেছে। বিবৃতিতে এ-ও বলা হয়েছে ফেনী নদীর পানি প্রত্যাহারের বিষয়ে ঢাকার বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে বিবৃতিতে বরাবরের মত এনআরসি’কে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। এনআরসি নিয়ে ঢাকায় বিস্তর উদ্বেগ-অস্বস্তি থাকলেও বৈঠকে প্রসঙ্গটি এসেছিল কি-না? তার কোন উল্লেখ ছিল না। বিবৃতিতে কাশ্মির প্রসঙ্গও অনুপস্থিত।
যদিও ঢাকার তরফে আগেই বলা হয়েছে- কাস্মির ইস্যুটি একান্তই ভারতের অভ্যন্তরীণ বলে মনে করে বাংলাদেশ। প্রতিবেশী দুই রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রীদ্বয়ের বরাতে শীর্ষ বৈঠকের নানা সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে যুক্ত বিবৃতিতে। বলা হয়েছে- দুই প্রধানমন্ত্রী উষ্ণ এবং খুবই আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা করেছেন। তারা ৩টি প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন ভিডিও কনফারেন্সে। ৭টি চুক্তি-সমঝোতা সাইয়ের আনুষ্ঠানিকতায়ও তারা উপস্থিত ছিলেন। দুই দেশের সম্পর্কে গভীরতা এবং বিস্তুৃতির বিদ্যমান অবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উভয়ে। বৈঠকে তারা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সমপর্কন্নোয়নে আর কী কী পদক্ষেপ নেয়া যায় তা নিয়ে গঠনমূলক ও বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। সমপর্ক বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে দুই দেশের জন্যেই লাভজনক হবে এমন সুযোগগুলোকে শতভাগ কাজে লাগাতে উভয় নেতাই সম্মত হয়েছেন। বাংলাদেশকে একটি শান্তিপূর্ন ও উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে শেখ হাসিনার ভিশনকে সমর্থন জানিয়েছেন মোদি। এর আগেও পূর্ন সমর্থন দিয়েছিলেন তিনি। এদিকে বিবৃতিতে জানানো হয়, মোদিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি তা গ্রহণ করেছেন এবং দুই দেশের কূটনৈতিক চ্যানেলে আলোচনায় সফরের দিনক্ষণ ঠিক করার তাগিদ দিয়েছেন।
তিস্তার চুক্তির জন্য বাংলাদেশ অপেক্ষায়, মোদি বললেন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সইয়ের চেষ্টা চলছে: বিবৃতি মতে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ ২০১১ সালে প্রায় চূড়ান্ত হওয়া তিস্তার পানি বন্টন সংক্রান্ত ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্টের বাস্তবান বা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি দেখতে চায়। জবাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানান, তার সরকার সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করে দ্রুত চুক্তিটি সম্পন্ন করতে কাজ করছে। বিবৃতিতে মনু, মুহুরী, খোয়াই, গোমতি, ধরলা এবং দুধকুমার নদীর পানি বন্টনে ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিম চূড়ান্ত করতে আপডেট ডাটা শেয়ারিংয়ে জয়েন্ট রিভার কমিশনের টেকনিক্যাল কমিটি গঠন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন দুই নেতা। একই সঙ্গে ফেনী নদী বিষয়েও তারা কাঠামো চুক্তির বিষয়ে একমত হন। ঢাকায় পানি সম্পদ সচিব পর্যায়ে বৈঠকে ফেনী নদী থেকে ১.৮২ কিউসেক পানি ত্রিপুরার সাবরুম এলাকার মানুষের খাবারের জন্য ভারত প্রত্যাহার করতে পারবে মর্মে যে সিদ্ধান্ত হয় তা-ও বিবৃতিতে তুলে ধরা হয় এবং এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করা হয়।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তায় ভারতের আশ্বাস: এদিকে বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আরও বড় পরিসরে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। বিবৃতিতে এ বিষয়ে বলা হয়- তারা (দুই নেতা) এ বিষয়ে একমত হন যে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে। উভয় নেতা আরও একমত হন যে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের তাদের নবভিটায় নিরাপদ, দ্রুত এবং টেকসই প্রত্যাবাসন জরুরি হয়ে পড়েছে। লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে নিরাপদ আশ্রয় দেয়ার জন্য মোদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়শী প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে আশ্রয় পাওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য আরও ৫০টন মানবিক সাহায্য পাঠাবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। ওই ৫০ টনের মধ্যে রয়েছে- তাবু, রিলিফ এবং প্রাকৃতির দুযোগ থেকে উদ্ধার সরঞ্জমাদি। রাখাইনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিতে ভারতের ২৫০ বাড়ি তৈরির কথা জানিয়ে সেখানকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয় বিবৃতিতে।
আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস ও নিরাপত্তা প্রসঙ্গ: ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শেখ হাসিনার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। একইসঙ্গে এ অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তার ভ্থমিকার ভ্থয়সী প্রশংসা করেছেন মোদি। এসময় উভয় দেশের জন্য সন্ত্রাসবাদকে সবথেকে বড় সমস্যা হিসেবে আখ্যায়িত করেন দুই নেতা। সন্ত্রাসবাদ দমনে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন তারা। দুই পক্ষই সধারণ জনগণের চলাচল সহজীকরণে জোর দেন। বাংলাদেশি বৈধ ট্রাভেলারদের যাতাযাতে যে কোন পোর্ট ব্যবহারের যে প্রতিবন্ধকতা ছিল তা তুলে দেয়াসহ ভারতের তরফে ভিসাসহজীকরণের অঙ্গীকারে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে শেখ হাসিনা ধন্যবাদ জানান। এখন থেকে বাংলাদেশিরা বিদ্যমান সব পোট দিয়ে যেতে এবং ফিরতে পারবেন। যে পোর্ট দিয়ে যাকেন ওই পোর্ট দিয়ে ফেরার বাধ্যবাধকতা আর নেই। আলোচনায় দুই প্রধানমন্ত্রী কার্যকর বর্ডার ম্যানেজমেন্টের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তারা এটার নিশ্চিয়তা চেয়েছেন যে, বর্ডার হবে ক্রামই ফ্রি, উত্তেজনাহীন সর্বোপরি স্থিতিশীল। উভয় নেতাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে বর্ডারের অবশিষ্ট এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে সংশ্লিষ্টদের নির্র্দেশনা দেন। দুই নেতাই এ বিষয়ে একমত হন যে সীমান্তে একজন সাধারণ মানুষের মৃত্যুও অগ্রহণযোগ্য। এটা উদ্বেগজনক। তারা উভয়ে বর্ডার সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন মৃত্যুর ঘটনা পুরোপুরি বন্ধ করতে সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে।
উইন-উইন বিজনেস পার্টনারশীপ: এলডিসি থেকে মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হতে বাংলাদেশের অপরিহার্য এবং প্রাথমিক শর্ত পূরণে সফলতা অর্জনে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান মোদি। একই সঙ্গে দুই দেশ এ বিষয়ে একমত হয় যে দ্বিপক্ষীয় কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশীপ এগ্রিমেন্ট সই করতে একটি যৌথ সার্ভে সম্পাদনে। ভারতের অনুরোধে আখাউরা-আগরতলা বন্দর থেকে ভারতীয় পন্যের ওপর যে বাধানিষেধ ছিলো তা উল্লেখ্যযোগ্য হারে কমিয়ে আনার আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের অনুরোধের প্রেক্ষিতে ভারতীয় কতৃপক্ষ পাটসহ বিভিন্ন পণ্যে ওপর অ্যান্টি ডাম্পিং ডিউটি প্রত্যাহারের বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে। তবে তারা তাদের বিদ্যমান এ সংক্রান্ত আইনের বিষয়টিও তুলে ধরেছে। তবে দুই নেতাই তাদের কর্মকর্তাদের বাণিজ্য সংক্রান্ত পদক্ষেপ এবং সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে উদ্যোগী হতে নির্দেশনা দিয়েছেন। ভারতীয় বাজারে কোটা ও শুল্কমুক্তভাবে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে সম্মত হওয়ায় ভারতের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ বছর বাংলাদেশ থেকে ভারতে পণ্য রপ্তানি ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।
ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে: প্রধানমন্ত্রী
দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ উদ্বোধনীতে দেয়া বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেছেন- বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। গত এক দশকে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন প্রথাগত খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নানা অপ্রথাগত খাতেও সহযোগিতা সমপ্রসারিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ইন্ডিয়া ইকোনমিক সামিটে যোগ দিতে চার দিনের সফরে ভারতে অবস্থারত শেখ হাসিনা শনিবার স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে এগারোটায় দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে দেশটির প্রধানমন্ত্রর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন। এই বৈঠকের পর পারস্পরিক সহায়তা সংক্রান্ত ৭টি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। পরে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে সম্পন্ন হওয়া নতুন তিনটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তারা।
সে সময় দুই নেতাই পারস্পরিক সহায়তার সম্পর্ক নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, গত এক দশকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্র বিভিন্ন প্রথাগত খাতে বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন নতুন ও অপ্রথাগত খাত যেমন ব্লু-ইকোনমি ও মেরিটাইম, পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, মহাকাশ গবেষণা, ইন্টারনেট ব্যান্ড উইথ রফতানি, সাইবার সিকিউরিটির মতো বিষয়ে উভয় দেশের সহযোগিতার হাত সমপ্রসারিত হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, এসব বহুমুখী সহযোগিতার ফলে আমাদের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিশ্ববাসীর সামনে সু-প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের মধ্যকার এই সম্পর্কের শুভ সূচনা হয়েছিল ১৯৭১ সালে, যখন বাংলাদেশের মানুষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে ভারতের জনগণ ও সরকারের অপরিসীম অবদানের কথা আমরা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি। আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে এটি মাইলফলক হিসেবে পরিগণিত হয়।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বিশ্বের জন্য দৃষ্টান্ত: মোদি
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে সারা বিশ্বের জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত বলে উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার দিল্লিতে সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি বলেন, এই আলোচনা দুই দেশের জনগণের কল্যাণ ও অগ্রগতিতে আরও জোরালো ভূমিকা রাখবে। হায়দরাবাদ হাউসে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর মোদি বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে মূল্য দেয়। সারা বিশ্বের মধ্যে দুই বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশীর মধ্যে সহযোগিতার অনন্য উদাহরণ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক। আমাদের আজকের এই আলোচনা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও জোরালো করবে। আমাদের বিশেষ এই বন্ধুত্বের লক্ষ্য হলো দুই দেশের জনগণের কল্যাণ ও অগ্রগতি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকায় দিনে দুই কোটি টাকা চাঁদা আদায়: পরিবহন সেক্টরে চলছে পাল্টাপাল্টি by মারুফ কিবরিয়া

শুধু তাই নয়, ঢাকার সড়কের গডফাদারদের নামও উল্লেখ করেছেন কেউ কেউ। সড়ক সংশ্লিষ্ট সংগঠনের ওই নেতাদের ভাষ্যে, মালিক সমিতির এক প্রভাবশালী ব্যক্তি ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক তকমা লাগিয়ে ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছেন। তার অনুসারী সন্ত্রাসী বাহিনী সকাল থেকে রাত অবধি বাস থেকে চাঁদা আদায় করে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টের বাস চালকদের প্রতিদিন ১ হাজার ২শ থেকে ২ হাজার ২শ টাকা পর্যন্ত চাঁদা গুনতে হয়। বিশেষ করে ফুলবাড়িয়া, গুলিস্তান, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ি, মিরপুর, গাবতলী, আব্দুল্লাহপুরসহ শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে চাঁদা আদায় করে। একেক রুট থেকে ৬ থেকে ৭ ধাপে চাঁদার টাকা তোলা হয়। পরিবহন শ্রমিকরা জানান, টঙ্গী পেরিয়ে ঢাকার সীমানায় প্রবেশ করলেই প্রতি বাস থেকে টাকা আদায় শুরু হয়। এই রুট থেকে সদরঘাট আসা পর্যন্ত ধাপে ধাপে বিভিন্ন অংকের চাঁদা দিতে হয়। শুধু তাই নয়, অনেক সময় ট্রাফিক পুলিশও এই টাকায় ভাগ বসান। চাঁদাবাজির যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ মালিকরাও।
এসব চাঁদাবাজি বন্ধের প্রতিবাদ জানিয়ে সম্প্রতি প্রেসক্লাবে সড়ক-পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য লীগ সংবাদ সম্মেলন করে। এতে নয় দফা দাবির কথাও উল্লেখ করেন। ঢাকার সড়কে চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রকের নাম প্রকাশ করতে গিয়ে সংগঠনটির সদস্য সচিব ইসমাইল হোসেন বাচ্চু বলেন, একজন ‘গডফাদার’ সমিতিকে নিয়ন্ত্রণ করছেন। তিনি গত কয়েক বছরে নিজস্ব পরিবহন সংস্থার ব্যানারে শত শত বাস নামিয়েছেন। মালয়েশিয়া, কানাডা ও থাইল্যান্ডে বিপুল সম্পদ পাচার করেছেন। সাংবাদিকরা ওই গডফাদারের নাম জানতে চাইলে তিনি সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্ল্যার কথা উল্লেখ করেন। এই সদস্য সচিব আরো দাবি করেন, এনায়েত উল্ল্যাহ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী। তিনি বলেন, এখনও পরিবহন খাতের নিয়ন্ত্রণ বিএনপি-জামায়াত নেতাদের হাতে। তারা সায়েদাবাদ, মহাখালী, গাবতলী ও ফুলবাড়িয়া টার্মিনাল কমিটি নিয়ন্ত্রণ করছেন। তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাও রয়েছেন। তাদের অপসারণ করা না গেলে পরিবহন খাতে নৈরাজ্য দূর হবে না। এই সদস্য সচিব অভিযোগ করেন, গাড়ির কাগজপত্র দেখার নামে পুলিশ প্রতিদিন চালক-মালিকদের হয়রানি করছে। এদিকে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির বিরুদ্ধে সীমাহীন চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করে ঢাকা জেলা সড়ক পরিবহন যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়ন।
সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক মাহফুজুল হক বলেন, চাঁদাবাজির কারণে সাধারণ বাস মালিকরা নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছেন। তাদের এই দুর্দশা দেখার কেউ নেই। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সমিতির প্রভাবশালীদের ভয়ে সাধারণ মালিক, শ্রমিকরা মুখ খুলতে সাহস পান না। বাস টার্মিনালগুলোতে চাঁদাবাজি বন্ধ ও দুর্নীতিবাজ মালিক-শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, রাজধানীর বাড্ডা হয়ে ভিক্টর ক্লাসিক নামের একটি বাস যাওয়ার সময় এক ব্যক্তি হাত উঁচিয়ে সংকেত দিলে ধীরগতি করে বাসের কন্ডাক্টর টাকা বের করে দেন। একই চিত্রের দেখা মেলে মিরপুর থেকে সদরঘাট রুটে চলাচলকারী বাস ইউনাইটেড-এ। মিরপুর ১২ থেকে ছেড়ে আসার পর কাজীপাড়ায় বাসটির কন্ডাক্টরকে দেখা যায় পকেট থেকে টাকা বের করে দিচ্ছেন। মিরপুর মতিঝিলে রুটে শিকড়, সময় নিয়ন্ত্রণ ও দিশারীসহ কয়েকটি পরিবহনের প্রায় এক হাজার বাস চলাচল করে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতি দিন একটি বাসের মালিককে কমপক্ষে সাড়ে ৮শ’রও বেশি টাকা গুনতে হয়। এর মধ্যে টার্মিনাল চাঁদা ৪৫০ টাকা এবং সিরিয়াল ও সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে দিতে হয় ৩৩০ টাকা। সাধারণ বাস মালিক ও শ্রমিকদের অনেকে গণপরিবহনে নৈরাজ্যের পেছনে ক্ষমতাসীনদের বেপরোয়া চাঁদাবাজির কথা উল্লেখ করেছেন। তারা বলেছেন, যখন যে দল সরকারে আসে চাঁদার নিয়ন্ত্রণ সেই দলের পরিবহন সংশ্লিষ্ট সংগঠন ও তাদের ক্যাডারদের হাতেই থাকে। সাধারণ পরিবহণ ব্যবসায়ীরা বলেছেন, পরিবহন চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ ও ভাগবাটোয়ারা নিয়ে রাজধানীতে খুনোখুনির ঘটনাও কম হয়নি। কিন্তু পরিবহন চাঁদাবাজি কখনো থেমে থাকেনি। এর মধ্যে আরেক খবর হলো চাঁদাবাজির যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী পরিহবনগুলোর কয়েকটি বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক ব্যবসায়ী চাঁদা দিতে দিতে দেউলিয়া হয়ে ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছেন। গত দুই বছরে এক ডজনের মতো নতুন বাস নেমেছে শহরের বিভিন্ন রুটে।
এসব রুটের নিয়ন্ত্রণ ও পরিবহনগুলোর মালিকানা ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের হাতে। দলীয় পরিচয় ছাড়া নতুন কোনো ব্যবসায়ী এসব রুটে বাস নামাতে চাইলে প্রথমেই তাদের সংশ্লিষ্ট রুট মালিক সমিতির পক্ষ থেকে ধার্য করে দেয়া হয় মোটা অংকের টাকা। আর প্রথম ধাক্কায় মোটা অংকের টাকার কথা শুনে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন নতুন ব্যবসায়ীরা। অনুসন্ধানে জানা যায়, গাজীপুর থেকে ছেড়ে আসা বাসগুলো স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা সাদেক, কাজলসহ বেশ কয়েকজন নিয়ন্ত্রণ করেন। সেখানে কোনো বাস থেকে ট্রিপ প্রতি ৩০ টাকা, কোনো বাস থেকে ৫০ টাকা হারে চাঁদা তোলেন তারা। আবার এই রুটেই বাড্ডায় আসলে ফজলু নামের এক নেতা নেন ২২০টাকা। গুলিস্তানে সিটি করপোরেশনের ইজারা বাবাদ ১৩০ টাকা দেয়ার কথা থাকলেও সেখানে প্রতি বাস থেকে ৩৩০ টাকা করে দিতে হয় চালকদের। অন্যদিকে সদরঘাট গেলে প্রতি বাস থেকে দিনে ৪৫০ টাকা নেন আশরাফ নামের এক পরিবহন নেতা। অনুসন্ধানে জানা যায়, গাবতলী বাস টার্মিনালে চাঁদা আদায় করে আতিক এবং মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে দুটি গ্রুপ। মহাখালী বাস টার্মিনালে চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সাদেকুর রহমান হিরু ও শহীদুল্লাহ সদুর হাতে।
সায়েদাবাদে চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণে আছে আবুল কালাম আজাদ, নয়ন, করম আলী, মনির চৌধুরী, আলী রেজা ও আমির হোসেনের হাতে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নগরীর বেশ কয়েকটি রুটের পরিবহন মালিক জানান, বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক ক্যাডার ও পুলিশের চাঁদাবাজির কারণে লাভের টাকা মালিকের পকেটে যাওয়ার আগে পথেই হাওয়া হয়ে যাচ্ছে। তারা আরও বলেন, পরিবহন সংশ্লিষ্ট মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর পাশাপাশি এখন চাঁদা দিতে হয় এলাকাভিত্তিক পলিটিক্যাল ক্যাডারদেরও। নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের স্থান না থাকায় রাতে সরকারি রাস্তায় গাড়ি রাখলেও থানা পুলিশের পাশাপাশি এলাকাভিত্তিক পলিটিক্যাল ক্যাডারদের নিয়মিত চাঁদা দিতে হয়। সাধারণ মালিক ও শ্রমিকরা বলেন, চাঁদার নির্ধারিত এ টাকা দিতে না পারলে রাস্তায় গাড়ি নামানো যায় না। রবরব বাসের চালক ফারুক বলেন, আমরা তো রাস্তায় থাকি। যত কষ্ট আমাদের।
একদিন বাস না চালালে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হয়। রাস্তায় গাড়ি নিয়ে নামলেই জায়গায় জায়গায় টাকা ছাড়তে হয়। না হলে বাস আটক করে রাখে। টাকা দিতে না চাইলে গ্লাস ভাঙে। আবার মাঝে মধ্যে মারধরও করে। আবার আমরা বাস না চালাইলে মালিকেরও সমস্যা। তাকে যে টাকা দেই সেটা থেকে আবার কোম্পানির লোকজনদের দিতে হয়। সমিতিতে টাকা পয়সা দিতে হয়। সারাদিন যা ইনকাম হয় সেখানে মালিকের খুব বেশি টাকা থাকে না। সব মানুষের পেটে চলে যায়। একই চাঁদাবাজির ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি এলাকার তুরাগ পরিবহনের এক চালক জানান, সকালে বাস নামাইলেই স্ট্যান্ডে ৫০ টাকা দিয়া গাড়ি স্টার্ট দিতে হয়। নাইলে গাড়ি চালাইতে দেয় না। রামপুরা আসলে দিতে হয় আরো টাকা। প্রতিদিন যে টাকা ইনকাম হয় তার বেশিরভাগ চলে যায় রাস্তার খরচে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহাকাশে নভোচারী পাঠাবে ইরান: প্রযুক্তিমন্ত্রী

তিনি বলেছেন, ইরানের মহাকাশ সংস্থা অন্যান্য দেশের সহযোগিতায় একজন ইরানি নভোচারীকে মহাকাশে পাঠাবে।
এছাড়া ২০২১ সালের মধ্যে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানো হবে যা পৃথিবীর এক মিটার দৈর্ঘ্যের বস্তুকে শনাক্ত করতে পারবে। একইসঙ্গে হাই-রেজ্যুলেশনের ছবি কেন্দ্রে পাঠাবে।
এর আগে ইরানের তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপমন্ত্রী মোর্তজা বারারি জানিয়েছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে তিনটি স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহ নির্মাণ করা হবে। নির্মাণ কাজ শেষে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে এসব কৃত্রিম উপগ্রহ হস্তান্তর করা হবে এবং তারা সেগুলো মহাকাশে পাঠাবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আতঙ্কে শোভন-রাব্বানী এড়িয়ে চলছেন ঘনিষ্ঠজনদেরও

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এদিন গণভবনে গেলেও তাকে ভেতরে ঢুকতে দেয়া হয়নি বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, শোভন-রাব্বানীর ওপর নজরদারি রয়েছে। এদের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করার নির্দেশনা রয়েছে। জানা গেছে, গত ১৪ই সেপ্টেম্বর ছাত্রলীগের শীর্ষ পদ হারান শোভন-রাব্বানী। এরপর দুই নেতাই অনেকটা আত্মগোপনে চলে যান। নিজ নিজ বাসা থেকে খুব প্রয়োজন ছাড়া বের হন না। নেতাকর্মীদেরও এড়িয়ে যান। দুই নেতা চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযান ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। যেকোন সময় ফেঁসে যাওয়ার ভয় তাড়া করছে তাদের। এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে থেকেও ছাত্রলীগের পদ হারানোর পর থেকে ডাকসুতে অনুপস্থিত গোলাম রাব্বানী। নৈতিক স্খলনের দায়ে ছাত্রলীগের পদ হারানো রাব্বানীর ডাকসুর জিএস পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও তিনি পদ ছাড়েননি। এমনকি তিনি ডাকসুতেও অনুপস্থিত থাকছেন।
১৪ই সেপ্টেম্বরের পর গত বুধবার প্রথমবারের মতো রাব্বানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এসেছেন। এদিন তিনি ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ খোকনের স্মরণসভায় অংশ নেন। সূত্র জানায়, পদ হারানোর পর থেকেই রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন তার কাঁঠালবাগানের বাসায় রয়েছেন। সেখানে তার সঙ্গে তার বাবা-মা ও ভাই থাকছেন। সন্তানকে মানসিকভাবে সঙ্গ দিতে কুঁড়িগ্রাম থেকে ঢাকার বাসায় ছুটে এসেছেন বাবা-মা। শোভনের কাঁঠালবাগানের বাসায় নেতাকর্মীদের আনাগোনাও কমেছে। খুব কাছের নেতাকর্মীরা ছাড়া কেউ শোভনের কাছে যাচ্ছে না। শোভনও তার অনুসারী নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চান না। মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও অনেক নেতাকর্মী হতাশ হয়েছেন। শোভন ফোনও রিসিভ করছেন না। তবে গত তিন চারদিন ধরে সন্ধ্যার পর বাংলামোটর এলাকায় শোভন একান্ত অনুগত নেতাদের নিয়ে সময় কাটান। সেখানে কেউ আসলে কথা হয়। তার অনুসারী নেতাকর্মীরা মনে করেন শোভন কোনো অপরাধ করতে পারে না। তিনি ‘দাবার ঘুঁটি’ হয়ে গেছেন। এটা তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কারণে হয়েছে। ১৪ই সেপ্টেম্বর ছাত্রলীগের পদ হারানোর পর শোভন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট থেকেও পদত্যাগ করেছেন। যেটি প্রশাংসা কুড়িয়েছে সকলের। অন্যদিকে, রাব্বানী এখন বেশিরভাগ সময় হাতিরপুলে তার মোতালেব প্লাজার বাসায় কাটাচ্ছেন। খুব প্রয়োজন না হলে বাসা থেকে বের হন না। সেখানে তার বাবা রয়েছেন। মাঝে কিছুদিন রাব্বানীর ছোট ভাই গোলাম রুহানী বাসায় থেকে রাব্বানীকে মানসিকভাবে সঙ্গ দিয়েছিলেন।
এখন তিনিও তার কর্মস্থলে চলে গেছেন। তবে, তার মোতালেব প্লাজার বাসায় কিছু নেতাকর্মীর আনাগোনা এখনো রয়েছে। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন রাব্বানীর সঙ্গে। অন্যান্য নেতাকর্মীরাও নিয়মিত যাতায়াত করছেন। তবে সেটি আগের তুলনায় অনেক কম। যারা কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ পেয়েছেন কেবল তারাই যোগাযোগ রক্ষা করছেন। রাব্বানীর অনুসারী যে সব নেতা হল পর্যায়ে রাজনীতি করেছেন তারা এখন অনেকটাই হতাশ। রাব্বানীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও সুযোগ পান না। মুঠোফোনেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে এড়িয়ে যাচ্ছেন রাব্বানী। এসব নেতাকর্মীদের অনেকে এখন রাব্বানীর প্রতি ক্ষোভও ঝাড়ছেন। অন্যদিকে দুর্নীতি অনিয়ম ও নৈতিক অধঃপতনের কারণে ছাত্রলীগের শীর্ষ পদ হারানোর পর রাব্বানীর ডাকসুর জিএস পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও তিনি এখনো পদ ছাড়েননি। একই অভিযোগে অভিযুুক্ত কেন্দ্রীয় সভাপতির পদ হারানো রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ডাকসু মনোনীত সিনেট সদস্যের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছিলেন। কিন্তু রাব্বানী এখনো জিএস পদ ছাড়েননি। এমনকি ছাত্রলীগের শীর্ষ পদ হারানোর পর থেকে তিনি ডাকসুতেও আসা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। ভর্তি পরীক্ষার মতো বড় আয়োজনেও ডাকসুর নেতা হিসেবে রাব্বানীকে কোনো ভূমিকায় দেখা যায়নি। ১৪ই সেপ্টেম্বরের পর গত বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসেন গোলাম রাব্বানী। এদিন তিনি ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ খোকনের মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় যোগ দেন। তবে তাকে ঘিরে নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস অনেক কম ছিল। বেশির ভাগ নেতাকর্মীই নানা অপরাধে অভিযুক্ত গোলাম রাব্বানীকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। এদিকে, শোভন রাব্বানীর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিহারি ক্যাম্পে ত্রিমুখী সংঘর্ষ, গুলিতে চোখ গেল যুবকের, আহত ৭০

পরে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ে এবং লাঠিচার্জ করে। এসময় কে বা কারা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। পুলিশের রাবার বুলেটে রকি নামে এক যুবকের চোখে লাগে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ওই যুবকের চোখ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংঘর্ষে পুলিশসহ ৭০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের টানা ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, দুপুর ১২ টার দিকে ঢাকার মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পের বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন করতে যান ডিপিডিসির লোকজন। এ সময় বিহারিরা সংস্থাটির সদস্যদের হাইকোর্টের একটি আদেশ দেখান। সেই আদেশে ত্রাণ মন্ত্রণালয় তাদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেন উল্লেখ রয়েছে বলে জানান বিহারিরা। পরে কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিজান ঘটনাস্থলে গেলে বিহারীদের সঙ্গে বাক-বিতন্ডা হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ক্যাম্পের মোস্তাকিম কাবাব রেস্টুরেন্টের পাশে বিহারীদের সঙ্গে কাউন্সিলরের লোকজনদের সংঘর্ষ বাঁধে। এসময় বিহারী ও কাউন্সিলরের সমর্থকরা বেশ কয়েক জায়গায় টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশ ও কাউন্সিলরদের লোকজন বিহারিদের ধাওয়া দেয়। এতে ত্রিমুখী সংঘের্ষর ঘটনা ঘটে। দুপুর ৩ টা পর্যন্ত ছয়দফা সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের পুলিশসহ ৭০ জন আহত হন।
উর্দু স্পিকিং পিপলর্স ইউথ রিহাবিল্যাট্যাসান মুভমেন্টের সভাপতি সাদাকাত খান ফাক্কু জানান, বিহারি ক্যাম্পে ঘন ঘন বিদ্যুৎ যায়। বিষয়টি বিদ্যুৎ বিভাগকে একাধিকবার জানালেও কোন কাজ আসেনি। আদালতের একটি নির্দেশনা আছে যে, দেশের ৭০ টি বিহারি ক্যাম্পের বিদ্যুতের বিল দিয়ে থাকেন ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
স্থানীয় বিহারি ক্যাম্পের বাসিন্দা জুয়েল জানান, পরিকল্পিতভাবে বিহারিদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। ডিপিডিসির লোকজন বিদ্যুৎ বিছিন্ন করতে আসলেই স্থানীয় কাউন্সিলর ঘটনাস্থলে তার সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে হাজির হন। তিনি তার লোকজনকে সেখানে উস্কানি দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ কাউন্সিলদের পক্ষ নিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।
তবে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিজান সাংবাদিকদের বলেন, প্রতি মাসে এক কোটি ২০ লাখ টাকার বিদ্যুৎ খরচ হয় জেনেভা ক্যাম্পে। ত্রাণ মন্ত্রণালয় বিদ্যুৎ বিল না দেয়ায় মোটা অঙ্কের টাকা বকেয়া হয়েছে, ফলে এলাকায় বেশি লোডশেডিং হচ্ছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। আমরা ডিপিডিসির লোকজনকে জানালে তারা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য গেলে বিহারিরা তাদের ওপর হামলা চালায়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মো. আলাউদ্দিন জানান, সংঘর্ষে আহত রকির শরীরে ও ডান চোখে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। চোখের অবস্থা খুবই গুরুতর। তাকে চক্ষু বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে আপাতত দেখে মনে হচ্ছে, চোখটি নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি তার চিকিৎসায়। রকি জেনেভা ক্যাম্পের ৭ নম্বর সেক্টরে থেকে মোহাম্মদপুরের একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজে চাকরি করেন।
তেজগাঁও বিভাগের ডিসি আনিসুর রহমান বলেন, সকাল থেকে ছয় দফা পুলিশের ওপর হামলা, পুলিশের গাড়ি ভাঙ্গচুরের দায়ে ক্যাম্পের ভিতরে তল্লাশি করে ৭ বিহারী যুবককে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে কুলিয়ারচরে মণ্ডপে মণ্ডপে প্রাণের উচ্ছ্বাস

শুক্রবার ঢাকের তালে ধূপের সুগন্ধে দেবী বন্দনায় ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সর্বজনীন শারদীয় দূর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা। যা প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। ষষ্ঠীতে কল্পারম্ভ এবং দেবী দুর্গার আমন্ত্রণ ও অধিবাস শেষে মাতৃরূপে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ঠাঁই করে নেন। কৈলাস ছেড়ে মর্ত্যে আসে মা দুর্গা।
মূলত দুর্গাপূজা হয় আশ্বিনের শুক্লাষষ্ঠী থেকে শুরু করে দশমী পর্যন্ত। এ বছর দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে উপজেলার পৌর এলাকায় বিশেষ করে কুলিয়ারচর বাজারে এক ধরনের উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। সামপ্রদায়িক সমপ্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী এ উপজেলার সকল শ্রেণি-পেশার বিভিন্ন বয়সের বিভিন্ন স্তরের মানুষ, স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুশিল সমাজের সহযোগিতায় ধুমধামের সঙ্গে শারদীয় দুর্গাপূজা পালন করা হচ্ছে। সনাতন ধর্মাবলম্বী সমপ্রদায়ের আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, শিশু-কিশোর নির্বিশেষে সকল স্তরের ভক্তবৃন্দের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে পূজামণ্ডপগুলো।
শারদীয় দুর্গাপূজা পালনে এ বছর উপজেলার পৌর এলাকায় ১১টি, সালুয়া ইউনিয়নে ৯টি, রামদী ইউনিয়নে ৫টি, ফরিদপুরে ২টি, উছমানপুর ইউনিয়নে ২টি, গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নে ১টি ও ছয়সূতী ইউনিয়নে ৩টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পূজা অনুষ্ঠানের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতি মণ্ডপে ৫০০ কেজি করে চাল সরকারিভাবে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। নির্বিঘ্নে পূজাঅর্চনা পালনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এছাড়া সার্বক্ষণিকভাবে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইয়াছির মিয়া, কুলিয়ারচর পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমতিয়াজ বিন মুছা জিসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার আজিজ, কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হাই তালুকদার, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নিশিকান্ত দাস, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনমথ চন্দ্র দাস। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা পূজামণ্ডপগুলো পরিদর্শন করে ভক্তদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন।
এ বছর কুলিয়ারচর পৌর এলাকার কুলিয়ারচর শ্রী শ্রী কালীবাড়ী দাসপাড়া সর্বজনীন শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা, দাসপাড়া শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা বাবু জয়কৃষ্ণ দাস মহাশয়ের বাড়ী, ঘোষপাড়া শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা রামানন্দ ঘোষের বাড়ী, সনাতন যুব সংঘ শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা পূর্বগাইলকাটা ডাকবাংলার সামনে, কুলিয়ারচর বাজার শ্রী শ্রী কালীবাড়ী, ছয়সূতী ইউনিয়নের হাজারিনগর স্বর্গীয় নিবারন ভৌমিক ও স্বর্গীয় সুরেশ ভৌমিক মহাশয়ের বাড়ি, ছয়সূতী দাসপাড়া শ্রী শ্রী দুর্গা মণ্ডপ অমৃত দাসের বাড়িসহ এ বছর গত বছরের চেয়ে ২টি বেশী অর্থাৎ ২টি স্থানে নতুন করে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহাঅষ্টমী, কুমারী পূজা আজ

নতুন কাপড় আর বাহারি সাজে মণ্ডপে মণ্ডপে দেবী দুর্গাকে দেয়া হবে পুষ্পাঞ্জলি। শঙ্খ, উলুধ্বনি আর ঢাকের তালে আনন্দে মেতে উঠবে সকলে। আরাধনা করা হবে দেবী দুর্গার। হবে সন্ধি পূজা।
এই দিনেই মাতৃভাবে কুমারী কন্যাকে জীবন্ত প্রতিমা কল্পনা করে জগৎ জননীর উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা নিবেদন করে হবে কুমারী পূজা। শাস্ত্র মতে, এদিন পূজিত কুমারী কন্যার নামকরণ করা হয় ‘উমা’। ভক্তদের মতে, এটি একাধারে ঈশ্বরের উপাসনা, মানববন্দনা আর নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা। মূলত নারীর সম্মান, মানুষের সম্মান আর ঈশ্বর আরাধনাই কুমারী পূজার অন্তর্নিহিত শিক্ষা। পরদিন নবমীতে মণ্ডপে মণ্ডপে দেবীর মহা প্রসাদ বিতরণ করা হবে। সর্বশেষ দশমী তিথিতে দর্পণ বিসর্জনের মাধ্যমে বিদায় জানানো হবে দেবী দুর্গাকে। দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন করতে মা আনন্দময়ী কৈলাশ ছেড়ে তার চার সন্তানকে নিয়ে এসেছেন পিতৃলোক তথা আমাদের এই মর্তলোকে। আর মায়ের এই আগমনকে ঘিরে জমে উঠেছে পূজা মণ্ডপগুলো। ষষ্ঠীর দিন থেকেই মণ্ডপগুলোতে ভক্তদের উপস্থিতিই তার প্রমাণ দেয়। গতকাল মহাসপ্তমী তিথিতে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকেই প্রতিমা দেখতে ভির জমিয়েছেন দর্শণার্থীরা। লাল পাড় সাদা শাড়ির পাশাপাশি বাহারি সাজে সেজে মাকে বরণ করতে এসেছেন নারী-পুরুষেরা। দেশের বাইরে থেকেও এসে যোগ দিয়েছেন অনেকে। মন্দিরের নিরাপত্তাকে ঘিরে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি উপস্থিতি। বনানী মাঠে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের আয়োজিত দুর্গা পূজাঙ্গনে গিয়েও দেখা যায় নিরাপত্তা বেষ্টনির মধ্য দিয়ে মায়ের দর্শনে ছুটছে মানুষ। জমকালো আলোক সজ্জা আর কাঠামো দিয়ে সাজানো হয়েছে পুরো পূজাঙ্গন। এ ছাড়া কলাবাগান ক্রীড়াচক্র, খামারবাড়ি কৃষি ইনস্টিটিউটের দুর্গাপূজা মণ্ডপ, ফার্মগেট, রামকৃষ্ণ মিশন, মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দির, শাঁখারী বাজার, পশ্চিম ধানমণ্ডির দুর্গা মন্দির, আখড়া মন্দির, ফার্মগেট, বনশ্রীসহ রাজধানীর অন্যান্য এলাকাতে আয়োজিত পূজা মণ্ডপগুলোতে দর্শনার্থীদের ভির চোখে পড়ার মতো। এদিকে, মহাঅষ্টমী তিথিতে দেবীর কুমারী পূজাকে ঘিরে মণ্ডপগুলোতে নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। মাতৃভাবে কুমারী কন্যাকে জীবন্ত প্রতিমা কল্পনা করে জগৎ জননীর উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে এই দিনে। জানা যায়, রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজার এই আয়োজন সবচেয়ে আড়ম্বরপূর্ণ হয়ে থাকে। ফুলের মালা, চন্দন ও নানা অলঙ্কার-প্রসাধন উপাচারে নিপুণ সাজে সাজানো হবে কুমারীকে।
রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিবারের মতো এ বছরও আমরা কুমারী পূজার আয়োজন করেছি। ৫ থেকে ৬ বছরের বালিকাকে সাজানো হবে কুমারী মাতৃকারূপে। মাতৃকাশক্তির বীজরূপা হচ্ছে বালিকা। পুণ্যার্থীরা কুমারী মায়ের সামনে প্রার্থনায় সমবেত হবেন। এ উপলক্ষ্যে রামকৃষ্ণ মিশন ও এর আশপাশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
সার্বজনীন মহানগর পূজা কমিটির প্রধান পুরোহিত রনজিত চক্রবর্তী জানান, শুদ্ধাত্মা কুমারীতে ভগবতীর বেশি প্রকাশ। সব নারীতে মাতৃত্বরূপ উপলব্ধি করাই কুমারী পূজার প্রধান লক্ষ্য। হিন্দুশাস্ত্র অনুসারে, সাধারণত ১ থেকে ১৬ বছরের অজাতপুষ্প সুলক্ষণা কুমারীকে পূজায় উল্লেখ রয়েছে। বয়স ভেদে কুমারীর নাম ভিন্ন হয়। শাস্ত্রমতে এক বছর বয়সে সন্ধ্যা, দুইয়ে সরস্বতী, তিনে ত্রিধামূর্তি, চারে কালিকা, পাঁচে সুভগা, ছয়ে উমা, সাতে মালিনী, আটে কুঞ্জিকা, নয়ে অপরাজিতা, দশে কালসর্ন্ধভা, এগারোয় রুদ্রানী, বারোয় ভৈরবী, তেরোয় মহালক্ষ্মী, চৌদ্দয় পীঠনায়িকা, পনেরোয় ক্ষেত্রজ্ঞ এবং ষোল বছরে আম্বিকা বলা হয়ে থাকে। দেশ-জাতি তথা সকল মানবকূলের শান্তি কামনায় মহাঅষ্টমী তিথিতে কুমারি কন্যা দেবীরূপে পূজিত হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুঁজিবাজারে আস্থাহীনতা: বিদেশিরা কেনার চেয়ে বিক্রি করছে বেশি

বাজারের ওপর আস্থা না পাওয়ায় বিদেশিরা এভাবে শেয়ার বিক্রি করছেন বলে অভিমত বাজার সংশ্লিষ্টদের। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মাসে পর মাস শেয়ার বিক্রির চাপ অব্যাহত থাকায় সার্বিক শেয়ারবাজারেও মন্দাভাব দেখা দিয়েছে।
প্রায় সাত মাস ধরে মন্দা চলছে শেয়ারবাজারে।ডিএসই তথ্যে দেখা গেছে, গত সেপ্টেম্বর মাসের বিদেশিরা ডিএসইর মাধ্যমে ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭১ হাজার ৪৮০ টাকার শেয়ার কিনেছেন। বিপরীতে বিক্রি করেছে ৩১৮ কোটি ১৪ লাখ ২৮ হাজার ৭৮৮ টাকার শেয়ার। অর্থাৎ সেপ্টেম্বরে ৬০ কোটি ৩৫ লাখ ৫৭ হাজার ৩০৮ টাকার শেয়ার বেশি বিক্রি করেছে বিদেশিরা। শতাংশের হিসেবে ২৩ শতাংশ বেশি বিক্রি করা হয়েছে।
এর আগে আগস্টে বিদেশিরা যে টাকার শেয়ার ক্রয় করে, বিক্রি করে তার থেকে ১০৩ কোটি টাকার বেশি। মাসটিতে বিদেশিরা ১৭৬ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে বিক্রি করেছেন ২৭৯ কোটি টাকা।
জুলাইয়ে বিদেশিরা শেয়ারবাজার থেকে ৩০৯ কোটি টাকার শেয়ার ক্রয়ের বিপরীতে বিক্রি করেন ৪৭৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ জুলাইয়ে বিদেশিরা শেয়ার ক্রয় থেকে বিক্রি বেশি করেন ১৬৫ কোটি টাকার।জুলাই মাসের মতো আগের চার মাসেও বিদেশিদের শেয়ার বিক্রির চাপ ছিল। এর মধ্যে জুনে যে পরিমাণ টাকার শেয়ার ক্রয় করে, বিক্রি করে তার থেকে ১১ কোটি বেশি। মাসটিতে বিদেশিরা ২৯৫ কোটি টাকার শেয়ার ক্রয়ের বিপরীতে বিক্রি করেন ৩০৫ কোটি টাকা।
একইভাবে মে মাসে বিদেশিরা শেয়ার ক্রয় থেকে বিক্রি বেশি করে ৬৫ কোটি টাকা। তার আগের মাস এপ্রিলে ১৫৪ কোটি টাকা। আর মার্চে ক্রয় থেকে বিক্রি বেশি ছিল ১২৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিদেশিরা যে পরিমাণ টাকার শেয়ার ক্রয় করেছেন বিক্রি করেছেন তার থেকে ৬৮২ কোটি টাকা বেশি।
মাসের হিসাবে এর আগে বিদেশিদের শেয়ার বিক্রির টানা চাপ ছিল গত বছর। ২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত টানা পাঁচ মাস বিদেশিরা শেয়ার ক্রয় থেকে বিক্রি বেশি করেন। এর মধ্যে এপ্রিলে শেয়ার ক্রয় থেকে বিক্রি বেশি করে ২৫ কোটি, মে-তে ২৮২ কোটি, জুনে ২০৭ কোটি, জুলাইয়ে ৩৩ কোটি এবং আগস্টে ৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত বছর টানা পাঁচ মাসে বিদেশিরা শেয়ার ক্রয় থেকে বিক্রি বেশি করেন ৫৫৩ কোটি টাকা।
তবে টাকার অঙ্কে বিদেশিদের শেয়ার বিক্রির চাপ সব থেকে বেশি ছিল ২০১০ সালে। ওই বছরের অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা তিন মাস বিক্রি বেশি ছিল বিদেশিদের। এর মধ্যে অক্টোবরে ৬৩ কোটি টাকা, নভেম্বরে ১৫৭ কোটি টাকা এবং ডিসেম্বরে ৪৯৫ কোটি টাকা শেয়ার ক্রয় থেকে বিক্রি বেশি ছিল বিদেশিদের। অর্থাৎ টানা তিন মাসে বিদেশিরা ৭১৫ কোটি টাকা ক্রয় থেকে বিক্রি বেশি করে।
বিদেশিরা ২০১০ সালের যে সময় শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়ায়, সে সময়েই দেশের শেয়ারবাজারে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সৃষ্টি হয়। সে সময়ে মহাধসে নিঃস্ব হয় অসংখ্যা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী। ধকল সামলাতে না পেরে ধুকতে থাকে শেয়ারবাজার। দীর্ঘ প্রায় ৯ বছর পার হলেও এখনো সেই ধকল পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেনি শেয়ারবাজার। এ পরিস্থিতেই চলতি বছরে এসে আবারও শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়িয়েছে বিদেশিরা।
এদিকে গত সাত মাস বিদেশিরা অব্যাহতভাবে শেয়ার বিক্রি করলেও চলতি বছরের প্রথম দুই মাসের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি পর পর দুই মাস শেয়ার বিক্রি থেকে ক্রয়ে বেশি মনোযোগী ছিল বিদেশিরা। জানুয়ারিতে বিদেশিদের শেয়ার বিক্রি থেকে ক্রয় বেশি হয় ১৭৫ কোটি টাকা। আর ফেব্রুয়ারিতে বিক্রি থেকে ক্রয় বেশি ছিল ৩২৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ চলতি বছরের দুই মাসে বিদেশিরা যে টাকার শেয়ার বিক্রি করেন ক্রয় করেন তার থেকে ৪৯৮ কোটি টাকা বেশি। বিদেশিদের এমন টানা শেয়ার ক্রয়ের কারণে ওই দুই মাসে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের উত্থান ঘটে।
এদিকে টানা চার সপ্তাহ দরপতনের পর গত সপ্তাহের আগের সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখিতায় দেখা মিলে। তবে তা খুব বেশি দীর্ঘ হয়নি। সপ্তাহ না গড়াতেই আবার পতনের ধারায় ফিরে এসেছে শেয়ারবাজার। ফলে গত সপ্তাহে প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইর সবকটি মূল্য সূচকের পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে কমেছে বাজার মূলধন।
গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৭২ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৩ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা।
এছাড়া ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৫৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে ১৩৭টির দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে। অপরদিকে, দাম কমেছে ১৯৩টির। দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টির। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম কমার ফলে ডিএসইর সব সূচকের পতন হয়েছে। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৩০.৬৫ পয়েন্ট বা ০.৬২ শতাংশ। আগের সপ্তাহে এ সূচকটি বাড়ে ১১২.৪৮ পয়েন্ট বা ২.৩২ শতাংশ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারত থেকে কেনা বিআরটিসি বাসের মান নিয়ে প্রশ্ন by মরিয়ম চম্পা

কম কাজ করে। এই বাসে সিট বসানো হয়েছে ৪১টি। ফলে যাত্রী পরিবহন কম হচ্ছে।
মিরপুর ডিপোর দোতলা বাসচালক দুলাল আহমেদ জানান, বাসের গতি সর্বোচ্চ ৯০ কিলোমিটারে উঠলেই ইঞ্জিন গরম হয়ে যাচ্ছে। দুর পাল্লায় ঘণ্টায় ৭৫ কিলোমিটারের বেশি গতি ওঠেনা এসব গাড়ির। এছাড়া বাসের মেঝে কাঠের তৈরি হওয়ায় এটা খুব ঝুঁকিপূর্ণ। বিআরটিসি বাসের মিরপুর, শেওড়া, উত্তরাসহ একাধিক ডিপো ঘুরে অনুসন্ধানে জানা গেছে, সম্প্রতি ভারত থেকে বিআরটিসির ৬শ বাস ক্রয় করা হয়েছে। যার মধ্যে সাড়ে ৪শ বাস ইতিমধ্যে এসেছে দেশে। এর মধ্যে একতলা এসি বাস দুইশ, নন-এসি একতলা বাস একশ এবং দোতলা বাস কেনা হয়েছে তিনশটি। একতলা এসি বাসের মধ্যে এসেছে ১২৯টি। নন-এসি একতলা টাটা বাস এসেছে একশটি। দোতলা বাস এসেছে ১৬৮টি। টাটা কোম্পানি থেকে এসেছে নন এসি একতলা। অশোক লিলেন কোম্পানি থেকে এসেছে এসি ডাবল ডেকার বাস। ইতোমধ্যে নতুন এই বাসগুলোর কিছু বাসে ছাদ ফুটো হয়ে পানি পড়ছে। বাসের ডিপো ঘুরে সরেজমিনে দেখা যায়, এই বাসগুলোর বডিশিট অত্যন্ত নিম্নমানের। এ অবস্থায় অন্য কোনো বাসের সঙ্গে জোরে ধাক্কা লাগলে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়ার অবস্থা। অভিযোগ রয়েছে, বাসের বডি তৈরিতে নিম্নমানের শিট ব্যবহার করায় এমনটা হয়েছে। ওজনেও রয়েছে তারতম্য। বাসের ‘স্পেসিফিকেশন’ নথিতে উল্লেখ রয়েছে, বাংলাদেশ চেয়েছিল ১৬ হাজার দুইশ কেজি ওজনের বাস। সেখানে আমদানিকৃত এই বাসগুলোর ওজন ১৫ হাজার কেজিরও নিচে।
বিআরটিসি সূত্র জানায়, বিআরটিসি বাস তৈরি প্রক্রিয়ার তদারকিতে বহুবার ভারত সফরে গেছেন বিআরটিসির সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া। বাসের এসব ত্রুটির ব্যাপারে তিনি কোন উচ্চবাচ্য করেননি। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সাবেক চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়াকে ‘ম্যানেজ’ করেছে ভারতীয় কোম্পানী। ফলে বিআরটিসিকে ভারতীয় টাটা কোম্পানি এমন নিম্নমানের বাস ‘ধরিয়ে’ দিয়েছে।
গাবতলী বিআরটিসির সাবেক ডিপো ম্যানেজার বলেন, সম্প্রতি আমি গাবতলী থেকে বদলী হয়ে তেজগাঁও বিআরটিসির একটি ট্রেনিং সেন্টারে এসেছি। গাবতলী ডিপোতে থাকাকালে কয়েকটি টাটা কোম্পানির বাসের বিষয়ে অভিযোগ এসেছে। এসব বাসের ছাদ ফুটো হয়ে পানি পরার বিষয়টি আমি দেখেছি। পরে ছাদে উঠে দেখলাম কেনো পানি পড়ে। ছাদে যে ওয়েল্ডিং এর কাজ করা হয়েছে সেখানে কিছুটা ত্রুটি ছিল। যার কারণে ছাদের বিভিন্ন যায়গায় ফুটো হয়ে গেছে। সেখান দিয়ে বৃষ্টির পানি পড়তো। এ বিষয়ে হেড অফিসে আমি লিখিতভাবে এবং ছবি তুলে অভিযোগ পাঠিয়েছি। এটা নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি হয়েছে। সেখানে বুয়েটের প্রফেসর এবং বিআরটিএর অফিসাররা ছিলেন। ছিলেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। আমাদের ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তারাও ছিলেন। ওনারা সব দেখে একটি তদন্ত কমিটির রিপোর্ট সাবমিট করার পর বাসের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তারা দফায় দফায় অনেকগুলো বৈঠক করে ছাদ দিয়ে পানি পড়া বন্ধ করতে তাদের দেশের এক্সপার্টদের নিয়ে বাংলাদেশে আসেন। একাধিক পলিসি তারা আমাদের কাছে সাবমিট করেছিলেন। সম্প্রতি দুই ডিপোর মোট ৪টি গাড়িতে দুই রকমের পদ্ধতিতে এটা মেরামত করে দেয়া হয়েছে। মেরামত করার পরে তদন্ত কমিটির সদস্যরা পর্যক্ষেণ করে দেখেছেন। এ সম্পর্কে মন্ত্রণালয়ে একটি রিপোর্ট সাবমিট করা হবে। এরপর মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিবেন কোনটি রিপেয়ার করলে এটা আমরা যেমন চাচ্ছি তেমন হবে। এ বিষয়ে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মেরামত পরবর্তী একটি ওয়ারেন্টি দিবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। রিপোর্টে আরেকটি বিষয় উল্লেখ ছিল যে, ওয়েল্ডিং ছুটে যাওয়ার কারণে গাড়ি চলার সময় বডির সিট শব্দ করতো। আমার সন্দেহ ছিল হয়তো গাড়ির সিট প্রয়োজনের তুলনায় পাতলা দিয়েছে। যার কারণে এই শব্দটা হতো। এ বিষয়ে আমি সর্বপ্রথম রিপোর্ট করার পর জানা গেছে অধিকাংশ গাড়িতেই এ রকম সমস্যা হয়ে গেছে ইতোমধ্যে। তবে আমার ডিপোর অধিনে ডাবল ডেকার এসি চারটি বাসের বিষয়ে তেমন কোনো অভিযোগ পাইনি। ছোটখাটো সমস্যা থাকলেও এক বছরের ওয়ারেন্টি থাকায় ফোন করলে সঙ্গে সঙ্গে তারা এসে সমস্যা সমাধান করে দিয়ে গেছেন।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত সচিব ও বিআরটিসির চেয়ারম্যান মো. এহছানে এলাহী বলেন, সম্প্রতি আমি যোগদানের পর অভিযোগ ছিল আমাদের নন এসি বাসের ছাদ দিয়ে পানি পরে। ইতিমধ্যে এর সমাধান হয়ে গেছে। এ বিষয়ে ভারত থেকে টাটা কোম্পানির লোক এসেছে। তারা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে নিজ খরচে মেরামত করে দিবে। এবং তাদের কারখানা থেকে আমাদের গাড়ি আনতে যে ট্রান্সপোর্টেশন খরচ সেটাও তারা দিবেন। অতএব আমাদের বাসের ছাদে যে কারিগরি ত্রুটি ছিল সেটা সমাধান হয়েছে। বাকী ত্রুটি সম্পর্কে আমার জানা নেই। যদি অভিযোগ আসে দেখবো। এ বিষয়ে মন্ত্রী আমাকে বলেছেন, যদি বাসের কোনো সমস্যা দেখা দেয় তাহলে আমাকে তদন্ত করতে। তদন্ত করবো মন্ত্রণালয়ের সম্মতিক্রমে। যেটা মন্ত্রণালয় দেখবে।
বাসের বডি সিট নরম হওয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, স্পেসিফিকেশন মিটিং এ আমি ছিলাম। এখনকার নতুন বাসের বডিতে তারা ফোম জাতিয় কিছু একটা দিয়ে নরম করে। যাতে করে দুর্ঘটনা হলে ভেতরে যারা প্যাসেঞ্জার থাকেন তারা নিরাপদে থাকবেন। আর বাইরের ধকলটা বাসের ওপর চলে যায়। এটা নরম করার কারণ, বডিটা যেন ফোমের মতো হয়। আমার মনে হয়, এটা উন্নত মানের কোনো স্পেসিফিকেশন। এটা ঠিক আছে। কোম্পানি থেকে অনেক আগেই আমাদের বলা হয়েছিল, বাসের বডি এমন হবে যে, মানুষ দুর্ঘটনায় আহত কম হবে। ফোমের বালিশে চাপা দিলে যেমন বাঁকা হয়ে যায়, পরে ঠিক হয়ে যায়। নতুন বাসের বডিও ঠিক একই রকম করা হয়েছে। তিনি বলেন, নতুন তিন ক্যাটাগরির বাসই চেক করা হবে। নন এসি ইতোমধ্যে করা হয়েছে। এসি এবং ডাবল ডেকার চেক করা হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২০২০ সালে কে হবেন ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী?

অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে এখন পর্যন্ত মোট ২১ জন বাছাইপর্বে নিজেদের নাম ঘোষণা করেছেন। এদের মধ্যে ৪০ শতাংশ জনসমর্থন নিয়ে সকলের চেয়ে এগিয়ে ৭৬ বছরের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বয়সের এই মনস্তাত্ত্বিক প্রতিবন্ধকতাটুকু অতিক্রম করতে পারলে তিনি প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হবেন, এ কথা অধিকাংশ ডেমোক্র্যাটিক নির্বাচনী বিশেষজ্ঞ মনে করেন। তিনি নিজেকে বারাক ওবামার যোগ্য উত্তরসূরি বলে ভাবেন। সেই কারণে ওবামার সময়ে যে গণতান্ত্রিক কোয়ালিশন গঠিত হয়েছিল, তারা তাকেই সমর্থন জোগাবেন। এই অঙ্ক কষে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে তিনি অগ্রসর হচ্ছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বঘোষিত সমাজতন্ত্রী সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। তার প্রতি ডেমোক্র্যাটিক ভোটারদের সমর্থন রয়েছে ২১ শতাংশ। এই দু’জন ছাড়া অন্য কারো ৭ থেকে ৮ শতাংশের বেশি জনসমর্থন নেই। বাইডেনের এগিয়ে থাকার কারণ বাছাইপর্বে ডেমোক্র্যাটিক ভোটাররা এমন একজনকে খুঁজছেন, যিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করতে পারেন। লড়াই যেন হয় সেয়ানে-সেয়ানে।
২০১৬ সালের নির্বাচনে স্যান্ডার্স তার প্রগতিশীল রাজনৈতিক কর্মসূচির জন্য আমেরিকার নবীন ভোটারদের নজর কেড়েছিলেন। তাদের সমর্থনেই অভাবিত তহবিল সংগ্রহে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি। এবারে অবস্থা ভিন্ন। ডেমোক্র্যাটদের মূল লক্ষ্য যেভাবেই হোক ট্রাম্পকে পরাজিত করা। এর জন্য তারা মধ্যপন্থী বাইডেনের নানা অতীত দুর্বলতা উপেক্ষা করতেও প্রস্তুত। জনমতে এই মুহূর্তে এগিয়ে থাকলেও স্যান্ডার্সকে উপেক্ষা করা অবশ্য বাইডেনের পক্ষে সম্ভব হবে না। তরুণদের চোখে তিনি এখনো বিদ্রোহী নায়ক। বাছাইপর্বের নির্বাচনে নিজের অবস্থান সংহত করতে স্যান্ডার্স কিছুটা অপ্রত্যাশিত তীব্রতায় বাইডেনের সমালোচনা করে চলছেন। বাইডেন এর আগে ত্রিদেশীয় বাণিজ্য চুক্তি নাফটা ও চীনের সঙ্গে স্থায়ী বাণিজ্য চুক্তি সমর্থন করেছিলেন। স্যান্ডার্সের অভিযোগ, এই দুই চুক্তির ফলে আমেরিকার শ্রমিকশ্রেণি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সম্ভবত ৪০ লাখের মতো কর্মসংস্থান খোয়া গিয়েছে। স্বাস্থ্যবিমার প্রশ্নে বাইডেনের প্রস্তাবেরও সমালোচনা করেছেন স্যান্ডার্স। এই পরিকল্পনা মোটেই বাস্তবের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে মন্তব্য তার।
বাছাইপর্ব অনেকটা দূরপাল্লার দৌড়। আগামী বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি আইওয়ায় প্রথম বাছাইপর্বের নির্বাচন হবে। এই সময়ের মধ্যে অবস্থা অনেকটা বদলেও যেতে পারে। অতীতে দেখা গেছে, প্রথমে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত দৌড়ে পিছিয়ে পড়েছেন অনেকে। তবে এই মুহূর্তের নির্বাচনী হাওয়া থেকে এমন ভাবা অসম্ভব নয় যে বাইডেন ও স্যান্ডার্সের মধ্যেই ডেমোক্র্যাটিক বাছাইপর্বের প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমাবদ্ধ থাকবে।
২০১৮ সালের নির্বাচনে মহিলা ও সংখ্যালঘু ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির তৃণমূল পর্যায়ের অনেকে আশা করেছিলেন, ২০২০ সালের নির্বাচনে মহিলা ও সংখ্যালঘু প্রার্থীরা অনেক বেশি নজর কাড়বেন। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির যে ২১ জন প্রার্থী বাছাইপর্বে নিজেদের নাম ঘোষণা করেছেন, তাদের মধ্যে সিনেটর কমলা হ্যারিস ও সিনেটর কোরি বুকার এই যোগ্যতার মাপকাঠিতে উতরে যান। কিন্তু দু’জনের কেউ এখনো তেমন জনসমর্থন আদায় করতে পারেননি। এই অবস্থায় বাস্তবতা স্বীকার করে কেউ কেউ কমলা হ্যারিসকে জো বাইডেনের রানিংমেট হিসেবে দেখার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ৫৪ বছরের হ্যারিস শুধু একজন আফ্রিকান-আমেরিকানই নন, তিনি বাইডেনের তুলনায় অনেক বেশি প্রগতিশীল। ফলে, দলের বামঘেঁষা অংশ, যারা বাইডেনের ব্যাপারে সন্দিহান, তারা হ্যারিসকে বাইডেনের পাশে দেখলে হয়তো কিছুটা আশ্বস্ত হবে। এই মনোভাব ব্যক্ত করে ম্যারিল্যান্ডের ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেস সদস্য অ্যান্থনি ব্রাউন বলেছেন, এঁরা দুজনে একজোট হলে সবদিক দিয়েই ‘ভারসাম্য’ অর্জিত হয়।
ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও আগাম ঘোষণা করে দিয়েছেন, ২০২০ সালে তাকে বাইডেনের সঙ্গেই লড়তে হবে। একাধিক সূত্রে বলা হয়েছে, মধ্যপন্থী ও শ্রমজীবী শ্বেতকায় আমেরিকানদের মধ্যে বাইডেনের বিপুল জনসমর্থনে ট্রাম্প কিছুটা হলেও উদ্বিগ্ন। বাইডেন ইতিমধ্যে একাধিক শ্রমিক ইউনিয়নের সমর্থন অর্জন করেছেন। ২০১৬ সালে এদের অনেকেই ট্রাম্পের পক্ষে ভোট দিয়েছিল। আগামী বছর হোয়াইট হাউস দখল করতে হলে ডেমোক্র্যাটদের তাদের এই হারিয়ে যাওয়া সমর্থকদের ফের নিজদের শিবিরে ফিরিয়ে আনতে হবে। অনেকেই বলছেন, কাজটা এই মুহূর্তে অন্য যে–কারো চেয়ে বাইডেনের পক্ষেই সম্ভব।
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ম্যাসাচুসেটস থেকে নির্বাচিত প্রগতিশীল হিসেবে পরিচিত সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন। ৬৯ বছরের ডেমোক্র্যাট ওয়ারেন তার কঠোর ট্রাম্পবিরোধী অবস্থানের কারণে দলের প্রগতিশীলদের কাছে প্রিয়পাত্র। মহিলাদের কাছে তিনি পছন্দের। হিলারি প্রেসিডেন্ট হতে না পারায় যারা মনঃকষ্টে রয়েছেন, ওয়ারেন তাদের জন্য সান্ত্বনার কারণ হতে পারেন। এই মুহূর্তে তার প্রধান লক্ষ্য, আগামী বছর নির্বাচনী প্রচারের আনুষ্ঠানিক শুরুর আগে যতটা সম্ভব চাঁদার বাক্স ভরে তোলা। দলকে এক করার ব্যাপারেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সম্প্রতি নেভাডায় এক সভায় ওয়ারেন বলেন, ‘ট্রাম্প আমলে যে জঞ্জাল সৃষ্টি হয়েছে, তা পরিষ্কার করতে চায় ঐক্যবদ্ধ ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। আমি সেই কাজেই মনোনিবেশ করতে চাই।’ ওয়ারেনের এই মন্তব্য উদ্ধৃত করে নিউ ইয়র্ক টাইমস টিপ্পনী কেটেছে, সে জঞ্জাল পরিষ্কারে তিনিই যে সেরা প্রার্থী, শুধু সে কথাটা বলাই বাদ রেখেছেন।
তবে এই রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপের একটি অজ্ঞাত উপাদান হবেন বারাক ওবামা। কে না জানে, ওবামাই এখনো ডেমোক্র্যাটিক পার্টিতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি। ফলে, শেষ পর্যন্ত ওবামা যার পাশে দাঁড়াবেন তার পাল্লাই হবে ভারি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অগ্রগতির পথ এত মসৃণ ছিল না-সালমান এফ রহমান

‘দ্য সিক্রেট টু বাংলাদেশ’স ইকোনমিক সাকসেস? দ্য শেখ হাসিনা ফ্যাক্টর’- শীর্ষক এই নিবন্ধে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সফলতার দিকগুলো তুলে ধরতে গেলে পণ্ডিতরা বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার মতো বেশকিছু বিষয়ের কথা বলবেন।
কিন্তু এই সব অর্জনের কোনোটিই সহজ ছিল না। শেখ হাসিনা সরকার যখনই নীতিগুলো প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে গেছেন, প্রায়ই বিপুল রাজনৈতিক ঝুঁকি ও জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। এর উদাহরণ হিসেবে বিদ্যুৎ খাতের কথা তুলে ধরেন সালমান এফ রহমান।
তিনি বলেন, অর্থনীতিতে শেখ হাসিনা সরকারের অবদানের বিষয়ে কেউই বিরোধিতা করবে না। সামপ্রতিক সময়ে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) ও এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে। তারা বাংলাদেশকে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের মধ্যে সবথেকে দ্রুত বর্ধনশীল রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেছে। একই সময় বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় এগিয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন, এক দশক আগে কেউ যদি আমাকে বলতো বাংলাদেশ এত উন্নতি করবে তাহলে তা আমি বিশ্বাস করতাম না।
কিন্তু এখন আমি নিজেই এই ঘটনার ব্যাখ্যা দিচ্ছি। এক দশক আগে যখন আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতা গ্রহণ করলো তখন দেশ শ্বাসরোধী বিদ্যুৎ ঘাটতিতে ধুঁকছে। সেখানে বর্তমানে রাতে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় চাহিদার চেয়ে বেশি এবং চিরতরে যে কোনো ধরনের বিদ্যুৎ ঘাটতি দূর করার কাছাকাছি পৌঁছেছে সক্ষমতা।
২০০৯ সালে যখন তিনি ক্ষমতায় ফিরলেন, শেখ হাসিনা জানতেন যে, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার দিকে যাওয়ার আগে প্রথমে বিদ্যুৎ ঘাটতি একটি সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে। স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ হিসেবে তিনি বিভিন্ন কোম্পানিকে কুইক রেন্টাল নামে স্বল্প ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের অনুমোদন দেন।
বিভিন্ন পক্ষ থেকে ওই পদক্ষেপের সমালোচনা আসার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ছাড়াও অর্থনীতিবিদ থেকে শুরু করে সংবাদমাধ্যম ও গবেষণা সংস্থা এর সমালোচনায় সোচ্চার হয়, যাতে আমলাতন্ত্রের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়।
কিন্তু শেখ হাসিনা সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য যা সঠিক মনে করেছেন, তার থেকে পিছু হটেননি। বলিষ্ঠভাবে নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, কোনো ধরনের আইনি অস্পষ্টতা থাকলে তা দূর করতে সংশোধনী এনেছেন এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। প্রায় ১০ বছর পর এখন ওই সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা নিয়ে কারও সংশয় নেই বলেই তার বিশ্বাস।
একইভাবে বেসরকারি খাতের জন্য নতুন নতুন দিক উন্মুক্ত করা, টেলিযোগাযোগ খাতের একক ব্যবসা বন্ধ করে প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টি করে ডেটা ও ভয়েস কলের মূল্য বিশ্বের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নিয়ে আসা, দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা তৈরি, দাতাদের সাহায্যের দিকে তাকিয়ে না থেকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন- শেখ হাসিনার এ রকম নানা নীতি ও উদ্যোগের মাধ্যমেই বাংলাদেশ এই অবস্থানে পৌঁছেছে বলে উল্লেখ করেন সালমান এফ রহমান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
October
(602)
-
▼
Oct 06
(27)
- ক্ষতিকর প্রকল্প বাংলাদেশে সুবিধা ভারতের: -সুলতানা ...
- সৌদি নিষেধাজ্ঞায় ইয়েমেনের চিকিৎসা ব্যবস্থায় ধস: কষ...
- সিলেটে টোকাই থেকে ‘ভয়ঙ্কর’ অপরাধী রাজু by ওয়েছ খছরু
- জামিন আর প্যারোলের টানাহেঁচড়ায় ঝুলে গেছে খালেদা ...
- যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাট গ্রেপ্তার
- কাশ্মীরে কিছু লুকানোর না থাকলে, সেখানে ঢুকতে দিতে ...
- শীর্ষ র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় কেন ন...
- উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বাংলাদেশ রোল মডেল: -ভারতের...
- আমরা আইনহীন সমাজের দিকে যাচ্ছি: -ড. শাহদীন মালিক
- হাসিনা-মোদি বৈঠক: অগ্রগতি নেই তিস্তায় ফেনী নদীর পা...
- ঢাকায় দিনে দুই কোটি টাকা চাঁদা আদায়: পরিবহন সেক্টর...
- মহাকাশে নভোচারী পাঠাবে ইরান: প্রযুক্তিমন্ত্রী
- আতঙ্কে শোভন-রাব্বানী এড়িয়ে চলছেন ঘনিষ্ঠজনদেরও
- বিহারি ক্যাম্পে ত্রিমুখী সংঘর্ষ, গুলিতে চোখ গেল যু...
- শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে কুলিয়ারচরে মণ্ডপে মণ্ডপে প্...
- মহাঅষ্টমী, কুমারী পূজা আজ
- পুঁজিবাজারে আস্থাহীনতা: বিদেশিরা কেনার চেয়ে বিক্রি...
- ভারত থেকে কেনা বিআরটিসি বাসের মান নিয়ে প্রশ্ন by ম...
- ২০২০ সালে কে হবেন ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী?
- অগ্রগতির পথ এত মসৃণ ছিল না-সালমান এফ রহমান
- ইরানের সার্বিক উন্নয়নে নারীদের ভূমিকা
- বাংলাদেশে এক স্বৈরাচারের দাফন, আরেকজনের বজ্রমুষ্টি
- অপর্যাপ্ত ঘুমে হতে পারে মানসিক সমস্যা! by সত্যজিৎ পাল
- প্রকৃতি কন্যা জাফলং ও সিলেটের ‘নীল নদ’ লালাখাল by ...
- রাখির দাবি
- সিলেটে স্বামী-স্ত্রীর মানবপাচার চক্র by ওয়েছ খছরু
- রাখির নতুন ভিডিও ঘিরে তোলপাড়
-
▼
Oct 06
(27)
-
▼
October
(602)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

