Wednesday, February 21, 2018
নওয়াজ শরীফ পরিবারের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে আদালত

এতে বলা হয়, ২২ শে ফেব্রুয়ারি একটি দুর্নীতি মামলায় শুনানির জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ, তার মেয়ে মরিয়ম নওয়াজ, অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন সাফদার হোসেনকে তলব করেছে এনইবি। এক্ষেত্রে নওয়াজ শরীফের স্ত্রী কুলসুম নওয়াজের অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে নওয়াজ পরিবার আদালতে উপস্থিত হওয়া থেকে মুক্তি চেয়ে আবেদন করে। কিন্তু সেই আবেদন অনুমোদন করে নি আদালত। উল্টো বলে দেয়া হয়েছে, কোনো ব্যক্তির স্ত্রী অসুস্থ থাকা শুনানি এড়িয়ে যাওয়ার জন্য কোনো যৌক্তিক কারণ নয়। বর্তমানে কুলসুম নওয়াজ অসুস্থ হয়ে লন্ডনে চিকিৎসাধীন। এক্ষেত্রে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তার এটর্নি নিয়োগের বিষয়টি অগ্রহণযোগ্য বলেও মন্তব্য করেছে আদালত। কুলসুম নওয়াজ সম্পর্কে মেডিকেল রিপোর্টে বলা হয়েছে, তাকে ক্যান্সারের চিকিৎসা হিসেবে ছয়টি কেমোথেরাপি নিতে হবে। এ চিকিৎসা প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, কুলসুন নওয়াজের ক্যান্সার উল্লেখযোগ্য নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ভবিষ্যত চিকিৎসার জন্য তাকে রেডিওথেরাপি নিতে হবে। এর আগে ১৫ই ফেব্রুয়ারি বিচারপতি বশির একটি অর্ডার ইস্যু করেন। তাতে পানামাগেট কেলেঙ্কারি নিয়ে যৌথ তদন্ত টিমের (জেআইটি) প্রধানকে একটি নির্দেশনা দেন। তাতে ২২শে ফেব্রুয়ারির মধ্যে অরিজিনাল রেকর্ড পেশ করতে নির্দেশ দেয়া হয়। এ নির্দেশ পালন করতে অ্যাভেনফিল্ড এপার্টমেন্ট বিষয়ে বিদেশী দু’জন প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য রেকর্ড করার কথা। উল্লেখ্য, জেআইটির প্রধান এখন ওয়াজিদ জিয়া। তিনি ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির অতিরিক্ত মহাপরিচালকও।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিচারক ‘জুডিশিয়াল ফ্রড’: রিজভী

কীভাবে বিকৃত করে বিচারক রায় দিয়েছেন। প্রশ্নবোধক চিহ্ন তুলে দিয়ে উনি দাড়ি দিয়ে দিয়েছেন। রিজভী অভিযোগ করে বলেন, ন্যায়বিচারকে পদদলিত করে বিচারক ড. আখতারুজ্জামান যে কুৎসিত দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তাতে তিনি ইতিহাসে কলঙ্কিত ব্যক্তি হয়ে থাকবেন। শেখ হাসিনার জমানায় ইনসাফ যে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে তা এই ড. আখতারুজ্জামানদের মতো বিচারকদের কারণে। কেবলমাত্র সরকার প্রধানকে সন্তুষ্ট করার জন্য এমন রায় দিয়েছেন তিনি। নিজের চাকরির পদোন্নতির জন্যই তিনি বেগম জিয়ার বক্তব্যকে বিকৃত করে তার রায় লিখেছেন বলে জনগণ মনে করে। পক্ষপাতদুষ্ট এই বিচারকরা সরকারের অনুগ্রহভাজন হওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকায় এই ভোটারবিহীন সরকার গণতন্ত্রকে ধুলোয় লুটিয়ে দেশে অরাজকতা, বিশৃঙ্খলা, হিংসা ও গুম-খুনে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এটাই কি অলিম্পিকের সর্বকালের সেরা প্রেমের গল্প?

সারা বিশ্বেই স্কেটিং ভক্তরা, বিশেষ করে কানাডার বাসিন্দারা এই দুই সহকর্মীর একটি সফল পরিণতি দেখতে চান। সামাজিক মাধ্যমে কানাডার লোকজনের বেশিরভাগ স্ট্যাটাসে এখন সেই আকাঙ্ক্ষাই ঘুরে বেড়াচ্ছে।
১৯৯৭ সাল থেকে একসঙ্গে স্কেটিং করছেন এই যুগল। তারা অলিম্পিকের দুইটি শীর্ষ পদক, তিনবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, আটবার জাতীয় পর্যায়ের চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। তাদের এই সাফল্য বিশাল ভক্ত বাহিনীও তৈরি করেছে। তারও আগে থেকে, প্রায় ৪০বছর আগে দুজনের পরিচয় হয়, যখন তারা একেবারে কিশোর বয়সে স্কেটিং প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করেন।
কিন্তু তাদের এসব সাফল্যের চেয়েও যেন ভক্তদের কাছে তাদের রসায়নের বিয়ষটিই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।
কানাডার ওয়াং যেমন মন্তব্য করেছেন, ''তারা কয়টি পদক পেলেন, সেটা এখন আর কোন বিষয় না।
তারা প্রেম করছে।'' টরেন্টো স্টারের সাংবাদিক ব্রুস আর্থার টুইটারে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ''এই দুজনের ভাস্কর্য কোথায় বসানো যায়? তাদের নিজেদের শহরে নাকি অন্য সবার শহরে?''
তার জবাব পেয়েছেন, ''দেশের প্রতিটি প্রান্তে তাদের ভাস্কর্য থাকা উচিত, যেখানে তারা একে অপরের দিকে তাকিয়ে থাকবে। আর আমরা তার মাঝে গিয়ে তাদের ভালোবাসা উপলব্ধি করতে পারবো।''
যদিও নিজেদের মধ্যে কোন প্রেমের সম্পর্কের কথা নাচক করে দিয়েছে এই যুগল। তাই বলে সামাজিক মাধ্যমে অবশ্য জল্পনা কল্পনা থেমে নেই। হয়তো তাদের রসায়নকে বাস্তব করার চেষ্টাতেই, একজন ময়ারের উইকিপিডিয়া একাউন্টে ঢুকে লিখে দিয়েছেন যে, এই যুগল ২০১৮ সালের গ্রীষ্মে বিয়ে করতে যাচ্ছে।
তাদের এই সম্পর্কের বিষয়টি এখন আর শুধু কানাডার লোকজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। যেমন যুক্তরাষ্ট্রের একজন টুইটারে লিখেছেন, ''আগে আমি হাজার ভাগ আমেরিকান সমর্থক ছিলাম। কিন্তু ভার্চু আর ময়ারের বরফ নৃত্য দেখার পর আমি একজন কানাডিয়ান হয়ে গেছি।'' কানাডার ব্রডকাস্টার সিবিসি তাদের বিশ বছরের ক্যারিয়ার নিয়ে একটি পাঁচ মিনিটের ভিডিও তৈরি করেছে।
ভার্চু আর ময়ার কিছু না বললে কি হবে, বেশিরভাগ কানাডিয়ানের নিশ্চিত ধারণা, তারা প্রেম করছেন। তাদের অনেকে দ্রুত একটি এনগেজমেন্ট তারিখ ঘোষণার দাবি করছেন। কিভাবে স্কট টেসাকে বিয়ের প্রস্তাব দেবেন, তা নিয়েও টুইটারে শুরু হয়েছে বিতর্ক।
তবে দুঃখজনক ব্যাপার হলো, এই যুগল আভাস দিয়েছেন, এই অলিম্পিকের পরেই তারা অবসরে চলে যেতে পারেন। কিন্তু তাদের সহকর্মীর সম্পর্ক অন্য কোন দিকে রূপ নেবে কিনা, সেই আভাস দুজনের কেউই দেননি।
সূত্রঃ বিবিসি বাংলা
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকায় ভিক্ষুক সিন্ডিকেট সক্রিয় ২০-২৫ চক্র by শুভ্র দেব
স্বামী হারিয়েছেন আরো ১৫ বছর আগে। দুই মেয়েকে নিয়ে ছিল সংসার। রাজধানীর অলিগলিতে ভিক্ষা করে মেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন। এখন তিনি নগরীর হাইকোর্ট এলাকার ফুটপাথেই থাকেন। সকাল হলেই ভিক্ষার উদ্দেশ্যে বের হন। সঙ্গে গাড়ি ঠেলার জন্য রাখেন ৮/১০ বছর বয়সী কোনো শিশুকে। সারাদিন ভিক্ষা করে যা আয় হয় সেখান থেকে ওই শিশুকে দুপুরের খাবার ও আরো ৫০ টাকা তাদের দিতে হয়। মানবজমিনের সঙ্গে আলাপকালে হালিমা বলেন, এখন আর আগের মতো আয় হয় না। সারাদিন ঘুরলে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় হয়। কারণ এখন প্রতিবন্ধী ভিক্ষুকের চেয়ে সুস্থ ভিক্ষুকই বেশি। সুস্থ ভিক্ষুকের পেছনে সিন্ডিকেট জড়িত। তাদেরকে ভাড়া করে নিয়ে আসা হয়। তাই সিন্ডিকেটের ভিক্ষুকের দাপটে আমরা ভিক্ষা করতে পারি না।
রাজধানী ঢাকায় এখন ভিক্ষুক নিয়ে সিন্ডিকেট চলছে। মাসিক বা রোজ চুক্তিতে সিন্ডিকেটরা ভিক্ষুক সংগ্রহ করে। আর এই সিন্ডিকেট চক্রে ২০-২৫টি চক্র সক্রিয় রয়েছে। এই চক্রের সদস্যরা প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় কাজ করে থাকে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসব সিন্ডিকেট চক্রের অনেকেরই ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি পর্যন্ত রয়েছে। এমনকি রাজধানীর বুকে দাপিয়ে বেড়িয়ে আরো নানান অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে। গোয়েন্দা সূত্র বলছে, অনেকেই দিনে ভিক্ষাবৃত্তি আর রাতে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ভিক্ষুকের ছদ্মবেশেই তারা মাদকের কারবার করে থাকে। নগরীর ফার্মগেট, বিজয় সরণি, শাহবাগ, হাইকোর্ট এলাকা, মালিবাগ-মৌচাক-শান্তিনগর, মতিঝিল, গুলিস্তান, যাত্রাবাড়ী-সায়েদাবাদ, বিমানবন্দর এলাকা, পুরান ঢাকা, গাবতলী পোস্তগোলাসহ আরো কিছু এলাকায় এসব চক্র সক্রিয়। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অসহায়, গরিব, কর্মহীন পুরুষ মহিলাকে এনে ভিক্ষুকের রূপ ধারণ করিয়ে রাস্তায় নামানো হয়। সারাদিন যা আয় হয় তার পুরোটাই তুলে দেয়া হয় সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যদের হাতে। সেখান থেকেই কিছু টাকা ভিক্ষুকদের দেয়া হয়। সিন্ডিকেটের চক্রে ভিক্ষা করেন এমনই একজন নেত্রকোনার আলী হোসেন। অভাবের সংসারে যখন টানাপড়েন চলছিল তখনই প্রতিবেশী হারুন মিয়ার হাত ধরে ঢাকায় আসেন। সেখানে আসার পর তাকে বিশেষভাবে ট্রেনিং দিয়েই রাস্তায় নামানো হয়। আলী হোসেন মানবজমিনকে বলেন, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে অনেক কষ্টে দিন পার করছিলাম। কোনো উপায় না পেয়ে এই পথেই নেমেছি। গুলশান এলাকায় ভিক্ষা করে মাসে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা আয় করতে পারি। তবে আয়ের বেশির ভাগ টাকাই হারুন ভাই নিয়ে যায়। আমি ছাড়া আরো ১০ জন ভিক্ষুক হারুন ভাইয়ের নেতৃত্বে কাজ করে। সবাই রাতের বেলা তার হাতে সব টাকা তুলে দেই।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, শুধু হারুন মিয়া নন। রাজধানীর ভিন্ন ভিন্ন এলাকার দায়িত্বে আছে আলাদা আলাদা চক্র। নির্দিষ্ট এলাকায় মধ্যে তাদেরই নির্ধারিত লোকেরা ভিক্ষা করে। এর বাইরে যারা ভিক্ষা করে তারা তেমন একটা সুবিধা করতে পারে না। শুধু ভিক্ষার ক্ষেত্রেই নয় স্থানীয় কোনো অনুষ্ঠানে খাবার গ্রহণ, শীতবস্ত্র গ্রহণ, ফুটপাথে থাকার স্থান পেতে সর্বত্রই সিন্ডিকেটের কবলে থাকা ভিক্ষুকদের দাপট বিরাজ করে। শুধু তাই নয়, এই সিন্ডিকেট চক্র সুস্থ মানুষকে প্রতিবন্ধী করেও ভিক্ষুক হিসাবে তৈরি করে। জন্মের কয়েক বছর পর অভাবী সংসারের ছেলে মেয়েকে কিছু টাকা দিয়ে তারা কিনে আনে। হাড়ির ভেতরে দীর্ঘদিন রেখে শরীরের হাড় বাঁকা করে প্রতিবন্ধীর মতো তৈরি করা হয়। পরে শহরের বিভিন্ন স্থানে রেখে এদেরকে দিয়ে ভিক্ষা করানো হয়। ছোট ও প্রতিবন্ধী দেখে মানুষও তাদেরকে বেশি বেশি ভিক্ষা দেয়।
ভিক্ষুক নিয়ে দেশে তেমন কোনো জরিপ হয় না। সমাজসেবা অধিদপ্তর সর্বশেষ ২০১১ সালে ভিক্ষুক নিয়ে একটি জরিপ চালিয়েছে। সেখানে তারা মাত্র ১০ হাজার ভিক্ষুকের তালিকা করেছিল। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে রাজধানীতে ভিক্ষুকের সংখ্যা লাখেরও বেশি। ভিক্ষা কোনো পেশা না থাকলেও অনেকেই এই ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা হিসাবে নিয়েছে। বিভিন্ন সময় দেশের ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিলেও তা আর আলোর মুখ দেখেনি। বেশ কিছুদিন আগে সমাজসেবার পক্ষ থেকে বিভিন্ন ভিক্ষুককে রিকশা, ভ্যান, সেলাই মেশিন কিনে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ভিক্ষুকরা এগুলো বিক্রি করে দিয়ে পুনরায় ভিক্ষায় নেমে পড়ে। ফলে ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া বেশি দূর এগিয়ে নেয়া যায়নি। তবে এখন আবার নতুন করে ভিক্ষুকদের নিয়ে চিন্তা করছেন বলে জানিয়েছেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ভিক্ষুকমুক্ত এলাকা হিসাবে সাইনবোর্ড ঝুলানো হয়েছে। এর মানে হল এসব এলাকায় কেউ ভিক্ষা করতে পারবে না। কিন্তু খোদ এসব এলাকায়ই ভিক্ষুকরা দেদার ভিক্ষা করছে। রাজধানীর সার্কিট হাউস রোড, মিন্টু রোড, হেয়ার রোড, বনানী, গুলশানে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। বনানী এলাকায় ভিক্ষুক ফরমান আলী মানবজমিনকে বলেন, বনানী কাঁচা বাজার এলাকায় আমরা ৮/১০ জন ভিক্ষুক এক সঙ্গে থাকি। আমাদের একজন দলনেতা আছেন। তার নেতৃত্বেই আমরা বনানী এলাকায় ভিক্ষা করি। কারণ অভিজাত এলাকা থাকার কারণে এখানে বেশি আয় হয়। ফরমান বলেন, ঢাকায় আমার প্রতি মাসে বিভিন্ন খরচ বাবদ ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা লাগে। এর বাইরে বাড়িতে আমার দুই ছেলে এক মেয়ের ও স্ত্রী আছে। তাদের খরচের জন্য মাসে ৮/১০ হাজার টাকা পাঠাতে হয়। এই সব টাকাই আমাকে ভিক্ষা করে উপার্জন করতে হয়। তবে যদি কারো নেতৃত্বে ভিক্ষা না করতাম তবে আরো বেশি আয় হত। বিজয়সরণি মোড়ে ময়মনসিংহের শফিকুল ইসলাম নামের এক ভিক্ষুক জানান, আমার বড় ছেলে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে। মেয়েও এবার এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। স্ত্রী সন্তানের খরচ ও আমার ঢাকায় থাকার সব খরচ মিলিয়ে সবই আমি ভিক্ষা করে উপার্জন করি। কিন্তু দিনদিনই ভিক্ষুকের সংখ্যা বাড়ছে। শফিক বলেন, শুধু বিজয়সরণি মোড়ে অন্তত ১০০ জনের মত ভিক্ষুক আছে। এদিকে নিয়মিত ভিক্ষুকের পাশাপাশি রাজধানীতে কিছু মৌসুমি ভিক্ষুকও আছে। যারা শুধু শুক্রবার ও শনিবার ভিক্ষা করে। সরজমিন দেখা যায়, প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের সময় মসজিদের সামনে দল বেঁধে লাইন ধরে তারা দাঁড়িয়ে থাকে। মুসল্লিরা নামাজ পড়ে বের হওয়ার সময় তারা ভিক্ষা চায়। এতে করে ভিক্ষুকের যন্ত্রণায় অনেক সময় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন মুসল্লিরা।
সমাজবিজ্ঞানী ড. সাদেকা হালিম মানবজমিনকে বলেন, এটা রাষ্ট্রের একটা দায়িত্ব। কারণ রাস্তেঘাটে চলাচল করলে ভিক্ষুকরা নানাভাবে হেনস্তা করে। এমনকি গাড়িতে বসে থাকলেও কাচে থাপড়ানো হয়। এই বিষয়গুলো একটু অন্যরকম দেখায়। যদি তাদের পুনর্বাসন, কাজের ব্যবস্থা করা হত তবে আর এমন হতো না। তাই সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যান্য মন্ত্রণালয়ও এর দায়িত্ব নিতে হবে। তিনি বলেন, ভিক্ষুকদের নিয়ে যে সিন্ডিকেট রয়েছে। তাদের বিষয়টিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দেখা উচিত। ভিক্ষুক নিয়ে বাণিজ্য করছে- এই বিষয়টি নতুন কিছু না। তবে এগুলো বন্ধ হওয়া দরকার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যান্ডের গান ও গণতন্ত্রের ‘নীল মার্সিডিস’ by মোবাশ্বার হাসান

তুমি দিশেহারা হয়ে যাবে
তুমি পথহারা হয়ে যাবে’
ব্যান্ড সংগীতের জনপ্রিয় শিল্পী জেমসের গানটি বাংলাদেশি সমাজে ভালোবাসা জানান দেওয়ার নতুন এক ভাষার সূচনা করে, যেখানে ভালোবাসার এক বোহেমিয়ান জাদুকরি প্রভাব নব্বইয়ের তরুণসমাজকে উদ্বেলিত করেছিল। আমার মতো ভক্তকুলের চোখে জেমস ছিলেন হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের রহস্যময় পুরুষ ‘হিমুর’ মতো। এ কথা মানতেই হবে যে স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশে নব্বইয়ের দশক ছিল অনেকটা অলিখিত রেনেসঁার মতো; যেখানে হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্য ও নাটক, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ও হেলাল হাফিজের কবিতা আর জেমসের নগর বাউলের মতো ব্যান্ড এ দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে একটা নীরব বিপ্লবের মতো ঘটিয়েছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, ওই সময়ের সাহিত্য, নাটক ও কবিতা নিয়ে যতটুকু লেখালেখি ও গবেষণা হয়েছে, সে তুলনায় ব্যান্ড সংগীত নিয়ে তেমন কোনো কাজ হয়নি। আমাদের গবেষক ও নীতিনির্ধারকদের কাছে এ ধরনের সংগীত থেকে গেছে অচ্ছুতের মতো আর গণমাধ্যমের চোখ থেকে ব্যান্ড সংগীতের শিল্পীদের ‘তারকা’র চোখধঁাধানো কাঠামো থেকে বের করা যায়নি। অথচ আমাদের দেশের ব্যান্ডের শিল্পীরা তঁাদের গানের মাধ্যমে এক নীরব সামাজিক বিপ্লব ঘটিয়ে গেছেন, যে বিপ্লব প্রেমের পাশাপাশি বলে এসেছে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির কথা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা, দেশপ্রেমের কথা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সাম্যের কথা, অসাম্প্রদায়িক এক বাংলাদেশের কথা। আমরা জানি যে বিশ্বজুড়ে নানা রকম গোঁড়ামিকে চ্যালেঞ্জ করে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনে সংগীতের ভূমিকা ঐতিহাসিক।
‘এ এক দুঃসময় যখন দেখি সারা পথজুড়ে
নিত্য মৃত, জীর্ণ মানুষের দীর্ঘশ্বাস উড়ে বাতাসে
আর রাজপথ ভেঙে ছুটে চলে নীল মার্সিডিজ
উদ্যম বৈভবে গণতন্ত্র যার মাঝে বসে
চোখ মারে আর হাসে।’
গণতন্ত্রের নামে একশ্রেণির রাজনৈতিক নেতার (সবাই নন) রাজনীতির দুর্বৃত্তায়ন, বিদ্যমান অর্থনৈতিক বৈষম্য ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য যে হাহাকার, তা-ই উঠে এসেছিল ১৯৯৮ সালে ওয়ারফেজের গানটিতে; কিন্তু তেমন গুরুত্ব পায়নি আমাদের গণমাধ্যম, গবেষক ও নীতিনির্ধারকদের কাছে। আর সেখানেই সংঘটিত হয়েছে এক ঐতিহাসিক ভুল, যার ফল এখন আমরা দেখছি ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণু সামাজিক সংস্কৃতিতে এবং এক সুবিধাবাদী রাজনীতির শিকল, যা গণমানুষের মুক্তি ও গণতান্ত্রিক ক্ষমতায়নের কথা কমই বলে। গণতন্ত্র মানে আসলে কী? আমাদের দেশে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এটা হয় নির্বাচন অথবা উন্নয়ন কিংবা নির্বাচন ও উন্নয়নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। কিন্তু তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক দিক থেকে গণতন্ত্রের মানে অনেকটা সাংস্কৃতিক। এই সংস্কৃতিতে আছে কথা বলার স্বাধীনতার সংস্কৃতি, নিজের অধিকার রক্ষার সংস্কৃতি, গরিবের দীর্ঘশ্বাসের মধ্য দিয়ে ছুটে চলা ‘গণতন্ত্রের নীল মার্সিডিজে’ বসে থাকা রাজনীতিবিদদের গরিবের কাছে জবাবদিহির সংস্কৃতি, ভিন্নমতকে সম্মান করা, অর্থাৎ মুক্তমনের সংস্কৃতি ইত্যাদি। যেকোনো সংস্কৃতি একটা সামাজিক অভ্যাস হিসেবে ব্যাপক চর্চার মধ্যে সংস্কৃতিতে রূপ নেয় এবং এ জন্য দরকার হয় সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা। কিন্তু ব্যান্ড সংগীত আমাদের দেশে একটা ‘অনাহূত আগন্তুকের’ মতোই থেকে গেল। একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় এই সংস্কৃতির খোঁজ পাওয়া যাবে না বাংলাদেশ নিয়ে লেখা কোনো ইতিহাস বা সমাজবিজ্ঞানের বইয়ে বা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কোনো গবেষণায়। ব্যান্ড সংগীত কেমন যেন অচ্ছুতের মতো—এটাকে ব্যবহার করা যাবে কিন্তু স্বীকৃতি জানানো যাবে না—এই মনোভাব প্রকারান্তরে ক্ষতি করেছে বাংলাদেশের। কারণ আগেই বলেছি, এই ব্যান্ডগুলো শুধু প্রেম-ভালোবাসার গানই করেনি; বছরের পর বছর ধরে তাদের গানে উঠে এসেছে গণতন্ত্রের নামে অর্থনৈতিক লুটেরাদের সামাজিক চোটপাট (‘গণতন্ত্র মানে মুক্তবাজারের দগ্ধ আগুন আর শেয়ারবাজার লুটেরা কোটিপতি বেড়েছে কতশত গুণ, তাই গণতন্ত্র মানে মধ্যবিত্তের হয়ে যাওয়া অন্ধ’,—মাকসুদ ও ঢাকা), স্বৈরাচারের সঙ্গে ওঠবস (‘গণতন্ত্র মানে বিশ্ববেহায়া মুক্ত বাতাসে কবিতা লেখে আর দেশপ্রেমিক জনতা নব্বইয়ের ইতিহাস ভুলেই গেছে’—মাকসুদ ও ঢাকা), গণতন্ত্রের নামে রাজপথে শহীদ হয়ে যাওয়া, ভুলে যাওয়া মানুষগুলোর কথা (‘গণতন্ত্র মানে কিছু বোকার মিছে শহীদ হওয়া, আজ কাকের হাগায় তাদের স্মৃতিসৌধ ছাওয়া’—মাকসুদ ও ঢাকা), উগ্রবাদের সমালোচনা (‘কোন পথে আমরা চলছি হায় পরওয়ারদিগার, তোমার অস্তিত্ব স্বীকার করি আমরা যে গুনাহগার, ধর্মান্ধ উগ্রবাদীদের নাম দিলাম মৌলবাদ, পাল্টে জবাব ওরা দিল আমাদের “তোরা নাস্তিক মুরতাদ”’—মাকসুদ ও ঢাকা) এবং সর্বোপরি আমজনতার ক্ষমতাহীন হয়ে থাকার কথা (‘এক রাজ, আর গণতন্ত্র মিশে একাকার, আমরা যে ভাই আমজনতা, একটু ক্ষান্ত দাও’—অর্থহীন ব্যান্ড)। কিন্তু এত মেধাবী মাধ্যম হওয়ার পরও এই সাংস্কৃতিক মাধ্যমকে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিকভাবে উপেক্ষা করার সংস্কৃতি প্রকারান্তরে ক্ষতি করেছে বাংলাদেশের।
ড. মোবাশ্বার হাসান নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হজযাত্রায় দালাল ঠেকাতে পদক্ষেপ নিচ্ছে ধর্ম মন্ত্রণালয়

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইতিহাসের দিল্লি ও ক্ষমতার দিল্লি by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম

দিল্লি দূর-আস্ত। মানে, দিল্লি অনেক দূর। ‘দিল্লি’ শহরের নামটি প্রতীকী অর্থে নিলাম। আজকের কলামের প্রথম অর্ধেকে ইতিহাসের একটি গল্প তুলে ধরব; দ্বিতীয় অর্ধেকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিকতম রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর মন্তব্য করছি। ইতিহাসের গল্পটি এবং বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে সম্পর্ক খুঁজে বের করার জন্য সম্মানিত পাঠককে অনুরোধ করব। ইতিহাসের গল্পটিতে ছয় শ’ বছর আগের তুঘলক বংশের এবং প্রসিদ্ধ আউলিয়া হজরত নিজাম উদ্দিন আউলিয়ার কথা আছে। মোগল সম্রাটরা তথা ভারত শাসনকারী মোগল বংশের কথা সবারই জানা। এর আগে যারা ভারত শাসন করেছিলেন, সে সম্বন্ধে জানার সুযোগ কম। মামলুক বংশ ও খিলজি বংশের পর ভারত শাসন করেছিল তুঘলক বংশ (১৩২০-১৪১৪)। তুঘলক বংশের প্রতিষ্ঠাতার আদি নাম গাজী মালিক; কিন্তু তিনি সুলতান হিসেবে গিয়াস আল-দ্বীন তুঘলক বা গিয়াসউদ্দিন তুঘলক নামেই ইতিহাসে সুপরিচিত; তার পরবর্তী সুলতান ছিলেন তারই দ্বিতীয় ছেলে জুনা খান, যিনি মুহাম্মদ বিন তুঘলক নামে শাসন করেছেন। ‘আউলিয়া’ শব্দের অর্থ অনেকটা এ রকম : আল্লাহর বন্ধু তথা সৎ কর্মশীল বান্দাগণ বা প্রকৃত মুমিনগণ অর্থাৎ সার্বিকভাবেই দ্বীন ইসলামের শরিয়ত ও মারেফত পালনকারী ব্যক্তিগণ। পবিত্র কুরআনের দশম সূরা (ইউনুস) ৬২ নম্বর আয়াতে বলা আছে : নিশ্চয়ই আল্লাহর আউলিয়াগণের দুঃখিত বা শঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। যা হোক, আমার আলোচনা ‘আউলিয়া’ শব্দের সংজ্ঞার ওপরে নয়; আমার আলোচনা মানুষের আশা আর সৃষ্টিকর্তার নির্দেশের মাঝখানের অংশ নিয়ে। অর্থাৎ, ইংরেজিতে যাকে বলে- ‘ম্যান প্রপোজেস অ্যান্ড গড ডিসপোজেস।’
ইতিহাসের একটি গল্প
সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলক কঠোর প্রকৃতির শাসনকর্তা ছিলেন। মানুষ তার শাসন থেকে নিষ্কৃতি চাচ্ছিল। তৎকালীন রাজধানী দিল্লি শহরে একদিন প্রত্যুষে গুজব রটে গেল যে, বাদশাহ গিয়াসউদ্দিন তুঘলক মারা গেছেন। রাজধানীর নাগরিকরা, সত্য মনে করে খবরটিতে খুব আনন্দিত হলো, উচ্ছ্বাস প্রকাশ করল। এই খবর যখন বাদশাহ’র কাছে পৌঁছল, তখন তিনি রাগান্বিত হলেন। ক্ষুব্ধ হয়ে বললেন- ‘মানুষ আমাকে গুজবের মধ্যে মেরেছে, আমি তাদেরকে আসলেই মারব।’ নগরীর কোতোয়ালকে হুকুম দিলেন, গুজব রটনাকারীদের হত্যা করা হোক। কোতোয়াল এই কার্য সম্পাদনে লিপ্ত হলেন। কে গুজব রটনা করেছিল আর কে করেনি, এটা বের করা কঠিন ছিল। অতএব, নির্বিচারে মানুষ হত্যা শুরু হলো। কয়েক হাজার মারা গেল, হত্যাযজ্ঞ চলতেই থাকে। সম্রাটের হুকুমে মারা যাওয়া থেকে বাঁচার জন্য দিল্লির নাগরিকরা আশ্রয়ের সন্ধান করলেন। তৎকালীন দিল্লি থেকে মাইল তিরিশেক দূরে ছিল ফকির নিজাম উদ্দিন আউলিয়ার আস্তানা। দিল্লি থেকে নাগরিকরা পালিয়ে সেই আস্তানায় উপস্থিত হলেন। আস্তানায় মানুষ বাড়তে লাগল; খাবার পানি ও ব্যবহারের পানির সঙ্কট দেখা দিলো। ভূগোলের জ্ঞান আছেÑ এমন মানুষমাত্রই জানেন যে, অতীতের বা বর্তমানের দিল্লি মহানগরী চতুর্দিকে মরুভূমি দ্বারা বেষ্টিত। পানির সঙ্কট মেটানোর জন্য নিজাম উদ্দিন আউলিয়া ভক্তদের বললেন, পুকুর খনন করো। যেই কথা সেই কাজ; বিনা পারিশ্রমিকে শত শত, হাজার হাজার ভক্ত পুকুর খননের কাজে লাগলেন। রাজধানী দিল্লিতে সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলক এই সংবাদ পেয়ে রেগে গেলেন। উজিরকে হুকুম দিলেন, ঘোষণা করে দাও, আমার এখানে পুকুর খোঁড়া হবে এবং পারিশ্রমিক হিসেবে প্রত্যেকেই দিনে একটি করে স্বর্ণমুদ্রা পাবে। বাদশাহ অনুমান করলেন, স্বর্ণমুদ্রার আশায় দিল্লিবাসী দূরে যাবে না এবং যারা গেছে তারা ফেরত আসবে। কিন্তু বাদশার ঘোষণায় কাজ হলো না। দিল্লিবাসী ফকির নিজাম উদ্দিনের আস্তানার দিকে যেতেই থাকলেন। এতে বাদশাহ আরো ক্রুদ্ধ হলেন। হুঙ্কার দিয়ে বললেন, ‘তবে রে!’ সেনাপতিকে বললেন, ‘ফকিরের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেয়া হোক, সৈন্যদল পাঠাও।’ ফকিরের আস্তানা ধ্বংসের অভিযান শুরু করার আগেই সুলতান গিয়াসউদ্দিনের কাছে সংবাদ এলো, দূরবর্তী প্রদেশে বিদ্রোহ হয়েছে। সুলতান বিবেচনা করলেন, বিদ্রোহ দমন করা অতিশয় জরুরি; ফকিরের আস্তানা পরে ধ্বংস করা যাবে। তিনি দূর প্রদেশে বিদ্রোহ দমনের জন্য সৈন্যবাহিনী প্রস্তুত করে রওনা দিলেন। হাতে-কলমে যুদ্ধবিদ্যা ও সেনানায়কত্ব শিক্ষা দেয়ার জন্য, বড় ছেলে আহমদ বিন তুঘলককে সাথে নিলেন। রাজধানী দেখাশোনা করার জন্য রেখে গেলেন দ্বিতীয় ছেলে মুহাম্মদ বিন তুঘলককে। ইতিহাস বলে, মুহাম্মদ বিন তুঘলক ফকির নিজাম উদ্দিনের ভক্ত ছিলেন। সুলতান বিদ্রোহ দমনার্থে দূরবর্তী প্রদেশে পৌঁছলেন, বিদ্রোহ দমন করলেন এবং পুনরায় দিল্লি অভিমুখে রওনা দিলেন। প্রতিদিন যোজন পথ অতিক্রম করে দিল্লির নিকটবর্তী হতে থাকেন। ফকির নিজাম উদ্দিন আউলিয়ার আস্তানায় ভক্তরা নিবেদন করেন, হুজুর বাদশাহ এসে তো আপনাকে এবং আমাদেরকে ধ্বংস করে ফেলবে। নিজাম উদ্দিন আউলিয়া উত্তর দেনÑ দিল্লি দূর-আস্ত। এর বাংলায় অর্থ, দিল্লি অনেক দূর। ভক্ত, যুবরাজ মুহাম্মদ বিন তুঘলক নিজেও ফকিরের নিকট এসে আরজি পেশ করলেন : ‘আমার বাবা অত্যন্ত নিষ্ঠুর। তিনি দিল্লির অনেক কাছে চলে এসেছেন। তিনি এসেই আস্তানা আক্রমণ করবেন। তিনি আপনাকে অপমান করবেন। আস্তানা ধ্বংস করবেন। আপনি এখান থেকে অন্য কোথাও চলে যান ভক্তদের নিয়ে, আমি সাহায্য করব। রাজকোষ থেকে কিছু লাগলে আমি দেবো, বাদশার নিষ্ঠুরতার কথা কল্পনা করে আমার আত্মা কাঁদছে। হুজুর, আপনি চলে যান।’ ফকির নিজাম উদ্দিন আউলিয়া যুবরাজ মুহাম্মদকে উদ্দেশ করে বললেনÑ ‘বাবা, চিন্তা করো না। দিল্লি অনেক দূর, দিল্লি দূর-আস্ত। সম্রাটের বহর রাজধানীতে ঢোকার মাত্র দুই দিনের পথ বাকি। যুবরাজ মুহাম্মদ বিন তুঘলক ঠিক করলেন বিদ্রোহ দমনকারী পিতাকে সংবর্ধনা দেবেন, জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা দেবেন, বিরাট প্যারেডের মাধ্যমে স্যালুট দেবেন। যেই কথা সেই কাজ। যুবরাজ ভাবলেন, এই অছিলায় একটা দিন তো পাওয়া যাবে; নিজাম উদ্দিন আউলিয়া সিদ্ধান্ত নিতেও পারেন আস্তানা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য। ফকিরের নিকট পুনরায় সংবাদ গেল; কিন্তু তিনি জানালেন. দিল্লি এখনো অনেক দূর, দিল্লি হনুজ দূর-আস্ত।’ যুবরাজ মুহাম্মদ কিছুই বুঝলেন না। কারণ, তিনি দেখছেন সবাই দেখছে, বাদশাহ দিল্লি ঢোকার জন্য মাত্র এক দিনের পথ বাকি। কিন্তু কথাটা কেউ বলতে পারছে না মুখ ফুটে। কেউ ফকির নিজাম উদ্দিনের কথার হিসাবও মেলাতে পারছে না। সংবর্ধনা শুরু হলো; মঞ্চের সামনে দিয়ে অশ্বারোহী বাহিনী, উট আরোহী বাহিনী পার হয়ে গেল। সবশেষে পার হচ্ছে হাতি-বাহিনী। অনেকগুলো হাতি সুশৃঙ্খলভাবে, মাহুতের নির্দেশে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং শুঁড় তুলে বাদশাহকে সালাম দিচ্ছে। হঠাৎ একটি হাতি উত্তেজিত হয়ে উঠল; প্রথমে নিজের পিঠে চড়া মাহুতকে পিঠের ওপর থেকে শুঁড় দিয়ে তুলে ধরে দূরে নিক্ষেপ করল। তারপর উন্মত্ত হাতি ছুটে গেল মঞ্চের দিকে। মঞ্চের মোটা মোটা থাম ধরে দিলো টান। ফলে মঞ্চ ভেঙে পড়ল। অনেক হতাহত হলো। উন্মত্ত হাতি আশ্রয় নিলো উন্মুক্ত মরুভূমিতে। উদ্ধারকারী কর্মীরা মঞ্চের ভগ্নস্তূপ সরালেন; দেখলেন সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলক উপুড় হয়ে তার ছেলে আহমদ বিন তুঘলককে আগলে রেখেছেন। সুলতান চেয়েছিলেন নিজে মারা গেলেও প্রিয় ছেলে আহমদ যেন বাঁচে। কেউই বাঁচেননি, গিয়াসউদ্দিন তুঘলক ও আহমদÑ দু’জনই নিহত হয়েছিলেন। ফলে যুবরাজ মুহাম্মদ বিন তুঘলক অপ্রত্যাশিতভাবেই সিংহাসনে আরোহণ করলেন।
এ কাহিনীর উপসংহার
সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক পরবর্তী প্রথম প্রহরেই ফকির নিজাম উদ্দিন আউলিয়ার আস্তানায় ছুটে গেলেন; মহান আল্লাহর প্রশংসা করলেন। তিনি নতুনভাবে নব উদ্যমে ফকিরের শিষ্যত্ব গ্রহণ করলেন। মুহাম্মদ বিন তুঘলকের জন্য দিল্লি নিজের হয়ে গেল। অপর দিকে, গিয়াসউদ্দিন তুঘলক ও তার সন্তান আহমদ বিন তুঘলকের জন্য দিল্লি অনেক দূরেই থেকে গেল। অপবিত্রদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হয় পবিত্ররা; যারা লক্ষ্যবস্তু থেকে দূরেই থাকে। দয়াবানগণ আক্রমণের শিকার হন নিষ্ঠুরদের; নিষ্ঠুরতারও একটা শেষ থাকে। চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ছাত্র ছিলাম। ক্লাস এইটে অথবা নাইনে যখন পড়ি, র্যাপিড রিডার হিসেবে একটি বইয়ের অংশ পড়েছিলাম। বিংশ শতাব্দীর মধ্য অংশের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক বিনয় চাঁদ মুখোপাধ্যয় (বহুলপরিচিত ছদ্মনাম যাযাবর)-এর লেখা অন্যতম উপন্যাস বা গল্পের বইয়ের নাম দৃষ্টিপাত; যেটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৪৭ সালে। ‘দৃষ্টিপাত’-এর একটা অংশ আমাদের পড়তে হয়েছিল। ওই অংশেই ছিল, নিরীহ প্রজাদের ওপর হত্যাকাণ্ড চালানো এবং আধ্যাত্মিক মহাপুরুষ হজরত নিজাম উদ্দিন আউলিয়ার সাথে বেয়াদবি করার পরিণতিতে দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিনের ভাগ্যে যা ঘটেছিল, তার বর্ণনা। পরবর্তীকালে নিজের উদ্যোগে ‘দৃষ্টিপাত’ উপন্যাস পুরোটাই পড়েছি। আমার মূল্যায়নে সুখপাঠ্য ইতিহাসনির্ভর গল্পের বই এটি। বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা করতেই হয় আমাকে। কারণ নিজে একজন সাবেক সেনা কর্র্মকর্তা এবং এখন রাজনৈতিক কর্মী। কারণ, আমি বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি নামক একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের চেয়ারম্যান। কল্যাণ পার্টি ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল। এরূপ চিন্তা করতে গেলে মাথায় অনেক কিছুই আসবে। ওপরের অনুচ্ছেদগুলোতে প্রকাশিত বা উদ্ভাসিত বিষয় অনেকগুলো। আমরা কয়েকটা সংক্ষিপ্ত বাক্যে মূল বিষয়টা তুলে ধরি। এক. সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলক নৃশংস ছিলেন। দুই. তিনি ফকির নিজাম উদ্দিন আউলিয়ার প্রতি আক্রমণাত্মক তথা আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতি আক্রমণাত্মক ছিলেন। তিন. গিয়াস উদ্দিন তুঘলক চেয়েছিলেন, তার পরে তার প্রথম ছেলে যখন সালতানাতের দায়িত্ব নেবে, সে যেন শাসনকার্যে ও যুদ্ধবিদ্যায় পারদর্শী হয়। চার. মুহাম্মদ বিন তুঘলক ফকির নিজাম উদ্দিনের ভক্ত এবং প্রজাবৎসল ছিলেন। পাঁচ. নিজাম উদ্দিন আউলিয়া মানুষকে ভালোবাসতেন; মানুষকে ফেলে তিনি অন্যত্র চলে যাননি। ছয়. সাধারণত মানুষ জানে না, তার ভাগ্যে কী আছে; যেমনÑ গিয়াসউদ্দিন তুঘলক জানতেন না যে, অদৃষ্টে অপমৃত্যু আছে বা মুহাম্মদ বিন তুঘলক জানতেন না যে, তার ভাগ্যে সিংহাসন আছে।
টেইলর মেড কাকে বলে বা কেন বলে?
আজকাল রেডিমেড পোশাক প্রচুর। ঈদের সময় ছাড়া দর্জির কাছে গিয়ে প্যান্ট ও জামার মাপ দিয়ে কাপড় বানানোর রেওয়াজ প্রায় উঠে যাচ্ছে। দর্জি প্রত্যেকের পছন্দ মোতাবেক কাপড় সেলাই করে দেন। কাস্টমারের শরীরে যেন ফিট হয় সে ভাবেই কাপড়টি সেলাই করা হয়। তাই এটার নাম টেইলর মেইড, অর্থাৎ দর্জির বানানো। সেই থেকে ইংরেজি শব্দযুগল ‘টেইলর মেইড’। সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক কর্তৃক প্রদত্ত রায়টিও ছিল আমার মূল্যায়নে টেইলর মেড; তদ্রƒপ জনমনে ব্যাপক ধারণা হলোÑ বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে প্রদত্ত রায়টিও টেইলর মেইড, অর্থাৎ ফরমায়েশ মোতাবেক বানিয়ে দেয়া। চলছে ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি। ৮ ফেব্রুয়ারি বের হলো বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে সেই রায়। এটা স্পষ্ট যে, এ মামলাটি ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা এবং রায়টি হয়ে দাঁড়িয়েছে টেইলর মেইড।
সরকারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য
বর্তমানে ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কী? রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হলো, যে নিয়মেই হোক না কেন, ইংরেজিতে : বাই হুক অর বাই ক্রুক, অর্থাৎ ছলে বলে কৌশলে যেভাবেই হোক না কেন, আগামী নির্বাচনে জিততে হবে। ইংরেজি পরিভাষায় : বাই ফেয়ার মিনস অর আনফেয়ার মিনস, দ্যাট ইজ, টু সে বাই এনি মিনস। অর্থাৎ সৎ বা অসৎ নিয়মে, যেভাবেই হোক, আগামী নির্বাচনে জয়ী হতেই হবে। এ কথাটাকে খেয়ালে রেখেই বর্তমান রাজনৈতিক সরকার তাদের কর্মপন্থাগুলো স্থির করছে। তাদের উদ্দেশ্য পূরণের পথে অনেক প্রকার বাধা আছে; যথা এক. অপহরণ গুম ও খুনের অভিযোগ। দুই. অব্যাহত ও বিবিধমুখী ‘ঐতিহাসিক’ দুর্নীতিগুলো। তিন. বাংলাদেশবিরোধী কর্মকাণ্ড যথা ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯-এর বিডিআর হত্যাযজ্ঞ, একতরফাভাবে ভারতকে সুবিধা দেয়া। তাদের সামনে বাধাগুলোর মধ্যে ভিন্ন ধরনের বাধা হলোÑ বিএনপির জনপ্রিয়তা তথা বেগম খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা। আপাতত আমরা কলামের এই অংশে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল এবং বেগম জিয়া প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা করছি।
রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা : যুগে যুগে দেশে দেশে
রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একে অপরকে ঘায়েল করার জন্য অস্বচ্ছ অবৈধ পন্থা অবলম্বনের উদাহরণ বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আছে। ১৯১৭ সালে লেনিন রাশিয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করলে, ট্রটস্কি তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা দেন। একপর্যায়ে লেনিন ট্রটস্কিকে সশরীরে পৃথিবী থেকে বিদায় করে দেন। পরবর্তী শাসক স্টালিনও অনুরূপ কাজ করেছেন। বিশ্ববিখ্যাত ও মালয়েশিয়ার ২২ বছরের প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ তার প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ার ইবরাহিমকে রাজনীতির দৃশ্যপট থেকে বিতাড়নের জন্য তার বিরুদ্ধে সমকামিতার মতো অবিশ্বাস্য অভিযোগ এনে ফরমায়েশি রায়ের মাধ্যমে তাকে দণ্ডিত করেন। আমেরিকার এককালীন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে হয়রানি করার জন্য এর হেডকোয়ার্টারে আড়িপাতার যন্ত্র বসিয়েছিলেন (ইতিহাসে এটা ‘ওয়াটার গেট কেলেঙ্কারি’ নামে পরিচিত)। নিকট অতীতে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন যে, হিলারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে ব্যক্তিগত ই-মেইল আইডি থেকে সরকারি বার্তা আদান-প্রদান করেছেন। পৃথিবীর বিভিন্ন ক্ষমতাসীন ব্যক্তি তার দেশের, সরকারি অর্থ তহবিল, সরকারি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সরকারি গোয়েন্দাবাহিনী ও বিচার বিভাগের অনুগত ব্যক্তিদের ব্যবহার করেছেন নিজের ক্ষমতার স্বার্থে। মিসরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারক, ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন, ইরানের শাহানশাহ রেজা পাহলভী, রোমানিয়ার প্রেসিডেন্ট চসেস্কু ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন এ ক্ষেত্রে কয়েকটি মাত্র উদাহরণ।
ওয়ান-ইলেভেন সরকারের উত্তরসূরি
রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা বীর উত্তম জিয়াউর রহমান তথা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বর্তমান ক্ষমতাসীন দল ও এর নেত্রী চক্ষুশূল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর চক্ষুশূল। আগামী দিনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, এ নিয়ে প্রতিযোগিতা থাকা স্বাভাবিক। তবে প্রতিযোগিতা স্বচ্ছ হওয়া বাঞ্ছনীয়; কিন্তু ক্ষমতাসীনেরা ওইরূপ স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছে না। তাই তারা প্রতিদ্বন্দ্বীকে দৃশ্যপট থেকে অপসারণ করতে বদ্ধপরিকর। এ জন্য বেছে নেয়া বেশ কিছু পন্থার মধ্যে অন্যতম পন্থা বা অস্ত্র হলো রাজনৈতিক মামলা। ২০০৭ ও ২০০৮ এই দু’টি বছরকে বাংলাদেশে ‘ওয়ান-ইলেভেন’ সময় বলা হয়। ওই সময়ের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রকাশ্য প্রধান ছিলেন ফখরুদ্দীন আহমদ এবং অপ্রকাশ্য প্রধান ছিলেন তৎকালীন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদ। তাই বলা হয়, এটা উদ্দীনদের সরকার। ওই সরকার বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে দুই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে বিতাড়িত করতে চেয়েছিলেন। ওয়ান-ইলেভেন সরকার বাংলাদেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে চেয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য সম্পাদনের লক্ষ্যে ওই সরকার শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অনেক মামলা দিয়েছিল। ওয়ান-ইলেভেন সরকার দু’নেত্রীকে বিভিন্ন প্রকারের হয়রানি করে। হয়রানি থেকে বাঁচার জন্য ভুক্তভোগী মাননীয় শেখ হাসিনা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করেন। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলোÑ ওয়ান-ইলেভেন সরকারকে আশ্বাস দেয়া যে, আমি তোমাদের পক্ষে আছি এবং তোমাদের সব কর্মকাণ্ডকে অনুমোদন দেবো; তথা তোমাদেরকে অভিযুক্ত করব না।’ ওয়ান-ইলেভেন সরকার যখন দুই সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে কাবু করতে পারল না, তখন সেই সরকার দু’জনের যেকোনো একজনের সাথে আপস করার সিদ্ধান্ত নিলো। বেগম জিয়া ছিলেন আগ থেকেই আপসহীন নেত্রী; তিনি আপস করতে রাজি হলেন না। শেখ হাসিনা ১৯৮৬ সালে তৎকালীন সামরিক সরকারের সাথে আপস করেছিলেন, ফলে আপসের কিঞ্চিত অভিজ্ঞতা ছিল; তিনি ‘উদ্দীন’দের সাথে আপস করলেন। অতিসম্প্রতি প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক বইয়ের মাধ্যমে জানতে পারলাম, ভারতের সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি ২০০৮ সালে এই কাজে মধ্যস্থতা করেছিলেন। ২০০৮-এর ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচন হলো। ‘উদ্দীন’দের সরকার এবং আওয়ামী নেত্রীর মধ্যকার আপসের শর্ত মোতাবেক, ওই সরকারের কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ কোথাও উপস্থাপিত হলো না। সে আপসের শর্ত মোতাবেক, তিনি ওই সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডকে অনুমোদন দিলেনÑ কোনো ক্ষেত্রে নীরবে, কোনো ক্ষেত্রে সরবে। অনুমোদন দেয়া কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, ওয়ান-ইলেভেন সরকার কর্তৃক বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো চালু রাখা। ওই রকমই অব্যাহত রাখা একটা মামলার রায় প্রকাশ করা হয়েছে গত ৮ ফেব্রুয়ারি। সম্মানিত পাঠককে আমার পক্ষ থেকে জানিয়ে রাখতেই হবে, ওয়ান-ইলেভেন সরকার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যতগুলো মামলা দিয়েছিল; সেই মামলাগুলোকে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আইনকানুনের ফাঁক ব্যবহার করে ‘আইনি’ পন্থাতেই প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। কোনো আদালতে সে মামলাগুলোর বিচার হয়নি। এই যে পুরো প্রক্রিয়া, এটাকে কি বলা যায়- দুই নেত্রীর মধ্যকার ভালোবাসার নমুনা, নাকি এটা প্রতিহিংসার নমুনা? প্রতিহিংসা বেশির ভাগ সময়েই খারাপ পরিণতি বয়ে আনে। প্রতিহিংসার মাধ্যমে, আইনের অপব্যবহারের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আরো পাঁচ বা সাত বা দশ বছর বাংলাদেশে ক্ষমতায় থাকতে চায়। থাকতে চাওয়া অপরাধ নয়, বিতর্কিত ও অবৈধপন্থায় থাকতে চাওয়া হলো অন্যায়। ক্ষমতায় পুনরায় আরোহণ কি দশ মাস দূরে নাকি অনেক দূরে, আমি জানি না। বর্তমান যুগের কোনো নিজাম উদ্দিন আউলিয়া থাকলে হয়তো বলতে পারেন, যদি মহান আল্লাহ চান যে, তিনি বলুন।
লেখক : মেজর জেনারেল (অব.); চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
ই-মেইল : mgsmibrahim@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একুশের আহ্বান by কে জি মোস্তফা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাপান সাগর আকাশে টহল রাশিয়ার যুদ্ধবিমানের

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমি মুসলিম, তা-ই থাকতে চাই : নওমুসলিম হাদিয়া

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়ার পূর্ব গৌতায় সহিংসতায় জাতিসংঘ প্রধানের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যাগে ভরে শিশু পাচার, পিতার জরিমানা

শিশুটির অভিজ্ঞতা
বিচারকদের আদু জানায় তার পিতা তাকে সবসময় বলেছিলেন যে তারা একটি গাড়িতে করে স্পেনে যাবেন। সুটকেসের ভেতরে করে পাচার হওয়ার সময় তার কেমন লাগছিলো সেই অভিজ্ঞতার কথাও আদু বিচারকদের জানিয়েছে। সে জানায় যে সেসময় তার শ্বাস নিতে খুব কষ্ট হচ্ছিলো। ঘটনাটি ছিলো ২০১৫ সালের মে মাসের। অল্প বয়সী একটি মেয়েকে ভারী একটি ব্যাগ টেনে নিতে দেখে মরক্কো ও স্পেনের সুতা দ্বীপের সীমান্তের কর্মকর্তারা তাকে থামান। ১৯ বছর বয়সী এক নারী ওই ব্যাগটি টানছিলো। তারপর তারা যখন ওই ব্যাগটি স্ক্যান করে দেখেন তখন তার স্তম্ভিত হয়ে পড়েন। দেখেন যে ব্যাগের ভেতরে ছোট্ট একটি শিশু। মায়ের গর্ভের ভেতরে একটি শিশু যেমন ভঙ্গিতে অবস্থান করে শিশুটিও ব্যাগের ভেতরে ওভাবে বসেছিলো। পরে ব্যাগটি খুলে কর্মকর্তারা শিশুটিকে উদ্ধার করেন। তাকে বিধ্বস্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিলো। কর্মকর্তারা প্রথমে ভেবেছিলেন ব্যাগের ভেতরে করে হয়তো মাদক পাচার করা হচ্ছে। কিন্তু পরে সুটকেসের ভেতরে শিশুটিকে দেখতে পেয়ে তারা অবাক হয়ে যান।
সামান্য জরিমানা
এই অপরাধের বিচারকরা মি ওয়াত্তারাকে ৯২ ইউরো জরিমানা করেছেন। স্পেনের সংবাদপত্রে সেসময় বরা হয়েছিলো যে নারী সুটকেসটি টানছিলো সে শিশুটির কোন আত্মীয় ছিলো না। শুধু ব্যাগটি টানার জন্যে তাকে অর্থের বিনিময়ে ভাড়া করা হয়েছিলো। বাচ্চাটি এখন তার মায়ের সাথে পারিসিয়ানে থাকে। তবে সাক্ষ্য দিতে সে এসেছিলো স্পেনের সুতা দ্বীপের একটি আদালতে। "এখন তো সবকিছুর অবসান হয়েছে। আমি আমার স্ত্রী, কন্যা ও ছেলেকে নিয়ে এখন নতুন করে জীবন শুরু করতে পারি," বলেন পিতা ওয়াত্তারা। তিনি জানান, স্পেনের উত্তরাঞ্চলে তারা নতুন করে তাদের জীবন শুরু করবেন।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন পড়ানো হয় না বাংলা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিন দিনে বিক্রি ১৮ কোটি টাকা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আহ্, চায়ের কত স্বাদ

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভাষাশহীদের সংখ্যা কত? by মহিউদ্দিন আহমদ

ওরা চল্লিশজন কিংবা আরও বেশি
যারা প্রাণ দিয়েছে ওখানে রমনার রোদ্রদগ্ধ
কৃষ্ণচূড়া গাছের তলায়...
চল্লিশটি তাজা প্রাণ আর অঙ্কুরিত বীজের খোসার মধ্যে
আমি দেখতে পাচ্ছি তাদের অসংখ্য বুকের রক্ত
রামেশ্বর, আবদুস সালামের কচি বুকের রক্ত...
এখানে কবি যে ৪০ সংখ্যাটি উল্লেখ করলেন, তা কি নিছক ছন্দ মেলানোর জন্য, নাকি এর মধ্যে সত্যতা আছে? আমরা এযাবৎ আটজন শহীদের নাম পেয়েছি। সংখ্যাটি কি এখানেই শেষ? এ দেশে পুলিশের বিরুদ্ধে লাশ গুম করার অভিযোগ তো নতুন নয়। পাকিস্তানের নির্বাসিত লেখক লাল খান তাঁর পাকিস্তানস আদার স্টোরি: দ্য ১৯৬৮-৬৯ রেভল্যুশন বইয়ে লিখেছেন, পুলিশের গুলিতে ২৬ জন নিহত এবং ৪০০ জনের মতো আহত হয়েছিলেন। বইটি ২০০৮ সালে লাহোরে প্রকাশিত হয়। তাঁর ওই বইয়ে তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই। তিনি পুলিশ বা গোয়েন্দা রিপোর্টের সাহায্য নিয়েছিলেন কি না জানি না। বায়ান্নর ২১-২২ ফেব্রুয়ারি তারিখে যাঁরা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তাঁরা আমাদের জাতীয় বীর। তাঁদের রক্তের পথ বেয়েই আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। অথচ তাঁরা সংখ্যায় কতজন, কী তাঁদের নাম, কোথায় তাঁদের বাড়ি, কী ছিল তাঁদের পেশা—এ নিয়ে অনুসন্ধানের কোনো আগ্রহ আমরা দেখাইনি। এটা সত্য যে ভাষা আন্দোলনে ওই সময়ের কোনো নেতা বা অ্যাকটিভিস্ট প্রাণ দেননি। প্রাণ দিয়েছিলেন সাধারণ মানুষ। ইতিহাসে আমজনতা বরাবরই থাকেন উপেক্ষিত, এলিটরা পদ-পদক-পদবি পাওয়া কিংবা না-পাওয়া নিয়ে মান-অভিমান করেন। পুলিশের কাজের ধরন আমার জানা নেই। তাদের মহাফেজখানায় কি পুরোনো কোনো রেকর্ড নেই, যার সূত্র ধরে আমরা ভাষাশহীদদের সংখ্যা ও পরিচয় জানতে পারব? আমার জানতে ইচ্ছে হয়, এ নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ কখনো নেওয়া হয়েছে কি না, অথবা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে? অনাদরে, অবহেলায় আমরা ইতিহাসের অনেক তথ্য-উপাত্ত হারিয়েছি। অথচ একটু উদ্যোগ নিলে, একটু সদিচ্ছা দেখালে এ বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চালানো যায়। আমরা ইতিহাস নিয়ে রাজনীতি করি, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ইতিহাস বিকৃতির নালিশ জানাই। কিন্তু ইতিহাসের সত্য জানার জন্য কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে ইতস্তত করি। শহীদেরা কি সব সময় রাজনীতির কাঁচামাল এবং ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবেই ব্যবহৃত হবেন? বছরে একদিন তাঁদের স্মরণে একটি বিবৃতি দিয়েই কি আমরা দায়িত্ব সারব? এ দেশে সর্বজনীন ‘শহীদ’ কয়জন? রাজনীতির বিভাজনের কারণে এক পক্ষের শহীদ অন্য পক্ষের কাছে খলনায়ক। কিন্তু ভাষাশহীদেরা তো সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে। তাঁরা আমাদের সবার। এখন হয়তো তাঁদের নিয়ে মাতম হয় না। কিন্তু যত দিন বাংলা ভাষা থাকবে, আমরা বায়ান্নর কথা স্মরণ করব। ভাষাশহীদদের জন্য আমরা আবেগ অনুভব করব। আমাদের স্বপ্নের পদ্মা সেতু তৈরি হচ্ছে। আমি প্রস্তাব করছি, এই সেতু ভাষাশহীদদের নামে উৎসর্গ করা হোক, নাম রাখা হোক ভাষাশহীদ সেতু। আমাদের পূর্বসূরিদের রক্তের ঋণ শোধ করার এটি হবে একটি অকিঞ্চিৎকর প্রয়াস। শহীদস্মৃতি অমর হোক।
মহিউদ্দিন আহমদ লেখক ও গবেষক
mohi2005@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গৃহকর্মী থেকে মাইক্রোসফটের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর!

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কৃষিঋণেও খেলাপি লাগামহীন

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কামড়ানোর প্রতিশোধ নিতে সাপের মাথা চিবিয়ে খেলেন যুবক!

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে ভিডিও কলে জীবন বাঁচল এক নারীর

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শান্তি আলোচনার আহ্বান মাহমুদ আব্বাসের

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতি ১৪ দিনে হারিয়ে যাচ্ছে একটি করে ভাষা : ইউনেস্কো

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্যাস ও তেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রেলের উন্নয়নে ৩৬ কোটি ডলার দেবে এডিবি

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রিটেনের রাস্তায় মুসলিম নারীরা অহরহ বর্ণবাদী আচরণের শিকার হন : করবিন

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু কাঠের ভবন

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তান শিশুর জন্মের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় ‘জরুরি অবস্থা’ by ফারুক ওয়াসিফ

ফারুক ওয়াসিফ প্রথম আলোর সহকারী সম্পাদক
faruk.wasif@prothomalo.info
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
February
(1210)
-
▼
Feb 21
(37)
- নওয়াজ শরীফ পরিবারের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে আদালত
- বিচারক ‘জুডিশিয়াল ফ্রড’: রিজভী
- এটাই কি অলিম্পিকের সর্বকালের সেরা প্রেমের গল্প?
- ঢাকায় ভিক্ষুক সিন্ডিকেট সক্রিয় ২০-২৫ চক্র by শুভ্র...
- ব্যান্ডের গান ও গণতন্ত্রের ‘নীল মার্সিডিস’ by মোবা...
- হজযাত্রায় দালাল ঠেকাতে পদক্ষেপ নিচ্ছে ধর্ম মন্ত্রণালয়
- ইতিহাসের দিল্লি ও ক্ষমতার দিল্লি by সৈয়দ মুহাম্মদ ...
- একুশের আহ্বান by কে জি মোস্তফা
- জাপান সাগর আকাশে টহল রাশিয়ার যুদ্ধবিমানের
- আমি মুসলিম, তা-ই থাকতে চাই : নওমুসলিম হাদিয়া
- সিরিয়ার পূর্ব গৌতায় সহিংসতায় জাতিসংঘ প্রধানের গভীর...
- ব্যাগে ভরে শিশু পাচার, পিতার জরিমানা
- বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন পড়ানো হয় না বাংলা
- তিন দিনে বিক্রি ১৮ কোটি টাকা
- আহ্, চায়ের কত স্বাদ
- ভাষাশহীদের সংখ্যা কত? by মহিউদ্দিন আহমদ
- গৃহকর্মী থেকে মাইক্রোসফটের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর!
- কৃষিঋণেও খেলাপি লাগামহীন
- কামড়ানোর প্রতিশোধ নিতে সাপের মাথা চিবিয়ে খেলেন যুবক!
- যেভাবে ভিডিও কলে জীবন বাঁচল এক নারীর
- শান্তি আলোচনার আহ্বান মাহমুদ আব্বাসের
- প্রতি ১৪ দিনে হারিয়ে যাচ্ছে একটি করে ভাষা : ইউনেস্কো
- গ্যাস ও তেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা
- রেলের উন্নয়নে ৩৬ কোটি ডলার দেবে এডিবি
- ব্রিটেনের রাস্তায় মুসলিম নারীরা অহরহ বর্ণবাদী আচরণ...
- বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু কাঠের ভবন
- পাকিস্তান শিশুর জন্মের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ
- খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় ‘জরুরি অবস্থা’ by ফারুক ওয়াসিফ
- ফোর-জির সিমের জন্য গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা
- পাঁচ কারণে বেড়েছে সিমেন্টের দাম
- ঋণসীমা সমন্বয়ে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় পেল ব্যাংক
- ১৪১% মুনাফা বেড়েছে এইচএসবিসির
- মেধাসম্পদের কপিরাইট নিবন্ধন
- শিক্ষার উল্টোযাত্রা by আবুল মোমেন
- একুশের শিক্ষা
- খালেদা স্বীকারোক্তি দিয়েছেন বলাটা অ্যাবসলিউট রাবিশ
- বিরোধীকণ্ঠ কি আসলেই রুদ্ধ? by মাসুদা ভাট্টি
-
▼
Feb 21
(37)
-
▼
February
(1210)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...