Thursday, April 12, 2018
ইয়াবা কিনতে এসে চাচা-ভাতিজার জাল টাকার কারখানার সন্ধান

গতকাল বুধবার গভীর রাতে নগরীর নিউমার্কেট এলাকা থেকে আটক করার পর চাচা-ভাতিজার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে জাল টাকা তৈরির কারখানার সন্ধান পান পুলিশ।
আজ বৃহ¯পতিবার সকালে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় আনোয়ারের বাড়িতে জাল নোট তৈরির কারখানায় অভিযান চালায়। এ সময় কারখানায় তৈরি প্রায় ৩০ লাখ জাল টাকার নোটসহ নোট তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করে পুলিশ।
আটক আনোয়ার হোসেন লোহাগাড়া উপজেলার পশ্চিম আমিরাবাদ হাজীপাড়ার আবদুর শুক্কুরের ছেলে। আর জাহেদ আনোয়ারের বড় ভাই সামসুল ইসলামের ছেলে।
নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার (বন্দর জোন) আসিফ মহিউদ্দিন বলেন, আমাদের কাছে তথ্য ছিল, জাল টাকা নিয়ে কয়েকজন লোক নিউমার্কেট এলাকায় আসবে। তাদের ধরার জন্য আমরা কৌশল অবলম্বন করি। আমাদের ফাঁদে পা দেয়ার পর দুজনকে আটক করা হয়। এরপর তাদের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
নগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক শাহাদাৎ হোসেন খান জানান, আটকের পর দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লোহাগাড়া উপজেলার আনোয়ারের বাড়ি থেকে ল্যাপটপসহ জাল নোট তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একহাজার টাকা মূল্যমানের ৩০৯টি ও ৫০০ টাকা মূল্যমানের আরো ১০৫টি নোট উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, এক লাখ টাকার জাল নোট ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করে। বিশ্বাস অর্জনের জন্য নোটগুলোর বান্ডিলে একটি বেসরকারি ব্যাংকের ট্যাগও লাগানো হয়েছে। এ টাকায় নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় ইয়াবা কিনতে আসেন তারা।
নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, ঈদুল ফিতর ও কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে জাল টাকা ছড়ানোর উদ্দেশ্যে ছিল চাচা-ভাতিজার। তাদের চক্রের আরো কেউ থাকতে পারে। আমরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছি।
নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার আবু বকর সিদ্দিক বলেন, জাহেদ হোসেনের বাবা অসুস্থ। আমিরাবাদে তার একটি মোবাইলের দোকান আছে। বাবার অসুস্থতার কারণে টাকাও প্রয়োজন ছিল তার। এ সুযোগে চাচা আনোয়ার হোসেন তাকে ফুসলিয়ে জাল টাকা তৈরির কাজে রাজি করান। জাহেদের দোকানে থাকা ক¤িপউটার ও প্রিন্টার মেশিন চাচার ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে জাল নোট তৈরি করা শুরু করে চাচা আনোয়ার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবু বকর, রাজীব, লিমন কিংবা তুহিনের জীবন! by আহসান কবির
![]() |
| আহসান কবির |
‘ওল্ডম্যান অ্যান্ড দ্য সি’ উপন্যাসের শেষে হোমিংওয়ে তার উপন্যাসের নায়ক সান্টিয়াগোকে দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছিলেন—মানুষকে পরাজিত করা যায় না কখনও! ধ্বংস করা হলেও নাকি ফিনিক্স পাখির মতো জেগে উঠতে পারে।
এমন আশাবাদের পরও মনে হয়—চলন্ত দুই বাসের নির্মম রেসের বলি হয়ে যখন রাজীবের হাত কাটা যায়, তখন মানুষ পরাজিত হয়!
যখন রাষ্ট্রের দায়িত্বে নিয়োজিত ক্ষমতবান কোনও বাহিনীর সদস্য সন্ত্রাসী ভেবে নিষ্পাপ কোনও ছেলের পায়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে বুলেট ছোড়ে, যখন জীবনের স্বপ্ন দেখতে থাকা লিমনদের পা কাটা যায়, মানুষ তখন আসলেই পরাজিত হয়।
যখন একাত্তরের ঘাতক শ্রেণির সহযোগী কথিত ‘ধনাঢ্য ব্যবসায়ী’ মুসা বিন শমসেরকে নিয়ে প্রতিবেদন করার দায়ে প্রবীর শিকদারকে হত্যার উদ্দেশ্য নিয়ে আক্রমণ চালানো হয়, বেঁচে থাকার জন্য যখন প্রবীরদের পা কেটে ফেলতে হয়, তখন আসলে মানুষ পরাজিত হয়। এই কাটা পা নিয়ে, ক্র্যাচে ভর করে হাঁটা এই মানুষটাকে যখন পুনর্বার গ্রেফতার করে হাজতে নেওয়া হয়, তখন মানুষ পরাজিত হয়।
যখন তনুরা ধর্ষণের পরে খুন হয়ে যায়, যখন বছর কেটে যায় তনুর ধর্ষকরা ধরা পড়ে না কিংবা বিচার হয় না, তখন আসলে মানুষ পরাজিত হয়! হয়তো তনুকে কেউ ধর্ষণ করেনি, কেউ তাকে খুন করেনি।
যখন আবু বকর সিদ্দিকরা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে মধ্যে পড়ে মারা যায়, যখন তার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন ধুলায় মিশে যায়, তখন মানুষ আসলে পরাজিত হয়। আবু বকরের মা মাথায় তেল দিতেন না। গাছের নারকেল জমিয়ে রাখতেন, মুরগির ডিম না খেয়ে সেগুলো বিক্রি করে আবু বকর সিদ্দিকের পড়ালেখার খরচ জোগাতেন। এই দুঃখিনী মা এখন কোথায় আছেন, কীভাবে বেঁচে আছেন, যখন রাষ্ট্র নিজে সেটা অনুভব করতে পারে না, তখন আসলে মানুষ পরাজিত হয়।
হয়তোবা খুব সাধারণ মানুষ যারা, এদেশে তাদের জন্মই হয়েছে পরাজিত হওয়ার জন্য। হয়তো এ কারণেই কোনও একসময়ে দাউদ হায়দার লিখেছিলেন, ‘জন্মই আমার আজন্ম পাপ’। ১৯৭১ সালে যারা বুদ্ধিজীবী হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল, ত্রিশ লাখ শহীদের নির্মম মৃত্যু হয়েছিল যাদের অঙুলি হেলনে, স্বাধীনতার সাত বছরের ভেতরেই তারা কোনও না কোনোভাবে ফিরে এসেছিল ক্ষমতার পাদপ্রদীপের নিচে! যে সিপাহী, যে কুমার-কামার, যে শ্রমিক, যে গায়ক, যে সাধারণ ছাত্র কিংবা মানুষ দেশ-মাতৃকার তরে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিল, তারা পরাজিত হয়েছিল সেদিনই! যারা স্বাধীনতা আনার বিনিময়ে কোনও স্বার্থসিদ্ধির জন্য তদ্বির, ধান্দাবাজি কিংবা ক্ষমতার জন্য খুনোখুনিতে লিপ্ত হয়নি, যারা হতে চেয়েছিল শুধুই ‘সাধারণ স্বাধীন নাগরিক’, সেই তারা কত সহজেই চলে গেলো পরাজিতদের কাতারে। পরাজিত হওয়াটাই যেন হয়ে গেলো খুব সাধারণদের নিয়তি!
তাই ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’—এই স্লোগান বুকে ও পিঠে লিখে স্বৈরাচারের পেটোয়া বাহিনীর মুখোমুখি যে দাঁড়ায়, তার মৃত্যু হয় খোলা রাস্তায়, গরম রক্ত ভিজিয়ে দেয় রাস্তার পিচ। খুব সাধারণ একজন নুর হোসেন ব্যতিক্রম, যিনি সাময়িক অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়াতে পারেন, কিন্তু পরাজিত হতে হয় নুর হোসেনের স্বজনদের, হয়তো কেউ খোঁজও নেয় না তাদের। হয়তো বীরশ্রেষ্ঠদের কোনও কোনও স্বজন বেঁচে থাকেন অমানবিকভাবে। পরাজয় লেখে নাম, রাস্তায়, মাঠে, কার্যক্ষেত্রে, রাজনীতিতে। সাধারণ মানুষ হারায় বিশ্বাস, ঘুরে দাঁড়ানোর বিপরীতে পলায়নপর মানসিকতার ঘুণপোকা বাসা বাঁধে মনে ও মগজে!
রাষ্ট্র নিজেই যখন ক্ষমতাসীনদের পক্ষে দাঁড়ায়, রাষ্ট্র নিজেই যখন অসহায়দের সঙ্গে প্রতারণা করে, রাষ্ট্র নিজেই যখন ধর্ম নিয়ে বিশ্বাসের ভাইরাসে ভোগে, সংখ্যালঘুদের সীমাহীন অসহায় করে তোলে, তখন আসলে মানুষ পরাজিত হয়। তাই এদেশে অভিজিৎদের লাশ পড়ে থাকে রাস্তায়, এদেশে ফয়সাল আরেফিন দীপনদের হত্যাকাণ্ডের কোনও বিচার হয় না, স্বজনরা বিচারও চান না! রাষ্ট্র নিজে কখনও-সখনও তার যোগ্য নাগরিকদেরও পরাজিত হতে বাধ্য করে! তাই মিতুরা খুন হয় রাস্তায়, এসপি বাবুলদের বিচার হয় না, পুলিশ তাকে গ্রেফতারও করে না। মিতুরা পরাজিত হওয়ার জন্যই জন্মায়। হয়তো মিতুর ছেলে আর মেয়ে বেড়ে উঠবে প্রতিশোধ স্পৃহায়, মানুষের মুখকে মনে হবে খুনির নির্মম মুখ!
এদেশে প্রবীর শিকদাররা ক্রাচে ভর দিয়ে ‘কথিত মানুষ’ এড়িয়ে চলে। অথচ স্বাধীনতার জন্য একদিন এই মানুষটার পরিবারের অনেক সদস্যকে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে খুন করা হয়েছিল! আবু বকর যে কিনা ভালো ছাত্র ছিল, যে কিনা স্বপ্ন দেখতো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার, স্বপ্ন ভুলে তার বাবা-মাকে নীরবে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করতে হয়! পরাজয় লেখে নাম দরোজার গায়ে, জানালার শিকে, বাসার দেয়ালে। পরাজয় লেখে নাম সিদ্দিকের কবরের গায়ে।
পরাজয় লেখে নাম তুহিনের জীবন যাপনে। চাচার মৃত্যু সংবাদ শুনে টাঙ্গাইল মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তুহিন টাঙ্গাইল থেকে ঈশ্বরগঞ্জের মাইজবাগে গিয়েছিল মাকে নিতে। এরপর চাচাকে শেষবারের মতো দেখতে তাদের যাওয়ার কথা ছিল আব্দুল্লাহপুর। ইজিবাইকে যাচ্ছিল তুহিন জন্মদাত্রী মাকে নিয়ে। ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বৈরাটি গ্রামে দ্রুতগামী বাস ধাক্কা দেয় ইজিবাইককে, ছিটকে পড়েন তুহিনের মা। বাস তাকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যেতে থাকে। তুহিন মাতম করে, চিৎকার করে বাস থামাতে বলে। তুহিন মানুষ ডাকে। কিন্তু ঘাতক বাস শেষমেষ তার মাকে চাপা দেয়, পিষ্ঠ করে। তুহিন তারপরও মাতম করে মানুষ ডাকে, নিজেই বাস ঠেলে মাকে বাসের চাকার নিচ থেকে বের করে আনে! তুহিন তার মৃত মা শিউলি আক্তারকে যখন বের করে আনতে পারে, তখনই পালিয়ে যায় বাস ড্রাইভার। উত্তেজিত মানুষ বাসে আগুন দেয়, তারপর পোড়া বাসকে ফেলে দেয় পথের পাশের ডোবায়! পরাজয়ের আগুনে পোড়ে বাস, তবু তুহিনের দুঃখ পোড়ে না। যতদিন সে বেঁচে থাকবে ততদিন তার মগজের কোষে মায়ের স্মৃতিপোকা তাকে ঠেলে দেবে দুঃখের গহীনে। মার কথা মনে হলে তুহিনের মনে হবে, সে তার মাকে বাঁচাতে পারেনি, সে পরাজিত হয়েছে!
রাজীবও বেঁচে থাকবে পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে। খুব ছোটকালে মা তারপর বাবাকেও হারিয়েছে রাজীব। খালার আশ্রয়ে থেকে এসএসসি পাস করেছিল। তারপর যাত্রাবাড়ির মেস, টিউশানি। ছোট দুই ভাইয়ের পড়ার খরচ, বেঁচে থাকার টাকা জোগানো। পড়ালেখার পাশাপাশি ছোটখাটো কাজ করা।এই দেশের লাখো মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রাম এমনই। সেই রাজীব এখন হাসপাতালের আইসিইউতে, তার মাথার খুলিতে ফাটল ধরেছে, চোখের পেছনে মস্তিষ্কে পানি ও রক্ত জমেছে।বেসরকারি যে হাসপাতালে রাজীবকে প্রথম ভর্তি করা হয়েছিল, সেখানে বিল উঠেছিল লাখ টাকার বেশি। রাজীবের স্বজনেরা দিতে পেরেছেন পঁয়ত্রিশ হাজারের মতো। তারপরও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রাজীবকে ঢাকা মেডিক্যালে যেতে দিয়েছে। মন্ত্রী ঢাকা মেডিক্যালে রাজীবকে দেখতে গিয়েছেন, তার চিকিৎসা ও চাকরির দায়িত্ব নিয়েছেন। তবু রাজীব কখনও স্বাভাবিক হতে পারবে না, তার রক্তমাখা হাত পড়ে আছে রাস্তায় সেটা সে কখনও ভুলতে পারবে না। তার হাত দিয়ে সে ছোট ভাইদের আদর করতে পারবে না, ধরতে পারবে না প্রিয়তমার হাত।
রাজীব টিকটিকি হলে পারতো। লেজ খসে গেলে যেমন লেজ গজায়, তেমনি হয়তো তার নতুন হাত গজাতো। রাজীব মানুষ। তাই আজীবন সে হারানো হাতের স্মৃতি নিয়ে ধুকে ধুকে বাঁচবে। চারিদিক থেকে শান্তনা আর সহমর্মিতার কোনও কোনও হাত হয়তো তাকে সাময়িক শান্তি দেবে। শুধু আজীবন ধুকে ধুকে বাঁচার কষ্টটা একান্তই তার হবে।
আমরা বাস করছি পরাজিত সময়ের বেদনা নিয়ে। যারা আজও বিশ্বাস করে, মানুষ জাগবে ফের কিংবা দুঃসময় থেকে সুসময়ে মানুষ পৌঁছে দেবে মানুষকে তাদের খুঁজে পাওয়া দুষ্কর! জীবন এখন তুহিন, রাজীব, আবু বকর বা প্রবীর সিকদারদের ক্রাচে ভর করে হাঁটে।
যে জীবন দোয়েলের-ফড়িংয়ের, যে জীবন স্বপ্নের, যে জীবন মুক্তিযোদ্ধাদের গ্রেনেডের, যে জীবন রুখে দাঁড়ানোর তার সঙ্গে যেন দেখা হয় তুহিনের। তার সঙ্গে যেন দেখা হয় রাজীবের!
লেখক: রম্যলেখক
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৪ বছরের বালক যখন খোঁজে পতিতাসঙ্গ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জীবন দিয়ে স্বামীর পরকীয়ার প্রতিবাদ জানালো পান্না by মাহবুব খান বাবুল

মুঠোফোনে যে যন্ত্রণার কথা বলেছিল পান্না: আগের দিন শনিবার সকাল ১১টার দিকে বড় বোন জহুরা বেগম ফোন দিয়েছিলেন পান্নাকে। ফোন ধরেই পান্না বলছিল ‘আপা আর পারছি না। আমাকে বাড়িতে নিবে না? কি করব ভেবে পাচ্ছি না। রাতে ডিস্টার্ব করে দেবর। দিনে শাশুড়ি ও ননদ। কাজ শেষ করে বসা দেখলেই তারা আমার ওপর মানসিক নির্যাতন চালায়। স্বামীর সঙ্গে কথা বলেও শান্তি নেই। ভালোমন্দ জিজ্ঞেস করেই ফোন রেখে দেয়। পান্নার বড় বোনের স্বামী জানান, ইমরানের সঙ্গে তার এক মামাত বোনের সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই বাকবিতণ্ডা হতো। ইমরান প্রবাসে চলে যাওয়ার পর পান্নার ওপর স্বামীর বাড়ির লোকজনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়। ঘটনার দিন ভোর বেলা পান্নার দেবর সাদেক বাড়ি থেকে চলে যায়। নিহত পান্নার বড় বোন জহুরা খানম বলেন, বিয়ের ১৫ দিন পরই রাতে পান্নাকে পাশে রেখেই ইমরান তার মামাত বোনের সঙ্গে মুঠোফোনে দীর্ঘ সময় হাস্যরসের কথা বলেন। পাশের কক্ষ থেকে আমি সব শুনেছি। সকালে পান্না ঘটনাটি স্বীকার করে ইমরানকে জিজ্ঞেস করতে নিষেধ করে। আর দেবর সাদেক প্রায়ই পান্নাকে বলত ‘তোমার সঙ্গে আমার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। যেকোনো কারণে ভাইয়ের সঙ্গে হয়ে গেছে। একই কথা।’ এমনসব কথা বলে পান্নাকে অনৈতিক প্রস্তাবও দিত। পান্নাকে অবসর দেখলেই মানসিক নির্যাতন করত শাশুড়ি ও ননদ। স্বামীর কাছে বিচার দিলে উল্টো গালমন্দ শুনতে হতো পান্নাকে। নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবু জাফর বলেন, এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এখনো কেউ লিখিত কোনো অভিযোগ দেয়নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়ায় হামলা চালাতেও সেই মিথ্যাচার, সেই 'ইরাক কৌশল'!

কিন্তু বিশ্বের সচেতন মানুষ রাসায়নিক হামলার বিষয়ে মার্কিন অভিযোগকে বিশ্বাস করতে পারছেন না। কারণ ২০০৩ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট রাসায়নিক অস্ত্র মজুদের অভিযোগ তুলে ইরাকে হামলা চালিয়েছিল। পরবর্তীতে তারাই স্বীকার করেছে যে, ইরাকে রাসায়নিক অস্ত্র মজুদের দাবি ছিল ভিত্তিহীন। হামলা চালানোর অজুহাত তৈরি করতেই ওই অসত্য তথ্য প্রচার করা হয়েছিল। সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে ইরাকে হামলার জন্য মাফ চেয়েছেন।
এছাড়া, ২০১৬ সালে ব্রিটেনে জন চিলকটের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটি এক রিপোর্টে জানিয়েছে, অসত্য তথ্যের ভিত্তিতে এবং বিস্তারিত পরিস্থিতি অনুধাবন ছাড়াই ইরাকে হামলা চালানোর ঘটনা, ব্রিটিশ সৈন্য ও ব্রিটিশ রাষ্ট্রীয় কোষাগারের বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করেছে। সেই সঙ্গে ইরাকসহ ওই অঞ্চলের দেশগুলোতে দীর্ঘমেয়াদি সংকট তৈরি করেছে। ব্রিটেন ভবিষ্যতে কোনো দেশে হামলা কিংবা বড় ধরনের যুদ্ধে লিপ্ত হতে গেলে এই প্রতিবেদনের প্রাপ্তিগুলো বড় শিক্ষা হয়ে থাকবে। তবে পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে ব্রিটেন ওই প্রতিবেদনের প্রাপ্তিগুলো থেকে শিক্ষা নেয় নি।
আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসন ইরাকের তৎকালীন স্বৈরশাসক সাদ্দামের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন যে, সাদ্দাম ইরাকে রাসায়নিক অস্ত্রের মজুত গড়ে তুলেছেন এবং সাদ্দাম বিশ্বশান্তির জন্য হুমকি। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ইরাকে হামলার উদ্যোগ নেয় বুশ সরকার। ব্রিটেনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারও একই দোহাই দিয়ে ইরাকে হামলা চালাতে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অনুমোদন নেন। এবার সেই রাসায়নিক অস্ত্রের অভিযোগ তুলে সিরিয়ায় হামলার পায়তারা চলছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রধানমন্ত্রীর অভিমান মানায় না by প্রভাষ আমিন

তবে এটা ঠিক রবিবার রাতে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা করে পরিস্থিতিতে জটিল করে তোলে। কিন্তু মধ্যরাতে ভিসির বাসায় তাণ্ডব চালিয়ে আন্দোলনকারীদের একটি অংশ বুঝিয়ে দেয়, তাদের লক্ষ্য কোটা সংস্কার নয়, অন্যকিছু। ছড়ানো হয় মৃত্যুর গুজব। প্রধানমন্ত্রী পেছন থেকে কলকাঠি নাড়া, ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাওয়া অংশের বাড়া ভাতে ছাই ঢেলে দিয়েছেন।
সোমবার সকালে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কোটা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী দাবি-দাওয়া পরীক্ষা-নিরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিলেন। বিকালে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে ৭ মে পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত থাকবে। এই সময়ের মধ্যে সরকার পুরো বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবে। প্রতিনিধি দল আন্দোলন ৭ মে পর্যন্ত স্থগিত করার ঘোষণাও করে আসে। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা প্রতিনিধি দলের সিদ্ধান্ত মানছিলেন না। তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। আন্দোলন আরও ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসেন। অচল হয়ে যায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা। সুনির্দিষ্ট তারিখ দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার ঘোষণার পরও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কোনও যৌক্তিকতা ছিল না। এরপর চিলের পেছনেই যেন দৌড়াচ্ছিলেন আন্দোলনকারীরা।
একমাস সময়ের ঘোষণায়ও সন্তুষ্ট না হওয়ার পর আসলে প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের ঘোষণা ছাড়া আর কিছু করার ছিল না। কোটা বাতিল ছাড়া তাৎক্ষণিক আর কী সিদ্ধান্ত হতে পারতো?
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পুরোটা জুড়েই ছিল অভিমান। দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষার সিদ্ধান্তের পরও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ায় এ অভিমান। তার ওপর আস্থা না রাখার অভিমান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসায় তাণ্ডব চালানোর অভিমান। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে অভিমান। কিন্তু আমি মনে করি, দেশের প্রধান নির্বাহীর কণ্ঠে এ ধরনের অভিমান মানায় না। বিভ্রান্ত তারুণ্যের দাবির মুখে এ ধরনের সিদ্ধান্ত বঞ্চিত করবে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে।
লেখক: হেড অব নিউজ, এটিএন নিউজ
![]() |
| প্রভাষ আমিন |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে দুমা পুনরুদ্ধার করেছে সিরিয়ার সেনাবাহিনী

এ খবর জানিয়েছে রাশিয়া। সিরিয়ায় মোতায়েন রুশ বাহিনীর কমান্ডার মেজর-জেনারেল ইউরি ইউভতুশেঙ্কো বলেছেন, দুমার একটি ভবনের উপর সিরিয়ার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে, দুমা শহরের পাশাপাশি পূর্ব গৌতার পুরো এলাকা সিরিয়ার সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।
এতদিন রাজধানী দামেস্কের বেসামরিক এলাকাগুলোতে রকেট ও মর্টার হামলার কাজে পূর্ব গৌতাকে ব্যবহার করছিল সন্ত্রাসীরা। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি এলাকাটি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী। অভিযানে রাশিয়ার সেনাবাহিনী সিরিয়াকে বিমান সহায়তা দেয়।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজ (বৃহস্পতিবার) সিরিয়ার দুমা শহরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শহরটিতে রাশিয়ার মিলিটারি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
মস্কো জানিয়েছে, তাকফিরি জঙ্গি গোষ্ঠী জেইশুল ইসলামের শত শত সন্ত্রাসী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পূর্ব গৌতা ত্যাগ করেছে। তবে সিরিয়ার সরকার বিরোধীদের সমর্থক বলে পরিচিত কথিত মানবাধিকার গোষ্ঠী সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, পূর্ব গৌতার অবশিষ্ট জঙ্গিরা তাদের ভারী অস্ত্রসস্ত্র জমা দিয়েছে এবং তাদের নেতারা ওই এলাকা ছেড়ে চলে গেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করব- রুশ রাষ্ট্রদূত; ট্রাম্প বললেন ‘প্রস্তুত হোন’
![]() |
| লেবাননে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার জাসিপকিন |
লেবাননে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার জাসিপকিন হিজবুল্লাহ পরিচালিত আল-মানার টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মঙ্গলবার বলেছেন, “সিরিয়ায় যদি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয় তাহলে আমরা মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করব। এমনকি যে উৎস থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হবে তাও ধ্বংস করব।” দৃশ্যত এ বক্তব্যের জবাবে ট্রম্প টুইটারে ওই পোস্ট দিয়েছেন।
টুইটার বার্তায় ট্রাম্প আবারো সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে সমর্থন করার জন্য রাশিয়াকে তিরস্কার করেছেন। তিনি তার ভাষায় বলেছেন, “গ্যাস হামলাকারী পশুর সঙ্গী হওয়া উচিত নয় যারা নিজের জনগণ হত্যা করে আনন্দ করে।”
সিরিয়ার পূর্ব গৌতার দুমা শহরে রাসায়নিক হামলার অভিযোগ তুলে আমেরিকা ও তার পশ্চিমা মিত্ররা সিরিয়ার ওপর হামলা চালানোর হুমকি দিচ্ছে। তবে, রাশিয়া বলেছে, এ ধরনের হামলা হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে মস্কো। মঙ্গলবার রুশ প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংসদীয় কমিটির প্রধান ভ্লাদিমির শ্যামানভ বলেছেন, “রাশিয়ার হাতে রয়েছে অদ্র অস্ত্র। যদি তারা পরীক্ষা করতে চান তবে তারা ভালো জবাব পাবেন।”
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়া সংকট নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে দেয়া ঠিক হবে না: জাতিসংঘ মহাসচিব

গত (বুধবার) এক বিবৃতিতে জাতিসংঘ মহাসচিব দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ভেটো ক্ষমতার অধিকারী দেশগুলো সিরিয়া ইস্যুতে একমত হতে পারে নি। তিনি বলেন, “চলমান অচলাবস্থা নিয়ে আজ আমি পাঁচ স্থায়ী সদস্য দেশের রাষ্ট্রদূতকে আমার গভীর উদ্বেগের কথা জানাচ্ছি এবং যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায় সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার ওপর জোর দিচ্ছি।”
একইসঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিব সিরিয়ার জনগণের ভোগান্তি দূর করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমরা যেন সিরিয়ার জনগণের মারাত্মক ভোগান্তির কথা ভুলে না যায়।”
সিরিয়া পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে আনা প্রস্তাব পাসে ব্যর্থ হওয়ার একদিন পর গুতেরেস এসব কথা বললেন। পূর্ব গৌতার দুমা শহরে রাসায়নিক হামলার কথিত অভিযোগে সিরিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি দিচ্ছে আমেরিকা। অন্যদিকে, রাশিয়া ও সিরিয়া বলেছে রাসায়নিক হামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন। এ নিয়ে অনেকটা যুদ্ধের মুখে রয়েছে দুপক্ষ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন আগ্রাসন বিনা জবাবে পার পাবে না: সিরিয় রাষ্ট্রদূত
![]() |
| লেবাননে নিযুক্ত সিরিয়ার রাষ্ট্রদূত আলী আবদুল করিম আলী |
সিরিয়ার বিরুদ্ধে যখন মার্কিন আগ্রাসনের আশংকা বাড়ছে তখন তিনি এ মন্তব্য করলেন। আলী আবদুল করিম নিজেও মনে করেন, তার দেশের ওপর মার্কিন আগ্রাসনের আশংকা রয়েছে।
পূর্ব গৌতায় পশ্চিমাদের পরাজয়ের কারণে সিরিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক হামলার বিষয়ে আমেরিকা ও তার মিত্ররা হুমকি দিচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, রাজধানী দামেস্কের কাছে সন্ত্রাসীদের পরাজয়ের পর আমেরিকা ও তার মিত্ররা হতাশ হয়ে পড়েছে। সন্ত্রাসীদের ওপর আগ্রাসী এসব শক্তির ভরসা কমে গেছে।
সিরিয়ার এ কূটনীতিক বলেন, তার দেশের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ অবাস্তব তবে সীমিত পরিসরে যুদ্ধ হলেও শত্রুরা কঠোর জবাব পাবে। তিনি বলেন, সিরিয়া, ইরান ও রাশিয়া যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে এবং তাদের জবাব হবে জোরালো ও কঠোর। সিরিয়ার ওপর পশ্চিমা সম্ভাব্য হামলা সম্পর্কে রাশিয়ার অবস্থান তুলে ধরে আলী আবদুল করিম বলেন, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও দেশটির শীর্ষ কামন্ডাররা বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন যে, রুশ ও সিরিয়ার সেনাদের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলে তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত জবাব দেবে মস্কো। এছাড়া, লেবাননে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার জাসিপকিনের বক্তব্য তুলে ধরেন আলী করিম। জাসিপকিন বলেছেন, “আমেরিকা যদি সিরিয়ার ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় তাহলে সেগুলোকে ভূপাতিত করা হবে এমনকি যে উৎস থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়েছে তার ওপর হামলা করবে রাশিয়া।”
আলী আবদুল করিম আরো বলেন, যদিও আমেরিকা বড় শক্তি এবং তারা হামলা চালাতে সক্ষম তবে রাশিয়াও সামরিক দিক দিয়ে শক্তিশালী। তিনি বলেন, কোনো হামলা বিনা জবাবে পার পাবে না। তিনি বলেন, মিত্রদের সঙ্গে তার দেশের সর্বোচ্চ সম্পর্ক রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাবিতে মধ্যরাতে ছাত্রী নির্যাতন মারধরই এশার নেশা

হলের আবাসিক এক ছাত্রী জানান, কোটা সংস্কারে এবারের আন্দোলনের আগ পর্যন্ত মেয়েরা এভাবে কোনো আন্দোলনে অংশ নেয়নি। তিনি বলেন, শুরুর দিকে যখন এশার অধীনে হলে উঠি তখন প্রথম ১২ দিন তার পলিটিক্যাল কমান্ডে হেন কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নেই যে, অংশ নিতে হয় নি।
হল-এ পলিটিক্যাল গণরুমে থাকা ছাত্রীদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বাধ্য করাটা হচ্ছে একটি অলিখিত নিয়ম। গতকালের (মঙ্গলবার) ছাত্রী নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশের মধ্য দিয়ে প্রথা ভাঙার সংস্কার চালু হয়েছে। কারণ এরকম মারামারি এর আগেও অনেকবার হয়েছে। সেগুলো এভাবে প্রকাশ পায় নি। হলের আরেক শিক্ষার্থী জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নেয়ার কারণে সোমবার রাতেও কয়েক শিক্ষার্থীকে বকাঝকা করেছেন এশা। সাধারণ মেয়েরা তাদের ডেকে জানতে চাইলে কোনো জবাব না দিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলেন ভুক্তভোগীরা। এশার অত্যাচারের ভয়ে কোনো ছাত্রীই মুখ খুলতে সাহস পেতেন না। রাজনৈতিক আশ্রয়ে হলে ওঠা ছাত্রীদের মনে একটি শঙ্কাই কাজ করতো, এই বুঝি তাদের সিট বাতিল হয়ে যায়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এশার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ৩নং দিগনগর ইউনিয়নের দেবতলা গ্রামে। তার বাবা ইসমাইল হোসেন ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং জেলা দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি)। ২০০১ সালে শৈলকুপার গাড়াগঞ্জ একটি জনসভায় তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। এশা ঝিনাইদহ সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে ২০১০ সালে মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি ও ২০১২ সালে ঝিনাইদহ সরকারি নুরুন্নাহার মহিলা কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে এইচএসসি পাস করেন। এরপর ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি মাস্টার্সের শিক্ষার্থী।
হলে হলে আন্দোলনকারীদের নির্যাতনের অভিযোগ
কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে হলে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন ছাড়াও হল থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, গত চারদিন যাবৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে ছাত্রলীগ আন্দোলনকারীদের বিভিন্নভাবে হুমকিধামকি দেয়। শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল, স্যার এ এফ রহমান হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, কবি জসীম উদ্্দীন হল, সূর্যসেন হল, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল, এস এম হল, রোকেয়া হল ও সুফিয়া কামাল হলসহ বিভিন্ন হলে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে না যেতে মানসিক নির্যাতন ও হলচ্যুত করার হুমকি দেয়া হয়। এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে কবি সুফিয়া কামাল হলে তিন ছাত্রীকে মারধর করে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইফফাত জাহান এশার বিরুদ্ধে। এশা তিন ছাত্রীকে নিজ কক্ষে (৩০৭) ডেকে নিয়ে নির্যাতন করেন। এসময় তাদের চিৎকার শুনে হলের অন্য সাধারণ ছাত্রছাত্রী তাদের উদ্ধারে এগিয়ে যান। এক পর্যায়ে মোর্শেদা খানমসহ দুই ছাত্রীকে মারধর করে রক্তাক্ত করেছেন বলে অভিযোগ উঠে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ ছাত্রীরা হলটির মাঠে অবস্থান নিয়ে এশাকে বহিষ্কারের দাবি করেন। নিশ্চয়তা চান নিরাপদভাবে হলে অবস্থানের। এসময় ‘নির্যাতনকারীর কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘মরতে নয়, পড়তে চাই’, ‘বোনের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’- স্লোগান দিতে থাকে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভে ফেটে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা। ছাত্রলীগের বাধা উপেক্ষা করে ছেলেদের হল থেকে মিছিল নিয়ে কবি সুফিয়া কামাল হলের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করে ৪-৫ হাজার শিক্ষার্থী। এসময় তারা এশাকে বহিষ্কারের দাবি করেন। এক পর্যায়ে এশাকে হল ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কার করা হয় ছাত্রলীগ থেকেও। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘ছাত্রী মারধরের অভিযোগে ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানসহ সিনিয়র শিক্ষকরা বসে তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’ অন্যদিকে ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে এশাকে হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কারের আগে এশাকে জুতার মালা পরিয়ে হলচ্যুত করে সাধারণ ছাত্রীরা। বিক্ষুব্ধ ছাত্রীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগের হল শাখা সভাপতি এশা আগেও সাধারণ ছাত্রীদের নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে মারধর করতেন। তবে এতদিন ভয়ে কেউ মুখ খুলেনি।
এদিকে ছাত্রলীগের নির্যাতনের প্রতিবাদে রাত ৪টার দিকে আন্দোলনকারীদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল কবি সুফিয়া কামাল হল থেকে শুরু হয়ে দোয়েল চত্বর, শহীদ মিনার, ফুলার রোড, নীলক্ষেত, বসুনিয়া, সূর্যসেন হল, জিয়া হল, ভিসি চত্বর, টিএসসি হয়ে ফের সুফিয়া কামাল হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এতে ৫-৭ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়। মিছিল থেকে হামলার প্রতিবাদ, নিরাপদ ক্যাম্পাস, নির্যাতন বন্ধ, কোটা সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্লোগান দেয়া হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ, ভারতে তৎপর ছিল আল কায়েদার সামিউন

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়ায় গ্যাস হামলা: রাশিয়াকে ট্রাম্পের সতর্কতা

খবরে বলা হয়, হিজবুল্লাহ-মালিকানাধীন আল-মানার টিভি’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জাসিপকিন যুক্তরাষ্ট্রকে সিরিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর বিষয়ে সতর্ক করেছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ¬াদিমির পুতিন ও চিফ অব স্টাফের মন্তব্য অনুসরণ করে তিনি বলেছেন, যদি কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়, তাহলে আমরা সেসব মার্কিন রকেটগুলো গুলি করে নিষ্ক্রিয় করে দেবো। পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার স্থানেও হামলা চালাবো। এসময় তিনি রুশ চিফ অব স্টাফ জেনারেল ভ্যালেরি গেরাসিমভের কথার দিকে ইঙ্গিত করছিলেন। গেরাসিমভ মার্চে সতর্ক করে বলেছিলেন, সিরিয়ার উদ্দেশ্যে নিক্ষেপ করা সব ক্ষেপণাস্ত্র গুলি করে ভূপাতিত করা হবে। পাশাপাশি ওইসব হামলায় রুশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের জন্য হুমকিজনক হলে ক্ষেপণাস্ত্রপগুলোর নিক্ষেপস্থলেও হামলা চালানো হবে। গেরাসিমভ বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি সিরীয় ঘাঁটিতে হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় ও সে দেশে অবস্থানকারী রুশ সামরিক কর্মকর্তাদের জীবন ঝুঁকিতে পড়ে, তাহলে তার দেশ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাদের অস্ত্র ব্যবহার করবে। এদিকে, আল-মানারের সঙ্গে তার সাক্ষাৎকারে জেসিপকিনও একই কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, তার দেশ সিরিয়ায় বেশকিছু উন্নতি সাধন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ইস্টার্ন ঘৌটা প্রায় পুরোপুরিভাবে সশস্ত্র বাহিনীর কাছ থেকে মুক্ত করা। জেসিপকিন এমন মন্তব্যের পরে এক টুইট করে উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি করেছেন ডনাল্ড ট্রাম্প। জেসিপকিনের মন্তব্যের জবাবে করা ওই টুইটে তিনি বলেন, সিরিয়ার উদ্দেশে নিক্ষেপ করা সব ক্ষেপণাস্ত্র গুলি করে নিষ্ক্রিয় করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি করেছে রাশিয়া। রাশিয়া, প্রস্তুত হয়ে নাও, কারণ তারা (ক্ষেপণাস্ত্র) আসছে, সুন্দর, নতুন ও বুদ্ধিমান। তোমাদের একজন গ্যাস দিয়ে হত্যাকারী পশুর সহযোগী হওয়া উচিত হয়নি। যে কি না নিজের লোকদের হত্যা করে ও তা উপভোগ করে।
এদিকে, জেপিসকিন তার সাক্ষাৎকার দেয়ার আগে আগে যুক্তরাষ্ট্র ও বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ দৌমায় রাসায়নিক গ্যাস হামলার প্রতিক্রিয়ায় সিরিয়া ও তাদের প্রধান মিত্র রাশিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার হুমকি দিয়েছে। শনিবারের ওই হামলায় কমপক্ষে ৭০ জন নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। পাশাপাশি দৌমায় হামলার অভিযোগ তদন্ত করতে সেখানে নিঃশর্ত প্রবেশাধিকারের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। তবে সিরিয়া ও রাশিয়া সরকার এমন কোনো হামলার অস্তিত্বের কথা অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, এই হামলার অভিযোগ বিদ্রোহীদের বানোয়াট গল্প। তবে স্থানীয় মানবাধিকার কর্মী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের দাবি নারী, শিশুসহ হামলায় কমপক্ষে ৫০০ মানুষ গ্যাস হামলায় আক্রান্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে, সিরিয়ায় গ্যাস হামলার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করার আহ্বান জানিয়ে প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। তবে পরিষদ তা অনুমোদন করেনি। এদিকে, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস জানিয়েছেন, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বাহিনীর জন্য কোনো সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাই বাদ দেয় হচ্ছে না। সব ‘অপশনই’ টেবিলে আছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি সতর্ক করে বলেছেন, সিরিয়ায় হামলার ব্যাপারে নিরাপত্তা পরিষদ পদক্ষেপ নিক বা না নিক, যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। অন্যদিকে, মার্কিন হামলার সম্ভাবনায় সিরীয় সামরিক বাহিনীকে উচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
রাশিয়ার সামরিক সহায়তায় বাশার আল-আসাদ সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইস্টার্ন ঘৌটায় তীব্র হামলা চালাচ্ছে। ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখ থেকে শুরু হয় বিমান হামলা। তখন থেকে এ পর্যন্ত এসব হামলায় প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে ১ হাজার ৬০০ বেসামরিক নাগরিক। এর মধ্যে সরকারের সঙ্গে কয়েক দফা মধ্যস্থতার পর ইস্টার্ন ঘৌটা ছাড়ার চুক্তিতে রাজি হয়েছে ৪৫ হাজারের বেশি বিদ্রোহী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়া নিয়েই কি হবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ!

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাশার আল আসাদ এখন কোথায়!

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আরবদের হটিয়ে যেভাবে ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল
ইহুদিদের পাশেই ছিল ফিলিস্তিনী আরবদের বসবাস। সেখানে আরবদের কৃষি খামার ছিল। তারা কয়েক শতাব্দী ধরে সেখানে বসবাস করছিল।
সে সময় মুসলমান এবং ইহুদীদের মধ্যে সম্পর্ক মোটামুটি বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল।
কিন্তু ১৯৩০'র দশকে ফিলিস্তিনীরা বুঝতে পারলো যে তারা ধীরে-ধীরে জমি হারাচ্ছে। ইহুদিরা দলে-দলে সেখানে আসে এবং জমি ক্রয় করতে থাকে।
ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সময় প্রায় সাত লাখের মতো ফিলিস্তিনী বাস্তু-চ্যুত হয়েছে। তারা ভেবেছিল দ্রুত সমস্যার সমাধান হলে তারা বাড়ি ফিরে আসতে পারবে।
কিন্তু ইসরায়েল তাদের আর কখনোই বাড়িতে ফিরতে দেয়নি।
ইসরায়েলের সাবেক প্রেসিডেন্ট শিমন পেরেজ বছর দশেক আগে বিবিসি'র সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ফিলিস্তিনদের কেন এই দশা হলো সেজন্য তাদের নিজেদেরই প্রশ্ন করা উচিত।
মি: পেরেজ বলেন, "অধিকাংশ জমি ফিলিস্তিনদের হাতেই থাকতো। তাদের একটি আলাদা রাষ্ট্র হতো। কিন্তু তারা সেটি প্রত্যাখ্যান করেছে। ১৯৪৭ সালে তারা ভুল করেছে। আমরা কোন ভুল করিনি। তাদের ভুলের জন্য আমরা কেন ক্ষমা চাইবো?"
১৮৯৭ সাল থেকেই ইহুদিরা চেয়েছিলেন নিজেদের জন্য আলাদা একটি রাষ্ট্র গড়ে তুলতে।
১৯১৭ সালে থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনের ভূমি ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
১৯১৭ সালের নভেম্বর মাসে তুরস্কের সেনাদের হাত থেকে জেরুজালেম দখল করে ব্রিটেন।
তখন ব্রিটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে ফিলিস্তিনের মাটিতে ইহুদিদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র গঠনের জন্য সহায়তা করবে।
ব্রিটেনের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড আর্থার জেমস বেলফোর বিষয়টি জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন ইহুদি আন্দোলনের নেতা ব্যারন রটসচাইল্ডকে।
তৎকালীন ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সে চিঠি 'বেলফোর ডিক্লারেশন' হিসেবে পরিচিত।
ইহুদীদের কাছে ব্রিটেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে ফিলিস্তিনের জমিতে তাদের জন্য একটি রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ করে দিবে।
যদিও রোমান সময় থেকে ইহুদিদের ছোট্ট একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী সে জায়গায় বসবাস করতো।
ইউরোপে ইহুদীদের প্রতি যে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল সেটি তাদের একটি নিজস্ব রাষ্ট্র গঠনের ভাবনাকে আরো তরান্বিত করেছে।
১৯৩৩ সালের পর থেকে জার্মানির শাসক হিটলার ইহুদিদের প্রতি কঠোর হতে শুরু করেন।
ইতোমধ্যে জাহাজে করে হাজার হাজার ইহুদি অভিবাসী ফিলিস্তিনী ভূখণ্ডে আসতে থাকে।
তখন ফিলিস্তিনী আরবরা বুঝতে পারে যে তাদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ছে।
ফিলিস্তিনী আরবরা নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য বিদ্রোহ করে। তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল ব্রিটিশ সৈন্য এবং ইহুদি নাগরিকরা।
কিন্তু আরবদের সে বিদ্রোহ কঠোর হাতে দমন করেছে ব্রিটিশ সৈন্যরা।
ফিলিস্তিনদের উপর ব্রিটিশ সৈন্যরা এতো কঠোর দমন-পীড়ন চালিয়েছিল যে আরব সমাজে ভাঙন তৈরি হয়েছিল।
ইহুদীরা তাদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র গঠনে বদ্ধপরিকর ছিল। ব্রিটেনের সহায়তায় সে অনুযায়ী তারা কাজ এগিয়ে নিচ্ছিল।
১৯৩০'র দশকের শেষের দিকে ব্রিটেন চেয়েছিল হিটলারের নাৎসি বাহিনীর বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের অবস্থান জোরালো করতে।
সেজন্য আরব এবং ইহুদী- দু'পক্ষকেই হাতে রাখতে চেয়েছে ব্রিটেন।
১৯৩৯ সালের মাঝামাঝি ব্রিটেনের সরকার একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করে যেখানে বলা হয়েছিল পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য পঁচাত্তর হাজার ইহুদি অভিবাসী আসবে ফিলিস্তিনী ভূখণ্ডে। অর্থাৎ সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছিল।
ব্রিটেনের এ ধরনের পরিকল্পনাকে ভালোভাবে নেয়নি ইহুদিরা। তারা একই সাথে ব্রিটেন এবং হিটলারের বিরুদ্ধে লড়াই করার পরিকল্পনা করে।
তখন ৩২ হাজার ইহুদি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়। সেখান থেকে সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়ে ইহুদি সৈন্যরা ব্রিটেন এবং আরবদের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলারের বাহিনীর দ্বারা লাখ-লাখ ইহুদি হত্যাকাণ্ডের পর নতুন আরেক বাস্তবতা তৈরি হয়।
১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার পর যেসব ইহুদি বেঁচে ছিলেন তাদের জন্য জন্য কী করা যায় সেটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
তখন ফিলিস্তিনী ভূখণ্ডে ইহুদীদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র গঠনের চিন্তা আরো জোরালো হয়।
আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান ইসরায়েল রাষ্ট্রের পক্ষে জোরালো অবস্থান তুলে ধরেন।
মি: ট্রুম্যান চেয়েছিলেন হিটলারের হাত থেকে বেঁচে যাওয়া এক লক্ষ ইহুদিকে অতি দ্রুত ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে জায়গা দেয়া হোক।
কিন্তু ব্রিটেন বুঝতে পারছিল যে এতো বিপুল সংখ্যক ইহুদিদের ফিলিস্তিনী ভূখণ্ডে নিয়ে গেলে সেখানে গৃহযুদ্ধ হবে।
এ সময় ইহুদিদের সশস্ত্র দলগুলো ব্রিটিশ সৈন্যদের উপর ফিলিস্তিনের বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালানো শুরু করে।
তখন ইউরোপ থেকে ফিলিস্তিনের উদ্দেশ্যে জাহাজে বোঝাই হয়ে আসা হাজার-হাজার ইহুদিদের বাধা দেয় ব্রিটিশ বাহিনী। কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি।
ইহুদি সশস্ত্র দলগুলো ব্রিটিশ বাহিনীর উপর তাদের আক্রমণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
তাদের উদ্দেশ্য ছিল এমন একটি পরিস্থিতির তৈরি করা যাতে ইহুদি রাষ্ট্র গঠনের জন্য ব্রিটেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়। তখন সমাধানের জন্য ব্রিটেনের উপর চাপ বাড়তে থাকে।
এরপর বাধ্য হয়ে ব্রিটেন বিষয়টিকে জাতিসংঘে নিয়ে যায়।
১৯৪৭ সালের নভেম্বর মাসে ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে দু'টি রাষ্ট্র গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘ। একটি ইহুদিদের জন্য এবং অন্যটি আরবদের জন্য।
ইহুদিরা মোট ভূখণ্ডের ১০ শতাংশের মালিক হলেও তাদের দেয়া হয় মোট জমির অর্ধেক। কিন্তু আরবদের জনসংখ্যা এবং জমির মালিকানা ছিল আরবদের দ্বিগুণ।
স্বভাবতই আরবরা এ সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি। তারা জাতিসংঘের এ সিদ্ধান্ত খারিজ করে দেয়।
কিন্তু ফিলিস্তিনীদের ভূখণ্ডে তখন ইহুদিরা বিজয় উল্লাস শুরু করে। অবশেষে ইহুদিরা একটি স্বাধীন ভূখণ্ড পেল। কিন্তু আরবরা অনুধাবন করেছিল যে কূটনীতি দিয়ে এ সমস্যার সমাধান হবে না।
জাতিসংঘের এ সিদ্ধান্তের পর আরব এবং ইহুদিদের মধ্যে দাঙ্গা শুরু হয়ে যায়। তখন ফিলিস্তিনী ভূখণ্ড ছেড়ে যাবার জন্য ব্রিটিশ সৈন্যরা দিন গণনা করছিল।
তখন ইহুদিদের সশস্ত্র দলগুলো প্রকাশ্যে আসা শুরু করে। তাদের গোপন অস্ত্র কারখানাও ছিল।
কিন্তু ইহুদিদের সবচেয়ে বড় সুবিধা ছিল তাদের বিচক্ষণ নেতৃত্ব।
এর বিপরীতে আরবদের কোন নেতৃত্ব ছিলনা। ইহুদীরা বুঝতে পেরেছিল যে নতুন রাষ্ট্র গঠনের পর আরবরা তাদের ছেড়ে কথা বলবে না। সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য আগে থেকেই তৈরি ছিল ইহুদিরা।
সবার দৃষ্টি ছিল জেরুজালেম শহরের দিকে। মুসলমান, ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের জন্য পবিত্র এ জায়গা।
জাতিসংঘ যে সিদ্ধান্ত দিয়েছিল সেখানে জেরুজালেম আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা ছিল।
কিন্তু আরব কিংবা ইহুদি- কোন পক্ষই সেটি মেনে নেয়নি। ফলে জেরুজালেম শহরের নিয়ন্ত্রণের জন্য দু'পক্ষের মধ্যে যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠেছিল।
জেরুজালেমে বসবাসরত ইহুদীদের অবরুদ্ধ করে রেখেছিল আরবরা। অন্য জায়গার সাথে জেরুজালেমের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে ইহুদীরা আরবদের উপর পাল্টা আক্রমণ শুরু করে।
অনেক বিশ্লেষক বলেন, তখন ইহুদীরা আরবদের নিশ্চিহ্ন করার পরিকল্পনা করেছিল।
যেহেতু আরবদের মধ্যে কোন সমন্বয় ছিল না সেজন্য ইহুদিরা একের পর এক কৌশলগত জায়গা দখল করে নেয়।
তখন ফিলিস্তিনের একজন নেতা আল-হুসেইনি সিরিয়া গিয়েছিলেন অস্ত্র সহায়তার জন্য।
কিন্তু সিরিয়া সরকার ফিলিস্তিনদের সে সহায়তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। সেখান থেকে ফিরে এসে আল হুসেইনি আবারো যুদ্ধে নামেন। এর কয়েকদিন পরেই তিনি নিহত হন।
ইহুদিরা যখন তাদের আক্রমণের মাত্রা বাড়িয়ে দিলে ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাস নাগাদ বহু ফিলিস্তিনী আরব তাদের বাড়ি ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়।
ইহুদি সশস্ত্র গ্রুপগুলোর নৃশংসতা আরবদের মনে ভয় ধরিয়ে দেয়। অন্যদিকে ফিলিস্তিনী সশস্ত্র দলগুলো ইহুদিদের উপর কয়েকটি আক্রমণ চালায়।
কিন্তু ইহুদিদের ক্রমাগত এবং জোরালো হামলার মুখে ভেঙ্গে পড়তে শুরু করে ফিলিস্তিনীরা। তারা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়।
অন্যদিকে জর্ডানের বাদশাহ আব্দুল্লাহ এবং অন্য আরব দেশগুলোর সরকার তাদের নিজ দেশের ভেতরে চাপে পড়ে যায়।
সেসব দেশের জনগণ চেয়েছিল, যাতে ফিলিস্তিনদের সহায়তায় তারা এগিয়ে যায়।
১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ফিলিস্তিন ছেড়ে চলে যায় ব্রিটেন। একই দিন তৎকালীন ইহুদি নেতারা ঘোষণা করেন যে সেদিন রাতেই ইহুদি রাষ্ট্রের জন্ম হবে।
ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্মের এক ঘন্টার মধ্যেই আরবরা আক্রমণ শুরু করে। একসাথে পাঁচটি আরব দেশ ইসরায়েলকে আক্রমণ করে।
যেসব দেশ একযোগে ইসরায়েলকে আক্রমণ করেছিল তারা হচ্ছে - মিশর, ইরাক, লেবানন, জর্ডান এবং সিরিয়া। তাদের সৈন্য সংখ্যা ছিল প্রায় ত্রিশ হাজারের মতো।
অন্যদিকে ইসরায়েলের সৈন্য সংখ্যা ছিল প্রায় ৩৫ হাজার।
কিন্তু আরব দেশগুলোর মধ্যে কোন সমন্বয় ছিলনা। তাছাড়া আরব নেতৃত্ব একে অপরকে বিশ্বাস করতো না।
জেরুজালেম দখলের জন্য আরব এবং ইসরায়েলের মধ্যে চলছে তীব্র লড়াই।
ইহুদিরা ভাবছিল জেরুজালেম ছাড়া ইহুদি রাষ্ট্রের কোন অর্থ নেই। অন্যদিকে মুসলমানদের জন্যও জেরুজালেম পবিত্র জায়গা।
তীব্র লড়াইয়ের এক পর্যায়ে ইসরায়েলি বাহিনী পিছু হটতে থাকে। তাদের অস্ত্রের মজুত শেষ হয়ে যায়।
সম্ভাব্য পরাজয় আঁচ করতে পেরে ইহুদিরা নিজেদের শক্তি সঞ্চয়ের জন্য সময় নেয়।
আর কিছুদূর অগ্রসর হলেই মিশরীয় বাহিনী তেল আবিবের দিকে অগ্রসর হতে পারতো। তখন জাতিসংঘের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
যুদ্ধবিরতির সময় দু'পক্ষই শক্তি সঞ্চয় করে। কিন্তু ইসরায়েল বেশি সুবিধা পেয়েছিল। তখন চেকোস্লোভাকিয়ার কাছ থেকে আধুনিক অস্ত্রের চালান আসে ইসরায়েলের হাতে।
যুদ্ধ বিরতী শেষ হলে নতুন করে আরবদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ইসরায়েলি বাহিনী। একর পর এক গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে নেয় ইহুদিরা।
তেল আবিব এবং জেরুজালেমের উপর তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয়।
জাতিসংঘের মাধ্যমে আরেকটি যুদ্ধ বিরতির মাধ্যমে সে সংঘাত থামে। ইসরায়েলী বাহিনী বুঝতে পরে তারা স্বাধীনতা লাভ করছে ঠিকই কিন্তু লড়াই এখনো থামেনি।
১৯৪৭ সালের নভেম্বর মাস থেকে ১৯৪৯ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ছয় হাজার ইহুদি নিহত হয়েছিল।
ইহুদিরা মনে করে তারা যদি সে যুদ্ধে পরাজিত হতো তাহলে আরবরা তাদের নিশ্চিহ্ন করে দিতো।
ইসরায়েলিরা মনে করেন ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ সেভাবে দু'টি দেশের স্বীকৃতি দিয়েছিল, সেটি যদি ফিলিস্তিনীরা মেনে নিতো তাহলে ফিলিস্তিন এবং ইসরায়েল নামের দুটি দেশ এখন পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ অবস্থান করতো।
আরব দেশগুলোর মধ্যে পারষ্পরিক আস্থা না থাকার কারণেই ১৯৪৮ সালের যুদ্ধে তারা পরাজিত হয়েছে এবং ইসরায়েল দেশটির জন্ম হয়ে সেটি স্থায়ী হতে পেরেছে। অনেক ঐতিহাসিক বিষয়টিকে এভাবেই দেখেন।
১৯৪৮ সালের পর থেকে সামরিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে অতি দ্রুত উন্নতি লাভ করে ইসরায়েল। তারা সুপার পাওয়ার হিসেবে আবির্ভূত হয়।
![]() |
| ছবির ক্যাপশান, ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ফিলিস্তিনীদের সাথে সংঘাত এখনো চলছে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোটা কি পুরোপুরি বাতিল করা যায়? by আমানুর রহমান রনি

বুধবার (১১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা বাতিলের ঘোষণা দেন। তার এই ঘোষণার পর বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোটা যেহেতু কেউ চাচ্ছে না, তাহলে থাকারই দরকার নাই। কোটা বাদ।’ কোটা না থাকলেও সরকার এখন কোটার সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর জন্য চাকরির ব্যবস্থা করতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যারা প্রতিবন্ধী, যারা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য— তাদের জন্য অন্যভাবে আমরা চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে পারবো। তারাও জয়েন করতে পারবে। কিন্তু কোটা নিয়ে এই যে আন্দোলন, আমি ছাত্রদের বলবো, তাদের আন্দোলন তারা করেছে, যথেষ্ট। এখন তারা ক্লাসে ফিরে যাক।’
তবে কোটা পুরোপুরি বাতিল সম্ভব না বলে মন করেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, এ ক্ষেত্রে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংবিধানের ২৮(৪) এবং ২৯(৩)(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশের সব নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে কোটা পদ্ধতি চালু হয়েছিল। দেশের পিছিয়ে পড়া কোনও জনগোষ্ঠী, কোনও এলাকার জনগোষ্ঠী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ বিভিন্ন সম্প্রদায় যদি সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়, তাহলে তাদের সুযোগ দিতে সংবিধান সরকারকে ক্ষমতা দিয়েছে। এই ক্ষমতা বলেই কোটা পদ্ধতি চালু হয়েছিল। বিভিন্ন সময় যৌক্তিক কারণেই বিভিন্ন গোষ্ঠী ও মানুষের জন্য এই কোটা পদ্ধতির সৃষ্টি হয়েছে। সেই কারণগুলো এখনও সমাধান হয়নি বলে কোটা পুরোপুরি বাতিল করা যাবে না বলে মনে করেন সংবিধান বিশেষজ্ঞ অ্যাডভোকেট শাহদীন মালিক।
তিনি বলেন, ‘আমাদের বিভিন্ন জনগোষ্ঠী যেমন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, প্রতিবন্ধী, তারপর বিশেষ ভৌগলিক এলাকার বিশেষ মানুষ এমন বিভিন্ন ধরনের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী আছে। তাদের পক্ষে রাষ্ট্রের বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া আমাদের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা আছে।’
শাহদীন মালিক বলেন, ‘আমরা শতকরা ৫৬ ভাগ কোটা করে যে অস্বাভাবিক সমাধান করেছিলাম, ঠিক সেভাবেই কোটা শূন্যে নামিয়ে আনাও আমার দৃষ্টিতে একটা অস্বাভাবিক প্রক্রিয়া।’
তিনি মনে করেন, ‘কোটা শূন্য হলে বিভিন্ন বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর বঞ্চনা দীর্ঘস্থায়ী করা হবে, যা ১৯৭২ সালের সংবিধানের চেতনা ও ধারণার পরিপন্থী।’
এই সমস্যা উত্তরণের জন্য তিনি একটি কমিশন গঠনের পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘এসব বিষয় নির্ধারণ করার জন্য যেকোনও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেই কমিশন গঠন করা হয়। আমরাও একটা কমিশন গঠন করতে পারি। সরকার তাদের সাধারণ একটা ধারণা দিতে পারে, শতকরা কত শতাংশ কোটা রাখবে। সেটা হতে পারে শতকরা ১৫ বা ২০ শতাংশের মধ্যে। সরকার যা মনে করে এমন টার্গেট দিয়ে দিতে পারে। তারপর কমিশন সেই টার্গেটের মধ্যে সব গোষ্ঠীকে কোটা সুবিধা দিতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘সরকার এখন ৫৬ ভাগ বাতিল করতে পারে। তবে এরপর কতটুকু রাখবে, কে কত কোটা পাবে, তা কমিশন ঠিক করবে।’ তিনি এভাবেই এই সমস্যার সমাধান দেখেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কোটা পদ্ধতি নিয়ে অনেক ঝামেলা রয়েছে। আমাদের ৫৬ ভাগ কোটা সুবিধা থাকার পরও কিন্তু যাদের সুবিধা পাওয়ার কথা, তারা সেভাবে পাচ্ছে না। অনেক কোটায় প্রার্থীর সংখ্যা পূরণ হচ্ছিল না।’
তিনি বলেন, ‘সারা পৃথিবীতে বৈষম্য দূর করতে কোটা পদ্ধতি চালু আছে। আমাদের সংবিধানেও সেবিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া আছে। তবে সেটা কী পরিমাণে হবে তা বিবেচ্য বিষয়। এজন্য বিশ্লেষণের দরকার ছিল। কোথায় কী পরিমাণ কোটা রাখা হবে, তা বিশ্লেষণ করে দেখা উচিত ছিল। সব কিছু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল। হঠাৎ করে কোটা পদ্ধতি বাতিল করলে, সুবিধা বঞ্চিত অনেক মানুষ সুবিধা বঞ্চিত হবেন। তাদের বিষয়টিও ভাবা দরকার।’
সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বিষয়ে সংবিধানে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাদের অধিকার বঞ্চিত করা যাবে না। তাদের জন্য কোটা রাখতেই হবে। প্রধানমন্ত্রীও তার বক্তব্যে তা-ই বলেছেন। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের তিনি বিশেষভাবে নিয়োগের বিষয়ে বলেছেন। তাই কোটা সম্পূর্ণ যে বাতিলের কথা উঠেছে, সেখানে সংবিধানের কোনও ব্যত্যয় হবে না।’
তিনি বলেন, ‘সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয় এমন কোটা বাদ দেওয়া যাবে না। যেসব কোটা সংবিধানে সংরক্ষিত না, কেবল সেগুলোই বাদ দেওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে কোনও সমস্যা নেই। আইনি জটিলতাও নেই।’
কোটা ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হলো— অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জন্য সমান সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। সংবিধানের ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদে রয়েছে— ‘কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ ভেদে বা জন্মস্থানের কারণে কোনও নাগরিকের প্রতি বৈষম্য করতে পারবে না রাষ্ট্র।’
সংবিধানের ২৯ নম্বর অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে— ‘সরকারি চাকরিতে নিয়োগ বা পদ পাওয়ার ক্ষেত্রে সব নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে। কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ ভেদে বা জন্মস্থানের কারণে কোনও নাগরিক সরকারি চাকরিতে নিয়োগ বা পদের জন্য অযোগ্য হবেন না, কিংবা সেক্ষেত্রে তার প্রতি বৈষম্য দেখানো যাবে না।’
২৯ নম্বর অনুচ্ছেদেই বলা আছে— ‘নাগরিকদের যে কোনও অনগ্রসর অংশ যেন সরকারি চাকরিতে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব লাভ করতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তাদের কল্যাণে বিশেষ বিধান প্রণয়ন করা হবে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগকে ব্যবহার করেছে সরকার: এএইচআরসি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিদ্যমান কোটা পদ্ধতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভ শুরু করেন। ৮ই এপ্রিল রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ ক্যাম্পাসে তাদের বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। ব্যবহার করা হয় কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট ও জলকামান। এ সময় তাদের সঙ্গে যোগ দেয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ছাত্র বিষয়ক সংগঠন ছাত্রলীগ। তারা প্রতিবাদ বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালায়। রোববার দিনের শেষে ও সোমবারের প্রথম প্রহরে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও ছাত্রলীগের যৌথ দমনপীড়নমূলক অভিযানে ঢাকায় আহত হয়েছেন বহু ছাত্র ও ছাত্রী। তবে মাঠ পর্যায়ে যা পরিস্থিতি তাতে তাদের প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ করে বলা সম্ভব নয়। খেয়ালখুশি মতো পুলিশ আটক করেছে প্রায় এক শিক্ষার্থীকে। ভবিষ্যতে আর কখনো এমন বিক্ষোভে অংশ নেবে না এমন শর্তে তাদের অনেককে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ঢাকায় এই বিক্ষোভ শুরু হয় ৭ই এপ্রিল। এটা এমন এক সময়ে ঘটেছে যখন ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশে বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৮০ হাজার। এ বছর ২০শে মার্চ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রকাশিত তথ্যে এ কথা বলা হয়েছে। এই যখন অবস্থা তখন কোটা সংরক্ষণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া শিক্ষার্থীরা দাবি তুলছেন কোটা পদ্ধতি শতকরা ১০ ভাগ কমিয়ে আনতে। এই আন্দোলন এখন অন্যান্য সরকারি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়েছে- এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশন যখন এই বিবৃতি প্রকাশ করে। গত দু’দিনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একই দাবিতে মাঠে নেমেছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কঠোর শক্তি প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে আইন প্রয়োগকারী এজেন্সিগুলোর। এর প্রেক্ষিতে এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশন বাংলাদেশ সরকারের প্রতি শিক্ষার্থীদের এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দমনপীড়ন অবিলম্বে থামানোর আহ্বান জানিয়েছে। এতে প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা অবশ্যই বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশন বলেছে, সভা সমাবেশ করার স্বাধীন অধিকার অব্যাহতভাবে প্রত্যাখ্যান করতে পারে না বাংলাদেশ সরকার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে আন্দোলনের ‘কেন্দ্রবিন্দু’ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ: শিক্ষার্থীদের ফুল হাতে শুভেচ্ছা by ওয়েছ খছরু

ছাত্রলীগ যেন কোনো ভুল না করে- জাফর ইকবাল: শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেছেন- যখন সরকার কোনো কিছুর সম্মুখীন হয়, তখন সরকারের পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে ছাত্রলীগও এসে পড়ে। ছাত্রলীগ যারা করে তারাও তো ছাত্র, তারা পড়াশোনা করবে। তারা যেন কোনো ভুল না করে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যেন কোনো সংঘাত সৃষ্টি না হয়। বুধবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এমএ ওয়াজেদ মিয়া আইআইসিটি ভবনে সাংবাদিকদের সারা দেশে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রসঙ্গে কিছু প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি আরো বলেন, তরুণ প্রজন্মের উপর আমার আস্থা রয়েছে। ৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনে তরুণরা নেতৃত্ব দিয়েছে। আমি আশা করব তারা যেন সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়। তিনি আরো বলেন, ৫৬ শতাংশ কোটা সে হিসেবে অনেক বেশি। একসময় হয়তো এটার প্রয়োজন ছিল, তবে তা এখন একটা সঙ্গত সংখ্যায় নামিয়ে আনা দরকার। কোটা সংস্কারের কথা বলে প্রচ্ছন্নভাবে অনেকে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে কথা বলছে। এ সময় তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি যেন কোনোভাবেই অশ্রদ্ধা না হয় সেইদিকে খেয়াল রাখার আহ্বান জানান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৬ কোম্পানির আওতায় আসছে নগরপরিবহন by আব্দুল আলীম

এসব কোম্পানির গাড়িগুলো বর্তমানে ৪৬টি রুটে চলাচল করছে। যাকে মাত্র ৪টি রুটে বিন্যাস করা হচ্ছে। পিংক সার্ভিসের এই ৪টি রুটের মধ্যে পিংক ১ নম্বর রুট বিন্যাস করা হয়েছে- কোনাবাড়ি, মৌচাক, গাজীপুর ভায়া কুড়িল, শিমরাইল, পোস্তগোলা। পিংক ২ নম্বর রুট হলো- কাপাশিয়া, কোনাবাড়ি, গাজীপুর ভায়া কুড়িল, সদরঘাট, ঝিলমিল। পিংক ৩ নম্বর রুট হলো- শ্রীপুর, কোনাবাড়ী, গাজীপুর, ভায়া কুড়িল, মিরপুর, গাবতলী। পিংক ৪ নম্বর রুট হলো- চেরাগআলী, গাজীপুর ভায়া কুড়িল, আজিমপুর। এসব এলাকায় বর্তমানে ৪৬টি রুটে ১১৩২টি বাস ও ৮৪৯টি মিনিবাস মিলে মোট ১৯৮১টি বাস চলাচল করছে।
একই রকম প্রস্তাবিত ব্লু সার্ভিসের এলাকাগুলোতে দুইটি রুট বিন্যাস করা হয়েছে। এগুলো ব্লু ৫ নম্বর রুটের গাড়ি চলছে কালিয়াকৈর, চন্দ্রা, বাইপাইল, আশুলিয়া ভায়া কুড়িল, সদরঘাট ও ঝিলমিল। ব্লু ৬ নম্বর রুটের গাড়ি চলবে কালিয়াকৈর, চন্দ্রা, বাইপাইল ভায়া আশুলিয়া, শিমরাইল। এই দুইটি রুট এরিয়ায় বর্তমানে ২২টি রুটে ৪৪৪টি বাস ও ৫২৪টি মিনিবাস মিলিয়ে মোট ৯৬৮টি বাস চলাচল করছে। এই বাসগুলোর যতো কোম্পানি রয়েছে তাদের ব্লু সার্ভিস কোম্পানির আওতায় আনা হবে।
পেস্ট সার্ভিসকে মাত্র ৩টি রুটে বিন্যাস করা হয়েছে। এর মধ্যে পেস্ট ৭ নম্বর রুটের গাড়ি চলাচল করবে চন্দ্রা, ইপিজেড, নবীনগর, হেমায়েতপুর ভায়া গাবতলী, শিমরাইল ও স্টাফ কোয়ার্টার। পেস্ট ৮ নম্বর রুটের গাড়ি চলবে মানিকগঞ্জ, কালামপুর, ধামরাই, সাভার ইপিজেড ভায়া গাবতলী, সদরঘাট ও ঝিলমিল। এবং পেস্ট ৯ নম্বর রুটের গাড়ি চলবে চন্দ্রা, ধামরাই, জিরানী বাজার, ইপিজেড, কালামপুর ভায়া গাবতলী, মিরপুর, আব্দুল্লাহপুর। এসব এলাকার রাস্তায় বর্তমানে ৫৩টি রুটে ১২৯০টি বাস ও ৪৬৮টি মিনিবাস মিলিয়ে মোট ১৭৫৮টি বাস চলাচল করছে।
অরেঞ্জ সার্ভিসকে ৭টি রুটে বিন্যাস করা হয়েছে। এর মধ্যে অরেঞ্জ ১০ নম্বর রুটের গাড়ি চলাচল করবে মিরপুর থেকে শিমরাইল রোডে। অরেঞ্জ ১১ নম্বর রুটের গাড়ি চলাচল করবে চিড়িয়াখানা, দুয়ারিপাড়া ভায়া পল্লবী, সদরঘাট, ঝিলমিল ও পোস্তগোলা রোডে। অরেঞ্জ ১২ নম্বর রুটের গাড়ি চলাচল করবে চিড়িয়াখানা, দুয়ারিপাড়া ভায়া পল্লবী, নতুন বাজার। অরেঞ্জ ১৩ নম্বর রুটের গাড়ি চলাচল করবে চিড়িয়াখানা, দুয়ারিপাড়া, ভায়া পল্লবী, আজিমপুর, মতিঝিল, তালতলা, সাইনবোর্ড ও ধুপখোলা। অরেঞ্জ ১৪ নম্বর রুটের গাড়ি চলাচল করবে চিড়িয়াখানা, পল্লবী, কমলাপুর রোডে। অরেঞ্জ ১৫ নম্বর রুটের গাড়ি চলাচল করবে মিরপুর, বেরাইদ, মেরাদিয়া, আমোলিয়া ও স্টাফ কোয়ার্টার। এবং অরেঞ্জ ১৬ নম্বর রুটের গাড়ি চলাচল করবে মিরপুর, আগারগাঁও, পঙ্গু হাসপাতাল ও আজিমপুর রোডে। প্রস্তাবিত অরেঞ্জ সার্ভিসের এসব এলাকায় বর্তমানে ৭১ রুটে ১২৪৩টি বাস ও ৫৮২টি মিনিবাস মিলিয়ে মোট ১৮২৫টি বাস চলাচল করছে।
ইয়েলো সার্ভিসকে তিনটি রুটে বিন্যাস করা হয়েছে। ইয়েলো ১৭ নম্বর রুটের গাড়ি চলাচল করবে আটিবাজার, বসিলা, মোহাম্মদপুর, শিমরাইল, বনশ্রী, খিলগাঁও, পোস্তগোলা। ইয়েলো ১৮ নম্বর রুটের গাড়ি চলবে বসিলা, মোহাম্মদপুর ও উত্তরা রোডে। এবং ইয়েলো ১৯ নম্বর রুটের গাড়ি চলাচল করবে নবাবগঞ্জ, মাওয়া, ফুলবাড়িয়া ও মিরপুর রোডে। এসব এলাকায় বর্তমানে ২৮টি রুটে ৫৮৮টি বাস ও ৭০টি মিনিবাস মিলিয়ে ৬৫৮টি বাস চলাচল করছে।
গ্রিন সার্ভিসকে তিনটি রুটে বিন্যাস করা হয়েছে। এর মধ্যে গ্রিন ২০ নম্বর রুটের গাড়ি চলাচল করবে নারায়ণগঞ্জ, মতিঝিল, মিরপুর ও মোহাম্মদপুর। গ্রিন ২১ নম্বর রুটের গাড়ি চলাচল করবে ভূলতা, ঘোড়াশাল, কালিগঞ্জ, মোহাম্মদপুর, কলাবাগান ও চানখাঁরপুল। এবং গ্রিন ২২ নম্বর রুটের গাড়ি চলাচল করবে মেঘনাঘাট, মদনপুর, আব্দুল্লাহপুর ও পলাশী। এসব এলাকায় বর্তমানে ২৬টি রুটে ৪০৭টি বাস ও ৩৪০টি মিনিবাস মিলিয়ে মোট ৭৪৭টি বাস চলাচল করছে।
উল্লেখ্য, ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকার বিশৃঙ্খল নগর পরিবহনগুলোতে শৃঙ্খলা ফেরানোর জন্য ‘বাস রুট র্যাশনালাইজেশন ও কোম্পানির মাধ্যমে বাস পরিচালনা’ নামের একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক। প্রকল্প অনুযায়ী ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মধ্যে বিদ্যমান বাস কোম্পানিগুলোকে একীভূত করে সমন্বিত কোম্পানি করে যানজট নিরসন করার কথা ছিল। এতে প্রতিটি বাস অপর বাসের সঙ্গে যাত্রী নিয়ে কাড়াকাড়ি না করে একটির অপরটির পিছে চলার কথা। একই সঙ্গে বাসগুলো যেখানে সেখানে যাত্রী না উঠিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানো ও টিকিটের বিনিময়ে যাত্রী পরিবহন করার কথা। এই লক্ষ্যে হ্যাভিটেড কনসালট্যান্ট লি. নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে বাস রুটগুলোকে একীভূত করার কর্মপরিকল্পনা ও মাঠ পর্যায়ের জরিপ সম্পন্ন করেন মেয়র আনিসুল হক। মেয়রের জীবদ্দশায়ই প্রকল্পের জরিপ ও ডিজাইনের সিংহভাগ কাজ শেষ করে কনসালট্যান্ট প্রতিষ্ঠান। লন্ডন থেকে চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার পর প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু মেয়রের মৃত্যুতে প্রকল্পটি ঝিমিয়ে পড়ে।
তবে কনসালটেন্ট প্রতিষ্ঠান ‘হ্যাভিটেড কনসালটেন্ট লি.’-এর চিফ এডভাইজার ড. এসএম সালেহউদ্দিন মানবজমিনকে জানান, মেয়রের মৃত্যুতে আমরা অভিভাবক হারা হয়ে যাই। কিন্তু কাজ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমরা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও অন্য কর্মকর্তাদের প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে প্রকল্পের বিস্তারিত দেখিয়েছি। শুধু মেয়র মহোদয়কে চেষ্টা করলেও দেখানোর সুযোগ পাইনি। তিনি বলেন, এই পদ্ধতি চালু হওয়া নিয়ে মালিকদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এতে তারাই লাভবান হবে। বাসযোগ্য ঢাকা ও ভালো একটি পরিবহন ব্যবস্থা উপহার দেয়া ছাড়া আমাদের কোনো স্বার্থ নেই। এতে মালিকরা নিজেদের মতো করে গাড়ি চালাবে। সরকার বা সিটি করপোরেশন শুধু দেখবে তারা সরকারের নিয়ম অনুযায়ী গাড়ি চালাচ্ছে কিনা।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলাল বলেন, এই প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী উত্তরের মেয়র মহোদয়কে দক্ষিণের মেয়রের সঙ্গে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করার জন্য দায়িত্ব দিয়েছিলেন। উত্তরের মেয়র মারা যাওয়ায় কাজ থেমে যায়। এখন ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। কাজ শুরু হলে কিছু সংযোজন-বিয়োজন হতে পারে। তবে নতুন কোনো ধারণা নয়, এই একীভূতকরণ পদ্ধতিই বাস্তবায়ন হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মনোবল হারাননি পা হারানো রুবিনা by সুদীপ অধিকারী

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুর্ঘটনার দিন থেকে গতকাল পর্যন্ত সার্বক্ষণিক রুবিনার পাশে রয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান রুবিনার মা রহিমা। তিনি বলেন, রুবিনার চিকিৎসা করানোর মতো সামর্থ্য আমাদের নেই। আজ যদি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদের পাশে না দাঁড়াতো, তাহলে আমাদের পরিবারটা ভেসে যেত। কিন্তু পা হারা মেয়ের ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে দুশ্চিন্তা কাটছে না রহিমার। মেয়ের কোথায় বিয়ে দেবেন, কি করে মেয়েকে নিয়ে সংসার চালাবেন এসব নিয়েই দুশ্চিন্তায় দিন কাটে তার। তিনি বলেন, এখন হাসপাতালে আছি একরকম দিন কেটে যাচ্ছে। কিন্তু হাসপাতাল থেকে ছাড় দেয়ার পর কি করবো সেটাই ভাবতে পারছি না। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত ছোট ছেলের পড়া-লেখার খরচ চালানো যাবে কিনা- এ নিয়েও দুশ্চিন্তা কাটছে না স্বামীহারা রহিমার। তিনি জানান, কোনোমতে দিন কাটলেও রুবিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পাওয়ার পর গ্রামের সকলের কাছ থেকে টাকা-পয়সা উঠিয়ে ঢাকা পাঠানো হয় তাকে। স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে এই মেধাবী মেয়েই সংসারের হাল ধরবে। তিনি জানান, সংসারের অভাব-অনটনের কারণে অনেক সময় না খেয়েও থাকতে হয়েছে। দুই ছেলে-মেয়েকে ঠিকমতো ভালো খাবারও খাওয়াতে পারেতন না তিনি। তারপরও স্বপ্ন ছিল তার চোখে। তিনি বলেন, দুর্বল শরীর নিয়ে প্ল্যাটফর্ম পার হতে গিয়ে মাথা ঘুরে পড়ে যায় রুবিনা। আর তখনই ট্রেনের ইঞ্জিন পায়ের ওপর দিয়ে চলে যায়। রহিমা বলেন, মেয়ের দুই পায়ের সঙ্গে পরিবারের স্বপ্নগুলোও শেষ হয়ে গেছে ট্রেনের চাকার নিচে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, কতদিন আর সবাই এমন পাশে থাকবেন। একটা নির্দিষ্ট সময় পর সবাই তাদের নিজেদের জীবন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। কিন্তু আমার এই দুই পা হারা মেয়ে তার পুরোটা জীবন কি করে পার করবে? রুবিনা না হয় অসুস্থ ছিল বলেই মাথা ঘুরে রেললাইনের ওপর পড়ে যায়। কিন্তু ট্রেনের ড্রাইভারেরা কি একটুও চোখে দেখেনি সেখানে একটা মানুষ পড়ে রয়েছে? অশ্রুভরা চোখে এমনই সব প্রশ্ন ওঠে আসে রুবিনার মায়ের মুখে। মেয়ের কথা বলতে গিয়ে মায়ের চোখ দিয়ে যখন অঝরে পানি বেয়ে পড়ছে তখন মেয়ে রুবিনাই তার মায়ের চোখ মুছে দিয়ে বলছে, আম্মু তুমি কাঁদছো কেন। আমিতো ঠিক হয়ে গেছি। দুই পা নেই তাতে কি হয়েছে, লেখা-পড়াতো আর ভুলে যায়নি। রুবিনা তার মাকে বলেন, তোমার মেয়ে আবার পড়া-লেখা শুরু করবে। পরীক্ষা দেবে। সরকারি চাকরি করে ছোটভাই রুবেলকে পড়াবে, আবারও সংসারের হাল ধরবে। কান্নাজড়িত মুখে হাসি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের কথা উল্লেখ করে রুবিনা বলেন, আমি স্যারদের ও বান্ধবীদের কাছে শুনেছি পা না থাকলেও সরকারি চাকরি করা যায়। দুই পা হারানোর পরও শিক্ষক-সহপাঠীদের আশ্বাসে রুবিনা ভেঙে না পড়ে বরং নিজের পরিবার ও আশপাশের অশ্রুসিক্তদের শক্তি যোগাচ্ছে। রুবিনার চিকিৎসার সার্বিক দায়িত্বে থাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগেরর প্রধান এমডি আবুল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, রুবিনা এখনো ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের ৬৭ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন। তাকে সব রকম চিকিৎসাই দেয়া হয়েছে। ট্রিটমেন্ট শেষ হওয়ায় রুবিনাকে রিলিজ দেয়ার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাগিদ দিচ্ছেন। কিন্তু পুরোপুরি সুস্থ করার জন্য বাড়ির লোক ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষই তাকে আরও কিছুদিন হাসপাতালে রেখে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে, ৮-১০ দিনের মধ্যেই রুবিনাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তিনি জানান, মে মাসে রুবিনার সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি এটাচড বাথসহ একটা রুম খোঁজা হচ্ছে রুবিনার জন্য। এজন্য রুবিনার সহপাঠীদের নিয়ে একটি টিমও গঠন করে দেয়া হয়েছে। অন্য কারোর ওপর ভরসা না করে একাকি চলাফেরা করার সুবিধার্থে রুবিনার জন্য একটি হুইল চেয়ার কেনারও ব্যবস্থা করা হয়েছে। রুবিনার দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার খরচের জন্য সমাজকর্ম বিভাগের ১৪ জন শিক্ষক প্রতি মাসে নিজেদের বেতন থেকে ৫০০০ হাজার টাকা করে দেবেন বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, রুবিনার কৃত্রিম পা লাগানোর জন্যও অর্থের ডোনার খোঁজা হচ্ছে। আমাদের বিশ্বাস কিছুদিনের মধ্যে ডোনারও পেয়ে যাব আমরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাগরিক অধিকারের আশ্বাস পাননি রোহিঙ্গারা by শেখ শাহরিয়ার জামান ও আব্দুল আজিজ

বৈঠকে রোহিঙ্গারা ১৩-দফা দাবিসহ একটি আবেদনপত্র মিয়ানমারের মন্ত্রীকে দেন, যার মধ্যে একটি ছিল ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড প্রথা বাতিল করা।
মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে বিলকিস খাতুন, জাফর আলম ও আবু শামা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মন্ত্রী আমাদের রাখাইনে ফেরত যাওয়ার জন্য বললে আমরা তার কাছে নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়টি তুলি।তখন তিনি আমাদের আপাতত ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড নিয়ে রাখাইনে অবস্থান করতে বলেন। জবাবে আমরা নেতিবাচক উত্তর দেই।’ তারা আরও বলেন, ‘বৈঠকে ক্ষতিপূরণের দাবি জানালে মন্ত্রী আমাদের জানান, আমরা কোনও ক্ষতিপূরণ পাবো না। বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকার যা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটি আমাদের মেনে নিতে হবে।’
এদিকে, একটি সূত্র জানায়, রোহিঙ্গারা মন্ত্রীর কাছে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে যারা রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে, তাদের বিচারসহ ১৩-দফা দাবি পেশ করেছেন।
রোহিঙ্গার দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া, সিতে ও আরাকানের অন্য জায়গার সব ইন্টারনালি ডিসপ্লেসড ক্যাম্প বন্ধ করা, রোহিঙ্গাদের নিরাপদে থাকার জন্য আরাকানে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনীর অবস্থান নিশ্চিত করা, ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড প্রথা বাতিল, জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার মাধ্যমে প্রত্যাবাসন, তাদের আদি নিবাসে ফেরত যাওয়ার অধিকার ও আন্তর্জাতিক মিডিয়া, মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আরাকানে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া।
বুধবার সকালে মিয়ানমারের মন্ত্রী কয়েকজন বিদেশি রাষ্ট্রদূতকে সঙ্গে নিয়ে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এই প্রথমবারের মতো কোনও মিয়ানমার মন্ত্রী রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন।
উল্লেখ্য, গত আগস্ট থেকে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর নির্যাতন শুরু হলে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এর আগে থেকে তিন লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অবস্থান করছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোটা সংস্কারের দাবি: বিক্ষোভের উত্তাল ঢেউ

দিনভর বিক্ষোভের পর সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে বক্তব্য দিলেও শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্থগিতের কোনো ঘোষণা দেননি। তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য পর্যালোচনা করে আজ সিদ্ধান্ত জানাবেন। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বুধবার সকাল দশটার আগেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোয় অবস্থান নিয়ে দাবির পক্ষে স্লোগান দিতে থাকেন। হাতে পতাকা, প্ল্যাকার্ড, ব্যানার। অনেকের শরীরে শোভা পায় প্রতিবাদের কথামালা। রাস্তার কালো পিচে কোটাবিরোধী লেখা। এতে অচল হয়ে পড়ে পুরো রাজধানী। দিনভর ছিল এমন অবস্থা। বিভিন্ন পয়েন্টে রাস্তা অবরোধ করে চলা আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। আন্দোলনকারীদের রাস্তা থেকে সরাতে পুলিশকে শান্তিপূর্ণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি রাজধানীর বেশির ভাগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারি-বেসরকারি কলেজের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ব্যাপক সংখ্যায় রাস্তায় নেমে পড়ে। এই পরিস্থিতি সন্ধ্যা পর্যন্ত গড়ায়। বিকাল থেকে কমতে থাকে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা। সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোটা বাতিলের ঘোষণার পর দিনের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হলে শিক্ষার্থীরা অবস্থান ছাড়েন।
আন্দোলনকারীদের দখলে ঢাবি: কোটা সংস্কার আন্দোলনের চতুর্থ দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ছিল বিক্ষোভে উত্তাল। হাজার হাজার শিক্ষার্থীর পদচারণায় ঢাবি এলাকা যেন এক জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘কোটা সংস্কার চাই’, ‘চেয়েছিলাম অধিকার হয়ে গেলাম রাজাকার’ এরকমই স্লোগানে মুখরিত ছিল সারাদিন। এসময় আওয়ামী লীগ নেত্রী মতিয়া চৌধুরীকে নিয়ে নানা স্লোগান দিতে শোনা যায়। পুরো এলাকাই ছিল আন্দোলনকারীদের দখলে।
সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পুলিশি তৎপরতা তেমন ছিল না। শুধুমাত্র শাহবাগ থানার সামনে ১৫ থেকে ২০ জন পুলিশ সদস্যকে দেখা যায়। সকাল সাড়ে ৯টার পর থেকে ঢাবি’র বিভিন্ন হল থেকে শিক্ষার্থীরা পাবলিক লাইব্রেরিতে এসে জড়ো হতে থাকেন। সকাল ১১টার দিকে পাবলিক লাইব্রেরি থেকে অন্তত ২০ থেকে ২৫ হাজার শিক্ষার্থীর মিছিল বের হয়। মিছিলে অর্ধেকই ছিল নারী শিক্ষার্থী। চারুকলা ইনস্টিটিউটের গেট প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি রোকেয়া হল, নীলক্ষেত, পলাশী মোড়, শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, মৎস্য ভবন, শাহবাগ হয়ে পুনরায় টিএসসির রাজু ভাস্কর্যে এসে থামে। মিছিলে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীসহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মিছিলের সময় উৎসুক পথচারী, বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা একাত্মতা প্রকাশ ও স্লোগান দিতে দেখা যায়।
দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। সাড়ে বারোটার দিকে আন্দোলনকারীদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রাশেদ খান বলেন, নোয়াখালী ও গোপালগঞ্জে কোটা সংস্কার আন্দোলনে হামলা চালানো হয়েছে। আমাদের শান্তিপূর্ণ এই আন্দোলনে যারা হামলা চালিয়েছে তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। পাশাপাশি আগামী দুই ঘণ্টার মধ্যে আন্দোলন থেকে প্রশাসন ও পুলিশ সরিয়ে নিতে হবে। এছাড়া পুলিশ মসজিদে টিয়াল শেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপের জন্য আইজিপিকে দুঃখ প্রকাশ করতে হবে। দুপুর দেড়টার দিকে ঢাবি’র শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শিবলী রুবাইতুল ইসলাম আন্দোলনে যোগ দিয়ে আন্দোলনের পক্ষে সমর্থন জানান। এসময় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক সমিতির সভাপতি বলেন, শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কারের যৌক্তিক দাবি’র প্রতি শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে আমাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছি। শিক্ষক সমিতি মনে করে এই কোটা সংস্কার এখন যুগের চাহিদা। সে অনুযায়ী কোটা সংস্কার বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত দ্রুততম সময়ে ঘোষণা করার জন্য আমরা আহ্বান জানাই।
এদিকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টিএসসি মোড়ের উত্তাপ আরো বেড়ে যায়। একের পর এক স্লোগান আর আলাদা আলাদা হলের মিছিল ঢাবি’র বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
প্রচণ্ড রোদ আর গরম উপেক্ষা করে আন্দোলনকারীরা তাদের আন্দোলন চালিয়ে যায়। এক সময় তারা গ্রুপ করে সড়কে বসে স্লোগান দিতে থাকে। তখন রাজু ভাস্কর্য ও তার আশেপাশের এলাকায় তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবি একটাই কোটা সংস্কার করতে হবে। আর এজন্য প্রধানমন্ত্রী সুনির্দিষ্ট ঘোষণা দিতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো মন্ত্রীর ঘোষণা মানা হবে না। এছাড়া আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা ও গ্রেপ্তারদের মুক্তি দিতে হবে। এমন দাবি নিয়ে চলতে থাকে তাদের আন্দোলন। দুপুরের পর থেকে গুঞ্জন ছিল অন্যরকম। সকাল ১০টার দিকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে তাদের নিজেদের ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে কোটা পদ্ধতি থাকবে না বলে তারা স্ট্যাটাস দেন। এমনকি বিকাল ৫টায় কোটা পদ্ধতি নিয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রী কথা বলবেন সবাই যেন সংসদ টিভিতে চোখ রাখে। ওই স্ট্যাটাসে এমনটাই লেখা ছিল। অবশ্য বিকালে সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা পদ্ধতিই থাকবে না বলে ঘোষণা দেন। এ খবর টিএসসি এলাকায় যাওয়ার পর থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছেন, আমরা কোটা পদ্ধতি বাতিল চাইনি। শুধু ৫৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে এনে ১০ শতাংশ করার আন্দোলন করছি।
স্থবির ঢাকা: সকাল সাড়ে ৯টা থেকে রাজধানীর পান্থপথ মোড়ে জড়ো হতে থাকে আশেপাশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এক ঘণ্টার ব্যবধানে সেখানে জড়ো হয় ৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধসহস্র শিক্ষার্থী। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ভিড়। বেলা ১১টার দিকে পান্থপথ মোড়ে অবরোধ সৃষ্টি করে অবস্থান নেয় সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। দিতে থাকে মিছিল-স্লোগান। বহন করে প্ল্যাকার্ড। এসময় তারা রাস্তায়ও কোটাবিরোধী স্লোগান লিখে রাখেন। সারাদিন পান্থপথ মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক, সিটি ইউনিভার্সিটি, সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও নর্দান ইউনিভার্সিটির কাওরান বাজারস্থ সিটি ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা। তাদের অবরোধে সংযুক্ত চারটি সড়কেই যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান মানবজমিনকে বলেন, কোটা কীভাবে ৫৬ ভাগ হয়। তা সহনীয় করা হোক। দশভাগে নামিয়ে আনা হোক। সে ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।
সিটি ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মাহিম আহমেদ বলেন, কোটা পদ্ধতিতে মেধাবীদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাই কোটা সংস্কার আন্দোলন যৌক্তিক। ঢাবি’র সুফিয়া হলের আন্দোলনকারী ছাত্রীকে ছাত্রলীগ পায়ের রগ কেটে দিলো কেন? আমরা তারও জবাব চাই। সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ছাত্র মো. মিজানুর রহমান বলেন, সাধারণের চেয়ে কোটায় বেশি চাকরি। তাতো ‘আমের চেয়ে আঁটি বড়’র মতো। কাওরানবাজার থেকে পান্থপথ মোড়ে গিয়ে বাকি পাঁচ ইউনিভার্সিটির ওই দলকে ভারি করে নর্দান ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। এই ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের ১০ম সেমিস্টারের ছাত্র জাহিদ হাসান বলেন, অল্প কিছু মানুষের জন্য বেশির ভাগ কোটা এটা বড় বৈষম্য। পাকিস্তান আমলের মতো স্বাধীন দেশে আমরা আর এই বৈষম্য চাই না। এদিকে বেলা ১১টার পর ধানমন্ডি ৩২-এর কাছে শুক্রাবাদে মিরপুর রোডে নেমে পড়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। তারা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। অবশ্য তার আগেই রাস্তায় নামে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ধানমন্ডি ২৭-এর ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা। তারা ধানমন্ডি ২৭ থেকে ৩২ পর্যন্ত রাস্তার এক পাশ অবরোধ করে সকাল থেকে গতকাল বিকাল পর্যন্ত বিক্ষোভ করে। এসময় ওই রোডে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
কোটা সংস্কারের দাবিতে স্লোগানের পাশাপাশি ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির সহস্রাধিক শিক্ষার্থী কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধেও স্লোগান দেন।
ওই ইউনিভার্সিটির প্রকৌশল বিভাগের ষষ্ঠ সেমিস্টারের ছাত্র জহির রায়হান বলেন, ন্যায্য আন্দোলন করতে আমাদের ভাইয়ের রক্ত ঝরলো কেন। মতিয়া চৌধুরী আমাদের রাজাকার বলে গালি দিলেন কেন? আমরা জবাব চাই। দুই সড়কে শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে আশেপাশের সড়কে তীব্র যানজট তৈরি হয়। সড়কে যানবাহন চলতে না পারায় সাধারণ যাত্রীরা হেঁটে নিজ নিজ গন্তব্যে যান।
সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর মিরপুরে আন্দোলন করে বেসরকারি প্রাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। দুপুরে তারা মিছিল নিয়ে মিরপুর মাজার রোড হয়ে সনি সিনেমা পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে। এসময় তারা ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, ৫৬ ভাগ কোটা মানি না’ ইত্যাদি স্লোগান দেয়। এদিকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সামনের রোকেয়া সরণি বন্ধ করে আন্দোলন করেছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে মিরপুর ১০ নম্বর থেকে সড়ক বন্ধ হয়ে যায়। মিরপুর ১০ নম্বর গোল চক্কর থেকে দুপুরে যান চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ। এতে এ সড়ক হয়ে আসা যানবাহন মিরপুর ১ ও ২ হয়ে যাতায়াত করে। এতে ওই সড়কসহ আশেপাশের সড়কে যানজট তৈরি হয়। মিরপুর থেকে ফার্মগেট ও মতিঝিলগামী যাত্রীদের পড়তে হয় চরম দুর্ভোগে।
সড়ক বন্ধ করে আন্দোলন করেছে বেসরকারি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়, আমেরিকান আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইস্ট ওয়েস্টসহ আরো একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়। নর্থ সাউথ, ইন্ডিপেন্ডেন্ট এবং আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় রাজধানীর নর্দা-কুড়িল রোড অবরোধ করে আন্দোলন করে। অন্যদিকে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা রামপুরা ব্রিজের কাছে অবস্থান নিয়ে অবরোধ তৈরি করে। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক দিনভর বন্ধ থাকায় দুর্ভোগের সীমা ছিল না সাধারণ যাত্রীদের। এদিকে মহাখালী থেকে সাতরাস্তাগামী সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাদের অবস্থানে ওই সড়কেও যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালরয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করলে কার্যত অচল হয়ে পড়ে পুরান ঢাকা। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ক্যাম্পাস থেকে মিছিল নিয়ে রায়সাহেব বাজার হয়ে তাঁতীবাজারে আসেন তারা।
বিকাল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত তাঁতীবাজার মোড়ে অবস্থান নেন জবি শিক্ষার্থীরা। ফলে এ সময় ঢাকা-মাওয়া, গুলিস্তান-সদরঘাট, সদরঘাট-যাত্রাবাড়ী মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ। এদিকে ছাত্রলীগ আন্দোলনে বিরোধিতা করলেও দুপুর ১টার দিকে আন্দোলনে যোগ দেয়। জবি ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদিন রাসেলের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ কর্মীরা যোগ দেয়। তারাও তাঁতীবাজার মোড়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ করে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
April
(710)
-
▼
Apr 12
(25)
- ইয়াবা কিনতে এসে চাচা-ভাতিজার জাল টাকার কারখানার সন...
- আবু বকর, রাজীব, লিমন কিংবা তুহিনের জীবন! by আহসান ...
- ১৪ বছরের বালক যখন খোঁজে পতিতাসঙ্গ
- জীবন দিয়ে স্বামীর পরকীয়ার প্রতিবাদ জানালো পান্না b...
- সিরিয়ায় হামলা চালাতেও সেই মিথ্যাচার, সেই 'ইরাক কৌশল'!
- প্রধানমন্ত্রীর অভিমান মানায় না by প্রভাষ আমিন
- সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে দুমা পুনরুদ্ধার করেছে সিরিয়া...
- ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করব- রুশ রাষ্ট্রদূত; ট্রাম্প ...
- সিরিয়া সংকট নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে দেয়া ঠিক হবে না...
- মার্কিন আগ্রাসন বিনা জবাবে পার পাবে না: সিরিয় রাষ্...
- ঢাবিতে মধ্যরাতে ছাত্রী নির্যাতন মারধরই এশার নেশা
- বাংলাদেশ, ভারতে তৎপর ছিল আল কায়েদার সামিউন
- সিরিয়ায় গ্যাস হামলা: রাশিয়াকে ট্রাম্পের সতর্কতা
- সিরিয়া নিয়েই কি হবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ!
- বাশার আল আসাদ এখন কোথায়!
- আরবদের হটিয়ে যেভাবে ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল
- কোটা কি পুরোপুরি বাতিল করা যায়? by আমানুর রহমান রনি
- আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগকে ব্যবহা...
- সিলেটে আন্দোলনের ‘কেন্দ্রবিন্দু’ কেন্দ্রীয় শহীদ মি...
- ৬ কোম্পানির আওতায় আসছে নগরপরিবহন by আব্দুল আলীম
- মনোবল হারাননি পা হারানো রুবিনা by সুদীপ অধিকারী
- নাগরিক অধিকারের আশ্বাস পাননি রোহিঙ্গারা by শেখ শাহ...
- কোটা সংস্কারের দাবি: বিক্ষোভের উত্তাল ঢেউ
- আলজেরিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২৫৭
- কোটা পদ্ধতি বাতিল -সংসদে প্রধানমন্ত্রী
-
▼
Apr 12
(25)
-
▼
April
(710)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




