Wednesday, December 18, 2019
ভারতের ঐতিহাসিক চারমিনার মসজিদ

চারমিনার মসজিদটি ১৫৯১ খ্রিস্টাব্দে স্থাপিত ভারতের তেলঙ্গানার হায়দ্রাবাদের অন্যতম একটি প্রাচীন মসজিদ। এই স্থাপনাটি হায়দ্রাবাদকে বিশ্ব দরবারে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। এটি ভারতের তালিকাভুক্ত সর্বস্বীকৃত একটি স্থাপনাও। এর উত্তরপূর্বকোণে লাদ বাজার এবং পশ্চিম দিকে গ্রানাইটের তৈরি খুবই উচ্চ কারুকাজ সম্পন্ন মক্কা মসজিদ অবস্থিত।
চারমিনার দুইটি উর্দু শব্দ চার এবং মিনার এর সমন্বয়ে গঠিত মসজিদ যার ইংরেজী অনুবাদ “Four Towers”। স্থাপনাটিতে ৪টি মিনার সংযুক্ত যা এই স্থাপনাটিকে ৪টি খিলানের মাধ্যেমে মাটির উপর দাঁড়িয়ে থাকতে সাহায্য করেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাইলস রোগে ইউনানি চিকিৎসা by ডা: মো: শাহজালাল চৌধুরী

চিকিৎসকের পরার্মশক্রমে প্রায় দুই থেকে তিন মাস হামদর্দের এ সমস্যার চিকিৎসা গ্রহণ করলেন। তারপর থেকে তার রক্তবিহীন স্বাভাবিক পায়খানা হয় এবং পায়ুমুখে বাহ্যিক আর কোনো ফুলাও অনুভূত হয় না। রিয়াজের মতো বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৫০ বছরের নিচে বেশির ভাগ মানুষের মধ্যে পাইলসের উপসর্গ বিভিন্ন মাত্রায় দেখা যায়।
হেমোরয়েড় সাধারণত পায়ুপথে ত্বকের নিচের ও মলাশয়ের ভেতরে এক ধরনের রক্তজালিকা। যখন পায়ুপথের এসব শিরার সংক্রমণ এবং প্রদাহ হয়, চাপ পড়ে, তখন হেমোরয়েড বা পাইলস সৃষ্টি হয়। সাধারণ কথায় যাকে অর্শ রোগ বলা হয়। আর ইউনানি পরিভাষায় বাওয়াসির বলে।
বাওয়াসির বা হেমোরয়েড বা অর্শ রোগের অবস্থান সাধারণত দুই ধরনের যথা-
* পায়ুপথের বহিঃ অর্শ রোগ
* পায়ুপথের অন্তঃ বা ভেতরের অর্শ রোগ
* আবার কখনো দুটো প্রকার বা অবস্থা একসাথেও থাকতে পারে।
পায়ুপথের ভেতরের অর্শ রোগ বা হেমোরয়েড ফুলে পায়ুমুখের বাইরে বের হয়ে আসার ডিগ্রির ভিত্তিতে চারটি পর্যায় বিভক্ত যথা :
প্রথম পর্যায়, (হেমোরয়েড ফুলে বাইরে বের হয়ে আসে না, প্রলেপস হয় না)। দ্বিতীয় পর্যায়, (পায়খানার পর হেমোরয়েড ফুলে বাইরে বের হয়ে এবং তারপর আপনা-আপনি ঠিক হয়ে যায়)। তৃতীয় পর্যায়, (হেমোরয়েড ফুলে বাইরে বের হয়ে এবং নিজে ঠিক করতে হয়। চতুর্থ পর্যায়, (হেমোরয়েড ফুলে বাইরে বের হয়ে আসে বা প্রলেপস হয়ে এবং তা আর নিজে ঠিক করা যায় না)
পাইলসের (বাওয়াসির) প্রধান কারণগুলো হচ্ছে- দীর্ঘ দিন কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগা, ক্রনিক ডায়রিয়া, মলত্যাগে দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে থাকা ও দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা। এ ছাড়া পারিবারিক ইতিহাস, আশযুক্ত খাবার কম খাওয়া, ভারী মালপত্র বহন করা, স্থূলতা, কায়িক শ্রম কম করা, গর্ভকালীন পায়ুপথে যৌনক্রিয়া, যকৃত রোগ বা লিভার সিরোসিস ইত্যাদি কারণে রোগের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সর্বোপরি পোর্টলি ভেনাস সিস্টেমে কোনো ভাল্ব না থাকায় উপরিউক্ত যেকোনো কারণে পায়ু অঞ্চলে শিরাগুলোতে চাপ পড়ে, ফলে হেমোরয়েড সৃষ্টি হয়।
অর্শ রোগে যেসব লক্ষণ দেখা যায় তা হচ্ছে- পায়ুপথের অন্তঃ বা ভেতরের অর্শ রোগে সাধারণত তেমন কোনো ব্যথা বেদনা, অস্বস্তি থাকে না। অন্যদিকে পায়ুপথের বহিঃ অর্শ রোগে- পায়ুপথ চুলকায়, বসলে ব্যথা করে, পায়খানার সাথে টকটকে লাল রক্ত দেখা যায় বা শৌচ করা টিস্যুতে তাজা রক্ত লেগে থাকে, মলত্যাগে ব্যথা লাগা, পায়ুর চারপাশে এক বা একের অধিক থোকা থোকা ফোলা থাকে।
চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা করে ও রোগীর উপসর্গ শুনেই অর্শ রোগ শনাক্ত করতে পারবে। এ ছাড়া পায়ুনালীর সমস্যাগুলো খুব খারাপ কি না বা অন্য কোনো রোগ আছে কি না তা জানতে অ্যানোস্কপি বা সিগময়ডস্কপি বা কলোনস্কপি পরীক্ষা, মলের লুকায়িত রক্ত নির্ণয় পরীক্ষা (ওবিটি), মলের আণুবীক্ষণিক পরীক্ষা করাতে পারেন।
একটা কথা আমরা সবাই জানি, প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম, অর্শ রোগ যেহেতু জীবনধারা ও খাদ্যাভাসের সাথে অনেকাংশে জড়িত। তাই শৃঙ্খলিত জীবন যাপনই রোগ প্রতিকারের চেয়ে রোগ প্রতিরোধের একমাত্র উপায় তথা প্রথম মাধ্যম। তাই নিয়ম করে অতিরিক্ত কোথ না দিয়ে সাবলীলভাবে মলত্যাগ করা, যেগুলো ফল খোসাসহ খাওয়া যায়, তা খোসাসহ খাওয়া। আশযুক্ত খাবার শাকসবজি বেশি খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা, নিয়মিত ব্যয়াম করা, লাল গোশত পরিহার করুন, প্রাথমিক অবস্থায় উষ্ণ পানি এবং ক্রনিক বা রোগ পুরনো হলে শীতল পানিতে নিতম্ব স্নান করতে পারেন।
অর্শ রোগ প্রতিকারের আগে মূল লক্ষ্য হবে অর্শ রোগ হওয়ার মূল কারণগুলো শনাক্ত করে তা প্রতিরোধ করা। অর্শ রোগ প্রতিকারে যেসব ভেষজ উপাদান কার্যকর তা হচ্ছে- বাসক, থানকুনি, আমলকী, হরিতকি, মেহেদি পাতা, ইসবগুল, নিমপাতা ও নিমতেল, ভাংপাতা, মুকিল, জিংগবিলোবা।
অর্শ রোগকে রোগের ধরনভেদে চারটি ডিগ্রিতে ভাগ করে এর পর্যায় অনুযায়ী চিকিৎসা দেয়া হয়। প্রথম ও দ্বিতীয় ডিগ্রির সাধারণত ওষুধ দিয়ে সারে। রক্তপাতযুক্ত অর্শ রোগে বাসক পাতার রস ১ চামচ করে দিনে তিনবার সেবন করুন।
অথবা হরিতকি ওই এক চামচ পরিমাণ দৈনিক একবার গরম পানিসহ সেবন করুন।
সাতটি নিমফুল বা নিম বীজের মজ্জা পানিসহ সকালে সেবন করুন। ইসবগুল এক চামচ পরিমাণ পানিসহ রাতে সেবন করুন। আর ইসবগুল, নিমপাতা ও নিমতেল, মুকিল এ-জাতীয় বিভিন্ন ভেষজ উপাদান দিয়ে তৈরি ইউনানি ওষুধ ট্যাবলেট টোনালেক্স, হ্যানরয়েড, হ্যানরয়েড বি, কবি, মুকিল, মাজুন ওশবা, সফুফ ইন্দেমালি, ট্যাবলেট পিবলিউ (বন্দিশ খুন) হামদর্দের ক্লিনিকগুলো থেকে চিকিৎসকের পরার্মশ মতো খেতে পারেন। এ ছাড়া অর্শ রোগ যদি ভেষজ ওষুধ যা অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ ও প্রতিরোধ চিকিৎসায় না সারে, তাহলে একজন কলোরেক্টাল সার্জনের পরামর্শ মতো চিকিৎসা নিতে পারেন। যদি এ রোগ ডায়াগনোসিস না করানো হয় বা চিকিৎসা না নেয়া হয়, তাহলে দেহ থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে পারে, পায়ুপথে ক্যান্সার হতে পারে।
তাই আসুন, আমরা প্রাকৃতিকভাবে অর্শ রোগ প্রতিরোধ করে, চিকিৎসা নেই, অর্শ রোগজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা দূর করি। এতে অর্শ রোগজনিত অস্ত্রোপচার/সার্জিক্যাল/শল্য চিকিৎসা বা খরচ যেমন অনেক কমবে, তেমনি আমাদের জীবন হবে সুস্থ, সুন্দর ও আনন্দময়।
লেখক : লেকচারার, কমিউনিটি মেডিসিন, হাকিম সাঈদ ইস্টার্ন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, নিমতলী, ঢাকা। ফোন : ০১৬৭৮৭৬৪৬৬০
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নারী

ছেলে-মেয়েদের বিয়ে-শাদী হয়ে যাওয়ায় নিজেদের সংসার নিয়ে মহাব্যস্ত। তাদের ছেলে-মেয়েরাও অনেক বড়-সড় হয়েছে। মেয়েরা স্বামীর বাড়িতে সুখে-শান্তিতে আছে আর ছেলেরা বউ পোলাপাইন নিয়া দিব্যি ভালো আছে। সবাই সবার কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। সংসারের বুড়ো আর বুড়ি; দুই জনেই ছিল একে অপরের সহযোগী; সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেয়ার মতো সঙ্গী। কিন্তু বুড়িটা চলে যাওয়ায়-বুড়াটার জ্ঞানশক্তি লোপ পেয়েছে। বুড়ি ছাড়া বুড়োর যেন একটি মুহূর্ত কাটতে চায় না। খোদায় যদি বুড়ো আর বুড়ি দুইটাকে এক সঙ্গে নিয়ে যেত— তাহলে এতো জ্বালা-যন্ত্রণা বুকে নিয়ে আধ মরা হয়ে বেঁচে থাকার দরকার হতো না-বুড়োর। গ্রামের ময়-মুরব্বিরা বলা বলি করতে লাগল, না জানি বুড়িটার শোকে এমন হয়েছে।
সব কিছু মিলিয়ে বুড়ার মনে শান্তি নেই। কিসের অশান্তিতে বুড়ো মনমরা হয়ে আছে। তা পৃথিবীর কাউকে বুঝানো যাবে না। এটা একমাত্র বুড়োই জানে। খাওয়া-দাওয়া, চলা-ফেরা সবই ঠিক আছে কিন্তু হূদয়ের মধ্যে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে; তার খবর কে রাখে। সবাই তো দেখতে পায়, হাজী সাহেবের কোন সমস্যা নেই। নায়-নাতনি নিয়ে খুবই ভালো আছে। কেউ দাদা বলে ডাক দেয় আবার কেউ বা নানা বলে ডাক দেয়। কেউ বা বুড়োর মাথা থেকে পাকা চুলগুলো নিয়ে খেলা করে। আবার কখনো শরীরের ঢিলে চামড়া ধরে টেনে টেনে দেখে— কতটুকু লম্বা হয়। বুড়ো বয়সে শরীরের গঠন এমন-যৌয়ান বয়সে যে কেমন শক্তিশালী ছিল— তা নিয়ে নাতি-নাতনিরা আলাপ আলোচনা করে।
ছেলে-মেয়েদের পীড়াপীড়িতে পাড়ার ময়-মরব্বিরা বৈঠকে বসল। হাজী সাহেবের কি অসুবিধা, কিসের অভাব-যে নতুন বউ ঘরে আনতে হবে। সংসারে আগুন জ্বালাতে চায়। নতুন ভাগিদার তৈরি করে— একটা যুদ্ধক্ষেত্র বানাতে চায়।
এছাড়া এলাকার বিভিন্ন মানুষজন বিভিন্নভাবে আলোচনা সমালোচনা করে। নিজেদের মান-সম্মানে আঘাত লাগে। তাই ছেলে-মেয়েরা এক পায়ে দাঁড়িয়েছে— যত কষ্টই হোক; তারা বুড়ো বাপকে আদর-যত্ন করবে। সেবা-যত্নের কোনো রকম ঘাটতি করবে না। কিন্তু নতুন করে বিবাহ করতে দিবে না— এক্ষেত্রে কোনো ছাড় নেই। আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী সবাই বুড়োকে বিভিন্নভাবে যুক্তি দিয়ে জ্ঞান দিচ্ছে। শেষ বয়সে সংসারে বিভাজন সৃষ্টি করে কি লাভ। আল্লা-খোদার নাম নিয়ে কবর দেশে যেন ভালোভাবে যাওয়া যায়; সেই চিন্তা-চেতনা যেন মশগুল হয়। বিয়ে-শাদীর বিষয়টা মাথায় থেকে একেবারে বিদায় করে দেয়। আল্লা-রাসুলের নাম জপে জপে মসজিদে বসে বসে জিকির করে সময়টা কাটিয়ে দেয়। বয়স তো আর কম হয়নি— কমছে কম সত্তর আশি তো হবেই। এখন আর বউ বউ করার কি দরকার?
গ্রাম্য সর্দার অলি মিয়া বলল— আল্লা-বিল্লা কর হাজী। বিয়া-টিয়া কইরা আর সংসারে জ্বালা বাড়ানোর কাম নাই। নায়-নাতনি নিয়া হাসি-খুশির মধ্যে কয়েকটা দিন বালায় বালায় কাটাইয়া যাও মিয়া। কি পাগলের মতো চিন্তা-ভাবনা শুরু করছ। মাইনষে হুনলে কি কইব। তা ছাড়া তোমারে নিয়া সারা গ্রামে কি রব উঠছে— তুমি কি তার খবর রাখ!
বুড়ো হাজী সেকান্দার আলী বলল, সর্দারী-মাতবরী তোমার বাড়ি গিয়া কর। আল্লা-রাসুল আমারে শিখাতে আইয় না। কম বুঝে আর অজ কইরা আইছি না। ধর্ম-কর্ম; তোমার চাইতে কম বুঝি না। আমার সয়-সম্পত্তি কম নাই। বউ আইলে কি সমস্যা- হ্যাঁ। ছেলে-মেয়েরা যদি চায়; তাদের ভাগ নিয়া যাক। তাতে আমার কোনো আপত্তি নাই। ধর্মের বিধান মতে-ভাগ ভাটোয়া করে দিয়া যাও। এছাড়া আর কোনো জ্ঞান-বুদ্ধি দিতে চায় না। আমার মাথা নষ্ট অয় নাই; এখন ঠিক আছে। হুশ-জ্ঞান হারাইছি না।
এদিকে কমলার বাপ-মারা গেছে এক যুগ গেল। কমলার দিকে চেয়ে চেয়ে যুগ-যুগান্তর কাটিয়ে দিল-কমলার মা। কমলার বাপ যখন মারা যায়— তখন সবেমাত্র যৌবনের আলোর ফুটেছে। কাঁচা হলুদের মতো শরীরটা ছিল। এখনো দেখলে মনে হয়-নব বধূ। লাল শাড়ি পড়লে জোয়ান-বুড়ো কারো চোখ ফিরে না। অল্প বয়সে তার বিয়েটা হয়েছিল। প্রাইমারি স্কুল ছেড়ে হাই-স্কুলে যায় কি-যায় নাই, তা বলতে পারে না-কমলার মা। তবে তার বিয়েটা খুব অল্প বয়সে হয়েছে— সেই কথা মনে আছে। স্বামীর সুখ উপলব্ধি করার পূর্বেই স্বামীকে হারাতে হয়েছে। পার্থিব অভাব অনটন না থাকলেও মনের গহিনে যে অভাব রয়েছে; তা তো অপূরণীয়ই থেকে গেল। ছোট্ট একটি শিশু কন্যার ভবিষ্যতের দিকে চেয়ে নিজের সব চাহিদাকে বিসর্জন দিল। তাছাড়া কমলার নানার কুলে ও দাদার কুলে কারোই দ্বিতীয় বিয়ের রীতি নেই। দুই পরিবারের ঐতিহ্য বলে কথা। তাদের মেয়ে বা পুত্র বউদের কঠিন নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়। স্বামী চলে গেলেও তার আঁচল ধরে বাকি জীবন কাটাতে পারলেই সতী সাধবী নারী হিসেবে স্বীকৃতি পায়। একজন নারী দ্বিতীয় স্বামীর ঘরে যাবে— এটা যেন কেমন কথা। সমাজ এটাকে কোন মতে মেনে নিতে চায় না।
দ্বিতীয় পাত্রী কোনো সংসারে গিয়ে নিজেকে মানিয়ে নিতে খুবই কষ্ট হয়। কত রকমের জ্বালা-যন্ত্রণা তাদেরকে সহ্য করে নিতে হয়। স্বামী মরে গেছে বলে তাদের কপালও পুড়েছে। না পারবে অন্যের সঙ্গে সংসার গড়তে; না পারবে নিজের সংসারে সুখে শান্তিতে থাকতে। তারা যেন একটা অভিশাপের বোঝা নিয়ে পৃথিবীতে বেঁচে থাকে। তাদের চাওয়া-পাওয়ার কোনো অধিকার নেই। শখ আহ্লাদ বলতে কিছুই নেই। তারা শুধু মাত্র মরে যাওয়া স্বামীর শোক মালা গাঁথবে আর পরপারে যাওয়ার রাস্তা তৈরি করবে। তাছাড়া কোন শুভ কাজে তাদের অংশগ্রহণ করতে মানা। সমাজে তাদের স্বামী খাওয়া নারী হিসেবে ডাকে। অন্য নারীদের বিশ্বাস যে তারা স্বামী খেয়ে ফেলেছে। তাদের কোন কাজের আগে রাখা যাবে না। তারা যদি থাকতে চায়; তবে সবার পেছনে পেছনে থাকবে কিন্তু কোন কিছু ছুঁতে পারবে না। মোটা সাদা কাপড় হলো তাদের পরিধানের একমাত্র পোশাক। অলংকার ব্যবহার করা ও সাজ-গোছ করা নিষেধ।
এখন কমলার মায়ের মনে আর কোন শখ আহলাদ জাগে না। মনটা একেবারে পাথর হয়ে গেছে। তাই মনের মধ্যে নতুন করে কোন স্বপ্ন বা ভালবাসার জন্ম হয় না। এই মনের জমিনটা মরু সাহারায় পরিণত হয়েছে। এই জমিতে কোন কিছুই জন্মাবার নয় শুধু খা খা করে শেষ প্রান্তের দিকে ধাপিত হওয়াই যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। কমলাটা দিন দিন বড় হচ্ছে। তাকে কিভাবে সুখি করা যায়। সেই চিন্তা মাথার মধ্যে ঘুরপাক খায়। বাপ মরা মাইয়্যা। বাপের অভাব তো আর পূরণ করতে পারবে না। তবু চেষ্টা করতে দোষের কিছু নেই। তিনিই তার বাপ-মা। জীবন যৌবনের সব সুখ বিসর্জন দিয়েছে-এই মেয়েটার জন্য। তাকে কিভাবে মানুষের মতো মানুষ করা যায়-সেটাই এখন তার একমাত্র চাওয়া পাওয়া। তাই শত কষ্ট বুকে ধারণ করে স্বামীর ভিটেবাড়িতে বসবাস করছে।
যে কাজে বিবেক আত্মতৃপ্তি পায় সে কাজে সৃষ্টিকর্তা সন্তুষ্টি হয়। বিবেক মানুষকে কখনো খারাপ কাজের দিকে ধাপিত করতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত সে বিবেকহীন না হয়। প্রত্যেকটি মানুষের অন্তরে দুটি সত্তা বিরাজ করে। একটি পবিত্র সত্তা আর অন্যটি অপবিত্র সত্তা। পবিত্র সত্তার প্রকৃত পরিচয় বিবেক আর অপবিত্র সত্তার পরিচয় বিবেকহীন কর্মপন্থা। পবিত্র সত্তার কারণে মানুষের মনে অনুশোচনার জন্ম হয়; ফলে তার মনের অন্তগহিনে লুকায়িত অপবিত্র সত্তার কূ-মন্ত্রণার বন্ধন থেকে আলোর দিকে ছুটে যায়; আত্ম-মুক্তির প্রয়াসে। তবুও মানুষ কোন কোন সময় বিবেকহীন কাজ করে থাকে। মনের খায়েসে অথবা অন্য কারো কূমন্ত্রণায়। হাজী সাহেবও তাদের মনের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে শরীরটাকে চালাতে চাচ্ছে কিন্তু শরীর তো আর লোহা বা পাথর নয় যে চিরকালই এক রকম থাকবে। তবে কোন কোন সময় লোহাতেও মরিচা ধরে। যে যত কথা বলুক আর যত যুক্তি উপস্থাপন করুক কিন্তু হাজী সাহেবের কাছে তা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য। কেন না, তার হৃদয়ে যে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে এবং তিনি যা অনুধাবন করেন-তা বাহ্যিক দৃষ্টি উপলব্ধি করার সাধ্য কারো নেই। বিধির বিধান লঙ্গন করবে কে? হাজী সেকান্দর আলীর এক কথা-তিনি তার শয্যাসঙ্গী চান; এছাড়া কোন কথা তার মাথায় আসছে না। শয্যাসঙ্গীর প্রত্যাশায় তার দিন কাটে। টাকা-পয়সা সয়-সম্পত্তি কোন বিষয় না। তার অনেক সম্পত্তি আছে। কিন্তু মনে সুখ নেই-শান্তি নেই। তাই নজু মোক্তারকে খবর দেয়। খবর পেয়ে নজু মোক্তার হাজীর কাছে ছুটে আসে। নজু মোক্তারের ধারণা যে হাজীর নিকট থেকে ভালো একটা কমিশন পাওয়া যাবে। তাই এই সুযোগটা কাজে লাগাতে সে ভুল করতে পারে না। এক সময় ঘটকালী ব্যাপারটা ছিল সামাজিক কাজের অংশ। মানুষ ছওয়াব পাওয়ার আশায় ছেলে-মেয়েদের বিয়ে সাদীর ব্যবস্থা করে দিত। কিন্তু বর্তমানে ঘটকালিটা হয়ে গেছে ব্যবসা ও পেশা। অনেকেই এখন ঘটকালি করে উপার্জন করে সংসারে চাহিদা মেটায়।
হাজী সাহেব মোক্তারকে বলেন, ঐ মুক্তাইরা। কিতা করচ। এতো দিন অইল-আমার লাইগ্যা কি বউ পাওয়া গেল না।
তোর কত ট্যাহা দরকার-ক? আমার বউ চাই! যত তাড়াতাড়ি পারছ-বিয়ার ব্যবস্থা কর! আমার বিয়ার কথা হুইন্না পোলা মাইয়ার মাথা খারাপ অইয়া গেছে। নজু মুক্তার বলে, হাজী সাব। হেচা কতা কইলে আপনে চেইত্তা যাইবেন। বুড়া মাইনষের কাছে কেডায় মাইয়া দিত চায়।
হাজী সাহেব খুব রাখ হলে বলেন, ঐ নউজ্জ্যা। আমি বুড়া, হে বুইড়া অইয়া গেছি। তাতে কি সমস্যা ক? টেয়া-পইসা, জাগা জমিন যা লাগে আমি দেয়াম। আমার বউ চাই। দেহি কোন ব্যাডায় আমারে থামায়।
পাশের গ্রামের ছলিম মিয়া— মা মরা মেয়ে নিয়ে বিপাকে আছে। বর্তমানের যৌতুকের যে চাহিদা। তাতে বিবাহ দেয়ার মতো তার সর্ঙ্গ্যে নেই। রিকশা চালিয়ে যে কয় টাকা পায়-তা দিয়ে কোনোমতে সংসার চলে। টাকা পয়সার অভাবে মেয়ের বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে কিন্তু বিয়ে দিতে পারছে না। এই সুযোগটাকে নজু মোক্তার কাজে লাগানোর ফন্দি করেছে। তাই ছলিম মিয়াকে বিভিন্নভাবে বুঝায় যে, তার মেয়েকে যদি হাজী সেকান্দর আলীর কাছে বিয়ে দেয়; তার কোনো খরচ লাগবে না। তা ছাড়া হাজী তো কয়েক মাস বা বছর পরেই কবর দেশে চলে যাবে। তখন সয়-সম্পত্তির মালিক তো মিয়া তুমি হবে। তোমার মেয়ের নামে জমি দলিল করে দিবে বলছে।
তাছাড়া হাজীর যে অবস্থা বিয়ে যাবতীয় খরচ পাতির ব্যবস্থা করে দেবে। তোমার এক কানা কড়িও লাগবে না। সময় অসময় টাকা পয়সা নিয়ে চলতে পারবে। নজু মোক্তারের কথা ছলিম মিয়ার মনপোক্ত হয়। তাই সে তার মেয়ের সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে কথা বলে— মা গো। তোরে বিয়া-সাদী দেউনের ব্যবস্থা করার মতো আমার কাছে কোন ট্যাহা পইসা নাই; কি করি মা-তুই ক?
তবে নউজ্জা মুক্তারে কইছে; পাশের গ্যারামের সেয়ান্দার হাজীর নাকি বউ মইরা গেছে। তার লগে তর বিয়া দিত চায়। তুই নাকি এতে বেশি সুখ পাইবি। তুরে জমি লেইখ্যা দিব। মেয়ে উত্তর দেয়-বাবা; মা নাই ঘরে। তোমার ট্যাহা নাই। কি করবা। যা বালা অয় তাই কর। এতে আমারে কওয়ার কি আছে। যা কপাল আছে তা অইব। পায়জামা পাঞ্জাবি গায়ে দিয়ে হাজী নতুন বউ নিয়ে বাড়ি যাচ্ছে। অবিবাহিত বউ পেয়ে বুড়ো মুচকি মুচকি হাসে আর লাঠি ভর দিয়ে ধীরে ধীরে পা চালাচ্ছে।
কমলাদের বাড়ির পাশ দিয়ে হাজী সাহেবদের বাড়িতে যেতে হয়। ওই দিকে কমলার মা-আওতা বেড়ার ফাঁক দিয়ে দেখতে থাকে লাল শাড়ি পরা নতুন বউকে আর মনে মনে হাসে। এমন একদিন সেও তো লাল শাড়ি পরে এই বাড়িতে এসেছিল। কিন্তু লাল শাড়ির বাঁধন বেশি দিন ধরে রাখতে পারেনি। সেভাবে এই কেমন সমাজ। স্বামীর মারা গেলে স্ত্রী আর কারো সঙ্গে ঘর বাঁধতে পারে না কিন্তু স্ত্রী মারা গেলে স্বামী চল্লিশ দিনও যেতে দেয় না; নতুন করে কারো সঙ্গে ঘর বাঁধতে কালক্ষেপণ করে না। এটাই খোদার দুনিয়া এটাই নিয়ম! এটাই নারীর জীবন!
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিঃসঙ্গ হওয়ার জন্য স্বেচ্ছায় বনবাসী হওয়া দু'জনের গল্প
![]() |
| নীরবতায় পরমানন্দ পান সারা মেইটল্যান্ড। |
![]() |
| ২০ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের মেইন রাজ্যের একটি বনে বসবাস শুরু করেন ক্রিস্টোফার নাইট |
![]() |
| নর্থ পন্ডে নাইটের তৈরি ক্যাম্প |
![]() |
| নর্থ পন্ড, মেইন |
![]() |
| নাইট মূলত পাশের সামার কেবিন এবং কমিউনিটি সেন্টারের জিনিসপত্র চুরি করে টিকে ছিলেন |
![]() |
| সারা মেইটল্যান্ড। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কথাবার্তায় পারদর্শী হতে জেনে নিন এই সাতটি উপায়

১. আগে নিজে বোঝার চেষ্টা করুন:
২. আপনি যে বুঝতে পেরেছেন সেটা প্রকাশ করুন:
৩. সৃজনশীল সমাধানে পৌঁছাতে সহযোগিতা করা:
৪. অভ্যাসে বিরতি নিন:
৫. সমালোচনার জন্য শুনবেন না:
৬. অনুশীলন নিখুঁত করে তোলে:
৭. যোগাযোগের জন্য আপনি কোন মাধ্যমটি চান সেটা বেছে নিন:

নিজে কিছু বলার আগে অন্যের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। এতে আপনারই কথা এগিয়ে নিতে সুবিধা হবে।
আগে অন্যের কথা শুনে তাকে বোঝার চেষ্টা করুন।
আপনি যদি তার কথা বুঝতে পারেন তাহলে সেটি তাকে বিভিন্ন উপায়ে জানিয়ে দিন।
দলের সঙ্গে কাজ করতে গেলে সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা বেশ জরুরি।
যে কোন বয়সেই আপনি আপনার কথোপকথনের দক্ষতা উন্নত করতে পারবেন।
তর্কে এগিয়ে যেতে কোন গোলাবারুদ নয়, আপনাকে ভাল শ্রোতা হতে হবে।
লেখালেখিতে বিরক্তি প্রকাশ করা কঠিন, তাই যখনই সম্ভব, আপনার কথোপকথনগুলো মুখোমুখি করার চেষ্টা করুন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাজারো রোগ থেকে মুক্তি দেবে ডাবের পানি!

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) টেলিমেডিসিন বিভাগের কো-অর্ডিনেটর সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ যায়েদ হোসেন বলেন, ডাবের পানি শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তিনি বলেন, আমাদের দৈনন্দিন খাবার তালিকায় এমন কিছু ফল আছে তা যদি কেমিক্যালমুক্ত হয় তবে অনেক রোগপ্রতিরোধ করতে সাহায্য করবে। তেমনি একটি ফল হচ্ছে ডাব। পেটের পীড়া থেকে শুরু করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ, ওজন কমানো, প্রস্রাবের সমস্যা, প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া, কোষ্ঠকাঠিন্যসহ বিভিন্ন রোগে ডাবের পানি খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া ডাবের পানি ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
এছাড়া একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, শুধু গরমকাল নয়,সারা বছর নিয়ম করে ডাবের পানি খাওয়া উচিত। ডাবের পানি নিয়মিত খেলে অনেকে রোগ থেকে মুক্তি মিলবে।
ডাবের পানিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, মেঙ্গানিজ এবং জিঙ্ক নানাভাবে শরীরে গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এসব উপাদানই আমাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন পরে।
আসুন জেনে নেই যেসব রোগ থেকে মুক্তি দেবে ডাবের পানি।
১. ডাবের পানি ত্বককে সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে, ব্রণর প্রকোপ কমাতেও সার্বিকবাবে স্কিনের ঔজ্জ্বলতা বাড়ায়।
২. পানি শরীরে লবণের মাত্রা ঠিক রাখে। ফলে ওয়াটার রিটেনশন বেড়ে গিয়ে ওজন ওজন কমায়।
৩. ডাবের পানিতে রয়েছে ভিটামিন সি, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম, যা রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে থাকে।
৪. ডাবের পানিতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং ডায়াটারি ফাইবার ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
৫. মানুষের শরীরে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো।
৬.রাইবোফ্লবিন, নিয়াসিন, থিয়ামিন এবং পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারি উপাদানে ভরপুর ডাবের পানি প্রতিদিন পান করলে শরীরের অন্দরের শক্তি এতটা বৃদ্ধি পায় যে জীবাণুরা কোনওভাবেই ক্ষতি করার সুযোগ পায় না।
৭.ডাবের পানি শরীরের কোলেস্টেরল বা এল ডি এল-এর পরিমাণ কমিয়ে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্যে করে। ফলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমে যায়।
৮. ডিহাইড্রেশনের কারণে মাথা যন্ত্রণা বা মাইগ্রেনর অ্যাটাক হলে খেতে পারেন এক গ্লাস ডাবের পানি।
৯. ডাবের পানি রয়েছে সাইটোকিনিস নামে নামে একটি অ্যান্টি-এজিং উপাদান, যা শরীরের উপর বয়সের ছাপ পরতে দেয় না।
১০. প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে ডাবের পানি কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ▼ 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





