Wednesday, November 7, 2018
আখ খাবেন কেন?

- আখে রয়েছে প্রাকৃতিক গ্লুকোজ যা নিমিষেই দূর করে ক্লান্তি।
- অ্যাসিডিটি বা পেটের সমস্যায় ভুগলে আখ খেতে পারেন নিয়মিত। এতে থাকা পটাসিয়াম হজমে সহায়ক পাচক রসের ক্ষরণ বাড়ায়।
- আখ খেলে শরীরে ফ্লবোনয়েড নামক একটি বিশেষ উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। এই উপাদানটি ক্যানসার সেল ধ্বংস করতে সাহায্য করে।
- নিয়মিত আখ খেলে ত্বক থাকা সুন্দর ও টানটান। আখে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের দূষিত পদার্থ বের করে দেয়। ফলে ত্বক বলিরেখা পড়ে না।
- আখের রস কিডনির সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।
- শরীরের জন্য ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় আখের রস। ফলে হার্ট থাকে সুস্থ।
- আখ চিবিয়ে খেলে দাঁত ভালো থাকে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম দুই মুসলিম নারী; কী তাদের পরিচয়?
![]() |
| রাশিদা তালিব (বামে) ও ইলহান ওমর (ডানে) |
উভয়ই ডেমোক্র্যাটিক পার্টির পক্ষ থেকে প্রার্থী হয়ে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য হয়েছেন।
সোমালিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় ১৪ বছর বয়সে আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছিলেন ওমর ইলহান এবং রাশিদা তালিব ফিলিস্তিনি অভিবাসী দম্পতির সন্তান।
ওমর ইলহান মার্কিন কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম নারী শুধু নন, মাথায় স্কার্ফ পরিহিত প্রথম মুসলিম নারীও তিনি। কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম পুরুষ সদস্য কেইথ এলিসনের আসনে তিনি জয়লাভ করেছেন।
ওমর ইলহানের শৈশবের চার বছর কাটে কেনিয়ার একটি শরণার্থী শিবিরে। সে সময়ের স্মৃতি মনে করে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ওমর বলেন, আমেরিকায় আসার স্বপ্ন কোনো দিন দেখিনি। শরণার্থী শিবিরে খাবার নিয়ে চিন্তা করে দিন কেটে যেত আমাদের।
রাশিদা তালিবকেও অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। তার উত্থানের ইতিহাস আরও সমৃদ্ধ। ২০০৮ সালে প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে তিনি মিশিগান আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ফিলিস্তিন থেকে আমেরিকায় আসা এক পরিবারের ১৪ সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড়।
নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মুসলিম প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ১০০ জন। এর আগের নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন ১২ জন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বর্ণবিদ্বেষী নীতির কারণে এবারের নির্বাচনের মুসলিম প্রার্থীর সংখ্যা বেড়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গোয়েন্দাজাল-৭: সাদ্দাম হোসেনকে হত্যা মিশনে মোসাদ by মোহাম্মদ আবুল হোসেন

১৯৭৮ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত ইরাকে চালানো হয় অপারেশন স্ফিঙ্কস।
এর উদ্দেশ্য ইরাকের ওসিরাক পারমাণনিক চুল্লী সম্পর্কে উচ্চমাত্রায় স্পর্শকাতর তথ্য পাওয়া। এ জন্য মোসাদ ইরাকের একজন পারমাণবিক বিজ্ঞানীকে ফ্রান্সে তাদের কাজে যুক্ত করে।
১৯৯০ এর দশকের কথা। এ সময় মোসাদ একটি অপারেশন চালায় ইরাকে। এর নাম দেয়া হয় ‘অপারেশন ব্রাম্বল বুশ টু’। ওই সময়ে জর্ডান থেকে সায়েরাত মাতকাল কমান্ডোরা ইরাকে প্রবেশ করেছে। তাদের উদ্দেশ্য ইরাকের তখনকার প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে হত্যা করা। কোথায় এ ঘটনা ঘটবে তা সনাক্ত করতে চেষ্টা করা হয় ওই অপারেশনের মাধ্যমে।
১৯৯৭ সালের ৩০ শে জুলাই। এদিন জেরুজালেমে আত্মঘাতী বোমা হামলা হয়। এর জন্য দায়ী করা হয় হামাসকে। এ হামলায় নিহত হন ১৬ ইসরাইলি নাগরিক। তখন জর্ডানে হামাসের প্রতিনিধিত্ব করেন খালেদ মাশাল। তার বিরুদ্ধে প্রতিশোধমুলক অপারেশন অনুমোদন করেন ইসরাইলের তখনকার প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ১৯৯৭ সালের ২৫ শে সেপ্টেম্বরে খালেদ মাশালের কানে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়। এরপর জর্ডান কর্তৃপক্ষ মোসাদের দু’জন এজেন্টকে আটক করে। তারা কানাডার পর্যটক হিসেবে অবস্থান করছিলেন জর্ডানে। এ ঘটনায় ইসরাইল দূতাবাসের ছয় জনকে আটক করা হয়। তাদেরকে মুক্ত করার জন্য ইসরাইল একজন চিকিৎসককে পাঠায় জর্ডানের রাজধানী আম্মানে। তিনি আম্মানে গিয়ে খালেদ মাশালের দেহের বিষক্রিয়া নষ্ট করার চিকিৎসা দেন। ফলে খালেদ মাশালকে হত্যা মিশনে ব্যর্থ হয় মোসাদ। উল্টো এর ফলে তারা হামাসের প্রতিষ্ঠাতা ও ধর্মীয় নেতা শেখ আহমেদ ইয়াসিনকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। শুধু শেখ আহমেদ ইয়াসিনই নয়, একই সঙ্গে বেশ কিছু হামাস সদস্যের মুক্তির পথ বেরিয়ে আসে। মোসাদের এমন কর্মকান্ডে যখন তোলপাড় চলছে চারদিক, ক্ষোভের আগুন জ্বলছে জর্ডানে তখন ২৯ শে সেপ্টেম্বর আম্মান উড়ে যান বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। উদ্দেশ্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে জর্ডানের বাদশা হোসেনের কাছে ক্ষমা চাইবেন। কিন্তু এর পরিবর্তে তার সঙ্গে সাক্ষাত করলেন বাদশার ভাই ক্রাউন প্রিন্স হাসান।
গোয়েন্দা ও অপারেশনাল অপারেশনের সহযোগিতা হিসেবে ১৯৭৩ সালে বৈরুত ঘেরাও করে অপারেশন স্প্রিং অব ইয়ুথ নামের স্পেশাল ফোর্সেস। বাসাম আবু শরীফ নামে পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব ফ্রালেস্টাইন (পিএফএলপি) সদস্যকে পাঠানো হয় একটি চিঠি বোমা। তাতে আবু শরীফ মারাত্মক আহত হন। বেঁচে যান অল্পের জন্য। অভিযানের অংশ হিসেবে ১৯৭৯ সালের ২২ শে জানুয়ারি বৈরুতে গাড়িবোমা হামলা হয়। এর লক্ষ্য ছিলেন ব্লাক সেপ্টেম্বর নেতা আলী হাসান সালামেহ। তাকে টার্গেট করে হত্যা করা হয়। ১৯৭২ সালে গাড়িবোমা হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয় ফিলিস্তিনি লেখক ও পিএফএলপি’র শীর্ষ স্থানীয় সদস্য ঘাসান কানাফানিকে। ১৯৯২ সালে বৈরুতে হিজবুল্লাহর সেক্রেটারি জেনারেল আব্বাস আল মুসাবিকে হত্যায় গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ দেয়া হয়। ২০০২ সালে বৈরুতে পিএফএলপি-জিসির সামরিক শাখার নেতা জিহাদ আহমেদ জিবরিলকে হত্যায় মোসাদ জড়িত বলে অভিযোগ আছে। অভিযোগ আছে ২০০৩ সালে বৈরুতে হিজবুল্লাহ সদস্য আলী হোসেন সালেহকে হত্যা করেছে মোসাদ। ২০০৪ সালে বৈরুতে হিজবুল্লাহর সিনিয়র এক নেতা গালেব আওয়ালিকে হত্যা করা হয়। ২০০৬ সালে সিডনে প্যালেস্টাইন ইসলামিক জিহাদ-এর নেতা মাহমুদ আল মাজজুবকে হত্যা করা হয়। এ ছাড়া লেবাননে বিরাট একটি গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক স্থাপন করেছে মোসাদ এমনটা সন্দেহ করা হয়। তাদের এই নেটওয়ার্কে যোগ দিয়েছে দ্রুজ, খ্রিস্টান, সুন্নী মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন, লেবানন সরকারের কিছু কর্মকর্তা। হিজবুল্লাহর ওপর গোয়েন্দা নজরদারি চালাতে এবং হিজবুল্লাহর রেভ্যুলুশনারি গার্ডের উপদেষ্টাদের ওপর নজর রাখতে দায়িত্ব দেয়া হয় তাদের। ধারণা করা হয় ১৯৮২ সালে লেবানন যুদ্ধের সময় থেকেই তারা সেখানে সক্রিয়। হিজবুল্লাহর গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় লেবাননের নিরাপত্তা বিভাগগুলো ২০০৯ সালে বড় ধরনের একটি অভিযান পরিচালনা করে। ইসরাইলের পক্ষে গোয়েন্দাগিরি করে এমন অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় প্রায় একশ গুপ্তচরকে। ২০০৬ সালে লেবাননের সেনাবাহিনী একটি নেটওয়ার্কের সন্ধান পায়। এরা লেবাননের বেশকিছু মানুষ ও ফিলিস্তিনি বহু নেতাকে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের পক্ষে হত্যা করেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংলাপের দিকে চোখ বাংলাদেশের by কাজী সোহাগ

গতকাল ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়েছে সংলাপ সফল না হলে আন্দোলন চলবে। আজকের সংলাপ থেকে প্রত্যাশিত ফল না এলে আগামীকালই রাজশাহী অভিমুখে রোডমার্চ এবং তফসিল ঘোষণা না পেছালে নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা দেয়া হয়েছে সমাবেশ থেকে।
আজ দুপুরে গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংলাপ শুরু হবে। আওয়ামী লীগের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট্রের নেতৃত্বে থাকবেন ড. কামাল হোসেন। সকাল ১১টায় সংলাপ শুরু হবে।
আওয়ামী লীগ সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ যেন থাকে সে লক্ষ্যে তারা সংলাপ করছেন। এক্ষেত্রে সংবিধানের মধ্যে থেকে যতটুকু ছাড় দেয়া সম্ভব ততটুকু ছাড় দেয়া হবে। এর বাইরে কোনো কিছু করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। সংলাপে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিত্ব করছেন এমন এক নেতা গতকাল মানবজমিনকে বলেন, আমরা খোলা মনে ঐক্যজোটের সঙ্গে বসতে রাজি হয়েছি। তারা চিঠির মাধ্যমে প্রস্তাব দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সময় দিয়েছেন। এতে প্রমাণ হয়, আমরা সংলাপ সফল করতে কতটা আন্তরিক।
তিনি জানান, এখন ঐক্যফ্রন্ট যদি নির্বাচন নিয়ে অন্য কোনো কৌশল অবলম্বন করে তাহলে আমাদের কিছু করার নেই। আজকের সংলাপে ঐক্যজোট আবারও ৭ দফা দাবি নিয়ে অনড় থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। এ নিয়ে তারা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন বলে জানান। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ঐক্যজোটের তিন নম্বর পয়েন্ট হলো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করেছেন। তাদেরকে নির্বাচনে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। নিশ্চয়তা দিয়েছেন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের।
নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও কর্তৃত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সরকার কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না। শুধু যে সব বিষয়ে ইসি সহযোগিতা চাইবে, সেসব বিষয়ে সহযোগিতা করা হবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের ছয় নম্বর দফা হলো বিদেশি পর্যবেক্ষক আসবেন এবং নির্বাচন মনিটরিং করবেন। এই ব্যাপারেও আমাদের কোনো আপত্তি নেই। প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছেন, এ ব্যাপারে আমাদের সাপোর্ট থাকবে। আর ইভিএম’র ব্যাপারে তিনি বলেছেন, ইভিএম একটি আধুনিক পদ্ধতি। তবে, এবার হয়তো নির্বাচন কমিশন সীমিতভাবে ব্যবহার করবে। এতে আমাদের সমর্থন থাকবে। তিনি আরও বলেন, আরেকটা বিষয় হচ্ছে মামলা। তারা রাজনৈতিক মামলার বিষয়ে একটা প্রশ্ন তুলেছেন।
এই ব্যাপারে ড. কামাল হোসেন ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তাদের যে মামলাগুলো রাজনৈতিক মামলা, সে তালিকা আমার কাছে পৌঁছে দিতে। এটা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আওয়ামী লীগ নেতারা জানিয়েছেন, আজকের বৈঠকে হয়তো তারা রাজনৈতিক মামলার তালিকা দিতে পারে। ওই তালিকা বিশ্লেষণ করে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে আজকের সংলাপে খালেদা জিয়ার কারামুক্তি অন্যতম বড় ইস্যু হতে পারে বলে জানান আওয়ামী লীগের নেতারা। এর আগে দলের সাধারণ সম্পাদক বিষয়টি নিয়ে ইঙ্গিতও দিয়েছেন। রোববার সচিবালয়ে তিনি জানান, খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে বিএনপি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করতেই পারে। সেটা যদি তারা চায় আলোচনার দরজা তো খোলা আছে। নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের বিষয়ে কিছুটা নমনীয় হতে পারে আওয়ামী লীগ। দলটির নেতারা জানিয়েছেন, নির্বাচনে সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকতে পারে। লোকাল প্রশাসন পরিস্থিতি বিবেচনায় তাদের সহযোগিতা নিতে পারে।
সংলাপে আওয়ামী লীগ কতটা ছাড় দিতে পারে সে প্রসঙ্গে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রাজ্জাক জানান, ঐক্যজোটের যে সাত দফা দাবি, তার ছোটখাট কিছু বিষয়ে হয়তো ছাড় দেয়া হতে পারে। কিন্তু সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকার গঠনের যে দাবি, সেটা মানার কোনো সুযোগ নেই। কেয়ারটেকার সরকার তো সংবিধানে নেই। কোনোক্রমেই এখানে ছাড় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। অন্য বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। একই প্রসঙ্গে দলটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সংলাপে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের সদস্য আবদুর রহমান মানবজমিনকে বলেন, আশা করি সব বাস্তবতা বুঝে আগামী নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে অংশ নেবে।
আজকের সংলাপে আওয়ামী লীগের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংবিধান সম্মতভাবে একটি সুষ্ঠু, অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য যা যা করা প্রয়োজন এবং সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সদিচ্ছা থাকবে। ঐক্যজোটের দাবি মানা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাদের দাবি যদি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয় তাহলে সেটা মানা সম্ভব হবে না সে বাস্তবতা তাদের বুঝতে হবে। ছাড় দেয়ার কোনো প্রস্তুতি রয়েছে কি-না জানতে চাইলে আবদুর রহমান বলেন, তারা সংলাপে আসুক। কী ধরনের কংক্রিট প্রস্তাব দেবে তা আগে দেখা হবে। তারপর আলাপ-আলোচনা আর পর্যবেক্ষণ করে তারপর মন্তব্য করা যাবে। কিন্তু এসবের জন্য তো সময় খুব কম- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সময় কম ঠিক আছে। তাই বলে তো আর সংবিধানের বাইরে গিয়ে কিছু করা যাবে না। তাই বলছি, সংবিধানের মধ্যেই যদি ছাড় দেয়ার সুযোগ থাকে তাহলে আওয়ামী লীগ সেই ছাড় দেবে।
এদিকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ ফলপ্রসূ করতে গেলে দুই পক্ষের সদিচ্ছা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের একটি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ১লা নভেম্বর তাদের সঙ্গে সংলাপ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বিকল্পধারা বাংলাদেশ ও জাতীয় পার্টির সংলাপে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেয়। সেই আলোচনাও শেষ হয়েছে। গতকাল দুপুর থেকে ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। বিকালে বামপন্থি কয়েকটি দলের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
আজ সংলাপে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দলে থাকতে পারেন- ড. কামাল হোসেন, আ স ম আবদুর রব, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মোস্তফা মোহসীন মন্টু, সুব্রত চৌধুরী, মাহমুদুর রহমান মান্না, এস,এম আকরাম, আবদুল মালেক রতন, সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মা-বাবাকে খুঁজে ফিরছে অবুঝ মেহনাজ-শেহজাদ by ওয়েছ খছরু

আফসোসের অন্ত নেই স্বজনদের। ভিসা, টিকিট সবই কনফার্ম ছিল। প্রিয় সন্তানদের নিয়ে স্বপ্নের দেশ আমেরিকায় যাওয়ার সব প্রস্তুতিও চূড়ান্ত করে রেখেছিলেন। হঠাৎ ঝড়ে তছনছ হয়ে গেলো তার সংসার। স্ত্রী রাফিয়া সুলতানা চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে পাড়ি জমালেন পরপারে। তাদের দুটি সন্তান বেঁচে গেলেও স্বামী-স্ত্রী দুজনই মৃত্যুর কাছে হার মানলেন।
কায়ছান ইসলাম চৌধুরী। সিলেটের ব্যবসায়ী সহ সামাজিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ। নগরীর কাস্টঘরের ভাদেশ্বর হাউস হচ্ছে তার বাসা। বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ভাদেশ্বর গ্রামে। তিনি দক্ষিণ ভাদেশ্বর রাজাপুর গ্রামের এসএম ইসলাম মঈনের ছেলে। গোলাপগঞ্জে বাড়ি হলেও স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সিলেট নগরেই বাস করতেন। তার পরিবারের সব সদস্যই আমেরিকা প্রবাসী। কয়েক বছর ধরে পরিবারের সদস্যরা কায়ছানকে আমেরিকা নিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। সম্প্রতি পরিবারসহ তার ভিসা হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যে তার আমেরিকা পাড়ি দেয়ার কথা ছিল। সেজন্য কায়ছান প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন।
ঘটনাটি গত রোববার সন্ধ্যার পর। বিমানবন্দরে সড়কের লাক্কাতোড়া বাগান এলাকায় স্ত্রী রাফিয়া সুলতানা চৌধুরী ও দুই সন্তান মেহনাজ চৌধুরী (৮) ও শেহজাদ আহমদ চৌধুরীকে (৫) নিয়ে বেড়াতে যান। একটি সিএনজি অটোরিক্সা যোগে তারা লাক্কাতোড়া চা বাগান এলাকায় ঘুরাঘুরি করে সিলেট নগরীতে ফিরছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি তেলবাহী লরি তাদের বহনকারী সিএনজি অটোরিক্সাকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন কায়ছান ইসলাম চৌধুরী ও স্ত্রী রাফিয়া সুলতানা চৌধুরী। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তেলবাহী লরি তাদের সিএনজি অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে চলে যাওয়ার সময় তারা ধাওয়া করে লরিসহ চালক ও হেলপারকে আটক করেছেন। পরে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। এদিকে দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন বেঁচে যাওয়া দুই শিশু মেহনাজ ও শেহজাদকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বিমানবন্দর থানার ওসি এসএম শাহদাত হোসেন জানান, ঘটনাস্থলের অদূর থেকে তেলবাহী লরিসহ চালক আলাউদ্দিনকে আটক করা হয়েছে। পরে পুলিশ গিয়ে দুঘর্টনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কায়ছান চৌধুরীর চাচাতো ভাই ফাহিম চৌধুরী জানান, সম্প্রতি কায়ছান সপরিবারে আমেরিকা যাওয়ার ভিসা পেয়েছিলেন। এই আনন্দ উদযাপন করতে তিনি পরিবার নিয়ে বেড়াতে বের হয়েছিলেন। এদিকে ঘটনার খবর শুনে কায়ছানের পরিবারের সদস্যরা আমেরিকা থেকে দেশের পথে রওনা দিয়েছেন। তারা আসার পর লাশ দুটি দাফন করা হবে। তাদের শিশু মেহনাজ ও শেহজাদ আত্মীয়দের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর থেকে তারা খুঁজে ফিরছে মা-বাবাকে। এখনো তাদের মা ও বাবার মৃত্যুর ঘটনাটি জানানো হয়নি।
নিসচা সিলেট জেলার শোক: সিলেটের এয়ারপোর্ট রোডে সিএনজি অটোরিকশা-তেলবাহী লরি মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজি অটোরিকশার আরোহী স্বামী-স্ত্রী ও জকিগঞ্জ উপজেলার পীরনগর নামক স্থানে জকিগঞ্জ পৌরসভার সচিবের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন নিসচা সিলেটের নেতৃবৃন্দ। এক শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ও শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনারোধে বেপরোয়া গাড়ি না চালানো, সচেতনতা বৃদ্ধি ও ট্রাফিক আইন মেনে চলতে সবার প্রতি আহ্বান জানান। শোকদাতারা হলেন, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সিলেট জেলার সভাপতি, সংগঠক এম বাবর লস্কর, সহসভাপতি আব্দুর রহমান, আশরাফ উদ্দিন রুবেল, কবির আহমদ খান, সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. লোকমান আলী, সহসাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হোসেন খান, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল আলম, অর্থ সম্পাদক আব্দুল মজিদ, প্রচার সম্পাদক প্রভাষক ফয়সল আহমদ, দপ্তর সম্পাদক প্রভাষক জামাল উদ্দিন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আশফাক উদ্দিন আহমদ, মহিলা সম্পাদক জান্নাতুল নাজনিন আশা, ইসমত ইবনে ইসহাক সানজিদ, সামাদুল ইসলাম অপু।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাম জোটের পদযাত্রা: আন্দোলন অব্যাহত থাকবে

প্রকৃতপক্ষে রাজনৈতিক কারণ দেখিয়ে মামলা হয়নি, মামলা হয়েছে নাশকতা, মাদক, জঙ্গি এসব কারণ দেখিয়ে। তাই রাজবন্দিদের তালিকা চাওয়া প্রধানমন্ত্রীর কৌশলী বক্তব্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সমাবেশে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘দেশ আজ ভয়ঙ্কর বিপদের মুখে। এ দেশে ভাত ও ভোটের অধিকারের আন্দোলন নতুন নয়। দুটি দল (বিএনপি-আওয়ামী লীগ) বিরোধী দলে থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়। আবার তারাই ক্ষমতায় গেলে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করার সব চেষ্টা করে। তাই দেশের জনগণ তাদের চিরদিন বিরোধী দলেই দেখতে চায়।’ তিনি বলেন, ‘সরকার শুধু সংবিধানের কথা বলে। কিন্তু সেই সংবিধানেই বলা আছে, কোনো সরকারের অধীনে নির্বাচন সম্ভব না, সে কথা কেন বলছে না সরকার?’ আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে। তাই সরকারের বক্তব্য সংবিধানবিরোধী বলেও উল্লেখ করেন প্রবীণ এই বাম নেতা।
শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আপনি যে বক্তব্য দিচ্ছেন-এমন বক্তব্য আইয়ুব খান, জিয়াউর রহমান ও এরশাদের মুখ থেকেও শুনি নাই। তারপরেও কীভাবে বলেন, আপনার সৎ ইচ্ছার ওপর আস্থা রাখতে?’ তিনি বলেন, ‘এতদিন যে অপরাধ করেছেন, তাতে দায় মুক্তির অধ্যাদেশ করে মুক্তি পাবেন না। আওয়ামী দুঃশাসনের নজির মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। তাই মানুষ এর প্রতিশোধ নেয়ার জন্য ব্যালট ব্যবহার করতে চায়। কিন্তু সেই অধিকারও কেড়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে আজ।’ সংলাপ হচ্ছে আবার আন্দোলন করবেন- প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে এই বাম নেতা বলেন, ‘এই প্রশ্নের জবাব আপনি আপনার পিতার কাছ থেকে শিখে নেন। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে বঙ্গবন্ধু সংলাপ করেছেন ইয়াহিয়ার সঙ্গে। পাশাপাশি ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলারও আহ্বান জানিয়েছেন।’ নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেয়ার আহ্বান জানিয়ে গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি বলেন, ‘নির্বাচন পরিচালনাকারী সংস্থাগুলো সরকারের আজ্ঞাবহ। এদের পরিচালনায় সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।’ তিনি আরো বলেন, জনগণের চাপে সরকার আজ সংলাপ করছে। আর এই সংলাপে ভোটাধিকার বাস্তবায়নের সঠিক নির্দেশনা না আসলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’
গণতান্ত্রিক বাম জোটের পদযাত্রা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে মতিঝিল ঘুরে আবার পল্টনে এসে শেষ হয়। সমাবেশে সাইফুল হকের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাসদের (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় নেতা শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আজিজুর রহমান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক, বিপ্লবী গণতান্ত্রিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা মোমিনুর রহমান বিশাল প্রমুখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শোডাউন, হুঁশিয়ারি

সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, পদত্যাগ করুন এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। তারা বলছেন, এই সরকার জোর করে ক্ষমতায় থাকার জন্যই নিজেদের অধীনে নির্বাচন চায়। কিন্তু জোর করে নির্বাচন করা যাবে না। শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখে ও সেনাবাহিনী ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐক্যফ্রন্টের এই জনসভা ছিল সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সবচেয়ে বড় সমাগম। জনসভা থেকে আন্দোলনমুখী অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন নেতারা। দলমত নির্বিশেষে প্রত্যেক বক্তাই মুক্তি চেয়েছেন কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারম্যান খালেদা জিয়ার।
সমাবেশে অংশ নিয়েছেন ২০ দলীয় জোটের বেশ কয়েকটি শরিক দলের শীর্ষ নেতারা। প্রথমবারের মতো ঐক্যফ্রন্টের মঞ্চে বক্তব্য দিয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম। বেলা ২টায় শুরু হয়ে এই সমাবেশ শেষ হয় সন্ধ্যা ৬টায়। বেলা তিনটার মধ্যে মঞ্চের সামনে ও ডানে-বামে নেতা-কর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে জনসভা জনসমুদ্রে রূপ নেয়। হাজার হাজার মানুষের ঢল উদ্যান ছাড়িয়ে মৎস্যভবন থেকে শাহবাগ পর্যন্ত সড়কে গড়ায়। নেতাকর্মীদের অনেকের হাতে দেখা গেছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। সমাবেশে বিভিন্ন সময়ে খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে নেতাকর্মীরা নানা স্লোগান দেয়। জনসভাকে কেন্দ্র করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গাছগাছালিতে টানানো হয় জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনসহ দলের কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন জেলা পর্যায়ের নেতা এবং সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের ছবি সংবলিত ব্যানার। উল্লেখ্য, ১৩ই অক্টোবর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর ঢাকায় এটি তাদের প্রথম জনসভা। এদিকে জনসভায় আসার পথে পুলিশি বাধার অভিযোগ করেছেন নেতারা। আর জনসভায় আসার পথে ও ফেরার সময় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তারের অভিযোগ করেছে বিএনপি।
সংলাপ নিয়ে নাটক করলে চলবে না: মির্জা আলমগীর
সভাপতির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব ও ফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজকে এই পিজি হাসপাতালে ছোট একটি কক্ষে আমাদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়া অসুস্থ অবস্থায় বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন। আমি জানি না, জনগণের এই উচ্চারণ পৌঁছাচ্ছে কি না। আমি বিশ্বাস করি, তিনি সেখান থেকে শুনছেন এবং বলছেন- এগিয়ে যাও, গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য এগিয়ে যাও, বিজয় নিশ্চিত করো। তিনি বলেন, কারাগারে যাওয়ার আগে আমাদের নেত্রী বলে গেছেন, আমি কারাগারে যেতে ভয় পাই না। গণতন্ত্রকে মুক্ত করার জন্য সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করবে, জাতীয় নেতৃবৃন্দকে আহবান জানাবে। আজকে আল্লাহর কাছে এই শুকরিয়া আদায় করছি এই মঞ্চে জাতীয় নেতৃবৃন্দ দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি চাচ্ছেন, জনগণের মুক্তি চাচ্ছেন।
সংলাপ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এখনো আমাদের নেতা-কর্মীদের নির্যাতন করা হচ্ছে। সংলাপে তথাকথিত প্রহসনের মতো বলা হলো, আর গ্রেপ্তার করা হবে না, মামলা তুলে নেয়া হবে। কিন্তু কিছুই করা হয়নি। উল্টো প্রতিদিনই গ্রেপ্তার হচ্ছে। এই জনসভা থেকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমার কাছে লম্বা তালিকা আছে যা পড়ে শেষ করা যাবে না। কেবল ১লা সেপ্টেম্বর থেকে ৪ হাজার ৩৭১টি মামলা হয়েছে। যেখানে আসামির সংখ্যা ২৫ লাখ। মির্জা আলমগীর বলেন, আগামীকাল একটা ছোট সংলাপের ডাক দিয়েছে। আমরা রাজি আছি। সংলাপে বিশ্বাস করি। আমরা চাই আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে জনগণের সমস্যার সমাধান হোক, জনগণ মুক্তি পাক। কিন্তু এটা নিয়ে নাটক করলে চলবে না। আপনাকে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিতে হবে, সংসদ বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে নির্বাচনের জন্য একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। আমরা আশা করবো, আপনাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে, জনগনের স্বার্থে ৭ দফা দাবি মেনে নেবেন।
আপসহীনভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাবো: ড. কামাল
প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশের মালিক কোনো মহারানি-মহারাজা নন। এই দেশের মালিক জনগণ। জনগণের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আপসহীনভাবে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চালিয়ে যাবো। আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি, ঐক্যবদ্ধ থাকবো। ঐক্যবদ্ধ হয়ে সিদ্ধান্ত নেবো। ঐক্যভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েই আমরা দেশের সব অন্যায় দূর করব। জনগণের উদ্দেশ্যে কামাল হোসেন বলেন, আপনারা পায়ে হেঁটে কষ্ট করে এখানে দাঁড়াবেন, জেলায় জেলায় দাঁড়াবেন। দেশের মালিক জনগণকে দাঁড়াতে হবে, শক্তভাবে দাঁড়াতে হবে। নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে ড. কামাল হোসেন বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হতে হবে।
আপনাদেরকে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের সবাইকে মিলে পাহারাদার হতে হবে ভোটও দিতে হবে। ভোট পাহারা দেয়া মানেই হলো স্বাধীনতা পাহারা দেয়া। ভোট সুষ্ঠু না হলে স্বাধীনতা অর্থহীন হয়ে যায়। স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য, ভোটের অধিকার রক্ষা করার জন্য আজকে আমরা এখান থেকে শপথ নিয়ে যাই, আপসহীনভাবে এই আন্দোলন চালিয়ে যাবো। নির্বাচনের মধ্যদিয়ে জনগণ রাষ্ট্র-ক্ষমতার অধিকার ফিরে পাবে। এই রাষ্ট্র আপনাদের আমাদের কাছে ফিরে আসবে। ভয়াবহ যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে এটা থেকে আমরা মুক্ত হবো। ড. কামাল বলেন, সরকারের কথার এক পয়সাও দাম নেই।
সেটা গত ৫ বছরে প্রমাণিত হয়েছে। দেশে যা হচ্ছে তা মেনে নেয়া যায় না। আইনের শাসনের লঙ্ঘন করা হচ্ছে, যাকে-তাকে যেন-তেনভাবে জেলে নিয়ে অন্তরীণ করা হচ্ছে। এগুলো করে গণতন্ত্রের কথা বলা হয়, সংবিধানের কথা বলা হয়। ষোল আনা উপেক্ষা করা হয়েছে সংবিধান। সমাবেশে আগত ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের পুলিশি বাধার সমালোচনা করে ড. কামাল বলেন, যেভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হয়রানি করছে, তা অপরাধ, মহা-অপরাধ। হয়রানি বন্ধ করতে হবে। স্বাধীন বাংলাদেশে এটা চলতে দেয়া যায় না। আমি বলতে চাই, রাস্তা বন্ধ করে, বাস বন্ধ করে, লঞ্চ বন্ধ করে জনগনকে নিষ্ক্রিয় করা যাবে না।
আমরা আমাদের অধিকার উদ্ধার করে ছাড়বো। জনগণ জেগেছে, দেশের মালিকরা জেগেছে; এই জাগরণের মধ্যদিয়ে আমরা দেশের মালিকানা ফিরে পাবো, জনগণের জয় হবেই। তিনি বলেন, এটা কোনো ব্যক্তি শাসনের রাষ্ট্র নয়। সরকারি দলের জন্য একরকম, বিরোধী দলের জন্য অন্যরকম। সরকারি দল সব আইনের ঊর্ধ্বে। আর বিরোধী দলকে যেনতেনভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। প্রত্যেক দিন বিরোধী দলের কর্মীদের পুলিশের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে, জেলে যেতে হচ্ছে। এটা বন্ধ হতে হবে। স্বাধীন দেশে এটা চলতে পারে না। এমনভাবে হয়রানির অধিকার সরকারের নেই। আর অনির্বাচিত সরকার তো এটা করতেই পারে না। আমি বলতে চাই, আজ হোক কাল হোক এসব অপরাধের অবশ্যই জবাব দিতে হবে। বক্তব্যের শুরুতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে ড. কামাল বলেন, আমি শুরুতে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করছি। আর যারা রাজবন্দি আছেন তাদের সবার মুক্তি দাবি করি।
দাবি আদায় ছাড়া ঘরে ফিরবো না: রব
জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, এই লড়াই মুক্তির লড়াই, এই লড়াই গণতন্ত্রের লড়াই, এই লড়াইয়ে জিততে হবে। প্রধানমন্ত্রীকে বলতে চাই, আমরা দাবি আদায় ছাড়া ঘরে ফিরবো না। ৭ দফা দাবি মেনে নিন। তা না হলে আপনার উপায় নেই। আর গায়েবি মামলা দেবেন না, কাউকে গ্রেপ্তার করবেন না। খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দিকে মুক্তি দিন। অন্যথায় খবর আছে। তিনি বক্তব্যের শুরুতে খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে স্লোগান ধরেন এবং উপস্থিত নেতাকর্মীদের সে স্লোগান দিতে বলেন। এ সময় পুরো জনসভা স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।
রাজাকারের গাড়িতে প্রথম পতাকা তুলে দিয়েছে আওয়ামী লীগ: কাদের সিদ্দিকী
রাজাকারের গাড়িতে প্রথম পতাকা বিএনপি তুলে দেয়নি বলে মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী। তিনি বলেছেন, বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগ- তারা রাজাকারের গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা তুলে দিয়েছে। এই অভিযোগ সত্য নয়। আওয়ামী লীগই প্রথম রাজাকার নুরুর গাড়িতে পতাকা তুলে দিয়েছে। রাজাকার মহিউদ্দিন ও আশিকুর রহমানের গাড়িতেও পতাকা তুলে দিয়েছে আওয়ামী লীগ। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের উদ্দেশে কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমি বিএনপিতে যোগ দেইনি। ড. কামাল হোসেনের ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়েছি। জিততে হলে জয় আপনাদের হাতে। হারতে চাইলেও তা আপনাদের হাতে। শেখ হাসিনা কিছু করতে পারবেন না।
নির্বাচন পর্যন্ত বিএনপিকে ভুলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পতাকা তলে হিমাদ্রীর মতো সোজা হয়ে দাঁড়ান। পথে পথে পুলিশি বাধার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাস্তায় গাড়ি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। গাবতলী বন্ধ, টঙ্গী বন্ধ। সব বন্ধের পরও আমার বোনকে (শেখ হাসিনা) বলতে চাই, আপনি একটু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দেখে যান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হেফাজতের দেয়া সংবর্ধনা ও ৫ই মে’র শাপলা চত্বরের ঘটনার প্রসঙ্গে টেনে কাদের সিদ্দিকী বলেন, আল্লামা শফী ভুলে যেতে পারেন, আমি কাদের সিদ্দিকী ভুলে যেতে পারি না। শাপলা চত্বরে ইমানদারদের রক্ত ঝরানো হয়েছে।
এই রক্তের বদলা না নিলে আমরা বেইমানে পরিণত হবো। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের প্রসঙ্গে টেনে তিনি বলেন, চাঁড়ালের কথার মূল্য আছে কিন্তু কাদেরের কথার মূল্য নেই। কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমি খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই না। খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়ার দরকার নেই। আমাদের চিন্তা করতে হবে, হাসিনা কবে মুক্তি পাবেন? খালেদা জিয়া জেলে গিয়ে গণতন্ত্রের প্রতীক হয়েছেন। দেশের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। আমি জানি, বাংলাদেশকে বন্দি রাখা যায় না। তাই খালেদা জিয়াকে বন্দি রাখা যাবে না। ১৯৭১-এর ৭ই মার্চ এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে আমরা স্বাধীনতা এনেছিলাম। আজকে বলে যাচ্ছি, ড. কামালের নেতৃত্বে গণতন্ত্রকে মুক্ত করবো, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো।
খালেদা জিয়ার জন্য জীবন দেবো: মান্না
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, জনগণ গণতন্ত্রের পক্ষে। গণতন্ত্রের পক্ষে আমরা বুধবার সংলাপে যাবো, কথা বলব। আপনাদের সমস্ত প্রাণের দাবি তার (প্রধানমন্ত্রী) কাছে দেবো। যে সংলাপ হবে, সে সংলাপে শুধু মুখে নয়, লিখিত অঙ্গীকার করতে হবে। কারও নামে মিথ্যা মামলা দেয়া যাবে না, গ্রেপ্তার করা যাবে না; কোনো গায়েবি মামলা দেয়া যাবে না। মান্না বলেন, আমাদের একটাই দাবি আপনারা পদত্যাগ করেন।
সংবিধানের মধ্যে যদি থাকতে চান সংসদ বাতিল করে দেন। নতুন যে সরকার হবে তাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাকতে পারবেন না। তিনি বলেন, দেশে নির্বাচন হবে, জনগণের বিজয় হবে। যদি সরকার দাবি না মানে তাহলে কী করবে? এই সভা থেকে এই মঞ্চ থেকে জানাব এখান থেকে শাপলা চত্বর পর্যন্ত যত রাজপথ আছে প্রকম্পিত করে আমাদের দাবি আদায় করবো। আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপে রাজনৈতিক মামলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তালিকা চাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই সংলাপে মির্জা আলমগীরের কাছে তালিকা চেয়েছেন, তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী একদিকে আশ্বাস দেন, অন্যদিকে নির্বিচারে গ্রেপ্তার হয়। মান্না বলেন, খালেদা জিয়ার জন্য লড়াই করবো, তার জন্য জীবন দেবো, তাকে মুক্ত করে ছাড়বো। এ সময় সমাবেশজুড়ে স্লোগান ধরেন উপস্থিত নেতাকর্মীরা। মান্না বলেন, এই স্লোগানের ভিডিও প্রধানমন্ত্রীর কাছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ও ডিএমপি কমিশনারের কাছে পাঠানো হোক, তারা দেখুক, খালেদা জিয়া কত জনপ্রিয়। মান্না বলেন, ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে ভোটার ছিল না। কুকুর-বিড়ালের ছবি দেখেছে সবাই। আবার ভোট আসছে, মানুষ ভোট দিতে পারবে কি না- তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। সংলাপে আমরা বলেছি, শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না। নির্বাচন কমিশনের অধীনেও নির্বাচন হবে না। সরকারে থেকে কোনো নির্বাচন হবে না। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশের পর থেকে পুলিশকে আর সরকারের নির্দেশ না মানার আহ্বান জানান তিনি।
আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে হবে: মোশাররফ
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ৭ দফা দাবিতে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ। প্রথম সংলাপ কোনো কাজের সংলাপ হয়নি। আমরা আগামীকাল যাচ্ছি। আমরা কোনো ঝগড়া করতে চাই না। আমরা বলতে চাই, আগামী দিনে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।
দাবি না মানলে আন্দোলনের বিকল্প নেই: মওদুদ
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ১০ বছরের শাসনে আওয়ামী লীগ সরকার অনেক উন্নতি করেছে, তবে সেটি দুর্নীতির উন্নয়ন। তিনি বলেন, সংলাপের মাধ্যমে একটা সমাধান হবে ভেবেই আমরা আহ্বান জানিয়েছিলাম। সরকার সাড়া দিয়েছে, এটাকে আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু সরকার একদিকে সংলাপের কথা বলছে, অন্যদিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের গণহারে গ্রেপ্তার করছে। খালেদা জিয়াকে জেলে রাখবে, আবার তফসিল ঘোষণা করবে। একই সঙ্গে ভিন্ন আচরণ মেনে নেয়া যায় না। আজ সকালেও আমার বাসার সামনে থেকে নিরীহ কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
একদিকে সংলাপ অন্যদিকে গ্রেপ্তার, এটা মেনে নেয়া যাবে না। মওদুদ বলেন, যদি সরকার সংলাপে আমাদের দাবি মেনে না নেয়, তাহলে আন্দোলনের কোনো বিকল্প থাকবে না। সেভাবেই সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে। আজ আপনারা যারা জনসভায় আছেন, তারা যদি মাঠে নামেন, তাহলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরকার পদত্যাগ করতে বাধ্য হবে। সরকার যদি মনে করে ২০১৪ সালের মতো নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসবে, তাহলে ভুল করবে। এবার আর তা সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা আপনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ১৪টি মামলা থাকা অবস্থায় প্যারোলে মুক্তি নিয়ে আমেরিকায় গিয়েছিলেন। তখন বলেছিলেন, ক্ষমতায় আসলে ওয়ান ইলেভেন সরকারের বৈধতা দেবেন। কিন্তু, আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া সেভাবে মুক্তি নেননি। এখনো তিনি প্যারোলে মুক্তি নেবেন না। তাকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।
বিচার বিভাগের চিকিৎসা প্রয়োজন: ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার ব্যাখ্যা দিয়েছেন জনসভায়। তিনি বলেছেন, আমি একজন চিকিৎসক ও মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু, প্রশ্ন উঠেছে আমি এই রাজনীতিতে কেন? উন্নয়নের জোয়ারে সরকারের চোখে ছানি পড়েছে, কানেও শুনতে পারে না। উন্নয়ন ও দুর্নীতির কারণে তাদের উচ্চ রক্ত চাপ বেড়ে গেছে। এর থেকে উত্তরণে সকলকে এক হতে হবে। আর চুপ করে বসে থাকা যাবে না। তিনি বলেন, এই সরকার মাদকের নাম করে সাড়ে ৪শ’ মানুষ হত্যা করেছে। এমন একটা অবস্থায় কিছুদিন আগে ১৬-১৮ বছরের কিশোর-কিশোরীরা রাস্তায় নেমে এসে বলেছে- রাষ্ট্রের মেরামত প্রয়োজন। এটার ছবি তোলার জন্য আলোকচিত্রী শহিদুল আলম কারাগারে।
ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আজ আপনাদের করণীয় নির্ধারণ করতে হবে। আজ এখানে যেমন উপস্থিত হয়েছেন, সেভাবে ভোট কেন্দ্রে সকল বাধা উপেক্ষা করে উপস্থিত হতে হবে। ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা যদি ভোটকেন্দ্রে যান, পাহারা দেন তাহলে সরকার ভোটে কারচুপি করতে পারবে না। তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সরকার ক্ষমতায় এলে প্রথম এক মাস বিচার বিভাগের চিকিৎসা করতে হবে। যে বিচারকরা যুক্তিতর্কে বিচার করেন না, মিথ্যা মামলায় খালেদা জিয়াকে ১০ বছর সাজা দিয়েছেন; তাদেরও চিকিৎসা করা দরকার।
আঙুল বাঁকা করতে হতে পারে: সুলতান মনসুর
জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার সুলতান মো. মনসুর আহমেদ বলেন, আমরা সংলাপে আছি। আমরা জনগণকে বলতে চাই, সোজা আঙুলে ঘি উঠবে না। আঙুল বাঁকা করতে হতে পারে। সকলে প্রস্তুতি নিন। এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ৭ই মার্চের ভাষণ দিয়েছিলেন। এই মাঠেই পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। এই মাঠেই আমাদের প্রত্যয় ইনশাআল্লাহ জনগণের ?মুক্তির সংগ্রামে দেশের জনগণ বিনা ভোটের সরকারের পতন ঘটিয়ে আমরা বিজয় লাভ করবো। তিনি সরকারকে সতর্ক করে বলেন, যদি ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবি মেনে না নেয়া হয় তাহলে কঠোর আন্দোলন শুরু করা হবে।
অন্য নেতারা যা বলেছেন
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার বলেন, ৬৪ বছর আগে মুসলিম লীগের আমলে সব রাজনৈতিক দল এক হয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তাহলে মুসলিম লীগ ৮টার বেশি আসন পাবে না। সেটাই হয়েছিল। এতো বছর পরে আবার সকল রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়েছে। এবার আমাদের দাবি মানতে হবে। তাহলে এদেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পারবো। তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ আবারো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। আমাদের বিজয়ও হবে। বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, আজকের এই সমাবেশে সব মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নিয়েছেন।
কোনো প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা এখানে নেই। এই সমাবেশ থেকে বলতে চাই- বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মাইনাস করে বাংলাদেশে এমন কোনো বাপের বেটা নেই। আজকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে- আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়াকে প্যারোলে মুক্তি দেয়ার ব্যাপারে আলোচনা হতে পারে। খালেদা জিয়াকে প্যারোলে মুক্তি দিতে হবে? সময় আসছে আপনাদের প্যারোলে কবরে যেতে হবে। প্রস্তুতি নিন। এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা জীবন দেবেন, কিন্তু কখনো আপস করবেন না। এখন আমাদের একটাই দাবি। সেটা হল- ৭ দফা দাবি মানতে হবে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা মেনে নেয়া ছাড়া দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না।
খালেদা জিয়াসহ রাজবন্দিদের মুক্তি ছাড়া দেশে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। তাই খালেদা জিয়াসহ রাজবন্দিদের মুক্তি ও ফ্রন্টের দাবিগুলো মেনে নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই। স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ইভিএমের মাধ্যমে কম্পিউটারের বোতাম টেপাটিপি করে কারসাজির কোনো নির্বাচন করতে দেয়া হবে না। সরকার যদি মনে করে, ডিসি এসপি দিয়ে আবার ১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি মার্কা নির্বাচন করবেন, তাহলে তাদের জেনে রাখতে হবে এটা আর বাংলার মাটিতে হবে না। তিনি বলেন, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে জনগণ রুখে দাঁড়াবে। এদেশের মানুষের রক্তে গণতন্ত্র বহমান। তাই এটা মানুষ মেনে নিতে পারবে না।
সরকারকে যে সাত দফা দাবি দিয়েছি এগুলো মানতে হবে। জোর করে কোনো নির্বাচন করা যাবে না। মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, স্বৈরাচার সরকার প্রতিপক্ষের উপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। এর মাধ্যমে আমাদের বুঝতে হবে আমরা জয়ের মুখোমুখি অবস্থান করছি। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, সরকার আমাদের নামে গায়েবি মামলা দেয়। কিন্তু আমরা যদি কোনো সমাবেশ ডাকি, সেই সমাবেশে গায়েবি জনগণ এসে উপস্থিত হয়। আজকে সমাবেশে আসার সকল পথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
তার পরও জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। এই জনসমুদ্র প্রমাণ করে শেখ হাসিনার কোনো ষড়যন্ত্র বাংলাদেশের মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। এ সময় তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্ট যে ৭ দফা দাবি দিয়েছে। ইনশাআল্লাহ আমি আশা করি এই দাবি পূরণ হবে। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মে. জে. (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহীম বলেন, বাংলাদেশকে নতুন করে বিনির্মাণ করা হবে এই জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে। জমিয়তে উলামায়ে বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির নূর হোসেন কাশেমী বলেন, এই সরকারের পতন না ঘটানো পর্যন্ত ঘরে ফেরা ঠিক হবে না।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে জনসভায় ঐক্যফ্রন্ট নেতা অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, এলডিপি মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, জেএসডির সহ-সভাপতি তানিয়া রব, জাতীয় পার্টি (জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, ইসলামী ঐক্যজোটের এমএ রকীব, খেলাফত মজলিশের আহমেদ আবদুল কাদের, এলডিপি মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, বিকল্পধারার (একাংশ) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. নুরুল আমিন ব্যাপারী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বক্তব্য দেন। জনসভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, মোহাম্মদ শাজাহান, বরকতউল্লাহ বুলু, শামসুজ্জামান দুদু, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান, জয়নুল আবদিন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, ড. সুকোমল বড়ুয়া, আবদুস সালাম, আতাউর রহমান ঢালী, পিপিবির রিটা রহমান, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আবম মোস্তফা আমিন, কৃষকশ্রমিক জনতা লীগের হাবিবুর রহমান বীরপ্রতীক, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসানসহ বিএনপি ও অঙ্গদল এবং ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন।
জনসভাটি যৌথভাবে সঞ্চালন করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আবদুস সালাম আজাদ, আমিরুল ইসলাম আলীম, জেএসডির শফিকউদ্দিন আহমেদ স্বপন ও গণফোরামের মোশতাক আহমেদ। জনসভাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিল সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানের চারপাশে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওরা ভয়ঙ্কর প্রতারক by আজাহারুল ইসলাম রাজু

সোমবার ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) ও ধামরাই থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি দ্বীপক চন্দ্র সাহার সহযোগিতায় এসআই সেকেন্দার আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদে ঢাকার নবীনগর আশুলিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এ প্রতারক চক্রের আট সদস্যকে আটক করে। এ সময় তাদের ব্যবহৃত মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, এক জোড়া হ্যান্ডকাফ, একটি খেলনা পিস্তল, ডিবি পুলিশের দুই সেট পোশাক, নকল চুল, একটি ওয়াকিটকি, ছিনতাইকৃত ৪ হাজার ৭শ’ টাকা, দুটি হাইচ মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হচ্ছে- বরগুনা সদর থানার নাসির উদ্দিনের ছেলে জসিম, কুষ্টিয়ার ভেড়ামাড়া থানার তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আশরাফুল ইসলাম, সাতক্ষীরা সদর থানার জামাল উদ্দিনের ছেলে আলমগীর হোসেন, গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার মন্টু শেখের ছেলে আলমগীর শেখ, পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি থানার আব্দুল আজিজের ছেলে দেলোয়ার হোসেন, ঝালকাঠির নলছিটি থানার সোবাহান খানের ছেলে মাসুম খান, জামালপুরের বকশিগঞ্জ থানার ফুরকাদ আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম ও কুমিল্লার দেবীদ্বার থানার কাজিমুদ্দিনের ছেলে মোস্তফা মিয়া।
ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাইদুর রহমান জানান, ধামরাইয়ের হিরানদী কুল্লা গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে ডিস লাইন ব্যবসায়ী সাব্বির আলম গত মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় ধামরাই পৌর এলাকার আইএফআইসি ব্যাংক থেকে ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। এরপর সাব্বির সিএনজিযোগে বাসায় রওনা হন। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাইয়ের কেলিয়ায় পৌঁছলে সাদা রংয়ের একটি মাইক্রোবাস দিয়ে ব্যারিকেড দিয়ে ডিবি পুলিশের পোশাক পরিহিত ছয় সদস্যের এ প্রতারকদল তার বিরুদ্ধে মামলা আছে বলে সাব্বিরকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে তাদের মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। এরপর অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার সঙ্গে থাকা তিনলাখ ২৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাইয়ের কচকম এলাকায় ফেলে দেয়। এ ঘটনায় ধামরাই থানায় মামলা হলে তার নেতৃত্বে ওসি দীপক চন্দ্র সাহা ও এসআই সেকেন্দার আলী সোমবার ভোরে ধামরাই ও সাভারের নবীনগর এবং বিশমাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটজন ভুয়া ডিবি পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেন। ওই কর্মকর্তা আরো জানান, ওই চক্রের সদস্যরা আপনার আমার পাশ দিয়ে আছে। কিন্তু আমরা চিনতে পারছি না। এরা কোনো ভালো ব্যবসায়ীকে নজরে রেখে কোন ব্যাংকে লেনদেন করে তা খেয়াল রাখে। তারপর যেদিন বেশি টাকা তোলে সেদিন কৌশলে ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে গাড়িতে তুলে টাকা ছিনিয়ে নেয়। তিনি এ প্রতারকদের গ্রেপ্তার করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, সম্প্রতি ধামরাই থানা পুলিশ প্রায় ২০টি প্রাইভেটকার ব্যবহার করে সাদা পোশাক পরে কোমড়ে পিস্তল নিয়ে এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। আমরা কীভাবে বুঝব তারা আসল পুলিশ না নকল পুলিশ। এ ব্যাপারে তারা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পথে পথে বাধা, ধরপাকড়

রাজধানীর প্রবেশদ্বারগুলোতে তল্লাশি, আটক ১২
মানবজমিন স্টাফ রিপোর্টার, সাভার থেকে: রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশকে ঘিরে ঢাকায় প্রবেশদ্বার সাভারের বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে ঢাকা জেলা পুলিশ। এসময় নবীনগর চন্দ্রা মহাসড়কের বাইপাইল এলাকা থেকে একটি মাইক্রোবাসসহ ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। সকাল থেকেই সাভারের আমিনবাজার, হেমায়েতপুর, নবীনগর, বাইপাইল ও আশুলিয়া বাজার এলাকায় পুলিশ অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালাতে থাকে। বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ যাত্রীবাহী বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে গাড়িগুলো ঘুরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা। এসব ঘটনায় পুলিশি নজরদারি এবং ঝামেলা এড়াতে মহাসড়কে অন্যান্য দিনের তুলনায় যানবাহন চলাচল ছিল তুলনামূলক ভাবে কম।
অন্যদিকে নিরাপত্তার কারণে মহাসড়কে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা বিভিন্ন গণপরিবহন থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দেয়ায় প্রয়োজনীয় কাজের জন্য অনেককে পায়ে হেঁটে রাজধানীতে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। তবে সে ক্ষেত্রেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এসময় রাজধানীতে প্রবেশকারী সাধারণ মানুষের দেহ তল্লাশিসহ সঙ্গে থাকা ব্যাগেও তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশি চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন প্রশ্নের সদুত্তর দিতে না পারলে আটকে দেয়া হয় অনেককে। এ ছাড়া নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের বাইপাইল ত্রিমোড়ে একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালিয়ে সন্দেহভাজন ১২ আরোহীকে আটক করেছে পুলিশ। আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রিজাউল হক জানান, বাইপাইল ত্রিমোড় এলাকায় অস্থায়ী চেকপোস্টে একটি মাইক্রোবাসে সন্দেহাতীত ভাবে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় মাইক্রোবাসটি থেকে লাঠিসোটাসহ ১২ আরোহীকে সন্দেহজনক ভাবে আটক করা হয়েছে।
টঙ্গীতে ট্রেন-বাস থামিয়ে যাত্রী হয়রানি
মানবজমিন স্টাফ রিপোর্টার, টঙ্গী থেকে জানান, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ ঠেকাতে টঙ্গীতে ঢাকামুখো বাস-ট্রেন থামিয়ে যাত্রীদের নামিয়ে দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগ কর্মীরা। টঙ্গী রেলওয়ে জংশনে মোবাইল কোর্ট বসিয়ে ট্রেনের প্রত্যেক যাত্রীকে তল্লাশি করা হচ্ছে। প্রতিটি ট্রেন আধা ঘণ্টা থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত বিনা কারণে টঙ্গী জংশনে আটকে রাখা হচ্ছে।
টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী গাজীপুর জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, তিনি জেলা প্রশাসনের রুটিনমাফিক নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার অংশ হিসেবে টঙ্গী স্টেশনে সকাল ৭টা থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। রেলের জমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও বিনা টিকিটের যাত্রীদের জরিমানা করছেন। ভৈরব থেকে আসা সুরমা ট্রেনের কয়েকজন যাত্রীকে স্টেশন মাস্টারের কক্ষে আটকে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিনা টিকিটে ভ্রমণ করায় আমি তাদের আটক করেছি। আটককৃতরা ছাত্র হওয়ায় তাদের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি।
স্টেশন মাস্টার আবদুল হালিম জানান, সুরমা ট্রেনটি সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে টঙ্গী স্টেশনে প্রবেশ করে। দুপুর ১২টায় স্টেশন মাস্টারের সঙ্গে কথা বলার সময় সুরমা ট্রেন প্ল্যাটফরমে অবস্থান করছিল। দীর্ঘক্ষণ ট্রেনটিকে স্টেশনে দাঁড় করিয়ে রাখার কারণ জানতে চাইলে স্টেশন মাস্টার আব্দুল হালিম বলেন, আমার কিছু করার নেই। উপরের নির্দেশে ট্রেন থামিয়ে রেখেছি। কন্ট্রোল রুমের নির্দেশ ছাড়া ট্রেন ছাড়ার ক্ষমতা আমার নেই। যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সকাল থেকেই প্রত্যেকটি ট্রেনের যাত্রীদের এভাবে হয়রানি করা হয়। সকাল থেকে টিকিট বিক্রিও বন্ধ রাখা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সরকারি দলের লোকজন ট্রেন থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ ট্রেন থামিয়ে রাখায় অনেকে বিকল্প পথে গন্তব্যে যান।
ময়মনসিংহ জেলার ভালুকার জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন কিডনির সমস্যায় ভুগছেন। গতকাল রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ডায়ালাইসিস করার কথা ছিল। সেই উদ্দেশে বাড়ি থেকে সকাল ৮টায় বের হয়ে গাড়িতে উঠেন। গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত আসেন ঠিকমতো। চৌরাস্তা পার হওয়ার পর গাড়ির গতি কমে যায়। টঙ্গীবাজার এসে দেখেন পুলিশ রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে তখন বেলা ২টা। এতে তিনি হতাশ হয়ে পড়েন। একটার মধ্যে হাসপাতালে পৌঁছার কথা ছিল। গাড়ি বন্ধ থাকায় ১টার মধ্যে পৌঁছাতে না পেরে দিশাহারা হয়ে ঘুরছেন। তিনি মানবজমিনকে বলেন, এ অবস্থা হবে জানলে একদিন আগে হাসপাতালে গিয়ে থাকতাম। তার মতো অসংখ্য রোগী ও সাধারণ যাত্রী ভোগান্তির শিকার হন।
এদিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কেও যাত্রীবাহী বাস চলাচলে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করছে পুলিশ। গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা থেকে আব্দুল্লাপুর ব্রিজ পর্যন্ত বিভিন্ন পয়েন্টে যাত্রীদের নামিয়ে তল্লাশির নামে কৃত্রিম যানজট সৃষ্টি করা হয়েছে। সন্দেহজনক যাত্রীদের বাস থেকে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। বোর্ড বাজার এলাকায় ৩৫ জন যাত্রীসহ একটি বাস আটক করে স্থানীয় গাছা থানায় হস্তান্তর করেছে ডিবি পুলিশ। আটককৃতদের মধ্যে গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ভূঁইয়াও রয়েছেন। এর আগে গত শনিবার রাতে উত্তরা থেকে গাজীপুর মহানগর যুবদলের সভাপতি ও আসন্ন সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী বশির উদ্দিনকে আটক করে পুলিশ।
মহাসড়কে ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা আটকিয়ে রাখার কারণ জানতে চাইলে টঙ্গী পূর্ব থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) সুব্রত কুমার পোদ্দার জানান উপরের নির্দেশ ছিল।
রূপগঞ্জে সমাবেশে যেতে পথে পথে বাধা, আটক ২
মানবজমিন স্টাফ রিপোর্টার, রূপগঞ্জ থেকে জানান, রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত জনসভায় যোগ দিতে যাওয়া রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের পথে পথে বাধা দিয়েছে পুলিশ। রাজধানীতে প্রবেশের বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হয় পুলিশের বিশেষ তল্লাশি চৌকি। আটক করা হয় দুই যুবদল কর্মীকে। এ ছাড়া রূপগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী গণপরিবহন মঙ্গলবার অজ্ঞাত কারণে বন্ধ রাখা হয়। এতে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
জানা যায়, সোমবার রাত থেকেই ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক, ঢাকা বাইপাস, চনপাড়া ও পূর্বাচল ৩ শ’ ফিট সড়কের রাজধানীতে প্রবেশের ৬ পয়েন্টে বসানো হয় পুলিশের বিশেষ তল্লাশি চৌকি। এসব চেক পয়েন্টে প্রতিটি গণপরিবহন থামিয়ে যাত্রীদের তল্লাশি করা হয়। সন্দেহভাজন ব্যক্তিগণকে রাজধানী প্রবেশে বাধা দিয়ে বাড়ি ফিরিয়ে দেন তারা। এ ছাড়া মঙ্গলবার সকাল থেকেই রূপগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী গণপরিবহন অজ্ঞাত কারণে বন্ধ ছিল। রাস্তায় চলেনি মেঘলা, গ্লোরি ও আশিয়ান পরিবহনের কোনো বাস। মেঘলা পরিবহনের পরিচালক শাহ আলম সাহা দাবি করেন, জনসভায় রিজার্ভ থাকায় তারা রাস্তার গাড়ি চালাতে পারেননি। অন্যদিকে গত সোমবার রাতে উপজেলার ভোলাব ইউনিয়ন যুবদল নেতা কাজী নাজিমুদ্দিন ও ভুলতা ইউনিয়ন যুবদল নেতা রফিকুল ইসলামকে আটক করে নাশকতার মামলায় আদালতে পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেন, ঐক্যফ্রন্টের ডাকে গণস্রোত তৈরি হয়েছে। বাধা আর মামলা-হামলা দিয়ে স্রোত ঠেকানো যায় না। পুলিশের বাধা নির্যাতন সহ্য করে বিকল্প রুটে আমার নেতৃত্বে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী সমাবেশে যোগ দিয়েছেন।
রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান বলেন, সমাবেশে যেতে কাউকে বাধা কিংবা কোনো ধরনের পুলিশি তৎপরতা চালানো হয়নি। নিয়মিত ডিউটির অংশ হিসেবে পুলিশ চৌকি বসানো হয়েছে দাবি করে ওসি বলেন, যাদের আটক করা হয়েছে তারা নাশকতা মামলার আসামি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
November
(232)
-
▼
Nov 07
(9)
- আখ খাবেন কেন?
- মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম দুই মুসলিম নারী; কী তাদের প...
- গোয়েন্দাজাল-৭: সাদ্দাম হোসেনকে হত্যা মিশনে মোসাদ b...
- সংলাপের দিকে চোখ বাংলাদেশের by কাজী সোহাগ
- মা-বাবাকে খুঁজে ফিরছে অবুঝ মেহনাজ-শেহজাদ by ওয়েছ খছরু
- বাম জোটের পদযাত্রা: আন্দোলন অব্যাহত থাকবে
- শোডাউন, হুঁশিয়ারি
- ওরা ভয়ঙ্কর প্রতারক by আজাহারুল ইসলাম রাজু
- পথে পথে বাধা, ধরপাকড়
-
▼
Nov 07
(9)
-
▼
November
(232)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
