Friday, February 26, 2010
ছয় বছর পর স্কুল হকি
চট্টগ্রাম, বরিশাল এবং সিলেটে নিবন্ধন করেছে মাত্র ৪টি করে দল। তবে দল যাই থাকুক, প্রতি বিভাগ থেকে সেরা দুটি দল খেলবে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় চূড়ান্ত পর্বে।
স্কুল হকি দীর্ঘ ছয় বছর বন্ধ থাকার কারণ কী? প্রশ্নগুলো উঠল কাল সংবাদ সম্মেলনে। আর্থিক সমস্যা, উদ্যোগের অভাব এবং স্পনসর না পাওয়াকেই দায়ী করলেন হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার জামিলউদ্দিন।
কারণ যাই থাকুক, স্কুল হকি এত দিন হিমাগারে থাকায় নতুন খেলোয়াড় উঠে আসা প্রায় বন্ধই হয়ে গেছে। তবে এখন থেকে টুর্নামেন্টটি নিয়মিত আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জামিল ‘আমি কথা দিচ্ছি, স্কুল হকি নিয়মিত আয়োজন করব। এই টুর্নামেন্ট থেকে ভালো মানের খেলোয়াড় বেরিয়ে আসবে এবং খেলোয়াড়-সংকট দূর হবে।’ জানালেন, টুর্নামেন্ট থেকে ১০ জন খেলোয়াড় বাছাই করে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা আছে হকি ফেডারেশনের।
এবারের স্কুল হকি পৃষ্ঠপোষণা করছে ফ্যাশন হাউস এসট্যাসি। টুর্নামেন্টের ১২ লাখ টাকা বাজেটের ১০ লাখ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। সংবাদ সম্মেলনে এসট্যাসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিম হক, আসমা সুলতানা, কর্মকর্তা রাফি রহমান ভবিষ্যতে হকির উন্নয়নে আরও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইপিএলে আগ্রহী এমসিসি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বড় জয় চট্টগ্রামের
হেরে গেছে আশরাফুলের দল ঢাকাও। খুলনা শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় রাউন্ডের দ্বিতীয় পর্বে তাদের ২১৮ রানে হারিয়েছে চট্টগ্রাম। বিকেএসপিতে রাজশাহী ও খুলনার ম্যাচটি ড্র হয়েছে। বৃষ্টির কারণে মাঠ ভেজা থাকায় সেখানে এক বলও গড়ায়নি কাল।
নাজিমউদ্দিনের সেঞ্চুরিতে আগের দিনই ৩৯৮ রানে এগিয়ে ছিল চট্টগ্রাম। পরশু দিনশেষে স্কোর ছিল ৮ উইকেটে ৩২৫। কাল আর ১ উইকেট হারিয়ে ৫ রান যোগ করতেই ইনিংস ঘোষণা করেন চট্টগ্রামের অধিনায়ক নাফিস ইকবাল। জয়ের জন্য ৪০৪ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে ১৮৫ রানেই অলআউট ঢাকা। এই জয়ে ৭ ম্যাচে ৬৯ পয়েন্ট নিয়ে খুলনার সঙ্গে যুগ্মভাবে দ্বিতীয় স্থানে চট্টগ্রাম। সমান ম্যাচে ৮৩ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে রাজশাহী। ৬৫ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে ঢাকা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: চট্টগ্রাম: ৩১২ ও ৩৩০/৯ ডিক্লে. (নাজিমউদ্দিন ১৩৬, ফয়সাল ৫৯, আরমান ৩২, ইলিয়াস ২৮; শরীফ ২/৬৪, রনি ২/২৭, আশরাফুল ২/৩২, নাদিফ ২/৬৪)। ঢাকা: ২৩৯ ও ১৮৫ (মার্শাল ৪৭, মেহরাব ৩৫, শুভগত ২৪; ফয়সাল ৩/৩৯, ইলিয়াস ২/৭৮, ইকবাল ১/২৩, মামুন ১/১৩)। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: কাজী কামরুল (চট্টগ্রাম)।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমরা যেন ন্যায়বিচারের ব্যত্যয় না ঘটাই by সুলতানা কামাল
এ প্রসঙ্গে একটি কথা উল্লেখ করা প্রয়োজন, সরকার তাত্ক্ষণিকভাবে পিলখানার হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আক্রমণ না করে রাজনৈতিকভাবে এর মোকাবিলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এর ফলে অনেক প্রাণহানি ঘটার যে আশঙ্কা ছিল সামরিক ও বেসামরিক পিলখানায় যারা বসবাসরত ও আশপাশের মানুষ, তা ঠেকানো গেছে। এবং সমগ্র জাতি সরকারকে এর জন্য ধন্যবাদও জানিয়েছে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সরকার ‘অপারেশন লেবেল হান্ট’ নামে একটি বিশেষ অভিযান শুরু করে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, অভিযান শুরুর পর থেকেই সেনা হেফাজতে বিডিআরদের মৃত্যুর খবর আসতে শুরু করে। বিভিন্ন কারণে এই মৃত্যু হয়েছে বলে বিডিআর সদর দপ্তর ও সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও, আজকের নিজস্ব অনুসন্ধান ও পত্রপত্রিকায় দেখা যায়, এদের অনেকের মৃত্যু হয়েছে নির্যাতনের কারণে।
২০১০ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত যে হিসাব পাওয়া যায়, তাতে দেখা যাচ্ছে, কাজে যোগদানের পর কর্তৃপক্ষের হাতে আটক অবস্থায় মারা যাওয়া বিডিআর সদস্যের সংখ্যা হচ্ছে ৫৫। মারা যাওয়ার কারণ হিসেবে যে তিনটি বিষয়কে দেখানো হয়েছে, সেগুলো হলো হূদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়া, অসুস্থতা ও আত্মহত্যা। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এসব মৃত্যুর বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলেও, এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিবেদন দাখিল করেনি। উল্লেখ্য, বিডিআরের দুই সদস্য হাবিলদার মহিউদ্দিন ও নায়েক মোবারক হোসেনকে নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। এই দুই ব্যক্তির ময়নাতদন্তের ভিত্তিতে ঢাকার নিউমার্কেট থানায় দুটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ ছাড়া কোন আইনে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে, তা নিয়ে শুরু থেকে বিতর্ক ছিল। হত্যাকাণ্ডের তদন্তের জন্য তিনটি ভিন্ন কমিটি গঠন ও নিয়োগের মাধ্যমে সরকার জনগণকে কিছুটা বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে দেয়। এর কারণ, এই তিন কমিটির মধ্যে কোনো রকম সমন্বয় দৃশ্যমান ছিল না। তা ছাড়া এদের একটি কমিটির সঙ্গে অন্য কমিটির প্রাপ্ত তথ্যেরও খুব মিল ছিল না। কারও কারও মত ছিল, এই হত্যাকাণ্ডের বিচার সেনা আইনে হওয়া উচিত। আবার অনেকে মত দিয়েছে, বিচার হওয়া উচিত বিডিআর আইনে। তৃতীয় মতটি ছিল, হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়া উচিত সাধারণ আইনে। আবার লক্ষ্য করলাম, এসব তর্কবিতর্কের মধ্যে বাংলাদেশ সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান বিডিআর বিদ্রোহের বিচার সেনা আইনে করা যাবে কি না, তার রেফারেন্স পাঠান। রেফারেন্সের শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতি ১০ জন সিনিয়র আইনজীবীকে আদালতের স্থায়িত্বকারী (এমিকাস কিউরি) হিসেবে নিয়োগ দেন। তাঁদের মধ্যে নয়জনই সেনা আইনে বিচার সম্ভব নয় বলে মতামত দেন। এমিকাস কিউরিদের মতামত শুনানির পর আপিল বিভাগ সেনা আইনে বিচার সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেন। আপিল বিভাগের মতামতের আলোকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে দুই আইনে। প্রথমত, বিদ্রোহ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিচার হবে বিডিআরের নিজস্ব আইনে। হত্যা, লুটতরাজসহ অন্যান্য অপরাধের বিচার করা হবে সাধারণ ফৌজদারি আইনে। বিদ্রোহ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গে বিচার করার জন্য সরকার ১৯৭২ সালের বিডিআর আইন অনুসারে ছয়টি বিশেষ আদালত স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেয়। ইতিমধ্যে কয়েকটি আদালত বিচারকাজ শুরু করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত বিডিআর সদস্যদেরও আদালতে হাজির করা হচ্ছে। অনেক বিডিআর সদস্য স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আজ পর্যন্ত গ্রেপ্তারকৃত বিডিআর সদস্যের সংখ্যা হচ্ছে তিন হাজার ৯২৫ জন। বিচারের প্রক্রিয়া শুরু করা এবং একটি বিচারের প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অপরাধীকে শাস্তি দেওয়ার উদ্যোগকে অবশ্যই স্বাগত জানাই।
তবে আমাদের উদ্বেগটা অন্য জায়গায়। আজকের নিজস্ব অনুসন্ধান, আটক বিডিআর সদস্যদের আত্মীয় এবং পত্রিকার বিভিন্ন খবর থেকে জানা যায়, অনেক বিডিআর সদস্যকে আটক করার পর সংবিধানের বিধান অনুসারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে উপস্থিত করা হয়নি বরং গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে অনেক পরে। আটক ও গ্রেপ্তার দেখানোর সময়ের মধ্যে যে ফারাক, সেই সময়ও অনেকের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। এভাবে গৃহীত জবানবন্দি আইন অনুসারে সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হবে না এবং পরবর্তী সময়ে এসব প্রশ্নের সম্মুখীন হবে। তা ছাড়া মনে রাখতে হবে যে শুধু জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করে কোনো অভিযুক্তকে শাস্তি দেওয়া যায় না। তা ছাড়া একই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি জবানবন্দি প্রদান করলে, সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুসারে একজনের জবানবন্দি অন্যজনের জবানবন্দি সমর্থন করে কি না, সেটাও পরীক্ষা করে দেখা হয়। আমাদের জানামতে, সেনা আইনের জবানবন্দি পরীক্ষা করার এসব আইনি বিধানও মান্য করা হয়নি। ফলে ন্যায্য বিচার বিভ্রান্তি হওয়ার একটা আশঙ্কা থেকেই যায়। উপরন্তু পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেনাবাহিনী। ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে কখনো বিচারের দায়িত্ব দেওয়া যায় না। কেননা, এর ফলে নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা যেমন সব সময়ই থাকে, তেমনি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করারও নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না। আমরা বরাবরই পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে জাতি হিসেবে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, কোনো অবস্থাতেই আমরা যেন ন্যায়বিচারের ব্যত্যয় না ঘটাই। পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে যেমন বিচারহীন অবস্থায় থাকতে দেওয়া যায় না, তেমনি নিরীহ বিডিআর সদস্যরা যাতে কোনো অবিচারের সম্মুখীন না হন, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
আমরা মনে করি, পিলাখানা হত্যাকাণ্ডের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটতে পেরেছে, কারণ আমরা জাতি হিসেবে ন্যায়বিচার, মানবতা বোধ ও যেকোনো রকম সহিংস আচারণের ক্ষেত্রে সহনশীলতা প্রদর্শন—এসব ব্যাপারে যত্নশীল থাকিনি। জীবনের বিভিন্ন স্তর ও ক্ষেত্রে সহিংসতাকে, বিচারহীনতাকে এবং অমানবিক আচরণকে প্রশ্রয় দিয়ে এসেছি। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করতে আমাদের ৩৮ বছর সময় লেগেছে। জেলহত্যার বিচার শুরু করতে পারিনি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে পূর্ব অঙ্গীকার সত্ত্বেও তা কবে শুরু হবে, আমরা এখনো নিশ্চিত না। আমরা চোর, ছিনতাইকারী সন্দেহে মানুষকে পিটিয়ে মারা দেখেও নির্বিকার থাকতে পারি। দিনের পর দিন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটে গেলেও তার সমর্থন জানাতে দ্বিধা বোধ করি না। শত শত মানুষের সামনে ফতোয়া দিয়ে দোররা মারা হয় নারীদের। সেখানে উপস্থিত থেকে প্রতিবাদ করি না। এমন হাজারও উদাহরণ দেওয়া যায়। পিলখানার হত্যাকাণ্ডে নিহতদের গভীর বেদনায় স্মরণ করি এবং সেই বেদনা থেকেই বলতে চাই, আর যেন কোনো নৃশংসতা ও সহিংসতা আমাদের বিচারবোধকে আছন্ন না করে।
সুলতানা কামাল: মানবাধিকার কর্মী, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিডিআর বিদ্রোহের সেই দিন ও আজকের ভাবনা by এবিএম মূসা
প্রাথমিক পর্যায়ে নাকি হত্যাকাণ্ডের অথবা উভয়ের বিচার হবে। নানা ধরনের যৌক্তিক ও অযৌক্তিক প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছিল। এই ধরনের ঘটনার মিশ্র বিচারপদ্ধতি নিয়ে স্বচ্ছ ধারণার অভাবে বিচারের সূচনা বিলম্বিত হয়েছিল। সর্বশেষ পরিস্থিতি হচ্ছে, বিচারপদ্ধতি নিয়ে যে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছিল আমাদের বিজ্ঞ আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ তার অবসান ঘটিয়েছেন। বিচারপদ্ধতিকে দুটি অংশে বিভক্ত করার যে যুক্তি তিনি দিয়েছিলেন তা স্বজনহারানো সেনাপরিজন এবং বিডিআর পরিবার উভয়েই সঠিক বলে গ্রহণ করেছেন। বিশেষ করে বিডিআরের আইনি বেসামরিক অবস্থান ও অধিকার স্বীকৃত হওয়ায় তাঁরাও সুবিচার সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যে আইনি বিষয়ের জটিলতার ইতি ঘটেছে তা ছিল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কার কী ধরনের অথবা কোন বিধানমতে বিচার হবে তা নিয়ে ধোঁয়াটে পরিস্থিতি। দুটি পদ্ধতির উল্লেখ করা হয়েছিল, পক্ষে-বিপক্ষে সংশ্লিষ্ট মহল উভয় পক্ষে বিজ্ঞ মতামত দিয়েছিল। এক. সেনা আইনে না হলেও বিডিআর আইনে হবে সবার বিচার অথবা দুই. বিদ্রোহ ও হত্যা-খুন-লাশ গুমের বিচার হবে দেশের প্রচলিত দণ্ডবিধি অনুযায়ী। অর্থাত্ শুধু বিদ্রোহ নয়, হত্যাজনিত অপরাধ ফৌজদারি অপরাধ বলে বিবেচিত হবে। সেনা আইনের কথাও শুনেছিলাম, পরে বোধহয় এই প্রক্রিয়া বিবেচিত হয়নি। অভিযুক্ত বিডিআরের সদস্যরা যারা সরাসরি বিদ্রোহ করেছিল, উসকানি দিয়েছিল, সংঘবদ্ধ করেছিল অথবা পরিস্থিতিজনিত কারণে জড়িয়ে পড়েছিল তারা কোন ধরনের আইন ভঙ্গের অপরাধ করেছিল তা নিয়ে আমরা অনেকে বিভ্রান্ত ছিলাম। সেই বিভ্রান্তির অবসান ঘটেছে। তাই আজ বিডিআর দপ্তর ও উপদপ্তরে তাদের প্রাথমিক বিচার চলছে। নিশ্চিতভাবে বলা যায়, বিডিআর আইনেই বিচার হচ্ছে, তাই এ নিয়ে কোনো প্রশ্ন করা হচ্ছে না।
এক বছর আগে বিদ্রোহের সময় যে নৃশংস, নির্মম ও রহস্যময় হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল দ্বিতীয় অধ্যায়ে সেই বিচারকার্যটি হবে সাধারণ ফৌজদারি আইনের দণ্ডবিধিতে। শ্রদ্ধেয় আইনমন্ত্রীর এই অভিমত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী বিদ্রোহের চলমান বিচার শেষে আরেকটি বিচারপ্রক্রিয়া বিশেষ আদালতে শুরু হবে। অর্থাত্ সমগ্র বিচারকাজ, আমার মনে হয়, বিদ্রোহ আর হত্যা দুই বিচারিক মানদণ্ডে বিবেচিত হওয়ার কারণে প্রথমটির কার্যক্রমে যে সত্য উদ্ঘাটিত হবে, তারই ভিত্তিতে দ্বিতীয় বিচারকাজ সহজতর হবে। বিদ্রোহ ও পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ভবিষ্যতে আলোচিত হবে।
এক বছর আগের আজকের দিনে সংঘটিত নাটকীয় ও নারকীয় ঘটনার বিচারের সূচনা নিয়ে আলোচনা করা গেল। কিন্তু সেই বিদ্রোহ কী উদ্দেশ্যমূলক ব্যর্থ অভ্যুত্থান এবং নৃশংস খুন— এই দুই ‘রেট্রোসপেক্ট’ বা নতুন ভাবনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে? আমরা এক অদ্ভুত জাতি, সময়ের বিবর্তনে জাতীয় জীবনে আলোড়ন সৃষ্টিকারী, এমনকি ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারত এমন ঘটনাকে শুধু তাত্ক্ষণিক গুরুত্ব দিয়ে থাকি। যা ঘটেছিল তা কতদূর যেতে পারত তা নিয়ে পরবর্তী সময়ে ভাবি না, শুধু বিভিন্ন আঙ্গিকে স্মৃতিচারণা করি। জাতির ক্ষুদ্রাকার ইতিহাসে সামান্য স্থান পায়। ঘটনাপ্রবাহ কীভাবে রোধ করা হয়েছিল, ঘটনার দুর্ভাগ্যজনক পরিণতি কীভাবে রোধ করা হয়েছিল অথবা সূচনার গভীরতা কতখানি ছিল তার গভীরে কখনো যাই না। তাই আজকে যখন একটি বিশেষ ঘটনার বিচারপ্রক্রিয়া চলছে তাকে প্রভাবান্বিত না করেও অতীতকে সামনে আনতে হচ্ছে। কারণ যা ঘটেছিল, তার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কাটি দূর করতে হলে বারবার অতীতের পটভূমিকে সামনে আনতে হবে। যেমন অতিসম্প্রতি বিচারের একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে কয়েকজন খুনির ফাঁসি কার্যকর করার পর। বাকিদেরও হয়তো একদিন, সকালে বা কোনো সময়ে, ফাঁসির কাঠে ঝোলানো হবে। এ নিয়ে অনেকের উল্লাস আর অর্থহীন স্বস্তিবোধের সমালোচনা করে লিখেছি, ‘কতিপয় খুনির বিচার ও ফাঁসি হয়েছে কিন্তু ষড়যন্ত্রের বিচার হয়নি’, কতিপয় ‘বিপথগামী সেনাসদস্যের’ অপকর্ম বলে কেউ পার পেতে পারেন না। একটি ষড়যন্ত্রভিত্তিক অভ্যুত্থান সেই রহস্যের উদ্ঘাটন করতে হবে।
অতীতের সেই প্রেক্ষাপটে বলছি, বিডিআর বিদ্রোহের বিচারপ্রক্রিয়ার সমাপ্তি ঘটবে। বিদ্রোহীদের জেল হবে, খুনিদের ফাঁসি হবে। কিন্তু অনেকগুলো ‘কী ও কেন’ প্রশ্নের জবাব পাওয়া যাবে তো? দুটি কমিটি, বস্তুত তিনটি তদন্ত কমিটি হয়েছিল। সাহারা খাতুনের কমিটির বিলুপ্তি ঘটিয়ে আনিস উজ জামানকে তৃতীয়টির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সেই দুটি তদন্ত কমিটির রিপোর্ট কোথায়? এমনকি তদন্ত কোন পথে চলেছিল, আদৌ পরিসমাপ্তি ঘটেছে কি না, কী জানা গেল আর কী অজ্ঞাত রয়ে গেল তা প্রকাশিত হওয়া প্রয়োজন। জেল আর ফাঁসি কি ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ তারিখের ইতিহাসের শেষ অধ্যায়? তদন্ত কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট ঘটনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল কি না ভবিষ্যত্ পুনরাবৃত্তি রোধের জন্য তা জানা প্রয়োজন। সেই জানাটি পূর্ণাঙ্গ ও প্রকাশ্য হতে হবে। অথচ এখন মনে হচ্ছে, তদন্তের কথাটি আমরা ভুলেই গেছি।
বস্তুত এক বছরের আগের পরিস্থিতিটি নিয়ে আজকের ভাবনায় ‘সময় ও সমাধান’ বিশেষ বিবেচনায় আসছে। প্রথমে সময় নিয়ে ভাবনাটিকে প্রাধান্য দেব। সময়কে প্রাধান্য দেব, কারণ একেবারে অশুভ মুহূর্তের প্রারম্ভে যদি নবনির্বাচিত সরকার-প্রধান শেখ হাসিনা ত্বরিত অথচ ধীরস্থিরভাবে সংকট ‘মোকাবিলা ও সমাধানের’ পথটি খুঁজে না পেতেন তা হলে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে ১৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়কালের দুর্যোগের পুনরাবৃত্তি ঘটত। এই ‘সময়টির’ গুরুত্ব আমার ভাবনায় একটি অদ্ভুত কারণে নিজস্ব ভাবনায় অবস্থান নিয়েছে।
ব্যাপার হলো আমার একটি অবহিতির সঙ্গে সংকটের পূর্ণাঙ্গ চিত্রটি প্রধানমন্ত্রীর জানার ও গৃহীত কতিপয় পদক্ষেপে কাকতালীয় সম্পর্ক রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভূতপূর্ব প্রত্যুত্পন্নমতিতায়, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ও সরকার পরিচালনায় যে দায়িত্বজ্ঞানের পরিচয় দিয়েছিলেন, তাও আমার সময় নির্ধারণের হিসাব-নিকাশের সঙ্গে হয়তো একটুখানি সম্পর্কযুক্ত। অথবা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়তা ও চিন্তার খোরাক জুগিয়েছে। আমার এই ধারণা সত্য নাও হতে পারে।
তাই বলছিলাম একটি চরম দুর্যোগপূর্ণ শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর জানার ও সংকটের গুরুত্ব অনুভব করে তাত্ক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হয়েছে। সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এই কারণে আমার বর্ণিত সেই দিন আর সেই সময়ে ফিরে যাই। দিনটি অবশ্য ২০০৯ সালের ২৫ মার্চ, কিন্তু সময়? কখনো মনে হয় সকাল নয়টা, হয়তো দশটা, আট-সাড়ে আটটাও হতে পারে। আমার সর্বসময়ের একজন সাথী, সব কাজের সহায়ক সেদিন সকালে একটি টেলিফোন পেল। অপর প্রান্ত থেকে কেউ একজন তাকে জানাল আমাকে একটি জরুরি বার্তা দিতে চান। নিজের পরিচয় দিলেন বিডিআরের একজন মধ্য অবস্থানের নায়ক অথবা সুবেদার। অতঃপর মোবাইল ফোনে তিনি বার্তাটি দিলেন, পিলখানায় ভীষণ গোলমাল চলছে। ভয়াবহ পরিস্থিতি, অনেক কিছু ঘটছে, ঘটতে পারে। এই সংবাদটি তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানাতে চান। তাঁর সঙ্গে তাত্ক্ষণিক যোগাযোগ করা প্রয়োজন। বার্তাটি আমার কাছে শুধু উদ্বেগের কারণ নয়, একটি ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির আভাস মনে হলো। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীকে আমি যোগাযোগ করব কী করে? হয়তো তিনি অনেক কিছু জানেন, কিন্তু আমার জানাটিও তাঁকে জানানোর গুরুত্ব রয়েছে।
যা হোক মোবাইল টেলিফোনে পাওয়া বার্তাটি আমার কাছে ভয়ঙ্কর ও ভবিষ্যত্ সংকটের আভাস বলে গুরুত্বপূর্ণ মনে হলো। মনে পড়ল উপদেষ্টা ড. আলাউদ্দিনের কথা। দপ্তরের এই একটিমাত্র মহাশয়কে আমি যখন তখন যোগাযোগ করতে পারি। ড. আলাউদ্দিন সব শুনে বললেন, তিনি তখন প্রধানমন্ত্রীর বাসস্থান যমুনার পথে। মোবাইল সেটসহ আমার সহচরকে যমুনায় ড. আলাউদ্দিনের কাছে পাঠালাম। তিনি সেটটি হস্তান্তর করলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জেনারেল তারেক সিদ্দিকীকে। পরে জেনেছি সেটি প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত পৌঁছেছিল। পরবর্তী যে ঘটনাবলি বর্ণনা অপ্রাসঙ্গিক বা প্রাসঙ্গিক তা হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগেই বিভিন্ন সূত্রে বিডিআর অভ্যুত্থানের খবর যথাসময়ে পেয়েছিলেন। অসীম ধৈর্য ও ধীশক্তির প্রয়োগে তিনি ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছেন। একটি বিস্ফোরিত অগ্ন্যুত্পাতকে ছাইচাপা দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়ে ফেলেছেন। আমার প্রেরিত বাণী হয়তো শুধু তাঁকে যথাযথ ব্যক্তিদের সঙ্গে তাত্ক্ষণিক যোগাযোগের সুযোগ করে দিয়েছিল। আমার এই ধারণা সঠিক নাও হতে পারে, কারণ ইতিমধ্যে দুই মন্ত্রী পিলখানার প্রবেশদ্বারে হাজির হয়েছিলেন।
এক বছর পর অতীতের স্মরণে জাতি ও রাষ্ট্রীয় জীবনে এমন অভূতপূর্ব সংকটের পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও শেখ হাসিনার একটি অসাধারণ বিজ্ঞ ও সাহসী ভূমিকাটি পরবর্তী সময়ে আলোচিত হচ্ছে। তা সত্ত্বেও কোনো এক মহল, রাজনৈতিক বলা যায়, একটি অদ্ভুত বিতণ্ডার সূত্রপাত করেছিল। প্রথমত প্রধানমন্ত্রী কি বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাত্ক্ষণিক কোনো পদক্ষেপ নিয়ে বিদ্রোহের নিরসন ঘটিয়ে একটি ব্যাপক রক্তপাতের সম্ভাবনা অঙ্কুরেই বিনাশ করেছিলেন। অথবা দুই. তাত্ক্ষণিকভাবে বিডিআর দপ্তরে সেনা অভিযান চালানোর হুকুম দিয়ে বিদ্রোহ পুরোপুরি দমন করাটাই কি সঠিক পন্থা হতো? দুটি বিষয় নিয়েই আমি গত বছর ঘটনার পরপর বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আমি সেই সময়ে তাঁর পরিপক্ব চিন্তাশক্তি তথা ম্যাচুরিটি ও পরিমিত মাত্রায় যথাসময়ে ও পরবর্তী সময়ে গৃহীত কতিপয় পদক্ষেপের সাফল্যে বিস্ময় প্রকাশ করেছি।
আমার প্রতিবেদনের সর্বশেষ মন্তব্য হচ্ছে, প্রতিবছর ঘুরে-ফিরে ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সালটি আসবে। গণমাধ্যমে কয়েক বছর আলোচনার ঝড় বয়ে যাবে। ইতিমধ্যে বিচার শেষ হবে, কারও জেল বা কারও ফাঁসি হবে। নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের শিকার সেনাসদস্য অথবা হূদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া সিপাহিদের একসময়ে স্বজনহারার দুঃখ ভুলবেন? কিন্তু সেই ঘটনা, সেই দিনটি হঠাত্ করে ঘটে যাওয়া অথবা পরিকল্পিত অভ্যুত্থানের রহস্যটি কি কোনো দিন জানা যাবে? দুটি তদন্ত কমিটির ভূমিকা, তাদের কার্যক্রম ও ভবিষ্যত্ নিয়ন্ত্রণের সুপারিশ কি কোনো দিন জানা যাবে?
আমার উপরিউক্ত পর্যালোচনার সারমর্ম উপলব্ধি করার সুবিধার্থে সেদিনের ঘটনার অব্যবহিত পরে প্রথম আলোতে প্রকাশিত কয়েকজন সাবেক সেনা কর্মকর্তার কয়েকটি বক্তব্য পুনরুদ্ধৃত করছি। ১. লে. জে. (অব.) আতিকুর রহমান—‘এ নিছক বিদ্রোহ ছিল না। ষড়যন্ত্র ছিল।’ জানতে চাই তদন্ত কমিটি এ সম্পর্কে কী বলেছে কিংবা আদৌ কিছু বলেছে কি না। ২. লে. জে. (অব.) হারুন-অর-রশিদ—‘হঠাত্ করে ঘটেনি। গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসার দেড় মাসের মধ্যে সংঘটিত ঘটনাকে স্বাভাবিক ক্ষোভের প্রকাশ বলা যায়না।’ উল্লেখ্য, কোনো কোনো মহল কিন্তু তখন ‘ক্ষোভের প্রকাশ’ ধারণাটিকেই প্রাধান্য দিয়েছিল। তদন্ত কমিটিও কি এমন কোনো আভাস পেয়েছিল? যদি পেয়ে থাকে ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ক্ষোভের উত্পত্তি না হয় তা নিয়ে কি কোনো সুপারিশ করেছে?
একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীর বিশৃঙ্খল বিদ্রোহ অথবা সীমিত অভ্যুত্থান কিংবা জিঘাংসামূলক হত্যাকাণ্ডের সব বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে এবং হবে। কিন্তু উপরিউক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়া যে ভবিষ্যতের জন্য, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের স্থিতিশীলতার স্বার্থে কতখানি গুরুত্বপূর্ণ, সেই ভাবনাটি কি কেউ ভাবছেন কিংবা ভাবনার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছেন? তদন্ত রিপোর্টটির হদিস পেলেই এসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যাবে।
এবিএম মূসা: সাংবাদিক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শত্রু শত্রু খেলা by সোহরাব হাসান
সঙ্গে বিরোধী দলের যোগসাজশ খুঁজতেন না।
কিংবা ধরুন, কাশ্মীর বিরোধকে কেন্দ্র করে ভারতকে আক্রমণ করল পাকিস্তান। বিজেপি কি সে জন্য প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে ও কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারকে তুলোধুনো করত? বহিঃশক্তির আক্রমণের সুযোগ কাজে লাগিয়ে সরকার পতনের ডাক দিত? অন্যদিকে কংগ্রেস নেতারা পাকিস্তানের দালাল বলে বিরোধী দলের ওপর সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তেন?
ভারতে বা আমেরিকায় সে ধরনের ঘটনা কখনোই ঘটবে না। দেশীয় বা বৈদেশিক নীতি-কৌশল নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে যতই বিভেদ থাকুক, এ কাজটি তারা কখনোই করবে না। করেনি।
এর বিপরীতে বাংলাদেশের নেতা-নেত্রীদের কথা ভাবুন। জাতীয় সংকটে, দুর্যোগে যখন ঐক্য সবচেয়ে বেশি জরুরি, তখনই তাঁরা বিভেদকে উসকে দেন। সমঝোতার পথ পরিহার করে মহোত্সাহে ঝাঁপিয়ে পড়েন এক কাল্পনিক যুদ্ধে। দলীয় কর্মীদের লেলিয়ে দেন একে অপরের বিরুদ্ধে। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার এ সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না।
গত বছরের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি বিদ্রোহের পরিনতিতে পিলখানায় ঘটে যায় এক জঘন্য হত্যাকাণ্ড। বিডিআর জওয়ানেরা একপর্যায়ে মেতে ওঠে সেনা অফিসার হত্যায় (এ রকম সেনা অফিসার হত্যার ঘটনা ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরও ঘটেছিল)। বিদ্রোহের ঘটনায় বিডিআর সদর দপ্তরে যে নৃশংস ও হূদয়বিদারক ঘটনা ঘটল, তাতে সারা দেশ স্তম্ভিত, মানুষ শোকে মুহ্যমান। তখনো সরকারের বয়স দুই মাস পূর্ণ হয়নি।
এ অবস্থায় সবার প্রত্যাশা ছিল, সংকট মোকাবিলায় সরকার ও বিরোধী দল একযোগে কাজ করবে। একে অপরের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে। দুর্ভাগ্যজনক যে, বাস্তবে তা হলো না। কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই সরকার সন্দেহের তীর ছুড়ল বিরোধী দলের দিকে। বিরোধী দল দায়ী করল সরকারকে। গত এক বছরে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ শুরু না হলেও পারস্পরিক দোষারোপ বা ব্লেইম গেইম চলতে থাকে। এখনো চলছে।
প্রথমেই বিতর্ক ওঠে বিদ্রোহ দমনের কৌশল নিয়ে। পিলখানার অবস্থান বিবেচনা করে সেদিন সরকার শক্তি প্রয়োগের বদলে আলোচনার মাধ্যমেই বিদ্রোহীদের নিরস্ত্র ও নিবৃত্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। সামরিক বিশেষজ্ঞসহ সব মহলে এ সিদ্ধান্ত প্রশংসিত হলেও বিএনপির নেতারা তা মানলেন না। তারা কঠোর সমালোচনা করলেন সরকারের। তাঁদের দাবি, আলোচনায় সময়ক্ষেপণ না করে আগেভাগে সামরিক অভিযান চালালে এত এত সেনা কর্মকর্তা মারা যেতেন না। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি তাদের এ দাবি সমর্থন করে না। পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরটি বেসামরিক এলাকায়। শক্তি প্রয়োগ করলে আরও বেশি প্রাণহানি ঘটত। আটকে পড়া সেনা পরিবারগুলোকে উদ্ধারও কঠিন হতো।
আবার সরকারও সেই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে বিরোধী দলের সহযোগিতা চায়নি। যদিও তাঁরা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত ছিলেন।; অন্তত প্রকাশ্যে সে রকমই বলেছিলেন। দলের জ্যেষ্ঠ নেতা ও মহাজোটের শরিকদের সঙ্গে বৈঠক করলেও প্রধান বিরোধী দল বিএনপির সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন বোধ করেনি। কেন করেনি, সেই প্রশ্নের সদুত্তর নেই। এর পাশাপাশি সরকারের একাধিক সিনিয়র মন্ত্রী তদন্তের আগেই বিডিআর বিদ্রোহের সঙ্গে বিরোধী দল জড়িত বলে অভিযোগ আনেন। তাঁদের দাবি, সদ্য প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
এ নিয়ে সংসদেও দুই পক্ষের তুমুল বাগ্যুদ্ধ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদনেতা শেখ হাসিনা বিরোধী দলকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘সকালে সেনা সদরে যেসব কথা শুনে এসেছি, এখানেও বিরোধীদের কথায় সেসব বক্তব্যের প্রতিধ্বনি শুনলাম। দেশবাসী ও সেনাবাহিনীকে নিয়ে খেলা হচ্ছে, কেন তাদের বিরুদ্ধে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা হচ্ছে?’
বিরোধী দলের নেতা ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘যদি ২৫ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টার মধ্যে হত্যাকাণ্ড শেষ হয়ে থাকে, তাহলে দুপুর দুইটায় কেন তাদের (বিদ্রোহী) সঙ্গে আলোচনা করা হলো? তাদের (সেনাবাহিনী) হত্যা করে দেশকে অরক্ষিত রাখলে কি স্বাধীনতা থাকবে, নাকি করদরাজ্যে পরিণত হবে?’
আমরা আগেও দেখেছি, যখনই কোনো ঘটনা ঘটে, তাঁরা পরস্পরকে দোষারোপ করেন। নিজের ব্যর্থতার দায় অন্যের ওপর চাপিয়ে আহলাদিত হন। কিন্তু আমাদের বিজ্ঞ নেতা-নেত্রীরা বুঝতে অক্ষম যে তাঁদের এই ব্লেইম গেইমের সুযোগে দেশ ও জনবিরোধী চক্র নাক গলাতে সাহস পায়। ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে। মওকা বুঝে হামলে পড়ে। স্বাধীনতার পর পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মতো প্রাণঘাতি অঘটন বহুবার ঘটেছে। কিন্তু খুব কম ক্ষেত্রেই ঘাতকরা শাস্তি পেয়েছে।
শত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমাদের গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব যত দিন ঐক্যবদ্ধ ছিলেন, তত দিন ষড়যন্ত্রকারীরা সুবিধা করতে পারেনি। তাঁরা একত্র হয়েছিলেন বলেই স্বৈরতন্ত্রের পতন ঘটেছিল। অথচ আজ পরস্পরকে ঘায়েল করতে তারা এতোই মরিয়া যে একপক্ষ স্বৈরাচারের সঙ্গে এবং অন্যপক্ষ যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।
দেশবাসী চায়, পিলখানার ঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচিত হোক। সে জন্য শত্রু শত্রু খেলা বন্ধ করতে হবে। ব্লেইম গেইম বা জজ মিয়ার মতো নকল আসামিদের নিয়ে টানাটানি শুরু করলে কেবল বিচার কাজই ব্যাহত হবে না, ভবিষ্যতে অঘটনের আশংকাও থেকে যায়।
সোহরাব হাসান: সাংবাদিক।
sohrab03@dhaka.net
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক বছর
গত বছর এই ঘৃণ্য হত্যাকাণ্ডের পর সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, দ্রুততম সময়ে তদন্ত ও বিচারের কাজ সম্পন্ন করা হবে। এই লক্ষ্যে তিনটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। ইতিমধ্যে সরকার ও সেনাবাহিনী গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনও জমা দিয়েছে। এসব প্রতিবেদনে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ আছে যা দ্রুত আমলে নেওয়া প্রয়োজন, ভবিষ্যতে এ ধরনের অঘটন রোধ করতেই। পিলখানা হত্যাকাণ্ড ও বিডিআর বিদ্রোহে সরাসরি যাঁরা জড়িত ছিলেন, সরকার তাঁদের চিহ্নিত ও আটক করে বিচারে সোপর্দ করেছে, এটি ভালো দিক। কিন্তু তাঁদের পেছনে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল জড়িত ছিল কি না সে রহস্য এখনো উদ্ঘাটিত হয়নি। যদিও সরকারি ও সেনাবাহিনীর তদন্ত প্রতিবেদনে এর কিছু ইঙ্গিত রয়েছে। এখন সরকারের দায়িত্ব হলো সেসবের সত্যাসত্য উদ্ঘাটন করা।
উভয় প্রতিবেদনে বিদ্রোহের পূর্বাভাস দিতে না পারার জন্য গোয়েন্দা বিভাগকে দায়ী করা হয়েছে। এ ব্যর্থতার জন্য কারা দায়ী তাও খতিয়ে দেখতে হবে। কেন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বারবার ব্যর্থ হচ্ছে? যেখানে তাদের সাফল্য-ব্যর্থতার ওপর রাষ্ট্রের ও জনগণের নিরাপত্তা নির্ভর করে, সেখানে বিষয়টি হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। বিডিআর বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডের বিচারের প্রক্রিয়া নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক আদালত পর্যন্ত গড়ায়। হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, বিদ্রোহের বিচার বিডিআর আইনে এবং হত্যা ও লুটপাটের বিচার প্রচলিত আইনে করতে হবে।
বিদ্রোহের বিচারের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ছয়টি আদালত গঠন করা হয়েছে। কিন্তু যে গতিতে বিচারপ্রক্রিয়া চলছে তাতে শেষ করতে অনেক সময় লেগে যাবে। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগের তদন্তকাজ শেষ না হওয়ায় হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু হতে পারছে না। দ্রুত তদন্ত শেষ করে হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজও অবিলম্বে শুরু করতে হবে। অতীতে স্পর্শকাতর ও গুরুত্বর্পূণ বহু মামলার বিচার সম্ভব হয়নি সরকারের সদিচ্ছার অভাবে এবং সংশ্লিষ্টদের গাফিলতির কারণে। এবারও যেন সে রকম কিছু না ঘটে সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যেমন, তেমনই ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ ঠেকাতেও সেটি প্রয়োজন। তবে এ ক্ষেত্রে সজাগ থাকতে হবে, যাতে নিরপরাধ কেউ হয়রানির শিকার না হন।
পিলখানার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে যাঁরা জীবন দিয়েছেন তাঁদের ফিরিয়ে আনা যাবে না সত্য, কিন্তু ন্যায়বিচারের মাধ্যমে অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে পারলে তাঁদের স্বজনেরা কিছুটা হলেও সান্ত্বনা খুঁজে পাবেন, দেশ হবে দায়মুক্ত।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধর্মঘটে অচল গ্রিস
উপপ্রধানমন্ত্রী থিওডোরস প্যানগালোস বলেছেন, ধর্মঘটে সরকার বিচলিত নয়। দেশের স্বার্থে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এসব বাধা মোকাবিলা করে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে সরকার। গ্রিসে গত দুই সপ্তাহে এটি দ্বিতীয় বৃহত্তর হরতাল।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অস্ত্রবিরতিতে স্বাক্ষর করেছে দারফুরের জেইএম বিদ্রোহীরা
জাস্টিস ও ইকুয়ালিটি মুভমেন্ট (জেইএম) নেতা খলিল ইব্রাহিম বলেন, তিনি ও সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশির একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন, যা মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে।
কাতারের আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানির আমন্ত্রণে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে শাদের প্রেসিডেন্ট ইদ্রিস দেবাই ইতনো ও ইরিত্রিয়ার প্রেসিডেন্ট ইসাইয়াস আফেওরকি উপস্থিত ছিলেন।
জেইএমের এক মুখপাত্র জানান, শেষ মুহূর্তে কিছু প্রতিবন্ধকতার কারণে চুক্তি স্বাক্ষরে কিছুটা দেরি হয়। তবে সমস্যাটি কী ছিল, তা তিনি উল্লেখ করেননি। সন্ধ্যা ছয়টায় চুক্তি স্বাক্ষরের সময়সূচি নির্ধারিত হলেও তা দুই ঘণ্টারও বেশি বিলম্বিত হয়।
শাদে খার্তুম সরকার ও জেইএমের প্রতিনিধিরা গত শনিবার ‘অস্ত্রবিরতি’ ঘোষণা-সংবলিত চুক্তির একটি রূপরেখায় স্বাক্ষর করেন। বিদ্রোহীদের সহায়তার জন্য দীর্ঘদিন ধরে শাদকে অভিযুক্ত করে আসছিল খার্তুম। অন্যদিকে শাদের অভিযোগ, সুদান তার নিজস্ব বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা দিচ্ছে। তবে চলতি মাসে খার্তুমে উভয় দেশের নেতারা সমঝোতায় পৌঁছান, যা দারফুর চুক্তির ক্ষেত্র প্রস্তুত করে দেয়।
১২টি ধারাযুক্ত ওই চুক্তিতে দারফুরের শীর্ষ সশস্ত্র বিদ্রোহী দল জেইএমকে সুদানে ক্ষমতার ভাগাভাগিতে ভূমিকা রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। গত ২৪ বছরের মধ্যে আগামী এপ্রিলে সুদানে প্রথমবারের মতো প্রেসিডেন্ট ও আইনসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
চুক্তির ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ক্ষমতার সব পর্যায়ে জেইএমের অংশগ্রহণের ব্যাপারে সুদানের সরকার ও জেইএমের মধ্যে ঐকমত্য হয়েছে। চতুর্থ ধারায় বলা হয়েছে, শিগগিরই একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে জেইএমের আত্মপ্রকাশ এবং ১৫ মার্চ নাগাদ চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার ব্যাপারে উভয় পক্ষের মধ্যে মতৈক্য হয়েছে।
জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, দারফুরে ২০০৩ সালে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় তিন লাখ লোক নিহত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে ২৭ লাখ লোক। তবে সুদানের দাবি, সহিংসতায় ১০ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটেছে।
এদিকে নির্বাসিত আবদেল ওয়াহিদ নূরের ফ্রান্সভিত্তিক সুদানিজ লিবারেশন আর্মির মতো ছোট ছোট বিদ্রোহী দল খার্তুমের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। উপদলগুলোর অন্যতম ‘জেইএম ডেমোক্রেসি’ চুক্তিটিকে ‘পক্ষপাতমূলক’ হিসেবে বর্ণনা করে তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
গত সোমবার সুদানের প্রেসিডেন্ট বলেন, অস্ত্রবিরতিচুক্তির মাধ্যমে দারফুরে ‘যুদ্ধের অবসান’ ঘটেছে। তিনি এপ্রিলে নির্বাচনের আগে ব্যাপকভিত্তিক শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ওয়াশিংটন ওই চুক্তিকে ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হিসেবে বর্ণনা করে প্রশংসা করেছে। ব্রিটেনও এ চুক্তিকে অভিনন্দন জানিয়েছে।
গত মঙ্গলবার ‘লিবারেশন মুভমেন্ট ফর জাস্টিস’ নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চারটি দলের সমন্বয়ে গঠিত ওই নতুন সংগঠনের নেতারা খার্তুমের সঙ্গে একটি চুক্তিতে উপনীত হওয়ার ব্যাপারেও আশা প্রকাশ করেছে।
বান কি মুনের অভিনন্দন
সুদান ও দারফুরের প্রধান বিদ্রোহী গোষ্ঠী শান্তিচুক্তিতে উপনীত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন। তিনি শান্তিচুক্তির রূপরেখাকে ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
গত মঙ্গলবার জাতিসংঘের এক বিবৃতিতে বলা হয়, মহাসচিব দারফুর সংঘাত সমাধানে সুদান সরকার ও জেইএমের মধ্যে মঙ্গলবার দোহায় স্বাক্ষরিত ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট ফর দ্য রেজ্যুলেশনকে স্বাগত জানিয়েছেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে রকেট হামলায় চার সহোদর নিহত
পেশোয়ার শহরের পুলিশ-প্রধান লিয়াকত আলী জানান, নিহত ব্যক্তিরা সহোদর, তাদের বড় ভাইয়ের বয়স ১৭ এবং ছোট ভাইয়ের চার বছর। তিনি এ ঘটনার জন্য তালেবানকে দায়ী করেছেন।
লিয়াকত বলেন, তালেবান একটি আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়েছে। রকেটটি একটি বাড়িতে আঘাত হানে এবং এতে একই পরিবারের ওই চার সদস্য নিহত ও অপর নয়জন আহত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এ হামলায় দোতলা বাড়িটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘পিয়ংইয়ংকে খাদ্য সাহায্য দিয়েছে বেইজিং’
সিউলের একত্রীকরণমন্ত্রী হাইয়ুন ইন-তায়েক মঙ্গলবার পার্লামেন্ট অধিবেশনে বলেন, চীন হয়তো ওই খাদ্যদ্রব্য বাকিতে বিক্রি করেছে। অথবা ত্রাণ হিসেবেই দিয়েছে।
হাইয়ুন ইন-তায়েক আরও বলেন, উত্তর কোরিয়ায় প্রতিবছরই খাদ্য ঘাটতি থাকে। সেখানে মুদ্রাস্ফীতি রয়েছে। এর ফলে খাদ্য সরবরাহ ও তা বিতরণে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। মিত্র দেশ চীনের সহায়তায় এই সংকট মোচনের চেষ্টা করছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির মুদ্রা পুনর্গঠন করার পর থেকে খাদ্য ঘাটতি প্রকট হয়ে উঠেছে।
উত্তর কোরিয়ায় জ্বালানি ও খাদ্যদ্রব্য সরবরাহকারী অন্যতম মিত্র দেশ চীন। দক্ষিণ কোরীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ায় এমনিতেই খাদ্য ঘাটতি রয়েছে। তার ওপর গত বছর দেশটির ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দেশটি গত বছর ৪১ লাখ টন খাদ্যশস্য উত্পাদন করে। প্রতিবছর খাদ্য চাহিদা প্রায় ৫৪ লাখ টন।
নব্বইয়ের দশকে দুর্ভিক্ষের পর থেকে উত্তর কোরিয়া বিদেশি ত্রাণের ওপর ভরসা করে। প্রতিবেশী দুই দেশের বিরোধের জেরে দক্ষিণ কোরিয়া ২০০৮ সাল থেকে পিয়ংইয়ংয়ে খাদ্য ও সার সরবরাহ করা বন্ধ রেখেছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আলোচনা নিয়ে সরকার-মাওবাদী ঠেলাঠেলি
এক অজ্ঞাত স্থান থেকে টেলিফোনে কিষেনজি সংবাদমাধ্যমকে জানান, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মের মধ্যে হিংসায় মদদ না দিলে এবং আদিবাসী অঞ্চলে উন্নয়নের ব্যাপারে মনোনিবেশ করলে মাওবাদীরা সহিংসতা বন্ধ রাখবে। কিষেনজি আরও বলেছেন, সরকার যতদিন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও হিংসা চালিয়ে যাবে, ততদিন মাওবাদীরা বিপ্লবী প্রতিহিংসা চালিয়ে যাবে। তবে এর প্রতিক্রিয়ায় ভারত সরকার অবশ্য জানিয়েছে, আলোচনার ব্যাপারে কোনো আগাম শর্ত দিলে তা সরকার মানবে না। একই সঙ্গে সরকার মাওবাদীদের সহিংসতা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিবৃতি পাঠাতে আরজি জানানো হয়েছে।
গত সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পক্ষ থেকে দেওয়া ওই বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ফ্যাক্স নম্বরও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম বলেছেন, ‘আমি কোনো “যদি”, “কিন্তু” বা “শর্ত” শুনতে চাই না। সরকার সংবাদমাধ্যমে মাওবাদীদের অনেক রকম বক্তব্য দেখতে পাচ্ছে। কিন্তু কোনো সঠিক বক্তব্য ছাড়া সরকারের পক্ষে প্রতিক্রিয়া জানানো কঠিন। আর তাই সরাসরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে ফ্যাক্স করে বক্তব্য জানাতে বলা হয়েছে।’
আলোচনা নিয়ে যখন এই ঠেলাঠেলি চলছে, ঠিক তখনই পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গল মহলে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। গত সোমবার জঙ্গল মহলে মাওবাদীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গুলির লড়াইয়ে কমপক্ষে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে পুলিশি সন্ত্রাসবিরোধী জনগণের কমিটির সভাপতিও রয়েছেন। এই হত্যার প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গের মাও প্রভাবিত তিন জেলায় কর্মসূচি দিয়েছে জনগণের কমিটি।
সম্প্রতি দুটি রাজ্যে পরপর দুটি ভয়াবহ হামলা চালিয়ে মাওবাদীরা ৩৫ জনকে হত্যা করে। এর মধ্যে একটি হামলা ছিল পুলিশ ফাঁড়িতে। এ অবস্থায় মাওবাদীদের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির এ প্রস্তাব এল।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কমনওয়েলথ থেকে বেরিয়ে যেতে পারে ফিজি
ভোরেজ বাইনিমারামা ২০০৬ সালে সেনা অভ্যুত্থানের পর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ২০০৯ সালের মার্চ মাসের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের অঙ্গীকার ভঙ্গ করেন। এ কারণে গত বছরের সেপ্টেম্বরে কমনওয়েলথ ফিজির সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত করে।
বাইনিমারামা বলেন, সংস্কার এবং ২০১৪ সাল নাগাদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে নতুন সংবিধান প্রণয়নে তাঁর সরকারের পরিকল্পনাগুলো অনুধাবনে ব্যর্থ হয়েছে কমনওয়েলথ। তাই বিরক্তির হাত থেকে রক্ষা পেতে ফিজি কমনওয়েলথ থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে নিতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সাল নাগাদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর কমনওয়েলথের সঙ্গে ফের সম্পর্ক স্থাপন করা যেতে পারে এবং তাঁর সরকারকে স্বীকৃতি না দিলে এ সময়ে সংস্থাটি ফিজি থেকে দূরে থাকতে পারে।
বাইনিমারামা ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল এবং এপ্রিলে সংবিধান বাতিল করেন। এ ছাড়া তিনি বিচারকদের বরখাস্ত ও সংবাদমাধ্যমের ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেন।
গত বছর নির্বাচন দেওয়ার অঙ্গীকার ভঙ্গ করায় ১৬ জাতির ‘প্যাসিফিক আইল্যান্ডস ফোরাম’ও ফিজির সদস্যপদ স্থগিত করে
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তুরস্কে আরও সাতজন সেনা কর্মকর্তা রিমান্ডে
পুলিশ গত সোমবার মোট ৫০ জন সেনা কর্মকর্তাকে অভ্যুত্থান-চেষ্টার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে আটক করে। তাঁদের মধ্যে ছয়জনকে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২০০৩ সালে একেপি ক্ষমতাসীন হওয়ার পর সামরিক বাহিনীর কিছু কর্মকর্তা ‘অপারেশন স্লেজহ্যামার’ নামে একটি অভিযানের পরিকল্পনা করেন। তাঁদের মধ্যে সাবেক নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানও ছিলেন।
গত জানুয়ারিতে ওই দেশের তারাফ নামের একটি সংবাদপত্র এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তুরস্কে ইসলামি শক্তির উত্থান ঠেকাতে ওই কর্মকর্তারা অভ্যুত্থান করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁরা সফল হননি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিক চেনির অবস্থার উন্নতি
পিটার লং জানান, স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর চিকিত্সকেরা নিশ্চিত হয়েছেন, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ‘মাইল্ড হার্ট অ্যাটাকে’ আক্রান্ত হয়েছেন। তবে তিনি বর্তমানে অনেকটা সুস্থ। আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই তিনি বাড়ি ফিরতে পারবেন।
ইতিমধ্যে সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ হাসপাতালে তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন। তবে তাঁদের মধ্যে কী কথা হয়েছে, তার বিস্তারিত জানানো হয়নি।
৬৯ বছর বয়সী ডিক চেনি ১৯৭৮ সালে প্রথম হূদরোগে আক্রান্ত হন। এ নিয়ে তাঁর পঞ্চমবারের মতো মৃদু হার্ট অ্যাটাক হলো। ২০০১ সালে অপারেশনের মাধ্যমে তাঁর হার্টে পেসমেকার বসানো হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশু নির্বাসনের জন্য ভুল স্বীকার করল যুক্তরাজ্য
১৯২০ সাল থেকে ব্রিটেন তার নিজ ভূখণ্ডের তিন থেকে ১৪ বছর বয়সী বহু শিশুকে কমনওয়েলথভুক্ত বিভিন্ন দেশের এতিমখানা, উপাসনালয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলোতে রেখে আসা শুরু করে। সেখানে রেখে আসার আগে শিশুদের জানানো হতো, তাদের মা-বাবা মারা গেছেন। অন্যদিকে, দরিদ্র মা-বাবাকে বলা হতো, তাঁদের সন্তানকে উন্নত জীবনব্যবস্থায় রেখে আসা হবে। বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ করা হতো। তাদের ওপর চলত শারীরিক ও যৌন নির্যাতন। অভিভাবকদের তাঁদের সন্তানের ঠিকানা দেওয়া হতো না। ফলে শারীরিক ও মানসিকভাবে চরম নির্যাতনের শিকার হতো অভিবাসী ওই শিশুরা।
১৯৬০ সাল পর্যন্ত ব্রিটেন তার এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখে। মধ্যবর্তী এ সময়ে কমপক্ষে দেড় লাখ শিশুকে বিভিন্ন দেশে পাঠানো হয়। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়াতেই সবচেয়ে বেশি পাঠানো হয়।
এই অমানবিক কার্যক্রমের বিষয়ে গর্ডন ব্রাউন বলেন, তিনি এ ভুল নীতির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করছেন। তিনি বলেছেন, এটা অনেকের পুরো জীবন ধ্বংস করে দিয়েছে।
এর আগে গত সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার ব্যারোনেস ভ্যালোরি আমোসও এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তিনি ভুক্তভোগী বহু শিশুর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাদের ব্যক্তিগত দুঃখের ইতিহাস শুনেছেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাবমেরিনে কাজের অনুমতি পেলেন মার্কিন নারীরা
কর্মকর্তারা জানান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রবার্ট গেটস সুপারিশটি মঞ্জুর করে গত সোমবার আইনপ্রণেতাদের এই পরিকল্পনার কথা জানিয়ে কংগ্রেসে চিঠি পাঠিয়েছেন।
প্রেস সেক্রেটারি জিওফ মোরেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘নৌমন্ত্রী রে ম্যাবাস এবং চিফ অব ন্যাভাল অপারেশন অ্যাডমিরাল গ্যারি রোহেড এ পরিবর্তনের ব্যাপারে ইতিমধ্যে রবার্ট গেটসকে অবহিত করেছেন এবং গেটস এটি অনুমোদন করে কংগ্রেসে পাঠিয়েছেন।’
কর্মকর্তারা জানান, এটা কার্যকর হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে আইনপ্রণেতাদের এ বিষয়ে মন্তব্য করতে হবে।
মার্কিন নারীরা ইতিমধ্যে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও জঙ্গি বিমানে কাজ করেছেন। কিন্তু পরমাণু ক্ষমতাসম্পন্ন সাবমেরিনগুলোতে তাঁদের কাজের অনুমতি ছিল না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে তিনজনের শিরশ্ছেদ করেছে তালেবান
উত্তর ওয়াজিরিস্তানের প্রধান শহর মিরানশাহের পুলিশ কর্মকর্তা মুনির জামান বলেন, মৃতদেহগুলোর সঙ্গে চিরকুট সেঁটে দেওয়া ছিল। ওই চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আমেরিকার চর হিসেবে কাজ করার শাস্তি হিসেবে তাদের শিরশ্ছেদ করা হয়েছে। যারাই এ কাজ করবে তাদের একই ভাগ্য বরণ করতে হবে।’
অন্য একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেছেন, উত্তর ওয়াজিরিস্তানে আইনের শাসন একেবারেই অনুপস্থিত। এটা তালেবান-অধ্যুষিত এলাকা বলে পরিচিত। সম্প্রতি এখানে মার্কিন বিমান থেকে তালেবান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হচ্ছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলের গোয়েন্দা ছিলেন হামাসের প্রতিষ্ঠাতার ছেলে!
শুক্রবার প্রকাশিতব্য এক নিবন্ধে বলা হয়, ইসরায়েল ৩২ বছর বয়সী মোসাব হাসান ইউসুফের সহায়তায় ফিলিস্তিনিদের কয়েক ডজন হামলা প্রতিহত করেছে। এ ছাড়া ইসরায়েল মোসাবের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পশ্চিম তীর আন্দোলনের এক সময়কার সামরিক প্রধান ইব্রাহিম হামিদ এবং ২০০০ সালের ফিলিস্তিন আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা মারওয়ান বারগোতিকে গ্রেপ্তার করে।
গোয়েন্দা সংস্থার কাছে ইউসুফ ‘দ্য গ্রিন প্রিন্স’ নামে পরিচিত। খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণকারী ইউসুফ এখন ক্যালিফোর্নিয়ায় থাকেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উত্তর কোরিয়ার পরমাণু ইস্যু নিয়ে চীনে বৈঠক
ছয় জাতি বৈঠকের আয়োজক চীনের কর্মকর্তারা জানান, ওয়াশিংটন ও পিয়ংইয়ংয়ের একত্রে কাজ করার ইচ্ছার ওপরই আলোচনার ভবিষ্যত্ নির্ভর করছে। উত্তর কোরিয়া বের হয়ে যাওয়ায় ২০০৩ সালে শুরু হওয়া এ আলোচনা ১০ মাস আগে বন্ধ হয়ে যায়।
চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কর্মকর্তারা জানান, উত্তর কোরিয়াবিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত স্টিফেন বসওয়ার্থ চীনের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী উ দাওয়াইয়ের সঙ্গে গতকাল বৈঠক করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান আলোচক উই সুং-লাকও তাঁর দুই দিনের সফরে উ দাওয়াইয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
কর্মকর্তারা জানান, বসওয়ার্থ বেইজিং থেকে সিউল ও টোকিও যাবেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান পরমাণুবিষয়ক আলোচক সুং কিম।
সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়া সংলাপে ফিরে যাওয়ার জন্য জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং কোরীয় উপদ্বীপ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ব্যাপারে চাপ দিচ্ছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়াকে প্রথমে আলোচনার টেবিলে ফিরতে হবে।
মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কিম ইয়ং-ইল চীনের এক সিনিয়র কর্মকর্তা ওয়াং জিয়ারুই ও প্রেসিডেন্ট হু জিনতাওয়ের সঙ্গে দেখা করেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হেলমান্দের পর বড় অভিযান কান্দাহারে
গত মঙ্গলবার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড্যানিয়েল মেনার্ড জানান, হেলমান্দে চলমান অভিযানে তালেবান জঙ্গিদের পেতে রাখা বোমার মোকাবিলা করতে হচ্ছে ন্যাটো বাহিনীকে। হেলমান্দে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনী তালেবানের ৪০০ থেকে ৫০০টি ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস বা আইইডির (রাস্তার পাশে পেতে রাখা বোমা) মুখোমুখি হয়েছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, হেলমান্দের অভিযান শুরুর আগে বড় ধরনের প্রচার চালানো হয়। আর তাতেই তলেবান জঙ্গিরা বিদেশি সেনাদের ঠেকাতে বোমা পেতে রাখার সুযোগ পায়। কিন্তু তালেবানদের পেতে রাখা বোমা বিদেশি সেনাদের দমাতে পারবে না উল্লেখ করে মেনার্ড বলেন, কান্দাহার প্রদেশেও তালেবান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার জন্য একই ধরনের কৌশল অবলম্বন করা হবে। এর আগে এক বিবৃতিতে আইএসএএফ জানায়, নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি আইইডি।
আইইডির ব্যাপারে আরেকজন আঞ্চলিক কমান্ডার জানান, গত সপ্তাহে তাঁরা ডজনখানেক আইইডি নিষ্ক্রিয় করেছেন। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মেনার্ড বলেন, নিশ্চিতভাবেই আরও কয়েক শ বোমা পেতে রাখা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, হেলমান্দে সেনারা যে অভিজ্ঞতা অর্জন করছেন তা কান্দাহার অভিযানে কাজে লাগাতে পারবেন তাঁরা।
কয়েক দিন আগে মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান মাইক মুলেন বলেন, আইইডি একটি বড় সমস্যা হয়ে রয়েছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মেনার্ড বলেন, এই গ্রীষ্মে কান্দাহার অভিযানের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে তা অতিরিক্ত মার্কিন সেনা মোতায়েনের ওপর নির্ভর করছে। ওই অভিযানে সাধারণ নাগরিকদের ক্ষয়ক্ষতি সবচেয়ে কম রাখার চেষ্টা করা হবে।
কান্দাহারের গভর্নর তুরিয়ালি ওয়েসা জানিয়েছেন, প্রদেশের জঙ্গিমুক্ত এলাকায় তিনি ইতিমধ্যে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালু করেছেন। তিনি বলেন, ‘কান্দাহার মানে আফগানিস্তান। কান্দাহারে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা গেলে আফগানিস্তানও শান্তিপূর্ণ হয়ে উঠবে।’ মেনার্ড বলেন, আফগানদের এ ধরনের পদক্ষেপ ওই অঞ্চলে সাফল্য পাওয়ার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আফগানিস্তানের রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্র কান্দাহার। মাত্র এক হাজার কানাডীয় সেনা কান্দাহারে মোতায়েন রয়েছে। এ সুযোগে তালেবান জঙ্গিরা প্রদেশের বড় একটি এলাকায় তাদের প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশের ২৩ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পরিশোধিত মূলধন ঘাটতি এ বছরই মেটাতে হবে
বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ১৬ ফেব্রুয়ারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির সময়সীমা বাড়ানোর দাবি প্রত্যাখ্যাত হয়। অব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সমিতি বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন সময়সীমা ২০১১ সালের জুন পর্যন্ত, অর্থাত্ ছয় মাস বাড়ানোর দাবি করেছিল।
দাবি প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় আট মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর বড় অঙ্কের টাকা পরিশোধিত মূলধন খাতে জোগান দিতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপাত্তে দেখা যায়, দেশের ২৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ছয়টির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা বা এর বেশি রয়েছে। এগুলো হলো ইডকল, আইপিডিসি, ন্যাশনাল হাউজিং, পিপলস লিজিং, প্রাইম ফাইন্যান্স ও সাবিনকো। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ যথাক্রমে ৬৬ কোটি টাকা, ৭৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, ৫২ কোটি টাকা, ৭২ কোটি সাত লাখ টাকা, ৬৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকা ও ২১০ কোটি ৬১ লাখ টাকা।
বাকি ২৯টি প্রতিষ্ঠানেরই পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকার চেয়ে কম। এ বছরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঘাটতি-অর্থ পুনর্ভরণ করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, আট মাসের মধ্যে বে লিজিংকে ২৯ কোটি ৬০ লাখ টাকার তহবিল জোগাতে হবে পরিশোধিত মূলধন হিসেবে। বিএফআইসিকে ১৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা, বিআইএফসিকে ১৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, ডিবিএইচ ফাইন্যান্সকে নয় কোটি ৬৩ লাখ টাকা, ফারইস্ট ফাইন্যান্সকে ৩০ কোটি ৪২ লাখ টাকা, ফিডেলিটি অ্যাসেটকে ১০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, ফার্স্ট লিজিং ইন্টারন্যাশনালকে ২৭ কোটি টাকা, জিএসপি ফাইন্যান্সকে ২৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা, হজ ফাইন্যান্স কোম্পানিকে ৩৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা, আইডিএলসিকে ২০ কোটি টাকা, আইআইডিএফসিকে ১৭ কোটি ১২ লাখ টাকা, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংকে ২০ কোটি ৯০ লাখ টাকা, ইসলামিক ফাইন্যান্সকে ১৮ কোটি ১২ লাখ টাকা, লংকা-বাংলা ফাইন্যান্সকে ৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা, মাইডাস ফাইন্যান্সকে ১৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, ন্যাশনাল ফাইন্যান্সকে ২৫ কোটি টাকা, ফিনিক্স লিজিংকে ১৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, প্রিমিয়ার লিজিংকে ১২ কোটি ২৫ লাখ টাকা, রিলায়েন্স ফাইন্যান্সকে ১৫ কোটি টাকা, দি ইউএই বিডিকে ৩৪ কোটি ২২ লাখ টাকা, ইউএলসিএলকে ২৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা, ইউনিয়ন ক্যাপিটালকে ৮ কোটি ১৭ লাখ টাকা এবং উত্তরা ফাইন্যান্সকে ১৮ কোটি ৩২ লাখ টাকার তহবিল জোগাড় করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে কয়েক ধরনের পদক্ষেপের কথা বলা আছে। অব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো এখন এর যেকোনো এক বা একাধিক পথ অনুসরণ করতে পারে।
আইপিও বা রাইট শেয়ার ইস্যু বা বোনাস শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করা অথবা একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান একীভূত হওয়ার মাধ্যমে পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকায় উন্নীত করা যাবে।
পরিশোধিত মূলধনের ঘাটতি থাকা অবস্থায় কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধিনিষেধ রয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রগুলো বলছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বিশ্বের নামীদামি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো দেউলিয়া হয়ে পড়ায় মূলত বিশ্বব্যাপী সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেয়। বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করে, বিশ্বব্যাপী এই বিপর্যয়ের প্রভাব মোকাবিলায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঝুঁকি-ব্যবস্থাপনা, সম্পদের গুণগত মান উন্নয়ন এবং দক্ষ দায়সম্পদ ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ বিবেচনাগুলো সামনে রেখে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রগুলো বলছে, ব্যাংকিং মান-সংক্রান্ত ব্যাসেল কমিটির সুপারিশ (ব্যাসেল-২) এ ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করতে গেলে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিশোধিত মূলধন ভবিষ্যতে আরও বাড়াতে হবে। সে জন্য এ পর্যায়ে এসে সময় বৃদ্ধির দাবিকে তারা আমলে নেয়নি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংসদ এভিনিউয়ে ফিওনা অটোসের শোরুম উদ্বোধন
শোরুমটির উদ্বোধন করেন ফিওনা অটোসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তৌফিক হাসান ও বিসিএম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুমন ইসলাম। এ সময় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ফিওনা অটোসের এ শোরুম থেকে গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতাসাধারণের জন্য রয়েছে ৬০ থেকে ১০০ শতাংশ ঋণ নেওয়ার সুবিধা। এই শোরুমে ক্রাউন ২০০৫, লেক্সাস হেরিয়ার, নিশান টয়ানা, টয়োটা সিলিকা, মাজদা আরএক্স-৮, মিতসুবিশি পাজেরো, টয়োটা হাইলাক্স সার্ভসহ বিভিন্ন মডেলের গাড়ি রয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশেষ আইন প্রণয়ন করে প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক হবে
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রবাসীদের কল্যাণে এই ব্যাংক স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম থেকেই এই ব্যাংক স্থাপনে বিশেষ আইন প্রণয়নের পরামর্শ দিয়ে আসছিল।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যুক্তি হলো, দেশে বর্তমানে ৪৯টি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে। এ অবস্থায় নতুন ব্যাংকের প্রয়োজন যেমন নেই, একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে ব্যবসায়িকভাবে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংককে প্রতিষ্ঠা কষ্টসাধ্য মনে করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
উপরন্তু তফসিলি ব্যাংক হলে সেই ব্যাংকের বড় অঙ্কের মূলধন থাকতে হবে। প্রসঙ্গত, ব্যাংকিংয়ে আন্তর্জাতিক মানসংক্রান্ত ব্যাসেল কমিটির সুপারিশ অনুসারে (ব্যাসেল-২) বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে ব্যাংকগুলোর মূলধন ২০১১ সালের মধ্যে ৪০০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে নির্দেশ দিয়েছে।
প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংককে তফসিলি ব্যাংক হিসেবে নিবন্ধন নিয়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাতে ৪০০ কোটি টাকার মূলধন যার মধ্যে ২০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করতে হবে।
জানা গেছে, সরকার গঠিত কমিটি মনে করে, বিশেষ আইনের মাধ্যমে প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক স্থাপন করা উচিত। আর ব্যাংকটির মূলধন হবে ১০০ কোটি টাকা। প্রবাসীদের কল্যাণে সরকারের কল্যাণ তহবিল থেকে প্রাথমিক এই তহবিল জোগান দেওয়া হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৮ মাসের লক্ষ্য জিম্বাবুয়ের
বিভিন্ন কারণে খর্ব শক্তির দল হয়ে পড়ায় ২০০৬ সালে টেস্ট ক্রিকেট থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয় জিম্বাবুয়ে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভিয়াকে চাইছে ম্যানইউ
গুঞ্জনটা একেবারে অমূলকও নয়। দিমিতার বারবেতভের ধারাবাহিক বাজে পারফরম্যান্সের কারণেই একজন বিশ্বমানের স্ট্রাইকার খুঁজতে শুরু করেছে ম্যানইউ। কোচ অ্যালেক্স ফার্গুসন ভিয়ার পারফরম্যান্স নজরে রাখতে এরই মধ্যে নাকি ইউরোপের অন্যতম সেরা স্কাউট এবং তাঁর ভাই মার্টিনকে মাঠে নামিয়ে দিয়েছেন। তিনি ভ্যালেন্সিয়ার ম্যাচগুলো খুব মনোযোগ দিয়েই নাকি দেখছেন।
তবে শেষ পর্যন্ত ভিয়া ভ্যালেন্সিয়া ছাড়েন কি না এটাই দেখার বিষয়। কারণ এখন পর্যন্ত যে তাঁর ক্লাব চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার দৌড়েই আছে। ২৩ ম্যাচ শেষে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে তারা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বকাপের জন্য ভারত নিরাপদ: লরগাত
নিরাপত্তা? বিশ্বকাপের জন্য ভারতকে নিরাপদই বলছে আইসিসি। ‘বিশ্বকাপের বিশাল কর্মযজ্ঞ আমাদের কাঁধে এবং তা করতে চাই আমরা। পুরো নিরাপত্তার বিষয়টি চলমান একটা প্রক্রিয়া। সতর্কতার সঙ্গে আমরা এর মূল্যায়ন করব এবং টুর্নামেন্টের নিরাপত্তা বিধানে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থাই নেব। পাকিস্তানের মতো ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নই আমি’—বললেন সংস্থার প্রধান নির্বাহী হারুন লরগাত। ভারত, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায় আগামী বিশ্বকাপ যাতে নির্বিঘ্নে হয়, সে জন্য আইসিসির সব পূর্ণ সদস্যই একযোগে কাজ করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন লরগাত।
ভারত বিশ্বকাপের জন্য নিরাপদ কি না, সেটির প্রমাণ হয়ে যাবে পরীক্ষা হয়ে যাবে ভারতীয় ক্রিকেট লিগেই (আইপিএল)। আর টুর্নামেন্টের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আইপিএলের প্রধান লোলিত মোদি। তার পরও ২০১১ বিশ্বকাপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী সব দলের জন্য আলাদা নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন লরগাত
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রুনির জোড়া গোলে চেলসির কাছে ম্যানইউ
রুনি এখন ম্যানইউর গোলমেশিন। এ মৌসুমে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৫টি ম্যাচ খেলেছেন এই ইংলিশ স্ট্রাইকার। করেছেন ২৭ গোল। এর মধ্যে সর্বশেষ ১৯ ম্যাচের প্রত্যেকটিতেই গোল করেছেন। মৌসুমের শুরুতে নাকি কোচ অ্যালেক্স ফার্গুসন ৩০ গোলের লক্ষ্য বেঁধে দিয়েছিলেন রুনিকে। কিন্তু রুনির লক্ষ্যটা আরও ওপরে—উইঙ্গার হিসেবে ম্যানইউর পক্ষে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর করা এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ৪২ গোলের রেকর্ড।
যে গতিতে রুনি এগোচ্ছেন তাতে ওটা অসম্ভব কিছু নয়। আর সতীর্থদের থেকেও ভালোই সংগত পাচ্ছেন তিনি। মিলানের বিপক্ষে তাঁর একটি গোলের উত্স ছিলেন ভ্যালেন্সিয়া। পরশু ৩৮ ও ৫৫ মিনিটে করা রুনির দুটি গোলেরই উত্স ছিলেন তিনি।
রুনির জোড়া গোলে পাওয়া জয়ে পয়েন্ট তালিকায় চেলসির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে ম্যানইউ। এখন শীর্ষে থাকা চেলসির সঙ্গে তাদের পয়েন্ট ব্যবধান মাত্র ১। তবে এক ম্যাচ কম খেলেছে চেলসি। ২৭ ম্যাচে ৬১ পয়েন্ট কার্লো আনচেলত্তির দলের। ম্যানইউর ৬০ পয়েন্ট ২৮ ম্যাচে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শারমিনের ১.৬ পয়েন্টের আক্ষেপ
দলগত ইভেন্টে শারমিনের সোনা জয়ের সঙ্গী সাদিয়া সুলতানা অবশ্য একটু হতাশই করেছেন। ৮ জনের চূড়ান্ত পর্বের অলিম্পিক রাউন্ডে সপ্তম হয়েছেন তিনি। তাঁর স্কোর ৪৯০.৪। বাংলাদেশের আরেক শ্যুটার তৃপ্তি দত্ত প্রাথমিক পর্ব থেকেই বাদ পড়েছেন। একাদশ স্থানে নাম লেখানো তৃপ্তি দত্তের স্কোর ৩৮৭।
নেহার সঙ্গে যে একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে, সেই আভাসটা পাওয়া গিয়েছিল দলগত ইভেন্টে। দলগত ইভেন্টে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর করে সেই আভাস দিয়ে রেখেছিলেন ভারতীয় তরুণী। কাল তিনিই জিতে নিলেন সোনা। তবে স্নায়ুচাপে না ভুগলে হয়তো সাপতে পারতেন না শারমিনের সঙ্গে। শারমিন দিল্লি থেকে টেলিফোনে জানালেন, ‘আমি আসলে একটু বেশি স্নায়ুচাপে ভুগছিলাম। এ জন্যই হয়তো রেজাল্টটা খারাপ হলো।’ এসএ গেমসের স্কোরটা ধরে রাখতে পারলেই হতো। এসএ গেমসে করেছিলেন ৪৯৯.৪ স্কোর। এখানে করলেন ৪৯৪.৫। প্রাথমিক পর্বে ১০ শটের চারটি সিরিজে তিনি স্কোর করেন ৯৯, ৯৯, ৯৮ ও ৯৮। সব মিলিয়ে এল ৩৯৪। এরপর ফাইনালে, মানে শ্যুট অফে স্কোর করেন ১০.২, ১০.৪, ১০.১, ১০.৫, ১০.৫, ৯.৭, ৯.৩, ৯.৩, ৯.৪, ১০.২। সব মিলিয়ে ১০০.৫। অল্পের জন্য সোনার পদক হাতছাড়া করে একটু আফসোস হচ্ছে শারমিনের। তবে রুপা জিতেও অখুশি নন। কেননা, তিনি বুঝতে পারলেন শ্যুটিংয়ের বিশ্ব পর্যায়ে যাওয়ার সামর্থ্য তাঁর আছে। পরবর্তী লক্ষ্য হিসেবে বিশ্বকাপ শ্যুটিংকেই তাই পাখির চোখ করেছেন মাগুরার মেয়েটি। এ জন্য দেশে ফিরেই মগ্ন হতে চান নিবিড় অনুশীলনে।
কমনওয়েলথ শ্যুটিংয়ের অষ্টম দিন পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রাপ্তি দলীয় ও ব্যক্তিগত মিলিয়ে ১টি সোনা, ১টি রুপা ও ১টি ব্রোঞ্জ। আজ মেয়েদের প্রোনে লড়বেন সাবরিনা সুলতানা ও তৃপ্তি দত্ত।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আশরাফুল-রকিবুল তাহলে থাকছেন
আগের দিন নির্বাচক কমিটির তিন সদস্যকে বোর্ডসভায় ডেকে বলা হয়েছে, পারফরমারদেরই যেন দলে জায়গা দেওয়া হয়। আশরাফুল, রকিবুলের মতো যাঁদের ব্যাটে রান নেই, তাঁদের পুনর্বাসনের মাধ্যমে দলে ফেরানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে নির্বাচক কমিটিকে। সূত্র অবশ্য জানিয়েছে, এ ব্যাপারে নির্বাচক কমিটির মধ্যেও মতভেদ আছে। কেউ চাচ্ছেন আশরাফুল-রকিবুলকে আপাতত দলের বাইরে রাখতে, কেউ আবার প্রশ্ন তুলছেন—তাহলে বিকল্প কে?
ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত রান পাওয়া কয়েকজনের দিকে কারও কারও দৃষ্টি থাকলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের চাপ ওই ক্রিকেটাররা নিতে পারবেন কি না সে ব্যাপারে সংশয় আছে নির্বাচক কমিটির। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটা তাই সিডন্সের সঙ্গে বসেই নিতে চাচ্ছেন কমিটির তিন সদস্য। সে ক্ষেত্রে আশরাফুল-রকিবুলের এ যাত্রা দলে থেকে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তা ছাড়া এ মুহূর্তে আশরাফুল-রকিবুলকে বাদ দিলে নির্বাচক কমিটির ওপর বোর্ডের কর্তৃত্ব প্রমাণ হয়। দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচক কমিটি তা মানবে কি না, সেটাও একটা প্রশ্ন।
মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার ব্যাপারে বোর্ডের সতর্কবার্তা থাকায় কাল এসব নিয়ে নির্বাচক কমিটির কেউই সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে চাইলেন না। তবে প্রধান নির্বাচক রফিকুল আলম বোর্ড কর্মকর্তাদের সঙ্গে গত পরশুর কথোপকথনকে ইতিবাচকভাবেই নিচ্ছেন, ‘বোর্ড আমাদের নির্দিষ্ট কাউকে দল থেকে বাদ দিতে বলেনি। এটা একটা উন্মুক্ত আলোচনার মতো ছিল। দল গঠনে আমাদের ওপর কোনো চাপ নেই।’
আশরাফুল-রকিবুল ছাড়া এ মুহূর্তে নির্বাচকদের আরেক চিন্তার নাম মাশরাফি বিন মুর্তজা। সিডন্সের অনুপস্থিতিতে নির্বাচকেরা নিজেদের মধ্যে কেবল মাশরাফির বিষয়টি নিয়েই আলোচনা করেছেন। আলোচনার ফলাফল ইঙ্গিত দিচ্ছে, আজকের ম্যাচে পারফরম্যান্স ইতিবাচক হলে ওয়ানডে সিরিজের দলে চলেও আসতে পারেন মাশরাফি। সে ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ড সফরের দলে থাকা পেসার শাহাদাত হোসেনই হয়তো চলে যাবেন বাইরে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আজকের প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য মাশরাফি ছাড়াও বিসিবি একাদশে ডাক পেয়েছেন আফতাব আহমেদ ও জুনায়েদ সিদ্দিক। এ ম্যাচে সম্ভবত খেলছেন না নাঈম ইসলাম, শরীফউল্লাহ ও তাপস বৈশ্য। তবে কাল সন্ধ্যার বৃষ্টির পর ম্যাচটা সময়মতো শুরু হয় কি না, সংশয় দেখা দিয়েছে তা নিয়ে। কাভারে ঢাকা থাকায় হয়তো উইকেটটা বেঁচেছে, কিন্তু ফতুল্লা স্টেডিয়ামের আউটফিল্ড নষ্ট করে দেওয়ার জন্য যে ওটুকু বৃষ্টিই যথেষ্ট!
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
February
(816)
-
▼
Feb 26
(30)
- ছয় বছর পর স্কুল হকি
- আইপিএলে আগ্রহী এমসিসি
- বড় জয় চট্টগ্রামের
- আমরা যেন ন্যায়বিচারের ব্যত্যয় না ঘটাই by সুলতানা ক...
- বিডিআর বিদ্রোহের সেই দিন ও আজকের ভাবনা by এবিএম মূসা
- শত্রু শত্রু খেলা by সোহরাব হাসান
- পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক বছর
- ধর্মঘটে অচল গ্রিস
- অস্ত্রবিরতিতে স্বাক্ষর করেছে দারফুরের জেইএম বিদ্রো...
- পাকিস্তানে রকেট হামলায় চার সহোদর নিহত
- ‘পিয়ংইয়ংকে খাদ্য সাহায্য দিয়েছে বেইজিং’
- আলোচনা নিয়ে সরকার-মাওবাদী ঠেলাঠেলি
- কমনওয়েলথ থেকে বেরিয়ে যেতে পারে ফিজি
- তুরস্কে আরও সাতজন সেনা কর্মকর্তা রিমান্ডে
- ডিক চেনির অবস্থার উন্নতি
- শিশু নির্বাসনের জন্য ভুল স্বীকার করল যুক্তরাজ্য
- সাবমেরিনে কাজের অনুমতি পেলেন মার্কিন নারীরা
- পাকিস্তানে তিনজনের শিরশ্ছেদ করেছে তালেবান
- ইসরায়েলের গোয়েন্দা ছিলেন হামাসের প্রতিষ্ঠাতার ছেলে!
- উত্তর কোরিয়ার পরমাণু ইস্যু নিয়ে চীনে বৈঠক
- হেলমান্দের পর বড় অভিযান কান্দাহারে
- দেশের ২৩ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পরিশোধিত মূলধন ঘাটতি ...
- সংসদ এভিনিউয়ে ফিওনা অটোসের শোরুম উদ্বোধন
- বিশেষ আইন প্রণয়ন করে প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক হবে
- ১৮ মাসের লক্ষ্য জিম্বাবুয়ের
- ভিয়াকে চাইছে ম্যানইউ
- বিশ্বকাপের জন্য ভারত নিরাপদ: লরগাত
- রুনির জোড়া গোলে চেলসির কাছে ম্যানইউ
- শারমিনের ১.৬ পয়েন্টের আক্ষেপ
- আশরাফুল-রকিবুল তাহলে থাকছেন
-
▼
Feb 26
(30)
-
▼
February
(816)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...