Saturday, December 2, 2017
খাবারের অভাবে মেয়েদের বাল্যবিবাহ দিতে বাধ্য হচ্ছে রোহিঙ্গারা

এ ক্ষেত্রে প্রতি পরিবারে গড়ে পাঁচ জন সদস্য হিসাব করে ওই পরিমাণ চাল দেয়া হয়। তবে, অনেক পরিবারেই সদস্য সংখ্যা পাঁচের বেশি। এই ক্ষেত্রে বাড়তি সদস্যদের জন্য কোনো বাড়তি বরাদ্দ নেই। এমনিতেই, সাধারণ বরাদ্দে ৫ জনের একটি পরিবারের খাদ্য সংস্থান দুরূহ। তার উপরে বাড়তি সদস্যবিশিষ্ট পরিবারের জন্য ওই পরিমাণ চালে ক্ষুধা মেটানো সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই অনেক ক্ষেত্রেই রোহিঙ্গারা শুধুমাত্র খাবারের সংস্থান করতে পরিবারের অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। এতে অন্য একটি পরিবার গড়ে উঠে। ফলে সাহায্যপ্রাপ্ত চালের পরিমাণ বাড়ে। এভাবে তারা দু’বেলা পেটপুরে খেয়ে বাঁচতে পারে! এ প্রসঙ্গে ১৪ বছর বয়সী রোহিঙ্গা কিশোরী আনোয়ারা জানায়, যখন আমাকে বিয়ে দেয়া হয়, আমি সংসার সমপর্কে কিছুই বুঝতাম না। মিয়ানমারে আমাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়ার পর আমরা বাংলাদেশে পালিয়ে আসি। এখানে এসে আমাকে বিয়ে দিয়ে দেয় আমার পরিবার। ক’দিন আগেই মা হয়েছে এই কিশোরী। অন্য এক রোহিঙ্গা মরিয়ম জানায়, বাংলাদেশে পালিয়ে আসার তিন মাসের মধ্যে আমাকে বিয়ে দিয়ে দেয়া হয়। আমি বিবাহোত্তর শারীরিক সম্বন্ধ সমপর্কে কিছুই জানতাম না। যখন আমার বর এসে আমাকে ছোঁয়, আমি ভয়ে শিউরে উঠি। আমার ইচ্ছে করছিলো আমি ছুটে পালাই, কিন্তু আমি জানতাম বিয়ে না করে পরিবারের ওপর ভর করে থাকলে আমাকে খাওয়াতে কষ্ট হবে পরিবারের। তাই বিয়ে করি বাধ্য হয়ে। তবে উপায় থাকলে আমি এখন বিয়ে করতাম না। জীবনটাকে আরো উপভোগ করতাম। লেখাপড়া করতাম। জীবন সমপর্কে একটা পরিপূর্ণ ধারণা নেয়ার পরই বিয়ে করার ইচ্ছে ছিলো আমার। তবে, যেহেতু বিয়ে করতেই হয়েছে, আমি একজন ভালো স্ত্রী হওয়ার চেষ্টা করবো। ছয় মেয়ে এবং এক ছেলের জনক রোহিঙ্গা মোহাম্মদ। তিনি আক্ষেপের স্বরে বলেন, যদিও আমার জানা মতে মেয়েদের অপ্রাপ্ত বয়সে বিয়ে দেয়া উচিত না, কিন্তু আমার কিছু করার নেই। তাদের বিয়ে দিয়ে দিলেই তারা ভালো থাকবে। প্রতিবেলা পেট ভরে খেতে পারবে। তিনি একেক করে সব মেয়েকেই বিয়ে দিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন বলে জানান।
মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অত্যাচারে বাধ্য হয়ে দেশত্যাগ করা রোহিঙ্গারা তাবৎ বিশ্বের সহানুভূতি পাচ্ছে। তবে বাস্তবতার কিছু রুঢ় খড়গ থেকে তাদের রেহাই মিলছে না। এমনিতেই সেনাবাহিনীর নিধনযজ্ঞের সময় রোহিঙ্গা বালিকা এবং কিশোরীরা নির্যাতনের বড় লক্ষ্যবস্তু ছিলো। প্রায় প্রতিদিনই নারী এবং কিশোরী রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর চালানো গণধর্ষণের নতুন নতুন খবর পাওয়া যাচ্ছে। সে অত্যাচার থেকে হয়তো দেশ ছেড়ে পালিয়ে বেঁচেছে রোহিঙ্গারা। তবে, পালিয়ে আসার পর শুধু খাবারের অভাব পূরণ করতে যখন বাল্যবিবাহে বাধ্য হচ্ছে রোহিঙ্গারা, তখন কিন্তু আর বলার উপায় থাকছে না যে, তারা পালিয়ে মুক্তি পেয়েছে।
রোহিঙ্গাদের খাদ্যের ঘাটতির কথা জানানো হলে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের একজন কর্মকর্তা বলেন, আটজনের বেশি সদস্যবিশিষ্ট পরিবারের জন্য খাবারের বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। তবে খাবারের অভাবে রোহিঙ্গারা বাল্যবিয়েতে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে- এমন সম্ভাবনা থাকার কথা নয় বলে প্রথমদিকে দাবি করেন সংস্থাটির একজন মুখপাত্র। পরে অবশ্য এই বিষয়ে পরিচালিত সমীক্ষা এবং তথ্য-উপাত্ত জানতে পেরে তিনি মত পাল্টান। বলেন, বিষয়টি গভীরভাবে এবং গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
(দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত নিবন্ধের সংক্ষিপ্ত অনুবাদ করেছেন নাজমুস সাদাত পারভেজ)
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কী ঘটছে টিলারসনের ভাগ্যে!

এর প্রেক্ষিতেই টিলারসনকে সরিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প। তার জায়গায় বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রে কট্টর মনোভাব সম্পন্ন সিআইএ প্রধান মাইক পম্পেও’কে নিয়োগ দেয়া হবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কিন প্রশাসনের ওই কর্মকর্তা আরো জানান, কংগ্রেসে ট্রাম্পের কট্টর সমর্থক রিপাবলিকান সিনেটর টম কটনকে সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) প্রধানের দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। তিনি পম্পেও এর স্থলাভিষিক্ত হবেন। তবে এই পরিবর্তনের বিষয়টি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করেছেন কিনা সেই বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অপর এক কর্মকর্তা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট সব পরিকল্পনা এক জায়গায় রাখতে বলেছেন। এদিকে, অক্টোবরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী টিলারসন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ‘গাধা’ বলে সম্বোধন করেছেন। তার বরখাস্ত হওয়ার পেছনে এটা একটি কারণ। এছাড়া টুইটারে দেয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিষয়ে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করার মাধ্যমে টিলারসন নিজের সময় অপচয় করছেন। মূলত প্রেসিডেন্টের এই বার্তাতেই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তিক্ত সম্পর্কের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। মার্কিন প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, ট্রাম্প মূলত তাকে ‘গাধা’ সম্বোধন, উত্তর কোরিয়ার প্রতি নমনীয় মনোভাব ও কাতারের বিষয়ে মতভিন্নতার কারণে টিলারসনের ওপর চটেছেন। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, টিলারসনকে বরখাস্তের বিষয়ে কৌশল ঠিক করতে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ জন কেলিকে বলেছেন। এই বিষয়টি পরে অন্য কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই পরিকল্পনার বিষয়টি প্রথম প্রকাশিত হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষের দিকে অথবা নতুন বছরের শুরুতেই এই রদবদল ঘটতে পারে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, টিলারসনকে তার দায়িত্বে রাখা হবে কি না এই বিষয়ে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি তা এড়িয়ে যান। উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘তিনি এখানে রয়েছেন, রেক্স এখানে আছেন।’ এদিকে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিদার নর্ট বলেছেন, টিলারসন বরখাস্ত হতে পারেন এই খবর সত্য নয়। তিনি বলেন, টিলারসনের কর্মকাণ্ডে প্রেসিডেন্ট সন্তুষ্ট। এছাড়া হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র সারাহ স্যান্ডার্স টিলারসনের বরখাস্ত হওয়ার বিষয়ে বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এখনো তার দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘যখন প্রেসিডেন্ট কারো ওপর থেকে বিশ্বাস হারান, তারা আর এখানে কাজ করতে পারে না।’ টিলারসন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বেশিরভাগ সময়ই ট্রাম্পের একতরফা ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিকে আরো নমনীয় করার চেষ্টা করেছেন। তবে এক্ষেত্রে তার সফলতা সামান্যই। এমনকি অনেক সময় তার নেয়া কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রতি প্রকাশ্যেই অবজ্ঞা প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। টিলারসনের নীতি সম্পর্কে ভালো জানাশোনা আছে এমন একটি সূত্র জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখনই তার পরিকল্পনা ছিল ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন। এখন যদি তাকে বহিষ্কার করা হয়, তাহলে ট্রাম্প প্রশাসনের বরখাস্ত ও পদত্যাগকারী কর্মকর্তাদের তালিকায় নতুন নাম যোগ হবে।
আর জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ট্রাম্পের বিশ্বস্ততা অর্জন করার কারণে সম্প্রতি আলোচনায় এসেছেন সিআইএ প্রধান মাইক পম্পেও। মনে করা হচ্ছে তাকে টিলারসনের স্থলাভিষিক্ত করবেন ট্রাম্প। মাইক পম্পেও বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রে কট্টর মনোভাব সম্পন্ন। বিশেষ করে তিনি ইরানের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেন। পাশাপাশি কিভাবে সিআইএ’কে আরো আগ্রাসী করা যায় এবং দেশের বাইরে আরো সিআইএ কমকর্তা নিযুক্ত করার ওপর মনোনিবেশ করেন তিনি। ট্রাম্প মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমালোচনা করার পরও তিনি ছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। এই সময়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে টিলারসনের কিছুটা দূরত্ব সৃষ্টি হয়। গত মাসে বিদেশি কূটনীতিকদের সম্মানে দেয়া নৈশভোজে হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, টিলারসন প্রেসিডেন্টের কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে না নেয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এছাড়া রাশিয়ার বিষয়ে টিলারসন ট্রাম্পের থেকেও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি কাতারের ওপর চার আরব দেশের অবরোধ আরোপের বিষয়ে তিনি মধ্যস্থতা করতে চেয়েছেন। কয়েক মাস আগে চীনের বেইজিংয়ে টিলারসন বলেন, আলোচনার বিষয়ে ওয়াশিংটন উত্তর কোরিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। পরের দিন টিলারসনের ওই বক্তব্য নাকচ করে দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। টুইটার বার্তায় তিনি বলেন, টিলারসন সময়ের অপচয় করছেন। এছাড়া, কর্মী ছাঁটাই ও বাজেট কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়ায় টিলারসন ও প্রবীণ কূটনীতিকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এটিও টিলারসনকে সরিয়ে দেয়ার পিছনে অন্যতম কারণ।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে বাধা উপজাতিদের সশস্ত্র তৎপরতা by কাজী সোহাগ

শান্তি চুক্তির আবশ্যিক শর্ত হচ্ছে, জেএসএসের সশস্ত্র শাখা বা শান্তিবাহিনী তাদের সকল অস্ত্র ত্যাগ করবে এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে। বাস্তবতা হলো, শুরু থেকেই জেএসএসের সশস্ত্র শাখা এই শর্ত পালন করেনি। শান্তিচুক্তি সম্পাদনের পর অস্ত্র সমর্পণের দিনই শান্তিবাহিনীর একটি গ্রুপ শান্তিচুক্তিকে প্রহসন আখ্যা দিয়ে অস্ত্র সমর্পণের বিরোধিতা করে। পরে এ গ্রুপটি ইউপিডিএফ নামে আত্মপ্রকাশ করে। এদিকে শান্তিবাহিনীর মূল গ্রুপটিরও একাংশ অস্ত্র সমর্পণ না করে ভেতরে রয়ে যায় এ সন্দেহে যে, সরকার প্রতারণা করতে পারে। এ বাহিনী পরে ভেঙে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে আরেক নতুন গ্রুপের জন্ম হয় জনসংহতি সমিতি (সংস্কার) নামে। শান্তিচুক্তির দুই দশক এই তিন গ্রুপের সশস্ত্র লড়াইয়ের দশক। এই তিন গ্রুপের হত্যা, খুন ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, অপহরণ, নির্যাতন, দখল, পাল্টা দখল, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম এক বিভীষিকাময় মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি ইউপিডিএফ ভেঙে নতুন আরেক গ্রুপের জন্ম হয়েছে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) নামে। পাশাপাশি উপজাতী সশস্ত্র গ্রুপ নিজেদের সন্ত্রাসী তৎপরতা চালাতে পার্বত্য চট্টগ্রামকে চাঁদাবাজির অভয়ারণ্যে পরিণত করেছে। সেখানে চাঁদাবাজি একটা সিস্টেমে পরিণত হয়েছে। ডিম, মুরগি, ফল, সবজি বিক্রি থেকে শুরু করে সব ধরনের কৃষিকাজ, ব্যবসা, অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, সব ধরনের পেশার ওপর নির্ধারিত হারে চাঁদা ধার্য করে বছরে প্রায় ৪শ’ কোটি টাকা চাঁদা আদায় করে থাকে। চাঁদা না দিলে তারা হত্যা, গুম, অপহরণ, নির্যাতন চালায়। সিএইচটি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও পার্বত্য গবেষক মেহেদী হাসান পলাশ বলেন, শান্তিচুক্তির অপর পক্ষ জনসংহতি সমিতি নিজেরাও শান্তিচুক্তি শতভাগ মানতে ব্যর্থ হয়েছে। শান্তিুচুক্তিতে তাদের সকল সদস্যের অস্ত্র সমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার শর্ত থাকলেও তারা তা করতে ব্যর্থ হয়েছে। শান্তিচুক্তিতে তারা ‘উপজাতি’ হিসেবে নিজেদের স্বীকৃতি দিলেও এখন নিজেদের ‘আদিবাসী’ হিসেবে দাবি করছে। এসকল কারণে শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে সরকারের শতভাগ আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও বিলম্ব হচ্ছে। শান্তিচুক্তির একটি পুনর্মূল্যায়ন প্রয়োজন। এতে সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা বিরোধী এবং বৈষম্যমূলক সে সকল ধারার সংশোধন করে শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন বেগবান করা উচিত। এদিকে শান্তিচুক্তি সম্পাদনের পর পার্বত্য চট্টগ্রামে গৃহযুদ্ধ কমে যাওয়ায় দেশি-বিদেশি অর্থায়নে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট নির্মাণ, শিক্ষা, বিদ্যুৎ উন্নয়ন, অর্থনৈতিক, সামাজিক, কর্মসংস্থান, বনায়ন, পর্যটন, শিল্পায়ন, যোগাযোগ ও প্রযুক্তিসহ প্রভৃতি খাতে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। সাজেক, নীলগিরি, নীলাচল, আলুটিলা, লেক ভিউ আইল্যান্ড, আরণ্যক কমপ্লেক্সের মতো দেশের সেরা পর্যটন স্পট তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও বেসরকারি বিনিয়োগে তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে অসংখ্য পর্যটন রিসোর্ট, হোটেল প্রভৃতি। খাগড়াছড়ি-সাজেক, বান্দরবান-আলীকদমের মতো উঁচু ও দুর্গম এলাকায় সড়ক নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আরো ১০৫ কি.মি. সড়ক নির্মাণাধীন রয়েছে এবং প্রায় ৮৬০ কি.মি. রাস্তা নির্মাণ পরিকল্পনায় রয়েছে। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে তিনটি স্থলবন্দর নির্মাণ এবং টেলিযোগাযোগের ব্যাপক উন্নয়নের ফলে বাণিজ্য এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রেও প্রভূত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এদিকে শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের শর্তানুযায়ী এ পর্যন্ত একটি ব্রিগেডসহ ২৩৮টি বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা বাহিনীর ক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়েছে। শান্তিচুক্তির ৩৪ ধারা অনুযায়ী ইতিমধ্যে খাগড়াছড়ি জেলার ৩০টি বিভাগ, রাঙ্গামাটি জেলার ৩০টি বিভাগ এবং বান্দরবান জেলার ২৮টি বিভাগ হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘ খণ্ডের ১ ধারা অনুযায়ী ভারত প্রত্যাগত ১২ হাজার ২২৩টি উপজাতীয় শরণার্থী পরিবারকে ইতিমধ্যে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে। ২০ বছর পূর্বে যারা চাকরি ত্যাগ করেছিল তাদের চাকরিতে পুনর্বহাল করা হয়েছে। তাদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করার জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। প্রত্যাবাসিত শরণার্থীদের ভূমি সমস্যার সমাধান কল্পে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এই কমিশনের ৬ষ্ঠ চেয়ারম্যান নিয়োগ বিবেচনাধীন রয়েছে। ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন-২০০১ সংশোধন করা হয়েছে। এ কমিশন কার্যকর করার লক্ষ্যে বিধিমালা তৈরির কাজ প্রক্রিয়াধীন। তবে জেএসএস সভাপতি ও আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তু লারমার মতে, সরকার শান্তিচুক্তির মাত্র ২৫টি ধারা বাস্তবায়ন করেছে। এছাড়াও ১৩টি ধারা আংশিক বাস্তবায়ন করেছে এবং ৩৪টি ধারা অবাস্তবায়িত রয়ে গেছে। তিনি শান্তিচুক্তি বাস্তবায়িত না হওয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে একাধিকবার অসহযোগ আন্দোলনেরও ডাক দিয়েছেন। একইসঙ্গে এ চুক্তি বাস্তবায়িত না হলে পুনরায় সহিংস আন্দোলন শুরু হতে পারে বলেও হুমকি দিয়ে রেখেছেন।
গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শান্তিচুক্তি দিবস উপলক্ষে দেয়া বক্তব্যে বলেন, শান্তিচুক্তির বেশিরভাগই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। চুক্তির সময় ৭২টি শর্ত ছিল। এর মধ্যে ৪৮টি শর্ত সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ১৫টি আংশিক বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বাকি যেসব শর্ত আছে সেগুলোও বাস্তবায়ন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের চাহিদামতো সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করে নিয়েছি। চুক্তির বাইরেও অনেক কাজ ব্যাপকভাবে করা হয়েছে। কারণ এই অঞ্চল দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করতে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর কোনো দেশে এভাবে শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন করা হয়েছে কিনা জানি না। তিনি বলেন, এই শান্তিচুক্তির সরাসরি বিরোধিতা করেছিল বিএনপি। তারা বলেছিল শান্তিচুক্তি হলে ফেনী পর্যন্ত ভারতের দখলে চলে যাবে। যেদিন খাগড়াছড়িতে অস্ত্র সমর্পণ অনুষ্ঠান করা হয়েছিল সেদিন বিএনপি হরতাল ডেকেছিল। জানি না তারা এটা কেন করেছিল। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের শেষ দিকে তিন পার্বত্য জেলায় বসবাসরত অধিবাসীদের অভিনন্দন জানান ও তাদেরকে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে বসবাসের আহ্বান জানান।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পোপের মুখে ‘রোহিঙ্গা’

এর আগে মিয়ানমার সফরে এবং বাংলাদেশ সফরে আন্তঃধর্মীয় অনুষ্ঠানের আগ পর্যন্ত রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ করা থেকে বিরত থাকেন তিনি। মিয়ানমারে আসার আগে মিয়ানমারের আর্চবিশপ পোপকে এমন পরামর্শই দিয়েছিলেন।
পোপ ফ্রান্সিসও সতর্কতার সঙ্গে রোহিঙ্গা শব্দটি এড়িয়ে গেছেন। তাদের আখ্যা দিয়েছেন রাখাইনের বাস্তুচ্যুত জনগণ হিসেবে। অথচ এর আগে বহুবার নিপীড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস। ভাগ্যহত এ জনগোষ্ঠীকে নিজের ভাই বোন বলে আখ্যা দিয়েছেন। রোহিঙ্গাদের রোহিঙ্গা বলেই সম্বোধন করেছেন। কিন্তু এবারের মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সফরেই তার ব্যতিক্রম দেখা যায়। ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের ধর্মগুরু এবারে শুধু রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ করলেন তাই নয়। শক্তিশালী এক উক্তিতে ব্যবহার করলেন রোহিঙ্গা শব্দটি। বললেন, ‘আজ সৃষ্টিকর্তার উপস্থিতির নামও রোহিঙ্গা।’
বিবিসির খবরে বলা হয়, মিয়ানমারে অবস্থানকালে রোহিঙ্গাদের রোহিঙ্গা না বলায় মানবাধিকার গ্রুপগুলোর তরফে সমালোচনার শিকার হন পোপ। অবশ্য ঢাকার কাকরাইলে হওয়া আন্তঃধর্মীয় অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যেও রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ করেন নি তিনি। পরে এক মন্তব্যে পোপ উক্তিটি করেন।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চট্টগ্রামে ইয়াবার রাজ্য by ইব্রাহিম খলিল

পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার বলেন, চট্টগ্রামের কোথাও ইয়াবা তৈরি হয় এমন প্রমাণ এখনো মেলেনি। অথচ দেশের সিংহভাগ ইয়াবা ধরা পড়ছে শুধু চট্টগ্রামেই। তিনি বলেন, কক্সবাজারের সীমান্ত পেরিয়ে আসা এসব ইয়াবা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। আর ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে চট্টগ্রামের মধ্যবর্তি সড়ক ও জলপথগুলো। শুধু ট্রানজিট হিসেবে চট্টগ্রামের মধ্যদিয়ে ইয়াবা পাচার হচ্ছে তা নয়, সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রামের সর্বত্র বিক্রয় ও সেবন বেড়েছে ইয়াবার। আর এই কাজে জড়িত হয়ে পড়ছে স্বয়ং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোকজনও। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের নৌ পুলিশের এক এএসআই এক হাজার ইয়াবাসহ নগর গোয়েন্দা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। এর আগেও ইয়াবাসহ আরো একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা ধরা পড়ে। সংশ্লিষ্ট এসব পুলিশ কর্মকর্তাদের চাকুরি থেকে বরখাস্তসহ আইনি ব্যবস্থা নেয়া হলেও যেন ব্যর্থ হচ্ছি আমরা-বললেন পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ইয়াবা পাচারে এখন সভ্য শ্রেণির মানুষ হিসেবে বিবেচিত পুলিশ, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক, ব্যবসায়ী সবাই জড়িত হয়ে পড়েছে। এমনকি বাস-কাভার্ড ভ্যান-প্রাইভেট কার, সিএনজি অটোরিকশা ও রিকশা চালকরাও পাচার করছে ইয়াবা। ওষুধের আড়ালেও দোকানে বিক্রয় হচ্ছে ইয়াবা, ভাসমান চা বিক্রির দোকানেও বিক্রয় হচ্ছে ইয়াবা। শুধু পাচার বা বিক্রয় নয়, সেবনও করছে তারা। চট্টগ্রামের সর্বত্র ধনী থেকে ফকির পর্যন্ত সবশ্রেণির মানুষ ইয়াবা পাচার, বিক্রয় ও সেবনে জড়িত। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সংরক্ষণ শাখার এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চট্টগ্রামে গড়ে প্রতিদিন ৮-১০টি ইয়াবার চালান ধরা পড়ছে। এতে ১০-১৫ হাজার বা তারও বেশি ইয়াবা উদ্ধার হচ্ছে। এমনকি কোনো কোনো চালানে ৫০ হাজার বা এক লাখ ইয়াবা পর্যন্ত ধরা পড়ে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে কক্সবাজার থেকে আসা ঢাকাগামী গ্রীণলাইনের একটি বাসে ৬৮ হাজার ইয়াবা ধরা পড়ে। এর আগে সকালে পণ্যবাহী একটি ট্রাকে ধরা পড়ে ৩৬৪৪০টি ইয়াবা। এভাবে প্রতিমাসে গড়ে ইয়াবা উদ্ধারের সংখ্যা ৪ থেকে ৫ লাখ পর্যন্ত ছাড়িয়ে যাচ্ছে। যার বাজার মূল্য ২০ কোটি টাকারও বেশি। আর এসব ইয়াবা পাচারে বাস-কাভার্ড ভ্যান, প্রাইভেট কার, সিএনজি অটোরিকশা চালক সবচেয়ে বেশি জড়িত বলে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া নগরীর সর্বত্র ইয়াবা বিক্রেতা নারী-পুরুষ এমনকি কয়েকজন শিশু ও কিশোরের নামও উল্লেখ রয়েছে। রয়েছে রাজনৈতিক নেতাকর্মী, পুলিশ ও সাংবাদিক পরিচয়ে ইয়াবা পাচারের সংক্ষিপ্ত বিবরণও। তার সঙ্গে ইয়াবা পাচারের বিবরণীতে নতুন করে যুক্ত হয়েছে রোহিঙ্গা নারী ও পুরুষরাও। চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার মো. কামরুজ্জামান বলেন, ইয়াবা পাচার রোধে আমরা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কের শাহ আমানত সেতুর টোল প্লাজা, কালুরঘাট সেতুর এলাকায় পুলিশের বিশেষ তল্লাশী টিম সক্রিয় রয়েছে। সাগর ও কর্ণফুলী নদীপথে কোস্টাগার্ড রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কর্ণফুলী উপজেলা, পটিয়া, সাতকানিয়া, চকরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের তল্লাশি চৌকি রয়েছে। নগরীর সর্বত্র ঢাকা-কক্সবাজার-সিলেট-রাজশাহী-খুলনাগামী সব বাস স্টেশনগুলোতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। এছাড়া র্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও ইয়াবা বিরোধী অভিযানে তৎপর রয়েছে। যাদের হাতে প্রতিদিন কোন না কোন ইয়াবার চালান ও পাচারকারী ধরা পড়ছে। আটক হচ্ছে বিলাসবহুল দুরপাল্লার বাস-কাভার্ড ভ্যান, প্রাইভেট কার, সিএনজি অটোরিকশাসহ চালক ও সহকারীরা। তিনি জানান, চট্টগ্রাম থেকে ইয়াবা পাচারে আটক শ্যামলী পরিবহণের চারটি, সাউদিয়া পরিবহণের তিনটিসহ গ্রীণ লাইন পরিবহণের ৩টি, ঈগল পরিবহণের ২টিসহ ২১টি দুরপাল্লার বিলাসবহুল গাড়ি, ৪টি কাভার্ড ভ্যান, ১০-১১টি প্রাইভেট কার, এবং ৩০-৩২টি বাস-মিনিবাস নগরীর বিভিন্ন স্থানে সড়কে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে আছে। আটক হয়ে জেলে রয়েছে এসব গাড়ির মালিক, চালক ও সহকারীরা। তবুও যেন কমছে না ইয়াবা পাচার। বরং মনে হচ্ছে ইয়াবা পাচার, বিক্রয় ও সেবনকারীরা সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। যা থেকে সহজেই অনুমেয় যে, পুলিশ, র্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্ততরসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে যে পরিমাণ ইয়াবা ধরা পড়ছে তার চেয়ে শতগুণ বেশি ইয়াবা পাচার হয়ে যাচ্ছে। বিক্রি বাড়ছে যত্রতত্র। সেবন করছে যে কেউ। আর এ নিয়ে উদ্বিগ্ন পুলিশ প্রশাসন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, চট্টগ্রামে সবমিলিয়ে প্রায় ৭ হাজারের মতো পুলিশ সক্রিয় রয়েছে। এরমধ্যে অধিকাংশই এখন ইয়াবা পাচার ও উদ্ধার কাজে সক্রিয়। ফলে চট্টগ্রাম মহানগরীর অন্য সামাজিক অপরাধ রোধে তেমন ভূমিকাই রাখতেই পারছে না পুলিশ। ফলে চট্টগ্রাম শহরে চুরি-ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডও বেড়ে চলেছে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অ্যাঞ্জেলিনা জোলি হতে গিয়ে...

দ্য সান পত্রিকার রিপোর্টে প্রকাশিত হয়, তাবার নাকি জেদ ধরেছিলেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলির মতো মুখমণ্ডলকে তৈরি করতে তিনি যা দরকার হয় তাই-ই করবেন। সেই মতো অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেন। শুধু তাই নয়, ডায়েট কন্ট্রোলও এমন ভাবে শুরু করেন যে একটা সময় দেখা যায়, তার ওজন ৪০ কেজিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে! কিন্তু এ কী! অস্ত্রোপচারের পর দেখা যায়, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তো দূরে থাক, নিজের আগের রূপের থেকেও ‘কুৎসিত’ দেখতে হয়ে যান! নিজের নতুন রূপের ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করতেই ট্রোলড হতে থাকেন তাবার। কেউ কেউ তাঁকে ‘জম্বি’র সঙ্গে তুলনা করেছেন। কেউ আবার কটাক্ষ করে বলেছেন, কে তার মুখের উপর বোমা ফেলেছে, যে এমন দশা হয়েছে! অনেকেই আবার তাবারের এই কর্মকাণ্ডকে ‘পাগলামো’ বলে ভর্ৎসনাও করেছেন।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিদ্যুতের দাম না বাড়ালেও চলতো : জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম তামিম

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ▼ 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...