Thursday, May 30, 2013
কেন এই বিতর্ক? by সাজেদুল হক
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভাবের ঘরে চুরি by সাযযাদ কাদির
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মঞ্জুর হত্যা মামলায় আদালতে এরশাদ by মবিনুল ইসলাম
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ কোন পথে? by আলী রীয়াজ
কিন্তু ইতিহাস হচ্ছে একটা কূপের মতো, আপনি কতটা গভীর পর্যন্ত খুঁড়তে চান তার ওপর নির্ভর করবে আপনি শেষ পর্যন্ত কী ধরনের প্রমাণ সংগ্রহ করতে সক্ষম হচ্ছেন। ধর্মভিত্তিক দল ও রাজনীতি বাংলাদেশের রাজনীতির প্রধান প্রশ্ন ছিল না মানে কি এই যে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি কখনোই আমাদের ইতিহাসকে প্রভাবিত করেনি?
১৯৪৭ সালে বাংলা প্রদেশ ভাগ হবে কি না সে প্রশ্ন নির্ধারণের ক্ষেত্রে যে সংগঠনের ভূমিকা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা হলো হিন্দু মহাসভা। ইতিহাসের সনিষ্ঠ পাঠকেরা জানেন যে হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী, আবুল হাশিম এবং শরৎ বসু স্বাধীন-সার্বভৌম যুক্তবাংলা গঠনের যে প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন, নিখিল ভারত হিন্দু মহাসভার সভাপতি শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি সে প্রস্তাবের বিরোধিতা করে ভাইসরয় লর্ড মাউন্ট ব্যাটেনের কাছে তীব্র প্রতিবাদ করেন। ২ মে ১৯৪৭ সালে একটি চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘একটি স্বাধীন অবিভক্ত বাংলা সম্বন্ধে কিছু এলোমেলো কথাবার্তা শোনা যাচ্ছে। এর ভাবার্থ আমাদের কাছে একেবারেই বোধগম্য নয় এবং আমরা এর সমর্থন কোনোভাবেই করি না। হিন্দুদের কাছে এই পরিকল্পনা কোনো উপকারে আসবে না। স্বাধীন অবিভক্ত বাংলা প্রকৃতপক্ষে একটি পাকিস্তানের রূপ নেবে... আমরা কোনোভাবেই ভারতের অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চাই না (দেখুন, মাউন্ট ব্যাটেন পেপারস, নিকোলাস মানসার্গ ও অন্যান্য, দ্য ট্রান্সফার অব পাওয়ার, ১৯৪২-৪৭, ভলিউম ১০, পৃ. ৫৫৭। তা ছাড়া হিন্দু মহাসভার ভূমিকা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন জয়া চ্যাটার্জি তাঁর বেঙ্গল ডিভাইডেড বইয়ে)। বিস্মৃত হওয়ার সুযোগ নেই যে হিন্দু মহাসভাই কালক্রমে ভারতে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপির জন্ম দিয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ বলে পরিচিত ভূখণ্ডে ইসলামপন্থী রাজনীতির উপস্থিতি আরও পুরোনো। কার্যত, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে, বিদেশি শাসনের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী সংগ্রামের মধ্যেই তার উদ্ভব। ঊনবিংশ শতাব্দীর গোড়ায় হাজী শরীয়তউল্লাহ্র নেতৃত্বে সংঘটিত ফারায়েজি আন্দোলন, বিশেষত দুদু মিয়ার নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন এবং তিতুমীরের নেতৃত্বে তারিক-ই-মুহাম্মাদিয়ার প্রভাবে ‘বাঁশের কেল্লা’ বলে পরিচিত আন্দোলন এই ধারার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি। সমাজসংস্কারের এসব আন্দোলন কালক্রমে রাজনৈতিক রূপ লাভ করেছিল। পরে কংগ্রেস এবং মুসলিম লিগের শক্তি সঞ্চয় হলে, তারাই প্রধান দলে পরিণত হলে এসব আন্দোলন হারিয়ে যায়। কিন্তু বাংলাদেশের সমাজ মানসে, প্রচলিত লোককথায়, সংস্কৃতিতে তার প্রভাব একেবারে অবসিত হয়ে যায়নি। এখানে এটাও জোর দিয়ে বলতে চাই যে এই ধারার সঙ্গে অতিসমপ্রতি জামায়াতে ইসলামীর যোগাযোগ এবং ঘনিষ্ঠতা তৈরি হলেও জামায়াত এই ধারার রাজনীতির প্রতিনিধি নয়। কিন্তু একটা প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, তা হলো—আমরা কি এখন বহুধা বিভক্ত ইসলামপন্থী রাজনীতিকে একটি কেন্দ্রে সম্মিলিত হতে দেখছি?
আমরা এখানে এলাম কীভাবে?
ইসলামি রাজনীতির ধারা যদি মুসলিম লিগ আর কংগ্রেসের সাফল্যের কারণে ১৯৪৭ সালে নাগাদ দুর্বল ও প্রায়-নিঃশেষিত হয়ে গিয়ে থাকে, তবে আমরা আজকে কেন তার এই শক্তি দেখতে পাই—এ বিষয়টি বোঝা খুব জরুরি। বাংলাদেশের লোককথায় যে ইসলামি আন্দোলন, সেই ধারাটি পাকিস্তানি শাসনামলে (১৯৪৭-১৯৭১) আর বেগ লাভ করতে পারেনি, তার কারণ বহুবিধ। এর মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান রাষ্ট্রের আদর্শ হিসেবে ইসলামকে গ্রহণ, পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ, আর্থসামাজিক পরিবর্তন ও জামায়াতে ইসলামীর আবির্ভাব। জামায়াতের নেতারা, এমনকি তাঁদের দীক্ষাগুরু আবুল আলা মওদুদী, প্রচলিত অর্থে মাদ্রাসায় শিক্ষিত নয়। পাকিস্তান আমলে জামায়াতে ইসলামী ইসলামপন্থীদের নতুন রাজনীতির জন্ম দেয়, যা নগরকেন্দ্রিক, আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিতদের নেতৃত্বাধীন এবং যার লক্ষ্য মানুষের আধ্যাত্মিক মুক্তি নয়, এমনকি সমাজে ইসলামি মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা পর্যন্ত নয়, কেবল রাষ্ট্রক্ষমতা দখল। পাকিস্তান আমলে ইসলামপন্থী রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামীর আধিপত্য ছিল, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের কাছে ও রাজনীতির প্রধান ধারায় তারা কোনো আবেদন রাখতে পারেনি; তার অন্যতম কারণ হলো সাধারণ শিক্ষার প্রসার, মধ্যবিত্ত শ্রেণীর বিকাশ, নগরায়ণ, বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রভাব এবং পাকিস্তানিদের শোষণ।
বাংলাদেশে ১৯৭৮ সালের পর জামায়াতে ইসলামী এবং ১৯৮১ সালে মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহর (হাফেজ্জি হুজুর) রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ার মধ্য দিয়ে কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক ইসলামপন্থীরা রাজনীতিতে ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করেছে। জিয়া ও এরশাদের আমলে রাষ্ট্রীয় আনুকূল্য, সাংবিধানিক বৈধতা প্রদান, রাষ্ট্রধর্মের ঘোষণা এবং একই সময়ে প্রধান দুই দল বিএনপি ও আওয়ামী লীগের আশ্রয়-প্রশ্রয় যেমন জামায়াতে ইসলামীকে শক্তিশালী করেছে, তেমনি কওমি মাদ্রাসার প্রসারের কারণে মাদ্রাসাভিত্তিক ইসলামপন্থী দলগুলোর ভিত্তি জোরালো হয়েছে। সামরিক শাসকেরা তাঁদের অবৈধ শাসনকে বৈধতা দিতে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির শরণাপন্ন হয়েছেন, অন্যদিকে ১৯৯১-পরবর্তী সময়ে নির্বাচনী রাজনীতির অতিসরলীকৃত অঙ্কের বিবেচনায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ধর্মভিত্তিক দলগুলোর সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলেছে। দলগুলোর আচরণ থেকে মনে হয়, তাদের এই ধারণা হয়েছে যে সাধারণ মানুষের ধর্মানুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীলতার প্রমাণ দিতে হলে ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে সব সময় তাদের সঙ্গে রাখা দরকার।
দেশের ইতিহাস এবং অভ্যন্তরীণ ঘটনাপ্রবাহ ধর্মভিত্তিক রাজনীতির প্রসারের কারণ সম্পর্কে একটা ধারণা দেয়; কিন্তু তা সম্পূর্ণ চিত্রটি তুলে ধরে না। কেননা দেশের বাইরের ঘটনাপ্রবাহও এর পেছনে কাজ করেছে। তা ছাড়া প্রশ্ন থাকছে ধর্মভিত্তিক দল শক্তিশালী হয়ে উঠলে তার ফল কী।
l আগামীকাল পড়ুন: ধর্মভিত্তিক রাজনীতির প্রভাব বোঝার অক্ষমতা
আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগেরঅধ্যাপক।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংলাপ, তত্ত্বাবধায়ক ও একদলীয় নির্বাচন by মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
সরকার কে চালাচ্ছে? কীভাবে চালাচ্ছে? মন্ত্রীরা কেন এত বেদিশা হয়ে উঠেছেন, তা অনুমান করা কঠিন নয়। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী নির্বাচন হবেই—এমন নিশ্চয়তা মন্ত্রীরা পাচ্ছেন না। তাহলে? যদি অন্য রকমভাবে নির্বাচন হয়, তাহলে কি তাঁদের দল জিততে পারবে? জিততে না পারলে কী হবে, তা অনুমান করতে মন্ত্রীদের বেশি সময় লাগার কথা নয়। এ মুহূর্তে রাজনীতির অঙ্গনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, সংলাপ। অথচ সেই সংলাপ নিয়েও নানা রকম কথা বলছেন মন্ত্রীরা। এ ব্যাপারে রাজনৈতিক পরিবেশ সবচেয়ে বেশি উত্তপ্ত করেছেন পরিবেশমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। এক মানববন্ধনে তিনি এসে ঘোষণা করেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পদে শেখ হাসিনা ছাড়া নির্বাচনকালীন কোনো সরকার হবে না। শেখ হাসিনার প্রশ্নে আপস নেই।’ এর মাধ্যমে তিনি তাঁর নেত্রীকে তাঁর ব্যক্তিগত আনুগত্যের বার্তাও দিয়ে দিলেন। বেচারা! সরকার একদিকে শর্তহীন সংলাপের কথা বলছে, অন্যদিকে আওয়ামী লীগের কিছু নেতা বলছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পদে শেখ হাসিনাকে রেখেই অন্তর্বর্তী সরকার হবে।’ সর্বশেষ আবার সৈয়দ আশরাফ বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পদে শেখ হাসিনাকে রাখতে হবে এমন কোনো শর্ত তাঁরা দেননি। এই পদ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।’ প্রধানমন্ত্রী একবার বলেছেন, ‘যেকোনো স্থানে আলোচনা হতে পারে।’ এখন বলছেন, ‘যা কিছু বলার শুধু সংসদে এসে বলতে হবে।’
বিগত সাড়ে চার বছরের শাসনকালের কথা মনে পড়লে মন্ত্রীদের উল্টাপাল্টা কথা বলাই স্বাভাবিক। কারণ, তাঁরা জানেন, নির্দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তাঁদের পরিণতি কী হবে। এক পার্সেন্ট ঝুঁকি নিতেও তাঁরা রাজি নন। কিন্তু মনে হয় নিজেদের ব্লুপ্রিন্ট মতো নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। দেশে তো বটেই, বিদেশিদেরও ধারণা, নির্দলীয় সরকার ছাড়া উপায় নেই। সরকার এ কথা বুঝতে পেরেছে যে দেশের বেশির ভাগ মানুষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে। যারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতির পক্ষে তারা সবাই বিএনপির সমর্থক, এমন মনে করার কোনো কারণ নেই। প্রথম আলো সম্প্রতি যে মতামত জরিপ প্রকাশ করেছে (পরিচালনা করেছে একটি পেশাদারি সংস্থা), সেখানেও ৯০ শতাংশ লোকের মত তত্ত্বাবধায়কের পক্ষে। অনেকে এই মতামত জরিপ নিয়ে নানা সমালোচনা করেছেন। কিন্তু বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সারা বিশ্বে যে পদ্ধতিতে মতামত জরিপ পরিচালিত হয়, এখানেও তাই হয়েছে। ব্যতিক্রম কিছু নয়। প্রথম আলোর মতামত জরিপের পদ্ধতি নিয়ে কেউ কোনো প্রশ্ন তোলেননি। সাধারণ আলোচনায়ও দেখা যাচ্ছে, বেশির ভাগ মানুষ এবং ১৪ দলের বাইরে সব রাজনৈতিক দলই তত্ত্বাবধায়কের পক্ষে। আমাদের ধারণা, সবাই নির্বাচনে একটা লেভেল প্লেয়িং মাঠ চায়। দলীয় সরকার ক্ষমতায় থাকলে সেই লেভেল প্লেয়িং মাঠটি পাওয়া যাবে না।
আওয়ামী লীগের কিছু নেতা শেখ হাসিনাকেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান রাখার ব্যাপারে উচ্চকণ্ঠ। নেত্রীকে খুশি করার এটা কৌশল। তাঁরা ভালোই জানেন, তাঁদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে না। তবু নেত্রী তো জানতে পারলেন, তিনি (ওই নেতা) নেত্রীর কত অনুগত! আমাদের বড় দুই দলে নেত্রীর প্রতি ব্যক্তিগত আনুগত্য প্রদর্শনের লড়াই রাজনীতির অনেক ক্ষতি করেছে। আমাদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতেও এই আনুগত্যের সংস্কৃতি অব্যাহত থাকতে পারে।
অন্তর্বর্তী সরকার ও প্রধানমন্ত্রী পদে শেখ হাসিনাকে রেখে সংসদ নির্বাচনের যে বক্তব্য আওয়ামী লীগ দিয়ে যাচ্ছে, তাতে মনে হয় আলোচ্য ইস্যু নিয়ে কোনো গঠনমূলক আলোচনায় তারা আগ্রহী নয়। আমাদের মনে হয়, আওয়ামী লীগ ও সরকার ধারণা করছে, বিএনপির ওপর জেলজুলুম চালানোর পর তারা এত দুর্বল হয়ে পড়েছে যে তাদের পক্ষে বড় মাপের কোনো আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব হবে না। এই ধারণা খুব ভুল, তা মনে করার কোনো কারণ নেই। বর্তমান সরকার নানা কৌশলে বিএনপির প্রথম সারির অনেক নেতাকে কারাবন্দী করে রেখেছে। অনেকের নামে মামলা ঝুলছে। সব মিলিয়ে বিএনপি প্রায় কোণঠাসা অবস্থায়। তবু একটা কথা আছে, ‘হাতি মরলেও লাখ টাকা।’ বিএনপি বড় একটি দল। দেশের তৃণমূল পর্যায়ে তাদের কর্মী ও সমর্থক রয়েছেন। নয়াপল্টনে তাদের সমাবেশ দেখলে বোঝা যায় তাদের শক্তি কত। সরকার বিএনপিকে ছোট করে দেখলে ভুল করবে।
কাজেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপি বড় মাপের আন্দোলন করতে পারবে না, এমন মনে করা ঠিক হবে না। তবে আন্দোলনের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান হোক, তা আমরা চাই না। তাতে দেশের অর্থনীতির অনেক ক্ষতি হবে। অনেক মানুষের প্রাণহানিও হতে পারে। আমরা আশা করব, সরকার বিলম্বে হলেও সংলাপের জন্য এজেন্ডাসহ চিঠি দেবে সব বিরোধী দলকে। এজেন্ডাসহ চিঠি না দেওয়া পর্যন্ত বল কিন্তু সরকারের কোর্টেই থেকে যাচ্ছে। চিঠি না দিয়ে সরকারের মন্ত্রী বা আওয়ামী লীগ নেতারা সংলাপ নিয়ে যত কথাই বলুন, তাতে সরকারের আন্তরিকতার প্রতিফলন হয় না।
অনেকে সংবিধানের দোহাই দিচ্ছেন। এটা একেবারেই অসার কথা। সংবিধান জনগণের জন্য। সংবিধানের জন্য জনগণ নয়। সরকার জনগণের ইচ্ছাকেই সব সময় অগ্রাধিকার দেবে। এটাই বাস্তবতা। সরকার যদি জনগণের মনের কথা পড়তে পারেন, তাহলে সংবিধান সংশোধন করে ‘যা জনগণের দাবি’ সেটাই সংবিধানে সংযোজন করবে। এটা এক ঘণ্টার কাজ। কাজেই তত্ত্বাবধায়ক প্রশ্নে সংবিধানের দোহাই যাঁরা দিচ্ছেন, তাঁরা জনগণকে ‘হাইকোর্ট’ দেখানোর চেষ্টা করছেন।
ইদানীং আরেক রকম চালাকির কথা শোনা যাচ্ছে। সরকারপন্থী কেউ কেউ বলছেন, ‘নির্বাচনের সময় শেখ হাসিনার বদলে স্পিকারকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব দিতে পারেন।’ এই কথার মধ্যে একটা আপাত-নিরপেক্ষতার কৃত্রিম আভাসও পাওয়া যায়। এটা আরেক ধরনের চালাকি। ভাবটা এ রকম, ‘শেখ হাসিনার ব্যাপারে তোমাদের আপত্তি তো, ঠিক আছে স্পিকারকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হলো। এবার রাজি হও।’ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মূল দর্শনটা হলো নির্দলীয় সরকার। স্পিকার কি নির্দলীয় ব্যক্তি? সরকার পরিচালনায় তিনি নেপথ্যে কার কাছ থেকে নির্দেশ বা পরামর্শ গ্রহণ করবেন? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে বেশি বুদ্ধির প্রয়োজন হয় না। কাজেই দলীয় কোনো ব্যক্তিই নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রিসভায় থাকতে পারবেন না—এটাই বিরোধী দলের দাবি। শেখ হাসিনার বদলে স্পিকারের প্রস্তাব তারা মানবে না।
একটা কথা বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মনে রাখা দরকার। নির্বাচনের সময় এমন একটা সরকার থাকতে হবে, যে সরকার ক্ষমতা গ্রহণের এক সপ্তাহের মধ্যে ঢাকাসহ সারা দেশে অসংখ্য সরকারি পদে রদবদল ঘটাতে পারেন। আগের সরকারের কোনো ছক যেন নির্বাচনের সময় বাস্তবায়িত না হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে এভাবেই কাজ শুরু করতে হবে। এই রদবদল কোনো দলের পক্ষে বা বিপক্ষের জন্য নয়। আগের সরকারের ছক নষ্ট করার জন্য এটা খুবই প্রয়োজন। অনেকে এমনও মনে করছেন, ‘বিএনপিসহ বেশির ভাগ বিরোধী দল অংশ না নিলেও বর্তমান সরকার নির্বাচন করে ফেলবে।’ হ্যাঁ, করে ফেলতে পারে। এটা কষ্টকর, কিন্তু অসম্ভব কাজ নয়। এ ধরনের নির্বাচনে একটি গৃহপালিত বিরোধী দলও পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু জেনারেল এরশাদ বলেছেন, তিনি এ ধরনের নির্বাচনে যাবেন না। তাহলে তো এই পার্লামেন্টে বিরোধী দলই পাওয়া যাবে না। ৩০০ আসনেই ১৪-দলীয় জোট জয়ী হবে। এটা বিশ্ব রেকর্ড হতে পারে। তবে ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, এ রকম একদলীয় নির্বাচনের সরকার টিকতে পারে না। দেশে বা বিদেশে কারও সমর্থন পায় না। সরকার কাজ করতে পারে না। বিরোধী দল প্রথম দিন থেকে শুরু করবে আন্দোলন। সেই আন্দোলনে একদলীয় নির্বাচনের সরকার টিকতে পারবে কি? টিকতে না পারলে এক বছরের মাথায় আবার সংসদ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে ১৪-দলীয় জোটের অবস্থা কী হতে পারে, তা কি শেখ হাসিনা একবার ভেবে দেখেছেন?
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর: মিডিয়া ওউন্নয়নকর্মী।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লিটলম্যাগের সেই তরুণ by মফিদুল হক
এই স্বপ্নই জাহিদ আনোয়ারকে আমার কাছে নিয়ে এসেছিল, আমারও সৌভাগ্য হয়েছিল নিঃস্বার্থ শুভব্রতী কর্মতাড়িত এক যুবকের সঙ্গে পরিচয়ের সুবাদে নিজের মনের জোর আরেকটু বাড়িয়ে তোলা। সামান্য এক অনুরোধ ছিল জাহিদ আনোয়ারের, কলকাতা বইমেলায় লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে তিনি বাংলাদেশের লিটল ম্যাগাজিন নিয়ে হাজির হতে চান। আমি ভালোভাবেই বুঝি এই প্রস্তাবে বাণিজ্যিক কোনো সুবিধা অর্জিত হওয়ার নেই, লিটল ম্যাগাজিন যাঁরা প্রকাশ ও ফেরি করে বেড়ান, তাঁদের সঙ্গে বাণিজ্য-লক্ষ্মীর যোগও বিশেষ নেই। আমার দিক থেকে দু-একটি মামুলি সুপারিশপত্র দেওয়া ছাড়া আর কিছু করার ছিল না। পরে দেখা গেল, কলকাতা বইমেলার লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে জাহিদ আনোয়ার নিজের জন্য শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার আসন করে নিতে পেরেছেন, তাঁর মতো আরও অনেক সমমনা মানুষ তিনি সেখানে পেয়েছিলেন এবং এঁদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বেশ নিবিড় হয়ে ওঠে। একবার বইমেলায় দেখি, জাহিদ আনোয়ার সস্ত্রীক মেলা আলো করে বসে আছেন। পশ্চিম বাংলার বিভিন্ন ছোট শহর থেকে উঠে আসা তাৎপর্যময় লিটল ম্যাগাজিনের যাঁরা সম্পাদক-প্রকাশক, তাঁরাও জাহিদ আনোয়ারের মধ্যে নিজ সত্তার প্রতিরূপ খুঁজে পেয়েছিলেন এবং পরস্পরের জন্য আনন্দদায়ক হয়েছিল এই যোগ।
জাহিদ আনোয়ারকে দুই বাংলার লিটল ম্যাগাজিনের সেতুবন্ধ হিসেবে আমি দেখেছি, জেনেছি। জানি না তাঁর এই নিঃস্বার্থ কাজ ও অবদানের কোনো ধরনের স্বীকৃতি তিনি কখনো পেয়েছেন কি না, কিন্তু মনের আনন্দে এমন কাজ করে গেছেন জাহিদ আনোয়ার, যদিও নিশ্চিতভাবে বলা যায় জীবনে ও সংসারে সফলতা পাওয়ার জন্য এসব মোটেই অনুকূল ছিল না। তাঁর কাছ থেকে অনেকবারই উপহার পেয়েছি অঞ্জলি লহ মোর, যখনই হাতে নিয়েছি সেই লিটল ম্যাগাজিন, আমার মনে পড়েছে সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের নওগাঁর কথা, যার শ্রীমন্ত রূপ ধরা আছে ‘কাল মধুমাস’ কবিতায়। মনে হতো হারিয়ে যাওয়া পুরোনো সেই নওগাঁ তার সৌন্দর্য ও শক্তিময়তা নিয়ে আবার বুঝি জেগে উঠতে চাইছে নতুনভাবে। সেই নতুনের প্রতীক এই তরুণকে যে আমি ভালোবেসেছিলাম, সেটা কবুল করতে দ্বিধা নেই। আজ এ-কথা ভাবতে গিয়ে মন আরও বিষাদে আচ্ছন্ন হয়ে যায়, স্ব-সম্পাদিত লিটল ম্যাগাজিনের নাম জাহিদ আনোয়ার কেন রেখেছিল অঞ্জলি লহ মোর, যে নাম-পরিচয়ে কেবল নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার আকুতি আছে, বিনিময়ে কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশা নেই। ওর কি কোনো তাড়া ছিল, আর তাই সবটুকু এমন উজাড় করে দিয়ে চলে গেল, সবাইকে ফাঁকি দিয়ে, কারও কাছ থেকে কোনো প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি না রেখে।
কিন্তু ঋণ তো আমাদের রয়ে গেল অপরিশোধ্য।
মফিদুল হক: লেখক ও সাংস্কৃতিকব্যক্তিত্ব।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনস্বার্থে..by সঞ্জয় কুমার ভৌমিক
আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় আমরা বাংলাদেশি। প্রয়োজন দেশকে নিয়ে ভাবার। আর দেশের জন্য কাজ করতে হলে সাইনবোর্ড লাগানোর প্রয়োজন হয় না। রানা প্লাজা ধসে চাপা পড়া মানুষদের উদ্ধারে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ সে কথাই মনে করিয়ে দেয়। আমাদের দেশের পোশাকশিল্পের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি অনেকটাই ক্ষুণ্ন হয়েছে সাভার ট্র্যাজেডির কারণে। হরতালে আরও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। রাজনৈতিক অস্থিরতায় ব্যাহত হচ্ছে অর্থনীতির সচলতা। নানা সময়ে নানা দুর্নীতি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে উন্নয়নের পথে। প্রয়োজন দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে এক হয়ে দেশ ও জনগণের স্বার্থে কাজ করা।
সঞ্জয় কুমার ভৌমিক
বসুন্ধরা আ/এ, শ্রীমঙ্গল।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিসিএসের প্রশ্নপত্র by মো. আবদুর রহমান
মো. আবদুর রহমান
মালিবাগ, ঢাকা।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিএসসিসির গাড়িবিলাস
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শরীরচর্চা শিক্ষক
চঞ্চল কুমার কর্মকার
শরীরচর্চা শিক্ষক, কুমারখালী কলেজ, কুষ্টিয়া।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
May
(446)
-
▼
May 30
(10)
- কেন এই বিতর্ক? by সাজেদুল হক
- ভাবের ঘরে চুরি by সাযযাদ কাদির
- মঞ্জুর হত্যা মামলায় আদালতে এরশাদ by মবিনুল ইসলাম
- বাংলাদেশ কোন পথে? by আলী রীয়াজ
- সংলাপ, তত্ত্বাবধায়ক ও একদলীয় নির্বাচন by মুহাম্ম...
- লিটলম্যাগের সেই তরুণ by মফিদুল হক
- জনস্বার্থে..by সঞ্জয় কুমার ভৌমিক
- বিসিএসের প্রশ্নপত্র by মো. আবদুর রহমান
- ডিএসসিসির গাড়িবিলাস
- শরীরচর্চা শিক্ষক
-
▼
May 30
(10)
-
▼
May
(446)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...