Wednesday, January 15, 2014
সহজিয়া কড়চা- ভবের নাট্যশালায় নেতা চেনা দায় by সৈয়দ আবুল মকসুদ

এই ভবের সব জায়গায় গণতন্ত্র নেই। কোনো কোনো জায়গায় গণতন্ত্র এই আছে তো এই নেই। থাকলেও কী রকম আছে, তা বিধাতার পক্ষেও বুঝে ওঠা সম্ভব নয়। বিশেষ করে তাঁর পক্ষে না বোঝার কারণ তিনি বিশ্বব্রহ্মাণ্ড নিয়ে অতি ব্যস্ত থাকায় বাংলাদেশের সংবিধানটি পাঠ করেননি। কিন্তু বাংলাভাষী যাঁরা ওই বইটি পড়েছেন, তাঁরা জানেন, ওতে যেসব শ্লোক লেখা আছে, তার সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনার কোনো সম্পর্কই নেই। বাংলাদেশিরা জাতীয় কবির প্রতি প্রবল শ্রদ্ধাবশত তা-ই করে যখন যা চাহে মন। সংবিধান, আইন-কানুন, প্রচলিত রীতিনীতি— কোনো কিছুই বঙ্গসন্তানদের জন্য প্রযোজ্য নয়।
ঐতিহাসিক রানা প্লাজার স্তম্ভ নাড়াচাড়ার কিছুকাল পরেই আমরা শুনলাম, বাংলাদেশে যথাসময়ে নির্বাচন হবে ‘গণতন্ত্রের সূত্র’মতো। আমরা বীজগণিত আর জ্যামিতির সূত্রের কথা জানতাম, এবার জানলাম গণতন্ত্রের সূত্র। শুধু যদি গণতন্ত্রের সূত্রমতো নির্বাচন হতো, তাহলেও কথা ছিল না। বলা হলো ‘নিয়মরক্ষার নির্বাচন’। গণতন্ত্রের সূত্র নিয়ে মাথা ঘামায় না, এমন সব গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচনের আগে যেসব বিষয় ও উপকরণের কথা শোনা যায়, তা হলো সভা-সমাবেশ, বাড়ি বাড়ি প্রচারাভিযান, লিফলেট, পোস্টার, ব্যানার, ভোটকেন্দ্রে ভোটের বাক্স প্রভৃতি। আমাদের সূত্রাবদ্ধ গণতন্ত্রে নির্বাচনের আগে দেখা গেল সেকেলে ককটেলের পরিবর্তে পেট্রলবোমা, বাসে-ট্রাকে-বেবিট্যাক্সিতে আগুন। বালুভর্তি ছয়টি ট্রাক যে বাড়ির পাহারায়, তার চারপাশে ১০ জন পুলিশই যথেষ্ট, সেখানে পুলিশ-র্যাবের শত শত সদস্য, ফুটন্ত গরম পানিভর্তি পানিকামান, আরও এমন সব উপকরণ, যা দেখলে গণতন্ত্র ভয়ে কাঁপতে থাকে।
এ এমন এক সূত্রায়িত গণতন্ত্র যে একটি বড় দলের যুধিষ্ঠিরের মতো সত্যবাদী নেতা তিন দিব্যি দিয়ে বললেন, আমি নির্বাচনে যাব না, যাব না, যাব না। সেটি তাঁর মুখের কথা, না মনের কথা, তা তাঁর অন্তর্যামীর জানার কথা, সংবাদমাধ্যমের মানুষদের নয়। কিন্তু তাঁর ওই ঘোষণার পরে যা ঘটল, গণতন্ত্রের সূত্র ও নিয়মরক্ষার নির্বাচনে তাতে বীরভূমের এক লোকগায়কের গাওয়া একটি চরণ আমার মনে পড়ছে: ‘সত্য পীর বলে আমি শিন্নি নাহি খাব/ ভক্তেরা কহে তোমার পোঙ্গায় বেঁধে দেব’।
নির্বাচন করা না-করা, সাংসদ হওয়া না-হওয়া চাওয়াচাওয়ির ব্যাপার নয়, ওপরওয়ালার মর্জি হলে এ মাটিতে জীবিতের মৃত আর
মৃতের জীবিত হওয়া, নমিনেশন জমা না দিয়েও সাংসদ হওয়া কোনো ব্যাপার নয়। আদেশ হবে: তুমি হও। আপনি অবলীলায় হয়ে যাবেন।
এ এমন এক সূত্রাবদ্ধ গণতন্ত্র যে এই গণতন্ত্রে রোগবালাই পর্যন্ত ভূমিকা রাখে। কারও কোনো ব্যামো হয়েছে কি হয়নি,
সেটা বিবেচ্য বিষয় নয়। নির্বাচনের আগে রোগ একটা বাধাতেই হবে। সে রোগের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক-কবিরাজ-হেকিম-বৈদ্য ডেকে বাড়িতে করা সম্ভব নয়। বিমারিস্থানেই যেতে হবে অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল গণতন্ত্রের স্বার্থে।
কোনো ব্যক্তির বিমারি হলেও তার বিনোদনের প্রয়োজন রয়েছে। সাধারণ রোগশয্যায় রোগীকে লুডু খেলতে দেখা যায়। তা সে মইলুডুই হোক আর সাপলুডুই হোক। চিকিৎসক বললেন, আপনার কঠিন ব্যামো, আপনার একটাই ওষুধ—গলফ খেলতে হবে। নয় বছর দেশের মানুষের ঘাম ঝরিয়েছেন, এখন নিজের শরীরে ঘাম ঝরাতে হবে। শয্যা থেকে লাফিয়ে উঠে রোগী ট্র্যাকস্যুট পরে নিলেন। গলফ মাঠে যেতে হবে। এবং রাজনীতির খেলার মতো আসল খেলা খেলেও শরীরে ঘাম ঝরাতে হবে। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম কোনো রোগী গলফ খেলে গণতন্ত্র রক্ষা করলেন। এরপর গণতন্ত্রের ইতিহাস যখন নতুন করে লেখা হবে, তার শেষ অধ্যায়টির শিরোনাম হবে: ‘গলফ ও গণতন্ত্র’। এই যে গণতন্ত্রের গলফ থেরাপি, এর কথা বঙ্গীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে একদিন লোহার অক্ষরে লেখা থাকবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন, তবু নির্বাচন কমিশনের আনুকূল্যে নির্বাচিত হলেন এবং সুড়সুড় করে এসে শপথও নিলেন। এ জন্যই তো পল্লিবন্ধুর ক্ষেত্রে পল্লিকবির গানটি শতভাগ সত্য: ভবের নাট্যশালায় মানুষ চেনা দায়।
তবে বঙ্গীয় গণতন্ত্রশালায় মানুষ তথা নেতা চেনা মোটেই কষ্টকর নয়। প্রেসিডেন্ট পার্ক থেকে বিমারিস্থান, রোগশয্যা থেকে গলফের মাঠ, হাসপাতালের খাটিয়া থেকে স্পিকারের কক্ষে গিয়ে সংগোপনে শপথপাঠ, আবার হাসপাতালে প্রত্যাবর্তন, সেখান থেকে অতিথিদের করতালির মধ্যে বঙ্গভবনের দরবার হলে প্রবেশ—এসব দৃশ্যই গণমাধ্যমের কল্যাণে দেশবাসী পর্যবেক্ষণ করেছে। এক বুড়া রিকশাচালক আমাকে বলেছেন, আমাগো
এত বোদাই মনে কইরেন না। আমিও তাঁকে সাফ জানিয়ে দিয়েছি, কে আপনাদের তা মনে করে তা জানি না, আমি আপনাকে আকসার তা মনে করি না।
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার কিছু আগে থেকেই আমাদের দাবি ছিল, বাংলাদেশ হবে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। পিপলস রিপাবলিক না হয়ে এটি পরিণত হয়েছে গণতন্ত্রশালায়। গণতন্ত্রে একটি নির্বাচিত দল বা দলগুলো থাকে সরকারে। তারা প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী। সংসদীয় গণতন্ত্রে একটি নির্বাচিত বিরোধী দলও থাকে সংসদে। পৃথিবীর ইতিহাসে কেউ কোনো দিন শোনেনি: আমরা সরকারেও আছি, বিরোধী দলেও আছি। সরকারের মন্ত্রীও হব, সংসদে সরকারের সমালোচনাও করব। গণতন্ত্রের একটি নতুন সূত্র আবিষ্কৃত হলো। এসব কাণ্ড-কারবারে ওই রিকশাচালকের কথাই সত্য মনে হয়। দেশসুদ্ধ সব মানুষ তো ইয়ে হয়ে যায়নি। এখনো কিছু মানুষের কিছু আক্কেলবুদ্ধি আছে।
সরকারের মন্ত্রিত্বও করব, বিরোধী দলেও থাকব—এই অকল্পনীয় থিওরি বাংলাদেশের গণতন্ত্রশালাকে একটি গোশালার পর্যায়ে নামিয়ে নিয়ে এসেছে। জাতীয় পার্টির মন্ত্রিত্ব প্রাপ্তি এবং তাদের নেত্রীর ‘বিরোধী দলের নেতা’র মর্যাদাপ্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে ৪৩ বছর আগে মহান মুক্তিযুদ্ধের ভেতর দিয়ে অর্জিত আদর্শ ধুলায় মিশে গেছে। বাহাত্তরের সংবিধানের এত বড় অপমান এর আগে আর কখনো হয়নি—যত আজেবাজে সংশোধনীই হোক না কেন।
যুক্তফ্রন্ট সরকার, জাতীয় সরকার, জাতীয় ঐকমত্যের সরকার—সেসব অন্য জিনিস। মহাজোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি বা জাসদের নেতাদের মন্ত্রিত্ব গ্রহণে কোনো দোষ নেই। তাঁরা ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগের সঙ্গেই আছেন। কোয়ালিশন সরকারে তাঁরা মন্ত্রী হতেই পারেন। এবং হওয়াটা তাঁদের প্রাপ্য। কিন্তু যেসব নেতা শাহবাগ চত্বরের কঠোর সমালোচক এবং শাপলা চত্বরের আদর্শের অনুসারীই শুধু নন, লাখ লাখ বোতল পানি সরবরাহকারী, তাঁরা মহাজোটে থাকেন কী করে। যিনি বলেছেন, প্রধান বিরোধী দল ছাড়া নির্বাচনে গেলে মানুষ আমাকে ‘থুতু দেবে’, তিনি প্রক্সি নির্বাচনে ‘জয়ী’ হয়ে নীরবে নৌকার পাটাতনে গিয়ে বসলেন। আঁতাতের মাধ্যমে ‘ভাগাভাগি’ করে দলের এক অংশ মন্ত্রিত্ব করবে, আরেক অংশ বিরোধী দলের সুবিধা ভোগ করবে—একি একটা পুতুল খেলা? ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে জাতীয় সংসদকে বিরোধী দলহীন করা বাংলাদেশের সংবিধানকেই কলঙ্কিত করা। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকেই নিশ্চিহ্ন করা। দলবল করে না, এমন সাধারণ মানুষও এখন মনে করবে, খালেদা জিয়াকে অপমান করতেই জাতীয় পার্টির অসুস্থ নেতার সুস্থ পত্নীকে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার পদটি উপহার দেওয়া হয়েছে। এ যেন তাঁকে বলা: তোমাকে পর পর দুবার বিরোধীদলীয় নেত্রী করতে চেয়েছিলাম। তুমি বেঁকে রইলে। দ্যাখো, তোমার পাপ্য পদটি কাকে দিলাম। আমরা যাকে খুশি যা-খুশি দিই, যার কাছ থেকে যা খুশি ছিনিয়ে নিই।
জাতীয় পার্টিকে মন্ত্রিত্ব ও বিরোধীদলীয় নেতার পদ উপহার দিয়ে শুধু সংবিধানকে অবমাননা নয়, নিবেদিত আওয়ামী লীগের নেতাদেরও ক্ষতি করা হয়েছে। দীর্ঘকাল ধরে আওয়ামী লীগ করছেন, এমন অনেক নেতাকে মন্ত্রিত্ব থেকে বঞ্চিত করে উড়ে এসে জুড়ে বসাদের মন্ত্রিত্ব দেওয়া দলের নেতাদের প্রতি মারাত্মক অবিচার। একটি পুরোনো গণতান্ত্রিক দল আওয়ামী লীগ। প্রচুর তার নেতা। তাঁদের অবহেলা করা তো অপমান করারই নামান্তর।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, যারা সরকারের সঙ্গে নেই, তারাও এসব নিয়ে জোরালো প্রশ্ন করছে না। বর্তমান বাংলাদেশের গণতন্ত্রশালায় তাদের ভূমিকাটা বোঝা যাচ্ছে না। দলীয় কর্মকাণ্ডের চেয়ে, জনগণের সঙ্গে মেলামেশার চেয়ে, তাঁরা দিনের প্রথম অংশে বসে বসে পত্রিকার উপসম্পাদকীয় নিবন্ধ লেখেন, সন্ধ্যাটি হলে চলে যান চ্যানেলে টক শোয়। চেতনার পক্ষে কথা বলার জন্য টক শোয় নতুন নতুন অজ্ঞাত লোক নিযুক্ত হচ্ছেন। তাঁদের সঙ্গে থাকছেন ছোট রাজনৈতিক দলের খ্যাতিমান নেতারা। চুটিয়ে তাঁরা বক্তব্য দিচ্ছেন। মানুষের কাছে না গিয়ে, মানুষকে সংগঠিত না করে উপসম্পাদকীয় নিবন্ধ লিখে এবং টক শোয় হড়হড় করে গণতন্ত্র বিষয়ে বক্তৃতা দিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে না। আমরা আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াতের অপরাজনীতির সমালোচনা করি, ছোট দলগুলোর নিষ্ক্রিয়তা চোখের আড়ালে থেকে যায়। একটি বলিষ্ঠ নাগরিক সমাজও তৈরি হয়নি। যা আছে, তা-ও সুবিধাবাদে আক্রান্ত।
গণতন্ত্রে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকাটা হওয়ার কথা হেডমাস্টারের মতো। যেমনটি আমরা দেখেছি ভারতে টিএন সেশনের মধ্যে। কিন্তু আমাদের দেশে হেডমাস্টার নয়, দপ্তরির দায়িত্ব পালন করেন। একটি উদাহরণ দেওয়া যায়। মেয়র নির্বাচনে যাঁরা বিরোধী দল থেকে নির্বাচিত হলেন, তাঁদের সম্পর্কে ফতোয়া দেওয়া হলো সরকারি দলের মেয়রদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে তাঁরা দায়িত্ব বুঝে পেলেও পেতে পারেন। কিন্তু সংসদ নির্বাচনের পর তাঁরা বলতে পারলেন না, বর্তমান সংসদের মেয়াদ ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত আছে। তার আগে নতুন মন্ত্রিপরিষদের শপথ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। দোতলা থেকে প্রতিদিন সিঁড়ি দিয়ে নেমে এসে সিঁড়ির গোড়ায় ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে প্রচারের জন্য কিছু খোশালাপ করা এক কথা আর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা অন্য কথা।
আমাদের সংবিধানে এমন কিছু বিধান আছে, যা অক্ষরে অক্ষরে পালিত হলে ব্যালট বাক্সের প্রয়োজন হবে না। নির্বাচন কমিশন ও সরকার বলতে পারে, সবচেয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে এবার ১৫৩টি আসনে। কোনো কারচুপি হয়নি। সন্ত্রাস হয়নি। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন বলতে যা বোঝায়, তা-ই হয়েছে। কে তা অস্বীকার করবে? অবশ্য সংবিধানে জনপ্রতিনিধিদের জনগণের দ্বারা ‘নির্বাচিত’ হওয়ার কথাও বলা আছে। তার জবাবে আমাদের ইসি ও বিজয়ী প্রার্থীরা বলবেন, ১৫৩টি আসনে যে এক শ ভাগ ভোটারই সমর্থন দেননি, তার প্রমাণ কী? বিতর্কপ্রবণ কেউ বলতে পারে, একজন ভোটারও যে তাঁদের সমর্থন দেননি, তারই বা প্রমাণ কী?
বাংলাদেশের গণতন্ত্রশালার যে অবস্থা, তাতে মন্ত্রীর সূত্র নয়, সাংবিধানিক সূত্র অনুসারেই তিন লাখ ৬২ হাজার ভোটারের আসনে মাত্র তিনটি ভোট পেয়েও একজন প্রার্থী বিজয়ী হতে পারেন, যদি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পান দুই ভোট। এমন দিন হয়তো আসবে, যখন কোনো প্রার্থী পাবেন তাঁর নিজের একটি ভোট, তাঁর স্ত্রী/স্বামীর একটি আর শ্যালক/শ্যালিকারটি। তিন ভোটওয়ালাকে বিজয়ী করতে নির্বাচন কমিশনের আইনগত ও সাংবিধানিক কোনো সমস্যা নেই।
বঙ্গীয় গণতন্ত্রশালার অনেকের প্রসঙ্গেই বলা হলো। স্থানের অভাবে বাদ পড়লেন পঞ্চমী নির্বাচনের একক নির্বাচন পর্যবেক্ষকের কথা। একটি সাধারণ নির্বাচনে একজন মাত্র নির্বাচন পর্যবেক্ষকই যথেষ্ট। তিনি যত ভোটকেন্দ্রে গেছেন, তার চেয়ে বেশি গেছেন টিভিকেন্দ্রে। আবারও সেই একই কথা বলতে হয়: ভবের নাট্যশালা বা গণতন্ত্রশালায় মানুষ চেনা দায়।
নূর হোসেন বেটা তুই শান্তিতে থাক। তুই যা চেয়েছিলি, সে জিনিসের মুক্তি পেতে বহু দেরি। বরং তোর সময় যার দুহাত ছিল পিঠমোড়া করে বাঁধা, আজ তার দুপায়েও শক্ত করে শিকল বাঁধা। চোখে ঠুলি। মুখে কুলুপ।
সৈয়দ আবুল মকসুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদা জিয়ার পুরো বক্তব্য @১৫ জানুয়ারি ২০১৪
প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ,
আসসালামু আলাইকুম।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরা পড়লেন উদয়-নার্গিস

এবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল। তবে পাত্র পাত্রী আর জায়গা ভিন্ন। বলিউড তারকা উদয় চোপড়া আর নার্গিস ফাকরি দুজনের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে সবসময় চুপ। কিন্তু মালদ্বীপের বিচে দুজনকে একসাথে পাওয়া গেল শর্টস আর বিকিনি পরা অবস্থায়।
সম্প্রতি মালদ্বীপের বিচে ঘোরাঘুরি করছিলেন ভারতীয় এক চিত্রগ্রাহক। হঠাৎই তার সামনে এক্সক্লুসিভ ছবির আইটেম। খোশ মেজাজে বিচ হলিডে কাটাচ্ছেন নার্গিস ফাকরি ও উদয় চোপড়া। ওয়েভ সার্ফিংয়ের পরে বিচ শ্যাকে ফিরতেই সুইম স্যুট পরা অবস্থায় ক্যামেরায় ধরা পড়লেন দুজন। রণবীর ক্যাটের সম্পর্কের মত উদয়-ফাকরির সম্পর্কও এখন প্রমাণিত।
অল্প কয়দিন আগে এক সাক্ষাৎকারে নার্গিস ফাকরি বলেছিলেন, ‘উদয়ের সাথে আমার কোন ভালোবাসার সম্পর্ক নাই। আমি বিয়ে নাম প্রতিষ্ঠানেও বিশ্বাসী না। যতটা সম্ভব বড় হওয়া আর অর্থ কামাই করতেই আমি ইন্ড্রাস্ট্রিতে এসেছি।”
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভবের নাট্যশালায় নেতা চেনা দায়
বাংলাদেশের গণতন্ত্রশালার যে অবস্থা, তাতে মন্ত্রীর সূত্র নয়, সাংবিধানিক সূত্র অনুসারেই তিন লাখ ৬২ হাজার ভোটারের আসনে মাত্র তিনটি ভোট পেয়েও একজন প্রার্থী বিজয়ী হতে পারেন, যদি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পান দুই ভোট। এমন দিন হয়তো আসবে, যখন কোনো প্রার্থী পাবেন তাঁর নিজের একটি ভোট, তাঁর স্ত্রী/স্বামীর একটি আর শ্যালক/শ্যালিকারটি। তিন ভোটওয়ালাকে বিজয়ী করতে নির্বাচন কমিশনের আইনগত ও সাংবিধানিক কোনো সমস্যা নেই। বঙ্গীয় গণতন্ত্রশালার অনেকের প্রসঙ্গেই বলা হলো। স্থানের অভাবে বাদ পড়লেন পঞ্চমী নির্বাচনের একক নির্বাচন পর্যবেক্ষকের কথা। একটি সাধারণ নির্বাচনে একজন মাত্র নির্বাচন পর্যবেক্ষকই যথেষ্ট। তিনি যত ভোটকেন্দ্রে গেছেন, তার চেয়ে বেশি গেছেন টিভিকেন্দ্রে। আবারও সেই একই কথা বলতে হয়: ভবের নাট্যশালা বা গণতন্ত্রশালায় মানুষ চেনা দায়। নূর হোসেন বেটা তুই শান্তিতে থাক। তুই যা চেয়েছিলি, সে জিনিসের মুক্তি পেতে বহু দেরি। বরং তোর সময় যার দুহাত ছিল পিঠমোড়া করে বাঁধা, আজ তার দুপায়েও শক্ত করে শিকল বাঁধা। চোখে ঠুলি। মুখে কুলুপ।
সৈয়দ আবুল মকসুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংবিধান ব্যাখ্যায় গওহর রিজভীর ভ্রান্তি
মিজানুর রহমান খান: সাংবাদিক।
mrkhanbd@gmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.)
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক, গবেষক ও কলাম লেখক।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লাঞ্ছিত মানবতা, রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ
নির্বাচন শেষ হওয়ার পর বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজ। গণজাগরণ মঞ্চ যশোরে রোডমার্চ করেছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। কিন্তু যারা দুর্বৃত্ত, যারা সাম্প্রদায়িকতা লালনকারী অপশক্তি, তাদের কাছে এই শান্তির ললিত বাণী কোনো কাজে দেবে না। তাদের জন্য চাই যেমন কুকুর, তেমন মুগুর। কিন্তু বাংলাদেশ রাষ্ট্র সেই কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত আছে কি? ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনের পরও বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর বেশ কটি হামলা হয়। বর্তমান আমলেও একই ঘটনা ঘটে চলেছে। কিন্তু দায়ী ব্যক্তিরা কেউ শাস্তি পায়নি। ২০০১ সালের ঘটনায় বর্তমান সরকার ২৭টি মামলা করলেও কারও বিচার হয়নি। এই শাস্তিহীনতাই সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীদের সাহস জোগাচ্ছে। যেকোনো গণতান্ত্রিক সমাজের জন্যই এটি লজ্জাজনক। এর আগে রামু, নোয়াখালী ও সাতক্ষীরায় যে ভয়ংকর ঘটনা ঘটল, সরকার বলল সব বিরোধী দলের কাজ। কিন্তু অপরাধীদের শাস্তি হলো না কেন?
এই যে শত শত বছর ধরে পাশাপাশি দুই সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে বাস করে আসছে, তাদের মধ্যে যে প্রীতি ও সৌহার্দ্যের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, দুর্বৃত্তরা সেটি ছিন্ন করে দিয়েছে। সাম্প্রদায়িক অপশক্তির হাত ফুল চেনে না, রক্ত চেনে। ওদের চোখে ভালোবাসার দ্যুতি নেই, আছে জিঘাংসার আগুন। সেই আগুনে পুড়ছে দেশ। এখনই সময় রুখে দাঁড়াবার। এই বিপন্ন মানুষগুলোর পাশে যেভাবে রাষ্ট্রের দাঁড়ানোর কথা, সেভাবে তা দাঁড়ায়নি। সরকার নিরাপত্তা দেয়নি। ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা নির্বাচনে জয়ে এতটাই বেসামাল যে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার কথা ভাবার ফুরসত পাননি। অভয়নগরের সংখ্যালঘু পাড়ার মানুষগুলো যখন তাঁদের বিপদের কথা টেলিফোনে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের জানান, কেউ এগিয়ে আসেননি। তাঁরা এসেছেন দুর্বৃত্তদের হাতে বাড়িঘর লুট ও অগ্নিদগ্ধ হওয়ার পর। পাকিস্তান আমল থেকে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখে এসেছি। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বড় ধরনের হামলা হয় নব্বই সালে। এরশাদের উসকানিতে। এরপর খালেদা জিয়ার আমলে ১৯৯২ সালে ভারতে বাবরি মসজিদ ভাঙার পর। সংখ্যালঘুদের ওপর সবচেয়ে বড় দুর্যোগ নামে ২০০১ সালের নির্বাচনের পর। সেবার বিএনপি-জামায়াত জোট জয়ী হয়েছিল। তাদের রাগ ছিল সংখ্যালঘুরা বিএনপি-জামায়াতকে ভোট দেননি বলে। এবারের রাগ তাদের কথা অগ্রাহ্য করে ভোটকেন্দ্রে গিয়েছিলেন বলে। এভাবে ভোটের জন্য, জমির জন্য আর কত মার খাবে সংখ্যালঘুরা?
নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের ঐতিহ্য হারাচ্ছে বলে যারপরনাই উদ্বেগ প্রকাশ করে থাকেন। আমরাও মনে করি, বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র হয় না। বিরোধী দলের অংশগ্রহণ ব্যতিরেকে নির্বাচনও গ্রহণযোগ্যতা পায় না। কিন্তু এই নাগরিক সমাজেরই একাংশ যখন বহুদলীয় গণতন্ত্রের ব্যাপারে সোচ্চার, কিন্তু বহুধর্মীয় সমাজের ব্যাপারে নীরব থাকে, তখন তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়াত্বই প্রকাশ পায়। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর কালীগঞ্জের এক আক্রান্ত গ্রামে গেলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক বৃদ্ধ নারী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেছিলেন, ‘বাবা, ভোটার তালিকা থেকে আমাদের নামটি বাদ দিয়ে দাও। তাহলে আমরা পৈতৃক ভিটেবাড়িতে থাকতে পারব। না হলে প্রতিটি নির্বাচনের পর আমাদের এভাবে হামলার শিকার হতে হবে।’ ১২ বছর পর একই আহাজারি শোনা গেল। যারা অভয়নগরের, দিনাজপুরের, সাতক্ষীরার সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, তারা এই সমাজ ও রাষ্ট্রেরই নাগরিক। তারা অচেনা নয়। আমাদের সমাজেরই লোক। আমরা যদি তাদের নিবৃত্ত করতে না পারি, সরকার যদি শাস্তি দিতে না পারে, তাহলে দুর্বৃত্তদের রাজত্বই কায়েম হবে, যা কখনোই কাম্য নয়। তাই আসুন, সবাই মিলে এই দুর্বৃত্তদের মোকাবিলা করি। সব অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি।
সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrab03@dhaka.net
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যাংকক অচলের সূচনা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফরাসি ফার্স্টলেডি হাসপাতালে
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
January
(1176)
-
▼
Jan 15
(9)
- সহজিয়া কড়চা- ভবের নাট্যশালায় নেতা চেনা দায় by সৈয়দ...
- খালেদা জিয়ার পুরো বক্তব্য @১৫ জানুয়ারি ২০১৪
- অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরা পড়লেন উদয়-নার্গিস
- ভবের নাট্যশালায় নেতা চেনা দায়
- সংবিধান ব্যাখ্যায় গওহর রিজভীর ভ্রান্তি
- বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.)
- লাঞ্ছিত মানবতা, রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ
- ব্যাংকক অচলের সূচনা
- ফরাসি ফার্স্টলেডি হাসপাতালে
-
▼
Jan 15
(9)
-
▼
January
(1176)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

