Showing posts with label বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম. Show all posts
Showing posts with label বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম. Show all posts

Wednesday, November 13, 2019

হাঁচি থামানোর প্রাকৃতিক উপাদান

এলাচ, আমলকী, আদা, তুলসি ইত্যাদি কাজে আসবে হাঁচি থামাতে।
সর্দি-জ্বর, অ্যালার্জি ইত্যাদি কারণে বিরামহীন হাঁচি হতে পারে। শরীর থেকে অস্বস্তিকর উপাদান কিংবা জীবাণু বের করে দেওয়ার জৈবিক একটি উপায় এই হাঁচি। তবে তা অনবরত চলতে থাকলে ব্যাপারটা যেমন বিব্রতকর তেমনি ডেকে আনতে পারে নানান জটিলতাও। এমতাবস্থায় বেছে নিতে পারেন প্রাকৃতিক উপাদান।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে জানানো হল উপাদানগুলো সম্পর্কে।
দস্তা: বিরামহীন হাঁচি হলে দস্তা মানে জিঙ্ক আপনার পরম বন্ধু। প্রচুর পরিমাণে দস্তা আছে এমন খাবার কিংবা ‘সাপ্লিমেন্ট’ যে কোনোটাই বেছে নিতে পারেন। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করায় দস্তা অতুলনীয়। এর প্রাকৃতিক উৎসগুলোর মধ্যে আছে বাদাম, শিম, মটর ও শুঁটি-জাতীয় খাবারে।
কালো এলাচ: সবার রান্নাঘরেই এলাচ আছে, যা হাঁচি বন্ধ করতে পারে। এলাচের কড়া গন্ধ এবং এতে থাকা ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’ ‘মিউকাস’য়ের প্রবাহ রোধ করে এবং অস্বস্তি সৃষ্টিকারী উপাদান বের করে আনে। অ্যালার্জিজনীত হাঁচিতে এটি বিশেষ কার্যকর। খেতে হবে চিবিয়ে।
আমলকী: পুষ্টিকর একটি ফল তা সবারই জানা। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে, এতে থাকা শক্তিশালী ‘অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট’ নাকের রাস্তা পরিষ্কার করে, ফলে হাঁচি থেমে যায়। খেতে পারেন সরাসরি কিংবা শরবত বানিয়ে। দিনে সর্বোচ্চ তিনবার আমলকীর শরবতে পান করা যায়।
আদা ও তুলসি: এই দুটোর মিশ্রণ সর্দি-জ্বর এবং অ্যালার্জি থেকে আরাম দেওয়ার একটি শক্তিশালী উপায়। এজন্য তিন-চারটি তুলসি পাতা ও ছোট এক টুকরা আদা পানিতে ফুটাতে হবে এবং সেই পানি পান করতে হবে। সরাসরি আদার বদলে আদার গুঁড়াও ব্যবহার করা যেতে পারে।
রসুন: এর গন্ধটা সবার কাছে সহনশীল না হলেও রান্নায় স্বাদ আনতে এই মসলা অনন্য, সেই সঙ্গে তাড়ায় অ্যালার্জিও। এতে থাকে এক বিশেষ সক্রিয় উপাদান ‘অ্যালিসিন’, যা বন্ধ নাক খুলে দিতে অত্যন্ত কার্যকর, পাশাপাশি বাড়াবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। কাঁচা-আদা সরাসরি চিবিয়ে খেতে পারেন কিংবা সামান্য ঘিয়ে ভেজে নিতে পারেন।
তবে মনে রাখতে হবে
শুধু ঘরোয়া টোটকার উপর ভরসা করে থাকা সবসময় ঠিক নয়। তাই অবস্থা বেগতিক দেখলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষ করে অ্যালর্জিজনীত কারণে হাঁচি হলে চিকিৎসকের কাছ থেকে জানতে হবে অ্যালার্জির কারণ।
>>ছবির মডেল: শিহাব শাহরিয়ার।

Monday, November 4, 2019

শিশুর বেপরোয়া আচরণের কারণ

শিশুর বেপরোয়া আচরণের কারণ হতে পারে বৈদ্যুতিক পর্দার দিকে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে থাকা।
গবেষকরা বলছেন, “নয় থেকে ১১ ঘণ্টা ঘুম আর বৈদ্যুতিক পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকার সময়সীমা সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে পারলে শিশুকে বেপরোয়া আচরণের কবল থেকে বাঁচানো সম্ভব।”
কানাডার অটোয়া’তে অবস্থিত সিএইচইও রিসার্চ ইনস্টিটিউট’য়ের ‘হেলদি অ্যাক্টিভ লিভিং অ্যান্ড ওবিসিটি’র গবেষক দল (এইচএএলও)-এর করা এই গবেষণায় দেখা যায়, বেপরোয়া আচরণের সঙ্গে ঘুম এবং বৈদ্যুতিক যন্ত্রের পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকার শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে।
গবেষণার প্রধান, সিএইচইও রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং ইউনিভার্সিটি অফ অটোয়া’র ডা. মিশেল গুয়েরেরো বলেন, “বিভিন্ন মানসিক রোগ এবং মাদকাসক্তিজনীত সমস্যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে বেপরোয়া আচরণ। এদের মধ্যে খাওয়াজনীত আচরণগত সমস্যা, আচরণগত বিভিন্ন বদভ্যাস বা আসক্তি এবং মাদকদ্রব্য সেবন অন্যতম।”
‘পেডিয়াট্রিকস’ নামক জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণার জন্য পর্যবেক্ষণ করা হয় ৪,৫২৪ জন শিশুকে। ঘুম ও বৈদ্যুতিক পর্দায় সামনে সময় কাটানো পরিমাণের পাশাপাশি গবেষকরা শিশুদের শারীরিক পরিশ্রমের মাত্রাও পর্যবেক্ষণ করেন, যা হওয়া উচিত প্রতিদিন কমপক্ষে এক ঘণ্টার সামান্য থেকে ভারী পরিশ্রম।
‘দ্য এবিসিডি স্টাডি’ নামক আরেকটি গবেষণা গুয়েরেরো ও তার দলকে সাহায্য করে তথ্য সংগ্রহ করতে। বেপরোয়া আচরণের মাত্রা পরিমাপের আটটি মানদণ্ডের বিরুদ্ধে ‘মুভমেন্ট গাইডলাইন’য়ের তিনটি স্তম্ভ সম্পর্কে তথ্য যোগাড় করেন তারা।
এই আট মানদণ্ডের মধ্যে আছে রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা নেওয়ার তাড়না, কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য স্থির করা, পুরষ্কৃত কিংবা নেতিকবাচক অনুভূতির প্রতি সংবেদনশীলভাবে সাড়া দেওয়া এবং ইতিবাচক ও নেতিবাচক অনুভূতির প্রতি বাজেভাবে সাড়া দেওয়া।
গবেষণার ফলাফল বলে, “মুভমেন্ট গাইডলাইন’য়ের তিনটি স্তম্ভ পরিপূর্ণ করতে পারলেই মানদণ্ডের আটটির থেকে পাঁচটির ক্ষেত্রে ইতিবাচক সাড়া মেলে।”

Friday, August 9, 2019

মানুষের কর্মকাণ্ডে বিপন্ন ১০ লাখ প্রজাতির অস্তিত্ব

আকাশ, পাতাল কিংবা সাগর- সবখানেই প্রকৃতির ওপর মানুষের কর্মকাণ্ডের বিধ্বংসী প্রভাব ১০ লাখ প্রজাতির অস্তিত্বকে বিপন্ন করে তুলেছে। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদন এমন কথাই বলছে।
সোমবার প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১০ লাখ প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতির অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে। সবখানেই এমন দ্রুতগতিতে প্রাকৃতিক পরিবেশের অবনতি ঘটছে যেমনটি আগে কখনো দেখা যায়নি।

এর সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে মানুষের খাবার ও জ্বালানির চাহিদা। যদিও চাইলে এ পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব। তবে এর জন্য প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের আন্তসম্পর্কের প্রতিটি পরতে পরতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন প্রয়োজন।

১৫ হাজার তথ্যসূত্র নিয়ে ৩ বছরের গবেষণা শেষে ১৮০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন তৈরি করেছে জাতিসংঘের 'ইন্টারগভার্নমেন্টাল সায়েন্স পলিসি প্ল্যাটফর্ম অন বায়োডাইভারসিটি অ্যান্ড ইকোসিস্টেম সার্ভিস' । এরই ৪০ পৃষ্ঠার সারসংক্ষেপ ‘সামারি ফর দ্য পলিসিমেকার’ সোমবার প্রকাশিত হয়েছে প্যারিসে।

এতেই বলা হয়েছে, যে মৌমাছি পরাগায়ন করে সেই ক্ষুদ্র প্রাণীটি থেকে শুরু করে বন্যার পানি ধরে রাখতে সহায়ক বনাঞ্চল পর্যন্ত মানুষের কর্মকাণ্ডে কিভাবে ধ্বংস হয়ে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায় প্রকৃতি সবসময়ই মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণে দুর্ভোগ পোহিয়েছে। গত ৫০ বছরে তা আরো প্রকট হয়েছে। ১৯৭০ সাল থেকে বিশ্বের জনসংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে, বিশ্ব অর্থনীতির পরিসর বেড়েছে চারগুণ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বেড়েছে ১০ গুণ।

বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য, বস্ত্র ও বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে উদ্বেগজনক হারে ধ্বংস করা হচ্ছে বন,বিশেষ করে ক্রান্তীয় অঞ্চলগুলোতে। ১৯৮০ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে পৃথিবী থেকে হারিয়ে গেছে ১০ কোটি হেক্টর ক্রান্তীয় বন। মূলত দক্ষিণ আমেরিকায় গবাদি পশু চরানো এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পাম তেল উৎপাদনের কারণে এমনটি হয়েছে।

বিশ্বে এখন দ্রুতই নগরায়ণ হচ্ছে। ১৯৯২ সালের পর থেকে এখন নগরায়ণের হার দ্বিগুণ। মানুষের এমন কর্মকাণ্ডে আগের যে কোনও সময়ের চেয়ে অনেক বেশি হারে বিলুপ্ত হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতি।

বৈশ্বিক হিসেব অনুযায়ী, গড়ে প্রায় ২৫ শতাংশ প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতি এখন ঝুঁকির মুখে আছে। পতঙ্গের ক্ষেত্রে সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি। তবে বেশ কিছু এলাকায় তাদের সংখ্যা দ্রুত কমে যাওয়ার বিষয়টি ভালোভাবেই নজরে এসেছে এবং তা নথিবদ্ধ করা হয়েছে।

এসব নথিই প্রমাণ করছে যে, কয়েক দশকের মধ্যেই প্রায় ১০ লাখ প্রজাতি বিলুপ্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছে। আর এই বিলুপ্ত হওয়ার হার গত ১ কোটি বছরের গড় বিলুপ্তির হারের চেয়ে শত থেকে হাজার গুন বেশি।

Wednesday, August 7, 2019

আফ্রিকার বাইরে প্রথম আধুনিক মানুষের সন্ধান

আফ্রিকা মহাদেশের বাইরে আমাদের প্রজাতির (আধুনিক মানুষ) সবচেয়ে পুরনো নমুনার সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা।
গ্রিসে পাওয়া একটি মাথার খুলিকে ২ লাখ ১০ হাজার বছরের পুরনো বলছেন তারা; এটি এমন এক সময় ‍যখন সমগ্র ইউরোপ নিয়ান্ডারথাল (সেকেলে মানুষের আরেকটি প্রজাতি) মানবদের দখলে ছিল।
এ আবিষ্কার আফ্রিকা থেকে আধুনিক মানুষের প্রথম দিককার অভিবাসনেরও নজির; আজকের জীবিত মানুষের ডিএনএ-তে যাদের কোনো অস্তিত্বই নেই।
বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার গবেষকদের নতুন এ আবিষ্কারের খবর ছেপেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
১৯৭০-র দশকে গবেষকরা গ্রিসের আপিদিমা গুহায় দুটো গুরুত্বপূর্ণ জীবাশ্ম খুজে পান ।
এর একটি অত্যন্ত বিকৃত ছিল, অন্যটি অসম্পূর্ণ। কম্পিউটার টোমোগ্রাফি স্ক্যানিং ও ইউরেনিয়াম-সিরিজ ডেটিংয়ের মাধ্যমে গবেষকরা এ জীবাশ্ম দুটোর রহস্য উদঘাটন করেন।
তুলনামূলক পূর্ণাঙ্গ খুলিটি জীবাশ্মটি একজন নিয়ান্ডারথাল মানবের বলে ধারণা পাওয়া যায়। কিন্তু অন্যটি আধুনিক মানুষের মাথার খুলি পরীক্ষা করলে যে ধরনের নমুনা পাওয়া যায়, তেমন পেছনদিকে গোলাকৃতির পরিষ্কার বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়। তাই এটিকে আধুনিক হোমো স্যাপিয়েন্সের সবচেয়ে পুরনো নমুনা বলে মনে করছেন তারা।
ইউরোপ ও এশিয়ায় আধুনিক মানুষের বিস্তৃতি কালে এই পূর্বপুরুষরা তাদের সঙ্গে লড়াইরত নিয়ান্ডারথাল ও ডেনিসোভান প্রজাতিকে ইউরোপ ও এশিয়া থেকে নিশ্চিহ্ন করেছিলো।
মানুষের উৎপত্তি আফ্রিকা মহাদেশে বলে ধারণা করা হয়। ৬০ হাজার বছর আগে বর্তমান মানুষের পূর্বপুরুষরা আফ্রিকা মহাদেশের বাইরে ছড়িয়ে পড়েছিল।

রূপপুর নিয়ে ‘লিমিটের মধ্যে’ লিখতে সাংবাদিকদের অনুরোধ মন্ত্রীর

তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেছেন, “আপনারা অনুগ্রহ করে লিমিটের মধ্যে থাকবেন।  এ প্রকল্প তো আপনাদের স্বার্থেই, আপনাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। এমন কিছু ক্যাচি কথা লিখতে যেন না হয়, যেটা ক্ষতি করতে পারে।”

মঙ্গলবার ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে একথা বলেন মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান।

রাশিয়ার সহযোগিতায় পাবনার রূপপুরে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে ১ লাখ ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে, যেখানে দুটি ইউনিটে ১২০০ মেগাওয়াট করে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে কর্মরত দেশি-বিদেশিদের আবাসনের জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় বাস্তবায়নাধীন ‘রূপপুর গ্রিন সিটি প্রকল্প’র নির্মাণাধীন ভবনের আসবাব ও প্রয়োজনীয় মালামাল কেনায় অনিয়মের খবর সম্প্রতি প্রকাশ পায় গণমাধ্যমে।

সেই খবর প্রকাশের পর গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্তে ৬২ কোটি ২০ লাখ ৮৯ হাজার টাকার অনিয়মের চিত্র বেরিয়ে আসে এবং তদন্ত প্রতিবেদনে ৩৪ জন প্রকৌশলীকে দায়ী করা হয়।

বিজ্ঞানমন্ত্রী মনে করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে রেকর্ড ব্যয়ের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নিয়ে দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর দেশের স্বার্থে যায়নি, বিশ্বের অন্যান্য দেশের গণমাধ্যম এমনটা করে না।

“এ প্রকল্পটি অন্য পাঁচটা প্রজেক্টের মতো না।  আজকে নানা কথাবার্তা চলছে। আমি অনুরোধ করব, এমন কিছু করবেন না যেটা  দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়।”

এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা রোসাটমের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্টের সঙ্গে ২০১৫ সালে বাংলাদেশের পরমাণু শক্তি কমিশনের চুক্তি হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্বলিত সর্বাধুনিক তৃতীয় প্রজন্মের প্রযুক্তি দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ব্যবহৃত তেজষ্ক্রিয় জ্বালানি সরিয়ে নিতেও রাশিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ইয়াফেস ওসমান বলেন, “পুরো প্রকল্পটি আমরা করছি মানুষের স্বার্থে। সামান্যতম ক্ষতি হলেও প্রকল্প রাখব না।  আমরা এটাকে আরও নিরাপদ করব।”

পারমাণবিক জ্বালানি কিনতে চুক্তি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও রুশ ফেডারেশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত আন্তঃরাষ্ট্রীয় সহযোগিতা চুক্তির আওতায় রুশ ফেডারেশনের নির্ধারিত ঠিকাদার টিভেল জয়েন্ট স্টক কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সই হয়েছে।

বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিপত্রে সই করেন পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রাশিয়ান নিউক্লিয়ার ফুয়েল সাপ্লাই কোম্পানির কমার্শিয়াল ডিরেক্টর ফেদর শকোলভ।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তির আওতায় নিউক্লিয়ার ফুয়েলের মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতি স্থির করা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহের সময় বিশ্ব বাজারে বিদ্যমান দর অনুযায়ী এবং  একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর সরবরাহকৃত নিউক্লিয়ার ফুয়েলের মূল্য নির্ধারিত হবে।

চুক্তির ‘মেথোডলজি অফ কন্ট্রাক্ট প্রাইস ক্যালকুলেশন’ অনুযায়ী এবং সময়ান্তরে চুক্তির মূল্য পুনঃনির্ধারণ পদ্ধতি উভয় পক্ষ কর্তৃক হালনাগাদ করা হবে।

নিউক্লিয়ার ফুয়েল কেনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি অনুসরণ করে আলোচ্য ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তির নিউক্লিয়ার ফুয়েলের ক্রয় মূল্য নির্ধারণে ইউরেনিয়ামের দাম, অদলবদল সেবা, সমৃদ্ধ সেবা, ফুয়েল ফেব্রিকেশন – এ চারটি ধাপ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

এই চারটি ধাপের কার্যক্রম পৃথকভাবে নির্ধারিত হবে এবং চারটি ধাপের সমষ্টি ফুয়েলের মূল্য হিসেবে প্রযোজ্য হবে। চারটি মূল্য একত্রিত করে ফুয়েলের মূল্য নির্ধারিত হবে, যা প্রতি ১০ বছর অন্তত পুনঃমূল্যায়ন ও পুনঃনির্ধারণ করা যাবে।

এই চুক্তি স্বাক্ষরের পর একক উৎস হিসেবে টিভেল জয়েন্ট স্টক কোম্পানি রূপপুর প্রকল্পে সরাসরি নিউক্লিয়ার ফুয়েল সরবরাহ করবে।

কেন একই দেশ থেকে জ্বালানি নিতে হবে- তার ব্যাখ্যায় ইয়াফেস ওসমান বলেন, “প্রকল্পের সব যন্ত্রপাতি তাদের তৈরি করা (রাশান ফেডারেশনের)। তাদের কাছ নেওয়াই তো বুদ্ধিমানের কাজ। পৃথিবীতে কিছু ফর্মুলা আছে। ফর্মুলার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। নতুন কোনো বিষয় এখানে হচ্ছে না। ক্ষতি হওয়ার কোনো স্কোপ নাই।”
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য আবাসিক ভবনের আসবাবপত্র কেনায় ‘দুর্নীতি’র খবর প্রকাশের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের লেখালেখির ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানালেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান।

Tuesday, August 6, 2019

দেশে এসে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী নারীর

হাফসা লিপি নামের ৩৪ বছর বয়সী ওই নারী চার দিন ধরে ঢাকার আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

সেখানে আইসিইউতে থাকা অবস্থায় সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয় বলে হাসপাতালের পরিচালক জসিমউদ্দিন খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান।

হাফসার স্বামী সর্দার আব্দুল সাত্তার তরুণ (৩৬) নিজেও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। দুই সন্তান অলি (১২) ও আয়ানকে (৬) নিয়ে সপ্তাহ তিনেক আগে দেশে এসে কলাবাগানে উঠেছিলেন তারা।

সাত্তারের বড় বোন ডা. নুরুন্নাহার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, ঢাকায় আসার পরপরই জ্বরে পড়েন তার ভাই।

“ওর অসুস্থতার মধ্যেই হাফসার জ্বর আসে। গত ২৮ জুলাই এনএস১ পরীক্ষা করা হলে ডেঙ্গু ধরা পড়ে। কিন্তু আমার ভাই বাসায় অসুস্থ বলে হাফসা স্বামীর সঙ্গে বাসায় থাকার সিদ্ধান্ত নেয়।

“কিন্তু শুক্রবার সকালে হঠাৎ করে ওর অবস্থা খারাপের দিকে গেলে আমরা ওকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। ওইদিনই ওকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।”

মঙ্গলবার সকালে হাফসার মৃতদেহ নিয়ে শরীয়তপুরে তার শ্বশুর বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা হন স্বজনরা।

শরীয়পুরের ভেদরগঞ্জ থানার সর্দার বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে হাফসাকে দাফন করা হবে বলে জানান নুরুন্নাহার।

চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট ১৮ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, যদিও গণমাধ্যমের খবরে মৃত্যুর সংখ্যা নব্বই ছাড়িয়েছে।
স্বামী-সন্তান নিয়ে দেশে বেড়াতে এসে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ইতালি প্রবাসী এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
[প্রতিবেদনটি তৈরিতে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছেন শামিমা নাসরিন লাকি]

Sunday, December 28, 2014

শিশু জিহাদকে উদ্ধার

রাজধানীর শাহজানপুর রেল কলোনি মাঠের পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের পাম্পের পাইপে পড়ে যাওয়া শিশুকে উদ্ধারে তৎপরতার এই চিত্র শনিবার দুপুরের, বিকালেই তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি /বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Monday, December 1, 2014

কুতুবদিয়ায় ভ্রমণ by মুস্তাফিজ মামুন

নির্জন বেলাভূমি, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র, লবণ চাষ, বাতিঘর, কুতুব আউলিয়ার মাজারসহ আছে দেখার মতো অনেক কিছু।
কুতুবদিয়া চ্যানেল
কুতুবদিয়ার চ্যানেল বেশ বড়। সারা বছর বেশ উত্তাল থাকলেও শীতে মোটামুটি শান্তই থাকে। মাগনামা ঘাট থেকে এই চ্যানেল পাড়ি দিয়েই পৌঁছতে হবে দ্বীপে।
সমুদ্র সৈকত
কুতুবদিয়ার সমুদ্র সৈকত উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ। বেশিরভাগ এলাকাই বেশ নির্জন। পর্যটকের আনাগোনা নেই বললেই চলে। মাঝে মাঝে শুধু আছে জেলেদের কর্মব্যস্ততা। কোথাও কোথাও সৈকতের পাশে আছে ঝাউগাছের সারি। কুতুবদিয়া সৈকতের আরেকটি প্রধান বৈশিষ্ট হল প্রচুর গাংচিল ঘুরে বেড়ায় সেখানে। নির্জনতার সুযোগে সৈকতের কোথাও কোথাও লাল কাঁকড়াদের দল ঘুরে বেড়ায় নির্ভয়ে। সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখার জন্য কুতুবদিয়ার সৈকত আদর্শ জায়গা।
বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র কুতুবদিয়ায় অবস্থিত। প্রায় এক হাজার কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এই বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে সৈকতের দক্ষিণ প্রান্তে, আলী আকবরের ডেল এলাকায়। দেখতে ভুল করবেন না দেশের বড় এই বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
বাতিঘর
সমুদ্রপথে চলাচলকারী জাহাজের নাবিকদের পথ দেখাতে বহুকাল আগে কুতুবদিয়ায় তৈরি করা হয়েছিল একটি বাতিঘর। পুরানো সেই বাতিঘর সমুদ্রে বিলীন হয়েছে বহু আগে। তবে এখনও ভাটার সময় সেই বাতিঘরের ধ্বংসাবশেষ কখনও কখনও জেগে উঠতে দেখা যায়। পুরানো বাতিঘরের এলাকায় পরে যে বাতিঘর তৈরি করা হয়েছিল সেটিই এখন নাবিকদের পথ দেখায়। বড়ঘোপ বাজার থেকে সমুদ্র সৈকত ধরে উত্তর দিকে কিছু দূর গেলে বর্তমান বাতিঘরের অবস্থান।
কুতুব আউলিয়ার দরবার
দ্বীপের ধুরং এলাকায় কুতুব আউলিয়ার দরবার শরীফ। এই দরবারের প্রতিষ্ঠাতা শাহ আব্দুল মালেক আল কুতুবী। এখানেই জন্মগ্রহণ করেন ১৯১১ সালে। ২০০০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তারিখে তিনি মারা যান। প্রতিবছর তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে (৭ ফাল্গুন) হাজারও ভক্তের সমাগম ঘটে এখানে। কথিত আছে কুতুবদিয়ার নামকরণ হয়েছে কুতুব আউলিয়ার পূর্বপুরুষদের নামানুসারেই। বর্তমানে কুতুব শরীফ দরবারের দায়িত্বে আছেন তাঁরই পুত্র শাহজাদা শেখ ফরিদ।
লবণ চাষ
শীতে কুতুবদিয়ার জমিতে চাষ হয় লবণ। এ সময়ে সেখানে গেলে দেখা যাবে মাঠে মাঠে কৃষকদের লবণ চাষের ব্যস্ততা। দ্বীপের সর্বত্রই কম-বেশি লবণের চাষ হয়। তবে সবচেয়ে বেশি লবণের মাঠ তাবলের চর, কৈয়ার বিল, আলী আকবরের ডেল-এ রয়েছে। প্রাকৃতিক উপায়ে লবণ উৎপাদনের নানান কৌশল দেখা যাবে এখানে।
কীভাবে যাবেন
কুতুদিয়া যেতে হবে কক্সবাজারের বাসে। ঢাকা থেকে সরসরি কক্সবাজার যায় সোহাগ পরিবহন, টি আর ট্রাভেলস, গ্রীন লাইন পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, সেন্টমার্টিন পরিবহন, সৌদিয়া পরিবহনের এসি বাস।
ভাড়া ১ হাজার ৭শ’ থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকা। এছাড়া এস আলম, সৌদিয়া, শ্যামলী, ইউনিক, ঈগল ইত্যাদি পরিবহনের নন এসি বাসে ভাড়া সাড়ে ৬শ’ থেকে ৮শ’ টাকা।
এসব বাসে চড়ে নামতে হবে চট্টগ্রাম কক্সবাজারের পথে যাত্রা বিরতি স্থল ইনানী রিসোর্টের এক কিলোমিটার সামনে বড়ইতলি মোড়ে। সেখান থেকে সিএনজি চালিত বেবিটেক্সিতে যেতে হবে মাগনামা ঘাট। জনপ্রতি ভাড়া ৩৫ টাকা। রিজার্ভ নিলে ২শ’ টাকা। মাগনামা ঘাট থেকে কুতুবদিয়া চ্যানেল পার হতে হবে ইঞ্জিন নৌকা অথবা স্পিড বোটে।
ইঞ্জিন নৌকায় সময় লাগে ২০ থেকে ২৫ মিনিট, ভাড়া ১৫ থেকে ২০ টাকা। আর স্পিডবোটে লাগে ১০ মিনিট, ভাড়া ৬০ টাকা। চ্যানেল পার হলেই কুতুবদিয়া।
বড়ঘোপ বাজার রিকশায় যেতে লাগবে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। এছাড়া চট্টগ্রামের তৃতীয় কর্ণফুলী সেতুর পূর্ব প্রান্ত থেকে ও কক্সবাজার বাসস্টান্ড থেকে সরাসরি এস আলমের বাস যায় মাগনামা ঘাটে। ভাড়া চট্টগ্রাম থেকে ১৬০ টাকা, কক্সবাজার থেকে ৯০ টাকা। 
কোথায় থাকবেন
কুতুবদিয়া দ্বীপে পর্যটকদের থাকার জন্য মানসম্মত একমাত্র আবাসন ব্যবস্থা হল হোটেল সমুদ্র বিলাস। সমুদ্র লাগোয়া এই হোটেলে বসে উপভোগ করা যায় সমুদ্রের সৌন্দর্য। হোটেলের দুই জনের নন এসি কক্ষ ভাড়া ৮শ’ টাকা তিনজনের ১ হাজার এবং চার জনের কক্ষ ভাড়া ১ হাজার ২শ’ টাকা। যোগাযোগ: হোটেল সমুদ্র বিলাস, বড়ঘোপ বাজার, কুতুবদিয়া। মোবাইল ০১৮১৯৬৪৭৩৫৫, ০১৭২২০৮৬৮৪৭।
প্রয়োজনীয় তথ্য
কুতুবদিয়া দ্বীপে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। জেনারেটর ও সৌর বিদ্যুৎ দিয়ে এখানকার বৈদ্যুতিক চাহিদা মেটানো হয়ে থাকে।
সৈকতে জোয়ার ভাটা চিহ্নিত করার কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই নিজ দায়িত্বে জোয়ার-ভাটার সময় জেনে সমুদ্র স্নানে নামতে। ভাটার সময় সমুদ্রে নামা বিপজ্জনক।
শঙ্ক ও মাতামূহুরী নদী বিধৌত বঙ্গোপসাগরের বুক চিরে জেগে ওঠা প্রাচীণ দ্বীপ-কুতুবদিয়া

Sunday, April 27, 2014

লেমশীখালীতে ব্যবসায়ী অপহৃত

শনিবার রাত ১১টার দিকে কুতুবদিয়ার লেমশীখালী ইউনিয়নের সতরউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের একটি এলাকা থেকে ব্যবসায়ী আবু মুসাকে (৪৩) অপহরণ করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

কুতুবদিয়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম বলেন, রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। বিষয়টি উপকূলরক্ষা বাহিনীকে (কোস্টগার্ড) জানানো হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে সাগরে অনুসন্ধান চলছে।

অপহৃতের ভাতিজা ও লেমশীখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেইন জানান, সতরউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের একটি এলাকায় আবু মুসার মালিকানাধীন কয়েকটি মাছ ধরার ট্রলার মেরামতের কাজ চলছিল। ২০ জনের মতো শ্রমিক সেখানে কাজ করছিলেন।

“রাতে চাচা কাজ তদারকির সময় সাগর থেকে আসা ১০/১৫ জন মুখোশধারী তাদের উপর হামলা করে। এ সময় শ্রমিকদের মারধর করে চাচাকে তুলে নিয়ে যায় তারা,” বলেন তিনি।

ওসি জহিরুল ইসলাম বলেন, মাস দুয়েক আগে ওই ব্যবসায়ীর এক ছেলে অপহৃত হয়েছিলেন। পরে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ নিয়ে তাকে ফিরিয়ে দেয় অপহরণকারীরা। তবে কারা তাকে অপহরণ করেছিল সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

Sunday, March 23, 2014

পশ্চিম লেমশীখালী কেন্দ্রে যালেট বাক্স ছিনতাইয়ের চেষ্টা

কুতুবদিয়া উপজেলায় একটি ভোট কেন্দ্র থেকে ব্যালেট বাক্স ছিনতাইয়ের চেষ্টার সময় দুই যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রোববার বেলা ১২টার দিকে কুতুবদিয়া পশ্চিম লেমশীখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
 
লেমশীখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আকতার হোসেন বলেন, বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীর সমর্থকরা কেন্দ্র দখল এবং ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালায়। এ সময় পুলিশ গুলি ছুঁড়লে দুইজন আহত হন। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমদ বলেন, ওই কেন্দ্রে গোলযোগের খবর পেয়ে বাড়তি পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

এর আগে লেমশীখালী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়ার অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জাফর আলম বলেন, “বিভিন্ন কেন্দ্রে বিচ্ছিন্ন ঘটনার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য পাঠানো হচ্ছে।”