Thursday, April 23, 2020
যে কারণে জাফরানের দাম বেশি

জাফরান হচ্ছে প্রায় বেগুনি রঙের ছয় পাপড়ি বিশিষ্ট ফুলের পুংকেশর। বৈজ্ঞানিক নাম Crocus sativus। এদের স্থানীয় নামের মধ্যে আছে স্যাফ্রন, জ্যাঁফারান, কেসার, জাফরান। পৃথিবীর সব দেশে জাফরান হয় না। স্পেন, ইতালি, গ্রিস, ইরান, কাশ্মির জাফরানের জন্য বিখ্যাত। তবে বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে জাফরান চাষের সম্ভাবনা রয়েছে।
জাফরান মধ্য হেমন্তের মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে ঘরে তুলতে হয়। সকালে সূর্য ওঠার সময় ফুল ফোটে আর দিনের শেষে তা মলিন হয়ে যায়। একটি ফুল থেকে তিনটি পুংকেশর পাওয়া যায়। হাতে করে গাছ থেকে ফুল তুলতে হয়। তা থেকে কেশর আলাদা করতে হয়।

এক গ্রাম জাফরানের জন্য ১৫০টি ফুল দরকার। অন্য হিসাবে ১ কেজি ফুল থেকে ৭২ গ্রাম তাজা কেশর শুকিয়ে ১২ গ্রাম জাফরান পাওয়া যায়। ৪৫০ গ্রাম শুকনো জাফরানের জন্য ৫০-৭৫ হাজার ফুল দরকার। এক কেজির জন্য ১ লাখ ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার ফুল দরকার। ৪০ ঘণ্টা সময় লাগে ১ লাখ ৫০ হাজার ফুল তুলতে।
পুংকেশরগুলো বের করে তা এয়ারটাইট পাত্রে রাখা হয়। পাইকারি হিসাবে প্রতি পাউন্ড (৪৫০ গ্রাম) ৫০০ থেকে ৫ হাজার ডলারে বিক্রি হয়। এক পাউন্ডে ৭০ হাজার থেকে ২ লাখ কেশর থাকতে পারে। পুরো কাজটি কায়িক পরিশ্রমে শেষ করতে হয়। অটোমেশনের কোন সুযোগ নেই। যে কারণে জাফরানের দাম বেশি।
তবে স্পেনের লা মাঞ্চা অঞ্চলের জাফরানের সুবাস সবচেয়ে ভালো। এ জাফরান দুটি ক্যাটাগরিতে পাওয়া যায়- মাঞ্চা আর ক্যুপে। মাঞ্চা প্রিমিয়াম গ্রেডে উজ্জ্বল লাল রঙের সুন্দর সুবাস রয়েছে। আর ক্যুপের স্প্যানিশ সরকারি স্বীকৃতি রয়েছে সেরা হিসাবে। ইরানি জাফরানের সুখ্যাতি তার রঙের জন্য। এটি তুলনামূলকভাবে সস্তা। তাই চায়ের মতো এটারও ব্লেন্ডিং হয়।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দীর্ঘ সময় কাজ করলে স্ট্রোকের ঝুঁকি আছে -গবেষণা
![]() |
| কাজের চাপ স্ট্রোকে আক্রান্ত হবার অন্যতম কারণ। |
ফ্রান্সের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতি বছর কমপক্ষে ৫০ দিন যদি ১০ ঘণ্টার বেশি কাজ করা হয় তাহলে স্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি হয়।
এক দশকেরও বেশি সময় যাবত যারা দীর্ঘ সময় কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রে স্ট্রোকে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি বেশি।
তবে যুক্তরাজ্যের স্ট্রোক এসোসিয়েশন বলছে, দীর্ঘ সময় কাজ করলেও শারীরিক ব্যায়াম এবং ভালো খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমানো সম্ভব হতে পারে।
ফ্রান্সের গবেষকরা ১ লক্ষ ৪৩ হাজার মানুষের তথ্য সংগ্রহ করেছেন।
তাদের বয়স, ধূমপানের ইতিহাস এবং কর্মঘণ্টা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
এদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের কিছু কম দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছেন।
![]() |
| ব্যায়াম, ধূমপান ত্যাগ এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। |
আমেরিকান হার্ট এসোসিয়েশনের জার্নালে প্রকাশিত লেখায় গবেষকরা উল্লেখ করেছেন, যেসব মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে তাদের স্ট্রোকে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা ২৯ শতাংশ বেশি।
যারা ১০ বছরের বেশি সময় যাবত দীর্ঘ সময় কাজ করছেন তাদের স্ট্রোকে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা ৪৫ শতাংশ বেশি।
যারা খণ্ডকালীন কাজ করেন কিংবা যারা দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার আগেই স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের এই গবেষণা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।
গবেষণা দলের প্রধান ড. অ্যালেক্সিস বলেন, "যাদের বয়স ৫০ বছরের কম তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে , ১০ বছর যাবত দীর্ঘ সময় কাজ করা এবং স্ট্রোকের ঝুঁকির সম্পর্ক তাদের ক্ষেত্রে বেশি জোরালো। এটা অপ্রত্যাশিত। এই ফলাফল বের করার জন্য আরো গবেষণার প্রয়োজন আছে।"
এই গবেষণায় স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যার উপর বেশি জোর দেয়া হয়েছে। স্ট্রোকের কারণের দিকে নজর দেয়া হয়নি।
অন্য আরেকটি গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব ব্যক্তি নিজের ব্যবসা পরিচালনা করেন, সিইও এবং ম্যানেজাররা দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করলেও তাদের ক্ষেত্রে স্ট্রোকের ঝুঁকি কম।
কিন্তু যারা অনিয়মিত শিফটে কাজ করেন, রাত্রিকালীন কাজ করেন কিংবা কাজের চাপ বেশি থাকে - তাদের ক্ষেত্রে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি।
স্ট্রোক এসোসিয়েশনের গবেষণা দলের প্রধান ড. রিচার্ড ফ্রান্সিস বলেন স্বাস্থ্যসম্মত খাবার, ব্যায়াম, ধূমপান ত্যাগ এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম স্বাস্থ্যের উপর বড় প্রভাব রাখতে পারে।
এ বিষয়গুলো মেনে চললে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে আসতে পারে তিনি উল্লেখ করেন।
![]() |
| স্বাস্থ্যসম্মত খাবারও খুবই জরুরী। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'আগে চাকরী করছিলাম, কিন্তু পোষায় না'-ঢাকার একজন রিকশাচালক by মুন্নী আক্তার
![]() |
| ঢাকার রাস্তায় রিকশা চালকদের লাইন |
ঢাকার ধানমণ্ডি এলাকার এই রিকশাচালক বলেন, উপার্জন বেশি হওয়ায় চাকরী বাদ দিয়ে রিক্সা চালানোকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছেন তিনি।
ভবিষ্যতেও তিনি থাকতে চান এ পেশাতেই।
আলিমুদ্দিন বলেন, "২০০৩ সালে ঢাকায় আসি। আগে চাকরী করছিলাম। কিন্তু পোষায় না।"
"সংসারে খাওয়ার মানুষ ৪ জন। চাকরী করলে বেতন পাবো ৭-৮ হাজার টাকা। ওইটায় পোষায় না," বলেন তিনি।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ঢাকা ইন্সটিটিউট অব লেবার স্টাডিজ-বিলস বলছে, আলিমুদ্দিনের মতো ঢাকার ২২ লাখ রিকশাচালকের মধ্যে ৮৫ ভাগই চান এই পেশায় থাকতে।
তবে তার মতো সবাই নন। গবেষণা বলছে, অন্তত ১৫ থেকে ২২ ভাগ রিকশাচালক এই পেশা বাদ দিয়ে অন্য পেশায় চলে যেতে চান।
কারা রিকশা চালান?
অনেকের কাছেই রিকশা চালানো মূল পেশা নয় অর্থাৎ তারা মূলত মৌসুমি রিকশাচালক।
গ্রামে কৃষিকাজের মৌসুম শেষ হলে কিংবা অন্য কাজ কমে গেলে দুই চার মাসের জন্য ঢাকায় চলে আসে এসব মানুষ।
আর তাৎক্ষণিক উপার্জনের পথ হিসেবে বেছে নেন রিক্সা চালানোকে।
এদের মধ্যে একটা বড় অংশ উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশুনা করেছেন।
রিকশাচালক রেজাউল ইসলাম বলেন, "আশা আছে ঢাকা শহরে থেকে কিছু সঞ্চয় করবো। তারপর গ্রামাঞ্চলে গিয়ে ওখানে একটা কর্মের ব্যবস্থা করে নেবো।"
ঢাকায় যন্ত্রচালিত রিক্সা না থাকায় এই পেশাটি পুরোপুরি কায়িক পরিশ্রম ভিত্তিক।
পাশাপাশি একজন রিকশাচালককে সর্বনিম্ন ৬ ঘণ্টা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৬ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে হয়।
বিশ্রামের সুযোগ বলতে রয়েছে রাস্তার পাশের চা কিংবা মুদি দোকান, গ্যারেজ কিংবা বাসা।
বসবাসের জন্য জনপ্রতি বরাদ্দ মাত্র ২৮ বর্গফুট জায়গা। রান্নাঘর, গ্যাস সংযোগ কিংবা নিরাপদ খাবার পানির সরবরাহ থেকে বঞ্চিত বেশিরভাগ রিকশাচালক।
আর খাবারের জন্য নির্ভর করতে হয় অস্থায়ী খাবার দোকান ও ফুটপাতের হোটেল।
যার কারণে প্রায় ৯৪ ভাগ রিকশাচালক অসুস্থতায় ভোগেন।
![]() |
| বিশ্রামের জায়গার অভাবের কারণে রাস্তার পাশে রিকশা থামিয়ে বিশ্রাম করেন অনেকে |
গবেষকরা বলছেন, অশিক্ষা আর কুসংস্কারের কারণে প্রচলিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে যেতে চান না তারা।
সময় আর খরচ বাঁচানোর জন্য বেশিরভাগ সময়েই নির্ভর করেন হাতুড়ে চিকিৎসকের উপর।
তবে স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমিয়ে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা।
যার মধ্যে রয়েছে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিকিৎসা এবং পরিচয়পত্র প্রদান।
গবেষক এবং ট্রেড ইউনিয়ন ট্রেইনার ও কনসালটেন্ট খন্দকার আব্দুস সালাম বলেন, "সরকারি হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে রিকশাচালকদের স্বাস্থ্যসেবায় অগ্রাধিকার দিতে হবে।"
"তাদের যেহেতু ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই, তাই তাদের আলাদা পরিচয়পত্র দেয়া যেতে পারে যাতে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পরিচয়পত্র দেখিয়ে সেবা নেয়ার সুযোগ পায় তারা," তিনি বলেন।
যানজট থেকে মুক্তি পেতে রাজধানীতে বেশ কিছু এলাকা এবং সড়কও রয়েছে যেগুলোতে রিক্সা চলাচল নিষিদ্ধ।
ভবিষ্যতে ঢাকাকে সত্যি সত্যি রিকশামুক্ত করা হবে কিনা এমন প্রশ্নে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য শামসুন নাহার বলেন, "রিকশাচালকদের পুনর্বাসিত করার পদক্ষেপ ছাড়া এমন সিদ্ধান্তে যাবে না সরকার।"
এছাড়া রিকশাচালকদের পেশা পরিবর্তন বা পুনর্বাসন, সরকারের প্রচলিত বেশ কিছু কর্মসূচীর আওতায় সম্ভব বলে জানান বিলসের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং সাংসদ শিরিন আখতার।
তিনি বলেন, "সরকার বিভিন্ন ব্যাংক ও বিভিন্ন জায়গায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে। যুবকদের প্রশিক্ষণের জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। যুব কর্মসংস্থানের কর্মসূচী রয়েছে।"
"গ্রামে ফিরে যাওয়ার জন্য আমার বাড়ি আমার খামার কর্মসূচী রয়েছে। এছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় অনেক যুবক সমবায়ের মাধ্যমে কৃষিকাজে যাচ্ছে। তারা এগুলোতে যেতে পারে," তিনি বলেন।
রাজধানীতে চলাচলের জন্য গণ পরিবহন হিসেবে রিক্সার উপর নির্ভরশীল প্রায় ৬০ ভাগ মানুষ।
![]() |
| রাজধানীর অনেক রাস্তায় রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডালিম বা বেদানার অজানা পুষ্টি এবং স্বাস্থ্য গুনাগুন

পাঞ্জাব ও কাশ্মীরেও এ ফলকে বেদানা বলে। বেদানা আকারে ডালিমের চেয়ে অনেক ছোট এবং মিষ্টি স্বাদের। হিন্দি, উর্দু, ফার্সি ও পশতু ভাষায় একে আনার বলা হয়। কুর্দি ভাষায় ‘হিনার’ এবং আজারবাইজানি ভাষায় একে ‘নার’ বলা হয়। সংস্কৃত এবং নেপালি ভাষায় বলা হয় ‘দারিম’। বেদানা গাছ গুল্ম জাতীয়, ৫-৮ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাকা ফল দেখতে লাল রঙের হয় । ফলের খোসার ভিতরে স্ফটিকের মত লাল রঙের দানা দানা থাকে । সেগুলোই খেতে হয়। এর আদি নিবাস ইরান এবং ইরাক। ডালিম ফল ডালিমগাছের পাতা, ছাল, মূল, মূলের ছাল সবই ওষুধি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ককেশাস অঞ্চলে এর চাষ প্রাচীনকাল থেকেই হয়ে আসছে। সেখান থেকে তা ভারত উপমহাদেশে বিস্তার লাভ করেছে।
বর্তমানে এটি তুরস্ক, ইরান, সিরিয়া, স্পেন, আজারবাইজান, আর্মেনিয়া, আফগানিস্তান, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইরাক, লেবানন, মিশর, চীন, বার্মা, সৌদি আরব, ইসরাইল, জর্ডান, ফিলিপাইন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার শুস্ক অঞ্চল, ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, দক্ষিণ ইউরোপ এবং ক্রান্তীয় আফ্রিকায় ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়। স্পেনীয়রা ১৭৬৯ সালে ল্যাটিন আমেরিকা এবং ক্যালিফোর্নিয়াতে বেদানা নিয়ে যায়। ফলে বর্তমানে ক্যালিফোর্নিয়া ও এরিজোনায় এর চাষ হচ্ছে। উত্তর গোলার্ধে এটি সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মৌসুমে জন্মে। দক্ষিণ গোলার্ধে মার্চ থেকে মে পর্যন্ত এটি জন্মে।
ডালিম ফল কাঁচা অবস্থায় সবুজ এবং পাকলে হলুদ এবং লাল হয়। ফলের ভিতরে বীজের কোষ হয় এবং কোষের উপর পাতলা আবরণ থাকে। পাকা ফলে বীজ গোলাপী ও সাদা হয়। সাধারণত মে মাসে ফুল ও আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে ফল পাকে। তিন প্রকার স্বাদের ডালিম দেখা যায় যথা, মিষ্টি, টক মিষ্টি এবং অম্লরস। দেশ ভেদে ডালিমের আকৃতি ও স্বাদের পার্থক্য দেখা যায়। ডালিমের সবচেয়ে ভালো প্রজাতির নাম— স্পেনিশ রুবি। এ ছাড়া অন্যান্য ভালো প্রজাতিগুলো হলো— ঢোল্কা, ভাদকি ও জিবিজিআই, পেপার শেল, মাসকেড রেড, বেদানা ও কান্ধারী। ডালিম ফলের মোট ওজনের বৃহত্তর অংশই খোসা ও বীজ। ফুল ভেদে ডালিমকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। এক প্রকার গাছে শুধুমাত্র পুং ফুল ফোটে অন্যটিতে পুং এবং স্ত্রী দু’প্রকার ফুলই ফোটে।
ডালিম গাছ বেশ সহনশীল বলে অনুর্বর মাটিতে এটি সহজেই জন্মায়। নিয়মিত পরিচর্যা নিলে ডালিম গাছ থেকে সারা বছর ফল পাওয়া যায়। বাংলাদেশে ডালিমের চাহিদা ও বাজার মূল্যও বেশ ভালো। আয়ের দিক থেকে বিবেচনা করলে অন্য যেকোন ফলের তুলনায় ডালিমের চাষাবাদ কোন অংশেই কম নয়। কেননা, ডালিমের মূল্য বেশি হওয়ায় মধ্যম আকৃতির একটি ডালিম গাছ থেকে বছরে ৩০০০-৪০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করা যেতে পারে। তাই বাংলাদেশে ডালিমের চাষাবাদ বেশ লাভজনক ও সম্ভাবনাময়।
পুষ্টিমান ও ব্যবহার :
ডালিমের পুষ্টিমান, ওষুধি গুণ ও বহুবিদ ব্যবহার অনেক ধর্মীয় বই থেকে অনেক স্থানে লেখা আছে। প্রতি ১০০ গ্রাম ডালিমে ৭৮ ভাগ পানি, ১.৫ ভাগ আমিষ, ০.১ ভাগ স্নেহ, ৫.১ ভাগ আঁশ, ১৪.৫ ভাগ শর্করা, ০.৭ ভাগ খনিজ, ১০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১২ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, ১৪ মিলিগ্রাম অক্সালিক এসিড, ৭০ মিলিগ্রাম ফসফরাস, ০.৩ মিলিগ্রাম রাইবোফ্লাভিন, ০.৩ মিলিগ্রাম নায়াসিন, ১৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি ইত্যাদি থাকে। আয়ুর্বেদ চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর ব্যবহার সব জায়গায় পরিচিত।
ঔষধিগুনাগুন :
ডালিম ফল আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী চিকিৎসায় পৈথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ডালিমে বিউটেলিক এসিড, আরসোলিক এসিড এবং কিছু আ্যলকালীয় দ্রব্য যেমন- সিডোপেরেটাইরিন, পেপরেটাইরিন, আইসোপেরেটাইরিন, মিথাইলপেরেটাইরিন প্রভৃতি মূল উপাদান থাকায় ইহা বিভিন্ন রোগ উপশমে ব্যবহৃত হয়। কবিরাজী মতে ডালিম হচ্ছে হৃদয়ের শ্রেষ্ঠতম হিতকর ফল। এ ফল কোষ্ঠ রোগীদের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়। গাছের শিকড়, ছাল ও ফলের খোসা দিয়ে আমাশয় ও উদরাময় রোগের ওষুধ তৈরি হয়। ইহা ত্রিদোষ বিকারের উপশামক, শুক্রবর্ধক, দাহ-জ্বর পিপাসানাশক, মেধা ও বলকারক, অরুচিনাশক ও তৃপ্তিদায়ক। ডালিমের ফুল রক্তস্রাবনাশক।
হৃৎপিণ্ড ভালো রাখতে:
আমাদের জীবনযাত্রায় অন্যতম আতঙ্ক রোগ হল হৃদরোগ। আর শরীর সুস্থ রাখতে হলে নিজেকে সচল রাখতে হবে। খাওয়া-দাওয়ায় সচেতন থাকতে হবে। আমাদের প্রতিনিয়ত ব্যস্ততার জন্য আমরা খুব বেশি জাঙ্ক ফুড কে খাবার হিসাবে বেছে নিয়েছি এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমাদের হৃদয়। তাই হৃদরোগ আমাদের জীবনযাত্রার সাথে যেন জড়িয়ে গিয়েছে। আর প্রতিদিন এই সকল তেল চর্বি জাতীয় খাবার গ্রহণ করে থাকার ফলে আমাদের ধমনীর আবরণে চর্বি জাতীয় পদার্থ জমে যাচ্ছে। যার ফলে ধমনী আস্তে আস্তে শক্ত হয়ে সংকুচিত হতে থাকে। হাতের কাছেই আছে হৃদরোগ ভালো রাখার উপায়। মাংস পেশিতে দ্রুত অক্সিজেন পৌঁছে দেয় বেদানা রস। প্রতিদিন একটা বেদানার রস আপনাকে দিতে পারে হৃদরোগের হাজারো সমস্যা থেকে মুক্তি। নিয়মিত বেদানার রস এই চর্বির স্তরকে গলিয়ে পরিষ্কার করে। বেদানায় উপস্থিত থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে। যা আমদের শরীরে রক্তের মধ্যে মোনোসাইট কেমোট্যাকটিক প্রোটিন ক্ষতিকর পদার্থ কমিয়ে ফেলে।
ত্বক সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে :
ডালিম ত্বক সুস্থ রাখতে অনেক উপকার করে। বেদানা বা ডালিম পোমেগ্র্যানেট অয়েল ময়শ্চারাইজার হিসেবে ভালো কাজ করে ও ত্বকের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণকে প্রতিরোধ তৈরি করে থাকে। ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন সি, সাইট্রিক আসিড, ট্যানিন সমৃদ্ধ বেদানা ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে বিশেষ উপকারী।
স্কিন ক্যান্সার প্রতিরোধে :
ডালিম বা বেদানার রস ক্যান্সার প্রতিরোধে অনেক উপকারি খাদ্য। এক গবেষণায় দেখা গেছে স্কিন ক্যান্সার ও প্রস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধ করতে বেদানার রস সাহায্য করে। এবং অ্যানিমিয়া রোগীদের জন্য বেদানা রস খুবই উপকারি।
রক্তস্বল্পতা দূর করতে :
রক্তস্বল্পতা দূর করার জন্য বেদানাতে রয়েছে প্রচুর আয়রন। রুচি বৃদ্ধি করে, কোষ্ট কাঠিন্য রোধ করে। জন্ডিস, বুক ধড়ফড়ানি, বুকের ব্যথা, কাশি, কণ্ঠস্বর পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। পুরনো পেটের অসুখ ও জ্বর সারাতে সাহায্য করে।
হাড় ভালো রাখতে :
হাড়ের সংযোগস্থলে কার্টিলেজ নামে অস্থি রস থাকে যা হাড়ের ক্ষতি করে। বেদানার রসে আছে পটাশিয়াম ও পলিফেনল যা কিনা কার্টিলেজ নামক রোগ রোধ করার জন্য খুবই উপকারী। আর হাড়ের নানাবিধ রোগ যেমন হাড়ের রোগ অস্টিওপোরেসিস থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এই ফলটি থেকে।
দাঁতের যত্নে :
বেদানাতে উপস্থিত রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা কিনা দাঁতে প্লাক জমতে বাধা দেয়। জিন জিভাইটিস নামে মাড়ির রোগ প্রতিরোধ করতে বেদানার ভূমিকা অপরিসীম। আমরা আমাদের দাঁত ভালো রাখার জন্য প্রতিদিন অল্প হলেও বেদানা খাওয়া উচিত।
ডায়রিয়া প্রতিরোধ :
অনেকে ভাবেন ডায়ারিয়া হলে বেদানা খাওয়া ঠিক না। কিন্তু ডায়রিয়া থেকে রক্ষা পেতে বেদানার রস খুবই উপকারি। ডায়রিয়া হলে সকাল-বিকাল বেদানার রস খেলে ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
সর্দি-কাশি থেকে বাঁচতে :
শীতের সময় সর্দি-কাশি লেগেই থাকে সর্দি-কাশি থেকে রক্ষা পেতে আমরা বেদানার রস ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করতে পারি। ঠান্ডায় খুব বেশি কাবু হয়ে গেলে বেদানার রস খেয়ে দেখলে পার্থক্যটা নিজেই অনুভব করতে পারবেন। বেদানাতে আছে পটাশিয়াম ও ফাইবার যা ইমিউন সিস্টেম মজবুত রাখতে সাহায্য করে।
কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণ :
বেদানার প্রচুর পরিমাণে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা টক্সিন দূর করে ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে। কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রনে বেদানার রসে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এল ডি যা হার্টের মাসলসে অক্সিজেন সরবরাহ ভাল রাখে। ফ্রি রেডিকেলস্ প্রতিরোধ করে কোলেস্টরেল বৃদ্ধিতে বাধা দেয়। নিজেকে সুস্থ রাখতে কৃত্রিম ওষুধের ওপরে নির্ভরশীল না হয়ে, প্রাকৃতিক উপায় গুলোর প্রতি মনযোগী হয়ে উঠতে হবে। প্রকৃতির অসাধারণ সব উপাদান আমাদের চারপাশেই ছড়িয়ে আছে যার অল্প একটু ব্যবহারই প্রতিদিন আমাদের রাখবে সুস্থ-সতেজ ও রোগ মুক্ত। আবার আর্টারি পরিস্কার রাখতে সাহায্য করে বেদানা। বেদানার রস তাই রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে দারুণ কার্যকারী। এর পলিফেনল অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি হলে রোজ বেদানার রস খাওয়া উচিত।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় :
বেদানার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম ও ভিটামিন ‘সি’। প্রতিদিন বেদানার রস খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। এর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট গুণও গ্রিন টি বা রেড ওয়াইনের থেকে প্রায় তিন গুণ বেশি। এর মধ্যে রয়েছে তিন প্রকার অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। ট্যানিন, অ্যান্থো সিয়ানিন ও এলাজিক অ্যাসিড। অ্যান্থোসিয়ানিন দেহ কোষ সুস্থ রাখার ফলে ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে পারে। ফলে ফোলা ভাব কমে যায়, ক্ষয় রুখতেও সাহায্য করে।
রক্তচাপ কমাতে :
প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকার কারণে বেদানা সিস্টোলিক ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফলে স্ট্রেস, টেনশন কমে। হার্টের সমস্যা থাকলে হার্টের অসুখে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে।পেশির ব্যথা দূর করতে: বাত, অস্টিওআর্থারাইটিস, পেশির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে বেদানা। তরুণাস্থির ক্ষয় রুখতেও উপকারী বেদানা।
দেহের ক্যান্সার প্রতিরোধে :
শরীরে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিতে বেদানা সাহায্য করে। ফলে ক্যান্সার নিজে থেকেই মরে যায়। এই প্রক্রিয়াকে বলে অ্যাপপটোসিস। এর সাহায্যে ক্যানসার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে বেদানা। প্রস্টেট ক্যানসার, ব্রেস্ট ক্যানসারে ভাল কাজ করে বেদানার অ্যান্টিক্যানসার এজেন্ট।
ডালিম বা বেদানা গাছের স্বাস্থ্য গুনাগুন :
(১) রক্তপাত বন্ধ করতে ডালিম ফুল অত্যন্ত উপকারী। হঠাৎ দুর্ঘটনায় শরীরের কোনো অংশ ছিঁড়ে গেলে, থেঁতলে গেলে বা কেঁটে রক্তপাত বের হলে ডালিম ফুল কচলিয়ে ক্ষতস্থানে লাগিয়ে চেপে ধরলে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যায়। ফুল না পেলে পাতাও ভালো কাজ করে।
(২) হঠাৎ নাক দিয়ে রক্ত পড়া রোগের মহৌষধ ডালিম ফুলের রস। নাক দিয়ে রক্ত পড়া বা রক্তঝরা একটি সাধারণ রোগ। বহু মানুষের এরকম হয়। অনেকের বিনা কারণে নাক দিয়ে রক্ত যায়। শিশুদের মাঝেও এটা লক্ষ্য করা যায়। হঠাৎ করেই এরকম হয়। আঘাত, পলিপ বা কোনো কারণ ব্যতীত যদি নাক দিয়ে রক্ত পড়ে বা রক্ত যায় ডালিম ফুল কচলিয়ে রস নিয়ে নাকে শ্বাস নিলে রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যায়।
(৩) আমাশয় নিরাময়ে ডালিমের খোসা। যারা আমাশয়ের রোগী, ডালিমের খোসা সিদ্ধ করে সেবন করলে আমাশয় নিরাময়ে ভলো ফল পাওয় যায়। আমাশয় নিরাময়ে ডালিমের কাঁচা খোসা এবং শুকনা খোসা দুটোই কার্যকরী। তাই ডালিম খেয়ে খোসা ফেলে না দিয়ে শুকিয়ে ঘরে রেখে দেয়া ভালো।
(৪) ডালিম গাছের ছাল গুঁড়ো করে ছড়িয়ে দিলে শরীরের যে কোনো স্থানের বাগি বা উপদংশ নিরাময়ে ভালো কাজ করে। মহিলাদের প্রদররোগ নিরাময়ে ডালিম ফুল উপকারী। প্রদর একটি জটিল মেয়েলি রোগ। প্রদর দু’প্রকার। শ্বেতপ্রদর ও রক্তপ্রদর। উভয় প্রকার প্রদরে ৪/৫টি ডালিম ফুল বেটে মধুর সাথে মিশিয়ে কিছুদিন সেবন করলে রোগ সেরে যায়।
(৫) গর্ভপাত নিরাময়ে ডালিমের গাছের পাতা উপকারী। বহু মহিলার গর্ভসঞ্চারের দুই তিন মাসের মধ্যে গর্ভপাত হয়ে যায়। কোনো কোনো মহিলার একাধিকবার এরকম হয়। ডালিম গাছের পাতা বেটে মধু ও দধি একসাথে মিশিয়ে সেবন করলে গর্ভপাতের আশংকা দূর হয়।
(৬) ডালিম গাছের শিকড় ক্রিমিনাশক। ক্রিমির সমস্যা আমাদের জাতীয় সমস্যা। ক্রিমির কারণে শিশু থেকে বুড়ো পর্যন্ত সবাই নানাবিধ জটিলতায় ভোগে। ডালিম গাছের মূল বা শিকড় থেকে ছাল নিয়ে চূর্ন করে চুনের পানির সাথে মিশিয়ে সেবন করলে আনায়াসেই ক্রিমিনাশ হয়। বয়স ভেদে ১-৩ গ্রাম পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে।
(৭) শিশুদের পেটের রোগ নিরাময়ে ডালিম গাছের ছাল। শিশুরা বিভিন্ন প্রকার পেটের পীড়ায় ভোগে। যেসব শিশু পেট বড় হওয়াসহ বিভিন্ন প্রকার পেটের পীড়ায় ভোগে তাদেরকে জন্য ডালিম গাছের শিকড় থেকে ছাল নিয়ে গুঁড়ো করে মধুর সাথে মিশিয়ে সেবন করতে দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
বেদানার খোসার উপকারিতাগুলো :
সবাই জানে যে বেদানা মানুষের স্বাস্থের জন্য কতটা ফলদায়ক, কিন্তু আপনি কি জানেন বেদানার খোসা কতটা উপকারি? জেনে নিন এখনই -
(১) বেদানার খোসা থেকে পাওয়া অ্যান্টিঅক্সিডাইটিস আমাদের শরীরের কোলেস্টেরল লেবেল ঠিক রাখতে সাহায্য করে৷
(২) বেদেনার খোসা শুকিয়ে সেদ্ধ করে ঠান্ডা হওয়ার পর বেঁটে মুখে মাখলে ব্রনর সমস্যা দূর হয়৷
(৩) বেদেনার খোসা শুকিয়ে তার পাউডার বানিয়ে গোলাপ পানির সাথে মিশিয়ে মুখে মাখলে ত্বক উজ্জ্বল হয়৷
(৪) কাশি বা গলাব্যাথা হলে বেদানার খোসা থেকে তৈরি পাউডার গরমজলে ফুটিয়ে গারগেল করলে আরাম পাওয়া যায়৷
(৫) বেদানার খোসা থেকে তৈরি পাউডার এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে কুলকুচি করলে দাঁতের সমস্যা এবং মুখের দুর্গন্ধের সমস্যা দূর হয়৷
তথ্য এবং ছবি : গুগল
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমেরিকা শুধু বিমান হামলা চালায় by তৌহিদুল ইসলাম

গত প্রায় দুই দশকের ইতিহাস সেটাই বলছে।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলায় টুইন টাওয়ার বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় আল–কায়েদাকে দায়ী করে আফগানিস্তানে বিমান হামলায় চালিয়ে বিধ্বস্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের সহিংস মনোভাবের কারণে ক্ষতবিক্ষত হয় পাহাড়বেষ্টিত আফগানিস্তান। এরপর ২০০৩ সালে ইরাকে আগ্রাসন চালানো হয়। ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে পরাস্ত করে ক্ষমতায় আনা হয় মার্কিন মদদপুষ্ট নেতা নুরি আল মালিকিকে। যুদ্ধ, সহিংসতা ও নৃশংস কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে পার হয় ডব্লিউ বুশের আট বছরের শাসনামল।
যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা থেকে সরে আসার আহ্বান এবং ‘আমাদের পরিবর্তন প্রয়োজন’ স্লোগান নিয়ে ২০০৯ সালে মার্কিন গদিতে বসেন কেনীয় বংশোদ্ভূত বারাক ওবামা। তাঁকে শান্তিতে নোবেল দিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করা হলেও তিনি শান্তির বার্তা নিয়ে আসতে পারেননি। তাঁর শাসনামলেই আরব বসন্তের আবির্ভাব ঘটে। ওবামা প্রশাসনের কূটচালে গণবিক্ষোভে মিসর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন দেশ টালমাটাল হয়ে ওঠে। এসব দেশে ক্ষমতায় বসেন মার্কিন মদদপুষ্ট ব্যক্তিরা।
যুদ্ধ ও সহিংসতা থেকে সরে এসে ‘আমেরিকাকে ফের মহান’ বানানোর ঘোষণা দিয়ে ২০১৭ সালে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু সেই ঘোষণাও আছে মুখ থুবড়ে। বরং ‘পা মাড়িয়ে দিয়ে ঝামেলা’ পাকানোর স্বভাব দেখা যায় তাঁর মধ্যে। ক্ষমতায় যাওয়ার পরপরই সিরিয়া, ইরান, ইয়েমেন, লিবিয়া, সোমালিয়া ও সুদান—এই ছয় মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন তিনি। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণে পরিকল্পনা করেন তিনি। সন্ত্রাসী ও আইএস জঙ্গি দমনের নামে যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ায় একের পর বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। শত্রু মোকাবিলায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট ন্যাটো আকাশপথকে নিরাপদ মনে করে থাকে। তাই সোমালিয়া, সিরিয়া, ইরাক ও আফগানিস্তানে যত্রতত্র বিমান হামলা চালিয়ে বিমান হামলায় ‘ওস্তাদ’ বনে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিমান হামলার সংখ্যার দিক থেকেও এগিয়ে দেশটি।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে গত মার্চ মাস পর্যন্ত পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সোমালিয়ায় ১০৮টি বিমান হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এতে নিহত হয়েছে প্রায় ৮০০ জন। পেন্টাগন বলছে, নিহত সবাই জিহাদি (যোদ্ধা)। অবশ্য পেন্টাগনের এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নয় মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
জঙ্গিগোষ্ঠী আল-শাবাব আল–কায়েদার সঙ্গে যুক্ত হয়ে সোমালিয়ার এক–চতুর্থাংশ দখলে নিয়েছে। ২০১৬ সালে সেখানে ১৪টি বিমান হামলা হয়েছে, আর গত বছর তিন গুণ বেড়ে সেই হামলার সংখ্যা হয়েছে ৪৫। আর চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে বিমান হামলার সংখ্যা ২৮।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত দুই বছরে সোমালিয়ায় ১১০টি মার্কিন বিমান হামলায় আট শতাধিক মানুষ মারা গেছে। ২০১৮ সালে দেশটিতে ৪৭টি ড্রোন ও বিমান হামলা চালানো হয়। আর ২০১৯ সালের প্রথম তিন মাসের মধ্যেই ২৫টির বেশি বিমান হামলা চালানো হয়। সম্প্রতি সেখানে হামলায় ১৪ জন মারা গেছে।
পর্যবেক্ষণ সংস্থা অ্যাকশন ওন আর্মড ভায়োলেন্সের (এওএভি) তথ্যমতে, গত এক দশকের চেয়ে ২০১৮ সালে আফগানিস্তানে বেশি বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র ফেলেছে আমেরিকা, যা ২০১৫ সালের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি। বিমান হামলায় ২০১৭ সালের বেসামরিক লোকের মৃত্যুর হার বেড়ে হয়েছে ৮৭ শতাংশ। আর ২০১৮ সালে নিহত মানুষের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৪৬৩।
এসব বোমা হামলা শুধু মার্কিন বাহিনীর নয়, আফগান বিমানবাহিনীও পাল্টা বিমান হামলা চালিয়ে জবাব দেওয়ার চেষ্টা করেছে। অবশ্য তা বেশি শক্তিশালী ছিল না। আফগানিস্তানে কাজ করা ইউনাইটেড ন্যাশনস অ্যাসিস্ট্যান্ট মিশনের (উনামা) মূল্যায়ন এওএভির মতোই। উনামা বলছে, বিমান হামলা–সংশ্লিষ্ট ৬২ শতাংশ নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে ন্যাটোর নেতৃত্বাধীন জোটের হামলায়। আর এই বিমানশক্তির উৎস আমেরিকা।
হামলায় হতাহত হওয়ার সংখ্যা কম গণনা করে তালিকাভুক্ত করেছে আমেরিকান কমান্ডাররা। আর কীভাবে হামলার সময় বেসামরিক হতাহত হওয়ার ঘটনা এড়ানো যায়, এ বিষয়ে গবেষণার করছেন ল্যারি লুইস। তিনি পেন্টাগনের সাতটি গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। হামলার আগে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি বিষয়ে তথ্য তুলে ধরেছেন লুইস। অবশ্য সেই তথ্য কখনোই বাস্তবতার সঙ্গে মেলেনি।
হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার বিষয়ে চোখ বন্ধ করে থাকেনি পেন্টাগন। তারা সব সমালোচনার নোট রেখেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে আগের তিন বছরের হামলায় বেসামরিক হতাহত হওয়ার বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করেছে তারা। গবেষণায় জোর দিয়ে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সর্বনিম্ন পর্যায় পর্যন্ত বেসামরিক লোক হতাহত হওয়া কমানোর বিষয়ে ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাইরে থেকে আসা অভিযোগ অনুযায়ী ৫৮ শতাংশ বেসামরিক লোক হতাহত হওয়ার পরিসংখ্যান ‘বিশ্বাসযোগ্য’। এ বিষয়ে অবশ্য আমেরিকার সশস্ত্র বাহিনীর তথ্য বেসরকারি সংস্থার তথ্যের প্রায়ই একই রকম। লন্ডনভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এয়ারওয়ার্সের তথ্যমতে, ২০১৮ সালে জোটের এক হাজার ঘটনায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বেসামরিক লোক হতাহত হওয়ার শিকার হয়েছে।
এয়ারওয়ার্স মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে। নিয়মিতভাবে তারা নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকাণ্ডের তথ্য–উপাত্ত তুলে ধরে। এয়ারওয়্যার্সের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ক্রিস উডস বলেন, হামলায় বেসামরিক লোকদের ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে ইউরোপিয়ানদের চেয়ে আমেরিকানরা বেশি এগিয়ে। অবশ্য তাঁর এই বক্তব্যে একটি বিষয় পরিষ্কার যে হামলায় হতাহত মানুষের সংখ্যা কমানো বিষয়ে তারা তৎপর। কিন্তু হামলার সংখ্যা কমানোর বিষয়ে তাদের কোনো উদ্যোগ নেই। সুতরাং স্বার্থ হাসিলে ‘ওস্তাদদের ওস্তাদি’ চলতেই থাকবে—এ নিয়ে সংশয় নেই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অকালে চুল পাকা রোধ করে আমলকী

চুল পাকা রোধ করতে
প্যানে ৩ টেবিল চামচ নারকেল তেল, ১ টেবিল চামচ মেথি গুঁড়া ও ২ টেবিল চামচ আমলকীর গুঁড়া একসঙ্গে গরম করে নিন। কিছুক্ষণ পর নামিয়ে ঠাণ্ডা করে ছেঁকে নিন। মিশ্রণটি চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন। সারারাত রেখে পরদিন ধুয়ে ফেলুন শ্যাম্পু দিয়ে।
চুল পড়া বন্ধ করতে
২ চা চামচ আমলকী গুঁড়া, ২ চা চামচ টক দই ও১ চা চামচ মধুর সঙ্গে পরিমাণ মতো কুসুম গরম পানি মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। মিশ্রণটি চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত লাগিয়ে রাখুন আধা ঘণ্টা। কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে শ্যাম্পু করে নিন। নিয়মিত ব্যবহার চুল পড়া বন্ধ হবে।
চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে
আধা কাপ আমলকী গুঁড়ার সঙ্গে দুটো ডিম মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি চুলে ১ ঘণ্টা লাগিয়ে রেখে ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি চুলের বৃদ্ধি বাড়াবে।
খুশকি দূর করতে
২ টেবিল চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ আমলকীর রস মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন। আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। খুশকি দূর হবে।
তৈলাক্ত চুলের যত্নে
২ টেবিল চামচ আমলকীর গুঁড়া, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ও প্রয়োজন মতো পানি মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। চুলে লাগিয়ে রাখুন সারারাত। পরদিন ধুয়ে ফেলুন শ্যাম্পু দিয়ে।
>>>তথ্য: বোল্ডস্কাই
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ▼ 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





