Tuesday, September 10, 2024
অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠছে মনিপুর
সোমবার রক্তের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখা যায় তার মৃতদেহ। কুকিদের একটি সংগঠন বলেছে, তিনি সেনাবাহিনীর সাবেক একজন সদস্য। কয়েক বছর আগে হারিয়েছেন স্ত্রীকে। তারপর থেকে নিজের ছেলের সঙ্গে বসবাস করছিলেন তিনি। তবে তার মৃত্যু নিয়ে পুলিশ কোনো তথ্য দেয়নি। মেইতি অধ্যুষিত ইম্ফল উপত্যকা সোমবার শিক্ষার্থীদের ব্যাপক প্রতিবাদ বিক্ষোভ প্রত্যক্ষ করেছে। ১লা সেপ্টেম্বর থেকে কুকিদের বিরুদ্ধে যে নতুন করে সহিংসতা শুরু হয়েছে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায় তারা। তবে ইম্ফলে রাজভবন লক্ষ্য করে শিক্ষার্থীরা ইটপাথর নিক্ষেপকালে তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে পুলিশ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, থুবালে ডেপুটি কমিশনারের অফিস কম্পাউন্ড থেকে ভারতের জাতীয় পতাকা নামিয়ে ফেলছে একদল বিক্ষোভকারী। তারা মনিপুরের অখণ্ডতা রক্ষার পক্ষে স্লোগান দিচ্ছিল। একই সঙ্গে কুকিদের আলাদা প্রশাসনের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে তারা। উত্তেজনা প্রকট আকার ধারণ করায় ইম্ফলে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। রাজ্যে শান্তি ফেরানোর জন্য ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন তিনি। রাজ্যে ক্ষমতায় বিজেপি সরকার। তাদের ওপর চাপ বৃদ্ধির জন্য ইম্ফল উপত্যকায় ‘পাবলিক শাটডাউন’ ঘোষণা করেছে মেইতি সংগঠনগুলো। তবে এর প্রেক্ষিতে সোমবার ও মঙ্গলবার সব স্কুল বন্ধ এবং আন্ডারগ্রাজুয়েট, পোস্টগ্রাজুয়েট পরীক্ষা স্থগিত করেছে প্রশাসন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মণিপুরে ভারতের পতাকা নামিয়ে বিদ্রোহীদের পতাকা, কী হচ্ছে সেখানে?
গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, সম্প্রতি ইম্ফলের কৌত্রুক এলাকায় সশস্ত্র আক্রমণে এক মহিলাসহ দুজনের মৃত্যু হয়। এরপর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মণিপুরের পরিস্থিতি। গত সপ্তাহে মইরাংয়ে ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা করা হয় বলে অভিযোগ উঠে। এই ঘটনায় এক বেসামরিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ বলছে, সাম্প্রতিক সংঘর্ষে অত্যাধুনিক ড্রোন ও আরপিজি ব্যবহার করা হয়েছে। এ ধরনের অস্ত্র সাধারণত যুদ্ধের সময় ব্যবহার করা হয়। গেল ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মণিপুর রাইফেলসের দুটি ব্যাটেলিয়নের অস্ত্রাগার লুট করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সেখানে মোতায়েন যৌথ বাহিনী তা মোকাবিলা করে।
এমন পরিস্থিতিতে মণিপুরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে কয়েকদিন। বহু এলাকায় বন্ধ রয়েছে দোকানবাজারও। এদিকে অভিযোগ রয়েছে সশস্ত্র কুকিদের কাছে যে অস্ত্র রয়েছে তা দিয়ে তারা ২০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করতে পারে। যদিও কুকিদের পক্ষ থেকে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কথা অস্বীকার করা হয়েছে। এ ছাড়া ড্রোন হামলা ঠেকাতে সেখানে অ্যান্টি ড্রোন সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিকরা জানান, সাম্প্রতিক ঘটনায় যে ধরনের অত্যাধুনিক হাতিয়ার ব্যবহার করা হচ্ছে তা আশঙ্কাজনক। সাধারণত কুকিরা এমন হাতিয়ার ব্যবহার করে না। দুই সম্প্রদায়ের সশস্ত্র গোষ্ঠীকেই এই হাতিয়ার ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছে যা আরও উদ্বেগজনক। এই হাতিয়ারের পেছনে বড় কোনো শক্তি থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা করেছেন অনেকে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরাইলের নৃশংসতা, নিরাপদ জোনে হামলা, নিহত ৪০
সর্বশেষ সোমবার দিবাগত রাতে তারা নিরাপদ জোন ঘোষিত খান ইউনুসের আল মাওয়াসি শিবিরে হামলা করেছে। এতে কমপক্ষে ২০টি তাঁবুতে আগুন ধরে যায়। নিহত হন কমপক্ষে ৪০ জন। তবে ইসরাইলের সেনাবাহিনীর দাবি ওই আশ্রয়শিবির ছিল হামাসের কমান্ড সেন্টার। বরাবরই তারা হামলা চালিয়ে এই দাবি করে। কিন্তু দেখা যায়, ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনা হচ্ছে শিশু, নারী ও নিরীহ সাধারণ মানুষদের লাশ। রক্তের মিছিলে প্রতিক্ষণ তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিষয়ক কর্মকর্তারা বার্তা সংস্থা এএফপি ও বিবিসিকে বলেছেন, আল মাওয়াসি শিবিরে নিহতের পাশাপাশি আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৬০ জন। তাদেরকে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় অধিবাসীরা এবং চিকিৎসকরা বলেছেন, ওই তাঁবুর আশ্রয়শিবিরে কমপক্ষে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন ইসরাইলের নৃশংস যুদ্ধে বাস্তুচ্যুত সাধারণ ফিলিস্তিনিরা। ইমার্জেন্সি বিভাগ বলেছে, কমপক্ষে ২০টি তাঁবুতে আগুন ধরে যায়। ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে কমপক্ষে ৯ মিটার বা ৩০ ফুট গভীর গর্ত হয়ে যায়।
গাজার সিভিল ইমার্জেন্সির এক কর্মকর্তা বলেছেন, আমাদের টিম শহীদদের সরিয়ে নিচ্ছেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে ছোটাছুটি করছেন। এ দৃশ্য দেখে মনে হচ্ছে এটা ইসরাইলের নতুন এক গণহত্যা। তবে ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) বলেছে, তারা হামাসের বড় একটি সেন্টারে হামলা করেছে। সেটা ছিল তাদের কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার। সেখান থেকে আইডিএফ সেনা ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামলা চালানো হয়েছে। কিন্তু ইসরাইলের এই দাবি যদি সত্যি হয়, তাহলে তো কোনো হামাস কমান্ডার বা সদস্য নিহত হওয়ার কথা। কিন্তু এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তেমন কেউ মারা যাওয়ার কোনোই খবর পাওয়া যায়নি। তাদের এমন দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছে হামাস। তারা টেলিগ্রামে দেয়া এক পোস্টে দাবি করেছে, ওই ক্যাম্পে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের উপস্থিতি নিয়ে দখলদার ইসরাইলের যে অভিযোগ তা নগ্ন মিথ্যা। স্থানীয়রা বলছেন, ঘটনাস্থল থেকে নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে দৌড়াতে দেখা গেছে অ্যাম্বুলেন্সগুলোকে। তখনও মাথার ওপর দিয়ে ইসরাইলি যুদ্ধবিমান চক্কর দিচ্ছিল। উল্লেখ্য, গাজার প্রায় ২৩ লাখ মানুষকেই কমপক্ষে একবার তাদের বাড়িঘর থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হয়েছে। অনেকে ১০ বার এমন ঘটনার শিকার হয়েছেন। গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আল মাওয়াসিতে অবস্থান নিয়েছিলেন কয়েক লাখ মানুষ। গত বছর ৭ই অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আল মাওয়াসি ক্যাম্পে বেশ কয়েকবার ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরাইল।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধর্ষণ করেন ঊর্ধ্বতন সহকর্মী, বিচার না পেয়ে মামলা ভারতীয় বিমানবাহিনীর নারী কর্মকর্তার
বিমানবাহিনীর ওই নারী কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, এক বছর ধরে তিনি যৌন হয়রানি, নিপীড়ন ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
থানায় লিখিত অভিযোগে নারী কর্মকর্তা বলেন, ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর অফিসার্স মেসে এক পার্টিতে তাঁর ঊর্ধ্বতন ওই কর্মকর্তা জানতে চান, তিনি কোনো উপহার পেয়েছেন কি না। উপহার পাননি জানালে ওই কর্মকর্তা তাঁকে বলেন, উপহার তাঁর কক্ষে আছে। এরপর ওই কক্ষে নিয়ে যান। তিনি সেখানে যাওয়ার পর পরিবারের অন্য লোকজন কোথায় জানতে চাইলে কর্মকর্তা জানান, তাঁরা বাড়িতে নেই।
সেদিনের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ওই নারী ফ্লাইং অফিসার বলেন, ‘নিজের কক্ষে নিয়ে যাওয়ার পর ওই কর্মকর্তা আমাকে ধর্ষণ করেন। আমি তাঁকে বাধা দেওয়ার সব রকম চেষ্টা চালাই। একপর্যায়ে আমি তাঁকে ধাক্কা দিয়ে কক্ষ থেকে বের হয়ে আসতে সমর্থ্য হই। বের হয়ে আসার সময় ওই কর্মকর্তা আমাকে বলেন, আসছে শুক্রবার তাঁর বাড়িতে পরিবারের কেউ থাকবে না। তখন আবার তাঁদের দেখা হবে।’
ঊর্ধ্বতন ওই কর্মকর্তা তাঁর সঙ্গে যা করেছেন, এ নিয়ে অভিযোগ জানাতে কিছুদিন সময় লেগেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভয়ে ছিলাম। বুঝতে পারছিলাম না আমার কী করা উচিত। কারণ, আমার সঙ্গে এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটলেও আমি অভিযোগ তুলতে চাইনি। ঘটনার পর ওই কর্মকর্তা আমার কার্যালয়ে এসেছিলেন। এমন আচরণ করছিলেন যেন কিছুই ঘটেনি। দেখে মনে হচ্ছিল না তিনি অনুতপ্ত।’
এ নিয়ে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগেছেন জানিয়ে ওই নারী কর্মকর্তা আরও বলেন, বিষয়টি তিনি তাঁর আরও দুজন নারী সহকর্মীকে জানালে তাঁরা এ বিষয়ে মামলা করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘একজন অবিবাহিত নারী হিসেবে সামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়া এবং এ ধরনের একটি জঘন্য ঘটনার শিকার হওয়ার বিষয়টি নিয়ে আমার মধ্যে কী মানসিক যন্ত্রণা হয়েছে, তা আমি বলে বোঝাতে পারব না।’
সহকর্মীর মাধ্যমে ধর্ষণের শিকার ওই নারী কর্মকর্তা জানান, তিনি অভিযোগ করার পর কর্নেল পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর চলতি বছরের জানুয়ারিতে দুই দফায় অভিযুক্ত কর্মকর্তার সঙ্গে বসে দুবার তাঁকে জবানবন্দি দিতে হয়েছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তার উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি জানান তিনি। তবে প্রশাসনের ব৵র্থতার ধামাচাপা দিতে পরে সে তদন্তই এগোয়নি।
এরপর তিনি বিমানবাহিনীর অভ্যন্তরীণ একটি কমিটির কাছে অভিযোগ করেন। দুই মাস পর কমিটি বৈঠক করে। মেডিকেল পরীক্ষার জন্য জোরাজুরি করলেও তা করা হয়নি অভিযোগ করে ওই নারী কর্মকর্তা বলেন, ‘একজন যৌন নিপীড়ককে সাহায্যে স্টেশন কর্তৃপক্ষের পক্ষপাত দেখে মর্মাহত হই। ওই কমিটি তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেনি। প্রত্যেকেই যৌন নিপীড়ককে সাহায্য করেছে।’
সাময়িক অব্যাহতি ও ছুটির জন্য একাধিকবার আবেদন করেও ছুটি পাননি বলে জানান ওই নারী কর্মকর্তা। বলেন, তাঁকে নয়তো অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে বদলির অনুরোধ করেও কর্তৃপক্ষের সাড়া পাননি।
ধর্ষণের অভিযোগ করেও বিমানবাহিনীর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো প্রতিকার পাননি জানিয়ে ওই নারী কর্মকর্তা আরও করে বলেন, ‘আমাকে যে যৌন নিপীড়ন করল আর যাঁরা এটা জেনেও উল্টো নিপীড়কের পক্ষ নিল, তাদের সঙ্গে বাধ্য হয়ে আমাকে চলাফেরা করতে হয়েছে। কিন্তু ওই নিপীড়কের কিছুই হয়নি। আমাকে নিয়মিতভাবে কর্তৃপক্ষের দ্বারা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।’
তবে থানায় মামলা হওয়ার পর ভারতীয় বিমানবাহিনী জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করছে তারা। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে এনডিটিভিকে বলা হয়, ‘আমরা মামলার বিষয়টি সম্পর্কে জেনেছি। এ নিয়ে বুদগাম থানার পক্ষ থেকে বিমানবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। আমরা স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে পূর্ণ সহযোগিতা করছি।’

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সত্যিই কি ভারতের ৬০ কিমি ভূখণ্ড দখল করেছে চীন?
ইন্ডিয়া টুডের একটি প্রতিবেদনেও দাবি করা হচ্ছে, সপ্তাহখানেক আগে থেকেই নাকি ওই অঞ্চলে ঘাঁটি করেছে চীনের সেনারা। চীন এই ক্যাম্পটি ম্যাকমোহন লাইন থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে হাদিগ্রা পাসের কাছে অবস্থিত। তবে চীনা সেনারা কয়েকদিন অবস্থানের পর সেখান থেকে চলে গেছে বলেও দাবি করেছে সংবাদমাধ্যমটি।
দ্য ডনলিটপোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাপাপু এলাকায় গভীর বনে আগুন ধরানো, পাথরের গায়ে রং ব্যবহার করে লেখা চীনের নাম এবং চীনা খাদ্যসামগ্রীর ছবি দেখে বোঝা যায়, সেখানে প্রায় এক সপ্তাহ আগে চীনের সেনারা ঢুকেছিল।
ছবিতে দেখা যায়, পাথরের গায়ে ইংরেজিতে ২০২৪ সাল লেখা রয়েছে। ভারতীয় ভূখণ্ডে নিজেদের মালিকানা দাবি করার অংশ হিসেবে অনুপ্রবেশের পর চীনা সেনাবাহিনী এসব কৌশল ব্যবহার করে বলে জানা যায়।
এ ঘটনার পর ভারত সরকার প্রথম দিকে নিশ্চুপ থাকলেও অবশেষে মুখ খুলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাও-এর খবরে বলা হয়েছে, অরুণাচল প্রদেশে চীনা দখলদারির অভিযোগ পুরোপুরি খারিজ করেছেন কিরণ রিজিজু। তিনি দাবি করেছেন এসব খবর সত্যি নয়।
সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) কিরণ বলেছেন, ভারতের জমিতে ঢুকে যদি তারা তাদের ভূখণ্ড বলে লিখে রেখে যায়, তবে তা সত্যি হতে পারে না।
অরুণাচলের বিজেপির এই সংসদ সদস্য বলেন, চীন আমাদের জমি নিতে পারে না। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (এলএসি) অনির্ধারিত এলাকায় টহলে ‘ওভারল্যাপিং’ (দুপক্ষই যাতায়াত করে)। তাদের স্থায়ী কিছু নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয় না। আমাদের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি রয়েছে। অনির্ধারিত স্থানে শুধু চিহ্ন আঁকার মানে এই নয়, এলাকা দখল করা হয়েছে।
বার্তাসংস্থা এএনআই'কে কিরণ রিজিজু বলেছেন, অরুণাচল প্রদেশে কিছু এলাকা আছে যেসব পুরোটাই অনির্ধারিত। শুরু থেকেই এসবের সীমানা নির্ধারণ করা হয়নি। তাই এমন পরিস্থিতিতে আমাদের ভারতীয় বাহিনী এবং চীনা বাহিনী উভয়ের নিয়ন্ত্রিত এলাকা ক্রস করে এবং দুর্গম ভূখণ্ড এবং অনির্ধারিত এলাকার কারণে মাঝেমধ্যে টহল দল অনির্ধারিত এলাকায় যায় এবং তারা সেখানে চিহ্ন দেওয়ার চেষ্টা করে এবং কিছু জিনিস মাটিতে ফেলা হয়।
এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, চীন আমাদের জমি নিতে পারে না। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (এলএসি) অনির্ধারিত এলাকায় টহলে ‘ওভারল্যাপিং’ (দু’পক্ষই যাতায়াত করে)। তাদের স্থায়ী কিছু নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয় না। আমাদের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি রয়েছে।
উল্লেখ্য, অরুণাচল ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলোর অন্তর্ভুক্ত একটি রাজ্য। উত্তর-পূর্ব ভারতের এই রাজ্যটির সঙ্গে চীনের তিব্বতের ১১২৯ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে। চীন প্রায়ই সম্পূর্ণ অরুণাচল প্রদেশের ওপর নিজের কর্তৃত্ব দাবি করে। বহুবার এই সীমান্ত বিবাদটি সমাধানের চেষ্টা করা হলেও আজও কোনো সমঝোতা হয়নি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাইজেরিয়ায় জ্বালানি ট্যাংকার বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ৫২
নাইজার স্টেট ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির মুখপাত্র ইব্রাহিম হুসেইনি এএফপিকে বলেন, রবিবারের দুর্ঘটনা ও বিস্ফোরণে নিহতদের গণ-অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
নাইজার রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, গবাদিপশুসহ সাধারণ মানুষ পরিবহন করা একটি ট্রাকের সঙ্গে ওই জ্বালানিভর্তি ট্যাংকার ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় ট্যাংকারটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পর আশপাশে থাকা গাড়িতে আগুন ধরে যায়।
সংস্থাটির মহাপরিচালক আবদুল্লাহি বাবা-আরব প্রাথমিকভাবে ৩০টি লাশ উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছিলেন। কিন্তু পরে আরেকটি বিবৃতিতে তিনি জানান, বিস্ফোরণে পুড়ে মারা যাওয়া নিহতদের আরও ১৮টি মৃতদেহ রয়েছে। তিনি বলেন, নিহতদের গণদাফন করা হয়েছে। আরও কতজন আহত হয়েছেন তা প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি।
নাইজার রাজ্যের গভর্নর মোহাম্মদ বাগো এক বিবৃতিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দাদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি রাস্তা ব্যবহারকারীদের ‘জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার জন্য সর্বদা সতর্ক থাকতে এবং সড়ক ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলতে’ বলেছেন।
পণ্যপরিবহনের জন্য একটি দক্ষ রেলওয়ে ব্যবস্থার অনুপস্থিতিতে, আফ্রিকার সবচেয়ে জনবহুল দেশ নাইজেরিয়ার বেশিরভাগ প্রধান সড়কে প্রায়ই মারাত্মক দুর্ঘটনার খবর গণমাধ্যমে আসে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আরেক দেশ ছাড়ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, দখলদার বাহিনী হিসেবে আরও একটি দেশ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দুই দশক পর এবার ইরাক ছাড়তে হচ্ছে মার্কিন বাহিনীকে। এই দীর্ঘ সময় একটুও শান্তিতে থাকতে পারেনি তারা। ইরানের প্রক্সিদের একের পর এক হামলায় তটস্থ ছিল মার্কিন বাহিনী। অস্থির ইরাকও তাদের জন্য হয়ে উঠেছিল মরণফাঁদ। তাই ইরাক ছাড়ার সব কিছু চূড়ান্ত করে ফেলেছে মার্কিন বাহিনী।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, আলোচনা চূড়ান্ত হলেও ওয়াশিংটন ও বাগদাদের নেতাদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি। একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, কখন সেই ঘোষণা দেওয়া হবে, এখন সেটাই প্রশ্ন। চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর নাগাদ ইরাক ছাড়বে কয়েক শ’ মার্কিন সেনা। বাকিরা ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ইরাকের মাটি ছেড়ে যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্তে অনেক সমালোচক খুশি হয়েছে।
তবে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে মার্কিন নীতি-নির্ধারকদের কপালে। তাদের উদ্বেগ, এতে করে ওই অঞ্চলে ইরানের প্রভাব বাড়বে। ইরাকে থাকা প্রায় আড়াই হাজার সেনার ভাগ্য নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারিতে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়। তবে ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের কারণে চলমান উত্তেজনায় এই আলোচনার গতি কিছুটা ধীর ছিল। গেল ৭ অক্টোবর থেকে ইরাকে মার্কিন বাহিনী অন্তত ৭০ বার হামলার শিকার হয়েছে।
ইরাকে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাগদাদের অস্বস্তি ছিল। দেশটি থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারে ইরাকি প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল সুদানি সাম্প্রতিক মাসগুলো বেশ সরব হয়েছেন। ইরাক থেকে মার্কিন বাহিনী চলে গেলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে ইরান। দীর্ঘদিন ধরেই ইরাক থেকে মার্কিন বাহিনী উৎখাতে নানা কৌশল অবলম্বন করে আসছিল তেহরান। এবার সফল হতে যাচ্ছে দেশটি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরাক থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়া হলে এই অঞ্চল ভারসাম্যহীন হয়ে পড়বে। শক্তিশালী দেশগুলো নিজের স্বার্থে ইরাকে হামলা চালাতে পারে। যার সাম্প্রতিক নজির, গেল সোমবার ইরাকে তুরস্কের হামলা। এ ছাড়া ইরান আরও বেশি শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি শিয়া, সুন্নি ও কুর্দি অধ্যুষিত ইরাকে প্রভাব বাড়বে ইরানের।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাজ্যে নিরাপত্তাহীনতায় ৭৫ শতাংশ মুসলিম
আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, মুসলিম ওমেন’স নেটওয়ার্কের জরিপে বলা হয় বর্তমানে অন্তত ৭৫ শতাংশ মুসলিম ব্রিটিশ মনে করছেন তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের সাউথপোর্ট শহরে একটি নাচের কর্মশালায় ছুরিকাঘাতে তিন শিশু নিহত হয়। ওই হামলার জন্য এক মুসলিম শরণার্থী দায়ী, অনলাইনে এমন গুজব ছড়িয়ে দাঙ্গার সূত্রপাত ঘটানো হয়েছিল। যদিও ওই হামলার পেছনে ১৭ বছর বয়সী অ্যালেক্স রুদাকুবানা নামে একজনকে অভিযুক্ত করা হয়। সে কারডিফে জন্মগ্রহণ করে।
যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন স্থানে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ার পর, অনেক স্থানে মসজিদকে কেন্দ্র করে হামলা চালানো হয়। স্কাই নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে দুই মুসলিম নারী লিভারপুলে অবস্থিত আব্দুল্লাহ কুয়াইলিয়াম মসজিদে দাঙ্গাকারীদের হামলার আশঙ্কার কথা তুলে ধরেন। মুসলিম উইমেনস নেটওয়ার্কের প্রধান নির্বাহী ব্যারোনেস শাইস্তা যহীর স্কাই নিউজকে বলেন, গত এক দশক ধরে মুসল্লিদের ওপর বিদ্বেষ বেড়েছে।
যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল পুলিশ চিফস কাউন্সিল জানিয়েছে, কয়েকদিন ধরে চলা দাঙ্গায় সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনার পাশাপাশি মুসলিম ও অভিবাসীদের লক্ষ্য করে বর্ণবাদী হামলার ঘটনা ঘটেছে, এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত হাজারেও বেশি দাঙ্গাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে তারা জানায়, পুরো যুক্তরাজ্যজুড়ে ১০২৪ জনকে গ্রেফতার করে এদের মধ্যে ৫৭৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মধ্যে ৬৯ বছর বয়সী বৃদ্ধ থেকে শুরু করে ১১ বছরের বালক পর্যন্ত আছে। ভাঙচুরের অভিযোগে ওই বৃদ্ধকে লিভারপুল থেকে এবং শিশুটিকে বেলফাস্ট থেকে আটক করা হয়।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ছুটি কাটানো প্রেসিডেন্ট বাইডেন?
আর তিনি যদি হন আমেরিকার মতো কোনো পরাশক্তির প্রেসিডেন্ট তবে দম ফেলার সুযোগ কীভাবে পান এমন প্রশ্নও হয়তো উঁকি দিতে পারে আপনার মনে। কিন্তু হ্যাঁ আমেরিকার প্রেসিডেন্টও ছুটি কাটান। কিন্তু কতদিন তা জানলে আপনার চোখ কপালে উঠবে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জো বাইডেন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনের ৫৩২ দিনই ছুটি কাটিয়েছেন। মার্কিন ইতিহাসে কোনো প্রেসিডেন্টই এত বেশি ছুটি কাটাননি। প্রায় চার বছর ধরে ক্ষমতায় আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে এর মধ্যে ৪০ শতাংশ সময়ই তিনি ছুটি কাটিয়েছেন।
সম্প্রতি রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ১ হাজার ৩২৬ কার্যদিবসের মধ্যে ৫৩২ দিনই ছুটিতে ছিলেন বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এত ছুটি এর আগে কোনো প্রেসিডেন্টই কাটাননি বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
একজন মার্কিন কর্মী গড়ে বছরে ১১ দিন ছুটি পেয়ে থাকেন। সেই হিসাবে প্রেসিডেন্ট বাইডেন সাধারণ একজন কর্মীর তুলনায় প্রায় ৪৮ বছরের সমান ছুটি কাটিয়েছেন। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতাকালীন সময়ের ২৬ শতাংশ সময় ছুটিতে ছিলেন, আর বারাক ওবামা দুই মেয়াদে মাত্র ১১ শতাংশ সময় ছুটিতে ছিলেন বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি বাইডেনকে ডেলাওয়্যারের সমুদ্রসৈকতে অবকাশযাপন করতে দেখা যায়। সমালোচকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বজুড়ে যখন নানা ইস্যুতে আগুন জ্বলছে তখন সমুদ্রসৈকতে চেয়ারে হেলান দিয়ে আরাম করে ঘুমাচ্ছেন বাইডেন- এই দৃশ্যটিই এক সময় তার ‘ক্ষমতার প্রতীক’ হয়ে দাঁড়াবে।
এ ছাড়া মুদ্রাস্ফীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সীমান্তে উত্তেজনা বা বিশ্বজুড়ে চলমান অস্থিরতা নিয়ে বাইডেন কখনোই মাথা ঘামাননি বলেও মন্তব্য করেন তারা। যদিও জো বাইডেনের সহযোগীদের দাবি, ছুটিতে থাকলেও কাজ করেন বাইডেন। এ ছাড়া সবসময়ই তাকে ফোনে পাওয়া যায়।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউক্রেনের দাপুটে সেনা কর্মকর্তা ও কমান্ডাররা জানালেন বাহিনীর ভেতরের কথা
ব্যাটালিয়ন কমান্ডার হিসেবে ৮০০ সেনার দায়িত্বে ছিলেন ডিমা। বেশ কিছু ভয়ংকর ও রক্তাক্ত যুদ্ধে লড়েছেন তিনি। সবশেষ ইউক্রেনের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পূর্বাঞ্চলীয় শহর পোকরোভস্কের কাছে যুদ্ধ করেন ডিমা। শহরটি বর্তমানে রাশিয়ার কাছে পতনের দ্বারপ্রান্তে।
ডিমার বেশির ভাগ সৈন্য এখন মৃত অথবা মারাত্মকভাবে আহত। তাই ‘যথেষ্ট হয়েছে’ ভেবে তিনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। কিয়েভ অফিসে সামরিক বাহিনীর অন্য কাজে যোগ দিয়েছেন তিনি।
অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে একটি পর একটি সিগারেট টানতে টানতে মিষ্টি কফিতে চুমুক দিচ্ছিলেন ডিমা। এ সময় সিএনএনকে বলেন, চোখের সামনে নিজ ব্যাটালিয়নের সেনাদের একের পর এক মৃত্যু তিনি আর নিতে পারছিলেন না।
আড়াই বছর ধরে রাশিয়ার সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর অনেক ইউনিট ক্ষয়ে গেছে। কমে গেছে নতুন করে সৈন্য মোতায়েন। এর ফলে সৈন্যদের বড় একটি অংশই ক্লান্ত ও আশাহত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে পোকরোভস্কের কাছে ও পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য সম্মুখসারির পদাতিক বাহিনীতে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এসব এলাকায় রুশ সেনাদের অগ্রগতি দমিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন ইউক্রেনীয় সেনারা।
ওই এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে লড়েছেন কিংবা সামরিক ইউনিটগুলোর তত্ত্বাবধানে ছিলেন এমন ছয় কমান্ডার ও সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছে সিএনএন। তাঁরা জানান, অবাধ্যতা ও দলত্যাগ এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সৈন্যদের মধ্যে এ প্রবণতা বেশি।
ডিমাসহ ওই ছয় কর্মকর্তার মধ্যে চারজন বিষয়টির স্পর্শকাতরতার কারণে সংবাদমাধ্যমে তাঁদের নাম বদল বা গোপন রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন। তা ছাড়া সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে তাঁদের কথা বলার অনুমতি নেই।
সাম্প্রতিক সময়ে পোকরোভস্কে লড়াই করা একটি ইউনিটের কমান্ডার সিএনএনকে বলেন, সক্রিয় সব সেনাসদস্য তাঁদের অবস্থান থেকে সরে না পড়লেও বেশির ভাগই পড়ছেন। নতুন সেনারা এখানে আসার পর বুঝতে পারেন, যুদ্ধ কতটা কঠিন। তাঁরা শত্রুদের নিক্ষেপ করা অনেক ড্রোন, কামান ও মর্টারের গোলার মুখোমুখি হন।
ওই কমান্ডার আরও বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে সেনারা যদি একবার বেঁচে যান, এরপর তাঁরা আর সেখানে ফিরতে চান না। কেউ হয়তো যুদ্ধক্ষেত্রে যেতে অস্বীকৃতি জানান, কেউ আবার সেনাবাহিনী ছেড়ে দেওয়ার উপায় খোঁজার চেষ্টা করেন।
যুদ্ধে শুরুর দিকে যাঁরা স্বেচ্ছায় অংশ নিয়েছিলেন, তাঁদের চেয়ে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সেনাদের একেবারেই ভিন্ন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে। লড়াইয়ে অংশ নেওয়া ছাড়া তাঁদের কোনো বিকল্প ছিল না। গত বসন্তে ইউক্রেনে নতুন আইন কার্যকর হওয়ার পর তাঁরা যুদ্ধে যোগ দেওয়ার ডাক পান। সরকার ডিমোবিলাইজেশন আইন সামনে না আনা পর্যন্ত বৈধভাবে তাঁরা যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়তে পারছেন না, যদি না বিশেষ অনুমতি পান।
স্পষ্টত, এ সমস্যার অনেক আগেই সেনাবাহিনীর ইউনিটগুলোতে শৃঙ্খলা–সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিয়েছিল। গত শীত ও বসন্তে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন ইউক্রেনীয় সেনারা। তাঁদের কাছে মার্কিন সামরিক সহায়তা আসতে কয়েক মাস দেরি হয়ে যায়। ফলে গোলাবারুদের তীব্র সংকট হয়। সৈন্যদের মনোবলেও ব্যাপক ফাটল দেখা দেয়।
একাধিক ইউক্রেনীয় সেনা সিএনএনকে জানিয়েছেন, যুদ্ধক্ষেত্রে প্রায় সময় তাঁরা ভালো অবস্থানে থাকতেন এবং শক্রপক্ষকে স্পষ্টভাবে এগিয়ে আসতে দেখতে পেতেন। কিন্তু তাঁদের কাছে কোনো কামান থাকত না। অনেকে আবার পদাতিক বাহিনীকে যথেষ্ট সহায়তা দিতে না পারায় অপরাধবোধে ভোগার কথাও জানিয়েছেন।
ইউক্রেনের সেনা কর্মকর্তা অ্যান্দ্রি হোরেৎস্কি। তাঁর ইউনিট বর্তমানে চাসিভ ইয়ার এলাকায় লড়ছে। পূর্বাঞ্চলের আরেক গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধক্ষেত্র এটি। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের একেকটি দিন অনেক বেশি লম্বা হয়। তাঁরা পরিখার ভেতরে রাত কাটান এবং ২৪ ঘণ্টাই দায়িত্ব পালন করেন। তাঁরা গুলি করতে না পারলে রুশ সেনারা বাড়তি সুবিধা পান। তাঁরা শত্রুদের এগিয়ে আসার শব্দ শুনতে পান। তাঁরা জানেন যে যদি গুলি ছুড়তে পারতেন তাহলে এমনটি ঘটত না।’
৫৯তম পদাতিক ব্রিগেডের কর্মকর্তা সেরহি সেহোৎস্কি সিএনএনকে বলেন, তিন–চার দিন পরপর তাঁর ইউনিটে সেনাদের থেকে কিছু সেনা অন্যত্র চলে যান। নতুন করে সেনারা আসেন। কিন্তু একের পর এক ড্রোন হামলায় এ প্রক্রিয়া বেশ বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। ফলে সেনারা লম্বা সময় ধরে ইউনিটে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। কোনো কোনো সৈনিককে সর্বোচ্চ ২০ দিন পর্যন্ত থাকতে হয়েছে।
যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিপুলসংখ্যক সৈন্য হাল ছেড়ে দিতে শুরু করেছেন। এ সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ইউক্রেনের সংসদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম চার মাসেই প্রায় ১৯ হাজার সেনার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার প্রক্রিয়া শুরু করেন কৌঁসুলিরা। এসব সেনার কেউ হয়তো অবস্থান ছেড়েছেন, নয়তো যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে চলে গেছেন।
ইউক্রেনে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ দেশটির প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বাহিনীতে কাজ করছেন। যদিও যুদ্ধে সম্মুখসারি থেকে অনেক দূরের কার্যালয়ে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁরাও এ সংখ্যার অন্তর্ভুক্ত।
অনেক কমান্ডার সিএনএনকে বলেছেন, সৈনিকদের যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে যাওয়া কিংবা অনুমতি না নিয়ে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেবেন না কর্মকর্তারা। কোনো শাস্তি ছাড়াই সেনাদের স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে আনতে রাজি করানোর প্রত্যাশা করছেন তাঁরা।
এই মনোভাব এখন এতই সাধারণ হয়ে গেছে যে ইউক্রেনের সরকার এ–সংক্রান্ত আইন পরিবর্তন করেছে। নতুন আইন অনুযায়ী, যদি কেউ প্রথমবারের মতো এ কাজ করে তাহলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
অ্যান্দ্রি হোরেৎস্কি সিএনএনকে বলেন, এ পদক্ষেপ অর্থবহ। যেকোনো ধরনের হুমকি পরিস্থিতিকে শুধু খারাপের দিকেই নিয়ে যাবে। একজন চৌকস কমান্ডার হুমকি এড়ানোর চেষ্টাই করবেন।
ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে যুদ্ধের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে পোকরোভস্ক। রুশ সামরিক বাহিনী শহরটির দিকে কয়েক মাস ধরেই অগ্রসর হচ্ছে। কিন্তু ইউক্রেনের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়তে শুরু করায় সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় রুশ সেনাদের গতি বেড়েছে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্পষ্ট করেছেন, তাঁর লক্ষ্য হলো ইউক্রেনের দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চলের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। আর এ লক্ষ্য অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে যাচ্ছে পোকরোভস্কের দখল। পোকরোভস্ক অঞ্চলটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও সরবরাহ কেন্দ্র।
পোকরোভস্কের ইউক্রেনীয় সেনারা যুদ্ধ পরিস্থিতির একটি ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন। কিয়েভের বাহিনীগুলো স্পষ্টত সংখ্যায় ও অস্ত্রশস্ত্রে রুশ বাহিনীর তুলনায় পিছিয়ে পড়েছে। কিছু কমান্ডারের অনুমান, প্রতি ১০ জন রুশ সেনার বিপরীতে একজন ইউক্রেনীয় সেনা যুদ্ধ করছেন। এর বাইরেও অভ্যন্তরীণ বেশ কিছু সমস্যায় জর্জরিত ইউক্রেনের সেনারা।
পোকরোভস্কে যুদ্ধরত একটি ব্রিগেডের এক সেনা কর্মকর্তা নিরাপত্তাজনিত কারণে নাম গোপন রাখার শর্তে সিএনএনকে বলেন, ইউনিটগুলোর মধ্যে দুর্বল যোগাযোগব্যবস্থা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সেনা কর্মকর্তারা বলছেন, বেশ কিছু ক্ষেত্রে সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রের পূর্ণাঙ্গ চিত্র অন্য ইউনিটের কাছে প্রকাশ করছেন না। কারণ এটি পরিস্থিতিকে আরও খারাপভাবে উপস্থাপন করবে বলে ভয় পান সেনারা।
উত্তর দোনেৎস্কের একটি ব্যাটালিয়নের কমান্ডার বলেন, পার্শ্ববর্তী ইউনিটের সেনারা না জানিয়ে অবস্থানস্থল ত্যাগ করায় তাঁর বহরের একটি প্রান্ত সম্প্রতি রুশ সেনাদের আক্রমণের ঝুঁকিতে পড়ে।
সম্প্রতি পোকরোভস্কে যুদ্ধ করা বেশ কয়েকজন সাধারণ সেনাসদস্যের মতে, পূর্বাঞ্চলের সম্মুখসারিতে পাঠানো বড়সংখ্যক ইউনিট যোগাযোগ সমস্যা সৃষ্টি করেছে।
তাঁদের একজন বলেন, এমনও ঘটেছে যে ভিন্ন ভিন্ন ব্রিগেডের ইউনিটগুলো যথাযথভাবে যোগাযোগ রক্ষা না করায় ইউক্রেনের সিগন্যাল জ্যামারগুলো অপরিহার্য সমন্বয় ও ড্রোন উৎক্ষেপণের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েছে।
যুদ্ধে ইউক্রেন ও রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে নিয়োজিত কিছু প্রকৌশলী সিএনএনের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁদের দক্ষিণ পোকরোভস্ক থেকে সম্প্রতি কুরস্কে মোতায়েন করা হয়।
কিয়েভ গত মাসে কুরস্কে অতর্কিতে হামলা চালায়। মস্কো কিছু বুঝে ওঠার আগেই দ্রুত এ রুশ ভূখণ্ডের ৩০ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়ে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিসহ দেশটির নেতারা বলেছেন, এ অভিযানের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল, উত্তর ইউক্রেনে নতুন করে রুশ হামলা প্রতিরোধ করা। পাশাপাশি কিয়েভের পশ্চিমা মিত্রদের দেখিয়ে দেওয়া যে, ঠিকমতো সহায়তা পেলে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী পাল্টা হামলা চালাতে পারে এবং ক্রমান্বয়ে সাফল্য অর্জন করতে পারে।
কুরস্কে অভিযান ইউক্রেনের ক্লান্ত-শ্রান্ত সেনাদের মাঝে প্রাণের সঞ্চার ঘটিয়েছে। গত বছরের বেশির ভাগ সময় ইউক্রেন যুদ্ধে পিছিয়ে ছিল। দেশটিকে একের পর এক হামলা, বৈদ্যুতিক বিপর্যয় ও অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল।
তবে ইউক্রেনের প্রকৌশলীরা রাশিয়ার ভেতরে হামলার কৌশল সম্পর্কে অতটা নিশ্চিত ছিলেন না। সীমান্তে লম্বা সময়ের অভিযান শেষ করে তাঁরা ফিরেছেন। বিধ্বস্ত শরীরে সীমান্তের কাছে একটি বন্ধ রেস্তোরাঁর বাইরের টেবিলে নিজেদের গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন তাঁরা।
একের পর এক সিগারেট ধরিয়ে জেগে থাকার চেষ্টা করছিলেন প্রকৌশলীরা। তাঁরা প্রশ্ন করেন, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে যুদ্ধের সম্মুখসারিতে এখনো বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। এমন অবস্থায় কেন তাঁদের রাশিয়ার কুরস্কে পাঠানো হচ্ছে?
এই প্রকৌশলীদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘রাশিয়ায় প্রবেশের বিষয়টি অদ্ভুত ঠেকছিল। কারণ, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে আমাদের নিজেদের মাটি ও দেশ রক্ষা করার কথা ছিল। অথচ এখন আমরা অন্য দেশের ভূখণ্ডে লড়াই করছি।’
ইউক্রেনের সেনাপ্রধান ওলেকসান্দর সিরস্কি স্বীকার করছেন, সৈন্যদের মনোবল কমে যাওয়া এখনো একটি সমস্যা। তিনি বলেন, মনোবল বাড়ানো তাঁর কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি: নতুন শীতলযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে
তারা ছাত্রদের লাশ মাড়িয়ে ক্ষমতায় আসতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি তা হতে দেইনি। আমি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি। আমি ক্ষমতায় থাকতে পারতাম যদি আমি সেন্টমার্টিন দ্বীপের সার্বভৌমত্ব আত্মসমর্পণ করতাম এবং আমেরিকাকে বঙ্গোপসাগরের উপর কর্তৃত্ব করতে দিতাম। আমি আমার দেশের জনগণের কাছে অনুরোধ করছি, দয়া করে মৌলবাদীদের দ্বারা প্রতারিত হবেন না।’ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হাসিনার এই অভিযোগ গুরুতর। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে হাসিনার এই অভিযোগ একাধিকবার প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। তবে হাসিনার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। দ্য লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্সের ওয়েবসাইটে ‘সাউথ এশিয়া: নেভিগেটিং দ্য নিউ কোল্ড ওয়ার’- শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, হাসিনার এই বক্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে ‘বিদেশি হস্তক্ষেপের’ ধারণাকে পুনরুজ্জীবিত করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর যেখানেই রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতার পরিবর্তন হচ্ছে সেখানেই এমন বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। যেমন, ২০২২ সালে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করার পরও এর সঙ্গে বিদেশি গোয়েন্দাদের (মার্কিন গোয়েন্দা) হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমানে দুর্বল হয়ে পড়া জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (এনএএম) শীতল যুদ্ধের সময় দক্ষিণ এশিয়ার সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির কিছু স্তরে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করেছিল। এই জোট পরাশক্তিগুলোর মধ্যে উত্তেজনা নিরসনে কাজ করেছিল এবং তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধে সহায়তা করেছিল। জোটের অনেক অপারগতা থাকা সত্ত্বেও এনএএম কম এগিয়ে থাকা রাষ্ট্রগুলোকে সম্মিলিত পরিচয় এবং কোনো পরাশক্তির সাহায্য ছাড়াই মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সাহায্য করেছিল। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়া এখন চীন, যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের নিজ নিজ মিত্রদের মধ্যে একটি নতুন শীতল যুদ্ধের ঝুঁকিতে রয়েছে। পরাশক্তি রাষ্ট্রগুলোর পক্ষপাতিত্ব বেছে নিতে এখন যে চাপের মধ্যে পড়েছে এই অঞ্চল তাতে এসব রাষ্ট্রের সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা হুমকির দ্বারপ্রান্তে। দক্ষিণ এশিয়ার বেশক’টি দেশ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আফগানিস্তান থেকে শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ এবং অতি সমপ্রতি বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা এর বড় প্রমাণ। স্নায়ুযুদ্ধ যুগের মতো, বন্ধুত্বহীন সরকার উৎখাত করে সেখানে অকার্যকর নেতাদের বসানো পরাশক্তিগুলোর জন্য আঞ্চলিক রাজনীতি গঠন এবং তাদের স্বার্থ রক্ষায় কৌশলগত হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। এই কৌশলের মাধ্যমে প্রায়ই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের জন্য পরাশক্তিগুলো সাইবার যুদ্ধ, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং বিভ্রান্তিমূলক প্রচারাভিযান সহ আরও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ পদ্ধতির আশ্রয় নেয়।
দক্ষিণ এশিয়ার শীতল যুদ্ধের মানচিত্র
চীনের উচ্চাভিলাষী বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি পরিবর্তনকারী একটি খেলায় পরিণত হয়েছে। পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা এবং সমপ্রতি মালদ্বীপে চীনের অর্থনৈতিক পদচিহ্ন এই অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক ল্যান্ডস্কেপকে নতুন আকার দিয়েছে। যা এখন ভারতের আঞ্চলিক প্রভাবকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। পাকিস্তান, স্নায়ুযুদ্ধের সময় এবং পরে ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে’ লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী মিত্র হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। কিন্তু দেশটি এখন চীনের বিআরআই প্রকল্পেরও প্রধান অংশীদার যা চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের (সিপিইসি) অংশ হিসেবে উল্লিখিত হচ্ছে। মূলত আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের পর পাকিস্তান তাদের পক্ষ পরিবর্তনের সুযোগটি হাতছাড়া করতে চায়নি। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরে চীন একটি সামরিক ও কৌশলগত করিডোর স্থাপন করেছে। সমপ্রতি মালদ্বীপ থেকে ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাহার, বেইজিং এবং মালের মধ্যে নতুন সামরিক চুক্তি ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নেপালে ২০১৫ সালে ভারতের অর্থনৈতিক অবরোধের সুযোগে সেখানে চীনের উপস্থিতি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বৈশ্বিক আধিপত্যে এগিয়ে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এক্ষেত্রে তাদের বড় প্রতিপক্ষ রাশিয়া এবং চীন। বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় হুমকি চীন। তবে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলগুলোতে তাদের প্রভাব বিস্তার করতে দ্বিপক্ষীয় এবং বহুপক্ষীয় পথ অনুসরণ করছে বলে মনে হচ্ছে। দেশটি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারতের সঙ্গে মিলিত হয়ে তাদের নৌশক্তি আরও প্রসারিত করতে চাইছে। জাপান এবং অস্ট্রেলিয়াও এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কাজ করছে। দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের আর্থিক বিনিয়োগ এবং অবকাঠামোগত ঋণকে ‘ঋণ-ফাঁদ’ কূটনীতি হিসেবে প্রতিহত করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। উদাহরণস্বরূপ, নেপালে মার্কিন মিলেনিয়াম চ্যালেঞ্জ করপোরেশনকে (এমসিসি) বিআরআই বিনিয়োগের পাল্টা হিসেবে উপস্থাপন করেছে চীন। পক্ষান্তরে এখানে বেইজিংয়ের অবস্থানকে মোকাবিলা করতে ‘ব্লু ডট নেটওয়ার্ক’, জি-৭ নেতৃত্বাধীন ‘বিল্ড ব্যাক বেটার ওয়ার্ল্ড’ (বিডব্লিউ) পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এখন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর কী করা উচিত?
তুলনামূলক কম শক্তিশালী দেশগুলো সর্বদা বৃহৎ শক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভোগে। এই দেশগুলোতে প্রায়ই অতিরিক্ত জনসংখ্যা, দারিদ্র্য, অসম উন্নয়ন এবং বেকারত্বের সমস্যা রয়েছে। যেকোনো একটি ব্লকের সঙ্গে জোটবদ্ধ থাকার ফলে তারা কেবল যুদ্ধ, রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক দুর্দশার মুখে পতিত হয়। চীনকে মোকাবিলা করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সারিবদ্ধ হওয়ার জন্য ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অকার্যকর। তাদের এ সিদ্ধান্ত দিল্লির স্বার্থকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করেছে। ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর জনগণ এবং রাজনীতিবিদরা পশ্চিমাদের এবং তাদের এজেন্ডা থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখার চেষ্টা করে তাই দিল্লির ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতি ক্রমশ অকার্যকর হয়ে উঠছে। নেপাল এর একটি কার্যকর উদাহরণ। ভারত প্রায় এক দশক ধরে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। কার্যত এতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগ, পারস্পরিক আস্থা ও সৌহার্দ্যে ভাঙন দেখা দিয়েছে। সার্কের কার্যকারিতা না থাকায় দক্ষিণ এশিয়ার এই অঞ্চলগুলো কার্যত পরাশক্তিগুলোর ‘রণক্ষেত্র’ হিসেবে প্রস্তুত হচ্ছে। হাসিনার পদত্যাগের পর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান করা হয়েছে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে। তিনি ইতিমধ্যেই সার্কের কার্যকারিতাকে পুনরুজ্জীবিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। যেন দক্ষিণ এশীয় এই দেশগুলোতে যোগাযোগ এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়। তিনি মনে করেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে অবশ্যই নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বহিরাগত শক্তির হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করতে হবে। এক্ষেত্রে বিশ্লেষকরা মনে করেন, ভারতের উচিত এই অঞ্চলে জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করা।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রেসিডেন্টের দুবাই কানেকশন নিয়ে নানা কৌতূহল by মিজানুর রহমান

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুলশানে বাড়ি দখলের মামলা: সালাম মুর্শেদীকে আসামি করতে সায় দেয়নি দুদক by মারুফ কিবরিয়া
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে উচ্চ আদালতের একাধিকবার নির্দেশের পর গুলশানের পরিত্যক্ত বাড়ি দখলের অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধানে নামে দুদক। অনুসন্ধান শেষে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি। তবে ওই প্রতিবেদনে সালাম মুর্শেদী আসামি হওয়ার মতো সব ধরনের আলামত থাকলেও দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের বারণে তাকে বাদ দিয়েই মামলার সুপারিশ করা হয়। দুদকের এক কর্মকর্তা মানবজমিনকে বলেন, অনুসন্ধানে সালাম মুর্শেদীর অপরাধ প্রমাণ হয়।
কিন্তু প্রতিবেদনে তাকে আসামি করতে বারণ করেছিল কমিশন। এই কর্মকর্তা আরও জানান, সালাম মুর্শেদী এ বিষয়ে কোনো তদবিরও করেননি। কোনো দিন কমিশনে আসেননি। তারপরও তাকে ছাড় দিয়ে মামলা তৈরির প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। আর এই নির্দেশনা আসে দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহর দপ্তর থেকে।
এক দুদক কর্মকর্তা বলেন, এই অনুসন্ধানটি আগেই শেষ হয়ে যেতো। কিন্তু সালাম মুর্শেদীকে বাদ দিয়ে কোন প্রক্রিয়ায় মামলা করা যায় তা নিয়ে গড়িমসি চলে। এমপিকে বাদ দিয়ে মামলা করার জন্য কমিশনেরই স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল। চলতি বছরের ৬ই ফেব্রুয়ারি নথি জালিয়াতি করে সরকারি পরিত্যক্ত বাড়ি দখলের অভিযোগে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১১ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এতে আসামি করা হয়- রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেম, প্রকৌশলী এম আজিজুল হক, সাবেক সহকারী সচিব আবদুস সোবাহান, রাজউকের সহকারী পরিচালক শাহ মো. সদরুল আলম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক হাবিব উল্লাহ, সাবেক উপ-পরিচালক আজহারুল ইসলাম, সাবেক পরিচালক আবদুর রহমান ভূঁঞা, সদস্য লে. কর্নেল (অব.) এম নুরুল হক, গৃহায়ন অধিদপ্তরের ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক শাখা সহকারী মাহবুবুল হক, মীর মোহাম্মদ হাসান ও মীর মো. নুরুল আফছার।
সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা গুলশান-২ এর ১০৪ নম্বর সড়কের ২৯ নম্বর বাড়িটি পরিত্যক্ত সম্পত্তি বলে অভিযোগ করে তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করেছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার সুমন। ২০২২ সালের ৩০শে অক্টোবর সেই আবেদনে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদক) সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়। গত বছরের ৩০শে জানুয়ারি অভিযোগ অনুসন্ধানে কমিটি করে দুদক। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে অনুসন্ধান শেষ করে দুদক। মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা প্রতারণার মাধ্যমে নিজেরা লাভবান হওয়ার আশায় এবং অপরকে লাভবান করার অসৎ উদ্দেশ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় প্রকাশিত গেজেটে ‘খ’ তালিকাভুক্ত গুলশান আবাসিক এলাকার সিইএন (ডি)-২৭ নং, হোল্ডিং নং-২৯, রোড নং-১০৪ প্লটটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও অবমুক্তকরণ ছাড়াই জাল জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ডপত্র তৈরি করে হস্তান্তর অনুমতি ও নামজারি অনুমোদন করার মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ এবং আত্মসাতের সুযোগ দিয়েছেন।
যেভাবে অপরাধের দায় মুর্শেদীরও
দুদক অনুসন্ধান শুরুর পরপর জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরে একটি চিঠি পাঠানো হয়। সেই চিঠির আলোকে অধিদপ্তর একটি তদন্ত কমিটি গঠন ও তার প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। যা দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরজমিন পরিদর্শন ও গুলশান আবাসিক এলাকার লে-আউট নকশা পর্যালোচনায় রোড নং-১০৪ ও রোড নং-১০৩ এর সংযোগ স্থলের কর্নার প্লট/বাড়ির অবস্থান বিবেচনায় ২৭ নং প্লটটি ১০৪ নং রাস্তায় অবস্থিত। যা ১৯৮৬ সালের ২৩শে সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত ৯৭৬৪(১) নং পৃষ্ঠার ৪৬ নং ক্রমিকে ‘খ’ তালিকাভুক্ত পরিত্যক্ত বাড়ি। অর্থাৎ ঢাকার গুলশান আবাসিক এলাকার গুলশান সিইএন(ডি) ব্লকের ১০৪ নং রোডের ২৯ নং হোল্ডিংস্থিত ২৭ নং বাড়ি। সর্বশেষ জরিপ/সিটি জরিপে সংশ্লিষ্ট এলাকার সিইএন(ডি) ব্লকের ২৭ নং প্লটের ৫২০৪ ও ৫২০৫ দাগসমূহ সিটি জরিপের ৯ নং খতিয়ানভুক্ত যা সরকারের পক্ষে গণপূর্ত নগর উন্নয়ন বিভাগ ঢাকা এর নামে রেকর্ডভুক্ত।
তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মালেকা রহমানের আবেদনের প্রেক্ষিতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং-২৮ এর মূলে তার বরাবর প্রেরিত পত্রে জানানো হয় যে, সংশ্লিষ্ট এলাকার বাড়ি নং-সিইএন (ডি) ২৭, হোল্ডিং নং-২৯, রোড নং-১০৩, ঢাকার বাড়িটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির ‘ক’ ও ‘খ’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি এবং অবমুক্তির কোনো অবকাশ নাই। এ প্রসঙ্গে তদন্ত কমিটি বলেছে, বাস্তবে ওই এলাকায় রাজউকের লে-আউট নকশায় কথিত বাড়ির অস্তিত্ব বিদ্যমান নাই। এক্ষেত্রে সুকৌশলে ওই এলাকার ১০৪ নং রোডে অবস্থিত উক্ত বাড়িটি ১০৩ নং রোড দেখিয়ে জাল-কাগজপত্র সৃজনপূর্বক হস্তান্তর-নামজারিসহ অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিইএন(ডি) ২৭ নম্বর প্লটের মূল নথি পাওয়া যায়নি। যেসব নথি রয়েছে তার সবই ফটোকপি। সেই কাগজপত্র পর্যালোচনা করে কমিটি দেখতে পায় যে উক্ত প্লটটি ১৯৬০ সালে পহেলা সেপ্টেম্বর ঢাকা রি-রোলিং মিলসকে বরাদ্দ দেয়া হয়। নথিতে থাকা কাগজে দেখা যায়, ১৯৬৯ সালের ২০শে অক্টোবর বিক্রয় চুক্তিনামা মোতাবেক প্লটটি মালেকা রহমানের সঙ্গে বিক্রয় চুক্তি সম্পাদিত হয়। পরবর্তীকালে ১৯৯৫ সালে মালেকা রহমানের আবেদনের প্রেক্ষিতে তার সন্তান মীর মোহাম্মদ হাসান ও মীর মোহাম্মদ নুরুল আফছার দানসূত্রে এই প্লটের যৌথ লিজ গ্রহীতা হিসেবে গণ্য করা হয়। পরে এদের আবেদনের কারণে ১৯৯৭ সালে ৩১শে মার্চ বিভাজিত প্লটের ২৭/বি সালাম মুর্শেদী বরাবর হস্তান্তরে অনুমোদন করা হয়। ওই বছরের ২৮শে ডিসেম্বর তার আবেদনের প্রেক্ষিতে উক্ত প্লটটি হাসান ও নুরুলের পরিবর্তে হস্তান্তরসূত্রে সালাম মুর্শেদীর নামে নামজারি ও হস্তান্তর গ্রহীতা হিসেবে গণ্য করা হয়। পরে তার আবেদনে ২০০৪ সালে রাজউক ইমারত নির্মাণের জন্য নকশা অনুমোদনের ছাড়পত্র দেয়া হয় মুর্শেদীকে।
এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি আরও বলেছে, ঢাকা রি- রোলিং মিলসের কাছ থেকে মালেকা বেগম/রহমান নামের ব্যক্তি বা উক্ত নামধারী ব্যক্তি হস্তান্তরসূত্রে/ক্রয়সূত্রে লিজ গ্রহীতা হিসেবে গণ্য করার স্বপক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। পরবর্তীকালে দুই পুত্রকে দানপত্র ও দানপত্রে মালেকা রহমানের স্বাক্ষর সিআইডি কর্তৃক ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে। একইসূত্রে সালাম মুর্শেদী ও ইফফাত আরা হকের অনুকূলে সংশ্লিষ্ট বিভাজিত প্লট হস্তান্তর/নামজারি কার্যক্রম বাতিল বলে বিবেচিত।
এমনকি সালাম মুর্শেদী নিজেই ২০১৪ সালের ১৬ই সেপ্টেম্বর বাড়িটি পরিত্যক্ত ‘খ’ তালিকা থেকে অবমুক্তির জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর আবেদন করেন। নিষ্পত্তি না হওয়া বিষয়টি দুদকের অনুসন্ধানেও চলে আসে।
অনুসন্ধান শেষে কী বলেছিল দুদকের আইন বিভাগ
দুদকের অনুসন্ধান দলের দেয়া প্রতিবেদনে স্পষ্টতই বলা হয়েছে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট জমি পরিত্যক্ত সম্পত্তি যা অবৈধ জাল কাগজ সৃজন করে হস্তান্তর করা হয়েছে। এতে বর্ণিত ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তা সাক্ষ্য-প্রমাণ দ্বারা নির্ণয় সাপেক্ষ। এখানে আইনগত কোনো প্রশ্ন/ব্যাখ্যার বিষয় জড়িত নেই। ঘটনাগত প্রশ্নে কমিশন যেকোনো আইনগত সিদ্ধান্ত নিতে পারে বিধায় অনুসন্ধান প্রতিবেদনটি গ্রহণ করা বা না করা সম্পূর্ণ কমিশনের এখতিয়ারাধীন বিষয়।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অনিয়ম যেখানে নিয়ম: দালাল সিন্ডিকেটে পোয়াবারো হাসপাতাল-ক্লিনিকের
শক্তিশালী এমন দালাল সিন্ডিকেট ভাঙতে সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে মিটিং করেন। একের পর এক উপজেলা আইনশৃঙখলা সভায় বিষয়টি নিয়ে সরব আলোচনা থাকলেও পরবর্তীতে তা যেন অদৃশ্য কারণে নীরবতায় রূপ নেয়। প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা সরকারি হাসপাতালে ডাক্তার দেখানো মাত্র তাদের প্রেসক্রিপশন হাসপাতালের ভিতর থেকেই বেসরকারি ক্লিনিকের দালাল চক্র নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যায় তাদের নির্দিষ্ট বেসরকারি ক্লিনিকে। এতে করে খেটে খাওয়া অনেকে অসহায় মানুষ তাদের স্বাস্থ্যসেবা নিতে গিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে গিয়ে হিমশিম খান। অনেকেই অর্থনৈতিক কারণে পরীক্ষা নিরীক্ষা করাতে না পেরে কোনো রকম ওষুধ কিনে ফিরে যান অল্লাহর উপর ভরসা করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারি এক চিকিৎসক জানান, জরুরি বিভাগসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওৎ পেতে থাকেন বেসরকারি হাসপাতালের প্রতিনিধি (দালাল চক্র)। উন্নত চিকিৎসার নাম করে রোগীদের ভুল বুঝিয়ে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রকাশ্যে এমন কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেলেও ক্লিনিকের মালিকরা প্রভাবশালী হওয়ায় এ ব্যাপারে নীরব ভূমিকায় রয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া মালিকপক্ষের সঙ্গে দালালচক্রের যোগসাজশও রয়েছে। শুধু দালালই নয়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর পার্শ্ববর্তী জায়গায় গড়ে উঠেছে ৫টি বেসরকারি ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক ন্টোর। অথচ, সরকারি হাসপাতালের খোদ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার দিয়েই এ সমস্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়েছে। যার কারণে সরকারি হাসপাতালের ডাক্তাররা রোগীদের প্রয়োজন মনে করলে আল্ট্রা, ইকোসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা দিয়ে তারা সরকারি হাসপাতালের ডিউটির সময়ে বেসরকারি ক্লিনিকে গিয়ে সেবা প্রদান করেন। এর ফলে সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ রোগী। শুধু তাই নয় হাসপাতালের অনেক ডাক্তারের সঙ্গে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক ভালো থাকায় তাদের সরকারি সেবা না দিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে রোগীদের ভালো সেবার কথা বলে সেখানে যেতে উদ্বুদ্ধ করেন। এ সুযোগে সরকারি হাসপাতালের পাশে গড়ে ওঠা পার্শ্ববর্তী ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিকের দালাল চক্র সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন শিপ্টে ভাগ করে বিভিন্ন ডাক্তারের রুম ও জরুরি বিভাগে অবস্থান করেন। এ ছাড়া প্রশাসন অথবা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সিসি ক্যামেরায় দেখলে প্রতিষ্ঠানটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন বিভিন্ন ডাক্তার ও কর্মচারীদের ফোনে সতর্ক করে দেন।
ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন ডা. বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস বলেন, আমাদের কাছে হাসপাতাল বা ডা. জসিম উদ্দিনের ব্যাপারে কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিবো। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সবসময় তো আমরা বসে বসে দালালদের পাহারা দিতে পারবো না। এ ব্যাপারে সবার সচেতনতা প্রয়োজন। পুলিশ বিভাগ থেকেও সহায়তা দরকার। এ ছাড়া যারা দালাল নিয়োগ করেছেন তাদেরও এ ধরনের অপকর্ম থেকে সরে যাওয়া উচিত। তবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৪ হাজার নতুন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, অপেক্ষায় আরো ৭০ হাজার
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের নোম্যানসল্যান্ডে আরো কমপক্ষে ৭০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আছেন বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশ যদি পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারে, তাহলে এই দফায় আরো এক লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা আছে।
৩ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো: তৌহিদ হোসেন সম্প্রতি দেশে নতুন করে আট হাজার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের কথা জানান। তিনি জানান, ‘এটা কিভাবে ঠেকানো যায়, সেটা আমাদের চেষ্টা করতে হবে।’
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘নীতিগতভাবে আমরা কোনো রোহিঙ্গাকে নতুন করে আশ্রয় দেবো না, যদিও দুঃখ লাগে কথাটা বলতে, কিন্তু আমাদের জন্য সাধ্যের অতীত, আর পারবে না তাদের আশ্রয় দিতে।’
সীমান্তের একাধিক সূত্র জানায়, গত আট-নয় দিনে কমপক্ষে ১৩ থেকে ১৪ হাজার নতুন রোহিঙ্গা টেকনাফ ও উখিয়ার বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরে ঠাঁই নিয়েছে। বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের জন্য মংডু সীমান্তে জড়ো হয়েছে আরো ৬০ থেকে ৭০ হাজার রোহিঙ্গা। নাফ নদী ও সীমান্তে বিজিবি ও কোস্টগার্ড বাহিনীর কড়া নজরদারির মধ্যেও নানা কৌশলে তারা বাংলাদেশে ঢুকে পড়ছে। এক শ্রেণীর দালালও তাদের অর্থের বিমিয়ে ঢুকতে সহায়তা করছে।
উখিয়া ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নেতা ইউনুস আরমান বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি যে রাখাইন রাজ্যের মংডুতে চলমান যুদ্ধ তীব্র হচ্ছে। মংডু টাউনে থাকা সেনা ও বিজিপির দুটি ব্যারাক (ব্যাটালিয়ন) দখলের জন্য মরিয়া আরাকান আর্মি। গোলাগুলির পাশাপাশি দু’পক্ষ থেকে ছোঁড়া হচ্ছে মর্টারশেল, গ্রেনেড-বোমা। মাঝেমধ্যে ড্রোন হামলাও চালানো হচ্ছে।’
রোহিঙ্গাদের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ১ নম্বর ব্লকের হেড মাঝি মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ‘প্রতিদিনই রোহিঙ্গারা আসছেন। তারা নাফ নদীর পাশাপাশি অন্য সীমান্ত থেকেও আসছেন। স্থানীয় কিছু লোকজন তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে সহায়তা করছে। তারা যে সবাই ক্যাম্পে আসছেন, তা নয়। ক্যাম্পের বাইরেও তারা অবস্থান করছেন।’
তার কথায়, ‘মংডুতে এখন যে তীব্র সংঘাত হচ্ছে, তাতে রোহিঙ্গারা আর সেখানে টিকতে পারছেন না। তারা মিয়ানমারের সামরিক জাস্তা এবং আরাকান আর্মি উভয়ের হামলা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।’
টেকনাফের সাবেক কাউন্সিলর নুরুল বাসার বলেন, ‘৫ আগস্ট সরকার পতনের পর কয়েক দিন সীমান্ত থেকে রোহিঙ্গারা ব্যাপকভাবে ঢুকেছে। এখনো বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ঢুকছে। এরকম কমপক্ষে ৩০টি পয়েন্ট থেকে তাদের অনুপ্রবেশ অব্যাহত আছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দালালরা তাদের ঢুকতে সহায়তা করছে। যারা ঢুকছে, তারা প্রথমে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকছে। এরপর যাদের ক্যাম্পে আগে আসা আত্মীয়-স্বজন আছে, তাদের মাধ্যমে ক্যাম্পে আশ্রয় নিচ্ছে।’
তার কথায়, ‘নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে আমরা আতঙ্কে আছি। এমনিতেই আমরা এখন বাংলাদেশীরা এখানে সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছি, এরকম চলতে থাকলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে।’
কক্সবাজারে অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা নয়ন বলেন, ‘প্রতিদিনই ক্যাম্পে নতুন রোহিঙ্গা দেখা যাচ্ছে। এটা স্পষ্ট যে সীমান্ত থেকে নতুন করে রোহিঙ্গারা ঢুকছে। তবে আমরা তাদের কোনো তালিকা করা এখনো শুরু করিনি। সরকারের কাছ থেকে আমরা এখনো এ ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা পাইনি।’
মিয়ানমারে বাংলাদেশের সাবেক সামরিক অ্যাটাশে ও সাবেক রাষ্ট্রদূত মো: শহীদুল হক বলেন, ‘রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে না পারলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে। এমনিতেই তারা নানা সঙ্কট তৈরি করছে ক্যাম্পে। সেখানে মাদক, অস্ত্র ব্যবসা হচ্ছে। নানা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আশ্রয় নিচ্ছে।’
তার কথায়, ‘এখনই এই সমস্যা সমাধানের হাইটাইম। সরকারের উচিত কূটনৈতিক তৎপরতা আরো জোরদার করা। আমরা আর কোনোভাবেই নতুন রোহিঙ্গা নিতে পারব না।’
আরেক সাবেক কূটনীতিক ও কসোভোতে সাবেক ইউএন আঞ্চলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এস এম রাশেদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের আসন্ন অধিবেশনে আশা করি, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস রোহিঙ্গা ইস্যুটি শক্তভাবে তুলে ধরবেন। তার একটি গ্রহণযোগ্যতা আছে। আশা করি, তার প্রচেষ্টায় কাজ হবে।’
তার কথায়, ‘আসলে এখনই সময় কূটনেতিক প্রচেষ্টা জোরদার করে এই সমস্যা সমাধানের। রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবসনই একমাত্র সমাধান। আর কোনো সমাধান নেই। প্রয়োজনে আমাদের আরাকান আর্মির সাথে ভিন্ন চ্যানেলে কথা বলতে হবে।’
মো: শহীদুল হক আরো বলেন, ‘আমাদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সাথে দৃশ্যমান শক্তি দেখাতে হবে। একটি দেশে সীমান্তের ওপার তো নন-স্টেট অ্যাক্টরদের দখলে থাকতে পারে না।’
সূত্র : ডয়চে ভেলে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাসুদের পরিবারের জন্য সহায়তা চাইল আওয়ামী লীগ; দল কী করে, উঠল প্রশ্নও
অবশ্য পোস্টের নিচে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে কেন মাসুদের পরিবারকে সহায়তা করছে না? দলটির সম্পদশালী কোনো নেতা কেন মাসুদের পরিবারের দায়িত্ব নিচ্ছেন না? তাঁরা তো গত ১৫ বছরে অনেক অর্থসম্পদের মালিক হয়েছেন।
আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজে পোস্টটি দেওয়া হয় সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে। রাত সাড়ে আটটার দিকে দেখা যায়, পোস্টটিতে প্রায় ৩ হাজার ৩০০টি মন্তব্য করা হয়েছে। প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন সাড়ে ২১ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারী।
মনির হোসেন নামের একজন লিখেছেন, ‘আমরা মাসুদ ভাইয়ের পরিবারকে অবশ্যই টাকা দিয়ে সহযোগিতা করব। কিন্তু আমার প্রশ্ন, যাঁরা দলের নাম বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা বানিয়েছেন, তাঁরা কি আজ এক মাসুদ ভাইয়ের পরিবারের পাশে দাঁড়াইতে পারেন না।’
মাসুদুর রহমান নামের একজন লিখেছেন, ‘দলের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নিন।’
২০০৯ সালে সরকারে আসা আওয়ামী লীগ টানা সাড়ে ১৫ বছরের বেশি সময় ক্ষমতায় ছিল। এ সময় দলের আয় বেড়েছে। আবার দলটির নেতাদের অনেকের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিপুল অর্থসম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অনেকের বিরুদ্ধে আছে অর্থ পাচারের অভিযোগ।
আওয়ামী লীগ গত ২৭ জুন নির্বাচন কমিশনে ২০২৩ সালের আয় ও ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়। এতে উল্লেখ করা হয়, গত বছর আওয়ামী লীগের আয় হয় ২৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা। আর ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। ২০২২ সালের তুলনায় আয় ও ব্যয় বেড়েছে।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতন হয়। দলের নেতাদের অনেকে আত্মগোপনে রয়েছেন। কেউ কেউ গ্রেপ্তার হয়েছেন। কেউ কেউ বিদেশে চলে গেছেন।
ফেসবুকে কেউ কেউ বলছেন, দলের নেতারা চাইলে মাসুদের পরিবারকে দেশে-বিদেশে যেকোনো জায়গা থেকে অর্থসহায়তা করতে পারেন।
ফেসবুকে আওয়ামী লীগের পক্ষে বিভিন্ন সময় অবস্থান নেওয়া জসিম উদ্দিন নামের একজন লিখেছেন, যাঁরা এই দুর্দিনে মাঠে নেই, কর্মীদের পাশে নেই, একজন মাসুদের দায়িত্ব নিতে পারেন না, তাঁরা যেন আগামী ২০ বছরেও মাঠে আসতে না পারেন। যাঁরা মানবিকভাবে কাজ করবেন, তাঁরাই ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করবেন।
অবশ্য অনেকেই মাসুদের পরিবারকে সহায়তা করবেন বলে ফেসবুকে জানিয়েছেন। কেউ কেউ টাকা পাঠিয়ে ডিজিটাল রসিদের ছবিও দিয়েছেন।
মাসুদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য। ২০১৪ সালে হামলা চালিয়ে তাঁর ডান পায়ের নিচের অংশ গোড়ালি থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়। বাঁ পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কেটে দেওয়া হয়েছিল তাঁর হাতের রগ।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন বেকার থাকার পর নিজের দুর্দশার কথা জানিয়ে একটি চাকরি চেয়ে ২০২২ সালের শেষ দিকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে চিঠি লেখেন মাসুদ। ২০২২ সালের ২০ ডিসেম্বর তাঁকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে স্টোর অফিসার পদে নিয়োগ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নিয়োগপত্র পেয়ে ২২ ডিসেম্বর চাকরিতে যোগ দেন তিনি। সেই থেকে তিনি এ পদেই চাকরি করতেন। ৩ সেপ্টেম্বর মেয়ের বাবা হন মাসুদ।
৭ সেপ্টেম্বর হামলা চালিয়ে মাসুদকে মারাত্মকভাবে আহত করা হয়। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। নবজাতক সন্তানকে নিয়ে মাসুদের স্ত্রী তাঁর লাশ বুঝে নিতে গেছেন, তেমন একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। মারধরের পর মাসুদ পানি চেয়েছিলেন, সেই ভিডিও অনেকে ফেসবুকে শেয়ার করেছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরাইলকে থামাতে ইসলামিক জোট গঠনের আহ্বান এরদোগানের
তিনি বলেন, এই সম্প্রসারণবাদের হুমকিতে রয়েছে লেবানন এবং সিরিয়াও। তবে এরদোগানের এমন আহ্বানের জবাবে ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরাইল কাটজ বলেছেন, তার হামাস বন্ধুদের পক্ষে নিজের দেশের মানুষকে ঘৃণা ও সহিংসতার আগুনের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। সম্প্রসারণবাদ নিয়ে এরদোগান যে মন্তব্য করেছেন তাকে তিনি মিথ্যা ও উস্কানিমূলক বলে অভিহিত করেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন জি নিউজ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২৪ ঘণ্টায় নতুন ৬১৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি, একজনের মৃত্যু
এতে বলা হয়েছে, হাসপাতালে নতুন ভর্তিদের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০৪, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৭৫, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৩৭, খুলনা বিভাগে ৬০ ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৬ জন রয়েছেন। এছাড়াও বরিশাল বিভাগে ২৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৩ জন এবং রংপুর বিভাগে ২ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদিকে গত একদিনে সারা দেশে ৫৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৪ হাজার ৫৪৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ১৬ হাজার ২৮৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৯৭ জনের। এছাড়াও গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। মারা যান এক হাজার ৭০৫ জন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইমরানের মুক্তির দাবিতে উত্তাল ইসলামাবাদ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখা গেছে যে, পিটিআই-এর নেতাকর্মীরা পুলিশি ব্যারিকেড ভেঙ্গে সামনের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। এসময় তাদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। দলটির এক সমর্থক আল জাজিরাকে বলেছে, ‘সমাবেশে উপস্থিত হওয়া আমাদের জন্য কঠিন ছিল। কেননা পুলিশ রাস্তার মোড়ে মোড়ে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছিল। কিন্তু আমরা সমাবেশে উপস্থিত হতে বদ্ধপরিকর ছিলাম। কেননা ইমরান খানের মুক্তির জন্য আমাদের রাজপথে আহ্বান করা হবে আর আমরা তাতে সামিল হবনা তা হতে পারেনা।’ সমাবেশে উপস্থিত হওয়া অনেককেই পুলিশী হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পিটিআই-এর নেতারা। স্থানীয় গণমাধ্যম সামা নিউজে প্রচারিত সরাসরি সম্প্রচারে দেখা গেছে দাঙ্গা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়েছে বিক্ষোভকারীরা। এর বিপরীতে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে পুলিশ। আল জাজিরার নিজস্ব প্রতিবেদক কামাল হায়দার জানিয়েছেন, এক বছর আগে ইমরান খানকে গ্রেপ্তারের পর এবারই প্রথম পিটিআই-কে দলীয়ভাবে পাকিস্তানের আদালত ইসলামাবাদের উপকণ্ঠে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু প্রশাসন কন্টেইনার বসিয়ে নেতাকর্মীদের সমাবেশে যেতে বার বার বাধাগ্রস্ত করেছে, যাতে সমাবেশে পৌঁছাতে কঠিন লড়াই করতে হয়েছে ইমরান সমর্থকদের। অন্যদিকে ইসলামাবাদ পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য।
উল্লেখ্য, ইমরান খান পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেট তারকা। তাকে ২০২২ সালের এপ্রিলে অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। পরে ২০২৩ সালের আগস্টে সহিংসতাকে উস্কে দেয়ার অভিযোগে ইমরানকে কারাগারে পাঠায় পাকিস্তানের আদালত। সেসময় গোটা পাকিস্তান জুড়ে তীব্র বিক্ষোভ করেছিল ইমরানের সমর্থকরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমিনুলের ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন মিইয়ে গেল বুলেটে by শুভ্র দেব
বাবা-মা দু’জনের স্বপ্ন ছিল ছেলেকে বিদেশে পাঠাবেন। কিছুদিন বিদেশে থেকে টাকা ইনকাম করার পরে দেশে ফিরিয়ে আনবেন। তারপর বিয়ে দেবেন। আর ছেলে আমিনুলের স্বপ্ন ছিল ভালো ফুটবল খেলোয়াড় হবে। তার সমস্ত চিন্তা-চেতনা ফুটবল খেলা ঘিরেই ছিল। খেলাধুলা করে বেশকিছু পুরস্কারও অর্জন করেছে। কিন্তু আন্দোলন চলাকালীন ২১শে জুলাই গুলিবিদ্ধ হন আমিনুল। বুকের এপাশে গুলি লেগে ওপাশ দিয়ে বের হয়ে যায়। বুলেটের আঘাতে আমিনুলের ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন মিইয়ে গেছে। বাবা-মায়ের বুক খালি করে তিনি এখন পরপারে। স্মৃতি বুকে আঁকড়ে স্তব্ধ হয়ে আছেন তারা।
আমিনুলের বাবা মো. ওবায়দুল মিয়া গত রোববার মানবজমিনকে বলেন, আমার ছেলে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে। অভাবের সংসারে আমাকে সহযোগিতা করার জন্য বিভিন্ন কাজকর্মে লেগে যায়। সর্বশেষ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম তৈরির একটি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। মাসে ৯ হাজার টাকা বেতন পেতেন। তবে কাজকর্ম করলেও তার ফুটবল খেলার প্রতি খুব মনোযোগ ছিল। দিনরাত শুধু ফুটবল নিয়ে ভাবতেন। বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ফুটবল খেলে পুরস্কারও পেয়েছেন। প্রায়ই আমাদের বলতো সে বড় ফুটবলার হতে চায়। কিন্তু এই আন্দোলন সবকিছু শেষ করে দিলো। আমাদের বুকটা একেবারেই খালি হয়ে গেল। আমার একটা মাত্র সন্তান। আমরা কোনো দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নই। আমার ছেলে শিক্ষার্থীও নয়। অথচ বাসার পাশে ঝালমুড়ি খেতে গিয়ে ছেলেটা মারা গেল। এই শোক সইবার ক্ষমতা আমাদের নাই। সেদিনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ওইদিন আমার ছেলে বাসায় ঘুমাচ্ছিল। ঘরে চাল নাই। তার মা তাকে ডাক দিয়ে দোকান থেকে চাল এনে দেয়ার জন্য বলেন। সে দোকান থেকে চাল এনে দেয়। চাল দিয়ে মায়ের কাছে ঝালমুড়ি খাওয়ার জন্য কিছু টাকা চায়। তার মা ২০ টাকা দিলে সেটি নিয়ে বাইরে চলে যায়। তখন মাগরিবের সময়। শনির আখড়া গোয়ালবাড়ী মোড়ে হঠাৎ করেই গুলিবিদ্ধ হয়। তার বুকে গুলি লাগার পর কিছুদূর হেঁটে যায়। তারপর আর পারছিল না। মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তখন তার পরিচিত দু’জনকে দূর থেকে ডাকে। তারাই তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় অনাবিল হাসপাতালে নিয়ে যায়। আমি রিকশা চালাই। কত জায়গায় আমাকে যেতে হয়। ভাগ্যক্রমে সেদিন ওই হাসপাতালের সামনে আমি ছিলাম। আমার চোখের সামনে দিয়েই দুই যুবক একজন গুলিবিদ্ধকে নিয়ে ওই হাসপাতালে আসে। আমিতো চিনতে পারিনি। কারণ কত মানুষই গুলিবিদ্ধ হচ্ছে। তাদেরকে আশপাশের হাসপাতালগুলোতেই প্রথমে আনা হয়। কিন্তু গুলিবিদ্ধ ওই কিশোরকে হাসপাতালের ডাক্তাররা পরীক্ষা- নিরীক্ষা করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। তখন তাকে নিয়ে আসা ওই দুই যুবক আমাকে বলে, মামা ঢাকা মেডিকেলে যাবেন। তখন আমি রাজি হয়ে যাই। তারা গুলিবিদ্ধ কিশোরকে যখন রিকশায় তুলে তখন আমি দেখি সে আমার ছেলে আমিনুল। তাকে দেখেই আমি চিৎকার করে অজ্ঞান হয়ে যাই। পরে আমার মাথায় ও মুখে পানি দেয় তারা। আমার জ্ঞান ফিরে আসে। তখন একটি সিএনজি করে আমি তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানকার চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে বলেন- আমার ছেলে আর বেঁচে নাই। কান্নাজড়িত কণ্ঠে আমিনুলের বাবা বলেন, আমার ছেলে তো আরও অনেক আগেই মারা গেছে। স্থানীয় হাসপাতালেই আমি সেটি টের পেয়েছি। চিকিৎসকরা আমাকে জিজ্ঞেস করেন ছেলের মরদেহের ময়নাতদন্ত করবো কি না। পরে আমি ময়নাতদন্ত না করেই পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ঘড়িপাশার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাই। সেখানেই তার মরদেহ দাফন করা হয়।
ওবায়দুল মিয়া বলেন, ছেলেকে হারিয়ে আমরা শোকে কাতর হয়ে আছি। বিশেষ করে তার মা’কে কিছুতেই বোঝাতে পারছি না। দিন রাত শুধু কান্নাকাটি করে। খেতে গেলেও কান্না, ঘুমাতে গেলেও কান্না। পাড়া-প্রতিবেশী কেউ খোঁজ খবর নিতে এলেও কান্না করেন। আমাদের খুব আদরের সন্তান ছিল। আমরা কখনো তাকে কষ্ট দেইনি। সবসময়ই চোখে চোখে রাখতাম। কিন্তু কীভাবে কী হয়ে গেল। নিজ চোখে দেখিনি কার গুলিতে সে মারা গেছে। এখন আমি কাকে দোষ দেবো। অভাবের সংসার। শুনেছি আন্দোলনে যারা মারা গেছেন তাদেরকে অনুদান দেয়া হবে। সেজন্য নাকি একটি মামলা করতে হবে। তাই এলাকার এক বিএনপি নেতাকে মামলার জন্য বলেছিলাম। পরে তিনি ওনার মতো মামলা করেছেন। আমি লেখাপড়া জানি না। শুধু স্বাক্ষর করেছি। পরে শুনেছি অনেক মানুষকে আসামি করা হয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন লুটপাটের রাজা-মহারাজা by জাবেদ রহিম বিজন
১৯৮৮ সালে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে চাকরি জীবন শুরু হয় ক্ষিতীশ চন্দ্র বিশ্বাসের। ২০১২ সালে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনের হর্তাকর্তা বনে যান এই কর্মকর্তা। ২০১৫ সালে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ গঠন করে নিজে সভাপতি হন। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিপরীতে নিজেকে কোম্পানির আরেক শাসকে পরিণত করেন সভাপতি পদের বলে। তখন থেকে নিজের আখের গোছানো হয়ে ওঠে তার কাজ।
নির্বাহী প্রকৌশলী পদোন্নতিতে কোম্পানির ব্যবস্থাপক হন। এরপর ২০১৬ সালে ৫ হাজার ৬শ’ কোটি টাকার ৪০০ মেগাওয়াট ও সিসিপিপি (নর্থ) প্রকল্পের পরিচালক হন। তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদমর্যাদার কর্মকর্তার বদলে নির্বাহী প্রকৌশলী হয়েও প্রকল্প পরিচালক হন। প্রকল্পের মেয়াদকাল দেখিয়ে ২ বছরের জন্যে নিজের চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে নেন। প্রকল্পে নিম্ন্নমানের মালামাল ব্যবহারেও রেকর্ড করেন ক্ষিতীশ। এছাড়াও দরপত্রের মূল প্রাক্কলন বিক্রি, পদোন্নতি বাণিজ্য, প্রকল্পের কোটি কোটি টাকার স্ক্র্যাব-ক্যাবল বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিদ্যুৎ স্টেশনের একজন ঠিকাদার জানান, তিনি যে প্রকল্পের পিডি ছিলেন সেগুলোতে কান্ট্রি অফ অরিজিন মেইনটেন করা হয়নি। নর্থ ও সাউথ প্রকল্পের কাজের পার্থক্য চোখে পড়ার মতো। নর্থ পাওয়ার প্লান্ট চালুর শুরুতেই টারবাইনের সমস্যা দেখা দেয়। ৪০০ মেগাওয়াট প্রকল্পে স্টিল স্ট্রাকচারে পুরাতন মালামাল রঙ করে লাগানো হয়। ২৭০০ এবং ২৯০০ কোটি টাকার এই দুই প্রকল্পের পিডি হিসেবে কয়েকশ’ কোটি টাকা লুটে নেন ক্ষিতীশ চন্দ্র বিশ্বাস। ঢাকার শ্যামলী ও বসুন্ধরায় তার ফ্ল্যাট রয়েছে। কলকাতাতেও বাড়ি করেছেন বলে আলোচনা আছে। অপ্রয়োজনে কোম্পানির রেস্ট হাউসের পাশের একটি খাল ভরাট করে সোহাগপুর গ্রামের মানুষকে দুর্ভোগে ফেলেন। ভরাট করেন নদী। মদ ও নারীপ্রীতির জন্যেও আলোচিত এই কর্মকর্তা। তার এই কাজের সঙ্গী ছিলেন ঠিকাদার বাবুল আহমেদ। সে কারণে বাবুলকে নর্থ পাওয়ার প্লান্টে ৭০ কোটি টাকার কাজ দেন ক্ষিতীশ। যাতে ২০ কোটি টাকা লাভ হয় বাবুলের। বেপরোয়া এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ১২ই জানুয়ারি একটি অভিযোগ দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছফিউল্লাহ মিয়া। সোহাগপুর গ্রামের জুয়েল সিকদার বলেন, ক্ষিতীশ অনেক ক্ষমতাশালী ছিলেন। চায়না প্রজেক্টে অনেক দুর্নীতি হয়েছে তার সময়। একই গ্রামের অহিদ মিয়া বলেন-রাতের আঁধারে প্রকল্পের ওয়্যার হাউজ থেকে ক্যাবলসহ অন্য মালামাল বের করে বিক্রি করে দিতেন। প্রায়শই এমন ঘটনা ঘটেছে। এ কাজেও তার সহযোগী ছিলেন বাবুল। রাতের কারবারি ছিলেন ক্ষিতীশ। ক্ষিতীশের পর এই স্টেশনের ক্ষমতাধর কর্মকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হন তত্ত্ব্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান ভূঁইয়া। বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সাধারণ সম্পাদকও তিনি। ৫ই আগস্টের পর স্বপরিবারে কর্মস্থল থেকে পালিয়ে যান। ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে সহকারী প্রকৌশলী (তড়িৎ) হিসেবে বিদ্যুতে তার চাকরি শুরু হয়। অনেক সিনিয়র কর্মকর্তাকে ডিঙিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলীর পদ দখল করেন। এতে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা একজন পরিচালকের সমপরিমাণ সুযোগ সুবিধা ভোগের সুযোগ হয়। কামরুজ্জামান পটুয়াখালীতে কয়লাভিত্তিক ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রকল্পের পরিচালক হয়ে ৮শ’ কোটি টাকার বেশি ব্যয় করেন সেখানে। যাতে দুর্নীতি সীমা ছাড়িয়েছে বলেই অভিযোগ। ৪৫০ কোটি টাকায় মাটি ভরাট, এমব্যাঙ্কমেন্ট, স্ল্লোপ প্রোটেকশন এবং ৩৫০ কোটি টাকায় ১৩ কিলোমিটার সীমানা প্রাচীর, অফিস ও আনসার ক্যাম্প তৈরি, বাড়িঘর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের ১ হাজার বর্গফুটের ১ হাজার এবং ১১শ’ বর্গফুটের ১০০টি বাড়ি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু এই কাজ খুউব নিম্নমানের হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর এই প্রকল্পের কাজের আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। পটুয়াখালীর প্রকল্প পরিচালক হলেও গত ৬ বছর ধরে তিনি আশুগঞ্জে পাওয়ার স্টেশনেই অফিস করেন। পাওয়ার প্লান্ট ভাতা, টিএ-ডিএ নিচ্ছেন। কোম্পানির ২২৫ মেগাওয়াট ও সিসিপিপি প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট ও কনস্ট্রাকশন কন্ট্রাকটর হুন্দাই ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের সাইট অফিস করার জন্য পাওয়ার স্টেশন কোম্পানির টাকায় মেটাল বিম, ইন্ডাস্ট্রিয়াল টিন ও ইটের দেয়াল দিয়ে ঘর করা হয়। যাতে অনেক এসি সংযোজন করা হয়। পাওয়ার স্টেশনের নিজস্ব এই সম্পদ হুন্দাইয়ের মাধ্যমে বিক্রি করে লাভবান হন প্রকল্পের পরিচালক কামরুজ্জামান ভূঁইয়া ও তার আগের প্রকল্প পরিচালক অজিত কুমার সরকার। তারা এজন্যে ১৫ লাখ টাকা করে ৩০ লাখ টাকা ঘুষ নেন। কামরুজ্জামান কোম্পানির ২টি দামি মেটাল কন্টেইনারও হুন্দাইকে দিয়ে দেন। এগুলো নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ আটক করলে কামরুজ্জামান পুলিশের সঙ্গে কথা বলে ছাড়িয়ে নেন। তার ভুলের জন্যে ২০১৬ সালে ২২ মেগাওয়াট ও সিসিপিপি’র টারবাইনের ব্লেড ভেঙে যায়। কিন্তু এ ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। সরকারের প্রায় আড়াইশ’ কোটি টাকা খরচ করে তা মেরামত করা হয়। ৪৫০ মেগাওয়াটের (সাউথ ও নর্থ) প্লান্টের ১নং গেট ৪ বার ভেঙে করা হয়। এতে পকেট ভারী হয়েছে তার। এভাবে ৪৫০ মেগাওয়াট (নর্থ) এর নতুন প্রশাসনিক ভবন করার কয়েক মাসের মধ্যে কোটি টাকা খরচ করে ছাদ মেরামত করা হয়। এই প্লান্টের স্টোরে ফায়ার ফাইটিং লাইনের কাজ না করে পরে তা করা হয়। নানাভাবে লুটপাট হয়ে ওঠে এই কর্মকর্তার প্রধান কাজ। তার দায়িত্বে অবহেলার কারণে সিনিয়র কেবল জয়েন্টার আবুল কালাম আজাদ মারা যান। আলোচনা রয়েছে এই কর্মকর্তা চিকিৎসার নামে থাইল্যান্ডে গিয়ে ঠিকাদারদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করেন। ঢাকার পূর্বাচল ও ময়মনসিংহ শহরে নামে-বেনামে অনেক জায়গা সম্পদ করেছেন তিনি। ৫ই আগস্টের পর পালিয়ে গিয়ে ঢাকায় কোম্পানির এমডি’র সঙ্গে বৈঠক করে প্রধান প্রকৌশলীর প্রাপ্ত সুবিধাদি প্রত্যাহার করে গোপনে পটুয়াখালী প্রকল্পে যোগ দেন। বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের বর্তমান সভাপতি কোম্পানির নির্বাহী পরিচালক (পরিচালন ও সংরক্ষণ) মো. আবদুল মজিদও কম নন। অনিয়ম-দুর্নীতির ওস্তাদ। ভীষণ ক্ষমতাধর এই কর্মকর্তা নির্বাহী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এবং ৪শ’ মেগাওয়াটের (ইস্ট) প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্বেও রয়েছেন। আবদুল মজিদ ২০০৩ সালে সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) পদে যোগদান করেন। শতকোটি টাকার পুরাতন ১২৮ মেগাওয়াটের দু’টি ইউনিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রির একজন কারিগর তিনি। তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. কবির হোসেন। তাকে ক্ষিতীশের কার্বনকপি বলেই জানেন সবাই। ইতিপূর্বে ৪শ’ মেগাওয়াট ও ইস্ট প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ছিলেন বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদধারী এই কর্মকর্তা। ২০১৪ সালের নভেম্বরে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন কবির হোসেন। এছাড়াও কোম্পানির পূর্ববর্তী চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদও নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন। এই বিষয়ে খোঁজখবর জানতে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সাঈদ একরাম উল্লাহর মোবাইলে একাধিকবার কল করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্নায়ুযুদ্ধের পর বিশ্বের সামনে নতুন হুমকি
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর বিশ্বব্যবস্থার ওপর একচেটিয়াভাবে খবরদারি করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু দেশটিকে টেক্কা দিয়ে ক্রমেই বাড়ছে চীন ও রাশিয়ার প্রভাব। পরিবর্তিত এই বিশ্বব্যবস্থার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইউরোপ দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত নয়। তাই তারা বারবার, বিশ্ব ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ার মতো বুলি আওড়াচ্ছে।
এমতাবস্থায় বদলে যাওয়া এই বিশ্বব্যবস্থা নিয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন পশ্চিমা গোয়েন্দারা। তারা বলছেন, এতে করে নতুন ধরনের সাইবার আক্রমণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার এবং নতুন ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বিশ্বকে একটি অস্বাভাবিক ও অস্থির পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে পারে।
চীনের প্রভাব এবং রাশিয়ার সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে বিশ্ব শাসনের মৌলিক কাঠামোকে পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে বলে মত দিয়েছেন গোয়েন্দারা। এমন পরিস্থিতিতে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে একসঙ্গে কাজ করা বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করেন তারা।
সম্প্রতি লন্ডনে একটি নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর প্রধান উইলিয়াম বার্নস ও যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৬-এর প্রধান রিচার্ড। তারা বলেন, ইউক্রেনকে সহযোগিতায় একতাবদ্ধ থাকা আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই যুদ্ধে রাশিয়া সফল হবে না বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
শনিবার ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমসে বার্নস ও মুরের একটি যৌথ নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। প্রথমবারের মতো লেখা যৌথ নিবন্ধে বিশ্বব্যবস্থাসহ বিভিন্ন দিক নিয়ে লিখেছেন তারা। নিবন্ধে বার্নস ও মুর লিখেছেন, ইউক্রেনে যে যুদ্ধ আসন্ন সেটা তারা আগেই আঁচ করতে পেরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সতর্ক করেছিলেন। এ ছাড়া ইউক্রেনকে সাহায্যে গোপন তথ্যও প্রকাশ করা হয়।
সিআইএ ও এমআই৬ চীনকে চলতি শতকের প্রধান গোয়েন্দা ও ভূরাজনৈতিক হুমকি হিসেবে দেখছে বলে জানিয়েছেন বার্নস ও মুর। দুই গোয়েন্দাপ্রধানের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন তারা। পাশাপাশি ইউরোপজুড়ে রাশিয়ার বেপরোয়া নাশকতামূলক তৎপরতার লাগাম টেনে ধরতে কাজ করার কথাও জানান দুই গোয়েন্দাপ্রধান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে সাকিবের পথে হাঁটতে চান মিরাজ
সাকিবের মতো তিন ফরম্যাটে তিনি ধারাবাহিক নন। তবে সম্প্রতি ব্যাটে-বলে মিরাজ অলরাউন্ডার হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে পাকিস্তানের বিপক্ষে তার অলরাউন্ডার পাফরম্যান্স দলের জয়ের ভূমিকা রেখেছে। এরপর থেকে ফের আলোচনায় মিরাজ। প্রশ্ন তিনি কি সাকিবের অভাব পূরণ করতে পারবেন! তবে এই অফস্পিন অলরাউন্ডার জানিয়ে দিলেন এক বা দুই বছর নয়, লম্বা সময় পাফরম্যান্স ধরে রাখতে পারলেই স্বপ্ন সত্যি হবে। গতকাল মিরপুরে ভারত সফরের জন্য আনুষ্ঠানিক অনুশীলন ক্যাম্পে এসে সংবাদ মাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। তার কথপকথনের মূল অংশ তুলে ধরা হলো-
সাকিবের মতো বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার হওয়ার ইচ্ছা?
মিরাজ: একটা দলে যদি দু’জন অলরাউন্ডার খেলে, দলের জন্য অনেক সুবিধা থাকে। যেহেতু আমার ব্যাটিংটা এখন ভালো হচ্ছে। শুরুর দিকে আমার ব্যাটিংটা সেভাবে পায়নি দল। আমি বোলার হিসেবে খেলেছি। এখন অবদান রাখছি, খুব ভালো লাগছে। অবশ্যই অনুশীলন করতে হবে, কষ্ট করতে হবে। এটা এক-দুই বছরে সম্ভব না। লম্বা সময় ধরে ভালো খেলতে হবে। এখন যেভাবে চলছে এটা যদি লম্বা সময় ধরে রাখতে পারি, তাহলে আশা করি একদিন ইনশাআল্লাহ্? (বিশ্বসেরা) অলরাউন্ডার হতে পারবো।
ভারতের স্কোয়াড নিয়ে ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ?
মিরাজ: প্রত্যেকটা সিরিজই চ্যালেঞ্জিং। যেহেতু আমরা পাকিস্তানে ভালো করেছি, এই সিরিজের পর খুব বেশি বিরতি নেই। আশা করি, আমরা যে পারফর্ম করছি, সবাই যে ছন্দে আছে, এটা যদি ধরে রাখতে পারে, অবশ্যই ভালো একটা ফল আশা করা যায়।টেস্ট ক্রিকেটে সবসময় চ্যালেঞ্জ থাকে। প্রতিটা সেশন, ওভার, বলে চ্যালেঞ্জ থাকে একজন ব্যাটসম্যান, বোলারের জন্য। ভারতের ক্ষেত্রে যেটা, অবশ্যই ওরা অনেক বড় দল। ওদের ব্যাটসম্যান, বোলাররা অনেক ভালো। ওদের যে উইকেট থাকে। তবে ওখানে আগে খেলেছি, ওখানের উইকেট সম্পর্কে একটা ধারণা আছে আমাদের। আমার মনে হয়, উইকেট অনেক ভালো থাকে। আমরা যেভাবে খেলছি, সেভাবে যদি থাকি ফলাফল চিন্তা না করে যদি পারফর্ম করতে চেষ্টা করি, দিন শেষে ফল কিন্তু আসে।
সিরিজ নিয়ে প্রত্যাশার চাপ?
মিরাজ: প্রত্যাশা তো সবসময়ই থাকে। আমরা যখন ভালো খেলি, ম্যাচ জিতলে সবারই প্রত্যাশা বাড়ে। সবারই প্রত্যাশা থাকবে। আমাদের ভালো খেলাটা গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে যেভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি, এখন যেভাবে নিচ্ছি, আমরা যদি পারফর্ম করতে পারি, তাহলে আমাদের নিজেদের প্রত্যাশাও ভালো থাকবে এবং ফলটাও আসবে।
সাকিবের ছায়া থেকে বেরিয়ে আসার আলোচনা কীভাবে দেখেন?
মিরাজ: একটা দলে যদি দুইজন অলরাউন্ডার থাকে, দলের জন্য অনেক সুবিধা। যেহেতু আমরা দুজনই খেলছি, দুজনই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছি। দুজনই ব্যাটিং-বোলিং করছি। বিশ্ব ক্রিকেটে কিন্তু সবারই একটা পর্যায়ে অবসরে যেতে হয়। সব দলেই কিন্তু এমন আছে যে রিপ্লেসমেন্ট। সাকিব ভাই যখন খেলবে না, তখন হয়তো আমার দায়িত্বটা আরও গুরুত্বপূর্ণ হবে দলের জন্য।
পাকিস্তানে জেতার পর দলের মানসিক অবস্থা?
মিরাজ: আমাদের দলে সবাই এখন খুশি আছে। সবাই ভালো একটা শেপে আছে। ব্যাটসম্যান-বোলাররা খুব ভালোভাবে খেলছে।
স্পিনারদের জন্য দলে মুস্তাক আহমেদের ভূমিকা?
মিরাজ: তিনি আমাদের দলের সঙ্গে ছিলেন। আমি প্রথমবার তার সঙ্গে কাজ করেছি। আমার খুব ভালো লেগেছে মানুষ হিসেবে। তিনি অনেক প্রেরণাদায়ী কথা বলেন। একজন ক্রিকেটারকে সমর্থন দেয়ার চেষ্টা করেন। খারাপ সময়ে পাশে থাকার চেষ্টা করেন। এই জিনিসটা আমার ভালো লেগেছে।
ভারত সফরে মিরাজের জন্য মিরাজ কী করতে চায়?
মিরাজ: আমি আসলে সফরে যাওয়ার আগে নির্দিষ্টভাবে পরিকল্পনা করতে পারি না। কারণ এভাবে করলে, আমার জন্য অনেক চাপ হয়ে যায়। পাকিস্তান যাওয়ার আগেও আমি চিন্তা করিনি যে ম্যান অব দা সিরিজ হবো। আমার চিন্তা ছিল, আমি যেন দলের জন্য খেলতে পারি। ভালো পারফর্ম করতে পারি। ভারত সিরিজে প্রত্যাশা সবারই থাকবে, আমার নিজেরও থাকবে। তবে এটা যদি সবসময় বেশি থাকে, তাহলে আমার জন্য চাপ হয়ে যাবে। তাই আমি চেষ্টা করছি, স্বাভাবিক থাকার জন্য, প্রক্রিয়ায় থাকার জন্য। আমাদের কীভাবে রান করতে হবে, উইকেট নিতে হবে, সতীর্থদের সাহায্য করতে হবে- এগুলো নিয়ে চিন্তা করছি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
-
▼
2024
(2551)
-
▼
September
(772)
-
▼
Sep 10
(23)
- অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠছে মনিপুর
- মণিপুরে ভারতের পতাকা নামিয়ে বিদ্রোহীদের পতাকা, কী ...
- ইসরাইলের নৃশংসতা, নিরাপদ জোনে হামলা, নিহত ৪০
- ধর্ষণ করেন ঊর্ধ্বতন সহকর্মী, বিচার না পেয়ে মামলা ভ...
- সত্যিই কি ভারতের ৬০ কিমি ভূখণ্ড দখল করেছে চীন?
- নাইজেরিয়ায় জ্বালানি ট্যাংকার বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ৫২
- আরেক দেশ ছাড়ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী
- যুক্তরাজ্যে নিরাপত্তাহীনতায় ৭৫ শতাংশ মুসলিম
- ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ছুটি কাটানো প্রেসিডেন্ট বাইডেন?
- ইউক্রেনের দাপুটে সেনা কর্মকর্তা ও কমান্ডাররা জানাল...
- দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি: নতুন শীতলযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে
- প্রেসিডেন্টের দুবাই কানেকশন নিয়ে নানা কৌতূহল by মি...
- গুলশানে বাড়ি দখলের মামলা: সালাম মুর্শেদীকে আসামি...
- অনিয়ম যেখানে নিয়ম: দালাল সিন্ডিকেটে পোয়াবারো হাসপা...
- ১৪ হাজার নতুন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, অপেক্ষায় আরো ৭...
- মাসুদের পরিবারের জন্য সহায়তা চাইল আওয়ামী লীগ; দল ক...
- ইসরাইলকে থামাতে ইসলামিক জোট গঠনের আহ্বান এরদোগানের
- ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৬১৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি, একজনের মৃ...
- ইমরানের মুক্তির দাবিতে উত্তাল ইসলামাবাদ
- আমিনুলের ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন মিইয়ে গেল বুলেটে by ...
- আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন লুটপাটের রাজা-মহারাজা by জাব...
- স্নায়ুযুদ্ধের পর বিশ্বের সামনে নতুন হুমকি
- যেভাবে সাকিবের পথে হাঁটতে চান মিরাজ
-
▼
Sep 10
(23)
-
▼
September
(772)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...