Monday, October 12, 2015
সাংসদ মনজুরুলের জামিন নাকচ, আত্মসমর্পণের নির্দেশ
![]() |
| আদালতে সাংসদ মনজুরুল ইসলাম ওরফে লিটন। ছবি: সাহাদাত পারভেজ |
আজ সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
ওই মামলায় আগাম জামিন চেয়ে গতকাল রোববার হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন সাংসদ মনজুরুল। এর ওপর আজ সকালে শুনানি শুরু হলে আদালত সাংসদের আইনজীবীকে বেলা একটায় তাঁর মক্কেলকে (সাংসদ) হাজির করতে নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে হাইকোর্টে হাজির হন সাংসদ মনজুরুল। এরপর শুনানি নিয়ে আদেশ দেন আদালত।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সাংসদ মনজুরুলের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোকছেদুল ইসলাম।
মোকছেদুল ইসলাম আদালতকে বলেন, আসামি একজন সাংসদ। তিনি পরিস্থিতির শিকার। তিনি নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে চান। তাই তাঁর আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করার আরজি জানান তিনি।
জামিনের বিরোধিতা করে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতকে বলেন, সাংসদ মনজুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা গুরুতর অপরাধ। তাঁর আবেদন নাকচ করে তাঁকে পুলিশের হেফাজতে দেওয়ার আরজি জানান অ্যাটর্নি জেনারেল।
পরে এক সংবাদ সম্মেলনে মাহবুবে আলম বলেন, সাংসদ লিটনের জামিন আবেদন খারিজ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁকে ১৮ অক্টোবরের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। নির্দেশনা সংক্রান্ত হাইকোর্টের এ আদেশ আপিল বিভাগের রায়ের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। তাই নির্দেশনার আদেশের বিরুদ্ধে কাল মঙ্গলবার আপিল করা হবে।
২ অক্টোবর সাংসদ মনজুরুলের ছোড়া গুলিতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার গোপালচরণ গ্রামের শিশু শাহাদাত হোসেন (সৌরভ) আহত হয়। বর্তমানে সে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় মনজুরুলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তিনি মামলার একমাত্র আসামি। মামলায় হত্যাচেষ্টা ও গুরুতর জখমের অভিযোগ আনা হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়া পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ ওবামা!
সিবিএস নিউজের জনপ্রিয় ‘সিক্সটি মিনিটস’ অনুষ্ঠানে এক সাক্ষাৎকারে ওবামা এসব কথা বলেন। গতকাল রোববার প্রচারিত ওই অনুষ্ঠানে সাংবাদিক স্টিভ ক্রফট তাঁর সাক্ষাৎকার নেন। সেখানে সিরিয়া প্রসঙ্গ ছাড়াও নিজ দলের হয়ে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের ব্যাপারে বলেন ওবামা।
ওবামা বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকার সময় ব্যক্তিগত সার্ভার ব্যবহার করে ই-মেইল আদান প্রদান করে হিলারি ভুল করেছেন। ভুলের কথা তিনি স্বীকার করেছেন। এতে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েনি। হিলারি যাতে প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হতে না পারেন, এ জন্য রিপাবলিকানরা মরিয়া হয়ে উঠেছেন।
ওবামা প্রশাসনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকা অবস্থায় ব্যক্তিগত ই-মেইল ব্যবহার করা নিয়ে গত তিন মাস ধরে তোপের মুখে রয়েছেন হিলারি। রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা নষ্ট হয়েছে কি না, এ নিয়ে তদন্ত চলছে। প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার পর এ নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে। কংগ্রেসে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে হিলারিকে। নির্বাচনে প্রার্থিতার জন্য দলীয় বাছাই পর্বের বিতর্কেও হিলারিকে ই-মেইল ইস্যু সামাল দিতে হচ্ছে। সাক্ষাৎকারে ওবামা অবশ্য বলেছেন, হিলারি ই-মেইল ইস্যুটি আরও ভালোভাবে সামলাতে পারতেন।
সিরিয়াকে পুরো বিশ্বের সমস্যা বলে উল্লেখ করেন ওবামা। জঙ্গি দমনে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০০ মিলিয়ন ডলারের শ্রম ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সিরিয়ার অভ্যন্তরে আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পাঁচ হাজার স্থানীয় যোদ্ধাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে স্বীকার করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন সিরিয়ায় সামরিক অভিযান পরিচালনা করছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ওবামা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, নিজের অর্থ ব্যবহার করে একমাত্র মিত্র দেশে সেনা পাঠানোকে নেতৃত্ব বলা যায় না। রাশিয়া যে সিরিয়ায় সামরিক অভিযান চালাবে, এমন তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আগেই ছিল। আসাদ সরকারের অবশ্যম্ভাবী পতন নিয়ে রাশিয়ার দুশ্চিন্তা ছিল বলে তিনি বলেন।
ওবামা বলেন, রিপাবলিকান দলের সম্ভাব্য আলোচিত প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প জনগণের হতাশাকে উসকে দিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। তিনি বলেন, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না। বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে অন্যতম সেরা ভাইস প্রেসিডেন্ট বলে তিনি মনে করেন। আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেন প্রার্থী হচ্ছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ওবামা বলেন, এ ব্যাপারে জো বাইডেনই সিদ্ধান্ত নেবেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাশারের সরকার টেকাতে সিরিয়ায় অভিযান: পুতিন
বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, গতকাল রোববার রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন পুতিন।
একই সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, সিরিয়ায় রাজনৈতিক সমঝোতার জন্য পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় মস্কো।
সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জঙ্গিদের বদলে দেশটির মধ্যপন্থী বিরোধী গোষ্ঠীর ওপর রুশ বিমান হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পুতিন।
সিরিয়ায় সামরিক অভিযান সম্পর্কে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়ার লক্ষ্য দামেস্কের সরকারকে স্থিতিশীল করা।
পুতিন জোর দিয়ে বলেন, প্রেসিডেন্ট বাশারের প্রতি মস্কোর সমর্থন না থাকলে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সিরিয়া দখল করে নিত।
পুতিন বলেন, বাশারের সরকার এখন অবরুদ্ধ। জঙ্গিরা দামেস্কের দ্বারপ্রান্তে। এই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ নিতে অন্য দেশের প্রতি আহ্বান জানান রাশিয়ার নেতা।
রাশিয়ার টানা বিমান হামলার সহায়তা নিয়ে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি পেয়েছে সেনাবাহিনী।
ইদলিব, হামা ও লাতাকিয়া প্রদেশে সরকারি বাহিনী সাফল্য পেয়েছে বলে গতকাল রোববার খবর বেরিয়েছে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর সিরিয়ায় বিমান হামলা শুরু করে রাশিয়া। মস্কোর ভাষ্য, সিরিয়ায় সক্রিয় আইএস ও অন্য জঙ্গিগোষ্ঠীর অবস্থান লক্ষ্য করে তারা হামলা চালাচ্ছে।
পশ্চিমা দেশগুলোর অভিযোগ, মধ্যপন্থী সরকারবিরোধী এবং বেসামরিক লোকজন রুশ বিমান হামলার শিকার হচ্ছে। সিরিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপের জন্য মস্কোকে শিগগিরই মূল্য দেওয়া শুরু করতে হবে বলে হুঁশিয়ার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব নেই -সাক্ষাৎকারে : এমাজউদ্দীন আহমদ by এ কে এম জাকারিয়া
![]() |
| এমাজউদ্দীন আহমদ |
প্রথম আলো: দুই বিদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াত জড়িত থাকতে পারে বলে সরকার ইঙ্গিত দিয়েছে। অন্যদিকে বিএনপি বলছে, কোনো প্রমাণ ছাড়াই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এটা করা হয়েছে। আপনার মন্তব্য কী?
এমাজউদ্দীন আহমদ: যে দুটি ঘটনা ঘটেছে, তা জাতির জন্য লজ্জাজনক। আমরা নিজেরা যতই ঝগড়াঝাঁটি করি না কেন, এ ধরনের ঘটনার কোনো নজির আমাদের দেশে নেই। এর সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতকে জড়িত হিসেবে অভিযুক্ত করা আমাদের রাজনীতির বহু পুরোনো ব্লেম গেম সংস্কৃতিরই অংশ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে যা বলেছেন তা অপ্রত্যাশিত। বিষয়টি নিয়ে যেহেতু তদন্ত চলছে, তাই এর আগে এ নিয়ে কথা বলা উচিত হয়নি।
প্রথম আলো: বিদেশি নাগরিক খুনের ঘটনাটিকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
এমাজউদ্দীন আহমদ: ঘটনাটি আমাদের দেশে বা জাতীয় পর্যায়ে হয়তো ঘটেছে, কিন্তু আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটকেও আমাদের বিবেচনার মধ্যে রাখতে হবে। আইএসের বিরুদ্ধে রাশিয়ার চলমান অভিযান সিরিয়া বিষয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে এক নতুন অবস্থার তৈরি করেছে। এ ব্যাপারে ইরানের ভূমিকা বা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের অবস্থান—এসব বিবেচনায় নেওয়ার বিষয়। আমি মনে করি, আমাদের দেশে দুই বিদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনা পর্যালোচনার সময় এই আন্তর্জাতিক বাস্তবতাকেও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।
প্রথম আলো: আমাদের দেশে ইসলামি জঙ্গিবাদ বিস্তারের আশঙ্কা কতটুকু?
এমাজউদ্দীন আহমদ: আমি মনে করি আমাদের দেশে ইসলামি জঙ্গিবাদ কখনো বিস্তার লাভ করতে পারেনি। এর অস্তিত্ব নেই, থাকার কারণও নেই। আমাদের দেশের মানুষ জঙ্গিবাদ পছন্দ করে না। এখানকার আবহাওয়া, পরিবেশ, প্রকৃতি ও জনগণের মানসিকতা এর সহায়ক নয়। তবে কোনো কারণে বা কোনোভাবেই জঙ্গিবাদ যাতে এ দেশে বিস্তারের সুযোগ না পায়, সে জন্য জাতীয় স্বার্থে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো জরুরি। দুজন বিদেশি নাগরিক খুন হওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা আরও বাড়ানো উচিত। আমি বলি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে না লাগিয়ে বরং বিদেশিদের নিরাপত্তার কাজে লাগান।
প্রথম আলো: কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দেশে জঙ্গিদের তৎপরতা নিয়মিতই উদ্ঘাটন করছে। অনেক সহিংসতায় যে তারা জড়িত, সেটি তদন্তে বের হয়ে আসছে। জঙ্গিরা ধরাও পড়ছে। আর বিএনপি-জামায়াতের শাসনামলে আমরা আবদুর রহমান বা বাংলা ভাইদের কর্মকাণ্ড দেখেছি।
এমাজউদ্দীন আহমদ: ওটা ছিল, কিন্তু এখন আর অস্তিত্ব নেই। নানা পদক্ষেপ ও ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে তারা নির্মূল হয়েছে। তবে এ ধরনের কিছু যাতে আর কখনো মাথা তুলে না দাঁড়াতে পারে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের দেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ কিন্তু ধর্মান্ধ নয়। তারা জঙ্গিবাদ ঘৃণা করে।
প্রথম আলো: বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের জোটের কারণেই কি তখন জঙ্গি তৎপরতার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল?
এমাজউদ্দীন আহমদ: জামায়াতের সঙ্গে জোট শুধু বিএনপি করেনি। সব দলই কোনো না কোনো সময়ে জামায়াতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ও সম্পর্ক রেখে চলেছে। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি—সবাই। আসলে আমাদের কারও হাতই পরিষ্কার নয়। সমস্যা হয়েছে যে কিছু একটা হলেই বিএনপি আর জামায়াতকে এক ব্রাকেটে বন্দী করে ফেলা হয়। দুই বিদেশি নাগরিক হত্যার পরও আমরা দেখলাম কোনো তদন্ত ছাড়াই বিএনপি-জামায়াতকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে।
প্রথম আলো: কোনো দেশে জঙ্গিবাদের বিকাশ ও বিস্তারের সঙ্গে দেশটির রাজনৈতিক পরিবেশ ও পরিস্থিতির সম্পর্ক রয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
এমাজউদ্দীন আহমদ: একটি সুস্থ ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক পরিস্থিতি জঙ্গিবাদের জন্য সহায়ক হতে পারে না। কিন্তু আমাদের দেশের বর্তমান পরিস্থিতি দেখুন, রাজনৈতিক দলগুলোর সভা-সমাবেশ, মিটিং-মিছিল বা এ ধরনের কিছু করার সুযোগ নেই। একটা মুক্ত পরিবেশ বজায় থাকলে, প্রতিবাদ করার সুযোগ থাকলে অনেক কিছু লাঘব হয়ে যায়। কিন্তু বর্তমানে দেশে একটা বদ্ধ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ৫ জানুয়ারি যে নির্বাচন হয়েছে তা প্রশ্নবিদ্ধ, এরপর বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে ঢালাওভাবে। এগুলো স্বাভাবিক পরিস্থিতি নয়। জঙ্গিবাদ বিস্তারের ভয় দূর করতে হলে সুস্থ, স্বাভাবিক ও গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি নিশ্চিত করা দরকার।
প্রথম আলো: ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশ না নেওয়া বিএনপির ভুল বলে মনে করেন কি? বা এর পরে বিএনপি আন্দোলনের যে কৌশল নিয়েছিল?
এমাজউদ্দীন আহমদ: আমি তো মনে করি ৫ জানুয়ারি এভাবে নির্বাচন করাটা সরকারের ভুল ছিল। নির্বাচনটি যাতে সবার অংশগ্রহণে হয়, সেই চেষ্টা তাদের থাকা উচিত ছিল। সরকারের উচিত ছিল এমন পরিস্থিতি তৈরি করা, যাতে সবাই নির্বাচনে অংশ নেয়। অর্ধেকেরও বেশি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হলে সেই নির্বাচনের কোনো গুরুত্ব থাকে না। এরপরও প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন যে আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে নির্বাচনটি করতে হচ্ছে। এটা ধরে নেওয়া হয়েছিল যে এই বাধ্যবাধকতার নির্বাচনের পর আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। কিন্তু তা আর পরে দেখা গেল না; বরং সরকারি দলের জেদই স্পষ্ট হয়ে উঠতে দেখলাম। বিএনপি আন্দোলন শুরু করেছিল, সেটা ব্যর্থ বা সার্থক হয়েছে কি না, সেটা জরুরি নয়। আসল কথা হচ্ছে, গণতন্ত্রে বিশ্বাস করলে আলাপ-আলোচনা করতে হবে, সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। এসব ছাড়া গণতন্ত্র হয় না।
প্রথম আলো: বিএনপি কি জামায়াত ছাড়বে?
এমাজউদ্দীন আহমদ: জামায়াত বিএনপির সঙ্গে ২০-দলীয় জোটে রয়েছে। সেখান থেকে দলটিকে বের করা হবে কোন অজুহাতে। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-প্রক্রিয়ার একপর্যায়ে সংগঠন হিসেবে জামায়াতও এই অপরাধে অভিযুক্ত বলে বলা হয়েছে। আমার কথা হচ্ছে, তা হলে দল হিসেবে সরকার জামায়াতকে আগে নিষিদ্ধ করুক। এর আগে বা তেমন কিছু না করে জামায়াতের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার দায়টা বিএনপির ওপর চাপানোর চেষ্টা হচ্ছে। সরকারই তো জামায়াতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে।
প্রথম আলো: আপনি দেশের বর্তমান যে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা বললেন, এমন পরিস্থিতিতে দেশের নাগরিক সমাজ কোনো ভূমিকা পালন করতে পারছে না কেন?
এমাজউদ্দীন আহমদ: বর্তমান পরিস্থিতিতে নাগরিক সমাজের ভূমিকা রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। আমরা শুনতে পাই যে সরকারের সমালোচনা করেন এমন ব্যক্তিদের টিভি টক শোতে অংশগ্রহণের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বয়স, সম্মান, ভয়-ভীতি- এসব নানা কিছু মিলিয়ে অনেকে কথা বলতে পারেন না। দিগন্ত টিভি ও আমার দেশ পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
প্রথম আলো: নাগরিক সমাজ দলীয়ভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েছে বলেই কি এ ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে না?
এমাজউদ্দীন আহমদ: আসলে আমাদের সব সামাজিক ও পেশাজীবীদের সংগঠনগুলোই দলীয়ভাবে বিভক্ত হয়ে গেছে। একক নাগরিক সমাজ বলে কিছু নেই। সমাজ এভাবে বিভক্ত হয়ে পড়া খুবই খারাপ লক্ষণ। দলমতধর্ম-নির্বিশেষে আমরা যখনই এক হতে পেরেছি তখনই আমরা কিছু অর্জন করতে পেরেছি। আমাদের ভাষার অধিকার, আমাদের স্বাধীনতা—সবই আমরা এক হয়ে পেয়েছি। আর এখন আমরা বিভক্তির মধ্যে পড়ে হাবুডুবু খাচ্ছি।
প্রথম আলো: বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এখন দেশের বাইরে আছেন। চিকিৎসা এবং পরিবারের লোকজনের সঙ্গে সময় কাটানোই এই সফরের ঘোষিত লক্ষ্য বলে আমরা জানি। কিন্তু এর কি কোনো রাজনৈতিক তাৎপর্য নেই? খালেদা জিয়া দেশে ফেরার পর বিএনপির রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা দেখেন কি?
এমাজউদ্দীন আহমদ: দীর্ঘদিন পরে বেগম খালেদা জিয়া তাঁর ছেলে ও পরিবারের লোকজনের সঙ্গে সময় কাটাতে গেছেন। নানা কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সাম্প্রতিক সময়গুলো পার করেছেন তিনি। ছোট ছেলে আরাফাত রহমান মারা গেছেন। ব্যক্তিগত শান্তি ও স্বস্তির জন্য তাঁর এই সফর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের সঙ্গে এই সময়টুকু কাটানো তাঁর জন্য জরুরি হয়ে পড়েছিল। তবে এর নিশ্চয়ই রাজনৈতিক একটি দিকও রয়েছে। সেখানে নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা হবে। আমি ধারণা করি, এই সফরের মধ্য দিয়ে একধরনের উদ্দীপনা ও নতুন চিন্তাভাবনা নিয়েই খালেদা জিয়া দেশে ফিরবেন।
এমাজউদ্দীন আহমদ: সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ‘গরিবের’ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাবে? by সুজন ঘোষ
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৪১টি ওয়ার্ডে ৩৬টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার প্রজেক্টের আওতায় ২০০১ সালে এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু করা হয়। ২০১২ সালের ডিসেম্বরে এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়। এরপর থেকে নিজস্ব অর্থায়নে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো পরিচালনা করছে সিটি করপোরেশন।
করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, এসব নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২০১০-২০১১ অর্থবছরে সেবা নিয়েছেন ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩১৫ জন। আর ২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০১৪ সালের জুন পর্যন্ত এক বছরে সেবা নিয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৬৫২ জন। চিকিৎসক, পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী না থাকাসহ সেবার মান কমে যাওয়ায় এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে গেছে বলে স্বীকার করেছেন করপোরেশনের কর্মকর্তারা।
সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রথম আলোকে বলেন, যেসব নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক-কর্মচারীর তুলনায় রোগী কম সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
গত ১৩ আগস্ট নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর বর্তমান অবস্থা জানতে সিটি করপোরেশনের সচিব প্রকৌশল বিভাগকে চিঠি দেন। নগর স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হলে কেন্দ্রের ভবনগুলো কী কী কাজে ব্যবহার করা যাবে, সে বিষয়ে মতামত দিতে ওই চিঠিতে প্রকৌশল বিভাগকে বলা হয়। চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে প্রকৌশল বিভাগ জানায়, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে করপোরেশনের রাজস্ব কার্যালয়, ওয়ার্ড কার্যালয়, পরিচ্ছন্নতা বিভাগের শাখা কার্যালয়, হোমিওপ্যাথিক কলেজ, মাতৃসদন হাসপাতাল ও বাণিজ্যিক কাজে ভাড়া দেওয়া যেতে পারে।
সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, ১৮টি ওয়ার্ডে একের অধিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু রেখে অন্যগুলো বন্ধ করে দেওয়ার একটি প্রস্তাব স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে মেয়রকে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের অধীনে ৩৬টি দাতব্য চিকিৎসালয় রয়েছে।
জানতে চাইলে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন গত শনিবার তাঁর কার্যালয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ২০১২ সালে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও ভর্তুকি দিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো চালু রাখা হয়েছে। এখানে নামকাওয়াস্তে সেবা দেওয়া হচ্ছে। রোগী আসে কম। তাই স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। করপোরেশনের যেসব দাতব্য চিকিৎসালয় রয়েছে, সেখানেও ১০ টাকায় চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে ৫ অক্টোবর বেলা দুইটায় উত্তর পতেঙ্গার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রের প্রবেশ ফটকে তালা ঝুলছে। অথচ সকাল নয়টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত কেন্দ্রটি খোলা থাকার কথা। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে কেন্দ্রের কেমিস্ট মোহাম্মদ নাছির বলেন, ‘চিকিৎসক ছুটিতে আছেন। তাই আজ একটু তাড়াতাড়ি চলে এসেছি।’ তিনি বলেন, এই কেন্দ্রে প্রতিদিন গড়ে ১৫-২০ জন রোগী আসেন।
উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘ওয়ার্ড স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রতিদিন পাঁচজন রাগীও আসেন না। তাই তা চালু রেখে লাভ কী? তার চেয়ে এগুলো বন্ধ করে দেওয়াই ভালো।’
গত ৩ অক্টোবর বেলা পৌনে একটায় দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ডের নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, কোনো রোগী নেই। কেন্দ্রের প্যারামেডিক কর্মকর্তা তুলি বড়ুয়া ও মো. সোলায়মান জানান, বছর দুয়েক আগে এই কেন্দ্রে প্রচুর রোগী আসতেন। কিন্তু এখন প্রতিদিন গড়ে রোগী আসেন ১৫ জন। একসময় রোগীদের পর্যাপ্ত পরিমাণ ওষুধ দেওয়া হলেও বর্তমানে তা দেওয়া হচ্ছে না। ফলে দিন দিন রোগীর পরিমাণ কমছে বলে জানান তাঁরা।
তুলি বড়ুয়া ও মো. সোলায়মান বলেন, আরবান স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সেবা নিতে আসে গরিব মানুষ। এটি বন্ধ হয়ে গেলে তারা স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে।
দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ইয়াছিন চৌধুরী তাঁর কার্যালয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার ওয়ার্ডে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও একটি দাতব্য চিকিৎসালয় আছে। কিন্তু একটি ওয়ার্ডে দুটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র রাখার প্রয়োজন নেই। তাই একটি বন্ধ করে দেওয়া হবে।’ তিনি বলেন, যেসব ওয়ার্ডে দাতব্য চিকিৎসালয় নেই, সেখানে আরবান স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু রাখা যেতে পারে।
গত ১০ অক্টোবর বেলা পৌনে ১১টায় জামালখান স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, কোনো রোগী নেই। কেন্দ্রের ল্যাব টেকনিশিয়ান রিপা দাশ বলেন, তিন মাস ধরে চিকিৎসা কর্মকর্তা পদটি শূন্য রয়েছে। রোগী দেখার কাজ করেন প্যারামেডিক অফিসার।
রিপা দাশ বলেন, ‘কেন্দ্রগুলো বন্ধ হয়ে গেলে রোগীরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, তেমনি আমরাও ক্ষতিগ্রস্ত হব। রোগীরা হয়তো বাইরে চিকিৎসা নেবেন, কিন্তু আমরা চাকরি কই পাব। অনেকের চাকরির বয়স চলে গেছে।’
সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা কর্মকর্তা, ফার্মাসিস্ট, প্যারামেডিকসহ ১২ জন জনবল ছিল। এই প্রকল্পের অধীনে জনবল ছিল ৫৯০ জন। এখন ৩৬টি কেন্দ্রে কর্মরত রয়েছেন ১৯৬ জন। সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন বিভাগে ২১৮ জনকে বদলি করা হয়েছে। অন্যদের মধ্যে কেউ চাকরি ছেড়ে চলে গেছেন, কাউকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে জ্বর, সর্দি, কাশি, ত্বকের সমস্যা, প্রসূতি স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন রোগ নির্ণয় ও রক্ত পরীক্ষা করা হয়।
নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনার বিষয়ে প্রবীণ অর্থনীতিবিদ ও ইস্ট ডেল্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ সিকান্দার খান প্রথম আলোকে বলেন, গরিব মানুষ এখানে সেবা পায়। হুট করে এটি বন্ধ করে দেওয়া ঠিক হবে না। কোনো না কোনোভাবে চালু রাখা যায় কি না, তা করপোরেশনের ভেবে দেখা দরকার।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসিনা সরকারকে গাছে তুলে দিয়ে মই কেড়ে নেয়ার চেষ্টা by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সম্প্রতি বাংলাদেশে যে দু’জন বিদেশী নাগরিককে হত্যা করা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও এ ঘটনা এমন কোনো বড় ঘটনা নয় যে তাতে প্রমাণ হয়ে গেছে, বাংলাদেশে আইএসের আবির্ভাব ঘটেছে কিংবা সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষ করে আমেরিকা তিলকে তাল করে দেখাচ্ছে। এ দুটি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে কোনো কোনো দেশ বাংলাদেশে ক্রিকেট টিম পাঠানো বাতিল করাসহ বাংলাদেশে বসবাসকারী তাদের নাগরিকদের সতর্ক করে দিচ্ছে। কোনো কোনো দেশ তাদের মন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর বাতিল করেছে। আমেরিকা তো এ বিদেশী হত্যার হোতা কারা তা নির্ধারিত হওয়ার আগেই বাংলাদেশে কল্পিত আইএস-সন্ত্রাস দমনের জন্য সরকারকে সাহায্য দানের প্রস্তাব দিয়েছে। এ প্রস্তাবের অর্থ জঙ্গি দমনে সাহায্যদানের নামে বাংলাদেশের মাটিতে আমেরিকার সামরিক উপস্থিতি কি?
একজন ইতালীয় এবং একজন জাপানি নাগরিক দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন, এ হত্যাকারীদের অবিলম্বে ধরা হবে এবং শাস্তি দেয়া হবে। সামরিক ও অসামরিক গোয়েন্দারা সঙ্গে সঙ্গে তদন্তে নেমেছে এবং তদন্ত কার্যে যে অগ্রগতি ঘটেনি তাও নয়। ঢাকার কূটনীতিকপাড়াতেও বিদেশী নাগরিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আরও দু’চারদিন না গেলে বোঝা যাবে না, এ হত্যা রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কতটা সাফল্য অর্জন করবে।
ওই বিদেশী হত্যার পরপরই প্রাথমিকভাবে সন্দেহ পতিত হয়েছে বিএনপি-জামায়াতের দিকে। এ সন্দেহ দেখা দেয়ার সঙ্গত কারণও রয়েছে। ’৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের কারও দণ্ডাদেশ ঘোষিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীদের তৎপর হতে দেখা যায়। এবার যে দু’জন যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ আপিল আদালত বহাল রেখেছেন তারা দু’জনেই বিএনপি ও জামায়াতের প্রভাবশালী নেতা। তাদের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল থাকায় জামায়াত-শিবির তার হিংসাÍক প্রতিক্রিয়া দেখাবে এটা অনেকেই ধরে রেখেছিলেন। বাস্তবে ঘটেছেও তাই।
তবে বিএনপি-জামায়াতের আগের সন্ত্রাসের সঙ্গে এ সন্ত্রাসের পার্থক্য এই যে, আগে দেশের নিরীহ মানুষ এ সন্ত্রাসের শিকার হতো, এবার হয়েছেন দু’জন বিদেশী নাগরিক। তার কারণ হয়তো এই যে, দেশের মানুষ হত্যা করে বিদেশের বিশেষ করে প্রভাবশালী পশ্চিমা দেশগুলোর টনক নড়ানো যায়নি। বিদেশী হত্যা দ্বারা তাদের টনক নড়ানো যাবে। বাংলাদেশের ব্যাপারে হাসিনা সরকারকে চাপে রাখার জন্য আমেরিকাসহ পশ্চিমা দেশগুলো এক রকম তৈরি হয়েই বসে আছে, এখন এটা তাদের উদ্দেশ্য পূরণের সুযোগ এনে দিয়েছে।
অথচ এ পশ্চিমা দেশগুলো দু’দিন আগেও দেখেছে বাংলাদেশে নির্বাচন বানচাল এবং সরকারের পতন ঘটানোর লক্ষ্যে বিএনপি-জামায়াতের দ্বারা পরিকল্পিতভাবে যে পেট্রলবোমা সন্ত্রাস শুরু হয়েছিল, হাসিনা সরকার তা সাফল্যের সঙ্গে দমন করেছে। তার পাশাপাশি উগ্র মৌলবাদী তৎপরতা বন্ধ করা এবং তাদের গ্রেফতার অভিযানেও সফল হয়েছে এই সরকার। প্রশংসা করেছেন পশ্চিমা দেশগুলোই, বিশেষ করে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ওবামা। তারা জানেন, এই বিদেশী হত্যার সন্ত্রাসও বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব উদ্যোগেই (অবশ্যই পশ্চিমা দেশগুলোর নৈতিক সমর্থনসহ) বন্ধ করার কাজে সক্ষমতা দেখাতে পারবে।
তাহলে মাত্র দুটি হত্যাকাণ্ডের জন্য পশ্চিমা দেশগুলোজুড়ে এত হইচই কেন? সৌদি আরবে সরকারি অব্যবস্থাপনায় হাজারের ওপর বিদেশী হাজী পদপিষ্ট হয়ে মারা যাওয়া নিয়ে যত হইচই করা হয়নি, তার চেয়ে বেশি হইচই করা হচ্ছে বাংলাদেশে দু’জন বিদেশীকে হত্যা করা নিয়ে। এটা কি কোনো পরিকল্পিত হইচই? এর চেয়ে বড় এবং বেশি হত্যাকাণ্ড কোনো পশ্চিমা দেশে ঘটলেও তা নিয়ে এত হইচই করা হয় না। অবশ্যই বাংলাদেশে বিদেশী হত্যাকাণ্ডের দুটি ঘটনাকে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা উচিত এবং বাংলাদেশ সরকার তা করেছেও। পশ্চিমা দেশগুলো সন্ত্রাস দমনে আন্তরিক হলে তাদের উচিত বাংলাদেশে সন্ত্রাসের ভীতি না ছড়িয়ে এ হত্যা রহস্য উদ্ঘাটনে দেশের সরকারকে নৈতিক সাহায্য ও সমর্থন দেয়া।
সে কাজটি তারা করছেন না। বরং বাংলাদেশে বিদেশীরা নিরাপদ নয় এই ধুয়া তুলে দেশটিকে আপাতত হলেও সামাজিক ও সমষ্টিগত বয়কটের ব্যবস্থা করে বর্তমান সরকারকে বিব্রত করছে এবং সম্ভবত কোনো উদ্দেশ্য পূরণের জন্য চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আমেরিকা তো দাবি করে বসেছে, এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার আগে বাংলাদেশে বিদেশীদের ওপর হামলা হতে পারে বলে সরকারকে সতর্ক করা হয়েছিল। ওয়াশিংটনের গোয়েন্দারা যদি এই হামলার আগাম খবর পেয়ে থাকেন, তাহলে এই হামলাকারী কারা সে খবরও কি তারা পাননি? তাদের সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারকে ওয়াশিংটন তখনই সতর্ক করেনি কেন? নাকি তাদের উদ্দেশ্য, নিউইয়র্কের নাইন-ইলেভেনের হামলা চালানোর সুযোগ দিয়ে তারপর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার নামে ইরাক যুদ্ধের পটভূমি তৈরি করার মতো উপমহাদেশেও কোনো অঘটন ঘটানোর চেষ্টা?
সত্য অপ্রিয়। তবু আমার এই অনুমানটির কথা না লিখে পারলাম না। বাংলাদেশ সরকারের একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি প্রকাশ্যেই বলেছেন, বিদেশীদের ওপর হামলার ব্যাপারে তারা আগে কারও কাছ থেকে হুশিয়ারি পাননি। কিন্তু এটা যে আইএসের দ্বারা সংঘটিত হয়নি, সেটা তারা জানেন। বাংলাদেশে আইএসের কোনো ঘাঁটি নেই। প্রশ্ন উঠতে পারে, তাহলে আইএস এই দুই হত্যাকাণ্ডের দায়িত্ব সঙ্গে সঙ্গে স্বীকার করল কেন? এখন জানা গেছে, আইএসের এই দায়িত্ব স্বীকারের প্রচারটিও সঠিক নয়। এক ইহুদি মহিলা আইএসের নাম ভাঙিয়ে এই দায় স্বীকারের বিবৃতিটি ছড়িয়েছেন। সুতরাং এখন এই প্রশ্নও তোলা যায় এই ইহুদি মহিলা কি ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এবং সেই সূত্রে আমেরিকায় সিআইএ’র সঙ্গেও যুক্ত?
দু’জন বিদেশীর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সঙ্গে দেশটিতে আইএসের অস্তিত্ব আবিষ্কার (কোনো প্রকার তদন্ত হওয়ার আগেই) এবং তাদের দমনের জন্য সাহায্য-সহযোগিতা দানে এগিয়ে আসার মার্কিন প্রস্তাব তাৎপর্যপূর্ণ। এভাবেই তারা সন্ত্রাস দমন ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য সাহায্যদানের নামে কোনো দেশে ঢোকে এবং শেষ পর্যন্ত তা তাদের সামরিক উপস্থিতিতে পরিণত হয় এবং শান্তির বদলে অশান্তির আগুন জ্বলে দেশটিতে। দেশটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে দেশটিতে প্রতিষ্ঠিত হয় মার্কিন তাঁবেদার সরকার। আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া তার প্রমাণ। সিরিয়ায় আইএস দমনের নামে আমেরিকা ও ন্যাটোর হস্তক্ষেপ সারা বিশ্বে ভয়াবহ শরণার্থী সমস্যা সৃষ্টি করেছে।
অতীতে বন্যাদুর্গতদের ত্রাণকার্যের নামে বাংলাদেশে ঢুকে আমেরিকা দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ও গোপন সামরিক ও ভৌগোলিক তথ্য সংগ্রহ করে দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের ‘মিলিটারি জোন’ প্রতিষ্ঠার ছক এঁকেছিল বলে তখনই অভিযোগ উঠেছিল। সে সময় খালেদা জিয়ার বিএনপি সরকার ক্ষমতায় ছিল। পাঠকদের স্মরণ থাকতে পারে, এ সময় বাংলাদেশে ভয়াবহ বন্যা হয়। এ বন্যাদুর্গতদের উদ্ধার কার্যে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর দক্ষতা দেখাতে পারছে না এই অজুহাতে সরকারের কোনো পূর্ব অনুমতি না নিয়েই মার্কিন মেরিন সেনা দল বাংলাদেশে ঢোকে এবং ত্রাণকার্যের দায়িত্ব সরাসরি নিজেদের হাতে তুলে নেয়। ত্রাণকার্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের সেনা দলকে তাদের খবরদারি মেনে নিতে হয়।
তারপর মিডিয়ায় এ নিয়ে কম লেখালেখিও হয়নি। অভিযোগ উঠেছিল, মার্কিন সেনারা ত্রাণকার্য চালিয়েছে বটে, কিন্তু তাদের গোপন সামরিক উদ্দেশ্যও পূরণ করে গেছে। আর ত্রাণকার্যে আমাদের সেনা টিম দক্ষ ছিল না, এ অভিযোগটিও ছিল অসত্য। উদ্দেশ্যমূলক বিদেশী প্রচারণা। ত্রাণকার্যে বা দুর্যোগ মোকাবেলায় আমাদের সেনা টিম যে মোটেই অদক্ষ নয়, তার প্রমাণ মিলেছে হাসিনা সরকারের সময়ে বন্যাদুর্গতদের জন্য ত্রাণ অভিযান পরিচালনা এবং রানা প্লাজায় সংঘটিত ভয়াবহ ভবন ধসের সময় উদ্ধারকার্য এবং নিহতদের লাশ খোঁজার সময়। বাংলাদেশের মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ারিং টিমের বিস্ময়কর দক্ষতার তখন উচ্চ প্রশংসা করেছিলেন ব্রিটেনসহ বিদেশী বিশেষজ্ঞরাও।
ঢাকা এবং রংপুরে দু’জন বিদেশী হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং হত্যাকারীদের শনাক্তকরণ দ্বারা এই সন্ত্রাস দমনেও বাংলাদেশ তার নিজস্ব উদ্যোগেই সফল হবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আর সফল না হলে বিদেশীরা সাহায্যদানের উছিলায় এসে পানি ঘোলা করা ছাড়া আর কিছুই করতে পারবেন না। কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডের পরতো মার্কিন এফবিআই বাংলাদেশে ছুটে এসেছিল তদন্ত চালানোর জন্য। তাতে রহস্যের কোনো কিনারা হয়েছে কি? বর্তমান বিদেশী হত্যাকাণ্ডেও সন্ত্রাস দমনের নামে আমেরিকাকে বাংলাদেশে নাক গলানোর সুযোগ দেয়া বিপজ্জনক হতে পারে। তাতে খাল কেটে কুমির ডেকে আনা হবে। সন্ত্রাস তখন পাকিস্তানি ও আফগানিস্তানের মতো ভয়াবহ অবস্থায় চলে যেতে পারে। উপমহাদেশে মধ্যপ্রাচ্যের ধ্বংসযজ্ঞের সম্প্রসারণ ঘটতে পারে।
বর্তমানে হাসিনা সরকার পশ্চিমা শক্তিগুলোর কঠোর চাপের মধ্যে আছে। শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘে ডেকে নিয়ে নানারকম স্তুতি ও খেতাবের উচ্চ গাছের মাথায় তুলে দিয়ে এখন মই কেড়ে নেয়ার চেষ্টা হচ্ছে মনে হয়। শেখ হাসিনার দৃঢ়তা ও মনোবলের ওপরই নির্ভর করে এবারের ক্রাইসিসও তিনি দক্ষতা ও ধৈর্যের সঙ্গে পার হতে পারবেন কিনা।
লন্ডন ১১ অক্টোবর, রবিবার, ২০১৫
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশুটি গেল ছোটমণি নিবাসে
![]() |
| শিশু ফাইজা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তোলা ছবিl -প্রথম আলো |
গতকালও ক্লিক, ক্লিক শব্দ শুনে ক্যামেরার দিকে বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে ছিল। হাত-পা নাড়ছিল। সাজুগুজুও করেছিল। ঘন চুলে গোলাপি ব্যান্ড লাগানো। গায়ে গোলাপি জামা। কিন্তু কতক্ষণ আর পোজ দেওয়া যায়, একসময় গলার আওয়াজে জানান দিল, তার এখন খাবার চাই।
গতকাল রোববার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ব্যস্ত ছিল তাকে নিয়েই। চলে যাবে সে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে সে ছিল হাসপাতালের অতিথি। এত দিন কোনো নাম ছিল না। গতকালই তার নাম দেওয়া হয় ফাইজা, অর্থাৎ বিজয়িনী।
ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই ও কুকুরের খাবার হতে হতে বেঁচে গেছে। তারপর নানান প্রতিকূলতা পাড়ি দিয়ে এখন সুস্থ। সে তো ফাইজাই। এত দিন তার কোনো ঠিকানাও ছিল না। গতকাল থেকে তার নতুন ঠিকানা সমাজসেবা অধিদপ্তরের ছোটমণি নিবাস। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতকের বিশেষায়িত সেবার কেন্দ্র স্ক্যাবু বা স্পেশাল কেয়ার বেবি ইউনিট থেকে সে গেল আজিমপুরে নতুন ঠিকানায়।
জন্মের পরপরই ফাইজাকে কে বা কারা সিমেন্টের বস্তায় ভরে ফেলে গিয়েছিল। এ সময় কুকুরের কামড়ে ক্ষতবিক্ষত হয় তার ঠোঁট ও নাকের বেশ খানিকটা অংশ। বাঁ হাতের দুটি আঙুলের মাথাও গেছে কুকুরের পেটে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শেওড়াপাড়ার কাছে পুরোনো বিমানবন্দরের রানওয়ের পাশে খেলতে যাওয়া কয়েকজন শিশু পাশের ঝোপ থেকে উদ্ধার করে তাকে। সেখান থেকে রাজধানীর শিশু হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক বিভাগের স্ক্যাবুতে।
গতকাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিজানুর রহমান, নবজাতক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আবিদ হোসেন মোল্লা, শিশু বিভাগের প্রধান এখলাছুর রহমান, শিশু সার্জারি বিভাগের প্রধান আশরাফুল হক, নবজাতক বিভাগের মনীষা ব্যানার্জিসহ অন্যরা ফাইজাকে তুলে দেন ছোটমণি নিবাসের উপতত্ত্বাবধায়ক সেলিনা আক্তারের কোলে।
এর আগে পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাঁকে বলেছেন, ফাইজার যেকোনো প্রয়োজনে সব সময় পাশে থাকবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ওর পুনর্বাসনের দায়িত্ব সরকারের। তিনি বলেন, ‘তিন মাস বয়স পার হলে ওর ঠোঁট, নাক ও হাতের আঙুলে রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জারি করা হবে। হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগ বিনা মূল্যে প্লাস্টিক সার্জারি করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। অনেকেরই জীবন শুধু একটি সন্তান না থাকার কারণে নিরানন্দ হয়ে গেছে। সেই ধরনের কোনো নিঃসন্তান দম্পতি যদি ওকে নিতে চান, তাহলে পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে আবেদন করে ছোটমণি নিবাস থেকে নিয়ে যাবেন।’
নবজাতক বিভাগের প্রধান এবং ফাইজার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক আবিদ হোসেন মোল্লা বলেন, ওর জলাতঙ্ক, বিভিন্ন সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তবে সবার সহযোগিতায় এখন ও বিপদমুক্ত।
জন্মলগ্নেই পিতৃ-মাতৃহীন ফাইজার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অধ্যাপক আশরাফুল হক বললেন, ‘ও সরকারি আশ্রয়ে বড় হওয়ার চেয়ে একটি পরিবার পাক, বাবা-মায়ের আদর পাক, তা-ই আমরা কামনা করি।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলি হামলায় অন্তঃসত্ত্বা ফিলিস্তিনি নারী ও শিশু নিহত
![]() |
| ইসরায়েলি বিমান হামলায় জীবনপ্রদীপ নিভে গেছে তিন বছর বয়সী ফিলিস্তিনি শিশু রাহাফের। সঙ্গে তার অন্তঃসত্ত্বা মায়েরও। দাফনের সময় শোকার্ত স্বজনেরা |
নিহত অন্তঃসত্ত্বা নারীর নাম নূর হাসান (৩০)। নিহত মেয়েটির নাম শাদ। এ হামলায় আহত হয়েছে আরও তিনজন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, ফিলিস্তিনি কট্টরপন্থী দল হামাসের অস্ত্র প্রস্তুতকারী দুটি স্থানে হামলা করাই ছিল তাদের লক্ষ্য। আর গত শুক্র ও শনিবারের হামাসের রকেট হামলার জবাবে এই বিমান হামলা চালানো হয় বলেও জানায় তারা।
এর আগে গত শনিবার পাঁচ ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী। আর শুক্রবার ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয় আরও ছয় ফিলিস্তিনি। এ নিয়ে গত ১২ দিনের সহিংসতায় ২২ ফিলিস্তিনি ও ৪ ইসরায়েলি নিহত হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেয়ালবিহীন কারাগার
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশু নিহত
ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর দাবি, গাজা থেকে ছোড়া একটি রকেট দক্ষিণ ইসরাইলে আঘাত হানার জবাবে তারা এ বিমান হামলা চালিয়েছে। যেখানে হামলা চালানো হয় সেখানে হামাসের অস্ত্র তৈরির কারখানা ছিল বলে তাদের দাবি।
আল আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনিদের নামাজ আদায়ে ইসরাইলি বাহিনীর বাধার জের ধরে গত মাস থেকে ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা ইরানের
তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট ভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম ‘ইমাদ’ বা ‘স্তম্ভ’ নামের নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করেছ। ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অ্যারোস্পেস ইন্ডাট্রিস’এর বিজ্ঞানীরা এটি তৈরি করেছেন।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেহকান বলেন, লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত এ ক্ষেপণাস্ত্রকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা সম্ভব। তিনি জানান, পুরোপুরি নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি এ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষার মধ্য দিয়ে কৌশলগত প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল ইরান । ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য অদূর ভবিষ্যতে এ ক্ষেপণাস্ত্রের গণ উৎপাদন শুরু হবে বলেও ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
এদিকে গত মাসের শেষ দিকে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন সালামি বলেছেন, ইরানের হাতে এমন এক অনন্য ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যাকে কোনোভাবেই কেউ ঠেকাতে পারবে না।
তিনি বলেছিলেন, ইরানের কাছে অনন্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যাকে প্রতিহত করা সম্ভব নয়। কেবলমাত্র আমেরিকা এবং রাশিয়ার হাতে এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র থাকতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরো বলেছিলেন, মধ্যপ্রাচ্য এবং তার আশপাশের অঞ্চল জুড়ে মার্কিন যে সব ঘাটি এবং বিমানবাহী রণতরী রয়েছে তার প্রত্যেকটিই ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার মধ্যে রয়েছে।
সূত্র : রেডিও তেহরান
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে পি অলি
নেপালের সাংবিধানিক গণপরিষদে দেশটির নতুন সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর অলিই হলেন প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
এএফপি ও পিটিআইয়ের খবরে বলা হয়েছে, ৫৮৭ জন পার্লামেন্ট সদস্য ভোটে অংশ নেন। এর মধ্যে কে পি শর্মা অলি পান ৩৩৮ ভোট। ২৯৯ ভোট পেলেই তাঁর চলত। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নেপালি কংগ্রেসের সভাপতি সুশীল কৈরালা। তিনি পান ২৪৯ ভোট।
অলির জন্ম ১৯৫২ সালে নেপালের তেরহাতুম জেলায়। মার্কসবাদ-লেনিনবাদের দর্শনে আকৃষ্ট হয়ে ১৯৬৬ সালে অলি রাজনীতিতে নামেন। ১৯৭০ সালে তিনি নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য নির্বাচিত হন। জড়িয়ে পড়েন গোপন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে। ১৯৭৩ সালে ধরা পড়ার পর তাঁর ১৪ বছর কারাদণ্ড হয়। ১৯৮৭ সালে তিনি জেল থেকে ছাড়া পান। ১৯৯০ সালে নেপালে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১৯৯৪ সালে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্বাচিত হন তিনি। ২০০৬ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন অলি।
অলি এমন সময় নেপালের প্রধানমন্ত্রী হলেন, যখন দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে তীব্র আন্দোলন চলছে মদেশীয়দের। নতুন গৃহীত সংবিধানে নেপালকে সাতটি প্রদেশে ভাগ করা নিয়ে ক্ষুব্ধ মদেশীয়রা। আর এর সূত্র ধরেই মদেশীয় অঞ্চল-সংলগ্ন ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে জ্বালানিসহ প্রয়োজনীয় পণ্য আসা বন্ধ হয়ে গেছে। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে সীমান্ত অবরোধে তীব্র জ্বালানি-সংকটে পড়েছে হিমালয়ের দেশটি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্থানীয় সরকার: দলভিত্তিক নির্বাচনের শর্ত by তোফায়েল আহমেদ
দলভিত্তিক নির্বাচন বিষয়ে সাধারণভাবে তিনটি বিষয় বিবেচনায় নিতে পারি: (১) ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন এবং জেলা পরিষদ নির্বাচনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলসমূহ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারবে; (২) দল মনোনীত প্রার্থীরা নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহার করবেন এবং (৩) প্রতিটি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বা প্রতিনিধিত্বকারী দলসমূহ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের মনোনীত প্রার্থীদের ভালোমন্দ কাজের দায়দায়িত্ব গ্রহণ করবে। পূর্বেই বলা হয়েছে যে বিদ্যমান আইনে (সংবিধান ও বিভিন্ন স্থানীয় সরকার আইন) দলভিত্তিক নির্বাচনের পথে আইনি বাধা তেমন নেই। নির্বাচনী বিধিমালা, নির্বাচনী আচরণবিধি, প্রতীক বরাদ্দ নীতিমালা, সর্বোপরি জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৭৩–এর সূক্ষ্ম পর্যালোচনাই এখানে প্রয়োজন। তাই সরকার দলীয়ভাবে স্থানীয় নির্বাচন করার বিষয়টিকে আইনি রূপ দিতে চাইলে তা সহজেই করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে এ সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য ও ফলাফল।
স্থানীয় নির্বাচন দলীয়ভাবে করার আনুষ্ঠানিক বা আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। এ সিদ্ধান্তের পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান থাকতে পারে স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে রাজনীতি এবং রাজনীতির সঙ্গে রাজনৈতিক দলের সম্পর্ককে বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব নয়। তাই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দীর্ঘদিনের প্রথা, পদ্ধতি ও ঐতিহ্য হচ্ছে দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচন। আমাদের কাছে প্রতিবেশী ভারতের দৃষ্টান্ত নানা কারণে আমাদের জন্য প্রণিধানযোগ্য। ভারতে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় নির্বাচন দলীয়ভাবেই হয়ে আসছে। মূল স্থানীয় সরকার বা ‘পঞ্চায়েত রাজ’ আইনে দলীয়-অদলীয় কোনো ধারা-উপধারা নেই। নির্বাচনের মৌলিক বিধানসমূহ আমাদের আইনেরই মতো। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও কেরালার আইন পর্যালোচনা করে তা–ই দেখা গেল। রাজনৈতিক দলভিত্তিক নির্বাচনকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে মূলত নির্বাচনী বিধিমালায় এবং তাকে কার্যকর করা হয়েছে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুসরণ করে। পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত নির্বাচন বিধিমালা, ১৯৭৪ এ বিষয়ে তিনটি বিশেষ ধারায় (১৭, ১৮ ও ১৯) বিষয়টিকে স্বচ্ছ করা হয়েছে। এ ধারাগুলো মূলত প্রতীক বরাদ্দ–সংক্রান্ত। তাদের দুই রকমের প্রতীক রয়েছে—‘রাজনৈতিক দলের জন্য সংরক্ষিত প্রতীক’ ও ‘উন্মুক্ত প্রতীক’। দলীয় গঠনতন্ত্রের আলোকে দল মনোনীত প্রার্থীরা মনোনয়নপত্রে দলীয় প্রার্থী হিসাবে ‘ঘোষণা’ দেন এবং দল থেকে তা প্রত্যয়ন করা হয়। তাতে একজন প্রার্থী দলীয় প্রার্থী হয়ে যান। এ ক্ষেত্রে ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনেরও সামঞ্জস্য বিধান করা হয়েছে।
আমাদের দেশেও স্থানীয় নির্বাচন দলীয়ভাবে করার আনুষ্ঠানিক বা আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। এ সিদ্ধান্তের পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান থাকতে পারে। প্রথমত: ‘দলীয়করণ’ নামক প্রত্যয় মূর্তিমান আতঙ্ক। এ বিষয়টি সব দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে বিবেচনায় রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত: আমরা দল ও সরকার, রাজনীতি ও প্রশাসন এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও প্রশাসনিক নেতৃত্বের স্বীকৃত বিভাজন ও সীমারেখাকে সম্মান করতে শিখিনি। একটিকে অপরটির মধ্যে বিলীন হতে দেওয়া যাবে না। যদি ধীরে ধীরে তা করতে পারি, তাহলে দলভিত্তিক নির্বাচন ইতিবাচকতার দিকে ধাবিত হবে। সে জন্য প্রথমে প্রয়োজন হবে সুষ্ঠু, গঠনমূলক ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চা এবং তা শিকড় থেকে শিখর পর্যন্ত সর্বত্র। দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচন যদি সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক প্রথা-পদ্ধতি মেনে অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে তৃণমূলে দলের দৃঢ় ভিত্তি নির্মাণে তা সহায়ক হবে এবং গড়ে উঠবে দায়িত্বশীল নেতৃত্বকাঠামো।
কিন্তু বিপরীতে যদি ব্যাপক দলীয়করণ, দলবাজি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ ভাগাভাগিতে দলের আনুকূল্য লাভের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা পাকাপোক্ত হয়, তাহলে পরিস্থিতি বিপর্যয়কর মোড় নিতে পারে। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিপর্যয়ের প্রবণতাই স্পষ্ট। তাই সরকার যদি বিপর্যয়কর পরিস্থিতি এড়ানোর রক্ষাকবচের বিষয় বিবেচনায় নেয়, তাহলে নিম্নের তিনটি বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করব:
১. আইনের শাসনের প্রতি দৃঢ় ও আন্তরিক অঙ্গীকার এবং অনিয়ম ও দুর্নীতির ক্ষেত্রে শূন্য সহিষ্ণুতা; ২. দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বিধান এবং দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থকদের নৈতিক মানোন্নয়ন; ৩. নির্বাচনে প্রতিটি দল ও মতের প্রার্থীর জন্য সমতল ক্ষেত্র ও সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণ। নির্বাচনের পর নিজ দলীয় নেতৃত্বের প্রতি আনুকূল্য এবং বিরোধীদের প্রতি বৈরিতা পরিহারের গণতান্ত্রিক মানসিকতার চর্চা। এ তিনটি নীতি মেনে নিতে পারলে দলীয়ভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচন তৃণমূলে সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টিতে অবদান রাখতে সক্ষম হবে। ব্যত্যয় ঘটলে তৃণমূল পর্যায়ে রাজনৈতিক হানাহানি নতুন মাত্রা ও গতি পাবে।
ড. তোফায়েল আহমেদ: স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ এবং সাবেক সদস্য, স্থানীয় সরকার কমিশন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্লুটোর পানি–বরফ রহস্য
![]() |
| প্লুটোর পানি–বরফ রহস্য |
মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার প্লুটোর যেসব ছবি প্রকাশ করেছে, সেগুলোতে প্রথমবারের মতো হিমায়িত পানি বা পানি-বরফের অবস্থান স্পষ্ট হয়। তবে সেই পানি-বরফের রং বা অবস্থান কোনোটিই বিজ্ঞানীদের প্রত্যাশার সঙ্গে মেলেনি। তাই বামন গ্রহটিকে নিয়ে রহস্য আরও বেড়েছে।
নাসা ওই ছবিগুলো নিয়ে নিবিড় গবেষণা করছে। ছবিতে কৃত্রিম রং দিয়ে বিজ্ঞানীরা প্লুটোর পানি-বরফ ও অন্যান্য বরফ (যেমন: নাইট্রোজেন, মিথেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের বরফ) আলাদা করেছেন। বাস্তবে প্লুটোর পানি-বরফের রং লাল, পৃথিবীর মতো নীলচে নয়। এতে বিজ্ঞানীরা বিস্মিত হয়েছেন। নিউ হরাইজনস প্রকল্পের বিজ্ঞানী সিলভিয়া প্রোটোপাপা বলেন, পানি-বরফ এবং প্লুটোর পৃষ্ঠের লালচে ‘থলিন কোলোর্যাফন্টসের’ মধ্যে সম্পর্ক এখনো তাঁরা বুঝতে পারেননি। ‘থলিন কোলোর্যাান্টস’ হচ্ছে লাল রঙের একধরনের অণু। সাধারণত এটি জৈব উপাদান থেকে তৈরি হয়। প্লুটোর বায়ুমণ্ডলে এই অণু প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। তবে প্লুটোর লালচে পানি-বরফে ‘থলিন কোলোর্যাথন্টস’ আছে কি না, তা এখনো অস্পষ্ট।
প্লুটোয় পানি-বরফের অবস্থান বা অঞ্চল নিয়েও বিজ্ঞানীরা ধাঁধায় পড়েছেন। নিউ হরাইজনস গত ১৪ জুলাই প্লুটোর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে গিয়ে সেখানকার বহু ছবি তুলেছে। সেগুলোতে ধরা পড়েছে বামন গ্রহটির গঠনের বৈচিত্র্যময় রূপ। সেখানকার চারটি পার্বত্য অঞ্চল, একটি সুবিশাল গর্ত এবং কয়েকটি মালভূমি ইত্যাদি নিয়ে বিজ্ঞানীদের মনে এখন নানা প্রশ্ন। সব মিলিয়ে প্লুটো তাঁদের কাছে সৌরজগতের সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় অঞ্চলগুলোর একটি।
সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জলকপাট এত দিন কেন খোলা হয়নি -বড়ালতীরের মানুষের প্রশ্ন
![]() |
| রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার এই জলকপাটের কারণেই বড়াল নদ এখন মৃতপ্রায়l ছবি: প্রথম আলো |
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, ৮৯ কিলোমিটার দীর্ঘ বড়ালের উৎসমুখ রাজশাহীর চারঘাটে ১৯৮২-৮৪ সালের মধ্যে পাউবো একটি জলকপাট স্থাপন করে। এর ভাটিতে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার আটঘরিয়াতে আরও একটি জলকপাট নির্মাণ করা হয়। স্থানীয় লোকজন সূত্রে জানা যায়, উৎসমুখের জলকপাটের তিনটি প্রথম চার-পাঁচ বছর পুরোটা খোলা হয়েছে। এরপর আর পুরোটা খুলে দেওয়া হয়নি।
এই জলকপাট স্থাপনের আগে বড়ালের উৎসমুখ দিয়ে প্রায় ২১ হাজার কিউসেক পানি প্রবাহিত হতো। জলকপাট স্থাপনের পর পানিপ্রবাহ কমে ২ হাজার ১৩ কিউসেক হয়। এবার প্রবাহিত হয়েছে ১ হাজার ২০৮ কিউসেক পানি।
গতকাল রোববার রাজশাহী চারঘাট উপজেলার হাটঝিকরা গ্রামে গিয়ে কথা হয় মৎস্যজীবী ওবায়দুল ইসলামের (৪৫) সঙ্গে। তিনি বলেন, আগে বড়াল নদে তিনি দুই কেজি ওজনের ইলিশ, রুই ধরেছেন। এই জলকপাট বসানোর পরে অনেক প্রজাতির মাছ আর পাওয়া যাচ্ছে না। বড়ালে এখন আর তাঁরা মাছ ধরতে যান না। তাঁর গ্রামের অনেক মৎস্যজীবী পেশা পরিবর্তন করেছেন বলে জানান তিনি।
হাটঝিকরা গ্রামের সুরেশ হালদার মৎস্যজীবী পেশা বাদ দিয়ে এখন বাড়িতে পাঁপড় তৈরি করে সেগুলো বাজারে বিক্রি করেন। তিনি বলেন, ‘বড়ালও মরেছে। আমাদেরও মেরে ফেলেছে। বাঁচতে হলে কিছু একটা তো করা লাগবে।’ তিনি জানান, তাঁর প্রতিবেশী লক্ষ্মণ এখন মাছ না ধরে ভ্যান চালাচ্ছেন।
ভায়া লক্ষ্মীপুর গ্রামের শিক্ষক ও কৃষক আসাদুজ্জামান বলেন, আগে বড়ালের পানি বিভিন্ন বিলে ঢুকত। জমিতে পলি পড়ত। আবাদ ভালো হতো। বড়াল শুকিয়ে যাওয়ায় বিলও মরে গেছে। ওই সব বিল ভরাট করে অনেকে দখল করে নিয়েছেন। ফলে ফসলের আবাদ কমে গেছে।
অনুপমপুর গ্রামের গিয়ে দেখা যায়, বড়াল নদের মাঝখানে চর জেগে উঠেছে। সেখানে গ্রামের ছেলেরা ফুটবল খেলছে।
পরিবেশবাদী সংগঠন হেরিটেজ রাজশাহীর প্রতিষ্ঠাতা মাহাবুব সিদ্দিক বড়াল নদের ইতিকথা নামে একটি গবেষণা গ্রন্থ লিখেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড অপরিকল্পিতভাবে মৎস্য ও কৃষি বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় না করেই এই জলকপাট নির্মাণ করেছে। গঙ্গা থেকে স্বাদু পানির প্রায় ৫০ রকমের ডিমওয়ালা মাছ এই বড়াল নদ দিয়ে চলনবিলে যেত। পাউবোর প্রকৌশলীরা এমনভাবে জলকপাট নির্মাণ করেছেন, যার ভেতরে দিয়ে ‘ফিস পাস’-এর ব্যবস্থা রাখা হয়নি। এ কারণে চলনবিল প্রায় মাছশূন্য হয়ে পড়েছে।
এদিকে নাটোরের নির্বাহী প্রকৌশলী বাবুল আখতার গত আগস্ট মাসে বলেছিলেন, জলকপাট যে পরিমাণ প্রয়োজন, ততটুকু খোলা হয়েছে। অথচ গত শুক্রবার রাজশাহী বিভাগীয় নদী রক্ষা কমিটির প্রথম সভায় বলা হয়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জলকপাটগুলো পুরো খোলা যায়নি।
![]() |
| রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় বড়াল নদের মাঝখানে জেগে ওঠা চরে ফুটবল খেলায় মেতে উঠেছে এলাকার ছেলেরা। ছবিটি গতকাল অনুপমপুর গ্রাম থেকে তুলেছেন আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অভিবাসন প্রত্যাশীদের নৌকাডুবে ১১ জনের প্রাণহানি
রোববার নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সূত্র জানায়, উপকূলরক্ষীরা শনিবার রাতে ট্রলারটি ডুবে গেলে জীবিত ১৫ জনকে তাদের হেফাজতে নিয়েছে। তাদেরকে সিরিয়া, মিশর ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক হিসেবে সনাক্ত করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংগঠন গত মাসে জানিয়েছে, জানুয়ারি মাস থেকে ৪ লাখ ৭৪ হাজার লোক ঝুঁকি নিয়ে ইউরোপে যাওয়ার জন্য ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেয়।
এতে আরো বলা হয়, কেবলমাত্র এ বছরই ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেয়ার সময় ৩ হাজার ৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় ৫ লাখেরও বেশি লোক সমুদ্র পাড়ি দেয়। এদের বেশির ভাগই গ্রিস ও ইতালি পৌঁছেছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জামালপুর পৌর শহরের বর্জ্য ফেলে ব্রহ্মপুত্রের সর্বনাশ
![]() |
| জামালপুর শহরের ময়লা–আবর্জনা গাড়িতে করে ফেলা হয় ব্রহ্মপুত্র নদে। সম্প্রতি শহরের ফৌজদারি এলাকা থেকে তোলা ছবি l প্রথম আলো |
আবর্জনার দুর্গন্ধে টিকতে পারছে না নদপারের মানুষ। দুর্গন্ধের কারণে লোকজন নদের তীরে শহর রক্ষা বাঁধেও বেড়াতে যেতে পারছে না।
পৌরসভার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, পৌর শহরের উত্তর পাশ দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র নদে বর্ষাকালে বেশি পানি থাকে। নদের কাছাকাছি জামালপুর পৌর শহরে অন্তত দুই লাখ মানুষ বাস করে। নদের দক্ষিণ তীর ঘেঁষে নির্মাণ করা হয়েছে শহর রক্ষা বাঁধ। ব্রহ্মপুত্র সেতু থেকে শহরের পাথালিয়া পর্যন্ত বাঁধের দক্ষিণ পাশ দিয়ে অন্তত পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে রয়েছে একটি পার্ক। এটিই শহরবাসীর একমাত্র বিনোদনকেন্দ্র। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শহরের মানুষ একটু বিনোদনের জন্য নদের তীরে আসে। কিন্তু নদ থেকে আসা ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে তারা সেখানে বেশিক্ষণ থাকতে পারে না। এ ছাড়া আবর্জনা ছড়িয়ে পড়ায় শহরের দেওয়ানপাড়া, ফৌজদারি ও নাওভাঙ্গাচরের মানুষ গোসল ও গৃহস্থালির কাজ করতে পারছে না নদের পানি দিয়ে।
জামালপুর পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য পৌর শহরে ১১০টি আস্তাকুঁড় (ডাস্টবিন) রয়েছে। তবে এর বেশির ভাগই এখন ভাঙা। তাই অপরিকল্পিতভাবে প্রতিদিন ব্রহ্মপুত্র নদে আবর্জনা ফেলা হচ্ছে।
শহরের মুকুন্দবাড়ী এলাকার রাজু আহম্মেদ বলেন, শহরবাসীর একমাত্র বিনোদনকেন্দ্র এখন শহর রক্ষা বাঁধ। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত শহরের মানুষ একটু বিনোদনের জন্য ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে যায়। কিন্তু এখন ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখায় শহর রক্ষা বাঁধের কাছে যাওয়া যাচ্ছে না।
সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের ফৌজদারি মোড়ে পরিত্যক্ত একটি সেতু রয়েছে। শহরের ময়লা-আবর্জনা ট্রাক ও ভ্যানগাড়িতে করে এনে ওই পরিত্যক্ত সেতুর ওপর থেকে ব্রহ্মপুত্র নদে ফেলা হচ্ছে। ময়লা-আবর্জনা নদের পানিতে ভাসছে।
জামালপুরের পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পৌর কর্তৃপক্ষ পুরো শহরের ময়লা-আবর্জনা ট্রাক ও ভ্যানগাড়িতে করে ব্রহ্মপুত্র নদে ফেলছে। এতে পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে। নানা প্রজাতির মাছ ও জলজ প্রাণীর ক্ষতি হচ্ছে এবং নদের পানি দূষিত হয়ে পড়ছে। নদে আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে বিভিন্ন সময়ে মানববন্ধন ও প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নদে বর্জ্য ফেলা বন্ধ হয়নি।
যোগাযোগের চেষ্টা করেও জামালপুর পৌরসভার মেয়র শাহ ওয়ারেছ আলীর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। পৌরসভার সচিব নূরুল ইসলাম বলেন, গণসচেতনতার অভাবে এ সমস্যা হচ্ছে। ফৌজদারি এলাকার সাধারণ মানুষও ব্রহ্মপুত্র নদে আবর্জনা ফেলছে। নদ দূষণমুক্ত রাখতে পৌরসভার পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সতর্কবার্তা নিয়ে রহস্য by মাসুদ করিম ও সৈয়দ আতিক
মঙ্গল ও বুধবার প্রভাবশালী দেশগুলোর কূটনীতিকরা সরকারের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেন। প্রথম দিনের বৈঠক শেষে কূটনৈতিক কোরের ডিন ও ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট গিবসন সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থায় তারা কৃতজ্ঞ। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উচ্চমাত্রার সন্তোষ প্রকাশের একদিন পর শুক্রবার ব্রিটিশ ফরেন কমনওয়েলথ অফিসের ওয়েবসাইটে বলা হয়, বাংলাদেশে সন্ত্রাসী হামলার উচ্চ ঝুঁকি আছে। ওইদিনই ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে ছোট আকারে হামলার আশংকা আছে। একই দিনে একটি দেশ বাংলাদেশ সম্পর্কে দুই ধরনের তথ্য প্রচার করছে। দুই ধরনের তথ্য দেয়াসহ আরও বেশ কিছু কারণে রহস্য তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল শনিবার যুগান্তরকে বলেন, যারা বিদেশী নাগরিক হত্যা করেছে এবং বিদেশ থেকে সতর্কবার্তা জারি করছে তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিদেশী নাগরিকরা ভালো আছেন। তারা যাতে স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারেন এজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নতুন করে হুমকির বিষয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তাদের কোনো তথ্য দেয়া হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন। মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে কোনো ঝুঁকি নেই। এ দেশ নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করছে তারা বেশিদূর আগাতে পারবে না। অতীতেও তারা ব্যর্থ হয়েছে। ভবিষ্যতেও তারা সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে পারবে না।’
উচ্চ পর্যায়ের সরকারি সূত্র মতে, বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্র বানানোর উদ্দেশ্যে বিদেশী নাগরিক হত্যা করা হয়েছে। এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে সূত্রটি আশংকা প্রকাশ করেছেন। তার মতে, কূটনীতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ধারণা, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ভঙ্গুর রাজনৈতিক পরিস্থিতি, যুদ্ধাপরাধের বিচার কার্যকর করা, ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যু, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি চলমান নিরাপত্তা সংকটের সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকতে পারে। দুটি খুনের ঘটনার পরই আইএস হত্যার দায় স্বীকার করে বলে খবর দেয় জঙ্গি তৎপরতা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘সাইট ইন্টিলিজেন্স গ্রুপ’। ইতালির নাগরিক খুনের পর প্রথম এই সাইটে আইএস সংক্রান্ত তথ্য দেয়ার একদিন পর তারা প্রত্যাহার করে নেয়। এছাড়া টুইটারসহ যেসব সাইবার মাধ্যমে আইএস হত্যার দায় স্বীকার করেছে, সেগুলো সঠিক কিনা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই যথার্থতা যাচাইয়ের ফল বাংলাদেশকে জানাবে না বলে জানা গেছে।
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস অবশ্য দুই বিদেশী হত্যার ঘটনায় আইএসের সম্পৃক্ততার ঘটনা যাচাই না করে উড়িয়ে দিতে চায় না। মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ ১৬ কোটি জনগোষ্ঠীর বাংলাদেশে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর উত্থান ঘটা অসম্ভব নয় বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, দেশে আইএসের অস্তিত্ব নেই। তিনি বলেন, বিদেশীদের কাছে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল দেখানোর জন্য দুই বিদেশীকে হত্যা করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অস্ট্রেলিয়াকে জঙ্গি হামলার হুমকির তথ্য দিয়েছিল যুক্তরাজ্য। হুমকির ওই তথ্যে বলা হয়েছিল, ‘বাংলাদেশে সন্ত্রাসীগোষ্ঠী অস্ট্রেলিয়া ও পশ্চিমা স্বার্থের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছে।’ ২৫ সেপ্টেম্বরের আগে যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে এই তথ্য পাওয়ার পরই অস্ট্রেলিয়া সাবধান হয়ে যায়। এই সতর্কতার পর ঢাকার গুলশানে ইতালির এক নাগরিক খুন হন। এরপরই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে তাদের নাগরিকদের চলাচলের ওপর বাংলাদেশে সতর্কবার্তা জারি করে। কিন্তু যুক্তরাজ্য শুক্রবার দ্বিতীয় দফায় সতর্কবার্তা জারির পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডা কেউ সিকিউরিটি এলার্ট আপডেট করেনি। তারা আগের সতর্কবার্তা বহাল রেখেছে।
একাধিক কূটনৈতিক সূত্র মনে করছে সরকারের পূর্ব-ঘেঁষা নীতির কারণে পশ্চিমা কয়েকটি দেশ অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। সরকারের বড় বড় প্রকল্প পূর্বের কিংবা প্রতিবেশী দেশগুলোর নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ায় নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে পশ্চিমারা সরকারকে চাপে রাখতে চাচ্ছে। এ কারণে নিরাপত্তা সংক্রান্ত হুমকির তথ্য বেশি প্রচার করছে। যুক্তরাজ্যের কাছ থেকেই এ সংক্রান্ত তথ্য পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সরকার পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেয়ার নিশ্চয়তা দেয়ার পরও ক্রিকেট দলের সফর অনুষ্ঠিত হয়নি। তারপর ব্রিটিশ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুগো শোয়ারের বাংলাদেশ সফরও স্থগিত করা হয়। অথচ সফর বাতিলের মতো তেমন পরিস্থিতি হয়নি। কারণ একই সময়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি দল, জার্মানির উন্নয়ন মন্ত্রী নিরাপদে বাংলাদেশ সফর করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বুধবার অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বৈঠকে বাংলাদেশে হামলার হুমকি, তদন্তের ফলাফল এবং এ সংক্রান্ত অন্যান্য ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের আইন-শৃংখলা বাহিনী কড়া নিরাপত্তা জোরদার করেছে। কূটনৈতিক এলাকায় নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। আইন-শৃংখলা বাহিনীর সব ইউনিট সর্বত্র নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়িয়েছে। আমরা কোনো ধরনের আশংকা দেখছি না। সবকিছু স্বাভাবিক আছে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দফতর শুক্রবার বাংলাদেশে পশ্চিমা দেশের নাগরিকদের লক্ষ্য করে আরও হামলা হতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে। ব্রিটিশ ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিসের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশ সম্পর্কে সর্বশেষ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, দেশটিতে সন্ত্রাসবাদী হামলার উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। সম্প্রতি দু’জন বিদেশীকে হত্যার ঘটনা উল্লেখ করে এতে বলা হয়, আইএসআইএস এই হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। বাংলাদেশ সফরকারীদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়ে ওয়েবসাইটে বলা হয়, বিশেষ করে যেসব অনুষ্ঠানে পশ্চিমা দেশের নাগরিকরা সমবেত হন, সেগুলোতে যোগদানের সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। উল্লেখ্য, ঢাকায় একজন ইতালিয়ান এবং রংপুরে এক জাপানি নাগরিক অজ্ঞাতনামা বন্দুকধারীরা হত্যা করার পর বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং কানাডাসহ অনেক পশ্চিমা দেশই তাদের নাগরিকদের গতিবিধি সীমিত রাখার পরামর্শ দিচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার কয়েক দফায় কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করে নিরাপত্তার ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু তারপরও নিরাপত্তা নিয়ে এসব দেশের উদ্বেগ কাটেনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম শনিবার যুগান্তরকে বলেন, দুই বিদেশী হত্যার ব্যাপারে তদন্ত হচ্ছে। আইন-শৃংখলা বাহিনী সজাগ আছে। এই ঘটনার শিগগিরই নিষ্পত্তি হবে বলে আশা করি। বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে আর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক সাবেক এয়ার কমোডর ইশফাক ইলাহী চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, দুই বিদেশী নাগরিক খুনের পর বাংলাদেশে আইন-শৃংখলা বাহিনী নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়িয়েছে। যেহেতু আর কোনো ঘটনা ঘটেনি তাতে মনে হচ্ছে আন্তর্জাতিকভাবে যে আশংকার কথা ব্যক্ত করা হয়েছে সে ধরনের কোনো আশংকা নেই।
তিনি বলেন, আইন-শৃংখলা বাহিনী যেভাবে তৎপর হয়েছে, সেভাবে দুই বিদেশী খুনের রহস্য উদ্ঘাটন করতে হবে। বিদেশীদের বোঝাতে হবে বাংলাদেশের আইন-শৃংখলা বাহিনী দুটি ঘটনা সুরাহা করতে সক্ষম হয়েছে। তখন বিদেশীরা আশ্বস্ত হবেন, সতর্কতা থেকে তারা স্বাভাবিক হবেন।
ইশফাক ইলাহী চৌধুরী বলেন, যেভাবে বাইরে থেকে আশংকা ব্যক্ত করা হচ্ছে আমরা সে ধরনের আর কোনো লক্ষণ দেখছি না। আমাদের আইন-শৃংখলা বাহিনীর যে সক্ষমতা আছে তা দিয়ে যে কোনো নাশকতাই মোকাবেলা করা সম্ভব। কাজেই হতাশ বা আতংকিত হওয়ার মতো কিছু দেখছি না।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মুখপাত্র যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) মনিরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, আইন-শৃংখলা বাহিনী পেশাদারিত্বের সঙ্গে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে। যে কোনো নাশকতা বা বিশৃংখলা মোকাবেলায় আইন-শৃংখলা সতর্ক অবস্থানে আছে।
গোয়েন্দা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, যা ঘটছে তা সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র। অতীতেও আইন-শৃংখলা বাহিনী সাংবিধানিকভাবে এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেছে। বর্তমান সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্র রুখতে আইন-শৃংখলা বাহিনী, গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি নজরদারিও বাড়িয়েছে। পাশাপাশি আমাদের দেশে যেসব বিদেশী নাগরিক আছে, তারা যাতে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারে সে ব্যাপারে আইন-শৃংখলা বাহিনী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, যে আশংকার কথা ব্যক্ত করা হচ্ছে আমাদের দেশে এ ধরনের কোনো আশংকা নেই।
র্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান লে. কর্নেল আবুল কালাম আজাদ যুগান্তরকে বলেন, কোনো ধরনের থ্রেট আমরা দেখছি না। দুই বিদেশী নাগরিক খুনের পর বোঝা গেছে, এটা সরকারবিরোধীদের ষড়যন্ত্র। তিনি বলেন, আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও অনুসন্ধান অব্যাহত আছে। অতীতেও ষড়যন্ত্র হয়েছে, বর্তমানেও হচ্ছেÑ তা প্রতিরোধে আইন-শৃংখলা বাহিনীর পূর্ণ সক্ষমতা রয়েছে।
তিনি বলেন, যে ঝুঁকির কথা বলা হচ্ছে আসলে সে ধরনের কোনো ঝুঁকি নেই। তবে আমাদের আইন-শৃংখলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ষড়যন্ত্র তত্ত্বে কার লাভ কার ক্ষতি? by সাজেদুল হক
বাংলাদেশে এবারের ষড়যন্ত্র তত্ত্বটি আলোচনায় আসে গত ২৮শে সেপ্টেম্বর কূটনীতিক জোনে ইতালীয় নাগরিক সিজার তাভেলা হত্যাকাণ্ডের পর। এ হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এসআইটিই’র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম খবর প্রকাশ করে এ হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন আইএস। তবে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রায় সঙ্গে সঙ্গে ওই খবর নাকচ করে দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে আইএসের কোন অস্তিত্ব নেই। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকেও একই বক্তব্য দেয়া হয়। ওই ওয়েবসাইটটি ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আইএসের জড়িত থাকার খবর প্রকাশ করেছে বলেও বলা হয়। এমনও খবর বেরিয়েছে যে, ওই সাইটের প্রতিষ্ঠাতা রিটা কাটজ ইহুদি। ষড়যন্ত্রে তিনি জড়িত। যদিও রিটা কাটজ সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি অনুরোধ তারা যেন বাংলাদেশে আইএস-এর উপস্থিতির বিষয়টি উড়িয়ে না দেন, কিংবা অস্বীকার না করেন। বরং তাদের উচিত অবস্থা বেশি খারাপের দিকে যাওয়ার আগেই এ বিষয়ে প্রচুর জানাশোনা, অধ্যয়ন ও গবেষণা বৃদ্ধি করা। অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, অনেকেই শুরুর দিকে আইএসের হুমকিকে অমূলক বলে উড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু যখন বুঝতে পেরেছে ততদিনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। এ বিষয়ে প্রকৃত সত্য এই যে, বিশ্বের সব দেশেরই এ সত্য উপলব্ধির সময় এসেছে, আইএস আমাদের সবার নিরাপত্তার জন্যই চরম হুমকি।
ইতালীয় নাগরিক হত্যার পর বাংলাদেশে চলাচলের ব্যাপারে সতর্কতা জারি করে পশ্চিমা বেশ কয়েকটি দেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউ ইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সতর্কতা জারি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন। এরই মধ্যে রংপুরে খুন হন জাপানি নাগরিক হোশি কুনিও। যথারীতি এসআইটিইর বরাতে খবর বের হয় আইএস এ হত্যায় জড়িত। জাপানি টেলিভিশন অবশ্য খবর দিয়েছে, আইএস পরিচালিত ইন্টারনেট রেডিওতে আইএস এ হত্যার দায় স্বীকার করেছে। যদিও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সে দাবি আবারও নাকচ করে দেয়া হয়। সর্বশেষ যুক্তরাজ্য নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে। সতর্কতায় বাংলাদেশে ফের হামলার আশঙ্কা ব্যক্ত করা হয়েছে।
দুই বিদেশি নাগরিক হত্যা, অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত এবং পশ্চিমাদের রেড এলার্ট এ তিন ঘটনার পেছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে সরকারের কেউ কেউ পরিষ্কার করেই বলেছেন। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে শিকাগো থেকে কেন দায় স্বীকার। বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, আইএস যুক্তরাষ্ট্রের সৃষ্টি। মন্ত্রিসভার আরেক সদস্যের বক্তব্য রোববার মুদ্রিত হয়েছে একটি সহযোগী দৈনিকে। তিনি বলেছেন, যারা বিদেশী নাগরিক হত্যা করেছে এবং বিদেশ থেকে সতর্কবার্তা জারি করছে তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিদেশী নাগরিকরা ভাল আছেন। তারা যাতে স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারেন এজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নতুন করে হুমকির বিষয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তাদের কোন তথ্য দেয়া হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে কোন ঝুঁকি নেই। এ দেশ নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করছে তারা বেশিদূর আগাতে পারবে না। অতীতেও তারা ব্যর্থ হয়েছে। ভবিষ্যতেও তারা সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে পারবে না। (যুগান্তর- ১১ই অক্টোবর, ২০১৫)।
ষড়যন্ত্র তত্ত্বে আরও দুটি বিষয়ও আলোচনা হচ্ছে- ১. বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের পাকিস্তান সফর অনেকের চোখে ভাল লাগেনি। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর স্থগিতের পেছনে ক্রিকেট রাজনীতি অন্যতম প্রধান ভূমিকা রেখেছে। ২. বাংলাদেশের পোশাক খাতের অগ্রযাত্রা রোধ করতে একটি মহল সবসময়ই সক্রিয় রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে পোশাকের বাজার সরিয়ে নিতে বিভিন্ন সময় ষড়যন্ত্রের কথা শোনা গেছে। দুই বিদেশি নাগরিক হত্যা এবং রেড এলার্টের প্রভাব পড়েছে পোশাক খাতেও। অনেক ক্রেতা তাদের বাংলাদেশ সফর স্থগিত করেছেন।
ষড়যন্ত্র তত্ত্বের পাশাপাশি দোষারোপের রাজনীতিও চলছে। সরকার পক্ষ থেকে দুই বিদেশি নাগরিক হত্যার জন্য বিএনপি-জামায়াতকে দায়ী করা হয়েছে। সরাসরি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কথাও বলা হয়েছে। অন্যদিকে, বিএনপির পক্ষ থেকে সরকারের দাবি নাকচ করে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারি ব্যর্থতার কারণেই দুই বিদেশি নাগরিক হত্যার শিকার হয়েছেন। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, দোষারোপের এই রাজনীতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। তদন্তের আগেই রায় ঘোষণা অতীতেও বহুবার হয়েছে। জজ মিয়ার কাহিনীও দেখেছে এ দেশের মানুষ। এসব প্রবণতায় অনেক সময়ই প্রকৃত অপরাধীরা আড়ালে চলে গেছেন। কোন কোন ক্ষেত্রে নিরীহ মানুষও শিকার হয়েছেন অন্যায় শাস্তির।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ষড়যন্ত্র তত্ত্ব যে কখনও সত্য হয় না তা নয়। তবে সবার আগে প্রয়োজন হত্যাকাণ্ডের স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত। এরপরই তদন্তের ফল জনগণকে জানাতে হবে। ষড়যন্ত্র থাকলে স্পষ্ট করে বলতে হবে তাও। অন্যথায় দেশকে কারও মুখোমুখি করে আখেরে বাংলাদেশের কারোরই লাভ হবে না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাম-ঠিকানা পেলো সেই শিশুটি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
October
(966)
-
▼
Oct 12
(27)
- সাংসদ মনজুরুলের জামিন নাকচ, আত্মসমর্পণের নির্দেশ
- সিরিয়া পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ ওবামা!
- বাশারের সরকার টেকাতে সিরিয়ায় অভিযান: পুতিন
- দেশে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব নেই -সাক্ষাৎকারে : এমাজউ...
- চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ‘গরিবের’ স্বাস্থ্যকেন্দ...
- হাসিনা সরকারকে গাছে তুলে দিয়ে মই কেড়ে নেয়ার চেষ্টা...
- শিশুটি গেল ছোটমণি নিবাসে
- ইসরায়েলি হামলায় অন্তঃসত্ত্বা ফিলিস্তিনি নারী ও শ...
- দেয়ালবিহীন কারাগার
- গাজায় ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশ...
- নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা ইরানের
- নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে পি অলি
- স্থানীয় সরকার: দলভিত্তিক নির্বাচনের শর্ত by তোফায়...
- প্লুটোর পানি–বরফ রহস্য
- জলকপাট এত দিন কেন খোলা হয়নি -বড়ালতীরের মানুষের প...
- অভিবাসন প্রত্যাশীদের নৌকাডুবে ১১ জনের প্রাণহানি
- জামালপুর পৌর শহরের বর্জ্য ফেলে ব্রহ্মপুত্রের সর্বনাশ
- সতর্কবার্তা নিয়ে রহস্য by মাসুদ করিম ও সৈয়দ আতিক
- ষড়যন্ত্র তত্ত্বে কার লাভ কার ক্ষতি? by সাজেদুল হক
- নাম-ঠিকানা পেলো সেই শিশুটি
- ক্রেতাদের সফর বাতিল বিদেশে যাওয়ার প্রস্তাব নিরাপত্...
- হাতকড়া নিয়েই চলছে গুলিবিদ্ধ নয়নের চিকিৎসা by কাজী ...
- বাংলাদেশে আটককৃত বৃটিশ ন্যায়বিচার পাবেন না, দাবি স...
- আওয়ামী লীগের বিদায়ের অপেক্ষায় আছে সবাই
- মিনায় বাংলাদেশির গলিত লাশ উদ্ধার -আরব নিউজের খবর
- কলেজে যাওয়ার কথা বলতেই বড় ভাইয়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে র...
- ‘যাত্রীদের নাজেহাল করছে বাস মালিকেরা’
-
▼
Oct 12
(27)
-
▼
October
(966)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



















