Saturday, September 28, 2024
ভারতে কথিত বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, অভিযোগ তিনি পর্নো তারকা
রিপোর্টে বলা হয়, গোপন সূত্রে পুলিশ খবর পায় যে, ভুয়া ডকুমেন্ট ব্যবহার করে মহারাষ্ট্রের অম্বরনাথে বসবাস করছে একটি কথিত বাংলাদেশি পরিবার। তারা তদন্ত শুরু করে। তাতে ওই পরিবারটির প্রতারণামূলক আচরণ, কর্মকাণ্ড ধরা পড়ে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, রিয়া বারদে তার মা, ভাই ও বোনকে নিয়ে বসবাস করছিলেন। কিন্তু তার এক বন্ধু পুলিশকে ভুয়া পাসপোর্টের তথ্য দেয়। এরপরই বারদেকে গ্রেপ্তার করে মুম্বই থেকে প্রায় ৩০ মাইল দূরে উল্লাসনগরে হিল লাইন পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ রিয়া বারদের মা ভারতে অবস্থান করার জন্য অমরাবতী শহরের একজন পুরুষকে বিয়ে করেছেন। ফরেনার্স অ্যাক্ট ১৯৪৬ এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির অধীনে রিয়া বারদে এবং অন্য চারজনের বিরুদ্ধে মামলা নিবন্ধিত করেছে হিল লাইন পুলিশ। রিয়ার পাশাপাশি অভিযোগ গঠন করা হয়েছে তার মা অঞ্জলী বারদে (ওরফে রুবি শেখ), পিতা অরবিন্দ বারদে, ভাই রবীন্দ্র (ওরফে রিয়াজ শেখ) এবং বোন রিতু (ওরফে মনি শেখ)-এর বিরুদ্ধে। ওই প্রতিবেদনে রিয়াকে পর্নো তারকা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও তিনি কোথায় এমন ছবিতে অভিনয় করেছেন, তার কোনো ছবি মুক্তি পেয়েছে কিনা তা বলা হয়নি। এ মামলাটি তদন্ত করেছেন পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর সংগ্রাম মালাকার। তিনি বলেছেন, তদন্তে আমরা দেখতে পেয়েছি রিয়ার মা অঞ্জলী বাংলাদেশের একজন অধিবাসী। তিনি রিয়াসহ দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে বেআইনিভাবে ভারতে বসবাস করছেন। অরবিন্দ বারদে নামে অমরাবতী এলাকার বাসিন্দাকে বিয়ে করেছেন রিয়ার মা অঞ্জলী। অরবিন্দ বারদে পশ্চিমবঙ্গ থেকে গিয়ে ওই এলাকায় বসবাস করেন। অঞ্জলী পরে একটি ভুয়া জন্মসনদ ব্যবহার করে ভারতের পাসপোর্ট করেছেন। নিজের এবং সন্তানদের জন্যও একই কাজ করেছেন। পুলিশের রিপোর্টে ইঙ্গিত মিলেছে যে, রিয়ার পিতামাতা এখন বসবাস করছেন কাতারে। তার ভাই ও বোন পলাতক রয়েছে। রিয়া বারদে’কে অনেক পর্নোগ্রাফিক ছবিতে দেখা গেছে বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বন্দুকের গুলি উপেক্ষা করে তরুণরা বুক পেতে দাঁড়িয়েছিল, বাংলাদেশের অভ্যুত্থান প্রেরণা যুগিয়ে যাবে -জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ড. ইউনূস
বাংলাদেশ পুনর্গঠনে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্র, প্রধান উপদেষ্টাকে জানালেন ব্লিনকেন: বাংলাদেশ পুনর্গঠনে সহায়তা করতে ওয়াশিংটন একসঙ্গে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন। তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গৃহীত সংস্কার কার্যক্রম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে চুরি হয়ে যাওয়া কোটি কোটি টাকা ফেরত আনার ক্ষেত্রে তারা সহায়তা করবেন। নিউ ইয়র্ক স্থানীয় সময় ২৬শে সেপ্টেম্বর একটি হোটেলে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বৈঠক করেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ভালো অংশীদার হতে চাই। আমরা বাংলাদেশের জন্য দ্রুত কাজ করবো। যুক্তরাষ্ট্রের প্রফেসর ইউনূসের প্রতি ‘অপরিসীম’ শ্রদ্ধা রয়েছে। বাংলাদেশের সংকটপূর্ণ সময়ে দায়িত্ব গ্রহণ করায় প্রধান উপদেষ্টার প্রশংসাও করেন তিনি। ড. ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের পুনর্গঠনের দায়িত্ব নিয়েছে এবং তিনি বিশ্বব্যাংকের মতো বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোর কাছ থেকে সহায়তা চেয়েছেন।
জাতিসংঘের মহাসচিব ও প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক: জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরাঁ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন প্রকাশ করে বলেছেন, জাতিসংঘ বাংলাদেশের সংস্কারে সহায়তা করতে প্রস্তুত। নিউ ইয়র্ক স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জাতিসংঘ মহাসচিব এ সমর্থন ব্যক্ত করেন। জাতিসংঘের আবাসিক টিম আপনাকে সহায়তা করতে চায় উল্লেখ করে অ্যান্তোনিও গুতেরাঁ বলেন, সদ্য গৃহীত জাতিসংঘের প্যাক্ট অফ দ্য ফিউচার বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক এবং এর প্রণোদনামূলক অর্থায়ন দেশটির জন্য বিশেষ সহায়ক হবে। গুতেরাঁ বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের প্রশংসা করে বলেন, তারা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধান উপদেষ্টা জুলাই-আগস্ট মাসের ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের কথা উল্লেখ করে বলেন, এই আন্দোলন শেখ হাসিনার নির্মম স্বৈরাচারের অবসান ঘটায়। তিনি বলেন, আমি এখানে উপস্থিত হতে পেরেছি কারণ তরুণরা নতুন বাংলাদেশের জন্য তাদের জীবন উৎসর্গ করেছে। বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তন এবং বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের ওপর এর প্রভাব, রোহিঙ্গা সংকট এবং জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলনের সময় সংঘটিত নৃশংসতার তদন্তে জাতিসংঘের নেতৃত্বাধীন অনুসন্ধান মিশনের বিষয়ে আলোচনা হয়।
আইসিসি’র প্রধান প্রসিকিউটরের সঙ্গে ড. ইউনূসের বৈঠক: এদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)’র প্রধান প্রসিকিউটর করিম এ এ খান বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন (ইউএনজিএ)’র ফাঁকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে করিম এ এ খান ড. ইউনূসকে ২০১৯ সালে আইসিসি কর্তৃক রোহিঙ্গা নির্যাতন তদন্তের সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় তিনি বলেন, তিনি এ বছরের শেষ নাগাদ বাংলাদেশ সফর করবেন। তিনি রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে নতুন গতি আনতে প্রফেসর ইউনূসের তিন দফা প্রস্তাবের প্রশংসা করেন। বুধবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এক বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এই প্রস্তাব দেন। এ সময় সেখানে আইসিসি’র প্রধান প্রসিকিউটরও বক্তব্য রাখেন। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার নিমিত্তে জাতিসংঘ প্রধানের একটি জরুরি সম্মেলন আয়োজন ও করণীয় প্রস্তাব, রোহিঙ্গাদের মানবিক সংকটে নিরসনে যৌথ সহায়তা পরিকল্পনা জোরদার এবং ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংঘটিত গণহত্যার বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে আন্তরিক আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা। করিম খান বলেন, এ তিন দফা যথার্থ। ড. ইউনূস করিম খানের কাছে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের সময় গণহত্যার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে আইসিসিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা দায়ের করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চান। এ বিপ্লবে কমপক্ষে ৭০০ জন শহীদ হয়েছেন এবং ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। করিম খান বলেন, বাংলাদেশ অবশ্যই হেগ-ভিত্তিক আদালতে অভিযোগ দায়ের করতে পারে। তবে তিনি বলেন, আইসিসিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা দায়েরের জন্য যথাযথ নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হয়।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ইউএনএইচসিআর ও আইএলও প্রধানের বৈঠক: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন (ইউএনএইচসিআর) এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)’র প্রধানদ্বয় সাক্ষাৎ করেছেন। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করেন। গ্র্যান্ডি সংকট মোকাবিলায় একটি নতুন পদ্ধতির আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের আশ্রয় শিবিরে থাকা ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার দুর্দশা অবসানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও বেশি কিছু করা উচিত। তিনি বলেন, ড. ইউনূস বাংলাদেশের নতুন নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বিশ্বব্যাপী আগ্রহ বেড়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তায় আরও অর্থায়ন হবে। ‘বিশ্বব্যাংকের ৭০০ মিলিয়ন ডলার একটি ভালো সূচনা বিন্দু’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতিসংঘ রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষার জন্য আরও সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা সংকটের দ্রুত সমাধান খুঁজে বের করার এবং বাংলাদেশের আশ্রয় শিবিরে বেড়ে ওঠা লাখ লাখ রোহিঙ্গা শিশুর ভবিষ্যতের জন্য আরও বেশি কিছু করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, খুব দেরি হওয়ার আগেই আমাদের এর সমাধান করতে হবে। আমাদের একটি সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হুংবোও বৃহস্পতিবার একটি হোটেলে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। হুংবো বাংলাদেশে আইএলও কনভেনশন বাস্তবায়নের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের পদক্ষেপে জাতিসংঘের শ্রম সংস্থার সহায়তার প্রস্তাব দিয়ে বলেন, আমরা আপনার সহায়তায় প্রস্তুত আছি। প্রয়োজন হলে আইএলও আপনার আহ্বানে সাড়া দেবে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শ্রম সংস্কার তার সরকারের একটি শীর্ষ অগ্রাধিকার। কেননা তার সরকার এটিকে বাংলাদেশকে বিশ্বমানের উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত করার মূল বিষয় হিসেবে দেখে। প্রফেসর ইউনূস শ্রম সমস্যা নিরসন বাংলাদেশের জন্য অধিক বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ করে দেবে উল্লেখ করে বলেন, আমরা এ বিষয়ে খুবই আন্তরিক।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষুদ্র ঋণের প্রেক্ষাপট ও প্রতিহিংসার সুদ বিতর্ক by প্রভাস চন্দ্র দাস
মহাজনী ঋণের কঠোর ও নির্মম নির্যাতনের শিকার প্রান্তিক দরিদ্র মানুষকে বাঁচানোর অনুভূতি থেকেই ক্ষুদ্র ঋণের এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয় বলে ব্যাপক জনশ্রুতি রয়েছে। জামানত সাপেক্ষে ঋণ প্রদানের সনাতনী ব্যাংকিং ব্যবস্থার এক বিপরীত ধারণার মধ্যদিয়েই ১৯৭৬ এ একটি প্রয়োগিক প্রকল্প এবং ১৯৮৩ সালে প্রকল্প থেকে এক স্বাধীন সত্তা নিয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের আবির্ভাব ঘটে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে অর্থনীতির মারপ্যাঁচে দরিদ্র মানুষ মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছেন না এমন বাস্তবতার তথ্য খুঁজতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী জোবরা গ্রামকেই গবেষণার ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিলেন। বাঁশ দিয়ে মোড়া তৈরির কারিগর সুফিয়া খাতুন মহাজনের কাছ থেকে ৫ টাকা ঋণ নিয়ে দিনভর শ্রমে তৈরি মোড়া মহাজনের বেঁধে দেয়া মূল্যেই তার নিকট বিক্রি করতে বাধ্য হতেন। বিষয়টির গভীরে গিয়ে দেখতে পেলেন, ওই গ্রামের ৪২ জন এমন দরিদ্র মানুষ মহাজনের কাছ থেকে ৮৫৬ টাকা ঋণ নিয়ে একইভাবে কাজ করতেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস ওই টাকা পরিশোধ করে তাদেরকে মহাজনের হাত থেকে মুক্ত করে নিজের গবেষণালব্ধ তত্ত্বের ব্যবহারিক বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিলেন। এরপরের ধারাবাহিক ঘটনাক্রম দেশ-বিদেশের অনেকেরই অজানা নয়। প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন শেষে ১৯৮৩ এর পরে গ্রামীণ ব্যাংকের দ্রুত সফল সম্প্রসারণে পৃথিবীর দৃষ্টি বাংলাদেশের দিকে নিবদ্ধ হয়। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের সঙ্গেই সামাজিক ব্যবসার এক ইতিবাচক ধারণার কথা ড. ইউনূস এর মুখে প্রায়শই উচ্চারিত হয়ে আসছে। অপার সম্ভাবনার এদেশের সম্পদ ব্যবহার করে গরিবের মালিকানায় দেশের অবকাঠামো ও শিল্প-কলকারখানা প্রতিষ্ঠার মধ্যদিয়ে বৃহৎ এ জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব।
রাষ্ট্রীয় কর্মপরিকল্পনায় যুক্ত হয়েছে ক্ষুদ্র ঋণ
ক্ষুদ্র ঋণ এখন আর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মুখ লুকিয়ে থাকার মতো খাটো কোনো ভূমিকায় নেই। লাখ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগের বিশাল এ বাজার এখন মোটাদাগে প্রান্তিক অর্থনীতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে। ক্ষুদ্রঋণের জয়-জয়কার প্রচারে বহির্বিশ্বের গভীর আগ্রহ এবং ভূয়সী প্রশংসার দৃশ্যমান পুরস্কার অর্জনে প্রতিহিংসাপরায়ণ মানুষগুলোর মনস্তত্ত্বে একটা বড় ঝাঁকুনি লেগেছিল, যার ফলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা এবং রাজনৈতিক মঞ্চে সস্তা সমর্থন আদায়ে গ্রামীণ ব্যাংক ও এর প্রতিষ্ঠাতাকে নিয়ে চলছিল অহরহ অপপ্রচার। অথচ ২/৩ দশকে ক্ষুদ্রঋণের প্রভাব দারিদ্র্যবিমোচন ও জাতীয় অর্থনীতিতে বেশ গুরুত্ববহ ভূমিকায় আবির্ভূত হয়েছিল বলেই রাষ্ট্রীয় কর্মপরিকল্পনায় ক্ষুদ্রঋণকে যুক্ত করতে হয়েছে।
অনেকটা রাজনৈতিক স্বীকৃতি লাভ করেছিল
এদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিকে পুঁজি করে বিগত সরকার প্রধান কর্তৃক ‘সুদখোর’ হিসেবে ট্যাগ লাগিয়ে নোবেল লরিয়েট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে খাটো করার প্রবণতা বিশেষ এক গোষ্ঠীর কাছে আনন্দের খোরাক জোগালেও দেশজুড়ে এমন মন্তব্যের সমালোচনায় মানুষ সরব ছিল। বাস্তবে দেশের সকল ক্ষুদ্রঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের চেয়ে সর্বনিম্ন হারে গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণসেবা পরিচালিত হলেও সুদখোরের তকমা লাগানোর প্রবণতা শুধু রাজনৈতিক সুবিধাবাজদের দখলেই ছিল না এটি অনেকটাই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি লাভ করেছিল। জাতীয় পর্যায়ে অর্থনৈতিক বিষয়সংশ্লিষ্ট অনেক সভা-সেমিনারে গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ এবং সুদখোর বিষয়ক আলোচনা যেন আলোচ্যসূচিতেই ঠাঁই করে নিয়েছিল। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে খুশি করতে পারলেই নিজের পদ-পদবি উন্নয়নের হীন মানসিকতা চরিতার্থ করার লালসায় জ্ঞানপাপী অনেক বড় বড় আমলাদেরও জিহ্বা আড়ষ্ঠ হতে দেখিনি অমন কুৎসিত শব্দে বিশ্বনন্দিত এ মানুষটিকে কটাক্ষ করতে। গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ সংক্রান্ত এ বিতর্কিত ইস্যুটি রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন মতাবলম্বীদের মুখে এখনো বেশ সাড়ম্বরে উচ্চারিত হয়, যা নতুন প্রজন্ম সঠিক হিসেবেই মনে করে আসছে। গ্রামীণ ব্যাংক একটি রাষ্ট্রীয় বিধিবদ্ধ ব্যাংক হলেও অনেক শিক্ষিত মানুষ এবং আমলাগণ আলোচনার টেবিলে এনজিও আখ্যায়িত করে বেশ তৃপ্তবোধ করতেন, এটি জেনে বললে অন্যায় এবং না জেনে বললে ওই পদ-পদবির অযোগ্য বলেই আমার সাধারণ ধারণা। এ সংক্রান্ত সঠিক বিষয়টি সকলের কাছে খোলাসা করার জন্যই মূলত এ লেখার আগ্রহ।
সুদ বিতর্কের অবসান হোক
বিনিয়োগকৃত প্রাপ্ত পুঁজির খরচের সঙ্গে ১০% সুদ যোগ করলে নির্ধারিত সুদকে সবুজ, ১৫% যোগ করলে হলুদ এবং এর উপরে উঠলে তাকে লাল সুদ বলা যেতে পারে। এক্ষেত্রে গ্রামীণ ব্যাংক যে ঋণ প্রদান করে আসছে তার সুদ সবুজ, সর্বনিম্ন এবং যৌক্তিক পর্যায়, উপরন্তু গ্রামীণ ব্যাংকের লাভ-লোকসানের মালিক ঋণগ্রহীতা সদস্যগণ নিজেরাই। ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছিলেন গ্রামীণ ব্যাংকের একজন বেতনভুক কর্মকর্তা মাত্র। অথচ তাকে একদিকে প্রতিষ্ঠানের এমডি অপরদিকে সুদখোর বলে অনেক বড় কর্তাই নিজেদের জ্ঞান-গরিমাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।
গ্রামীণ ব্যাংক শুধুমাত্র ২০% হারে একক ঋণ বিতরণ কার্যক্রমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই (এখানে বলে রাখা ভালো-২০% হিসাবে গড় পদ্ধতিতে ১০ হাজার টাকায় ১ হাজার টাকা সুদ চার্জ হয়), প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঋণের সুদ সংক্রান্ত আলোচনাও এর সঙ্গে প্রধান বিবেচ্য বিষয়, যেমন- সদস্যের সন্তানদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিতকরণে কোচিং ও শিক্ষাঋণ বাবদ প্রদেয় ঋণের শিক্ষাকালীন সময়ের জন্য (৪/৫ বছর) কোনো সুদ ধার্য করা হয় না, শিক্ষা শেষে ৪/৫ বছরের মধ্যে পরিশোধকালীন সময়ের জন্য মাত্র ৫% হারে সুদ ধার্য করা হয়। সদস্যদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিতকরণে প্রদেয় ঋণের সুদহার ৮% এবং ভিক্ষুকদের আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার জন্য দেশব্যাপী সুদমুক্ত ঋণ কর্মসূচির মাধ্যমে ‘সংগ্রামী সদস্য কর্মসূচি’ নামে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এখন সামগ্রিকভাবে গ্রামীণ ব্যাংক গড়ে সর্বোচ্চ ১০% হারে সুদ গ্রহণ করছে। এক্ষেত্রে সুদের ব্যবসা, সুদখোর বা রক্তচোষা হিসেবে প্রচারণার মূলে যে ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা এটি বোধকরি আর বুঝিয়ে বলার অপেক্ষা রাখে না।
সুষ্ঠু ও সৎ ব্যবস্থাপনাই সাফল্যের মূল ভিত্তি
মার্কস এঙ্গেলসের স্লোগান ‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’ আর আমাদের আজকের স্লোগান ‘পৃথিবীর ভালো মানুষ এক হও’। ড. মুহাম্মদ ইউনূস সেখান থেকেই শুরু করেছিলেন, যেখানে বিশ্বখ্যাত অর্থনীতিবিদ মিল্টন ফ্রিডম্যান শেষ করেছিলেন, তিনি রক্ষণশীল আর ড. ইউনূস উদারমনা। ফ্রিডম্যান রাষ্ট্র ও বাজার ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতেন আর ড. ইউনূস এগিয়েছেন উদ্যোগ আর সংগঠনকে কেন্দ্র করে, ইফেকটিভ প্রয়োজনের যে চলমান মতবাদ তার বিপক্ষে দাঁড়িয়ে মাইক্রোক্রেডিটের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক বৈপ্লবিক মনোভাব নিয়ে এগিয়েছেন এবং প্রমাণ করেছেন সুষ্ঠু ও সৎ ব্যবস্থাপনাই গ্রামীণ ব্যাংকের বিশ্বব্যাপী সাফল্যের মূল ভিত্তি।
গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বড় বাধা দুর্নীতি
ইতিপূর্বে রাষ্ট্র ও রাজনীতির সৃষ্ট দারিদ্র্য ও বৈষম্য পাশাপাশি একই সমান্তরালে প্রবাহিত হলেও আজকের সে বৈষম্য যোজন দূরত্ব তৈরি করেছে। গ্রামীণ ব্যাংক এই অসাধ্য কাজটি করলেও অর্থনীতিতে কৃষক-শ্রমিকের শ্রমের সৃষ্ট সম্পদ লুণ্ঠনের হাত থেকে রক্ষা করা না গেলে দারিদ্র্যবিমোচনের এ কর্মপ্রবাহ নিবৃত হবে না। সরকারি ব্যয়নীতি, দুর্নীতি আর পাহাড়সম খেলাপি ঋণসহ নিরন্তর লুটপাট হওয়ায় লাখ লাখ কোটিপতিতে দেশ ভরে গেছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস এখন দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালনকালে তার কল্পিত সংস্কার কতোখানি বাস্তবায়ন করে যেতে পারবেন তা সময় বলে দেবে, তার চিন্তা-চেতনা মুক্তি দিশারী হলেও এক বা দু’চারজন মহৎপ্রাণ মানুষ মিলে অনিয়মের যে মজবুত প্রাচীর গড়ে উঠেছে তা ভেঙে চুরমার করে নতুনের গোড়াপত্তন মোটেই সহজ কাজ নয়, তবুও এ গভীর সংকট মোকাবিলা করে একটি সুন্দর সকাল জাতির কাছে অর্পণ করতে না পারলে সমগ্র বিষয়টি সেই পুরনো দেয়ালেই চুনকাম করার মতো হাস্যকর হয়ে উঠবে। এক শ্রেণির রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী আর আমলাদের যোগসাজশে লুণ্ঠন হওয়া দেশের গণতন্ত্র আর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সকলকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতায় এগিয়ে আসতে হবে, তাহলেই হয়তো নতুন প্রজন্মের হাতে আমরা তাদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ তুলে দিতে পারবো।
লেখক: উন্নয়ন কর্মী


About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছাত্র রাজনীতি কেন বন্ধ হচ্ছে? by মাহবুব নাহিদ
ছাত্র রাজনীতি বর্তমানে ভুলভাবে সংজ্ঞায়িত হয়েছে; অনেকেই এটিকে শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দলের অনুসারী হওয়ার বিষয় হিসেবে ভাবেন, অথচ প্রকৃতপক্ষে এটি ছাত্রদের স্বার্থ রক্ষার একটি প্রক্রিয়া। এই ভুল ধারণার ফলে ছাত্র সমাজে চাটুকারিতা ও গ্রুপিংয়ের প্রবণতা বাড়ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। যদি ছাত্ররা রাজনীতিতে সক্রিয় না থাকে, তাহলে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরি হওয়া বন্ধ হয়ে যাবে এবং সমাজের উন্নয়নের পথ বাধাগ্রস্ত হবে। মাথাব্যথা হলে মাথা কেটে দেয়ার প্রয়োজন নেই; বরং সমস্যার সমাধানে সক্রিয় হতে হবে এবং সঠিকভাবে নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে। ছাত্র রাজনীতি যদি সঠিক পথে পরিচালিত হয়, তবে এটি দেশের উন্নয়ন ও পরিবর্তনের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে। সুতরাং, ছাত্রদের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা অত্যন্ত জরুরি, যাতে তারা নিজেদের অধিকার রক্ষা করার পাশাপাশি দেশ ও সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।
১৯৪৮ থেকে ১৯৬৪ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে ছাত্ররা যখন গণতান্ত্রিক অধিকার ও সামাজিক ন্যায়ের জন্য সংগ্রাম করেছে, তখন তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছিল এক অগ্নি স্ফুলিঙ্গ। জার্মানি-অস্ট্রিয়া, আর্জেন্টিনা, ভেনিজুয়েলা, কোরিয়া, দক্ষিণ ভিয়েতনাম ও বলিভিয়ায় ছাত্রদের আন্দোলন ছিল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিবর্তনের জন্য অগ্রণী। আমাদের দেশে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ছাত্ররা ছিল অগ্রগামী শক্তি। এই ইতিহাসের ধারাবাহিকতায়, সর্বশেষ ২০২৪ সালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ছাত্ররা আবারো সামনের সারিতে এসেছে, যখন তারা স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছে। ছাত্রদের নির্ভীকতা ও সাহসী পদক্ষেপ আমাদের নতুন করে উদ্দীপ্ত করেছে, যেন তাদের মধ্যে লড়াইয়ের আগুন আরও প্রবল হয়ে উঠেছে। ছাত্র রাজনীতি মানে শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলের জন্য লড়াই করা নয়; এটি হলো নিজেদের অধিকার চাওয়া এবং নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য সংগ্রাম করা। ছাত্রদের এই আন্দোলনই প্রমাণ করে যে, পরিবর্তন আনতে চাইলে তাদের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য। ছাত্রদের এই আত্মবিশ্বাস ও প্রতিরোধ দেশের ভবিষ্যতের জন্য আশার আলো হয়ে দাঁড়ায়। সুতরাং, ছাত্র রাজনীতি শুধুমাত্র একটি প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি দেশের অগ্রগতির পক্ষে একটি শক্তিশালী অস্ত্র।
ছাত্রদের মধ্যে কিছু খারাপ কাজ যেমন চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ইত্যাদি নিয়ে সমাজের দৃষ্টি কেন কেবল ছাত্র রাজনীতির প্রতি? যুবকদের মধ্যে একই ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম ঘটে, কিন্তু কেন ছাত্র রাজনীতির ওপর অধিক চাপ? কারণ, যখন ছাত্ররা সংগঠিত হয়, তখন তারা নিজেদের অধিকার ও স্বার্থের জন্য লড়াই করতে সক্ষম হয়, যা সামাজিক পরিবর্তনের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। এই সংগঠিত ছাত্র সমাজের শক্তি নেতাদের জন্য একটি হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, কারণ তারা পরিবর্তনের পথে যাত্রা করলে অনেক বিদ্যমান রাজনৈতিক ও সামাজিক সুবিধা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ছাত্ররা যখন নিজেদের স্বার্থে সংগঠিত হয়, তখন তারা সৎ এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে সমাজে পরিবর্তন আনতে পারে, যা বিদ্যমান ক্ষমতাবলয়ে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই নেতাদের চাপে রাখতে ছাত্র রাজনীতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এবং নেতিবাচক মনোভাব তৈরি করা হয়, যাতে ছাত্রদের এই শক্তি ও ঐক্যকে নিঃশেষ করা যায়। ছাত্রদের সংগঠনের ক্ষমতা সমাজের জন্য একটি আশার আলোর প্রতিনিধিত্ব করে, যা কিছু মানুষের স্বার্থে বিপজ্জনক বলে বিবেচিত হতে পারে।
ছাত্র রাজনীতির অবক্ষয়ের একটি বড় কারণ হলো নেতাদের প্রতি অন্ধ অনুসরণ এবং বিপক্ষ দলের প্রতি বিরূপ মনোভাব। রাজনৈতিক শিক্ষার অভাব এবং সমালোচনার সুযোগের অভাব আমাদের ছাত্র সমাজকে একরোখা করে দিয়েছে, যা রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে সংকুচিত করেছে। যদি শুধুমাত্র মেধাবীরা বা ভালো রেজাল্ট করা ছাত্ররা রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে, তবে তা রাজনীতির সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি একধরনের স্বার্থবাদী সংস্কৃতি তৈরি করবে। সঠিকভাবে রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে হলে রাজনীতি সকলের জন্য উন্মুক্ত হওয়া জরুরি; অর্থাৎ, ছাত্র সমাজের সব স্তরের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। তদুপরি, আমাদের মনে রাখতে হবে যে, ব্যক্তির চেয়ে দল বড় এবং দলের চেয়ে দেশ বড়। এই ধারণা নিয়ে এগিয়ে আসতে পারলে, ছাত্র রাজনীতি আরও শক্তিশালী, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং গতিশীল হতে পারে। যখন ছাত্ররা নিজেদের স্বার্থের পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করবে, তখনই প্রকৃত পরিবর্তন আসবে, যা দেশের ভবিষ্যৎকে আরও আলোকিত করে তুলবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সম্মান থাকা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এটি একটি স্বাস্থ্যকর রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে সাহায্য করে। রাজনীতিতে সমালোচনা ও প্রতিযোগিতা স্বাভাবিক, কিন্তু এই প্রতিযোগিতা যদি বিদ্বেষপূর্ণ হয়ে ওঠে, তবে তা সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে। সম্মানের ভিত্তিতে আলোচনা ও সহযোগিতা প্রতিষ্ঠা করতে পারলে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ একে অপরের মতামতকে গুরুত্ব দিতে শিখবে, যা একটি ইতিবাচক ও নির্মল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। এতে করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সহযোগিতার মনোভাব প্রসারিত হবে এবং বিভিন্ন মতাদর্শের মানুষের মধ্যে সংলাপের সুযোগ তৈরি হবে। যখন রাজনৈতিক আলোচনার বিষয়বস্তু হচ্ছে পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতা, তখন তা জনগণের মধ্যে আস্থা তৈরি করবে এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নে সহায়ক হবে। সুতরাং, রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্মান এবং আলোচনার ভিত্তিতে কাজ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা সমাজের জন্য একটি সুস্থ ও স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে।
দোষ শুধু বড়দের নয়; ছাত্রদের মধ্যেও কিছু দোষ রয়েছে, যা মেনে নেয়া প্রয়োজন। ছাত্র সমাজের মধ্যে নিজেদের স্বার্থ এবং নৈতিকতা সম্পর্কে সচেতনতার অভাব দেখা দেয়। কবিতায় বলা হয়েছে, ‘আমরা যদি না জাগি মা কেমনে সকাল হবে?’ এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে পরিবর্তন আনার দায়িত্ব আমাদের ওপরই। আমাদের বিচার-বুদ্ধি এবং বিবেককে জাগ্রত করতে হবে; অন্যথায়, চলমান পরিস্থিতির মধ্যে আমরা মুখ থুবড়ে পড়বো। যদি ছাত্র নেতারা ধর্ষণ বা হত্যা মামলার আসামি হন, কিংবা টেন্ডারবাজির মতো অপরাধে লিপ্ত থাকেন, তাহলে তারা রাজনৈতিক মাঠে ভালো ছেলেদের আসতে বাধা দেবেন। ছাত্র রাজনীতিতে নৈতিকতা ফিরিয়ে আনতে হলে, ভালো ছাত্রদের নেতৃত্বে আসার সুযোগ দিতে হবে। যখন মেধাবীরা এবং সৎ মানুষ রাজনীতিতে যুক্ত হবে, তখন ছাত্র রাজনীতি কেবল একটি দলের দখলে থাকবে না; বরং তা একটি সুস্থ পরিবেশে রূপান্তরিত হবে, যেখানে সত্যিকারের পরিবর্তন সম্ভব। তাই, আমাদের দোষ চাপানো কিংবা বড়দের রাজনীতি বন্ধের কথা ভাবার পরিবর্তে নিজেদের দিকে তাকিয়ে সত্যিকার পরিবর্তনের জন্য সচেতন হতে হবে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে, অনেকেই চান না ছাত্র রাজনীতি ভালো পর্যায়ে আসুক, কারণ এর ফলে তাদের অসৎ উপায়ে উপার্জন ও চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ছাত্ররা হচ্ছে নির্মল আত্মার অধিকারী, যাদের রক্ত টগবগ করে ফুটছে; তাদের মাঝে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর আবেগটুকু জাগিয়ে দেয়ার প্রয়োজন। কিন্তু এই পরিবর্তন আনার দায়িত্ব কে নেবে? একই নেতা একাধিক গ্রুপকে লালন-পালন করছেন এবং গোপনে সব গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে অন্য গ্রুপের বিরুদ্ধে কথা বলছেন, যা ছাত্র সমাজকে বিভক্ত করে। অনেকেই বলেন, ছাত্র রাজনীতি ভালো ছেলেরা করে না, কিন্তু এটি পুরোপুরি সত্য নয়। ভালো ছেলেরা রাজনীতিতে আসলেও, তারা টিকতে পারছেন না, কারণ খারাপের সংখ্যা বেশি। নেতারা সাধারণত যোগ্যদের নেতৃত্বে আনার পরিবর্তে তাদের পছন্দের এবং আনুগত্যশীল লোকদের পদ দেন, যারা শুধুমাত্র তাদের গুণগান গায়। ফলে, প্রকৃত ভালো ছাত্রদের রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে দূরে রাখা হচ্ছে, যা ছাত্র রাজনীতির মান এবং উদ্দেশ্যকে খর্ব করে। এই অবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন, যাতে সৎ এবং মেধাবী ছাত্ররা নেতৃত্বে আসতে পারে এবং ছাত্র রাজনীতি একটি সৎ ও কার্যকর প্ল্যাটফরম হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
বর্তমান সময়ে ছাত্রদের ওপর চাপ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা তাদের সৃজনশীলতা ও আন্দোলনের ক্ষমতা ক্ষুণ্ন করছে। তবে, ছাত্র রাজনীতি যদি সঠিক পথে পরিচালিত হয়, তাহলে এটি শুধু ছাত্রদের জন্য নয়, পুরো সমাজের জন্য একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। ছাত্র সমাজের মধ্যে যদি আদর্শ ও নীতির ভিত্তিতে কাজ করার তাগিদ তৈরি হয়, তাহলে তারা নিজেদের কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করতে সক্ষম হবে এবং সামাজিক অসঙ্গতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করতে পারবে। পরিবর্তনের জন্য ছাত্র সমাজকে জাগ্রত হতে হবে, নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা ও সংহতি গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করলে তারা যেকোনো প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করতে পারবে। সুতরাং, ছাত্র রাজনীতি এক শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে, যা একটি উন্নত, ন্যায্য এবং সমৃদ্ধ সমাজ গঠনের পথে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।


About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এখনই লেবাননের সাথে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে আগ্রহী নয় ইসরাইল
শুক্রবার ইসরাইলের বিমান হামলায় লেবাননের সীমান্তবর্তী এলাকা সেবাতে একই পরিবারের নয় সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন অঞ্চলটির মেয়র মোহাম্মদ সাবা। তিনি বলেছেন, নিহতদের মধ্যে চার শিশুও রয়েছে। গত সোমবার থেকে এ পর্যন্ত ইসরাইলের হামলায় লেবাননে ছয় শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ইসরাইলের কিরইয়াত-আতার পার্শ্ববর্তী হাফিয়া অঞ্চলের ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে রকেট হামলার দাবি করেছে ইরান সমর্থিত যোদ্ধাগোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। লেবাননে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইসরাইলে এ রকেট হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটির যোদ্ধারা। তবে হিজবুল্লাহর হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ইসরাইলের প্রতিরক্ষাবাহিনী বেশ কয়েকটি রকেট ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেছে। তেল আবিবের বাহিনী বলছে, তাদের চারটি যুদ্ধবিমান লেবাননের সীমান্ত অতিক্রম করে সেখানে অভিযান চালিয়েছে।
ইসরাইল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে যে সংঘাত চলছে তা গত ১৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। মূলত ইসরাইলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ হিসেবে মধ্যেপ্রাচ্যে ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত সংগঠন হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি পার করছে মধ্যপ্রাচ্য। সেখানে গত প্রায় এক বছর ধরে হামাস এবং ইসরাইলের মধ্যে ব্যাপক যুদ্ধ চলছে। এর মধ্যেই গত সপ্তাহ থেকে হিজবুল্লাহর সাথে চরম সংঘর্ষে জড়িয়েছে ইসরাইল। এতে অঞ্চলটিতে সর্বাত্মক যুদ্ধের আশঙ্কা রয়েছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ ইতিমধ্যেই লেবানন সীমান্তে ২১ দিনের একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের আহ্বান জানিয়েছে। তারা জানিয়েছে এ বিষয়ে তারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে আলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধবিরতির আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রও রয়েছে বলে জানিয়েছে সিরিয়ার একটি গণমাধ্যম। যুক্তরাষ্ট্র এবং ফ্রান্সের এই প্রস্তাব নিয়ে ইসরাইলের মন্ত্রী ক্যাবিনেট আলোচনা করছে নেতানিয়াহু। শুক্রবার তিনি বলেছেন, সামনের দিনগুলোতেও এ আলোচনা চালিয়ে যাবে ইসরাইল।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিয়ানমারে জান্তার শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল বিদ্রোহীরা
বিদ্রোহীদের সাথে সম্মুখ লড়াইয়ে হিমশিম খাচ্ছে জান্তা বাহিনী। গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে ইতিমধ্যেই মিয়ানমারের অর্ধেকের বেশি অঞ্চল হারিয়েছে তারা। জুনে বিদ্রোহীদের একটি জোট চীন-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকা ইউনান প্রদেশের একটি মহা সড়কের পাশে জান্তাদের একটি ঘাঁটিতে ব্যাপক হামলা চালায়, পরে সেখান থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় জান্তার সেনারা। শান রাজ্যের দক্ষিণ-পশ্চিমের সীমান্তবর্তী লড়াই মিয়ানমার হয়ে ভারত মহাসাগরের সাথে সংযোগ করার চীনের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বেইজিংয়ের শীর্ষ কূটনীতিক ওয়াং ই গত মাসে মিয়ানমার সফরের সময় দেশটির শাসক মিন অং হ্লাইংকে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিদ্রোহী গ্রুপগুলোকে লক্ষ্য করে বৃহস্পতিবার জান্তা সরকার বিবৃতিতে বলেছে, তাদের স্থায়ী শান্তি, দলীয় রাজনীতি ও নির্বাচনের পথ অনুসরণ করা উচিত। গত তিন বছরের সংঘাতে মিয়ানমারের মানবসম্পদ, মৌলিক অবকাঠামোর ক্ষতি এবং বহু মানুষের প্রাণহানী ঘটেছে। কিন্তু বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো জান্তার এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা মনে করে জান্তার দেশ পরিচালনার নৈতিক কোনো অধিকার নেই। দেশকে যদি স্বাভাবিক রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের পথে এগিয়ে দেয়া হয় কেবল তখনই এসব শান্তি প্রস্তাবের কথা বিবেচনার কথা জানিয়েছে বিদ্রোহীরা।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেমন হবে নির্বাচনের দৃশ্যপট?
বিএনপি’র পক্ষ থেকে এরইমধ্যে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে দলটি ক্ষমতায় গেলে জাতীয় ঐকমত্যের সরকার গঠন করা হবে। একাধিক সূত্র বলছে, যুগপৎ আন্দোলনে যেসব দল ছিল নির্বাচনে বিএনপি সেসব দলকে গুরুত্ব দিবে। সরকার গঠন করলে সেসব দলকেই অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বিএনপি’র সম্ভাব্য জাতীয় সরকারে জামায়াতকে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা নেই বলে একাধিক সূত্র বলছে। জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি’র জোট নেই অবশ্য দীর্ঘদিন ধরেই। যদিও দল দু’টির মধ্যে কখনো কখনো পর্দার আড়ালে একধরনের যোগাযোগ ছিল। তবে ৫ই আগস্টের পর বিএনপি’র সঙ্গে জামায়াতের দূরত্ব বেশ বেড়েছে। দল দু’টির শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যই সমালোচনামূলক বক্তব্য রাখছেন।
বিএনপি’র সঙ্গে ঐক্য হবে না ধরে নিয়েই জামায়াত নিজেদের আগামী দিনের রাজনীতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইসলামপন্থি দলগুলোসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জামায়াত আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে অবশ্য খুব বেশি অগ্রগতি হয়নি। ইসলামপন্থি দলগুলোর মধ্যে যেমন জামায়াতকে নিয়ে প্রশ্ন আছে তেমনি এ ধরনের জোটের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। নতুন রাজনৈতিক দলগঠনে জামায়াতের ভেতরে-বাইরে আগে আলোচনা থাকলেও তা এখন অনেকটাই মিইয়ে গেছে। ক্যাম্পাসগুলোতে শিবির প্রকাশ্য হওয়ার চেষ্টা করছে। এ নিয়ে ছাত্রদলের সঙ্গে শিবিরের দূরত্ব বাড়তে পারে।
ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া নেতারা নতুন কোনো দল করেন কি-না সেটা অবশ্য এখনো স্পষ্ট নয়। সমন্বয়করা বলছেন, এখনই নতুন কোনো দল গঠনের চিন্তা তাদের নেই। তবে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দল গঠনের সম্ভাবনা তারা নাকচ করছেন না। এ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্টরা স্বীকার করছেন, রাজনৈতিক দলগঠন করা একটি বড় কর্মযজ্ঞ। তবে এ নিয়ে তাদের তৎপরতার খবর নানা সূত্রে জানা যাচ্ছে।
অনেক কিছুই ঝাঁপসা। তবে রাজনীতির এক ধরনের রূপচিত্র দেখা যাচ্ছে। যেটা ইঙ্গিত দেয় যে, বহুদিনের পুরনো অনেক সমীকরণই পাল্টে যেতে পারে। তবে রাজনীতিতে যেকোনো দৃশ্যপটই যে অভাবনীয়ভাবে বদলে যেতে পারে সেটা তো ৫ই আগস্টই দেখিয়ে গেল। কয়েকঘণ্টা আগেও খুব কম লোকই জানতেন শেখ হাসিনার সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাউথইস্ট ব্যাংকে ফিরলেন কাশেম, আজিম ও রেহানা
গত ৫ই আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রাস্টি পদ ফিরে পান এম এ কাশেম, আজিম উদ্দিন আহমেদ, রেহানা রহমানসহ ১২ জন ট্রাস্টি। তাদের ২০২২ সালের আগস্টে ট্রাস্টি বোর্ড থেকে বাদ দেয়া হয়। পদ ফিরে পাওয়ার পর আজিম উদ্দিন আহমেদ এরই মধ্যে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হয়েছেন।
এম এ কাশেম, আজিম উদ্দিন আহমেদ ও রেহানা রহমান নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ড থেকে বাদ পড়ার পরপরই সাউথইস্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকেও বাদ পড়েন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি পদ ফিরে পাওয়ার পর তারা এখন সাউথইস্ট ব্যাংকের পরিচালক পদও ফিরে পেলেন। এর মধ্যে এম এ কাশেম নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন। তিনি ব্যবসায়ী শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সাবেক সভাপতি।
বুধবার সাউথইস্ট ব্যাংকের ২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে চেয়ারম্যান আলমগীর কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চেয়ারম্যান আলমগীর কবির, বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান খান ও এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেন। আলমগীর কবির আর ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে না থাকারও ঘোষণা দেন। এজিএমে অংশ নেননি আঞ্জুমান আরা শহীদ। তিনিও পরিচালক পদ হারাচ্ছেন।
এজিএমে সাউথইস্ট ব্যাংক ২০২৩ সালের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে ৬ শতাংশ নগদ ও ৪ শতাংশ বোনাস শেয়ার বা স্টক লভ্যাংশ।
এদিকে ব্যাংকটির ওয়েবসাইট থেকে পরিচালকদের নাম সরিয়ে ফেলা হয়েছে। একজন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, পুরোনো তিন পরিচালক পর্ষদে যুক্ত হয়েছেন। বিভিন্ন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। সেটি সম্পন্ন হলেই ওয়েবসাইটে আবার পরিচালকদের নাম প্রকাশ করা হবে।
এজিএমে ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান আকিকুর রহমান, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এম এ কাশেম, সাবেক চেয়ারম্যান আজিম উদ্দিন আহমেদ, পরিচালক দুলুমা আহমেদ, জোসনা আরা কাশেম, রেহানা রহমান ও নাসির উদ্দিন আহমেদ; প্রতিনিধি পরিচালক রফিকুল ইসলাম, স্বতন্ত্র পরিচালক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নুরুদ্দীন মো. ছাদেক হোসাইন অংশ নেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিএনপি’র ৩ সংগঠনের যৌথ কর্মিসভা: কী বার্তা দেয়া হবে তৃণমূলে
সূত্রমতে, এই সফরে প্রত্যেক জেলায় দু’দিন কর্মসূচি পালন করা হবে। এরমধ্যে প্রথমদিন কর্র্মিসভা এবং দ্বিতীয়দিন ধানের শীষ সংবলিত লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ ও পথসভা করা হবে। প্রত্যেক জেলা, উপজেলা, থানা, ইউনিয়ন, পৌরসভা এবং ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে কর্মিসভা করা হবে। এর বাইরে ছাত্রদল আলাদাভাবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবে এবং তাদের মতামত জানবেন। শিক্ষার্থীদের সমস্যা সফরে থাকা নেতারা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করতে না পারলে তারা শীর্ষ নেতাদের পরামর্শ দেবেন। শীর্ষ নেতাদের পরামর্শ অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধান করবেন। এছাড়া তৃণমূলের নেতাদের কাউন্সিলিং করানো হবে। ধৈর্য ধরতে বলা হবে। কারণ বিএনপি’র সামনে এখনো অনেক সময় আছে।
এছাড়া ‘সাম্য ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণে’, ‘রক্তের বিনিময়ে এই বিপ্লব বৃথা যেতে দেব না, তারেক রহমান বীরের বেসে আসবে ফিরে বাংলাদেশে- এসব স্লোগানও স্থান পাবে কর্মসূচিতে। এসব তথ্য নিশ্চিত করে বিএনপি’র মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইতিমধ্যে যে সব কর্মসূচি বা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন, তারই অংশ হিসেবে এই তিন গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের সমন্বিত কর্মসূচি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে- এটা দীর্ঘমেয়াদি সমাজে একটা প্রভাব থাকবে। বিএনপি’র মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসানের যৌথ নেতৃত্বে একটি টিম যাবে বরিশাল, খুলনা ও ফরিদপুর বিভাগে। স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান ও ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল করিম পলের নেতৃত্বে আরেকটি টিম যাবে সিলেট, কুমিল্লা ও রাজশাহী বিভাগে। স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন ও ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদের নেতৃত্বে অপর আরেকটি টিম যাবে চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগে।
যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না মানবজমিনকে বলেন, এই সফরে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বার্তা তৃণমূলের পৌঁছে দেয়া হবে। বলা হবে, সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপ করলে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।
এছাড়া সাংগঠনিকভাবে দলকে সুসংগঠিত করার বার্তা দেয়া হবে। স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান মানবজমিনকে বলেন, ৫ই আগস্টের পর দেশি-বিদেশি যে ষড়যন্ত্র হয়েছে- এ বিষয়ে নেতাকর্মী ও জনগণকে সতর্ক থাকার বার্তা দেয়া হবে। যাতে তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এসব ষড়যন্ত্র রুখে দেন। পাশাপাশি আরও বেশি শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল সংগঠন গড়ে তুলতেই মূলত এই সফর।
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির মানবজমিনকে বলেন, এই সফরে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিশেষ বার্তা তৃণমূলে পৌঁছে দেয়া হবে। পাশাপাশি ছাত্র শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন। তারা কী চান, সে বিষয়ে তাদের মতামত নেয়া হবে। এছাড়া প্রত্যেক জেলায় সাংগঠনিক কাঠামো যাচাই-বাছাই করা হবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গণহত্যাকারীদের রাজনীতি করার কোন অধিকার নেই: ডা. শফিকুর রহমান
শুক্রবার সকালে নগরীর সোনাডাঙ্গাস্থ আল ফারুক সোসাইটিতে খুলনা মহানগর ও জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে রুকন সম্মেলনে বক্তৃতা করেন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
শিক্ষা সংস্কার কমিশনে আল্লাহকে স্বীকার করেন না এমন লোকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে জামায়াতের আমীর বলেন, শিক্ষা সংস্কার কমিশনে কমপক্ষে একজন আলিয়া ও একজন কওমী নেসাবের আলেমকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিডিআর বিদ্রোহের নামে ৫৭ জন চৌকস সেনা সদস্য হত্যাসহ দেশের সকল হত্যাকাণ্ড এবং এর মাস্টার মাইন্ডদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, তা’ না হলে আবারো জালিমদের আগমন হতে পারে, তৃতীয় শক্তির উদ্ভব হতে পারে।
রুকন সম্মেলনে জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, বিগত পনেরো বছরের আওয়ামী শাসনামলে রাষ্ট্রের কোন নাগরিকই লুটপাট ও জুলুমের বাইরে ছিল না। হাজারো মানুষের, মা-বোনদের, শিশুর কান্নার রোল আল্লাহর আরশে পৌঁছে গেছে। যার ফলেই জুলাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়।
আওয়ামী লীগের শাসনামলের চিত্র তুলে ধরে আমীরে জামায়াত বলেন, বিডিআর হত্যার মধ্যদিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের প্রথম ধাপ শুরু হয়। এরপর জামায়াতের ওপর স্টিম রোলার চালানো হয়। পর্যায়ক্রমে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি দিয়ে অথবা কারাগারে রেখে হত্যার মধ্যদিয়ে শেষ পর্যন্ত জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়। যারা সারাজীবন ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধেই ইসলাম অবমাননার কথিত অভিযোগ আনা হয়। কিন্তু ইতোমধ্যেই জামায়াতের বিরুদ্ধে অভিযোগকারীরা গ্রেফতার হতে শুরু করেছে। বর্তমান সরকার ওইসব ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের আওতায় এনে একটি বিচারিক কার্যক্রমের সূচনা করবে বলেও তিনি আশা করেন।
সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তৃতা করেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন। দারসুল কুরআন পেশ করেন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করেন, মহানগরী সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল ও জেলা সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুলিতে স্বামীর মৃত্যু, আড়াই বছরের সন্তানকে নিয়ে অসহায় স্ত্রী by ফাহিমা আক্তার সুমি
সুজনের বড় ভাই রফিকুল মানবজমিনকে বলেন, আমরা দুই ভাই পরিবার নিয়ে মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যানে ভাড়া বাসায় থাকতাম। ছোটবেলা থেকে ঢাকাতে বড় হয়েছি। আমি ভ্যানে করে আখের রস বিক্রি করি। ২০শে জুলাই রাতে একজন অপরিচিত ব্যক্তি ফোনে আমাকে ঘটনাটি জানায়। ওইদিন রাস্তায় ব্যাপক গোলাগুলির মধ্যে হাসপাতালে পৌঁছাতে আমার প্রায় দুইঘণ্টা লেগেছে। চারিদিকে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি ছিল। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে গিয়ে দেখি আমার ভাই আর বেঁচে নেই। পরিস্থিতি খারাপ থাকায় সুজনের মরদেহ গ্রামের বাড়ি ভোলাতে নিয়ে যাওয়ার জন্য এম্বুলেন্স ভাড়া করা কঠিন ছিল। কোথাও কোনো যানবাহন পাওয়া যাচ্ছিল না। কেউ কেউ যেতে রাজি হলেও অতিরিক্ত ভাড়া চাইলো। পরে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে একটি এম্বুলেন্স মেলে।
তিনি বলেন, এই ঘটনার পর সুজনের স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি চলে গেছে। সুজন ছিল আমাদের ৮ ভাই-বোনের মধ্যে ষষ্ঠ। তানিয়াদের পরিবারও অভাবগ্রস্ত। আমার ভাইয়ের স্ত্রী-সন্তানকে আমরাই দেখাশোনা করবো। গত ২২শে আগস্ট মোহাম্মদপুর থানায় এ ঘটনায় হত্যা মামলা করেছি। সুজনের মৃত্যুর পর তার ছোট্ট শিশুটি তেমন কিছু বুঝতে না পারলেও বাবাকে খুঁজতে থাকে। শুভ বড় হয়ে তার বাবার কথা জানতে চাইবে। এই অবুঝ শিশুটিকে আমরা কি জবাব দিবো? ভোলাতে বসবাস করেন নিহত সুজনের আরেক ভাই সুমন। তিনি সেখানে ট্রাকে মালামাল বহন করেন। সুমন বলেন, আমার ভাই সুজনের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী ও সন্তান গ্রামে চলে আসে। আমরা সবাই একসঙ্গে বসবাস করি। আমার বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকে। সুজনের অবুঝ ছেলেটি বুঝতে না পারলেও ওর বাবাকে খোঁজে। সারাদিন বাবা বাবা করে। কেউ বাবার কথা জানতে চাইলে বলে, ‘বাবা গাড়িতে আছে।’ কাজ শেষে আমি ঘরে আসলে আমাকে বাবা বলে ডাক দেয়। বাবাকে ভুলিয়ে রাখতে মাঝে মাঝে বাজারে নিয়ে যাই। তিনি বলেন, সুজন না থাকলেও আমরা চেষ্টা করছি তার স্ত্রী সন্তানকে ভালো রাখার। সুজনের স্ত্রীর বয়স খুব একটা বেশি না। তার বাবা মকবুল অসুস্থ। মায়েরও বয়স হয়েছে। অবুঝ সন্তানটির মুখের দিকে তাকালে আমার ভাইয়ের চেহারা মনে পড়ে। ছোট ছেলেটির তার বাবার জন্য মন খারাপ হয় বুঝতে পারি। এই অবুঝ শিশুটিকে শান্ত্বনা দেয়ার ভাষা আমাদের নেই।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে এই প্রথম তাইওয়ান প্রণালীতে ঢুকে পড়ল জাপানি যুদ্ধজাহাজ
ঘটনাচক্রে, তিনটি দেশই আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ‘আমেরিকার ঘনিষ্ঠ’ এবং ‘চীন বিরোধী’ হিসাবে পরিচিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্রের বরাত দিয়ে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, জাপানি যুদ্ধজাহাজটি তাইওয়ান প্রণালী অতিক্রম করার সময় এটিকে পর্যবেক্ষণে রেখেছে চীনা সামরিক বাহিনী। প্রসঙ্গত একই দিনে চীন প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে পরীক্ষা করে । যুক্তরাষ্ট্র এবং তাইওয়ান উভয়ই বলেছে যে, 'তাইওয়ান প্রণালী' একটি প্রধান শিপিং এবং বাণিজ্যিক সমুদ্রপথ। এটি আন্তর্জাতিক জলসীমার অংশ এবং সব ধরনের নৌ জাহাজের জন্য উন্মুক্ত। তবে প্রণালীর সার্বভৌমত্ব ও এখতিয়ার দাবি করা বেইজিং এর সঙ্গে একমত নয়। কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরই ছিল একমাত্র বিদেশি নৌবাহিনী যারা নিয়মিত এই প্রণালী অতিক্রম করত। তবে সম্প্রতি এর সঙ্গে যোগ দিয়েছে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, বৃটেন ও ফ্রান্স। দুই সপ্তাহ আগে জার্মানি কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো এই প্রণালী দিয়ে নৌবাহিনীর দুটি জাহাজ চালিয়েছে। গত সপ্তাহে, প্রথমবারের মতো চীনের লিয়াওনিং বিমানবাহী জাহাজ তাইওয়ানের কাছে দুটি জাপানি দ্বীপের মধ্যে যাত্রা করেছিল। এর সঙ্গে ছিল দুটি ডেস্ট্রয়ার। বেইজিং, তাইওয়ানকে তার ভূখণ্ডের অংশ হিসাবে দেখে, পানির উপরও তারা এখতিয়ার দাবি করে আসছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য অনেক দেশের মতে, তাইওয়ান প্রণালীতে এই ধরনের টহল অনুশীলন স্বাভাবিক ঘটনা ।
সূত্র : dw

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাকিবের অবসরে কী বলছে বিশ্ব সংবাদমাধ্যম
ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার খেলার পাতায় সাকিবের টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের বিষয়টিকে শিরোনাম করে বিস্তারিত লিখেছে। সেখানে আছে সাকিবের সংবাদ সম্মেলনের খুঁটিনাটিও। পত্রিকাটি শিরোনাম করেছে এভাবে- ‘দেশের মাটিতে বিদায়ী টেস্ট খেলতে নিরাপত্তা চেয়েছেন সাকিব আল হাসান।’ খবরটিতে লেখা হয়েছে, সাকিবের বিরুদ্ধে দেশে খুনের মামলা আছে। তিনি আওয়ামীলীগ সরকারের একজন সাংসদ ছিলেন। এসব কারণেই তার দেশে প্রবেশ করার ক্ষেত্রে জটিলতার তৈরি হয়েছে।
খেলা হচ্ছে যে কানপুরে, সেখানকার স্থানীয় পত্রিকা ‘দৈনিক জাগরণ’ হিন্দি ভাষায় লিখেছে, ‘বাংলাদেশকে সাব-সে বড়া ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকো ঘর লটনে লাগ রাহা-হে ডার’ অর্থাৎ ‘দেশে ফিরতে ভয় পাচ্ছেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রিকেটার’। সাকিব দেশে ফেরার জন্য নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চেয়েছেন বলেও জানায় সংবাদমাধ্যমটি।
দেশে ফিরে আগামী অক্টোবরের দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ না খেলতে পারলে কানপুর টেস্টই হতে পারে সাকিবের শেষ, এ বিষয়ে শিরোনাম করে খবর প্রকাশ করেছে আরেক ভারতীয় ইংরেজি দৈনিক দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। আরেক ইংরেজি দৈনিক দ্য ইকোনমিকমস শিরোনাম করেছে ‘অবসরের ঘোষণা দিয়ে বোমা ফাটিয়েছেন সাকিব।’
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা লিখেছে, ২০২৫ সালের মার্চে অবসর নিচ্ছেন সাকিব। খবরে সাকিবের নামে হত্যা মামলার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। রয়টার্স সাকিবের অবসরকে উল্লেখ করেছে ‘বিস্ফোরক’ হিসেবে। ক্রিকেট বিষয়ক ম্যাগাজিন উইজডেনে উঠে এসেছে সাকিবের নিরাপত্তা ইস্যুর কথা।
পশ্চিমবঙ্গের শীর্ষ গণমাধ্যম ‘আনন্দবাজার’ তাদের অনলাইনে সাকিবকে নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশ করেছে। ‘দেশের হয়ে আর টি-২০ খেলবেন না শাকিব, কানপুরে কি শেষ টেস্টও খেলবেন বাংলাদেশের তারকা?’ এরপর বিসিবি সভাপতি ফারুক হোসেনের বক্তব্য নিয়ে আরেকটি সংবাদ প্রকাশ করেছে গণমাধ্যমটি। সেখানে লিখেছে, ‘শেষ টেস্ট মিরপুরে খেলতে চান শাকিব, নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।’
পাকিস্তানের শীর্ষ পত্রিকা ‘ডন’ লিখেছে, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক সাকিব’। দেশটির আরেকটি গণমাধ্যম ‘জিও নিউজ’ লিখেছে, ‘অবসরের ঘোষণা দিলেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক সাকিব।’ ‘দ্য গ্লোাসলি মিস আন্ডার্সটুড মাভেরিক্স’ সাকিবের অবসরের শিরোনাম দিয়েছে ভারতের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য প্রিন্ট’। সাকিবের ক্যারিয়ারকে তারা অনিল কাপুর অভিনীত ‘নায়ক’ সিনেমার সঙ্গে তুলনা করেছে।
‘সাকিব মে টেস্ট ম্যাচ সে লিয়ে সন্ন্যাস কী ঘোষণা’- এমন শিরোনাম দিয়েছে উত্তর প্রদেশের আঞ্চলিক পত্রিকা দৈনিক ‘আজ’। অর্থাৎ সাকিব টেস্ট ম্যাচ থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছে। পত্রিকাটি খেলার পাতায় সাকিবের ছবিসহ বটম লিড করেছে। ‘সাকিব আল হাসানমে কিয়া রিটায়ারমেন্ট কি এলান, কানপুর টেস্ট হো স্যাক্তা হায় আখেরি রেডবলগেইম’- এমন শিরোনাম দিয়েছে উত্তরপ্রদেশসহ কয়েকটি রাজ্যে প্রকাশ হওয়া আঞ্চলিক পত্রিকা ‘হিন্দুস্থান’।
ভারতের জাতীয় দৈনিক ভাষ্কর শিরোনাম দিয়েছে, ‘সাকিব আল হাসাননে রিটায়ারমেন্ট কা অ্যানাউন্স কিয়া কাহা বাংলাদেশ নেহি লট সাকা তু, কানপুর টেস্ট আখেরি হোগা।’ অর্থাৎ ‘সাকিব আল হাসান অবসরের ঘোষণা দিয়েছে, সে বলেছে বাংলাদেশে যেতে না পারলে কানপুর শেষ ম্যাচ হবে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাঁচের বোতলে ২০০ বছরের পুরোনো বার্তা!
ব্লন্ডেল বলছেন, ‘আমরা জানতাম এখানে অতীতে খননকাজ হয়েছে, কিন্তু ২০০ বছর আগে থেকে এই বার্তাটি খুঁজে পাওয়া ... এটি একটি সম্পূর্ণ বিস্ময়কর ছিল। কখনও কখনও এই টাইম ক্যাপসুলগুলো খননকার্যের সময় আমাদের হাতে চলে আসে, যা সত্যিই অবিশ্বাস্য। প্রত্নতত্ত্বে এটি খুব বিরল’।
পৌরসভার রেকর্ডগুলো নিশ্চিত করে যে, পিজে ফেরেট 'সাইট দে লাইমস সাইটে ২০০ বছর আগে প্রথম খননকার্য চালিয়েছিলেন। প্রত্নতাত্ত্বিক এবং ইতিহাসবিদ উভয়ই এই আবিষ্কারে উত্তেজিত এবং মুগ্ধ। বার্তাটি গৌলিশ গ্রামের ইতিহাসের পাশাপাশি উনিশ শতকের প্রথম দিকে ব্যবহৃত প্রত্নতাত্ত্বিক পদ্ধতির দিকে অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করতে পারে।
ব্লন্ডেল জানাচ্ছেন, গবেষণার পর দেখা গেছে এটা ছিল একধরনের সুগন্ধির বোতল যা সেইসময়ে নারীরা ব্যবহার করতেন।
সূত্র : এনডিটিভি

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1400)
- ► 2025 (3281)
-
▼
2024
(2551)
-
▼
September
(772)
-
▼
Sep 28
(14)
- ভারতে কথিত বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, অভিযোগ তিনি পর্নো...
- বন্দুকের গুলি উপেক্ষা করে তরুণরা বুক পেতে দাঁড়িয়েছ...
- ক্ষুদ্র ঋণের প্রেক্ষাপট ও প্রতিহিংসার সুদ বিতর্ক b...
- ছাত্র রাজনীতি কেন বন্ধ হচ্ছে? by মাহবুব নাহিদ
- এখনই লেবাননের সাথে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে আগ্রহী নয়...
- মিয়ানমারে জান্তার শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল...
- কেমন হবে নির্বাচনের দৃশ্যপট?
- সাউথইস্ট ব্যাংকে ফিরলেন কাশেম, আজিম ও রেহানা
- বিএনপি’র ৩ সংগঠনের যৌথ কর্মিসভা: কী বার্তা দেয়া হব...
- গণহত্যাকারীদের রাজনীতি করার কোন অধিকার নেই: ডা. শফ...
- গুলিতে স্বামীর মৃত্যু, আড়াই বছরের সন্তানকে নিয়ে অস...
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে এই প্রথম তাইওয়ান প্রণালীত...
- সাকিবের অবসরে কী বলছে বিশ্ব সংবাদমাধ্যম
- কাঁচের বোতলে ২০০ বছরের পুরোনো বার্তা!
-
▼
Sep 28
(14)
-
▼
September
(772)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...