Sunday, April 5, 2015
যিশুর পুনরুত্থান মহোৎসব by ফাদার প্যাট্রিক গমেজ
পাস্কা: হিব্রু শব্দ পাস্কা মানেই হলো পেরিয়ে যাওয়া বা পার হয়ে যাওয়া। যিশুর পুনরুত্থান পাপের ওপর বিজয় এনেছে। মানুষকে পাপ থেকে মুক্ত করেছে। এই অর্থে আজকের এই মহোৎসবের নাম পাস্কা। যিশুর পুনরুত্থানে মানুষের জীবনে উষার আলোর উদয় হয়েছে। তাই এই পর্বের নাম ইস্টার।
ইস্টারের বড় মোমবাতি: বস্তুত শনিবার রাত থেকেই এই নবজীবনের মহোৎসব শুরু হয়। শনিবার রাতে নিস্তার জাগরণী উপাসনায় যিশুর পুনরুত্থান ঘোষণা করা হয় এবং সবাই মেতে ওঠে পুনরুত্থানের আনন্দে। জ্বালানো হয় পুনরুত্থানের প্রদীপ, এক বিরাট আকারের মোমবাতি, যা ঘোষণা করে যিশুর পুনরুত্থান মানুষের জীবনে এনেছে নতুন আলো, নতুন জীবন; যিশুর পুনরুত্থান দূরীভূত করেছে পাপের অন্ধকার; মানুষ মৃত্যুঞ্জয়ী যিশুখ্রিষ্টের সঙ্গে হয়েছে একীভূত। আজকের এই মহোৎসব আলোর মহোৎসব। এই উৎসব আমাদের সবাইকে আলোকিত মানুষ হয়ে, যিশুর সঙ্গে পুনরুত্থিত হয়ে তাঁর আলোতে উদ্ভাসিত হতে আহ্বান জানায়।
একটি আহ্বান: পুনরুত্থিত বা আলোকিত জীবনের দৃশ্যনীয় বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী হতে পারে? যেখানে আছে মিলন ও ভ্রাতৃত্ব, যেখানে আছে শান্তি, যেখানে ঝগড়া-বিবাদ নয় বরং আছে ক্ষমা, যেখানে আছে সরলতা ও স্বচ্ছতা, যেখানে নেই ধর্ষণ বা মানব-নিধন, যেখানে নেই কোনো ধর্মীয় গোঁড়ামি, যেখানে নেই মিথ্যার ছড়াছড়ি, সেখানেই তো নবজীবন, পুনরুত্থিত জীবন। আসুন, অন্ধকারের সব কার্যকলাপ পরিত্যাগ করে আমরা প্রত্যেকেই হয়ে উঠি আলোকিত মানুষ; আমাদের পরিবারকে, আমাদের সমাজকে, ব্যাপক পরিসরে আমাদের দেশকে করে তুলি আলোকিত। আজকের এই ইস্টার বা পুনরুত্থান পর্ব এমন অন্ধকারের জীবন থেকে বের হয়ে বাংলার মানুষকে আলোর রাজ্যে আসার আহ্বান জানায়।
বাংলার মানুষের মিলনের কৃষ্টি: বাংলাদেশের মানুষ ঐতিহ্যগতভাবেই শান্ত মানুষ; ঐতিহ্যগতভাবেই আমাদের দেশের মানুষ মিলনের কৃষ্টির মানুষ; হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান একত্রে বাস করে আসছে যুগ যুগ ধরেই। অতএব আমাদের শক্তি আছে এই মূল্যবোধগুলো নিয়ে পাপময় বাস্তবতাগুলোর ওপর জয় করে পুনরুত্থিত মানুষে পরিণত হওয়া। আর এ প্রসঙ্গে যিশুর পুনরুত্থান আমাদের প্রত্যেকের জন্য পাপের ওপর বিজয়ী হওয়ার একটি বড় চেতনা ও প্রেরণা। পুনরুত্থান মহোৎসবের এই চেতনা-প্রেরণা শুধু খ্রিষ্টবিশ্বাসীদেরই নয়, এই মহোৎসবের আবেদন, তাগিদ ও এর আহ্বান সর্বজনীন।
পাস্কা ও বাংলা নববর্ষ: অত্যন্ত মজার দিকটা হলো, এ বছর পয়লা বৈশাখ ১৪ এপ্রিল; অর্থাৎ এই পাস্কা বা ইস্টার সানডের একটি সপ্তাহ পরেই। নববর্ষ তো নতুন জীবনই ঘোষণা করে। নতুনকে স্বাগত জানিয়ে সেদিন গেয়ে উঠব: এসো হে বৈশাখ, এসো এসো। একইভাবে আমরা এই পুনরুত্থান উৎসবে নতুন জীবনকে স্বাগত জানাই। আমাদের জীবন ঘোষণা করুক যে আমরা কথায়, কাজে, আচরণে, সম্পর্কে, ধর্মীয়, সামাজিক এমনকি রাজনৈতিক অঙ্গনে হয়েছি নতুন।
উৎসবে আন্তধর্মীয় আমেজ: আজ নতুন সাজে খ্রিষ্টবিশ্বাসী সবাই পুনরুত্থানে তথা উপাসনায় অংশ নেবে। গির্জাঘর থাকে খ্রিষ্টভক্ত দিয়ে পূর্ণ। উপাসনা বা নামাজের পরেই চলে আপন আপন কৃষ্টিতে ইস্টারের শুভেচ্ছা বিনিময়। ঘরে ঘরে আজ আয়োজন করা হয় দই-চিঁড়া-মুড়ি-মুড়কির মতো হরেক রকম মুখরোচক আহার সামগ্রী। এতে অংশ নেবে ঘরের সবাই, পাড়া-প্রতিবেশী সবাই। এই আসরে অনেক সময়ই নিমন্ত্রিত হয় হিন্দু-মুসলিম ভাইবোনেরাও। শুভেচ্ছা জানায় তারাও। এভাবেই প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি পরিবার, প্রতিটি সমাজ, প্রতিটি ধর্মের মানুষ তথা গোটা বাংলাদেশ নতুন হয়ে ওঠে আন্তধর্মীয় আমেজে এই ইস্টার উৎসবে।
বড় আক্ষেপ: এই আনন্দের দিনেও একটি আক্ষেপ! ইস্টার তথা যিশুর পুনরুত্থান-রহস্য খ্রিষ্টধর্মের একটি প্রধান ধর্মীয় বিষয়, ধর্মীয় অনুষ্ঠান। খ্রিষ্টীয় বিশ্বাসের ভিত্তিই হলো যিশুর এই পুনরুত্থান। অন্যান্য ধর্মের যেমন প্রধান প্রধান ধর্মীয় পূজা বা ঈদ রয়েছে, ইস্টার তেমনিই একটি মুখ্য খ্রিষ্টীয় ধর্মীয় মহোৎসব। পরিতাপের বিষয়, দিনটি ছুটির দিন নয়। এই দিনটিতে খ্রিষ্টবিশ্বাসীরা মুক্ত ধারায় মহোৎসবটি পালন করতে পারছে না। এমনকি এই দিনটিতেই ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষার তারিখও পড়ে যায়। দেশের সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ ব্যক্তিরা বিষয়টি বিবেচনায় আনবেন, এটি আমাদের প্রত্যাশা। এই ইস্টারেও খ্রিষ্টবিশ্বাসী আমাদের সবার বিনম্র অনুরোধ যে এই দিনটিকে ঐচ্ছিক নয় বরং সাধারণ ছুটি হিসেবে অনুমোদন দিলে পুনরুত্থান রোববারে মুক্ত মন নিয়ে খ্রিষ্টান ছাত্রছাত্রীরা, চাকরিজীবীরা অর্থাৎ সব পর্যায়ের খ্রিষ্টান নারী-পুরুষ গির্জায় যেতে পারবে এবং পারিবারিক, সামাজিক, কৃষ্টিগত ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবে; সর্বোপরি সর্বজনীনভাবে খ্রিষ্টবিশ্বাসের কেন্দ্রীয় রহস্যভিত্তিক এই মহোৎসবটি সবার কাছেই সর্বাধিক গুরুত্ব পাবে, পরিচিত হবে।
হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান—সবার প্রতি রইল শুভ পাস্কা পর্বের প্রীতিপূর্ণ শুভেচ্ছা। পুনরুত্থিত যিশুর শান্তি ও আনন্দ সবার ঘরে ঘরে বিরাজ করুক। শুভ পাস্কা, শুভ পুনরুত্থান।
ফাদার প্যাট্রিক গমেজ: ক্যাথলিক ধর্মযাজক, রাজশাহী ক্যাথলিক ডায়োসিস, আহ্বায়ক আন্তধর্মীয় সংলাপ কমিশন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদা ঘরে ফিরেছেন, গণতন্ত্রও ফিরে আসুক by সোহরাব হাসান
![]() |
| বিএনপি জোটের অবরোধে পেট্রলবোমায় দগ্ধ ব্যক্তিদের পাশে স্বজনের আহাজারি। ছবি: প্রথম আলো |
এরই মধ্যে ১৫ লাখ শিক্ষার্থীকে এসএসসি পরীক্ষার হলে বসতে হয়। ১ এপ্রিল থেকে শুরু হয় এইচএসসি পরীক্ষা। এরই মধ্যে জীবনের ঝুঁকি দিয়ে শ্রমজীবী মানুষকে ঘরের বাইরে বেরোতে হয়। কাজ করতে হয়। কিন্তু তাঁরা সবাই ঘরে ফিরে আসতে পারেননি। অনেকেই পেট্রলবোমার ঘায়ে দগ্ধ হয়ে জীবন দিয়েছেন কিংবা এখনো হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছেন।
কিন্তু পেট্রলবোমায় পুড়িয়ে মারা কিংবা বন্দুকযুদ্ধে নিহত মানুষের সারি আমাদের পাষাণ রাজনীতিকদের চৈতন্যোদয় ঘটাতে পারেনি। সরকার ও বিরোধী পক্ষের অবস্থানটি ছিল এ রকম: মানুষ মরুক, দেশ গোল্লায় যাক, অর্থনীতি ধ্বংস হোক, কিন্তু তাদের আমিত্ব বজায় রাখতেই হবে। এভাবে জানুয়ারি পেরিয়ে ফেব্রুয়ারি। ফ্রেব্রুয়ারি পেরিয়ে মার্চ। কিন্তু নিজ নিজ অবস্থান থেকে কারও সরে আসার লক্ষণ নেই। মানুষ যারপরনাই হতাশ, বিচলিত ও বিক্ষুব্ধ। সবার প্রশ্ন: এভাবে কত দিন চলবে?
এরই মধ্যে তিন সিটি করপোরেশনের (ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম) নির্বানের তফসিল ঘোষণা করা হয়। রাজনৈতিক দলগুলো নড়ে-চড়ে বসে। কোথায় যেন একটি সমঝোতার ক্ষীণ আভাস পাওয়া যায়। বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিবেশ পেলে তারা নির্বাচনে যেতে রাজি আছে। সরকারের তরফেও কিছুটা নমনীয়তা লক্ষ করা যায়। মন্ত্রীরা মুখে যতই বলেন খালেদা জিয়াকে জেলখানার ভাত খেতে হবে, বাস্তবে আদালতের পরোয়ানা থানায় পৌঁছায় না। এরপর দ্রুত কতগুলো ঘটনা ঘটতে থাকে। বিএনপি নেতারা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেন। নির্বাচন কমিশনে গিয়ে নিজেদের দাবিদাওয়া পেশ করেন।
এরপর গত শুক্রবার বিএনপির নয়াপল্টনের অফিসের সামনে থেকে পুলিশি প্রহরা তুলে নেওয়া হয়। গত শনিবার রাতে বিএনপি নেতারা গিয়ে অফিসের তালা খুলে দেন। খালেদা জিয়া রোববার সকালে আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন এবং সরকার নিযুক্ত আইনজীবীও তাঁর জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন না। এরপর খালেদা জিয়া জামিন নিয়ে অফিসে না গিয়ে ফিরোজায় ফিরে যান। ফিরোজা মানে ‘আকাশ-নীল’; সৌন্দর্য ও স্নিগ্ধতার প্রতীক।
এর আগেরবার খালেদা জিয়া যখন আদালতে গিয়েছিলেন, তখন ঢাকা শহরে লঙ্কাকাণ্ড ঘটিছিল। সেই কাণ্ডে সরকারদলীয় সাংসদ জখম হয়েছিলেন। ছাত্রদলের কর্মীদের বেধড়ক পিটিয়েছিলেন সরকারদলীয় কর্মীরা। আদালত প্রাঙ্গণে দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছিল।
কিন্তু এবারে কোনো অঘটন ঘটেনি। আইন নিজস্ব গতিতে চলেছে। সবাই আদালতের আদেশ মেনে চলবেন, এটাই স্বাভাবিক। মত ও পথের ভিন্নতা সত্ত্বেও রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীরা একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবেন। যাঁর যাঁর সীমা মেনে চলবেন। যে জনগণের জন্য তাঁরা রাজনীতি করেন, সেই জনগণকে জিম্মি করবেন না। আগুনে পুড়িয়ে মারবেন না। রাজনৈতিক বিরোধীকে গুম করবেন না। এটাই রাজনীতি। এটাই গণতন্ত্র।
খালেদা জিয়া ঘরে ফিরে গেছেন। এবার গণতন্ত্রও ‘ঘরে’ ফিরে আসুক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চা-পল্লিতে উৎসবের আমেজ by উজ্জ্বল মেহেদী
![]() |
| আসছে পয়লা বৈশাখ। চলছে কেনাকাটা। সিলেটের লাক্কাতুরা চা-পল্লিতে ফেরিওয়ালাদের কাছ থেকে শাড়ি কিনছেন নারী চা-শ্রমিকেরা। ছবিটি গতকাল সকালে তোলা l আনিস মাহমুদ |
এ কেনাকাটা চা-পল্লির গণ্ডি পেরিয়ে নয়, কিংবা যেতে হচ্ছে না কোনো হাটেও। চা-পল্লিতে বসেই চলছিল নানা রঙের শাড়ি, রঙিন ছাপ দেওয়া পোশাকের কেনাকাটা। সকালে ঠেলাগাড়ি করে এক গাদা পোশাক নিয়ে চা-পল্লিতে ঢুকতেই খুব বেশি হাঁকডাক দেওয়ার প্রয়োজন পড়েনি বিক্রেতার। তাঁকে ঘিরে ধরলেন চা-পল্লির বাসিন্দা নারীরা। দামও তেমন চড়া নয়। প্রতিটি ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা। ফলে বেশ জমে ওঠে কেনাবেচা।
লাক্কাতুরা চা-বাগানের দৃশ্য এটি। সিলেট নগরের উপকণ্ঠের চা-বাগান। গতকাল শনিবার সকালবেলা কয়েকটি চা-পল্লি ঘুরে দেখা গেল, নতুন বছরকে বরণ করতে সাধ্যমতো প্রস্তুতি চলছে ঘরে ঘরে। নতুন বছর বরণের উৎসবের একটি অনুষঙ্গ নতুন কাপড় কেনাকাটা। ফলে বেচাকেনা ভালোই হয়। সেই আসাতেই সকালবেলা ঠেলাগাড়ি নিয়ে লাক্কাতুরা চা-বাগানের পল্লিতে নতুন কাপড় নিয়ে এসেছিলেন ফেরিওয়ালা আজমল মিয়া।
আজমল জানালেন, উপলক্ষ বৈশাখ হওয়ায় বৈশাখী সাজের উপযুক্ত শাড়ি থেকে শুরু করে ছোটদের কাপড়ও নিয়ে এসেছেন তিনি। দামও রাখছেন হাটের কাপড় থেকে কম। এ কারণে চা-পল্লিতে প্রবেশ করতেই প্রচুর ক্রেতা এসেছেন কেনাকাটা করতে। কেউ কেউ আবার পছন্দের শাড়ির জন্য আগাম বায়নাও দিয়েছেন।
দিনমান শ্রম-ঘামের জীবন চা-শ্রমিকদের। বৈশাখ যেন এক নতুনের আনন্দ এনে দেয় একঘেয়ে জীবনে। লাক্কাতুরা চা-বাগানে বৈশাখকে বরণ করার জন্য প্রতিবছরই জমজমাট আয়োজন করা হয়। এই উৎসব শুরু হয় চৈত্রের শেষ দিন থেকে। চৈত্রসংক্রান্তিতে হয় চড়কপূজা। সিলেটের চা-বাগানগুলোর মধ্যে কেবল লাক্কাতুরা চা-বাগানেই চড়কপূজা ঘটা করে উদ্যাপিত হয়। সিলেট শহরতলির বিমানবন্দর সড়কের উভয় দিক তখন উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। চড়কপূজার আয়োজনে পুরো চা-বাগান যেন উৎসবে মাতে। পরের দিন হয় নববর্ষ বরণের বৈশাখী উৎসব।
চড়কপূজার সঙ্গে বৈশাখ বরণ করার উৎসব উদ্যাপনে চা-পল্লির তরুণেরা অগ্রণী ভূমিকা রাখেন বলে জানান ‘বাংলাদেশ চা-ছাত্র যুব পরিষদ’ সিলেটের আহ্বায়ক বিকাশ রঞ্জন দাস। লাক্কাতুরায় তিনটি টিলার মাঝখানে ফাঁকা চত্বরে চড়কপূজা হয়। এ উপলক্ষে ওই চা-বাগানসহ আশপাশ এলাকার বিভিন্ন চা-বাগানের শ্রমিক পরিবারগুলোর মধ্যে যেন মিলনমেলা বসে। এর আনন্দে নতুন কাপড়চোপড় কেনাকাটা চলছে। চা-বাগানের শ্রমজীবী পরিবারগুলোতে বছরজুড়ে শ্রম থেকে কিছু টাকা সঞ্চয় করার রেওয়াজ প্রচলিত রয়েছে। সারা বছরের সেই সঞ্চয়ের অর্থেই রঙিন হয়ে ওঠে চা-পল্লির মানুষগুলোর বৈশাখী উৎসব।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিন মাসের আন্দোলন ফল শূন্য? by রিয়াদুল করিম
গত ৩ জানুয়ারি থেকে টানা ৯২ দিন গুলশানে নিজের কার্যালয়ে অবস্থানের পর আজ রোববার নিজের বাসভবনে ফিরে গেছেন খালেদা জিয়া। একতরফা জাতীয় নির্বাচনের এক বছরের মাথায় গত ৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালনের ঘোষণা দিয়েছিল বিএনপি। পুলিশের বাধায় সে কর্মসূচিতে যেতে না ৬ জানুয়ারি থেকে লাগাতার অবরোধের ঘোষণা দেন খালেদা জিয়া। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের ডাকে টানা অবরোধের তিন মাস পূর্ণ হয়েছে আজ। দেশে টানা এত দিন ধরে এ ধরনের কর্মসূচি পালনের আর কোনো নজির নেই। এখনো অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হয়েছে। অবশ্য গত প্রায় এক মাস দেশে অবরোধের কার্যকারিতা নেই বললেই চলে।
তিন মাসের আন্দোলনের মূল্যায়ন জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এটি খুব জটিল। বিএনপির সামনে কোনো পথ খোলা ছিল না বলেই আন্দোলনে গেছে। আন্দোলন এখনো চলছে। আন্দোলন পুরোপুরি সফল না হলেও এখন পর্যন্ত কোনো অর্জন যে হয়নি তা নয়। বিএনপি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জানান দিতে পেরেছে যে, দেশে একটি সংকট চলছে। আন্দোলনে নাশকতার বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে শুরু থেকেই বলা হয়েছে, জ্বালাও-পোড়াও-এর সঙ্গে বিএনপি জড়িত নয়। কোনো অপশক্তি এর সঙ্গে জড়িত।
অবশ্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির অপর একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপির আন্দোলনের ফল এখন পর্যন্ত শূন্য। তিনি মনে করেন, বিএনপির সঙ্গে ব্যাপক জনসমর্থন থাকলেও দল গণ-আন্দোলন তৈরি করতে পারছে না। আর এটাও দলের অনেক নেতা বুঝতে চাচ্ছেন না যে, জনসমর্থন আর গণ-আন্দোলন এক না। যার ফলে আন্দোলনের কৌশল সঠিক হচ্ছে না বলে তিনি মনে করেন। বর্ষীয়ান ওই নেতা বলেন, ঢাকায় আন্দোলন না হলে সারা দেশে কী হলো না হলো তার তেমন কোনো প্রভাব পড়ে না। এ তিন মাসের আন্দোলন রাজনীতির একটি বড় ‘শিক্ষা’ হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার কার্যালয় থেকে বাসায় ফিরে যাওয়া, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ-এসবের ফলে মানুষ মনে করছে বিএনপির আন্দোলন শেষ হয়ে গেছে। এক ধরনের স্বস্তিও পাচ্ছে মানুষ।
বর্তমানে খালেদা জিয়ার আদালতে হাজির হওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করা-এ বিষয়গুলোকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বিএনপি। জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, যে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি ছিল, তাতে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে। জানি না এ স্বস্তি কতদিন থাকবে। তবে আজ যা হয়েছে তা ইতিবাচক।
বিএনপির সূত্র জানায়, তারা সরকারের আচরণ পর্যবেক্ষণ করছে। দলটি ঢাকা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিয়েছে। হার-জিত যাই হোক বিএনপি এ নির্বাচনে লাভবান হবে। টানা আন্দোলনে দলের নেতা-কর্মীরা ক্লান্ত। নেতা-কর্মীদের বেশির ভাগই আছেন আত্মগোপনে। আন্দোলন কার্যকারিতা হারিয়েছে। এ অবস্থায় হুট করে আন্দোলন থেকে পিছু হটাও হবে বড় রাজনৈতিক পরাজয়। এ অবস্থায় বিএনপি মনে করছে, সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে নেতা-কর্মীরা আবার সংগঠিত হতে পারবেন। এর মাধ্যমে পরিস্থিতি নিজেদের অনুকূলেও চলে আসতে পারে। আপাতত আন্দোলন থেকে বের হওয়ার একটি পথ হিসেবে সিটি নির্বাচনকে দেখছেন নেতাদের কেউ কেউ। তাঁদের কেউ কেউ মনে করেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিএনপির আন্দোলনে ভিন্নমাত্রা যোগ করবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিইসির স্বেচ্ছাচারিতা- সমন্বিত প্রতিষ্ঠান হিসেবেই ইসিকে কাজ করতে হবে
সংবিধানে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে যে ইসি গঠনের কথা বলা হয়েছে, তার মূল চেতনাটি হচ্ছে যৌথভাবে দায়িত্ব পালন। সেখানে নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ নির্বাচনসংক্রান্ত সব কাজকে সমন্বিতভাবে ‘নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব’ (১১৯ অনুচ্ছেদ) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কমিশনে সিইসি সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন কিন্তু এককভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ নেই।
প্রথম আলোয় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে ইসিতে সম্প্রতি যেসব কর্মকাণ্ড হয়েছে, সেখানে চার নির্বাচন কমিশনারকে স্পষ্টতই উপেক্ষা করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত বৈঠকে কমিশনারদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, বিএনপিপন্থী পেশাজীবী ও বিএনপির যে প্রতিনিধিদল ইসিতে গিয়েছিল, সেখানেও কমিশনারদের রাখা হয়নি, শুধু সিইসিই তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁর এ ধরনের আচরণে কমিশনাররা স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ, কিন্তু তিনি কেন এমন আচরণ করছেন, এর ব্যাখ্যা নেই।
এককভাবে কাজ করতে গিয়ে সিইসি বিভিন্ন আর্থিক ও অর্থসংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কাজ যেভাবে নিজে অনুমোদন দিচ্ছেন, তা খুবই বিপজ্জনক। একজন কমিশনার অভিযোগ করেছেন, ‘নিবন্ধন বিভাগে হাজার কোটি টাকার কাজ হচ্ছে। কে করছে, কীভাবে করছে, তা আমরা জানি না।’ এসব কাজ নিয়ে এরই মধ্যে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ফলে এই কাজগুলোর দায়িত্ব এককভাবে সিইসিকেই নিতে হবে।
এটা পরিষ্কার যে একটি সমন্বিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশন বর্তমানে কাজ করতে পারছে না। এতে ইসি আরও দুর্বল ও অকার্যকর হবে। একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের এই অবস্থা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতিতে ব্যক্তিকর্তৃত্ব প্রকট
বইয়ের লেখক রওনক জাহান বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক ভালো সম্পর্ক থাকলে সংঘাতের রাজনীতি থাকত না। ’৯১-এর পর থেকে কে কীভাবে ক্ষমতায় যাবে, দলগুলো এ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে তাদের মধ্যে সংঘাত বেড়ে গেছে। তিনি বলেন, ক্ষমতায় গেলে অন্তর্দলীয় কোন্দল বেড়ে যায়। ক্ষমতায় থাকাকালে নেতা যদি চান, দলকে সংগঠিত ও সংস্কার করতে পারেন। কিন্তু তাঁরা তা করেন না। কারণ, তাঁরা মনে করেন, নির্বাচনে যদি হেরে যান, তখন মাস্তান লাগবে।
বিশিষ্ট এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বলেন, দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় দিক হলো, ৩০ বছর ধরে বড় তিনটি দলেরই প্রধান একই ব্যক্তি রয়ে গেছেন। সব কটি দলেই উত্তরাধিকারের নেতৃত্ব প্রাধান্য রয়েছে। তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত একই অবস্থা। এ ক্ষেত্রে মানুষের পছন্দের বিষয়টি গৌণ। এ প্রবণতার কারণে রাজনৈতিক নেতৃত্ব কাঠামোগত দিক থেকে দাঁড়াতে পারছে না বলে তিনি মনে করেন।
রওনক জাহান বলেন, দেশে ক্ষমতাসীনেরা আইন ভঙ্গ করে সুবিধা নিচ্ছে। বিরোধীদের শাস্তি দিচ্ছে। আইনের শাসন বলে কিছু থাকছে না। আইনে যা থাকুক না কেন, কেউ সেটা মানছে না। এটা যে শুধু কোনো একটি দল করছে তা নয়, যারা যখন ক্ষমতায় এসেছে, সবাই করেছে। তাই কেবল আইন করে বা সংবিধান পরিবর্তন করেও কোনো লাভ হবে না। এর জন্য মৌলিক কিছু নীতি থাকা উচিত। সেই মৌলিক নীতির মধ্যে থাকবে, যাঁরা ক্ষমতায় থাকবেন তাঁরা আইন ভাঙবেন না।
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে গণতন্ত্র নেই, এটা অস্বীকার না করেই বলছি, তার পরও এই রাজনৈতিক দলগুলো জনগণকে কিছু দিতে পারছে। অনেক সমালোচনার মধ্যেও প্রধান দুটি দলের মধ্যে এমন কিছু আছে, যা দিয়ে তারা বিপুলসংখ্যক ভোটারকে আকর্ষণ করতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘মাঠপর্যায়ে নেতৃত্ব নির্বাচন করার ক্ষেত্রে কয়েকটি কাউন্সিলে উপস্থিত থেকে যেমনটি দেখেছি, সভাপতি ও সাধারণ নির্বাচনের পর বাকি পদগুলো পূরণ করার দায়িত্ব কেন্দ্রের হাতে সমর্পণ করা হয়। একজনের এক ভোট—এ ব্যবস্থায় তাঁরা ভোটে যেতে চান না।’
গওহর রিজভী বলেন, নির্বাচন হচ্ছে ভোটার ও প্রার্থীর মধ্যে একটি চুক্তি। ভোটার কি প্রার্থীকে সংসদে না যাওয়ার জন্য ভোট দিয়েছেন? এটা দেখার জন্য ৯০ দিন কেন অপেক্ষা করতে হবে—এ নিয়ে ভাবার প্রয়োজন আছে। তিনি উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সফল গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারতের রাজনৈতিক দল ও প্রতিষ্ঠানগুলোর উদাহরণ দিয়ে প্রশ্ন রাখেন, ‘আমাদের দেশে কি সেই রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ আছে? আমরা নির্বাচনে হেরে গেলে তা মেনে নিই না। এ সমস্যার সমাধানে কি পদ্ধতি বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে? এখন সময় এসেছে সংবিধান নিয়ে নতুন করে ভাবার।’
বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে কর্তৃত্ববাদ এত বেশি আঁকড়ে ধরেছে যে এ থেকে বের হওয়া কঠিন। তাঁর মতে, একটি দায়িত্বশীল নির্বাচন কমিশন একটা রাজনৈতিক দলের চরিত্র ও কর্মকাণ্ড বদলে দিতে পারে। কিন্তু বর্তমান নির্বাচন কমিশন এত অকেজো ও অথর্ব যে এর ওপর আস্থা রাখা যায় না।
ইনাম আহমেদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয়তাবাদের স্ফুলিঙ্গ হলে জিয়াউর রহমান ছিলেন যোগসূত্র। কিন্তু দুর্ভাগ্য সত্যকে উপলব্ধি করতে চাই না।’ শ্রোতাদের একজন প্রশ্ন করেন, দলকে সংগঠিত করতে বিএনপি কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে। জবাবে ইনাম আহমেদ বলেন, ‘এটা তো ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) ভালো বলতে পারবেন। পুলিশ বিএনপিকে কী কী কর্মসূচি করতে দিয়েছে, তার কাছে হিসাব আছে। আজ পত্রিকায় দেখলাম তিন মাস পর পুলিশ বিএনপি অফিস খুলে দিয়েছে।’
জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জি এম কাদের বলেন, পাশ্চাত্যের উদাহরণ হলো নিয়মিত অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে এবং তার মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদল হতে থাকলে নির্বাচনপদ্ধতি ও গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করবে। কিন্তু বাংলাদেশের একই পদ্ধতি প্রায় ২৪ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচন প্রমাণ করেছে, নির্বাচন ব্যবস্থা এখনো প্রাতিষ্ঠানিক হয়নি। নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হলেও রাজপথে আন্দোলন বন্ধ হয়নি; বরং দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
‘গণতন্ত্রকে টেকসই করতে রাজনৈতিক দলগুলোকে বিশ্বাসযোগ্য অঙ্গীকার করতে হবে যে তারা নিজেদের দলে ও দেশে গণতান্ত্রিক চর্চা উৎসাহিত করবে’—বইয়ের লেখকের এমন বক্তব্য সমর্থন করে জি এম কাদের বলেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশের দলগুলোর মধ্যে বিশ্বাসযোগ্য অঙ্গীকারের ঘাটতি রয়েছে।
রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও বিভেদ কমিয়ে আনতে একটি সামাজিক সনদ তৈরি করা প্রয়োজন বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর কী কী ভূমিকা থাকবে, তা ওই সনদে উল্লেখ থাকবে। জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সংবিধানে পরিবর্তন না আনার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেলেও দলগুলো বড়জোর ৩৫-৪০ শতাংশ ভোট পায়। ৬০ শতাংশ ভোটারকে বাইরে রেখে সংবিধান পরিবর্তন না করে এ ক্ষেত্রে গণভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত।
ইমতিয়াজ আহমেদের মতে, দলগুলোর অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চার বিষয়ে গবেষণা করতে গেলে বাকশাল কেন তৈরি করা হয়েছিল, তার ওপরও আলোচনা হওয়া উচিত।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আল মাসুদ হাসানুজ্জামান বলেন, এক-এগারোর পর দলগুলোতে শীর্ষ নেতৃত্বের কর্তৃত্ব আরও সুসংহত হয়েছে। রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ব্যবসায়িক স্বার্থের প্রাধান্য অব্যাহত রয়েছে। রাজনীতির বাণিজ্যিকীকরণ হচ্ছে এবং সেই সঙ্গে আছে অস্বচ্ছ রাজনৈতিক অর্থায়ন। দলগুলোতে অরাজনৈতিক উপাদানের অনুপ্রবেশ ও প্রভাব বিস্তার ঘটেছে, যা রাজনৈতিক মনোনয়নের সময় দৃশ্যমান হয়েছে।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এগিয়েছে, আরও এগোনোর সম্ভাবনা আছে। কিন্ত সমস্যা হচ্ছে রাজনীতি। দেশের প্রধান চারটি দল আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও জামায়াতে ইসলামীর সমস্যা-সংকট নিয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী রওনক জাহান গবেষণা ও পর্যালোচনা তাঁর বইয়ে তুলে ধরেছেন। বক্তারা শ্রোতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
আলোচনা অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের উপপ্রধান সেনাপতি এ কে খন্দকার, অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান, সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইদুজ্জামান, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, মানবাধিকারকর্মী হামিদা হোসেন, ড. রওশন জাহান, সাবেক কূটনৈতিক সচিব ফারুক সোবহান, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন, অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবীর, অধ্যাপক সুফি মোস্তাফিজুর রহমান, ইতিহাসবিদ শরীফ উদ্দিন আহমদ, লেখক মাহবুব আলম, সৈয়দ বদরুল আহসান, নিলুফার হুদা, মহিউদ্দিন আহমদ, আনোয়ার উল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক রওনক জাহান ঢাকা, হার্ভার্ড ও কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতিবিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষকতা করেছেন। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে নারীবিষয়ক কর্মসূচির নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁর বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কলকাতার ডাক্তার সেজে প্রতারণার ফাঁদ by ওমর ফারুক সুমন

নাম তার ভবেশ চন্দ্র ঘটক, পিতা-মৃত সুধন্যকুমার ঘটক। বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুরের পাকুল্যা বাজারে। গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার হালালিয়া গ্রামে। তবে এটি তার প্রকৃত ঠিকানা হলেও দীর্ঘদিন ধরে ভারতের কলকাতার পরিচয় দিয়েই অপকর্ম চালিয়ে আসছে।
অপরদিকে তার চিকিৎসা পদ্ধতি ছিল ভিন্ন। আগে থেকেই ওষুধের নামসহ কম্পিউটারাইজ্ড করা থাকতো প্রেসক্রিপশন। সকল রোগীর জন্য একই ধরনের প্রেসক্রিপশন ব্যবহার করতো। রোগী মারা না গেলেও কোন রোগী সুস্থ হয়েছে কিনা এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। অনুসন্ধান চালিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় তার কিছু রোগী দেখার চেম্বার খুঁজে পাওয়া যায়। মুন্সীগঞ্জের পুরাতন কাচারী রোডের সেবা মেডিক্যাল হল, দিন মোহাম্মদ সুপার মার্কেট (৩য় তলা) সামাদ সুপার মার্কেট, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী, ঢাকার সাউথ এশিয়ান চক্ষু হাসতাপাল, হাজী মুনাম উদ্দিন ওয়াক্ফ এস্টেট মার্কেট, ঢাকা রোড গাজীপুর চৌরাস্তার মেসার্স কুমিল্লা মেডিক্যাল হল, জারিয়া বাজার, পূর্বধলা, নেত্রকোনার বিস্মিল্লাহ্ মেডিক্যাল হল, খশির আবদুল্লাহপুর, বৈরাগীবাজার, বিয়ানীবাজার সিলেটের মেসার্স তাসমিয়া ফার্মেসি, ফুলপুর উপজেলার ময়মনসিংহের মেসার্স কায়সার ড্রাগ সেন্টার, শম্ভুগঞ্জ ময়মনসিংহের তামিম মেডিক্যাল হল। এছাড়া জানা-অজানা আরও অনেক ব্যাঙের ছাতার মতো চেম্বার রয়েছে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায়। সে সমস্ত জায়গায় ভুয়া এমবিবিএস ডাক্তার সেজে প্রতারণা করে আসছে। কায়সার ড্রাগ সেন্টারের মালিক কায়সার আহমেদ জানান, আমার এখানে প্রায় ৫/৭ মাস রোগী দেখার জন্য প্রতি মাসের দুই মঙ্গলবার বসতেন। তার মাধ্যমে কোন রোগী ভাল হয়েছে কিনা তা তার জানা নেই। হঠাৎ করে সে রোগী দেখা বন্ধ করে দিয়েছে। মোবাইল ফোন তার বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। কাইসার ড্রাগ সেন্টারের মাইকিং ম্যান জুলহাস মিয়া জানান, এই চেম্বারে কমপক্ষে ২ হাজার রোগীর কাছ থেকে জন প্রতি ১৫-২০ হাজার টাকা নিয়েছে কিন্তু কোন রোগীই সুস্থ হয়নি। মুন্সীগঞ্জের সেবা মেডিক্যাল হলের জাহাঙ্গীর হোসেনের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঐ খানে তিনি মাসে দুইবার করে রোগী দেখতে যেতেন। কয়েক হাজার রোগীর কাছ থেকে চিকিৎসার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে বর্তমানে তিনি গা ঢাকা দিয়েছেন। ঠিক এমনিভাবে কুমিল্লা মেডিক্যাল হলের সাদেকুর রহমান, মেসার্স তাসমিয়া ফার্মেসির সইবন আহমদ, বিসমিল্লাহ্ মেডিক্যাল হলের নূরুল আমিন জানান, ডাক্তার ভবেশ চন্দ্র ঘটক প্রথমে এসে আমাদের এখানে চেম্বার করে রোগী দেখার প্রস্তাব করেন। তিনি কলকাতা থেকে আসেন এবং বাংলাদেশে তার শ্বশুরবাড়ি। প্রথমে তাকে রোগী দেখতে দিলে তার চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়। তখন আমরা তার সার্টিফিকেট দেখতে চাইলে তিনি সেগুলো কলকাতায় রেখে এসেছেন বলে জানান। পরের তারিখে সার্টিফিকেট নিয়ে আসবেন বলে চলে যায় এবং পরবর্তীতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখে।
এছাড়া ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জের তামিম মেডিক্যাল হলের মালিক মুস্তফা কামাল বলেন, ডা. ভবেশ চন্দ্র ঘটকের আরেক মহাজালিয়াতির কথা। তিনি জানান ডা. ভবেশ চন্দ্র ঘটকের মাইকিং ম্যান ফুলপুর উপজেলার জুলহাস উদ্দিনের মাধ্যমে তার পরিচয় ঘটে। রোগী দেখার চেম্বার দিতে চাইলে তিনি সরল মনে রাজি হন। ডা. ভবেশ কলকাতার জলপাইগুড়ির নাক, কান ও গলা বিভাগের একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এটা বিশ্বাস করেই চলে যায় ৮টি মাস। প্রতি মাসে ২দিন চলে রোগী দেখা। ভিড় জমতে থাকে রোগী দেখার সিরিয়াল। এরই মধ্যে ঘনিষ্ঠতা জমায় মুস্তফা কামালের সাথে। ডা. ভবেশ মাঝে মধ্যেই নিয়ে যেতেন ময়মনসিংহের সেরা রেস্টুরেন্ট ধানসিঁড়িতে। করতেন তাকে জামাই আদর। মুস্তফাও বিশ্বাস করতে থাকে ডা. ভবেশকে। এই সম্পর্ককে পুঁজি করে প্রতারণার ফাঁদ পাতে। কলকাতার জলপাইগুড়ির দোকান বিক্রি করে বাসার কাজ কমপ্লিট করবেন কিন্তু দোকান বিক্রি না করতে পারায় এমন অজুহাতে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার দাবী জানান মুস্তফার কাছে। একই সঙ্গে কিছু লোভনীয় প্রস্তাবও দিয়েছেন যে, কলকাতার জলপাইগুড়িতে নিয়ে গিয়ে ব্যবসার সুযোগ করে দিবেন। এসব কথা বলেই মুস্তফার কাছ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর থেকে ডা. ভবেশ চন্দ্র ঘটক নিখোঁজ। রোগী দেখা তার বন্ধ। অনুসন্ধান চলতে থাকে কোথায় খুঁজে পাওয়া যায় ডা. ভবেশকে। কোন চেম্বারের মালিকরা বলতে পারে না ভুয়া ডা. ভবেশ চন্দ্রের প্রকৃত ঠিকানা কোথায়। একই সাথে চলতে থাকে তাকে খোঁজার চিরুনি অভিযান। খুঁজতে খুঁজতে তাকে পাওয়া যায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্লা বাজারে ৬ তলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট অট্টালিকার ৪ তলা সমাপ্তকৃত একটি বিল্ডিং এর নিচের তলায়। প্রতারণার টাকা দিয়ে বিল্ডিংয়ের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করে চলছেন। অতঃপর কথা হয় তার সাথে। শুরুতে ধরা দিতে না চাইলেও এক সময় সকল কিছু ক্যামেরার সামনে অকপটে স্বীকার করেন। তিনি জানান, কলকাতায় তার কোন ঠিকানা নেই। ডাক্তারির সার্টিফিকেট দেখাতে বললে তা নেই বলে অস্বীকার করেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ২৫ বছর ধরে তার চলছে এ অনিয়ম তা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, শুধু আমি কেন আমার মতো বাংলাদেশে প্রায় ২ হাজার ভুয়া এমবিবিএস ডাক্তার রয়েছে যারা আমার মত এভাবে চিকিৎসা দিয়ে আসছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভবেশ চন্দ্র ঘটক ডাক্তার কিনা আমরা কখনও শুনিনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাসায় ফিরেছেন খালেদা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবরোধ-হরতালে ৪৯০০কোটি টাকার ক্ষতি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বাধীন খাদ্যাভাসের অধিকার by কান্তি গাঙ্গুলি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফ্রান্সে অন্ধদের জন্য চলচ্চিত্র উৎসব
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জুনের মধ্যে চূড়ান্ত ইরান চুক্তি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কনে বাল্যবান্ধবী রায়না কি শাদি
আইপিএল আটের পর রায়না-দম্পতি মধুচন্দ্রিমায় যাবেন মিলানে। যে দেশে বলতে গেলে ক্রিকেটের নামগন্ধ নেই, সেই ইতালি কেন সুপারস্টার ক্রিকেটারের মধুচন্দ্রিমার স্টেশন? হতেই পারে রায়নার স্ত্রী ক্রিকেটের চেয়ে বেশি ফুটবলভক্ত বলে! তবে চারবারের ফুটবল বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দেশের কেউ নন, প্রিয়াংকার ফেভারিট ফুটবলার হলেন লিওনেল মেসি এবং রবিন ভ্যান পার্সি। ক্রিকেটে নাকি তেমন আগ্রহই নেই রায়না-পত্নীর! কে বলতে পারে মিলানে মধুচন্দ্রিমার ফাঁকে এসি মিলান কিংবা ইন্টার মিলানের ম্যাচে মাইকেল এসিয়েন বা ‘অ্যালপাইন মেসি’ জারদান শাকিরি দেখতে গেলেন প্রিয়াংকা! নিজের বিয়ের ব্যস্ততার মধ্যেও রায়না বললেন, ‘বিরাট-আনুশকা তো আমার কাছে একরকম আবদারই জুড়েছে যে, এবার আইপিএলে স্ট্যান্ড থেকে আমার জন্য গলা ফাটাক প্রিয়াংকা। কিন্তু সেটা বোধহয় হচ্ছে না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন ‘রাজনীতি’ সিটি নির্বাচন, কী পাবে ঢাকাবাসী? by এ কে এম জাকারিয়া
ঢাকা নিয়ে ‘রাজনীতিই’ যে রাজনৈতিক দল ও সরকারগুলোর কাছে আসল, সেটা এত দিনে প্রমাণিত। ঢাকা সিটি করপোরেশনের শেষ নির্বাচন হয়েছে ২০০২ সালে। এরপর এত দিন কেন নির্বাচন হয়নি? এর পেছনে কাজ করেছে রাজনীতি ও রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ। নিজেদের একজনকে মেয়র নির্বাচিত করে তাঁর মাধ্যমে ঢাকাকে সব সময় সরকারগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়। ঢাকার উন্নয়ন, এর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বা সেবার বিষয়গুলো আদৌ কোনো বিবেচনার বিষয় নয়। ব্যবস্থাপনার সুবিধা হবে—এই দোহাই দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার ঢাকা শহরকে দুই ভাগে ভাগ করলেও এ ধরনের একটি নজিরবিহীন কাজের পেছনে যে বিষয়টি মুখ্য ছিল, তা আসলে ঢাকার ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা। এটা পরিষ্কার যে ঢাকা সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠান, সরকারি দলের প্রার্থী বাছাই, তাঁর জয়লাভের সম্ভাবনা—এসব হিসাব-নিকাশ মেলাতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ঢাকাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। বিশ্বের বড় ও পুরোনো কোনো শহরের ক্ষেত্রে এমন নজির নেই। একক সিটি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ঢাকার চেয়ে বড় ও জনবহুল শহরগুলো চলতে পারলে ঢাকা কেন চলবে না?
আওয়ামী লীগ সরকার ঢাকা ভাগ করেছে সেই ২০১১ সালে। এর পরও দীর্ঘদিন সিটি নির্বাচন হয়নি। কেন? পরিষ্কার কারণটি হচ্ছে, সরকার চায়নি। সীমানা নিয়ে জটিলতার দোহাই দিয়ে এই নির্বাচন ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে। এখন যখন সরকারের মনে হয়েছে যে নির্বাচন করতে হবে, তখন সব বাধাই কেটে গেল। সরকারের ইচ্ছা-অনিচ্ছাই তো মনে হচ্ছে দেশের আইন! এখন কেন নির্বাচন অনুষ্ঠান জরুরি হয়ে পড়ল? প্রথমত, বিরোধী দলের অকার্যকর হয়ে পড়া লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচিকে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ করে দেওয়া। দ্বিতীয়ত, সরকারের নানা ধরনের দমন-পীড়নে বিরোধী বিএনপি দীর্ঘদিন ধরেই কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে। এ অবস্থায় বিএনপি সাম্প্রতিক লাগাতার অবরোধ কর্মসূচির মতো ভুল রাজনৈতিক কৌশল এবং তা কার্যকর করতে গিয়ে নাশকতা, সন্ত্রাস ও বর্বরতার পথ ধরায় দলটির বিরুদ্ধে সরকারের দমন-পীড়ন বাড়িয়ে দেওয়ার কাজটি সহজ হয়ে যায়। বিএনপিকে ছিন্নভিন্ন করতে এই সুযোগকেই কাজে লাগায় সরকারি দল। বিএনপির বড় নেতাদের প্রায় সবাই এখন জেলে, অন্যদের বেশির ভাগই পালিয়ে আছেন। দলটির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমদ যে কায়দায় হাওয়া হয়ে গেলেন, তা দলের মধ্যে আতঙ্ক ধরিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। এমন একটি পরিস্থিতিতে সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্যোগ বিএনপিকে চূড়ান্ত বেকায়দায় ফেলার কৌশল ছাড়া আর কিছু নয়।
বিএনপির টানা অবরোধের প্রায় তিন মাস হয়ে গেছে। এই দফার আন্দোলন যে ব্যর্থ হয়েছে, সেটা পরিষ্কার। এ অবস্থায় ঢাকার দুই সিটি বা চট্টগ্রাম সিটির নির্বাচন নিয়ে একটি স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া বিএনপির জন্য সত্যিই কঠিন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি ভুল করেছিল এমন মত নানা মহলেই জোরালো। এর এক বছরের মাথায় বিএনপি যখন সরকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আন্দোলনের ডাক দিয়ে ফেলেছে, তখন সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত কতটা সঠিক হবে, সেটা দলটির জন্য অবশ্যই একটি বড় ভাবনার বিষয়। অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকই এই নির্বাচনকে বিএনপির জন্য একটি সুযোগ হিসেবে দেখছেন। কারণ, এতে ব্যর্থ আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহার এবং বিএনপির ‘মুখরক্ষার’ একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিন্তু বিএনপি এতটা সরলভাবে বিষয়টিকে বিবেচনা করবে বলে মনে হয় না। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তকে ভুল বিবেচনা করে এর ‘খেসারত’ হিসেবে সিটি নির্বাচনে অংশ নিয়ে তারা নতুন কোনো রাজনৈতিক ভুল করে বসে কি না, সেটা অবশ্যই তাদের বিবেচনার মধ্যে থাকবে।
----২.
ঢাকা সিটির নির্বাচন নিয়ে এসব নানা ‘রাজনৈতিক’ পাল্টাপাল্টি কৌশলে কোন পক্ষ কীভাবে লাভবান হবে বা কোন পক্ষকে কোণঠাসা করা যাবে, সেটা সামনে টের পাওয়া যাবে। কিন্তু শুরুতেই যে প্রসঙ্গ তুলেছি, সেই সূত্রে এই প্রশ্ন খুবই প্রাসঙ্গিক যে এই নির্বাচন থেকে কী পাবে ঢাকাবাসী? সহজ উত্তর; ঢাকার দুই অংশে দুজন নির্বাচিত মেয়র। কিন্তু এই মেয়ররা আমাদের কী দেবেন বা কী দিতে পারবেন?
ঢাকার দুই অংশে মেয়র নির্বাচিত হয়ে যাঁরা আমাদের ‘সেবা’ করতে চান, তাঁরা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য মনোনয়নপত্র কিনেছেন, জমাও দিয়েছেন। এই প্রার্থীদের অনেকের মুখে আমরা কিছু প্রতিশ্রুতির কথা শুনেছি। সাধারণভাবে তাঁরা একটি ‘আধুনিক ঢাকা’ উপহার দেওয়ার কথা বলেছেন। মনে প্রশ্ন জাগে, আধুনিক ঢাকা বিষয়টি আসলে কী? একটি আধুনিক শহরের যেসব সুযোগ-সুবিধা বা ব্যবস্থা থাকে, তা ঢাকায়ও তাঁরা কার্যকর বা বাস্তবায়ন করবেন? ঢাকায় যথাযথ গণপরিবহনব্যবস্থা গড়ে উঠবে, চাইলেই বাসে ওঠা যাবে বা পাওয়া যাবে ট্যাক্সিক্যাব? যানবাহন চলাচলে বিশৃঙ্খল দশা দূর হবে, বাস নির্দিষ্ট জায়গায় থামবে, উল্টো পথে গাড়ি চলবে না, অসহনীয় যানজটে পড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হবে না, ফুটপাতগুলো হাঁটার উপযোগী হবে, পথে-ঘাটে অবর্জনার স্তূপ জমে থাকবে না, বর্ষায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে না, শহরের খাল, পার্কগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে, সাইকেলের জন্য আলাদা লেন থাকবে। বায়ুদূষণ সহনীয় মাত্রায় থাকবে, শব্দদূষণ বলে কিছু থাকবে না, পানি সরবরাহ, বিদ্যুৎ—এসবের নিশ্চয়তা থাকবে? এই তালিকা আরও দীর্ঘ করা যায়, কিন্তু এসব ক্ষেত্রে বর্তমান দশা থেকে কিছু উন্নতি করা গেলেই সম্ভবত ঢাকাবাসী আনন্দে আটখানা হয়ে যাবে।
আমাদের যে মেয়ররা নির্বাচিত হবেন বা তাঁদের হাতে যে সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব পড়বে, তাঁরা কি এসব ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারবেন? এসব ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা আনার জন্য যে শক্তিশালী নগর কর্তৃপক্ষের দরকার, সেই কাঠামো কি সিটি করপোরেশনগুলোর রয়েছে? ঢাকার প্রথম নির্বাচিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফ সিটি করপোরেশনে ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে একটি ‘মেট্রোপলিটন সরকার’ করার দাবি জানিয়ে হয়রান হয়েও কিছুই করতে পারেননি। কারণ, সরকারগুলো আসলে ঢাকার ওপর ছড়ি ঘোরাতে চায় কিন্তু ঢাকার ব্যবস্থাপনার জন্য একটি শক্তিশালী কর্তৃপক্ষ দেখতে চায় না।
ঢাকার নানা দিক দেখার জন্য সরকারের কর্তৃপক্ষের অভাব নেই। দুই সিটি করপোরেশন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ট্রাফিক পুলিশ, রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি, ঢাকা ওয়াসা, বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষ, পূর্ত মন্ত্রণালয়, যোগাযোগ মন্ত্রণালয় বা সেতু কর্তৃপক্ষ—এ ধরনের আরও যেসব প্রতিষ্ঠান ও কর্তৃপক্ষ রয়েছে, এগুলোকে সমন্বয় করবে কে? একটি শহর দেখভাল, পরিচালনা, ব্যবস্থাপনা বা শহরটি নিয়ে পরিকল্পনা করার জন্য নির্দিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষ থাকলে কাজটি সহজ হবে, এটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু একক কর্তৃপক্ষ তো দূরে থাক, ঢাকাকে দুই ভাগে বিভক্ত করে পরিস্থিতি যেন আরও শোচনীয় করা হয়েছে। যে দুজন ঢাকার মেয়র নির্বাচিত হবেন, তাঁরা আন্তরিকভাবে চাইলেও আদৌ কিছু করতে পারবেন কি?
ঢাকার দেখভালের জন্য কোনো একক কর্তৃপক্ষ নেই, আবার ঢাকার নানা দিক দেখে যেসব সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান, এগুলোর মধ্যে সমন্বয় করার কোনো কাঠামো বা কর্তৃপক্ষও নেই। এখন ধরুন, যেখানে-সেখানে বাস থামানো বা এ ধরনের বিশৃঙ্খলার জন্য সিটি করপোরেশন ট্রাফিক পুলিশের সহায়তায় অভিযান শুরু করল, তখন যে নৌপরিবহনমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন শ্রমিক সংগঠনের পরিবহন শ্রমিকেরা মাঠে নামবেন না, তার নিশ্চয়তা কী? অথবা যে মন্ত্রী-সাংসদেরা উল্টো পথে গাড়ি চালান, তাঁদের ঠেকানোর বুদ্ধি কী? ঢাকার জন্য একক শক্তিশালী কোনো কর্তৃপক্ষ বা অন্তত একটি সমন্বয় কর্তৃপক্ষ থাকলে সেখানে এসব প্রসঙ্গ আলোচনা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পথ তৈরি হতো। গত বিএনপি সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে ঢাকাসংক্রান্ত সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য একটি কাঠামো থাকলেও বর্তমানে তেমন কিছু নেই।
চার বছর ধরে ঢাকা বিশ্বের বসবাসের সবচেয়ে অযোগ্য শহরের তালিকায় ১ ও ২ নম্বরের মধ্যে ওঠানামা করছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইকোনমিক ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) নিয়মিতভাবে বিশ্বের বিভিন্ন শহরের বাসযোগ্যতার একটি জরিপ করে আসছে। ২০১২ সালে ঢাকা হয়েছিল বাসযোগ্যতার দিক দিয়ে সবচেয়ে নিকৃষ্ট শহর। ২০১৪ সালে এক ধাপ ওপরে উঠে ১৪০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের জায়গা হয়েছে ১৩৯ নম্বরে। ঢাকার চেয়ে খারাপ শহরটি হচ্ছে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক, যেখানে কয়েক বছর ধরে যুদ্ধ চলছে। বাসযোগ্যতার এই তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে ইআইইউ পাঁচটি ক্ষেত্রের ৩০টি দিক বিবেচনায় নেয়। এগুলো হচ্ছে: ১. স্থিতিশীলতা, ২. স্বাস্থ্যসেবা, ৩. সংস্কৃতি ও পরিবেশ, ৪. শিক্ষা, ৫. অবকাঠামো। একটি শহরের এই দিকগুলোর দেখভাল, ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজন একটি শক্তিশালী মেট্রোপলিটন সরকার বা এ ধরনের কোনো কাঠামো। কিন্তু উল্টো ঢাকাকে ভাগ করা হয়েছে, এখন হয়তো ঢাকা দুজন মেয়র পাবে কিন্তু এর ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনার কাজটি সম্ভবত আরও জটিলই হবে।
সরকার সাফল্যের সঙ্গে সিটি নির্বাচনকে রাজনীতির নতুন বিষয়ে পরিণত করে সবাইকে মশগুল করে ফেলেছে। ঢাকা শহরটির আদৌ কী হবে, তা আগের মতো বিবেচনার বাইরেই থেকে যাচ্ছে।
এ কে এম জাকারিয়া: সাংবাদিক।
akmzakaria@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিনজনের চেষ্টায় ধরা পড়ল ওরা দুজন
তবে দক্ষিণ বেগুনবাড়ী এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, জঙ্গিদের কে, কীভাবে ধরলেন—এসবের কৃতিত্ব নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। পুলিশ না জনতা, লাবণ্য না রফিক—এসব নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম বিভিন্ন পক্ষের ভাষ্য ছাপিয়েছে। তবে সবাই একবাক্যে স্বীকার করবেন, ভাঙা হাত নিয়েই জঙ্গিদের প্রথম ধাওয়া শুরু করেন রফিক। হোঁচট খেয়ে উল্টেপাল্টে পড়ে গিয়েও তিনি থামেননি। সেই রফিকের গল্প থেকেই শুরু করা যাক।
কাভার্ড ভ্যানের চালক রফিক হোসেনের বাঁ হাত কয়েক মাস আগে সড়ক দুর্ঘটনায় ভেঙে যায়। সোজা করতে কাঠের সঙ্গে ব্যান্ডেজ দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে হাতটি। হাত অচল, তাই বেকার রফিক। ৩০ মার্চ সকালে সেই অচল হাতটি গামছা দিয়ে ঢেকে মোড়ের দোকানে নাশতা করতে এসেছিলেন তিনি। হঠাৎই শোনেন ‘মাইরা ফালাইল, মাইরা ফালাইল’ বলে নারীকণ্ঠের চিৎকার। পাতে নেওয়া পরোটা ফেলে রফিক দৌড় দেন। গিয়ে দেখেন ওয়াশিকুরের রক্তাক্ত লাশ পেছনে ফেলে তিন তরুণ সজোরে হেঁটে মূল সড়কের দিকে যাচ্ছে। ‘ধর ধর’ চিৎকার দিয়ে রফিক ধাওয়া করা শুরু করলেন। ওই তরুণেরা দৌড়াতে শুরু করলে রফিকও পেছনে পেছনে দৌড় শুরু করেন। এবার চিৎকার করতে থাকেন ‘ডাকাত ডাকাত’। দীপিকার মোড় পেরিয়ে হোটেল আজমিরের সামনে তখন পুলিশের একটি দল অবস্থান করছিল। পুলিশ দেখে জঙ্গি তিন তরুণও ‘ডাকাত ডাকাত’ বলে চেঁচাতে চেঁচাতে পুলিশকে পেরিয়ে গেলে রফিক পুলিশ সদস্যদের তাদের ধরার জন্য ছুটতে বলেন। তখন একজন পুলিশ সদস্য বলেন, ‘তুই ডাকাইত ডাকাইত চিল্লাস, হ্যারাও (তিন জঙ্গি) চিল্লায়।’ তখন রফিক ও অন্যরা আশ্বস্ত করেন যে আগে ধরা হোক, পরে সাব্যস্ত হবে কে ডাকাত। তখন পুলিশও দৌড়াতে শুরু করে। তখন সহকারী উপপরিদর্শক শাহীন মিয়া ও তাঁর পেছনে আরেক পুলিশ সদস্য দৌড়াতে থাকেন।
এএসআই শাহীন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, টহল ডিউটির মাঝে আজমিরের সামনে একটি চায়ের দোকানে বসে পান খাচ্ছিলেন তিনি। হঠাৎ দেখেন পেছন থেকে কয়েকটি ছেলে দুটি ছেলেকে ধাওয়া করছে। তিনি বলেন, ‘আমি ভাবছি হয় শিবির, নাইলে নাশকতাকারী কিছু একটা হবে। অস্ত্র-গোলাবারুদও থাকতে পারে। পেছন থেকে ওরা বলতাছে ডাকাত ডাকাত। তারপর আমিও দৌড় দিলাম।’
রফিক বলেন, পুলিশ দৌড় শুরু করার পরে সাতরাস্তার মূল সড়ক দিয়ে মগবাজারের দিকে দৌড়াতে থাকে জঙ্গিরা। এফডিসি সিগন্যালের আগে উত্তরা সেন্টারের সামনে গিয়ে তারা ধরা পড়ে। তিনি বলেন, ‘আমি কিছু না ভাইবাই দৌড়াইতাছি। হঠাৎই চিকনাটা (আরিফুল) ব্যাগ থিকা চাপাতি বাইর করল। এই সময় ওই হিজড়ারা হ্যাগো থামায়।’
হিজড়া লাবণ্য প্রথম আলোকে বলেন, মগবাজার যাওয়ার জন্য উত্তরা সেন্টারের সামনে এসে দাঁড়িয়েছিলেন তিনিসহ তিনজন। এ সময় দেখেন, লোকজন দুই তরুণকে ধাওয়া করছে আর ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করছে। রাস্তা তখন যানজটে থমকে আছে, কিন্তু কেউই এগিয়ে আসছে না তাদের ধরার জন্য। এ সময়ই লাবণ্য পেছন থেকে দুজনকে ধরে ফেলেন। দুজনের গেঞ্জির পেছনের অংশ ধরে তাদের আটকে দেন লাবণ্য। তখন ওরা হাঁপাচ্ছিল। ওই দুজন নিজেদের ছাড়ানোর জন্য পেছনে ঘুরে কিল-ঘুষি মারলেও লাবণ্য ছাড়েননি। পরে পুলিশ ও জনতা এসে তাদের ধরে নিয়ে যায় বলে লাবণ্যর দাবি। এ ঘটনার পরে ভয় পেয়ে লাবণ্য এলাকা ছেড়ে তাঁর কাজে চলে যান।
এএসআই শাহীন মিয়া বলেন, ‘দৌড়াতে দৌড়াতে উত্তরা সেন্টারের সামনে চলে এলাম। আমি খালি চিল্লাইতাছি—ধরেন ধরেন। রাস্তায় অনেক মানুষ, কিন্তু কেউ ধরে না। এ সময় একজন ব্যাগ থেকে চাপাতি বাইর করল। তখন ওইখানে কয়েকজন হিজড়া ছিল। একজন সাহস করে দুই হাতে ওদের আটকানোর চেষ্টা করলে ওরা বাধা পায়া পইড়া যায়। চাপাতিটাও রাস্তায় পইড়া যায়। পরে আমি গিয়া চাপাতিটা কুড়ায় নিয়া কনস্টেবলের হাতে দিলাম। দুইজনরে ধরলাম। পরে লোকজনে কইল, ওরা মার্ডার কইরা পালাইতাছিল। আমি ওসি স্যাররে জানাইলাম।’ তিনি জানান, দৌড়ানোর সময় তাঁর কোমরে একটি পিস্তল ছিল। আর তাঁর পেছনে কনস্টেবলের হাতে ছিল শটগান।
রফিক বলেন, ‘রাস্তার মইদ্দে তহন মেলা লোক, কেউ আগায় না। ৮-১০ জন থাকলে তিনজনরে ধইরা এইহানেই কব্বর দিয়া দিতাম। মানুষডারে পশুর মতো মারছে।’
স্থানীয় এক দোকানদার বলেন, যে ব্যবসায়ীরা ও বাড়ির বাসিন্দারা ঘটনাটা প্রত্যক্ষ করেছেন, তাঁরা এখন কেউ কোনো কথাই বলছেন না। এমনকি ঘটনার পর থেকে নিয়মিত দোকানও খুলছেন না। প্রতিদিনই কোনো না কোনো গণমাধ্যমের কর্মীরা খোঁজখবর করতে যান। আর সবাই তথ্যের জন্য দেখিয়ে দেন রফিককে। এখন রফিকের পরিবার নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত।
তবে রফিক বলেন, ‘এহন সবাই আমারে দেখায় দেয়। একটা লোক কুনো কথা কয় না। তয় আমি কাউরে ভয় পাই না। খুনি ধরতে গিয়া আমার লুঙ্গি ছিঁড়ছে, কোচায় ৩৬০টা ট্যাকা ছিল, তাও গেছে। এহন আবার মাইনষে কয় হ্যারা (জঙ্গিরা) নাকি ব্যাপক শক্তিশালী, সরকারও নাকি হ্যাগো লগে পারে না। খালি সরকাররে কন, আমি যেন আমার মায়রে নিয়া দুইডা ডাইল-ভাত খাইয়া বাঁইচা থাকপার পারি। আর কিছু চাই না আমি।’
লাবণ্যর জন্য চিন্তিত তাঁর সহযোগীরা। তাঁর গুরুমা স্বপ্না বলেন, লাবণ্যর জন্য হিজড়া সমাজ গর্বিত। কিন্তু হিজড়ারা পথেঘাটে টাকাপয়সা সংগ্রহ করে চলেন। এ অবস্থায় তাঁরা সবাই লাবণ্যর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। স্বপ্নার দাবি, ‘এখন সময় এসেছে হিজড়াদের মূলধারায় নিয়ে আসার। আমাদের লাবণ্য দেখিয়ে দিয়েছে।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পথেই যেতে হবে
সেমিনারে সাবেক প্রধান বিচারপতি লতিফুর রহমান, কে এম হাসান, সৈয়দ জে আর মুদাসসির হোসেন, মো. তোফাজ্জুল ইসলাম, মোফজলুল করিম, বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান, আওলাদ আলী, বিশিষ্ট আইনজীবী ড.¯কামাল হোসেন, রফিক-উল হক ও জিয়াউর রহমান খান, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা মাহবুব জামিল, আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী ও রোকিয়া আফজাল রহমান, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফ ও ফিদা এম কামাল, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স, বাংলাদেশের (আইসিসিবি) সহসভাপতি ও ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান, ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাহাজাহান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পুলিশের ফাইলবন্দি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বই, এস ডি বর্মন ও অবরোধের খোঁজে কুমিল্লায় by সোহরাব হাসান
![]() |
| শচীন দেববর্মনের বাড়ি পরিদর্শন করছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর |
সকাল পৌনে আটটায় মহানগর ট্রেন ছাড়ার কথা ছিল কমলাপুর থেকে। সাড়ে সাতটায় স্টেশনে গিয়ে শুনলাম, ‘দেরি হবে।’ ট্রেনের সময়সূচি নিয়ে চালু কথাটি হলো, ‘নয়টার ট্রেন কটায় ছাড়বে?’ কিন্তু এখন নয়টার ট্রেন কটায় গন্তব্যে পৌঁছাবে, সেটাই বড় চিন্তার বিষয়। ট্রেনটি কুমিল্লায় পৌঁছানোর কথা ছিল ১২টায়, পৌঁছাল পৌনে তিনটায়। পথে বিপত্তি নেই, অবরোধ আহ্বানকারীদের কেউ এসে রেললাইনের ফিশপ্লেটও খুলে নেয়নি। তার পরও এই বিলম্বের জবাব কী?
কমলাপুর স্টেশনে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের ডিজিটাল ছবিগুলো যত্ন করে টাঙিয়ে রাখা হলেও যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা। কোচগুলো অপরিচ্ছন্ন, চেয়ারগুলো ধুলায় ধূসরিত, কোনোটির হাতল ভাঙা, কোনোটির রেকসিন ওঠা। দুর্গন্ধের কারণে বাথরুমে যাওয়া যায় না। কিন্তু রেল বিভাগে এসব দেখার কেউ আছেন বলে মনে হলো না। পেট্রলবোমার ভয়ে ভীত যাত্রীরা অনেকটা নিরুপায় হয়ে ট্রেনে চড়ে। যেখানে যাত্রীদের জীবনই বিপন্ন, সেখানে ট্রেনের সময়সূচি নিয়ে ভাবার সময় কোথায়? স্টেশনে দেখলাম, নারী যাত্রীর সংখ্যা খুবই কম। হরতাল-অবরোধের রাজনীতি নারীকেই বেশি ‘গৃহবন্দী’ করে রাখে।
কুমিল্লা শহরে ঢুকেই ধন্দে পড়ে গেলাম, এখানেও কি নির্বাচন হচ্ছে? না, কুমিল্লায় কোনো নির্বাচন নেই। তা সত্ত্বেও শহরজুড়ে পথেঘাটে, দোকানে-ভবনে রংবেরঙের পোস্টারে, ফেস্টুনে স্থানীয় সাংসদ আ ক ম বাহাউদ্দিনের ছবি। কোথাও তিনি প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। কোথাও স্থানীয় নেতা-কর্মীরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। বিভিন্ন ভবনের সামনেও তাঁর ছবিসংবলিত বিশাল বিশাল ব্যানার। নামসংবলিত ফলক। কিন্তু শহরের শ্রীছাদ বলতে কিছু নেই।
কুমিল্লায় হরতাল-অবরোধের তেমন প্রভাব নেই। ফলে সেখানে বিরোধী দলের নেতা–কর্মীদের ওপর দমন–পীড়নও কম। চলমান কর্মসূচিতে দেশের অন্যান্য স্থানে বিএনপি-সমর্থক মেয়ররা দৌড়ের ওপর থাকলেও কুমিল্লা সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কু নিরাপদে আছেন। নিয়মিত অফিস করছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনের গুঞ্জন হলো, আওয়ামী লীগের সাংসদ বাহাউদ্দিন এবং বিএনপির মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর মধ্যে একটি অলিখিত সমঝোতা আছে। সিটি করপোরেশনের উন্নয়নের কাজটাও তাঁদের সমর্থকেরা ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। মেয়রের সমর্থকেরা ৩০ শতাংশ, সাংসদের সমর্থকেরা ৩৫ শতাংশ। বাকি ৩৫ শতাংশ পান কাউন্সিলররা। জাইকা ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সিটি করপোরেশন প্রায় ১০০ কোটি টাকার কাজ করছে। কিন্তু সিটি করপোরেশনের মূল যে কাজ শহরের রাস্তাগুলো প্রশস্ত করা, সেদিকে মেয়রের আগ্রহ নেই। শহরে মানুষ বেড়েছে, কিন্তু রাস্তাগুলো রয়ে গেছে আগের মতোই। ফলে যানজট বাড়ছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেল শহরের অন্তত দুটি এলাকায় মেয়রের মালিকানাধীন ভবনগুলো গড়ে উঠেছে ফুটপাত দখল করে। এ ছাড়া শহরের ময়লা-আবর্জনা অপসারণ, সুয়ারেজ লাইন ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনাও অত্যন্ত নাজুক। নগরবাসী কার কাছে প্রতিকার চাইবে? সবখানেই অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা।
কুমিল্লায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল বিএনপির মধ্যে একটি অদ্ভুত মিল লক্ষ করলাম। বছরের পর বছর সম্মেলন না করে আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে দলীয় কার্যক্রম চালানো। ২০০৬ সালে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটি হওয়ার পর থেকে পূর্ণাঙ্গ কমিটি বা সম্মেলন হয়নি। বর্তমানে পরিকল্পনামন্ত্রী অ হ ম মুস্তফা কামাল এই কমিটির আহ্বায়ক এবং রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, সফিকুল ইসলাম শিকদার ও আফজাল খান যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু সাংসদ বাহাউদ্দিন কোনো কমিটিতে নেই। যদিও ২০১৩ সালে বিরোধী দলের ‘আন্দোলন’ মোকাবিলায় তিনিই মাঠে সক্রিয় ছিলেন। কেবল আওয়ামী লীগ নয়, ছাত্রলীগ–স্বেচ্ছাসেবক লীগও চলছে মেয়াদোত্তীর্ণ আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে। আর যুবলীগের কোনো কমিটিই নেই। ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে দলীয় সভানেত্রী দুই প্রতিদ্বন্দ্বী আফজাল খান ও বাহাউদ্দিনকে এক মঞ্চে নিয়ে এলেও সেই ঐক্য টেকেনি। ২০১২ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আফজাল খান বিএনপির নেতা মনিরুল হক সাক্কুর কাছে হেরে যান এবং এর জন্য তিনি বাহাউদ্দিনকে দায়ী করেন।
কুমিল্লায় বিএনপির অবস্থাও ভালো নয়। কর্নেল (অব.) আকবর হোসেন যত দিন কুমিল্লা বিএনপির নেতৃত্বে ছিলেন, তত দিন দলীয় কোন্দল ছিল না। তিনি বলতেন, ‘আমি প্রতিদিন ভোরে উঠে আফজাল খান ও বাহাউদ্দিনকে সালাম দিই। কেননা, তাঁদের মধ্যকার বিরোধ যত দিন থাকবে, তত দিন আমার কিছু করতে হবে না।’ কিন্তু সেই বিএনপি এখন দ্বিধাবিভক্ত। জেলা সভাপতি রাবেয়া চৌধুরীর সঙ্গে আছেন আমিনুর রশীদ ইয়াসিন, ফাজলুর হক ও মোস্তাক মিয়া। এর বিরোধী গ্রুপে আছেন মেয়র মনিরুল হক সাক্কু ও সাবেক সাংসদ মনিরুল হক চৌধুরী। নিষ্ক্রিয়তার জন্য এক পক্ষ অপর পক্ষকে দায়ী করে।
এবার বইমেলার আয়োজন করা হয় কুমিল্লা টাউন হল (বীরচন্দ্র নগর মিলনায়তন) মাঠে। মেলায় ঢাকা থেকে ৬১টি প্রকাশনা সংস্থা অংশ নিয়েছে। কুমিল্লার লেখকদের বই নিয়ে আছে আলাদা স্টল। মেলায় প্রতিদিনই আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকছে। শনিবারের আলোচনার বিষয় ছিল ‘দারিদ্র্য বিমোচনে তথ্যপ্রযুক্তির ভূমিকা’। আলোচনাকারীদের মধ্যে মোস্তফা জব্বার, শান্তনু কায়সার, আসলাম সানী ও সানাউল হকের সঙ্গে আমিও ছিলাম। বললাম, অর্থনীতি ও তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশ এগোলেও রাজনীতিতে পিছিয়ে আছে।
কুমিল্লার এত হতাশাজনক খবরের মধ্যেও একটি সুখবর আছে। সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ২৪ মার্চ বইমেলা উদ্বোধন করতে গিয়ে কুমিল্লাবাসীর বহুদিনের বকেয়া কটি দাবি পূরণ করেছেন। তিনি প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী শচীন দেববর্মনের (এস ডি বর্মন) বাড়িটিকে সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে রূপান্তরের ঘোষণা দেন। এ জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এক কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগরতলা সফরকালে শচীন দেববর্মনের বাড়িটি সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সংস্কৃতিমন্ত্রীর ঘোষণার মধ্য দিয়ে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হলো। তবে ৬০ বিঘা জমির ওপর নির্মিত পুরো বাড়ি নিয়ে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হচ্ছে না। একাংশ মুরগির খামার হিসেবেই থাকছে। কুমিল্লাবাসীর দাবি, মুরগির খামারটি অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে পুরো বাড়িটিতেই সাংস্কৃতিক কেন্দ্র করা হোক।
শনিবার বিকেলে যখন শচীন দেববর্মনের বাড়িতে যাই, লাল পতাকা দিয়ে তৈরি সীমানা চিহ্নগুলো দেখতে পাই। সবুজ গাছপালা ও পুকুরের পাশে পুরোনো ভবনগুলো তাঁর স্মৃতির কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। একটি ভবনের দেয়ালে লেখা আছে, ‘মহারাজ কুমার নবদ্বীপ চন্দ্র দেববর্মন বাহাদুরের রাজবাড়ি। ১৯২২ সালে কবি নজরুল শচীনের সঙ্গে এই বাড়িতে সংগীত গাইতেন।’
উল্লেখ্য, ত্রিপুরার রাজবংশের সন্তান শচীন দেব কৈশোর ও যৌবনের একটি বড় সময় বাবা নবদ্বীপ চন্দ্র দেববর্মন নির্মিত এই বাড়িতে কাটিয়েছেন। তিনি পড়াশোনাও করেছেন কুমিল্লা জিলা স্কুল ও ভিক্টোরিয়া কলেজে। ১৯৫৬ সালে রাজপরিবারের সদস্যরা ত্রিপুরায় চলে গেলে পাকিস্তান সরকার বাড়িটি দখল করে মুরগির খামার প্রতিষ্ঠা করে। পাকিস্তান ভেঙে গেলেও মুরগির খামার বহাল আছে।
অনুষ্ঠান শেষে ওই দিন রাতেই ফিরে আসি ট্রেনে নয়, বাসে। অবরোধের কারণে বাসের তুলনায় যাত্রী কম। তাই যাত্রী ওঠানো নিয়ে দুই কোম্পানির মধ্যে প্রতিযোগিতা চলে। কিন্তু যাত্রী ওঠার পর বাস ছাড়ার নাম নেই। যাত্রীরা মেজাজ গরম করেন, কেউ কেউ ভাড়া ফেরত চান। চালকও কম বুদ্ধিমান নন। বাস ছাড়ার ভান করতে করতে আধা ঘণ্টা পার করে দেন। বিলম্বের কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, স্বাভাবিক অবস্থায় যে সংখ্যক বাস-ট্রাক চলত, এখন অস্বাভাবিক সময়ে চলে তার চার ভাগের এক ভাগ। এর পরও সিট খালি থাকলে পোষাবে কীভাবে?
রাত সাড়ে আটটায়ও শহরের প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড়ে মোটামুটি যানজট ছিল। কিন্তু শহর ছাড়িয়ে মহাসড়কে উঠতেই অবরোধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া টের পাই। রাস্তা প্রায় খালি, সুনসান। মাঝেমধ্যে দু-চারটি বাস-ট্রাক চলছে, দ্রুতগতিতে। চালক, হেলপার, যাত্রী সবার মধ্যে একধরনের ভয়, শঙ্কা। সড়কের পাশে মোড়ে মোড়ে পুলিশ-র্যাবের টহল। মেঘনার ওপারে এ রকম একটি টহল দলের সদস্যরা বাস থামালেন। ভেতরে উঠে কী কী আছে দেখলেন। তাঁদের একজন সামনের আসনে বসা এক যাত্রীর শরীর, ব্যাগ, এমনকি মানিব্যাগও তল্লাশি করলেন। অন্য কাউকে কিছু বললেন না। বোঝা গেল না এটি দৈবচয়ন না সন্দেহবশত।
পথের বাকি সময়টি মোটামুটি নির্বিঘ্নই ছিল। আমরা যখন গুলিস্তান বাসস্ট্যান্ডে নামলাম, তখন রাত ১১টা। আড়াই ঘণ্টায় ঢাকায় পৌঁছালাম। আর ট্রেনে লাগল প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। তাহলে মানুষ কেন ট্রেনে যাবে?
সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrab০3@dhaka.net
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘গুজরাটে হিন্দু, মুসলমানের জন্য আলাদা বসতি’
ভাডোদারার পৌর কর্তৃপক্ষ তাদের একটি নতুন আবাসন প্রকল্পে সরিয়ে নিয়ে যেতে চাইলেও সেখানকার বাসিন্দারা স্মারকলিপি দিয়ে বলেছেন, ‘সমস্যা তৈরি করবে’ এমন লোকজনকে তারা এলাকায় থাকতে দিতে চান না। গুজরাটের ভাডোদারা শহরে হিন্দু ও মুসলিম সমপ্রদায়ের সহাবস্থান শত শত বছর ধরে, আবার সেখানে সামপ্রদায়িক বিদ্বেষ ও হিংসার ইতিহাসও বেশ পুরনো। সমপ্রতি সেখানে কল্যাণনগর ও কামাতিপুরা বস্তির বেশ কয়েকশ’ আশ্রয়চ্যুত গরিব মুসলিম পরিবারকে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে পড়তে হয়েছে, কারণ শহরের অভিজাত এলাকার বাসিন্দারা তাদেরকে নিজেদের এলাকায় ঘেঁষতে দিতে চাইছেন না। ভাডোদারা পৌর কর্পোরেশন এই মুসলিমদের জন্য শহরের কালালি ও সয়াজিপুরা এলাকায় নতুন আবাসনও তৈরি করেছে, কিন্তু বিজেপির স্থানীয় কাউন্সিলর দাদুভাই গাধভির নেতৃত্বে এলাকার বাসিন্দারা তাতে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। গুজরাটে হিন্দু এবং মুসলিম এলাকার মধ্যে দেয়াল তৈরি করা হয়েছে। বিজেপি নেতা গাধভি বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, অনেক লোকে বলছে কল্যাণনগর বস্তির লোকরা যেখানে ছিলো সেখানেই থাকুক। তিনি বলেন, ‘আমার নিজের এ ব্যাপারে কোনও বক্তব্য নেই, তবে স্থানীয় লোকরা যা বলছেন আমি শুধু সেই কথাটা কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানের কাছে পৌঁছে দিয়েছি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের আপত্তি বা বাধা দান থেকে মি. গাধভি নিজেকে দূরে রাখতে চাইলেও ঘটনা হলো, কর্পোরেশনে তার নামেই স্মারকলিপিটি জমা পড়েছে এবং দল হিসেবে বিজেপিও তাতে সায় দিচ্ছে বলে জানা গেছে। আসলে বস্তি থেকে আশ্রয় হারানোদের জন্য যে নতুন বাড়ি তৈরি করা হয়েছে, তার খুব কাছেই প্রোমোটার ও বিল্ডাররা নিউ মঞ্জিলপুর নামে অভিজাত একটি আবাসন প্রকল্পও তৈরি করেছেন। গরিব মুসলিমরা সে এলাকায় আসলে ওইসব ফ্ল্যাটের দাম কমে যাবে, এই আশঙ্কা থেকেই বিল্ডার লবি তাতে বাধা দিচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠছে। তবে এক্ষেত্রে ঘটনা যাই হোক, ভাডোদারাতে হিন্দু-মুসলিম ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন সম্পূর্ণ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন এম.এস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ইতিহাসবিদ ইফতিকার খান। তিনি বলেন, ‘শহরে হিন্দু-মুসলিমদের আলাদা বসতি বা ঘেটো বানিয়ে থাকার প্রক্রিয়া চলছিলো আগে থেকেই, তবে ২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গার পর থেকে সেটা যেন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে গেছে।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
April
(816)
-
▼
Apr 05
(38)
- যিশুর পুনরুত্থান মহোৎসব by ফাদার প্যাট্রিক গমেজ
- খালেদা ঘরে ফিরেছেন, গণতন্ত্রও ফিরে আসুক by সোহরাব ...
- চা-পল্লিতে উৎসবের আমেজ by উজ্জ্বল মেহেদী
- তিন মাসের আন্দোলন ফল শূন্য? by রিয়াদুল করিম
- সিইসির স্বেচ্ছাচারিতা- সমন্বিত প্রতিষ্ঠান হিসেবেই ...
- রাজনীতিতে ব্যক্তিকর্তৃত্ব প্রকট
- কলকাতার ডাক্তার সেজে প্রতারণার ফাঁদ by ওমর ফারুক সুমন
- বাসায় ফিরেছেন খালেদা
- অবরোধ-হরতালে ৪৯০০কোটি টাকার ক্ষতি
- স্বাধীন খাদ্যাভাসের অধিকার by কান্তি গাঙ্গুলি
- ফ্রান্সে অন্ধদের জন্য চলচ্চিত্র উৎসব
- জুনের মধ্যে চূড়ান্ত ইরান চুক্তি
- কনে বাল্যবান্ধবী রায়না কি শাদি
- নতুন ‘রাজনীতি’ সিটি নির্বাচন, কী পাবে ঢাকাবাসী? by...
- তিনজনের চেষ্টায় ধরা পড়ল ওরা দুজন
- বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পথেই যেতে হবে
- গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পুলিশের ফাইলবন্দি
- বই, এস ডি বর্মন ও অবরোধের খোঁজে কুমিল্লায় by সো...
- ‘গুজরাটে হিন্দু, মুসলমানের জন্য আলাদা বসতি’
- জনগণের রায়ই সর্বগ্রাহ্য by আলী ইদ্রিস
- দশ ফুট বাই সাত ফুট by আশীষ-উর-রহমান
- ইতিহাসের খলনায়ক by শামীমুল হক
- ধারণা পাল্টে দিলেন বাংলাদেশী এক হিজড়া -নিউ ইয়র্ক ট...
- হলদে বাসন্তী by সৌরভ মাহমুদ
- একাই সব করছেন সিইসি by হারুন আল রশীদ
- কি হবে? by ড. মাহফুজ পারভেজ
- পরমাণু ইস্যুতে ঐতিহাসিক সমঝোতা- ওবামার স্বাগতম, উল...
- শোকস্তব্ধ কেনিয়া- আল-শাবাবের বর্বর হত্যাযজ্ঞ, নিহত...
- উন্নয়ন আর গণতান্ত্রিক অধিকার by বাছির জামাল
- বাংলাদেশে গরু না এলে ভারতের ক্ষতি ৩৯,০০০ কোটি টাকা
- চট্টগ্রামে মনজুরের পরীক্ষা নাছিরের প্রেস্টিজ by শহ...
- ‘ড্রাগন ফল’ প্রসারে দুর্নীতি- প্রকল্প পরিচালক নিজে...
- যুক্তরাজ্যে ‘ওরা ১১ জন’ by তবারুকুল ইসলাম
- হোটেলে নববধূকে রেখে পালালো বর by ওয়েছ খছরু
- কঠিন চ্যালেঞ্জে দুই দল by আবদুল্লাহ আল মামুন ও হাব...
- আমায় অন্ধ করে দিন by মীর আব্দুল আলীম
- ৩ সিটিতেই চ্যালেঞ্জে আওয়ামী লীগ by লুৎফর রহমান ও ম...
- কৌশলে আগাম নির্বাচনী প্রচারণা প্রার্থীদের by কাজী ...
-
▼
Apr 05
(38)
-
▼
April
(816)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
















