Monday, September 22, 2014
বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক- বড় আশা ছিল না, বড় হতাশাও নেই by এম হুমায়ুন কবির

জেসিসির বৈঠকের পর দুই দেশের তরফে যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয়। এ বিবৃতিতে প্রায় ৩৬টি অনুচ্ছেদে অনেক বিষয় আলোচিত হয়েছে যেমন: নিরাপত্তা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সীমান্ত, জ্বালানি, নৌ ও সমুদ্র যোগাযোগ, শিল্প, মানবিক উন্নয়নসহ দুই দেশের বিরাজমান সব বিষয়ই আলোচনায় এসেছে। এগুলোকে বলা যায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের রুটিন রিভিউয়ের কর্মসূচি। তবে এবার কয়েকটা নতুন বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যেমন: ভারত বাংলাদেশের পারমাণবিক প্রযুক্তি, মহাকাশসম্পর্কিত বিষয়, টেক্সটাইল, মেরিটাইম যোগাযোগ, সমুদ্রসীমা, ফিশারিজ এবং বহুল আলোচিত ব্লু ইকোনমি নিয়েও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সমুদ্রসীমা নিয়ে নতুন বাস্তবতায় এ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হওয়া উল্লেখযোগ্য ব্যাপার। ভারত যে এসব ক্ষেত্রে সহযোগিতা আদান-প্রদান করায় আগ্রহী, যৌথ বিবৃতিতে তার ছাপ রয়েছে।
এ ছাড়া উপকূলীয় নৌ–যোগাযোগ বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছে। অচিরেই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সমুদ্রে জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ার আশা ব্যক্ত করা হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর পরস্পরের দেশ সফর করার বিষয়েও কথা হয়েছে। দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, বিশেষত ভারতে বাংলাদেশের পণ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে অশুল্ক বাধাগুলো দূর করতে ভারত আশ্বাস দিয়েছে। বাংলাদেশও ভারতকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল দিতে আগ্রহী। এর আগে জাপান ও চীনকেও এ ধরনের সুবিধা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ। একে তার ধারাবাহিকতা হিসেবেই দেখতে হবে। এ ধরনের অর্থনৈতিক অঞ্চল সৃষ্টি বাংলাদেশে ভারতের বিনিয়োগের জন্য হয়তোবা ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে পারে।
আমাদের জন্য আগ্রহের বিষয়গুলোর মধ্যে প্রধান হলো ভূসীমান্তবিষয়ক চুক্তি বাস্তবায়ন এবং তিস্তার পানিবণ্টনের চুক্তি। ভারত এর জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আমরা চাই বিষয়গুলোর দ্রুত সমাধান হোক। বাধাগুলো দূর করতে হবে ভারতকেই। যেমন ভূসীমান্ত চুক্তি, এটা বাস্তবায়নে ভারতের সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন আছে। অথচ বিষয়টি অনেক দিন ধরে ঝুলে আছে। মনমোহন সিং সরকার গত বছর ডিসেম্বরে রাজ্যসভায় এ বিষয়ে একটা বিল উত্থাপন করে। সে সময় তৃণমূল কংগ্রেস এবং আসাম কংগ্রেস এর বিরোধিতা করে। বর্তমানে ক্ষমতাসীন কিন্তু তখনকার বিরোধী দল বিজেপিও নীতিগতভাবে সেই বিলের বিরোধিতা করেছিল। জেসিসির তৃতীয় বৈঠকের বিবৃতিতে এ বিষয়ে এটুকু বলা আছে যে মনমোহন সিংয়ের সে সময়ে করা চুক্তিগুলো অনুসমর্থনের (র্যাটিফাই) বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। কিন্তু বিস্তারিত বলা নেই যে বিষয়টি প্রক্রিয়ার কোন পর্যায়ে আছে এবং কোন সময়ের মধ্যে তা শেষ হবে। তাই আমরা যারা এ বিষয়ে দ্রুত সমাধানে আগ্রহী, তারা কিন্তু অন্ধকারেই রয়ে গেলাম।
তৃতীয় বিষয় হলো তিস্তার পানিবণ্টন। এ ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ তাদের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। এই প্রত্যয় ব্যক্ত করা থেকে এ বিষয়ে আসলেই কোনো গতি আছে কি না, তা বোঝা যায় না। সুতরাং, এটা নিতান্তই আশ্বাস হিসেবে রয়ে গেল। তবে খেয়াল করার বিষয়, তিস্তার পানিবণ্টন প্রশ্নের সঙ্গে ভারত এবার ফেনী নদীর পানির বিষয়টি জুড়ে দিয়েছে। আমরা মনে করি, তিস্তার ইস্যু আলাদাই থাকা উচিত। এর সঙ্গে ফেনী নদীকে জুড়ে দিলে জটিলতা বাড়বে বৈ কমবে না। আমি বুঝতে পারছি না, দুটো নদীকে কেন একই ফ্রেমের মধ্যে আনা হলো।
ভারত নির্দিষ্টভাবে বলেছে, তারা নদী-সংযোগ প্রকল্প বিষয়ে বাংলাদেশের ক্ষতি হয় এমন কাজ করবে না। এটা ইতিবাচক দিক। অন্য আরেকটা বিষয়, যা দৈনন্দিনভাবেই ঘটছে, তা হলো সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা। এই ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে দুই পক্ষই রাজি হয়েছে। কিন্তু অবাক বিষয় হলো, ওই একই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের যে জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়নি, সেসব জায়গায় কাঁটাতার দেওয়ায় বাংলাদেশও সম্মত। অতীতে বাংলাদেশ কখনোই এই বেড়া দেওয়াকে সমর্থন করেনি। আমরা মনে করি, এ ধরনের কাঁটাতার দুদেশের বন্ধুত্বের সহায়ক নয়। এখন হঠাৎ করে বাংলাদেশ কী কারণে ভারতের কাঁটাতার নির্মাণে রাজি হলো, তা বোধগম্য নয়। কোন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ এটা মেনে নিল, সেটাও এক রহস্যের বিষয়।
দুদেশের সহযোগিতার আরেকটা নতুন ক্ষেত্র হলো বিসিআইএম বা ইকোনমিক করিডর। ভারত এ ব্যাপারে মোটামুটি নিস্পৃহতা দেখিয়ে আসছে। জেসিসি বৈঠকে আশা করা হয়েছে যে বিসিআইএমের পরের যে বৈঠক ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে, সেখানে এতে আরও গতির সঞ্চার হবে। বিসিআইএমের অগ্রগতির জন্য ভারতের দিক থেকে আরও উদ্যোগের দরকার হবে। বাংলাদেশ এ ব্যাপারে তার বিশেষ আগ্রহের কথা বরাবরই বলে এসেছে। দুদিন আগে ভারত সফরে এসে চীনের প্রেসিডেন্টও অগ্রগতির আশা করেছেন। কিন্তু ভারত এ ব্যাপারে এখনো বিশেষ উদ্যোগী নয়।
জেসিসি বৈঠকের ঘোষণার সারাংশ হিসেবে বলা যায়, যে বিষয়গুলোতে বাংলাদেশের আগ্রহ আছে, সেসব বিষয় যৌথ বিবৃতিতে এক বা দুই কথায় সংক্ষেপে এসেছে। এগুলো আরও বিশদভাবে আসা উচিত ছিল। আর ভারতের আগ্রহের কানেক্টিভিটি, নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয়ে বিশদভাবে বলা আছে। যেহেতু বৈঠকটা দিল্লিতে হয়েছে, সেহেতু ধরে নেওয়া যায় ভারতীয়রা এই বিবৃতির খসড়া তৈরি করেছে। সুতরাং তাদের আগ্রহের বিষয় সেখানে প্রাধান্য পাবে, সেটাই স্বাভাবিক। আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে বলার আছে যে এই বৈঠকের ফল উল্লেখযোগ্য বা ব্রেক থ্রু মনে হয়নি। এবারের বৈঠকে বড় কিছু প্রত্যাশা যেহেতু ছিল না, সেহেতু বড় হতাশাও নেই।
তবে, যেখানে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকার এ বৈঠক থেকে লাভবান হয়েছে, সেটা হলো পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লিতে থাকা অবস্থায় ভারতের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, অর্থ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী, পানিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা। তাতে বর্তমান সরকারের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ পাওয়া গেল। আমি মনে করি, এতে করে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের লাভ হলো। আর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের দিক থেকে বলতে গেলে, এ ধরনের যেকোনো আলোচনাই দুদেশের মধ্যে বোঝাপড়া শক্তিশালী করে। তবে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের বিষয়গুলো আরও গুরুত্ব পেলে ভালো হতো, কারণ সেটাই প্রত্যাশিত।
সব দেশই তো নিজের স্বার্থের পরিপ্রেক্ষিতে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে। সুতরাং, আমাদের স্বার্থ আমাদেরই সংরক্ষণ করতে হবে। ভারত আমাদের তিন দিক বেষ্টন করে রয়েছে। ভারতের সঙ্গেই আমাদের থাকতে হবে, এটা বাস্তবতা। ভারতের অর্থনৈতিক উত্থানের সঙ্গে আমাদের জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রেখে সহযোগিতা করলে আমাদেরই লাভ। বাংলাদেশের স্বার্থকে যদি ভারতের কাছ থেকে আদায় করতে হয়, তাহলে আমাদেরও জাতীয় স্বার্থের বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এ ব্যাপারে সব দল ও অংশভাগীদের মধ্যে জাতীয় সমঝোতা জরুরি। জাতীয় ঐক্য ছাড়া এ ধরনের সহযোগিতায় কাঙ্ক্ষিত ফল আসে না।
চীনের প্রেসিডেন্ট যেদিন ভারতে গিয়েছেন, সেদিনই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিয়েছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা সেই ডামাডোলের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হলো। এতেই বোঝা যায়, বাংলাদেশ-ভারত যোগাযোগ কী পরিমাণ অসম। এ জন্যই আমাদের জাতীয় অবস্থানের যতগুলো শক্তিশালী দিক আছে, সেগুলোর চূড়ান্ত ও নিষ্ঠাবান ব্যবহারে আরও মনোযোগী হওয়া উচিত। ভারত একই সঙ্গে আমাদের জন্য সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ। কোনটা প্রাধান্য পাবে, তা নির্ভর করবে বাংলাদেশের সরকারগুলোর জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার ওপর। তা না করে যদি কোনো ক্ষুদ্র ও গোষ্ঠীস্বার্থকে সামনে আনি, তাহলে জাতীয় স্বার্থ প্রাধান্য পাবে না। তাতে আমাদের ক্ষতি হবে।
এম হুমায়ুন কবির: কূটনীতিক, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বজন মিলছে না পরিচয় শুধু একটি ছবি by রোকনুজ্জামান পিয়াস

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘গুলি করে দেব,এসপি স্যারের নির্দেশ আছে’ by ইকবাল আহমদ সরকার

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাক্ষ্য দিতে ভারত যাচ্ছেন ফেলানীর বাবা by মিজানুর রহমান মিন্টু
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগানিস্তানে মতৈক্যের সরকার
![]() |
| আশরাফ ঘানি,আবদুল্লাহ আবদুল্লাহ |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই জোটে চরম টানাপোড়েন
![]() |
| উদ্ধব ঠাকরে |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিলাওয়ালের কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্যে বাস্তবতা নেই
![]() |
| বিলাওয়াল |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইএসের কাছে জিম্মি হেনিংয়ের স্ত্রীর আকুতি
![]() |
| অ্যালান হেনিং |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুরবস্থায় পাঁচ রাষ্ট্রীয় ব্যাংক by শওকত হোসেন ও মনজুর আহমেদ

ব্যাংকগুলোর অবস্থা বেশি খারাপ হয়েছে গত ছয় বছরে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েই। এই সময়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকে বড় ধরনের আর্থিক কেলেঙ্কারি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা অর্থ আত্মসাতের জন্য বেছে নিয়েছেন জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংককে। আর বেসিক ব্যাংক তো পুরো সময়জুড়েই ছিল কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত। বিশ্বব্যাংক ২০১৩ সালের শেষে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে তৈরি করা এক প্রতিবেদনে বলেছে, বাংলাদেশে ব্যাংক খাত খারাপ হয়েছে ২০০৯ সাল থেকে।
গত ছয় বছরে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চার ব্যাংকের মধ্যে জনতা ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৮৫ শতাংশ, সোনালীর ৬৫ শতাংশ, অগ্রণীর ৪০ শতাংশ এবং রূপালীর খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৭ শতাংশ। সব মিলিয়ে এখন এই চার ব্যাংকের মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকা। এর বাইরে এই চার ব্যাংক প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ অবলোপন করে রেখেছে। আর গত প্রায় ছয় বছরে এই চারটি ও বেসিক ব্যাংকে ঋণের নামে আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা।
সরকারি ব্যাংকগুলোতে এখন নতুন ঋণও যেভাবে খেলাপি হচ্ছে, তা-ও উদ্বেগজনক বলেই মনে করে বাংলাদেশ ব্যাংক। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চারটি ব্যাংকের ওপর করা একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, কেবল ২০১৩ সালেই সোনালী ব্যাংকের নতুন খেলাপির পরিমাণ চার হাজার ২৬৬ কোটি টাকা, জনতায় তিন হাজার ৩৯২ কোটি, অগ্রণী ব্যাংকে দুই হাজার ৬৯২ কোটি এবং রূপালী ব্যাংকে নতুন খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৬৪৯ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে এই চার ব্যাংকে মাত্র এক বছরেই নতুন করে খেলাপি ঋণ তৈরি হয়েছে ১০ হাজার ৯৯৭ কোটি টাকা।
মূলত শুরু থেকেই ব্যাংকগুলোকে সরকার চালিয়েছে দলীয় স্বার্থে ও রাজনৈতিক বিবেচনায়। দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সুবিধা দেওয়ার জন্য ব্যাংকগুলোকে ব্যবহার করা হয়েছে। একদিকে সরকারের নিয়োগ দেওয়া পর্ষদ, অন্যদিকে রাজনৈতিক বিবেচনায় ঋণ—সব মিলিয়ে দেশের সবচেয়ে খারাপ ব্যাংকে পরিণত হয়েছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচটি ব্যাংক। অসৎ ব্যবসায়ীরাও অর্থ আত্মসাতের জন্য বেছে নিয়েছেন সরকারি ব্যাংকগুলোকেই।
অথচ ছয় বছর আগেও দেশের অন্যতম সেরা ভালো ব্যাংক ছিল বেসিক। সরকারও যে ভালোভাবে ব্যাংক চালাতে পারে, তার উদাহরণ ছিল বেসিক ব্যাংক। এই ব্যাংকটিকেও ধ্বংস করে দিয়েছে এর মালিকই।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ এ বিষয়ে নিজের মতামত দিয়ে বলেন, ‘যেহেতু সরকার ব্যাংকগুলোকে সামলাতে পারছে না, রক্তক্ষরণের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে, তাই আমি মনে করি যে সোনালীকে হাতে রেখে অন্য ব্যাংকগুলোকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া উচিত হবে।’
জিয়া ও এরশাদের আমলে ঋণের নামে অর্থ লুটপাটের কারণে সরকার নব্বইয়ের দশকের শুরুতেই রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চারটি ব্যাংক টিকিয়ে রাখতে পাঁচ হাজার কোটি টাকা মূলধন দিতে বাধ্য হয়েছিল। সে সময় এই অর্থ দেওয়া হয়েছিল বন্ড আকারে। সেই মূলধন সরবরাহের ধারায় আবার ফিরে এসেছে সরকার। সম্প্রতি ব্যাংক চারটিকে মূলধন হিসেবে নগদ চার হাজার ১০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে এ অর্থ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, সাধারণ মানুষের আমানত নষ্ট করার পর আবার সেই সাধারণ মানুষের করের টাকাই দেওয়া হয়েছে ব্যাংকগুলোকে।
যোগাযোগ করা হলে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান নিজের অভিজ্ঞতা থেকে প্রথম আলোকে বলেন, ১৯৯১ সাল থেকে এই ব্যাংকগুলোকে মূলধন জোগান দিয়ে আসছে সরকার। কিন্তু এর যেন কোনো শেষ নেই। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাহেব এত দিনে এসে বলছেন যে ব্যাংকগুলোর পর্ষদে কোনো রাজনৈতিক নিয়োগ হবে না। কিন্তু তিনি মাঝখানে কীভাবে সেই নিয়োগ দিয়েছিলেন? বিশ্বের কোনো দেশেই এ ধরনের নিয়োগ কোনো ইতিবাচক ফল দেয়নি। তাহলে তিনি কোন যুক্তিতে কী পরীক্ষা করতে গেলেন?’ আকবর আলি খান দীর্ঘদিন অর্থসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোর সমস্যা হচ্ছে শাসনকাঠামোতে। সেখানেই ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি পরিষ্কারভাবে ব্যাংকগুলোকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিতে সরকারকে পরামর্শ দেন।
১০ বছর আগে অন্তত তিনটি ব্যাংক বেসরকারীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ জন্য ৩৯ কোটি ডলার ব্যয়ে একটি প্রকল্পও বাস্তবায়ন করা হয়, যা বর্তমান টাকার হিসাবে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি। এর আওতায় বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোকে কোম্পানি হিসেবে গঠন করা হয়। কিন্তু এরপর আর কিছু হয়নি।
বিশ্বব্যাংক ও যুক্তরাজ্য সরকারের সাহায্য সংস্থা আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিভাগ বা ডিএফআইডির অর্থায়নে ‘শিল্প প্রবৃদ্ধি ও ব্যাংক আধুনিকীকরণ’ নামের প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল ২০০৪ সালের জুনে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মূলত তিনটি পন্থায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক নিয়ে কাজ শুরু হয়েছিল। দাতাদের পরামর্শ ছিল, সরকারের মালিকানায় কোনো ব্যাংক রাখারই প্রয়োজন নেই। তবে সরকারের ট্রেজারি ব্যাংক হিসেবে কাজ করে বলে সোনালী ব্যাংক সরকারের মালিকানায়ই থাকবে। রূপালী ব্যাংক বেসরকারীকরণ হবে সবার আগে। পাশাপাশি জনতা ও অগ্রণী ব্যাংককে তৈরি করা হবে বেসরকারীকরণের উপযুক্ত হিসেবে। তার পরই এই ব্যাংক দুটিকে বেসরকারি হাতে ছেড়ে দেওয়া হবে।
এ জন্য তিন ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। যেমন, সোনালী ও জনতায় নিয়োগ দেওয়া হয় একদল পরামর্শক, অগ্রণী ব্যাংকে বসানো হয় নতুন ব্যবস্থাপনা টিম এবং রূপালী ব্যাংক বিক্রি করে দেওয়ার জন্য দায়-দেনার হিসাব প্রস্তুত করতে নিয়োগ করা হয় একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। এ জন্য তিন ব্যাংক থেকে কেবল পরামর্শকেরাই নিয়ে যান ১৩০ কোটি টাকা।
এত অর্থ খরচ করার পরও প্রকল্পের কোনো সিদ্ধান্তই বাস্তবায়িত হয়নি। সরকার বদল হওয়ায় সিদ্ধান্তগুলোও বদলে যায়। বেসরকারি হাতে ছেড়ে না দিয়ে সরকার নতুন করে পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে। দলীয় কর্মীদের নিয়োগ দেওয়া হয়। ব্যাংকগুলো দেখভাল করার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে গঠন করা হয় একসময়ে বাতিল করা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। এর পরই ব্যাংকগুলোর অবস্থা ক্রমশ খারাপ হতে থাকে। যে খারাপ পরিস্থিতিতে প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছিল, ব্যাংকগুলো এখন সেই পরিস্থিতিতেই ফিরে গেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, ’৯০ সালের দিকে এই ব্যাংকগুলোর চেহারা সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। তখন বিশ্বব্যাংক ঢাকায় এসে ব্যাংকগুলোতে বসে ব্যাপক সংস্কারের তদারক করে। সামরিক স্বৈরাচার এরশাদ আমলে এই ব্যাংকগুলোতে ভীতিকর, ভয়ংকর পরিস্থিতি হয়েছিল। এখন সেদিকেই যাচ্ছে মনে হয়। এর কারণ সরকার ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদে সঠিক লোক নিয়োগ দিতে পারেনি।
ব্যাংক খাতের এই বিশেষজ্ঞ ভারতের সাম্প্রতিক একটি ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেন। ঘুষ নিয়ে গ্রাহককে সীমার বেশি ঋণ দিয়েছিল ভারতের সিন্ডিকেট ব্যাংক। এই অভিযোগে গত আগস্ট মাসে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এই সিন্ডিকেট ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সুধীর কুমার জৈন, তাঁর শ্যালকসহ সন্দেহভাজন অন্তত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে ভারতের পুলিশি তদন্ত সংস্থা সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)। অভিযোগ হলো, সুধীর কুমার মনমোহন সিংয়ের আমলে ৫০ লাখ রুপি (বাংলাদেশি টাকায় মাত্র ৬৩ লাখ ৬৪ হাজার) ঘুষ নিয়ে দুটি কোম্পানিকে ঋণসীমার চেয়ে বেশি ঋণ দিয়েছিলেন।
অথচ দেশে বেসিক ব্যাংকে সব ধরনের নিয়মনীতি ভঙ্গ করে অন্তত সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বেসিক ব্যাংকের এমডি কাজী ফখরুল ইসলামকে শুধু দুই বছরের জন্য অপসারণ করেছে আর অর্থ মন্ত্রণালয় কেলেঙ্কারির মূল ব্যক্তি বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই ওরফে বাচ্চুকে ‘সম্মানজনক’ বিদায় দিয়েছে।
৪ ব্যাংকের মোট খেলাপি ১৯ হাজার কোটি টাকা
৬ বছরে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির হার
জনতা ব্যাংক ৮৫%
সোনালী ব্যাংক ৬৫%
অগ্রণী ব্যাংক ৪০%
রূপালী ব্যাংক ১৭%
সরকারের বিশেষায়িত বেসিক ব্যাংকে ঋণের নামে আত্মসাৎ ৪৫০০ কোটি টাকা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেরানির ছেলে বিখ্যাত ইংরেজ উপন্যাসিক! by ইমরান আলী

তার উল্লেখযোগ্য রচনাসমূহের মধ্যে আছে- স্কেচেস বাই বজ, দি ওল্ড কিউরিসিটি শপ, অলিভার টুইস্ট, নিকোলাস নিকোলবি, আ টেল অব টু সিটিজ, হার্ড টাইমস, আওয়ার মিউচুয়াল ফ্রেন্ড, দ্য পিকউইক পেপারস ইত্যাদি। ইংরেজি ১৮৮২তে ইংল্যান্ডের হাম্পশ্যায়ারে জন্ম নেয়া এই উপন্যাসিকের মৃত্যু হয় ১৮৭০-এ। ফিলাডেলফিয়াতে নির্মিত আছে চার্লস ডিকেন্সের স্মরণে স্ট্যাচু অব ডিকেন্স।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কৌশল বদলে ফের কিডনি কেনাবেচা by তৌহিদুল ইসলাম লায়নর

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার ২৩ গ্রামের আরও অন্তত ৩৭ জন ঋণগ্রস্ত-অভাবী মানুষ হফ্কা ঋণ (দাদন) ব্যবসা ও এনজিও’র ঋণের কিস্তির ফাঁদে পড়ে নিরুপায় হয়ে বিদেশে গিয়ে তাদের দেহের মূল্যবান সম্পদ কিডনি ও যকৃৎ বিক্রি করেছেন। তবে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিখোঁজ রয়েছেন নারী-পুরুষ মিলে আরও অন্তত ১২ জন। কিডনি ব্যবসায় এখন কৌশল বদল করেছে দালালরা। এবার কিডনি বিক্রেতাদের নাম ঠিক রেখে পরিবর্তন করা হচ্ছে মূল ঠিকানা। ব্যবহার করা হচ্ছে ভুয়া বাবা-মায়ের নাম। কিডনি গ্রহীতার সঙ্গে বিক্রেতার রক্তের সম্পর্ক দেখিয়ে নেয়া হচ্ছে কিডনি গ্রহীতাদের স্ব-স্ব এলাকার ইউনিয়ন/পৌরসভা থেকে কিডনি বিক্রেতার জন্মনিবন্ধন ও নাগরিকত্ব সনদ। এ ছাড়া তৈরি করা হচ্ছে ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র। পাসপোর্ট প্রস্তুতের সময় পুলিশ পরিদর্শন প্রতিবেদন দাখিলের আগে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে কিডনি বিক্রেতাদের পরিবর্তিত নতুন ঠিকানায় সশরীরে উপস্থিত দেখানো হয়।
এদিকে প্রশাসনের যথাযথ মনিটরিং না থাকায় জামিনে থাকা মূল হোতাসহ নতুন নতুন দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অভিনব কৌশলে কিডনি কেনাবেচার অভিযোগ উঠেছে। আগের চেয়ে বেশি দামে কিডনি কেনার লোভ দেখিয়ে নতুন দালালরা গোপনে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম-মহল্লার ঋণগ্রস্ত অভাবী ও খেটে খাওয়া মানুষের এখন নিত্যদিন এলাকা ছাড়া করার অপতৎপরতা চালাচ্ছে। সরজমিনে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী- পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কিডনি বিক্রি দালাল চক্রের মূল হোতা কালাই উপজেলার আবদুস সাত্তার, ঢাকার তারেক আজম, মাহমুদ, সন্ত্রাসী কবির, সিরাজগঞ্জের মকবুল ও বাগেরহাটের সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে নতুনভাবে কিডনি কেনাবেচার দালালি শুরু করেছে কালাই উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের তাজুল ইসলাম, হেলাল, গাজী, নয়াপাড়া গ্রামের নূরনবী, বোড়াই গ্রামের উঁকুন খোরশেদ, টাকাহুত গ্রামের মোশাররফ, শফি, রাসেল ও শাহিন, জয়পুর বহুঁতি গ্রামের মোস্তফা ও আবদুল মান্নান, নওয়ানা গ্রামের মোশারফ ও নারায়ণগঞ্জের মকবুলসহ অনেকে। তবে মামলা ও প্রচার মাধ্যমের সুবাদে দেশজুড়ে হইচই শুরু হওয়ার আগে যারা কিডনি বিক্রি করেছিল, তাদের অধিকাংশেরই কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল দেশের ঢাকাস্থ সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে। কিন্তু বর্তমানে দেশের কোন হাসপাতালে কিডনি প্রতিস্থাপন না করার কারণে কিডনি বিক্রেতারা ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে অবস্থিত কলম্ব এশিয়া হাসপাতাল, রবীন্দ্র-দেবীশেটি হাসপাতাল, মেডিকা হাসপাতাল ও সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে তাদের কিডনি প্রতিস্থাপন করছেন। নারায়ণগঞ্জের দালাল মকবুলের মাধ্যমে ভারতে কিডনি বিক্রি করতে গিয়ে দরদামে বনিবনা না হওয়ায় ফিরে এসেছেন কালাই উপজেলার বৈরাগী হাটের রিপন ও দুর্গাপুর গ্রামের পল্লী চিকিৎসক আমিনুল ইসলাম।
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার অভাবী মানুষ গত ৬ মাসে ফের নতুনভাবে কিডনি বিক্রি করেছেন অভিনব কৌশলে কিডনি গ্রহীতার সঙ্গে বিক্রেতার রক্তের সম্পর্ক দেখিয়ে নাম ঠিক রেখে মূল ঠিকানা, বাবা-মায়ের নাম, পাসপোর্ট ও ডাক্তারি ব্যবস্থাপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে। এমন কয়েকজনের জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট পর্যবেক্ষণকালে নানা অসঙ্গতি দেখা গেছে। এমন কয়েকজন হলেন কালাই উপজেলার বোড়াই গ্রামের মোকাররম, বিনইল পশ্চিম গুচ্ছগ্রামের জবুনা বেগম, সিমরাইল গ্রামের আবদুর রহিম ও উলিপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা আজাদুল। জবুনাকে খুলনা বসুপাড়া এতিমখানা রোডের এবং আবদুর রহিমকে ফেনি সদরের স্থায়ী বাসিন্দা দেখানো হয়েছে। তবে আজাদুলের পাসপোর্টে তার প্রকৃত নাম ও ঠিকানার পরিবর্তন করে ব্যবহার করা হয়েছে মো. আজাদ হোসেন। স্থায়ী ঠিকানা দেখানো হয়েছে জাপান গার্ডেন সিটি বাংলাদেশ-১। অন্যজন হলেন কালাই উপজেলার বোড়াই গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা জোসনা বেগম। জোসনার পাসপোর্ট ও ডাক্তারি ব্যবস্থাপত্রে তার প্রকৃত নাম ও ঠিকানার পরিবর্তন করে ব্যবহার করা হয়েছে মাহফুজা বেগম। স্থায়ী ঠিকানা দেখানো হয়েছে সালামাইদ, গুলশান, ভাটারা, ঢাকা-১২১২। কালাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম-মহল্লার নতুন করে কিডনি বিক্রির তালিকায় আছেন বোড়াই গ্রামের মোকাররম হোসেন, বেলাল উদ্দীন ও তার স্ত্রী জোসনা বেগম; বিনইল পশ্চিম গুচ্ছগ্রামের জবুনা বেগম, সিমরাইল গ্রামের আবেদুর রহমান, ইসলাম মিয়া, আবদুর রহিম, এনামুল, সাকোয়াত ও মোত্তালেব, আরবাব গ্রামের আফজাল, পাইকপাড়া গ্রামের শহীদুল ইসলাম, রঘুনাথপুর গ্রামের জাকারিয়া, ভেরেণ্ডির শফিক ও শাহারুল, পাইকপাড়া গ্রামের শহিদুল, দুর্গাপুরের রাজিয়া, বৈরাগিরহাটের তোফাজ্জল, ভূসা গ্রামের মানিক, আঁকলাপাড়া গ্রামের আনোয়ার, টাকাহুত গ্রামের সেলিনা, উলিপুর গ্রামের আজাদুল ইসলাম ও ছারভানু; কুসুমসাড়ার মোস্তফা, জয়পুর বহুঁতি গ্রামের গোলাম হোসেনের মেয়ে শাবানা ও খাদিজা, ফুলপুকুরিয়া গ্রামের মুসা, সুড়াইল গ্রামের সাইফুল ও কালাই পৌরসভার থুপসাড়া মহল্লার বিপ্লব হোসেন ফকির। এ ছাড়া কিডনি বিক্রি উদ্দেশ্যে নিরুদ্দেশ রয়েছেন বিনইল পশ্চিম গুচ্ছগ্রামের মরিয়ম, মেরিনা, শেফালি, ইঁটাতলা গ্রামের মোজাহারের স্ত্রী, বোড়াই গ্রামের তানজিমা, দুর্গাপুর গ্রামের আনোয়ার, সুজাউল, শাহেনা, সেলিনা ও শাওনী, জয়পুর বহুঁতি গ্রামের জাহেদা বেগম ও বায়েজিদ; পাইকপাড়ার ছাইদুরসহ অনেকে। অন্যদিকে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের যকৃৎ বিক্রিকারী মেহেদুলের বুকের কাটা অংশ এখনও জ্বালা-পোড়া করে বলে তিনি জানান।
কিডনি বিক্রেতা বিনইল পশ্চিম গুচ্ছগ্রামের জবুনা বেগম জানান, অভাবের কারণে স্বামী ও তিন সন্তাকে নিয়ে অর্ধাহারে, অনাহারে দিন কাটতো তাদের। এ জন্য দাদন ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন ‘এনজিও’তে অনেক টাকা ঋণ হয়। দাদন ব্যবসায়ীর সুদের টাকা ও ‘এনজিও’র কিস্তির টাকা যোগাড় করতে তাদের হিমশিম খেতে হয়। নিরুপায় হয়ে একদিন তার স্বামী ঢাকার উদ্দেশে পাড়ি জমান। স্বামীর খোঁজে ঢাকায় মিরপুরের একটি বাসায় ঝিয়ের কাজ করতে যান জবুনা। এ সময় পার্শ্ববর্তী বাসার ভাড়াটিয়া সেলিমের ঝিয়ের সঙ্গে যবুনার পরিচয় হয়। সে জবুনাকে তার মালিক সেলিমের কিডনি নষ্টের কথা বলে। সে আরও বলে, কেউ কিডনি বিক্রি করলে তার মালিক মোটা দামে তা কিনে নেবে। দেনা শোধের এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে জবুনা তার কিডনি ভারতের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-দেবী শেঠি হাসপাতালে গিয়ে প্রতিস্থাপন করেন।
নয়াপাড়া গ্রামের ভুট্টুর ছেলে তাজুলের মাধ্যমে ভারতের মেডিকা হাসপাতালে গিয়ে ৪ লাখ টাকার চুক্তিতে কিডনি বিক্রেতা পাইকপাড়া গ্রামের শহিদুল জানান, দালাল তাজুলের মাধ্যমে ঋণের দায়ে ৪ লাখ টাকায় কিডনি বিক্রি করলেও তিনি পেয়েছেন মাত্র দেড় লাখ টাকা। বাকি আড়াই লাখ টাকা গেছে দালালের পেটে।
কিডনি বিক্রেতা সিমরাইল গ্রামের আবদুর রহিম জানান, মোসলেমগঞ্জ বাজারের কয়েকজন দাদন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নেয়া ছিল ৪০ হাজার টাকা, ৩টি এনজিও’ থেকে ঋণ নেয়াছিল ৬০ হাজার টাকা। তাই হফ্কা ঋণ ও এনজিও’র কিস্তির চাপে পড়ে তিনি ঢাকায় গিয়ে রিকশা চালাতেন। বাড়িতে স্ত্রীসহ ৩ কন্যা ছিল। ঢাকায় একজনের সঙ্গে পরিচয় হলে ৩ লাখ টাকার চুক্তিতে ভারতের দেবীশেটি হাসপাতালে গিয়ে রহিম তার কিডনি বিক্রি করে ৪ মাস পরে বাড়ি ফিরেন।
আড়াই বছর আগে কিডনি বিক্রি করেছেন এমন একজন হলেন উপজেলার উতরাইল গ্রামের মিজান। তিনি জানান, বছর দুই আগে বৈরাগীর হাট মোরে ডিসি, এসপি, সিভিল সার্জনসহ ঢাকার বড় চিকিৎসকরা মিটিং করে চিকিৎসাসেবাসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেন। শারীরিক সমস্যা হলে জয়পুরহাট জেলা সদর হাসপাতালে বিনা খরচে চিকিৎসা করার কথা জানান। কিডনি দেয়াতে মাঝেমধ্যে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়ে জয়পুরহাট জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা চিকিৎসার পরিবর্তে তার সঙ্গে বিদ্রূপ করেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্কটল্যান্ডে গণভোট- স্বাধীনতার স্বপ্ন মরে না!

তবে ভোটের পরে নিউ ইয়র্ক টাইমসের সার্জ স্কিম্যান একটি অসাধারণ মন্তব্য করেছেন, ‘স্বাধীনতার পথে যাওয়ার বিতর্ক ও ভোটাভুটির পুরোটাই সভ্য, শান্তিপূর্ণ এবং গণতান্ত্রিক আলাপ-আলোচনার মধ্যেই সীমিত থেকেছে। আর এ গণভোট একটি কৌতূহলোদ্দীপক প্রশ্ন তুলেছে যে বিশ্বায়িত এ পৃথিবীতে জাতীয় পরিচয়সত্তার প্রতি অনুগত থাকার শক্তি কতখানি? কিন্তু যা-ই ঘটে থাকুন না কেন, কোন রাজনৈতিক দল গণভোটে কারচুপির আশঙ্কা করেনি।’ স্কিম্যান এমনকি মন্তব্য করেন যে, ‘ইউক্রেনে যেমনটা সম্প্রতি দেখা গেছে সে রকম সীমান্তের ওপার থেকে এসে কেউ স্বাধীনতা বিরোধীদের হুমকি দিয়ে যায়নি।’
ঢাকাতেও স্কটল্যান্ডের গণভোট বিরাট আগ্রহ-উদ্দীপনার জন্ম দিয়েছে। তরুণ প্রজন্ম হয়তো সেখানে থেকে এই শিক্ষা নিতে পারে যে, একটি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ব্যবস্থা একটি জাতির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের মতোই অসামান্য তাৎপর্যপূর্ণ। প্রায় সমগোত্রীয় বৃটিশ ও স্কটিশরা স্বাধীনতার প্রশ্নে সঙ্কীর্ণ অর্থে বিভক্ত হয়ে পড়েনি। গণভোটের ফলের পরে স্বাধীনতাকামী তরুণরা বিষণ্ন বদনে বসে থেকেছে। কিন্তু তারা দাঙ্গা করেনি। দোকানপাট কিংবা গাড়িবাড়িতে আগুন দেয়নি।
বাংলাদেশী পর্যবেক্ষকদের অনেকেই একমত যে, একটি বিশ্বাসযোগ্য ভোট ব্যবস্থা জাতীয় সঙ্কট উতরাতে সাহায্য করতে পারে। যা কোন বিদেশী বন্ধুত্ব বা সাহায্য নিশ্চিত করতে পারে না। যদি একটি অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য ভোট ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়, তাহলে দেশের অখণ্ডতার মতো সিদ্ধান্তও সেখান থেকে লাভ করা সম্ভব। অহেতুক বিতর্কে জড়িয়ে দেশকে বিভক্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকতে হয় না।
অবশ্য স্কটিশ স্বাধীনতাকামী নেতা স্যালমন্ড কেবল ভোটের রাজনীতি মানে সাংবিধানিক পথেই বিশ্বাসী ছিলেন। গণভোটের প্রশ্ন ছিল সোজা সাপ্টা- স্বাধীনতা চান কি চান না? ডেভিড ক্যামেরন জেনারেল ইয়াহিয়া খান হতে চাননি। ক্যামেরন সততার সঙ্গে বলেছেন, হে স্কটিশবাসী, তোমাদের ‘ছয় দফা’ আমি মানলাম। আমাদের সঙ্গে থাকলে তোমাদের স্বায়ত্তশাসন দেবো।
স্বাধীন স্কটল্যান্ডের স্বপ্ন দেখেছিলেন তরুণ প্রজন্ম। তারা বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ছিলেন না। ছাত্র ধর্মঘটের মুখে তারা জনজীবন অচল করেননি। বেশির ভাগই প্রান্তিক মানুষজন, যেমন চাষি বা মৎস্যজীবী। নতুন রাষ্ট্র হলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে কিছু অতিরিক্ত সুবিধা পেতেন তারা। আবেগপ্রবণ তরুণ প্রজন্মের কাছে আবার স্বাধীনতার স্বপ্নই সব চেয়ে দামি। কেউ বলেছেন, মাথা বনাম হূদয়ের লড়াইয়ে প্রবীণদের হিসাবি পদক্ষেপই শেষ পর্যন্ত এত বড় তফাৎটা গড়ে দিল। এতটা ব্যবধান কেউ ভাবেনি। মোট ভোটারের ৫৫% আস্থা ঐক্যবদ্ধ বৃটেনে। স্বাধীনতার পক্ষে ভোট পড়েছে ৪৫%। রাজধানী এডিনবরায় না-পন্থিরা যে জিতবেন, তা স্পষ্টই ছিল। তেমনই ডান্ডি, গ্লাসগোয় স্বাধীনতার পক্ষেই যে বেশি ভোট পড়বে, তা-ও ছিল প্রত্যাশিত।
শহরের কেন্দ্রস্থলে ওয়েস্ট পার্লামেন্ট স্কোয়ার। সেখানে একটি ভাস্কর্যের মাথায় কে একটা স্কটিশ নীল পতাকা চাপিয়ে দিয়ে গিয়েছে। মূর্তির নিচের দিকে কেউ চক দিয়ে লিখে গিয়েছিল ‘ফ্রিডম ফ্রম দ্য টিরানি অব ওয়েস্টমিনস্টার’- ওয়েস্টমিনস্টারের দুঃশাসন থেকে মুক্তি চাই!
স্কটল্যান্ডবাসীই স্বাধীনতার বিপক্ষে ভোট দিয়ে বৃটেনের ৩০৭ বছরের জোট টিকিয়ে রাখলেন। আগের সমস্ত রেকর্ড ধুয়ে মুছে ভোট পড়ে প্রায় ৩৬ লাখ। যা মোট ভোটারের ৮৫ শতাংশ।
ফল বেরোনোর পর থেকেই যে প্রশ্নটা সব জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছে তা হলো, একুশ শতকে এভাবে স্বাধীনতার সুযোগ কেন হাতছাড়া করলেন স্কটল্যান্ডবাসী? ভোটের হিসাব বলছে, এ ঐতিহাসিক গণভোটে গ্রাম-শহরের ফারাক প্রকট হয়ে উঠলো আরও।
শহুরে মধ্যবিত্ত, যারা ইতিমধ্যেই সমাজে প্রতিষ্ঠিত, কোনও রকম অনিশ্চয়তার পথে পা বাড়াতে রাজি নন তারা। তারা উঠতি মধ্যবিত্ত হলে ফলটা পাল্টে যেতো। কোন ২২ পরিবার ছিল না। স্কটিশ জনসংখ্যার একটা বড় অংশজুড়ে রয়েছেন বিদেশ থেকে আসা অভিবাসীরা। রয়েছেন অসংখ্য দক্ষিণ এশীয়। বাংলাদেশী বংশোদ্ভূতরাও আছেন। স্বাধীনতার সঙ্গে একাত্মবোধ করার সুযোগ যেমন তাদের কম, তেমনই চেনা-পরিচিত কাঠামো ছেড়ে নতুনের সন্ধানে যাওয়াটাও বেশ ঝুঁকির।
বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন অটোনমি কার্ড খেলেছেন। স্কটল্যান্ড আলাদা হয়ে গেলে দায় ঘাড়ে নিয়ে হয়তো পদ ছাড়তে হতো তাকে। একাত্তরে ইয়াহিয়াকে গদি ছাড়তে হয়েছিল। ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে ক্যামেরন বলেন, “স্কটল্যান্ডবাসী রায় জানিয়েছেন। আমি খুশি। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আরও কাছাকাছি আসতে হবে আমাদের। স্কটল্যান্ডবাসীর কথা শুনেছি। এ বার ইংল্যান্ডের বাসিন্দাদের কথা শোনার সময় এসেছে।” ভবিষ্যতে কর, উন্নয়ন, অর্থব্যয় কিছু কিছু প্রশ্নে স্কটল্যান্ডের হয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সেখানকার পার্লামেন্ট। একই বিষয়ে এ রকম সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা থাকুক ইংল্যান্ড, উত্তর আয়ারল্যান্ড ও ওয়েলসের পার্লামেন্টেরও, চান ক্যামেরন।
স্কটিশ স্বাধীনতার নেতা অ্যালেক্স স্যামন্ড নিরবে হার স্বীকার করে নিয়েছেন। স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার (স্থানীয় সরকারের প্রধান) এ অ্যালেক্স স্যামন্ড। ফল প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পরেই জানিয়ে দেন, মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন। তার দল স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির (এসএনপি) নেতা হিসেবেও পদত্যাগ করবেন তিনি। তার কথায়, “স্বাধীন স্কটল্যান্ডের জন্য প্রচার শেষ হয়নি। স্বপ্নের কখনও মৃত্যু হতে পারে না।” আগামী নভেম্বরে দলের জন্য যোগ্য উত্তরসূরি খুঁজে পাওয়ার পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করবেন স্যামন্ড। তবে তারা হার থেকে শিক্ষা নেবেন না ইউরোপীয় অঞ্চল কাটালোনিয়া-র স্বাধীনতাকামী নেতা আর্তুর মাস। তিনি বলেন, স্পেনের প্রচণ্ড বিরোধিতা সত্ত্বেও তিনি আগামী ৯ই নভেম্বরে স্বাধীনতার জন্য গণভোটের ডাক দেবেন।
বৃটেনের অঙ্গহানি হচ্ছে না, এ খবর পাওয়া মাত্র তার প্রভাব পড়ে অর্থনীতিতে। ইউরো আর ডলারের তুলনায় পাউন্ডের দাম বাড়তে থাকে হু হু করে। গত দু’বছরের মধ্যে পাউন্ডের দাম ইউরোর তুলনায় এতটা বেশি বাড়লো। জোট ভেঙে গেলে রয়্যাল ব্যাঙ্ক অব স্কটল্যান্ড তাদের মূল দপ্তর সরিয়ে নিয়ে যাবে ভেবেছিল। কিন্তু এবার আর তার দরকার নেই, জানিয়ে দিয়েছেন ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। স্কটল্যান্ডবাসীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউরোপীয় কমিশনের সদস্যরা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিঠামইন থেকে বঙ্গভবনের রোডম্যাপ by কাজী সোহাগ

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক চট্টগ্রাম বন্দর দুই ক্ষুব্ধ নেতা by মহিউদ্দীন জুয়েল

মহিউদ্দিন চৌধুরীর নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের মহিউদ্দিন চৌধুরী চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষায় ১০ দফা দাবি দিয়েছিলেন। আমরা তার সঙ্গে বসেছিলাম। তিনি আলোচনায় দাবিগুলোর ব্যাপারে কোন জবাব দিতে পারেননি। এবারও তিনি ১০ দফা দাবি দিয়েছেন। ওনার দাবিগুলো অযৌক্তিক।
শাজাহান খান আরও বলেন, আমি বুঝি না কেন বলা হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর মাফিয়াদের হাতে চলে যাচ্ছে। এসব কথাবার্তা ঠিক নয়। যারা বলছে, তাদের উদ্দেশ্য কি তা বুঝতে পারি না। যদি এভাবে চলতে থাকে তাহলে বিদেশ থেকে জাহাজ আসা বন্ধ হয়ে যাবে। এই বন্দর নিয়ে সারা বিশ্বে যে ভাবমূর্তি গড়ে উঠেছে তা নষ্ট হয়ে যাবে। মাফিয়ারা মানুষ খুন করে। মাফিয়ারা মাদক ব্যবসা করে। মাফিয়ারা অর্থ পাচার করে। এখানে কি এসব হচ্ছে?
অনুষ্ঠানে এই সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মনজুর আলম, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালামসহ একাধিক রাজনৈতিক নেতা।
অনুষ্ঠান শেষে নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান মানবজমিনকে বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর চট্টগ্রাম বন্দর অনেকখানি এগিয়ে গেছে। এই প্রতিষ্ঠানকে অধিক গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। কারও প্রতি আমার কোন রাগ নেই। তবে মাঝে মাঝে খুব অভিমান হয়। যখনই কোন সিদ্ধান্ত নিতে যাই তখনই হঠাৎ করে বাধা চলে আসে। তবে এ সব বাধা আমি ভয় পাই না। আমি আমার কাজ করে যাবো।
মহিউদ্দিন চৌধুরী প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তিনি একজন বর্ষীয়ান নেতা। তার সঙ্গে আমার কোন বিরোধ নেই। তবে বন্দর নিয়ে তার যুক্তির সঙ্গে কিছুক্ষেত্রে আমার দ্বিমত রয়েছে। তিনি যেসব দাবি কিংবা অভিযোগ দিয়েছিলেন তা ঠিক নয়। এখানে কেউ যদি রাগও হয় তা আমার করার কিছু নেই। আমরা তার দেয়া ১০ দফা দাবি খতিয়ে দেখেছি। এগুলোর সত্যতা নেই।
মন্ত্রী বলেন, বন্দর রক্ষায় আবারও ১০ দফা দিয়েছেন তিনি। তাকে আহ্বান করবো আন্দোলনের প্রয়োজন নেই। আসুন, বসুন, আলোচনা করি। আমি আলোচনায় বিশ্বাস করি। রাস্তায় কিছু না বলে আলোচনায় আসুন। আপনার যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়ন করবো ইনশাআল্লাহ। কিন্তু আপনার অযৌক্তিক দাবিগুলো আমরা দেখিয়ে দিয়ে বলবো এটি সঠিক নয়।
বন্দর নিয়ে শাজাহান খান বিচলিত না হলেও ভীষণ চিন্তিত সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী। ক্ষমতাসীন দলের এই প্রভাবশালী নেতা চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা পরিষদের ব্যানারে গত ৩ মাস ধরে সমাবেশ, অনশনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন। বন্দরের নানা অনিয়ম ও শর্ত ভঙ্গ করে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কাজ দেয়ার অভিযোগে তিনি কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এর অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে বন্দরের শ্রমিকদের নিয়ে বিশাল সমাবেশও করেছেন। আর এই কাজটি করতে গিয়েই দূরত্ব তৈরি হয়েছে শাজাহান খানের সঙ্গে।
কিছুদিন আগে প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই বিষয়ে মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে কেউ রাজনীতি করলে পরিণাম ভাল হবে না। সাইফ পাওয়ারটেক নামের একটি প্রতিষ্ঠান বন্দরে কিভাবে কাজ করছে তা আমার বোধগম্য নয়। আমি জানি, তারা অবৈধভাবে সেখানে আছে। চুক্তিভঙ্গ করে তারা বন্দরকে জিম্মি করে রেখেছে। ওদেরকে শেল্টার দিচ্ছেন ঘাপটি মেরে থাকা একটি প্রভাবশালী মহল। তারা নতুনভাবে রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন।
বক্তব্যে মহিউদ্দিন চৌধুরী শেল্টার কিংবা কোন ধরনের ব্যবস্থা না নেয়ার যে কথা তুলে ধরেছেন তা নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দিকে ইঙ্গিত করেছেন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এই নিয়ে শাজাহান খানের ওপরও তার ভীষণ রাগ বলে দলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে। সাইফ পাওয়ারটেক নামের ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই অবস্থান নিয়েছেন এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তার অভিযোগ, গত ৮ বছর ধরে একচেটিয়া চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডলিং কাজ সম্পূর্ণ অবৈধভাবে হাতে রেখে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে এই প্রতিষ্ঠান।
গত ২৫শে আগস্ট চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত ওই সংবাদ সংবাদ সম্মেলনে এই বিষয়ে আরও কথা বলেন বর্তমান নগর আওয়ামী লীগের এই সভাপতি। তিনি হুঙ্কার দিয়ে বলেন, বন্দর অচলের কাজে যদি কেউ সাইফ পাওয়ারটেককে প্রশ্রয় দেয় তাহলে আমরা শ্রমিকদের নিয়ে তাদের প্রতিহত করবো। কিছুতেই দেশের স্বর্ণদ্বার বন্দরকে কুক্ষিগত হতে দেবো না। এই নিয়ে কোন ধরনের রাজনীতি চলবে না। ওই প্রতিষ্ঠান বন্দরের অনেক টাকা নিয়ে চলে যাচ্ছে। এতে বন্দরের সঙ্গে জড়িত সব লোকজন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা একটি মাফিয়া। আমি এই মাফিয়াদের হাত থেকে চট্টগ্রামের মানুষকে বাঁচাতে আন্দোলন শুরু করেছি। এই বিষয়ে মহিউদ্দিন চৌধুরী মানবজমিনকে বলেন, আমি ফেয়ার রাজনীতি করি। অন্যায়কে কখনওই প্রশ্রয় দেই না। বন্দরে কোন ধরনের অন্যায় কাজ চলবে তা আমি হতে দেবো না। নগর আওয়ামী লীগের একটি সূত্র জানায়, শাজাহান খানের কাছে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের চুক্তি বাতিলের কথা জানিয়েছিলেন মহিউদ্দিন চৌধুরী। এই লক্ষ্যে তিনি ১০ দফা দাবিও পেশ করেছিলেন। কিন্তু শাজাহান খান তার অনুরোধ না রাখায় মহিউদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে এই নিয়ে চাপা বিরোধ সৃষ্টি হয়। দিন দিন এই ক্ষোভ আরও বাড়ছে বলে সূত্রটি জানিয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকা: দৃশ্যান্তরের বর্ণচ্ছটা by ড. মাহফুজ পারভেজ
সমরজিৎ রায় চৌধুরী মনে করেন, তথ্য-প্রযুক্তি, যোগাযোগ ও কম্পিউটারের ব্যবহারের মাধ্যমে সাম্প্রতিক প্রজন্মের তরুণতম শিল্পীরা আঁকার অনেক বড় পরিধি পাচ্ছে। বিদেশী চিত্রকলা সম্পর্কে তারা অতি দ্রুত জ্ঞাত হতে পারছে। এতে তাদের কাজের মান বাড়ারই সম্ভাবনা। তারা যদি বাংলাদেশের চিরায়ত বিষয়বস্তুকে নিজস্ব শৈলীতে ধরে রাখতে পারে, তবেই আমাদের শিল্পকলা ও চিত্রশিল্পের প্রভূত মঙ্গল হবে। ঢাকা বা বাংলাদেশ নিয়ে শিল্পীর দু’ চোখ যে বাস্তব আর কল্পনার মিশেলে দৃশ্যপটের বর্ণচ্ছটা আমাদের সামনে উন্মোচিত করেছেন, তা দেখে এই নগরের বাসিন্দা আর নীতিনির্ধারণের প্রকৃত-নয়ন উন্মিলিত হলেই অবক্ষয়ের কশাঘাত থেকে বাঁচতে পারবে প্রাচ্যের এই সুপ্রাচীন নগরী। তিলোত্তমা না হোক, অন্তত হতে পারবে মানুষের বসবাসযোগ্য। প্রকৃতি ও পরিবেশবান্ধব নান্দনিক ঢাকা শুধু স্বপ্ন, কল্পনা আর স্মৃতিচারণের নস্টালজিয়ায় না থেকে বাস্তবের বিষয়বস্তু হয়ে উঠবে, এটাই সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা হওয়া দরকার। আধুনিক মানুষ হিসেবে আমাদের জীবনযাপনের ক্ষেত্র ঢাকাকে সুন্দর ও নিরাপদ করার কাজ আর কতদিন বাকি পরে থাকবে? সমরজিৎ সম্ভবত অলক্ষ্যে এ প্রশ্নটিই সকলের চৈতন্যে পৌঁছে দিয়েছেন তার একক চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বউ ফিরে পেতে

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
September
(447)
-
▼
Sep 22
(16)
- বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক- বড় আশা ছিল না, বড় হতাশাও নে...
- স্বজন মিলছে না পরিচয় শুধু একটি ছবি by রোকনুজ্জামান...
- ‘গুলি করে দেব,এসপি স্যারের নির্দেশ আছে’ by ইকবাল আ...
- সাক্ষ্য দিতে ভারত যাচ্ছেন ফেলানীর বাবা by মিজানুর ...
- আফগানিস্তানে মতৈক্যের সরকার
- দুই জোটে চরম টানাপোড়েন
- বিলাওয়ালের কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্যে বাস্তবতা নেই
- আইএসের কাছে জিম্মি হেনিংয়ের স্ত্রীর আকুতি
- দুরবস্থায় পাঁচ রাষ্ট্রীয় ব্যাংক by শওকত হোসেন ও ...
- কেরানির ছেলে বিখ্যাত ইংরেজ উপন্যাসিক! by ইমরান আলী
- কৌশল বদলে ফের কিডনি কেনাবেচা by তৌহিদুল ইসলাম লায়নর
- স্কটল্যান্ডে গণভোট- স্বাধীনতার স্বপ্ন মরে না!
- মিঠামইন থেকে বঙ্গভবনের রোডম্যাপ by কাজী সোহাগ
- এক চট্টগ্রাম বন্দর দুই ক্ষুব্ধ নেতা by মহিউদ্দীন জ...
- ঢাকা: দৃশ্যান্তরের বর্ণচ্ছটা by ড. মাহফুজ পারভেজ
- বউ ফিরে পেতে
-
▼
Sep 22
(16)
-
▼
September
(447)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



