Saturday, June 8, 2019
প্রথম বিদেশ সফরে মালদ্বীপ যাচ্ছেন মোদি, কিন্তু কেন?

অতীতে, বেশ কয়েক বছর ধরে মালদ্বীপে খুব বেশি বিনিয়োগ করেছে ভারত। সেখানে সামরিক সহায়তা, প্রশিক্ষণ এবং ‘ক্যাপাসিটি বিল্ডিং’য়ে সহায়তা দিয়েছে। ১৯৮৮ সালে এই দেশটির রাজধানী মালে’তে একটি সামরিক অভ্যত্থান চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয় ভারত। এক্ষেত্রে তারা অপারেশন ক্যাকটাসের সহায়তা নেয়।
এ সহায়তার অংশ হিসেবে ভারতীয় সেনারা উড়ে যান মালদ্বীপে এবং উদ্ধার করেন তখনকার প্রেসিডেন্ট মামুন আব্দুল গাইয়ুমকে। ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে মাত্র ১২০০ কিলোমিটার দূরের দ্বীপদেশ মালদ্বীপ। এখানে বসবাস করেন প্রায় ২২০০০ ভারতীয়। কৌশলগত দিক দিয়ে এ দেশটি ভারতের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
তবে দেশটির সদ্য বিদায় নেয়া প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিন চীনের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ আকৃষ্ট করেছেন। তিনি ক্ষমতায় আসেন ২০১৩ সালে। তারপর থেকে অবকাঠামো খাতে চীনের কাছ থেকে ঋণ করেছেন কোটি কোটি ডলার। এর ফলে দেশকে তিনি ঋণের ফাঁদে ফেলে দিয়েছেন বলে অভিযোগ আছে। চীনের দিকে মালদ্বীপের ঝুঁকে পড়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে ভারত।
মালদ্বীপের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম সোলিহ’র মালদিভিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টি গত বছর নির্বাচনের সময় চীনবিরোধী অবস্থান নেয়। নির্বাচনে তারা বিজয়ী হয়েছে। এতে ভারত কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে। তারপর থেকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। শপথ নেয়ার পর ইব্রাহিম সোলিহ তার প্রথম বিদেশ সফরে আসেন ভারতে। গত ডিসেম্বরে ভারত মালদ্বীপকে ১৪০ কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দেয়। অন্যদিকে চীনের কাছে মালদ্বীপের রয়েছে ৩০০ কোটি ডলারের ঋণ।
এ অবস্থায় মোদির সফরের সময় শনিবার দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, সংযুক্তি বিষয়ক প্রকল্প সহ বিভিন্ন ইস্যুতে চুক্তি স্বাক্ষরের কথা রয়েছে। এ ছাড়া ভারত আরো আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিতে পারে। ওদিকে মালদ্বীপ ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তাদের জাতীয় ক্রিকেট টিমের বিষয়ে সহায়তা করতে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে ভারত কাজ শুরু করে দিয়েছে। আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে মালদ্বীপে একটি ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে ভারত।
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিজয় গোখলে বলেছেন, মালদ্বীপের দ্বীপগুলোর সঙ্গে আন্তঃসংযোগ স্থাপনের কথা ভাবছে ভারত। আমরা এরই মধ্যে এমন একটি প্রকল্পের বিষয়ে দেখাশোনা করছি। এই সফরের সময়ে মালদ্বীপের পার্লামেন্ট মজলিশে বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে মোদির। এর মধ্য দিয়ে ভারত ও মালদ্বীপের সম্পর্কে ভারতের গুরুত্বকে বোঝানো হবে। পার্লামেন্টে বক্তব্য দেয়ার আগে স্পিকার মোহাম্মদ নাশিদের সঙ্গে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে মোদির।
রোববার শ্রীলঙ্কা সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে মোদির। ইস্টার সানডে’ বোমা হামলার পর এটাই হবে শ্রীলঙ্কার কোনো বিদেশী নেতার সফর।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেঘালয় রাজ্যপালের একার বাংলাবিরোধী টুইট বোমা

অনেকে বলছেন, হিন্দির পক্ষে তথাগত এবারে টুইট বোমা ফাটালেন। এবারে তার তত্ত্ব হলো, বাংলা আর বাঙালির সুদিন আর নেই। তাই বাংলার দাম নেই। তিনি নজির টেনেছেন এই বলে যে, বাঙালি মেয়ে এখন মুম্বইর বারে ড্যান্স করে।
তাই বাঙালির হিন্দি শিখতে আপত্তি কি।
তথাগত রায়ের টুইটে হিন্দি কেন বাধ্যতামূলক করা উচিত, তা বোঝাতে বিভিন্ন যুক্তি দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘তামিলনাড়ু বাদে ভারতের সব জায়গার লোক মোটামুটি হিন্দি বোঝে। অপরপক্ষে শহুরে বুদ্ধিজীবী শ্রেণি ছাড়া ইংরেজি কেউ বুঝবে না। যারা ঠিক করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বাইরে এক পাও বেরুবেন না, তারা ছাড়া বাকিদের বর্তমানকে, বাস্তবকে মেনে নিতে হলে হিন্দি শিখতে হবে। না হলে পস্তাতে হবে।’
তিনি আগুনে ঘি ঢেলেছেন অন্য একটি টুইটে।
তার কথায়: ‘একদিকে যখন বাংলা বাঁচাতে বাঙালি মনীষীদের কথা উঠে আসছে, তখন তাদের প্রসঙ্গ টেনেই যুক্তি খাড়া করেছেন তথাগত রায়। তার মতে বিদ্যাসাগর-বিবেকানন্দ-রবীন্দ্রনাথ-নেতাজির সঙ্গে হিন্দি শেখার কোনো বিরোধ নেই। তিনি লিখেছেন, ‘এই মনীষীদের কাল বহুদিন গত, তারপর বাংলার বৃহদংশও গত, এখন বাঙালি ছেলেরা হরিয়ানা থেকে কেরালা পর্যন্ত সব জায়গায় ঘর ঝাঁট দেয়, বাঙালি মেয়েরা মুম্বইতে বার-ডান্স করে, যা আগে অকল্পনীয় ছিল।’ অর্থাৎ তার যুক্তি, বাঙালি মেয়েরা মুম্বইতে বার-ডান্স করলে হিন্দি শিখতেও বাঙালিদের সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
তথাগত এও জানিয়েছেন, দক্ষিণী রাজ্যগুলো হিন্দির বিরোধিতা করছে ঠিকই, তবে তামিলনাড়ু ছাড়া বাকি দক্ষিণী রাজ্যগুলোর হিন্দির প্রতি কোনো সিরিয়াস বিরোধিতা নেই। এমনকি অসম, ওড়িশা, মহারাষ্ট্রও অ-হিন্দিভাষী রাজ্য হলেও তারা হিন্দির বিশেষ বিরোধিতা করছে না বলে দাবি করেছেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরে মেঘালয় হাইকোর্টের এক রায়ে বলা হয়েছিল, ধর্মের ভিত্তিতে যেহেতু দেশভাগ হয়েছিল, তাই ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা উচিত। কেউ যেন ভারতকে আরেকটি ইসলামিক দেশে পরিণত করার চেষ্টা না করেন, তাহলে সেটা হবে ভারত আর বিশ্বের ধ্বংসের দিন।’ এই রায় নিয়ে রায়দানকারী বিচারপতির অপসারণের দাবিতে হৈচৈ এবং বিতর্ক হলেও তখন নীরব ছিলেন তথাগত রায়।
মুম্বই হামলার ১০ বছর পূর্তিতে একটি টুইট বার্তায় তথাগত লিখেছিলেন, ‘মুম্বইয়ে পাকিস্তান সমর্থনপুষ্ট হামলায় নিরপরাধ মানুষকে হত্যার (মুসলমান ছাড়া) দশ বছর আজ, যা ২৬/১১ হামলা নামে সুপরিচিত। কেউ কী মনে করতে পারেন কেন পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি হয়নি (সম্পর্ক ছিন্ন বা যুদ্ধে জড়ানোর কথা না হয় বাদই দিলাম)।’
বিজেপির শক্তিশালী এই নেতা এরপর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে ক্ষমতাসীন দল। তিনি অতঃপর ওই টুইট বার্তা মুছে দায়সারাভাবে ক্ষমা চান।
এর আগেও বিভিন্ন সময় বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছিলেন তথাগত। পাঞ্জাবের পাঠানকোটের বিমানঘাঁটিতে হামলা নিয়ে এক টুইট বার্তায় তথাগত লিখেছিলেন, সন্ত্রাসীদের মৃতদেহগুলোকে শূকরের চামড়ায় মুড়ে উপুড় করে শূকরের বিষ্ঠার মধ্যে ফেলে দেয়া হোক, যাতে তাদের ভাগ্যে হুর না জোটে।
মুসলিমদের নিস্কৃতি দেয়া তথ্য ছিল ভুয়া। কারণ ২০০৮ সালে মুম্বইয়ে ওই হামলায় ১৬৬ জন নিহত হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ৪৪ জনই ছিলেন মুসলমান।
আরেকবার ‘কাশ্মীরে যাবেন না, কাশ্মীরী পণ্য কিনবেন না’, সামাজিক যোগোযোগ মাধ্যমে চলা এমন বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছিলেন মেঘালয় রাজ্যের গভর্নর তথাগত রায়।
২০১৮ সালে পশ্চিমবঙ্গে গোরক্ষার পর এবার ছাগল-রক্ষা তর্ক ওঠে। গো-মাতার পর ছাগ-মাতা। ‘হিন্দুরা ছাগলের মাংস খাওয়া বন্ধ করুন’। এমনই টুইট করে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছিলেন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর প্রপৌত্র চন্দ্র কুমার বসু। বিতর্ক ঠেকাতে আবার আসরে নামেন তথাগত রায়। তার পাল্টা টুইট, ‘ছাগল নয়, গরুই আমাদের মাতা।’
চন্দ্র বসু বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, ‘এটা ব্যক্তিগত মত। বিজেপি শাসিত রাজ্যে গরুকেন্দ্রিক রাজনীতি এবং গোরক্ষায় গণপিটুনির ঘটনা বেড়ে গেছে। এটা উদ্বেগের এবং বিরক্তিকর। গান্ধীজী আমাদের বাড়িতে থাকার সময় বারবার ছাগলের দুধ খেতে চাইছেন। সুতরাং এটা ধরেই নেয়া যায়, তিনি ছাগলকে ‘মাতা’ হিসেবেই মনে করতেন। বলার প্রয়োজন পড়ে না।’
‘তাতে কী হলো? এতেই কি প্রমাণ হয়, ছাগল ‘মাতা’? প্রশ্নবাণ ছুড়ে তথাগত রায়ের পাল্টা জবাব দিয়েছিলেন: ‘গান্ধীজীর প্রিয় শিষ্য জওহরলাল নেহরু নিজে এবং তার সমাজ কাশ্মীরী পণ্ডিতরা মাংস খেতেন।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে ‘বেস্ট ফ্রেন্ড’ বললেন চীনের প্রেসিডেন্ট চিন পিং
![]() |
| রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ‘বেস্ট ফ্রেন্ড’ আখ্যা দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। তিন দিনের সফরে এখন মস্কো আছেন চিন পিং। ছবি: এএফপি |
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, চীনের প্রেসিডেন্ট গতকাল বুধবার মস্কো পৌঁছান। এই সফরে চীন ও রাশিয়ার মধ্যে বেশকিছু বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। এ ছাড়া মস্কোর চিড়িয়াখানায় দুটি পান্ডা উপহার দিয়েছে চীন।
মস্কোয় পৌঁছানোর পর এক সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন সি চিন পিং। তিনি বলেন, রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে তাঁর। চিনপিং বলেন, ‘গত ছয় বছরে আমরা প্রায় ৩০ বারের মতো সাক্ষাৎ করেছি। দেশ হিসেবে রাশিয়াতে সবচেয়ে বেশি সফর করেছি আমি এবং প্রেসিডেন্ট পুতিন আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু ও সহকর্মী।’
একই কথা বলেন পুতিনও। তিনি বলেন, রুশ-চীন সম্পর্ক এখন অভাবিত মাত্রায় পৌঁছেছে। এটি একটি বৈশ্বিক অংশীদারত্ব ও কৌশলগত সহযোগিতার সম্পর্ক।
ইউরোপ ও বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের কারণে একঘরে হয়ে যাওয়ার পর থেকেই রাশিয়া ও চীন-এই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়েছে। পাঁচ বছর আগে ইউক্রেন সংকটের কারণে ইউরোপে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল রাশিয়া। এ ছাড়া ২০১৫ সালে সিরিয়ায় বাশার আল–আসাদের বাহিনীকে সহযোগিতা করার কারণেও সমালোচনা হয়েছিল রাশিয়ার। অন্যদিকে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হয়ে গেছে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া এই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু হয়েছে।
বর্তমানে চীন ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্রেমলিনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগের চেয়ে ২৫ শতাংশ বেড়ে ২০১৮ সালে দুই দেশের মধ্যে রেকর্ড ১০৮ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘চাঁদ’ কি তাহলে ট্রাফিক জ্যামে আটকা পড়েছিল? by মারুফ কিবরিয়া

সবার জিজ্ঞাসা চাঁদের খবর কি? না কেউ কোন খবর দিতে পারছেনা। এমন টানাপড়েনের মধ্যেই তারাবির নামাজ শুরু হয়। রাত তখন প্রায় ৯টা। চাঁদ দেখা কমিটি ঘোষণা দেয় দেশের কোথায় চাঁদ দেখা যায়নি। বৃহস্পতিবার ঈদ।
এ ঘোষণার পরই সারাদেশে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। ভারতে চাঁদ দেখা গেছে। পাকিস্তানেও চাঁদ দেখা গেছে। দুই দেশেই বুধবার ঈদ। স্বাভাবিকভাবে সৌদি আরবে চাঁদ দেখার পরদিন বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়। সৌদির সঙ্গে বাংলাদেশের পার্থক্য তিন ঘণ্টার। প্রশ্ন উঠে সেটা ৪৮ ঘণ্টা হয় কি করে? সৌদি আরবের হিসাবে সারাদেশ প্রস্তুত ছিল বুধবার বাংলাদেশে ঈদ। চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণার পর বদলে যায় দৃশ্যপট। গৃহিনীরা সবাই ফের সেহরি রান্নায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে। চাঁদ রাত ভেবে ব্যবসায়ীদের প্রস্তুতিতেও ব্যাঘাত ঘটে। সময় গড়িয়ে যায়। রাত ১১টার পর খবর আসে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি ফের বৈঠকে বসেছে। এবার ঘোষণা এলো দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে।
বুধবার ঈদ। ইতিমধ্যে তারাবির নামাজ পড়াও শেষ। বাসা বাড়িতে যারা প্রবেশ করেছিল তারাও বেরিয়ে আসে রাস্তায়। শূন্য এবং হতাশ মার্কেটগুলোও নড়েচড়ে বসে। সবার মুখে একটাই প্রশ্ন এটা কি হলো? চাঁদ নিয়ে এমন বিভ্রান্তি গোটা দেশের মানুষকে ফেলে দেয় ভোগান্তিতে। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তাতে সন্তুষ্ট নয় দেশবাসী। তারা এটিকে চাঁদ দেখা কমিটির ব্যর্থতা বলেই মনে করছেন। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তীর্যক মন্তব্যের ঝড় উঠে। কেউ কেউ লিখেন- চাঁদ কি তাহলে ট্রাফিক জ্যামে আটকা পড়েছিল? কেউবা লিখেছেন- চাঁদ মামা ঘুমিয়ে পড়েছিল। ওদিকে, বুধবারই ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হলো পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর। তবে চাঁদ দেখা নিয়ে বিতর্কের রেশ চলছে এখনও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এ নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা।
চাঁদ দেখার খবরে জনমনে যতটা উচ্ছ্বাস কাজ করে ঠিক ততটাই অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে এবারের ঈদে। টানা আড়াই ঘন্টারও বেশি সময় ধরে থাকতে হয়েছে বিভ্রান্তির মাঝে। সে সঙ্গে শিকার হতে হয়েছে হয়রানিরও। গত ৪ঠা জুন ছিল ২৯শে রমজান। ইফতারের পরপরই ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শুরু হয়। ঈদের চাঁদ দেখার খবরের জন্য সবার দৃষ্টি টিভি চ্যানেলগুলোতে। অনেকেই কান পেতে ছিলেন বেতারে। আর কেউ বা অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে। সন্ধ্যা সোয়া ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারেনি কমিটি। দেশের ৬৪ জেলার কোথাও চাঁদের হদিস পাওয়া যায়নি। ঠিক সেই মুহূর্তেই ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে জানান, রাত ৮টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত দেশের কোথাও চাঁদ দেখার খবর পাওয়া যায়নি। তাই ৩০টি রোজা পূর্ণ করে বাংলাদেশে ঈদ পালন করা হবে বৃহস্পতিবার। প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী সবাই নিজ নিজ প্রস্তুতি নিয়ে রাখেন। শেষ রোজা রাখার জন্য ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা তারাবির নামাজও আদায় করে নেন। কেউ কেউ সেহরির জন্য রান্নার কাজও সারেন।
রাত সাড়ে দশটার দিকে টেলিভিশন ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমগুলোতে খবর আসে চাঁদ দেখা কমিটি আবারো বসেছে। নতুন করে কি খবর আসবে। ঈদ হবে কি হবে না! জনমনে এ নিয়ে জল্পনার শেষ ছিল না। রাত সোয়া এগারোটার দিকে নতুন খবর। আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে ঈদের ঘোষণা। বৃহস্পতি নয় বুধবারই ঈদ। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ এবার ব্রিফিংয়ে জানান, দেশের প্রখ্যাত আলেম ও হাক্কানী ওলামারা চাঁদ দেখার বিষয়ে নিশ্চয়তা দেয়ায় আমরা আগের সিদ্ধান্ত সংশোধন করেছি। তিনি আরো বলেন, কুড়িগ্রাম ও দেশের কয়েকটি স্থানে স্থানীয়রা জানিয়েছেন চাঁদ দেখার কথা। এরপর রাতে আবার বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে। এ খবরে দেশবাসীকে পড়তে হয়েছে বিপত্তিতে। অনেকেই মনে করছেন চাঁদ দেখা কমিটির দুই রকম সিদ্ধান্তের ফসলই এই বিপত্তি।
সামাজিক মাধ্যমে যত সমালোচনা
চাঁদ দেখা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমেও চলে নানা সমালোচনা। শুধু তাই নয়, চাঁদ দেখা কমিটি নিয়ে হাস্যরসেও মেতে উঠেন অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী।
রহমান অর্না শেখ নামের একজন লিখেছেন, ‘এই জাতির কপাল ভাল যে চাঁদ দেখা কমিটি জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে ছিলোনা, যদি থাকতো তাহলে দেখা যেত একদল লোক রাতেই ঈদের নামাজ পড়তো, আরেক দল লোক সকালে ঘুম থেকে উঠে শুনত ঈদ শেষ। যাই হোক সেহেরী না খেয়ে ঈদের নামাজ পড়ে সেমাই খান!!!! সবাইকে ঈদ মোবারক’
ফয়সাল দীপ নামের একজন লিখেছেন, নোয়াখালীতেও চাঁদ দেখা যায়নি, সো! আপনারা নোয়াখালীকে পাশের দেশ ভাব্বেন নাহ ! ও ওকে?
আনোয়ার হোসেন লিখেছেন, ঈদের নামাজ পড়ার আগ পর্যন্ত আবার পরিবর্তন হয় কিনা আল্লাহ জানে।
মির্জা হাসান তার টাইমলাইনে পোস্ট করেন, এসব মিথ্যা ও মনগড়া কথা? জনগণের সমালোচনায় চাঁদ না দেখে বলে চাঁদ দেখেছি ? উন্নতমানের দূরবীনের টাকা খেয়ে পূরানা দূরবীন দিয়ে আকাশের পাখিটাও দেখা যায় না ?
তারিক রহমান নামের এক ইউজার লিখেছেন, রাত ১১টায় নতুন করে চাঁদ দেখতে পাওয়ার ঘোষণা !! মানুষকে হয়রানির একটা সীমা থাকা প্রয়োজন। ব্যর্থ চাঁদ দেখা কমিটির সকল সদস্যের পদত্যাগ করা উচিত।
তারেক রাহয়ান নামের একজন ক্ষোভ প্রকাশ করে উল্লেখ করেন. এটাই কি ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপ। গলা ফাটিয়ে যে, সকল ভাইয়েরা বলেন যে বাংলাদেশ এখন অত্যাধুনিক ডিজিটাল হয়েছে। এই কি তার প্রমাণ মিললো ১১.৩০ মিনিটে চাঁদ দেখা গেছে বলে নিশ্চিত হলো। তাহলে সন্ধার সময় থেকে চাঁদ দেখা কমিটি বলে আসছিলো কেন বাংলাদেশের কোথাও চাঁদ দেখা যাইনি, তাই আগামি বৃহস্পতিবারে ঈদ উদযাপন হবে ... এখন আমরা কোনটা সঠিক বলে ধরে নিবো, দেশ ডিজিটাল হয়েছে নাকি চাঁদ ডিজিটাল হয়ে সন্ধা ৭টার সময় আকাশে না উঠে ডিজিটাল হয়ে ১১.৩০মিনিটে উঠেছে...? নাকি চাঁদ দেখা কমিটিগুলোই অযোগ্য ছিল...?
এই সমস্ত অযোগ্য চাঁদ দেখা কমিটিগুলোকে নিন্দা জানাচ্ছি সেই সাথে সাথে অপসারণ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি...।
তারাবির নামাজ আদায়
রাত নয়টা পর্যন্ত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় এশার নামাজের সঙ্গে সবাই তারাবির নামাজও আদায় করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। পরদিন রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সবাই এই নামাজটি আদায় করে নেন। কিন্তু রাতের নতুন সিদ্ধান্তের কারণে খানিকটা বিব্রতই হতে হয়েছে তাদের। নামাজ আদায় করিয়ে নেয়ার পর কেন এমন সিদ্ধান্ত? এই প্রশ্নও তুলেছেন কেউ কেউ। আরিফুল ইসলাম নামের একজন জানান, মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হওয়ার পর বাসায় গেলাম। বাসার লোকজন জানালো ঈদের চাঁদ দেখা কমিটি আবার বসেছে। তখনই মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। ভেবেছিলাম ত্রিশটি রোজা আদায় করা হবে। কিন্তু সেটা আর হলো না। চাঁদ দেখা কমিটির এত দুর্বলতা কেন? আহমুদুল নামের আরেকজন বলেন, আমি তো সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছি। চাঁদ যেহেতু দেখা যায়নি তাই রোজা রাখা লাগবে। বাসায় স্ত্রীও তার কাজ সেরে নিয়েছে। দুরকম খবরে কিছুটা ঝামেলায় ফেলে দিয়েছে আমাদের।
রান্নার কাজে যত বিপত্তি
২৯শে রমজান সাধারণত বাড়ির মহিলাদের রান্নাঘরের ব্যস্ততা বেশি থাকে। পরদিন ঈদ হোক না হোক ঈদকে সামনে রেখে অনেকেই রান্নার কাজটি এগিয়ে রাখেন। সবসময়ের মতো এবারো তাই করছিলেন অনেকে। সন্ধ্যা থেকে ঈদের দিনের জন্য বিশেষ খাবার রান্না করা অনেকটাই সেরে ফেলেছেন। ঈদ না হলেও সেগুলো করতে হবে। কিছু কাজ চাঁদরাতে করবেন এমন প্রস্তুতি নিয়ে ৩০শে রমজানের জন্য ব্যবস্থাও হয়ে গেছে সবার। সেহরিতে খাওয়ার জন্য রান্না করে রাখেন। কিন্তু হঠাৎ ১১টার পর নতুন ঘোষণা সব ওলোটপালোট করে দিলো তাদের। সেহরির রান্নাও করা হলো। এখন আবার সকাল হলেই ঈদের ঘোষণা। চট জলদি ফ্রিজে জমা করা ঈদের রান্নাগুলো বের করে আবার তাতে হাত লাগাতে হলো। এই রান্নার কাজ শেষ করতে অনেকের কেটে গেছে পুরো রাত।
উত্তর বাড্ডার ইয়াসমিন আক্তার নামের এক গৃহবধু বলেন, বড় পরিবার। তাই ব্যস্ততাও একটু বেশি। কাজও বেশি। ঈদ হবে না এমনটা ভেবে সেহরির ব্যবস্থা করলাম। কিছুক্ষণ পর নতুন ঘোষণায় সব হ-য-ব-র-ল। সেহরির খাবারগুলো ফ্রিজে রেখে দিতে হয়েছে। আর পরদিন ঈদের জন্য খাবারগুলো ফ্রিজ থেকে নামিয়ে নতুন কাজ শুরু করা। শেষ যেন হয় না। রাত ৩টার পর গিয়ে কিছুটা স্বস্তি। তাও যেন কাজ আর শেষ হয়নি। ঈদের চাঁদ দেখা নিয়ে এত কাহিনী কখনো হতে দেখিনি। আমার মনে হয় আমাকেই বেশি নাকানিচুবানি খেতে হয়েছে।
রামপুরার বাসিন্দা আফরোজা রহমান জানান, ঈদ হবে না বলে আবার ঈদের ঘোষণা। এক হাতে সংসার সামলাতে হয়। ঈদের চাঁদ না দেখা যাওয়ার খবরে পরদিন রোজার প্রস্তুতি নিলাম। কিন্তু আবার নতুন সিদ্ধান্তে ঝামেলায় ফেলে দিয়েছে আমাদের। যে কাজগুলো বুধবার করার কথা সেগুলো আবার রাতেই করতে হয়েছে। শেষ করতে করতে রাত পার হয়ে গেল।
মাহবুবা মাহবুব নামের আরেক নারী বলেন, সকালে ঈদ জানতে পারলাম রাত ১১টার পর। ঘুমিয়ে পড়েছিলাম প্রায়। মসজিদে ঈদ হবে এমন ঘোষণা শুনে লাফ দিয়ে উঠে পড়ি। রান্নার কাজ শুরু করতে হয়। আর ঘুমাতে পারিনি। রাতটা কাটাতে হলো রান্না ঘরেই। এভাবে হুলস্থুল পরিস্থিতিতে পড়তে হবে কখনো ভাবিনি।
তোড়জোড় করে বাকি থাকা কেনাকাটা
যেহেতু বুধবার ঈদ হচ্ছে না তাই অনেকেই আর শপিং মলে গিয়ে বাকি থাকা কেনাকাটায় নামেননি। বৃহস্পতিবার ঈদকে সামনে রেখে বেশ আরামই করছিলেন সবাই। কিন্তু এরই মধ্যে নতুন ঘোষণা। বুধবারই ঈদ। তাতেই শুরু হলো লঙ্কা কাণ্ড। বিছনা ছেড়ে সবাই ছুটলেন শপিং মলে। আবার কেউ কেউ মুদি বাজারে।
শান্তিনগরের বাসিন্দা ফরিদ উদ্দিন বলেন, আমার সব কেনাকাটা শেষ। চাঁদরাতের জন্য প্রতিবারই কিছু কাজ বাকি রেখে দিই। এবারও তাই রেখেছি। যেহেতু বুধবার ঈদ হচ্ছে না। তাই আর বাইরে যাইনি। দ্বিতীয়বার চাঁদ দেখা কমিটির নতুন ঘোষণায় পড়তে হলো বিপাকে। রাত ১২টায় বেরিয়ে পড়লাম মার্কেটে। যে কেনাকাটাগুলো বাকি ছিল সেগুলো কিনতে বেরিয়ে পড়লাম। এতটা প্রেশার কখনো যায়নি।
আসিফউদ দৌলা নামের এক ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, আমার কাছে ঈদ যতটা খুশির ততটাই ভোগান্তির হয়েছে এবার। বৃহস্পতিবার ঈদ জেনে কিছু মুদি বাজার করা বাকি ছিল। বাজারটাও দূরে ছিল। এত দূরে গিয়ে রাতের বেলায় বাজার করাটা কতটা ঝামেলার ছিল আমিই বুঝেছি।
বিউটি পার্লার ও সেলুনে হঠাৎ ভিড়
ঈদ হচ্ছে না এমন খবরে নিশ্চিন্তেই ছিলেন অনেক সাজগোজপ্রেমী তরুণ তরুণীরা। কিন্তু রাত সোয়া এগারোটায় হঠাৎ ঈদের খবরে অনেকটা লাফিয়ে উঠেই দৌঁড়াতে হয়েছে বিউটি পার্লার ও সেলুনে। সুবাস্তু নজর ভ্যালিতে পার্লারে আসা নিলুফার নামের এক তরুণী বলেন, ঈদ হবে না বলে পার্লারে আজ আর আসিনি। ভেবেছি বুধবার ইফতারের পর যাবো। এখন ঈদ হয়ে যাওয়ায় তোড়জোড় করে আসতে হলো। পার্লারে এসে তো সেই ভিড়। কিছুতেই সিরিয়াল পাচ্ছি না।
একই অবস্থা ধানমন্ডির এক জেন্টস পার্লারেও দেখা গেল। হঠাৎ ঈদের খবরে ব্যস্ততার তীব্রতা যেন বেড়ে যায় সেখানে। কেউ চুল, কেউ ফেসওয়াস আবার কেউ অন্য কাজ সারতে দ্রুত চলে এসেছেন সেলুনটিতে। কিন্তু হঠাৎ ঈদ হওয়ার সিদ্ধান্তে গভীর রাত অবধি অপেক্ষায় বসে থাকতে হয় সিরিয়ালে জন্য।
বাসে লঞ্চেও তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না
ব্যবসায়ী, দোকানে চাকরি করেন- এমন অনেকেই রয়েছেন যারা চাঁদ রাতে বাড়ি ফেরেন। সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার সিদ্ধান্তে মঙ্গলবার অনেকই বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেননি। যাবেন বুধবার। কিন্তু আকস্মিক সিদ্ধান্ত বদলে সব ওলোটপালোট। আবার বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্য ব্যাগ গুছিয়ে বের হয়ে যান। বাস লঞ্চ টার্মিনালে প্রচণ্ড ভিড়ের চাপে পড়েন কেউ কেউ। ভোগান্তিতে পড়তে হয় অনেককেই। শেষ সময়ে ঈদের ঘোষণায় বাস লঞ্চের কোথাও তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাসপোর্ট ছাড়াই পাইলট কাতারে তদন্ত কমিটি

এদিকে পাসপোর্টবিহীন অবস্থায় কাতার ইমিগ্রেশনে পাইলট ফজল মাহমুদ ‘আটক’ হওয়ার ঘটনাটি অনাকাঙ্খিত উল্লেখ করে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
সংশ্লিষ্ট পাইলটসহ পাসপোর্টবিহীন বিমানে ভ্রমণ এবং ঢাকার হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি তদন্ত করার জন্য গতকাল ওই আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোসাম্মৎ নাসিমা বেগমকে প্রধান করে গঠিত ৪ সদস্যের ওই কমিটিকে ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ চৌধুরীর পাসপোর্টবিহীন অবস্থায় দোহা ভ্রমণের কারণ অনুসন্ধান, বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষে দায়িত্ব অবহেলার বিষয়ে দায়-দায়িত্ব নিরূপণ এবং বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কার্যপদ্ধতির ত্রুটি নিরূপণ করতে বলা হয়েছে। প্রেসিডেন্টের আদেশক্রমে গঠিত কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। পাইলট ফজল অবশ্য তাকে আটক বা জিজ্ঞাসাবাদের কথা অস্বীকার করেছেন। তার দাবি পাসপোর্ট ছেড়ে যাওয়ায় তিনি বিমানবন্দরের ভেতরে একটি হোটেলে কাটিয়েছেন। ঢাকা থেকে পরের ফ্লাইটে তার পাসপোর্ট যাওয়ার পর তিনি ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করেছেন। মিস্টার চৌধুরী যাই দাবি করেন না কেন- তিনি যে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছেন এটা মানছেন প্রায় সবাই। তার এ ঘটনায় বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন কতৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি ফের সামনে আসছে। বিশেষ করে নিরাপত্তার ঘাটতির বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। প্রশ্ন ওঠেছে পাসপোর্ট ছাড়া কীভাবে তিনি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পার হলেন। বিমানের ফ্লাইট পরিচালনায় সংশ্লিষ্টরা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশের যে কোনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট ছাড়ার আগে পাইলট, কেবিন ক্রুদের জেনারেল ডিক্লারেশন ফরম পূরণ করতে হয়।
এই ফরমে পাসপোর্ট নম্বর, জন্মতারিখ, গন্তব্যসহ প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ করতে হয়। এ ছাড়া তাদের ব্যক্তিগত পাসপোর্ট অবশ্যই সঙ্গে নিতে হয়। এরপর বিদেশে পৌঁছার পর ওই দেশের বিমানবন্দরে পাসপোর্ট প্রদর্শন করেই ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে হয়। এতে কোন ছাড় নেই। সংশ্লিষ্টদের সূত্রে গণমাধ্যমে খবর এসেছে বুধবার রাতে ঢাকা ছেড়ে কাতারের উদ্দেশে রওনা দেন ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ। কিন্তু পাসপোর্ট না থাকায় দোহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানের স্টাফদের জন্য নির্ধারিত হোটেলে যেতে পারেননি তিনি। তাকে সেখানেই আটকে দেয় কাতার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আটক বা গ্রেফতারের খবর নাকচ করে কাতারে অবস্থান করা ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ গতকাল বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের কাছে দাবি করেন ভুলে তিনি পাসপোর্ট সঙ্গে নেননি। তার বক্তব্যটি ছিল এরকম ‘আমি ফ্লাইটে যাওয়ার সময় যে ব্যাগ সঙ্গে নিই, সেখানেই আমার পাসপোর্ট থাকে। গত ৩ জুন ব্যাংকের কাজে সেখানে পাসপোর্ট নিয়ে যাই। পরবর্তীতে ভুলে আর পাসপোর্টটি আমার ফ্লাইটের ব্যাগে নেয়া হয়নি।
এ কারণেই এই ভুল হয়েছে।’ তিনি বলেন, আমাকে আটক করা হবে? আমি তো ইমিগ্রেশনেই যাইনি। ফলে এ ধরনের ঘটনা ঘটার কারণ নেই। আমি তাদের মুখোমুখিও হইনি। ফ্লাইট নিয়ে গেলে কাতার শহরের ক্রাউন প্লাজা হোটেলে ওঠেন বিমানের পাইলটরা। কিন্তু আমার সঙ্গে পাসপোর্ট না থাকায় আমি আর সেখানে যাইনি। অন্য পাইলট ও ক্রুরা ইমিগ্রেশন হয়ে ক্রাউন প্লাজা হোটেলে চলে যান। আমি দোহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ট্রানজিট এলাকার হোটেল অরিস এয়ারপোর্টে উঠি। পাসপোর্ট পৌছার পর আমি ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করি এবং ক্রাউন প্লাজায় যাই। বাংলাদেশ থেকে কাতারে যাওয়ার সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট দেখানো প্রসঙ্গে ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ বলেন, ‘ঈদের দিন বিকালে আমরা রওনা হই। ঈদের দিন হওয়ায় সবাই ফেস্টিভেল মুডেই ছিলেন। শাহজালালে ইমিগ্রেশনে আমার পাসপোর্ট দেখতে চাইলে এ ভুলটি আর হতো না। আমি তখনই পাসপোর্ট এনে ফ্লাইটে যেতাম। আসলে আমি যেমন ভুল করেছি, ঢাকার ইমিগ্রেশনও ভুল করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকার ইমিগ্রেশনে আমাদের জেনারেল ডিক্লেয়ারেশনের (জিডি) কপি দেয়ার পর ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়া হয়। দেখানো ছাড়া পাসপোর্ট আর কোনও কাজে লাগে না। কারণ, জিডি কপি আর ফিঙ্গারপ্রিন্টেই সব তথ্য পেয়ে যায় ইমিগ্রেশন। তবে অনেক দেশে পাসপোর্ট স্ক্যান করে রাখে।’
বরখাস্ত হচ্ছেন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা: পাসপোর্ট ছাড়া পাইলটকে ইমিগ্রেশনে পার হওয়ার অনুমতি দেয়ার ঘটনায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একজন কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত হচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে এ খবর বেরিয়েছে। ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, ইতোমধ্যে এই ঘটনায় চার থেকে পাঁচ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এছাড়া, সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ইমিগ্রেশন পুলিশের অভিযোগ, বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পার হওয়ার সময় পাইলট ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাকে সহযোগিতা করেননি। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানের পাইলট হওয়ায় ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাও তার বিষয়ে ছিলেন নমনীয়। সূত্র মতে, ঘটনা প্রকাশের পর তোলপাড় শুরু হয়েছে সর্বত্র। পাইলট যখন ইমিগ্রেশন পার হয়েছেন, তখন আসলে কী ঘটেছিল? ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা তার কাছে পাসপোর্ট চেয়েছিলেন কিনা? ওই সময়ে থাকা দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাকে এসব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ইমিগ্রেশন পুলিশের বিশেষ শাখার পুলিশ সুপার (ইমিগ্রেশন) মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেছেন। ঘটনার পরপরই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ৭ জুন বিকালের মধ্যেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, তদন্তের পর দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। উল্লেখ্য, ঘটনাটি প্রকাশের পরপরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে কড়া নির্দেশনা যায় বিমানবন্দরে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল গণমাধ্যমকে বলেন, পাসপোর্ট ছাড়া কীভাবে পাইলট কাতার গেলেন, আমরা তা জানতে চেয়েছি। বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশকে ইতোমধ্যে এই বিষয়টি খুঁজে বের করার জন্য নির্দেশও দিয়েছি।
পাইলট ফজল মাহমুদকে আটক করেনি কাতার: বিমান
পাসপোর্ট ছাড়াই কাতারে যাওয়া বিমানের পাইলট ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ চৌধুরীকে দোহা ইমিগ্রেশন পুলিশ আটক করেনি। এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সঠিক নয় বলে জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজের পাঠানো এক ব্যাখ্যায় বলা হয়, দোহা ইমিগ্রেশন পুলিশ বিমানের পাইলটকে আটক বা গ্রেপ্তার করেছে বলে কিছু সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ করা হয়েছে যা মোটেও সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে সেখানে কোনো বিমান পাইলট আটক, গ্রেপ্তার বা আটকে দেওয়ার কোনো ঘটনাই ঘটেনি। বিমানের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ‘গত ৫ জুন বিমান এর ঢাকা-চট্টগ্রাম-দোহা রুটে বিজি ১২৫ ফ্লাইটের অপারেটিং ক্যাপ্টেন হিসেবে ফ্লাইট পরিচালনা করেন ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ। দোহায় অবতরণ করার পর তিনি লক্ষ্যে করেন যে, তাঁর পাসপোর্টটি সঙ্গে নেই। এ অবস্থায় তিনি ইমিগ্রেশনে না গিয়ে দোহা এয়ারপোর্টে বিমানের স্টেশন ম্যানেজার ও ঢাকা অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এর পর তিনি দোহা এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশন চেক পয়েন্টের আগে ট্রানজিট হোটেল অরিক্সে চলে যান। পরদিন অর্থাৎ ৬ জুন সন্ধ্যায় তাঁর পাসপোর্ট দোহায় পাঠানো হয়। তিনি স্বাভাবিক নিয়মেই কোনো জটিলতা ছাড়াই ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে দোহা নগরে বিমান ক্রুদের নির্ধারিত হোটেল ক্রাউন প্লাজায় চলে যান। বর্তমানে তিনি ওই হোটেলে অবস্থান করছেন। বিমান কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ জুন ভোরে দোহা থেকে বিজি ১২৬ ফ্লাইট অপারেট (পরিচালনা) করে ঢাকা আসবেন তিনি।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কার্ডিফে অনুপ্রেরণা ‘যে ছবি’ by ইশতিয়াক পারভেজ

জয়-পরাজয়ের হিসাব নিকাশের ফলাফল আজই পাওয়া যাবে। তবে সৌভাগ্যের এই মাঠে বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার ভালা কিছুরই প্রত্যাশা। তিনি বলেন, ‘হ্যা, এখনে আমাদের ভালো স্মৃতি আছে। আশা করি সেটি আমাদের দারুণ কিছু করতে সাহায্য করবে।’
ওয়েলসের রাজধানী কার্ডিফের টাফ নদীর তীরে সোফিয়া গার্ডেন স্টেডিয়াম। লেডি সোফিয়া রডন-হ্যাস্টিংসের নামানুসারে এই স্টেডিয়ামের নামকরণ। ১৯৬৭ সালে কাউন্টি ক্লাব গ্ল্যামারগন তাদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলা আয়োজনে সোয়ালেক স্টেডিয়ামকে নিজ মাঠ হিসেবে ব্যবহার করছে। ১৯৯৫ সালে ১২৫ বছর মেয়াদী চুক্তি সম্পন্ন হয়। পূর্বে কার্ডিফ ফুটবল ক্লাব এ মাঠে ফুটবল খেলার আয়োজন করতো। বর্তমানে এখন এটি পরিপূর্ণ ক্রিকেট মাঠ। স্পনসরদের দাবিতে স্টেডিয়ামের নাম বদলে এসএসই সোয়ালেক হয়ে যেতে পারে । কিন্তু মানুষের মুখে মুখে এখনো এটি সোফিয়া গার্ডেনই। আর এই সোফিয়া গার্ডেন বাংলাদেশের জন্য মোহাম্মদ আশরাফুল, সোফিয়া গার্ডেন মানে আফতাব আহমেদের সেই ছক্কা। সোফিয়া গার্ডেন মানেই মাশরাফির হাত ধরে সাকিব আল হাসান ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের বীরত্বে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডকে হারানোর গল্প।
এই স্টেডিয়ামে ২০০৫ এর ওই ম্যাচে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অমর ছবি হয়ে আছে। একটি সেঞ্চুরির পর আশরাফুলের উদ?যাপন। অন্যটি গিলেস্পিকে শেষ ওভারে আফতাবের ছক্কা। যা এখন টাইগারদের দলগত প্রাপ্তির উদযাপনের ছবি হয়ে দেয়ালে ঝুলছে। সেবারও লন্ডন থেকেই কার্ডিফে এসেছিল বাংলাদেশ দল। সেটিও ম্যাচের ঠিক আগের দিন। সেবার বাংলাদেশ দল অনুশীলন করতে পারেনি এবারও পারেনি। কারণ রাত থেকেই কার্ডিফের আকাশ ভেঙে পড়ছে বৃষ্টি। গতকাল প্রায় সারাদিন বৃষ্টিতে রুমবন্দি করে রাখে টাইগারদের। মাশরাফি বিন মুর্তজা অবশ্য এসেছিলেন দলকে ছাড়াই। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে অনুশীলন করতে না পারা কতটা ক্ষতি তা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আসলে আমরা এখন টুর্নামেন্টের মধ্যে ঢুকে পড়েছি। তাই অনুশীলন করে যে খুব বেশি কিছু হয়ে যাবে তা নয়। তবে হ্যা, ক্ষতিতো আছেই কিছু। যেমন তাদের কিছু কিছু ভুল শুধরে নেয়া প্রয়োজন ছিল। যেমন আমার কথাই বলছি। আমি নিজের সেরাটা দিতে পারিনি এখনো। তাই যেখানে যেখানে একটু কাজ করার দরকার সেটি আজ করতে পারিনি। করতে পারলে ভালো হতো। তামিমেরও একই অবস্থা। ওরও আজ একটু অনুশীলন করে নেয়া দরকার ছিল। কারণ ও নিজেকে কিছু কিছু সমস্যা থেকে বের করে আনতে চাইছে।
বিশ্বের শুধু দুটি ক্রিকেট মাঠের নামের সঙ্গেই এই ‘গার্ডেন’ শব্দটা আছে। সোফিয়া গার্ডেনের তুলনায় অনেক বেশি বিখ্যাত কলকাতার ইডেন গার্ডেন। দুটিরই নামকরণ সম্ভ্রান্ত দুই নারীর নামে। টাফ নদীর পারে কার্ডিফ শহর ছিমছাম-নিরিবিলি। আজ ফের নিরবতা ভাঙবে ‘বাংলাদেশ’ বাংলাদেশ স্লোগানে। কার্ডিফে থাকা হাজার হাজার বাঙালি প্রস্তুতি নিচ্ছে আজ উৎসবে মাতার।
ওয়েলসের রাজধানী কার্ডিফ থেকেই বাংলাদেশ দল ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ মিশন শুরু করে। এখানে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। যার প্রথমটি ছিল পাকিস্তানের বিপক্ষে। অবশ্য ম্যাচটি হঠাৎ করে নামা বৃষ্টিতে ভেসে যায়। এরপর ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় প্রস্তুতির দিনও ছিল বৃষ্টি। তবে সেটি বাঁধা হতে পারেনি। যদিও সেই ম্যাচে হেরে যায় বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার যখন লন্ডন থেকে বাংলাদেশ দল কার্ডিফে আসছিল তখন ছিল বৃষ্টির চোখ রাঙানি । গতকাল প্রায় সারাদিনই ঝরে বৃষ্টি । বৃষ্টির এমন তেজ দেখে সবার মনে শঙ্কার দানা বাঁধে হবেতো ম্যাচটা! অবশেষে কিছুটা শঙ্কা উড়িয়ে স্থানীয় সময় সাড়ে তিনটার দিকে সেই বৃষ্টি থামে। তবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে এই বৃষ্টির কারণে দুই দলেরই অনুশীলন করা হয়নি। আজ আবহওয়ার পূর্বাভাসে জানা গেছে ওয়েলসে তেমন বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যাগভর্তি টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ও কাপড় ফেরত দিলেন সিএনজিচালক

দিশেহারা ফজিলাও। ঈদ করতে না পারার আশঙ্কা ভর করে পরিবারটিতে। আত্মীয়-স্বজন আর গ্রামবাসীর সান্ত্বনা আর আফসোস, কোন কিছুই ফজিলার পরিবারের এই বেদনায় প্রলেপ দিতে পারছিল না।
এরই মাঝে সবাইকে অবাক করে দিয়ে টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল, কাপড়-চোপড় ও অন্যান্য মালামাল ভর্তি ফজিলার ব্যাগটি নিয়ে হাজির হন সিএনজি চালক মো. হারুন মিয়া। তার সঙ্গে সিএনজিযাত্রী পাঁচ যুবক। তারা ব্যাগটি তুলে দেন ফজিলা খাতুনের হাতে। সবকিছু ঠিক আছে কিনা পরীক্ষা করতেও বলেন। সিএনজিতে ফেলে যাওয়া ব্যাগটি পেয়ে ফজিলা তখন আত্মহারা। ব্যাগ খুলে দেখতে পান, তার নগদ ৪৫ হাজার টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ফোন, পরিবার-পরিজনের জন্য কেনা ঈদের কাপড়-চোপড়সহ অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র সবই ঠিক আছে।
হারানো ব্যাগ ও ব্যাগের সব কিছু ফিরে পেয়ে ফজিলা ও তার মা-বাবা আনন্দে কেঁদে ফেলেন। সিএনজি চালক এবং সিএনজি যাত্রী যুবকদের এমন সততায় মুগ্ধ পরিবারটি ও শাহপুর গ্রামবাসী। তাদের এই সততায় গ্রামবাসীর প্রশংসার যেন শেষ ছিল না!
সিএনজিযাত্রী শেখ বোরহান উদ্দিন পরান জানান, সিএনজি চালক মো. হারুন মিয়ার বাড়ি বাজিতপুর উপজেলার সুলতানপুর গ্রামে। যাত্রী নামিয়ে মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে হারুন মিয়া সুলতানপুর বাজারে আসেন। এ সময় তিনি তার সিএনজির পিছনে একটি ব্যাগ দেখতে পান। হারুন মিয়ার ব্যাগটি দেখে সন্দেহ হয়, কোন যাত্রী হয়তো ভুলে ব্যাগটি ফেলে রেখে গেছেন। এ সময় তার পাশে শেখ বোরহান উদ্দিন পরানসহ চার থেকে পাঁচ জন্য এলাকার যুবক ছিল। তাদের নিয়ে সিএনজি চালক মো. হারুন মিয়া ব্যাগটি খুলে দেখতে পান, ঈদের নতুন জামা কাপড়। তখন সিএনজি চালক মো. হারুন মিয়াকে যুবকরা বলেন, ব্যাগটির মধ্যে টাকাও থাকতে পারে। তারপর ব্যাগটি ভাল করে পরীক্ষা করা হয়। তখন ব্যাগটিতে দুইটি বক্স পাওয়া যায়। বক্স দু’টি খোলার পর দেখা যায়, অনেকগুলো টাকা, সাথে কিছু স্বর্ণালঙ্কার, একটি মোবাইল ফোন। টাকাগুলো গুণে দেখা যায়, ৪৫ হাজার টাকা। এছাড়া ঈদের নতুন কাপড় ছাড়াও কিছু মূল্যবান জিনিসপত্র রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় এক লাখ টাকার সমপরিমাণ হবে বলে তারা ধারণা করেন। সিএনজিচালক হারুন মিয়া যুবকদের জানান, তিনি কটিয়াদী থেকে সিএনজিতে উঠা এক মহিলাকে শাহপুর গ্রামে নামিয়ে দিয়ে এসেছেন। ব্যাগটি হয়তো তারই হবে। এরপরই সিএনজি নিয়ে সুলতানপুর গ্রামের পাঁচ যুবক সাজ্জাদ হোসেন, হৃদয় মিয়া, শেখ বোরহান উদ্দিন পরান, সুমন ও অসীম মিয়া সিএনজি চালক মো. হারুন মিয়াকে নিয়ে ছুটেন শাহপুর গ্রামের উদ্দেশ্যে। শাহপুর গ্রামে ফজিলা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে তারা দেখেন, মেয়েটির হতদরিদ্র রিক্সাচালক বাবা কাঁদছেন। মাটিতে লুটিয়ে বিলাপ করছেন মা। মেয়েটিও দিশেহারা। তারা গিয়ে মেয়েটির হাতে ব্যাগটি তুলে দিতেই বদলে যায় দৃশ্যপট। হারানো ব্যাগ ও ব্যাগের সকল কিছু ফিরে পেয়ে যেন হাতে আসমান পায় পরিবারটি। আনন্দে উদ্বেলিত হয় পরিবারের সদস্যরা। পৃথিবীতে ভাল ও সৎ মানুষ আছে বলে দুনিয়াটা টিকে আছে বলেও তখন মন্তব্য করেন অনেকে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের মানবাধিকার-গণতন্ত্র পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিটেনের উদ্বেগ
বুধবার (৫ জুন) প্রকাশিত ‘মানবাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিবেদন ২০১৮’ শীর্ষক এ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে ২০১৮ সালে মানবাধিকার পরিস্থিতি ও গণতন্ত্রের সুরক্ষা দুর্বল হয়েছে। গত ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অসংখ্য অনিয়মের অভিযোগ ও সহিংসতার বিষয়টি নজরে এসেছে ব্রিটিশ সরকারের। এসব অভিযোগকে ‘বিশ্বাসযোগ্য’ বলে মনে করেন তারা। নির্বাচনে বিরোধীদের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করা হলেও গ্রেফতার এবং ভোটের দিন নানা অনিয়ম, অনেককে ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসবের মধ্য দিয়ে নানাভাবে ‘নির্বাচনি প্রচারে প্রতিবন্ধকতা’ তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ব্রিটেন এ বিষয়ে স্পষ্ট ও অনড় যে, আমরা অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখতে চাই; যা একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করবে।’
গত বছরের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট এই বার্তা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পৌঁছে দেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বেড়েছে। সীমিত হয়েছে মত প্রকাশের স্বাধীনতা। ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট ডিকসন জানান, ‘আমাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে এটি স্পষ্ট করা হয়েছে যে, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের সুরক্ষা দুর্বল হয়ে পড়ায় এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে চাপে রাখার অভিযোগগুলো নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন।’
প্রতিবেদনে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুমের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত বছরের মে থেকে জুলাই পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধের’ সময় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও জোরপূর্বক ‘গুম’-এর ঘটনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ‘দায়মুক্তি’ পাওয়ার অভিযোগ সমর্থন করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত অক্টোবরে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের পর বাংলাদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়টি নজরে রেখেছে ব্রিটিশ সরকার। ২০১৮ সালে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার-এর বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪৬তম। ২০১৭ সালেও একই অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে ৫৪ জন সাংবাদিককে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের আওতায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।
তবে, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের উদারতার প্রশংসা করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। আগের চেয়ে কক্সবাজারে শরণার্থী শিবিরের অবস্থার উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিক্ষায় হিন্দি বাধ্যতামূলক নয়, চাপে পড়ে সিদ্ধান্ত বদল

এ ব্যাপারে পড়ুয়ারা স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাহায্য নিতে পারবে বলেও জানানো হয়েছে। যে ভাষায় স্কুলে পড়ার সুবিধা, সেটাই বেছে নেওয়া যাবে বলে সংশোধনীতে উল্লেখ করা হয়েছে। গত শনিবার নতুন শিক্ষানীতির খসড়ায় হিন্দিকে বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব জানাজানি হওয়ার পরই দক্ষিনভারতের রাজ্যগুলি প্রতিবাদ জানায়। এমনকি এনডিএ-র শরিকরাও প্রতিবাদ জানান। হিন্দি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে দক্ষিন ভারতের আন্দোলন অনেক দিনের। তামিলনাডুতে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে বারে বারে প্রতিবাদ হয়েছে। ১৯৬৫-তে হিন্দি-বিরোধী আন্দোলন সংঘর্ষের রুপ নিয়েছিল। এর রেশ ছড়িয়েছিল তৎকালীন অন্ধ্রপ্রদেশ, মাইশোর এবং কেরলে। ১৯৮৬-তে শিক্ষা নীতি তৈরি হয়, যা সংশোধন হয় ১৯৯২-এ। বিজেপি ২০১৪-র ইস্তাহারেই নতুন শিক্ষা নীতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। দ্বিতীয় বার সরকারে এসে প্রথম একশো দিনের মধ্যেই নতুন শিক্ষা নীতি চূড়ান্ত করতে উদ্যোগী হয়েছে মোদী সরকার। তবে তামিলনাডুর সব রাজনৈতিক দল ঘোষনা করেন, তারা সর্বশক্তিতে এই প্রস্তাব প্রতিহত করবে। সেখানে সোশ্যাল মিডিয়াাতেও শুরু হয়েছে হিন্দি ঠেকাও আন্দোলন। এনডিএ-র শরিক এডিএমকে এবং পিএমকে জানিয়েছে, অ-হিন্দিভাষী রাজ্যগুলির উপর জোর করে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়া হলে দেশের বহুত্ববাদী চিন্তাধারায় আঘাত লাগবে। তামিলনাডুুর এডিএমকে সরকারের শিক্ষামন্ত্রী কেএ সেঙ্গোত্তাইয়ান জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা কেন্দ্রের এই নীতি মানবেন না। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরাও হিন্দি অস্টম শ্রেনি পর্যন্ত বাধ্যতামীলক করার প্রাথমিক প্রস্তাবে তীব্র্্র আপত্তি জানান। সাবেক ইসরো চেয়ারম্যান কে কস্তুরীরঙ্গন কমিটির তৈরি শিক্ষানীতির খসড়ায় বলা হয়, স্কুল শিক্ষায় তিনটি ভাষা শেখানো প্রয়োজন। হিন্দিভাষী রাজ্যে হিন্দি, ইংরেজির পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীরা যে কোনও ভাষা বেছে নিতে পারে। অ-হিন্দিভাষী রাজ্যে হিন্দি, ইংরেজির সঙ্গে ছাত্রছাত্রীরা একটি আঞ্চলিক ভাষা শিখতে পারে। যার অর্থ, তামিলনাডু, অন্ধ্র, কেরলের মতো রাজ্যেও হিন্দি শেখা বাধ্যতামূলক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরাজগঞ্জে পুলিশের শটগান কেড়ে নিয়ে গুলি, স্কুলছাত্র নিহত- সেনাসদস্যসহ গ্রেপ্তার ১০

নিহত ইউনুস আলী (১৪) ওই গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে ও স্থানীয় চরবুর্ণিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র। অভিযুক্ত সেনা সদস্য পলাশ উদ্দিন মোল্লা একই গ্রামের হেলাল উদ্দিন মোল্লার ছেলে। তিনি বঙ্গভবনে গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) সদস্য হিসাবে কর্মরত ছিলেন।
তার ব্যাচ নং-৪৫০৭৭২৪। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে তিনি হামলা ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহজাদপুর থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত কেএম রাকিবুল হুদা জানান, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চরবর্ণিয়া গ্রামে মঙ্গলবার দুপুর থেকে আখের আলী ও সেনাসদস্য পলাশ মোল্লার সমর্থিত দু’গ্রুপের লোকজনের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছিল। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এ সময় সেনা সদস্য পলাশ মোল্লার নেতৃত্বে বেশ কিছু লোক ব্যারিকেড সৃষ্টি করে পুলিশের ওপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে তারা ঘটনাস্থলে কর্তব্যরত এসআই আফজাল হোসেন ও কনস্টেবল মিঠুনকে মারপিট করে। এ সময় কনস্টেবল মিঠুনের হাতে থাকা শটগানটি মাটিতে পড়ে গেলে সেনা সদস্য পলাশ মোল্লা ওই শটগান তুলে নিয়ে গুলি করলে স্কুলছাত্র ইউনুস বুকের ডান পাশে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এ ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই এলাকায় তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে সেনা সদস্য পলাশসহ তার ১০ সহযোগীকে আটক এবং ওই শটগানটি উদ্ধার করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা আরো বলেন, এ ঘটনার পর ওই দিন রাতেই নিহত স্কুলছাত্রের বাবা জয়নাল আবেদিন বাদী হয়ে ৫৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১৫/২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ ছাড়াও পুলিশকে মারপিট ও অস্ত্র কেড়ে নিয়ে গুলি করার অভিযোগে থানার এসআই শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে আরেকটি মামলা করেছেন। মামলায় সেনাসদস্য পলাশ মোল্লাসহ ১৪ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৩০/৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আটকের পর প্রত্যেকেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের ২টি মামলাতেই গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বর্তমানে গ্রেপ্তারকৃতরা জেলহাজতে রয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, স্কুলছাত্র ইউনুস আলীকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদ ও হত্যাকারীদের শাস্তির দাবিতে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চরবর্ণিয়া এলাকায় নির্মাণাধীন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ওপর গ্রামবাসী বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। কর্মসূচি চলাকালে নিহতের বাবা জয়নাল আবেদিন, মা রওশনারা খাতুন, বোন তানিয়া খাতুন ও সনিয়া খাতুন, গ্রামবাসীর পক্ষে শাহানুর ইসলাম, সাদ্দাম হোসেন, শরিফুল ইসলাম, আকমল হোসেন, আনু খাতুন, বুলবুলি খাতুন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা অবিলম্বে সকল আসামিক গ্রেপ্তার ও দ্রুত বিচার দাবি করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যানজটে আটকা পড়ে সড়কেই সন্তান প্রসব

স্থানীয়রা এর নাম রেখেছেন সেতু। স্বামী হাবিব হোসেন জানান, পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে স্ত্রীকে নিয়ে গাজীপুর থেকে কুড়িগ্রাম যাচ্ছিলাম। মাঝে ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের গোলচত্বর এলাকায় আমার স্ত্রীর প্রসব বেদনা শুরু হয়। গাড়িতে প্রসব বেদনা শুরু হলে তাকে ধরে সড়কের পাশে গাছের নিচে রাখা হয়। এ সময় গাড়ির একজন ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে। পরে স্বাভাবিকভাবেই স্ত্রী আফরোজা বেগম কন্যাশিশু জন্ম দেন। এরপর ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স থেকে নার্সসহ একটি এম্বুলেন্স আসে। পরে নার্সরা স্ত্রীকে চিকিৎসাসেবা দেন। মা ও মেয়ে দুইজনই সুস্থ রয়েছে। এদিকে সন্তানসহ হাবিব সাড়ে ১১টার দিকে নীল রঙের একটি প্রাইভেটকার ভাড়া করে বাড়ির দিকে রওনা দেন। এ বিষয়ে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র নার্স সাজেদা খাতুন বলেন, ঘটনাস্থলে আসার আগেই সন্তান প্রসব হয়েছে সড়কের উপরে। এরপর মা-মেয়েকে চেকআপ করা হয়েছে। পাশাপাশি দুইজনকে চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়েছে। দুইজনই সুস্থ রয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বড় ও মাঝারি শিল্প কারখানা কমেছে -বিবিএসের জরিপ by জাহাঙ্গীর শাহ

গত ছয় বছরে দেশের বড় শিল্পকারখানা বাড়েনি, বরং কমেছে ৬০৮টি। এ সময়ে মাঝারি শিল্পকারখানার সংখ্যা অর্ধেকে নেমে এসেছে। মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) উৎপাদন খাতের প্রবৃদ্ধির হিসাবকে বিতর্কে ফেলেছে বড় ও মাঝারি শিল্পকারখানা কমে যাওয়া। আবার জিডিপি প্রবৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বড় ও মাঝারি শিল্পে কর্মসংস্থানও সে রকম হচ্ছে না।
সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) উৎপাদন শিল্প জরিপে বড় ও মাঝারি শিল্পকারখানার এই চিত্র উঠে এসেছে। তবে ভালো দিক হচ্ছে, ২০১২ সালের পর থেকে নতুন করে প্রায় আট হাজার ছোট শিল্পকারখানা গড়ে উঠেছে। জরিপ অনুযায়ী, দেশে এখন ৪৬ হাজার ২৯১টি কারখানা আছে। ছয় বছরে কারখানার সংখ্যা বেড়েছে ৩ হাজার ৪৯৯টি। ২০১২ সালে দেশে ছিল ৪২ হাজার ৭৯২টি কারখানা।
বড় ও মাঝারি শিল্পকারখানার সংখ্যা কমে যাওয়া সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল গত সোমবার রাতে প্রথম আলোকে বলেন, পাটশিল্প একটি বড় শিল্প ছিল। এই খাতের কারখানা কমেছে। এ ছাড়া অন্য কোনো খাতের কারখানা বন্ধ হয়নি। তৈরি পোশাক, চা–বাগান, সিমেন্টের মতো বড় শিল্প খাতে কারখানা কমেনি। তবে চামড়াশিল্পের কারখানা স্থানান্তরের কারণে এর সংখ্যা কিছুটা কমেছে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ চাহিদার ভিত্তিতে দেশে শিল্পকারখানা স্থাপিত হয়। এই শিল্পকারখানা স্থাপনের প্রবৃদ্ধি স্বাভাবিক আছে, কোনো নিম্নগতি নেই। সরকারের কোনো নীতিগত ভুলের কারণে কোনো শিল্পকারখানা বন্ধ হয়নি। তাঁর মতে, ভবিষ্যতে তথ্যপ্রযুক্তি, আসবাব, ডায়মন্ড কাটিংয়ের বিকাশ হবে। এসব খাতে অনেক কর্মসংস্থান হবে। এ ছাড়া অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগ আসবে, বড় শিল্পকারখানা হবে।
জরিপে যা আছে
পাঁচ–ছয় বছর পরপর উৎপাদন শিল্প জরিপ করে থাকে বিবিএস। বিবিএসের হিসাবে, কোনো কারখানার শ্রমিকের সংখ্যা আড়াই শ পেরোলেই বড় শিল্পকারখানা হিসেবে ধরা হয়। গত ছয় বছরে এমন কারখানার সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩১টি। আর এক শ থেকে আড়াই শ শ্রমিকের মাঝারি কারখানা ছয় বছরে কমে হয়েছে ৩ হাজার ১৪টি।
২৫ থেকে ৯৯ জন শ্রমিক কাজ করেন এমন কারখানাকে ছোট কারখানা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গত ছয় বছরে এমন আট হাজার নতুন কারখানা গড়ে উঠেছে। সব মিলিয়ে দেশে ২৩ হাজার ৫৫৭টি ছোট কারখানা আছে। সারা দেশে অতিক্ষুদ্র কারখানায় যেখানে ১০ থেকে ২৪ জন কাজ করেন, এমন কারখানার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৬৮৯টি।
এ কে খান গ্রুপের পরিচালক ও ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি আবুল কাশেম খান এ বিষয়ে প্রথম আলোকে বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহারের কারণে কারখানায় শ্রমিকের সংখ্যা কমে গেছে; কিন্তু বিনিয়োগ হচ্ছে। সে কারণে শুধু কারখানার শ্রমিকের সংখ্যা দিয়ে শিল্প খাতের প্রকৃত চিত্র তুলে আনা সম্ভব নয়। কেননা, টেলিযোগাযোগ, বিদ্যুৎ, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বড় বড় বিনিয়োগ আসছে।
বিবিএস সূত্রে জানা গেছে, শুল্ক স্তর নামিয়ে আনার ফলে নব্বইয়ের দশকে অসংখ্য ছোট শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ২০০১ থেকে ২০১০—এই দশকেই দেশের শিল্পায়ন বেশি হয়েছে। এ সময়ে প্রায় ১৫ হাজার নতুন শিল্পকারখানা হয়েছে, যা ছিল তখনকার মোট শিল্পের এক-তৃতীয়াংশ। ২০১২ সালের পর শিল্পায়নের গতি কিছুটা শ্লথ হয়েছে। গত ছয় বছরে মাত্র সাড়ে চার হাজার নতুন কারখানা হয়েছে।
গত দুই দশকে শিল্প খাতের বার্ষিক উৎপাদনের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৯ গুণ। ২০০১-০২ সালের বিবিএসের শিল্প উৎপাদন সমীক্ষা অনুযায়ী, সে সময়ে বছরে ৯০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকার পণ্য উৎপাদন করত শিল্প খাত। আর এখন শিল্প খাত বার্ষিক ৮ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকার পণ্য উৎপাদন করছে।
নতুন সমীক্ষা অনুযায়ী, গড়ে ৫৯ শতাংশ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ঋণ আছে। প্রতি চারটি বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে তিনটি ঋণ নিয়েছে। তবে অতিক্ষুদ্র শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা তুলনামূলক কম। গড়ে ৪৪ শতাংশ অতিক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান ঋণ নিয়েছে।
গত এপ্রিল মাসজুড়ে ৯ হাজার শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ওপর জরিপ চালায় বিবিএস। চলতি সপ্তাহে জরিপের প্রাথমিক ফলাফল চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে আরও বিস্তারিতভাবে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
বিবিএসের শিল্প ও শ্রম শাখার পরিচালক ঘোষ সুবব্রত প্রথম আলোকে বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে ব্যবসা সংকুচিত করেছে। শ্রমিক ছাঁটাই করেছে। অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধই হয়ে গেছে। আবার উদ্যোক্তা নিজেই একটি ব্যবসা বন্ধ করে আরেক ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন।
প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বিতর্ক
জরিপ অনুযায়ী, বড় ও মাঝারি শিল্পকারখানায় গত ছয় বছরে ৪ লাখ ৮২ হাজার ৯৭১ জনের নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে। অর্থাৎ বছরে গড়ে কর্মসংস্থান হয়েছে ৮০ হাজারের বেশি। সব মিলিয়ে শিল্প উৎপাদন খাতে প্রতিবছর গড়ে ১ লাখ ২৯ হাজার কর্মসংস্থান হয়েছে। অথচ প্রতিবছর শ্রমবাজারে ২০ থেকে ২২ লাখ তরুণ-তরুণী আসছেন। চাকরিপ্রত্যাশী এই বিশাল তরুণ গোষ্ঠীর মাত্র ৬ থেকে ৭ শতাংশকে কাজ দিতে পারছে জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা শিল্প উৎপাদন খাত। অর্থাৎ প্রবৃদ্ধির তুলনায় উৎপাদন খাতে কর্মসংস্থানের হার অনেক কম।
এদিকে, চলতি অর্থবছরে ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে বলে সাময়িক হিসাব দিয়েছে বিবিএস। কিন্তু জিডিপিতে উৎপাদন খাতের প্রবৃদ্ধির সঙ্গে বড় ও মাঝারি শিল্পকারখানার হিসাব মিলছে না। একদিকে বিবিএস বলছে, চলতি অর্থবছরে উৎপাদন খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৫ শতাংশ; যা খাতওয়ারি হিসাবে সবচেয়ে বেশি। জিডিপিতে যত মূল্য সংযোজন হয়, এর প্রায় ২৪ শতাংশ আসে শিল্প উৎপাদন খাত থেকে। আর বড় ও মাঝারি শিল্পকারখানার অবদান সাড়ে ২০ শতাংশের বেশি। কয়েক বছর ধরেই জিডিপিতে বড় ও মাঝারি শিল্পকারখানাগুলোর অবদান ক্রমশ বেড়েছে। কিন্তু জরিপ বলছে, গত ছয় বছরে বড় ও মাঝারি শিল্পকারখানার সংখ্যা কমে গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, প্রবৃদ্ধির সঙ্গে শিল্পকারখানার হিসাবটি সম্পূর্ণ অসংগতিপূর্ণ। বড় ও মাঝারি শিল্পকারখানা সংখ্যায় কমেছে, কিন্তু উৎপাদন বেড়েছে—এই হিসাব কোনোভাবেই মিলছে না। তিনি এর দুটি তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেন। ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, হতে পারে, বড় ও মাঝারি শিল্পকারখানাগুলো একীভূত হচ্ছে। বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলো অন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান কিনে নিচ্ছে। অথচ এ ধরনের ঘটনা হলে তো সবাই জানত। যেমন এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংক কিনে নেওয়ার সময় সবাই জেনেছে। দ্বিতীয়ত হলো, শিল্পকারখানায় ব্যাপক অটোমেশন হতে পারে। কিন্তু দুটি ব্যাখ্যার একটিও ঘটেনি। জাহিদ হোসেন ইতি টানেন এভাবে, ‘হয় প্রবৃদ্ধির হিসাবটি ভুল, না হয় জরিপটি ভুল।’

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
June
(697)
-
▼
Jun 08
(12)
- প্রথম বিদেশ সফরে মালদ্বীপ যাচ্ছেন মোদি, কিন্তু কেন?
- মেঘালয় রাজ্যপালের একার বাংলাবিরোধী টুইট বোমা
- রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে ‘বেস্ট ফ্রেন্ড’ বললেন চীনে...
- ‘চাঁদ’ কি তাহলে ট্রাফিক জ্যামে আটকা পড়েছিল? by মার...
- পাসপোর্ট ছাড়াই পাইলট কাতারে তদন্ত কমিটি
- কার্ডিফে অনুপ্রেরণা ‘যে ছবি’ by ইশতিয়াক পারভেজ
- ব্যাগভর্তি টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ও কাপড় ফেরত...
- বাংলাদেশের মানবাধিকার-গণতন্ত্র পরিস্থিতি নিয়ে ব্রি...
- শিক্ষায় হিন্দি বাধ্যতামূলক নয়, চাপে পড়ে সিদ্ধান্ত বদল
- সিরাজগঞ্জে পুলিশের শটগান কেড়ে নিয়ে গুলি, স্কুলছাত্...
- যানজটে আটকা পড়ে সড়কেই সন্তান প্রসব
- বড় ও মাঝারি শিল্প কারখানা কমেছে -বিবিএসের জরিপ by ...
-
▼
Jun 08
(12)
-
▼
June
(697)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
