Wednesday, August 24, 2011

প্রধানমন্ত্রী হতে চান সেইজি মায়েহারা

জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে অংশ নিতে যাচ্ছেন দেশটির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেইজি মায়েহারা।
জাপানের সংবাদ সংস্থা জিজি নিউজের খবরে গতকাল সোমবার এ কথা বলা হয়। খবরে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী পদে সাম্প্রতিক জরিপে সম্ভাব্য সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রার্থী বর্তমান অর্থমন্ত্রী ইয়োশিহিকো নোদার নির্বাচিত হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

সিরিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপের ফল উল্টো হতে পারে

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ বলেছেন, কয়েক মাস ধরে চলা প্রতিবাদ বিক্ষোভ সত্ত্বেও তাঁর সরকার পতনের ঝুঁকি নেই। গত রোববার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎ কারে তিনি আরও বলেন, কঠোরভাবে সহিংসতা মোকাবিলা করা হবে।
বাশার আল-আসাদ সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যেকোনো বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপ উল্টো ফল নিয়ে আসতে পারে। সিরিয়ার ভূরাজনৈতিক অবস্থান ও সিরিয়ার সামর্থ্যের কারণেই এটা ঘটবে।
সাক্ষাৎ কারে প্রেসিডেন্ট বাশার বলেন, সিরিয়ার সংকট রাজনৈতিকভাবে সমাধান করা হবে। তবে সহিংসতা মোকাবিলা করা হবে নিরাপত্তা বাহিনীর সাহায্যে।
প্রেসিডেন্ট আসাদ বলেন, বহুদলীয় পদ্ধতি প্রবর্তনে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশে নির্বাচন হতে পারে।
এরই মধ্যে সিরিয়া সংকট নিয়ে আলোচনার জন্য জেনেভায় বৈঠকে বসতে যাচ্ছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কয়েকটি দেশ বাশার আল-আসাদকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন। গত মার্চের মাঝামাঝি সিরিয়ায় আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়। ৪০ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছে আসাদের পরিবার।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, গত মার্চে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরুর পর দেশটিতে প্রায় দুই হাজার বেসামরিক লোক ও নিরাপত্তা বাহিনীর ৫০০ সদস্য নিহত হয়েছেন। গ্রেপ্তার করা হয়েছে শত শত লোককে। দেশে অস্থিতিশীলতার জন্য ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে’ দায়ী করেছে সরকার।

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ বিধানসভার ২৫ জন সদস্যের পদত্যাগ

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের বিধানসভা থেকে কংগ্রেসদলীয় ২৫ জন সদস্য পদত্যাগ করেছেন। জগন মোহন রেড্ডির বিরুদ্ধে তদন্তকে কেন্দ্র করে তাঁরা পদত্যাগ করলেন।
২৫ জনের পদত্যাগের কারণে অন্ধ্র প্রদেশের কংগ্রেস সরকার সংকটে পড়তে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অবশ্য এঁদের পদত্যাগের পরও বিধানসভায় কংগ্রেসের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বহাল আছে।
জগন মোহনের অনুগত ওই ২৫ জন সদস্য অন্ধ্র প্রদেশ বিধানসভার স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। তাঁরা কংগ্রেস থেকেও পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জগন মোহনের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে তাঁর বাবা কংগ্রেসের জনপ্রিয় নেতা ওয়াই এস রাজশেখর রেড্ডির নাম অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি গণপদত্যাগে ইন্ধন জুগিয়েছে।
জগন মোহন ভারতের ধনী রাজনীতিকদের একজন। তাঁর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি সংবাদপত্র, একটি টিভি চ্যানেল, একটি সিমেন্ট কারখানা ও বিদ্যুৎ প্রকল্প রয়েছে।
২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরে মারা যান রাজশেখর। তিনি তখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর ছেলে জগন মোহনকে উত্তরসূরি হিসেবে মনোনীত করেনি কংগ্রেস। গত বছর কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে ওয়াইএসআর কংগ্রেস গঠন করেন জগন মোহন।

বেদুইন মা-বাবার সন্তান আফ্রিকার ‘রাজার রাজা’

মুয়াম্মার গাদ্দাফি গত রোববার এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, ‘লিবিয়ার তরুণেরা আমার ছবিতে চুমু খায়। তারা তাদের নেতাকে বাবার মতো শ্রদ্ধা করে।’ সেই তরুণেরাই এক দিন পর গতকাল সোমবার গাদ্দাফির ছবি পদদলিত করেছে আর উল্লাস করেছে রাজধানী ত্রিপোলির পথে পথে।
আরব বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি শাসক গাদ্দাফির পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। দীর্ঘ ৪২ বছর পর লিবিয়াবাসী তাঁর দুঃশাসন থেকে মুক্ত হতে যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রী—এমন কোনো পদেই ছিলেন না গাদ্দাফি, অথচ নিজেকে লিবিয়ার নেতা হিসেবে পরিচয় দিতেন। ছয় মাস আগে বিদ্রোহ শুরু হলে তিনি বলেছিলেন, ‘আমার তো কোনো পদ নেই, পদত্যাগের প্রশ্নই আসে না।’
গাদ্দাফির জন্ম উপকূলীয় সিরতে এলাকায় ১৯৪২ সালে। বাবা-মা ছিলেন বেদুইন। ভূগোল বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন বেনগাজি বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়েন।
১৯৬৯ সালে ২৭ বছরের তরুণ গাদ্দাফি সেনাবাহিনীর একজন কর্নেল। অল্প কিছু সহযোগী নিয়ে রক্তপাতহীন এক অভ্যুত্থানে রাজা ইদ্রিসকে হটিয়ে দেন। ক্ষমতা দখলের পরই গাদ্দাফি নিজেকে আরব বিশ্বের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে তৎ পর হন। সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ভাবাদর্শ গ্রহণ করেন। দেশের বৃহৎ প্রতিষ্ঠানগুলো রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন। মিসরের নেতা জামাল আবদেল নাসের এবং তাঁর আরব সমাজতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদী আদর্শের অনুরাগী ছিলেন তিনি। লিবিয়া, মিসর ও সিরিয়াকে নিয়ে একটি ফেডারেশন গঠনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। ১৯৭৭ সালে তিনি দেশের নাম বদলে গ্রেট সোশ্যালিস্ট পপুলার লিবিয়ান আরব জামাহিরিয়াহ করেন।
ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই ‘স্বৈরশাসক’ হিসেবে তাঁর বিরোধিতা শুরু করেন সমালোচকেরা। সুশীল সমাজ ও ভিন্নমতাবলম্বীদের দমন-পীড়নের অভিযোগ ওঠে। সত্তরের দশকে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের দায়ে ত্রিপোলি, বেনগাজিসহ অনেক শহরে ছাত্রদের প্রকাশ্যে ফাঁসি দেন গাদ্দাফি। আশির দশকে বিরোধীরা অন্য দেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।
লিবিয়ার জাতীয় মুক্তি ফ্রন্টের উপমহাসচিব মোহাম্মদ আল-আবদেল্লাহ বলেন, ‘গাদ্দাফির সবচেয়ে ভয়ংকর নৃশংসতা ছিল সম্ভবত আবু সালিম কারাগারের এক হাজার ২০০ বন্দীকে হত্যা করা। নিরস্ত্র ওই বন্দীদের তিন ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে হত্যা করা হয়।
১৯৭৮ সালে ইসরায়েলের সঙ্গে মিসরের শান্তিচুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল গাদ্দাফির। এই ঘটনার পর আরব বিশ্বের অনেক দেশ তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। তখন তিনি নজর দেন আফ্রিকার দিকে। তিনি স্বপ্ন দেখতে থাকেন আফ্রিকা যুক্তরাষ্ট্র করার। তাতে ব্যর্থ হলেও আফ্রিকান ইউনিয়ন গঠনে তাঁর অসামান্য ভূমিকা ছিল। ২০০৮ সালে আফ্রিকান শাসকদের এক সম্মেলনে গাদ্দাফিকে ‘আফ্রিকার রাজাদের রাজা’ ঘোষণা করা হয়।
পশ্চিমা বিশ্বের কাছে গাদ্দাফি মানে ‘স্বৈরশাসক’ ও ‘সন্ত্রাসবাদী’। ১৯৮৬ সালে বার্লিনে একটি নাইট ক্লাবে বোমা হামলার জন্য দায়ী করা হয় লিবিয়াকে। তৎ কালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ‘আফ্রিকার পাগলা কুকুর’ হিসেবে অভিহিত করেন গাদ্দাফিকে।
১৯৮৮ সালে লকারবি বিমান হামলার জন্য দায়ী করা হয় গাদ্দাফিকে। পরে ওই হামলায় নিহত ২৭০ জনের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হন তিনি।

সিরিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপের ফল উল্টো হতে পারে

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ বলেছেন, কয়েক মাস ধরে চলা প্রতিবাদ বিক্ষোভ সত্ত্বেও তাঁর সরকার পতনের ঝুঁকি নেই। গত রোববার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎ কারে তিনি আরও বলেন, কঠোরভাবে সহিংসতা মোকাবিলা করা হবে।
বাশার আল-আসাদ সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যেকোনো বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপ উল্টো ফল নিয়ে আসতে পারে। সিরিয়ার ভূরাজনৈতিক অবস্থান ও সিরিয়ার সামর্থ্যের কারণেই এটা ঘটবে।
সাক্ষাৎ কারে প্রেসিডেন্ট বাশার বলেন, সিরিয়ার সংকট রাজনৈতিকভাবে সমাধান করা হবে। তবে সহিংসতা মোকাবিলা করা হবে নিরাপত্তা বাহিনীর সাহায্যে।
প্রেসিডেন্ট আসাদ বলেন, বহুদলীয় পদ্ধতি প্রবর্তনে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশে নির্বাচন হতে পারে।
এরই মধ্যে সিরিয়া সংকট নিয়ে আলোচনার জন্য জেনেভায় বৈঠকে বসতে যাচ্ছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কয়েকটি দেশ বাশার আল-আসাদকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন। গত মার্চের মাঝামাঝি সিরিয়ায় আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়। ৪০ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছে আসাদের পরিবার।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, গত মার্চে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরুর পর দেশটিতে প্রায় দুই হাজার বেসামরিক লোক ও নিরাপত্তা বাহিনীর ৫০০ সদস্য নিহত হয়েছেন। গ্রেপ্তার করা হয়েছে শত শত লোককে। দেশে অস্থিতিশীলতার জন্য ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে’ দায়ী করেছে সরকার।

বিদ্রোহীরা কি পারবে লিবিয়ার হাল ধরতে?

ত্রিপোলিবাসী জেগে উঠেছে। পতনের দ্বারপ্রান্তে লিবিয়ার লৌহমানব মুয়াম্মার গাদ্দাফির শাসন। তাঁর শাসন আর টিকছে না, সেটা পরিষ্কার। তবে বড় শঙ্কা গাদ্দাফি-পরবর্তী নেতৃত্ব নিয়ে।
সবকিছু ছাপিয়ে এখন একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। সেটি হচ্ছে, গাদ্দাফির পর যে নেতৃত্বশূন্যতা দেখা দেবে, তা কি পূরণ করতে পারবে বিদ্রোহীরা? তারা কি পারবে লিবিয়ায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে?
বিদ্রোহীদের ন্যাশনাল ট্রানজিশনাল কাউন্সিল (এনটিসি) নিজেরাই ছিন্নভিন্ন। তাদের নেই কোনো একক নেতৃত্ব। গত ২৮ জুলাই বিদ্রোহীদের সামরিক কমান্ডার আবদেল ফাত্তাহ ইউনুস হত্যাকাণ্ড সেই সংকেতই দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, সম্মুখযুদ্ধে জিতলেও সরকার ও দেশ গঠনের যুদ্ধে জয়ী হতে পারবে তো বিদ্রোহীরা?
গত দুই দিনে ঘটনার আকস্মিকতায় পুরো পরিস্থিতিই পাল্টে গেছে। রাজধানী ত্রিপোলির রাস্তায় গাদ্দাফি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়ছে বিদ্রোহীরা। অধিকাংশ এলাকা এখন বিদ্রোহীদের দখলে। গাদ্দাফির পতন এখন সময়ের ব্যাপার।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, গাদ্দাফির সরকার পতনের পর বিদ্রোহীদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে দ্রুত নেতৃত্বের শূন্যতা পূরণ। সে ক্ষেত্রে বড় সমস্যা আরব জাতীয়তাবাদী, ইসলামপন্থী, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী, সমাজতন্ত্রপন্থী ও ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে বেনগাজি শহরভিত্তিক গড়ে ওঠা সরকারবিরোধী আন্দোলন। এ ছাড়া বিদ্রোহীদের সশস্ত্র গ্রুপে যেমন রয়েছেন সাবেক সেনা ও বিভিন্ন সশস্ত্র গ্রুপের যোদ্ধারা, তেমনি রয়েছেন গাদ্দাফির হাতে ১৯৯০ সালে নির্মূল হওয়া ইসলামী গেরিলা যোদ্ধারা। সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ সরকার গঠনে বিপাকে পড়তে পারে বিদ্রোহীরা।
লিবিয়ার অর্থনীতি, যোগাযোগব্যবস্থাসহ সরকারি সেবা খাতের অবস্থাও খারাপ। আর ভারী অস্ত্রে সজ্জিত যোদ্ধারা নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারেন। সব মিলিয়ে সামনে বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে গাদ্দাফিবিরোধীদের।
এ ছাড়া শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে অনভিজ্ঞ ও বিভক্ত এনটিসি তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে। তা ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় যুদ্ধরত ছোট ছোট বিদ্রোহী গ্রুপও এনটিসির সঙ্গে একজোট হয়ে কাজ করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছে।
লিবিয়ায় সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত অলিভার মিলস জানান, লিবিয়ায় যাতে আরেকটি ইরাকের জন্ম না নেয় এবং মসৃণভাবে ক্ষমতার পালাবদল হয়, সে ব্যাপারে তাঁরা সতর্ক। তবে সেটা খুব দুরূহ হবে।
প্রয়োজন বলিষ্ঠ নেতৃত্বের: বিশ্লেষকদের মতে, একমাত্র বলিষ্ঠ নেতৃত্বের উত্থানই পারে লিবিয়ায় বিদ্রোহীদের বিজয় ত্বরান্বিত করতে, তাদের মধ্যে রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তুলতে এবং ক্ষমতার পালাবদলের পথ মসৃণ করতে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক আলজেরীয় আইনজীবী লিবিয়ার সরকারের একসময়ের উপদেষ্টা সাদ জেব্বারের মতে, লিবিয়ার সাধারণ জনগণ ও সব শ্রেণী-পেশার মানুষের মধ্যে গ্রহণযোগ্য কাউকে গাদ্দাফি-পরবর্তী লিবিয়ার হাল ধরতে হবে। নতুন নেতৃত্বের কাজ হবে দ্রুত লিবীয়বাসীকে একই ছায়াতলে আনা।