Tuesday, March 24, 2015
সুস্থ রাজনীতিতে অপশাসনের স্থান নেই by রফিকুল ইসলাম মিয়া
আমাদের আইনে প্রত্যক্ষ সাক্ষীই সর্ব উৎকৃষ্ট সাক্ষী। প্রত্যক্ষ সাক্ষী না পাওয়া গেলে অন্যের কাছে ঘটনার বিবরণ শোনার সাক্ষী বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে প্রকৃত ঘটনার উৎপাটন করার বিধান রয়েছে। পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, বোমা তৈরির বিস্ফোরক আমদানিতে সব দলের লোকই জড়িত। কোন দলের তার সংখ্যাও উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে না পারলে ভয়ঙ্কর এ হত্যাকাণ্ড থেকে জাতিকে রক্ষা করা যাবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার ব্যবস্থা করতে হবে। হত্যাকারী বা অপরাধকারীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য বা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য হত্যাকারীদের কেউই ব্যবহার করতে পারে না। এ জাতীয় রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে যাতে কোনো অবস্থাতেই অপরাধচক্র ব্যবহৃত হতে না পারে সে ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সবচেয়ে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে।
সুশাসনের অভাবে অপরাধচক্রই দানা বাঁধে এবং ক্রমান্বয়ে শক্তি সংগ্রহ করে দানবে পরিণত হয়। আমরা যে যাই বলি না কেন মানুষের বিবেক কখনো মিথ্যা ও অন্যায়ের আশ্রয় দেয় না। সে জন্যই মানুষ সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি। মিথ্যাচার, অন্যায়, পাপে লিপ্ত হলে আমাদের বিবেকের আয়নায় কালো পর্দা পড়ে। অন্যায় সীমারেখা ছাড়িয়ে গেলে বিবেকের স্বচ্ছ আয়নায় কালো দাগ ঘনীভূত হয়। বিবেকের পবিত্র নূর আচ্ছাদিত করে ফেলে। তখন ন্যায়-অন্যায় ভুলে গিয়ে লোভ-লালসার বশীভূত হয়ে পাশবিক কাজে মানুষ নিয়োজিত হয়। আল্লাহর ওপর গভীর বিশ্বাস, আস্থা ও আল্লাহর নির্দেশ মান্য করলেই বিবেকের পবিত্র নূর সব সময় উজ্জীবিত থাকে এবং সব ধরনের মিথ্যাচার লোভ-লালসা ও অন্যায় থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব হয়। মানুষকে ফাঁকি দেওয়া যায়, মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করা যায়, মিথ্যা সাক্ষী দিয়ে তা হয়তো প্রমাণ করা যায়, দুনিয়ার আদালতে বিচারে দণ্ডও দেওয়া যায়; কিন্তু আল্লাহ প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সব জানেন। আল্লাহর রসুল যখন মদিনায় হিজরত করাকালীন শত্রুদের হাত থেকে বাঁচার জন্য গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন তখন একমাত্র সাথী হজরত আবু বকর (রা.) বলেছিলেন আমরা এই গুহায় দুজন নই, তিনজন। আল্লাহ সব সময় আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, মহান আল্লাহতায়ালা সব সৃষ্টি বস্তুকে বেষ্টন করে আছেন। সৃষ্টির কোনো কিছুই তার সীমারেখার বাইরে নয়। আমরা কে কি করছি ভালো-মন্দ সবই আল্লাহ জানেন এবং দেখেন।
নিরাশার মধ্যে আমি আশায় বুক বেঁধে আছি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস বর্তমান মহাসংকটের হাত থেকে এ জাতি শিগগিরই মুক্তি পাবে। বোমা মেরে হত্যা, গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যার অবসান ঘটবে। সভ্যতা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের বিজয় হবে। আকাশের কালো মেঘের অবসান ঘটবে। অমাবস্যার তিরোধানের পর পূর্ণচন্দ্র উদ্ভাসিত হবে। আমার আশার কারণ এ দেশের সাধারণ মানুষ। সাধারণ মানুষ শান্তি চায়, খেয়েপরে বাঁচতে চায়। তারা পরিশ্রমী, উদ্যোগী, উদার ও গণতন্ত্রকামী। উগ্রবাদী মানুষের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। এদেশের মানুষ চরমপন্থি ও উগ্রবাদকে পছন্দ করে না। তারা ধর্মপরায়ণ। কিন্তু ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি পছন্দ করে না। হজরত শাহজালাল, শাহ পরানের দেশের মানুষ উদার। হিন্দু-মুসলমান, খ্রিস্টান সব ধর্মের মানুষ শত শত বছর ধরে একসঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করছে। ইসলামে উগ্রবাদের কোনো স্থান নেই। আল্লাহর নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ধর্মের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছেন। পবিত্র কোরআনে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করা হয়েছে।
এ দেশের মূল ধারার রাজনীতিতে জঙ্গিবাদ বা উগ্রবাদের কোনো স্থান নেই। মুসলিমপ্রধান দেশ হয়েই বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি উদার সহনশীল রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। আমরা সবাই একই ভাষায় কথা বলি। দলমত নির্বিশেষে সবাই মহান ভাষা আন্দোলন ২১ ফেব্রুয়ারি উদযাপন করি। আমাদের দেশে অল্প সংখ্যক উপজাতিও রয়েছে- তারাও বাংলা ভাষার চর্চা করে। আমাদের ভাষা যেমন এক, তেমনি সংস্কৃতিও এক। এ রকম ভাষা সংস্কৃতির অধিকারী রাষ্ট্র পৃথিবীতে খুব বেশি নেই। আমাদের দেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা একজন উপজাতি। দল-মত নির্বিশেষে সবাই প্রধান বিচারপতিকে সংবর্ধনা প্রদান করেছেন।
জঙ্গিবাদ বা উগ্রবাদী চরমপন্থিদের উত্থান ঠেকাতে হলে সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। উগ্রবাদীরা যাতে সমাজে কোনো স্থান না পায় সে জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। একতাবদ্ধভাবে উগ্রবাদকে রুখে দাঁড়াতে হবে। শুধু বক্তব্য প্রদান করেই বিষবৃক্ষের অস্তিত্ব সমূলে বিনষ্ট করা যাবে না। সেই বিষবৃক্ষকে অঙ্কুরেই উৎখাত করতে হবে। ইনসাফভিত্তিক সমাজব্যবস্থা, শোষণমুক্ত সমাজব্যবস্থা, দুর্নীতি অপশাসন শোষণমুক্ত সমাজব্যবস্থা এবং সব শ্রেণির মানুষের ন্যূনতম বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করা, চরম অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা, অর্থনৈতিক লুণ্ঠনের অবসান এবং সর্বোপরি গণতন্ত্র ও আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠা চরমপন্থিদের অঙ্কুরেই বিনষ্ট করার মূল হাতিয়ার। রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার অবসান ঘটিয়ে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব বিনাশ করতে হবে অঙ্কুরেই। দেশপ্রেম ও সব মানুষের প্রতি ভালোবাসা রাজনীতির পাথেয় হওয়া উচিত। বঞ্চিত অসহায় হতদরিদ্র, দুর্বল শ্রেণির মানুষেরও বেঁচে থাকার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। তা মনেপ্রাণে গ্রহণ করা ব্যতীত সত্যিকারের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। যেনতেনভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার এবং যেভাবে হোক ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ গণতন্ত্রে নেই। জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়া এবং জনগণের ম্যান্ডেটেই ক্ষমতায় টিকে থাকা গণতন্ত্রের মূল শর্ত। এ সত্যকে পাশ কাটিয়ে গণতান্ত্রিক সমাজ কায়েম করা সম্ভব নয়। জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার স্বীকার না করে এবং এসব অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বাস্তবমুখী কোনো কর্মসূচি গ্রহণ না করে শুধু কথায় কথায় গণতন্ত্রের কথা বলা হলে গণতন্ত্র বিকশিত হয় না। সুস্থ রাজনীতিতে হত্যা, গুম, খুন, মিথ্যা মামলা, হামলা, দুর্নীতি, অপশাসনের কোনো স্থান নেই।
বর্তমানে দেশে কোনো রাজনীতির সমস্যা নেই, আছে শুধু আইনশৃঙ্খলা সমস্যা। এ কথা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করলে বিরাজমান পরিস্থিতির কোনো যৌক্তিক সমাধান সম্ভব নয়। টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ব্যবস্থার কথা ভাবতে হবে। কঠিন বাস্তবতাকে সবার উপলব্ধি করতে হবে। সমস্যার গভীরে যেতে হবে। উপলব্ধি করতে হবে কেউ কাউকে উৎখাত করা সম্ভব নয়। সত্যিকারের অপরাধীদের বিচার করতে হবে এবং বিচারবহির্ভূত হত্যার অবসান ঘটাতে হবে। প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের যেমন আইন মোতাবেক বিচার করতে হবে, তেমনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার অভিযুক্তদের রিমান্ডে এনে অহেতুক হয়রানিরও অবসান ঘটাতে হবে। রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী সবাইকে ভোগের পরিবর্তে ত্যাগের বিষয়টি স্মরণ রাখতে হবে। ভোগই সব সর্বনাশের মূল। ভোগের স্থলে ত্যাগই হোক আজকের দাবি।
আমাদের স্মরণ রাখতে হবে কোনো মানুষের হক নষ্ট করলে আল্লাহ তা কখনো ক্ষমা করবেন না। আল্লাহকে সাক্ষী রেখে মানুষের হক বিনষ্ট করা থেকে আমাদের নিবৃত হতে হবে। তবেই আমরা বর্তমান সংকট থেকে মুক্তি পাব এবং পরকালে আল্লাহ আমাদের সাহায্য করবেন। আমিন।
লেখক : রাজনীতিক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই সন্তানসহ আইএসে বৃটিশ বাংলাদেশী তরুণী
গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি পূর্ব লন্ডনের বেথনালগ্রীন একাডেমির তিন শিক্ষার্থী শামীমা আক্তার (১৫), খাদিজা সুলতানা (১৬), আমিরা আবাসি (১৫) পরিবারের অজান্তে জঙ্গি সংগঠন আইএস-এ যোগ দিতে যুক্তরাজ্যের গেটউইক বিমানবন্দর দিয়ে তুরস্কে যায়। তুরস্কে তাদেরকে সিরিয়া গমনে সহায়তাকারী মোহাম্মদ আল রাশেদকে গ্রেপ্তার করা হলে রেহেনার সিরিয়া যাবার বিষয়টি বের হয়ে আসে।
এর আগে গত ২১শে মার্চ বৃটিশ দৈনিক গার্ডিয়ান জানিয়েছে, যুদ্ধক্ষেত্রে হাসপাতালে সেবা দিতে ৯ বৃটিশ মেডিকেল ছাত্রী সিরিয়া গেছেন। এ দলে রয়েছে চারজন ছাত্রী এবং পাঁচ ছাত্র। তারা গত ১২ই মার্চ এসব ছাত্রছাত্রী সুদানের রাজধানী খার্তুম থেকে বিমানে করে তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে পৌঁছায়। সেখানে থকে একদিন পর বাসে করে সিরিয়া যান তারা। পত্রিকাটি এসব ছাত্র-ছাত্রীর নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেছে। তারা হলেন- মামুন আব্দুল কাদির, নাদা সামি কাদের, রওয়ান কামাল জয়নুল আবেদিন, তাসনিম সুলায়মান হোসেইন, ইসমাইল হামাদুন, তামের আহমেদ আবু সেবাহ, মোহাম্মাদ উসামা বাদরি মোহাম্মাদ, হিশাম মোহাম্মাদ ফাদাল্লাহ ও সামি আহমেদ কাদির। তাদের সবার বয়স ২০ বছর অথবা তার চেয়ে কম। তারা সবাই এখন সিরিয়ার তেল আবিয়াদ এলাকায় অবস্থান করছেন। ওই এলাকাটি আইএসআইএলর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এসব ছাত্র-ছাত্রী সবাই বৃটেনে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং সেখানেই বড় হয়েছেন। পরে লেখাপড়ার জন্য সুদানে অবস্থান করছিলেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সালমান রুশদির প্রশংসা করায় লেখিকার ওপর হামলা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাটকীয় সিদ্ধান্ত শিগগিরই by কাফি কামাল
![]() |
| অতীতের সিটি নির্বাচনের অভিজ্ঞতা ও বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা... |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিমানটির ধ্বংসাবশেষের সন্ধান লাভ, নিহত ১৪৮
![]() |
| জার্মান উইংস নামের উড়োজাহাজটির মডেল নম্বর এ৩২০ |
১৪৮ জন যাত্রী নিয়ে উড্ডয়নের প্রায় ২ ঘন্টা পর এয়ারবাস এ-৩২০ বিমানটি বিপর্যয় সংকেত [ডিস্ট্রেস সিগনাল] পাঠায়। তখন বিমানটি বারসেলনেত ও ডিগনে নামে দুটি এলাকার মধ্যবর্তী আল্পস পর্বতমালার কোনো এক এক দুর্গম এলাকার উপরে ছিল এবং সেখানেই বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। বিমানটি ৩৮ হাজার ফুট উপর দিয়ে উড়ছিল। তবে নিয়ন্ত্রণ টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সময় বিমানটি ৬,৮০০ ফুট নিচে নেমে আসে। আর তখনই বিধ্বস্ত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিমানটি স্পেনের বার্সেলোনা এয়ারপোর্ট থেকে জার্মানির ডুসেলডর্ফ শহরে যাচ্ছিল।
এদিকে, ফ্রান্সের বিইএ দুর্ঘটনা তদন্তকারী সংস্থা দুর্ঘটনার কথা নিশ্চিত করেছে। সেই সঙ্গে সংস্থাটির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন যে, বিমানটির দুর্ঘটনাস্থল তদন্তে তারা একটি বিশেষজ্ঞ দল পাঠাচ্ছেন। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রঁসোয়া ওলাঁদ বলেন, দুর্ঘটনার অবস্থা দেখে অামাদের ধারণা যে বিমানটির যাত্রীদের কেউ হয়তো বেঁচে নেই।' তিনি আরো বলেন, 'দুঘর্টনাটি এমন একটি অঞ্চলে সংঘটিত হয়েছে যেখানে যাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য।'
জার্মানউয়িংস ও লুফথানসার পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে বিমানটির নিহত যাত্রীদের পরিবারের সদস্যের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করা হয়েছে। তবে কি কারণে বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে তা জানা যায়নি। খবর দ্য হিন্দু, বিবিসি ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার
উল্লেখ্য, চলতি বছর এটাই সবচেয়ে বড় বিমান দুর্ঘটনা। গত বছর মোট তিনটি বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছিল। এর মধ্যে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট এমএইচ ৩৭০ ও ফ্লাইট এমএইচ১৭ যথাক্রমে ৮ মার্চ ও ১৭ এপ্রিল দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। আর এয়ারএশিয়ার ফ্লাইট কিউ জেড ৮৫০১ বিমানটি ২৮ ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হয়। এর মধ্যে ফ্লাইট এমএইচ ৩৭০ বিমানটির এখনো কোনো হদিস মিলেনি। বিমানটিতে মোট ২৩৯ জন যাত্রী ছিল। ফ্লাইট এমএইচ ১৭ বিমানটির ২৯৬ জন যাত্রীর সবার মৃত্যু হয়। এয়ারএশিয়ার বিমানটিরও সব যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘শিগগিরই আন্দোলনের নতুন রূপরেখা’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘দুই-একদিনের মধ্যে নির্বাচনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সুষ্টু নির্বাচন হলে জয়ের ব্যাপারে সন্দেহ নেই’
তিনি বলেন, সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমদ, যিনি একই সঙ্গে দলের মুখপাত্রও ছিলেন, গত ১০ই মার্চ রাতের বেলায় রাজধানীর উত্তরার মতো তুলনামূলক সুরক্ষিত আবাসিক এলাকা, যেখানে সার্বক্ষনিক পুলিশী টহলের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সোসাইটি কতৃক নিয়োজিত প্রহরীরা রাতভর প্রতিটি সড়কের মোড়ে মোড়ে পাহারায় থাকে, সেই এলাকার একটি বাসা থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর একদল সদস্য তাকে ধরে নিয়ে যায়, যা ওই বাড়ির নিরাপত্তা রক্ষী, অন্যান্য কর্মচারি এবং আশপাশের বাসিন্দারা সুস্পষ্টভাবেই দেখেছে। তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার মুহুর্তে ওই বাড়ি এবং আশপাশের এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক গাড়িও অবস্থান নেয়, যা গত কয়েক দিনে দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া সালাহউদ্দিনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ৩ দিন আগে তার তিনজন গাড়িচালক ও একজন কর্মচারীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়, যাদেরকে সালাহউদ্দিনের অবস্থানের ব্যাপারে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবদের পর কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তাদের অপরাধ কি সে ব্যাপারে পুলিশ আজও কিছুই বলেনি। সালাহউদ্দিনকে তার যে বন্ধুর বাসা থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেই বন্ধু হাবিব হাসনাতের ড্রাইভার এবং কর্মচারীকেও পুলিশ ধরে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এসব ঘটনা সংবাদপত্রে বিস্তারিত প্রকাশিত হয়েছে। সুতরাং সরকারী বাহিনীই যে সালাহউদ্দিনকে তুলে নিয়ে গেছে, এ নিয়ে সন্দেহ বা সংশয়ের নুন্যতম কোন অবকাশ নেই।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সালাহ উদ্দিনের নিখোঁজ হওয়া: কিছু সতর্কবাণী by আসিফ নজরুল
এই সুযোগে সালাহ উদ্দিনের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা আড়াল করার জন্য নানা হাস্যকর এবং খেলো কথাবার্তা বলা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। সরকারের দাবিমতে, সালাহ উদ্দিন যদি অবিশ্বাস্যভাবে লুকিয়ে থাকেন বা তাঁকে যদি বিএনপিও গুম করে থাকে (!), তাঁকে খুঁজে বের করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব সরকারের। সালাহ উদ্দিনের স্ত্রী ও পরিবার তাঁর সন্ধানের আকুতি ব্যক্ত করেছেন, হাইকোর্ট তাঁকে খুঁজে বের করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তার পরও সরকার এই দায়িত্ব পালন করতে পারেনি। সরকারের কর্মকাণ্ডে তাঁকে খুঁজে বের করার কোনো বিশ্বাসযোগ্য আগ্রহ বা তৎপরতাও লক্ষ করা যায়নি; বরং বিভিন্ন আলামত ও তথ্য অনুসারে সালাহ উদ্দিনকে সরকারের বাহিনী তুলে নিয়ে গেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে।
প্রথমত, সালাহ উদ্দিন নিখোঁজ হওয়ার মাত্র তিন দিন আগে পুলিশ তাঁর দুজন গাড়িচালক ও একজন কর্মচারীকে আটক করে। এই আটক যে সালাহ উদ্দিনের আত্মগোপনে থাকা বিভিন্ন আশ্রয়স্থলের খোঁজ বের করার জন্য, তা বুঝতে কারও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুসারে পুলিশ দু-এক জায়গায় অভিযান চালিয়েছিল, সে তথ্যও পরে জানা গেছে। এসব তথ্য প্রমাণ করে, সরকার খুব জোর দিয়ে সালাহ উদ্দিনের খোঁজ করছিল।
দ্বিতীয়ত, সালাহ উদ্দিন যে বাড়িতে ছিলেন, তার দারোয়ানের বক্তব্য অনুসারে, সরকারি বাহিনীর লোকজন সালাহ উদ্দিনকে হাতকড়া পরিয়ে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন। পত্রপত্রিকার প্রতিবেদন অনুসারে এলাকার লোকজনও একই রকম ভাষ্য দিয়েছেন এবং তাঁদের কেউ কেউ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি গাড়ি ঘটনাস্থলের কাছে ছিল বলেও জানিয়েছেন। তাদের উপস্থিতিতে সাদা মাইক্রোবাস নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে প্রকাশ্যে সালাহ উদ্দিনকে তুলে নেওয়া লোকজন সরকারের বাহিনীর লোক না হলে অন্য কে হবেন?
তৃতীয়ত, এই সরকারের ট্র্যাক রেকর্ডের কারণেও তার বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়। অতীতে সরকারের বিরুদ্ধে নানা সময়ে গুমের অভিযোগ করেছে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারগুলো। সরকার এসব অভিযোগের জবাব দিতে পারেনি, নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তির কোনো হদিস করতে পারেনি এবং সবচেয়ে যা গুরুত্বপূর্ণ, একটি গুমের ঘটনায়ও সরকার কোনো বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত করেনি। ফলে জনগণের একটি বিরাট অংশের মনে এই ধারণা বদ্ধমূল হয়ে উঠছে যে এই সরকার, বিশেষ করে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের গুম করার ক্ষেত্রে একটি অভ্যস্ত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সালাহ উদ্দিন নিখোঁজ হওয়ার পর বিভিন্ন উপহাসমূলক মন্তব্য এবং ইলিয়াস আলীর ঘটনার মতো হাস্যকর উদ্ধার অভিযান এ ধারণাকে আরও জোরালো করতে পারে।
----২.
সালাহ উদ্দিন আহমদ কোনো সন্ত্রাসী ছিলেন না। আমার জানামতে, তিনি নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির চর্চা করেছেন সারা জীবন। বিএনপির সাম্প্রতিক আন্দোলনে নেতা-কর্মীদের নির্বিচার গ্রেপ্তারকালে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। রুহুল কবির রিজভীর গ্রেপ্তারের পর তিনি দলের পক্ষে হরতাল-অবরোধ পালনের ঘোষণাসহ বিভিন্ন বিবৃতি দিয়েছেন। এসব কর্মসূচি পালনকালে পেট্রলবোমা, ককটেল নিক্ষেপসহ নানা নাশকতাপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে, বহু নিরীহ মানুষ এতে প্রাণ দিয়েছেন। সরকারি বাহিনীগুলোও নাশকতা প্রতিরোধের নামে বিরোধী দলের বহু নেতা-কর্মীকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে, আরও বহু মানুষ নানা নির্যাতন ও জেল–জুলুমের শিকার হয়েছেন।
এই সার্বিক ঘটনায় সালাহ উদ্দিনের ব্যক্তিগত দায় খুঁজে পাওয়া কঠিন। অতীতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ আরও বহু দলের ডাকা কর্মসূচি পালনকালে গানপাউডার, বোমা, এমনকি লগি-বইঠার আঘাতে রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ মানুষের হৃদয়বিদারক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এসব নাশকতার জন্য হরতাল-অবরোধ বা অন্য কোনো উত্তপ্ত কর্মসূচি আহ্বানকারী কোনো রাজনৈতিক নেতার কখনোই বিচার হয়নি। বর্তমান সরকার যদি মনে করে, তারা শুধু তাদের আমলের বিরোধী দলের নেতাদের নাশকতার জন্য বিচার করবে, তাহলে তা একচোখা নীতি হতে পারে, তবে বিশ্বাসযোগ্যভাবে এসব বিচার করার অধিকার সরকারের অবশ্যই রয়েছে।
সালাহ উদ্দিনকে তাই গ্রেপ্তার করে বিচারের সম্মুখীন করলে তা নিয়ে তেমন প্রশ্ন উঠত না। কিন্তু তাঁকে যদি বিনা বিচারে গুম করা হয়, তাহলে এই অধিকার কারও নেই। আর তাঁকে যদি সরকার গুম না করে থাকে, তবু তাঁকে জীবিত বা মৃত খুঁজে বের করার দায়িত্ব অবশ্যই সরকারের। কিন্তু অতীতের ঘটনাগুলোর মতো সালাহ উদ্দিনের ক্ষেত্রেও সরকারকে এ কাজে আন্তরিক মনে হচ্ছে না। যে অপরাধের জন্য অভিযোগের তর্জনী সরকারের দিকে, সেই ঘটনার তদন্ত না করে এটি নিয়ে নির্মম হাস্য-রসিকতা করলে অভিযোগের তর্জনী আরও জোরালো হয়ে ওঠারই কথা।
পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, সরকার এসব অভিযোগকে কোনো পাত্তাই দিতে চাইছে না। অবস্থা এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাউকে ধরে নিয়ে তা স্বীকার করলেই মানুষ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে। মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো একজন নেতৃস্থানীয় রাজনীতিককে সরকারি বাহিনীর পরিচয় দিয়ে মধ্যরাতে বাসা থেকে তুলে নিয়ে ২১ ঘণ্টা নিখোঁজ রাখা হয়। তাঁকে পুলিশে সোপর্দ করায় তাঁর সংগঠনের নেতারা এই বলে আনন্দ প্রকাশ করেছেন যে তাঁকে অন্তত গুম করে ফেলা হয়নি। আরও যা শোচনীয়, গুমের শিকার কিছু পরিবার এখন গুমের বিচার পর্যন্ত চাইছে না। গত বছর ৩০ আগস্ট মৌলিক অধিকার রক্ষা কমিটির অনুষ্ঠানটিতে দেখেছি, পরিবারের সদস্যরা শুধু জানতে চাইছেন, মেরে ফেলা হলে কোথায় পুঁতে রাখা হয়েছে তাঁদের বাবা বা সন্তানকে! পাশে দাঁড়িয়ে প্রাণভরে শুধু দোয়া পড়তে চান তাঁরা! শুধু এটুকুর জন্য হৃদয়ছোঁয়া আর্তি জানিয়েছিলেন তাঁরা দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে।
গুম তার পরও থেমে থাকেনি। আবু বকর সিদ্দিক বা মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো ভাগ্যবান কারও কারও ক্ষেত্রে দু-এক দিনের মধ্যে ফিরে আসার ঘটনা ঘটেছে। বোঝা গেছে, ফিরে যাঁরা আসবেন, তাঁরা আসলে দ্রুতই আসবেন। যত সময় যাবে, ততই তাঁরা আর কোনো দিন ফিরে আসবেন না—এই ভীতিকর আশঙ্কা আরও জোরদার হবে।
----৩.
আমি আগেও লিখেছি, গুম সবচেয়ে গুরুতর অপরাধগুলোর একটি। গুম যেকোনো ধরনের হত্যাকাণ্ড থেকেও ভয়াবহ এ কারণে যে এতে হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তির সৎকার করার ন্যূনতম মানবিক কর্তব্য পর্যন্ত পালন করা যায় না, গুমের শিকার ব্যক্তির পরিবার তার রেখে যাওয়া সহায়-সম্পত্তি পর্যন্ত ভোগ করতে গিয়ে নানা বিড়ম্বনার মধ্যে পড়ে। গুম প্রতিরোধের জন্য ২০০৭ সালে সম্পাদিত আন্তর্জাতিক চুক্তিতে গুমকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। বলা হয় যুদ্ধ, জরুরি অবস্থা, চরম রাজনৈতিক বিপর্যয়—কোনো অবস্থাতেই কাউকে গুম করার বৈধতা নেই। ২০১০ সালের ২৩ ডিসেম্বর কার্যকর হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৪২টি রাষ্ট্র এর পক্ষ হয়েছে, ৯৩টি রাষ্ট্র এটি স্বাক্ষর করেছে। আমাদের দুর্ভাগ্য, এই আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসমর্থন দূরের কথা, এটি স্বাক্ষরই করেনি বাংলাদেশ (দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ভারত ও মালদ্বীপ এটি স্বাক্ষর করেছে)। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধে এই সরকার আগের নির্বাচনের সময় নির্বাচনী ইশতেহারে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এবার ৫ জানুয়ারির প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের আগে সেই প্রতিশ্রুতি পর্যন্ত দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেনি সরকার। এটি হয়তো তাই আশ্চর্যজনক নয় যে ৫ জানুয়ারি-পরবর্তী সরকারের আমলে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বেড়েছে, বেড়েছে গুম আর অপহরণের ঘটনাও।
এসব ঘটনা প্রতিরোধে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে কোনো জোরালো বা অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়নি। রাজনৈতিক সুবিধাবাদের ভাগীদার হয়ে বা নৈতিক মনোবল হারিয়ে নাগরিক সমাজের একটি বড় অংশও গুম প্রতিরোধে বা গুম সংঘটনে সরকারের ভূমিকা নিয়ে সোচ্চার হয়নি। অথচ এটি হওয়া খুবই জরুরি ছিল, এখনো আছে।
এ দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বাঁচাতে চাইলে রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজকে গুম, অপহরণ আর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে সোচ্চার হতে হবে। এই সরকারের আমলে নিরাপত্তার আশঙ্কা নেই বলে যাঁরা ভাবেন, তাঁদের মনে রাখতে হবে, এই ধারা বন্ধ না হলে ভবিষ্যতেও ঝুঁকিটা থাকবে। বাঁচতে চাইলে তাই গুম-উধাও আর বিচারবহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।
স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা নেই এ দেশে। স্বাভাবিক সৎকারের নিশ্চয়তা আছে কি? এটিও হারিয়ে যাওয়ার আগে আমাদের সবার চৈতন্যোদয় হওয়া প্রয়োজন। কারণ, এরপর সর্বনাশের আর কিছু বাকি থাকে না।
আসিফ নজরুল: অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বোকা হ্যাকার, কনফিডেন্ট শশী থারুর ও অভিমানী লোটাস কামাল by মিনার রশীদ
আম্পায়ারিং ও আইসিসির বিরুদ্ধে সবাই সরব হয়েছেন।
এই ম্যাচটি নিয়ে ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শশী থারুর একটি মন্তব্য করেছিলেন। তার সেই মন্তব্যটি নিয়ে একটু গবেষণা করলে আমাদের অনেক প্রশ্নের জবাব বেরিয়ে আসতে পারে। বাংলাদেশ ইংল্যান্ডকে হারানোর পর উচ্ছ্বসিত শশী থারুর টুইট করেন, ‘ধন্যবাদ বাংলাদেশ; ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ভারতের বিশ্বকাপ সেমি ফাইনালে ওঠার রাস্তা সহজ করে দিলে তোমরা।’ এই টুইটের পরই শশী থারুর ওয়েবসাইট হ্যাক করে প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশের হ্যাকার গ্রুপ ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার্স।
এটা বাংলাদেশের প্রতি এই কংগ্রেস নেতার সহজাত অবজ্ঞা নয়, এটা ছিল সব রহস্য জানানোর ছিদ্র (Tell tale hole)। জানি না এখান থেকে সতর্ক বার্তাটি গ্রহণ করার মতো প্রজ্ঞা আমাদের এখনো অবশিষ্ট আছে কি না।
শশী থারুর কোনো জ্যোতিষী নন। তিনি এক সময়কার ঝানু কূটনীতিবিদ, নির্মম রাজনীতিবিদ। আইপিএল ক্রিকেট বাণিজ্যে তিনি একজন বড় মাপের বণিক। স্ত্রী সুনন্দা পুস্করের রহস্যজনক মৃত্যুর পরও ভারতের আইন তাকে তেমনভাবে পাকড়াও করতে পারেনি। সেই শশী থারুরের কথাটির অন্তর্নিহিত তাৎপর্য আমাদের দেশের বোকা হ্যাকাররা উপলব্ধি করতে পারেনি। আমরা দ্বিধান্বিত থাকলেও এই শশী থারুর নিশ্চিত ছিলেন যে আসলেই কী ঘটতে যাচ্ছে। বর্তমান মাত্রার প্রজ্ঞা ও শুকনো আবেগ নিয়ে এই শশী থারুরদের রাডারের বাইরে আমরা কখনোই যেতে পারব না। নান্দনিক কর্মকাণ্ড অথবা খেলাধুলা এবং রাজনীতির মধ্যকার সুড়ঙ্গটির ম্যাপ শশী থারুরদের কাছে স্পষ্ট থাকলেও আমরা বরাবরই থাকি বেখেয়াল। ফলে শশী থারুরদের ভবিষ্যৎবাণী সব সময় সঠিক হয়। শশী থারুরদের বানানো সিঙ্গাড়া খেতে খেতে অবাক বিস্ময়ে আমরা ভাবতে থাকি, সিঙ্গাড়ার ভেতরে আলুটি ঢুকল কিভাবে?
ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা। ভারতের টিম নিঃসন্দেহে টপ ফর্মে থাকলেও বাংলাদেশ টিম একেবারে ফেলনা ছিল না। তারপরেও যে তিনটি রক্ষাকবচ বা ভাবনা এখানে শশী থারুরকে এই কনফিডেন্স বা নিশ্চয়তাটুকু দিয়েছিল তা ছিল নিন্মরূপ:
১. আইসিসি এখন অনেকটা ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল হয়ে পড়লেও আম্পায়াররা কখনোই ইংল্যান্ড দলের ওপর এই ধরনের কাজটি করার দুঃসাহস দেখাতে পারত না। টুইটটি করার আগে এই কথাটি শশী থারুরের ভালো করেই জানা ছিল। রাজনৈতিকভাবে মাথা নিচু বা বেখেয়াল একটি জাতি খেলাধুলা বা অন্যান্য ক্ষেত্রেও কখনোই মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। বাংলাদেশের বিভ্রান্ত পলিটিশিয়ান, ভয়বাদ বা সুবিধাবাদে আক্রান্ত প্রশাসনিক কর্মচারী বা কর্মকর্তা কিংবা শুধু আনন্দ আহরণে মশগুল ডিজুস প্রজন্মের পক্ষে এই কথাটি উপলব্ধি করা সম্ভব হবে না। গোলামকে নিয়ে মনিব সর্বোচ্চ ফুর্তি করতে পারে, কিন্তু কখনোই নিজের প্রতিপক্ষ বা নিজের জন্য সেই ধরনের হুমকি হতে দেবে না। দরকার পড়লে খেলাধুলার সেই নিষ্পাপ পুতুলটিকেও রাজনীতির অদৃশ্য সুতা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
২. ভারতে আইপিএলে খেলতে পারা এ দেশের যেকোনো ক্রিকেটারের জন্য পরম সৌভাগ্যের বিষয়। সেই ধরনের আকাক্সক্ষা বা একই ধরনের মুলা ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের সামনে নেই। কাজেই ভারতের বিরুদ্ধে মাঠের ভেতরে এবং বাইরে দাঁড়ানোর নৈতিক ও মানসিক বল বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের স্বভাবতই কম। মানবমনের এই রসায়নটি ক্রিকেট বাণিজ্যের পাকা বণিক শশী থারুর ভালো করেই জানেন।
৩. ইংল্যান্ডের সরকার আমাদের সরকারের মতো ভারতের বশংবদ নয়। যেকোনো কিছু (দরকার পড়লে ক্রিকেটের জয়) দেয়ার বিনিময়ে ক্ষমতায় থাকার তাগিদ তাদের নেই। কাজেই অনিশ্চয়তার খেলায় নিশ্চিত বিজয়ের জন্য এই তিনটির যেটি দরকার, ঝানু শশী থারুররা সেটিই ব্যবহার করবেন।
অর্থাৎ সোজা আঙুলে ঘি উঠলে পরম প্রশান্তিতে খাবেন। না উঠলে ওপরের কৌশলের যেকোনোটিকে ব্যবহার করবেন। এটিই ছিল শশী থারুরের সহজ ও নিশ্চিত হিসাব।
পুরো খেলাটিতে শশী থারুরের এই হিসাব বা ধারণাটিরই প্রতিফলন ঘটেছে। শুধু খেলার বেনিফিট অব ডাউটগুলোই নয়, ভারতকে কত বেশি বেনিফিট দেয়া যায় সেই প্রচেষ্টার কোনোটিই আইসিসি অবশিষ্ট রাখেনি। বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক এবং নৈতিক দুর্বলতা আইসিসিকে এই অতিরিক্ত সাহসটি জুগিয়েছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। পানি বিরতির পর খেলার গতিটি কেন পুরো বদলে গেল সেটিও গবেষণার বিষয়। পানি বিরতির আগ পর্যন্ত যেখানে গড় রান রেট ছিল চারের নিচে, পানি বিরতির পর তা লাফিয়ে লাফিয়ে ওপরে উঠে যায়। মাশরাফির অঝোরে কান্নার মূল কারণটিও কোনো দিন বের হবে কি না জানি না।
লেখার শুরুতে যে টেল টেইল হোল বা রহস্য উন্মোচনের ছিদ্রের কথা বলেছি সেই ছিদ্রটি বন্ধ করার জন্য এনালগ ও ডিজিটাল আবেগ এবং ঠুনকো অভিমান ব্যবহার করা হচ্ছে। লোটাস কামালের অভিমান, ক্রিকেট ক্যাপ্টেনকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন সব কিছু কেন যেন সেই ‘টেল টেইল ছিদ্র’ বন্ধ করার প্রচেষ্টা বলেই মনে হচ্ছে।
বর্তমান সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী ও আইসিসির সভাপতি আ ফ ম মোস্তফা কামাল বা ওরফে লোটাস কামাল বড় অভিমান করেছেন। তিনি নিজে যে সংগঠনটির সভাপতি সেই আইসিসিকে অনেক গরম গরম বা কঠিন কঠিন কথা শুনিয়ে দিয়েছেন। তা নিয়ে সারা বিশ্বে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই কঠিন কাজগুলো করলেও যে সহজ কাজটি এখনো তিনি করছেন না, তাহলো পদত্যাগ। কারণ এখন সত্যি সত্যি পদত্যাগ করলে ‘গৃহস্থ ও টক দইওয়ালা’র ঘটনা সৃষ্টি হয়ে পড়ে কি না!
তিনি যখন আইসিসির সভাপতি হন তখন সরকার ও সরকারবান্ধব মিডিয়া এমন একটা ধারণা দিতে চেষ্টা করে যে এটাও বর্তমান সরকারের বিশ্বজয়ের একটা ধারাবাহিকতামাত্র। ক্রিকেটে বাংলাদেশের ‘হেডম’ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অনেকেই তখন বগল বাজিয়েছিলেন। গতকাল জাতি তার কাছ থেকে সেই ‘হেডম’টিই দেখতে পেয়েছে। তিনি জানিয়েছেন আম্পায়ারদের এই অবিচারের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করবেন, পদত্যাগ করবেন।
আইসিসির বিরুদ্ধে তার এই মারাত্মক ‘হেডম’ দেখে আমার আবার সেই যাত্রার নায়িকার ডায়ালগটি মনে পড়ে যায়। যাত্রাপালার সেই নায়িকা মুহুর্মুহু তালির মধ্য দিয়ে ভিলেনের উদ্দেশে উচ্চারণ করেন, ‘ছেড়ে দে শয়তান, তুই আমার দেহ পাবি তো মন পাবি না।’ একই কায়দায় আ ফ ম মোস্তফা কামাল আইসিসিকে অনেকটা দেহটি দিয়েছেন, মনটি ক্রিকেট ভক্তদের জন্য রেখে দিয়েছেন। তার এই আপিলের হুমকি ও পদত্যাগের হুমকি (এখনো পদটি ত্যাগ করেননি) আমাদের অনেক প্রশান্তি দিলেও বাস্তবতার নিরিখে এর কোনো মূল্য নেই।
![]() |
| মিনার রশীদ |
জানি না গত বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট ম্যাচটি আমাদের সেই হুঁশটি কিছুটা ফেরাতে পেরেছে কি না!
minarrashid@yahoo.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গান্ধীই ভারতের প্রথম কর্পোরেট এজেন্ট : অরুন্ধতী
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিহারে নকল ঠেকাতে গুলি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংকটে পাশে চাই যুক্তরাষ্ট্রকে
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীর অধীনে জাতীয় সরকার এবং সংবিধান by ইকতেদার আহমেদ
প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হওয়া বিষয়ে সংবিধানে যে বিধানাবলি রয়েছে তাতে উল্লেখ আছে- প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হবে যদি তিনি কোনো সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র দেন অথবা তিনি সংসদ সদস্য না থাকেন। তা ছাড়া সংবিধানে উল্লেখ আছে, প্রধানমন্ত্রী সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে পদত্যাগ করবেন কিংবা সংসদ ভেঙে দেয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে পরামর্শ দেবেন। এরূপ পরামর্শের ক্ষেত্রে অন্য কোনো সংসদ সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন নন এ মর্মে রাষ্ট্রপতি সন্তুষ্ট হলে তিনি সংসদ ভেঙে দেবেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যিনি নিয়োগ লাভ করেন তিনি একজন সংসদ সদস্য। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হবে যদি (ক) তার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলের নির্ধারিত শপথ নিতে ও শপথপত্রে স্বাক্ষর দিতে অসমর্থ হন; (খ) সংসদের অনুমতি না নিয়ে তিনি একাদিক্রমে ৯০ বৈঠক দিবস অনুপস্থিত থাকেন; (গ) যদি সংসদ ভেঙে যায়; (ঘ) তিনি সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হয়ে যান অথবা (ঙ) এ সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
উপর্যুক্ত কারণ ছাড়াও একজন সংসদ সদস্য স্পিকারের কাছে স্বাক্ষরয্ক্তু পত্রযোগে নিজে পদত্যাগ করতে পারেন এবং এরূপ ক্ষেত্রে স্পিকার যে তারিখে পত্র পাবেন ওই তারিখ থেকে পদত্যাগী সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হয়ে যায়।
উপর্যুক্ত বিধানে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হওয়া অথবা ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়া বিষয়ের উল্লেখ থাকায় উভয় অনুচ্ছেদের বিধানাবলি অবলোকন অত্যাবশ্যক। অনুচ্ছেদ ৬৬(২) এ উল্লেখ রয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার এবং সংসদ সদস্য থাকার যোগ্য হবেন না যদি (ক) কোনো উপযুক্ত আদালত তাকে অপ্রকৃতিস্থ বলে ঘোষণা করেন; (খ) তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হওয়ার পর দায় থেকে অব্যাহতি লাভ না করে থাকেন; (গ) তিনি কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেন; (ঘ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দু’বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তার মুক্তি লাভের পর পাঁচ বছরকাল অতিবাহিত না হয়ে থাকে; (ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়ে থাকেন; (চ) আইনের মাধ্যমে পদধারীকে অযোগ্য ঘোষণা করছে না, এমন পদ ছাড়া তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন অথবা (ছ) তিনি কোনো আইনের অধীন অনুরূপ নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হন।
সংবিধানের অনুচ্ছেদ নম্বর ৭০ রাজনৈতিক দল থেকে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোট দেয়ার কারণে আসন শূন্য হওয়া সংক্রান্ত। এ অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে, কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হয়ে কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি ওই দল থেকে পদত্যাগ করেন অথবা সংসদে ওই দলের বিপক্ষে ভোট দেন তাহলে সংসদে তার আসন শূন্য হবে।
রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীর পদ অথবা একজন সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হওয়া বিষয়ে সংবিধানে যেসব বিধান উল্লেখ রয়েছে তা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, মৃত্যুর কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার বিষয় সংবিধানে উল্লেখ থাকলেও একই কারণে প্রধানমন্ত্রী বা সংসদ সদস্যের পদ বা আসন শূন্য হবে কি না সে বিষয়ে সংবিধানে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো কিছু উল্লেখ করা হয়নি। যদিও ইতঃপূর্বে সংসদ সদস্যের মৃত্যু হওয়া-পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে শূন্য পদ পূরণের অসংখ্য নজির রয়েছে।
বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা বহাল থাকা আস্থায় এ পর্যন্ত কোনো প্রধামন্ত্রীর পদে বহাল থাকাকালীন মৃত্যু হয়নি। মৃত্যু-পরবর্তী কে প্রধানমন্ত্রী হবেন এ বিষয়ে সংবিধান নিশ্চুপ থাকলেও এরূপ ক্ষেত্রে যিনি সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন তাকে যে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন, এ প্রশ্নে কোনো বিতর্কের অবকাশ নেই।
আমাদের দেশ বর্তমানে সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এ ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান। আমাদের সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীকে যেরূপ ক্ষমতা দেয়া হয়েছে এরূপ ক্ষমতা সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা অনুসৃত হয়, এমন অন্য কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রীর নেই। আমাদের দেশে এ পর্যন্ত দলীয় সরকারের অধীনে যত সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এর প্রতিটিতে ক্ষমতাসীন দল বিজয়ী হওয়ার কারণে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন নিরপেক্ষ হয় না, দেশের সাধারণ জনমানুষের মধ্যে এমন বদ্ধমূল ধারণা রয়েছে। এ ধারণার কারণেই দেখা যায়, মেয়াদ অবসান বা মেয়াদ অবসান ছাড়া অন্য কোনো কারণে সংসদ ভেঙে গেলে কোন ধরনের সরকারের অধীন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এ প্রশ্নে বড় দু’টি দল দ্বিধাবিভক্ত।
বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দাবি সূত্রেই একসময় আমাদের দেশে জাতীয় সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার চালু করা হয়েছিল। এরপর আওয়ামী লীগ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে একতরফাভাবে এ ব্যবস্থাটির অবসান ঘটিয়ে দলীয় সরকারের অধীন সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। নবপ্রবর্তিত ব্যবস্থায় একটি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। দেশের প্রধান বিরোধী দল, এর জোটভুক্ত অপরাপর দল এবং অন্যান্য ক্ষুদ্র দলের বর্জনের মুখে এ নির্বাচনটি প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। এ নির্বাচনটিতে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের জন্য উন্মুক্ত আসনের অর্ধেকেরও বেশি প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। অবশিষ্ট যেসব আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল তাতে ভোটার উপস্থিতি এত নগণ্য ছিল যে গণতন্ত্রের মাপকাঠিতে এগুলোকে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলার অবকাশ নেই। দেশে-বিদেশে সব মহল এমনটিই বলেছে।
বাংলাদেশে বর্তমানে যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে এর মূলে রয়েছে নির্বাচনকালীন সরকার পদ্ধতি কী হবে সে প্রশ্নে বড় দু’টি দলের বিপরীতমুখী অবস্থান। এ বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে এক দিকে দেশের স্থিতিশীলতা ক্ষুণœ হচ্ছে, অপর দিকে উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের সচেতন মানুষ যেমন উদ্বিগ্ন, ঠিক তেমনি বাংলাদেশের প্রতি বন্ধুভাবাপন্ন রাষ্ট্রও উদ্বিগ্ন। এ বাস্তবতায় নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে দেশবাসীর সামনে বর্তমানে তিনটি বিকল্প প্রস্তাব রয়েছে। এর প্রথমোক্তটি হলো রাষ্ট্রপতির অধীন জাতীয় সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্বাচন পরিচালনা। দ্বিতীয়টি হলো প্রধানমন্ত্রীর অধীন জাতীয় সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্বাচন পরিচালনা। আর শেষোক্তটি হলো জাতিসঙ্ঘের তত্ত্বাবধানে প্রধানমন্ত্রীর অধীন জাতীয় সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্বাচন পরিচালনা। এ বিকল্প প্রস্তাবগুলোর কূটনৈতিক সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সম্মুখে উপস্থাপন করা হলে আওয়ামী লীগ অদ্যাবধি তাদের মতামত ব্যক্ত করেনি, যদিও তিনটি বিকল্পের প্রথমোক্ত ও শেষোক্তটি বিএনপির কাছে গ্রহণযোগ্য দলটির একাধিক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি এমন মনোভাব ব্যক্ত করেছেন।
আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে একাধিক নেতা উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রপতির অধীন জাতীয় সরকার গঠনের কোনো বিধান সংবিধানে না থাকায় এরূপ সরকার গঠন কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এ প্রশ্নে দেশের সচেতন জনমানুষের অভিমত সংবিধানে কী আছে বা নেই তার চেয়ে বড় কথা দেশের সাধারণ জনমানুষের অভিপ্রায় বা আকাক্সক্ষা কী বা তারা কী চায়। প্রণিধানযোগ্য, ’৯০-এর গণ-আন্দোলনপরবর্তী কর্মরত প্রধান বিচারপতিকে প্রধান করে যে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়েছিল তা সংবিধানসম্মত ছিল না। পঞ্চম সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সংবিধানের একাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এ অস্থায়ী ব্যবস্থাটিকে বৈধতা দেয়া হয়। অনুরূপ সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন যে নবম সংসদ নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয়, সে সরকারও সংবিধান সম্মতভাবে গঠন করা হয়নি। সে সরকারটিকে আজ পর্যন্ত সংসদের মাধ্যমে অনুমোদনও দেয়া হয়নি। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত মামলার আপিলের রায় দেয়ার সময় যদিও প্রসঙ্গক্রমে মামলার বিষয়বস্তু না হওয়া সত্ত্বেও অপ্রাসঙ্গিকভাবে এ সরকারটির কার্যক্রমকে বৈধতা দেয়া হয়েছে, কিন্তু সংসদের বৈধতার অনুপস্থিতিতে সে বৈধতা কতটুকু সিদ্ধ, এ প্রশ্নটির সন্তোষজনক সুরাহা প্রয়োজন।
আমাদের সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের কিছু বিষয় সংশোধনের ক্ষেত্রে গণভোট ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়েছিল। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সে গণভোটব্যবস্থা রহিত করা হয়। সংবিধানবহির্ভূত যেকোনো বিষয়ে গণভোট আয়োজনে সাংবিধানিক ও আইনগতভাবে কোনো বিধিনিষেধ নেই। ইতঃপূর্বে আমাদের দেশে জিয়াউর রহমান ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি হিসেবে জনগণের আস্থা আছে কি না এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে কর্মরত প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের গৃহীত পদক্ষেপের প্রতি আস্থা যাচনা করে তিনবার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এ তিনটি গণভোট সংবিধান ও দেশের আইন দিয়ে সমর্থিত না হলেও দেশের জনগণের সমর্থন ও সম্মতির মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য হয়েছিল। এ তিনটি গণভোটে প্রদত্ত ভোটের হার বিষয়ে বিতর্ক থাকলেও জনগণের কাছে এগুলোর গ্রহণযোগ্যতা বিষয়ে বিতর্ক নেই। আমাদের আগামী সংসদ নির্বাচন রাষ্ট্রপতি না প্রধানমন্ত্রীর অধীন জাতীয় সরকার দিয়ে অথবা জাতিসঙ্ঘের তত্ত্বাবধানে প্রধানমন্ত্রীর অধীনে জাতীয় সরকার দিয়ে অনুষ্ঠান প্রশ্নে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের আকাক্সক্ষা বা অভিপ্রায় জানতে চাওয়া হলে তা কোনোভাবেই সংবিধান বা আইনের পরিপন্থী হবে না, বরং দেশের স্থিতিশীলতার সপক্ষে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
![]() |
| ইকতেদার আহমেদ |
লেখক : সাবেক জজ, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষক
E-mail: iktederahmed@yahoo.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিরে দেখা উপজেলা নির্বাচন by ভ্রান্তিহরণ পোদ্দার
সরকারের পাতানো নির্বাচন নিয়ে যখন বিশ্ব জনমত সোচ্চার এবং দলগুলো রাজপথে আন্দোলনরত, তখনই আওয়ামী লীগ বিশ্ব জনমতকে বিভ্রান্ত ও বিরোধী জোটের আন্দোলন ভিন্নপথে প্রবাহের জন্য নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তারা মনে করেছিল, সংসদ নির্বাচন বর্জনকারী দলগুলো উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেবে না বরং নির্বাচনের নামে ক্ষমতাসীন দল আবারো ফাঁকা গোল করবে। দীর্ঘ দিনের আন্দোলনে বিরোধী জোট অনেকটাই তখন পরিশ্রান্ত ও অগোছালো। আর মনে করা হয়েছিল যে, জামায়াত তো রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন হয়েছে এবং জামায়াতের গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা শূন্যের কোটায় নেমেছে। এমন বৈরী পরিস্থিতিতে জামায়াতের পক্ষে নির্বাচনে অংশগ্রহণ সম্ভব হবে না।
৫ জানুয়ারির নির্বাচন ও পরবর্তী সময়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ওপর যে তাণ্ডব চলেছে, তা গা শিউরে ওঠার মতো। জানা গেছে, ওই নির্বাচনের আগে ও পরে পুলিশ ও যৌথ বাহিনী, র্যাব এবং আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের হাতে ২০ দলীয় জোটের ২৯১ জন নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। গুম হয়েছেন ৬০ জন। বিশেষত গত বছরের অক্টোবর থেকে প্রায় তিন মাস সরকারবিরোধী আন্দোলন করেছিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। ওই সময় এসব নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন বলে এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে। সারা দেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে নিহত ও গুমের তালিকা করা হয়েছে। দেখা যায়, লক্ষ্মীপুরে নিহত হয়েছেন ২৯ জন ও গুম ৬ জন। সাতক্ষীরায় নিহত ২৯ জন, গুম ৫ জন। গুমের সংখ্যা ঢাকা মহানগরীতে সবচেয়ে বেশি। এখানে গুম হয়েছেন ২১ জন। ঢাকায় গুম হওয়াদের মধ্যে ১৫ জন ছাত্রদলের। তবে মহানগরীতে নিহতের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। নিহত হয়েছেন জামায়াতের মহানগরীর একজন মজলিশে শূরা সদস্য। সারা দেশে নিহত ২৯১ জনের মধ্যে জামায়াতেরই অন্তত ১৪০ জন। আর গুম হয়েছেন সাতজন। বাকিরা সবাই বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। সরকার মনে করেছিল বিরোধী জোটের এমন বেহাল দশার মধ্যে উপজেলা নির্বাচন দিলে অপ্রস্তুত অবস্থায় তারা নির্বাচন থেকে বিরত থাকবে। সে আশায় বুক বেঁধেই আওয়ামী লীগ চতুর্থ উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে।
![]() |
| বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাচনে কাঠরা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ২ নম্বর নারী বুথে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী গোলাম মুর্তজা খানের আনারস প্রতীকে সিল মারা হচ্ছে। ছবি: জহুরুল ইসলাম |
বিরোধী জোট বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী দুই পর্বের নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে উল্লেখযোগ্য ফলাফল অর্জন করে। দেখা যায়, প্রথম পর্বের নির্বাচনে বিএনপি পেয়েছে ভাইস চেয়ারম্যানের ৩২টি পদ, আওয়ামী লীগ ২৩টি, জামায়াতে ইসলামী ২৪টি ও জাতীয় পার্টি তিনটি। দ্বিতীয় পর্বে বিএনপি পেয়েছে ৩২টি, আওয়ামী লীগ ৩৭টি, জামায়াতে ইসলামী ৩৪টি ও জাতীয় পার্টি একটি। দুই পর্বের নির্বাচনে মহাজোট সরকার সম্মিলিতভাবে ভাইস চেয়ারম্যান পদ লাভ করেছে ৬৪টি (আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টি)। অপর পক্ষে দুই পর্বের নির্বাচনে ১৯ দলীয় (পরে ২০ দল) জোট সম্মিলিতভাবে ভাইস চেয়ারম্যান পদ লাভ করেছে ১২২টি (বিএনপি-জামায়াতে ইসলামী)। অর্থাৎ দুই পর্বের নির্বাচনে ১৯ দলীয় জোট আওয়ামী জোটের চেয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫৮টি পদে এগিয়ে। মোট ৪৮৮টি উপজেলায় পঞ্চম দফা নির্বাচন শেষে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান পদে ২৫৫, বিএনপি ১৬০, জামায়াতে ইসলামী ৩৬, জাতীয় পার্টি তিন এবং অন্যান্য ৩১টিতে জয়ী হয়েছেন।
প্রথম ও দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ‘ট্রাডিশন’ অনুযায়ী ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতাসীনেরা ফলাফল পুরোপুরি তাদের পক্ষে নিতে পারেনি। ফলে তারা পুকুর চুরির পরিবর্তে সাগর চুরির পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এ কথার প্রমাণ মেলে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের বক্তব্য থেকে। দুই দফা উপজেলা নির্বাচনে সরকারদলীয় প্রার্থীদের লেজেগোবরে অবস্থা হওয়ার পর তিনি ঘোষণা দিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগের ‘যথাযথ প্রস্তুতির অভাবে’ নির্বাচনে খারাপ ফল করেছে। আগামী নির্বাচনগুলোতে তারা সর্বশক্তি নিয়োগ করে ফলাফল নিজেদের অনুকূলে নেবে। আর তারা যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে ও সর্বশক্তি নিয়োগ করে শেষ পর্বের নির্বাচনগুলোতে ফলাফল নিজেদের অনুকূলে কিভাবে নিয়েছিলেন, তা ৩১ মার্চ পঞ্চম দফার নির্বাচনের পর ১ এপ্রিল জাতীয় দৈনিকগুলোর শিরোনাম থেকে স্পষ্ট। সে দিনের দৈনিক ইত্তেফাকের শিরোনাম ছিল ‘কেন্দ্র দখল ও ভোট বর্জন থামছে না’, প্রথম আলো ‘শেষটাও ভালো হলো না’, কালের কণ্ঠ ‘শান্তিপূর্ণ ভোট ডাকাতি, কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই, সংঘর্ষ, বোমা ও আগুন’, সমকাল ‘শেষ ধাপেও কেন্দ্র দখল ও জাল ভোট’, ইনকিলাব ‘সিল মারার মহোৎসব’, নয়া দিগন্ত ‘পঞ্চম দফায়ও ভোট ডাকাতি’। ২ এপিল প্রথম আলোতে শিরোনাম করা হয়েছে ‘নির্বাচনব্যবস্থা তছনছ, প্রশ্নের মুখে আ. লীগ,’ কালের কণ্ঠে শিরোনাম করা হয়েছে ‘৭৯ উপজেলায় ভোট ডাকাতি’, যুগান্তরের শিরোনাম ‘নির্বাচন সম্পূর্ণ সুষ্ঠু হয়েছে তা বলা যাবে না-ইসি শাহ নেওয়াজ। উল্লিখিত ঘটনাপ্রবাহ, দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিকগুলোর শিরোনাম ও নির্বাচন কমিশনার শাহ নেওয়াজের স্বীকৃতি থেকে বিগত চতুর্থ উপজেলা নির্বাচনের বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে।
![]() |
| চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কন্দর্পপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপার ছিনতাই করা হয়। পরে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ছবি: শাহ আলম |
নির্যাতন, হত্যা-সন্ত্রাস-নৈরাজ্য চালিয়ে কোনো আদর্শকে সাময়িকভাবে হেনস্তা ও দাবিয়ে রাখা গেলেও নির্মূল করা সম্ভব নয়। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়েও আওয়ামী লীগ প্রতিপক্ষকে নির্মূল করতে অনেক কিছু করেছিল। জাসদ অভিযোগ করে, হত্যা করা হয়েছিল তাদেরসহ হাজার হাজার বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীকে। বরং আওয়ামী লীগকেই এ জন্য চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। যদি সরকার উপজেলা নির্বাচনে ভোট ডাকাতি ও অবৈধ প্রভাব বিস্তার না করত, তাহলে ফলাফল আরো অন্যরকম হতো। সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে ভোটার মনের সংশয় থাকত না।
bhpoddar@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হারিয়ে যাওয়া মানুষ যায় কোথায়? by কাজী সুমন
এ ব্যাপারে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার-এর নির্বাহী পরিচালক নাসিরউদ্দিন এলান মানবজমিনকে বলেন, প্রতি মাসেই মানুষ নিখোঁজ হচ্ছে। আমরা এই তালিকা প্রকাশ করছি। কিন্তু এ ধরনের জলজ্যান্ত মানুষ হারিয়ে যাওয়া খুবই উদ্বেগজনক এবং অগ্রহণযোগ্য। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি মানুষগুলোকে না নিয়ে থাকে তাহলে তো খুঁজে বের করার দায়িত্ব তাদের। সে যে দলেরই হোক কিংবা যে মতেরই হোক। এ ধরনের ঘটনা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জন্য খারাপ ফল বয়ে আনবে। মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে মানুষ নিখোঁজ হচ্ছে। আমরা এসব ঘটনায় উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়ে আসছি। কিন্তু এসব মানুষ নিখোঁজের পর সরকারের উচ্চ মহল থেকে যে ধরনের কথাবার্তা বলা হচ্ছে, এতে যারা এসব ঘটনা ঘটাচ্ছেন তারা আরও উৎসাহিত হচ্ছেন। ফলে এ ধরনের ঘটনা না কমে ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
২০০৯ সালে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজনীতিবিদদের গুমের সংস্কৃতি শুরু হয়। ২০১৩ সালের শেষদিকে তা উদ্বেগজনকহারে বেড়ে যায়। চলতি বছরের শুরুতেই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দেয় বিরোধী জোট। ফের শুরু হয় গুমের ঘটনা। গত ৫ই জানুয়ারি পুলিশ পরিচয়ে হাফিজুর রহমান (৪০) ও সাগর আলী (২৫) নামে দুজনকে আটক করা হয়। এরপর থেকে তাদের কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ৯ই জানুয়ারি কবি নজরুল সরকারি কলেজের ছাত্রদল নেতা জসিমউদ্দিন, সুজন চন্দ্র দাস, রোমান আহমেদ, কেএম নজরুল হাসান ও ইরফান আহমেদ ওরফে ফাহিমকে ডিবি পরিচয়ে আটক করা হয়। চারদিন পর তাদের মিরপুর থানায় একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। ১৫ই জানুয়ারি দুপুরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে সাদা পোশাকের কয়েকজন লোক চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার কল্যাণপুর স্কুল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে মতিউর রহমান, মোজাম্মেল হোসেন মোজা, মো. আবু তাহের শিশির, শ্যামল কুমারসহ ৫ জনকে। এরমধ্যে মতিউর রহমানকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়। ৮ দিন পর ককটেলসহ মোজাম্মেল হোসেন মোজা, মো. শিশিরসহ চারজনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। ১০ই ফেব্রুয়ারি বিএনপির সমর্থক আইনজীবী সোহেল রানা বন্ধু রিংকুসহ নিখোঁজ হন। উত্তরার ৫ নম্বর সেক্টর থেকে তাদের তুলে নিয়ে যায় ১০-১২ জন যুবক। এরপর রিংকুকে ছেড়ে দিলেও এখনও হদিস মেলেনি সোহেল রানার। গত ১৮ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাসের বোনের ছেলে মাজেদুর রশীদ (৪৫) কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নিয়ে যায়। এরপর কয়েকদফা সংবাদ সম্মেলন করে মাজেদুরকে ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানান তার স্ত্রী। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তার কোন হদিস মেলেনি। গত ২২শে ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে বসুন্ধরার এক বাসা থেকে বনানী থানা বিএনপির নেতা ও জিয়া পরিষদ ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক এডভোকেট রেজাউর রহমান ফাহিমকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় এক মাস পার হলেও এখনও পর্যন্ত তার কোন হদিস পাচ্ছে না পরিবার। বিভিন্ন থানা, ডিবি অফিস ও র্যাব তাকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করেছে। ২৩শে ফেব্রুয়ারি রাতে গুলশানের বাসা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে আটক করা হয় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাকে। ২১ ঘণ্টা পর ধানমন্ডি থেকে আটক দেখিয়ে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়। ২৬শে ফেব্রুয়ারি দুপুর সোয়া দুইটার দিকে যমুনা ফিউচার পার্কের দ্বিতীয়তলা থেকে ছাত্রদল তিতুমীর কলেজ শাখার কর্মী মেহেদী হাসান রুয়েলকে আটক করে সাদা পোশাকধারী পুলিশ। এ সময় তার সঙ্গে একই কলেজের শুভ নামে আরেক ছাত্রকেও আটক করা হয়। কিন্তু শুভকে এয়ারপোর্ট এলাকায় ছেড়ে দেয়া হলেও খোঁজ মেলেনি মেহেদী হাসানের। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তরফ থেকে মেহেদীকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে। গত ৬ই মার্চ রাজধানীর শুক্রাবাদ এলাকা থেকে ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকনকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যায়। কিন্তু পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তরফে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়। এখন পর্যন্ত তার কোন হদিস পায়নি পরিবার।
এর আগে গুমের প্রথম ঘটনাটি ঘটে ২০১০ সালের ২৫শে জুন। ওই দিন রাতে রাজধানীর ইন্দিরা রোড থেকে ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৫৬নং ওয়ার্ড কমিশনার ও বিএনপি নেতা চৌধুরী আলমকে সাদা পোশাকের কিছু লোক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে তুলে নিয়ে যায়। এরপর দীর্ঘ পাঁচ বছরেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। ২০১২ সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে ফেরার পথে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র আল-মোকাদ্দেস ও ওয়ালিউল্লাহকে হানিফ এন্টারপ্রাইজের গাড়ি থেকে র্যাব পরিচয়ে তুলে নিয়ে যায়। ওই বছরের ১লা এপ্রিল রাজধানীর উত্তরা থেকে র্যাব পরিচয় তুলে নিয়ে যায় সিলেট জেলা ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক ইফতেখার আহমদ দিনারকে। ২০১২ সালের ১৭ই এপ্রিল গুমের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাটি ঘটে। ওই দিন রাত সোয়া ১২টার দিকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় সিলেট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী ও তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক মো. আনসার আলীকে। নিজের বাসায় ফেরার পথে বনানীর ২ নম্বর সড়ক থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে তাদের তুলে নিয়ে যায়। ২০১৩ সালের ২৭শে নভেম্বর কুমিল্লার লাকসাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি সাইফুল ইসলাম হিরু ও পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির পারভেজকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নিয়ে যায়। ওই বছরের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে রাজধানী থেকে গুম হন সূত্রাপুর থানা ছাত্রদল সাংগঠনিক সম্পাদক সম্রাট মোল্লা, ৭৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদল সভাপতি খালেদ হাসান সোহেল, বংশাল থানা ছাত্রদলের সহসভাপতি মো. সোহেল, বিএনপি নেতা মো. হোসেন চঞ্চল, বংশাল ৭১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. পারভেজ, একই ওয়ার্ডের ছাত্রদল নেতা মো. জহির, ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম সুমন, একই ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা তানভীর, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতা আসাদুজ্জামান রানা, মাজহারুল ইসলাম রাসেল ও আল আমিন, তেজগাঁও থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কাউসার ও এসএম আদনান চৌধুরী, তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম, সবুজবাগ থানা ছাত্রদল সভাপতি মাহবুব হাসান সুজন, একই থানার ছাত্রদল নেতা ফরহাদ হোসেন, মুন্সীগঞ্জ কে কে গভর্মেন্ট হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র কামরুল হাসান কনক, সূত্রাপুর থানা ছাত্রদল সভাপতি সেলিম রেজা পিন্টু, ৫৭নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সোহেল ও রানা। গত বছরের ৪ঠা মে সুনামগঞ্জ শহীদ মিনারে এক অনশন শেষে সিলেট ফেরার পথে টুকেরবাজার এলাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে সুনামগঞ্জের বাসিন্দা ও যুক্তরাজ্য যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রবাসী মুজিবুর রহমানকে গাড়িচালকসহ তুলে নিয়ে যায়। সৌভাগ্যবশত পরে তাদের খোঁজ মিলে। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি- বেলার প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা আহসানের স্বামী আবু বকর সিদ্দিকীও সৌভাগ্যবান। নিখোঁজের পর তাকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। নারায়ণগঞ্জে ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলামসহ সাতজনের অবশ্য তেমন সৌভাগ্য হয়নি। নিখোঁজের পর তাদের লাশ পাওয়া যায় নদীতে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ তাদের সর্বশেষ প্রতিবেদনেও বলেছেন, গুমের ঘটনাগুলো তদন্তের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। আর প্রায় সব গুমের ক্ষেত্রেই অভিযোগ উঠেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দিকে। এখন সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে প্রশ্নটি- হারিয়ে যাওয়া মানুষ যায় কোথায়?
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিএনপিতে আলোচনায় ৬ ইস্যু by কাফি কামাল
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষের আস্থা কমে গেছে -ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ
গতকাল জাতীয় প্রেস কাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ অভিমত ব্যক্ত করে। লিখিত বক্তব্যে গ্রুপের পরিচালক ড. মো: আব্দুল আলীম বলেন, ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পর নির্বাচনের প্রতি মানুষের আস্থা কমে গেছে। এ জন্য সবার আগে এ বিশ্বাস পুনঃপ্রতিষ্ঠা অত্যন্ত জরুরি। স্বচ্ছ, বিশ্বাসযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের অঙ্গীকার এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এটি সম্ভব। নির্বাচন কার্যক্রমের প্রতিটি পদক্ষেপে পেশাগত আচরণ, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা প্রদর্শনের মাধ্যমে এ বিশ্বাস পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
তিনি বলেন, একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের আয়োজন করা হচ্ছে। এ অবস্থায় প্রার্থীরা যাতে নির্ভয়ে ও নিশ্চিন্তে মনোনয়নপত্র দাখিল এবং নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারে সে জন্য নির্বাচন কমিশনকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ভোটাররাও যাতে ভীতিকর অবস্থা কাটিয়ে নির্বিঘেœ ভোট দিতে আসতে পারে সে ব্যবস্থা নিতে হবে।
ড. আলীম বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সবাইকে অবশ্যই নিরাপত্তা বাহিনী এবং নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সমান নজরে দেখতে হবে। কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা যেন কোনো অবস্থাতেই নির্বাচনী বিরোধ নিষ্পত্তিতে প্রভাব না ফেলে তা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের অভাব জনগণের মধ্যে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তন আনতে পরে না। এর ফলে সমাজে সঙ্ঘাত বেড়ে যায়, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে, ভীতিময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়, প্রতারণা নিয়ন্ত্রণ করা যায় না এবং সার্বিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। তাই নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে যাবতীয় ব্যবস্থা নেবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
ড. আলীম আরো বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন একটি অরাজনৈতিক নির্বাচন। কিন্তু মেয়র প্রার্থীদের মনোনয়ন দলীয়ভাবে হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলো দলীয় ফোরামে প্রার্থী নির্বাচন করছে, সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করছে এবং দলের অন্য প্রার্থীদের প্রার্থী হওয়া থেকে বিরত থাকতে বলছে। এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের উচিত এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ নারী ভোটকেন্দ্রে নারী কর্মকর্তা নিয়োগেরও আহ্বান জানায়।
সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির স্টিয়ারিং গ্রুপের সদস্য তালেয়া রেহমান বলেন, আমরা ৫ জানুয়ারির একদলীয় প্রহসনমূলক নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি চায় না, একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন চাই। সিটি করপোরেশন নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও অবাধ হয় সে ব্যাপারে তাদের উদ্যোগ নিতে হবে। সব প্রার্থীর জন্য সম সুযোগের ক্ষেত্র নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাতে নির্বাচন নিয়ে আমাদের উদ্বেগ রয়েছে। তবে যেহেতু দীর্ঘ দিন পর একটি নির্বাচন হচ্ছে তাকে গ্রহণযোগ্য করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে, যেন ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
তালেয়া রেহমান বলেন, রাজনৈতিক দলের প্রধান কাজ হচ্ছে জনগণের হয়ে কাজ করতে জনপ্রতিনিধিত্ব করা। এ ক্ষেত্রে পেট্রলবোমা নিপে বা সহিংসতা কোনো রাজনৈতিক দলের কাছেই কাম্য হতে পারে না।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন গ্রুপের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ড. নাজমুুল আহসান কলিমউল্লাহ, এ এইচ এম নোমান, হারুন অর রশীদ, বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক, কামরুল হাসান মঞ্জু প্রমুখ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘টাকার জন্য গলা টিপে খুন করি’ by ওয়েছ খছরু
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1384)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
March
(1092)
-
▼
Mar 24
(27)
- সুস্থ রাজনীতিতে অপশাসনের স্থান নেই by রফিকুল ইসলাম...
- দুই সন্তানসহ আইএসে বৃটিশ বাংলাদেশী তরুণী
- সালমান রুশদির প্রশংসা করায় লেখিকার ওপর হামলা
- নাটকীয় সিদ্ধান্ত শিগগিরই by কাফি কামাল
- বিমানটির ধ্বংসাবশেষের সন্ধান লাভ, নিহত ১৪৮
- ‘শিগগিরই আন্দোলনের নতুন রূপরেখা’
- ‘দুই-একদিনের মধ্যে নির্বাচনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত’
- ‘সুষ্টু নির্বাচন হলে জয়ের ব্যাপারে সন্দেহ নেই’
- সালাহ উদ্দিনের নিখোঁজ হওয়া: কিছু সতর্কবাণী by আসি...
- বোকা হ্যাকার, কনফিডেন্ট শশী থারুর ও অভিমানী লোটাস ...
- গান্ধীই ভারতের প্রথম কর্পোরেট এজেন্ট : অরুন্ধতী
- বিহারে নকল ঠেকাতে গুলি
- সংকটে পাশে চাই যুক্তরাষ্ট্রকে
- রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীর অধীনে জাতীয় সরকার এবং...
- ফিরে দেখা উপজেলা নির্বাচন by ভ্রান্তিহরণ পোদ্দার
- হারিয়ে যাওয়া মানুষ যায় কোথায়? by কাজী সুমন
- বিএনপিতে আলোচনায় ৬ ইস্যু by কাফি কামাল
- নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষের আস্থা কমে গেছে -ইলে...
- ‘টাকার জন্য গলা টিপে খুন করি’ by ওয়েছ খছরু
- প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সালাহউদ্দিনের স্ত্রীর আকুতি
- বর্তমান সঙ্কট ও একটি প্রস্তাব by আবদুর রহমান
- পুলিশের ওপর আস্থা আরো কমছে by জারিন তাসনীম
- গাড়ি ছিনতাইয়ে প্রিয়ার ফাঁদ
- ১৬ বছরে বিয়ের সিদ্ধান্ত নারীর ক্ষমতায়নের পরিপন্থী ...
- ২৫ বছর ধরে মানসিক রোগের সাথে বসবাস by মোশাররফ করিম
- গুড বাই বুম বুম আফ্রিদি by আহমেদ বায়েজীদ
- জাতীয় মেলোড্রামা ও মাশরাফির লাগান by ফারুক ওয়াসিফ
-
▼
Mar 24
(27)
-
▼
March
(1092)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



















