Saturday, July 20, 2019
দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের জীবনাবসান

প্রয়াত হলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেত্রী শীলা দীক্ষিত। মৃত্যু কালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। শনিবার সকালে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে রাজধানীর ফরটিস এসকর্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই কোমায় চলে যান তিনি। দুপুর ৩টে ৫৫ নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সামগ্রিক আধুনিকিকরণে শীলা দিক্ষিতের ভূমিকা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে দলমত নির্বিশেষে সব পক্ষই। দীক্ষিতের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন দিল্লির বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি জানিয়েছেন দিল্লির জন্য বিরাট ক্ষতি হল, তাঁর অবদান চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে। শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন কেজরিওয়াল।
কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লির নিজামুদ্দিনের বাসভবনেই শীলা দীক্ষিতের দেহ রাখা হবে, যাতে সেখানে গিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে পারেন সমর্থকরা। রবিবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ নিগম বোঝ ঘাটে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।
ওখলার ফরটিস হাসপাতালের চিকিৎসকদের দল জানিয়েছেন হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সাময়িক ভাবে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে ফের আরেকবার হৃদরোগে আক্রান্ত হন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। অবশেষে শনিবার, ২০ জুলাই বিকেল ৩টে ৫৫ মিনিট নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়।
মোট তিন দফায় টানা ১৫ বছর (১৯৯৮-২০১৩) দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শীলা দীক্ষিত। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও উত্তর-পূর্ব দিল্লি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন শীলা দীক্ষিত। তবে পরাজিত হন বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেত্রী।
শীলা দীক্ষিতের প্রয়াণে শোক কংগ্রেস পরিবারে। শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রয়ানে শোকস্তব্ধ বাংলার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। জানালেন, দীক্ষিতের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বাংলার রাজ্যপাল উমাশঙ্কর দীক্ষিতের সূত্রে। উমাশঙ্করের পুত্রবধু ছিলেন শীলা। সোমেন মিত্র বললেন, “রাজনৈতিক পরিচিতির চেয়েও মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শীলা দীক্ষিতের সাফল্য অনেক বেশি ছিল”।
সম্প্রতি দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন সদ্যপ্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এই দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তাঁর শারীরিক অসুস্থতার খবর ছড়িয়েছিল। গত বছর আগস্টে ফ্রান্সে গিয়ে একটি অপারেশনও করিয়েছিলেন তিনি। ২০১৩ সালে অরবিন্দ কেজরিওয়াল কাছে নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পরের বছরই কেরলের রাজ্যপাল হিসাবে শপথ নেন শীলা দীক্ষিত। কিন্তু চার মাস পরই সেই পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি।
তাঁর দীর্ঘ ১৫ বছরের মুখ্যমন্ত্রীত্বের আমলেও খোল নলচে বদলে ফেলা হয় রাজধানীর পরিকাঠামো। সড়ক এবং উড়ালপুল নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দেন তিনি। পরিবেশ দূষণে দিল্লির প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিল এই সময়ে।
শীলা দীক্ষিতের প্রয়াণে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে টুইট করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংসদের প্রথমদিককার স্মৃতি রোমন্থন করে তিনি জানিয়েছেন দুই নেত্রীর মধ্যে সব সময় উষ্ণ সম্পর্ক বজায় থেকেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওয়াশিংটন যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

খানের সঙ্গে থাকবেন পাকিস্তানের শক্তিধর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল কমর জাভেদ বাজওয়া। দুই দেশের সম্পর্ক যখন প্রায় তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, সেই অবস্থায় সম্পর্কটাকে মেরামতের চেষ্টা করবেন এই দুইজন। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে, ট্রাম্প প্রশাসন তাদের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল প্রকাশ করে, যেখানে পাকিস্তানকে আফগানিস্তানের জন্য ‘অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী’ শক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে”। তাছাড়া পাকিস্তানের ভেতরে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন বহুজাতিক সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের হুমকির মুখোমুখি হচ্ছে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য সমালোচনা জারি রাখেন ট্রাম্প। খান যখন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন, তখন পাকিস্তান শুধু আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্নই হয়ে পড়েনি, বরং বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মধ্যেও পড়েছে তখন তারা। খান যে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছেন, এটাকেই অনেক বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিচ্ছিন্নতার অবসান
রাষ্ট্রদূত অরুন সিং এশিয়া টাইমসকে বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র এই স্বীকৃতি দিয়েছে যে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তারা পাকিস্তানের এই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তালেবানদের উপর চাপ দেয়া অব্যাহত রাখতে চায়, যাতে তারা আলোচনা অব্যাহত রাখে এবং শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানো যায়”। সিং একজন সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক, যিনি পাকিস্তান ডেস্কে বেশ কয়েক বছর কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি ইসলাইল, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেছেন।
সিং মনে করেন যে, পাকিস্তান বর্তমানে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যে বিচ্ছিন্ন পরিস্থিতি মোকাবেলা করছে, সেটার অবসানের চেষ্টা করবেন খান। স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তানের এই অবস্থা থেকে বের করে আনার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র একটা বড় ভূমিকা রাখতে পারে। গত কয়েক বছর ধরে সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে যথেষ্ট ব্যবস্থা না নেয়ার কারণে পাকিস্তানকে চাপের মধ্যে রেখেছে ফিনান্সিয়াল অ্যাকশান টাস্ক ফোর্স (এফএটিএফ) এবং তাদেরকে ‘গ্রে’ তালিকাভুক্ত করেছে। যদি পাকিস্তান এ ব্যাপারে অগ্রগতি দেখাতে না পারে তাহলে অক্টোবরে তাদেরকে কালো তালিকাভুক্ত করা হতে পারে।
বালাকোট হামলা পরবর্তী সময়ে শান্তি স্থাপন
রাষ্ট্রদূত সিং বলেন, চলমান আফগান শান্তি প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের ভূমিকা কতখানি, তার উপর নির্ভর করছে ওয়াশিংটনে খান সেটাকে কতটা ব্যবহার করতে পারবেন। “শান্তি প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকেই প্রধান চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে আফগান-অভ্যন্তরীণ শান্তি প্রক্রিয়াকে সঠিক পথে চালিত রাখা”। তার মতে, একমাত্র পাকিস্তানীরাই এটা করতে পারবে, কারণ মুজাহিদিন গ্রুপগুলোর মধ্যে যাদের প্রভাব রয়েছে।
খান আরও চান যুক্তরাষ্ট্র যাতে পাকিস্তানের সাথে আলোচনায় বসার জন্য ভারতকে চাপ দেয়, যেটা বেশ কয়েক বছর ধরে অচলাবস্থার মধ্যে পড়ে আছে। ভারতের সামরিক স্থাপনাতে একাধিকবার পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলোর সন্ত্রাসী হামলার কারণে এই অঞ্চলে উত্তেজনা তুঙ্গে রয়েছে। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত পাকিস্তানের বালাকোটে যে বিমান হামলা চালিয়েছিল, সেটাতে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছিল বলে মনে করা হয়। ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন ব্যক্তিগতভাবে বলেছিলেন যে, হোয়াইট হাউজ ভারতের জবাব দেয়ার অধিকারকে সমর্থন করে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে ফের গো-রক্ষার নামে তিন ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা

খবরে বলা হয়, শুক্রবার ভোরে বিহারের সারণ গ্রামে গো-রক্ষার নামে পিটিয়ে মানুষ হত্যার এই ঘটনা ঘটে। নিহতদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ভারতে এর আগেও ‘গো-রক্ষকদের’ হামলায় ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং সামাজিকভাবে নিম্নবর্ণের হিসেবে বিবেচিত গোষ্ঠীর সদস্যদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। উল্লেখ্য, হিন্দুরা গরুকে পবিত্র প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করে ও গরু হত্যাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে।
সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুর দেশ ভারতে তাই গরু রক্ষার নামে এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে।
সাম্প্রতিক এই ঘটনায় তিন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, হিন্দু জাতীয়তাবাদী বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ ধরণের ঘটনা বেড়েছে। এরকম সহিংসতার ঘটনা প্রতিরোধে এই সরকার যথেষ্ট উদ্যোগ নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে তাদের। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। এরপর থেকে গো-রক্ষার নামে হত্যা করা হয়েছে কয়েক ডজন মানুষকে। নির্যাতিত হয়েছেন আরো কয়েকশ’ মানুষ। বিশেষ করে মুসলিম ও নিচু বর্ণের গোষ্ঠীরা এ ধরণের হামলার শিকার হয়ে থাকেন।
বার্তা সংস্থা পিটিআইকে পুলিশ জানিয়েছে, গরু চুরির সন্দেহে তিন ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করেছে রুষ্ট জনতা। নিহতরা হলেন রাজু নট, নৌসাদ কুরেশি, বিদেশ নট। এদর মধ্যে জনতার হাতে মার খেয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দু’জনের হয়। বাকি একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতাল নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। নিহতদের মধ্যে দু’জন নট সম্প্রদায়ভুক্ত।
এদিকে, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, সারণের সাংসদ হলেন বিজেপি নেতা রাজিব প্রতাপ রুডি। বিজেপির জমানাতেই রাজনীতিতে নির্ণায়ক ভূমিকা নিতে শুরু করেছে গো-রাজনীতি। এই ঘটনাতেও গৈরিকীকরণের ছায়া দেখছেন অনেকেই। স্থানীয়দের অভিযোগ বিগত বেশ কিছু দিন ধরে গো-হত্যার ঘটনা ঘটছিল ওই অঞ্চলে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে ধর্ষিতার স্বামীর ফরিয়াদ by ওয়েছ খছরু

এরপরও বিষয়টি আমি দেখছি।’ পুলিশের এই নাটকীয়তায় আরো বেশি কাতর হয়ে পড়েছে ধর্ষিতা। এখন প্রভাবশালী ধর্ষকদের তোপের মুখে পড়ার আশঙ্কাও তাদের। ঘটনাটি ঘটেছে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জে।
আলোচিত এ ধর্ষণের ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ামাত্র তোলপাড় চলছে এলাকায়। মহসিন মিয়া। পেশায় কারেন্টের মিস্ত্রি। মূল বাড়ি সিলেটের নবীগঞ্জ উপজেলার সাতাইয়ান এলাকায়। মহসিন প্রায় ৯ বছর ধরে বসবাস করেন কোম্পানীগঞ্জে। বর্তমানে তিনি ভোলাগঞ্জ বাজারের আবদুল জলিলের বাসার ভাড়াটিয়া। বিয়েও করেছেন পার্শ্ববর্তী ছনবাড়ি গ্রামে। বন্যা শুরু হওয়ার পর থেকে তার কাজ-কর্ম কম। এ কারণে সংসারে অভাব-অনটন দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় স্থানীয় এক ঠিকাদার মঙ্গলবার রাতে ‘যোগালী’ কাজের জন্য নেয় তাকে। শরীফ নামের ওই ঠিকাদারের কাছ থেকে এডভান্স টাকা নিয়ে বাসায় খরচপাতি করে দিয়ে যান মহসিন। গোটা রাত তিনি ‘যোগালী’ কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ভোরে বাসায় এসে দেখেন দরজা খোলা। ঘরের ভেতর মেঝেতে বসে নির্বাক হয়ে আছে স্ত্রী। চোখ দিয়ে অঝোরে পানি ঝরছে। আর বিছানার উপর কাঁদছে শিশু সন্তান। স্ত্রীকে বার বার ডাকলেও সাড়া পাচ্ছেন না। একপর্যায়ে অঝোরে কেঁদে ফেলেন স্ত্রী। স্বামীকে জানান ঘটনা। ঘটনা শুনে নির্বাক হয়ে যান তিনি। তখন বাইরে অঝোরে বৃষ্টি হচ্ছিল। এই বৃষ্টির মধ্যে ধর্ষিতা স্ত্রী ও কোলের শিশুকে নিয়ে স্থানীয় কয়েকজন সমাজপতির দ্বারস্থ হন তিনি। সবাই তাকে থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেন। তাদের পরামর্শ মতো বুধবার ভোরে তিনি বৃষ্টিতে ভিজে কোম্পানীগঞ্জ থানায় যান। সেখানে গিয়ে প্রথমে ডিউটি অফিসারকে ঘটনাটি বলেন। মহসিন মিয়া জানান- ডিউটি অফিসার তার স্ত্রী ও তাকে আলাদা আলাদা ভাবে বেশ কয়েকবার এই ঘটনা জিজ্ঞেস করেন। এরপর তিনি থানায় বসিয়ে রাখেন।
বেলা ১টার দিকে থানায় আসেন ওসি। তিনি ঘটনাটি শুনে তাদের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। হাতে ধরিয়ে দেন একটি কাগজ। ওই কাগজ নিয়ে মহসিন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে এলে সেখানে তার স্ত্রীকে ভর্তি করা হয়। নির্যাতিত ওই মহিলা জানিয়েছেন- তিনি প্রায় ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তার বড় মেয়ে দাদীর কাছে ও ছোটো মেয়ে তাদের কাছে থাকে। ছোটো মেয়েকে নিয়ে তিনি খাটের উপর ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে তার ঘরের দরোজার উপরের অংশের খিল ভেঙে প্রবেশ করে বাসার মালিক আবদুল জলিল। এরপর সে ঝাঁপিয়ে পড়ে তার উপর। এ সময় নিজের সম্ভ্রভ রক্ষা করতে তিনি জলিলের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করেন। জলিল তাকে মারধোর করে। ধর্ষক জলিলের কাছ থেকে রক্ষা পেতে তিনি তাকে ‘ধর্মের পিতা’ বানান। আল্লাহ্-রসূলের দোহাই দেন। কিন্তু কোনো কথাই শুনেনি জলিল। একা ঘরে তাকে ধর্ষণ করে। এদিকে- যাওয়ার সময় জলিল ধর্ষিতার পেটে লাথি দেয়। বলে- ঘটনাটি কাউকে জানালে তাকে হত্যা করা হবে। জলিলের লাথির কারণে তার গর্ভের ৫ মাসের সন্তান নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানান ওই মহিলা। লাথির পর থেকে তলপেটে ব্যাথা শুরু হয়।
পরে রক্তপাত হয় বলে জানান ওই ধর্ষিতা। এদিকে- ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে গতকাল শুক্রবার সকালে তাদের রিলিজ দেয়া হয়। ওসমানী থেকে ছাড়া পেয়েই মহসিন মিয়া স্ত্রীকে নিয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় যান। সেখানে তিনি ডাক্তারী পরীক্ষার কাগজপত্র জমা দিয়ে ভোলাগঞ্জ ফিরেছেন। ধর্ষিতা ও তার স্বামী দাবি করেছেন- কাগজপত্র নিয়ে থানায় গেলে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ধর্ষিতাকে নিয়ে কটাক্ষপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। এবং ধমক দেন। পুলিশের এই আচরণে তারা কাতর হয়েছেন বলে জানান। গতকাল বিকালে কোম্পানিগঞ্জ থানার ওসি তাজুল ইসলাম মানবজমিনকে জানিয়েছেন- ‘ওসমানীর কাগজপত্র থানায় জমা দেয়া হয়েছে। সন্ধ্যায় ওই মহিলা ও তার স্বামীকে থানায় ডেকে নিয়ে আসবো।
ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে এ ব্যাপারে মামলা হবে এবং ধর্ষককে পুলিশ গ্রেপ্তার করবে বলে জানান তিনি।’ ধর্ষিতার স্বামী জানিয়েছেন- ধর্ষক প্রভাবশালী। সব ম্যানেজ করার চেষ্টা করছে। আমাকেও ম্যানেজের চেষ্টা করছে। কিন্তু আমি চাই বিচার। পুলিশের কাছে বার বার ছোটাছুটি করলেও পুলিশ তার মামলা রেকর্ড করছে না। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর তাকে হুমকি দেয়া হয়েছে। মহসিন মিয়া বলেন- অপরাধ দু’টো। একটি হচ্ছে আমার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে। আর অপরটি হচ্ছে আমার স্ত্রী গর্ভে থাকা ৫ মাসের সন্তানকে হত্যা করেছে। দু’টো অপরাধের বিচার আমি চাই। স্থানীয়রা জানিয়েছেন- আবদুল জলিলের এই আচরণ নতুন না। ভোলাগঞ্জ বাজারে তার রয়েছে কয়েকটি কলোনি। এসব কলোনি হচ্ছে জলিলের অপরাধের মূল আস্তানা। এর আগেও নারী কেলেঙ্কারীর ঘটনায় দু’দফা পুলিশে আটক হয়েছিল আবদুল জলিল।
এলাকার মানুষ তাকে গিয়ে মুচলেকার মাধ্যমে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে এসেছেন। এবার তার এলাকার সম্পর্কের খালাকেও সে ধর্ষণ করলো। কিন্তু এবার তার পাশে কেউ নেই। জলিলের কলোনিতে নিয়মিতই বসে মাদক ও জুয়ার আসর। পাপ আস্তানা হিসেবে তার কলোনি পরিচিত। সেটি জানে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশের কয়েকজন সাব-ইন্সপেক্টর। রহস্যজনক কারণে জলিলের আস্তানা সম্পর্কে পুলিশ নীরব। সম্পর্ক থাকার কারণেই ধর্ষণ ও ৫ মাসের গর্ভের সন্তান নষ্ট করার ঘটনায় পুলিশ মামলা নিতে টালবাহানা করছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার নালিশ: নিন্দার ঝড় খতিয়ে দেখবে বাংলাদেশ

গত ১৮ই জুলাই বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার এমন ২৭ ব্যক্তির বক্তব্য শোনেন ডনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে প্রিয়া সাহাও কথা বলেন।
এ সময় প্রিয়া সাহা বলেন, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। বাংলাদেশে ৩৭ মিলিয়ন (৩ কোটি ৭০ লাখ) হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানকে বিলিন করা হয়েছে। দয়া করে আমাদের লোকজনকে সহায়তা করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই। তিনি বলেন, এখন সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু রয়েছে। আমরা আমাদের বাড়িঘর খুইয়েছি। তারা আমাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, তারা আমাদের ভূমি দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বিচার পাইনি। একপর্যায়ে ট্রাম্প ওই নারীকে সান্ত্বনা দেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানতে চান, কারা এসব করছে। প্রিয়া সাহা বলেন, দেশটির মৌলবাদীরা এসব করছে। তারা সবসময় রাজনৈতিক আশ্রয় পাচ্ছে।
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশের প্রায় সবাই প্রিয়া সাহার এ বক্তব্যের নিন্দা জানান। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, দুনিয়ার বেশিরভাগ দেশের তুলনায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নিরাপদে রয়েছেন। একজনও পাওয়া যায়নি যিনি প্রিয়া সাহার বক্তব্য সমর্থন করেন। এ বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তিনি লিখেছেন, আমি জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থায় একাধিকবার ভরা হাউসে পৃথিবীর সব দেশের এবং বাংলাদেশ ও বাইরের দেশের এনজিওদের মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। যেখানে শ্রদ্ধেয় রানা দাশ গুপ্তর মতো মানুষেরাও উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে দেয়া প্রিয়া সাহার অভিযোগের মতো কোনো অভিযোগ বা প্রশ্ন কাউকে করতে দেখিনি। তীব্র নিন্দা জানাই। তিনি কেন এটা করলেন তা খতিয়ে দেখা হবে। তার অভিযোগুলোও সরকার শুনবে এবং খতিয়ে দেখবে।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পও জানেন যে তার কাছেও মিথ্যা অভিযোগ করা হয়। মার্কিন প্রশাসন তাদের এখানকার দূতাবাসের মাধ্যমেই প্রতিনিয়ত তথ্য পেয়ে থাকে এবং আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখি। প্রিয়া সাহার সমালোচনা করতে গিয়ে অনেকে বিভিন্ন সমপ্রদায়ের সমালোচনা করছেন। এটাও ঠিক নয়। যেমনটি নয় প্রিয়া সাহার করা অভিযোগ। সমাজের সকল স্তরে যার বিচরণ এবং সরকারের বিভিন্ন মহলের সঙ্গে যার যোগাযোগ, তার এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্মীয় সমপ্রতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বাংলাদেশ। অনেকেই ব্যক্তি স্বার্থে বা না বুঝে এটার ক্ষতি করে ফেলেন। সবার উচিত এই ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকা। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশ গুপ্ত মানবজমিনকে বলেন, প্রিয়া সাহা ঐক্য পরিষদের একজন সাংগঠনিক সম্পাদক। কিন্তু তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন তা একান্তই তার নিজের। এ বক্তব্য হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নয়। তিনি বলেন, প্রিয়া সাহা সংগঠনের পক্ষ থেকেও আমেরিকায় যাননি। এ ব্যাপারে সংগঠন কিছুই জানে না।
উল্লেখ্য, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে প্রিয়া সাহা বাংলাদেশের সরকারী প্রতিনিধি দলে ছিলেন না। তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে বা বেসরকারী প্রতিনিধি হিসেবে ওয়াশিংটন সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন। সূত্র জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেনের নেতৃত্বে দেশের প্রধান ৪ ধর্মের প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশের সরকারী প্রতিনিধি দল ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক মার্কিন সম্মেলনে অংশ নিয়েছে। ওই দলে হিন্দু ধর্মের প্রতিনিধি হিসাবে আছেন অ্যাডভোকেট নির্মল চ্যাটার্জি। তিনি হিন্দু-বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের উপদেষ্টা। খৃষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি হিসাবে রয়েছেন খৃষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট্রের সচিব নির্মল রোজারিও। বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিনিধি হিসাবে গেছেন হিন্দু বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতা অশোক বড়ুয়া এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করছেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদ-জামাত শোলাকিয়ার খতিব মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ তনয় মাওলানা জুনুদ উদ্দিন মাকতুম। তিনি জমিয়তুল উলামা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক। বাংলাদেশ সরকারের ওই প্রতিনিধি দলে তরিকত ফেডারেশনের নেতা তৈয়বুল বশর মাইজভন্ডারিও অন্তর্ভূক্ত রয়েছেন। তিনি ওই সংগঠনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারির ছেলে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডেঙ্গু: তিন দিন নয়, জ্বর হলেই যেতে হবে চিকিৎসকের কাছে by জাকিয়া আহমেদ

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি। এবার ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশেই। বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
৩৭ বছরের মাহফুজার রহমানের বাড়ি জয়পুরহাটে। ঢাকায় চাকরি করেন। গত বুধবার সন্ধ্যার পর থেকেই জ্বর। জ্বরের ওষুধ হিসেবে প্যারাসিটামল খান রাতের খাবারের পর। বুধ, বৃহস্পতিবার; এই দুই দিনই তিনবেলা খাবারের পর প্যারাসিটামল খান। কিন্তু বৃহস্পতিবার অফিস সেরে বাসায় ফেরার পর রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়েন। শুক্রবার এভাবেই যায়, কিন্তু জ্বর আর কমে না। শনিবার যান সরকারি কর্মচারী কল্যাণ হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে ভর্তি হতে পারেননি। বাসায় ফেরার পর আর কিছু মনে নেই তার। জ্ঞান ফিরলে দেখতে পান রাজধানীর গ্রিন রোডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শুয়ে আছেন, তার হাতে স্যালাইন লাগানো। এখন এই হাসপাতালেই চিকিৎসা চলছে তার।
দুই বছর আগে বাংলাদেশ বিমানের এক কর্মকর্তা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। এবার আবারও জ্বর হচ্ছিল, সঙ্গে কাঁপুনি। এরপর তাকে গত ১৩ জুলাই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই জ্বর তুলনামূলকভাবে অনেক কম।
পুরান ঢাকার দনিয়া এলাকার ৩২ বছরের লাকি আক্তারের গত পাঁচ জুলাই ডেঙ্গু ধরা পড়ে। এরপরই তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। গত ১৪ জুলাই কথা হয় তার সঙ্গে একটি বেসরকারি হাসপাতালে। তিনি বলেন, ‘জ্বর কমেছে কিছুটা। কিন্তু মাথাব্যথা, চোখব্যথা, পুরো শরীর ব্যথা, আর প্রচণ্ড বমি। একটু ডাবের পানি খেয়েও রাখতে পারতাম না। সব বমি হয়ে যেতো।’
মুখে হাত বোলাতে বোলাতে লাকি বলেন, ‘মুখ থেকে চামড়া উঠতো, ইন্টারনাল ব্লিডিং হয়েছে প্রচণ্ড। আমার কখনও কখনও মনে হয়েছে এই অসহ্য যন্ত্রণার চেয়ে মরে গেলেও ভালো হতো, এত কষ্ট হয়েছে।’
হাসপাতালে কবে ভর্তি হলেন, জানতে চাইলে লাকি আক্তার বলেন, ‘গত ৫ জুলাই পুরনো ঢাকার ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হই। কিন্তু সেখানে ঠিকমতো চিকিৎসা না হওয়ায় চলে আসি এই বেসরকারি হাসপাতালে। কিন্তু গত শুক্রবার যখন এই হাসপাতালে আসি, তখন অবস্থা খারাপ দেখে আমাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। এরপর অবস্থার উন্নতি হওয়ায় ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘কেবল আমিই নই, আমার ছেলে ও মেয়ে দুজনই ডেঙ্গু আক্রান্ত। চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে তাইয়েবা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে, আর দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে রাফি একই হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি।’
লাকি আক্তারের স্বামী প্রকৌশলী এস এম মনির হোসেন বলেন, ‘পরিবারের তিনজনই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। যে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, সেটা নেওয়া হচ্ছে না। এ কারণেই ভোগান্তি আরও বাড়ছে।’
স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন্স সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের হিসাব থেকে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ২৪ ঘণ্টায় সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২০১ জন রোগী। সরকারি বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে মোট ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা এক হাজার ২০৭ জন।
সরকারি হিসাব বলছে, ডেঙ্গুতে গত ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে পাঁচ জনের। যদিও সংশ্লিষ্ট একাধিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলছেন, মৃত্যু হয়েছে মোট ১২ জনের।
কন্ট্রোল রুম জানায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত পাঁচ হাজার ৫৪৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। আর ছাড়পত্র নিয়েছেন চার হাজার ৩৩৪ রোগী।
ডেঙ্গুর ধরন নিয়ে জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আগে শরীর ব্যথা হতো, শরীরে র্যাশ হতো কিন্তু এবারের ডেঙ্গুতে এসবের বালাই নেই। আগে যেসব উপসর্গ দেখা যেতো, সেসব এখন হয় না বলে মানুষ বুঝতে পারছেন না। তাই চিকিৎসকের কাছে যেতেও দেরি করছে। কিন্তু এই দেরিতেই সর্বনাশ হয়ে যাচ্ছে।’
অধ্যাপক ডা. আব্দুল্লাহ আরও বলেন, ‘এবারে ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে বেশি।’ তিনি বলেন, ‘জ্বর হলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। প্যারাসিটামল ছাড়া আর কোনও ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া যাবে না। সেই সঙ্গে যেকোনও পানীয় জাতীয় খাবার খেতে হবে।’
প্রিভেন্টিভ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, ‘২০০০ সালে যখন প্রথম ডেঙ্গু শুরু হয়, তখন কেবল ছিল ডেঙ্গু ক্ল্যাসিক্যাল এবং ডেঙ্গু হেমোরেজিক। ক্ল্যাসিক্যাল ডেঙ্গুতে তীব্র জ্বর, তীব্র শরীর ব্যথা ছিল। রোগী মনে করতো তার শরীরের হাড় ভেঙে যাচ্ছে। এজন্য ডেঙ্গু ক্ল্যাসিক্যালকে বলা হতো হাড্ডিভাঙা জ্বর বা ইংরেজিতে বোনব্রেকিং ফিভার। তখন শরীরে র্যাশ উঠতো। এসব উপসর্গের সঙ্গে আরেকটি ছিল, প্লাটিলেট এবং পিসিভি দ্রুত কমে গিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে রক্তক্ষরণ হতো। একে ইংরেজিতে বলা হয় হেমোরেজিক ডেঙ্গু বা রক্তক্ষরা ডেঙ্গু।’ তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু এবারে ডেঙ্গুতে লক্ষণ বদলে গেছে। আগে যেমন ১০৪ থেকে ১০৫ ফারেনহাইট তাপমাত্রা থাকতো, এবারে সে উচ্চমাত্রার তাপমাত্রা দেখা যাচ্ছে না। ১০১ থেকে ১০২-তেই থাকছে তাপমাত্রা, ব্যথাও থাকছে মধ্যম মানে। যে কারণে মানুষ তাকে নিয়ে ভাবছে না। আর এতেই রোগী ভুলটা করছে।’
লেলিন চৌধুরী আরও বলেন, ‘রক্তক্ষরা ডেঙ্গু এবারে একেবারেই কম। তবে, রোগীরা ক্ল্যাসিক্যাল ডেঙ্গু ও ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। শরীরে একদমই র্যাশ নেই, হয়তো কিছুটা মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা হচ্ছে। হঠাৎ করেই শকে চলে যাচ্ছে।’
শক কী জানতে চাইলে লেলিন চৌধুরী বলেন, ‘যখন রোগীর নাড়ির গতি অনেক বেড়ে যায়, হৃদপিণ্ডের গতি অনেক বেড়ে যায়, ব্লাডপ্রেসার কমে যায়, পানিশূন্যতা দেখা দেয়, তখন তাকে শক বলা হয়। এই শক সিন্ড্রোমের রোগী এবার বেশি পাচ্ছি।’
এক প্রশ্নের জবাবে ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, ‘এবার র্যাশ পাওয়া যাচ্ছে না, জ্বরের তাপমাত্রা তেমন উঠছে না। কিন্তু তীব্র জ্বরে, তীব্র শরীর ব্যথা, গায়ে র্যাশ উঠলে মানুষ ডেঙ্গু নিয়ে সচেতন হয়ে উঠতো। কিন্তু এবারে সেসব উপসর্গ না থাকায় মানুষ সচেতন হচ্ছে না। এবারে তাই জ্বর ছেড়ে যাওয়ার এক থেকে দুই দিন পরই রোগী শকে চলে যাচ্ছে। সেজন্যই ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম বেশি ঝামেলাপূর্ণ।’
একইসঙ্গে ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমে থাকলে রোগীর পেটে ও ফুসফুসে পানি জমে যাচ্ছে উল্লেখ করে ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, ‘এবার সব মিলিয়ে যে সংখ্যায় ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যাচ্ছে, রোগীর মৃত্যুও কিন্তু সে অনুযায়ী বেশি।’ এর আগের বছরগুলোয় অনেক বেশি ডেঙ্গু আক্রান্ত অনেক হলেও মৃত্যুর হার তত বেশি ছিল না বলেও জানান তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকার বাইরেও ডেঙ্গু: ধরন পাল্টানোয় চিন্তিত চিকিৎসকরা by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

সরকারি হিসাবে চলতি বছরের এ পর্যন্ত ৫ হাজার ৫৪৬ জন আক্রান্ত হয়েছে। বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা আরও কয়েকগুণ বেশি বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। দেশের অন্যান্য জেলা থেকেও ডেঙ্গু রোগীর খবর আসছে। জুলাই মাসে গড়ে প্রতিদিন ১৯২ জনের উপরে ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছেন। ১৮ই জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩ হাজার ৪৬১ জন। বেসরকারি হিসাবে এটা কয়েকগুণ বেশি।
জুন মাসে ১৭৭০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিহ্নিত হয়েছেন। গতকাল পর্যন্ত ৫ হাজার ৫৪৬ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। এখনও হাসপাতালে ভর্তি আছেন এক হাজার ২০৭ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪ হাজার ৩৩৪ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুম সূত্র এই তথ্য জানিয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুম সূত্র বলছেন, এতদিন শুধুমাত্র রাজধানীতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেলেও এখন ঢাকা বিভাগের অন্যান্য জেলা, খুলনা ও চট্টগ্রাম জেলাতেও ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। ঢাকা শহর ছাড়া ঢাকা বিভাগের অন্যান্য জেলা থেকে ২৬ জন, চট্টগ্রাম থেকে ৭ জন এবং খুলনা থেকে ১৫ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. টিটু মিয়া বলেন, ডেঙ্গুতে মস্তিষ্ক আক্রান্ত হয়েছে। এটা খুবই বিরল। কিন্তু এখন আমরা প্রায়ই এই ধরনের ডেঙ্গু রোগী পাচ্ছি। তিনি একে বলছেন ডেঙ্গুর ‘ব্যতিক্রমী’ চেহারা। এই অধ্যাপক বলেন, এখন ডেঙ্গু মস্তিষ্ক, হৃদযন্ত্র, যকৃত ও কিডনির মতো নানা অঙ্গ আক্রান্ত করছে। খারাপ অবস্থায় হাসপাতালে আসা অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রে জ্বর চলে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যেতে দেখছি। চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাসায় ফেরার পরও অনেকে অসুস্থ পড়ছে। আগের চেয়ে মারাত্মক চেহারা নিয়ে ডেঙ্গু রোগী আসার কথা জানিয়েছেন হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এল ই ফাতমীও। মধ্য জুনে ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর প্রথম হলি ফ্যামিলিতে এই রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড চালু করেছিলেন অধ্যাপক ফাতমী। তিনি বলেন, এবার শুধু সংখ্যায়ই বেশি না। এবার প্রায় সবাই ডেঙ্গু হেমারজিক ফিভারে আক্রান্ত। এদের পঞ্চাশ ভাগেরই শক সিন্ড্রোম। এবার ডেঙ্গুর প্যাটার্নটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এদের সবার প্ল্যাটিলেট কমে যাচ্ছে, সবাই শকে চলে যাচ্ছে। আগে সামান্য ডেঙ্গু হয়েই ভালো হয়ে যেত। এবার সবারই রক্ত লাগছে। এই পরিস্থিতিতে জ্বর হলে গাফিলতি না করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। জ্বর সেরে যাওয়ার পরও কিছু দিন চিকিৎসকের ফলো আপে থাকুন।
এ বিষয়ে দেশের প্রখ্যাত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, এ বছর ডেঙ্গুর ধরন পাল্টে গেছে। আগে যেমন তীব্র জ্বরের সঙ্গে গায়ে রেশ ওঠা, ঠোট ফেটে রক্ত বের হওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যেত, এবার সে সব লক্ষণ ছাড়াও অনেক রোগীই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন। ফলে জ্বর হলে ঘরে বসে চিকিৎসা না নিয়ে যত দ্রত সম্ভব দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কিংবা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিৎ।
আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন রাজধানীর ধানমন্ডি সেন্টাল হাসপাতালে ৭১ জন, ইবনে সিনা হাসপাতালে ৩৬ জন, বাংলাদেশ মেডিকেল হাসপাতালে ৫৫ জন, স্কয়ার হাসপাতালে ৪ জন, গ্রীন লাইফ হাসপাতালে ৩৫ জন, ইসলামী হাসপাতাল কাকরাইলে ৬৩ জন, ইউনাইটেড হাসপাতালে ১৩ জন, খিদমা হাসপাতালে ১২ জন, সিরাজুল ইসলাম মেডিকেলে ৩৭ জন, সালাউদ্দিনে ৩০ জন, পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০ জন, এ্যাপোলো হাসপাতালে ২৬ জন, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ৪৩ জন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪৬ জন, মিটফোর্ড হাসপাতালে ১৪১ জন, ঢাকা শিশু হাসপাতালে ৪০ জন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ৮৫ জন, বারডেম হাসপাতালে ১৭ জন, মুগদা জেনারেল হাসপাতালে ৫০ জন, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে ৭৩ জন, বিজিবি হাসপাতালে ২৪ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। কন্ট্রোল রুম সূত্র জানা গেছে, জানুয়ারিতে ৩৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ফের্রুয়ারিতে এই সংখ্যা ছিল ১৮ জন, মার্চে ১৭ জন, এপ্রিলে ৫৮ জন, মে মাসে ১৮৪ জন, জুন মাসে এক হাজার ৭৭০ জন এবং জুলাই মাসে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৪৬১ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বরগুনা হত্যাকাণ্ড: আইনি সহায়তা পাওয়া মিন্নির সাংবিধানিক অধিকার - মানবাধিকার আইনজীবী সালমা আলী
![]() |
| আয়শা সিদ্দিকাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ |
বরগুনায় চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী আয়শা সিদ্দিকাকে গ্রেফতারের পর গতকাল আদালতে নেয়া হলে তার পক্ষে কোন আইনজীবী লড়তে রাজী হননি।
আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেনের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের চাপে বরগুনার কোন আইনজীবী তার মেয়ের পক্ষে লড়তে রাজী হননি।
যদিও মি. হোসেনের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুর রহমান নান্টু। বিবিসি'কে তিনি জানিয়েছেন, মি. হোসেন আইনজীবী পাওয়ার বিষয়ে তাদের সাথে কোন যোগাযোগই করেননি।
এই প্রেক্ষাপটে মানবাধিকার আইনজীবী সালমা আলী বিবিসিকে বলেন, কোন কারণে একজন নাগরিক আইনগত সহায়তা না পেলে তার জন্য আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
"এই বিষয়টি যেরকম আমাদের সংবিধানে আছে, সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্টের অনেক জাজমেন্টে রয়েছে, তেমনি আন্তর্জাতিক আইনের অনেক ধারাতেও স্পষ্ট বর্ণিত রয়েছে।"
পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় এরকম ক্ষেত্রে অভিযুক্ত হিসেবে একজন নারী থাকলে পরিস্থিতি আরো জটিল হতে পারে বলে মন্তব্য করেন মিজ. আলী।
"আমাদের সমাজে এরকম ক্ষেত্রে নারীদের অনেক সমস্যার মুখে পড়তে হয়। যেমন ধর্ষণের একজন ভিকটিমকেও নিজের প্রমাণ করতে হয় যে সে ধর্ষিত হয়েছে এবং বিচার চলাকালীন সময় তাকে দোষারোপ করার প্রবণতাও দেখা যায়।"
তবে বরগুনার মত অঞ্চলে যথেষ্ট পরিমাণ নারী আইনজীবী না থাকা এবং বাংলাদেশের অধিকাংশ জেলা শহরগুলোর মত সেখানেও আইনজীবীদের মধ্যে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যাপক হওয়ায় আয়শা সিদ্দিকার জন্য আইনজীবী পাওয়ার বিষয়টি কঠিন হচ্ছে বলে মনে করেন মিজ. আলী।
"বরগুনার মত ছোট শহরে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকার কারণে অনেক সময় চাইলেও সাহস করে এগিয়ে আসেন না অনেক আইনজীবী।"
মিজ. আলী আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে একজন ব্যক্তির পক্ষে আইনজীবী নিয়োজিত না থাকলে তার ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন হতে পারে।
"একটা মামলার ক্ষেত্রে দুই পক্ষের সাক্ষীদের বক্তব্য শুনে, বিভিন্ন প্রমাণ পর্যালোচনা করে, দুই পক্ষের সব ধরণের বক্তব্য আলোচনা-পর্যালোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে উপনীত হন বিচারক।"
এরকম একটি মামলার ক্ষেত্রে আয়শা সিদ্দিকার পক্ষে কোন আইনজীবী না থাকলে তা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য বা স্বচ্ছ বিচার হিসেবে গৃহীত হবে না বলে মনে করেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্যাম্পাসে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ডাকা হয় কলগার্লদেরও by ইভান চৌধুরী

বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে এলাকার স্কুল-কলেজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসে। তাদেরকে জনশূন্য এলাকায় প্রায়ই অনৈতিক কাজে লিপ্ত হতে দেখা যায়। ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থী এবং দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মীদের চোখে প্রায়ই দিনই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দেখা মেলে। পরে থাকতে দেখা যায়, অসামাজিক কাজের ব্যবহৃত উপাদান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নিরাপত্তা কর্মী জানান, আমরা যখন দায়িত্ব পালন করি তখন প্রায়ই আমরা অশ্লীল কর্মকাণ্ড দেখতে পাই। বিশেষ করে দুপুর ১২ টা থেকে ৪ টার দিকে এসব কাজ বেশি দেখা যায়।
কারণ তখন ক্যাম্পাস অনেক জনশূন্য বলা চলে। বেশির ভাগই বোটানিক্যাল গার্ডেনে এসব হয়ে থাকে। অনেক সময় নিজেরই লজ্জা লাগে।
আবার অন্য দিকে সন্ধ্যা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্যাম্পাসে জমে উঠে মাদকের আড্ডা। আবার কখনো কখনো ডাকা হয় কলগার্লদের। রাতে মাদক সেবিরা নিরাপদে মাদক সেবন এবং নিজেদের কর্মকাণ্ড অনায়াসেই করতে ক্যাম্পাসকেই বেছে নিয়েছে। বিশেষ করে আবাসিক হলগুলোর ছাদ, স্বাধীনতা স্মারকের পিছনে, লাইব্রেরির দক্ষিণ পাশ, বোটানিক্যাল গার্ডেন, হলের আশে পাশেসহ নির্জন জায়গাগুলোতে বসে মাদকের আসর। জড়িয়ে পড়ছে কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থীরাও।
বহিরাগত সন্ত্রাসীরা মূলত ক্যাম্পাসকে তাদের মাদক গ্রহণের নিরাপদ স্পট হিসেবে ব্যবহার করলেও তাতে মাথা ব্যাথা নেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসলেও এড়িয়ে যাচ্ছে প্রশাসন। এমনটাই অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
ক্যাম্পাসে বহিরাহতদের আনাগোনাও চোখে পড়ার মত। বহিরাগত সন্ত্রাসী আর অপরাধীচক্রের অভয়াশ্রমে পরিণত হয়ে পড়ছে ক্যাম্পাস। ৭৫ একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত এ ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা প্রাচীর রয়েছে। তারপরও বহিরাগত সন্ত্রাসীরা অনায়াসেই ঘুরাফেরা করে ক্যাম্পাসে। সরেজমিন দেখা যায়, ক্যাম্পাসে প্রবেশের চারটি ফটকের একটিতেও কোন নিরাপত্তা প্রহরী নেই।
গত চার বছরে অন্তত শতাধিক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। তবে গোটা ক্যাম্পাস সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনা না ঘটলেও চুরির প্রকোপ বেড়েছে। সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু হল থেকে এক শিক্ষার্থীর মটরসাইকেল চুরি হয়। চুরির দীর্ঘদিনেও মটর সাইকেল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়নি প্রশাসন। এদিকে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ডরমেটরি থেকে প্রায়ই সাইকেল চুরির ঘটনা ঘটে। তারপরও কর্তৃপক্ষ নীরবই রয়েছে। ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পাসে প্রক্টর ও পুলিশের টহল দেয়ার কথা থাকলেও তা হয় না বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
রাতে দায়িত্বরত এক নিরাপত্তা কর্মী জানান, বিভিন্ন ভবনের পেছনে ও মাঠের মাঝে বসে নিয়মিতভাবেই নেশা গ্রহণ করে। মাঝে মধ্যে মেয়ে (কলগার্ল) নিয়ে আসে ফুর্তি করে বহিরাগতরা। আমরা কিছুই বলতে পারিনা। যাবার সময় আমাদেরকে শাসিয়ে চলে যায়।
এব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আতিউর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মাদক ও সব ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপরে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বিভিন্ন জায়গাতে যেন এমন অসামাজিক কাজে কেউ লিপ্ত হতে না পারে সে ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করবে। একটু ব্যস্ততার কারণে আমরা নিয়মিত টহল দিতে পারছিনা। তবে শীঘ্রই সেটাও আমরা করব। বর্তমান প্রশাসন ক্যাম্পাসের সুষ্ঠু পরিবেশ বাস্তবায়নে সর্বদা সচেতন অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কার্তারপুর কি খুব দূরের মন্দির? ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শান্তির পথ by সানা জামাল
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ড. মুহাম্মদ ফয়সাল বৈঠকের পর সাংবাদিকদের বলেন, “বৈঠক ছিল খুবই ইতিবাচক এবং প্রস্তাবিত চুক্তির ৮০ শতাংশের ব্যাপারেই দুই দেশ সম্মত হয়েছে”। তিনি জানান, যে বিষয়গুলোর সমাধান হয়নি, পরবর্তী সম্মেলনে সেগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
পুরো বছর জুড়ে প্রতি দিন ৫০০০ শিখ তীর্থযাত্রীকে কার্তারপুর সাহিব গুরুদুয়ারা সফরের অনুমতি দেয়া হবে। তীর্থযাত্রীরা ব্যক্তিগতভাবে বা গ্রুপ করে আসতে পারবেন বলে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এসসিএল দাস সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ক্রস-বর্ডার এই করিডোরের বিষয়ে চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য পাকিস্তান একটি যোগাযোগ চ্যানেল বজায় রাখার ব্যাপারেও সম্মত হয়েছে।
শিখ ধর্মের মানুষের কাছে গুরুদুয়ারা সাহিব কার্তারপুর পবিত্র জায়গাগুলোর একটি। এটা মনে করা হয় যে, এই মন্দিরটি পাকিস্তানের নরোয়ার জেলায় নির্মাণ করা হয়েছিল, যেখান শিখ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গুরু নানকের জন্ম, যিনি ১৬ শতাব্দীতে মারা যান। মন্দিরটি ভারত সীমান্ত থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। কিন্তু দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার কারণে সেখানে যাওয়া শিখদের জন্য কঠিন হয়ে গিয়েছিলো এবং অনেক সময় কয়েকশ কিলোমিটার ঘুরে সেখানে যেতে হয় তাদের। অনেককে ভারত থেকে দূরবিন দিয়ে মন্দির দেখেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। কার্তারপুর করিডোরের মাধ্যমে তীর্থযাত্রীরা ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে এখন সরাসরি গুরুদুয়ারাতে যেতে পারবেন।
ভারতীয় শিখ তীর্থযাত্রীদের ভিসামুক্ত সফরের চুক্তি ছাড়াও ভারত ও পাকিস্তানী কর্মকর্তাদের মধ্যে সর্বসাম্প্রতিক আলোচনায় ওভারসিজ সিটিজেনশিপ অব ইন্ডিয়া (ওসিআই) কার্ডধারীদেরকেও এ সুবিধা দেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ ফয়সাল সাংবাদিকদের বৈঠকের পরে বলেছেন যে, “চুক্তির বিস্তারিত নিয়ে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে একটা চুক্তি হয়েছে। আরেকটি বৈঠক এ ব্যাপারে হতে পারে”।
১৪ মার্চের পর কার্তারপুর করিডোর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বৈঠক এটা। এমন সময় এই বৈঠক হলো যখন ইসলামাবাদে মাত্র ট্র্যাক টু কূটনৈতিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ভারত ও পাকিস্তান উভয়েই জোর দিয়ে বলেছে যে, দুই দেশের মধ্যে এমনকি সঙ্কটের সময়টাতেও যোগাযোগ বজায় রাখতে হবে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির এটা কূটনৈতিক পরোক্ষ চ্যানেলের এ ধরনের প্রথম বৈঠক।
৩১ অক্টোবরের মধ্যে করিডোরের কাজ শেষ করার কথা। এর এক সপ্তাহ পরেই গুরু নানকের ৫৫০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হবে। ভারত ও পাকিস্তান উভয়েই শান্তির এই পথ খুলে দেয়ার জন্য এই সময়টাকে বেছে নিয়েছে।
ফয়সালের মতে, ইমরান খানের নির্দেশনায় কার্তারপুর করিডোর বাস্তবায়নের ব্যাপারে পাকিস্তান পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
শিখ সম্প্রদায় এই প্রকল্পকে স্বতস্ফূর্তভাবে স্বাগত জানিয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই করিডোর নির্মাণকে বার্লিন দেয়ালের পতনের সাথে তুলনা করেছেন এবং বলেছেন যে, এই প্রকল্প দুই দেশের উত্তেজনা প্রশমনে ভূমিকা রাখবে। রোববারের বৈঠকের পর, পাকিস্তানী প্রতিনিধি দল ওয়াগাহ সীমান্তে একটি ‘শান্তির চারাগাছ’ রোপন করেন এবং এই পদক্ষেপকে ‘শান্তির করিডোর’ আখ্যা দেন।
![]() |
| পাকিস্তানের কার্তারপুরে গুরু নানকের সমাধির একটি দৃশ্য |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতি ২ জঙ্গি পিছু নিহত ১ জওয়ান, জানাল সরকার

নরেন্দ্র মোদী সরকার পাঁচ বছর আগে ক্ষমতায় এসেই কাশ্মীরে জঙ্গি সমস্যা মেটাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি হাতে নেয়। জঙ্গি দমনে শুরু হয় বাড়ি-বাড়ি ঢুকে তল্লাশি। এতে জঙ্গি দমনে সাফল্য এলেও যে ভাবে সেনা-আধাসেনারা সরাসরি সংঘর্ষে মারা যাচ্ছেন তা উদ্বেগের বলে
ঘরোয়া আলোচনায় স্বীকার করে নিয়েছে কেন্দ্র।
লোকসভায় সরকারের পক্ষ থেকে একটি পরিসংখ্যান দিয়ে জানানো হয়েছে গত পাঁচ বছরে ওই রাজ্যে ৯৬০ জন জঙ্গি নিহত গিয়েছে। অন্য দিকে নিহত হয়েছেন প্রায় ৪১৩ জন জওয়ান। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মতে, এর প্রধান কারণ জঙ্গি দমনে নিরাপত্তাবাহিনীর সক্রিয়তা। তৎপরতা বাড়ায় ক্ষয়ক্ষতি বেড়েছে। তাছাড়া একাধিক সেনা ছাউনিতে হামলা, সীমান্তে গুলি বিনিময়ের মতো ঘটনাতেও নিরাপত্তাবাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি বেড়েছে। তবে কেন্দ্রের দাবি, প্রাণের বিনিময়ে সীমান্তে কড়া হাতে অনুপ্রবেশ আটকানোয় গত বছরের প্রথম ছ’মাসের তুলনায় এ বছরের প্রথম ছ’মাসে জঙ্গি অনুপ্রবেশ প্রায় ৪৩ শতাংশ কমে গিয়েছে।
এরই মধ্যে শ্রীনগর থেকে বশির আহমেদ পোন্নু নামে এক জইশ জঙ্গিকে গত মঙ্গলবার গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। ২০০৭ সালে দিল্লির দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পরে গ্রেফতার হয় বশির এবং আরও তিন জঙ্গি শাহিদ গফুর, ফয়াজ় আহমেদ লোন ও আব্দুল মজিদ বাবা। দায়রা আদালত বশিরকে মুক্তি দেওয়ার পরে গা ঢাকা দেয় সে। দিল্লি হাইকোর্ট দায়রা আদালতের রায় খারিজ করে। তার পর থেকেই ফের বশিরকে খুঁজছিল পুলিশ। অন্য দিকে বারামুলা থেকে আজ আকিব হাজাম ও আকিব শাল্লা নামে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। তাদের দাবি, ওই দুই যুবক জঙ্গি দলে যোগ দেওয়ার ছক কষছিল। ওই দুই যুবক জঙ্গি কার্যকলাপের উপযুক্ত কি না তা পরীক্ষা করতে তাদের সামির আহমেদ নামে ব্যবসায়ীকে খুন করার ভার দিয়েছিল জঙ্গি নেতারা। জঙ্গিদের সন্দেহ ছিল সামির বাহিনীর চর। ৩০ জুন সামিরকে খুন করে হাজাম, শাল্লা ও তাদের তৃতীয় সহযোগী উজ়েইর আমিন। ওই ঘটনার পরেই আমিন জঙ্গি দলে যোগ দেয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুসলিমদের ব্যবহার বদলে গেছে জীবন, ট্যাটু মুছে ফেললেন বন্দী

সূত্রের খবর, ওই বন্দীরা মূলত ইসলাম ধর্মের অনুশাসন মেনে চলার অঙ্গীকার করে শরীর থেকে ট্যাটু উঠিয়ে ফেলছেন। ট্যাটু আঁকাকে ইসলামে ‘হারাম’ বলা হয়েছে। লেজার ট্যাটু করতে একজন মানুষের যেমন বেশ অর্থ যায়, তেমনি তুলতেও ভালো খরচ হয়। গো হিরাজ নামের সংগঠনটি লেজার ব্যবহার করে ট্যাটু তুলে নিতে কোনো অর্থ নিচ্ছে না।
বন্দীদের মধ্যে প্রথম ট্যাটু তোলার সিদ্ধান্ত নেন আমির নামের এক যুবক। জাহাজ ছিনতাই মামলায় ছয় বছর কারাদণ্ড হয়েছে তার।
এবিষয়ে আমির বলে, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি গো হিরাজের কাছে কৃতজ্ঞ। তাদের কারণে ইসলামের পথে ফিরতে পারছি।’
তিনি জানান, এই বছরের শেষ দিকে তার সাজার মেয়াদ শেষ হবে। তার আগে শরীরের বাকি ট্যাটুগুলো উঠিয়ে ফেলবেন।
সূত্র : ইন্টারনেট
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের সাথে জ্বালানি পাইপলাইন স্থাপনে পাকিস্তানের আশা মিলিয়ে গেছে by জাফর ইকবাল

পাকিস্তানী কর্মকর্তারা যদিও প্রকাশ্যে বলছেন যে, ইরান-পাকিস্তান পাইপলাইন স্থাপনের বিষয়ে খুব সামান্যই আশা রয়েছে, তবে একই সাথে তারা নিরবে চীন ও রাশিয়ার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন এই আশায় যে, কোন তৃতীয় পক্ষ হয়তো তাদেরকে টেনে তুলতে পারবে। কিন্তু ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় তাদের সে পরিকল্পনাও বড় বাধার মুখে পড়েছে।
চীনা দৃষ্টিকোণঃ
২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল পাকিস্তান ও চীন একটি ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির অধীনে দরপত্রের মাধ্যমে গোয়াদর ও নওয়াবশাহের মধ্যে গ্যাস পাইপলাইন স্থাপন এবং একটি এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করা হবে। ঠিকাদারির কাজ করবে এখানে চায়না ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশান (সিএনপিসি)। এ প্রকল্পের জন্য অর্থায়নের ৮৫% দেয়ার কথা চীনের এক্সিম ব্যাংকের।
গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প বাস্তবায়নের এটা ছিল একটা বিকল্প মডেল। সিএনপিসি’র অধীনে বালুচিস্তানের গোয়াদর থেকে ইরান সীমান্ত পর্যন্ত পাইপলাইন সম্প্রসারণেরও কথা ছিল, যদি যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়। এক কর্মকর্তা বলেন, “সিএনপিসি এখনও এই প্রকল্পের কাজ করার ব্যাপারে আগ্রহী”। তিনি আরও বলেন যে, পাকিস্তান ও ইরানের জন্য গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এটিই একমাত্র উপায়।
কিন্তু পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. গুলফ্রাজ আহমেদ বলেছেন যে, পাকিস্তান এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারবে না। তিনি এশিয়া টাইমসকে বলেন, “ফিনান্সিয়াল অ্যাকশান টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) কারণে পাকিস্তানও সমস্যায় আছে। এই পরিস্থিতিতে তারা এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারবে না। তারা ইরানের কাছে এটা জিজ্ঞাসা করতে পারে যে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার পরে তারা প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চায় কি না”।
রাশিয়ান উপায়ঃ
দ্বিতীয় বিকল্প হলো ইরান-পাকিস্তান গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ গ্যাস উপকূলীয় পাইপলাইনে দিয়ে দেয়া, যেটার পরিকল্পনা করছে রাশিয়া। রাশিয়ান ফার্ম গ্যাজপ্রম ইরান থেকে ভারত পর্যন্ত অফশোর পাইপলাইন প্রকল্পের জন্য একটা জরিপ করছে যেটা গোয়াদর দিয়ে যাবে।
পাকিস্তান ও রাশিয়া চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে একটা সমঝোতা স্মারকে সাক্ষর করেছে। ১০ বিলিয়ন ডলারের অফশোর গ্যাস পাইপলাইন বাস্তবায়নের জন্য প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ওই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এমনকি সেই সুযোগটাও অসম্ভব মনে হচ্ছে। ২০১৮ সালের নভেম্বরে আইনি বিশেষজ্ঞসহ ইরানের একটি টিম পাকিস্তানে এসেছিল এবং সে সময় তারা গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যাপারে আলোচনা করে।
স্বাভাবিভাবেই ইরানের টিম মনে করেছে যে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এই প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে, পাকিস্তানের আশঙ্কা হলো এই প্রকল্প নিয়ে এগুলো তারাও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে। ট্রাম্প প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে পাকিস্তানকে সতর্ক করেছে যাতে তারা ইরানের সাথে গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প বাস্তবায়ন না করে।
এদিকে, ইরানি প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের সাথে জোর যোগাযোগ চালাচ্ছেন যাতে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়। এখানে মূল অংশীদার হবে ইরান, পাকিস্তান ও ভারত, আর রাশিয়া থাকবে পর্যবেক্ষক। তবে, পাকিস্তান বলেছে যে, আইপি গ্যাস পাইপলাইন এবং অফশোর গ্যাস পাইপলাইন দুটাতেই গ্যাস আসবে ইরান থেকে, তাই পাকিস্তানের একটি মাত্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করা উচিত। সেটা হবে হয় অফশোর গ্যাস পাইপলাইন, নতুবা আইপি গ্যাস পাইপলাইন।
ইরান অফশোর গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্মত হয়েছে। নতুন মডেলের অধীনে আইপি গ্যাস পাইপলাইনের অধীনে বরাদ্দকৃত গ্যাস অফশোর পাইপলাইন প্রকল্পে দিয়ে দেয়া হবে। ইরান এই মডেল অনুসরণে সম্মত হয়েছে এবং কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন যে, তারা এই মডেলকে সমর্থন করবেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্প-ইমরান বৈঠকে আরো ভালো যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান সম্পর্কের আশাবাদ সৃষ্টি by আয়াজ গুল
ইমরান খানের ৫ দিনের ওয়াশিংটন সফর শুরু হচ্ছে ২০ জুলাই। উভয় পক্ষ এখন হোয়াইট হাউসের বৈঠকের জন্য পরিকল্পনা চূড়ান্ত করছে। পাকিস্তানের এক কর্মকর্তা পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ইমরান খান পাকিস্তানের একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে বলেন যে তিনি চলতি মাসে ওয়াশিংটন সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। তবে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।
অভিযোগ করা হচ্ছে যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করেও পাকিস্তান আফগানিস্তানে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনী ও ভারতের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী হামলার পরিকল্পনাকারী তালেবান ও অন্যান্য জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে। ইসলামাবাদ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
প্রায় এক বছর আগে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ইমরান খান ওইসব অভিযোগ নিয়ে টুইটারে ট্রাম্পের সাথে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন, তিনি পাকিস্তানের নজিরবিহীন আত্মত্যাগের কথা বলেন, আঞ্চলিক সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধের সফলতার কথা তুলে ধরেন।
পাকিস্তান সিনেটের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির প্রধান মুশাহিদ হোসাইন বলেন, প্রধানত আফগানিস্তানকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আগামী বছর পুনঃনির্বাচিত হতে হলে পররাষ্ট্রনীতিতে ট্রাম্পের দারুণ একটি বিজয় দরকার।
আফগান শান্তি
মুশাহিদ ভোয়ার সাথে কথা বলার সময় উল্লেখ করেন, আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আরো ভালো যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান সম্পর্কের প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার সাথে সমঝোতার চেষ্টা করছেন, চীনের সাথে বাণিজ্য বিরোধ নমনীয় করেছেন, তার মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক শতাব্দীর সেরা চুক্তি হালে পানি পাচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্র এখন বুঝতে পারছে যে আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা হলো একটি অপরিহার্য বিষয়। এ কারণে পাকিস্তান ও এর সরকারের সাথে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার প্রয়াস চলছে।
আফগান যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার সুযোগ সৃষ্টির জন্য ওয়াশিংটন ও তালেবানের মধ্যে শান্তি আলোচনার ব্যবস্থা করার কৃতিত্বের দাবিদার ইসলামাবাদ। প্রায় এক বছর আগে আলোচনা শুরু হয়েছে, এখন কাতারে তা চলছে।
তালেবান ও আমেরিকান উভয় আলোচকেরাই বলছেন, তারা এমন একটি খসড়া চূড়ান্ত করার কাছাকাছি এসেছেন যে এতে করে দীর্ঘতম মার্কিন বৈদেশিক সামরিক অভিযান শেষ হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করবে।
ওয়াশিংটনের উইড্রো উইলসন সেন্টারের মাইকেল কুগেলম্যান বলেন, ট্রাম্প-ইমরান বৈঠক হবে একটি মাত্র ইস্যুকে কেন্দ্র করে। অর্থাৎ তাদের বৈঠকের মূল বিষয় হবে আফগানিস্তান। তালেবানের সাথে শান্তি চুক্তি হলো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দক্ষিণ এশিয়ায় তালেবানের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।
কুগেলম্যান ভোয়াকে বলেন, তালেবানের ওপর চাপ তীব্র করার জন্য পাকিস্তানকে রাজি করানোর ওয়াশিংটনের বৃহত্তর প্রয়াসের অংশ হিসেবেই ট্রাম্প-ইমরান বৈঠক হচ্ছে। প্রথমে যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছিল ইসলামাবাদ যেন তালেবানকে আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসে। তারা টেবিলে আছে। এখন যুক্তরাষ্ট্র চায়, পাকিস্তান যেন যুদ্ধবিরতির জন্য তালেবানকে রাজি করায়।
ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্বাস করে, এ ব্যাপারে পাকিস্তান সহায়তা করতে পারে।
বৈঠক নিয়ে প্রত্যাশা
পাকিস্তানের বিশ্লেষকেরা ট্রাম্প ও ইমরানের মধ্যকার প্রথম বৈঠকে বড় কিছু হবে বলে আশা করছে না। তবে তারা উল্লেখ করছেন যে এতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের দীর্ঘ পথের সূচনা করতে পারে। কারণ উভয় নেতা স্থিতিবস্থাকে ঘৃণা করেন এবং উভয়েই অত্যন্ত শক্তিশালী ব্যক্তিত্বসম্পন্ন।
আমেরিকান প্রেসিডেন্ট অব্যাহতভাবে বিদেশের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার বিরোধী। আর ইমরান খান যুদ্ধবিরোধী প্রচারণার জন্য সুপরিচিত, আর তার দল যখন বিরোধী অবস্থানে ছিল, তখনো আফগানিস্তানে মার্কিন সামরিক শক্তি প্রয়োগের সমালোচনা করেছিল।
সাবেক পাকিস্তানি কূটনীতিবিদ রুফ হাসান বলেন, দুই নেতার মধ্যে সমঝোতা হলে যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্কে নতুন মাত্রার সৃষ্টি হবে।
সোমবার এআরওয়াই টিভিতে ইমরান খান ইঙ্গিত দেন যে তিনি বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সামরিক উত্তেজনার বিষয়টিও উত্থাপন করতে পারেন।
ইমরান খান হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এই সঙ্ঘাত আমাদের স্বার্থে নয় এবং বিশ্বেরও কোনো উপকার হবে না এতে। এটা আঞ্চলিক দেশগুলোর জন্য বিপর্যয় সৃষ্টি করবে। কারণ এটা স্বল্পস্থায়ী যুদ্ধ হবে না।
ইমরান খান উল্লেখ করেন, ১৭ বছর ধরে যুদ্ধ করার পর যুক্তরাষ্ট্র এখন বুঝতে পেরেছে যে আফগানিস্তানে সামরিক সমাধান সম্ভব নয়। তাকে তালেবানের সাথে শান্তিপূর্ণ সমাধানে আসতে হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর মঙ্গলবার ঘোষণা করে যে বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে এই সংগঠনটি নিরাপত্তা বাহিনী ও বেসামরিক নাগরিকদের টার্গেট করছে।
মার্কিন এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে ইসলামাবাদ। বিশ্লেষকেরা বলছে, এটি আসন্ন বৈঠকের প্রেক্ষাপটে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নত করতে প্রাসঙ্গিক অগ্রগতিতে সহায়ক হবে।
![]() |
| পাক-আফগান সীমান্তে সীমান্ত টার্মিনাল ঘুলাম খানে পাকিস্তান সেনা সদস্যদের প্রহরা |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিয়ানমারে বিপজ্জনক কাজে নিয়োজিত ৬ লাখ শিশু: আইএলও

গত ১১ জুন মঙ্গলবার বিশ্ব শিশুশ্রম বিরোধী দিবসের প্রাক্কালে ইয়াঙ্গুনে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করে আইএলও।
জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী ১.১৩ মিলিয়ন শিশু রয়েছে। এর মধ্যে ৯.৩ শতাংশ শ্রমে নিয়োজিত। এদের প্রায় অর্ধেক – ৬১৬,৮৫১ জন বা ৫.১ শতাংশ শিশু বিপজ্জনক কাজে নিয়োজিত। এতে শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক উন্নয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বিপজ্জনক কাজে নিয়োজিত ২৪.১ শতাংশ শিশুর বয়স ১২-১৪ বছর। অন্যদিকে, ৭৪.৬ শতাংশের বয়স ১৫ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। ১২-১৪ গ্রুপটি অনেক দীর্ঘ সময় কাজ করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
শিশুরা সবচেয়ে বেশি যে খাতে নিয়োজিত তাহলো কৃষি (৬০.৫%)। এর পরে রয়েছে ম্যানুফেকচারিং (১২%)। এর বইরে হোলসেল/রিটেইল ব্যবসা, গাড়ি মেরামতের কারখানা ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে (১১%) শিশুরা কাজ করছে।
মিয়ানমারে অনেক শিশুকে সপ্তাহে ৪৪ ঘন্টার বেশি কাজ করতে হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত হলো ইরানের হিরকানি বন
![]() |
| হিরকানি বন |
![]() |
| হিরকানি বনের কয়েকটি প্রাণী |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘কখনও ভাবিনি বেঁচে দেশে ফিরতে পারবো’ by এনায়েত করিম বিজয়
![]() |
| সেন্টু মিয়া |
জানা যায়, সেন্টু বাঘেরবাড়ির চানু মিয়ার ছেলে। তার রয়েছে পাঁচ বছর বয়সী দুই যমজ ছেলে। চার ভাইয়ের মধ্যে সেন্টু সবার বড়। অভাবের সংসার হওয়ায় স্কুলের গণ্ডি পেরোতে পারেননি তিনি। বাবা কৃষি কাজ করে কোনোমতে সংসার চালান। পরিবারের বড় ছেলে হওয়ায় সংসারের ভার পড়ে তার ঘাড়ে। এরপর কিশোর বয়সেই ঢাকায় একটি বইয়ের ছাপাখানায় কাজ নেন। এরপর তার ছোট ভাই মিন্টুকে ধারদেনা করে কাতারে পাঠান। কাতারে মিন্টুর সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার বাসিন্দা হামিদের। হামিদের ভাই থাকেন ইতালিতে। মিন্টুর স্বপ্ন জাগে বড় ভাই সেন্টু মিয়াকে ইতালি পাঠাবেন। এরপর সেন্টুর ইতালি যাওয়ার বিষয়ে মিন্টু তার বন্ধু হামিদের সঙ্গে কথা বলেন। বিষয়টি হামিদ তার ভাই ইতালি প্রবাসী জনিকে জানান। পরে আখাউড়া উপজেলার ইতালী প্রবাসী জনি ও একই এলাকার লিবিয়া প্রবাসী রফিকুল ইসলাম সেলিম মিলে সেন্টুকে ইতালি পৌঁছে দিয়ে সাড়ে আট লাখ টাকা নেবেন বলে চুক্তি করেন। চুক্তি মোতাবেক সেন্টুর পরিবার ঋণ, গরু বিক্রি, জমি বন্ধক ও স্বজনদের কাছ থেকে ধার নিয়ে সাড়ে আট লাখ টাকা জমা দেয় ব্যাংকের মাধ্যমে।
সেন্টু মিয়া বলেন, ‘এ বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে দুবাই, মিসর হয়ে লিবিয়ার বেনগাজি এলাকার একটি ক্যাম্পে পৌঁছাই। সেখানে এক সপ্তাহ থাকার পর দালাল রফিকুল ইসলাম সেলিম আমাকেসহ পাঁচ জনকে সেখান থেকে নিয়ে অন্য আরেকটি রুমে আটকে রাখে। তারা অতিরিক্ত টাকা দাবি করে বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালায়। দালাল সেলিম আমার কাছে আরও এক লাখ টাকা দাবি করে। পরে তাকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। ওই সময় একটি রুমে আমরা ৫৩ জন ছিলাম। তাদেরও বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হতো। সেখানে প্রায় চার মাস থাকার পর ইতালির উদ্দেশে সাগর পাড়ে আমাদের ৭৫ জনকে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে বড় একটি জাহাজের ছবি দেখানো হয়। ওই জাহাজে করেই ইতালি নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সাগর পাড়ে গিয়ে দেখি ছোট্ট একটি নৌকা। আমরা ওই নৌকায় উঠতে চাচ্ছিলাম না। অস্ত্রের মুখে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে আমাদের নৌকায় তোলা হয়। ৭৫ জন গাদাগাদি করে নৌকায় উঠে ইতালির উদ্দেশে রওনা হই। কয়েক ঘণ্টা যাওয়ার পর নৌকার তেল শেষ হয়ে যায়। ভাসতে থাকি ভূমধ্যসাগরে।’
![]() |
| সেন্টু মিয়ার স্ত্রী ও দুই পুত্র |
ভূমধ্যসাগর থেকে ফেরা এই যুব্ক বলেন, ‘দালাল জনি ও সেলিমের মোবাইল ফোন এখন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। কী করবো কিছুই বুঝতে পারছি না।’
সেন্টুর বাবা চানু মিয়া বলেন, ‘ঋণ, জমি বন্ধক ও আত্মীয়দের কাছ থেকে ধার নিয়ে সাড়ে আট লাখ টাকা দালালদের দেওয়া হয়। এখন আমাদের আর কিছুই রইলো না। কবে এই ঋণ শোধ করতে পারবো সেটাও জানি না।’
সেন্টু দেশে ফিরতে পারলেও ঋণের বোঝা মাথায় থাকায় এই অসহায় পরিবারের সদস্যদের চোখে-মুখে হতাশার ছাপ। দিশেহারা হয়ে পড়েছে পরিবারটি।
![]() |
| সেন্টু মিয়ার বাড়ি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিভ্রান্তিকর ইংগিত দিচ্ছেন লংকার খামখেয়ালী প্রেসিডেন্ট

প্রধানমন্ত্রী রানিল বিক্রমাসিঙ্ঘের ইউএনপি সরকার যদি মৃত্যুদণ্ড বিলোপ করে তাহলে ওই দিনটিকে ‘শোক দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করবেন বলে জানানোর পর সিরিসেনা ওই ঘোষণা দেন।
মাদক মাফিয়াদের নির্মূল করতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা ফিরিয়ে আনতে সিরিসেনার প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক মহল ও স্থানীয় অধিকার কর্মীদের তোপের মুখে রয়েছে। সমালোচকরা মনে করছেন যে নির্বাচনী ফায়দা হাসিলের জন্য তিনি ইস্যুটি নিয়ে রাজনীতি করছেন।
প্রাদেশিক নির্বাচন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, ও সংসদীয় নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণে রয়েছে শ্রীলংকা। সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসার নতুন দল শ্রীলংকা পদুজানা পেরামুনা (এসএলপিপি)’র কাছে হেরে যাওয়ার আশংকায় ইউনাইটেড ন্যাশানাল পার্টি (ইউএনপি)’র সরকার অনেক দিন ধরে প্রাদেশিক নির্বাচন ঝুলিয়ে রেখেছে বলে মনে করা হয়। গত বছর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ব্যাপক জয় পায় এসএলপিপি। তারা প্রাদেশিক নির্বাচনেও একই ধরনের রেকর্ড জয় পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে জনগণ ও রাজনৈতিক আলোচনা হচ্ছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ঘিরে। এই নির্বাচন চলতি বছরের ৭ ডিসেম্বর হবে বলে সিরিসেনা জানিয়েছেন। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে আগে পার্লামেন্ট নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে অনড় শ্রীলংকা প্রেসিডেন্ট।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে পার্লামেন্ট নির্বাচন হলে তা বিজয়ীর শক্তি বাড়াবে এবং তাকে প্রেসিডেন্টকে নির্বাচনে জয়ী হতে সাহায্য করবে। বর্তমান ইউএনপি সরকারের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ায় তাদের বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সিরিসেনা এককভাবে লড়বেন কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়। তার দল শ্রীলংকা ফ্রিডম পার্টিও (এসএলএফপি) এখন বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই দলের অনেকে কৌশলে এসএলপিপি’কে সমর্থ দিচ্ছেন।
পাঁচ মাসের মধ্যে দেশ নতুন সরকার দেখবে বলে ঘোষণা দিয়ে সিরিসেনা বলতে চাচ্ছেন যে দেশ যদি একটি দুর্নীতিমুক্ত সরকার গঠন করে তাহলেই অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে পারবে।
সিরিসেনা বলেন, অর্থনীতি ভেঙ্গে পড়েছে এবং এ থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হলো সৎ রাজনীতিকদের সরকার গঠন। পাঁচ বছর আগে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে মাহিন্দার নেতৃত্বাধিন এসএলএফপি থেকে আলাদা হয়ে তিনি যখন রানিল বিক্রমাসিঙ্গের নেতৃত্বাধিন ইউনাইটেড ন্যাশনাল ফ্রন্টের (ইউএনএফ) প্রার্থী হিসেবে লড়েছিলেন তখনও একই কথা বলেছিলেন।
নির্বাচনে হেরে গিয়ে মাহিন্দা এসএলএফপি’র নেতৃত্ব সিরিসেনার হাতে তুলে দেন এবং নিজের দল এসএলপিপি গঠন করেন।
তবে সিরিসেনা ও মাহিন্দা আবারো ঘনিষ্ঠ হন। গত বছর অক্টোবরে বিক্রমাসিঙ্ঘেকে বরখাস্ত করে মাহিন্দাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন সিরিসেনা। তবে সুপ্রিম কোর্টে সিরিসেনার উদ্যোগটি টেকেনি।
সিরিসেনার সময় এখন ফুরিয়ে যাচ্ছে, আর দেশবাসী হারাচ্ছে ধৈর্য। ক্ষমতায় থাকার জন্য তিনি যাই করুন না কেন তাতে এসএলপিপি শক্তিশালী হবে, যার প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হতে পারেন সাবেক প্রতিরক্ষা সচিব ও মাহিন্দা রাজাপাকসার ভাই গোতাভায়া রাজাপাকসা।
এদিকে রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে যে সিরিসেনার এসএলএফপি ১১ আগস্টের আগেই মাহিন্দার এসএলপিপি’র সঙ্গে একটি জোট গঠনের বিষয় চূড়ান্ত করে ফেলবে। ওই দিন এসএলপিপি তার প্রথম বার্ষিক কনভেনশনের আয়োজন করতে যাচ্ছে।
তবে মনে হচ্ছে কোন রাজনৈতিক জোট গঠিত হলেও সিরিসেনাকে ছাড় দিতে রাজি নয় এসএলপিপি। কনভেনশনে এসএলপিপি’র প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবেন মাহিন্দা রাজাপাকসা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিজামের ওই সম্পদ কার?

১৯৪৭ সাল। ভারত-পাকিস্তান ভাগের সময়ে হায়দরাবাদের সপ্তম নিজাম আশঙ্কা করেছিলেন, তার বিপুল সম্পত্তি হাত ছাড়া হয়ে যেতে পারে। লন্ডনে পাকিস্তানের দূতের হাতে তখন তিনি ১০ লক্ষ পাউন্ড নগদ দিয়েছিলেন। যা ওই দূত লন্ডনের ন্যাটওয়েস্ট ব্যাংকে গচ্ছিত রাখেন। সেই অর্থই এখন সুদে-আসলে সাড়ে তিন কোটি পাউন্ডে দাঁড়িয়েছে।
এখন নিজামের দুই বংশধর ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে ওই অর্থ পেতে চাইছেন, যাতে বাধ সেধেছে পাকিস্তান সরকার। ভারত অবশ্য নিজামদের পক্ষই নিয়েছে। তারা চায়, নিজামের প্রকৃত বংশধরেরাই সেই অর্থ পান। যারা এই অর্থ দাবি করেছেন তারা হলেন, অষ্টম নিজাম এবং তার ভাই। অষ্টম নিজাম তুরস্কে থাকেন। দুই ভাইয়ের দাবি ভারত মেনে নিলেও পাকিস্তানের প্রবল আপত্তি রয়েছে ওই অর্থ তাদের হাতে তুলে দিতে।
এই অর্থ নিয়ে আইনি লড়াই এই প্রথম নয়। পঞ্চাশের দশকে নিজামেরা ওই অর্থ ব্যাংকের কাছ থেকে তুলে নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পাকিস্তান সরকার তখনই জানিয়েছিল, পাকিস্তানের মুসলিম সম্প্রদায়কে ওই অর্থ উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন সপ্তম নিজাম। ফলে ওই অর্থ নিজামের বংশধরেরা কখনোই দাবি করতে পারেন না। ইসলামাবাদের সেই দাবি তখন মেনে নেন হাউস অব লর্ডসের লর্ড ডেনিং। তিনিও রায় দেন যে, ওই অর্থ লন্ডনেই থাকবে।
এর পরে, ২০১৩ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী শেরি ব্লেয়ারকে ওই নগদ অর্থ উদ্ধারের পরামর্শ দিয়েছিল পাকিস্তান সরকার। তাদের দাবি ছিল, হায়দরাবাদ দখল করেই জাতিসঙ্ঘ আর ব্রিটিশ সরকারকে দেয়া প্রতিশ্রুতি ভেঙে ফেলেছিল ভারত। ১৯৪৮ সালে নিজামদের রাজ্য দখল করে ভারত সরকার। পরবর্তী কালে নিজামদের সঙ্গে বন্ধুত্বও স্থাপন করে তারা। এখন আইনি লড়াইয়ে তাদেরই পক্ষে দিল্লি।
ব্রিটেনের রাজ পরিবারের সঙ্গেও সখ্য ছিল নিজামদের। রানি দ্বিতীয় এলিজ়াবেথের বিয়ের সময়ে বহুমূল্য হীরার দু’টি গয়না তাকে উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন সপ্তম নিজাম। আগামী ছ’সপ্তাহের মধ্যে এই মামলার নিষ্পত্তি করার কথা লন্ডন হাইকোর্টের।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুটিয়ে যাওয়া মেহজাবীন চৌধুরী!
![]() |
| তিনটি দৃশ্যে মেহজাবীন চৌধুরী ও তাহসান |
তবে আসছে ঈদে সেই মেহজাবীনকে পাওয়া যাবে একেবারে নতুন অবয়বে। চোখে লাগার মতো মুটিয়ে যাওয়া একজন স্থূলকায় নারীর চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। সম্প্রতি শুটিং হওয়া এই নাটকটির নাম ‘মায়া সবার মতো না’।
মায়া চরিত্রে মেহজাবীনকে নিয়ে এটি নির্মাণ করেছেন সাগর জাহান। বিপরীতে আছেন তাহসান খান।
গল্পটি এমন, স্থূলকায় মানুষগুলোকে সমাজে দুর্বল মনে করা হয়। চাকরি, বিয়ে কিংবা অন্যান্য ক্ষেত্রে তারা বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হয়। মায়া নামের মেয়েটিও এই সমস্যার জর্জরিত। কিন্তু সে খুব সাহসী, আত্মনির্ভরশীল।
এমন চরিত্রে মেহজাবীনের অভিনয় প্রসঙ্গে সাগর জাহান বলেন, ‘মায়া চরিত্রটির জন্য মেহজাবীনের আগ্রহ আর পরিশ্রম আমাকে মুগ্ধ করেছে। প্রচণ্ড গরমে বিশেষ একটি পোশাক (মোটা দেখানোর জন্য) পরে থাকতে হয়েছে তাকে। সঙ্গে তাহসান ভালো সাপোর্ট দিয়েছেন। কাজটি ভালোই হবে মনে হচ্ছে।’
নির্মাতা জানান, আগামী ঈদে নাটকটি বাংলাভিশনে প্রচার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর নজরদারি চালাচ্ছে হামাস!

গাজা উপত্যকার সীমান্ত এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সদস্যদের টার্গেট করে এ নজরদারি চালানো হচ্ছে। এতে হামাসের সাইবার টিমের সদস্যরা নিজেদের ইসরায়েলি নাগরিক হিসেবে উপস্থাপন করে সেনাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। কখনও নজরদারির মাধ্যমে পাওয়া কিছু তথ্য-উপাত্ত, বাহিনীর অন্য সদস্যদের গতিবিধিও তাদের সঙ্গে শেয়ার করা হয়।
ইসরায়েলি বাহিনীর এক সদস্য জানিয়েছেন, তিনি একটি বার্তা পেয়েছেন যেখানে তার ব্রিগেডের আগামী কয়েক মাসের মহড়া ও অভিযানের তারিখ জানতে চাওয়া হয়েছে। এসব মহড়া ও অভিযানের উদ্দেশে কখন তারা স্টেশন ত্যাগ করবেন তাও জানতে চাওয়া হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায়।
ইসরায়েলি বাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, শত্রুদের কার্যকলাপ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের গতিবিধি সম্পর্কে সেনাবাহিনী সজাগ রয়েছে। আমরা সামরিক ও বেসামরিক সব নাগরিককে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছি।
হামাসের তরফ থেকে অবশ্য ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের এমন দাবির ব্যাপারে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ফিলিস্তিনিদের নিজেদের ভূমি থেকে উচ্ছেদ করে ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় জায়নবাদী রাষ্ট্র ইসরায়েল। এই দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি জনতার প্রতিরোধকে সন্ত্রাসবাদ হিসেবে আখ্যায়িত করে দেশটি। ভূমির অধিকার রক্ষায় প্রতিরোধ গড়ে তোলা মুক্তিকামী ফিলিস্তিনিদের ওপর হত্যাযজ্ঞসহ নানা ধারার নিপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে তেল আবিব। ইসরায়েলি দখলদারিত্বের কবল থেকে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করতে সশস্ত্র প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছে হামাস। গত মে মাসের প্রথম সপ্তাহেই হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলে শতাধিক রকেট হামলা চালানো হয়। যদিও এর বেশিরভাগই প্রতিহত করতে সক্ষম হয় তেল আবিব।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এনআরসি: বিদেশী বানানোর আতঙ্ক by হার্শ মান্দের

পার্লামেন্টে বিতর্ক তো দূরের কথা কোনো ধরনের প্রকাশ্য আলোচনা ছাড়াই সামাজিক বিরোধে ইন্ধন সৃষ্টির ও ভারতের সাংবিধানিক ব্যবস্থা বদলে দেয়ার শঙ্কাময় এই আদেশটি জারি করা হয়েছে। এই আদেশ জারির ব্যাখ্যা কেবল পাওয়া যেতে পারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্বাচনী বক্তৃতাবাজিতে। তিনি ওই সময় বারবার বলেছেন, ‘অনুপ্রবেশকারীদের’ চিহ্নিত করার জন্য ভারতের সব অংশে জাতীয় নাগরিক নিবন্ধন (এনআরসি) প্রয়োগ করা হবে।
এনআরসি প্রক্রিয়ায় অবিচারের মূলে রয়েছে প্রমাণ করার বোঝায় বৈপরিত্য। বেশির ভাগ অপরাধের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় প্রসিকিউশন যতক্ষণ না তার অপরাধ প্রমাণ করতে পারবে, ততক্ষণ ওই লোক নির্দোষ। কিন্তু এখানে প্রমাণ করার দায়দায়িত্ব বর্তে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির। কেউ যখন প্রয়োজনীয় নথি আদালতে উপস্থাপন করতে না পারে, তখন তাকে বিদেশী ঘোষণা করা হয়ে যায়। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, ভারতের সর্বোচ্চ আদালতই প্রমাণ করার দায়দায়িত্ব ব্যক্তির ওপর চাপিয়ে দিয়েছে।
আসামের এনআরসি লাখ লাখ লোককে সীমাহীন দুর্ভোগের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। বিশেষ করে গরিব মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে, তারা তাদের অতি সামান্য সম্পদও আইনজীবীদের হাতে তুলে দিতে বাধ্য হচ্ছে যাতে তারা এনআরসির আমলাতন্ত্রের বৈরিতার হাত থেকে রক্ষা পেয়ে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল থেকে বাঁচতে পারে।
আমি এমন শত শত মামলা দেখেছি যেখানে ইংরেজি বা বাংলা নামের বানানে সামান্য ভুল বা বয়সের সামান্য হেরফেরের কারণে এনআরসি কর্তৃপক্ষ ও ফরেনার্স ট্রাইনাল তাদেরকে বিদেশী হিসেবে দণ্ডাদেশ দিয়ে দিয়েছে। আপনি যদি স্কুলে না গিয়ে থাকেন, তবে আপনার নাগরিকত্বের কোনো প্রমাণপত্র নেই। আপনার যদি ভূমি না থাকে, তবে ভারতে আপনার অবস্থানের রেকর্ড থাককে কিভাবে। আবার নিজের জায়গা থাকলেও তাতে ভুলের কারণেও খেসারত দিতে হতে পারে।
এখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আদেশে এনআরসি ও ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল সারা দেশে চালু হলে কী ঘটতে পারে, কল্পনা করুন। আমি দেশের সুদূর প্রত্যন্ত অঞ্চলের মুসলিমদের উদ্বেগে তাদের নথিপত্র পরীক্ষা করার কথা শুনেছি। নথিগুলোতে ইংরেজি বানানে দাদার নামের পার্থক্য থাকলে কী করতে হবে, সেই চিন্তায় তাদের ঘুম নেই। আগামী মাসগুলো বা বছরগুলোতে ভারতের অন্যান্য অংশেও যদি এনারসি সম্প্রসারিত হয়, তবে আবার ভারতবর্ষ ভাগ হওয়ার দুঃসহ স্মৃতি ফিরে আসতে পারে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সারা ভারতে প্রতিষ্ঠিতব্য ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালকে তাদের সামনে আসা মামলাগুলো শুনানির নিজস্ব প্রক্রিয়া নির্ধারণের দায়িত্বও দেয়া হয়েছে। তারা কেবল ‘মেরিট’ থাকলেই আপিল শুনানিতে রাজি হতে পারে, এমন ক্ষমতাও তাদের দেয়া হয়েছে। এর মানে হলো, সংস্থাটি ‘মেরিট’ আছে বলে মনে না করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আপিলই করতে পারবেন না। অথচ আসামের ট্রাইব্যুনালগুলোতে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করা কিংবা প্রকাশ্যে পক্ষপাতিত্ব করার অনেক অভিযোগ এসেছে। এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশের ফলে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল আরো বেশি শক্তি পেয়ে খামখেয়ালিভাবে তাদের কাজ করতে পারে।
আসামের এনআরসি প্রক্রিয়ায় সংবিধানের সবচেয়ে বড় লঙ্ঘন ঘটেছে এ নিয়ে যে কেন্দ্রীয় সরকার এখন পর্যন্ত স্পষ্টভাবে বলেনি যে যাদেরকে চূড়ান্তভাবে বিদেশী বলে ঘোষণা করা হবে, তাদের ভাগ্যে কী ঘটবে। এসব লোকের ভাগ্যের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে এখন পর্যন্ত বাধ্য করতে পারেনি পার্লামেন্ট বা সুপ্রিম কোর্ট।
ভারত সরকার যাদের বিদেশী হিসেবে ঘোষণা করবে, তাদেরকে বাংলাদেশের গ্রহণ করার কোনো প্রশ্নই আসে না। বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, তারা বাংলাদেশী নয়। বর্তমানে হাজার হাজার লোক আটক কেন্দ্রে বন্দী অবস্থায় রয়েছে। আসাম সরকার জানিয়েছে, তারা তিন হাজার বিদেশীর জন্য আটক কেন্দ্র নির্মাণ করছে। কিন্তু ভারতের বিচার ব্যবস্থা যদি আসামের লাখ লাখ লোককে অনাগরিক ঘোষণা করে, তবে কী হবে?
আর ভারতের বাকি অংশেও যদি এনআরসি বাস্তবায়ন করা হয়, তবে আরো লাখ লাখ লোকের নাম আসবে। তাদের আটক রাখার জন্য ভারত সরকার কি বিশাল বিশাল আটক কেন্দ্র নির্মাণ করবে? করা হলে কত দিনের জন্য করা হবে? নারী, পুরুষ ও শিশুরা সারা জীবনের জন্য আটক থাকবে? নাকি তাদের আটক কেন্দ্রের বাইরেই রাখা হবে সব ধরনের নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করে? তাদের চাকরি করার, সম্পত্তি লাভের, সরকারি সেবা পাওয়ার অধিকার থাকবে না? এমনকি আরএসএস যাদেরকে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বানাতে চায়, এসব লোকের অবস্থা তাদের চেয়েও খারাপ হবে?
তারা হবে অনাগরিক, চিহ্নিত লোক, ব্যাপকভাবে বাদ পড়া ও ঘৃণিত। এটা কি এমন নির্দেশিকা, যা ভারতকে আবার টুকরা করে ফেলতে পারে?
লেখক : মানবাধিকারকর্মী ও লেখক
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মামলা-জরিমানার রেকর্ড, তবুও শৃঙ্খলা নেই সড়কে by শুভ্র দেব

এখনও ঢাকার সড়কে সেই পুরনো চিত্র। বাসে বাসে রেষারেষি, গতির প্রতিযোগিতা, অবৈধ পার্কিং, যাত্রীদের সঙ্গে বেপরোয়া আচরণ, স্টিয়ারিংয়ে অদক্ষ চালক, বেপরোয়া যানবাহন চলাচল এসব প্রতিদিনের চিত্র। সংশ্লিষ্টরা প্রশ্ন তুলেছেন, শুধু কি মামলা দিয়েই শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব? যদি তাই হয় রেকর্ড পরিমাণ মামলা দিয়েও কেন শৃঙ্খলা ফেরানো যাচ্ছে না। আর চালকরা জানিয়েছেন, ট্রাফিক কর্মকর্তারা এখন অহেতুক হয়রানি করছেন। সামান্য কারণেও মামলা দিচ্ছেন। কারণে-অকারণে গাড়ি রেকার করছেন।
পুলিশ সদরদপ্তরের ট্রাফিক শাখা থেকে পাওয়া এক পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ট্রাফিক আইনে মামলা হয়েছে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৪৩ টি। এসব মামলায় জরিমানার পরিমাণ ৮ কোটি ৯৮ লাখ ৮ হাজার ৪৩৭ টাকা। ফেব্রুয়ারি মাসে মামলা করা হয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯১০টি। জরিমানার পরিমাণ ৬ কোটি ৮৮ লাখ ৩০ হাজার ৩৩৭ টাকা। মার্চ মাসে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭০ মামলায় জরিমানা করা হয়েছে ১০ কোটি ১২ লাখ ৪১ হাজার ৬৭০ টাকা। এপ্রিলে মামলা হয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬০ টি। জরিমানা করা হয়েছে ৮ কোটি ২২ লাখ ২৯ হাজার ৯০০ টাকা। আর মে মাসে মামলার সংখ্যা ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৬৯ টি। এসব মামলায় জরিমানা হয়েছে ৮ কোটি ৪৫ লাখ ৬২ হাজার ৫১০ টাকা। ডিএমপি থেকে পাওয়া আরেক পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, ২০১৭ সালে ট্রাফিক আইনে তাদের মামলার পরিমাণ ছিল ১১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৩টি। আর জরিমানার পরিমাণ ছিল ৫৮ কোটি ৬৬ লাখ ৭৭ হাজার ৭২৪ টাকা। ২০১৮ সালে মামলার পরিমাণ ছিল ১২ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৫টি। এসব মামলায় জরিমানা করা হয়েছিল ৮৬ কোটি ৯ লাখ ৪০১ টাকা। অথচ ২০১৯ সালের প্রথম ছয় মাসেই মামলা করা হয়েছে ১০ লাখ ২২ হাজার ৩৩৮টি। জরিমানার পরিমাণ ৫২ কোটি ৮৮ লাখ ১৮ হাজার ৭৯৫ টাকা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চরম অব্যবস্থাপনার মধ্যে দিয়ে চলছে ঢাকার সড়ক ব্যবস্থাপনা। যেখানে অপরিকল্পিত বড় বড় প্রজেক্ট হাতে নেয়া হয় কিন্তু জনগণের কোনো কাজে লাগে না। আবার অনেক পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয় কিন্তু বাস্তবায়ন করা হয় না। এছাড়া মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়হীনতা, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো একে-অপরের প্রতি দায় চাপানো অন্যতম কারণ। এছাড়া সড়কের তুলনায় যানবাহন বাড়ায় বিশৃঙ্খলা বেড়ে যায়।
বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) সূত্রে বিভিন্ন সময় ঢাকা থেকে রেজিস্ট্রেশন নেয়া যানবাহনের একটি পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২০১৯ সালের মে মাস পর্যন্ত ১০ হাজার ৬২৪টি মিনি বাস রেজিস্ট্রেশন নিয়েছে। এছাড়া ৭৮ হাজার ৯০ টি মাইক্রোবাস, ৬ লাখ ৫৯ হাজার ৪৭১টি মোটরসাইকেল, ৩৪ হাজার ৪৮২টি বাস, ৩ হাজার ৭১০টি এম্বুলেন্স, ২০ হাজার ৮৮৩টি অটোরিকশা, ৫ হাজার ৩৭৩টি হিউম্যান হলার, ৪৪ হাজার ৩৭টি জিপ, ৮৫ হাজার ২৪৬টি পিকআপ, ২ লাখ ৮৩ হাজার ৬১৭ টি প্রাইভেট কার, ৩৬ হাজার ৫৯৮টি টেক্সিক্যাব।
গত বছরে ডিএমপি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল সড়কে বাস চলার সময় স্টপেজ ছাড়া গেট দরজা বন্ধ রাখতে হবে, গাড়ির চালকসহ সংশ্লিষ্টদের ছবি ও ফোন নম্বর ঝুলিয়ে রাখতে হবে। চালকের লাইসেন্স, গাড়ির সকল কাগজপত্র হালনাগাদ করা। চালক ও যানবাহনের স্টাফদের মাসিক বেতনের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। এছাড়া নগরীর ১২১টি স্থান নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছিল বাস থামানোর জন্য। কিন্তু বাস্তবে এর কোনো বাস্তবায়ন দেখা যায়নি। গত কয়েকদিন ঢাকার সড়কের বেশকিছু বাস ঘুরে নির্দেশনা পালন করছে এমন বাস খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। লাইসেন্সবিহীন চালকরাই বাস চালাচ্ছেন। নির্ধারিত স্টপেজের আগেই বাস থামানো হয়। এক কোম্পানির বাসের সঙ্গে গতির প্রতিযোগিতা, রেষারেষি করতে দেখা গেছে। বাসের ভেতরে সংশ্লিষ্টদের নেই কোনো ছবি, চালক ও স্টাফরা দৈনিক হিসাবে কাজ করছেন। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খানকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এই কমিটি ১১১ টি সুপারিশ প্রণয়ন করেছিল। প্রশ্ন উঠেছে এই ১১১ টি সুপারিশ সড়কের শৃঙ্খলায় আদৌ কোনো কাজে আসবে কি না। কারণ সড়কের চিত্র প্রায় একই, বদলায়নি একটুও।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিকের অতিরিক্ত কমিশনার মফিজ উদ্দিন আহমেদ মানবজমিনকে বলেন, মামলা-জরিমানার সঙ্গে চালকদের সঙ্গে আমাদের মোটিভেশন ক্যাম্পেইন চলছে। সম্প্রতি আমরা নতুন উদ্যোগও নিয়েছি। তার মধ্যে ফুটপাত দখলমুক্ত করা, হকার উচ্ছেদ, রিকশা বন্ধ, স্টপেজে বাস থামানো, চলন্ত অবস্থায় বাসের দরজা বন্ধ রাখা। এছাড়া চালক ও তার সহকারীদের সঙ্গে মোটিভেশনাল মিটিং করা হচ্ছে। তিনি বলেন, শুধু মামলাই যথেষ্ট নয়। আমরা সার্জেন্টদের বলে দিয়েছি প্রতিটা মামলা দেয়ার সময় চালকদেরকে যেন তারা পাঁচ মিনিট ব্রিফ করে। কেন এই মামলা দেয়া হলো। তার অপরাধ কী ছিল। ভবিষ্যতে যেন সে আর এ রকম না করে।
এ বিষয়ে স্থপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মানবজমিনকে বলেন, অনেক পরিকল্পনা করা হয় কিন্তু সেটা বাস্তবায়ন করা হয় না। এছাড়া আইনের শাসন নেই। জনবহুল শহরে যানবাহনের চাহিদা আছে তাই যানবাহন বাড়বে। কিন্তু কতটা বাড়বে, নতুন করে কত যানবাহন রেজিস্ট্রেশন দেয়া যাবে, কতটা বাইরে থেকে প্রবেশ করতে পারবে তার কোনো পরিকল্পনা হচ্ছে না। আর যদি পরিকল্পনা থাকে তবে সেটা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। তিনি বলেন, একটা শহরের মোট জমির ২০ থেকে ২৫ ভাগ সড়ক ও যানবাহন চলাচলের জন্য রাখতে হয়। অথচ ঢাকায় রাখা হয়েছে মাত্র ৮/৯ ভাগ। যেটা প্রয়োজনের তুলনায় খুব কম। তাই সড়ক বাড়াতে হবে। মেট্রোরেল, পাতাল রেল, কমিউটার ট্রেন, এলিভেটেড এক্সপ্রেস করতে পারলে সড়কের পরিমাণ বাড়বে। কিন্তু এগুলো করতে প্রচুর ব্যয় ও সময় লাগে। তিনি বলেন, এখনও ঢাকার সড়কে ম্যানুয়াল সিস্টেমে হাত দিয়ে ট্রাফিক কন্ট্রোল করা হয়। একটা আধুনিক শহরে এটা হতে পারে না। নিয়মভঙ্গের জন্য ট্রাফিক কর্মকর্তারা মামলা-জরিমানা করছেন। কিন্তু শুধু মামলা দিয়েই শৃঙ্খলা ফেরানো যাবে না। রাজউক, ঢাকা ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন অথরিটি ছাড়া সংশ্লিষ্ট যারা আছেন তারা সবাই মিলে পরিকল্পনামাফিক কাজ করলে শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব। না হলে চরম অব্যবস্থাপনা ও শাসনহীনভাবে চলতে থাকবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1347)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
July
(817)
-
▼
Jul 20
(23)
- দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের জীবনা...
- ওয়াশিংটন যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
- ভারতে ফের গো-রক্ষার নামে তিন ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা
- সিলেটে ধর্ষিতার স্বামীর ফরিয়াদ by ওয়েছ খছরু
- ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার নালিশ: নিন্দার ঝড় খতিয়...
- ডেঙ্গু: তিন দিন নয়, জ্বর হলেই যেতে হবে চিকিৎসকের ক...
- ঢাকার বাইরেও ডেঙ্গু: ধরন পাল্টানোয় চিন্তিত চিকিৎসক...
- বরগুনা হত্যাকাণ্ড: আইনি সহায়তা পাওয়া মিন্নির সাং...
- ক্যাম্পাসে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ডাকা হয় কলগার্লদেরও b...
- কার্তারপুর কি খুব দূরের মন্দির? ভারত ও পাকিস্তানের...
- প্রতি ২ জঙ্গি পিছু নিহত ১ জওয়ান, জানাল সরকার
- মুসলিমদের ব্যবহার বদলে গেছে জীবন, ট্যাটু মুছে ফেলল...
- ইরানের সাথে জ্বালানি পাইপলাইন স্থাপনে পাকিস্তানের ...
- ট্রাম্প-ইমরান বৈঠকে আরো ভালো যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তা...
- মিয়ানমারে বিপজ্জনক কাজে নিয়োজিত ৬ লাখ শিশু: আইএলও
- ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত হলো ইরানের হি...
- ‘কখনও ভাবিনি বেঁচে দেশে ফিরতে পারবো’ by এনায়েত করি...
- বিভ্রান্তিকর ইংগিত দিচ্ছেন লংকার খামখেয়ালী প্রেসিড...
- নিজামের ওই সম্পদ কার?
- মুটিয়ে যাওয়া মেহজাবীন চৌধুরী!
- যেভাবে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর নজরদারি চালাচ্ছে হামাস!
- এনআরসি: বিদেশী বানানোর আতঙ্ক by হার্শ মান্দের
- মামলা-জরিমানার রেকর্ড, তবুও শৃঙ্খলা নেই সড়কে by শু...
-
▼
Jul 20
(23)
-
▼
July
(817)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...








