Monday, December 23, 2019

মোটর মেকানিক ‘রাব্বি’ আপা by মোছাব্বের হোসেন

কাজে ব্যস্ত রাবেয়া সুলতানা রাব্বি
ছয়-সাত বছর আগের কথা। দিনাজপুরের বাহাদুর বাজার এলাকার অগ্রণী ব্যাংকে একটি কাজে গিয়েছিলেন রাবেয়া সুলতানা রাব্বি। তিনি গাড়ির মেকানিক—এ পরিচয় শুনে ব্যাংকের ব্যবস্থাপকের চোখ কপালে উঠে গেল! কিছুতেই বিশ্বাস করতে চাইলেন না। বাধ্য হয়ে রাব্বি তাঁর পরিচয়পত্র দেখালেন। তারপরও বিস্ময় কাটে না, একজন নারী কীভাবে গাড়ির মেকানিক হন!
শুধু ব্যাংকের ব্যবস্থাপকই নন, অনেকেই রাব্বির পেশা শুনে অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকেন। যাঁকে নিয়ে কথা হচ্ছে, সেই রাবেয়া সুলতানা রাব্বি ২০০৬ সাল থেকে বেসরকারি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা কেয়ারে গাড়ির মেকানিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজধানীর পান্থপথে কেয়ারের গ্যারেজে বসে রাব্বি জানালেন তাঁর জীবনযুদ্ধের কথা। ২০০৫ সালে টাকার অভাবে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া হলো না। বাবা আবদুল আজিজ ফরাজী তরিতরকারির ব্যবসা করলেও প্রায়ই নানা অসুখ-বিসুখে বাড়িতেই বসে থাকতেন। ছয় ছেলেমেয়ের সংসার তাঁর।
একদিন কেয়ারের মাঠকর্মীরা রাব্বিদের বাড়িতে এসে কেয়ারের পক্ষ থেকে নারীদের গাড়ি চালানোর প্রশিক্ষণের কথা জানালেন। একেবারেই ভিন্ন
একটি পেশার কথা শুনে রাব্বি যোগ দিলেন সেই প্রশিক্ষণে।
রাব্বি বলছিলেন, ‘গাড়ি চালানোর প্রশিক্ষণে নাম লেখালাম। প্রশিক্ষণ শেষে কয়েকজন নারীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয় কেয়ার থেকে। কিন্তু আমার চাকরি হলো না। কিছুদিন পর কেয়ার থেকে বলা হলো মেকানিক হিসেবে কাজ করার জন্য। সেই সুযোগ লুফে নিয়ে শুরু করলাম গাড়ি দেখভালের কাজ। সেই থেকে এখন পর্যন্ত করেই চলছি। কেয়ারের বিভিন্ন গাড়ি, মোটরসাইকেল সার্ভিসিংয়ের কাজ করি। সেখানে সবার কাছে আমার পরিচয় “মেকানিক রাব্বি আপা”। আমিও তাঁদের এই ডাকে সাড়া দিই।’
গাড়ির ব্রেক ঠিক করা, গাড়ির মবিল বদলানো, ফিল্টার পরিবর্তনসহ নানা কাজ করতে হয় রাব্বিকে। রাব্বি গর্বের সঙ্গেই বললেন, ‘গাড়ির চাকায় হাত দিলেই বুঝতে পারি কোন গাড়িতে কী সমস্যা হয়েছে।’
তিন বছর বয়সী ছেলের মা রাব্বি। স্বামী একরামুল হক একটি নিরাপত্তা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। সন্তানকে দেখভাল করার জন্য তিনি চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। পরিবারের উপার্জনক্ষম মানুষ এখন রাব্বি। গ্রামে থাকা বৃদ্ধ বাবা-মায়ের খরচও চালান রাব্বি। বলছিলেন, ‘প্রতি মাসে বাবা-মায়ের জন্য পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকার ওষুধ কিনতে হয়। অন্য পাঁচ ভাইবোন থাকলেও বাবা-মায়ের মাসিক খরচ আমাকেই দিতে হয়।’
মূল বেতন আর ওভারটাইম মিলে ৪৪ থেকে ৪৫ হাজার টাকা বেতন পান রাব্বি। নিয়মিত ট্যাক্স দেন। রাব্বি বললেন, ‘আমার বেতনের কথা শুনে আরও নারীরা যাতে এই পেশায় আসে, সেই জন্য কত বেতন পাই তা বললাম।’ হাসতে হাসতে বললেন, ‘গ্রামে গেলে মানুষ আমার চারপাশে ভিড় করে। কী কী কাজ করি, কীভাবে করি, জানতে চায় আর অবাক হয়। ওদের প্রশ্নের উত্তর দিতে আমার ভালো লাগে।’
কেয়ারের সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাব্বি জানালেন, কেয়ারে কাজের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ সমান, কোনো বৈষম্য নেই।
রাব্বির কাজের সম্পর্কে কেয়ারের পরিবহন ব্যবস্থাপক মো. সেলিম শেখ বললেন, রাব্বি শুধু মেকানিকের কাজই নিখুঁতভাবে করেন না, ফাইলিং থেকে শুরু অফিসের বেশ কিছু কাজেও সাহায্য করেন। কোনো কাজের কথা বললে ‘না’ করেন না। সব মিলে দারুণ এক কর্মী তিনি।
কাজে ব্যস্ত রাবেয়া সুলতানা রাব্বি। ছবি: সাবিনা ইয়াসমিন

ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন তারা by পিয়াস সরকার

দীর্ঘ ছয় বছর ধরে বুকে বয়ে বেড়াচ্ছেন তীব্র যন্ত্রণা। প্রতিটা মুহূর্ত কাটে এক অজানা আতঙ্কে। চোখের পাতা এক হলেই যেন ধেয়ে আসে মরণ যন্ত্রণা। চোখের সামনে ভেসে আসে দুঃসহ সেই স্মৃতি। নিলুফা বেগমের জীবনটাই যেন এক নরক। দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে একাই বললেন তিনি। বলেন, ভোররাতে ঘুম আসলেও খানিক বাদেই তা ভেঙ্গে যায়। পায়ে অসহ্য ব্যথা বয়ে বেরাচ্ছেন ৬ বছর ধরে।
সাভারের রানা প্লাজা তার জীবনকে তছনছ করে দিয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, জীবন্মৃত হয়ে বেঁছে আছেন তিনি। তাইতো তিনি বলেন, এভাবে বেঁছে থেকে কি লাভ? তার চেয়ে দেয়াল চাপায় মারা গেলে এ যন্ত্রণা সইতে হতোনা।
নিলুফা চাকরি করতেন রানা প্লাজায়। ভবনের অষ্টম তলায় প্যান্টন অ্যাপারলেস কারখানায়। ছিলেন সুইং অপারেটর। ২০১৩ সালের ভয়াবহ সেই দুর্ঘটনায় তার পায়ের উপর পড়েছিলো বিম। আটকা পড়েছিলেন প্রায় ৯ ঘণ্টা। সেই বিমের আঘাতে ক্ষত বিক্ষত হয় তার ডান পা। এরপর থেকে বিছানাই তার সঙ্গি। নিলুফার বয়স চল্লিশ ছুঁই ছুঁই। স্বামীর নাম শাহিদুল ইসলাম। পেশায় চা দোকানদার। তারা থাকেন সাভারের আমতলা বস্তিতে। তিন সন্তানের জননি তিনি। বড় ছেলে পড়েন নবম শ্রেণিতে। মোজো মেয়ে সপ্তম শ্রেণিতে। আর ছোট মেয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে। এই দুই মেয়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন মায়ের।
সকাল ৮টায় দুই মেয়ে সকালের রান্না সেরে চলে যায় স্কুলে। আর তাদের বাবা সকাল ১০টায় বেরিয়ে যান দোকানের উদ্দেশ্যে। তিন ছেলে মেয়ে ও স্বামী বাইরে চলে যাবার পর একাই অবস্থান করেন বাড়িতে। দুপুর নাগাদ ছেলে মেয়েরা ফেরে বাড়িতে। বাড়িতে এসে দুই মেয়েকেই করতে হয় বাড়ির কাজ। দুপুরের রান্না। দুপুরে বাবা খেতে আসেন। এরপর ছেলেকে নিয়ে যান দোকানে কাজে সহযোগিতার উদ্দেশ্যে।
পায়ে ব্যাথা নিয়েই কেটে যাচ্ছিল নিলুফার জীবন। তবে ইদানিং ঘটছে নতুন বিপত্তি। পায়ে নতুন করে ধরেছে পচন। ডাক্তার দেখিয়েছেন। বলেছেন অস্ত্রোপচার করে পা কেটে ফেলতে। তবে পারছেন না টাকার অভাবে।
রানা প্লাজার দুর্ঘটনার পর সরকারি বেসরকারি সহযোগিতা পেয়েছিলেন ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এই টাকার অধিকাংশ চলে যায় তার চিকিৎসার পিছনে। এই টাকা থেকে তার স্বামী দিয়েছেন একটি চায়ের দোকান। সেখানে খরচ হয়ে যায় প্রায় ৮০ হাজার টাকা। এখন প্রতিদিন ৩শ’ থেকে সাড়ে ৩শ’ টাকার ওষুধ প্রয়োজন হয়। যা মাস শেষে দাঁড়ায় প্রায় ১০ হাজার টাকায়। এই টাকার যোগান দেবার পর পরিবার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিবারটির।
ইয়াসমিন সুলতানা। বাড়ি রংপুর পীরগঞ্জ উপজেলার দোহাটা গ্রামে। কয়েকটি পোশাক কারখানায় চাকরি করে শেষে যোগ দেন রানা প্লাজার একটি পোশাক কারখানায়। ধীরে ধীরে মিলছিলো তার অর্থনৈতিক মুক্তি। কিন্তুতার জীবনে নেমে আসে অশুভ ছায়া। পড়ে যান রানা প্লাজা ধ্বসের মাঝে। হাতে ও পায়ে আঘাত পান। চিকিৎসাধীন থাকতে হয়েছিলো প্রায় প্রায় বছর খানেক।
এরপর থেকেই ভাইয়ের বাসায়। সেখানে অসহায় হয়ে পড়ে আছেন। সহযোগিতা পেয়েছেন প্রায় লাখ দুয়েক টাকার মতো। তা পুরোটাই ব্যয় হয় চিকিৎসার পেছনে। এখন চলাফেরা সীমিত তার। তারপর করেন হাতের কাজ। এই দিয়ে ভাইয়ের সংসারে যদি একটু হেল্প করা যায়?
রানা প্লাজায় নির্মম দুর্ঘটনায় বাম হাত হারিয়েছেন লাবনি খানম। তিনি এখন থাকেন খুলনায় দৌলতপুরে। রানা প্লাজার পাঁচ তলায় ফ্যান্টম গার্মেন্টের চিকিৎসা কেন্দ্রের নার্স ছিলেন তিনি। সেদিনের দুর্ঘটনার কথা মানুষকে বলতে বলতে কিছুটা বিরক্ত। তারপরেও বলেন, দুর্ঘটনার আগের দিন ২৩শে এপ্রিল রানা প্লাজায় ফাটল ধরেছিলো। আমরা কাজে যাবো কি যাবো না এই নিয়ে দ্বিধাগ্রস্থ ছিলাম। রান্না প্লাজায় গেলেও আমরা সেদিন অফিসে যাই নাই। কিন্তু পরদিন বেতন যাতে না কাটে সেই ভয়ে ছিলেন তারা। এরপর পরদিন সকালে অফিসে প্রবেশের ১০ মিনিটের মাথায় ধ্বসে পড়ে ভবনটি। তার হাতের উপর ছিলো একটি বিম। হাত কেটেই তাকে বের করা হয় সেখান থেকে। এখন তিনি ঢাকা ছেড়ে এলাকাতে থাকেন।
নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জের নীলুয়া পাড়া গ্রামে থাকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়া শিশু সবুজ। মাকে হারিয়ে দাদা বাড়িতে হয়েছে আশ্রয়। তার মা কাজ করতেন রানা প্লাজায় আর বাবা চালাতেন রিকশা। সেদিনের ঘটনায় মাকে হারিয়ে ফেলে সবুজ ইসলাম।  তার মায়ের স্মৃতি বলতে শুধুই এক টুকরা ছবি। যে ছবিতেও দাগ পড়েছে। ভালো করে বোঝা যায় না মুখটা। তখন তারা থাকতেন সাভারে। বাবা-মায়ের আদরের একমাত্র সন্তান সবুজ। মারা যাবার আগের দিন তাকে ভাত খাইয়ে গিয়েছিলো মা। ঘটনার পর থেকে তার মা নিখোঁজ। দেখতে পারেননি মায়ের লাশটাও।
এভাবেই দুঃখের সাগরে বাবার সঙ্গে মায়ের লাশ খুজতে কেটে যায় মাস ছয়েক। এরপর ফের বিয়ে করেন বাবা। আর সবুজকে রাখা হয় তার দাদা বাড়িতে। দাদা বাড়িতে বাবা মা ছাড়া সবুজের দিন কাটে বিষণ্নতায়। সবুজ মাঝে মধ্যেই রাতের বেলা আম্মা আম্মা বলে চিৎকার করে উঠে।

নারী চরিত্রগুলো তাদের অবয়বে তুলে ধরতে চেয়েছি: পাকিস্তানি লেখিকা সরবত হাসিন

‘ইউ ক্যান’ট গো হোম এগেইন।’ ২৬ বছর বয়স্ক পাকিস্তানি সাহিত্যিক সরবত হাসিনের নতুন এ বইটি আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। পাকিস্তানের শহুরে তরুণ- যারা করাচি আর লন্ডনে ছুটাছুটিতে মত্ত, অতীত-বর্তমান, ভালোবাসা, বন্ধুত্ব, ভয়, নিরাপত্তাহীনতায় হিমশিম খেতে থাকা চরিত্রগুলোকে তুলে ধরছেন তিনি তার এই ছোট গল্পের বইটিতে। তার আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল ‘দিস ওয়াইড নাইট’ দিয়ে ২০১৬ সালে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ওপর তার ওই বইটি থেকে এবারেরটি ভিন্ন।
হাসিনকে এখন পাকিস্তান সাহিত্যের নতুন কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত করা হচ্ছে। তার লেখা তুলনা করা হচ্ছে মোহসিন হামিদ ও কামিলা শামসির সাথে। নিজের লেখালেখি নিয়ে স্ক্রলডট ইনকে একটি সাক্ষাতকার দিয়েছেন। এখানে তা প্রকাশ করা হলো।
প্রশ্ন: ইউ ক্যান’ট গো হোম এগেইন বইতে আপনি অনেক প্রেক্ষাপটকে একসাথে হাজির করেছেন।
হাসিন: খুবই স্বাভাবিকভাবে তা এসেছে। আমি প্রথমে গল্প লিখেছি। তারপর অন্যান্য চরিত্র সহজাতভাবেই এসে গেছে। উপন্যাসের চেয়ে ছোট গল্পে অনেক বেশি আবিষ্কারের বিষয় থাকে।
প্রশ্ন: আপনার প্রতিটি যাত্রায় জিন-পরীদের কথা আছে। এসব চরিত্রের সবগুলোই আবার বয়সে ছোট, শিক্ষিত ও বেশ স্বচ্ছল পরিবারের। এ প্রেরণা পেলেন কিভাবে?
হাসিন: আমার শৈশবে নগর কিংবদন্তিগুলো গোলকধাঁধা সৃষ্টি করত। আমি কুসংস্কার আর ঐতিহ্যের ধারণা নিয়ে কাজ করতে চেয়েছি। আমার কাছে বাড়ি কেবল একটি ভৌত কাঠামো নয়, এটি একটি সংস্কৃতিও। বাড়ি হলো পরিবার, বিশ্বাস আর প্রত্যাশার বাসা।
প্রশ্ন: আপনি আপনার মায়ের ব্যক্তিগত পাঠাগারের কথা উল্লেখ করেছেন। প্রথম দিকে আপনি কী ধরনের বই পড়েছেন?
হাসিন: আমার পরিবারের সবাই খুবই পড়ুয়া। তবে আমার মায়ের পড়ার ব্যাপ্তি ছিল বিরাট। আমার চেয়েও অনেক বেশি বিষয় নিয়ে তিনি পড়েছেন। অনেক বিষয়ে তার আগ্রহ। এসবের কিছু কিছু আমি পড়েছি।
প্রশ্ন: আপনি বর্তমানে বাস করছেন লন্ডনে। আর বেড়ে ওঠেছেন করাচিতে। আপনার বইতেও এসব বিষয় স্থান পেয়েছে।
হাসিন: একটা পর্যায়ে এই ভাগ সহজ বিষয়ে পরিণত হয়। আমি করাচিতে আমার পরিবারের সাথে সময় ব্যয় করেছি। আর কাজ করার জন্য লন্ডনে অনেক ভালো পরিবেশ রয়েছে। সব জায়গারই আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
প্রশ্ন: পাকিস্তানের মতো দেশে লেখালেখিতে রাজনীতি টেনে না আনতে পারাটা কতটা কঠিন কাজ?
হাসিন: আমি মনে করি, গল্প নিজেই এগিয়ে যাবে। আমার লেখালেখি রাজনৈতিক আবহবিমুখ বলে মনে করি না। প্রতিটি চরিত্রই তার দেশ, শ্রেণি, শিক্ষার আলোকে আত্মপ্রকাশ করে, এগিয়ে যায়। তাদের জীবন শূন্যতায় থাকে না।
প্রশ্ন: আপনি স্টকহোম রিভিউয়ের ফিকশন এডিটর। একইসাথে সম্পাদনা ও লেখালেখির কাজটি কিভাবে করেন?
হাসিন: ভেতর থেকেই লেখালেখির প্রেরণা পাওয়া যায়। আবার সম্পাদনাতেও এক ধরনের আনন্দ আছে। অন্যে পড়বে, সেজন্য আমি লিখি। আর আরো গভীরভাবে পড়ার জন্য সম্পাদনা করি।
প্রশ্ন: আপনার পরবর্তী গ্রন্থ কী?
হাসিন:  নতুন বই নিয়ে ভাবছি। তবে আরো কয়েকটি প্রবন্ধ ও কবিতাও লিখছি।