Friday, October 4, 2013

সরল গরল- প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র ফাঁস এক নয় by মিজানুর রহমান খান

মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচারিক আদালতের কার্যক্রম নিয়ে অসতর্ক মন্তব্য এবং তাকে কেন্দ্র করে আদালত অবমাননার ক্রমাগত রুল জারির ঘটনা সিয়েরা লিয়ন, রুয়ান্ডা ও কেনিয়ার প্রেক্ষাপট স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। এসব দেশে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার চলছে।

সরকার ও রাজনীতি- জনপ্রশাসনের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ by ইনাম আহমদ চৌধুরী

গত ২৬ সেপ্টেম্বর। সকালবেলা একটি খবরের কাগজের প্রথম পৃষ্ঠায় একটি ছবি ও খবর দেখে ক্ষুব্ধ বিস্ময়ে চমকে উঠলাম। ছবিটিতে রয়েছেন উত্তোলিত তর্জনী দিয়ে হুমকি প্রদানরত আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এবং এর নিচেই তাঁর বক্তব্য—

গল্প- ফেসবুকে বন্ধুর মুখ by বিশ্বজিৎ চৌধুরী

ভেবেছিলাম গল্পটা আপনাদের বলব না।
থানায় ঢুকে সোজা ওসি সাহেবের সামনে গিয়ে বলেছিলাম, ‘আমি একটা খুন করেছি, আমাকে অ্যারেস্ট করুন।’ টেবিলে মাথা ঝুঁকিয়ে একটা রুল টানা কাগজে কী যেন লিখছিলেন, মাথা না তুলেই বললেন, ‘কাকে?’ তাঁর এই প্রতিক্রিয়ায় বিস্মিত ও হতাশ বোধ করলাম।

গল্প- অনামা সেই গাছের গল্প by আখতার হুসেন

মাঠের পাশ দিয়ে যে রাস্তাটা শহরের দিকে চলে গেছে, তার চৌমোহনায় যে বড় সেতু, তার গা ঘেঁষেই দাঁড়িয়ে আছে সেই দুটো গাছ। একটা আমের আর অন্যটার নাম নেই। একে সবাই ‘অনামা’ বলেই ডাকে। সে ফুল দেয় না। ফল দেয় না। এই নিয়ে তার দুঃখের অন্ত নেই।

মধ্যপ্রাচ্য- ইসরায়েলি অ্যাটম বোমার কী হবে? by মশিউল আলম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন—এই খবরে গোটা মধ্যপ্রাচ্যের মানুষ যখন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে, তখন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আমেরিকাকে নতুন করে উসকানি দিতে শুরু করেছেন।

সপ্তাহের হালচাল- রংপুরের মেয়ে, প্রাণ যায় ঢাকার গার্মেন্টসে by আব্দুল কাইয়ুম

রংপুরে প্রথম আলো আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে জেলার উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র, অধ্যাপক, শিল্পপতি-ব্যবসায়ী, বিশিষ্ট নাগরিকেরা, নারী নেতৃত্ব, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব—সবাই এসেছেন।

রাহুলের জয়, ভারতেরও by আশিস আচার্য

দলের ভেতরে-বাইরে নানামুখী চাপের জেরে শেষ পর্যন্ত বিতর্কিত অধ্যাদেশটি তুলে নিচ্ছে ভারত সরকার। সাজাপ্রাপ্ত নেতাদের বাঁচানোর কায়দা বলে অধ্যাদেশের ভিতটি এমনিতেই ছিল দুর্বল। রাহুল গান্ধীর মতো প্রভাবশালী নেতার ধাক্কায় তা হুড়মুড় করে পড়ে গেল।

সাহিত্যে নোবেল ২০১৩- গণকের দিন by মাসরুর আরেফিন

অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রতিবছর ঘোষিত হয় সাহিত্যে নোবেলজয়ীর নাম। এবারও সবার মনে একটাই প্রশ্ন, কে পাচ্ছেন এবার সাহিত্যে নোবেল?

দুই পৃষ্ঠার কাগজ চুরি করে প্রকাশ করলে রায় প্রশ্নবিদ্ধ হয় না: সুরঞ্জিত

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও দপ্তরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, দুই পৃষ্ঠার কাগজ চুরি করে প্রকাশ করলে রায় প্রশ্নবিদ্ধ হয় না।বিএনপির নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদালতের রায়ের খসড়া ফাঁস হওয়া প্রসঙ্গে আজ শুক্রবার রাজধানীতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সুরঞ্জিত এই মন্তব্য করেন।

মূল প্রতিবেদন- আমাদের সবার প্রিয় মীনা by রোকেয়া রহমান

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মেয়েশিশুদের অধিকার রক্ষার তাগিদ থেকে মীনা কার্টুনের জন্ম। দেখতে দেখতে ২১ বছর পার করেছে মীনা। দারুণ জনপ্রিয় মীনা চরিত্রটি এখনো সামাজিক আচরণ পরিবর্তনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

একবার না পারিলে দেখো ২১ বার by মো. সাইফুল্লাহ

গুনে গুনে ২০ বার ডিগ্রি পরীক্ষা দিয়েছিলেন দিনাজপুরের খোশবুল আলম। পাসের দেখা পাননি। তারপর? পড়ুন ধৈর্য আর অধ্যবসায়ের এক অসাধারণ কাহিনি

সিলভারি নগর, যেন এক রাজবাড়ি by রাশেদ রাফি

২০০৮-এর শরতে প্রথমবারের মতো এবারডিনে গিয়ে ইউনিয়ন স্ট্রিটের সৌন্দর্যে অভিভূত হয়েছিলাম। অবাক চোখে একটা সড়ক দেখেছিলাম। একটা নগরকে প্রতিনিধিত্ব করতে পৃথিবীর অন্য কোথাও কোনো সড়ক এত প্রভাবশালী ভূমিকা রেখেছে কি না, জানা নেই।

আনলোড সাউথ সাউথ অ্যাওয়ার্ড by মাকসুদুল আলম

অক্টোবর মাস। আর সপ্তাহ দু’এক পরেই ২৫শে অক্টোবর। ২৫শে অক্টোবরের পর কি হতে যাচ্ছে? সবার মাঝে বিরাজ করছে এক ধরনের আতঙ্ক। রয়েছে উৎকণ্ঠা। জনমনে আশঙ্কা। আছে নানা প্রশ্ন। নির্বাচন আদৌ হবে কিনা?

নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের শপিং- দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার এই তো সুযোগ

আগের দিনে রাজা-বাদশারা নিয়মিত ভ্রমণ করতেন। তাঁদের সঙ্গে ভ্রমণসঙ্গী হিসেবে থাকতেন স্ত্রী, সন্তান, উজির, আত্মীয়, ভাইবোন ও বন্ধুদের বিশাল দল। সবাই মিলে ভ্রমণ করাটাই ছিল ঐতিহ্য। আজ রাজা-বাদশারা নেই।

নির্বাচন সুষ্ঠু হবার গ্যারান্টি দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবার গ্যারান্টি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে এটুকু গ্যারান্টি দিতে পারি।

সমকামী অধিকারের পক্ষে ইউনূসের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ধর্মীয় নেতারা by রাসেল আহমেদ

বাংলাদেশের নোবেল বিজয়ী প্রথম বাংলাদেশি মোহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে এবার ক্ষেপেছে দেশের ধর্মীয় নেতারা৷ গত বছর সমকামী অধিকারের পক্ষে তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদে সম্প্রতি বিক্ষোভ করেছেন তাঁরা৷

ফেসবুকে বন্ধুর মুখ by বিশ্বজিৎ চৌধুরী

ভেবেছিলাম গল্পটা আপনাদের বলব না। থানায় ঢুকে সোজা ওসি সাহেবের সামনে গিয়ে বলেছিলাম, ‘আমি একটা খুন করেছি, আমাকে অ্যারেস্ট করুন।’ টেবিলে মাথা ঝুঁকিয়ে একটা রুল টানা কাগজে কী যেন লিখছিলেন, মাথা না তুলেই বললেন, ‘কাকে?’ তাঁর এই প্রতিক্রিয়ায় বিস্মিত ও হতাশ বোধ করলাম। একটা নাটকীয় মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছিলাম, লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়াবেন, চিৎকার করে সেন্ট্রিকে ডেকে বলবেন, অ্যারেস্ট করো...। সে সব কিছুই না, শান্ত নির্লিপ্ত গলায় বললেন, ‘কাকে?’ যেন এ দেশে যত খুন-জখম হয় সব ক্ষেত্রে খুনিরা নিজেই থানায় এসে ধরা দেয়, যেন এটাই স্বাভাবিক। বললাম, ‘আমার এক বন্ধুকে।’ এবার চোখ তুলে তাকালেন আমার দিকে, সেই দৃষ্টিতেও তেমন বিস্ময় নেই, বললেন, ‘গুলি করেছেন, না ছুরি মেরে...?’ ‘ঠিক সে রকম নয়..’ ভ্রু কুঁচকালেন, বিরক্তির রেখা ফুটল মুখে ‘সে রকম নয় তো কী রকম?’ ‘তার মৃত্যুর জন্য আমি পরোক্ষভাবে দায়ী...না না, ঠিক পরোক্ষ বলা যায় না, আমি প্রত্যক্ষভাবেই...।’ ‘বেরোও...।’ ‘জি...?’ এবার প্রায় খেঁকিয়ে উঠলেন তিনি, ‘গেট লস্ট...কে ঢুকতে দিয়েছে এখানে? ...জাহিদ...জাহিদ...।’ জাহিদ আসার আগে নিজেই বেরিয়ে যাচ্ছিলাম আমি, শুনলাম ওসি সাহেব বিড়বিড় করছেন, ‘শালা, সকাল থেকে আসল কাজে বাঁচি না, কোত্থেকে ফালতু ঝুট-ঝামেলা...শালা ড্রাগ অ্যাডিক্ট...।’ ঘুরে দাঁড়িয়ে বললাম, ‘আমি ড্রাগ অ্যাডিক্ট না, স্যার।’ কথাটা পছন্দ হলো না তাঁর। তিনি মানুষ চেনেন, তিনি বলছেন আমি ড্রাগ অ্যাডিক্ট, অথচ আমি তা অস্বীকার করছি—এটা সহ্য করতে পারলেন না, উত্তেজনায় দাঁড়িয়ে পড়লেন, চিৎকার করে বললেন, ‘অ্যাই ব্যাটা বাইর অ, অহন বাইর অ, নাইলে...।’
আমি এবার বেরিয়ে এলাম বিনা বাক্যব্যয়ে। ওসির কক্ষের বাইরে করিডরের মতো একফালি জায়গা, স্থান-সংকুলানের জন্য সেখানেও টেবিল-চেয়ার নিয়ে বসতে হয়েছে থানার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। বেরিয়ে আসার মুখে চোখাচোখি হয়ে গেল একজন মহিলা পুলিশের সঙ্গে, তিনি আমার দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসছেন, বললেন, ‘স্যারের মেজাজ আজ সকাল থেকে খারাপ। আপনার সমস্যা কী?’ আমি জীবনে এত সুন্দরী মহিলা পুলিশ দেখিনি। সুন্দরীদের হাসিতে মৃতসঞ্জীবনী সুধা থাকে, আর আমি তো এখনো জীবিত মানুষ, তাই এমন বিপর্যস্ত অবস্থার মধ্যেও সামান্য ভালো বোধ করলাম! তাঁর সামনের চেয়ারে বসলাম। ভরসা পেয়ে গড় গড় করে আমার সব কথা খুলে বললাম। তিনি অসীম ধৈর্যে আমার কথা শুনলেন। শেষে প্রায় তাঁর হাত ধরার উপক্রম করে বললাম, ‘আমার শাস্তির ব্যবস্থা করুন, নইলে আমি আত্মহত্যা করব।’ তিনি কিছুক্ষণ গভীর কৌতূহলে আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন, হয়তো চেহারার বৈশিষ্ট্য দেখে অনুমান করার চেষ্টা করছিলেন সত্যি আমি আত্মহত্যাপ্রবণ মানুষ কি না। তারপর করুণা ও সান্ত্বনা মেশানো গলায় বললেন, ‘আপনি ভিকটিমের পরিবারের কাছে গিয়ে সব কথা খুলে বলুন, তারা যদি মামলা করে তাহলে আমরা আপনার বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যেতে পারব।’ ভিকটিমের পরিবার মানে সাইদুলের বাবা-মা, আমি তাঁদের সামনে গিয়ে দাঁড়াতে পারব? গিয়ে বলব, আপনাদের ছেলের মৃত্যুর দায়-দায়িত্ব আমার? অসম্ভব! সেই স্কুল-বয়সে কত দিন খালাম্মা সাইদুল আর আমাকে একই প্লেট থেকে লোকমা তুলে ভাত খাইয়ে দিয়েছেন। তাঁকে গিয়ে বলব, আপনাদের ছেলেকে...উহ্, তার চেয়ে আমার মৃত্যু ভালো! তাহলে গল্পটা আপনাদেরই বলি। সাইদুল প্রায়ই বলত সে জীবনে কোনো মেয়ের প্রেমে পড়বে না। বলত, কারণ আমার সঙ্গে সীমার ছাড়াছাড়ির ব্যাপারটা তাকে প্রায় আমার সমান কষ্ট দিয়েছিল। আমি যতই বলি, এই পড়া না পড়ার ব্যাপারটা নিজের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভর করে না, এটা দৈবনির্ভর, সে কিছুতেই মানবে না।
কিন্তু আমি তো জানতাম সে পড়বেই, ছোটবেলা থেকে চিনি তো। যে ছেলে একটি ভালো কবিতা পড়ে আধঘণ্টা চুপচাপ একটিও কথা না বলে কাটিয়ে দেয়, গান শোনে চোখ বন্ধ করে, সিনেমা দেখে চোখের পানি আড়াল করতে পারে না, সে প্রেমে পড়বে না? সাইদুল বলে, ‘দেখিস।’ আমি বললাম, ‘দেখি।’ একদিন মরীচিকা ছদ্মনামে একটি মেয়ে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাল তাকে। বলল, ‘কী বলিস, অ্যাকসেপ্ট করব?’ বললাম, ‘ভেবে দ্যাখ, সত্যি সত্যিই মেয়ে নাকি কেউ ফাজলামি করে।’ সাইদুল বলল, মেয়েটি তাকে ইনবক্সে জানিয়েছে আসল নাম ইশিতা ইসলাম, মেয়ে বলে নানা বিড়ম্বনার কারণে ছদ্মনাম ব্যবহার করেছে। ‘তাহলে আর কী, অ্যাকসেপ্ট কর।’ মরীচিকা, মানে ইশিতার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করল সাইদুল। ব্যাপারটা তো এমন নয় যে এর আগে আর কখনোই অপরিচিত মেয়েকে ফেসবুকের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেনি। বরং বলা যায় তার শ চারেক বন্ধুর যে তালিকা তাতে অপরিচিতের সংখ্যাই বেশি। কিন্তু এবার সাইদুলের জীবনটা পাল্টে গেল। আমার সঙ্গে প্রতিদিনের আড্ডায় একবার ইশিতার প্রসঙ্গ আসবেই। প্রতিদিন নতুন নতুন বিস্ময়ের তথ্য নিয়ে হাজির হয় সাইদুল। ইশিতার সঙ্গে তার জীবনের অদ্ভুত সব মিল। যেমন সাইদুলরা দুই ভাই, ইশিতারা দুই বোন। সাইদুলের বড় ভাই মারা গিয়েছিল রোড অ্যাকসিডেন্টে, ইশিতার বড় বোনটিরও মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছিল একইভাবে। বড় ভাই আরিফকে এখনো ভুলতে পারে না সাইদুল। আর ইশিতা এখনো স্বপ্নে বড় বোনকে দেখে ধড়ফড় করে জেগে ওঠে, মনে হয় বিছানায় তার পাশেই যেন শুয়ে আছে নিকিতা।
দুটি মানুষের জীবন কি করে এতটাই মিলে যেতে পারে ভেবে পায় না সাইদুল-ইশিতা কেউই। ক্লাস নাইনে থাকার সময়ে একবার বাবার ওপর রাগ করে ব্লেড দিয়ে হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল সাইদুল। আর মা-বাবা এক ক্লাসমেটের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে মিথ্যে সন্দেহ করেছিল বলে সাতটা ঘুমের বড়ি খেয়ে ফেলেছিল ইশিতা। সে কী কাণ্ড...হাসপাতালে গিয়ে স্টমাক ওয়াশ করতে হয়েছিল। সাইদুলের পড়াশোনার ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। সেই ছোটবেলা থেকে ওকে ফার্স্ট হতে দেখে অভ্যস্ত আমরা। কিছুতেই নাগাল না পেয়ে ওর পেছনে দৌড়ানোটাই নিয়মে দাঁড়িয়েছে আমাদের। ক্লাসের মেয়েরা তো বটেই, নিচের ক্লাসের মেয়েরাও সাইদুল ভা...ই...ই বলে কেমন আইসক্রিমের মতো গলতে থাকে, সে তো আমাদের চোখের দেখা। আমার সঙ্গে সীমার ছাড়াছাড়ির ঘটনায় সবচেয়ে বেশি কষ্ট পেয়েছিল সাইদুলই, অথচ আমার ধারণা, সীমা আসলে ভালোবাসতে চেয়েছিল সাইদুলকেই। আজ সেই সাইদুল ফাইনাল পরীক্ষার আগে লেখাপড়া মাথায় তুলে ইশিতাকে নিয়ে মেতে আছে। ইশিতার প্রিয় রং নীল, সাইদুলের নীল-সবুজ দুটোই। আগে ইশিতার প্রিয় গানের শিল্পী ছিল জাস্টিন বিবার, এখন তার গান দূরে থাক নামই শুনতে ইচ্ছে করে না আর...এখন ব্রায়ান এডামসে ডুবে আছে সে। ব্রায়ান এডামস সাইদুলেরও প্রিয় শিল্পী, কিন্তু বাংলা গান শোনে বেশি, মৌসুমী ভৌমিকের গান. মাইলস, ভূমি বা চন্দ্রবিন্দুর মতো ব্যান্ডগুলোর অন্য রকম পরিবেশনা ভালো লাগে তার। ইশিতাও আজকাল নতুন করে সাইদুলের পছন্দের গানগুলো শুনতে শুরু করেছে। সাইদুলের ইচ্ছা ছিল বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করবে,
কিন্তু পরিবারের চাপে পড়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটিতে ট্রিপল ই-তে ভর্তি হয়েছে সে। কী আশ্চর্য ইশিতাও চেয়েছিল বাংলা অনার্স পড়বে, কিন্তু বাধ্য হয়েছে মেডিকেল কলেজে পড়তে। বঙ্কিম, মানিক থেকে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এমনকি সুনীল বা আনিসুল হকের উপন্যাস, শক্তি, গুণ, জয় গোস্বামীর কবিতা দুজনেরই কত কত রাত জাগার সঙ্গী হয়ে থাকে। দুজনের প্রিয় ঋতু বর্ষা। ইশিতা বৃষ্টিতে ভেজে ছাদে গিয়ে, সাইদুল বৃষ্টি মাথায় নিয়ে উদ্দেশ্যহীন রাস্তায় রাস্তায় হেঁটে কাকভেজা হয়ে বাড়ি ফিরে আসে। ‘এ রকম কী করে হয় বল তো স্বপন, দুজনের ভাবনা কী করে এক বিন্দুতে মিলে যায়?’ আমি উত্তর না দিয়ে অবাক হয়ে ওর দিকে তাকিয়ে থাকি। আরও প্রায় ছয় মাস পর একদিন দেখা করার কথা তোলে সাইদুল। ফেসবুকে ছবি ছিল না ইশিতার, কভার ছবিতে মেঘলা আকাশ আর প্রোফাইল পিকচার একটা কাগজের নৌকা। দেখা করতে রাজি হয় না ইশিতা। ‘আমাকে দেখে যদি তোমার স্বপ্ন ভেঙে যায়?’ ‘ভাঙবে না, কারণ আমি তো তোমার মন ছুঁয়ে দেখেছি।’ ‘তবু একটা কল্পনার ছবি তো তৈরি হয় মনে...যদি না মেলে?’ ‘না যদি মেলে মিলবে না, আমাদের দুজনের জীবনে এত এত মিল, এই একটা অমিল না হয় থাকলই।’ ‘এখনই না, আমি বলব।’ ‘ঠিক আছে আমার কোনো তাড়া নেই।’ একটু দমে গিয়েছিল বোধ হয়, কয়েকটা দিন খুব বিমর্ষ দেখাচ্ছিল। এসব কথা তো আমি ছাড়া আর কারও সঙ্গে শেয়ার করত না, এক বিকেলে ডিসি হিল পার্কের একটা বড় শিরীষগাছের গোড়ালিতে বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম দুজনে, বলল, ‘ইশিতা হয়তো আমাকে এখনো পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারল না।’ ‘সেটাই তো স্বাভাবিক, শুধু ফেসবুকে পরিচয়।’ আমাকে চমকে দিয়ে সাইদুল দৃঢ়কণ্ঠে বলল, ‘না স্বপন, এ শুধু ফেসবুকের হঠাৎ পরিচয় নয়, এ পরিচয় পুরো এক জীবনের। কোনো না-কোনোভাবে কোথাও না কোথাও ওর সঙ্গে আমার দেখা হতোই।’
সেদিন বিদায় নিয়ে চলে যাওয়ার সময় আশৈশব বন্ধুটির দিকে তাকিয়ে অনেক কথা ঘুরপাক খেতে থাকে মনে—কে একজন বিখ্যাত ব্যক্তি বলেছিলেন, প্রেম হচ্ছে আসলে একটি ধারণামাত্র, প্রেমিক নিজের জন্য নিজেই সেই ধারণাটি তৈরি করে। দুদিন পর আবার যখন দেখা হলো সাইদুলের সঙ্গে তখন সে খুশিতে উত্তেজনায় টগবগ করছে। ওকে ইশিতা বলেছে, ‘তুমি আমাকে বিয়ে করবে?’ ‘তুই কী বললি?’ ‘আমি এক হাজারটা হ্যাঁ লিখে দিয়েছি পুরো পেজজুড়ে।’ ‘বিয়েতে হ্যাঁ বলে দিলি? চিনিস না জানিস না একটা মেয়েকে...। ‘চিনি না জানি না মানে? আমার চেয়ে বেশি আর কে চেনে ওকে? তুই চিনিস শালা, তুই চিনিস?’ এর মধ্যে ইশিতার সঙ্গে তার দেখা হওয়ার দিন-তারিখ ঠিক হলো। কোথায় দেখা হবে আমাকে জানাতে চায় না সাইদুল, শুধু বলল, পরে সব জানাবে। বিকেল পাঁচটায় ইশিতার আসার কথা। জানতাম তার অনেক আগে পতেঙ্গা নেভাল বিচের রাস্তায় হাজির হবে সাইদুল। আমি আড়াল থেকে দেখলাম, সুনীলের কবিতার বই হাতে নীল সালোয়ার-কামিজ পরা একটি মেয়েকে খুঁজে বেড়াচ্ছে সে রাস্তার এ মাথা থেকে ও মাথা। পাঁচটা, ছয়টা, সাতটা...সময় যত গড়াচ্ছে তত উদ্ভ্রান্তের মতো দেখাচ্ছে তাকে। নেভাল বিচের রাস্তায় সেদিন বেড়াতে আসা প্রতিটি মেয়ের দিকে তাকিয়ে সে খুঁজছে নীল জামা, হাতে সুনীলের কবিতার বই! আমি পেছন থেকে কাঁধে হাত রাখতেই চমকে উঠল সে, বললাম, ‘আসেনি?’ গভীর বিস্ময়ে আমার দিকে তাকাল সে। কেমন আতঙ্কিত চোখে বারবার আমার দিকে তাকাচ্ছিল সাইদুল, আমার চেহারাটা কি হিংস্র দেখাচ্ছিল? ‘তুই কখনো প্রেমে পড়বি না বলেছিলি, মনে আছে?’ ‘হ্যাঁ, তো?’
আমার ভেতরে লুকানো পশুটা কি বেরিয়ে পড়েছিল? এই সাইদুল জীবনে কখনো আমাকে ক্লাসে ফার্স্ট হতে দেয়নি। আমার প্রেমিকা শেষ পর্যন্ত ভালোবেসেছিল ওকে। অবচেতনে সঞ্চিত সব পরাজয়ের বোধ যেন হঠাৎ এসে দাঁড়ায় সামনে। সম্পূর্ণ রূপান্তর ঘটিয়ে দেয় আমার, বললাম, ‘শেষ পর্যন্ত পড়লিই তো...এত বোকা তুই? একটা ফেক অ্যাকাউন্টের প্রেমে পড়লি!’ থরথর করে আপাদমস্তক কেঁপে উঠল সাইদুল, কী অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকাল আমার দিকে। উফ্ কী দৃষ্টি! কী ঘৃণা, কী ঘৃণা সেই দৃষ্টিতে! আমি মিশে যাচ্ছিলাম ধুলায়-মাটিতে। দুই হাত আঁকড়ে ধরেছিলাম ওর, এক ঝটকায় হাত ছাড়িয়ে নিয়ে আর্তনাদ করে উঠেছিল, ‘তুই...? তুই...?’ পাগলের মতো ছুটতে শুরু করেছিল, আমি পেছনে ছুটতে ছুটতে চিৎকার করে ডেকেছি, ‘সাইদুল...সাইদুল...।’ পাইনি, অন্ধকারের মধ্যে হারিয়ে গিয়েছিল কোথায়...। পরদিন সকালে আমরা জেনেছি, কর্ণফুলী নদী যেখানে মিশেছে সমুদ্রের সঙ্গে, সেই মোহনার তীরে বড় বড় সিমেন্টের ব্লকগুলোর ওপর পাওয়া গেছে এক রক্তাক্ত তরুণের লাশ। আত্মহত্যা যে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ ছিল না কারও, কিন্তু কেন, তার কোনো কারণ জানা যায়নি। মহিলা পুলিশটি বলেছিলেন, ভিকটিমের পরিবারকে জানান। আমি ভেবেছিলাম একবার। কিন্তু একই প্লেট থেকে দুজনকে ভাত খাইয়ে দেওয়ার দৃশ্যটা যে কিছুতেই মুছতে পারি না মন থেকে...। আপনারা বলুন, আমি এখন কী করব? আত্মহত্যা করার সাহস তো আমার নেই। বন্ধুকে খুন করার দায় বাকি জীবনে কী করে বহন করব আমি? একটি অদ্ভুত প্রেমের গল্প কি কিছুতেই পিছু ছাড়বে আমার?

ব্রাজিলের সালিনাপলিস শহরের এলিসানি দ্য ক্রুজ সিলভার উচ্চতা ৬ ফুট ৮ ইঞ্চি। বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা কিশোরী সে। বয়স ১৭ বছর। ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার !!

ব্রাজিলের সালিনাপলিস শহরের এলিসানি দ্য ক্রুজ সিলভার উচ্চতা ৬ ফুট ৮ ইঞ্চি। বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা কিশোরী সে। বয়স ১৭ বছর। ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার !!

পুলিশের ওপর জামায়াত কর্মীর হামলা

জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার মুক্তির দাবিতে আজ সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩) রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে মিছিল বের করেন জামায়াত কর্মীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে জামায়াত কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ছবি: সাজিদ হোসেন

মেনোপজ হয়ে যাওয়ার পর ব্লিডিং একটু চিন্তায় ফেলে দেয় অনেককেই …!

মেনোপজ হয়ে যাওয়ার পর ব্লিডিং একটু চিন্তায় ফেলে দেয় অনেককেই। কারণ কিছু ক্ষেত্রে এই উপসর্গের কারণ হতে পারে ইউটেরাইন ক্যানসার। জরায়ুর রকমারি ক্যানসারের মধ্যে এটি এক রকমের ক্যানসার।

বিগ বস-এর নেপথ্যে…. ?

বিগ বসে কেবল টাকা, কাজ করলে বুঝবে কাকা-মুখে না বললেও, মনে মনে বাংলা ‘বিগ বস’-এর বাঙালি ক্রিউ মেম্বাররা এটাই বলছেন৷ অ্যাদ্দিন যা টেলিভিশনে দেখলেন, সে তো সেলিব্রিটিদের লড়াই৷ কিন্ত্ত তার নেপথ্যের লড়াইটা কেমন?

আলোচনায় অশ্লিল গ্রান্ড মাস্তি’র ব্রুনা

বলিউডে আলোচনায় আবেদনময়ী ব্রুনা। যদিও বলিউডে জায়গা করে নিতে কম কাঠখড় পোড়াতে হয়না। কারিনা, দীপিকা, সোনাক্ষীর মত তারকা অভিনেত্রীদের রাজত্বে তাই ব্রাজিলিয়ান মডেল ব্রুনাকেও জায়গা পেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে।

আরও বেশি খোলামেলা হয়ে আসছে ডায়না

ভারতের শীর্ষ মডেল ডায়না পেন্টি। দীর্ঘদিন ধরেই নিজ দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক  র্যাম্প শোগুলোতে অংশ নিয়ে চলেছেন দাপটের সঙ্গে। বছর দুয়েক আগে বলিউডে তার রাজকীয় অভিষেক হয় ‘ককটেল’ ছবির মধ্য দিয়ে।

ডিম থেকেই মুরগী!! by আসিফ আজিজ

ডিম থেকে মুরগী, না মুরগী থেকে ডিম-এ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক পৃথিবীতে কখনো শেষ হবে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। এনিয়ে শেষ নেই কল্পগল্প-কাহিনীরও। তবে মুরগী থেকে ডিম এটা প্রমাণ করা বোধহয় একটু বেশিই কঠিন।

শ্রীঘরে লালু বেহাল আধপেটা দিনকাল

কানের পাশে সমানে গুনগুনিয়ে গান গাইছে। আবার মনের সুখে রক্তও খাচ্ছে। নাহ! আর তো পারা গেল না। প্রথম রাতেই যদি বিরসা মুন্ডের শ্রীঘরে (জেলখানায়) মশা আর ছারপোকার কামড় খেতে হয়, কাহাতক আর ভালো লাগে! যে কোনো সাধারণ মানুষ হলে মশা মেরে আর ছারপোকা তাড়িয়েই রণে ভঙ্গ দিতেন। কিন্তু ইনি ভারতের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব- তাই এসব সহজ রাস্তা মোটেই তাকে মানায় না। একে তো সারা রাত ঘুম হয়নি। মেজাজ খাপ্পা। ফলে সকাল থেকেই জেলের মধ্যে নিজস্ব ঢঙে শোরগোল ফেলে দিলেন। তখনই তার কাগজ-কলম চাই। চিঠি লিখবেন পুর কর্তৃপক্ষকে। জেল সুপারের তো তখন ‘ত্রাহি মধুসূদন!’ অবস্থা। যত যাই হোক লালু বলে কথা। তাকে শান্ত করা গেল কোনো ক্রমে। জেল কর্তৃপক্ষ তাকে বলেন, ‘আমরা আপনার অভিযোগ শুনেছি। তবে এ চিঠি কোনো বন্দি দিতে পারেন না।
আমরাই দিচ্ছি।’ এরপর অবশ্য আর দেরি হয়নি। মশা ও ছারপোকা মারার জন্য চিঠি যায় পুর কর্তৃপক্ষের কাছে। জেল কর্তৃপক্ষও বলে, ‘মঙ্গলবার রাত থেকে আর কোনো সমস্যা হবে না। আমরা মশা ও ছারপোকা মারার সব ব্যবস্থা করছি।’ গত দু’বছর ধরেই বন্দিরা এই ছারপোকা আর মশার উপদ্রবের কথা বলে আসছেন, কিন্তু বিশেষ পাত্তা দেননি জেলার। এবার লালু বলতেই নড়েচড়ে বসলেন তারা। তবে লালু আর সেই লালু নেই- তার সেই চেনা মেজাজও আর নেই। মোটেও ভালো যাচ্ছে না তার দিনকাল। গেঞ্জি আর পায়জামায় আছেন জেলে। যে সেলে আছেন, সেখানে আবার এয়ারকুলার নেই। ফ্যানের হাওয়াটা তাই মানিয়ে নিতে বেশ কষ্ট হচ্ছে। খাবারও সেই ডাল-রুটি- তাও মাপা ওজনের। জেলবন্দিরা নির্দিষ্ট পরিমাণেরই খাবার পান, নিয়ম তাই। লালুর জন্যও সেই আধপেটা নিয়মের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। ইন্ডিয়া টুডে, দ্য হিন্দু, হিন্দুস্তান টাইমস।

বিতর্কিত অধ্যাদেশ ইস্যুতে মনমোহন-রাহুল বৈঠক

দাগি সংসদ সদস্য ও বিধায়কদের বাঁচানোর অধ্যাদেশ নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের পর বুধবার প্রথম মুখোমুখি হলেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও কংগ্রেস সহসভাপতি রাহুল গান্ধী।
বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাসভবনে গিয়ে তার সঙ্গে বৈঠক করেন রাহুল। দু’জনের মধ্যে প্রায় ২৫ মিনিট আলোচনা হয়। অধ্যাদেশের ভাগ্য নির্ধারণে এ বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। খবর জিনিউজের। শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে মনমোহনের বৈঠকের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই দাগী সংসদ সদস্য বিধায়কদের বাঁচানোর অধ্যাদেশ নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন রাহুল। তিনি বলেছিলেন, তার ব্যক্তিগত মত হল ওই অধ্যাদেশ সম্পূর্ণ ‘ননসেন্স’। সেটিকে টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে ফেলারও কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের মধ্যে রাহুলের ওই মন্তব্য স্বাভাবিকভাবেই বিতর্কের ঝড় তোলে।
জানা যায়, ক্ষুব্ধ হন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও। মঙ্গলবার ফ্রাংকফুর্ট থেকে নয়া দিল্লি ফেরার বিমানে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশে ফিরে জানার চেষ্টা করব, ওই কথাটা ওইভাবে কেন বলতে হল।’ এদিকে রাহুলের সঙ্গে আলোচনার পর প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনেই বসছে কংগ্রেস কোর-গ্র“পের বৈঠক। প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও মনমোহন সিং বুধবার দেখা করবেন বলে জানা গেছে। দাগী জনপ্রতিনিধিদের বাঁচাতে কেন্দ্রের আনা অধ্যাদেশে এখনও সই করেননি প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জি। অধ্যাদেশ নিয়ে তিনিও কিছু প্রশ্ন তুলেছেন।