Thursday, October 17, 2019
বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যা: ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করাই কি সমাধান? by তাফসীর বাবু
দলীয় ছাত্র রাজনীতি'র প্রতি ক্ষোভ কেন?
পরিস্থিতি এরকম হওয়ার দায় কার?
সমাধান কী?
![]() |
| আবরার হত্যার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছিল বুয়েটসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাতদিনেই পৃথিবীর সাত আশ্চর্য ঘুরে দেখলেন ব্রিটিশ পর্যটক
ইউটিউব তারকা হিসেবে সায়মন উইলসনের পরিচিতি আছে। ইতালির রোমের কলোসিয়াম, মিসরের গিজার গ্রেট পিরামিড, জর্ডানের বিলুপ্ত নগরী পেত্রা, ব্রাজিলের ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার মূর্তি, মেক্সিকোর মায়া সভ্যতার বিস্ময়নগরী চিচেন ইৎজা, চীনের গ্রেট ওয়াল ও ভারতের তাজমহল ঘুরে দেখেছেন তিনি। এজন্য তার লেগেছে ছয় দিন, নয় ঘণ্টা, তিন মিনিট।
![]() |
| কলোসিয়ামে ব্রিটিশ পর্যটক সায়মন উইলসন |
ওয়েলসের রেক্সহাম শহরের বাসিন্দা সায়মনের অনলাইন ফলোয়ার প্রচুর। সাত আশ্চর্য দেখতে বের হওয়ার সময় ব্যাগে ক্যামেরার যন্ত্রপাতি, কয়েকটি থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট ও দুটি টি-শার্ট নিয়েছেন তিনি।
![]() |
| পিরামিডের সামনে ব্রিটিশ পর্যটক সায়মন উইলসন |
![]() |
| পেত্রা সবচেয়ে প্রিয় ব্রিটিশ এই ভ্রমণপ্রেমীর |
জর্ডানে ৪১ পাউন্ডের বিনিময়ে একটি গুহায় রাতে থাকার জায়গা ভাড়া নেন সায়মন। তার কথায়, ‘পেত্রা সবচেয়ে ভালো লেগেছে। এটি এককথায় চোখধাঁধানো। আর গুহায় আমার সেরা রাত কেটেছে বলবো।’
![]() |
| তাজমহলে তীব্র গরম ভুগিয়েছে এই ভ্রমণপিপাসুকে |
![]() |
| চীনের গ্রেট ওয়ালে পর্যটক সায়মন উইলসনের সেলফি |
![]() |
| চিচেন ইৎজার সামনে ব্রিটিশ এই ভ্রমণপ্রেমী |
![]() |
| ক্রাইস্ট দ্য রিডিমারে যাওয়ার মাধ্যমে অসম্ভবকে সম্ভব করলেন ব্রিটিশ এই পর্যটক |
প্রথম দিন: যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার থেকে কলোসিয়াম (১ হাজার ৩০০ মাইল)
দ্বিতীয় দিন: ইতালির রোম থেকে গিজার পিরামিড (১ হাজার ৪৬৮ মাইল)
তৃতীয় দিন: মিসর থেকে পেত্রা (৪৭০ মাইল)
চতুর্থ দিন: জর্ডান থেকে তাজমহল (২ হাজার ৫০০ মাইল)
পঞ্চম দিন: ভারতের দিল্লি থেকে গ্রেট ওয়াল (২ হাজার ২৭০ মাইল)
ষষ্ঠ দিন: চীনের বেইজিং থেকে চিচেন ইৎজা (৯ হাজার ৩৪০ মাইল)
সপ্তম দিন: মেক্সিকো থেকে ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার (৩ হাজার ৯০০ মাইল)
>>>সূত্র: মেইল অনলাইন ট্রাভেল
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাকে গোয়াল ঘরে পাঁচ মাস বেঁধে রাখে সন্তানরা by মো. মিজানুর রহমান

জানা যায়, পৈতৃক সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা হওয়ায় পর ছেলেদের কেউ বৃদ্ধা মায়ের যত্ন নিতে রাজি হয়নি। এ কারণে তাকে অবহেলায় গোয়াল ঘরে ফেলে রাখা হয়েছে। কোথাও যেন যেতে না পারেন সে কারণে কোমরে লোহার শেকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। ওই গোয়াল ঘরেই দিনে একবার তাকে খাবার দেয়া হতো।
স্থানীয় প্রতিবেশীরা জানায়, বয়সের ভারে কানে একটু কম শুনলেও খবিরুন্নেসা মানসিকভাবে স্বাভাবিক। বিগত পাঁচ মাস ধরে মা খবিরুন্নেসাকে (৭৫) গোয়াল ঘরে বিছানা পেতে গরু বাঁধার দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। একদিন দড়ি খুলে তিনি মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে ফের তাকে ছেলেরা ধরে আনেন।
পরে একই স্থানে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। শেকল বাঁধা অবস্থায় প্রায় পাঁচ মাস ধরে তিনি গোয়াল ঘরেই জীবনযাপন করছেন। প্রতিবেশী হুমায়ুন কবীর জানান, খবিরুন্নেসা দুই ছেলে ও তিন মেয়ের জননী। দুই বছর আগে স্বামী আবদুল হামিদ খান মারা যাওয়ার পর সহায় সম্পত্তি ছেলে-মেয়েরা ভাগ করে নেন। মা খবিরুন্নেসার ভরণপোষণ নিয়ে ছেলেদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে এক বৈঠকে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের সহায়তায় দুই ছেলে মিলে ভরণপোষণ করবে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু ছেলেদের কেউই ঠিকমতো মায়ের যত্ন নেননি। এছাড়াও রোগে খবিরুন্নেসার শারীরিক অবস্থারও অবনতি হতে থাকে। গত মঙ্গলবার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর বরগুনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওই বাড়িতে গিয়ে বৃদ্ধাকে উদ্ধার করেন। এসময় তাকে পোশাক ও টাকা দিয়ে মেয়ে তাসলিমার জিম্মায় দেয়া হয়। ছেলেরা তাকে গোয়ালঘরে রাখলেও এ বিষয়ে খবিরুন্নেসা বারবারই বলছিলেন, আমার পোলারা আপনাগো দোয়ায় মোরে ঠিকমত খাওন দাওন দেয়। হ্যারা অনেক ভালো। নানাভাবে জানতে চাইলেও ছেলেদের নিয়ে কোনো অভিযোগ করেননি ওই বৃদ্ধা মা। খবিরুন্নেসার ছোট ছেলে বাচ্চুকে এসময় ঘরে পাওয়া যায়। বাচ্চু জানান, তিনি মায়ের ঠিকমতই ভরণপোষণ করছেন। গোয়াল ঘরে কেন রাখলেন-জানতে চাইলে বাচ্চু বলেন, মায়ের মাথায় সমস্যা। আমি বাইরে কাজে ব্যস্ত থাকি। মা কোথায় কখন চলে যায় তাই বেঁধে রেখেছি। বড় ছেলে বাদলের স্ত্রী বেবি বলেন, তার শাশুড়ি মানসিক রোগী। সে কারণে তাকে ছেলেরা বেঁধে রেখেছেন। স্থানীয় গৌরিচন্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তানভীর হোসেন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে বৃদ্ধা খবিরুন্নেসাকে যথাসাধ্য সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়াও তার ভরণপোষণ যাতে নিশ্চিত করা হয় সে বিষয়ে ছেলেদের ডেকে তিনি ব্যবস্থা নেবেন। বরগুনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসেন বলেন, বিষয়টি চরম অমানবিক। এটি সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ছাড়া কিছু না। আমরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে উদ্ধার করে মেয়ে তাসলিমার জিম্মায় দিয়ে ছেলেদের ভরণপোষণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছি। এর ব্যত্যয় ঘটলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আয় নিয়ে অসন্তুষ্ট ৭০ শতাংশ শিক্ষক: গণসাক্ষরতা অভিযানের গবেষণা

গবেষণায় দেখা যায়, মাত্র ৮ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষক আয়ে খুবই সন্তুষ্ট ও ২০ দশমিক ৯ শতাংশ আয়ে সন্তুষ্ট। অর্থাৎ ৭০ দশমিক ৫ শতাংশ শিক্ষক তাদের আয়ে অসন্তুষ্ট। গবেষণায় আরো দেখা যায়, পেশা, ও প্রাপ্ত সম্মানী নিয়ে অসন্তুষ্ট ৭৩ দশমিক ৭ শতাংশ শিক্ষক।
পেশা ও প্রতিষ্ঠান নিয়ে সন্তুষ্ট কিন্তু সম্মানী নিয়ে সন্তুষ্ট নন এমন শিক্ষক রয়েছেন ৪৬ দশমিক ৪ শতাংশ। সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকদের মাসিক আয় গড়ে ৪৪ হাজার ৮১৭ টাকা। অনুদানপ্রাপ্ত বিদ্যালয়েরর শিক্ষকের আয় ২৩ হাজার ৮৩৬ টাকা ও অনুদানপ্রাপ্ত নয় এমন বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আয় ১১ হাজার ৭৫২ টাকা। অর্থ্যাৎ এতে আয় বৈষম্য প্রবল।
গবেষণায় অংশ নেয়া ৬৭ শতাংশ শিক্ষক দ্বিতীয় কোন পেশার সঙ্গে জড়িত। ২৩ দশমিক ৩ শতাংশ শিক্ষক কৃষিকাজ, ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ শিক্ষক গৃহকর্ম, ১১ দশমিক দশমিক ৩ শতাংশ গৃহশিক্ষকতা ও অন্যান্য পেশায় ১২ দশমিক ৯ শতাংশ শিক্ষক জড়িত।
রুটিন অনুসারে শিক্ষকদের সপ্তাহে গড়ে ২৩ দশমিক ৭ টি পিরিয়ডে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। যাতে মোট সময় লাগে ১৬ ঘণ্টা ১০ মিনিট। এক পঞ্চমাংশ শিক্ষক সপ্তাহে ১৮ বা তার চেয়ে কম সংখ্যক পিরিয়ড পরিচালনা করেন। আরেক পঞ্চমাংশ শিক্ষক সপ্তাহে ২৮টির বেশি পিরিয়ড পরিচালনা করেন। বাকি ৬০ শতাংশ শিক্ষক সপ্তাহে ১৯-২৭টি পিরিয়ড পরিচালনা করেন। এতোগুলো পিরিয়ড পরিচালনা করাকে শিক্ষকরা কাজের চাপ হিসেবে দেখছেন। ২১ দশমিক ৫ শতাংশ শিক্ষক কাজের চাপ কমানোর পক্ষে প্রস্তাব দেন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৪৩ দশমিক ৭ শতাংশ শিক্ষক বলেন, তারা নিজেরাই প্রশ্ন তৈরি করেন। শিক্ষক সমিতি থেকে প্রশ্ন ক্রয় করেন ৩৬ দশমিক ৮ শতাংশ শিক্ষক। খোলা বাজার থেকে প্রশ্ন ক্রয় করেন ১৪ দশমিক ৪ শতাংশ শিক্ষক। আর দুই তৃতীয়াংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রয়েছে অতিরিক্ত পাঠদান। ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ ও তথ্যপ্রযুক্তি ল্যাব। সরকারি বিদ্যালয়ে ৬৬ শতাংশ, বেসরকারি বিদ্যালয়ে ৪২ দশমিক ৭ শতাংশ, স্কুল ও কলেজে ৫৪ দশমিক ২ শতাংশ, দাখিল মাদ্রাসা ২৩ দশমিক ২ শতাংশ উচ্চতর মাদ্রাসা ৪০ দশমিক ৩ শতাংশ শ্রেণিকক্ষে মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করেন শিক্ষকরা। যার মোট পরিমাণ শতকরা ৩৯ দশমিক ৮ শতাংশ।
স্বনির্ধারণী পদ্ধতির শিক্ষকদের মধ্যে ১৫ শতাংশ দক্ষ, ৩৯ দশমিক ৮ শতাংশ পরিমিত দক্ষ, ২৭ দশমিক ৬ শতাংশ গড়পড়তা দক্ষ, ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ নিজেদের সীমিত পরিমাণে দক্ষ হিসেবে মূল্যায়ণ করেছেন। সামগ্রিকভাকে ২২ দশমিক ৪ শতাংশ শিক্ষক গৃহ শিক্ষকতার সঙ্গে জড়িত। তারা গড়ে ২৩ দশমিক ৩ জন শিক্ষার্থীকে পড়িয়ে থাকেন। এদের মধ্যে একেকজন শিক্ষক ১ জন থেকে শুরু করে ২৩০ জনকে পর্যন্ত পড়িয়ে থাকেন। এই শিক্ষকদের ৫৩ দশমিক ৮ শতাংশ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে পড়ান। এরমাঝে ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ শিক্ষক গাইডবই ব্যবহার করেন।
এই গবেষণার আলোকে তারা একটি সুপারিশমালা প্রদান করেছেন। যাতে বলা হয়, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের একটি উপযোগী মাত্রা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থী ৪০ ঃ ১ শিক্ষক এমন অনুপাতের বেশি বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। এছাড়া যেসব বিদ্যালয়ে শিক্ষক বেশি তাদের অন্যত্র সরিয়ে নিতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রশিক্ষিত শিক্ষক দ্বারা শ্রেণির কার্যক্রম পরিচালনা করার লক্ষ্য নিয়ে শিক্ষক প্রশিক্ষনের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বাৎসরিক পাঠদানের মূল্যায়ন করতে হবে। শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির প্রতি অধিকতর গুরুত্বারোপ করতে হবে। মাল্টিমিডিয়া শ্রেণি কক্ষে উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ দিতে হবে। শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, অবকাঠামো ও অন্যান্য সুবিধা সংক্রান্ত যেসব পার্থক্য রয়েছে সেগুলো দুর করার জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষকদের গ্রেড পরিবর্তনের সঙ্গে পদবীর পরিবর্তন করতে হবে। শিক্ষক সমিতির ভূমিকা পর্যালোচনা করার বিষয়টি মাধ্যমিক শিক্ষক সমাজের গুরত্বসহকারে ভাবা জরুরি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তিনি বলেন, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রণীত পাঠ্যবইয়ে সমস্যা শিক্ষার্থীর নিজের পক্ষে ৫ থেকে ৭ শতাংশের বেশি সমাধান করা সম্ভব নয়। যার ফলে তাদের শিক্ষকদের ওপর নির্ভরশীল হতে হয় তাদের। আর এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়ানো ও সহায়ক গ্রন্থ বাণিজ্য শুরু করেন তারা। গণসাক্ষরকতা ও ব্র্যাকের উদ্যোগে এই গবেষণায় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এসডিজি বাস্তবায়ন বিষয়ক মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য আমাদের প্রতিষ্ঠানের সীমবদ্ধতা আছে তারপরেও তারা চাইলে তারা আন্তরিকতা প্রদর্শন করলে আরো ভালোভাবে শিক্ষা দান করতে পারেন।
গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গণসাক্ষরতা অভিযানের ভাইস চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অভিজিৎ ব্যানার্জীর নোবেল পুরস্কারঃ উচ্ছ্বাস নেই বিজেপির, মোদীর সাদামাটা টুইট by অমিতাভ ভট্টশালী
![]() |
| অভিজিৎ ব্যানার্জী: ভারতের বর্তমান সরকারের অনেক নীতির সমালোচনা করেছেন |
![]() |
| দারিদ্র বিমোচনে তাদের কাজের জন্য অর্থনীতিতে নোবেল জিতেছেন এসথার ডুফলো-অভিজিৎ ব্যানার্জী দম্পতি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়ার দিকে ঝুঁকছে সৌদি আরব? by মাহাদী হাসান

একদিনের রাষ্ট্রীয় সফরের অংশ হিসেবে সোমবার সৌদি আরব পৌঁছান রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বিগত ১২ বছরে এটি তার প্রথম সৌদি সফর। সর্বশেষ ২০০৭ সালে সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। রুশ প্রেসিডেন্টের বিরল এই সফর নিয়ে তাই শুরু হয়েছে আলোচনা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও বিশেষজ্ঞরা একে বিশ্লেষণ করছে দুই পক্ষের দ্বিপাক্ষিক স্বার্থরক্ষার পদক্ষেপ হিসেবে।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার সৌদি সফরে এসে পুতিন দেশটির বাদশা সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট আগে থেকেই এ দুজনের সঙ্গে তার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে বলেও দাবি করে আসছিলেন। সোমবার টেলিভিশনে দেওয়া মন্তব্যে পুতিন ও সৌদি বাদশা সালমান দুজনই আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। বৈঠক শেষে পুতিন বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গঠনকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন তিনি। আর সৌদি বাদশা সালমান বিন আব্দুল আজিজ বলেন, ‘আমরা সন্ত্রাসবাদের লড়াইয়ে এবং নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা অর্জনে রাশিয়ার সঙ্গে কাজ করার কথা ভাবছি। এদিন সৌদি তেল-বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আজিজ বিন সালমান দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি, পেট্রোকেমিক্যাল, পরিবহন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত চুক্তিসহ ২০টি সমঝোতা চুক্তির নেতৃত্ব দেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা বলছে, রাশিয়া ও সৌদি আরবের মধ্যকার সোমবারের বৈঠক দুই দেশের জোরালো সম্পর্কেরই ইঙ্গিত।
ঐতিহাসিকভাবেই সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় প্রভাব বিদ্যমান। বিশেষ করে নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার প্রশ্নে। তবে রুশ বার্তা সংস্থা আরটির মতে, রাশিয়া তা আমলে নেয়নি। বরং সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক সুসম্পর্কের কথা বলছে ওই সংবাদমাধ্যম। আরটির প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে খুবই আন্তরিকভাবে কথা বলতে দেখা গেছে পুতিনকে। তাছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বৈঠকে যুবরাজ ও সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজের ব্যাপারে তার ব্যক্তিগত সমর্থনের কথা জানিয়েছেন পুতিন।
রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনায় যৌথ বিনিয়োগের পাশাপাশি সিরিয়া ও ইয়েমেনে সংঘাতের বিষয়গুলো স্থান পেয়েছে জানিয়ে যুবরাজ মোহাম্মদ বলেছেন, জ্বালানি খাতে সৌদি আরব ও রাশিয়ার সহযোগিতা স্থিতিশীলতা অর্জনে ভূমিকা রাখতে পারে। বিশ্লেষকদের ধারণা, তেলের বাজারের একসময়ের প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিয়ার সঙ্গে ওপেকের প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরব অপরিশোধিত জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রাখতে যখন থেকে ওপেক প্লাস জোটের সূচনা করেছিল, তখন থেকেই এ খাতে দুই দেশের সম্পর্ক ভালো হতে শুরু করে। আরটি জানিয়েছে, দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে ২০১৮ সাল থেকে ১৫ শতাংশ বেড়ে ৩৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যৌথভাবে ১০০ কোটি ডলারের তেল স্থাপনা করার কথা রয়েছে তাদের। এছাড়াও চলতি সপ্তাহে আসতে পারে আরও বেশ কিছু চুক্তির ঘোষণা।
যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রকাশ্য শত্রু’র সবচেয়ে বড় মিত্রই হচ্ছে রাশিয়া। সৌদি আরবের সঙ্গেও চিরবৈরিতা ইরানের। গত মাসে সৌদি আরবে দুটি তেল স্থাপনায় হামলার জন্য তেহরানকেই দায়ী করে রিয়াদ। ইরানি আগ্রাসন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সেনা মোতায়েনেরও অনুমিত দিয়েছে তারা। ইয়েমেন ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সামরিক লড়াই চলছে সৌদি আরবের। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধেও সৌদি আরবের অবস্থান ইরান ও রাশিয়ার বিপরীত। তা সত্ত্বেও ২০ বছরে আগের চেয়ে এখন সৌদি আরবের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক ভালো। পুতিন যখন দায়িত্ব নেয় তখন রাশিয়া অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত। বিশ্বমঞ্চে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেয়ে অভ্যন্তরীণ সংকট কাটাতেই তখন হিমশিম খাচ্ছিলো দেশটি। সেখান থেকে দেশকে টেনে তোলেন ভ্লাদিমির পুতিন। এখন পরিস্থিতি অনেকটাই আলাদা। সিরিয়ায় দুই দেশ ছায়াযুদ্ধে লিপ্ত থাকলেও ২০১৭ সালে ঠিকই মস্কো সফর করেন সৌদি যুবরাজ বিন সালমান। আরটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে রাশিয়ার অবস্থান ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে এবং সৌদি আরবও এখন নতুন এই শক্তির সঙ্গে এক হতে চাইছে। সিরিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে কাজ করা সংগঠন নোসোসের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আম্মার ওয়াকাফ বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে রুশ প্রভাবে পরিবর্তন এসেছে। আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রভাব এখন তাদের। তাই অনেক প্রথাগত মার্কিন মিত্র দেশগুলো রাশিয়ার দিকে ঝুঁকছে এবং এই অঞ্চলে তাদের গ্রহণ করছে।
বিশেষ করে সৌদি আরবের ব্যাপারটি উল্লেখযোগ্য। তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ওপেকে তাদের অংশীদারিত্ব বাড়ছে। পুতিনও সেখানে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। ওয়াকাফ বলেন, তেল ও গ্যাস সহযোগিতা ছাড়াও অনেক দেশ রাশিয়ার দিকে ঝুঁকে পড়ার মূল কারণ তাদের অস্ত্র। তবে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সাংবাদিক ও লেখক আলি রিজক বলেন, রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ সৌদি আরব কিনবে কিনা তা এখনই বলা সম্ভব নয়। সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাষ্ট্র ও কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হয়েছে সৌদি আরবের। তাই রুশ অস্ত্র কিনে দূরত্ব আরও বাড়াবে বলে মনে করেন না তিনি।
মস্কোর হাইয়ার স্কুল অব ইকোনমিকস-এর প্রভাষক গ্রেগরি লুকিয়ানো বলেন, রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনতে গেলে সৌদি আরবের পুরো প্রবাহই পাল্টাতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বদলে রুশ যন্ত্রপাতি নিতে হবে। তিনি বলেন, ‘এটা হয়তো খুব ব্যয়সাপেক্ষ নয়, তবে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। আমার মনে হয় না সৌদি আরব এখন এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
তবে সৌদি আরবের ভাষ্য অন্যরকম। সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তা আদেল আল জুবায়ের রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমাদের মনে হয় না রাশিয়ার সঙ্গে ভালো সম্পর্কের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে কোনও প্রভাভ ফেলবে। আমরা বিশ্বাস করি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শক্তিশালী ও কৌশলগত সম্পর্ক থাকার পরও আমরা রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতেই পারি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিয়া-বাবুদের মেগাসিটি এবং চাষা-ভূষার গাঁয়ের রাস্তার গল্প by রাশেদ মেহেদী

অতএব গাঁয়ের বাবুরা সিদ্ধান্ত নিলেন, গাঁয়ের চাষা-ভূষারা আর রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারবে না। তাদের চলতে হবে ক্ষেতের আল দিয়ে। ছেলে হোক, বুড়ো হোক, মর মর রোগী হোক চাষা-ভুষারা কীভাবে চলাচল করবে, মরবে না বাঁচবে, সেটা ভদ্রলোক মিয়া বাবুদের দেখার বিষয় নয়। তবে এই চাষা-ভূষাদের ঠিকঠাক মত বাড়তি খাজনা দিতে হবে, কোন ছাড় নয়!
ঢাকার রাস্তায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার দিকে তাকালে কোনো এক গাঁয়ের মিয়া-বাবুদের এই গল্পটার সঙ্গে বেশ মিল খুঁজে পাওয়া যাবে। এবার ঢাকার রাস্তা থেকেই উদাহরণ দেই। আপনি ঢাকায় বাস করলে বনানী-মহাখালীর প্রতিদিনের ভয়াবহ যানজটের অভিজ্ঞতার কথা নিশ্চয় জানেন। দেখুন নৌবাহিনী সদরদফতরের সামনে থেকে চেয়ারম্যান বাড়ি পর্যন্ত মাত্র এক থেকে দেড় কিলোমিটার সড়কের মধ্যে পাঁচটি ইন্টার ক্রসিং। প্রত্যেকটা ক্রসিং এ এলাকার অভিজাত মিয়া-বাবুদের গাড়ি চলাচলের প্রয়োজনে। এর চাপে পড়ে চাষা-ভূষা নিম্ন আয়ের মানুষ গাদগাদি সিটের বাসে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্যামে আটকে ঘামতে থাকেন। এখানে অবস্থাটা এমন দাঁড়িয়েছে যে, মিয়া-বাবুদের উপায় নাই। তাদের চকচক গাড়িও জ্যামে আটকে থাকে। তবে বাবুরা এসি গাড়িতে বসে ঠাণ্ডা হাওয়ায় দামি স্মার্টফোনে পরিচিত কারও সঙ্গে খোশ গল্প করে সময় কাটান বলে এই যানজটটা খুব একটা গায়ে লাগে না! আর এটা তাদের এলাকা, বাড়ির কাছে এসে একটু রাস্তায় বসে থাকলে সমস্যা কী? অথচ দেখুন, একটু দূরে যেখানে বেশিরভাগ চাষা-ভুষা মানুষ থাকেন সেই খিলক্ষেত এলাকার মানুষকে জরুরি প্রয়োজনে গাড়ি ব্যবহার করলে রাস্তার এ পাশ থেকে ওপাশে যেতে তিন কিলোমিটার দূরে বিমানবন্দরের কাছাকাছি এলাকা থেকে ইউটার্ন নিতে হয়। কুড়িল বিশ্বরোডের পর একেবারে কাওলা, এর মধ্যে কোনো ইউটার্ন নেওয়ার জায়গা নেই। এটাই হওয়া উচিত। কমপক্ষে দুই কিলোমটারের মধ্যে কোনো ইন্টার ক্রসিং থাকবে না। কিন্তু বনানী-গুলশানের বাসিন্দা বড় বাবুরা সেটা মানেন না। তারা নিজেদের বাড়ির দরজার সামনে পারলে একটা করে ইন্টার ক্রসিং বসিয়ে দেন! যেমন ধরুন বনানী ১১ নম্বর সড়কের শেষ মাথায় এক ইন্টার ক্রসিং এর পর মাত্র তিন-চার গজ দূরে আর একটা অপ্রয়োজনীয় ইন্টার ক্রসিং শুধুমাত্র পানি উন্নয়ন বোর্ডের কলোনিতে থাকা কয়েকজনের সুবিধার জন্য!
বনানী এলাকার আর একটা বাস্তবতা বিবর্জিত পদক্ষেপের কথা বলি। এখানে কাকলি ইন্টার ক্রসিংয়ের আগে প্রায় ৩০০ মিটার দূর থেকে রডের বেড়া দেওয়া হয়েছে ফুটপাত ঘিরে। সেখানে উত্তর সিটি করপোরেশনের সাইনবোর্ড 'এখানে বাস থামিবে না'। অথচ এই কাকলি মোড়ে ত্রিভুজ ইন্টারক্রসিংয়ে প্রতিটি ট্রাফিক সিগন্যালে যানবাহনগুলোকে কমপক্ষে ৯ মিনিট দাঁড়াতে হয়। এখন আপনিই বলুন, যেখানে একটি সিগন্যালে বাসকে কমপক্ষে ৯ মিনিট দাঁড়াতে হয় সেখানে 'বাস থামিবে না' নোটিশ কতটা হাস্যকর! আর এখানে দীর্ঘ ট্রাফিক সিগন্যালের কারণে যাত্রীদের ওঠা-নামা করতেই হয়। কিন্তু বাস থেকে নেমেই মোটা রডের বেড়া। ফুটপাতে ওঠার সুযোগ নেই। অতএব জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলতে হয়। এরপর ক্রসিং পার হয়ে একটা বাস বে আছে বটে, কিন্তু সেটা অত্যন্ত স্বল্প পরিসরে। এখানে যদি সব বাস দাঁড়ায় তাহলে যে যানজট হবে তাতে কাকলি ইন্টার ক্রসিংয়ের প্রতিটি সিগন্যালের দৈর্ঘ্য কমপক্ষে আধঘণ্টার বেশি হবে। বিশ্বাস না হলে রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে যে ট্রাফিক পুলিশরা রাস্তায় দায়িত্বপালন করছেন, তাদের জিজ্ঞেস করুন। এখানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ঘন ঘন বিদেশ ভ্রমণ করা মিয়া-বাবু কর্মকর্তারা চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়ে সাধারণ বাসযাত্রীদের ওঠা-নামা চরম ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছেন। দীর্ঘ বেড়ার ফাঁকে দু'একটা কাটা রেখে ফুটপাতে ওঠার জায়গা করে দিলেই কিন্তু ঝুঁকিটা কমে যায়, উত্তর সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা সেটা বেঝেন না! কোনোদিন যখন বড় একট দুর্ঘটনা ঘটবে, নিরীহ মানুষের জীবন যাবে, তখন হয়ত মেয়র এসে বলবেন, এখনই ব্যবস্থা নিচ্ছি। সময়ত তারা ব্যবস্থা নেওয়ার সময় পান না! কিংবা তারা কি আদৌ কখনও এ এলাকায় সারা জীবনে এসেছেন– এ প্রশ্নটাও করা যায়।
এটাই ঢাকার সড়ক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে যুক্ত থাকা কর্তৃপক্ষগুলোর বাস্তবতা। তারা বাস্তব অবস্থা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেন না। দেখুন ঢাকায় বর্তমানে প্রায় ১৭৬টি বাসের রুট। মাত্র তিনটি প্রধান সড়ক যে শহরে সেখানে ১৭৬টি রুট হয় কোন বাস্তবতায়? অথচ ঢাকার প্রশাসন এটা করেছে! এই ১৭৬টি রুট মূলত শেষ মাথায় বিভিন্ন অলি-গলিতে বিভক্ত করে করা হয়েছে। কিন্তু প্রধান সড়ক এবং রুট কিন্তু একটাই ব্যবহার করছে গাড়িগুলো। যেমন ধরুন মিরপুর ১০-১১-১২ নম্বর থেকে প্রায় ১০টি রুটে গাড়ি চলে উত্তরা-গাজীপুরের ভেতর। উত্তরায় গিয়ে কোনো গাড়ি দিয়াবাড়ি, কোনো গাড়ি আব্দুল্লাহপুর, কোনো গাড়ি স্লুইস গেট, কোনো গাড়ি টঙ্গী, কোনো গাড়ি গাজীপুর পর্যন্ত চলাচল করছে। এখন প্রত্যেকটি গাড়িকে কিন্তু যাত্রপথে জনবহুল এলাকা কুড়িল বিশ্বরোড, খিলক্ষেত এবং উত্তরার মূল এলাকা জসীমউদ্দিন, রাজলক্ষ্মী, আজমপুর, হাউজবিল্ডিং হয়ে যেতে হয়। সর্বশেষ গন্তব্যের চেয়ে মাঝ পথের এসব এলাকার যাত্রীই বেশি। ফলে বাসগুলোর রুটের সর্বশেষ গন্তব্য যাই হোক, তারা মাঝখানের জনবহুল এলকার জন্য যাত্রী বেশি পায় এবং যাত্রী নেওয়ার জন্য চালকরা পাগল প্রায় হয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করে। এখন বাসে বাসে প্রতিযোগিতার জন্য দায়ী কে? সেই কর্তৃপক্ষ যারা ঢাকার ভেতরে বাসের রুট পারমিট দেয়। ঢাকার বাস সার্ভিসে মূল বিশৃঙ্খলার জন্য দায়, বাসে বাসে প্রতিযোগিতায় নিরীহ মানুষের মর্মান্তিকভাবে নিহত হওয়ার কিংবা পঙ্গু হওয়ার জন্য দায়ী এই কর্তৃপক্ষটিই।
ঢাকায় মিনিবাসগুলোর মডেলও হাস্যকর। এখানে ৩০ আসনের বাসে ৫০টির বেশী আসন গাদাগাদি করে বসানো আছে। আর বাসে মেয়েদের আসন চালকের পাশে ইঞ্জিন কভারের সামনে। এ অংশে আসন বসানো অবৈধ। অথচ এখানে ঝুঁকিপূর্ণ আসন বসিয়ে বছরের পর বছর ধরে নারীদের চলতে বাধ্য হতে হচ্ছে। এসব ফালতু মডেলের বাস ঢাকায় কেন চলবে? বিশ্বের বেশির ভাগ মেগাসিটিতে দুই ধরনের বাস চলে। ডাবল ডেকার এবং লম্বা বড় বাস যেখানে একসঙ্গে অনেক যাত্রী যেতে পারে। ঢাকার প্রধান তিনটি সড়কে ৯ থেকে ১০টি রুট করে প্রতি রুটে ৫০ থেকে ৬০টি এসি বাস এবং একশ' থেকে দেড়শ' ভালো মানের ডাবল ডেকার দিলেই যানজট সমস্যা এবং বাস সংকট ও বিশৃঙ্খলা– তিনটিই অনেকটা সহনীয় করা সম্ভব সহজ উপায়ে। ঢাকায় ভালো এবং আধুনিক মানের বাস সার্ভিস চালুর কোনো উদ্যোগ কখনও নেওয়া হয়েছে? নেওয়া হয়নি। বরং গত ১০ বছরে ঢাকায় এক সময়ের নিরাপদ, রোড স্টার, প্রিমিয়াস বাস, বিআরটিসির দোতলা ভলভো বাস সার্ভিস তুলে দিয়ে তার পরিবর্তে সেখানে পুরনো আমলের সেই নোংরা ফালতু মডেলের মিনিবাস চলাচলই অনুমোদন করা হয়েছে এবং হচ্ছে, কার স্বার্থে?
ঢাকাসহ সারাদেশের বাস সার্ভিস একটা মাফিয়া সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে সেটা সবাই জানেন। কারা মাফিয়া, তার সর্দারকে, তার পৃষ্ঠপোষককে সবাই খুব ভাল করে জানেন। গণপরিবহন খাত মূলত এই মাফিয়া সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গডফাদার-ক্যাডার ব্যবস্থায় পরিচালিত হচ্ছে। মালিক-শ্রমিক নির্ভর শিল্প ব্যবস্থা গণপরিবহন ব্যবস্থায় নেই। গণপরিবহন ব্যবস্থা মাফিয়া সিন্ডিকেট মুক্ত করতে কোনো ব্যবস্থা কি নেওয়া হয়েছে? ঢাকার কোনো বাসে এখন টিকেট দেওয়া হয় না। আগে দেওয়া হত। মাফিয়া সিন্ডিকেট টিকেটের বিরুদ্ধে। তারা টিকেট না দিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে গায়ের জোরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। ঢাকায় বিকাশ পরিবহন-ভিআইপি পরিবহন নামে 'সিটিং সার্ভিস' নামধারী লোকাল বাস আছে, যার সর্বনিম্ন ভাড়া ৪০ টাকা। এদের কথা সবাই জানে। কিন্তু ঢাকার কোনো প্রশাসন কি এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পেরেছে? ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন মাঝে মধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে হুঙ্কার ছাড়েন– ওমুখ তারিখ থেকে ঢাকায় কাউন্টার সার্ভিস, টিকেট সার্ভিস বাস চালু হবে। এ রকম প্রায় ডজনখানে তারিখ চলে গেছে, মেয়র সাহেব কিছুই করতে পারেননি। ভবিষ্যতেও পারবেন– সে আস্থা আমজনতার নেই।
আসুন প্রগতি সরণীর উদাহরণ দেখে রিকশা তুলে দেওয়ার প্রসঙ্গটি বিবেচনা করে দেখি। প্রগতি সরণীর সড়ক কিন্তু অনেক বড়। কিন্তু ফুটপাত থেকে শুরু করে রাস্তার দু'পাশে নানা কায়দায় দখল। দোকানের মালামাল, গাড়ির গ্যারেজ। এই সড়কে চলাচল করা বাসগুলো চলে বেওয়ারিশ ষাঁড়ের মত। রাস্তার মাঝখানে তিন-চারটা বাস একটা আরেকটার আগে গলা বাড়িয়ে যাত্রী ওঠা-নামা করাচ্ছে। আর পেছনে বিশাল যানজট লেগে যাচ্ছে, ট্রাফিক পুলিশ দাঁড়িয়ে দেখছে অনেকটা অসহায়ের মত। আপনি যমুনা ফিউচার পার্কের আগে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার উল্টোদিকে কয়েক মিনিট দাঁড়ালেই বুঝবেন পরিবহন ক্যাডারদের কী ভয়াবহ রাস্তা দখলের দৌরাত্ম্য। রাস্তা দখল করে যাত্রী ওঠা-নামা করার কারণেই এখানে নদ্দা ছাড়িয়ে যানজট বিস্তৃত হয়ে কখনও কখনও নতুন বাজারে গিয়ে ঠেকে। এই যানজটের জন্য রিকশা নয়, বিশৃঙ্খল বাস চলাচল আর ত্রুটিপূর্ণ ট্রাফিক চলাচল ব্যবস্থা দায়ী।
দেখুন কর্তৃপক্ষ, প্রশাসন কিংবা সরকার ভালো করেই জানে রাস্তায় দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন, সবাই তো নিজেদেরই ভাই-ব্রাদার। বেপরোয়া ও বিশৃঙ্খল বাস চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না, কারণ মাফিয়া সিন্ডিকেট কখন কোন চাল দিয়ে বেকায়দায় ফেলে দেয়! অতএব রিকশাওয়ালাদের তুলে দেওয়াটাই সবচেয়ে সহজ। এরা তো আর নিজেদের ভাই-ব্রাদারও না, মাফিয়াও না, কয়েকদিন চেঁচামেচি করবে। তারপর সব ঠিক হয়ে যাবে।
গুলশান-বনানী হলেও কথা ছিল, গ্রগতি সরণীর মত গড় পড়তা মানুষের এলাকার রাস্তায় ভদ্রলোকের গাড়ি দীর্ঘ সময় জ্যামে আটকে থাকবে, এটা কি হয় নাকি? পাশ দিয়ে রিকশা গেলে গাড়ির ভেতরে সুগন্ধময় ঠাণ্ডার ভেতরেও কেমন পচা ঘামের দুর্গন্ধ পাওয়া যায়! এটা মেনে নেওয়া যায় না। আর রিকশাওয়ালাদের তুলে দিলে সমস্যা নেই। এতে তো ভদ্রলোকদের সমস্যা হবে না। তাদের গাড়ি আছে। মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত ক্যাডারদের বাস সার্ভিসে চলতে পারলে চলুক, না হলে যেমনে চলে চলুক।
টেলিভিশনের টক শোকে দেখলাম কয়েকজন তারকা বক্তা বলছেন, এর আগে অনেক জায়গায় রিকশা তুলে দেওয়া হয়েছে, তাই বলে কী নিম্ন আয়ের মানুষের ছেলেমেয়েদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ থেকেছে? এই তারকা বক্তা জানেন না, ঢাকার ভয়াবহ বিশৃঙ্খল বাস সার্ভিসে উঠলে একজন সুস্থ মানুষ অসুস্থ হয়ে যান, তারপরও তারা চলছেন। কিন্তু এই চলাটাই চলা নয়। মেগাসটিতে রিকশা চলে না ঠিক আছে, আগে ঢাকাকে সত্যিকারের মেগা সিটি বানান, তারপর অন্যসব বুলি আওড়ান। কয়েকটি ফ্লাইওভার বানালেই একটি বিশৃঙ্খল, জরাজীর্ণ শহর মেগাসিটি হয়ে যায় না। চোখের সামনে মগবাজার ফ্লাইওভারের চেহারা দেখেও কি 'ফ্লাইওভার উন্নয়নে'র বাস্তবতাটা বুঝতে পারছেন না?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবরার হত্যা: সেই বড় ভাই কারা

জুনিয়ররা তা পালন করেন। আবরার হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের আশ্বাস দেয়া হয়েছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং তদন্ত কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে যাদের নির্দেশে আবরারকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে সেই বড় ভাইদের কী তদন্তের আওতায় আনা হবে? সেই নির্দেশদাতা কারা এটিও প্রকাশ্যে আনার দাবি উঠেছে।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি মনিরুজ্জামান মনির আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে নির্দেশদাতা বড় ভাইদের কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ১৫ ব্যাচের বড় ভাইদের নির্দেশে আবরারকে ডাকা হয়েছিল। ২০১১ নম্বর রুমে নেয়ার পর তাকে জেরা করা হয়। ওই সময়ে অনিক ও সকাল আবরারকে অনেক মারধর করে। মনির নিজেও আবরারকে চড় থাপ্পর দিয়েছেন বলে স্বীকার করেন। এদিকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত অমিত সাহা আদালতে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, বুয়েটের ট্র্যাডিশনই হচ্ছে উপরের (সিনিয়রদের) অর্ডার আসলে তা মানা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আরেক আসামি মেহেদী হাসান রবিন বলেন, বড় ভাইয়ের নির্দেশ মেনে আবরারকে সেই রাতে বেদম প্রহার করি। বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৫তম ব্যাচের ছাত্র রবিন বুয়েট ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তিনিই প্রথম আবরারকে আঘাত করেন। এদিকে গ্রেপ্তার আরেক শিক্ষার্থী এ এস এম নাজমুস সাদাতকে গতকাল আদালতের মাধ্যমে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।
আদালতে নেয়া হলে সাদাত সাংবাদিকদের জানান, আবরারকে অনিক সরকার, সকাল, মোজাহিদ ও মনিরসহ ১৫ ও ১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা বেশি মারছে। আবরার পানি খাইতে চাইলে পানি দেয়া হয়নি। আমরা ভাইদের বলেছিলাম হাসপাতালে নিয়ে যেতে। তারা নিয়ে যেতে দেয়নি। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে নাজমুস সাদাতকে আদালতে হাজির করেন। বিচারক মোর্শেদ আল মামুন ভূইয়া শুনানি শেষে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মঙ্গলবার দিনাজপুর জেলার বিরামপুর থানার কাঠলাবাজার এলাকা থেকে রাত সাড়ে ৩টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের ১৭তম ব্যাচের এই শিক্ষার্থী জয়পুরহাটের কালাই থানার কালাই উত্তরপাড়ার হাফিজুর রহমানের ছেলে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাউন্সিলর পদ ব্যবহার করে গডফাদার by রুদ্র মিজান

অল্পদিনেই আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন। রাজধানীর বুকে একাধিক বাড়ি-গাড়ির মালিক। দেশে-বিদেশে জমিয়েছেন কাড়ি কাড়ি টাকা। দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই সন্ত্রাস, মাদক ও জবর-দখলের রাজ্য গড়ে তোললেও তারা রয়েছেন বহাল তবিয়তে। সম্প্রতি ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরের নাম এখন আলোচনায়। জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। অন্তত এক ডজন কাউন্সিলর গ্রেপ্তার এড়াতে এলাকা ছাড়া। আবার কেউ এলাকায় থাকলেও প্রকাশ্যে আসছেন না। ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের শুরুতেই আলোচনায় আসেন দক্ষিণ সিটির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদ। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক এই কাউন্সিলরকে দেখে বুঝার উপায় নেই তিনি কতোটা ভয়ঙ্কর হতে পারেন। মুখ ভরা দাড়ি। বিলাসবহুল গাড়িতে চড়তেন তিনি। এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসেবে থানা পুলিশ থেকে সরকারি কর্মকর্তারা সবাই তাকে সমীহ করতেন। এই পরিচয়কে ব্যবহার করতেন ভিন্নভাবে। তার রয়েছে শতাধিক ক্যাডার। মতিঝিল, আরমবাগ, কমলাপুর এলাকায় বাড়ি নির্মাণ করতে গেলেই তাকে দিতে হতো মোটা অঙ্কের চাঁদা।
কাউন্সিলর সাঈদকে চাঁদা না দিয়ে ভবন নির্মাণ করা দুষ্কর ওই এলাকায়। আরামবাগে সরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের গেস্ট হাউজ নির্মাণ করতে গেলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি করেন সাঈদ। ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানান, দাবিকৃত চাঁদা না দেয়ায় কাজ বন্ধ করে দেয় সাঈদের সন্ত্রাসীরা। প্রায় এক বছর কাজ বন্ধ ছিলো। সম্প্রতি ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান শুরু হলে আত্মগোপনে যায় সাঈদ। আরামবাগের ওই ভবনে গিয়ে দেখা গেছে, নির্মাণ শ্রমিকরা কাজে ব্যস্ত। কথা হয় নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্য ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে। নাম প্রকাশ না করে তারা জানান, ঠিকাদারের কাছে চাঁদা চেয়েছিলো সন্ত্রাসীরা। এটা নিয়ে সমস্যা ছিলো। এখন কোনো সমস্যা নেই। ওই এলাকায় ভবন নির্মাণ করতে গেলেই সাঈদকে দিতে হতো চাঁদা অথবা ফ্ল্যাট। মতিঝিল এলাকার ফুটপাত থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে তার লোকজন। টাকা না দিলে তোলে দেয়া হয় দোকান। আবার ফুটপাত উচ্ছেদ করতে গেলেও সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের রুখে দিতেন তিনি। ঢাকার অপরাধ জগতের বাদশা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের ঘনিষ্ঠজন সাঈদ। সম্রাটের ক্যাসিনো ব্যবসা দেখভাল করতেন সাঈদ। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, সাঈদের টাকা রয়েছে বিদেশের ব্যাংকেও। অস্ট্রেলিয়ার একটি ব্যাংকে টাকা রাখেন তিনি। সিঙ্গাপুরেও তার সম্পত্তি রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই দুটি দেশে বেশি যাতায়াত তার। বর্তমানেও সিঙ্গাপুরে রয়েছে সাঈদ। অল্প দিনে আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়া সাঈদ তার নিজ বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থেকে ২০০২ সালে ঢাকায় আসেন। মতিঝিলের দিলকুশার ফুটপাতে দোকান দেন। ২০০৯ সাল থেকে থেকে সক্রিয় হন যুবলীগের রাজনীতিতে।
তারপর রাতারাতি অপরাধ সাম্রাজ্যে পা দিয়ে উত্থান ঘটেছে তার। ওই এলাকার আরেক ভয়ঙ্কর কাউন্সিলর মোস্তফা জামান পপি। তিনি ঢাকা দক্ষিণের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে তালিকাভূক্ত। পল্টন এলাকায় তার নাম শুনলেই ভয় পায় সাধারণ মানুষ। ফুটপাত, মাদক, জবর-দখল, ক্যাসিনো সবকিছুতেই রয়েছে তার প্রভাব। কাউন্সিলর সাঈদের সঙ্গেও ছিল তার সখ্যতা। ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকে পপি এখন এলাকাছাড়া। মোহাম্মদপুর, আদাবর, মিরপুর এলাকায় মাদক ব্যবসার মূল হোতা ইসতিয়াক। নির্বিঘ্নে এই ব্যবসা পরিচালনার রহস্যের নাম হাবিবুর রহমান মিজান। তিনি ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। নিয়মিত মাসোহারা নিতেন ইসতিয়াকের কাছ থেকে। বিনিময়ে ওই এলাকায় মাদক ব্যবসা করার অবাধ সুযোগ তৈরি করে দিতেন মিজান। আছে জবর-দখল, ক্যাসিনো বাণিজ্যের অভিযোগ। ১৯৮৯ সালে ঝালকাঠি থেকে ঢাকায় এসে ছিনতাইয়ে জড়িয়ে যান হাবিবুর রহমান মিজান। তারপর যুবলীগের রাজনীতিতে মিশে একসময় জনপ্রতিনিধি হয়ে যান তিনি। কাড়ি কাড়ি টাকার মালিক এখন এই মিজান। বিদেশে রয়েছে বাড়ি-গাড়ি, ব্যাংক ব্যালেন্স। তাকে সম্প্রতি গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। মোহাম্মদপুর এলাকায় পাগলা মিজান হিসেবে পরিচিত এ কাউন্সিলর এতোদিন কাউকে পরোয়া করতেন না। এলাকায় তার ভয়ে দলীয় নেতাকর্মীরাও তটস্থ থাকতেন। কাউন্সিলর শব্দে ঢাকা পড়েছে অনেকের ভয়ঙ্কর সব অপকর্ম। তেমনি একজন কাউন্সিলর রয়েছে ঢাকা দক্ষিণে সিটি করপোরেশনের মোহাম্মদপুর এলাকার।
স্বাধীনতার পর জনতা ব্যাংক ডাকাতি করার অভিযোগ ছিলো তার বিরুদ্ধে। ধানমন্ডি এলাকায় যারা প্রথম ক্যাসিনো বাণিজ্যের শুরু করেন এই কাউন্সিলর তাদের একজন। এলাকায় নানা অপকর্মের হোতা এই কাউন্সিলরের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পান না। জাতীয় পার্টির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এই কাউন্সিলর চলাফেরা করেন আওয়ামী লীগের ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের সঙ্গে। পাশ্ববর্তী এলাকার আরেক কাউন্সিলর রয়েছেন যিনি ক্যাসিনো থেকে শুরু করে জবর দখলের হোতা। অবৈধভাবে কাড়ি কাড়ি টাকার মালিক হয়েছেন গত ১০ বছরে। তিনি আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী পরিবারের নেতার ঘনিষ্ঠজন। ঘনিষ্ঠত রয়েছে সিটি করপোরেশনের মেয়রের সঙ্গে। পাপের খতিয়ান দীর্ঘ হলেও তা প্রকাশ করতে ভয় পান এলাকার লোকজন।
উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রভাবশালী কয়েক কাউন্সিলরের মধ্যে একজন হাজি রজ্জব। ছয় নম্বর ওয়ার্ডের এই কাউন্সিলর পল্লবী, রূপনগর ও মিরপুর থানা এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত। এলাকায় সরকারি জমি দখল করে বস্তি পরিচালনা করে তিনি কয়েক বছরে শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে রয়েছে আরও নানা অপকর্মের অভিযোগ। সম্প্রতি চলন্তিকা বস্তিতে আগুন লাগার পর তার নামটি সামনে আসে। রূপনগর ও আশপাশ এলাকার পরিবহন থেকে চাঁদা তোলা ও মাদক কারবারিদের সহায়তারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পরিবহন শ্রমিক থেকে মাত্র ১৫ বছরে বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক হয়েছেন রজ্জব। সম্প্রতি দুর্নীতি বিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকে এলাকায় খুব একটা দেখা যাচ্ছে না তাকে। ঢাকা মহানগর উত্তরের আরেক সুলতান তারেকুজ্জুমান রাজীব। ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের এই কাউন্সিলরের যাত্রা শুরু হয়েছিলো ভূমি দখলের মাধ্যমে। মোহাম্মদপুরের মোহাম্মদিয়া হাউজিং এলাকায় ওয়াসার পানির পাম্পের জায়গা দখল করেন তিনি। ২০১৩ সালে জায়গা দখল নিতে যায় যুবলীগ নামধারী আরেক সন্ত্রাসী, দখলবাজ মনিরুজ্জামান। গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে সেদিন। ওই জায়গায় এখন কাউন্সিলর রাজীবের ডুপ্লেক্স বাড়ি।
আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার স্নেহভাজন রাজীব নিয়ন্ত্রণ করেন এলাকার মাদক বাণিজ্যও। কাউন্সিলর শব্দের আড়ালে ঢাকা পড়েছে তার সব অপকর্ম। যদিও রাজীবের দাবি তিনি ব্যবসা করে সম্পদ গড়েছেন। ঢাকার দুই সিটির এমন ভয়ঙ্কর কাউন্সিলরদের একটি তালিকা ধরে অনুসন্ধান করছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। এ তালিকায় ১২ জনের নাম রয়েছে। বিভিন্ন গোয়েন্দ সংস্থার তথ্যে এসব কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠে এসেছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকায় নাম আছে দক্ষিণ সিটির অন্তত ৯ জনের। প্রাথমিক তালিকায় উত্তর সিটির তিন জন কাউন্সিলরের সম্পদ ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছে আইন শৃঙখলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাদের কয়েক জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনেও অভিযোগ জমা পড়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাল ছেড়ো না কংগ্রেস by সুনিল শরন

কিন্তু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদ ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর মধ্যে যেই আলিঙ্গন দেখা গেল, তাতে একটি কথা স্পষ্ট: কংগ্রেস কখনো বিলীন হবে না। এই দল গান্ধী ও সুভাষের, নেহরু ও প্যাটেলের, আজাদ ও রাজাজির, যারা কিনা ভারতের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ প্রজন্ম। এই দলকে বিলীন হতে দেয়া হবে না।
শেখ হাসিনার মতো বিশ্ব নেতারা বিষয়টি জানেন। তাই তারা আলিঙ্গন করেন। মনমোহন সিং, যাকে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে গান্ধীদের হাতে অনেক অপদস্থ হতে হয়েছে, তিনি এখন গান্ধী পরিবার ও দলের জন্য অনেকটা পিতৃতুল্য ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন।
শেখ হাসিনা ও প্রিয়াঙ্কা যখন আলিঙ্গনে আবদ্ধ, তখন মনমোহন তাকিয়ে ছিলেন।
ছোটখাটো নেতারা বলেন যে, পেছন ফিরে তাকাতে হবে। কেন? ২০১৯ সালের বিপর্যস্ত দশা থেকে দলকে উদ্ধার করতে এই নেতারা কী ভূমিকা পালন করেছেন? এখন কেন তাদেরকে মুখ্যমন্ত্রী বা দলের রাজ্য ইউনিটের বড় পদে বসানো হবে? কেন তারা মনমোহন সিংয়ের মতো দলের প্রতি আনুগত্যশীল থাকতে পারে না?
২০১৪ আর ২০১৯ হয়েছে একজন ব্যক্তি অর্থাৎ নরেন্দ্র মোদির জাদুতে। কিন্তু মোদির জাদু কতদিন থাকবে? ১৯৭১ সালের পর চার বছরের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধীর জনপ্রিয়তা মিইয়ে গিয়েছিল। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীরও বয়স বাড়ছে। দৃশ্যপট থেকে মোদি বিদায় নিলে, সংঘ পরিবারে আর কেউ কি আছেন যিনি তার স্থলাভিষিক্ত হবেন? তার পদে বসার দাবিদার আছেন অনেকেই। কিন্তু সত্য বলতে কি, এদের সকলেই মোদির ওপর নির্ভরশীল।
রাজনীতি হলো অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণ করার আর্ট। অর্থনীতির অবস্থা খুবই শোচনীয়। মনমোহন সিং বা এমনকি পি. চিদাম্বরমের মতো অর্থনীতির জাদুকরও নেই এই সরকারের। (হ্যাঁ, চিদাম্বরম, আপনার জন্য হাততালি। এই কঠিন অবস্থাতেও নিজেকে ঠিক রাখুন। আমরা সকলেই জানি, দেশের জন্য আপনি কী করেছেন, বিশেষ করে ২৬/১১-এর পর।)
বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের ক্ষমতায়, একটা কথা বারবার আসতো যে, ভারত বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি। এখন ওই কথা বলা হচ্ছে না। এখন ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির কথা বলা হচ্ছে। সত্যি বলতে কি, ইচ্ছা যদি ঘোড়া হতো, তাহলে সেই ঘোড়ায় ভিক্ষুকরা চড়তো।
অর্থনীতির জাদুকরী মন্ত্রী হলেই শেখা যায় না। আপনি অর্থমন্ত্রী হওয়ার আগেই এই অর্থনীতির জাদুকর হতে হবে। কিন্তু বড় ৪ মন্ত্রীর কেউই নিজেকে তেমনটা দাবি করতে পারবেন না। দ্বিতীয় সারির মন্ত্রীরাও না।
প্রধানমন্ত্রীর এখনো কাল্ট-এর মতো অনুসারী আছে। কিন্তু তিনি যদি সচেষ্ট না হন, তাহলে বৈশ্বিক অর্থনীতি যেভাবে শ্লথ হচ্ছে, সেই হিসাবে ভারতের অর্থনীতির শোচনীয় দশা তার দ্বিতীয় দফার প্রধানমন্ত্রীত্বের বারোটা বাজাতে পারে।
কংগ্রেসের জন্য সুসংবাদ হলো যে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এখন স্থায়ীভাবে সক্রিয় রাজনীতিতে আছেন। মা হয়তো অবশেষে বুঝতে পারছেন যে, প্রিয়াঙ্কাকে লাইমলাইটে আনাটাই যৌক্তিক। হ্যাঁ, এক্ষেত্রে রবার্ট ভদ্র প্রিয়াঙ্কার জন্য অনেকটা বোঝার মতো। কিন্তু সেটা তার ব্যক্তিগত সমস্যা। তাকেই সেটা সমাধান করতে হবে।
এটি অচিন্তনীয় যে প্রিয়াঙ্কার মতো রাজনৈতিক ধীশক্তির অধিকারী একজন ‘চৌকিদারই চোর’ স্লোগানে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রচার চালাবেন। হ্যাঁ, তিনিও হয়তো এই প্রচারাভিযানেই অংশ নিয়েছেন। অনুগত বোন হিসেবে তিনি হয়তো স্রোতের সঙ্গে তাল মিলিয়েছেন। কিন্তু যখন মনমোহন সিং-এর মতো ব্যক্তিরা তাকে শেখ হাসিনার মতো বিশ্বনেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করাচ্ছেন, দলের শীর্ষ নেতারা হয়তো বুঝতে পারছেন যে, তাকেই এখন দলের নেতা হিসেবে দাঁড় করাতে হবে। দলের মধ্যে অনেকে দীর্ঘদিন ধরে যা চাচ্ছিলেন, তাই হচ্ছে এখন। দেরি হলেও অন্তত হচ্ছে।
২০২৪ সালে প্রধানমন্ত্রী ও প্রিয়াঙ্কার লড়াই দেখার তর যেন সইছে না। দুই ক্যারিশমেটিক নেতা একে অপরের বিরুদ্ধে লড়বেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তখন থাকবেন তার লিগ্যাসির একেবারে শেষ প্রান্তে। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা সবে শুরু করবেন।
সুতরাং, হাল ছেড়ো না, কংগ্রেস। ভালো দিন আসবে। এই বইটি পড়ে দেখতে পারেন: ফিল্ড মার্শাল স্লিমের লেখা ‘ডিফিট ইনটু ভিকটরি (পরাজয় থেকে বিজয়)’।
(সুনিল শরনের এই নিবন্ধ টাইমস অব ইন্ডিয়া থেকে নেয়া হয়েছে।)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেনিয়ার যে নাচের পার্টিতে পুরুষদের নিষিদ্ধ করা হয়েছে
![]() |
| কেনিয়ায় নারীদের নাচের পার্টি |
'কেনিয়ার নারীদের জন্য একটি কঠিন বছর'
![]() |
| কেনিয়ার ক্লাবগুলিতে পুরুষরা অযাচিতভাবে নারীদের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করে। |
শুধু লেসবিয়ানদের জন্য নয়
![]() |
| সব সম্প্রদায়ের নারীদের এই পার্টিতে স্বাগত জানানো হয়। |
![]() |
| আয়োজকরা চান এই পার্টি তারা আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে দিতে। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লেবুর আরও যত ব্যবহার

- *ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করতে লেবুর রসে তুলার টুকরা ভিজিয়ে কয়েক ঘণ্টার জন্য ফ্রিজে রেখে দিন। দূর হবে দুর্গন্ধ। তবে ফ্রিজে কখনও খাবার খোলা অবস্থায় রাখবেন না। এতে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় ফ্রিজে।
- *ফুলকপি বাদামি হয়ে যাচ্ছে? কাটার আগে এক চা চামচ লেবুর রস ছড়িয়ে দিন। রঙ বদলাবে না।
- *চপিং বোর্ডে পেঁয়াজ বা অন্যান্য সবজির গন্ধ লেগে থাকে। পরিষ্কার করার আগে এক টুকরো লেবু ঘষে নিন বোর্ডে। দূর হবে গন্ধ।
- *আধা কাপ পানিতে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে রূপার গয়না ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। পরদিন সকালে পরিষ্কার করে ফেলুন। কালচে হবে না রূপা।
- *পোকা বা পিঁপড়ার বাসার আশেপাশে লেবুর খোসা কুচি ছড়িয়ে দিন। দূর হবে পিঁপড়া ও পোকা।
- *২ লিটার পানিতে ৪টি লেবুর রস মিশিয়ে মেঝে মুছে নিন। পোকামাকড়ের প্রকোপ কমবে।
- *সবজি ও ফলের ফরমালিন দূর করতে লেবুর রস স্প্রে করে নিন।
- *দাঁত ঝকঝকে করতে লেবু স্লাইস করে কেটে ঘষে নিন দাঁতে।
- *এক কাপ কুসুম গরম পানিতে অর্ধেকটি লেবুর রস মিশিয়ে নখ ভিজিয়ে রাখুন। নখের হলদে দাগ দূর হবে।
![]() |
| নখের হলদে ভাব দূর করে লেবু |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সবুজ খেতের মধ্যে বেগুনি ধান

বেগুনি ধানের এই আবাদ করেছেন কৃষক আক্তারুজ্জামান পাটওয়ারী। তাঁর বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার শাহাপুর গ্রামে। চলতি বোরো মৌসুমে সাড়ে ১৫ শতক জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে এই ধানের চাষ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, চাঁদপুরে তিনিই এই জাতের ধানের প্রথম আবাদকারী।
জানতে চাইলে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবদুর রশিদ বলেন, এটি বিশেষ কোনো জাত নয়, অন্য ধানের মতোই। কেউ এর নাম বেগুনি সুন্দরী, কেউ দুলালি সুন্দরী নামে ডাকছেন। এটি ধানখেতের সীমানা নির্ধারণের জন্য উদ্ভাবন করা হয়। পরে দেশের দু-একটি জায়গায় এই ধান চাষ করা হয়। কিন্তু ফলন তেমন ভালো না হওয়ায় এটির আবাদ বাড়ানো হয়নি।
এর আগে গত মৌসুমে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে দুলালি বেগম ও কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার মনাগ্রামের কৃষক মনজুর হোসেন বেগুনি রঙের ধানের চাষ করেছেন। এ বছর শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ভেদিকুড়া গ্রামের শাহিনুর আলম এই জাতের ধানের চাষ করেন।
গাইবান্ধার কিষানি দুলালি বেগম জানান, তিনি অন্যবারের মতো স্থানীয় জাতের ধানের আবাদ করেন। এর মধ্যে তিনি কিছু বেগুনি রঙের গাছ দেখতে পান। পরে সেসব গাছ থেকে আলাদা করে বীজ সংগ্রহ করেন। পরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের পরামর্শমতো তিনি এই ধানের আবাদ করেন।
অপরদিকে কুমিল্লার কৃষক মনজুর হোসেন বলেন, তিনি ২০১৭ সালে সুন্দরবন এলাকায় বেড়াতে যান। পথে সাতক্ষীরায় এক কৃষকের জমিতে তিনি বেগুনি রঙের ধান দেখেন। সেখান থেকে বীজ সংগ্রহ করে এনে তিনি আবাদ করেন।
সম্প্রতি ফরিদগঞ্জের শাহাপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, চারপাশে সবুজ ধানখেত। মধ্যে একচিলতে জমিতে বেগুনি রঙের ধানের আবাদ। যেন সবুজের বুকে বেগুনি বিছানা। কিছু গাছে ধানের ছড়া বেরিয়েছে।
এই গ্রামের কৃষক আক্তারুজ্জামান বলেন, তাঁর এক আত্মীয় গাজীপুর থেকে এই ধানের বীজ এনেছেন। সেই আত্মীয় এক কেজি বীজ তাঁকে দিয়েছেন। সেই বীজ বুনে চারা তৈরি করে তিনি সাড়ে ১৫ শতক জমিতে রোপণ করেছেন। অন্য অনেকেও তাঁর কাছ থেকে এই ধানের বীজ চাইছেন। আর মাসখানেক পর এই ধান পাকবে। যদি ফলন ভালো হয়, তবে অন্যান্য কৃষককেও এর বীজ দেবেন তিনি।
একই গ্রামের আতাউর রহমান বলেন, ফরিদগঞ্জ ধান চাষের জন্য অন্যতম উৎকৃষ্ট এলাকা। সারা বছর এখানকার কৃষকেরা ধান চাষ করে থাকেন। তাঁর এলাকায় এবার রঙিন ধানের আবাদ হয়েছে জেনে আশপাশের অনেকে দেখতে আসছেন।
জানতে চাইলে ফরিদগঞ্জ উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. নূরে আলম বলেন, ‘বেগুনি রঙের এই ধানের চাষ চাঁদপুরে এই প্রথম। এই ধানের পাতা ও কাণ্ডের রং বেগুনি। শুধু গাছ নয়, এর চালের রংও বেগুনি। তাই এখানকার কৃষকদের কাছে এটি বেগুনি ধান হিসেবে পরিচিত। কৃষক আক্তারুজ্জামান নিজ উদ্যোগে বীজ সংগ্রহ করে এর আবাদ করেন। পরে আমরা জানার পর সরকারিভাবে খেতটি পর্যবেক্ষণ করছি। এর ফলন কী রকম হয়, তা দেখার পর ভবিষ্যতে এর আবাদ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এটি বিদেশি কোনো জাত নয়।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিয়ানমারে ‘জিরো-ডলার পর্যটনের’ প্রসার by কিয়াও ইয়ে লিন

পর্যটন বয়কট নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, সেটা পর্যটকদের বিভ্রান্ত করছে, এবং রোহিঙ্গা সঙ্কটের কারণে স্বাভাবিকভাবেই ইউরোপিয় ও পশ্চিমা দেশগুলো থেকে পর্যটক আসা কমে গেছে।
২০১৭ সালে, রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বর্বর অভিযানে প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষ প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বাংলাদেশ বছরে ৩.৪৪ মিলিয়ন পর্যটককে স্বাগত জানিয়ে থাকে, ২০১৮ সালে যেটা বেড়ে ৩.৫৫ মিলিয়ন হয়।
কিন্তু মিয়ানমারের পর্যটন খাত একটা চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে গেছে এবং পশ্চিমা দেশগুলো থেকে তাদের পর্যটক আসা অনেক কমে গেছে।
মিয়ানমারের হোটেল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি স্থায়ী সচিব লাইং উ বলেন, “কিন্তু ২০১৯ সালে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে”।
মন্ত্রণালয় মনে করছে, এ বছর বর্ষা মওসুমের পর জুন-সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটকদের আগমন প্রত্যাশিত ছয় মিলিয়নকে ছাড়িয়ে যাবে। আনাদুলু এজেন্সিকে সোমবার ফোনে তিনি এ তথ্য জানান।
সরকারী হিসেব অনুযায়ী, বছরের প্রথম ছয় মাসে ২.১৪ মিলিয়ন পর্যটক এসেছে মিয়ানমারে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এটা ২৪% বেশি।
মান্ডালেতে চীনা পর্যটকদের ভিড়
লাইং উ বলেন, জার্মানি, ইটালি, স্পেনের মতো ইউরোপিয় দেশ এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে পর্যটকের আগমন কিছুটা বেড়েছে, তবে তিনি স্বীকার করেন যে, এশিয়ার দেশগুলো থেকে ২০১৯ সালে পর্যটকের আগমণ বেড়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ।
তিনি বলেন, “এশিয়ান পর্যটকদের মধ্যে তালিকার শীর্ষে রয়েছে চীন”।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে ভিসার নিয়ম শিথিল করার পর চীনা পর্যটকদের আগমন প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, “মান্ডালে সফরের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় জায়গা”। মান্ডালের মিয়ানমারের উত্তরাংশে দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর।
মিয়ানমারের সবশেষ রাজবংশের রাজধানী ছিল মান্ডালে এবং এখানে তাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক অতীতকে দেখার সুযোগ রয়েছে। এখানকার প্রাচীন বাগান শহরকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা করেছে ইউনেসকো।
চলতি বছরে চীনা পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় চীনা বিমান অপারেটরগুলো এই শহরে সরাসরি ফ্লাইট চালু করেছে।
সরকারী তথ্য অনুসারে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে যে ২১৮,৯০১ জন পর্যটক মান্ডালে সফরে এসেছে, এদের মধ্যে প্রায় ৯০,০০০ হলো চীনা পর্যটক।
হোটেল ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের ডিরেকটার সান ইউ জানান, “গত বছরে একই সময়ের তুলনায় এ বছর চীনা পর্যটকের সংখ্যা দশগুণ বেড়ে গেছে”।
মাথাব্যাথার কারণ ট্যুর প্যাকেজ
আশ্চর্যের বিষয় হলো, চীনা পর্যটকদের এই বৃদ্ধিতে স্থানীয় সম্প্রদায় উপকৃত হচ্ছে না।
চীনা ট্যুর অপারেটরেরা বুকিং থেকে নিয়ে, ফ্লাইট, হোটেল ও পর্যটন ব্যবস্থাপনার পুরো প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে। তারা পর্যটকদের নিম্নমূল্যের পর্যটন প্যাকেজের প্রস্তাব দিচ্ছে – যেটাকে বলা হচ্ছে জিরো-ডলার বা জিরো-বাজেট সফর।
মিয়ানমার ট্যুরিজম এন্টারপ্রেনর্স অ্যাসোসিয়েশানের মান্ডালে অঞ্চলের ভাইস-চেয়ার থান্ত জাউ বলেন, প্যাকেজে স্বল্প সময়ে হোটেল বুকিং, পরিবহন, রেস্তোরাঁ এবং খুচরা দোকানের বিষয়গুলো এই চীনা অপারেটরদের সাথে জড়িত।
আনাদুলু এজেন্সিকে মঙ্গলবার তিনি ফোনে জানান, “তাই এখানে স্থানীয় সম্প্রদায়ের উপকৃত হওয়ার সুযোগ খুবই সামান্য বা একেবারেই নেই”।
জাউ বললেন, প্যাকেজ ট্যুরের অধীনে পর্যটকদের উচ্চমূল্যে অলঙ্কার ও স্মারক কিনতে হবে সেই সব দোকান থেকে, যেগুলো ট্যুর কোম্পানির সাথে সম্পর্কিত।
তিনি বললেন চীনা পর্যটকরা মিয়ানমারের মুদ্রা (কিয়াত) ব্যবহার করে না, বরং তারা চীনা মুদ্রা (ইউয়ান) ব্যবহার করে এবং উইচ্যাট পে’র মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যাবহার করে।
তিনি বলেন, “সরকারও এখানে এই ধরনের পর্যটন থেকে সঠিক পরিমাণ রাজস্ব পাচ্ছে না”।
মিয়ানমারের কঠিন বিকল্প
স্থানীয়দের তাগাদা সত্বেও কর্তৃপক্ষ চীনা পর্যটন অপারেটরদের জিরো-ডলার পর্যটন নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিতে অনিচ্ছুক।
হোটেল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক সিনিয়র কর্মকর্তা এই ইস্যুটিকে ‘জটিল ও স্পর্শকাতর সমস্যা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
রোহিঙ্গা সঙ্কটের সূত্রে ইউরোপ ও আমেরিকা থেকে আগত পর্যটকের সংখ্যা কমে যাওয়ায় ২০১৮ সালে ‘লুক ইস্ট’ নীতি গ্রহণ করে মিয়ানমার যাতে এশিয়ার পর্যটকদের আকর্ষণ করা যায়। আর এতে কাজও হয়েছে।
ওই কর্মকর্তা বলেন, “এক বছরে চীনা পর্যটকের সংখ্যা শতভাগ বেড়েছে”। তবে নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি ওই কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, “জিরো-ডলার পর্যটন পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে যদি আমরা পদক্ষেপ নিই, তাহলে আমাদের আশঙ্কা যে পর্যটকের সংখ্যা আবার কমে যেতে পারে”।
তিনি স্বীকার করেন যে, এই ধরনের পর্যটন ব্যবসায় যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত যাতে এই খাতের প্রবৃদ্ধি হয় এবং সেটা টেকসই হয়।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মা ও মেয়ে by নাজনীন আখতার
আবেদা সুলতানার বললেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাবা-ছেলে, বাবা-মেয়ে শিক্ষক রয়েছেন। তবে মা-মেয়ে শিক্ষকের সংখ্যা অত্যন্ত কম হওয়ায় তাঁদের ঘিরে সহকর্মীদের আগ্রহ উৎসাহ বেশি। এই আগ্রহ তাঁদের মধ্যে ভালো লাগা সৃষ্টি করে।
আবেদা সুলতানা ১৯৯৬ সালে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ২০০১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। তিনি জানান, ১৯৮৫ সালে হলিক্রস কলেজ থেকে এইচএসসি পাসের পর চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর সঙ্গে বিয়ে হয়ে চট্টগ্রাম চলে যান। ১৯৮৯ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিবিজ্ঞান বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে অনার্স পাস করেন। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনিই প্রথম ব্যক্তি, যিনি প্রথম শ্রেণি পেয়েছিলেন।
আবেদা সুলতানা বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পাওয়ার সময় তিনি রাজধানীর একটি কলেজে শিক্ষকতা করতেন। কুষ্টিয়া যাওয়া নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলেন। মেয়ে সাবিহা তখন ভিকারুননিসা নূন স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। স্বামী ব্যবসার প্রয়োজনে ওই সময় সৌদি আরবের জেদ্দায় ছিলেন। নিজ পরিবার আর শ্বশুরবাড়ি বিশেষ করে ছোট্ট সাবিহার উৎসাহে তিনি নিজের মায়ের কাছে মেয়েকে রেখে চলে যান কুষ্টিয়া। আবেদা বলেন, ‘আমার অত ছোট্ট মেয়েটা আমাকে অভয় দিয়ে বলল, আম্মু তুমি যাও, আমি থাকতে পারব। এখন এই সময়ে এসে মনে হয়, ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ না দিলে ভুল করতাম।’
সাবিহা চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন ২০১৬ সালে। এর আগের এক বছর তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। সাবিহা জানান, ২০০৮ সালে এইচএসসি পাসের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগে ভর্তি হন। রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে গোল্ড মেডেল ও ডিনস অ্যাওয়ার্ড পাওয়া সাবিহা এ বছরের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করতে যাচ্ছেন।
সাবিহা বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে আম্মুকে শিক্ষকতা করতে দেখেছি। আম্মুকে সব সময় পরিপাটি হয়ে ক্লাসে যেতে দেখতে ভালো লাগত। তবে মূল অনুপ্রেরণা পেয়েছি নিজের স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের দেখে।’
তবে মেয়ে শিক্ষকতায় যোগ দিক—এটা শুরুতে চাননি মা আবেদা। তিনি বললেন, ‘আমি চেয়েছিলাম ও প্রকৌশলী হোক। কিন্তু ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাইল। আমি ওর ইচ্ছেতে আর বাধা দিইনি।’
সাবিহা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ক্লাসের সময়ে মিলত না বলে আম্মুর সঙ্গে কখনো যাওয়া হতো না। এখন আমরা একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রায়ই একসঙ্গে আসা-যাওয়া করি।’
মা-মেয়ে দুজনই জানালেন, তাঁদের পছন্দ–অপছন্দে মিলই বেশি। নিয়মিত না হলেও তাঁরা রাঁধতে ভালোবাসেন। দুজনই ঘরে-বাইরে ভিন্ন ধরনের খাবার খেতে পছন্দ করেন। ঘুরতে ভালোবাসেন। আর দুজনেরই পছন্দের পোশাক শাড়ি।
![]() |
| বিভাগ ভিন্ন হলেও মা ও মেয়ে দুজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। মা আবেদা সুলতানা রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক, আর মেয়ে সাবিহা চৌধুরী ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি অ্যান্ড ফার্মাকোলজি বিভাগের প্রভাষক। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উল্লাপাড়ায় মধু চাষে বদলে গেছে জীবন

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যৌন সহিংসতা বা জোরপূর্বক যৌন আচরণে আছে এইচআইভি/এইডস ছড়ানোর ঝুঁকি by সাকিলা মতিন মৃদুলা
![]() |
| ঢাকায় এইচআইভি/এইডস প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর কর্মসূচীতে যৌনকর্মীরা যোগ দেয়। |
![]() |
| সাকিলা মতিন মৃদুলা ।। লেখক ও উন্নয়ন কর্মী |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
October
(602)
-
▼
Oct 17
(17)
- বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যা: ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ কর...
- সাতদিনেই পৃথিবীর সাত আশ্চর্য ঘুরে দেখলেন ব্রিটিশ প...
- মাকে গোয়াল ঘরে পাঁচ মাস বেঁধে রাখে সন্তানরা by মো....
- আয় নিয়ে অসন্তুষ্ট ৭০ শতাংশ শিক্ষক: গণসাক্ষরতা অভিয...
- অভিজিৎ ব্যানার্জীর নোবেল পুরস্কারঃ উচ্ছ্বাস নেই বি...
- রাশিয়ার দিকে ঝুঁকছে সৌদি আরব? by মাহাদী হাসান
- মিয়া-বাবুদের মেগাসিটি এবং চাষা-ভূষার গাঁয়ের রাস্তা...
- আবরার হত্যা: সেই বড় ভাই কারা
- কাউন্সিলর পদ ব্যবহার করে গডফাদার by রুদ্র মিজান
- হাল ছেড়ো না কংগ্রেস by সুনিল শরন
- কেনিয়ার যে নাচের পার্টিতে পুরুষদের নিষিদ্ধ করা হয...
- লেবুর আরও যত ব্যবহার
- সবুজ খেতের মধ্যে বেগুনি ধান
- মিয়ানমারে ‘জিরো-ডলার পর্যটনের’ প্রসার by কিয়াও ইয়ে...
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মা ও মেয়ে by নাজনীন আখতার
- উল্লাপাড়ায় মধু চাষে বদলে গেছে জীবন
- যৌন সহিংসতা বা জোরপূর্বক যৌন আচরণে আছে এইচআইভি/এইড...
-
▼
Oct 17
(17)
-
▼
October
(602)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

















