Sunday, November 29, 2009
ইসরায়েল হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের খুনি চর: শাভেজ
আহমাদিনেজাদ দক্ষিণ আমেরিকার তিনটি দেশ সফরের শেষ পর্যায়ে ভেনেজুয়েলায় যান।
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট শিমন পেরেস এ মাসে দক্ষিণ আমেরিকা সফরকালে ‘তাঁর ও আহমাদিনেজাদের দিন শেষ হয়ে আসছে’ বলে যে মন্তব্য করেন, সে প্রসঙ্গে শাভেজ বলেন, ‘আমরা জানি, ইসরায়েল আসলে যুক্তরাষ্ট্রের খুনি অস্ত্র।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হজ পালন করলেন ওবামার দাদি
প্রতিবছরই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের হজ পালন করার জন্য আমন্ত্রণ জানান সৌদি বাদশাহ। তিনি ওই হাজিদের সব ব্যয় বহন করে থাকেন। সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে এ বছর প্রায় তিন হাজার অতিথি হজ পালন করেছেন।
বারাক ওবামার দাদা হুসেন ওনয়াঙ্গোর তৃতীয় স্ত্রী সারাহ ওবামা। বারাক কিছুকাল কেনিয়ায় ছিলেন। ওই সময় আপন দাদি আকুমা ওবামার সঙ্গে সারাহও বারাকের দেখভাল করেছিলেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি আরবে বন্যায় ৪৮ জনের মৃত্যু
উদ্ধারকারী সংস্থাটির একজন কর্মকর্তা জানান, ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যায় কেউ পানিতে ডুবে, কেউ সেতু ভেঙে, আবার কেউ গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গেছে। বন্যার কারণে জেদ্দায় অনেক লোক পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। সেখানে ইতিমধ্যে বন্যাকবলিত ৯০০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পবিত্র হজ পালনের জন্য এবার প্রায় ২৫ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান মক্কায় সমবেত হয়েছেন। বন্যার কারণে মক্কায় যাওয়ার পথে একটি সড়কপথ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে অনেক ধর্মপ্রাণ মুসলমানের হজ পালনে ভোগান্তি হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা জাসেম আল-ইয়াকোত বলেন, মক্কায় যাওয়ার পথে দুটি সেতু ভেঙে গেছে। বৃষ্টিতে জেদ্দার অনেক স্থানে বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জামিন মিললেও মুক্তি পাচ্ছেন না পোলানস্কি
৭৬ বছর বয়সী এই তারকা চলচ্চিত্র পরিচালক ১৯৭৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পালিয়ে আসেন। ওই দেশে অবস্থানকালে তাঁর বিরুদ্ধে ১৩ বছরের এক মেয়ের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। এর পরই তিনি যুক্তরাষ্ট্র ছাড়েন। তখন মার্কিন কর্তৃপক্ষ পোলানস্কির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করে।
একপর্যায়ে মার্কিন পরোয়ানার সূত্র ধরে জুরিখ বিমানবন্দর থেকে সুইস পুলিশ গত ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। সেখানে একটি চলচ্চিত্র উত্সবে তাঁকে বিশেষ সম্মাননা প্রদানের কথা ছিল।
সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ফৌজদারি আদালত বুধবার এক বিবৃতিতে জানান, রোজম্যারিস বেবি ও চায়না টাউন-এর পরিচালক পোলানস্কির পালিয়ে যাওয়ার যথেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে। তবে ৪৫ লাখ ডলারের বিনিময়ে জামিন লাভের যে প্রার্থনা তিনি করেছেন তা শর্তসাপেক্ষে মঞ্জুর করা হয়েছে। তাঁকে এখন কারাগার থেকে মুক্তির পর গৃহবন্দী থাকতে হবে। যে বাড়িতে তিনি থাকবেন সেখানে ইলেকট্রনিক ব্যবস্থায় কঠোর নজরদারি থাকবে। এতে তাঁর পালানোর ঝুঁকি এড়ানো যাবে।
পোলানস্কির আইনজীবীরা জানান, গাস্তাদে পোলানস্কির একটি বাড়ি রয়েছে। কারামুক্তির পর সেখানেই হয়তো তাঁকে রাখা হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সন্ত্রাসবাদ বন্ধে পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে যুক্তরাষ্ট্র
মুম্বাই হামলার প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল জেমস জোনস এ কথা বলেছেন। বার্তা সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে তিনি বলেন, সব ধরনের সন্ত্রাসী সংগঠনের তত্পরতা বন্ধে পাকিস্তানকে নিয়মিত উত্সাহিত করছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন বলেছে, পাকিস্তান যদি এ লক্ষ্য পূরণে সফল হয়, তবে তারা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিশেষ করে আরও বেশি আর্থিক সহযোগিতা পাবে।
জোনস বলেন, ‘আমি আশ্বস্ত করতে পারি যে সন্ত্রাসবাদ বন্ধের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্টভাবে পাকিস্তানের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। এ ব্যাপারে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে। আমরা আমাদের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সবকিছু করছি। সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে নিরস্ত্র করার ব্যাপারে আমরা পাকিস্তানকে উত্সাহিত করছি। আমরা ইসলামাবাদকে সাফ জানিয়ে দিয়েছি, নিজেদের স্বার্থেই সন্ত্রাসবাদ দমন করা উচিত তাদের।’ তিনি বলেন, ‘কোনো সন্দেহ নেই যে পাকিস্তানে সন্ত্রাসীদের তথাকথিত নিরাপদ ঘাঁটি বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে একটা বড় বাধা।’
মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা আরও বলেন, মুম্বাই হামলার ঘটনা প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে খুব নাড়া দিয়েছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত উভয় দেশের জন্যই সন্ত্রাসবাদ একটা বড় ধরনের অভিন্ন ইস্যু। ওবামা বলেছেন, কোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদই গ্রহণযোগ্য নয়। সন্ত্রাসবাদের হুমকি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।
জোনস অতি সম্প্রতি পাকিস্তান সফর করেছেন। তিনি ওবামা প্রশাসনের একটি বার্তা সেখানে পৌঁছে দিয়েছেন। ওই বার্তায় আল-কায়েদা ও তালেবানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তত্পরতা বাড়াতে পাকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এম লুতফর রহমান নিটল ইন্স্যুরেন্সের নতুন এমডি
এম লুতফর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করার পর ১৯৬৭ সালে তত্কালীন পাকিস্তান ইন্স্যুরেন্স করপোরেশনে কর্মজীবন শুরু করেন।
স্বাধীনতার পর তিনি সাধারণ বীমা করপোরেশনে আত্তীকৃত হন। ১৯৯৬ সালের সাধারণ বীমা করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে নিয়োজিত হন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নারায়ণগঞ্জের পঞ্চবটীতে আইএফআইসি ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন
ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লুত্ফর রহমান সম্প্রতি শাখাটির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোশাররফ হোসেন, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তা এবং এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টেকনাফের চামড়া ব্যবসায়ীরা এবার পুঁজির সংকটে আছেন
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, চট্টগ্রামের আড়তদার ও ট্যানারি মালিকেরা শিগগির বকেয়া না মেটালে সীমান্ত এলাকার চোরাকারবারিদের সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ উপজেলায় ২৯ জন চামড়া ব্যবসায়ী থাকলেও বর্তমানে সক্রিয় রয়েছেন মাত্র ১১ জন। অবশিষ্ট ব্যবসায়ীরা পুঁজি হারিয়ে ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। চট্টগ্রামের আড়তদার ও ট্যানারি মালিকদের কাছে পুঁজি আটকে যাওয়ায় তাঁদের এ হাল হয়েছে।
বিপাকে পড়া স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, অন্য বছরগুলোতে ঈদের প্রায় এক মাস আগে বকেয়া পাওনা পরিশোধ করা হলেও এবার তা করছেন না চট্টগ্রামের আড়তদার ও ট্যানারি মালিকেরা।
টেকনাফে বড় চামড়া ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত আবদুল্লাহ মনির ও শেখ হায়দার প্রথম আলোকে জানান, তাঁদের কাছে এবার পুঁজি নেই। বকেয়া পাওনা পাওয়া গেলে চামড়া কিনবেন। অন্যথায় ঋণ নিয়ে চামড়া কিনবেন না।
চামড়ার চোরাচালানের আশঙ্কা প্রসঙ্গে টেকনাফ ৪২ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর শাহিনুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, কোরবানির ঈদ সামনে রেখে সীমান্ত পয়েন্টগুলোয় বিডিআরের টহল জোরদার করা হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিউজিল্যান্ড যাচ্ছেন মিসবাহ
ওয়েলিংটনে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে ৩ ডিসেম্বর থেকে। ওই টেস্টের আগেই মিসবাহ নিউজিল্যান্ড যাবেন, এটা নিশ্চিত করেছেন ওই নির্বাচক। তবে ঠিক কবে এই মিডল-অর্ডার দেশ ছাড়বেন এটা নিশ্চিত করতে পারেননি, ‘আমরা এখনো জানি না কবে সে যাবে। তবে আমরা ওকে নিউজিল্যান্ড পাঠাতে চাই।’
পড়তি ফর্মের জন্য এই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে তিন ধরনের ক্রিকেটের দল থেকেই বাদ পড়েছিলেন মিসবাহ। ৩৫ বয়সী ব্যাটসম্যানের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারও শেষ বলেই ধরে নিয়েছিলেন অনেকে। তবে মিসবাহ তখনই ফিরে আসার প্রত্যয় জানিয়েছিলেন। ঘরোয়া ক্রিকেটেও ব্যাট হাতে দুর্দান্ত করতে থাকেন। কায়েদে আজম ট্রফিতে খেলেন ক্যারিয়ার-সেরা ২৮৪ রানের ইনিংস। ইউনুসের কাছ থেকে অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়ে মোহাম্মদ ইউসুফ বলেছিলেন, মিসবাহকে দলে চান তিনি। মিসবাহ তখন বাংলাদেশে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলছেন গাজী ট্যাংকের হয়ে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেকেলে সামরিক বিচার -প্রতিক্রিয়া by মোহাম্মদ ফজেল করিম খান
‘Legal position of officers and sailors by the law of Bangladesh a man who joins the Navy, whether as an officer or as a sailor, does not cease to be a citizen, with a few exceptions his position under the ordinary law of the land remains unaffected.’
অর্থাত্ নৌবাহিনীর সদস্যদের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া যাবে না। এখানে আরও বলা হয়েছে, তাদের দেশের প্রচলিত আইন এবং কোর্ট মার্শাল আইন উভয়ের আওতায় আসতে বাধা নেই। এ বিধান সেনা ও বিমান বাহিনীর আইনের ক্ষেত্রে এক। এ ক্ষেত্রে এটা স্পষ্ট যে দুই আইনের আওতায়ই সামরিক কর্মকর্তাদের বিচারে সোপর্দ করা যাবে। অথচ এই নীতিমালা কেউ পরখ করেই দেখেনি। ১৯৬৮ সালের ভারতের বিএফএফ আইনে বিদ্রোহের বিচার ‘মৃত্যুদণ্ড’-এর বিধান রেখে সংশোধনী আনা হয়। অথচ আমাদের ’৭২-এর বিডিআর আইনে সংশোধনীর কথাটি কারও মাথায় আসেনি। লেখকের প্রশ্ন যথার্থই।
বাংলাদেশে সামরিক বাহিনীর আইনে সংস্কারের বিষয়টি কেন এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে তা নিয়ে কর্তৃপক্ষের জবাব চাওয়াটা প্রাসঙ্গিক। সামরিক বাহিনীর আইনে দেখা যায়, আর্মি অ্যাক্ট ১৯৫২-এর ১৩৩ ধারা, নেভি অর্ডিন্যান্স ১৯৬১-এর ১৪০ ধারা এবং এয়ার ফোর্স অ্যাক্ট ১৯৫৩-এর ১৬২ ধারায় কোর্ট মার্শালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, কোর্ট মার্শালের রায়ের বিরুদ্ধে কোনো আপিল চলবে না। বলা হয়েছে, কোনো আদালত এর বৈধতা, পদ্ধতি ও গঠনের যথার্থতার প্রশ্নে কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারবেন না।
এ স্বাভাবিক ন্যায়বিচার বা ‘ন্যাচারাল জাস্টিস’বিরোধী বিধানের সংস্কারে কারও তোড়জোড়ই নেই। সামরিক বাহিনীর আইনগুলোয় সংশোধনী নয়, মহা সংশোধনীর প্রয়োজন রয়েছে। এখানে প্রাসঙ্গিক আর একটি বিষয়ে বলে রাখি। সেনা আইনের আরেকটি বিরাট বাধা হচ্ছে ‘ডকট্রিন অব প্লেজার অব দ্য প্রেসিডেন্ট’-এর বিধান। এখানে বলা আছে, ‘Every officer and sailor shall hold office during the pleasure of the president’। এই ডকট্রিন অব প্লেজারের আওতায় সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল নাসিম এবং সাবেক নৌপ্রধান আমীর আহমেদ মোস্তফাকে কোনো কারণ দর্শানো এবং কোনো সময় না দিয়েই বরখাস্ত করা হয়েছিল। তাঁরা অনেক দিন উচ্চ আদালতের বারান্দায় ঘুরে ঘুরেও এবং আদালতের ছায়াতলে আশ্রয় নিতে চেয়েও কোনো প্রতিকার পাননি। আদালত এ ডকট্রিন অব প্লেজারের দোহাই দিয়ে তাঁদের বরখাস্তের আদেশ বহাল রাখেন।
আমি নৌবাহিনীর জজ অ্যাডভোকেট জেনারেল পদে নিযুক্ত থাকাকালে সামরিক বাহিনীর সংস্কারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সুপারিশের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। ৬ অক্টোর ১৯৯৭-এ আইন কমিশন বরাবর সামরিক বাহিনীর আইনের বিভিন্ন ত্রুটি এবং সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করে প্রস্তাব পাঠিয়েছিলাম। আমার আশা ছিল, আইন কমিশন এ প্রস্তাব বিবেচনায় এনে সরকারের কাছে সুপারিশ করবে।
নৌবাহিনীর আইনের পাশাপাশি আমার সহকর্মী অন্য দুই বাহিনীর জজ অ্যাডভোকেটদেরও অনুরূপ প্রস্তাব পাঠাতে অনুরোধ করি। আইন কমিশনের তত্কালীন চেয়ারম্যান বিচারপতি এ টি এম আফজালের সঙ্গে ব্যক্তিগত সাক্ষাত্ করে এ বিষয়ে অবগত করি। এ ছাড়া তদানীন্তন আইন কমিশনের সচিব (সাবেক সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার) ইকতেদার আহমেদ এবং বিচার প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সচিব (বর্তমান আইনসচিব) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সঙ্গেও দেখা করে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার জন্য বলি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক, কারও কাছ থেকে কোনো সদুত্তর আসেনি। এখন হয়তো এ নথি আইন কমিশনের পুরোনো স্তূপে জমা আছে, যদি উইপোকা না খেয়ে থাকে। আমি অবসরগ্রহণের পর আমার উত্তরসূরি এ পদে আসীন জজ অ্যাডভোকেট জেনারেলকে বলি। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ অক্টোবর ২০০৫ সালে তিনিও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিকট একই বিষয়ে লিখিত আবেদন করেন। তিন বাহিনীর গলায় ফাঁস লাগানোর অনেক বিধানই বাহিনীর নিজস্ব আইনগুলোয় রয়েছে। আগেই বলেছি, সামরিক বাহিনীর আইনে সূচনা অংশেই সামরিক কর্মকর্তাদের সাধারণ ও নিজস্ব আইনের আওতায় আনা যায় বলা হলেও প্রতিটি পরতে এ বিধানের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে একই আইনে মূলনীতির সঙ্গে আইনের ধারার দ্বৈততা তৈরি হয়েছে।
সাংবাদিক লেখক মিজানুর রহমান খান চোখে আঙুল তুলে দেখিয়েছেন, সেনা আইনের সংস্কারের বিষয়টি। এ মত অবিলম্বে আমলে নেওয়া উচিত। লেখক ভারত, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনা আইনের সংস্কারের বিষয়টি স্পষ্ট বিশ্লেষণ করেছেন। এতে আমাদের বিশ্লেষণক্ষমতাহীন ও চিন্তাক্ষমতাহীন কর্তৃপক্ষের মস্তিষ্কে নতুন করে তাগাদা আসা উচিত। অ্যামিকাস কিউরি এবং বিচারপতিদের সিদ্ধান্তের অংশেও সেনা আইনের সংস্কারের প্রসঙ্গটি আসতে পারত। ২০০৯ সালে ভারতের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সামরিক বাহিনীর জন্য স্বাধীন আপিল ট্রাইব্যুনাল স্থাপিত হয়েছে। ভারতের তত্কালীন রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিলের ভাষণের কিছু অংশ লেখক উল্লেখ করেছেন। আমাদের শাসক এবং বিজ্ঞজনদের উচিত এ থেকে উদ্বুদ্ধ হওয়া। ভারতের আইন কমিশনের রিপোর্টও আমাদের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে। এ নৃশংস ঘটনার বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে যে প্রশ্ন উপলব্ধি করা গেছে, তা থেকে সামরিক বাহিনীর আইনের সংস্কারের যে গুরুত্ব, তা ফেলে দেওয়া যাবে না।
মোহাম্মদ ফজেল করিম খান: ইনস্ট্রাক্টর ক্যাপ্টেন, বিএন (অব.); সাবেক জজ অ্যাডভোকেট জেনারেল, বাংলাদেশ নৌবাহিনী; বর্তমান প্রক্টর, গ্রিন ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ।
fazlekarim2002@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধীরে চালাও তরণী -চিরকুট by শাহাদুজ্জামান
একজন মাঝবয়সী লোক বেহালাবাদকের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর গতি একটু শ্লথ করেন মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য। মেট্রো আসতেই দ্রুত চলে যান তিনি। কিছুক্ষণ পর সেই বাদক তাঁর দিনের প্রথম কয়েনটি পান। আরও কিছু সময় পেরিয়ে গেলে একজন মহিলা চলতে চলতেই ফ্লোরে উল্টে রাখা বেহালাবাদকের টুপিতে ছুড়ে দেন আরেকটি কয়েন। মানুষের স্রোত চলেছে বেহালাবাদকের চারপাশ দিয়ে। একজন লোক সামনের দেয়ালে হেলান দিয়ে কিছুক্ষণ বেহালা শোনেন কিন্তু একটু পরই ঘড়ির দিকে তাকিয়ে আঁতকে উঠে সরে পড়েন। বেহালাবাদকের দিকে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দেয় একটি তিন বছরের শিশু। শিশুটি বেহালাবাদকের সামনে দাঁড়িয়ে একাগ্র হয়ে বেহালা শোনার চেষ্টা করে। কিন্তু তার মা তাকে ঠেলে নিয়ে যেতে থাকলে শিশুটি হাঁটতে হাঁটতে ঘাড় ঘুরিয়ে যতক্ষণ সম্ভব বেহালাবাদককে দেখতে থাকে। বেহালাবাদক ঘণ্টাখানেক পর তাঁর বাজনা থামান। বলা বাহুল্য, কোনো তালি বাজে না। মেট্রো স্টেশনে হঠাত্ নেমে আসে সংগীতহীন নীরবতা। বেহালাবাদক তাঁর টুপির কয়েনগুলো গুনে দেখেন, রোজগার হয়েছে সাকল্যে ৩২ ডলার।
কেউ টের পায় না, মেট্রোতে এতক্ষণ যিনি বেহালা বাজালেন তিনি আসলে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাদকদের একজন, জোসুয়া বেল, যাঁর সংগীত বিক্রি হয় মিলিয়ন ডলারে। মাত্র দুই দিন আগে বোস্টনে যাঁর কনসার্ট হয়ে গেছে, যে কনসার্টের প্রতিটি টিকিটের দাম ছিল ১০০ ডলার; কিন্তু একটি সাধারণ স্থানে, অনুপযোগী একটি সময়ে, অপ্রত্যাশিত একটি পরিস্থিতিতে কেউই চিনে উঠতে পারেনি জোসুয়া বেলকে। বেল মেট্রোতে ভিখারি সেজে বেহালা বাজিয়েছিলেন বস্তুত একটি গবেষণার অংশ হিসেবে। গবেষকেরা প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন, মানুষ যখন তাড়ায় থাকে তখন তার পক্ষে সৌন্দর্য উপভোগ করা সম্ভব হয় না। তার সামনে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সংগীতশিল্পী শ্রেষ্ঠতম সুর বাজালেও তা তার নজর এড়িয়ে যায়।
তাড়াহুড়ায় হয়তো অবিরাম আমরা জীবনের এমনি ছোট-বড় অগণিত মাধুরী উপেক্ষা করে যাচ্ছি। আমরা সবাই বস্তুত একেকটি তাড়া খাওয়া প্রাণীতে পরিণত হয়েছি। সিংহের হুঙ্কারে ভীত তাড়া খাওয়া জেব্রা যেমন ছুটে চলে প্রান্তরে। জীবিকার প্রতিযোগিতায় সিংহ হুঙ্কার দিচ্ছে পেছনে আর আমরা ছুটে চলেছি সবাই। প্রান্তরেই ছুটছি। জানি না, কোথায় ঠিক নিরাপদ আশ্রয়। ছুটে চলা মানুষের সময় কোথায় কাচপোকার ওড়াওড়ি দেখার। কান পেতে শোনার, কে গাইছে ‘পাগলা মনটারে তুই বাঁধ’। সৌন্দর্য উপভোগ করানোর জন্য চাই অবসর। ছুটে চলা মানুষ একে অন্যকেও বা জানবে কী করে? জীবনের লেনদেন এতটাই ব্যস্ত করে ফেলেছে আমাদের যে আমরা একে অন্যের কাছ থেকে কেবলই দূরে সরে যাচ্ছি, যেমন মহাশূন্যে তারারা নিরন্তর একে অন্যের কাছ থেকে দূরে সরে যায়। সব পাখি ঘরে ফিরলে, জীবনের সব লেনদেন ফুরালে যে অন্ধকার নামে সেখানে স্থির হয়ে মুখোমুখি বসলেই কেবল বনলতা সেনকে চেনা যায়।
জীবনের লেনদেন পশ্চিমা দুনিয়ায় এসে ঠেকেছে ভোগে আর আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশে নিছক টিকে থাকায়। দুটোর জন্যই ছুটতে হচ্ছে দুই পক্ষকে। সব মিলিয়ে আমাদের তুমুল ব্যতিব্যস্ত রাখছে জীবন। পশ্চিমা দুনিয়ার দ্রুততা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন এখানকার চিন্তাবিদেরাও। লেখক মিলান কুন্ডেরা সম্প্রতি উপন্যাস লিখেছেন স্লোনেস নামে। দ্রুততাকে তিনি তুলনা করেছেন বিস্মৃতির সঙ্গে, গতির মানসিক নেতিবাচকতার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করিয়েছেন তিনি। বাংলা উপন্যাসের পাঠকের কাছে অবধারিত মনে পড়ে যাবে যাযাবরের সেই পুরোনো সংলাপ, ‘বিজ্ঞান দিয়েছে বেগ, কেড়ে নিয়েছে আবেগ’। শুধু আবেগ নয়, পশ্চিমা দুনিয়ায় এখন জীবনই কেড়ে নিচ্ছে বেগ। ডায়রিয়া, যক্ষ্মা নয় পশ্চিমা বহু দেশে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মৃত্যুর অন্যতম কারণ এখন মোটরগাড়ি অ্যাকসিডেন্ট। নিজেদের তৈরি বাহারি গাড়িতে দ্রুততম সময় ছুটতে গিয়ে অবিরাম মরছে তারা। বহুকাল আগে জীবনানন্দ দাশ লিখেছিলেন, ‘মোটরগাড়ি আমার কাছে একটা বড় খটকার ব্যাপার মনে হয়। আমি যেখানে যেতে চাই সেখানে পায়ে হেঁটে যাবার অবসর আমার আছে।’ ব্যাপারটিকে নেহাত কবিসুলভ রোমান্টিকতা মনে হলেও কৌতূহলোদ্দীপকভাবে দেখতে পাচ্ছি, মোটরগাড়ি একটা খটকার ব্যাপার বলেই আজকাল জোরে আওয়াজ তুলছে পশ্চিমা দেশের বহু মানুষ। পরিবেশবিদেরা গাড়ির বিপক্ষে দাঁড়িয়েছেন।
ইউরোপের প্রায় ৪০টি দেশ বছরে এক দিন গাড়িবিহীন দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শহরের প্রাণকেন্দ্রে গাড়ি চালানো নিষিদ্ধ করে উচ্চ পার্কিং মূল্য ধার্য করে গাড়িকে নিরুত্সাহিত করার চেষ্টা চলছে। খটকার মোটরগাড়িগুলো আমাদের মতো চাপা শহরগুলোতে গাদাগাদি করে পাঠিয়ে ইউরোপের শহরগুলোতে জনপ্রিয় করার চেষ্টা চলছে বাইসাইকেল। বিপদ টের পেয়ে গতি শ্লথ করার একটা হাওয়া ওঠালেও ব্যাপারটি অত সহজ হচ্ছে না, কারণ পেছন থেকে শিং দিয়ে ঠেলছে গাড়ি ব্যবসায়ীর দল। আর শিং তো মনের ভেতরেই গজিয়েছে সবার, যে শিং বিলাসের, প্রতিযোগিতার। সেই শিংয়ের গুঁতোয় ছুটে চলা আর থামছে না। ছুটতে গিয়ে ওরা মরছে আর আমরা জট পাকিয়ে বসে আছি। কে জানে হয়তো রক্ষা হতো পুরোপুরি ডোবার আগে কেউ যদি সবার কানে কানে বলে যেত, ‘নাইয়া, ধীরে চালাও তরণী।’
শাহাদুজ্জামান: কথাসাহিত্যিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ওবামাকে কি হত্যা করা উচিত?’ -খোলা চোখে by হাসান ফেরদৌস
প্রমাণ অবশ্য অনেক আগে থেকেই পাচ্ছি আমরা। গত বছর নির্বাচনী প্রচারণার সময়ই ‘কিল ওবামা’ চিত্কার শুনেছিলাম। তিনি আরব ও মুসলমান, এমন কথা তো রিপাবলিকান প্রার্থী ম্যাককেইনের মুখের ওপর করা হয়, টিভির পর্দায় তা আমরা সবাই-ই দেখেছি। ম্যাককেইনের ‘রানিং মেট’ সারাহ পেলিন সরাসরি অভিযোগ করেছিলেন, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে ওবামার ওঠাবসা আছে। এখনো সুযোগ পেলেই সে কথা তিনি বলে যাচ্ছেন। উল্লেখযোগ্য সংখ্যাগরিষ্ঠতায় নির্বাচিত হওয়ার পরও ওবামার ওপর সাদা মানুষদের রাগ কমেনি, বরং বেড়েছে। এ দেশের সাদা মানুষদের একাংশ যে রাগে ফুঁসছে, আগস্ট মাসে তার ঢের প্রমাণ মেলে। ওবামা প্রশাসন স্বাস্থ্যবীমা প্রশ্নে যে প্রস্তাব রেখেছে, তার প্রতিবাদে সে সময় দেশের বিভিন্ন অংশে রিপাবলিকান দল বেশ কয়েকটি টাউনহল মিটিংয়ের আয়োজন করে। কিন্তু রাগটা শুধু স্বাস্থ্যবীমা নিয়ে নয়, ওবামাকে নিয়ে। তিনি যা যা করছেন, তার সব কিছুর বিরুদ্ধে। সেসব মিটিংয়ে ওবামাকে হিটলার বলা হয়েছে, স্তালিন ও কাস্ত্রোর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে; এমনকি বাঁদরের মতো ছবি এঁকে আফ্রিকায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে। দুই সপ্তাহ আগে ওয়াশিংটনে যে ওবামাবিরোধী জমায়েত হয়, তাতেও সেসব কথাই চেঁচিয়ে বলা হয়। লাখখানেক মানুষ সে জমায়েতে অংশ নেয়, ফক্স নিউজ চ্যানেল থেকে তা সরাসরি দেখানো হয়। সেখানে উপস্থিত অনেকে তথ্যমাধ্যমের কাছে সাক্ষাত্কারে আমেরিকার ফেডারেল ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার হুমকি দেন। কেউ কেউ এমন কথাও বলেন, ওবামার হাত থেকে বাঁচার জন্য সশস্ত্র বিদ্রোহ শুরু করতে হবে।
শুধু কথার কথা নয়, এসব রাগী মানুষের কেউ কেউ এখন লুকিয়ে বন্দুক সঙ্গে রাখছেন। ওবামা ভাষণ দেবেন বলে কথা আছে, এমন একাধিক সভায় তাঁরা বন্দুক বয়ে এনেছেন, এমন প্রমাণও পাওয়া গেছে। প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলসি সপ্তাহখানেক আগে এই বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে চড়া গলায় ও কুিসত ভাষায় ওবামাকে আক্রমণ করা হচ্ছে, তার ফলে একটা রক্তারক্তি কাণ্ড হয়ে গেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। তেমন ঘটনা ঘটাতে খুব বেশি লোকের দরকার নেই। কেনেডির ওপর কজন মানুষ গুলি চালিয়েছিল? মার্টিন লুথার কিং-কে গুলি করেছিল কে? সানফ্রান্সিসকোর প্রথম সমকামী নির্বাচিত প্রতিনিধি হার্ভে মিল্ককে হত্যার জন্য কটা বন্দুক লেগেছিল?
অথচ ওবামা যে কী এমন মহা অপরাধ করেছেন, যার জন্য তাঁকে হত্যার কথা বলা হতে পারে, তা বুঝে ওঠা যাচ্ছে না। এ পর্যন্ত তিনি এমন একটি কাজও করেননি, যা থেকে মনে হয় আমেরিকার শ্বেত সভ্যতা ধসে পড়ার উপক্রম। এমনকি স্বাস্থ্যবীমা প্রশ্নেও তিনি যা চান, ব্যক্তিগত বীমা কোম্পানির পাশাপাশি একটি সরকার পরিচালিত স্বাস্থ্য পরিচর্যাব্যবস্থা চালু করা, তাও যে কীভাবে শ্বেত সভ্যতার জন্য হুমকি হতে পারে, তা বোঝা সুস্থ মানুষের পক্ষে অসম্ভব। ওবামা নিজেও ঠিক বুঝে উঠতে পারছেন না। গত সপ্তাহে পিটসবার্গে যে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন হয়ে গেল, তাতে এক রাষ্ট্রপ্রধান ওবামাকে একান্তে ডেকে নিয়ে প্রশ্ন করেন, ‘ব্যাপারটা কী, একটু বুঝিয়ে বলুন তো? আপনি চাইছেন সবার যেন স্বাস্থ্যবীমা থাকে, আর সে জন্য ওরা আপনার ছবির ওপর হিটলারের মতো গোঁফ লাগাচ্ছে?’ উত্তরে ওবামা নিরীহের মতো বলেন, ‘ভাই, ব্যাপারটা তো আমার কাছেও পরিষ্কার নয়।’
আসলে ব্যাপারটা খুবই পরিষ্কার। সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার সে কথাই খোলাসা করে বলেছেন। এখন ওবামাবিরোধী যে হট্টগোল হচ্ছে, তার একটি বর্ণবাদী চেহারা রয়েছে। শ্বেত সভ্যতার শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাসী একদল লোক একজন কালো মানুষ হোয়াইট হাউসে আসন গেড়ে বসুক, তা মানতে এখনো প্রস্তুত নয়। আর সে কারণেই ওবামার জন্ম কোথায় তা নিয়ে সন্দেহ ছড়ানো হচ্ছে, তাঁকে মুসলমান ও আরব বলে প্রচার করা হচ্ছে। তাঁকে যে কমিউনিস্ট ও টেররিস্ট বলা হচ্ছে, তার কারণও ওই একটা। যেভাবেই হোক প্রেসিডেন্ট হিসেবে ওবামার ‘লেজিটিমেসি’ বা গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা, মানুষের মনে এমন সন্দেহ ঢুকিয়ে দেওয়া যে ওবামা সাদা আমেরিকানদের মতো মানুষ নন। তিনি ভিনদেশি, একজন ‘আউটসাইডার’, মিথ্যা বলে ক্ষমতা দখল করে বসেছেন।
কার্টারের কথা শুনে একদল সাদা মানুষ অবশ্য হা হা করে খেঁকিয়ে উঠেছে। তাদের মধ্যে দু-চারজন বুদ্ধিমান বলে পরিচিত মানুষজনও আছে। যেমন, নিউইয়র্ক টাইমসের কলামলেখক ডেভিড ব্রুকস। নিজেকে মধ্যপন্থী বলে পরিচিত করাতে ভালোবাসেন এই রক্ষণশীল সাংবাদিক-ভাষ্যকার। তাঁর বক্তব্য, আসলে এতে বর্ণবাদের কিছু নেই। আমেরিকান নাগরিকেরা সরকারের ক্রমবর্ধমান ভূমিকায় আতঙ্কিত। সরকারের ভূমিকা বাড়া মানে সাধারণ নাগরিকের ব্যক্তিস্বাধীনতা খর্ব হওয়া। হতে পারে কিছুটা কর্কশ গলায় প্রতিবাদ হয়েছে, কিন্তু তার কারণ মানুষজন সত্যি সত্যি ক্ষিপ্ত। রাজনৈতিক মতভেদের জন্য জর্জ বুশকে গাল দেওয়া হয়েছে, ক্লিনটনও কম আক্রমণের সম্মুখীন হননি। নিজের দেশের প্রেসিডেন্টকে সমালোচনা করা আমেরিকার গণতন্ত্রের এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য বা ‘হলমার্ক’। ওবামাও সে নিয়মের ব্যতিক্রম নন।
ডেভিড ব্রুকসের কথাটা এক কথায় উড়িয়ে দেওয়া ঠিক নয়। সম্মানিত কলামলেখক তিনি, দু-চারটে বইও তিনি লিখেছেন রাজনীতি ও ইতিহাস নিয়ে। কিন্তু ডেভিড যে কথা জেনেও না জানার ভান করছেন তা হলো, এর আগে অন্য কোনো প্রেসিডেন্ট—কার্টার বা ক্লিনটন—তাঁর গাত্রবর্ণের জন্য আলাদাভাবে চিহ্নিত হননি বা বর্ণগত কারণে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের বৈধতা বা গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হননি। ওপরে ওয়াশিংটন ডিসির যে ওবামাবিরোধী সভার কথা উল্লেখ করেছি, তাতে একটি পোস্টারের ভাষা ছিল এই রকম—‘চিড়িয়াখানায় আফ্রিকার সিংহ আছে আর হোয়াইট হাউসে আছে একজন মিথ্যুক আফ্রিকান।’ কিছুদিন আগে দক্ষিণ ক্যারোলাইনার এক চিড়িয়াখানা থেকে একটি গরিলা পালিয়ে গেলে সেখানকার এক রিপাবলিকান নেতা মন্তব্য করেন, মিশেল ওবামার এক আত্মীয় পালিয়েছে। এই দুটি উদাহরণ উল্লেখ করে নিউইয়র্ক টাইমসের আরেক কলামলেখক বব হার্বার্ট মন্তব্য করেছেন, এসব কথাবার্তার পেছনে যে বর্ণবাদী মনোভাব আছে, তা বোঝার জন্য কি আমাদের কার্টারের বকবকানি শোনার জন্য অপেক্ষা করতে হবে? এই সাধারণ সত্যিটা কি খোলাচোখেই ধরা পড়ে না? ‘হতে পারে বর্ণগত ভারসাম্য অর্জনে এ দেশ অনেকটা এগিয়েছে, কিন্তু যারা এ দেশে বর্ণবাদ নেই বলে দাবি করে, তারা আসলে চোখ বন্ধ করে পথ হাঁটে।’ হার্বার্টের এই মন্তব্য সম্ভবত তাঁর সতীর্থ ডেভিডের প্রতিই নিক্ষিপ্ত।
শুধু যদি অতি ডান বা অতি বাম গ্রুপগুলো ওবামার বিরুদ্ধে এই বর্ণভিত্তিক সমালোচনা করত, তাহলে উদ্বেগের কিছু থাকত না। সব দেশে সব সময়ই দু-চারটি ‘নাট কেস’ থাকে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এসব সমালোচনা ও ক্রুদ্ধ চিত্কার আসছে দেশের কোনো কোনো দায়িত্বসম্পন্ন রিপাবলিকান নেতাদের কাছ থেকে। যেসব রেডিও বা টিভিতে যে টক শোগুলো রিপাবলিকান সমর্থিত বলে পরিচিত, তারাই উগ্রপন্থী দলগুলোকে পেছনে থেকে সমর্থন জোগাচ্ছে। তাদের সবাই মূলধারার বলেই পরিচিত। যেমন, ওয়াশিংটনের ওবামাবিরোধী সমাবেশটি আয়োজন করে এ দেশের একটি প্রধান টিভি নেটওয়ার্ক ফক্সের এ সময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় উপস্থাপক গ্লেন বেক। হতে পারে বেক অতি দক্ষিণপন্থীদের মধ্যে নিজের জনপ্রিয়তা বাড়াতে নরম-গরম কথা বলছেন, কিন্তু তাঁর পেছনে ছাতা ধরে বসে আছেন খোদ রিপাবলিকান দলের প্রথম সারির নেতারা। অস্বীকার করি কী করে যে তাঁরাই এই বর্ণবাদী আগ্রাসনকে বৈধতা পেতে সাহায্য করছেন। ভয়টা সে কারণেই।
রিপাবলিকানরা কেন এমন বর্ণবাদী পথ বেছে নেবে, তার কারণ বোঝা খুব কঠিন নয়। দল হিসেবে রিপাবলিকান পার্টি এখন ছ্যাড়াব্যাড়া অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। দলের কোনো স্বীকৃত নেতা নেই। একমাত্র দক্ষিণের কৃষিপ্রধান ও অতি রক্ষণশীল রাজ্যসমূহ ছাড়া সারা দেশে কোথাও এই দলের শক্ত খুঁটিও নেই। টিকে থাকার জন্য দলের অবশিষ্ট নেতৃত্ব আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে নিজেদের ভিত বা ‘বেইস’-কে চাঙা করতে। রিপাবলিকানদের ‘বেইস’ মানে মূলত সাদা ও পুরুষ মানুষ, যাদের অধিকাংশের বয়স ৪০-এর ওপরে। ইভানজেলিক্যাল খ্রিষ্টান এসব লোকজন গর্ভপাত, সমকাম ও বহিরাগত কালো মানুষকে সমানভাবে ঘৃণা করে। রিপাবলিকানদের চোখে তাঁরা হলেন ‘ভ্যালুজ ভোটারস’। অর্থাত্ অন্য সবকিছুর ওপর তাঁরা নৈতিক মূল্যবোধের প্রশ্নগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন। ওবামা ও তাঁর প্রশাসনকে যদি গর্ভপাত ও সমকামের সমর্থক এবং বহিরাগতদের রক্ষক বলে প্রচার করা যায়, এসব মানুষ বিনা প্রশ্নেই সে কথায় বিশ্বাস করবে এবং তাঁর বিরুদ্ধে খেপে উঠবে। হয়েছেও তা-ই। স্বাস্থ্যবীমা প্রশ্নে ওবামা যে প্রস্তাব রেখেছেন তা বাস্তবায়িত হলে এখন বীমা নেই এমন প্রায় চার কোটি মানুষ উপকৃত হবে। এই চার কোটি মানুষের সিংহভাগই যে হয় কালো বা বহিরাগত, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। মুখে না বললেও যে যুক্তিটা রিপাবলিকানরা ফিসফিসে গলায় বলে বেড়াচ্ছে তা হলো, আমাদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে ওবামা এখন তাঁর এসব বন্ধু ও সমর্থকদের স্বাস্থ্য বীমার সুযোগ করে দিতে চাইছেন। আর তাতেই এই সাদা ভাইয়েরা রেগে টং।
মিথ্যা ও বিদ্বেষপূর্ণ প্রচারণা চালিয়ে রিপাবলিকানরা হয়তো স্বল্পমেয়াদি ফায়দা কিছু পাবে, কিন্তু আখেরে এতে তাদের লাভ কিছুই হবে না। শুধু সাদাদের ভোটে এ দেশে ক্ষমতা ধরে রাখা অসম্ভব। কারণ আমেরিকার জনসংখ্যার চিত্র বা ‘ডেমোগ্রাফি’ বদলে গেছে। কৃষ্ণকায় ও বহিরাগতদের, বিশেষত হিস্পানিকদের সমর্থন ছাড়া জাতীয় পর্যায়ে ক্ষমতা পুনরুদ্ধার কার্যত অসম্ভব। এই সহজ সত্যটা যে রিপাবলিকানরা নিজেরাও বোঝে না তা নয়। কিন্তু মুখ ফুটে সে কথা বলার মতো লোক এখন দলে আর নেই। যাঁরাও বা আছেন, ওবামাবিরোধী মারমুখো কর্মীদের সামনে তাঁরা ফুটো বেলুনের মতো চুপসে আছেন।
আমেরিকার গণতন্ত্রের তাজা অবস্থা দেখে এক সময় পৃথিবীর মানুষ বিস্মিত হতো। ওবামার বিজয়ের মধ্যে সেই তাজা গণতন্ত্রের এক বিজয়-উল্লম্ফন তারা দেখেছিল। এখন সেই গণতন্ত্রের যে হাল, তা দেখে এ দেশের চিন্তাশীল মানুষ উদ্বিগ্ন, ভীত। সন্দেহ নেই, খুব অল্পসংখ্যক মানুষ এবং রাজনৈতিক নেতা কথায় ও কাজে চূড়ান্তবাদী পথ অনুসরণে উত্সাহ জোগাচ্ছেন। তাঁদের যদি এখনই না ঠেকানো হয়, খুব বড় ধরনের এক সর্বনাশ হয়ে যাবে। আর সেটাই হবে আমেরিকার জন্য আসল ট্র্যাজেডি।
[পুনশ্চ: রক্ষণশীল ওয়েব পত্রিকা নিউজ ম্যাক্স—এ সুপরিচিত ভাষ্যকার জন এল পেরি ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এক নিবন্ধে প্রস্তাব করেছেন, আমেরিকার ‘ওবামা সমস্যা’ সমাধানের একটা পথ হতে পারে সামরিক অভ্যুত্থান। পেরি প্রস্তাব করেছেন, ‘রক্তপাতহীন ও সভ্য’ এই সামরিক অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকবেন একজন দেশপ্রেমিক জেনারেল। ওবামার সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমেই তিনি নির্বাহী ক্ষমতা নিজের হাতে নেবেন। অবশ্য বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিবাদ ওঠায় নিউজ ম্যাক্স পরে ওই লেখাটি ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নিয়েছে।]
২৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯, নিউইয়র্ক
হাসান ফেরদৌস: প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সড়ক কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে -সিলেটের ‘ভিআইপি’ সড়কের করুণ অবস্থা
বৃহস্পতিবারের প্রথম আলোর এক সচিত্র প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ‘ভিআইপি’ প্রকল্পের আওতাধীন সড়কটির উন্নয়নে ২২ কোটি টাকা ব্যয় করা হলেও এটি ২২ মাসও টেকেনি। কাজ সম্পন্ন করার পর ছয় মাস যেতে না যেতেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে আবার সংস্কার করা হয়। কিন্তু সংস্কার করা অংশেও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। অর্থাত্ সংস্কারের সময় যথাযথভাবে কাজটি করা হয়নি, মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়নি। কেন তা হয়নি, তা বুঝতে কষ্ট হওয়ার কথা নয়। সংস্কারের জন্য বরাদ্দ করা অর্থ যথাযথভাবে খরচ না করে পকেটে পুরে ফেলা হলেই এমন হওয়ার কথা।
সড়ক উন্নয়ন খাতে দুর্নীতির সংবাদ প্রতিনিয়ত পত্রিকার পাতায় দেখা যায়। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার ও লাগামহীন দুর্নীতি পরিস্থিতি ভয়াবহ করে তুলেছে। তাই সিলেটের সড়কটি সংস্কার হওয়া সত্ত্বেও এত দ্রুত কেন এ অবস্থা হলো, তা তদন্ত হওয়া দরকার। উন্নয়নকাজের দায়িত্ব যারা পেয়েছিল, তারা কী প্রক্রিয়ায় পেয়েছিল আর কীভাবে তা বাস্তবায়িত হলো, তা খতিয়ে দেখা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। আর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ তদারকির দায়িত্ব যাদের ছিল, তারা কী করেছে সেটাও দেখতে হবে। কোনো ভাগবাটোয়ারার ব্যাপার না থাকলে তো এই নিম্নমানের কাজ অনুমোদন হওয়ার কথা নয়।
ভালো যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন অনেকাংশে নির্ভর করে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থার ওপর। সন্দেহ নেই, সড়কের করুণ অবস্থা সৃষ্টির পেছনে কর্তৃপক্ষের অযত্ন ও অবহেলা অনেকাংশে দায়ী। জবাবদিহির অভাবে তারা পার পেয়ে যায়। সংস্কারের পরও সড়কের করুণ অবস্থা কেন হলো, এর যৌক্তিক ব্যাখ্যা কর্তৃপক্ষকে দিতে বাধ্য করা হলে এবং দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরা গেলে এ অবস্থার কিছুটা উন্নতি ঘটবে বলে আশা করা যায়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একজন শহীদ জননীর কথা -স্মর্রণ by সেলিনা আখতার
কবি আজ আর আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর এই অনবদ্য সৃষ্টি প্রত্যেক শহীদ জননীর হূদয়ে ধ্বনিত হবে প্রতিনিয়ত। অবাক হই এই ভেবে যে কবি কেমন করে এক সন্তানহারা মাতৃহূদয়ের ভাষা এমন নিখুঁতরূপে রচনা করতে সক্ষম হলেন।
১৯৫৭ সালের ২১ আগস্ট মিলনের জন্ম, ঢাকার রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে, যা হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল নামে আগে পরিচিত ছিল। মিলনের ছোটবেলার লেখাপড়ায় আমি ওকে সাহায্য করতাম। অষ্টম শ্রেণীতে ওঠার পর আমার বাবা ওর লেখাপড়ায় সাহায্য করতেন। সে সময় আজকের মতো প্রাইভেট টিউটর রাখার প্রবণতা ছিল না। খুব কমসংখ্যক অভিভাবকই তা চিন্তা করতেন। ছেলেবেলা থেকেই মিলন অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। খেলাধুলায় ও স্কুল চ্যাম্পিয়ন ছিল। ক্লাসে মেধা তালিকায় ওর প্রথম বা দ্বিতীয় বরাদ্দ থাকত। বর্তমান সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় শিল্পকলা বিভাগ থেকে মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান লাভ করে নটর ডেম কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়। মেডিকেল কলেজে ভর্তির এক বছর পর, মিলন ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়। বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী ছাত্রলীগ মেডিকেল শাখার মিলন ছিল সাহিত্য সম্পাদক, ক্রীড়া সম্পাদক এবং পরবর্তী ছাত্রলীগ মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি নির্বাচিত হয়। ছাত্রজীবন থেকেই মিলন বক্তৃতা, স্লোগানসর্বস্ব রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিল না। মিলন বিশ্বাস করত, রাজনৈতিক শিক্ষা গ্রহণ ব্যতীত রাজনীতি বোঝা সম্ভব নয়। দেশকে ভালো না বাসলে, দেশের অর্থনীতি না বুঝে এবং দেশে বিদ্যমান সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করতে না পারলে সমাজ বদলের বিপ্লবসাধন কোনো দিনই সম্ভব হয় না।
মিলন বিশ্বাস করত, চিকিত্সকদের কেবল রোগীর সেবা দেওয়ার মাধ্যমেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। চিকিত্সক, রোগীর সুসম্পর্ক ও সেবাদানের একটি পূর্বশর্ত। দেশের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দায়িত্বও চিকিত্সকদের। তাই সাধারণ মানুষের উপযোগী একটি গণমুখী স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নের লক্ষ্যেই তত্কালীন স্বৈরাচার এরশাদ সরকার প্রণীত, গণবিরোধী স্বাস্থ্যনীতির বিরুদ্ধে জঙ্গি আন্দোলন গড়ে তুলেছিল। এই আন্দোলন দীর্ঘদিন চলে। এরশাদ সরকার চিকিত্সকদের জনগণের চোখে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশে এবং আন্দোলনে ভাঙন ধরানোর অসত্ উপায় অবলম্বন করে নানা অপপ্রচার চালানো আরম্ভ করে। আন্দোলন দীর্ঘায়িত হওয়ায় মাঝে মাঝে মিলনকে বিষণ্ন মনে হতো। সরকারের এই অপপ্রচারে জনসমর্থন হারিয়ে ফেলার একটা আশঙ্কায় ও হয়তো কিছুটা শঙ্কিত হয়ে পড়ত। তবে ওই ভেতরের মানুষটি ছিল অত্যন্ত আশাবাদী, দৃঢ়প্রত্যায়ী, আপন আদর্শের প্রতি আস্থাশীল এবং অসম্ভব সাহসী মনের অধিকারী, যে মানুষটি কখনো হার মানতে জানত না।
নভেম্বর মাসে এরশাদবিরোধী আন্দোলন যখন জোরদার হলো, পেশাজীবী সংগঠনগুলো যখন আন্দোলনে অবতীর্ণ হলো এবং চিকিত্সকদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করল, তখন ও আশাবাদী হয়ে উঠল এবং একদিন আমাকে বলল, ‘দেখবেন, আমাদের এই আন্দোলনই স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের পতনের আন্দোলনের রূপ নেবে।’ সেদিন বুঝিনি, মিলনের মুখ থেকে নিঃসারিত এই অমোঘ উক্তটি ওর বুকের তাজা রক্ত দিয়ে ও বাস্তবে পরিণত করবে।
আজ দুঃখভারাক্রান্ত মন নিয়ে দেখি ‘রাজা আসে, রাজা যায়’, কিন্তু সাধারণ মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় না। মিলনের অন্তর্ধানের পর দেশ স্বৈরশাসনমুক্ত হয়, দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পায়। গত ১৯ বছরে দেশে চারটি নির্বাচিত সরকার দেশ শাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়।
দেশের রাজনীতিবিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই বলছি, তাঁরা বক্তৃতা-বিবৃতিতে বলে থাকেন, নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের নায়ক শহীদ ডা. মিলন। তার আত্মাহুতির মধ্য দিয়েই দীর্ঘ নয় বছরের সৈরশাসনের পতন ঘটে। কিন্তু ব্যথিত হই, যখন দেখি বিগত ১৯ বছরের চারটি গণতান্ত্রিক সরকার তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এমনকি তার হত্যার বিচার করার জন্যও কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। আশা করছি, স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি, গণতন্ত্র ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এ সরকার মিলন হত্যার পুনর্বিচারে আন্তরিক প্রচেষ্টা নেবে এবং মিলনের স্মৃতি রক্ষার্থে একটি সড়কের নামকরণ করবে।
বর্তমান সরকার কিছু কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধন করেছে সন্দেহ নেই। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য—সব ক্ষেত্রেই। ইতিমধ্যে সরকার একটি স্বাস্থ্যনীতির রূপরেখাও করেছে বলে জানতে পেরেছি। সরকারের আন্তরিকতা থাকলে স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং বিশেষ করে নবনির্বাচিত বিএমের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এবার একটি গণমুখী স্বাস্থ্যনীতি প্রবর্তিত হবে বলেই আশা করছি। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত সদস্যরা প্রায় সবাই এরশাদ সরকারের গণবিরোধী স্বাস্থ্যনীতি আন্দোলনে মিলনের সহযোদ্ধা ছিলেন। তাই মিলনের স্বপ্নকে সার্থক করার ব্যাপারে তাদের আন্তরিকতার অভাব হবে না বলেই আমার বিশ্বাস। দুস্থ, অসহায় সাধারণ মানুষের কাছে চিকিত্সাসেবা সহজলভ্য করতে হলে একটি ওষুধনীতিরও প্রয়োজন আছে। আমার প্রত্যাশা, এদিকেও তারা সজাগ দৃষ্টি রাখবে। তারা ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মিলনের স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালাবে, গ্রামের দুস্থ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করে তুলবে—এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি। তাহলেই মিলনের আত্মদান সার্থক হবে। মিলনের স্বপ্ন বাস্তব রূপ লাভ করবে।
সেলিনা আখতার: শহীদ মিলনের মা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে আত্মোত্সর্গ -ঈদুল আজহা by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
কোরবানি করার বিষয়টি মানব ইতিহাসের মতোই প্রাচীন। নবী করিম (সা.)-এর শরিয়তের আগেও এর প্রচলন ছিল। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে হজরত আদম (আ.) থেকে হজরত মুহাম্মদ (সা.) পর্যন্ত সব নবী-রাসূল ও তাঁদের অনুসারীরা কোরবানি করেছেন। তবে একেক উম্মতের কোরবানির পদ্ধতি ছিল বিভিন্ন রকম। ইতিহাসে হজরত আদম (আ.)-এর দুই পুত্র হাবিল-কাবিলের মাধ্যমে সর্বপ্রথম কোরবানির সূত্রপাত হয়। আল্লাহ তাআলা তাদের কোরবানির কথা উল্লেখ করেছেন, ‘(হে নবী!) আর তুমি তাদের আদমের পুত্রদ্বয়ের (হাবিল-কাবিলের) ঘটনা সঠিকভাবে শুনিয়ে দাও। যখন উভয়েই এক একটি কোরবানি উপস্থিত করল এবং তন্মধ্য থেকে একজনের (হাবিলের) কোরবানি কবুল হলো আর অপরজনের কবুল হলো না; সেই অপরজন বলতে আরম্ভ করল, আমি তোমাকে অবশ্যই হত্যা করব। উত্তরে সে বলল, ‘আল্লাহ ধর্মভীরুদের কোরবানি কবুল করে থাকেন।’ (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত: ২৭)
এরপর আল্লাহর নবী হজরত নূহ (আ.), হজরত ইয়াকুব (আ.) ও হজরত মূসা (আ.)-এর সময়ও কোরবানির প্রচলন ছিল। মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইবরাহিম (আ.) আল্লাহ-প্রেমে স্বীয় পুত্রকে কোরবানি করার মহাপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এক অবিস্মরণীয় ইতিহাস সৃষ্টি করেন। আজ থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বছর আগে হজরত ইবরাহিম (আ.) স্বপ্নযোগে সবচেয়ে প্রিয় বস্তু ত্যাগের জন্য আদিষ্ট হন। তিনি পরপর তিন দিন দৈনিক ১০০ করে মোট ৩০০ উট কোরবানি করেন। কিন্তু কোরবানি কবুল হলো না, বারবার আদেশ করা হলো, ‘তোমার প্রিয় বস্তু কোরবানি কর’। শেষ পর্যন্ত তিনি বুঝতে পারলেন, প্রাণাধিক প্রিয়পুত্র হজরত ইসমাঈল (আ.) কে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য উত্সর্গ করতে হবে।
শিশুপুত্র হজরত ইসমাঈল (আ.) নিজের জানকে আল্লাহর রাহে উত্সর্গ করতে নির্দ্বিধায় সম্মত হয়ে আত্মত্যাগের বিস্ময়কর দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। বস্তুত হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর প্রতি এটা ছিল আল্লাহ তাআলার কঠিন পরীক্ষা মাত্র। তাই ধারালো ছুরি হজরত ইসমাঈল (আ.)-এর একটি পশমও কাটতে পারেনি। এর পরিবর্তে আল্লাহর হুকুমে বেহেশত থেকে দুম্বা এসে হাজির হয়। পৃথিবীর বুকে এটাই ছিল স্রষ্টাপ্রেমে সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ কোরবানি। আত্মত্যাগের সুমহান ও অনুপম দৃষ্টান্তকে চিরস্মরণীয় করে রাখার জন্য আল্লাহ তাআলা উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য কোরবানি করাকে ওয়াজিব করে দিয়েছেন। তাঁদের স্মরণে এ বিধান অনাদিকাল তথা রোজ কিয়ামত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহর সমীপে না তার গোশত পৌঁছে, আর না তার রক্ত; বরং আল্লাহর কাছে তোমাদের তাকওয়া পৌঁছে থাকে।’ (সূরা আল-হজ, আয়াত: ৩৭)
কাল পরিক্রমায় প্রতিবছর হজের পরে ঈদুল আজহা ফিরে আসে। ঈদুল আজহার প্রধান আকর্ষণ ও গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো কোরবানি। ঈদের দিন কোরবানিকে কেন্দ্র করে ধুমধামের সঙ্গে চলে ঈদের মহোত্সব। রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘কোরবানির দিন রক্ত প্রবাহিত করার চেয়ে প্রিয় কোনো আমল আল্লাহর কাছে নেই। কোরবানিকারী কিয়ামতের দিন জবেহকৃত পশুর লোম, শিং, খুর, পশম ইত্যাদি নিয়ে আল্লাহর কাছে উপস্থিত হবে। কোরবানির রক্ত জমিনে পতিত হওয়ার আগেই তা আল্লাহর কাছে বিশেষ মর্যাদায় পৌঁছে যায়। অতএব, তোমরা কোরবানির সঙ্গে নিঃসংকোচ ও প্রফুল্লমন হও।’ (ইবনে মাজা, তিরমিজি)
কোরবানির মর্মবাণী সম্পূর্ণ ভিন্নতর। কোরবানির গোশত তিন ভাগ করে এক ভাগ নিজের, এক ভাগ আত্মীয়-স্বজনদের ও এক ভাগ গরিবদের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া মুস্তাহাব। কোরবানির চামড়া বা তার নগদ অর্থ গরিব-দুঃখীদের দান করে দিতে হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগে আক্রান্ত, দীন-দুঃখী ও শীতার্তরাও যাতে ঈদের আনন্দ করতে পারে সে লক্ষ্যে কেবল ভোগ নয়, ত্যাগ-তিতিক্ষার মনোভাব নিয়ে তাদের মধ্যে কোরবানির গোশত অকাতরে বিলিয়ে দিতে হবে এবং তাদের দান-খয়রাত করতে হবে। মুমিন মুসলমানদের মনে রাখা প্রয়োজন হালাল উপার্জন, ইখলাস এবং একনিষ্ঠতাই হলো কোরবানি কবুল হওয়ার অপরিহার্য শর্ত। কোরবানি হতে হবে একমাত্র আল্লাহ তাআলাকে খুশি করার জন্য। এ মর্মে পবিত্র কোরআনে ঘোষিত হয়েছে, ‘বলো! আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও মৃত্যু, সবকিছু আল্লাহর জন্য, যিনি সারা জাহানের মালিক ও প্রভু।’ (সূরা আল-আনআম, আয়াত: ১৬২)
ঈদুল আজহা আমাদের শিক্ষা দেয় আল্লাহপ্রেমে পূর্ণ তাকওয়া বা আল্লাহভীতি ও মনের একাগ্রতা নিয়ে কোরবানি করতে হবে, লোক দেখানোর জন্য নয়। জিলহজ মাসের ১০ তারিখ মুসলিম বিশ্বের সর্বত্র এ কোরবানির উত্সব বা ঈদুল আজহা শুধু প্রতীকী অনুষ্ঠান মাত্র নয়। এর প্রকৃত রূপ হলো মনের গভীরে আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও তাকওয়া নিয়ে প্রিয় বস্তু তাঁর নামে উত্সর্গ করা। তাই কোরবানির মধ্যে ইহলৌকিক ও পারলৌকিক উভয় কল্যাণ নিহিত রয়েছে। আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, ‘আর (কোরবানির) উটগুলোকে আমি তোমাদের জন্য আল্লাহর অন্যতম নিদর্শন করেছি। এতে তোমাদের বহুবিধ কল্যাণ নিহিত আছে।’ (সূরা আল-হজ, আয়াত: ৩৬)
যুগে যুগে নবী-রাসূলগণ সুদৃঢ় প্রত্যয় ও ঈমানী শক্তিতে বলীয়ান হয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে নিজেদের বিলিয়ে দিয়েছেন। পরবর্তী সময়ে তাঁদের অনুসারীরাও তাঁদের অনুসৃত পথে চলেছেন। তাই মুসলমানদের শুধু কোরবানির প্রতীক হিসেবে পশু জবাইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। বরং হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর মতো স্রষ্টাপ্রেমে জাগরিত হয়ে জানমাল নিয়ে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসতে হবে। বিশ্ব মানবতার কল্যাণের জন্য সবাইকে উত্সর্গিত ও নিবেদিতপ্রাণ হতে হবে। পশু কোরবানির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের অন্তর থেকে পাশবিক শক্তিকেও কোরবানি করে দিতে হবে। প্রকৃতপক্ষে কোরবানি জীব-জানোয়ার বা পশু হনন করতে আসে না, বরং গৃহপালিত পশু কোরবানির মাধ্যমে পাশবিক প্রবৃত্তিকে বিসর্জন দিয়ে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার যে এটি একটি উত্তম ব্যবস্থা সে অতিসূক্ষ্ম কথাটি স্মরণ করিয়ে দিতে ঈদুল আজহা প্রতিবছর ফিরে আসে।
আসুন, আমরা সবাই মিলেমিশে ইসলামের ইতিহাসে কোরবানির সঠিক দীক্ষা নিয়ে সুন্দর সচেতন সুশীল সমাজ, পাপমুক্ত পরিবেশ, হিংসামুক্ত রাজনীতি, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, সন্ত্রাসমুক্ত দেশ, প্রেম ও ভালোবাসা বিজড়িত বিশ্ব গড়ে তুলি। ত্যাগ-উত্সর্গের মাধ্যমে অসহায় নিরন্ন-আশ্রয়হীন প্রাকৃতিক দুর্যোগে আক্রান্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটাই। তাহলেই ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও জাতীয় জীবনে নেমে আসবে অনাবিল সুখ-শান্তির ফল্গুধারা, আর আদায় হবে পবিত্র ঈদুল আজহায় পশু কোরবানির পরম সার্থকতা।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক একাডেমী, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়।
dr.munimkhan@yahoo
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঈদ মানে সবার জন্য আনন্দ -উৎসব by মোজাফ্ফর আহমদ
সবার জন্য স্বাস্থ্য এমনি আরেকটি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক প্রক্রিয়া। সুস্বাস্থ্য কেবল সুন্দর জীবনের ভিত রচনা করে না, এটি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে নীরব, মঙ্গলদায়ী ও কর্মক্ষম সমাজের অবস্থা নির্ণয় করে। এ কাজও অনেক কঠিন। আমরা জানি যে অনেক উন্নত দেশে আজও সবার জন্য স্বাস্থ্য অর্জন করা সম্ভব হয়নি। বিষম সমাজ অনেককে সক্ষমতার গণ্ডিতে প্রবেশই করতে দেয় না। দুস্থ ও বঞ্চিত মানুষ সমাজের নানা স্তরে নানাভাবে ছড়িয়ে থাকে। শারীরিকভাবে সুস্থ হলেও মানসিকভাবে নানা কারণে নানা সময়ে বিভিন্ন জন অসুস্থ থেকে সমাজের অস্থিরতার সৃষ্টি করে। এর ফলে আত্মহনন থেকে অন্যের অধিকার হরণের বিচিত্র মানসিকতা আমরা বিভিন্ন সময়ে ইতিহাসের নানা বাঁকে, সমাজের নানা স্তরে বিচিত্ররূপে দেখতে পেয়েছি।
এই পরিপ্রেক্ষিতে সবার জন্য আনন্দ—আমাদের আদর্শই স্মরণ করিয়ে দেয়—এটি নিশ্চিত করতে হলে সমাজকে প্রস্তুত হতে হয়। অন্যভাবে বললে, সমাজকে প্রস্তুত করতে হয়। যে সমাজ মানুষের একত্ম এবং বহুবিধ বিভিন্নতাকে গ্রহণ করে এর মনুষ্যত্ববিনাশী মননকে ত্যাগ করতে পারে, সে সমাজেই বিচ্ছিন্নতা সত্ত্বেও একে অন্যের জন্য সংবেদী মন সৃষ্টি হয়। যখন আমরা অন্যকে কাছে টানতে ব্যর্থ হই, বিভেদ যেখানে বড় হয়ে ওঠে, সেখানে সুন্দরকে আমরা গ্রহণ করতে পারি না, সেখানে এই আনন্দের সমদর্শিতা সম্ভব হয়ে ওঠে না। এই আনন্দের একটি ভিত হলো অন্যের জন্য অনুভব করা এবং অন্যের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়া। আজকালকার ব্যক্তিতান্ত্রিক সমাজে প্রতিযোগিতার নামে আমরা মানুষকে কাছে না টেনে অনেক সময়ই দূরে ঠেলে দিই। আমরা এগিয়ে যেতে চাই, তাই অন্যকে পেছনে ফেলে দিই। সবাই মিলে এগিয়ে যাওয়ার যে আনন্দ সেটা আমাদের হূদয়ে অনুভবও করি না। মানুষ যখন সৃষ্টিকর্তার নামে এক সারিতে দাঁড়ায়, সেটা কেবল তথাকথিত সাম্য ও ঐক্যের প্রতীক নয়। সেখানে সুষম সমাজের একটি আন্তরিক কামনা ও বাসনা বিমূর্ত হয়ে ওঠে।
আজকালকার বস্তুবাদী সমাজে ভাববাদী আনন্দের বিষয়টি অনেক সময়ই উপেক্ষার বিষয় হয়। তবে স্মরণ রাখতে হবে, ভাববাদী আনন্দেরও একটি বস্তুগত ভিত্তি থাকতে হয়। সেই বস্তুগত ভিত্তি তৈরি হতে হয় সামাজিক প্রক্রিয়ায়, যেখানে বিত্ত এক মানুষের পরিচয় নয়, তার চিত্তের সম্পদ তাকে বিশিষ্টভাবে চিহ্নিত করে দেয়। আজকের পৃথিবীতে আমরা উন্নয়নের মাপকাঠিতে বিভাজিত নানা স্তরে দেশগুলোকে দেখি। আমরা এও দেখি যে, নানা দেশের মধ্যে যে আন্তসম্পর্ক সেখানে নৈতিকতা ও নীতিমান্যতা নানাভাবে বিঘ্নিত হয়। যার প্রাযুক্তিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা যত বেশি, পৃথিবীর নানা সম্পর্কীয় রঙ্গমঞ্চে সে তত প্রভাবশালী হয়ে ওঠে। নিজের ভোগবাদিতার মাধ্যমে ও ক্ষমতা সংরক্ষণের জন্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সংঘাতের মধ্য দিয়ে আজ পৃথিবীর পরিবেশ এক সংকটময় অবস্থানে এসে উপনীত। এই অতিভোগবাদিতা ও ক্ষমতালিপ্সা আমাদের সভ্যতাকেই বিপন্ন করে তুলেছে। সেখানেও আমরা দেখতে পাই শক্তিধরের ভোগবাদী জীবনের আকাঙ্ক্ষা। পৃথিবীর শতকোটি বঞ্চিত মানুষের মৌলিক অধিকারকে অস্বীকার করার এক মানসিকতা যেটা শিক্ষিত মনন ও সুস্থ মানসিকতার পরিচয় বহন করে না। আমাদের সমাজেও এই দুষ্ট ক্ষতের নানা পরিচয় নানাভাবে আমরা প্রত্যক্ষ করি। এখানে যার অনেক আছে সে আরও অনেক চায়। যার ক্ষমতা আছে সে মঙ্গলের জন্য নিজেকে নিবিষ্ট না করে অন্যের অমঙ্গলের মাধ্যমে নিজের স্ফীত ভোগবাদী মানসিকতার পরিচয় রাখে। সে কারণে যখন আমাদের দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ দারিদ্র্য, বঞ্চনা ও তীব্র দুঃখ-কষ্টের যাতনায় পিষ্ট হয়, তখন নানা রকম বাণিজ্যিক বিপণন ও ভোগবাদী নানা পণ্যের বিভিন্ন রকম প্রসার এই কষ্ট ও দুঃখকে আরও তীব্র করে তোলে।
সবার জন্য আনন্দ নিশ্চিত করতে কেবল ধর্মীয় অনুশাসনের কারণে দান ও খয়রাত যথেষ্ট নয়। এই আনন্দ সর্বজনীন হয়ে উঠতে সমাজব্যবস্থাকেই পরিবর্তনের প্রয়োজন। সে সঙ্গে রাষ্ট্রযন্ত্রেরও পরিবর্তন আবশ্যক। রাষ্ট্রকে হতে হবে সর্ব মানুষের কল্যাণে নিরত একটি সেবাধর্মী ও মাঙ্গলিক ব্যবস্থা, যেখানে সবার অধিকার সমান হতে হবে, সবার কণ্ঠের উচ্চারণ শ্রুত হতে হবে, সবার মন ও মানসিকতা এমন হতে হবে যেখানে অন্যের বঞ্চনা নিজের বঞ্চনা বলে মনে হবে এবং সে কারণে বঞ্চনা বিদূরণে রাষ্ট্রের দায়িত্ব লাভকারী প্রতিনিধিরা প্রথমে অন্যের মঙ্গলে নিজেকে সঁপে দেবেন। যেমনটি—আমাদের কাছে এখন রূপকথার মতো শোনায়—সেই প্রজাহিতৈষী মানবতাবাদী খলিফা ও শাসকদের মধ্যে দেখেছি এবং যেটা ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হয়ে আছে। ক্ষমতা যে দায়িত্বের অন্যরূপ এবং ক্ষমতার ব্যবহার যে দায়বদ্ধরূপে করতে হয় এবং ক্ষমতা ব্যবহার যে জবাবদিহির জন্ম দেয়, এ চেতনা আজ সমুন্নত নয় বলেই রাষ্ট্রযন্ত্রের ব্যবহার হয় এমনভাবে যেখানে ক্ষুদ্রস্বার্থ বৃহত্ স্বার্থকে দলিত করে, গোষ্ঠীস্বার্থ বা দলগত স্বার্থ মানবতাকে নিপিষ্ট করে। এই রাষ্ট্রযন্ত্র পরিবর্তনে প্রয়োজন হয় সমাজের স্তরীকরণকে ভেঙে মানুষকে এবং সে সঙ্গে নানা জীব ও সৃষ্টির অন্য সম্পদকে এমনভাবে বিবেচনায় আনা, যেখানে অন্যের প্রয়োজন অনেক বেশি গুরুত্ব পায়, নিজের প্রয়োজন, স্বার্থ ও নিরাপত্তার চেয়ে।
এই সমাজ বিনির্মাণে আমাদের সকল কর্মে মানবিক নীতিমান্যতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আজকালকার পৃথিবীতে নানাভাবে মানবতা লাঞ্ছিত হয়, অন্যের অধিকার অস্বীকৃত থেকে যায় এবং বৈষম্যকে আমরা অগ্রগমনের মাপকাঠি বলে ধরে নিই। এ কারণে নানাভাবে আমাদের সমাজে ঢুকে পড়ে তথাকথিত উন্নয়ন সংস্থা, যারা আত্মশক্তি সৃষ্টি না করে একটি পরনির্ভরশীল অবস্থা ও মানসিকতার জন্ম দেয়। এই পৃথিবীতে নানাভাবে আমরা একে অন্যের সাহায্য গ্রহণ করি, একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল থাকি। কিন্তু সে সম্পর্কের ভিত্তি হলো সমদর্শিতা এবং সমসক্ষমতা। যেখানেই এর ব্যত্যয় ঘটে, সেখানেই আসে এর বিভাজন, বিভাজন থেকে বৈষম্য, বৈষম্য থেকে নিরানন্দ অবস্থান।
আমরা যখন যান্ত্রিকভাবে ঈদের উত্সব পালন করি, তখন সবার জন্য আনন্দ এই ভাবনা আমাদের ভেতরে থাকে না। আমরা আমাদের নিয়েই ব্যস্ত থাকি। নিকটজনের আনন্দকেই প্রাধান্য দিই এবং এই বাণিজ্যিকায়নকৃত প্রতিযোগী সমাজে কারণে-অকারণে বঞ্চিত হওয়ার বেদনা অনুভব করি। যদি আমরা এই বিষম পৃথিবীর বিভিন্নভাবে অর্থনৈতিক ও সমাজিকভাবে স্তরীকৃত মানুষের মধ্যে আমাদের চেয়ে নিচে যাদের অবস্থান, তাদের কথা ভাবতে পারতাম, তাদের কাছে যেতে পারতাম এবং তাদের আনন্দিত করে আনন্দ উপভোগের চেতনা সৃষ্টি করতে পারতাম, তাহলে ঈদের আনন্দ এক ভিন্ন মাত্রা পেতে পারত।
সবার জন্য আনন্দ বাস্তবায়িত করতে হলে অন্যের আনন্দকে অগ্রাধিকার দিতে হয় এবং সে স্বীকৃতি কেবল একটি উচ্চারণ হলে হবে না। এর স্বীকৃতির জন্য যে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার প্রয়োজন, সেটি অনেক সময়ই প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা থেকে পাওয়া যায় না। সে কারণে আমরা অনেক শিক্ষিত ব্যক্তিকেন্দ্রিক সফল ব্যক্তিত্বকে বিচরণ করতে দেখি আমাদের ব্যবসায়-বাণিজ্যে, নানাবিধ কর্মে, রাজনীতিতে ও নানাবিধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে। এই শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর মন ও মননে প্রাপ্তির যে হিসাব আছে, সে হিসাবে অন্যের কাছে নিজের দায়বদ্ধতা ও দায়িত্বের কোনো স্থিতিপত্র থাকে না। একজনকে বস্তুগতভাবে সফল হতে যেমন কর্মদক্ষতার প্রয়োজন হয়, তেমনি আমাদের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থায় এমন এক অবস্থার উপস্থিতি থাকে, যেখানে অন্যের প্রতি দায়িত্ব একটা সীমিত দৃষ্টিকোণ থেকেই দেখা হয়। দান ও অনুদানে এই দায়বদ্ধতার নিরসন হয় বলে একটি মানসিক পরিমণ্ডল সৃষ্টি হয়।
এ সমাজব্যবস্থায় কীর্তিমান মানুষ অনেক সময়ই ভুলে যান যে, অন্যের নানা অবদানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে তাঁর জীবন সমৃদ্ধ হয়েছে। কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রম তাঁকে খাদ্য জুগিয়েছে অথচ সেই প্রান্তিক কৃষক অনেক সময় কাটিয়েছেন অনাহারে বা অর্ধাহারে। যেহেতু এই বাস্তবতা প্রত্যক্ষ নয়, সে কারণে জীবনে সফল অনেকেই এই কৃষকের কাছে ঋণকে হূদয়ে অনুভব করেন না। যে শ্রমিক বা তন্তুবায়ী তাঁর শখের বস্ত্র জুগিয়েছেন, তাঁর কথাও কি তাঁর মনে থাকে? হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে যারা যোগাযোগের রাস্তা তৈরি করেছে, সেই রাস্তায় যান্ত্রিক যানে পরিভ্রমণের সময় আমাদের কারও তার কাছে ঋণ স্বীকার করার মানসিকতা থাকে না। আমাদের জীবন এমন বস্তুতান্ত্রিক ও যান্ত্রিক হয়ে উঠেছে যে, উত্পাদন সম্পর্কের নানা স্তরে নানা মানুষের এই শ্রমঘন অবস্থান আমরা নিজেদের আনন্দ-অনুভবে কখনোই স্মৃতিতে আনি না। এর ফলে সবার জন্য আনন্দ বাস্তব হয়ে ওঠে না। বরং এমন এক ধারণার মধ্যে আমরা বাস করি যে, নানাভাবে বঞ্চনার হাতিয়ার যে বাজারব্যবস্থা সে ব্যবস্থাই ওই বঞ্চিতদের যথার্থ মূল্য দিয়েছে, এমনি একটা ভাবনা আমাদের তুষ্ট রাখে।
এই বিষম অবস্থান থেকে বেরিয়ে আসতে হলে আমাদের যেসব মানুষ আজ নিচে পড়ে আছে, যারা সুযোগের অভাবে এই ত্রুটিযুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থায় সমসুযোগের অধিকার হারিয়েছে, তাদের কাছে যেতে হবে। তাদের বেদনা অনুভব করতে হবে। তাদের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করতে হবে এবং আর্থসামাজিকভাবে তার ভেতরে যে সম্ভাবনা আছে সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবায়নের পথ সৃষ্টি করে দিতে হবে। ঈদের জামাতে এক কাতারে দাঁড়িয়ে যখন মানুষে মানুষে ভেদাভেদহীন অবস্থানের প্রতীকী চিত্র আমরা আঁকি তখন যেন আমরা আমাদের এই সামাজিক দায়িত্ব স্মরণ রাখি। ক্ষণিকের এক সারিতে দাঁড়ানো কিন্তু সমাজের সবার জন্য সুষম অবস্থানের বাস্তব চিত্রের পরিচিতি নয়। সবার জন্য আনন্দ বাস্তব হতে হলে সমাজ ও রাষ্ট্রক্ষমতায় এই সমতা ও ঐক্যের সৃষ্টি করতে হবে। তা না হলে ক্ষণিকের দয়া-দাক্ষিণ্য সবার মধ্যে মানবিক মূল্যবোধের ঐকতান সৃষ্টি করবে না। সেই ঐকতানের মূর্ছনা সৃষ্টিই হোক আজকের দিনের প্রত্যয়, আমাদের অঙ্গীকার।
মোজাফ্ফর আহমদ: অর্থনীতিবিদ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিদেশে কর্মরত নারীদের নিরাপত্তা -বাংলাদেশ দূতাবাসের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন
প্রবাসী বাঙালিরা দেশের অর্থনীতিতে ক্রমবর্ধমান হারে অবদান রাখছেন। বাংলাদেশের মোট দেশজ আয়ের (জিডিপি) প্রায় ৯ দশমিক ৪ শতাংশ (২০০৭ সালের হিসাবে) আসে প্রবাসীদের আয় থেকে। সুতরাং এই খাতের সুষ্ঠু বিকাশ জাতীয় অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু নারীকর্মীরা যদি এভাবে নির্যাতিত ও নিগৃহীত হতে থাকেন, তাহলে তাঁদের প্রবাসে কাজ করাই অসম্ভব হয়ে পড়বে। একশ্রেণীর অর্থলোভী লোক প্রবাসে কর্মী প্রেরণের নামে প্রতারণা করে। ভালো বেতন ও সুযোগ-সুবিধার কথা বলে বিদেশে পাঠানোর পর বিশেষত নারীকর্মীরা অসহায় অবস্থায় পড়েন। তাঁদের অমানবিক কাজে নিয়োগ করা হয়। জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশের গৃহকর্মীরা বাহরাইন ও দুবাইয়ে মাসে মাত্র ১০০ ডলারের মতো বেতনে কাজ করতে বাধ্য হন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় সাত হাজার টাকারও কম। সেখানে ন্যূনতম বেতন বলতে কিছু নেই। না আছে শ্রম আইন, না আছে অন্যায়ের প্রতিবাদের উপায়। যেসব আদম-ব্যবসায়ী জেনেশুনে সরলমনা বাঙালি নারীদের প্রতারিত করে, যারা এ ধরনের পাপকাজে লিপ্ত, তাদের বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। এ ব্যাপারে কোনো ধরনের শিথিলতা চলতে দেওয়া যায় না।
আমাদের দেশে কর্মীদের বিদেশে কাজ নিয়ে যাওয়ার আগে ও ফিরে আসার পর ভালো প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ব্যবস্থা কার্যকর করা হলে সমস্যা কিছুটা কমিয়ে আনা যাবে। তবে প্রবাসে যাওয়ার পর যেন সেখানে নারীরা প্রয়োজনে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে যোগাযোগ করতে পারেন, সে ব্যবস্থা করা দরকার। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের দূতাবাসগুলোতে বিশেষ সেল বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা থাকা দরকার, যাঁরা বিশেষভাবে নারীকর্মীদের নির্যাতনের যেকোনো ঘটনায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেন। প্রবাসী নারীকর্মীদের কাছে মোবাইল ফোন ও দূতাবাসে জরুরি যোগাযোগের নম্বর থাকলে বিপদ-আপদে সহিংসতার শিকার নারীরা খুব উপকৃত হবেন। এ ধরনের একটি পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলে জানা গেছে। আমরা আশা করব, ব্যবস্থাটি যেন দ্রুত বাস্তবায়ন করা হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পবিত্র ঈদুল আজহা -আনন্দ ও ত্যাগে শুদ্ধ হোক জীবন
পবিত্র ঈদুল আজহায় আল্লাহর নৈকট্য, করুণা ও আনুগত্য লাভের জন্য মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি দেবে। পেছনে ফিরলে দেখা যাবে, আল্লাহ তাআলা হজরত ইব্রাহিম (আ.)কে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তাঁর সবচেয়ে প্রিয় বস্তু কোরবানি দিতে। আল্লাহ তাঁর নবীকে পরীক্ষা করতে চেয়েছিলেন। স্নেহের পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.) ছিলেন হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সবচেয়ে প্রিয়। পিতা হয়ে পুত্রকে কোরবানি দেওয়া অসম্ভব কাজ। কিন্তু আল্লাহর নির্দেশপ্রাপ্ত হয়ে হজরত ইব্রাহিম (আ.) বিনা দ্বিধায় নিজ পুত্রকে কোরবানি দিতে উদ্যত হয়েই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। মহান আল্লাহর নির্দেশে তাঁর ছুরির নিচে হজরত ইসমাইল (আ.)-এর স্থলে কোরবানি হয়ে যায় একটি দুম্বা। স্রষ্টার প্রতি পরিপূর্ণ আনুগত্য ও ত্যাগ স্বীকারের বাণীই এ ঘটনার মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে।
ঈদুল আজহার উদ্দেশ্য স্রষ্টার সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে উত্সর্গ করতে প্রস্তুত থাকা। এরই প্রতীক হিসেবে পশু কোরবানি করা হয়। এই কোরবানির মাধ্যমে মূলত মানুষের মধ্যে বিরাজমান পশুশক্তি, কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, পরনিন্দা, পরশ্রীকাতরতা ইত্যাদি রিপুকেই কোরবানি দিতে হয়। হালাল অর্থে কেনা পশু কোরবানির মাধ্যমেই তা সম্পন্ন হয়। কোরবানির মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি ঐকান্তিক প্রেমের বহিঃপ্রকাশ ঘটে, যা দিয়ে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভ করা যায়।
কিন্তু কোরবানির এই মর্মবাণী সহজেই ভুলে যাওয়া হয়। দেখা যায়, ত্যাগের সাধনার চেয়ে ভোগবিলাস ও অপচয়ই বড় হয়ে ওঠে। পবিত্র কর্তব্য পরিণত হয় পশুনিধন ও মাংস ভক্ষণের উত্সবে। দরিদ্র মানুষের কথাও ভাবা হয় না। আমাদের দেশে অসংখ্য দরিদ্র মানুষ আছে, যাদের দুই বেলা দুই মুঠো ভাত জোটে না। তীব্র শীতে তাদের শরীরে থাকে না কোনো শীতবস্ত্র, তারা সংস্থান করতে পারে না খাবারের। এই দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মুখে হাসি ফোটানোর মাধ্যমে ঈদের আনন্দ সার্থক হয়ে উঠতে পারে।
ঈদের সময় যেখানে-সেখানে পশু জবাই করার প্রবণতা ত্যাগ করতে হবে। কোরবানির পর ঠিকমতো হাড়, রক্ত ইত্যাদি পরিষ্কার করা নিশ্চিত করতে হবে। সিটি করপোরেশনগুলো এ ব্যাপারে তাদের দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হবে, সে কামনা করি আমরা।
বিশ্ব মুসলিমের এই উত্সবে ধরণি সজীব হবে, যেখানেই তাঁরা থাকবেন, সেখানেই ঈদ উত্সবের পবিত্র সৌন্দর্যে অপরের মনের প্রীতি আদায় করে নেবেন—এটাই কাম্য।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
November
(551)
-
▼
Nov 29
(18)
- ইসরায়েল হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের খুনি চর: শাভেজ
- হজ পালন করলেন ওবামার দাদি
- সৌদি আরবে বন্যায় ৪৮ জনের মৃত্যু
- জামিন মিললেও মুক্তি পাচ্ছেন না পোলানস্কি
- সন্ত্রাসবাদ বন্ধে পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে ...
- এম লুতফর রহমান নিটল ইন্স্যুরেন্সের নতুন এমডি
- নারায়ণগঞ্জের পঞ্চবটীতে আইএফআইসি ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন
- টেকনাফের চামড়া ব্যবসায়ীরা এবার পুঁজির সংকটে আছেন
- নিউজিল্যান্ড যাচ্ছেন মিসবাহ
- সেকেলে সামরিক বিচার -প্রতিক্রিয়া by মোহাম্মদ ফজেল ...
- ধীরে চালাও তরণী -চিরকুট by শাহাদুজ্জামান
- ‘ওবামাকে কি হত্যা করা উচিত?’ -খোলা চোখে by হাসান ফ...
- সড়ক কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে -সিলেটের...
- একজন শহীদ জননীর কথা -স্মর্রণ by সেলিনা আখতার
- আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে আত্মোত্সর্গ -ঈদুল আ...
- ঈদ মানে সবার জন্য আনন্দ -উৎসব by মোজাফ্ফর আহমদ
- বিদেশে কর্মরত নারীদের নিরাপত্তা -বাংলাদেশ দূতাবাসে...
- পবিত্র ঈদুল আজহা -আনন্দ ও ত্যাগে শুদ্ধ হোক জীবন
-
▼
Nov 29
(18)
-
▼
November
(551)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...