Wednesday, July 14, 2021

নিত্য প্রয়োজনে ফিটকিরির ১০ ব্যবহার by ফাতেমা সানজিদা

ফিটকিরি একটি রাসায়নিক যৌগ। এর ইংরেজি নাম এলাম। এর নানাবিধ ব্যবহার রয়েছে আমাদের নিত্যদিনের প্রয়োজনে। সহজলভ্য এই ফিটকিরির ব্যবহার দেখে নিন।
১.সেভিং -এ ব্যবহার :
ফিটকিরি ত্বকের যত্নে আ্যাসটিনজেন্ট হিসেবে কাজ করে। সেভিং এর সময় ছোটখাট কাটাঁ ছেড়াঁ খুব স্বাভাবিক। দ্রুত রক্ত বন্ধ করতে একটা ফিটকিরির টুকরা আক্রাণ্ত স্হানে ৫ মিনিট ঘষুন। এরপর ১০ মিনিট অপেক্ষা করে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়াও আফটার সেভ লোশনের বদলে ফিটকিরি ব্যবহার করা যায়।
২.মুখের ঘা এ উপশম :
অনেক সময় মুখের চারপাশে ঘা হয়। এই ঘা এর উপশমও ফিটকিরি করতে পারে। মুখের ঘা -তে ফিটকিরি ব্যবহারের নিয়ম – ১ চামচ ফিটকিরির গুড়াঁ ও ১ গ্লাস পানি নিন। পানি একটা পাত্রে চুলায় দিন। ফুটে উঠলে ফিটকিরির গুড়াঁ    মিশিয়ে নিন ও চুলা বন্ধ করে নিন। পানি কুসুম গরম অবস্হায় আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার এটা দিয়ে কুলকুচি করে নিন। দিনে ২-৩ বার করুন, আরাম পাবেন।
৩.ব্রণ দূর করতে :
প্রাকৃতিক উপায়ে ব্রণ দূর করতে ফিটকিরি অত্যন্ত কার্যকর। মাত্র ৩ উপাদানেই তৈরি করুন ব্রণের জন্য ফেসপ্যাক। ১ চা চামচ ফিটকিরির গুড়াঁ, ২ চা চামচ মুলতানি মাটি, ২ চা চামচ গোলাপজল একসাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ব্রণে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।ভালো ফল পেতে সপ্তাহে ১ বার ব্যবহার করুন। ২ মাস নিয়মিত ব্যবহারে লক্ষণীয় উন্নতি দেখা যাবে।
৪.ডিওডেরেন্ট হিসেবে :
ফিটকিরি বা ফিটকিরির গুঁড়া শরীরের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে। এটাকে প্রাকৃতিক ডিওডেরেন্ট বলা যায়। ফিটকিরির টুকরা ভিজিয়ে আন্ডারআর্ম বা বগলে ঘষুন, ২ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। অথবা গোলাপজলের সাথে ফিটকিরির গুঁড়া মিশিয়ে বগলে লাগান। ৫-১০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এটা দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারি ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে। তবে প্রতিদিন ব্যবহার না করে সপ্তাহে ২ দিন ব্যবহার করুন।
৫.পানি বিশুদ্ধকরনে :
ফিটকিরির ব্যবহার পানি বিশুদ্ধকরনে খুব জনপ্রিয়। প্রতি ১ লিটার পানিতে ১ গ্রাম ফিটকিরি বা ফিটকিরির গুঁড়া ব্যবহার করুন। ময়লা বা কাঁদাযুক্ত পানিতে ফিটকিরি মিশিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপরে দেখবেন কাঁদা সব নিছে জমা হয়েছে, এখন উপরে ভয়াল পানিতা আস্তে করে ছেঁকে নিন।
৬.ক্রিয়াবিদের পায়ের যত্নে :
ফিটকিরিতে আছে অ্যান্টিমাইক্রোবাইয়াল উপাদান। এটা ক্রিয়াবিদের পায়ে ফাঙ্গাসকে মেরে ফেলে। একারনে ক্রিয়াবিদের পায়ের যত্নে ফিটকিরি ব্যবহার করা যায়। গোলাপজলের সাথে ফিটকিরির গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে পা ও পায়ের পাতাতে লাগিয়ে রাখুন। শুকালে কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন। অন্যভাবে, হালকা গরম পানিতে ফিটকিরির গুঁড়া মিশিয়ে পা কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে পা ধুয়ে, মুছে নিন।
৭.পা ফাটা উপশমে :
ফিটকিরি খুব দক্ষতার সঙ্গে পা ফাটা আরোগ্য করতে পারে। পায়ের মরা চামড়া তুলে পা কে নরম ও মসৃণ করে তোলে। পায়ের ফাটা ভালো করতে একটা প্যাক তৈরি করুন। একটা বাটিতে ২ চা চামচ ফিটকিরি গুঁড়া , ১ চা চামচ নারিকেল তেল ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। পা ভালো করে ধুয়ে, শুকিয়ে নিন। এরপর প্যাক লাগিয়ে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। তারপর ১০-১৫ রেখে কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে নিন। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করুন।
৮. উকুন ধ্বংসে :
চুলে উকুন হয়েছে? চিন্তা নেই, ফিটকিরিই দূর করে দিবে উকুন। ১/২ লিটার পানিতে ৪ গ্রাম ফিটকিরি মিশিয়ে নিন। এবার মাথার তালুতে লাগান। ৩০ মিনিট পরে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১ /২ দিন ব্যবহার করুন।
৯. ডার্ক সার্কেল দূর করতে :
চোখের নিচের কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেল দূর করতে ১ চামচ ফিটকিরির গুড়াঁ ও ২ চামচ মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এখন চোখের নিচে লাগিয়ে ৪/৫ মিনিট পরে ধুয়ে মুখ ফেলুন। তবে খুব সাবধান চোখের ভিতরে যেন না যায়, তা হলে চোখ জ্বালা করবে।
১০. বলিরেখা দূর করতে :
ফিটকিরি ত্বককে টানটান করতে সাহায্য করে। ১চামচ ফিটকিরির গুড়াঁ ও ২ চামচ গেলাপজল বা পানি মিশিয়ে মুখে লাগান ( চোখ বাদে)।  কিছুক্ষণ পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ফিটকিরির গুড়াঁ না থাকলে, একটা ফিটকিরির টুকরা ভেজা মুখে ঘষুন। কিছু সময় পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের বলি রেখা দূর করে, আপনাকে করে তুলবে সতেজ ও লাবন্যময়ী।

পর্ন দেখে যখন আপনি “নারী স্বাধীনতা” বিচার করতে বসেন… by বাসিত ফাহাদ

বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের ধারণা, পশ্চিমা দেশগুলায় মেয়েরা বেলেল্লাপনা করে ঘুরে বেড়ায়, আর সেজন্যে ছেলেরা এখানে সামনে যাকে পায় তার উপরেই ঝাপিয়ে পড়ে। এটার একটা ধারণা আমাদের ধার্মিক ভাইয়েরা পেয়েছে পর্ন দেখে আর বিদেশি সিনেমা দেখে৷ কেন তারা পর্ন দেখে সেটার আলাপে গেলাম না। পর্ন একটা খুবই নরমাল জিনিস, একেবারে সাধু যে মানুষ সেও লাইফে দুই একবার এই জিনিস দেখেছে, কিন্তু ব্যাপারটা তখনই সমস্যার সৃষ্টি করে যখন তারা এগুলা দিয়ে রিয়েল লাইফকে জাজ করা শুরু করে আর তা থেকে বেরিয়ে আসে হাজার হাজার ধর্ষকামী। যাই হোক বিশাল আলাপ। সেইটা আমার কথা না।
আমি যেদিন জার্মানীতে পা দিলাম, সেইদিন থেকে জার্মানীতে সামার শুরু হয়েছে। এই দেশ হল পৃথিবীর অন্যতম ফরওয়ার্ড একটা দেশ, বিজ্ঞান আর আর্টসের বড় বড় সব রেভ্যুলেশন এই দেশ থেকে শুরু হয়েছে। টিপিক্যাল বাঙালীর মত আমার ধারণা ছিল নামার সাথে সাথেই চারপাশ থেকে জার্মান সুন্দরীরা হাত নেড়ে ডাকবে, চিপায় নিয়ে যেতে চাবে। চারপাশে সবাই মেইক আউট করবে সারাদিন, জাপ্টাজাপ্টি করবে।
সাথে দুলাভাই ছিল, পাছে কি না জানি বেইজ্জতিতে পড়তে হবে সেটা ভেবেই আমি অস্থির। তার উপর ছিল সামারের শুরু, সারা বছর ভারি জ্যাকেটে শরীর ঢেকে রাখা জার্মান সুন্দরীরা এই সময় মিনিস্কার্ট পরে ঘুরে বেড়ায়। মিনিস্কার্ট পড়া মেয়ে এই বাঙালি চোখ জীবনে দেখে নাই, কোনদিন জানি ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে থেকে মাইর খাই পাবলিকের হাতে কে জানে!
অবাক করা ব্যাপার হল, এই এক বছরে জার্মানিতে থেকে দুইজন মানুষকে চুমু খেতে দেখেছি খুব বেশি হলে ৫ বার। তাও খুবই স্বাভাবিক চুমু, রেলস্টেশনে স্বামী, স্ত্রী বা ভালবাসার মানুষকে বিদায় জানাতে এসে যেই চুমু দেয়, ওই চুমু। এর থেকে অনেক বেশি ঘনিষ্ঠ এবং “অশ্লীল” জিনিস আমরা প্রতিনিয়ত ঢাকার রাস্তাঘাটে রিকশার হুডের নিচে দেখি, রেস্টুরেন্টে দেখি।
মজার ব্যাপার হল, আমার কয়েকজন পরিচিত ছেলেপেলে আছে গ্রামে, গ্রামে গেলে যাদের সাথে একটু বসে বাজারে চা সিগারেট খাই, তারা আমি জার্মানীতে আসছি শুনেই খুবই বাজে ইংগিত করে বলে যে আসার সময় কয়েকটা (?!) নিয়ে আসতে, ওই দেশের মেয়েরা নাকি ডাক দিলেই এসে শুয়ে পড়ে। এই ধারণা তারা পেয়েছে পর্ন দেখে দেখে! আবার তাদের মধ্যে একজন পবিত্র কোরান শরীফ অর্ধেক মুখস্ত করা লোক, তারাবী পড়ায়! এই হল সাধারণ বাঙালীর অবস্থা।
নারী স্বাধীনতার কথা শুনলেই আমাদের দেশের মানুষের যেই চুলকানী শুরু হয়, এই দেশে সেই চুলকানী কারো নাই। রাত তিনটায় মিনিস্কার্ট টিশার্ট পড়া মেয়ে রাস্তা দিয়ে একা হেটে যায়, কেউ চোখ তুলেও তাকায় না। একা একা বাস ট্রামে যাওয়া আসা করছে রাত দুপুরে, কোন ভয় নেই যে বাস ড্রাইভার বাস থামিয়ে কিছু একটা করে দিবে।
শুরুর দিকে এত ছোট ছোট জামা পরা মেয়ে দেখলে একটু আনইজি লাগত, এক সপ্তাহ পরে সেটা সয়ে গিয়েছিল। চারপাশে এইভাবেই মেয়েরা ঘুরে বেড়াচ্ছে, কতক্ষণ আনইজি লাগবে? প্রশ্ন উঠতে পারে, তাহলে জার্মান ছেলেরা কি ধ্বজভঙ্গ? না, তারা ধ্বজভঙ্গ না, আমার ধারণা আমাদের বাঙালি ছেলেদের থেকে তারা বহুগুনে বেশি পুরুষ। তারা ছোটবেলা থেকেই শিক্ষা পেয়েছে কে কি পরছে না পরছে এটা তার একান্তই ব্যক্তিগত ব্যাপার, এটা নিয়ে কোন রকম মন্তব্য করা নীতিবান মানুষের চরিত্রের মধ্যে পড়েনা। একটা সুন্দরী মেয়ে দেখলে পুরুষরা তাকাবে, একটা সুন্দর ছেলে দেখলেও মেয়েরা তাকাবে। জগতের অতি সাধারণ নিয়ম এটা। কিন্তু সেটা সুস্থভাবে তাকানো, মুগ্ধ হয়ে তাকানো৷ মুগ্ধতা থেকে হয়ত তাদের মধ্যে ভাব ভালোবাসা হবে। কিন্তু মুগ্ধতা আর Creepiness দুইটা আলাদা জিনিস৷ এটা কি আমাদের মোটা মাথায় ঢুকবে?
ব্যাপারটা এটা না যে, মিনিস্কার্ট পড়লো মেয়েরা আর নারী স্বাধীন হয়ে গেল। ব্যাপারটা এটা যে, একটা মেয়ে কি পরেছে না পরেছে এটা নিয়ে কেউ মাথা ঘামাচ্ছে না, এটাই নারী স্বাধীনতা। এখানে হিজাব পরাও প্রচুর মেয়ে আছে, কেউ আংগুল তুলে বলে না ওই দেখ জঙ্গি যায়। স্কুল কলেজে কোন ড্রেসকোড নেই, হাত মোজা পা মোজা কালো বোরকা কিংবা ট্যাংক টপ আর টাইটস, তোমার যা ইচ্ছা তুমি পরে আসো মেয়ে, আসল কথা তুমি তোমার কাজ করছ কিনা। এভ্রিওয়ান ইজ মাইন্ডিং দেয়ার ওউন ফাকিং বিজনেস।
আমি এক জার্মান মেয়েকে চিনি, যে সারাদিন শহরে এসে রেস্টুরেন্টে গাধার খাটুনি খাটে, তারপর রাতের শেষ বাসটা ধরে ৪০ কিলোমিটার দূরে তার বাসায় যায়। এই যে এই মেয়েটা, তার কিন্তু কোন ভয় নাই যে সে রাতের বাসে ধর্ষণের স্বীকার হবে, কিংবা বাস থেকে নেমে বাসায় যাওয়ার পথে তাকে কেউ জংগলে টেনে নিবে। কাজটা তার আসলেও দরকার, সে করে যাচ্ছে। নিরাপত্তা নিয়ে তাকে চিন্তা করতে হয়নাই, সেটা সরকার করছে, পুলিশ করছে। এটাই হল নারী স্বাধীনতা।
অনেকে বলবে, জার্মানি আমেরিকা এসব দেশ কি ধর্ষণমুক্ত? না। বিশ্বের কোন দেশই ধর্ষণমুক্ত না। কিন্তু এই দেশে ছোট জামাকাপড় পরার কারণে ধর্ষণ হয়না, হয় সাইকো কিছু ক্রিমিনালের জন্যে। কেউ যদি রেপড হয়েছে এই রিপোর্ট করে, তৎক্ষনাৎ পুলিশ নেমে যাবে তদন্তে। পরিসংখ্যান বলে আরব দেশগুলায় ধর্ষণ কম? ওহ প্লিজ। সে দেশে কোন মেয়ে যদি আদালতে যায় যে সে রেপড হয়েছে বলতে, তাকে চারজন পুরুষ স্বাক্ষী আনা লাগে। কে স্বাক্ষী রেখে রেপড হয়? প্রমাণ না করতে পারলে তাকেই দোররা খেতে হয়, সেই দেশে হবে ধর্ষণের বিচার? আর আরবে রেপ হয় নাকি তা জানতে আমাদের দেশের পত্রিকা ঘাটলেই জানা সম্ভব, কত হাজার মেয়ে কাজ করতে গিয়ে একই পরিবারের বাপ-ছেলের হাতে ধর্ষিত হয়েছে। এখানে কিসের দোষ? জামাকাপড় তো ওইসব দেশে “ঠিক” ভাবেই পরে সবাই৷
আমাদের দেশে জিন্সের প্যান্ট পড়লেই মেয়ে হয়ে যায় বেশ্যা। রাত করে অফিস থেকে ফিরলে হয়ে যায় নষ্টা। বিবিসি, ঢাকা ট্রিবিউনের পোস্ট গুলার নিচে যখন বাংগালির কমেন্ট দেখি, তখন এত হতাশ লাগে যে মাঝে মাঝে মনে হয় ওই দেশ থেকে পারলে সব ভাস্তি ভাগ্নি গুলাকে বের করে নিয়ে আসি। আমাদের বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ এখনো ধারণা রাখে যে মেয়েদের জায়গা রান্নাঘরে, তাদেরকে খেয়াল খুশীমত ব্যবহার করা যায়। ২০১৯ সালে এসেও গড়পড়তা বাংগালীর মন-মানসিকতা বদলায় নাই, দিন দিন আরো নিচের দিকে যাচ্ছে। টপার ইঞ্জিনিয়ার, ইউএসএ সেটেল্ড ছেলে যখন ইনিয়ে বিনিয়ে বলে – ইয়ে মানে, মেয়েকে কিন্তু রান্না জানতে হবে, মা তুমি একটু শিখিয়ে দিও তো ; হতাশ লাগে৷ রান্না জানা মেয়ের থেকে যে একজন শিক্ষিত স্বাবলম্বী স্ত্রী তার জন্যে ভাল, এটা চার বছরের ইঞ্জিনিয়ারিং তাকে শেখাতে পারে নাই, বিদেশ তাকে শেখাতে পারে নাই, আর কোত্থেকে শিখবে? তার বাচ্চাকাচ্চা গুলোও তো এমনই হবে।
একটা চেইন রিয়েকশন চলছে আসলে। আমরা ফেইসবুকে অনেক বুলি কপচাই, তাতে লাভের লাভ কিছু হয়নাই। বাংলাদেশের ৭০ ভাগ মানুষের এই ধারনা এখনো। তাদের মধ্যে আছে আমাদের বয়সীরাও। এরাই যখন এদের বাচ্চাদের খেলনা কিনে দিবে, মেয়েকে দিবে হাড়িপাতিল আর ছেলেকে দিবে রিমোট কন্ট্রোল গাড়ি৷ অথচ, রিমোট কন্ট্রোল গাড়ি যে ছেলেমেয়ে চিনেনা, রিমোট যার হাতে থাকবে তার আদেশেই চলবে, এটা তাকে কে বুঝাবে?
যে দেশে বিয়ের জন্যে পাত্র-পাত্রীদের বিজ্ঞাপন দেয়া হয় পেপারে, সেই দেশের অন্তত নারী দিবস পালন করা মানায় না।
পঁচে গেছে দেশ, নষ্ট হয়ে গেছে।

কালো আঙ্গুরের আশ্বর্য সব স্বাস্থ্যগুণ

আট থেকে আশি— সকলেই কালো আঙ্গুর খেতে পছন্দ করেন। যেমন এর স্বাদ, তেমনই এর স্বাস্থ্যগুণ! হৃদযন্ত্র, ত্বক, চুল বা চোখ— সব কিছুর জন্যই উপকারী কালো আঙ্গুর। আসুন কালো আঙ্গুরের আশ্বর্য সব স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক...
১) কালো আঙুরে থাকা লুটেন এবং জিয়াজ্যানথিন নামের দু’টি উপাদান আমাদের দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে সাহায্য করে।
২) কালো আঙুরের রস ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
৩) কালো আঙুরে থাকা ভিটামিন সি, কে আর এ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও কালো আঙুরের রস কোষ্ঠকাঠিন্য, হজমের সমস্যা বা কিডনির নানা সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
৪) আমাদের হৃদযন্ত্রের জন্য কালো আঙুরের রস খুবই উপকারী। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় জানা গিয়েছে, কালো আঙুর খেলে হৃদপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়। কালো আঙুরে থাকা ফাইটো কেমিক্যাল হৃদযন্ত্রের পেশীকে শক্তিশালী করে তোলার পাশাপাশি কোলেস্টেরলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
৫) কালো আঙুরের রস স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো ইউনিভার্সিটির ক্যান্সার সেন্টারের একটি গবেষণায় যার প্রমাণ মিলেছে।
৬) কালো আঙুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বকের ফলে বলিরেখা, কালচে ছোপ ও শুষ্কভাব দূর করতে সাহায্য করে।
৭) কালো আঙুর মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। কালো আঙুর স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি মাইগ্রেন, অ্যালজাইমার্সের মতো রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম।