Tuesday, September 8, 2015
পরাজিত হয় না কবি by আল মাহমুদ
একজন লেখককে লিখতে হয় প্রতিনিয়ত। যেমন ধরা যাক টলস্টয়ের কথা। তার রচনা পড়ে শেষ করা যায় না। সীমাহীন সমুদ্রের মতো। ‘ওয়ার অ্যান্ড পিস’ একটা বই। এটা লেখার মতো আর কেউ নেই। তখনো পৃথিবীতে ছিল না কেউ। তিনি যুদ্ধ দেখেছেন, যুদ্ধ লিখেছেন এবং যুদ্ধের পর যে শান্তি তা-ও দেখেছেন, লিখেছেন। এর মধ্যে আছে ট্র্যাজেডি। এর মাঝে আছে প্রেম। এর মাঝে আছে সব। ‘হাউ ডাজ ল্যান্ড এ ম্যান রিকয়ার্ড’- একজন মানুষের কতটুকু জমি দরকার। আহ! এ রকম একটি লেখা এখন তো আর হয় না। আরেকটির কথা মনে পড়ছে তীর্থযাত্রা মানে হজে যাওয়া নিয়ে গল্প। গল্পটির নাম হাজী মুরাদ। সে হজে যাবে, কিন্তু কী কারণে যেন যেতে পারেনি। হজের টাকাটা সে একজন দরিদ্র লোককে বিপদে সাহায্য করতে গিয়ে খরচ করে ফেলল। ফলে হজে যাওয়া হলো না তার। কিন্তু যারা হজে গিয়েছিল তাদের একজন বলল- আরে তোমাকে তো আমি দেখেছি। মুরাদ বলল, কোথায় দেখেছ? তখন ওই লোকটি বলল, হজে গিয়ে তোমাকে দেখেছি এবং তোমাকে আমি ডাকছিলাম, কিন্তু তুমি আমাকে শুনছো না। মানে আল্লাহ তার হজ কবুল করে নিয়েছেন। কী অসাধারণ গল্প! একজন কবির প্রকৃত আনন্দ লেখালেখিতে। কোনো লেখা যখন প্রকাশিত হয় এবং যদি কোনো বই প্রকাশ হয়, তখন আনন্দ জাগে। লিখতে পারার মধ্যেই আনন্দ এবং লেখাটি যদি বন্ধুকে পড়ে শোনানো যায়, তখন লেখকের মনে খুব আনন্দ হয়।
একজন কবির পূর্ণতা শুধু কাব্যে হয় না। গদ্যে-পদ্যে-নাট্যকর্মে সাহিত্যের নানান দিকে তাকে বিস্তৃত হতে হয়। আবার জন কিটসের মতো কবিও আছেন। যারা শুধু কবিতা লিখেছেন। তাদের পূর্ণতা কাব্যেই। কিন্তু দুর্লভ কিছু কবিতা রয়েছে তাদের। সামান্য। শেক্সপিয়রের কথা মনে হয়। এত সুন্দর কবিতা তিনি লিখেছেন; বারবার পড়তে ইচ্ছে করে।
কবিতার জন্য ত্যাগ দরকার। সেটা কী ধরনের ত্যাগ? তা হলো- এই হতে পারতাম, হইনি। বড় অফিসার হতে পারতাম, হইনি। অনেক টাকা-পয়সা করতে পারতাম, করিনি। সম্পত্তি গড়তে পারতাম, গড়িনি। করিনি, কবিতার জন্য। ওইসব করলে আমার নাম কালের স্রোতের দিকে যাবে না। কাল ধরে রাখবে না। সম্পত্তি চলে যাবে অংশীদারদের হাতে। তারা আমার নামও উচ্চারণ করবে না। বড়জোর নাম করলে করতে পারে হয়তো বা। কিন্তু কাব্যের যে উত্তরাধিকার, সেটা আমার কবিতাই আমাকে দেয়। আমি মরে গেলেও দেবে। একজন লেখকের সাফল্য তার লেখাতেই। এই সাফল্য পাওয়ার জন্য একজন লেখককে খুব নিবিষ্টচিত্তে লেখা উচিত। লেখার কথা চিন্তা করা উচিত। উঠতে-বসতে, জাগরণে-স্বপ্নে লেখা নিয়েই থাকা উচিত।
কবিরা সব সময় নিন্দার মুখোমুখি হয়। সব সময় হতে হয়। আমিও হয়েছি। কত জ্বালা সহ্য করতে হয়েছে। নিন্দা আসবেই। কিন্তু কালস্রোত এমন, সে শুধু কবির যে মূল্যবান বিষয় কাব্য সেটাই ধরে রাখে। আর বাকি সব কিছুই ভাসিয়ে দেয়। নিন্দাও থাকে না।
মানুষ হিসেবে একজন কবির ভূমিকা উন্নতমানের হওয়া উচিত। মানুষের মতোই হওয়া উচিত। প্রেম-ভালোবাসা, বিশেষ করে স্ত্রীর প্রতি কবির যে ভূমিকা থাকে, যা অনেকেই জানে না সেটা কবি যদি কাব্যে বলেন, সেখানে আরেকজন মানুষকে পাওয়া যায়। যে কবির সেবাযত্ন করছিল, কবির সাথে থাকত, কবির সাথে ঘুমাত। কবির সুখ-দুঃখে কবির পাশে থাকত। একজন বড় কবিকে বড় মানুষ হতে হয়। হতেই হবে। সমাজের সবার চোখ থাকে কবির দিকে। সমাজে একজন কবি তো আর এমনিই জন্মায় না। অনেক সাহিত্য সাধনার পর একটি সমাজে একজন কবির জন্ম হয়। এ জন্য কবির মুখের দিকে সবাই তাকিয়ে থাকে। কারণ, কবি তো সমাজকে স্বপ্ন দেখান। একটু অগ্রসর হয়ে। বিপদে-আপদে কবি ওই সমাজের পাশে থাকেন।
কবিরা ভবিষ্যৎদ্রষ্টা। কবিরাই তো ভবিষ্যতের কথা বলেন। যদিও কবির সব কথা সত্যি হয় না; কিন্তু কবি সব সময়ই ভবিষ্যদ্বক্তা। আশায়-ভরসায়, স্বপ্নে-কল্পনায়, গোপনে কী আছে ভবিষ্যতে একটি চিত্র কবি অঙ্কন করেন। কবির পক্ষে মহাকাব্য লেখা সম্ভব। এটা তো আর কারো পক্ষে সম্ভব হয় না। রবীন্দ্রনাথ মহাকাব্য লিখতে পারেননি। মহাকাব্য লেখার যে প্রস্তুতি সেটি রবীন্দ্রনাথের ছিল; কিন্তু তিনি লেখেননি। লিখতে পারেননি। এই না পারার জন্য তিনি কৈফিয়ত দিয়েছেন।
একটি কথা বিশ্বসাহিত্যে প্রচলিত আছে, কবিরা পলায়নপর হন। এটা সত্য নয়। কবিরা পলায়নপর হবেন কেন? কবিরা তো তাদের যুগের সম্মুখীন হয়েছেন। প্রায় কবিদেরই তো একই অবস্থা। দু-একজন আছেন পালিয়েছেন। তা-ও জীবন বাঁচাতে। যুদ্ধের মহামারীতে, দুর্ঘটনায়, দুর্বিপাকে পড়ে আত্মরক্ষার জন্য কবি পালিয়েছেন। কিন্তু সেটাও তো নিজের জীবন রক্ষার জন্য, কাব্যকে রক্ষার জন্য। সুতরাং কবিরা পলায়নপর নন। তারা সমাজের।
প্রকৃতপক্ষে পরাজিত হন না কবি। যেহেতু তিনি লেখেন। বেঁচে থাকার কাহিনী তো তার লেখাতেই আছে। তাহলে তিনি কি হার মানলেন? না, তিনি হার মানলেন না। কবি অপরাজিত সত্তা।
কবিতা আসলে প্রেম। একধরনের আসক্তি। ঐশ্বরিক প্রেমকেও কিন্তু প্রেমই বলা হয়ে থাকে। প্রেমই হলো কবিতা। মওলানা রুমির একটা গ্রুপ ছিল। সবাই কবি ছিলেন। তাদের বলা হতো মওলানা। তারা নাচতেন। ডান্সিং মওলানা। তারা ঘুরে ঘুরে নাচতেন। হু আল্লাহ, হু আল্লাহ বলে। এটি মওলানা রুমি প্রবর্তন করেছিলেন। কবিতার আধ্যাত্মিক একটা রূপও আছে। প্রেমকেই তো আধ্যাত্মিক বলা হয়। আল্লাহর প্রেমও তো প্রেম।
অনেকেই এখন বলছেন, মুখের ভাষাতেই কবিতা হবে। হ্যাঁ হবে। কথা হচ্ছে, যাদের মুখের ভাষাই কবিতা হবে, তারা মুখের ভাষা কবিতা করতে পারেন কি না? পারলে হবে। আমরা তো মুখের ভাষাতেই কবিতা লিখছি। কিন্তু কবিতার ভাষা কোথাও না কোথাও একটু আলাদা। কবিতা লেখার সময় ভাষা একটু পাল্টে যায়। বদলে যায়। রূপান্তরিত হয় নতুন ভাষায়।
একটি কবিতা তখনই কবিতা হবে, যখন কবিতা পড়ে হৃদয় তৃপ্ত হবে। বারবার পড়তে ইচ্ছে করবে এবং স্মৃতিতে গেঁথে যাবে। আমি তো তাকেই কবিতা বলি।
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এরশাদের দিনযাপন by বেলায়েত হোসাইন
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘নগ্নতা ও বেহায়াপনার বিস্তার ঘটানো হচ্ছে’ কোরবানি নিয়ে সরকারি উদ্যোগে আল্লামা শফীর উদ্বেগ by আবুল বাশার
বিবৃতিতে তিনি বলেন, পরিবেশ দূষণের অজুহাত তুলে পবিত্র ঈদুল আযহায় মুসলমানদের ঘরে ঘরে পাড়া-মহল্লায় কোরবানী দেওয়ার চিরাচরিত ইসলামী ঐতিহ্য বন্ধ করে এর পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট জায়গায় পশু কোরবানি দেওয়া এবং নিবন্ধিত লোকের মাধ্যমে পশু জবাইয়ের সরকারি বিধি দেশ থেকে ক্রমান্বয়ে ইসলামী সংস্কৃতি ও চেতনাবোধ মুছে ফেলার ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মন্তব্য করেছে তিনি।
হতাশা প্রকাশা করে তিনি বলেন, সুপরিকল্পিতভাবে দেশে একদিকে নগ্নপনা, বেহায়াপনাসহ ক্ষতিকর সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো হচ্ছে, অন্যদিকে ইসলামী সংস্কৃতিকে হেয় প্রতিপন্ন ও সংকোচনের অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সংবাদপত্রে পাঠানো প্রেসসচিব মাওলানা মুনির আহমদ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে হেফাজত আমীর আরো বলেন, শুধু পাড়া-মহল্লা থেকে কোরবানির সংস্কৃতিকে সরিয়ে দেওয়া নয়, যানজটের অজুহাত খাড়া করে পশুর হাটে নিয়ন্ত্রণ আরোপের মাধ্যমে কোরবানিদাতাদের জন্য পশু ক্রয়েও সংকট তৈরীর ষড়যন্ত্র চলছে।
তিনি বলেন, কুরবানির দিন জনসাধারণকে পশুবর্জ্য সুনির্দিষ্ট জায়গায় ফেলার জন্য উদ্বুদ্ধ করে ব্যাপক প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশন পশুবর্জ্য অপসারণে কুরবানির দিন বাড়তি জনবল নিয়োগ দিতে পারত। অথচ সিটি কর্পোরেশনকে রাস্তা মেরামত, নালা-নর্দমা পরিষ্কার ও জলাবদ্ধতা নিরসনের চেয়েও কুরবানীর ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি সংকোচনেই উৎসাহি দেখা যাচ্ছে।
তিনি সরকারের প্রতি শত শত বছর ধরে চালু থাকা ইসলামী নিদর্শন পবিত্র কুরবানীর ঐতিহ্যবিরোধী এই উদ্যোগ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে করে সরকার বিরুদ্ধে জনগণের মনে মারাত্মক ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া তৈরী হতে পারে।
বিবৃতিতে হেফাজত আমীর আরো বলেন, একদিকে শহুরে ধনিক শ্রেণীর পান্তা-ইলিশের ক্ষতিকর সংস্কৃতির প্রসার ঘটানোর নানা উদ্যোগ নিয়ে দেশের ৮০-৯০ ভাগ গরীব ও সামর্থ্যহীন জনগণকে উপহাস ও অসহায়ত্বের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার চর্চা চলছে, অন্যদিকে পবিত্র কুরবানিকে উপলক্ষ করে বেকার পরিবারে গরু পালন, গরুর বেচা-বিক্রির সাথে গরীব মানুষের সম্পৃক্ততা, ঈদের দিন গরিব-মজদুরদের উচ্চ বেতনে কামলা খাটা থেকে শুরু করে কুরবানির গোস্ত বিলি-বণ্টন, কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রির মূল্য দানসহ সবক্ষেত্রেই গরিবদের জন্য উপকারি সার্বজনীন মুসলিম সংস্কৃতির পবিত্র বুরবানিকে নানাভাবে বাধাগ্রস্ত ও সংকোচিত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে গরিবদের স্বার্থে আঘাত হানা হচ্ছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়ার সর্বশেষ তেলখনিটিও দখলে নিলো আইএস
অবজারভেটরি জানিয়েছে, জাজাল তেলখনিটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া পূর্ব হোমসে এখনো সংঘর্ষ চলছে। ওই সংঘর্ষে সরকার ও আইএস উভয় পক্ষেই বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, আসাদ সরকার তার শেষ তেলখুনিটিরও দখল হারিয়েছে। সিরীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা ওই অঞ্চলে বিদ্রোহীদের হামলা প্রতিরোধ করেছে। জাজাল বা অন্য কোনো স্থানে জ্বালানী ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হয়েছে কি না এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি তারা। তবে ২৫ যোদ্ধাকে হত্যার দাবি করেছে সেনাবাহিনী। এর আগে সিরিয়ার বৃহত্তম তেলখনি রামালাইনের দখল নেয় আইএস। এ ছাড়া দেইর আল-জৌর তেলখনিও আইএসের নিয়ন্ত্রেণে রয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রধান বিচারপতির ‘সংশয়ে’ মনক্ষুণ্ন বিচারপতি চৌধুরী
ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জেনারেলের নামে আপিল বিভাগের একজন বিচারপতিকে চিঠি পাঠানোকেও অসৌজন্যমূলক ও অশোভনীয় বলেছেন বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী।
তবে প্রধান বিচারপতির নির্দেশক্রমে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের পাঠানো চিঠির জবাবে আবারো তার অবস্থান পরিস্কার করেছেন বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো বিচারপতি চৌধুরীর দুই পৃষ্ঠার সর্বশেষ চিঠির বিষয়:০২/০৯/২০১৫ খ্রিষ্টাব্দ, স্মারক নং-১৭৯৬২ জি. প্রসঙ্গে।
এরপর চিঠিতে লেখা হয়: আপনার আদেশক্রমে আমাকে লেখা ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন সাহেবের ২.৯.২০১৫ ইং তারিখের চিঠি আমার হস্তগত হয়েছে। আমার ৩১.৮.২০১৫ তারিখে প্রদেয় জবাবের প্রেক্ষিতে এবং উক্ত জবাবে বর্ণিত তথ্যসমূহ, শাসনতান্ত্রিক ও আইন সম্পর্কিত বিবরণের সঠিকতা সম্পর্কে সুনিশ্চিত হয়েই আপনি ০২.০৯.২০১৫ ইং তারিখের পত্রে আমার পেনশন বিষয়ক কার্যক্রম শুরু করার বিষয়ে আমাকে অবহিত করেছেন।
তিনি লিখেছেন: ‘এই প্রসঙ্গে আমি উল্লেখ করতে চাই যে, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারকে দিয়ে একজন আপিল বিভাগের বিচারপতিকে চিঠি দেওয়া শুধু অশোভনীয় ও অসৌজন্যমূলকই নয়, সহকর্মী বিচারকগণের প্রতি চরম হেয় ও অবমাননার বহিঃপ্রকাশ। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারকে নিজ নাম ও স্বাক্ষরসহ আপীল বিভাগের একজন বিচারপতিকে চিঠি লিখতে নির্দেশ দিয়ে এবং তার স্বাক্ষর ও নামে চিঠি প্রেরণ করে আপনি মূলত সুপ্রীম কোর্টের সকল মাননীয় বিচারপতিকেই অসম্মান করেছেন। সুপ্রীম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল প্রধান বিচারপতির রেজিস্ট্রার নন। তিনি সুপ্রীম কোর্টের সকল বিচারপতিগণের রেজিস্ট্রার।’
প্রধান বিচারপতির পক্ষে দেখানো সংশয়কে সম্মানহানিকর হিসেবেও উল্লেখ করা হয় চিঠিতে। লেখা হয়: আপনার পত্রে আমাকে ‘ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী’ উল্লেখ করেছেন এবং আমি পেন্ডিং রায় না লিখে বিদেশ চলে যেতে পারি মর্মে সংশয় প্রকাশ করেছেন যা উদ্ভট, হাস্যকর, কল্পনাপ্রসূত, সৌজন্য বহির্ভূত ও সম্মানহানিকর। বিচারপতি হিসেবে আমি আমার সাংবিধানিক শপথ রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। পেন্ডিং রায় না লিখে বিদেশ চলে যাওয়ার মত অসুস্থ চিন্তা কোনো সৎ, নীতিবান, দেশপ্রেমিক বিচারপতি করতে পারেন না। ‘ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী’ না হয়েও যে কোনো বিচারপতি বিদেশে যেতে পারেন। তবে প্রসঙ্গত উল্লেখ করতেই হয় যে, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা, দেশ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে একজন মুক্তিযোদ্ধা কখনোই সরে দাঁড়াতে পারেন না। একজন রাজাকার বা শান্তি কমিটির সদস্যই কেবল দেশ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা অস্বীকার করতে পারে, যা ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত।’
বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরীর চিঠিতে এরপর আছে: ‘আপনার প্রেরিত পত্রে আপনি ‘যদি’ ও ‘সংশয়’ শব্দসমূহের ভিত্তিতে আমার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বা অন্য কোনো বিচারপতিই তাদের সহকর্মী অন্য কোনো বিচারপতির ক্ষেত্রে ‘যদি’ ও ‘সংশয়’ ব্যবহার করে কোনোরূপ মন্তব্য করতে পারেন না। বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে আপনি আমার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ‘যদি’ ও ‘সংশয়’ শব্দসমূহ ব্যবহার করেছেন এবং উক্ত শব্দসমূহের ভিত্তিতে আমার ক্ষেত্রে অলীক ও কল্পনাপ্রসূত সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। যদি ও সংশয় শব্দসমূহের ভিত্তিতে একজন বিচারপতি তার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন না। একজন বিচারককে সকল ‘সংশয়’ এর উর্ধ্বে উঠে ন্যয় বিচারের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে হয়। একজন বিচারককে সিদ্ধান্ত নিতে হয় দৃশ্যমাণ ঘটনার ভিত্তিত, কল্পনার ভিত্তিতে নয়। ‘যদি’ ও ‘সংশয়’ এর ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তা হবে অলীক, কল্পনা প্রসূত ও ন্যায় বিচার পরিপন্থী। মাননীয় প্রধান বিচারপতি কাল্পনিক ধারণার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে বিচার ব্যবস্থায় বিপর্যয় নেমে আসবে। আপনার ‘যদি’ ও ‘সংশয়’ এর আশংকা এই দেশের জনসাধারণকে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত করবে এবং বিচারালয়ের পবিত্রতা ক্ষুণ্ন করবে।’
‘আপনার পত্রে বর্ণিত শব্দপ্রয়োগ থেকে এটা সুষ্পষ্ট যে, code of conduct, judges of the supreme court এর আওতায়, আমার প্রতি আপনার আচরণ ‘dignifide’ ও ‘respectful’ নয়,’ বলে মন্তব্য করেন বিচারপতি চৌধুরী।
তিনি লিখেছেন: ‘সংবিধান অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের সকল বিচারপতিই সাংবিধানিক পদের ধারক। কোনো বিচারপতিই প্রধান বিচারপতির অধস্তন নহে। আইনের ভাষায় বলা হয় বিচারপতিদের তুলনায় প্রধান বিচারপতির অবস্থান Primus inter press অর্থাৎ তিনি সহকর্মীদের মধ্যে প্রথম। সংবিধানের অনুচ্ছেদ মতে প্রত্যেক বিচারকই বিচারিক ব্যাপারে স্বাধীন, প্রধান বিচারপতির অধস্তন নহেন। আপনার ২রা সেপ্টেম্বরের পত্রে, ‘উক্ত রায়ের নথিগুলো সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ফেরত প্রদান করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো’ মর্মে মামলার নথি ফেরত চাওয়া সংবিধানের ৯৪(৪) ধারা মোতাবেক আমার স্বাধীন বিচার ও রায় দানের ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপস্বরূপ, যা পুনরায় আমার প্রতি আপনার ‘ill will’এর সুস্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ।’
তিনি লিখেন: ‘অতীতে কোনো বিচারপতিকেই এভাবে পেনশন গ্রহণের পূর্বে ফাইল ফেরত দিতে বলা হয়নি। অতীতে সকল বিচারপতিই অবসরের পর কয়েক মাস এমনকি বছর নিয়েছেন অসমাপ্ত রায় শেষ করতে, এটা আপনার ক্ষেত্রেও নিশ্চয়ই হবে। আপনার কাছে বর্তমান দস্তখতের অপেক্ষায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে কয়েক মাস ধরে। অতীতের সকল বিচারপতিই অবসরের পরও রায় লিখেছেন এবং ভবিষ্যতে তা হবে এটাই স্বাভাবিক।’
‘অত্র পত্রের সঙ্গে সংযুক্তি হিসেবে সাম্প্রতিক সময়ে অবসর গ্রহণ করা প্রধান বিচারপতিসহ কয়েকজন বিচারপতির নাম সংযুক্ত করা হলো, তবে উল্লেখিত বিচারপতিগণ ছাড়াও অন্য সকলেই অবসরের পরও রায় লিখেছেন এবং ভবিষ্যতেও লিখবেন। এটাই স্বাভাবিক,’ বলে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী উল্লেখ করেন।
তিনি এরপর লিখেছেন: ‘প্রধান বিচারপতি হিসেবে আপনি সহকর্মী বিচারকদের আপনার কোনো আদেশ প্রশাসনিক কর্মকর্তার মাধ্যমে অবহিত করার অধিকার রাখেন না। প্রশাসনিক কর্মকর্তার মাধ্যমে আমাকে আপনার কল্পনা প্রসূত আদেশ অবহিতকরণের মধ্য দিয়ে যে অসম্মান ও সৌজন্যহীনতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, আমার সহকর্মী বিচারকগণের সহিত ভবিষ্যতে তার পুনরাবৃত্তি না করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। ৩০ লক্ষ শহীদ আর মা-বোনের সম্ভ্রম কোটি মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের সংবিধান। আমাদের সাংবিধানিক শপথ আমরা কোনোভাবেই ভঙ্গ করতে পারি না।’
বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরীর এই চিঠিটির অনুলিপি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগেও পাঠানো হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই শীর্ষ নেতাসহ জামায়াতের ১৩ জন রিমান্ডে: মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আমিও আয়লান’ সৈকতে অভিনব প্রতিবাদ
গত সপ্তাহে গোটা বিশ্বে তোলপাড় ফেলে দিয়েছে সমুদ্র সৈকতে সিরিয়ার শিশু আয়লান কুর্দির মৃতদেহ পড়ে থাকার মর্মস্পর্শী ছবি। দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে নৌকা করে ইউরোপের পথে যাত্রা করেছিলেন সিরিয়ার হাজার হাজার শরণার্থী। তখনই ডুবন্ত এক নৌকা থেকে বাবার হাত ফসকে অতল সমুদ্রে পড়ে যায় আয়লান ও তার পাঁচ বছরের ভাই।
পরের দিন তুরস্কের সমুদ্র সৈকতে লাল টি-শার্ট ও জিন্স পরা আয়লানের মৃতদেহ উদ্ধারের পর, সন্তানহারা বাবার হাহাকারে ডুকরে কেঁদে উঠেছিল বিশ্ববাসীও। সোশ্যাল মিডিয়ায় একরত্তি ওই শিশুর এমন পরিণতির ছবি উস্কে দিয়েছিল শরণার্থী বিতর্ককে।
সোমবার সেই বিতর্ককেই খুঁচিয়ে তুলে, মরক্কোর সৈকতে লাল টি-শার্ট ও নীল প্যান্ট পরে উপুর হয়ে শুয়ে পড়েন জনা তিরিশেক মানুষ। এক আশ্চর্য প্রতিবাদের মাধ্যমে বিশ্বকে আরও একবার মনে করিয়ে দেন সেই হৃদয়বিদারক দৃশ্যের কথা।
আয়লানের স্মরণে এই অভিনব উদ্যোগে সহযোগী ভূমিকা নেন মরক্কোর অভিনেত্রী ললিফা আহরার। তিনি বলেন, শিল্পী হিসেবে এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানানো আমার কর্তব্য। তাই আমার সহকর্মীদের নিয়ে এখানে এসেছি। একটা সামান্য ভঙ্গি যে কতটা ইঙ্গিতবাহী হতে পারে, সেটাই জানাতে চেয়েছি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফুটপাথে রাত কাটিয়ে বদ লোকের ফাঁদেও পড়েছি, অকপট কঙ্গনা
আসলে এই মুহূর্তে খ্যাতির শীর্ষে থাকা কুইন সম্প্রতি মন দিয়েছেন জীবনের হিসেব-নিকেশে। তিনি আছেন মানেই ছবি হিট— এমনটাই ধরে নিচ্ছে বলিউড। ছবি যে রকমই হোক না কেন, শুধু তাঁকে দেখতে গিয়েই ভক্তরা পয়সা তুলে দিচ্ছেন পরিচালক-প্রযোজকের ঘরে। তবে শুরুটা যে আদৌ এ রকম ছিল না, তারিয়ে তারিয়ে সাফল্য উপভোগের মাঝেই জানালেন কঙ্গনা।
“আজকের মসৃণ জীবনযাত্রার থেকে অনেক অনেক দূরে ছিল শুরুর সেই দিনগুলো! মুম্বইয়ে আমি বিমানের প্রথম শ্রেণি থেকে বেরিয়ে পা রাখিনি!”— সাফ জানাচ্ছেন কঙ্গনা। ছোট শহরের মেয়ে হিসেবে মুম্বইয়ে যে ধাক্কা খেতে হয়, তার সব কটাই কপালে জুটেছিল তাঁর। সেই সময়ে শীততাপনিয়ন্ত্রিত গাড়িতে চড়ে শহর সফরের কথা কল্পনাও করতে পারতেন না নায়িকা। “এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে হলে সেই সময়ে বাসে বা ট্রেনে গিয়েছি। কখনও কখনও পয়সার অভাবে তা-ও পারতাম না। তখন উপায় বলতে কেবল হাঁটা”, বলছেন কঙ্গনা।
আর ফুটপাথের জীবন?
“পয়সা ছিল না বলে ওই সময়টায় ঘর ভাড়া নিতে পারিনি। তাই ফুটপাথেই থাকতাম। এখন ফুটপাথে একটা মেয়ে থাকলে তাকে যে ভাবে হেনস্থা হতে হয়, আমার সঙ্গেও তাই হয়েছিল। আমি বদ লোকেদের ফাঁদে পড়ে গিয়েছিলাম। বাধ্য হয়ে সেই সময়টায় আমায় পুলিশের কাছে যেতে হয়। জীবনের অন্ধকার দিক আমি কম দেখিনি”, স্বীকারোক্তি নায়িকার!
তবে ঠিক পরের মুহূর্তেই নায়িকার হাসি ফের প্রমাণ করে দিল, জীবনে নিরবচ্ছিন্ন অন্ধকার বলে কিছু থাকে না। “ওই অন্ধকার দিকের পাশাপাশিই দেখুন, আমি দু’বার রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে পুরস্কার পেয়েছি। তা ছাড়া আজ আমি বলিউডের সব থেকে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রী”, হাসতে হাসতে কবুল করে নিলেন কঙ্গনা।
আর জানালেন, ভেঙে না পড়ে বাধাগুলোকেই সুবিধে হিসেবে নিয়েছিলেন বলেই জীবনে এতটা এগোতে পেরেছেন তিনি।
“আমার চুল কেন কোঁকড়া, আমার চোখ কেন নীল নয়, আমি কেন আর একটু লম্বা হলাম না— এ সব নিয়ে কখনওই মাথা ঘামাইনি। বরং এগুলোকেই সম্বল করেই এগোতে চেয়েছিলাম। যা আছে, সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলাম সেগুলোকেই। ব্যস, তার পরেই ধীরে ধীরে জীবনটা অনেক সহজ হয়ে গেল”, বলছেন কুইন!
- আনন্দবাজার
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির হুমকি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের
দুমকি (পটুয়াখালী), অষ্টম পে-স্কেলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের অবমূল্যায়নের প্রতিবাদ এবং স্বতন্ত্র পে-স্কেল ঘোষণার দাবিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারশনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) মঙ্গলবার পূর্নদিবস কর্মবিরতি ও র্যালি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সম্মুখ থেকে একটি র্যালি বের হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে একাডেমিক ভবনের সামনে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন সিনিয়র শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের ডিন প্রফেসর আ.ক.ম মোস্তফা জামান, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. সুলতান মাহমুদ, পোস্টগ্রাজুয়েট স্টাডিজের ডিন প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত, জেনেটিক্স বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবুল কাশেম চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর জেহাদ পারভেজ প্রমুখ। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল স্তরের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার শিক্ষকদের পূর্নদিবস কর্মবিরতির ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদের ক্লাস, পরীক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ছিল।
রাবি, অষ্টম জাতীয় পে-স্কেলে বিশ্ববিদালয় শিক্ষকদের অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে ও শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোর দাবিতে র্যালি ও পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শিক্ষক সমিতি। গতকাল মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের সামনে থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান সড়ক ও ভবন প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় সেখানে গিয়ে শেষ হয়। র্যালির পূর্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা বলেন, ‘পে-কমিশন রিপোর্ট তৈরীর সঙ্গে জড়িত সচিবগণ অপকৌশল করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মর্যাদার অবনমন করার চেষ্টা করছেন। তারা এতে বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপকদের বেতন স্কেল সচিবদের দুইধাপ নিচে নামিয়ে এনেছে। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোর দাবিকে অগ্রাহ্য করেছে। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা আমাদের দাবি আদায়ের জন্য আন্দেলন করে যাচ্ছি। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তেমন কোন সাড়া দিচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা চাইলে দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে অচল করে দিতে পারেন বলে হুমকি দেন তিনি। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের দাবি না মানা হলে আগামীতে লাগাতার কর্মসূচির হুমকিও দেয়া হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাপান থেকে ফেরত আসাদের তালিকা হচ্ছে
টোকিওর রিক্কিয়ো বিশ্ববিদ্যালয় এবং টোকিওর বৃহত্তম মানবাধিকার সংগঠন পিপলস ফ্রেন্ডশীপ সোসাইটি। এই এশিয়ান পিউপলস ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির উদ্যোগে বৈশ্বিক অভিবাসন, বহুজাতিক নেটওয়ার্ক এবং জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক বিষয়ের ওপর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সম্প্রসারিত মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বাংলাদেশীদের ব্যপারে এ সব কথা বলা হয়েছে।
টোকিওর এশিয়ান পিপলস ফ্রেন্ডশীপ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইয়োশিনারী কাৎসুওর সভাপতিত্বে এই সংবাদ সম্মেলনে টোকিওর রিক্কিয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড: মিজুকামি তেতসুও বলেন, বাংলাদেশী এবং জাপানীদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক উন্নয়নের ফলে বাংলাদেশের সাথে জাপানের অভিবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত উন্নতি লাভ করছে। তাদের মধ্যে অনেকেই ইতিমধ্যে জাপানে অবস্থান করে বাংলাদেশে ফিরে এসেছে। যাদের মধ্যে কিছু বাংলাদেশী বাধ্য হয়েছেন ফিরে আসতে শুধুমাত্র আইনগত জটিলতার কারণে। এদেরকে সংগঠনটি নিবিড়ভাবে সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করবে ,যারা জাপানে বসবাস করেছিলেন বিভিন্ন সময়ে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন ড: ইয়াসুহিতো কিনোশিতা, অধ্যাপক নোরো ইয়োশিয়াকি, টোকিওর ওয়াছেদা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক নাকাইয়ামা ইউকা এবং টোকিওর এশিয়ান পিপলস ফ্রেন্ডশীপ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মাসুদ করিম।
আয়োজকরা জানান, ১৯৮৭ সালে জাপানে প্রতিষ্ঠিত হওয়া এই অলাভজনক প্রতিষ্ঠানটি অভিবাসীদেরকে জাপানে মর্যাদার সাথে অবস্থান করতে সহায়তা করে। বৈশ্বিক অভিবাসন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ থেকে জাপান গমনেচ্ছু বাংলাদেশীর সংখ্যা ১৯৮০ সালের শেষ দিক থেকেই বৃদ্ধি পেতে থাকে। আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে বাংলাদেশী শ্রমিকদের সামাজিক অবস্থা নির্ণয় করা। অভিবাসন ও অভিবাসন সংশ্লিষ্ট বিতর্কিত বহু বিষয় যা এখনও জাপানে বিদ্যমান। সে ক্ষেত্রে সাধারণভাবে শ্রমবাজারের স্বল্পতা সমস্যাকেই বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে এবং জাপানে অবস্থানরত বয়স্ক নাগরিক এবং বাসস্থান সমস্যাকেও চিহ্নিত করা হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘হাথুরুসিংহেকে নিয়ে শঙ্কা নেই’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুদ্ধ হলে ভারতকে চরম মূল্য দিতে হতে পারে -পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি
![]() |
| জেনারেল রাহিল শরিফ |
১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের বার্ষিকী উপলক্ষে গত রোববার পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জেনারেল শরিফ এসব কথা বলেন। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমি বলতে চাই, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী বাইরের শক্তির আক্রমণ প্রতিহত করতে পুরোপুরি প্রস্তুত।’
গত সপ্তাহেই ভারতের সেনাপ্রধান দলবীর সিং সুহাগ ‘ছোট মাত্রার যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে’ তাঁর সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। দলবীর অভিযোগ করেছিলেন, পাকিস্তান অব্যাহতভাবে যুদ্ধবিরতির চুক্তি ভঙ্গ করে জম্মু ও কাশ্মীরকে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে।
ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তে কয়েক দিন ধরে চলা সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে দলবীর ওই কথা বলেন।
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল শরিফ ভারতের নাম উচ্চারণ না করে রাওয়ালপিন্ডিতে বলেন, যদি শত্রুরা আক্রমণের দুঃসাহস দেখায়, তবে যুদ্ধ ছোট বা বড় যা-ই হোক না কেন—শত্রুদের চরম মূল্য দিতে হবে।
ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ অবিচার ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে—এমন অভিযোগ করেন রাহিল শরিফ। তিনি বলেন, কাশ্মীর সমস্যার ন্যায়সংগত সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এ অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি আসবে না।
আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে একমত না হওয়ার কারণে গত মাসে ভারত ও পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পর্যায়ের বৈঠক শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়ে যায়। ভারত চেয়েছিল যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ এবং পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসীদের বিষয়টি আলোচিত হোক বৈঠকে। আর পাকিস্তান চেয়েছিল, বৈঠকে শুধু কাশ্মীর প্রসঙ্গ আলোচিত হোক। অন্য কোনো বিষয় এতে যুক্ত করা যাবে না।
নিজের তৈরি ড্রোন দিয়ে প্রথমবারের মতো হামলা: পাকিস্তান নিজের তৈরি ড্রোন (মানুষবিহীন বিমান) ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো হামলা চালিয়েছে। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকায় চালানো ওই হামলায় তিনজন জঙ্গি নিহত হয়েছে। গতকাল সোমবার পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী এ কথা জানিয়েছে। খবর এএফপির।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল অসীম বাজা খুদে বার্তা লেখার ওয়েবসাইট টুইটারে লিখেছেন, ‘আজ পাকিস্তানের তৈরি ড্রোন “বুরাক” প্রথমবারের মতো ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে। শাওয়াল উপত্যকায় সন্ত্রাসীদের ঘাঁটিতে চালানো ওই হামলায় তিনজন শীর্ষস্থানীয় সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাকে বিয়ে করার জন্য তিন সন্তান খুন
হত্যাকারীকে পুলিশ সোমবার গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যাকারী ফাহিম বেগ ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন।
নাগিনা বেগম নামের ওই নারী এবং বেগ একই এলাকায় থাকতেন। নাগিনার স্বামী এক বছর আগে তাকে ছেড়ে হায়দ্রাবাদ চলে যান।
বেগ তাকে বিয়ে করতে চাইলে তার পরিবার সন্তানের কারণে তাতে রাজি হচ্ছিল না।
গত ২৭ আগস্ট শিশু তিনটি নিখোঁজ হয়ে যায়।
ব্যাপক খোঁজাখুঁজির পর রোববার ওই নারী ফাহিম বেগের সাথে তার সম্পর্ক ফাঁস করে দিলে মৃত শিশুদের ভাগ্য সম্পর্কে সূত্র পাওয়া যায়।
ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর বেগ স্বীকার করেন, তিনি ২৭ আগস্ট বাচ্চাগুলোকে স্কুল থেকে নিয়ে আসেন। তিনি প্রায়ই তাদের বাসায় যেতেন বলে তারা কোনো ধরনের সন্দেহ করেনি। তারপর রাতে তাদের হত্যা করেন।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোদির আত্মধ্বংসাত্মক সংস্কার! by কে ইকবাল
সন্ত্রাসী পটভূমিকে কাজে লাগানোর কারণে ভদ্রতা, ধৈর্য বা সহিষ্ণুতা এবং কূটনৈতিক দক্ষতার ক্ষেত্রে মোদির দুর্বলতা রয়েছে। ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে মোদির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হচ্ছে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন সঙ্ঘবদ্ধ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়া সত্ত্বেও তাতে বাধা না দিয়ে দুষ্কর্মে তিনি সহযোগিতা দিয়েছিলেন। ওই হত্যাকাণ্ডে প্রায় এক হাজার মানুষ নিহত হয়- যাদের বেশির ভাগ ছিল মুসলমান। ভারতীয় মানবাধিকারকর্মী তিস্তা সেতালভাদ দাঙ্গায় মোদির সম্পৃক্ততার প্রমাণ সংগ্রহ করতে নিজের দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন।
ভারতীয় মানবাধিকার কর্মী তিস্তা সেতালভাদ পদ্মশ্রী পুরস্কার গ্রহণকারী একজন নারী। একজন হিন্দু নারী একজন হিন্দু প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি রাজ্যে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ অনুসন্ধান করেছেন, যেখানে হত্যাকাণ্ডের শিকার বেশির ভাগই মুসিলম। দাঙ্গার জন্য মোদিকে হয়তো ফৌজদারি অভিযোগের মুখোমুখী হতে হতো। কিন্তু ওই অভিযোগের ব্যাপারে আদালতের প্রসিডিংসের প্রাক্কালে কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরোর সদস্যরা পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত সেতালভাদের পরিবারকে হয়রানি ও নাজেহাল করার জন্য তার বাড়িতে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী তল্লাশি অভিযান চালায়। সিবিআই রাজনৈতিক কর্তাদের ইচ্ছাপূরণের জন্য ব্যবহৃত হয় বলে কুখ্যাতি রয়েছে। তবুও ২০০২ সালে সরকারি তত্ত্বাবধানে গুজরাটে তিন দিনব্যাপী মুসলিম গণহত্যা চালানোর সময় মোদি যে বীজ বপন করেছিলেন, তা ২০১৫ সালের আগস্টে এসে সাব-সাম্প্রদায়িক আন্তঃহিন্দু সহিংসতায় পরিণত হয়েছে। যদিও মোদি মানবতার বিরুদ্ধে যে অপরাধ করেছেন সেটাকে সামনে নিয়ে আসতে হয়তো উল্লেখযোগ্য সময় লাগতে পারেÑ তবুও পরিণামে তাকে একটি আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। মোদি ইতিহাস পুনরায় লেখার ব্যাপারেও ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন- যা হতে পারে ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে বিজয় উদযাপনের ঘোষণার চেয়েও বেশি দুর্বোধ্য। যা ছিল ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাথে সাথে রাজনৈতিক নেতৃত্বের জন্য চূড়ান্ত পরাজয়।
ভারতের একজন সাবেক এয়ার ভাইস মার্শাল ভারত কুমার সম্প্রতি সৈন্যসংখ্যার দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে থাকা ভারত কেমন করে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর হাতে অপমানজনক পরাজয় বরণ করেছিল তার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। ভারতীয় সেনা বাহিনীর ১৯৬৫ যুগের পেনশনপ্রার্থীরা তাদের পেনশন বহু গুণ বৃদ্ধি না করলে তথাকথিত ‘বিজয় উদযাপন অনুষ্ঠানে’ যোগদান করতে অস্বীকৃতি জানায়। কী রকম দরকষাকষি!
মোদি ও তার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল প্রক্সিযুদ্ধের মাধ্যমে হস্তক্ষেপ করে চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের (সিওইসি) পথে বাধা সৃষ্টি করার ষড়যন্ত্র করছেন। ভারত দীর্ঘ দিন ধরে সহায়তা, ভ্রমণসুবিধা এবং অন্যভাবে বিদেশে বেলুচিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পাকিস্তানবিরোধী ভিত্তিহীন বক্তব্য প্রচারের প্লাটফরম সুবিধা দিয়ে আসছে। তাদের এই প্রচেষ্টা অনেকখানি ব্যর্থ হয়েছে। বেলুচিস্তানে শান্তিপূর্ণভাবে জাতীয়, প্রাদেশিক ও স্থানীয় সংস্থাগুলোর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফেডারেল ও প্রাদেশিক সরকারগুলো তখন থেকে ক্ষুব্ধ গ্রুপগুলোর প্রতি সমঝোতামূলক কার্যক্রম শুরুর ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এখন বিলুপ্ত বালুচ রিপাবলিকান পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ব্রাহামডান বুগতিও খান অব কোল্লাতের নেতৃত্বে প্রধান বালুচ নেতাদের সাথে যোগ দিয়েছেন। খান অব কুল্লাত নিজেদের ব্যর্থতা ও সংহতি না থাকায় ভাঙন ধরার বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। তিনি এখন রাজনীতির মূল ধারায় নিজেদেরকে ফিরিয়ে আনার জন্য আলোচনার টেবিলে চলে এসেছেন। বুগতির সমঝোতা ও সৌহার্দ্যমূলক বক্তব্য বাস্তবধর্মী। মূল ধারার রাজনীতিতে তার ফিরে আসার ইচ্ছা বেলুচিস্তানে অন্যান্য বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপকে নিরুৎসাহিত করেছে। বেলুচিস্তানের পরিস্থিতির ক্রমেই উন্নতি ও অগ্রগতি হচ্ছে। বিপুলসংখ্যক ফেরারি তাদের অস্ত্রসমর্পণ করেছে।
কিশানগঙ্গা হাইড্রো-ইলেকট্রিক প্রকল্পের ব্যাপারে নিরপেক্ষ সালিস বা বিচারকের কাছ থেকে অপ্রিয় পুরস্কার পাওয়ার পর মোদি অন্যান্য বিতর্কিত হাইড্রো পাওয়ার প্রজেক্টের ব্যাপারে পাকিস্তানের কাছে আলোচনার প্রস্তাব দেন। পাকিস্তান দেখল যে নয়া দিল্লি ফাঁদে ফেলে প্রজেক্টগুলোর কাজ শেষ করে ফেলার জন্য সময় কাটানোর চেষ্টা করছে। পাকিস্তান বিভিন্ন প্রকল্পের ডিজাইনের ব্যাপারে আপত্তি উত্থাপন করল। পাকিস্তানের মতে, এসব নকশার মাধ্যমে যে কাঠামো গড়ে তোলা হবে, সেগুলো পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে প্রবহমান পানির প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করবে। এর মাধ্যমে সিন্ধু নদের পানি চুক্তিকে লঙ্ঘন করা হবে। বিষয়টির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য পাকিস্তান একজন বিশেষজ্ঞ নিয়োগদানের জন্য আইডব্লিউটির গ্রান্টার বিশ্বব্যাংকের শরণাপন্ন হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মোদি সার্কপর্যায়ে কয়েকটি দেশে ভারতপন্থী সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য উঠেপড়ে লাগেন। এরপর তিনি এ অঞ্চলের হারানো সুবিধা ফিরে যাওয়ার জন্য কানেকটিভিটি ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে পাকিস্তানবিরোধী জোটকে নিয়ে দল বাঁধেন। পাকিস্তান যখন তার প্রতিবেশীদের নিয়ে সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাসী, তখন দেখা যাচ্ছে ভারত পাকিস্তানের অর্থনীতি ও তাদের জনগণের কল্যাণের বিরুদ্ধে ক্ষতি করার জন্য পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে।
ভারত তার প্রতিবেশী ও দূরপ্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার পাকিস্তানবিরোধী উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য সর্বাত্মক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। আফগানিস্তানে পাকিস্তানের ভূমিকাকে নিষ্ক্রিয় করে রাখার মোদির প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় তিনি ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে পাকিস্তানবিরোধী মনোভাব গড়ে তোলার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি সব জায়গায় ব্যর্থ হয়েছেন। পাকিস্তানকে খাঁচায় ভরে রাখার জন্য মোদি যেভাবে আবিষ্ট হয়ে পড়েছেন, তা তার জন্য বুমেরাং হতে পারে। তার সাম্প্রতিক সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরের সময় মোদি পাকিস্তানকে অসহায়ভাবে বিপজ্জনক অবস্থায় ফেলে দেয়ার শর্তে দেশটিকে ভারতের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। ইয়েমেনের বিদ্রোহকে শান্ত করার জন্য পাকিস্তানকে সৈন্য প্রেরণে বাধ্য করার পরিবর্তে আরব দেশগুলো পাকিস্তানকে সহায়তা না করলে এবং প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক বিষয়ে পাকিস্তানের প্রতি পক্ষপাতশূন্য গতানুগতিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করলে আরবদেশগুলোকে প্রতিরক্ষাসহায়তা দেয়ার প্রস্তাব দেন মোদি। মোদি পাকিস্তান ও আরবদেশগুলোর মধ্যকার সম্পর্কের গভীরতাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হন। সৌদি বাদশাহ সালমান সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, সৌদি আরব পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মোদির নেতৃত্বে কোনো কিছুকে কখনো অনুমোদন এবং সফল হতে দেবে না।
কাশ্মিরকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের অধীনে নিয়ে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য ভারত দীর্ঘ দিন ধরে একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।
আইএইচকের সত্যিকারের প্রতিনিধি সর্বদলীয় হুরিয়ত কনফারেন্সের (এপিএইচসি) নেতৃবৃন্দের সাথে পাকিস্তানের প্রস্তুতিমূলক বৈঠকে বসার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাপর্যায়ের বৈঠক বাতিল ও সাথে সাথে ভারত নিয়ন্ত্রণ রেখা লঙ্ঘনের ব্যাপারে অটল থাকায় কাশ্মির আবার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনায় উঠে আসে। জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব এ ব্যাপারে অনেক বিবৃতি দেন। ওবামার দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষ সহকারী পিটার লেভয় ২০১৫ সালের ২০ আগস্ট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘জম্মু ও কাশ্মির একটি বিতর্কিত ভূখণ্ড। আমি মনে করি, এ ইস্যু নিয়ে তাদের একত্রে কথা বলা প্রয়োজন। আমি আশা করি, তারা সম্ভবত এ ব্যাপারে আলোচনা করবেন।’
বিশ্বশক্তিগুলো, বিশেষত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জম্মু ও কাশ্মির বিরোধের কেন্দ্রীয় পক্ষ হিসেবে জম্মু ও কাশ্মিরের জনগণকে স্বীকৃতি দেয়ার সময় এসেছে। কাশ্মিরিদের বিষয়টি উচ্চপর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই সময়ে আমেরিকায় লাখ লাখ লোকের মিছিল (এমএমএম) অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছে কাশ্মিরিরা। মিছিল সমাবেশে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জাতিসঙ্ঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা এবং এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কাশ্মির বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের একটি সুযোগ আসতে পারে।
আগামী ২৫ অক্টোবর নিউ ইয়র্কে জাতিসঙ্ঘের প্রধান কার্যালয়ের সামনে এ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। ওটা হবে আমেরিকা প্রবাসী সব কাশ্মিরি ও কাশ্মিরিদের বন্ধুদের প্লাটফর্ম। রাজনৈতিক বিশ্বাস, ধর্মীয় ও ভাষাগত সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে উঠে তারা সবাই মিলে ওই প্লাটফর্ম গড়ে তুলবে। আইএইচকে থেকে এপিএইচসি নেতৃবৃন্দকে এই মিছিলে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সৈয়দ আলী শাহ গিলানি, মির ওয়াইজ ওমর ফারুক, মোহাম্মদ ইয়াসিন মালিক এবং শাব্বির আহমদ শাহর ওপর ভারতের পক্ষ থেকে তাদের সফরের ব্যাপারে কোনো কড়াকড়ি আরোপ করা হবে না। মিছিলকারীরা জাতিসঙ্ঘ ও য্ক্তুরাষ্ট্রকে জানাতে চান যে, জম্মু ও কাশ্মিরে বিপুল জনসমর্থন পাওয়া রাজনৈতিক নেতৃত্ব আছে। তারা একটি শান্তিপূর্ণ আলোচনার ভিত্তিতে সমাধান চায়। এই নেতৃত্ব হচ্ছে হুররিয়াত কনফারেন্স। পাকিস্তান সরকার এপিএইচসিকে সমান অংশীদার হিসেবে মেনে নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে।
প্রশ্ন হচ্ছে, ভারত সরকার তাদেরকে আলোচনার টেবিলে বসতে দেবে, নাকি সংলাপের ব্যাপারে অব্যাহতভাবে নির্যাতন চালিয়ে যাবে। কাশ্মির সঙ্কটের একটি শান্তিপূর্ণ ও স্থায়ী সমাধানের একমাত্র পথ হচ্ছে তিন স্টেক হোল্ডার পাকিস্তান, ভারত ও কাশ্মিরিদের মধ্যে সংলাপ ও আলোচনা। এই ধরনের আলোচনায় অবশ্যই জাতিসঙ্ঘের তত্ত্বাবধানে গণভোট আয়োজনের বিষয়টি তুলে ধরতে হবে। অপর দিকে বিজেপিকে তার প্রধানমন্ত্রীর পছন্দকে পুনর্বিবেচনা করতে হবে, যাতে বাজপেয়ির সময়ে ভারত-পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয়পর্যায়ের সব অর্জন ধ্বংস হয়ে না যায়।
পাকিস্তানের দ্য নেশন পত্রিকা থেকে ভাষান্তর : মুহাম্মদ খায়রুল বাশার
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মন্ত্রিসভায় নতুন বেতন স্কেল অনুমোদন- ২১ লাখ চাকরিজীবীর বেতন বাড়ল
গতকাল সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল অনুমোদন করা হয়। কয়েক মাস ধরে বিষয়টি নিয়ে নানা রকম আলোচনা চলছিল। সর্বশেষ বেতন স্কেল দেওয়া হয়েছিল ২০০৯ সালে।
সশস্ত্র বাহিনীর জন্যও নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী তিন বাহিনীর প্রধানদের বেতন ও পদমর্যাদা একই রকম করার অনুশাসন দিয়েছেন বলে বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গত অর্থবছরে (২০১৪-১৫) বেতন-ভাতা খাতে সরকারের খরচ হয়েছে ৪৪ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ। বেতন বৃদ্ধির ফলে চলতি অর্থবছরে (২০১৫-১৬) সরকারের অতিরিক্ত প্রয়োজন হবে ১৫ হাজার ৯০৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এই অর্থবছরে বেতন-ভাতা খাতে ৬০ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা (বাজেটের ২০ দশমিক ১ শতাংশ) লাগবে। উল্লেখ্য, এ বছরের জাতীয় বাজেট ২ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা।
নতুন স্কেল কার্যকর হবে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে। আগামী কিছুদিনের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি হলে বকেয়াসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেতন পাবেন। চলতি বছরে শুধু মূল বেতন এবং আগামী অর্থবছরের ১ জুলাই মূল বেতনের সঙ্গে অন্যান্য ভাতা যুক্ত হবে। এই অর্থবছরে পুরোনো বেতন স্কেলে অন্যান্য ভাতা দেওয়া হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বেতনের সঙ্গে ভাতা যুক্ত হওয়ায় আগামী অর্থবছরে অতিরিক্ত খরচের পরিমাণ হবে ২৩ হাজার ৮২৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। তখন জাতীয় বেতন স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে মোট খরচ হবে ৬৯ হাজার ৯১৮ কোটি টাকা।
মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্য, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার পাওয়া (এমপিওভুক্ত) শিক্ষক, সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নতুন জাতীয় বেতনে ১ জুলাই থেকে অন্তর্ভুক্ত হবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, স্বশাসিত সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংক ও অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের ক্ষেত্রেও এই সময় থেকে নতুন বেতন স্কেল প্রযোজ্য হবে।
তবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বেতন, মর্যাদা ও পৃথক বেতন স্কেলের বিষয়টি পর্যালোচনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বেতন বৈষম্য নিরসন-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিকে। এর আগ পর্যন্ত তাঁরা যে গ্রেডে আছেন, সেই গ্রেডে নতুন স্কেল অনুযায়ী বেতন পাবেন। আর এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত দেবে, এরপর অর্থ বিভাগ এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করবে।
বেসরকারি শিক্ষকেরা মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা খুশি হননি। তাঁরা পূর্বঘোষিত আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
তবে শিক্ষাসচিব নজরুল ইসলাম খান প্রথম আলোকে বলেছেন, মন্ত্রিসভা শিক্ষকদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছে। খুব শিগগির তাঁদের বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান হয়ে যাবে এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।
জাতীয় বেতন স্কেলে ২০টি গ্রেড ছাড়াও দুটি বিশেষ গ্রেড থাকছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পাবেন ৮৬ হাজার টাকা করে, সরকারের জ্যেষ্ঠ সচিবেরা পাবেন ৮২ হাজার টাকা করে। তিন বাহিনীর প্রধানেরা মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং মুখ্য সচিবের সমান বেতন পাবেন। আর জ্যেষ্ঠ সচিবের সমান বেতন পাবেন লে. জেনারেল ও সমপদমর্যাদার সামরিক কর্মকর্তারা।
জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাবেক সচিব আলী ইমাম মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, বেতন বৃদ্ধির এ বিষয়টি খুবই ইতিবাচক। সরকারি কর্মচারীদের স্বচ্ছ ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রার জন্য এটা দরকার ছিল। তাঁর মতে, অন্য পেশা বা বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানের তুলনায় প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা অনেক কম বেতন পান বলে একধরনের অতৃপ্তি ছিল। এটি দূর হবে, পাশাপাশি সম্মানজনক এই বেতন-ভাতা মেধাবীদের সরকারি চাকরির প্রতি আকৃষ্ট করবে। এ ছাড়া দেশে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও বাড়বে।
গ্রেড থাকবে, শ্রেণি বাদ: নতুন বেতন স্কেলে এখনকার মতোই ২০টি গ্রেড থাকবে। ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন বেতন ও চাকরি কমিশন ১৬টি গ্রেডের প্রস্তাব করলেও সচিব কমিটি সরকারের আর্থিক সামর্থ্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রত্যাশা বিবেচনা করে ২০টি গ্রেড বহাল রাখে।
তবে শ্রেণি (প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) তুলে দেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ গ্রেড দিয়েই পরিচিত হবেন।
নতুন বেতন স্কেলে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাদ দেওয়া হয়েছে। চাকরিতে একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর এ ধরনের স্কেল পেতেন সরকারি চাকরিজীবীরা। এ নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষোভ থাকলেও মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা বলেছেন, ওই দুটি সুবিধা বাদ দেওয়া হলেও পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, যেসব নতুন সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে, তাতে তাঁরা বরং লাভবান হবেন। তাঁর মতে, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড কেউ পেতেন, কেউ বঞ্চিত হতেন। এখন বার্ষিক প্রবৃদ্ধি সর্বজনীন করায় সবাই তা পাবেন এবং এটা যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য বলে মন্ত্রিসভা মনে করে। তিনি আরও বলেন, ১ জুলাইয়ের আগে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেডপ্রাপ্তরা এটা পাবেন। তবে নতুন করে কেউ আর তা পাবেন না।
বার্ষিক প্রবৃদ্ধি নির্দিষ্ট করে দেওয়া হলো: এই প্রথম সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতনের ওপর বার্ষিক প্রবৃদ্ধি নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিবছরের ১ জুলাই সবার জন্য একই সঙ্গে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হবে। ২০ থেকে ষষ্ঠ গ্রেড পর্যন্ত বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হবে মূল বেতনের ৫ শতাংশ। পঞ্চম গ্রেডে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হবে সাড়ে ৪ শতাংশ। ৩ ও ৪ নম্বর গ্রেডে প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ। গ্রেড ২-এর বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। তবে ১ নম্বর গ্রেডে প্রবৃদ্ধি হবে না।
মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা বলেন, মূল বেতনের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হবে চক্রবৃদ্ধি হারে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘কারও মূল বেতন ১০ হাজার টাকা হলে এক বছরে তাঁর ৫ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি হবে ৫০০ টাকা। প্রথম বছর শেষে ওই ব্যক্তির প্রবৃদ্ধিসহ বেতন দাঁড়াবে ১০ হাজার ৫০০ টাকা। যেহেতু চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়বে, তাই দ্বিতীয় বছরে ওই ১০ হাজার ৫০০ টাকার ওপর বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হবে। এভাবে প্রতিবছরই বার্ষিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে।
তিন বাহিনীর প্রধানদের বেতন ও মর্যাদা সমান: সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানেরা একই স্কেলে বেতন-ভাতা পাবেন। এর আগে সেনাপ্রধানের পদমর্যাদা ও বেতন অন্য দুই বাহিনীর প্রধানদের ওপরে ছিল। সেনাপ্রধান এখন ৪৫ হাজার টাকা মূল বেতন পান, অন্য দুই বাহিনীর প্রধানেরা পান ৪২ হাজার টাকা করে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, তিন বাহিনীর প্রধানেরা বেতন পাবেন ৮৬ হাজার টাকা করে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের র্যাঙ্কও উন্নীত করা হবে।
নববর্ষ ভাতা চালু: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী, শিক্ষক, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যদের জন্য বাংলা নববর্ষ ভাতা চালুর বিষয়টি অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, দেশে ধর্মভিত্তিক উৎসব রয়েছে। কিন্তু বাংলা নববর্ষ ভাতা সব সম্প্রদায়ের মানুষ একই সঙ্গে এবং একই সময়ে পাবেন। এই ভাতা হবে মূল বেতনের ২০ শতাংশ। মন্ত্রিসভা প্রশিক্ষণ ভাতা, ঝুঁকি ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষা ভাতাসহ সব ধরনের বিশেষ ভাতা টাকার অঙ্কে নির্দিষ্ট করে দিয়েছে। প্রেষণ ভাতা তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে বাড়িভাড়া এখনকার মতো মূল বেতনের শতাংশ হারে (কোথায় ৪০, কোথাও ৫০ শতাংশ) দেওয়া হবে।
বাড়ল অবসর সুবিধা: নতুন বেতন-স্কেলে অবসর সুবিধা বাড়বে। ২০০৯ সালের বেতন স্কেলে সরকারি চাকুরেদের অবসরের সময় মূল বেতনের ৮০ শতাংশ ধরে পেনশন নির্ধারণ হতো। নতুন স্কেলে মূল বেতনের ৯০ শতাংশ ধরে পেনশন নির্ধারণ করা হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, নতুন জাতীয় বেতন স্কেলের বিশেষ দিক হচ্ছে, ওপরের ধাপের তুলনায় নিচের ধাপে বেতন বেশি বেড়েছে। তবে প্রতিবছর বার্ষিক প্রবৃদ্ধির যে হার নির্দিষ্ট করে দিয়েছে মন্ত্রিসভা, তাতে ভবিষ্যতে বেতন কমিশন গঠনের প্রয়োজন না-ও হতে পারে। উল্লেখ্য, বেতন কমিশন একটি স্থায়ী বেতন কমিশন গঠনের সুপারিশ করেছিল।
গত ২১ ডিসেম্বর সরকারের কাছে প্রতিবেদন দিয়েছিল বেতন কমিশন, যা সচিব কমিটি ও অর্থ বিভাগ হয়ে গতকাল মন্ত্রিসভায় ওঠে। ২০১৩ সালের ১ জুলাই থেকে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা পাচ্ছিলেন মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে মহার্ঘ ভাতা, যা নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের দিন থেকে বিলুপ্ত হবে।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও বেতন কমিশনের প্রধান মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, বেতন ও চাকরি কমিশন সরকারকে পরামর্শ দিয়েছে, এটি বাস্তবায়নের এখতিয়ার সরকারের। তিনি বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভালোভাবে দেখভাল না করা হলে তাঁদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ উৎকর্ষ, সততা ও নিষ্ঠা পাওয়া যাবে না।
বেতন কমিশনের প্রধান আরও বলেন, ‘সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা এক বছরে যে বেতন পান, যুক্তরাষ্ট্রে সমপদমর্যাদার কর্মকর্তা আধা সপ্তাহে সেই বেতন পান। আমরা সরকারকে বলেছিলাম, তাঁদের যেন এক সপ্তাহের সমান বেতন দেওয়া হয়। সরকার সেই সুপারিশ রেখেছে।’
মন্ত্রিসভায় নতুন বেতন স্কেল অনুমোদন
গ্রেড–১ ৪০,০০০ ৭৮,০০০
গ্রেড–২ ৩৩,৫০০ ৬৬,০০০
গ্রেড–৩ ২৯,০০০ ৫৬,৫০০
গ্রেড–৪ ২৫,৭৫০ ৫০,০০০
গ্রেড–৫ ২২,২৫০ ৪৩,০০০
গ্রেড–৬ ১৮,৫০০ ৩৫,৫০০
গ্রেড–৭ ১৫,০০০ ২৯,০০০
গ্রেড–৮ ১২,০০০ ২৩,০০০
গ্রেড–৯ ১১,০০০ ২২,০০০
গ্রেড–১০ ৮,০০০ ১৬,০০০
গ্রেড–১১ ৬,৪০০ ১২,৫০০
গ্রেড–১২ ৫,৯০০ ১১,৩০০
গ্রেড–১৩ ৫,৫০০ ১১,০০০
গ্রেড–১৪ ৫,২০০ ১০,২০০
গ্রেড–১৫ ৪,৯০০ ৯,৭০০
গ্রেড–১৬ ৪,৭০০ ৯,৩০০
গ্রেড–১৭ ৪,৫০০ ৯,০০০
গ্রেড–১৮ ৪,৪০০ ৮,৮০০
গ্রেড–১৯ ৪,২৫০ ৮,৫০০
গ্রেড–২০ ৪,১০০ ৮,২৫০
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনপ্রিয়তা থাকলে নির্বাচনে ভয় কিসের - সরকারের উদ্দেশে খালেদা জিয়া
গত রাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্মাষ্টমী উপলে এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এ প্রশ্ন করেন।
আওয়ামী লীগকে সাপের সাথে তুলনা করে হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে আহ্বান রেখে বেগম জিয়া বলেন, একুশ শতকে আপনাদের চিন্তাধারার পরিবর্তন করুন। কিভাবে আজ আপনাদের সম্পদ, মা-বোনসহ সবার নিরাপত্তা বিনষ্ট হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সাপের থেকে কোনো অংশে কম নয়। আমি বলব, সাপ দংশন করলে ওঝা হয়ে ঝাড়তে যাবেন না। তারা (সাপ) যাতে দংশন করতে না পারে সে জন্য আপনারা সতর্ক থেকে সেভাবে কাজ করবেনÑ এটাই আমরা প্রত্যাশা করি।
জন্মাষ্টমী উপলে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের উদ্যোগে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত রামকৃষ্ণ মঠের স্বামী কৃষ্ণ সেবানন্দ মহারাজ, স্বামী দিব্যযোগান্দ মহারাজ, ইসকন বাংলাদেশের মাধব মরারী দাশ ব্রহ্মচারী, তরুণ শ্যাম দাশ ব্রহ্মচারী, শুভ নিতাই গৌর দাশ ব্রহ্মচারী, সিতাপতি গোঁরমাই, ধানমন্ডি পূজামণ্ডপের দিলীপ চৌধুরী, বনানী পূজামণ্ডপের পান্না লাল দত্তসহ হিন্দু ধর্মের মানুষজনের সাথে খালেদা জিয়া শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ আইনবিষয়ক সম্পাদক নিতাই রায় চৌধুরী, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক গৌতম চক্রবর্তী, অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব বিজন কান্তি সরকার ও দলের সহধর্মবিষয়ক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা সুশীল বড়ুয়া, অমলেন্দু দাস অপু, নুকুল সাহা, রমেশ দত্ত, তরুণ দে, মিল্টন বৈদ্য, রতন বালা, মৃনাল বৈষ্ণব প্রমুখ নেতাও বক্তব্য রাখেন। ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার ছিল শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি দিন শুভ জন্মাষ্টমী।
বিভিন্ন স্থানে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি দখল ও তাদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতনের প্রসঙ্গ টেনে খালেদা জিয়া অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগ মতায় এলে হিন্দুরা নির্যাতিত হয়। বিপদে পড়ে। স্বাধীনতার পর থেকে হিন্দুদের সম্পত্তি দখল করেছে।
বিএনপিকে অসাম্প্রদায়িক দল অভিহিত করে তিনি বলেন, আমরা মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবাই বাংলাদেশী। আমরা সব ধর্মের সমান অধিকারে বিশ্বাস করি। সংখ্যালঘু আমরা ব্যবহার করি না। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে গয়েশ্বর রায়কে অন্তর্ভুক্তির কথা তুলে ধরে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, যে দিন থেকে আমি রাজনীতিতে এসেছি, গয়েশ্বরকে আমি দেখেছি, চিনি। আমি তাকে বিশ্বাস করি। আমরা যদি তাকে বিশ্বাস না করতাম, তাহলে পার্টির সর্বোচ্চ ফোরামে রাখতাম না। কাজেই আমরা এটা বলে দিতে চাই, আপনাদের (হিন্দু সম্প্রদায়) মাঝ থেকে এ বিষয়টা আসতে হবে। এটা শুধু একপে একপেষে হতে পারে না।
দেশের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বেগম জিয়া বলেন, আজ কোনো ধর্মের মানুষ শান্তিতে নেই। এমনকি কোনো ধর্মের মেয়েরা নিরাপদে নেই। কাউকে ছাড় দেয় না। আবার যদি কোনো হিন্দু ধরা পড়ে, তাকে আরো বেশি পিটিয়ে বলে, তুই বিএনপি করিস কেন। তোদের আওয়ামী লীগে থাকতে হবে, আওয়ামী লীগে ভোট দিতে হবে। আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কিছু করবি নাÑ এ রকম চিন্তা তাদের।
সেজন্য আপনাদের (হিন্দু সম্প্রদায়) চিন্তাধারায় পরিবর্তন আনতে হবে। এলাকাভিত্তিক অনেক জায়গায় আমরা হিন্দু সম্প্রদায়ের বেশি ভোট পাই বলে আমাদের প্রার্থীরা জিতে। গত উপজেলা নির্বাচনে বগুড়ায় বিএনপির মনোনীত হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হওয়ার কথাও বলেন খালেদা জিয়া।
দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হিন্দু সম্প্রদায়সহ সব ধর্মের জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আসুন দেশটাকে বাঁচানোর জন্য সরকারের জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। শ্রীকৃষ্ণ অন্যায় দূর করতে নেমে এসেছিলেন, তাই আপনাদেরও অন্যায়ের প্রতিবাদ করা উচিত। সারা দেশে বন্যায় দুর্গতদের মধ্যে কোনো ত্রাণ সরকার বিতরণ করছে না বলে অভিযোগও করেন তিনি।
তৎকালীন গণতন্ত্রী পার্টির নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত যিনি বর্তমানে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা। তার প্রসঙ্গ টেনে খালেদা জিয়া বলেন, অনেক দিন আগের কথা বলছি, ১৯৯১-৯২ সালের কথা। গণতন্ত্রী পার্টির সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত যিনি জিয়াউর রহমান সম্পর্কে জানেন, তাকে একটি আলোচনা সভায় দাওয়াত দেয়া হয়েছিল। তিনি জিয়াউর রহমানকে যেভাবে মুক্তিযুদ্ধে দেখেছেন, তা বলেছেন। জিয়াউর রহমান সম্পর্কে ভালো ভালো কথা তিনি বললেন কেন। সে জন্য তার বাড়ি আক্রমণ করেনি? আগুন দেয়নি? আওয়ামী লীগ হচ্ছে এ রকম জিনিস।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতির অন্দরে নির্বাচনের সবুজ বাতি by পীর হাবিবুর রহমান
এদিকে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ১৯৮১ সালে পরিবার পরিজন হারিয়ে দলের হাল ধরে টানা ৩৪ বছরের সংগ্রামে গোটা বাংলাদেশ সফর করেছেন। জনগণকে তার প্রতি আস্থায় আনতে এবং দলকে সুসংগঠিত করতে বারবার সাফল্য কুড়িয়েছেন। বারবার তার জীবনের ওপর আঘাতও এসেছে। তবুও রাজনীতির দুর্গম পথে যে চ্যালেঞ্জ নিয়ে হাঁটা শুরু করেছিলেন সেখানে ঝড়ঝঞ্ঝাট মোকাবিলা করেই বিরতিহীন পথ চলছেন। একুশের গ্রেনেড হামলা থেকেই ওয়ান-ইলেভেনের মাইনাস ষড়যন্ত্র তাকে দমাতে পারেনি। তেমনি তিনি তা ভুলতেও পারেননি। যে নেতারা তাকে রাজনীতি ও দেশছাড়া করতে চেয়েছিলেন তাদের দিকে আঙুল তুলে সম্প্রতি মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিজের বেদনার কথাও বলেছেন। সূত্র জানায়, অনেক সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনা যে ভাবে নিচ্ছেন দলের অনেক বড় বড় মন্ত্রী-নেতারাও তা আগাম জানছেন না। এবার প্রায় সত্তরের কাছাকাছি আসা মুজিব কন্যা শেখ হাসিনা প্রায় সারা দেশ সফর করবেন। কোথাও উদ্বোধন সঙ্গে জনসভা করবেন। তার উন্নয়নের ফিরিস্তি এবং বড় অর্জনগুলো সামনে তুলে ধরে বাংলাদেশ কিভাবে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে তার বর্ণনা দিয়ে জনমত পক্ষে নিতে চাইবেন। তার মন্ত্রী-এমপিদের আমলনামাও তিনি সংগ্রহ করছেন। আগামী নির্বাচনের আগে বর্তমান সংসদে অনেক এমপি যারা বিতর্কিত তাদের বাদ দেয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তিনি রাজনীতি শুরু করার পর যেসব এলাকায় নৌ-পথে ঘুরেছেন সেখানে এবার মানুষ সড়ক পথে যাতায়াত করছেন। জনগণকে হাতেনাতে উন্নয়নের চেহারা ধরিয়ে দেবেন। একই সঙ্গে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, সমুদ্র বিজয়, ছিটমহল ইস্যুর সমাধান তার বক্তব্যে অগ্রাধিকার পাবে। পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াতের সহিংস রাজনীতির চিত্র তুলে ধরবেন। সূত্র জানায়, আগে শেখ হাসিনা যেভাবে সারা দেশ চষে বেড়িয়েছেন এবারও অভিজ্ঞতার ঝুলি নিয়ে সেভাবেই সারা দেশ সফর করবেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দল গোছানোর পর যে জনসভা শুরু করবেন সেখানে সরকারি দলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি, দখল, বিরোধী দলের ওপর দমন-নির্যাতন, গুম, খুনের অভিযোগ এনে সরকারের বিরুদ্ধে জনমত পক্ষে টানতে চাইবেন।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ আকস্মিকভাবে বিপরীত মেরুতে থাকা স্ত্রী রওশন এরশাদের সঙ্গে আপসরফায় পথ হাঁটতে শুরু করেছেন। তিনিও সারা দেশ ঘুরছেন পার্টির সম্মেলনের মাধ্যমে। মহাজোট সরকারের দেহের একাংশ হলেও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ সরকারবিরোধী বক্তৃতায় মাঠ গরম করতে চাইছেন। কেউ কেউ বলছেন, সরকারের নকশায় সরকার দ্বারা দমন-পীড়নের মুখে পতিত বিএনপির শূন্য জায়গায় দাঁড়ানোর শেষ চেষ্টা করছেন। পর্যবেক্ষকরা অপেক্ষায়, আন্তর্জাতিক মহলের মধ্যস্থতায় আগামী দিনের জাতীয় রাজনীতি ও নির্বাচন কোন পথে হাঁটে সেটি দেখার।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসলামী ব্যাংকের আরও ২৯ লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা
ইসলামী ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, পর্যায়ক্রমে ডিআইবি তাদের হাতে থাকা সব শেয়ার বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে শেয়ারবাজারের মাধ্যমে ধাপে ধাপে শেয়ার বিক্রি করা হচ্ছে। বাংলাদেশের পাশাপাশি আরও সাতটি দেশের ব্যাংক খাতের বিনিয়োগ তুলে নিচ্ছে দুবাই ইসলামিক ব্যাংক। এসব বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে ‘ব্যাংক অব খার্তুম’ নামে সুদানের এক ব্যাংকে বিনিয়োগ করবে।
১৯৮৩ সালের শুরুতে দেশি-বিদেশি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক। ওই বছরের ২৩ মার্চ ৬৮১টি শেয়ার কিনে উদ্যোক্তা হিসেবে যুক্ত হয় ডিআইবি। পরবর্তী সময়ে কয়েক ধাপে অধিকারমূলক (রাইট) শেয়ার কিনে ও বোনাস লভ্যাংশ পেয়ে শেয়ারের পরিমাণ বা বিনিয়োগ বেড়ে যায়।
প্রতিষ্ঠাকালীন বিদেশি উদ্যোক্তাদের মধ্য থেকে ডিআইবি সরে গেলেও এখনো ইসলামী ব্যাংকে সৌদি আরবের ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, কুয়েত ফিন্যান্স হাউস, জর্ডান ইসলামিক ব্যাংক, কাতারের ইসলামিক ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ করপোরেশন, বাহরাইন ইসলামিক ব্যাংকসহ আরও বেশ কিছু বিদেশি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ রয়েছে।
এদিকে, ২৯ লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা আসার পরও গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ২ টাকা ১০ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ২৮ টাকায়। গত এক মাসের মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডিআইবি এককভাবে ৬৬ লাখ শেয়ার বিক্রি করেছে। আর এ এক মাসে শেয়ারবাজারে ইসলামী ব্যাংকের প্রতিটি শেয়ারের দাম বেড়েছে পাঁচ টাকা। গত ১০ আগস্ট ডিএসইতে ইসলামী ব্যাংকের প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল প্রায় ২৬ টাকা। ১৬ আগস্ট তা সর্বোচ্চ প্রায় ৩১ টাকায় উঠেছিল।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যাঙ্গালোরে গ্রামীণ কুটার করপোরেট সদর দপ্তর উদ্বোধন করলেন ড. ইউনূস
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের শিশু অধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে জাতিসঙ্ঘ
১৮ জন স্বাধীন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে গঠিত এ সংক্রান্ত কমিটি শিশু অধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের দেয়া প্রতিবেদন পর্যালোচনার পাশাপাশি সরকারি প্রতিনিধি দলের সাথে প্রশ্নোত্তর পর্বে আলোচনায় অংশ নেবে।
জেনেভাতে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত দফায় দফায় বাংলাদেশ ছাড়াও ব্রাজিল, চিলি, কিউবা, কাজাখাস্তান, মাডাগেস্কার, পোল্যান্ড, তিমুর ও সংযুক্ত আবর আমিরাতে শিশু অধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে।
এতে শিশু অধিকার বিষয়ক জাতিসঙ্ঘ সনদের শিশু বিক্রি, শিশু পতিতা ও শিশু পর্নোগ্রাফি এবং সশস্ত্র সংঘাতে শিশুর ব্যবহার সংক্রান্ত দুটি প্রটোকলের বাস্তবায়নও পর্যালোচনা করা হবে।
বাংলাদেশে সম্প্রতি নির্যাতনের মাধ্যমে শিশু হত্যার কয়েকটি ঘটনা ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
September
(460)
-
▼
Sep 08
(33)
- পরাজিত হয় না কবি by আল মাহমুদ
- এরশাদের দিনযাপন by বেলায়েত হোসাইন
- ‘নগ্নতা ও বেহায়াপনার বিস্তার ঘটানো হচ্ছে’ কোরবানি ...
- সিরিয়ার সর্বশেষ তেলখনিটিও দখলে নিলো আইএস
- প্রধান বিচারপতির ‘সংশয়ে’ মনক্ষুণ্ন বিচারপতি চৌধুরী
- দুই শীর্ষ নেতাসহ জামায়াতের ১৩ জন রিমান্ডে: মুক্তির...
- ‘আমিও আয়লান’ সৈকতে অভিনব প্রতিবাদ
- ফুটপাথে রাত কাটিয়ে বদ লোকের ফাঁদেও পড়েছি, অকপট কঙ...
- অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির হুমকি পাবলিক বিশ্ববিদ্য...
- জাপান থেকে ফেরত আসাদের তালিকা হচ্ছে
- ‘হাথুরুসিংহেকে নিয়ে শঙ্কা নেই’
- যুদ্ধ হলে ভারতকে চরম মূল্য দিতে হতে পারে -পাকিস্তা...
- মাকে বিয়ে করার জন্য তিন সন্তান খুন
- মোদির আত্মধ্বংসাত্মক সংস্কার! by কে ইকবাল
- মন্ত্রিসভায় নতুন বেতন স্কেল অনুমোদন- ২১ লাখ চাকরি...
- জনপ্রিয়তা থাকলে নির্বাচনে ভয় কিসের - সরকারের উদ্দে...
- রাজনীতির অন্দরে নির্বাচনের সবুজ বাতি by পীর হাবিবু...
- ইসলামী ব্যাংকের আরও ২৯ লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা
- ব্যাঙ্গালোরে গ্রামীণ কুটার করপোরেট সদর দপ্তর উদ্বো...
- বাংলাদেশের শিশু অধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে জ...
- 'বিপ্লবী নন, ভগৎ সিং আসলে জঙ্গি!
- শরণার্থীদের দায়িত্ব নেবে না চেক রিপাবলিক, স্লোভাক...
- ‘হাসিনার স্বজনরাই হিন্দুদের জমি দখল করছে’
- ব্যক্তিগত বিরোধেই শাবিতে শিক্ষকদের আন্দোলন!
- রাষ্ট্রধর্মের বৈধতা প্রশ্নে করা রিট আবেদন খারিজ
- দুই বাসের চাপে প্রাণ গেল যাত্রীর
- ইমরান হত্যা মামলায় প্রেমিকা ৩ দিনের রিমান্ডে
- চ্যানেলগুলোর অনুষ্ঠান মনিটরিং করছে কমিটি
- হিন্দু? নিঃসন্তান? বিশ্ব হিন্দু পরিষদ খুলছে হেল্পল...
- বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সংখ্যালঘুদের ভারতে থাকার অনুম...
- বাংলাদেশ গভীর সঙ্কটে : নিউইয়র্কে শফিক রেহমান
- দুর্গন্ধে চলা দায় by খালিদ সাইফুল্লাহ
- ভারতকে ‘সহ্যাতীত ক্ষয়ক্ষতি’ বরণ করতে হবে : পাক সেন...
-
▼
Sep 08
(33)
-
▼
September
(460)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





















