Tuesday, July 22, 2014
আলিয়া ভাটের প্রথম প্রেম শহীদ কাপুর!

বলিউডে নতুন প্রজন্মের জনপ্রিয় নায়িকার এক নম্বর আসনটিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন আলিয়া ভাট। আর সেই সুবাদে একে একে ঝুলিতে আসতে শুরু করেছে বলিউডের প্রতিষ্ঠিত নায়কদের বিপরীতে সিনেমায় কাজ করার অফার। আর এখানে থেকেই শুরু। জানা যায় আলিয়া ভাট শহীদ কাপুরের বিপরীতে ‘শান্দার’ সিনেমাতে অভিনয় করতে চলেছেন। আর এই সুযোগটি পেয়ে আলিয়া তার মনের কথা জানিয়ে দিলেন এই চার্মিং হিরোকে।
আলিয়া জানান, আলিয়ার জীবনে প্রথম প্রেমের ছোঁয়া নিয়ে এসেছিলেন যে পুরুষটি তিনি আর কেউ নন শহীদ কাপুর। মাত্র ১১ বছর বয়সে ‘ইশক ভিষক’ সিনেমায় শহীদকে প্রথম দেখেই ক্রাশ খান এই আলিয়া।
আলিয়া বলেন, আমি শহীদ কাপুরের অনেক বড় ভক্ত। আমি মাত্র ১১ বছর বয়সে শহীদের ‘ইশক ভিষক’ সিনেমাটি দেখতে Gaiety Galaxy সিনেমা হলে যাই । আর প্রথম দেখতেই ভালো লেগে যায় শহীদ কাপুরকে। আমি তার প্রেমে পড়ে যাই। আর বাল্যকালের ক্রাশের সাথে অনস্ক্রিন শেয়ার করতে পারব ভেবেই ভালো লাগছে।
তবে ক্যারিয়ারের শুরু যেখানে ভারুন- সিদ্ধারথের মতো সমবয়সী অভিনেতার সাথে সেখানে শহীদের মতো তারকার সাথে অভিনয় করতে অসুবিধার সম্মুখীন হবেন না? এমন প্রশ্নের জবাবে আলিয়া বলেন, আমি এমনটা মনে করি না। শহীদ কাপুর আমার কাছে অন্যান্য সহকর্মী ভারুন-সিদ্ধারতের মতোই। আর আপনারা ভুলে যাচ্ছে আমি ইতোমধ্যেই আমার থেকে বয়সে বড় অভিনেতা রণদীপ হুড্ডার সাথে অভিনয় করেছি হাইওয়ে সিনেমাটিতে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফটোগ্রাফারের প্রেমে প্রভা!

কিন্তু ফোনালাপ, সাক্ষাতে নিয়মিত যোগাযোগ চলছিল তাদের। জানা গেছে এরই মধ্যে প্রভার সঙ্গে সেই ফটোগ্রাফারের প্রেম বিনিময় হয়ে গেছে। তাহলে কি এই ছেলেটিই তার মনের মানুষ?
তবে ছেলেটি প্রভার মনের মানুষ হোক আর যাই হোক। এটি কিন্তু তার বাস্তব জীবনের গল্প নয়। নিজাম উদ্দিন লস্করের রচনা ও হারুন-অর-রশীদের পরিচালনায় ‘মনের মানুষ’ নামের একটি নাটকে এমনই চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।
এতে অভিনয় প্রসঙ্গে প্রভা বলেন, "নাটকটির গল্প বেশ সুন্দর। আমি সাধারণত এমন রোমান্টিক ঘরানার গল্পের নাটকে অভিনয় করতে পছন্দ করি। দর্শকদের ভালো লাগবে বলেই আমার বিশ্বাস।" এতে ফটোগ্রাফার মিলনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন শ্যামল মাওলা। নাটকটি একুশে টেলিভিশনের ঈদ অনুষ্ঠানমালায় প্রচার হবে বলে নির্মাতা জানিয়েছেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘কন্যাশিশুদের সুরক্ষায় সরকারের উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়’ -সাক্ষাত্কারে নাছিমা আক্তার by মানসুরা হোসাইন

>>ছবি জুমের জন্য ক্লিক>>
প্রথম আলো: কেন এই ফোরাম বা মোর্চা গঠন?
নাছিমা আক্তার: ২০০০ সালের আগে সার্ক কন্যাশিশু বর্ষ, কন্যাশিশু দশকসহ বিভিন্ন ধাপ পার করেছে বাংলাদেশ। বিভিন্ন সময় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কন্যাশিশুর সুরক্ষায় সরকার বিভিন্ন অঙ্গীকারও করেছে। তবে সেসবের বাস্তবায়ন ছিল হতাশাজনক। ২০০০ সালে সামাজিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে সরকারকে কন্যাশিশু দিবস পালনের জন্য আহ্বান জানানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে ফোরামের যাত্রা। দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট সচিবালয় হিসেবে কাজ করছে। ফোরামের কর্মীদেরও সহায়তা করছে এ সচিবালয়। এ ছাড়া এ ফোরাম আন্তর্জাতিক মোর্চা ‘গার্লস নট ব্রাইড’র সঙ্গেও সম্পৃক্ত।
প্রথম আলো: ফোরামের ফলে দেশের কন্যাশিশুদের অবস্থার কী পরিবর্তন হয়েছে?
নাছিমা আক্তার: ফোরামের উদ্যোগে সরকার ৩০ সেপ্টেম্বরকে কন্যাশিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। তবে দিবসটি ঘোষণা দেওয়া হলেও বিশ্ব শিশু সপ্তাহের মধ্যে দিবসটিকে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এ দিবস পালনের জন্য সরকারের বাজেটও থাকে না। কিশোর-কিশোরী ক্লাবের ধারণা নিয়ে প্রথম ফোরামের কাজ শুরু করে। তবে বর্তমানে ইউনিসেফের সহায়তায় সরকার ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত এ ধরনের ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেছে। তবে তার পরও বলতে হয়, কন্যাশিশুদের সুরক্ষায় সরকারের উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়।
প্রথম আলো : শিক্ষা ক্ষেত্রে কন্যাশিশুর অংশগ্রহণ ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে আইন বা নীতির মধ্যেই কন্যাশিশুরা আবদ্ধ বললে কি খুব ভুল বলা হবে?
নাছিমা আক্তার: জাতীয় শিশুনীতি বা নারীনীতির কথাগুলো কাগজে-কলমেই আবদ্ধ হয়ে আছে। এগুলো বাস্তবায়নে সরকার উদ্যোগ নেয়নি। সরকার পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণে আইন করেছে, তবে আইনটি সম্পর্কে প্রচারের ব্যবস্থা না নেওয়ায় তা অনেকেই জানে না। এ ধরনের নির্যাতনের শিকার শিশু-কিশোরীরা অভিযোগ জানায়। অনেক সময় আমি নিজেও বিভ্রান্ত হয়ে পড়ি। কেননা তাদের সহায়তার জন্য আসলেই কোথায় বা কার কাছে যাওয়া প্রয়োজন, তা বুঝতে পারি না। যৌন হয়রানি বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ৮০ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কমিটি গঠন করেনি। তাই শুধু আইন বা নীতি করে ফেলে রাখলেই হবে না, তা সবার কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না, তা সরকারকে দেখতে হবে।
প্রথম আলো : বাল্যবিবাহ বন্ধে সরকারের ভূমিকা নিয়ে কিছু বলেন।
নাছিমা আক্তার: বাল্যবিবাহ দেশের জন্য ভয়াবহ সমস্যায় পরিণত হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাল্যবিবাহের হারের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। তবে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সরকারের দৃশ্যমান উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। প্রায় সাত-আট মাস ধরে সরকার ১৯২৯ সালের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনের সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। কয়েক দফায় বেসরকারি সংগঠনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সুপারিশ জমা দেওয়া হলেও আইনের খসড়া চূড়ান্ত করতে পারেনি সরকার। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির ক্ষেত্রেও সরকারের তেমন কোনো উদ্যোগ নেই। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার বাল্যবিবাহ বন্ধে নিরুত্সাহিত হন। তাঁরা বিষয়টিকে মানবিকভাবে দেখে উল্টো সহযোগিতা করেন। এ ছাড়া এ ধরনের বিয়ে বন্ধ করলে ভবিষ্যতে ভোট ব্যাংক কমে যাবে বলেও মনে করেন তাঁরা। এ ছাড়া কাজিদের জবাবদিহি কারও কাছে সুস্পষ্ট নয়।
প্রথম আলো: গৃহশ্রমিক হিসেবে আদুরিদের নির্যাতন কমেনি। এ ক্ষেত্রে সরকার আসলে কতটা আন্তরিক?
নাছিমা আক্তার: পরিবারে আর্থিক অনটন দেখা দিলে প্রথমেই বাড়ির মেয়েটিকে অন্যের বাড়িতে কাজে পাঠিয়ে দেন অভিভাবকেরা। গৃহশ্রমিকদের সুরক্ষায় একটি নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করতে পারছে না সরকার।
প্রথম আলো: পথশিশু ও দরিদ্র শিশুদের মধ্যে কন্যাশিশুরা সব থেকে ঝুঁকির মধ্যে থাকে। এ বিষয়ে আপনার অভিজ্ঞতা জানতে চাই।
নাছিমা আক্তার: রাজধানীর ফার্মগেটে এক বিকলাঙ্গ কন্যাশিশু দিনের বেলায় ভিক্ষা করে। রাতে তার অভিভাবকদের সহায়তায় তাকে বিভিন্ন সিনেমা হলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সে বাধ্য হয় অন্যদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করতে। জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে অনেক মেয়ে শিশু পানি বিক্রি করে। রাতের বেলা তারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। এটি যে নির্যাতন, তা-ও অনেক শিশু বুঝতে পারে না।
বেসরকারি সংগঠন উন্নয়ন অন্বেষণের ২০১২ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, পথশিশুদের ১৯ শতাংশই যৌনকর্ম করতে বাধ্য হয়। এই শিশুদের সুরক্ষায় সরকারের কী ব্যবস্থা আছে, তা দৃশ্যমান নয়। পথশিশুদের মধ্যে কন্যাশিশুরা মাদকেও আসক্ত হয়ে পড়ছে।
কন্যাশিশু সম্মেলনে সরকার বিভিন্ন অঙ্গীকার করবে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেবে। দেশে ফেরার পর সেসব অঙ্গীকার কতটুকু বাস্তবায়িত হয়, তা দেখার অপেক্ষায় রইলাম।
প্রথম আলো: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
নাছিমা আক্তার: প্রথম আলোকেও ধন্যবাদ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলের অব্যাহত একতরফা বর্বর হামলায় গাজায় নিহত প্রায় ৬০০

>>গাজায় হতাহত ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক। তাদের মধ্যে অনেক নারী ও শিশু রয়েছে। ছবি: এএফপি
মিসরের রাজধানী কায়রোতে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। গাজায় হতাহতের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে তিনি ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কেরি বলেছেন, গাজায় সৃষ্ট মানবিক সংকট মোকাবিলায় চার কোটি সাত লাখ মার্কিন ডলার সহায়তা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
আল জাজিরা টেলিভিশনের অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, গাজায় গতকাল সোমবার ইসরায়েলি হামলায় ৫৬ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ জন শিশু রয়েছে। এ নিয়ে ৮ জুলাই থেকে গাজায় শুরু হওয়া ইসরায়েলের হামলায় ৫৮৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে তিন হাজার ৬০০ জন। হতাহত ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক। তাদের মধ্যে অনেক নারী ও শিশু রয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, আজ সকালে তাদের আরও দুজন সেনা নিহত হয়েছে। এ নিয়ে ইসরায়েলের ২৭ জন সেনা এবং দুজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।
গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইসরায়েলের সর্বশেষ হামলার সূত্রপাত ইসরায়েলি তিন কিশোরকে সম্প্রতি অপহরণ ও হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। হামাসই ওই ঘটনা ঘটায় বলে মনে করে ইসরায়েল। তবে হামাস তা অস্বীকার করে। পরে ফিলিস্তিনি এক কিশোরকে একইভাবে হত্যা ও অপহরণের পর উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়। এরপর গাজা থেকে রকেট ছোড়া হচ্ছে—এমন দাবি তুলে ‘অপারেশন প্রটেক্টিভ এজ’ শুরু করে ইসরায়েল। এর আগে ২০১২ সালের নভেম্বরে গাজায় অভিযান চালায় ইসরায়েল। তখন আট দিনের মাথায় মিসরের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।
ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে ফিলিস্তিনের দুই অংশ পশ্চিম তীর ও গাজা ২০০৭ সালের আগস্টে চলে যায় দুটি দলের নিয়ন্ত্রণে। সেই থেকে মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বে ফাতাহ পশ্চিম তীরে ও খালেদ মেশালের নেতৃত্বে হামাস গাজা শাসন করছিল। এই অবস্থায় গত এপ্রিলে দুই দলের মধ্যে একটি চুক্তি হয়। সে অনুযায়ী নতুন করে নির্বাচনের পর চলতি বছরের শেষ নাগাদ একটি জাতীয় সরকার গঠনের কথা। কিন্তু হামাস-ফাতাহর চুক্তিকে ভালোভাবে নেয়নি ইসরায়েল। তাদের মতে, হামাস একটি জঙ্গি সংগঠন। হামাস-ফাতাহ জাতীয় ঐক্যের সরকার হলে সেই সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় যাবে না বলে জানিয়ে দেয় ইসরায়েল।
১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইহুদিদের জন্য ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবিতে ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামের শুরু। এর পর থেকে নিয়মিত রক্ত ঝরলেও আজও তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনের স্বাধীন সত্তা মেনে নিতে রাজি নয় ইসরায়েল।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আমার বাবাকে ফিরিয়ে দাও’ -ফিলিস্তিনি শিশুর আর্তচিৎকার

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোজার কাজা কাফফারা
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রিয়াঙ্কাপুত্রকে দত্তক নিচ্ছেন রাহুল?
![]() |
| রাইহান ভদ্র |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শাজাইয়া এখন মৃত্যুপুরী
![]() |
| এএফপি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজ্যে রাজ্যে নাজুক অবস্থা কংগ্রেসের
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাস্তায় ট্যাংক গলিতে লাশ ঘরে ইসরাইল
ইসরাইলের হামলা যুদ্ধাপরাধ : আরব লীগ
ফিলিস্তিনের গাজায় রোববার ইসরাইলি বাহিনীর চালানো ভয়াবহতম গণহত্যার পর দেশটির এ আচরণকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে আরব লীগ। খবর এএফপির। কায়রোভিত্তিক আরব লীগের প্রধান নাবিল আল-আরাবি রোববার এক বিবৃতিতে বলেছেন, উত্তর-পূর্ব গাজার শেজাইয়ায় ইসরাইলি গোলাবর্ষণ ও স্থল হামলায় বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের হত্যা যুদ্ধাপরাধের শামিল। শেজাইয়া ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় রোববার ১০০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছে। এ ঘটনার পর ওই এলাকার রাস্তায় ফিলিস্তিনিদের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এছাড়া সেখান থেকে হাজারো লোকজন পালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে তিন বছর আগে ফিলিস্তিনিদের মধ্যে একটা আশা ছিল যে, আরব জাহানে ক্রমবিকাশমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ফলে তারা হয়তো আরব দেশগুলোর সমর্থন আদায় করতে পারবে। মুনদার মুয়াম্মার নামে একজন তিউনিশীয় বিক্ষোভকারী যিনি তার দেশের রাজধানীতে ফিলিস্তিনের সমর্থনে মিছিলে যোগ দেন তিনি অভিযোগ করে বলেন, কোনো আরব দেশই ফিলিস্তিনকে সমর্থন দিচ্ছে না।
৩২ ইসরাইলি সেনা খতম করেছি : হামাস
ফিলিস্তিনি ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখা আল কাসসাম ব্রিগেড বলেছে, শনিবার থেকে রোববার পর্যন্ত ৩২ ইসরাইলি সেনাকে হত্যা করা হয়েছে। খবর প্রেস টিভির। অবশ্য, ইসরাইল দীর্ঘ লুকোচুরির পর রোববার ১৩ সেনা নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে। এ নিয়ে একজন মেজরসহ ১৮ সেনা নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করল ইসরাইল। হামাসের সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের সঙ্গে লড়াইয়ে অনেক ইসরাইল সেনা আহত হয়েছে এবং তাদের হাসপাতালে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সব লাশ বিদ্রোহীদের দখলে
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিমানবালার আশংকাই শেষে সত্য হল!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেবার গেল ভাই এবার মেয়ে!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লাশের শহর গাজা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজা এখন বধ্যভূমি -রাস্তায় ট্যাংক গলিতে লাশ ঘরে ইসরাইল

এদিকে, ফিলিস্তিন অধিকৃত গাজায় হামলার ১৩তম দিন রোববারে সবচেয়ে ভয়াবহতম হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এ দিনই ইসরাইলের হামলায় ১০০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছে। খবর বিবিসির।
পূর্ব গাজার শিয়াজিয়া এলাকায় এদিনের বর্বরতাকে ‘গণহত্যা’ আখ্যায়িত করে তিনদিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। এর আগে রোববার দুপুরে ইসরাইলি বাহিনী শিয়াজিয়ায় দুই ঘণ্টার অস্ত্রবিরতি ভঙ্গ করে এক ঘণ্টা পরেই হামলা চালায়। ওই অঞ্চলে দেশটির সেনাবাহিনীকে ভারি অস্ত্র ব্যবহার করতে দেখা গেছে। ইতিমধ্যে সেখানে বিমান হামলা শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আলজাজিরা।
ইসরাইলের হামলা যুদ্ধাপরাধ : আরব লীগ
ফিলিস্তিনের গাজায় রোববার ইসরাইলি বাহিনীর চালানো ভয়াবহতম গণহত্যার পর দেশটির এ আচরণকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে আরব লীগ। খবর এএফপির।
কায়রোভিত্তিক আরব লীগের প্রধান নাবিল আল-আরাবি রোববার এক বিবৃতিতে বলেছেন, উত্তর-পূর্ব গাজার শেজাইয়ায় ইসরাইলি গোলাবর্ষণ ও স্থল হামলায় বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের হত্যা যুদ্ধাপরাধের শামিল। শেজাইয়া ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় রোববার ১০০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছে। এ ঘটনার পর ওই এলাকার রাস্তায় ফিলিস্তিনিদের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এছাড়া সেখান থেকে হাজারো লোকজন পালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে তিন বছর আগে ফিলিস্তিনিদের মধ্যে একটা আশা ছিল যে, আরব জাহানে ক্রমবিকাশমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ফলে তারা হয়তো আরব দেশগুলোর সমর্থন আদায় করতে পারবে। মুনদার মুয়াম্মার নামে একজন তিউনিশীয় বিক্ষোভকারী যিনি তার দেশের রাজধানীতে ফিলিস্তিনের সমর্থনে মিছিলে যোগ দেন তিনি অভিযোগ করে বলেন, কোনো আরব দেশই ফিলিস্তিনকে সমর্থন দিচ্ছে না।
৩২ ইসরাইলি সেনা খতম করেছি : হামাস
ফিলিস্তিনি ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখা আল কাসসাম ব্রিগেড বলেছে, শনিবার থেকে রোববার পর্যন্ত ৩২ ইসরাইলি সেনাকে হত্যা করা হয়েছে। খবর প্রেস টিভির।
অবশ্য, ইসরাইল দীর্ঘ লুকোচুরির পর রোববার ১৩ সেনা নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে। এ নিয়ে একজন মেজরসহ ১৮ সেনা নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করল ইসরাইল। হামাসের সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের সঙ্গে লড়াইয়ে অনেক ইসরাইল সেনা আহত হয়েছে এবং তাদের হাসপাতালে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় ইতিহাসের বর্বর দিন

বিশ্লেষকরা বলছেন, পাঁচ বছরে তো বটেই, ১৯৬৭ সালে ফিলিস্তিন-ইসরাইল ভয়াবহ যুদ্ধের পর থেকে একদিনে এমন বিপর্যয় দেখেনি গাজা। আর ইসরাইলি হামলার ১৪তম দিনে এসে সোমবার নিহতের সংখ্যা গিয়ে ঠেকল ৫২৩-এ। আহতের ক্ষেত্রে তা প্রায় পাঁচ হাজার। এ ক’দিনে ৮৫ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন ৬৭ স্কুলে জাতিসংঘের গড়ে তোলা আশ্রয় কেন্দ্রে। ইসরাইলের দাবি, হামাস জঙ্গিদের ওপর হামলা চালাচ্ছে তারা। কিন্তু পরিসংখ্যান প্রশ্ন তুলছে- কোথায় হামাস জঙ্গি? নিহতদের এক-পঞ্চমাংশ অর্থাৎ শতাধিকই শিশু। অর্ধেক, অর্থাৎ প্রায় আড়াইশ’ই নারী। বাকিরাও প্রায় সবাই নিরীহ বেসামরিক পুরুষ। হামাস যোদ্ধাও আছেন- কিন্তু খোদ ইসরাইলের বিবৃতির যোগফল বলছে, তা মাত্র ২৩!
এ অবস্থায় সোমবার গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। মধ্যপ্রাচ্য-সংকট নিয়ে আজ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে রুদ্ধদ্বার জরুরি বৈঠক শেষে এ আহ্বান জানানো হয়। এদিন একই আহ্বান জানিয়েছেন ইসরাইলের মিত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও। তবু থামেনি ইসরাইলের কামান। পাষাণের বন্দুকের গুলি। বরং সোমবার গাজার উপকণ্ঠ দেইর আল বালায় এক হাসপাতালেও হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী। আল-আকসা নামের ওই হাসপাতালে হামলায় অন্তত ৫ জন নিহত ও ৭০ জন আহত হন। গাজায় চালানো ইসরাইলের বিমান হামলায় এদিন এক পরিবারেরই নয় সদস্য নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সাতজনই শিশু। একটি মোটরবাইকে চালানো হামলায় মারা যান আরেক ফিলিস্তিনি। দক্ষিণ গাজার ১৬ বাসিন্দা এদিন মারা যান বিমান হামলায়। সোমবার এছাড়াও গাজার পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর শেইজিয়া, বাইত হানুনসহ কয়েকটি এলাকায় ইসরাইলি হামলায় মারা গেছেন আরও অর্ধশত ফিলিস্তিনি। এদের প্রায় সবাই নিরীহ নাগরিক।
এর আগে রোববার শুধু শেইজিয়াতেই ইসরাইলি ট্যাংকের গোলায় মারা যান ৭২ জন। সোমবার সকালে এদের ৪৫ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। রাফায় নিহতের সংখ্যা ১৫। গাজায় বিভিন্ন স্থানে ২০টির বেশি মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে সোমবারও, রোববার মারা যান তারা। রোববার যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে মাত্র ১০ জন হামাস যোদ্ধা বলে দাবি করেছে ইসরাইল। তবে হামাসের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত বিবৃতি মেলেনি। ইসরাইল আরও জানিয়েছে, হামাসের আক্রমণে তাদের ১৩ সেনা এদিন (রোববার) মারা গেছেন। এর আগে ৫ সেনাসহ ইসরাইলের মোট ২০ জন মারা গেলেন ১৪ দিনে। অবশ্য এদিন হামাসের যুদ্ধ শাখা ইজ্জাদিন আল কাশেম ব্রিগেড দাবি করেছে, শাওল আরন নামে এক ইসরাইলি সেনাকে রোববার বন্দি করেছে তারা। যদিও ইসরাইল এ খবরকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
জাতিসংঘের আহ্বান : জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন গাজায় ইসরাইলের গোলা নিক্ষেপকে ‘অত্যন্ত ন্যক্কারজনক পদক্ষেপ’ বলে বর্ণনা করার পর নিরাপত্তা পরিষদ বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে বসে। রোববার রাতে জর্ডানের অনুরোধে বৈঠকটির আয়োজন করা হয়। নিরাপত্তা পরিষদের সবচেয়ে দুর্বলতম পদক্ষেপ ‘শুধু চাপ দেয়ার’ বিষয়ে একমত হন এর ১৫ সদস্য দেশ। এরপরই বান কি মুন অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধ করার জন্য ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানান।
ইসরাইলের পক্ষে ওবামা-ক্যামেরন : নিরীহ নাগরিকদের ওপর ইসরাইলের রোববারের বর্বরতম হামলার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সোমবার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ওবামা। উভয় পক্ষের প্রাণহানিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।’ তিন দিনের মধ্যে এ নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় ফোনে কথা বললেন ওবামা। সর্বশেষ ফোনালাপে ইসরাইলের নিজের আত্মরক্ষার অধিকারের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একই সঙ্গে গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি সোমবার মিসরের রাজধানী কায়রো আসেন। সেখানে তিনি মিসর ও অন্যান্য দেশের নেতাদের সঙ্গে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকরের বিষয়ে আলোচনা করেন।
মধ্যপ্রাচ্য-সংকট নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনও কথা বলেছেন। তিনিও ইসরাইলের আত্মরক্ষার অধিকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।
হামাসদের ধ্বংস না করা পর্যন্ত লড়াই চলবে- নেতানিয়াহু : নিজেদেও সেনা নিহতের সংখ্যা দুই অঙ্কে পৌঁছলেও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু গাজায় অভিযান চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। সেনা হারানোর ঘটনায় ইসরাইল সরকার ‘গভীর বেদনা’ অনুভব করছে জানিয়ে তিনি গাজার লড়াই আরও দীর্ঘ করার জন্য হামাসকে দায়ী করেন। ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইহুদিদের জন্য ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবিতে ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামের শুরু। এরপর থেকে নিয়মিত রক্ত ঝরলেও আজও তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনের স্বাধীন সত্তা মেনে নিতে রাজি নয় ইসরাইল।
ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইসরাইলের সর্বশেষ হামলার সূত্রপাত ইসরাইলি তিন কিশোরকে সম্প্রতি অপহরণ ও হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। হামাসই ওই ঘটনা ঘটায় বলে মনে করে ইসরাইল। তবে হামাস তা অস্বীকার করে। পরে ফিলিস্তিনি এক কিশোরকে একইভাবে হত্যা ও অপহরণের পর উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তামাশা করবেন না -দায় এড়াতে পারেন না যোগাযোগমন্ত্রী

সোমবারের প্রথম আলোর প্রথম ও দ্বিতীয় পৃষ্ঠা মহাসড়কের মহা দুর্দশার দলিল। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জায়গায় জায়গায় মেরামত চলছে ঠিকই, কিন্তু ভোগান্তি কমছে না। এর উন্নয়নকাজ নিয়ে চীনা কোম্পানিটি কার্যত তামাশা করে গেলেও শাস্তির বদলে পদ্মা সেতুর নদীশাসনের কাজ তাদেরই দেওয়া হয়েছে। এর পেছনে কী রহস্য আছে, তা জানার অধিকার জনগণের আছে। আর যশোর-খুলনা, বরিশাল-ঢাকা, উত্তরবঙ্গমুখী সড়কসহ অন্যান্য জেলামুখী সড়কগুলোর দুর্দশার দায় তো বিদেশি কোম্পানির নয়!
যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের যত তর্জন-গর্জনই করুন, ফলাফল প্রায় শূন্য। তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, ২০ জুলাইয়ের মধ্যে সড়ক–মহাসড়কগুলোর মেরামত সম্পন্ন হবে; অন্যথায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা শাস্তি পাবেন। এখন বলছেন, আরও দু–তিন দিন লাগবে। অর্থাৎ অনিশ্চয়তা। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের ‘প্রধান নির্বাহী’ যেহেতু তিনি, সেহেতু ব্যর্থতার দায় না এড়িয়ে তিনি নিজেই নিজের শাস্তির মাত্রা ঠিক করতে পারেন।
ঈদ কেবল ধর্মীয় মহোৎসবই নয়, লক্ষ-কোটি মানুষের ঘরে ফেরার উপলক্ষও। যাঁরা জীবিকার জন্য শহর-বন্দরে থাকেন—বিশেষত শ্রমজীবী মানুষেরা—এটাই স্বজনদের সঙ্গে তাঁদের মিলিত হওয়ার সুযোগ। যাঁদের অবহেলা ও ঔদাসীন্যের কারণে এই আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতেই হবে।
প্রথম আলোসহ সমকাল ও ডেইলি স্টার–এর সোমবারের প্রতিবেদনগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখাচ্ছে, সমস্যার কারণ সমন্বয়হীনতা, সময়মতো উদ্যোগী না হওয়া এবং অবহেলা। অথচ এসব প্রতিবেদন অস্বীকার করে তিনি গণমাধ্যমের ‘হেদায়েত’ কামনা করেছেন। আমরা তাঁর সুমতি আশা করি।
যোগাযোগমন্ত্রী ঈদের আগে ঘরমুখো মানুষকে স্বস্তি দিতে না পারুন, ‘রাস্তা চলাচল উপযোগী আছে’ বলে তাদের সঙ্গে তামাশা করবেন না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চট্টগ্রাম থেকে ফেনী পর্যন্ত অর্ধশত পয়েন্টে গর্ত by মাহবুবুর রহমান পলাশ

এ বিষয়ে ফোর লেনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক সড়ক ও জনপথের প্রকৌশলী জুলফিকার আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এই রুটের সব গর্তই দ্রুত প্রাথমিক সংস্কার করেছি।
আশা করছি এবারের ঈদে কোনো যানজটেই পড়তে হবে না কাউকে। তবে প্রকৃতপক্ষে যানজট কতটুকু নিরসন হয় সেটি এখন সময়ের ব্যাপার। ফোর লেন কৌশলী আরও বলেন, আমরা এখন থেকেই পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে যানজট না হওয়ার সব উদ্যোগ নিচ্ছি। আবার মিরসরাই থানার ওসি ইমতিয়াজ ভূঞা জানান, ফোর লেনের সংস্কারাধীন অংশের সঙ্গে পুরনো রুটগুলোর সড়ক ফিনিশিং ও পিচ ঢালাই না থাকায় গর্ত বেড়ে যাাচ্ছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চরমপন্থায় না, আত্মঘাতী বোমায় হ্যাঁ by মিজানুর রহমান খান

৯৯টি দেশের মধ্যে আইনের শাসনের সূচকে বাংলাদেশের দুর্দশাগ্রস্ত ৯২তম র্যাংকিং নিয়ে এর আগে আলোচনা করেছি। এবার আরও একটি বিপর্যয় বা উৎকণ্ঠার খবর। ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জরিপ সংস্থা পিউ রিসার্চ সেন্টারের যাত্রা শুরু ২০০২ সালে। তারা নানা বিষয়ে গ্লোবাল অ্যাটিচুড পর্যবেক্ষণ করে থাকে। ১৪টি দেশের ওপর পরিচালিত একটি জরিপে দেখানো হয়েছে, যে রাষ্ট্রে মুসলিম জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্য, সেখানে উগ্রপন্থার প্রতি মনোভাবটা কেমন। এই সংস্থার বর্তমান প্রেসিডেন্ট অ্যালান মুরে জাঁদরেল সাংবাদিক। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর ওয়াশিংটন ব্যুরো চিফ হিসেবে তাঁর এক দশকের দায়িত্ব পালনকালে ব্যুরো তিনবার পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে।
পিউর সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, ইসলামি চরমপন্থার উত্থান বাংলাদেশের জনগণ চায় না। বরং তাদের কোনো সম্ভাব্য শাসনে তারা বিচলিত। আবার এই জরিপেই ইঙ্গিত পাচ্ছি যে, আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও পরমতসহিষ্ণুতার অভাবের কারণে বাংলাদেশ সমাজ নতুন করে কোনো রেডিক্যালাইজেশনের গহ্বরে প্রবেশ করছে কি না। ইসলামের পক্ষে আত্মঘাতী বোমা হামলা কি সমর্থনযোগ্য? এর উত্তরে বাংলাদেশের মানুষ যা বলেছে, তাতে আমি হতভম্ব। সাধারণ বিবেচনায় এটা গ্রহণযোগ্য নয়। ৩৩ ভাগ বলেছে, মাঝেমধ্যে এর দরকার আছে। ১৪ ভাগ বলেছে, প্রায়ই এটা দরকার। আরও ১৪ ভাগ বলেছে, বিরল ক্ষেত্রে এটা দরকার। আবার ৩৩ ভাগ বলেছে, কখনো এটা সমর্থনযোগ্য নয়। তবে মোটামুটি ৪৭ ভাগ মানুষ কমবেশি আত্মঘাতী বোমা হামলার পক্ষে মতামত দিয়েছে। অথচ পাকিস্তানে এটা মাত্র ৩ ভাগ। সে দেশের ৮৩ ভাগই বলেছে, এটা কখনো গ্রহণযোগ্য নয়। তাহলে কি পাকিস্তানিরা আত্মঘাতী বোমা হামলায় রক্তাক্ত হওয়ার পরে একে না বলতে শিখেছে, আর বাংলাদেশের মানুষ এখনো এই দানবীয় সন্ত্রাসের ভুক্তভোগী নয় বলে এত উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ একে সমর্থন দিতে পেরেছে? তালেবান, যাদের কারণে পাকিস্তানে এখনো রক্তগঙ্গা বইছে, পিউ প্রতিবেদন বলেছে, তালেবানের প্রতি পাকিস্তানিদের কোনো ভালোবাসা নেই।
ফ্যাক্ট ট্যাংক হিসেবে পরিচিত পিউ ২০০২ থেকে আত্মঘাতী বোমা হামলার বিষয়ে জরিপ করছে। মনে হচ্ছে, বাংলাদেশকে এবারই প্রথম তারা জরিপভুক্ত করেছে। কেন করল এবং কেন এমন ফল এল দুটোই চিন্তার বিষয়। পাকিস্তানকে ২০০২ থেকেই তারা নিয়মিত জরিপভুক্ত রেখেছে। আর এর ফলাফলটা চমকপ্রদ, যা থেকে আমরা পাঠ নিতে পারি। ইসলাম রক্ষায় বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানোর পক্ষে পাকিস্তানিরা ২০০৪ সালে সর্বোচ্চ ৪১ ভাগ মত দিয়েছিল। বাংলাদেশে তখন তালেবান-দরদি বিএনপি-জামায়াতের শাসন চলছে। তবে পাকিস্তানিদের ক্রমাগত মোহভঙ্গ ঘটেছে। এখন যেটা আতঙ্কজনক সেটা হলো, বাংলাদেশিরা এ ক্ষেত্রে কেবল পাকিস্তানই নয়, ১৩টি মুসলিম দেশের মধ্যেই শীর্ষে। এমনকি ফিলিস্তিন ভূখণ্ডের চেয়ে বাংলাদেশ ১ ভাগ বেশি। পশ্চিম তীরের চেয়ে ১১ শতাংশ বেশি। প্রশ্ন করা হয়েছিল যে ‘কিছু লোক মনে করে যে ইসলামকে তার শত্রুদের কাছ থেকে রক্ষার জন্য বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আত্মঘাতী বোমা ও অন্যান্য ধরনের সহিংসতার দরকার রয়েছে। অন্যরা বিশ্বাস করেন কারণ যা-ই হোক না কেন, এ ধরনের সহিংসতা কখনোই জায়েজ নয়। আপনি কি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করেন যে ইসলাম রক্ষায় এ ধরনের সহিংসতা প্রায়ই জায়েজ, মাঝেমধ্যে জায়েজ, প্রকৃতপক্ষেই জায়েজ কিংবা কখনোই জায়েজ নয়?’
এটা আশার বিষয় যে, ৬৬ ভাগ আল-কায়েদার বিরুদ্ধে নেতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। তবে ২৩ ভাগ অনুকূলেও মত দিয়েছে। ৫৬ ভাগ লেবাননভিত্তিক হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে, আবার ২৮ ভাগ তাদের অনুকূলে এবং ১৬ ভাগের কাছে সংগঠনটি অজানা বলে প্রকাশ পেয়েছে। সংসদ নির্বাচনে জিতে হামাস ২০০৭ থেকে গাজা উপত্যকা শাসন করছে। ২০ জুলাই নিহত ব্যক্তির সংখ্যা ৫০০ ছাড়ানোর পরে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে একটা অনিশ্চিত অস্ত্রবিরতিও কার্যকর করা অসম্ভব মেন হচ্ছে। ফিলিস্তিনিদের প্রতি আমাদের জনগণের মনোভাবে বড় পরিবর্তন এল কি না, সেটাও ভাবার বিষয়। কারণ, পিউ জরিপে ফিলিস্তিনিদের ৬২ ভাগ যখন ‘উগ্রপন্থীদের’ পক্ষে, তখন ৫৬ ভাগ বাংলাদেশি হামাসের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। ২৯ ভাগ অনুকূলে। আর ১৫ ভাগের কাছে হামাস অজানা। আমাদের ৮৫ ভাগ উত্তরদাতা হামাস সম্পর্কেও মন্তব্য করতে সক্ষম, এটা ইঙ্গিত দেয় জরিপটা গড়পড়তা উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে করা হয়েছে।
১ জুলাই প্রকাশিত ওই জরিপে বলা হয়েছে, ইসলামি চরমপন্থার বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের মানুষের উদ্বেগ অনেক বেড়েছে। গত বছরের তুলনায় লেবাননে চলতি বছরে ৮১ থেকে ৯২ ভাগ, তিউনিসিয়ায় ৭১ থেকে ৮০, মিসর ৬৯ থেকে ৭৫, জর্ডান ৫৪ থেকে ৬২ ভাগ, এবং তুরস্কের মানুষের মধ্যে ইসলামি উগ্রপন্থার প্রতি ৩৭ থেকে ৫০ ভাগ মানুষের উদ্বেগ বেড়েছে।
এশিয়ার চারটি মুসলিম দেশকে জরিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটা আশার বিষয়, ইসলামি চরমপন্থার প্রতি অনাস্থা প্রকাশে বাংলাদেশ শীর্ষে রয়েছে। এমনকি আফ্রিকা ও এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশিরা এ বিষয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। ২৫ ভাগ অসচেতন, কিন্তু ৬৯ ভাগই উদ্বিগ্ন। পাকিস্তানে অসচেতন ১৪ ভাগ, উদ্বিগ্ন ৬৬ ভাগ, মালয়েশিয়ায় ২৪ ভাগ অসচেতন, ৬৩ ভাগ উদ্বিগ্ন এবং ইন্দোনেশিয়ায় ৫৫ ভাগ অসচেতন ও ৩৯ ভাগ উদ্বিগ্ন।
পিউ প্রতিবেদনও বাংলাদেশিদের আত্মঘাতী বোমাপ্রীতি অবাক করেছে। পিউ তার ২৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে বলেছে, ‘টুইন টাওয়ার ধ্বংসের (৯/১১) এক দশকের বেশি সময়ের পরে আত্মঘাতী বোমা হামলার ওপর মুসলিম দেশগুলোতে সমর্থন অনেক কমেছে। তবে মালয়েশিয়ায় যেখানে ১৮ ভাগ আত্মঘাতী বোমা হামলাকে জায়েজ মনে করে, সেখানে বাংলাদেশ অনেক ওপরে। ২০০৫ সালে লেবাননি প্রধানমন্ত্রী রফিক হারিরির হত্যাকাণ্ডের পরই কেবল এর প্রতি সমর্থন এখন সে দেশে ২৯-এ নেমেছে। ২০০২ সালে ৭৪ ভাগ লেবাননি বোমা-সমর্থক ছিল। একই বছরে আম্মানে তিনটি হোটেলে হামলার পর ৫৭ ভাগ জর্ডানির সমর্থনটা আজ ১৫ ভাগে নেমেছে। পাকিস্তানে বেনজির হত্যার আগেই তা হ্রাস পাচ্ছিল। তবে এক দশক আগে ৪১ ভাগ পাকিস্তানি বলেছিল, তারা আত্মঘাতী বোমাকে জায়েজ মনে করে। পিউ প্রতিবেদন যেটি বলেনি, সেটা হলো বাংলাদেশে কেন এটা বেড়ে গেল? এক দশক আগের পাকিস্তানকেও অতিক্রম করার একটা অর্থ দাঁড়ায়, আমাদের ৪৭ ভাগ মানুষ এক দশক আগের পাকিস্তানি মানসিকতাকে ধারণ করছে। এই পরিহাস সহ্য করা আরও কঠিন যে গত বছরেও ফিলিস্তিনিদের ৬২ ভাগ, যারা এর সমর্থক ছিল এবং এই মুহূর্তেও ইসরায়েলি তাণ্ডবের শিকার, তারাও এর ওপর সমর্থন তুলে নিজেদের বাংলাদেশিদের নিচে নামিয়েছে। তাই সার্বিক বিচারে এটা একটা বিরাট প্রশ্ন যে আমাদের হলোটা কী। বাংলাদেশ তো বাংলা ভাই ও ইসলামি জঙ্গিদের হাতে কম রক্ত ঝরতে দেখেনি।
যাচাই না করে এমন বিপজ্জনক ফলাফলকে ধ্রুব সত্য মনে করার যুক্তি নেই। আবার অভ্যাসগত উন্মাদনায় নাকচ করারও সুযোগ নেই। মাদ্রাসাশিক্ষা সংস্কারে বিমুখ অথবা অসমর্থ সরকার এবং নাগরিক সমাজকে এই ভয়ংকর পূর্বাভাস নিয়ে নিশ্চয় ভাবতে হবে। বিএনপি ও জামায়াতকে ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচন করে ঠেকানো সম্ভব হয়েছে। এটা কারও কারও বা কতিপয়ের কাছে মসনদ বিলাসের রক্ষাকবচ। কিন্তু এই জরিপ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে প্রতিপক্ষকে জব্দ করতে পারলেই নিশ্চিন্ত ঘুম দেওয়া যায় না। আরও অনেক ভয়ংকর সমস্যা সমাজের দেহে ছড়িয়ে পড়াটা ক্ষমতাসীনদের টিকে থাকার কৌশলগত হিম্মতের ওপর নির্ভর করে না। আইনের শাসনের সূচকে বাংলাদেশের নিকৃষ্ট ৯২তম অবস্থানে অধঃপতিত হওয়া এবং এই পিউ জরিপের ফলাফলের যে বিপদ, তার মধ্যে একটা পরিষ্কার যোগসূত্র দেখতে পাই।
২০১৪ সালের ১৪ এপিল থেকে ১১ মে পর্যন্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন স্তরের এক হাজার ব্যক্তির মুখোমুখি সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে পিউর পক্ষে ওই জরিপ পরিচালনা করেছে প্রিন্সটন রিসার্চ।স্বনামধন্য জরিপ সংস্থা গ্যালাপের সাবেক প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু কোহাট প্রিন্সটন রিসার্চ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা। এই পিউ জরিপের তিনিই পরিচালক। তাঁর কাছে উত্তরদাতাদের শিক্ষা ও তাদের পেশা-সংক্রান্ত প্রশ্ন জানতে চেয়ে গত সপ্তাহে ই-মেইল করেছিলাম।উত্তর পাইনি। তবে আমার মনে কোনো সন্দেহ নেই যে মার্কিন চোখে উদারনৈতিক মুসলিম দেশের রোল মডেল হিসেবে বাংলাদেশের পরিচয়টা এই জরিপ চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
মিজানুর রহমান খান: সাংবাদিক৷
mrkhanbd@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঈদে নতুন জামা আর পুরোনো কাপড়ের কাফন by সৈয়দ আবুল মকসুদ
ওই সময় বিখ্যাত মার্কিন সাংবাদিক লুই ফিসার মহাত্মা গান্ধীর সাক্ষাৎকার নেন। ভারতবর্ষের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ ছাড়াও আরও কিছু আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিষয়ে আলোচনাও হয় তাঁর সঙ্গে। ইহুদিদের নিয়ে আরবদের বিরুদ্ধে, আরবদের শায়েস্তা করতে, আমেরিকা ও ব্রিটেন যে দীর্ঘমেয়াদি ষড়যন্ত্র করছে, তা নিয়ে কথা হয়। তিনি বলেছিলেন, আমেরিকা ও ব্রিটেনের বুদ্ধিমতো ইহুদিরা যে আরব ভূখণ্ড দখল করে নিজেদের ‘বাসভূমি’ বানানোর পাঁয়তারা করছে, তা হবে তাদের জন্য ভয়াবহ ভুল—erred grievously; একটি নগ্ন সন্ত্রাসবাদী কাজ—naked terrorism.
গান্ধীজি লিখেছিলেন: ‘এখন পর্যন্ত আমি আরব-ইহুদি বিবাদ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করিনি। তার সংগত কারণ রয়েছে। তার অর্থ এই নয় যে ওই প্রসঙ্গে আমার কোনো আগ্রহ নেই। আমি ওই প্রসঙ্গে কিছু বলিনি তার কারণ, ওই প্রসঙ্গে আমার জ্ঞান খুব সীমিত। লুই ফিসারের সঙ্গে প্রসঙ্গক্রমে কিছু কথা হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, নির্মমভাবে তাদের একটি ভুল পথে পরিকল্পনা করা হচ্ছে—I do believe that the Jews have been cruelly wronged by the world. তারা ইউরোপে নির্মমভাবে নিপীড়িত হয়েছে, কিন্তু তাদের প্যালেস্টাইনে পাঠানোর প্রশ্ন আসতেই পারে না। পৃথিবীতে তারা অবদান রেখেছে, পৃথিবীর সবখানেই হবে তাদের বাড়ি, প্যালেস্টাইনে আমার দরকার কী? আমেরিকা ও ব্রিটেন এই ফন্দি আঁটছে। নগ্ন সন্ত্রাসবাদের আশ্রয় নিচ্ছে (তাদের দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার)। বিশ্বনাগরিক (citizenship of the world) হয়ে থাকাই তাদের জন্য বেশি সম্মানজনক ও বাস্তবসম্মত। সব দেশেই তারা সম্মানিত অতিথি হয়ে থাকবে (honoured guests of any country). তাদের মিতব্যয়িতা, তাদের মেধা ও তাদের পরিশ্রমের জন্য যেকোনো দেশে তারা সম্মানিত নাগরিক হয়ে থাকতে পারে। তাদের সবাই সমাদর করেই রাখবে।’
ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দুই বছর আগে গান্ধীজি বলেছিলেন: ‘তাদের মেধা আছে, কেন তারা আমেরিকার মুখাপেক্ষী হয়ে থাকবে। তাদের জাতিসত্তার জন্য অবাঞ্ছিত জায়গায় (unwelcomed land) যাওয়ার দরকার কী? সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের মাধ্যমে প্যালেস্টাইনি ভূখণ্ড তারা কেন দখল করবে? Why should they resort to terrorism to make good thir forcible landing in Palestine? যেহেতু তারা ইউরোপে নির্যাতিত হয়েছে, এখন অহিংসার মাধ্যমে পৃথিবীতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।’ বঙ্গীয় প্রবচন—চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনি। অহিংসার দেবতা গান্ধীজির উপদেশ ইহুদিবাদী বা জায়নিস্ট নেতারা শুনবেন, তা যে বিশ্বাস করবে সে এখনো মাতৃগর্ভে।
উনিশ শতকের শেষ দিক থেকে আরব ভূখণ্ডে ইহুদিদের চোখ পড়ে এবং তারা সেখানে এসে জড়ো হতে থাকে। হিটলার ক্ষমতায় আসার পর নাৎসিদের নিপীড়ন শুরু হলে জার্মানি থেকে ইহুদিরা পালিয়ে এদিকে আসে। আরবরা প্রতিবাদ করে, কিন্তু সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটেনের মদদে তাদের এই অঞ্চলে আবাসন বাড়তেই থাকে। ১৯২০, ’২১, ’২৯ এবং ’৩৬ সালে ইহুদিদের সঙ্গে আরবদের সংঘর্ষ হয়। ১৯৪৭-এ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ভোটাভুটিতে প্যালেস্টাইন দ্বিখণ্ডিত করে ইহুদিদের জন্য রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হয় পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের নীলনকশামতো। ১৯৪৮-এ ব্রিটেন সেখান থেকে চলে যায়। ওই বছরের ১৪ মে ইসরায়েল আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা করে। মিসর, জর্ডান, সিরিয়া, লেবানন, ইরাক, সৌদি আরব এভাবে জবরদখলের মাধ্যমে তাদের জমিতে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে। বহুবার যুদ্ধ হয়েছে ইসরায়েলের সঙ্গে আরবদের। আমেরিকা-ব্রিটেনের সহায়তায় ইসরায়েলের কোনো ক্ষতি হয়নি, পরাজিত হয়েছে আরবরা। পরাজিত হয়েছে সত্য ও মানবতা, বিজয়ী হয়েছে সাম্রাজ্যবাদ ও বর্বরতা। কারণ, মানবতার চেয়ে মারণাস্ত্রের মূল্য বেশি।

আজ পৃথিবীর বড় বড় দেশ পরিচালিত হচ্ছে নিম্ন ও মাঝারি মানের নেতৃত্ব দ্বারা। গত শতাব্দীর পঞ্চাশ, ষাট, এমনকি সত্তরের দশক পর্যন্তও তৃতীয় বিশ্বে বিশ্বমানের উঁচু ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নেতা ছিলেন অনেকেই। তাঁরা পশ্চিমা স্বৈরাচারের প্রতিবাদ করতে পারতেন। ভয় পেতেন না। অন্যায়কারী ও অত্যাচারীর গালে কষে চপেটাঘাত করতে পারতেন। তাতে যুদ্ধবাজদের একটু সমঝে চলতে হতো। আজ জওহরলাল নেহরু নেই, মার্শাল জোসেফ টিটো নেই, চৌ এনলাই নেই, নাসের ও সুকর্ণর মতো জাতীয়তাবাদী নেতারাও নেই। সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নও নেই। আজ সাম্রাজ্যবাদীদের পোয়াবারো।
পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু শুধু একজন জাতীয়তাবাদী নেতাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বিশ্বমানের বুদ্ধিজীবী ও বড় একজন ইতিহাসবিদ। নেহরু ইতিহাস পাঠ করেছেন, ইতিহাস নিয়ে লিখেছেন এবং ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন, তাঁর গ্লিমসেস অব ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে ‘প্যালেস্টাইন ও ট্রান্স-জর্ডান’ শীর্ষক একটি অধ্যায় আছে। ১৯৩৩-এর মে মাসে তিনি ইহুদি ও প্যালেস্টাইন সম্পর্কে লিখেছিলেন: ‘সিরিয়ার পাশেই প্যালেস্টাইন। এর ওপরে লিগ অব ন্যাশনসের নির্দেশে ব্রিটিশ সরকার একটা ম্যান্ডেট পেয়েছে। সিরিয়ার চেয়েও ছোট এই দেশটি। এর মোট জনসংখ্যা ১০ লাখেরও কম (বর্তমানে ৪২ লাখ ৬০ হাজারের ওপর)। তবু বিশ্ববাসীর চোখে এর বিরাট মর্যাদা। তার কারণ, এর গৌরবময় অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্য। ইহুদি ও খ্রিষ্টান—দুই সম্প্রদায়েরই এটি (জেরুজালেম) তীর্থস্থান, মুসলমানদেরও। এখানকার অধিবাসীদের মধ্যে অধিকাংশই মুসলমান আরব, এরা স্বাধীন হতে চায় এবং সিরিয়ায় যে আরব মুসলমানরা রয়েছে, তাদের সঙ্গে একত্র থাকতে চাইছে। কিন্তু ব্রিটিশের কূটনীতির ফলে এখানে একটি বিশেষ ধরনের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ঘটিত সমস্যা মাথাচাড়া দিয়েছে, সেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়টি হলো ইহুদিরা। ইহুদিরা ব্রিটিশ উপনিবেশবাদীদের পক্ষে, প্যালেস্টাইনের স্বাধীনতা অর্জনে তারা প্রাণপণে বাধা দিচ্ছে। তাদের ভয়, স্বাধীন হলেই দেশে আরব মুসলমানদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। ...ব্রিটিশরা আরবদের জাতীয়তাবাদকে প্রতিহত করার অস্ত্র হিসেবে উসকে দিয়েছে ইহুদিদের ধর্মীয় জাতীয়তাবাদকে। বিভেদ বাধিয়ে দিয়ে তারা এমন একটা চাল চালছে যে এদের দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সদ্ভাব বজায় রাখতে ও শান্তি রক্ষার জন্য তাদের এই অঞ্চলে থাকতে হবে। সাম্রাজ্যবাদীদের পদানত অন্যান্য দেশেও এই পুরোনো খেলা আমরা দেখেছি।’
জওহরলাল নেহরু ছিলেন অসামান্য পণ্ডিত। তিনি আরও লিখেছেন: ‘অদ্ভুত জাত এই ইহুদিরা। তারা বহুকাল আগে ছিল প্যালেস্টাইনের বাসিন্দা। ছোট একটি উপজাতি বা কয়েকটি উপজাতির সমষ্টি। বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেটে এদের প্রাচীন ইতিহাস পাওয়া যায়। তাদের ধারণা, তারাই হচ্ছে ঈশ্বরের প্রিয় জাতি। তা নিয়ে তাদের অহংকার রয়েছে। বহুবার তারা বহু বিজেতার কাছে পরাজিত হয়েছে, পদানত করেছে, দাসে পরিণত হয়েছে।...শেষ পর্যন্ত ইহুদিরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবশ্য অতিদরিদ্র। পূর্ব ইউরোপের শহরগুলোতে এরা গাদাগাদি করে বাস করেছে। উনিশ শতকের শেষ দিকে জায়নবাদী আন্দোলন ক্রমে ক্রমে জোরদার হয়। পরিণত হয় একটি উপনিবেশ স্থাপনের আন্দোলনে। সব দেশ থেকে ইহুদিরা প্যালেস্টাইনে এসে বাসা বাঁধে। হিব্রু ভাষাকে পুনরুজ্জীবিত করে। প্রথম মহাযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সেনারা প্যালেস্টাইন আক্রমণ করে। ব্রিটিশ সেনারা যখন জেরুজালেমে প্রবেশ করে, তখন ১৯১৭-র নভেম্বর, ব্রিটিশ সরকার হঠাৎ এক ঘোষণা দেয়, যার নাম ব্যালফোর ঘোষণা। তাতে বলা হয়: “প্যালেস্টাইনে ইহুদিদের একটি জাতীয় বাসস্থান” প্রতিষ্ঠিত করে দেওয়াই ব্রিটিশ সরকারের অভিপ্রায়। পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ইহুদিদের আনুকূল্য লাভই এই ঘোষণার উদ্দেশ্য।’
এরপর ব্রিটিশদের সঙ্গে যোগ দেয় আমেরিকা। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরে, ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরে, সে বন্ধুত্ব আরও গাঢ় হয়। নানাভাবে অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে ইসরায়েলকে করা হয় ক্ষমতাধর।
তবে ইসরায়েল ও তার পশ্চিমা মিত্রদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র আরব দেশগুলোর অনৈক্য। ১৯৫৮ সালের জুলাই মাসে টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষের বাসিন্দা একজন সাম্রাজ্যবাদবিরোধী নেতা লন্ডন গিয়েছিলেন এক শান্তি সম্মেলনে। সেখান থেকে মিসরের প্রেসিডেন্ট জামাল নাসের এবং সিরিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট শুকরি আল কোয়াতলির আমন্ত্রণে কায়রো ও দামেস্কে যান। সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ইঙ্গো-মার্কিন-ফরাসিদের মদদপুষ্ট ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের জনগণ প্যালেস্টাইনিদের ন্যায়সংগত সংগ্রামে পাশে থাকবে—এ আশ্বাস দেন। সন্তোষের বৃদ্ধ নেতা মিসর ও সিরিয়ার নেতাদের বলেন, সবার আগে দরকার আরবদের ঐক্য। সেই ঐক্য নেই বলেই ৮ জুলাই থেকে গাজায় গণহত্যা অব্যাহত থাকতে পারছে।
সেখানে পাকিস্তান, ভারত, চীন, ইন্দোনেশিয়ার মতো উন্নয়নশীল দেশের নেতারাও জালেমের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে পারতেন। পশ্চিমা দেশেও ছিলেন বার্ট্রান্ড রাসেল, জাঁ-পল সাত্রে৴, মার্টিন লুথার কিং প্রমুখের মতো বিবেকবান দার্শনিক ও মানবাধিকারকর্মী। আজ পৃথিবী মানুষশূন্য। দানবের হাতই শক্তিশালী।
রমজান মাস। সামনে ঈদ। কয়েক বছর আগে এক ঈদের দিন সাদ্দামকে ফাঁসি দেওয়া হয়। শাসক সাদ্দামকে সমর্থন করার প্রশ্ন নয়, তিনি ছিলেন ইরাকের সর্বশেষ স্বাধীন শাসনকর্তা, যেমন বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন সিরাজদ্দৌলা। তাঁর ফাঁসির সেই ঈদের দিনে আমি গভীরতম কষ্ট পেয়েছিলাম। ঈদের দিন আমি উপবাস করেছিলাম। আমার মানসিক যন্ত্রণার কথা প্রথম আলোর প্রথম পাতায় মন্তব্য হিসেবে ছাপা হয়েছিল।
আমার এই লেখা যখন ছাপা হবে, তখন গাজায় মৃতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে যাবে। শতবর্ষের অন্যতম বড় গণহত্যা চলছে। বিশ্ববিবেক নীরব। কী হবে আমাদের মতো সামান্য মানুষের তা নিয়ে লিখে। কী হবে রাস্তায় প্রতিবাদ মিছিল করে। টিভির পর্দায় শুনলাম, নারীদের মারা হচ্ছে, কারণ তাঁদের পেটে আর যেন কোনো ‘সন্ত্রাসী’ না জন্মে। শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে আর যেন কেউ মুক্তিসেনা না হতে পারে। সামান্য মানুষ হিসেবে আমাদের বুকটাই শুধু ফাটতে পারে। চোখে পানি ফেলতে পারি, কিছু করার ক্ষমতা নেই। ঈদের দিন আমাদের ছেলেমেয়েরা মিষ্টিমণ্ডা, পোলাও-কোর্মা খাবে, সেদিন গৃহহীন ফিলিস্তিনি শিশুরা কোথাও মাটিতে শুয়ে কাতরাবে অভুক্ত। আমাদের শিশুরা রঙিন নতুন জামাকাপড় পরে বাবা-মায়ের হাত ধরে রাস্তায় বেড়াতে বেরোবে। প্যালেস্টাইনের মা-বাবারা নতুন সাদা কাপড়ে নয়, পুরোনো কাপড়ের দাফনে মুড়ে তাঁদের সন্তানদের নিয়ে যাবেন কোনো কবরস্থানে দাফনের জন্য। আর লেখা সম্ভব নয়।
সৈয়দ আবুল মকসুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক৷
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রাণভয়ে ভারতে কলকাতায় পালিয়ে আসি : নূর হোসেন

নূর হোসেন বলেন, “আমি পালিয়ে না এলে যারা এই ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তারা আমাকে প্রাণে মেরে ফেলত। সেই কারণেই আমি বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছি।”
কারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তা বলতে অস্বীকার করেন নূর হোসেন। তিনি বলেন, “আমি জানি না কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা খতিয়ে দেখছে, আপনারাও তাদের সহযোগিতা করুন।”
ছয় কোটি টাকা লেনদেন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তদন্ত করুক তাহলেই আসল সত্য প্রকাশ পাবে।”
তিনি আরো বলেন, “আগামী সপ্তাহেই বাংলাদেশ থেকে তার পরিবারের লোকজনেরা আসছে। তারপর তাদের সঙ্গে কথা বলেই আইনজীবী যা করার করবেন।”
প্রসঙ্গত, গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনের অপহরণ ও খুনের ঘটনায় প্রধান আসামি নূর হোসেন ও তার দুই সহযোগীকেও গত ১৪ জুন কলকাতার নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসংলগ্ন এলাকা কৈখালির একটি বহুতল আবাসন থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে অধৈভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৪ বিদেশি নাগরিক আইন (ফরেনারস অ্যাক্ট) লঙ্ঘনের অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরদিন ১৫ জুন নূর হোসেন ও তার দুই সহযোগী ওহিদুর জামান ও খান সুমনকে বারাসাতের আদালতে তোলা হয়। তাদের প্রত্যেকের আট দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে গত ২৩ জুন তাদের ফের আদালতে তোলা হয়। মুখ্য বিচার বিভাগীয় হাকিম মধুমিতা রায় ওই তিনজনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে দিয়ে দমদম কেন্দ্রয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ৭ জুলাই তাদের আদালতে তোলা হলে আদালত তাদের ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজত দিয়ে দমদম কারাগারে পাঠান।
গত ২৭ এপ্রিল দুপুরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহৃত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজন। এর তিন দিন পর ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যায় একে একে ভেসে ওঠে সাতজনের মরদেহ। এই সাতজন হলেন এক গাড়িতে থাকা কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, তার সঙ্গী তাজুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান স্বপন, লিটন ও তাঁর গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম এবং আরেকটি গাড়িতে থাকা আইনজীবী চন্দন সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহিম। এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৪ নম্বর ওয়াডের্র কাউন্সিলর নূর হোসেনকে প্রধান আসামি করে মামলা করেছে নজরুলের পরিবার।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লন্ডন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী by তানজির আহমেদ রাসেল

আজকের কর্মসূচি: প্রধানমন্ত্রীর সফরের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম আজ থেকে শুরু হবে। দিনের শুরুতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হবেন। বৈঠকে বাংলাদেশের গত ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন ও পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা বাণিজ্য, বাংলাদেশে ব্রিটিশ সাহায্যের বর্তমান পরিস্থিতি, ব্রিটেনে বসবাসরত বাংলাদেশীদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধাসহ দু’দেশের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ও বিরাজমান আন্তর্জাতিক বিষয় স্থান পাবে। এই দিন সকাল ১০টা ২০ মিনিটে গার্ল সামিটে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। গার্ল সামিটে তিনি কন্যা শিশুর অধিকার রক্ষা ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন। এছাড়া কন্যা শিশুদের বাল্যবিবাহে বাধ্য করার প্রবণতা নিয়েও কথা বলবেন। গার্ল সামিট শেষে বিকাল ৪টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত তিনি ব্রিটিশ শ্যাডো সেক্রেটারি অব স্টেট ফরেন এফেয়ার্স ডগলাস আলেক সান্ডারের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এই দিনই হিলটন হোটেলে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলেও যোগ দেবেন তিনি। কাল বিকালে বিমানের বিজি-০০৫ ফ্লাইটে লন্ডন ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবার আমার দেশ by মোহাম্মদ কায়কোবাদ
১। একসময় পৃথিবীর সর্বোচ্চ ভবন ছিল তাইপেই ১০১। দর্শনের জন্য নিচের দিকের কোনো ফ্লোরে দেখলাম ঘড়ির মতো বৃত্তাকার জায়গায় পৃথিবীর শ খানেকের ওপর শহরের নাম রয়েছে, শুধু নেই বাংলাদেশের কোনো শহরের নাম, যে দেশটি সভ্যতার মুখ্য উপাদান সারা পৃথিবীর মানুষের ২ দশমিক ৪ শতাংশকে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা দিচ্ছে এক-সহস্রাংশ ভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করে। এমনকি কলম্বোর নামও রয়েছে। এমন নয় যে আমাদের অক্ষাংশে আরও গুরুত্বপূর্ণ শহর রয়েছে।
২। সিঙ্গাপুর কিংবা ব্যাংকক থেকে উড়ে এলে বিমানের সিংহভাগ যাত্রী থাকবে বাংলাদেশের সরবরাহকৃত খবরের কাগজে, যা অবশ্যই কোনোভাবে বাংলাদেশি নয়, সব দেশের আবহাওয়ার তথ্য দেবে কিন্তু কোনো অদৃশ্য কারণে বাংলাদেশে যেহেতু আবহাওয়াই নেই আর তথ্য দেবে কীভাবে। সিঙ্গাপুরের আছে, কুয়ালালামপুর, ব্যাংকক, দিল্লি আছে। এমনকি কলম্বো আর কাঠমান্ডুও বাদ যায়নি, কোনো কারণে পাকিস্তানও অবহেলার যোগ্য নয়, তবে সিংহভাগ বাংলাদেশের যাত্রীরা যেহেতু নিজেদের আবহাওয়া জানে, তাই অন্য দেশের তথ্য দিয়ে তাদের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করা হয়। এটা কিন্তু শুধু আবহাওয়া নয়, এত বড় দেশের শেয়ারবাজারও কিন্তু দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ নয়, যেমনটি আমাদের খেলাধুলা এবং অন্যান্য বিষয়। একবার আমাদের গলফ খেলোয়াড় সিদ্দিকুর রহমানের খবর পড়ে কী-ই না গর্বিত মনে হয়েছিল নিজেকে।
৩। আরবের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেশগুলো আমাদের দেশের যাত্রী পরিবহনে রাজত্ব করে বেড়াচ্ছে আর আমাদের নিজেদের বিমান শুধু লোকসানি খাত। আমাদের অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত মানুষগুলো শ্রম দিয়ে যে পয়সাটি উপার্জন করে, তার সম্ভবত সিংহভাগ চলে যায় বিমানভ্রমণের খরচে। অথচ সেই যাতায়াতেও তারা সেবা, ভাষা এবং আপ্যায়নে আন্তরিকতার পরশ নেই। ৯০ শতাংশ বাংলাদেশি যাত্রীর জন্য পথনির্দেশক হয়তো অনর্গল হিন্দি বলে যাচ্ছে আর আমাদের সহজ-সরল খেটে খাওয়া মানুষগুলো ভাবছে যে আদর-আপ্যায়ন পেতে হলে অন্য ভাষা জানতে হবে। অনেক দিন আগের কথা, একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে পড়েছিলাম বিমান হতে পারে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি আয় করা খাত। কেন আমরা সেই বিমানকে ক্ষতিতে নুইয়ে পড়া অবস্থায় দেখছি। আমাদের নেতাদের মধ্যে এমন কেউ সাহসী ও যোগ্য নেই, যিনি দেখিয়ে দিতে পারেন আমরাও পারি। এর জন্য বিদেশি যাত্রীদের ডাকতে হবে না, নিজের দেশের যাত্রীদের দেশের পতাকাবাহী বিমানে উঠতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। দেশের অর্থে আকাশভ্রমণে ভারতে নিজেদের পতাকাবাহী বিমান ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা ছিল, এতে আমাদের গণতান্ত্রিক (স্বেচ্ছাচারিক!) অধিকার কিছুটা ক্ষুণ্ন হলে অসুবিধা কী? এমনকি ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ায় ছেলেমেয়েকে যেকোনো স্কুলে ভর্তি করা যায় না, এলাকার স্কুলে ভর্তি করতে হয় তাতে তো আর তারা গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে মনে করছে না। এটা কারও ব্যক্তিগত সংগতির ওপর নির্ভর করে না দেশের কল্যাণই এখানে মুখ্য।
৪। শুধু বাইরে বলি কেন দেশেও কিন্তু আমাদের এই সহজ-সরল খেটে খাওয়া জীবনের আনন্দ পরিত্যাগ করা মানুষগুলো যাদের রেমিট্যান্সের সুবাদে বিশ্বের অর্থনৈতিক চরম মন্দার দিনগুলোতেও বাংলাদেশের অর্থনীতি সচল ছিল রাজনীতির শাখের করাতে পিষ্ঠ হয়েও এই মানুষগুলো বিমানবন্দর দিয়ে বিদেশে যাওয়ার পথে এবং ফেরার পথে রীতিমতো নিগৃহীত, যাদের পাঠানো রেমিট্যান্সে আমাদের দেশের অর্থনীতির চাকা চলছে তাদের বোর্ডিং কার্ডটি পূর্ণ করে দেওয়ার জন্য বিমানবন্দরে পর্যাপ্তসংখ্যক লোক নিয়োগ করা যেতে পারে, তাদের ভিসা পাসপোর্টে ভুল এই কথা বলে হয়রানির জন্য বড়সড় সাজার ব্যবস্থা করে এই হয়রানি বন্ধ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের দূতাবাসে কর্মরত সবাইকে মনে করিয়ে দেওয়া যেতে পারে যে এই খেটে-খাওয়া মানুষের পাঠানো রেমিট্যান্সেই তাঁদের বেতন হয়। সুতরাং তাঁদের যেকোনো কাজ অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত করে ফেলা উচিত। দূতাবাসের অবহেলায় যদি এই মানুষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন মনে-প্রাণে বিশ্বাস করতে হবে বাংলাদেশও ওই পরিমাণে আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছে।
৫। ১৯৯৮ সালের কথা। আমাদের ছেলেরা ভ্যালাডলিদ বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত অনলাইন প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় খুব ভালো করার জন্য তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাদের নগদ অর্থ পুরস্কার দিয়ে উৎসাহিত করেছিলেন। তখনো ওই সাইটের পুল ডাউন মেনুতে অনুল্লেখ্য কিছু দেশের নাম থাকলেও বাংলাদেশের নাম ছিল না। এখনো প্রয়োজনীয় নানা সাইটের পুলডাউন মেনুতে বাংলাদেশের নাম নেই। অস্ট্রেলিয়া তাদের ভিসার কার্যক্রম বাংলাদেশ থেকে তুলে নিয়েছে, কানাডার কথাও একই। ভিসা করতে হলে বাংলাদেশের নাগরিকদের ব্যাংকক কিংবা দিল্লি যেতে হয়, কখনো বা কলম্বো, জিআরই পরীক্ষাও নাকি দেওয়া যায় না।
নানা সীমাবদ্ধতায়, আইনকানুনে বাধা হয়ে যাচ্ছে স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিকদের। এটা নিয়ে ভুক্তভোগীরা উচ্চারণ করতে পারছে না, সরকারও বিষয়গুলো এড়িয়ে যাচ্ছে। আমাদের বিমানের অবতরণেও নাকি নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। আন্তদেশীয় সম্পর্ক সমতার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত, শক্তির তারতম্য দিয়ে নয়।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নানাভাবে আমরা জাতি হিসেবে যে বিব্রত, এটা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে আমাদের আত্মসম্মানবোধকে বিশ্বদরবারে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে। নানা দেশের সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। আমাদের আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান হতে হবে, যা ছাড়া জাতীয় প্রতিষ্ঠা হবে কেবলই মরীচিকা।
মোহাম্মদ কায়কোবাদ: অধ্যাপক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ফেলো, বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অসহায় ফিলিস্তিনিদের পাশে নেই কোনো আরব রাষ্ট্র
এরপর দেশটিতে হামাস ও ফাতাহ একটা ঐকমত্যের সরকার গঠন করে এবং এই সরকার জনগণের অধিকার ও দাবিগুলোর ব্যাপারে আরো বেশি দায়িত্বশীল। তাই ফিলিস্তিনি নেতারা আশা করেছিল যে তারা এবার আরব নেতাদের সমর্থন পাবে।

কিন্তু ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের সামপ্রতিক বিমান হামলা ও নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ তাদের মন একটুও টলাতে পারেনি। বরং এর বিপরীতটাই ঘটছে। কার্যত আরব দেশগুলোর সরকার ইসরাইলের সামরিক অভিযানকে সমর্থন দিচ্ছে।
ফিলিস্তিনের সমর্থকদের মতে ইসরাইলের অবৈধ বিমান হামলা আর নির্বিচার হত্যাযজ্ঞে আরব দেশগুলোর সরকারের প্রতিক্রিয়া বেশ অসংলগ্ন এবং মোটেই আশানুরূপ নয়।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গাজায় ইসরাইলি হত্যাযজ্ঞের নিন্দা করে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। কিন্তু আরব দেশগুলোর সরকার এ ব্যাপারে একেবারেই উদাসীন।
মুনদার মুয়াম্মার নামে একজন তিউনিশীয় বিক্ষোভকারী যিনি তার দেশের রাজধানীতে ফিলিস্তিনের সমর্থনে মিছিলে যোগ দেন তিনি অভিযোগ করে বলেন, কোনো আরব দেশই ফিলিস্তিনকে সমর্থন দিচ্ছে না।
দিয়ানা বুতু নামে একজন ফিলিস্তিনি আইনজীবী এবং বিশ্লেষক বলেন, গাজায় অন্য সব আগ্রাসন ও আক্রমণের বেলায় কয়েকটা সরকার ছিল যারা প্রতিবাদ করত যে ইসরাইল যা করছে, যেভাবে করছে তা বেআইনি-অবৈধ এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি কিছু সমর্থন দিত। কিন্তু এবার সে রকম কিছু ঘটছে না। সবাই চুপচাপ বসে আছে।

আবু তারেক সাদেক নামে একজন ফিলিস্তিনি যিনি বৈরুতের শাতিলা শরণার্থী শিবিরে থাকেন। তিনি বলেন, মনে হচ্ছে ফিলিস্তিনিরা পিছু হটছে। আগের আমলের সরকারগুলো ফিলিস্তিনের ব্যাপারে কমপক্ষে কিছু কথা বলত, যদিও তারা মিথ্যা বলত। কিন্তু আজ আমরা তাদের কাছে অপাঙক্তেয়। যেখানে আমরা ১ নম্বর আলোচ্য বিষয় হওয়ার কথা, সেখানে আজ আমরা ২৪ নম্বরে।
মারওয়া বেটলিলি নামে তিউনিশিয়ার একজন ছাত্রী শুক্রবার রাজধানী তিউনিসে এক ইসরাইল বিরোধী বিক্ষোভ র্যালিতে অংশ নিয়ে বলেন, আরব বসন্ত শুরু হয়েছে এই তিউনিশিয়ায়। আমরাই প্রথম বিপ্লব করেছি। আর আমাদেরকেই প্রথম অন্যায়ের নিন্দা করতে হবে এবং স্বাধীনতা ও মুক্তির ব্যাপারে অনুপ্রেরণা দিতে হবে।
বামপন্থী ইসরাইলি পত্রিকা হারেেজর একজন লেখক আনসেল পেফার টুইটারে লিখেছেন, এটা অবিশ্বাস্য যে ইসরাইল যখন গাজা উপত্যকা এবং সমগ্র আরব রাষ্ট্রের ওপর খবরদারি করছে, তখন মিসর তাদের সমালোচনা করে একটি কথাও বলছে না। শুধু হামাসের ওপর দোষারোপ করছে।
ফিলিস্তিনি-মিসরীয় মানবাধিকার কর্মী এবং সংগঠক রামি সাথ বলেন, মিসরের সরকার আগুন নিয়ে খেলছে। তারা গাজা নিকটবর্তী মিসরীয় সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে যাতে গাজাবাসীর জন্য কোনো সাহায্য ও ত্রাণসামগ্রী না আসতে পারে। এটা শুধু অমানবিকই নয়; বরং সংকীর্ণ মানসিকতার পরিচয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অসহায় ফিলিস্তিনিদের পাশে নেই কোনো আরব রাষ্ট্র
এরপর দেশটিতে হামাস ও ফাতাহ একটা ঐকমত্যের সরকার গঠন করে এবং এই সরকার জনগণের অধিকার ও দাবিগুলোর ব্যাপারে আরো বেশি দায়িত্বশীল। তাই ফিলিস্তিনি নেতারা আশা করেছিল যে তারা এবার আরব নেতাদের সমর্থন পাবে।

কিন্তু ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের সামপ্রতিক বিমান হামলা ও নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ তাদের মন একটুও টলাতে পারেনি। বরং এর বিপরীতটাই ঘটছে। কার্যত আরব দেশগুলোর সরকার ইসরাইলের সামরিক অভিযানকে সমর্থন দিচ্ছে।
ফিলিস্তিনের সমর্থকদের মতে ইসরাইলের অবৈধ বিমান হামলা আর নির্বিচার হত্যাযজ্ঞে আরব দেশগুলোর সরকারের প্রতিক্রিয়া বেশ অসংলগ্ন এবং মোটেই আশানুরূপ নয়।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গাজায় ইসরাইলি হত্যাযজ্ঞের নিন্দা করে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। কিন্তু আরব দেশগুলোর সরকার এ ব্যাপারে একেবারেই উদাসীন।
মুনদার মুয়াম্মার নামে একজন তিউনিশীয় বিক্ষোভকারী যিনি তার দেশের রাজধানীতে ফিলিস্তিনের সমর্থনে মিছিলে যোগ দেন তিনি অভিযোগ করে বলেন, কোনো আরব দেশই ফিলিস্তিনকে সমর্থন দিচ্ছে না।
দিয়ানা বুতু নামে একজন ফিলিস্তিনি আইনজীবী এবং বিশ্লেষক বলেন, গাজায় অন্য সব আগ্রাসন ও আক্রমণের বেলায় কয়েকটা সরকার ছিল যারা প্রতিবাদ করত যে ইসরাইল যা করছে, যেভাবে করছে তা বেআইনি-অবৈধ এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি কিছু সমর্থন দিত। কিন্তু এবার সে রকম কিছু ঘটছে না। সবাই চুপচাপ বসে আছে।

আবু তারেক সাদেক নামে একজন ফিলিস্তিনি যিনি বৈরুতের শাতিলা শরণার্থী শিবিরে থাকেন। তিনি বলেন, মনে হচ্ছে ফিলিস্তিনিরা পিছু হটছে। আগের আমলের সরকারগুলো ফিলিস্তিনের ব্যাপারে কমপক্ষে কিছু কথা বলত, যদিও তারা মিথ্যা বলত। কিন্তু আজ আমরা তাদের কাছে অপাঙক্তেয়। যেখানে আমরা ১ নম্বর আলোচ্য বিষয় হওয়ার কথা, সেখানে আজ আমরা ২৪ নম্বরে।
মারওয়া বেটলিলি নামে তিউনিশিয়ার একজন ছাত্রী শুক্রবার রাজধানী তিউনিসে এক ইসরাইল বিরোধী বিক্ষোভ র্যালিতে অংশ নিয়ে বলেন, আরব বসন্ত শুরু হয়েছে এই তিউনিশিয়ায়। আমরাই প্রথম বিপ্লব করেছি। আর আমাদেরকেই প্রথম অন্যায়ের নিন্দা করতে হবে এবং স্বাধীনতা ও মুক্তির ব্যাপারে অনুপ্রেরণা দিতে হবে।
বামপন্থী ইসরাইলি পত্রিকা হারেেজর একজন লেখক আনসেল পেফার টুইটারে লিখেছেন, এটা অবিশ্বাস্য যে ইসরাইল যখন গাজা উপত্যকা এবং সমগ্র আরব রাষ্ট্রের ওপর খবরদারি করছে, তখন মিসর তাদের সমালোচনা করে একটি কথাও বলছে না। শুধু হামাসের ওপর দোষারোপ করছে।
ফিলিস্তিনি-মিসরীয় মানবাধিকার কর্মী এবং সংগঠক রামি সাথ বলেন, মিসরের সরকার আগুন নিয়ে খেলছে। তারা গাজা নিকটবর্তী মিসরীয় সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে যাতে গাজাবাসীর জন্য কোনো সাহায্য ও ত্রাণসামগ্রী না আসতে পারে। এটা শুধু অমানবিকই নয়; বরং সংকীর্ণ মানসিকতার পরিচয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাগরিক ঐক্যের মতবিনিময় নিজেদের ব্যর্থতাই সরকারের বড় শত্রু

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘প্লিজ রাস্তা নিয়ে কেউ রাজনীতি করবেন না’ -যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

গতকাল দুপুরে গাজীপুরের শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পরিদর্শন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও সড়ক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
ডেটলাইন দেয়ার পর ২০ তারিখের মধ্যে ৮০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে দাবি করে যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, বাকি কাজ দু’দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। রাস্তার জন্য এবার কোন যানজট হবে না। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের ২১টি টিম সার্বক্ষণিকভাবে সারাদেশের সড়কের কাজ মনিটরিং করছে। আমি প্রকৌশলীদের বলেছি, কাজ করতে যদি কোথাও অতিরিক্ত খরচ হয় তাহলে সরকার অতিরিক্ত খরচ বহন করবে। কিন্তু দায়সারা গোছের বালি-খোয়া দিয়ে একটি কৃত্রিম আবরণ সৃষ্টি করা যাবে না, তা মেনে নেয়া হবে না।
তিনি বলেন, আমি লক্ষ্য করছি কারা কমিটমেন্ট নিয়ে দেশের জন্য কাজ করছে, আর কারা দেশের জন্য কাজ করছে না। যারা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হবে, ঈদের পর শাস্তি তাদের পেতেই হবে। বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে কোন কাজ বন্ধ রাখা যাবে না। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দেয়া আছে, ঝড় হোক, বৃষ্টি হোক তাদের রাস্তায় থাকতে হবে। ২৪ ঘণ্টা রাস্তায় থেকে কাজ মনিটরিং করতে হবে। কারণ, আমাদের কাজ হচ্ছে মানুষকে স্বস্তি দেয়া। মানুষকে কথা দিয়েছি, কথা আমাদের রাখতে হবে।

ভালুকা, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি জানান, গতকাল বিকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ ফোর লেন সড়কের সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেছেন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ সময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন- প্রকল্পের কন্ট্রাক ৩-এর পরিচালক প্রকৌশলী শওকত হোসেন, প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান, ঢাকা অঞ্চলের অতিরিক্ত প্রকৌশলী আফতাব উদ্দিন, ময়মনসিংহ অঞ্চলের অতিরিক্ত প্রকৌশলী মো. শাহাব উদ্দিন খান, প্রকল্প ব্যবস্থাপক মনোয়ারুউজ্জামান, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজিম উদ্দিন আহমেদ ধনু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল আহসান তালুকদার প্রমুখ। বিকালে ভালুকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের ডাকবাংলোর সামনে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে ওবায়দুল কাদের বলেন, মহাসড়কটিকে ঈদের আগেই ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে চলাচলের উপযোগী করে তোলা হবে। ঈদে মহাসড়কটি যানজট মুক্ত থাকবে বলে আশা করছি। এ প্রকল্পের কাজ আগামী বছরের মার্চের মধ্যে সমাপ্ত হবে বলে জানান তিনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
July
(592)
-
▼
Jul 22
(38)
- আলিয়া ভাটের প্রথম প্রেম শহীদ কাপুর!
- ফটোগ্রাফারের প্রেমে প্রভা!
- ‘কন্যাশিশুদের সুরক্ষায় সরকারের উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়’...
- ইসরায়েলের অব্যাহত একতরফা বর্বর হামলায় গাজায় নিহত প...
- ‘আমার বাবাকে ফিরিয়ে দাও’ -ফিলিস্তিনি শিশুর আর্তচিৎকার
- রোজার কাজা কাফফারা
- প্রিয়াঙ্কাপুত্রকে দত্তক নিচ্ছেন রাহুল?
- শাজাইয়া এখন মৃত্যুপুরী
- রাজ্যে রাজ্যে নাজুক অবস্থা কংগ্রেসের
- রাস্তায় ট্যাংক গলিতে লাশ ঘরে ইসরাইল
- সব লাশ বিদ্রোহীদের দখলে
- বিমানবালার আশংকাই শেষে সত্য হল!
- সেবার গেল ভাই এবার মেয়ে!
- লাশের শহর গাজা
- গাজা এখন বধ্যভূমি -রাস্তায় ট্যাংক গলিতে লাশ ঘরে ইস...
- গাজায় ইতিহাসের বর্বর দিন
- তামাশা করবেন না -দায় এড়াতে পারেন না যোগাযোগমন্ত্রী
- চট্টগ্রাম থেকে ফেনী পর্যন্ত অর্ধশত পয়েন্টে গর্ত by...
- চরমপন্থায় না, আত্মঘাতী বোমায় হ্যাঁ by মিজানুর রহম...
- ঈদে নতুন জামা আর পুরোনো কাপড়ের কাফন by সৈয়দ আবু...
- প্রাণভয়ে ভারতে কলকাতায় পালিয়ে আসি : নূর হোসেন
- লন্ডন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী by তানজির আহমেদ রাসেল
- আবার আমার দেশ by মোহাম্মদ কায়কোবাদ
- অসহায় ফিলিস্তিনিদের পাশে নেই কোনো আরব রাষ্ট্র
- অসহায় ফিলিস্তিনিদের পাশে নেই কোনো আরব রাষ্ট্র
- নাগরিক ঐক্যের মতবিনিময় নিজেদের ব্যর্থতাই সরকারের ব...
- ‘প্লিজ রাস্তা নিয়ে কেউ রাজনীতি করবেন না’ -যোগাযোগ ...
- নাগরিক ঐক্যের মতবিনিময় নিজেদের ব্যর্থতাই সরকারের ব...
- ব্যস্ত ৩০০০০ কারিগর
- সুচিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ ইউনূসের
- সুচিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ ইউনূসের
- প্লাজা ট্র্যাজেডি -এখনও আঁতকে ওঠেন রোজিনা
- প্লাজা ট্র্যাজেডি -এখনও আঁতকে ওঠেন রোজিনা
- কুতুবদিয়া কি বিলীন হয়ে যাবে by মুহাম্মদ হোছাইন কুতুবী
- মহানবীর রওজা জিয়ারত করলেন খালেদা-তারেক
- বেডরুম বাংলাদেশে রান্নাঘর ভারতে
- ৬৫০ কোটি টাকার চাঁদাবাজি
- র্যাব ভেঙে দিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি
-
▼
Jul 22
(38)
-
▼
July
(592)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






