Friday, September 11, 2009
স্মরণ চলে গেলেন ‘রূপালী নদী রে’ গানের গীতিকার কবির বকুল
১৯১৯ সালের ৩১ মে বিক্রমপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় অনার্সসহ এম এ পাস করেন আনিসুল হক চৌধুরী।
মূলত তিনি ছিলেন একজন অধ্যাপক, কবি, গীতিকার, প্রাবন্ধিক ও গবেষক। তবে তাঁর লেখা গানের সঙ্গেই অধিক পরিচিত সবাই। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে ঢাকা বেতারে যেসব আধুনিক বাংলা গান প্রচারিত হতো, সেই গানগুলোর গীতিকার ছিলেন ফররুখ আহমদ, সায়ীদ সিদ্দিকী, আজিজুর রহমান, আনিসুল হক চৌধুরী, আবদুল লতিফ প্রমুখ। ওই সময় আমাদের বাংলা গানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করেছেন যাঁরা, তাঁদের অন্যতম ছিলেন আনিসুল হক চৌধুরী।
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট নিয়ে প্রথম দিকে যে কটি গান রচিত হয়েছে, এর মধ্যে একটি ছিল আনিসুল হক চৌধুরীর লেখা। গানটি ছিল, ‘ভাই রে ভাই, বাংলাদেশে বাঙালি আর নাই’। তাঁর লেখা অন্যান্য গানের মধ্যে গণসংগীত ‘ঘুম ঘুম শুধু ঘুম পাড়ানী গান আজ নয়’, দেশাত্মবোধক গান ‘সাগর পাড়ের দেশ, আমাদের হাজার নদীর দেশ’ এখনো অনেকের হূদয় ছুঁয়ে আছে।
আনিসুল হকের লেখা ‘ময়নামতির শাড়ি দেব, গয়না দেব গায়’ গানটিও বেশির ভাগ নৃত্যশিল্পী তাঁদের নৃত্যশৈলীতে আবহ সংগীত হিসেবে ব্যবহার করেন। বেশ কটি চলচ্চিত্রে গান লিখেছেন তিনি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো হলো নদী ও নারী, ১৩ নং ফেকু ওস্তাগার লেন, সুখী পরিবার।
শিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহমদ, আবদুল আলীম, আব্দুল লতিফসহ প্রতিষ্ঠিত সব শিল্পীই তাঁর লেখা গান গেয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে পত্রপত্রিকায় গুণী এই গীতিকার সম্পর্কে বিভিন্ন ব্যক্তিত্বর করা মন্তব্য থেকে তাঁর গানের মানের ধারণা পাওয়া যায়।
আনিসুল হকের রচিত গান ‘অল ইন্ডিয়া রেডিও’র ঢাকা কেন্দ্র কর্তৃক সমাদৃত ও সম্প্রচারিত হয়েছে।—(কবি জসীমউদ্দীন, ৩ জুন, ১৯৪৩)।
‘তাঁর রচিত কতকগুলি গান আমি গেয়েছি। অল্প কজন প্রথম শ্রেণীর গীতিকারের মধ্যে তিনি অন্যতম। (পল্লীগীতি সম্রাট আব্বাসউদ্দীন আহমদ, ২০ মে, ১৯৫৮)
‘বাংলা গানের রচয়িতা হিসেবে তিনি একটি নাম ও খ্যাতি অর্জন করেছেন।’—(কবি গোলাম মোস্তফা, ১৬ জুন, ১৯৪৯)।
আর গুণী এই গীতিকার সম্পর্কে মূল্যায়ন করতে গিয়ে ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খসরু বলেছিলেন, ‘কবি আনিসুল হক চৌধুরী সংগীতের ক্ষেত্রে আমার একজন পুরোনো বন্ধু। আমি তাঁর লেখা অনেক গান সুরারোপ করেছি এবং তা শ্রোতাদের উচ্চ প্রশংসাও লাভ করেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলামের পর গান রচনায় যাঁরা মৌলিকতা, সাবলীলতা, আন্তরিকতা ও স্বতঃস্ফূর্ততা দাবি করতে পারেন, সেই অল্প কজন গীতিকারের মধ্যে তিনিও একজন।’ (২২ মে, ১৯৫৮)
আনিসুল হক চৌধুরী ঢাকা বেতার কেন্দ্রের জন্মলগ্ন থেকে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
আনিসুল হকের লেখা গবেষণামূলক বই বাংলার মুখ, গানের বই গানে ভরে মন এবং প্রবন্ধ নিশি ভোরের ফুল উল্লেখযোগ্য।
শেষ সময়ে প্রবাসে বসেও তিনি লেখালেখি চালিয়ে গেছেন। ফ্লোরিডার স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় তিনি নিয়মিত ইংরেজি কবিতা লিখতেন। সম্প্রতি প্রবাসে বসেই দেশের একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাত্কারে এই সময়ের বাংলা গান সম্পর্কে আনিসুল হক চৌধুরী বলেছিলেন, ‘এই সময়ের বাংলা গান শুনে আরাম পাই না। কেমন যেন অন্য রকম। শুনলে মনে হয়, আমাদের সংস্কৃতির মূল শিকড় থেকে আমরা যেন অনেক দূরে সরে গেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলা গানের সঙ্গে আগে দেশি বাদ্যযন্ত্রের যে সংমিশ্রণ ঘটত, তা এখন হারিয়ে গেছে।’
‘রূপালী নদী রে, রূপ দেইখা তোর হইয়াছি পাগল’ গানটির সঙ্গে তিনটি নাম জড়িয়ে ছিল। যাঁদের দুজন শিল্পী আবদুল আলীম ও সুরস্রষ্টা সত্য সাহা অনেক আগেই চলে গেছেন। বেঁচে ছিলেন শুধু গানের গীতিকার আনিসুল হক চৌধুরী। তিনিও আজ আর নেই। তবে কখনোই হারিয়ে যাবেন না তাঁরা। যখনই যেখানে এই গানটি বেজে উঠবে, তখনই উচ্চারিত হবে তাঁদের নাম। যাঁদের একজন আনিসুল হক চৌধুরী।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ আকবর আলি খান টিপাইমুখ বাঁধ ও বাংলাদেশের স্বার্থ
দ্বিতীয় সমস্যা হলো, ভারতের সব নদী নিয়ে একটি জল সরবরাহ ব্যবস্থায় রূপান্তরের প্রচেষ্টা চলছে। এই মহা প্রকল্পের নাম আন্তঃঅববাহিকায় নদীসংযোগ (Interlinking of river Basins)। প্রকৃতপক্ষে আসামে সেচের জন্য যে পানির প্রয়োজন তাতে বাংলাদেশের আপত্তি থাকার কোনো কারণ নেই। কিন্তু আসাম থেকে অন্যত্র পানি প্রত্যাহারের চেষ্টা অনৈতিক, অন্যায় ও অবাস্তব। অথচ বিজেপি সরকার এ প্রকল্পকে তাদের পানিসম্পদ উন্নয়নের মূল কৌশল হিসেবে গ্রহণ করেছিল। এ ধরনের প্রকল্প ভারত-বাংলাদেশের তীব্র বিরোধ অনিবার্য করে তুলবে। সৌভাগ্যের বিষয়, কোনো কোনো ভারতীয় পানিবিশেষজ্ঞ এর অসারতা বুঝতে পেরেছেন (পূর্ব উদ্ধৃত Iyer-এর বইতে দেখুন)। কংগ্রেস সরকার প্রকল্পটি পর্যালোচনা করছে। আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রকল্পটি প্রত্যাখ্যান করা হলে বাংলাদেশের মতো ক্ষুদ্র প্রতিবেশী রাষ্ট্রের আস্থা ভারতের ওপর অনেক বেড়ে যাবে।
ভারতের মতে, টিপাইমুখ বাঁধ ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ের জন্য লাভজনক। ভারত পাবে জলবিদ্যুত্, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, মত্স্য উত্পাদন ও পর্যটনের সুফল। ভারতের মতে, এ প্রকল্পের ফলে বর্ষাকালে সিলেট অঞ্চলে বন্যার প্রকোপ কমবে আর শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ বাড়বে। এ রকম সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরামর্শকেরা ১৯৯৪ সালে সমর্থন করেছিলেন। অবশ্য এটি ছিল একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন। প্রতিবেদনটির পূর্ণ শিরোনাম হলো, Initial Environmental Evaluation: Appendix to Northeast Regional Water Management Plan (NERPFAP-6)। গত ১৫ বছরে টিপাইমুখ প্রকল্পের পরিবর্তন হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট নদীগুলোর প্রবাহে অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। কাজেই ১৯৯৪ সালের এ প্রতিবেদন এখন অপ্রাসঙ্গিক।
তবে সাধারণ জ্ঞানের ভিত্তিতেই এ কথা প্রমাণ করা সম্ভব যে এ ধরনের প্রকল্পে বাংলাদেশ উপকৃত হবে না। ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে জলাধার নির্মাণ করে বাংলাদেশে বন্যার তীব্রতা হ্রাস-সম্পর্কিত প্রস্তাব পরীক্ষা করে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক Peter Rogers-এর নেতৃত্বে USAID-এর একটি কারিগরি দল। তাদের প্রতিবেদন Eastern Waters Study শিরোনামে ১৯৮৯ সালে প্রকাশিত হয়। এই সমীক্ষায় অভিমত প্রকাশ করা হয়, দুটি কারণে উত্তর-পূর্ব ভারতে জলাধার নির্মাণ করে বাংলাদেশে বর্ষাকালে বন্যার প্রকোপ হ্রাস করা যাবে না (পৃষ্ঠা ৪৭-৫০)। প্রথমত, বাংলাদেশে বন্যা হ্রাস করার জন্য এ ধরনের জলাধারে বিপুল পরিমাণ পানি সংরক্ষণ করতে হবে। বাংলাদেশে এক মিটার বন্যা হ্রাসের জন্য ৬৬ বিলিয়ন কিউসিক পানি জমাতে হবে। এ ধরনের প্রকল্প অবাস্তব। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে দূরে জলাধারে পানি রাখলে তার প্রভাব বাংলাদেশের বন্যার ওপর পড়বে না। বাঁধের নিচে যেসব ভারতীয় অঞ্চলের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয়, সেসব অঞ্চলের পানি গড়িয়ে এসে বর্ষাকালে বাংলাদেশে পানির সরবরাহ বাড়িয়ে দেবে। Peter Rogers ও তাঁর সহকর্মীরা লিখেছেন, ‘Water that now floods land on the plains in India would drain out into rivers because of the reduced flows. The net effect of this would be little or no reduction in the flood peak in Bangladesh.’ (P-48) (নদীতে পানি কমে যাওয়ায় ভারতের সমতল ভূমিতে যেসব অঞ্চল প্লাবিত হবে সেসব অঞ্চলের পানি গড়িয়ে নদীতে চলে এলে নিট প্রভাব হবে: বাংলাদেশে বন্যার সর্বোচ্চ সীমা আদৌ হ্রাস পাবে না কিংবা নগণ্য হ্রাস পাবে।) উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, বর্ষাকালে টিপাইমুখের ওপর বরাক নদীর পানি আটকে রাখলেও বাঁধের ভাটিতে কাছাড়, হাইলাকান্দি ও করিমগঞ্জে যেসব নিম্নাঞ্চল বৃষ্টির ফলে প্লাবিত হবে, সেসব পানি নদী দিয়ে বাংলাদেশের দিকে নেমে যাবে। উল্লেখ্য, সমতল এ তিনটি জেলায় চাতলার বিল, শন বিল, জবদা হাওড়, লুককা হাওড়, রকবির হাওড়, আনাইর হাওড় প্রভৃতি অবস্থিত। এসব বিল ও হাওড়ের পানি বাংলাদেশে পানির প্রবাহ বাড়াবে।
টিপাইমুখ প্রকল্পে অনুমান করা হয়েছে, বাঁধের ওপর জলাধারে নদীর বাড়তি পানি জমিয়ে রাখা যাবে। যখন জলাধার পূর্ণ থাকে তখন বন্যা হলে বন্যার পানি ছেড়ে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। সে ধরনের পরিস্থিতিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য টিপাইমুখ বাঁধ ভারত বা বাংলাদেশের কোনো কাজেই লাগবে না। শুষ্ক মৌসুম সম্পর্কে ভারতের দাবি হলো, বাঁধের জলাধার থেকে সমানতালে জল ছাড়ার ফলে শুষ্ক মৌসুমে অতিরিক্ত পানি ছাড়া সম্ভব। পূর্বে উল্লিখিত বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরামর্শকদের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শীতকালে টিপাইমুখ বাঁধের দুটি প্রভাব দেখা দেবে। প্রথমত, নদীর পানির উচ্চতা ১.৫ মিটার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, এপ্রিল-জুন সময়কালে নদীর পানি উঁচু থাকলে যদি বৃষ্টির ফলে আকস্মিক বন্যা হয়, তবে ফসল রক্ষার জন্য যেসব নিমজ্জনক্ষম (submersible) বাঁধ নির্মাণ করা হয় তারা অকার্যকর হয়ে পড়বে। এসব বাঁধ উচু করতে হবে। তাতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে কি না তাও পরীক্ষা করতে হবে।
আসলে শুষ্ক মৌসুমে সুরমা ও কুশিয়ারায় জলের প্রবাহ নির্ভর করবে টিপাইমুখ জলাধারে পানি জমিয়ে রাখার ক্ষমতার ওপর। নিয়মিত বৃষ্টি হলে এটি সম্ভব। যদি পরপর কয়েক বছর খরা দেখা দেয় তখন এ ধরনের অতিরিক্ত প্রবাহ সম্ভব হবে না। উপরন্তু শুষ্ক মৌসুমে পলি পড়ে নদীতে কী ধরনের চর পড়বে তাও জলপ্রবাহের নিয়ন্ত্রক হতে পারে।
টিপাইমুখ জলবিদ্যুেকন্দ্র চালু হলে জলাধার থেকে নিসৃত বরাক নদীর পানিতে দুটি পরিবর্তন দেখা দেবে। প্রথমত, বাঁধ থেকে নিসৃত পানি হবে উষ্ণ। গরম পানিতে মাছের ডিম মরে যাবে। বরাক নদীতে মাছের প্রজননক্ষেত্র হবে বিপন্ন। উপরন্তু যেসব মাছ বাঁধের উজান থেকে ভাটিতে যায় অথবা ভাটি থেকে উজানে যায় সেসব মাছের চলাচলের ক্ষেত্র সংকীর্ণ হবে। এর ফলে অনেক প্রজাতির মাছ হারিয়ে যাবে। বিশেষ করে মহাশির মাছ, যা পার্বত্য অঞ্চল থেকে আসে তা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। অবশ্য মাছের চলাচলের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা (fish ladder) এ প্রকল্পে প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এ ধরনের ব্যবস্থা কোথাও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেনি। দ্বিতীয়ত, জলাধার থেকে টারবাইনের ভেতর দিয়ে যে জল আসবে তা হবে পলিমুক্ত। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে পলির গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশের নদীগুলো দিয়ে বছরে ২.৪ বিলিয়ন টন পলি আসে। অর্থাত্ বাংলাদেশের নদীগুলো দিয়ে বিশ্বের ১৮.৫ শতাংশ পলি পরিবাহিত হয়। অথচ বাংলাদেশের আয়তন পৃথিবীর ভূখণ্ডের এক হাজার ভাগের এক ভাগের চেয়ে কম। চীনের কিছু অঞ্চল ছাড়া কোথাও নদীতে পলির পরিমাণ এত বেশি নয়। পলির আধিক্যের ফলে উজানে নির্মিত জলাধারগুলো অতিদ্রুত পলিতে ভরে অকার্যকর হয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে ইতিপূর্বে গোমতী বাঁধ ও লোকটাক বাঁধের অভিজ্ঞতা আলোচিত হয়েছে।
বরাক নদীতে পলির পরিমাণ হ্রাসের প্রভাব দুই ভাগে বিভক্ত করা যেতে পারে: তাত্ক্ষণিক ও দীর্ঘস্থায়ী। পলিশূন্য পানির তাত্ক্ষণিক প্রভাবে বাঁধের নিচে পানির স্রোত তীব্রতর হবে এবং নদীর খাদে জমে থাকা বালি ভেসে যাবে এবং বাঁধের নিচে নদীর পাড় ভাঙতে থাকবে। এ ধরনের ভাঙন যদি ভারতের ভেতরে বেশি হয় তবে টিপাইমুখ বাঁধের ফলে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত অঞ্চল থেকে বাংলাদেশের ভেতরে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীতে চর পড়ে পানির প্রবাহ কমে যাবে। এর ফলে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশের হাওড় অঞ্চলে কম পানি আসবে। দ্বিতীয় একটি আশঙ্কা হলো, নদীভাঙন শুধু ভারতে সীমাবদ্ধ না থেকে বাংলাদেশের ভেতর অনেক দূর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে এবং বাংলাদেশের ভেতরে মেঘনা অঞ্চলে চর পড়বে। এর ফলে বাংলাদেশের নদীতে ড্রেজিংয়ের ব্যয় বাড়বে এবং পানির জোগান কমে যেতে পারে।
পলি কমে যাওয়ার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব কী হতে পারে তা নির্ণয় করার জন্য গাণিতিক ও ভৌত মডেলিং করতে হবে। তবে তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ থেকেই এ কথা সুস্পষ্ট যে এর প্রভাব অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে। এখানে স্মরণ করা যেতে পারে, ভূতাত্ত্বিক গঠনের ফলে সিলেটের একটি বড় অঞ্চলে ভূমির অধোগমন (subduction or subsidence) হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের অধোগমন চলছে। তবে সঙ্গে সঙ্গে এ অঞ্চলে পানির সঙ্গে প্রচুর পলি আসছে। এসব পলি জমে ভূমির অধোগমন ঠেকিয়ে রেখেছে। তার ফলে দীর্ঘ সময় ধরে এ অঞ্চলের হাওড়গুলোয় একটি সমস্থিতি (equilibrium) বিরাজ করছে। পলি জমে বিলগুলো ভরে যাচ্ছে, কিন্তু হাওড় ভরে যাচ্ছে না (দেখুন Banglapedia Vol V. P.7)। ৭০০ বছর আগে পরিব্রাজক ইবনে বতুতা হাওড়ে যে অবস্থা দেখেছেন তা আজও বিরাজমান, কারণ নিয়মিত পলি আসায় ভূমির অধোগমন ঘটছে না। এ প্রবণতা শুধু বাংলাদেশে সীমাবদ্ধ নয়। ভারতীয় পানিবিজ্ঞানী কে এল রাওয়ের মতে, আসামের সুবানসিঁড়ি নদী-অঞ্চলেও এ প্রবণতা রয়েছে। (কে এল রাও, ইন্ডিয়াস ওয়াটার ওয়েলথ, পৃ. ৭১)
যদি নদীতে পলি কমে যায়, তবে হাওড়গুলো নিচের দিকে নামতে থাকবে। ফলে হাওড় অঞ্চলে জলাবদ্ধতা বেড়ে যেতে পারে। সারা দেশে পরিবেশগত বিপর্যয় সৃষ্টি হতে পারে। প্রকৃতি কীভাবে এ ক্ষেত্রে প্রতিশোধ নেবে, বিস্তারিত গবেষণা ছাড়া সে সম্পর্কে সুষ্ঠু আলোকপাত সম্ভব নয়। হয়তো দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে বাংলাদেশের জন্য টিপাইমুখ প্রকল্পের সবচেয়ে বড় অভিশাপ।
টিপাইমুখ বাঁধের ভাটিতে বাঁধের প্রভাব বিশ্লেষণের জন্য আমরা গোমতী বাঁধের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করতে পারি। ভারতে গোমতী বাঁধ নির্মাণের পর বাংলাদেশে গোমতীর বন্যা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। অথচ শুষ্ক মৌসুমে গোমতীর পানিপ্রবাহ কমে গেছে। এর ফলে তিতাস ও বুড়ি নদীর মতো গোমতীর শাখা নদীগুলো গত তিন দশকে হারিয়ে গেছে। গোমতী বাঁধ গোমতীর গলাটিপে ধরায় তিতাস নদী এখন বিলুপ্ত হওয়ার পথে। বাস্তবে তিতাস মৃত, তিতাস নদী শুধু অদ্বৈত মল্লবর্মণের উপন্যাসে আর ঋত্বিক ঘটকের চলচ্চিত্রে বেঁচে আছে। গোমতীর অভিজ্ঞতা থেকে প্রতীয়মান হয়, টিপাইমুখ বাঁধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে বরাক নদী অববাহিকায় বর্ষা মৌসুমে বন্যার প্রকোপ কমবে না এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে যাবে।
আগামীকাল: এ সমস্যা সংকটের হিমশৈলের ভাসমান চূড়ামাত্র
আকবর আলি খান: গবেষক। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা; অর্থ, বন ও পরিবেশ এবং মন্ত্রিপরিষদের সাবেক সচিব; এ ছাড়া পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুর্গাপূজার ছুটি
বিকাশ কীর্ত্তনিয়া, শিক্ষার্থী
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঈদের ছুটি চার দিন করা হোক
ঈদ-উত্সবে মানুষ তাদের প্রিয়জনদের কাছে গ্রামের বাড়িতে যাবে, এটাই স্বাভাবিক। কোনোমতে টিকিট জোগাড় করে গ্রামে তো যাওয়া গেল। কিন্তু সমস্যা হয় ঢাকা ফেরা নিয়ে। বিশেষ করে ঈদুল ফিতরের ছুটি নিয়ে।
ঈদের তারিখ যত ঘনিয়ে আসে, চাকরিজীবীদের উত্কণ্ঠা ততই বাড়তে থাকে, ঈদ কোন দিন হবে? ২৯ রোজা শেষে ঈদ হবে নাকি ৩০ রোজা শেষে হবে? ২৯ রোজা হলে ছুটি হবে তিন দিন আর ৩০ রোজা হলে ছুটিও একদিন বেড়ে গিয়ে হবে চার দিন। সরকারি-বেসরকারি সব ক্ষেত্রেই এটা একধরনের রীতি হয়ে গেছে।
ঈদুল ফিতর চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। এতে মানুষের কোনো হাত নেই। কিন্তু জনগণের ভোগান্তি দূর করতে সরকারের অবশ্যই করণীয় রয়েছে।
এবারে ঈদ হবে ২১ সেপ্টেম্বর অথবা ২২ সেপ্টেম্বর। ঈদের ছুটির গোলকধাঁধায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েন চাকরিজীবীরা। ঈদের টিকিট পেতে ভোগান্তির কথা তো শুরুতেই বলেছি। ঢাকা ফিরতে ইচ্ছুক চাকরিজীবী যাত্রীরা দ্বিদ্বন্দ্বে রয়েছেন, তাঁরা কোন দিনের ফিরতি টিকিট কাটবেন? ঈদের পরদিনের টিকিট কাটলে ঈদ একদিন পিছিয়ে গেলে পরদিনের টিকিট মূল্যহীন হয়ে পড়ে। তখন শত চেষ্টা করেও আর নতুন টিকিট পাওয়া যায় না। ফলে অনেক চাকরিজীবী বাধ্য হন অফিসে একদিন অনুপস্থিত থাকতে।
ঈদুল ফিতরের ছুটি নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব যেহেতু প্রতিবছরের নিয়মিত ঘটনা, সরকারকে স্থায়ীভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ঈদের ছুটি নিয়ে। এ ক্ষেত্রে চার দিনের ছুটিই হবে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত। আমরা সাধারণ জনগণ আশা করি, সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারবেন এবং সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে ঈদের ছুটি চার দিনের ঘোষণা দেবেন, যা স্থায়ীভাবে সরকারি ছুটির তালিকাভুক্ত হবে।
নিলুফা চৌধুরী
অ্যাপোলো হাসপাতাল, ঢাকা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান মানুষকে পরিশীলিত করার জন্য রোজা
পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যদি কেউ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সত্ কাজ করে, তবে তা তার পক্ষে অধিক কল্যাণকর। আর যদি তোমরা উপলব্ধি করতে, তবে বুঝতে রোজা পালন করাই তোমাদের জন্য অধিকতর কল্যাণপ্রদ।’ (সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ১৮৪)
মাহে রমজানের সিয়াম সাধনার মধ্যে রোজাদারদের জন্য রয়েছে অশেষ কল্যাণ ও উপকার। স্বাস্থ্যগতভাবে এবং মানসিক উত্কর্ষ সাধনের ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। রোজার মাধ্যমে মানুষের আত্মিক ও নৈতিক অবস্থার উন্নতি ঘটে। লোভ-লালসা, হিংসা-ঈর্ষা, প্রতিহিংসা ও বিদ্বেষমুক্ত হয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বিশ্বমানবসমাজ ও সম্প্রদায়কে সুন্দর করে গড়ে তোলার জন্য মাহে রমজান এক নিয়ামক শক্তি। রমজান মাসের রোজার মধ্যে এমন একটি অপ্রতিরোধ্য চেতনাশক্তি আছে, এমন এক বরকতময় ও কল্যাণকর উপাদান আছে, যা মানুষকে সব রকমের পাপাচার, অনাচার থেকে ঢালস্বরূপ রক্ষা করে, তেমনি তাকে পাপের কালিমামুক্ত এক পবিত্র পরিশুদ্ধ খাঁটি মানুষ করে তোলে; য্রে মানুষ প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর প্রিয় বান্দা ও তাঁর নৈকট্য লাভে সৌভাগ্যবান একজন খাঁটি মুত্তাকি। রোজার মাহাত্ম্য সম্পর্কে নবী করিম (সা.) যথার্থই বলেছেন, ‘সিয়াম হচ্ছে ঢালস্বরূপ, সুতরাং অশ্লীলতা করবে না এবং মূর্খের মতো কাজ করবে না।’ (বুখারী)
মানবজীবনের সামগ্রিক কল্যাণলাভের প্রত্যক্ষ প্রশিক্ষণব্যবস্থা রমজান মাসের সিয়ামের মধ্যে নিহিত রয়েছে। রোজার মৌলিক উদ্দেশ্যই হচ্ছে জীবনকে পবিত্র ও পরিশীলিত রাখা। আর একটি পবিত্র পরিশীলিত জীবন সর্বদাই সমাজ ও মানবতার জন্য নিবেদিত হয়ে থাকে। তাই নফসের সঙ্গে যুদ্ধ করাকে মহানবী (সা.) ‘জিহাদ আল-আকবর’ বা সবচেয়ে বড় যুদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। রোজাদার মাহে রমজানের মাসব্যাপী নফসের সঙ্গে রীতিমতো যুদ্ধ করেন, যার ফলে পরিশুদ্ধতার সৌকর্য-শোভায় তিনি সুশোভিত হওয়ার সুযোগ লাভ করেন।
সুবহে সাদিক বা সূর্যোদয়ের পূর্ব মুহূর্ত হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকা, ইফতার ও সেহরির মধ্যেই কেবল মাহে রমজানের গুরুত্ব ও তাত্পর্য সীমাবদ্ধ নয়। সারা দিন রোজা রাখা, সময়মতো ইফতার করা, সেহরি গ্রহণ করা, তারাবি নামাজ আদায় করা—এগুলো তো পালন করতেই হবে। এসবের কোনোটি বাধ্যতামূলক, আর কোনোটি ঐচ্ছিক। সেই সঙ্গে মিথ্যা কথা, পরচর্চা, ঝগড়া-বিবাদ এবং সব রকম অন্যায়-অনাচার থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে। অন্যের ওপর জুলুম করা হতে, অপচয় হতে বিরত থাকা সিয়াম সাধনার অন্যতম প্রধান দাবি। হাদিসে কুদসিতে বর্ণিত আছে, আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘সে পানাহার ও কাম প্রবৃত্তি পরিত্যাগ করে। রোজা আমার জন্য এবং আমি এর পুরস্কার প্রদান করব।’ (বুখারী)
মাহে রমজানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে, মানুষের মধ্যে মনুষত্ববোধ জাগ্রত করে পারস্পরিক প্রেম-ভালোবাসা, ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সুমধুর ও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলে এ পৃথিবীকে শান্তির স্বর্গে পরিণত করা, তা যদি না হয় আর মানুষের ভেতর যদি মানবিক গুণাবলি সৃষ্টি করা না যায়, তাহলে সে রোজা উপবাস বই কিছু নয়। এ সম্পর্কে রাসূলে করিম (সা.) বলেছেন, ‘বহু রোজাদার এমন রয়েছে, রোজার বিনিময়ে অনাহারে থাকা ছাড়া সে আর কিছুই লাভ করতে পারে না। আবার অনেক রাত্রি জাগরণকারী এমন রয়েছে, যারা নিশি জাগরণের কষ্ট ছাড়া আর কিছুই পায় না।’ (ইবনে মাজা)
রোজা পালনের মধ্য দিয়ে মানুষ পরিশুদ্ধতার শীর্ষে পৌঁছাতে পারে। মাহে রমজানের সুদীর্ঘ মাসের প্রতিটি দিন, সকাল-সন্ধ্যা-রাত একজন মানুষকে পরিশীলিত মানুষে রূপান্তর করার সর্বাত্মক আয়োজন করে। তারাই পরিশুদ্ধ, মুত্তাকি মুসলিম, আত্মসমর্পিত সংঘবদ্ধ মানুষ। ইসলামে সেই মুত্তাকি মানুষ তৈরির জন্য শুদ্ধ ও সুষ্ঠু কিছু ধর্মীয় কৃচ্ছ্রসাধনা ও পদ্ধতি প্রণীত হয়েছে। তাই রোজাদারদের স্মরণ রাখা প্রয়োজন, তারা যদি নিজেদের মধ্যে আত্মসংশোধন না আনতে পারে এবং আগের মতো পাপাচারে লিপ্ত থেকে রোজা পালন করে, তাহলে এ ধরনের সিয়াম সাধনার কোনো মূল্যই আল্লাহর কাছে পাওয়া যাবে না। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মিথ্যা পরিত্যাগ করতে পারল না, এমন ব্যক্তির পানাহার পরিত্যাগ করার আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।’ (বুখারী)
কেউ যদি কোনো অন্যায় বা পাপ কাজ করে ফেলে, তাহলে সে সিয়াম সাধনা বা রোজা পালন করে তওবা-ইস্তেগফারের মাধ্যমে অনুশোচনা করবে ও অনুতপ্ত হবে। সে তার রিপুকে দমন করতে সচেষ্ট হবে। এভাবে সেই রোজাদার মনে প্রশান্তি পাবে এবং তার অন্তর পরিশুদ্ধ হবে। এমনকি একপর্যায়ে তার ইচ্ছাশক্তি নিজের নিয়ন্ত্রণে এসে যাবে। তখন সে পুনরায় অন্যায়-অপরাধ বা পাপ কাজ করা থেকে বিরত থাকবে। প্রকৃতপক্ষে সব কাজকর্মের মধ্য দিয়ে মানুষ মূলত আল্লাহর আদেশ-নিষেধগুলোকে মেনে চলার চেষ্টা করে। একসময় এতে সে সফলকাম হয়। তখন সে আল্লাহর সন্তুষ্টিও অর্জন করে। এভাবেই সে মহান আল্লাহর সান্নিধ্যে এগিয়ে যায় এবং এটাই হলো মাহে রমজানে মানুষের পরম লক্ষ্য।
ইসলামের যেকোনো ধর্মীয় দিকনির্দেশনা ও ইবাদতের মর্মকথা হলো মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সমীপে নিঃশর্ত সমর্পণ। তাই মাহে রমজানে দিবসে পানাহার বর্জন যেমন পুণ্যময় ইবাদত, সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করাও তেমনি নূরময় নেক আমল। এখানে খানাপিনা গ্রহণ বা বর্জনটা মুখ্য নয়। লক্ষ্য হলো আল্লাহর নির্দেশের প্রতি নিঃশব্দ আনুগত্য। অবশ্য সেই আনুগত্যের মধ্য দিয়ে যে রোজাদারদের পশুপ্রবৃত্তি দমিত হয়, খানাপিনা ও যৌন সম্ভোগ পরিহারের মধ্য দিয়ে যে মানুষ নিষ্পাপ ফেরেশতাসুলভ চরিত্র চর্চা করার সুযোগ পায়, তা-ই সিয়াম সাধনার অনিবার্য ফসল।
রমজান মাস যেন মানুষে মানুষে সম্প্র্রীতি ও ভালোবাসা গড়ে ওঠার অবলম্ব্বন হয়। সমাজ থেকে যেন সব ধরনের অরাজকতা-অনাচার দূরীভূত হয়, মানুষ যেন খুঁজে পায় সত্য, সুন্দর ও মুক্তির পথ। আল্লাহ তাআলা আমাদের যথাযথভাবে মাহে রমজানের গুরুত্ব উপলব্ধি করার এবং এ মাসের মূল উদ্দেশ্য মানবজীবনকে সুন্দর-সুশৃঙ্খল ও পরিশীলিত করার জন্য বেশি বেশি নেক আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক একাডেমী, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নগরে শব্দ ও বায়ুদূষণ নখদন্তহীন অভিযান কি ফল বয়ে আনবে
ঢাকা শহরে শব্দদূষণ বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছেছে বহু আগেই। আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ৬০ ডেসিবেল তীব্রতার শব্দে আধাঘণ্টা বা এর বেশি সময় একটানা থাকলে কেউ সাময়িকভাবে বধির হয়ে যেতে পারে। আর ১০০ ডেসিবেল শব্দ দিতে পারে স্থায়ী বধিরতা। খুব কাছ থেকে তিন বছরের কম বয়সী কোনো শিশু যদি ১০০ ডেসিবেল তীব্রতার শব্দ শ্রবণ করে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই সে বধির হয়ে যেতে পারে। কিন্তু ঢাকার ব্যস্ত এলাকাগুলোতে প্রায় সময়ই শব্দের তীব্রতা থাকে ১০০ ডেসিবেলের ওপরে।
ঢাকা শহরে শব্দ ও বায়ুদূষণের অন্যতম অনুঘটক পাবলিক বাস এবং ট্যাক্সি-সিএনজি অটোরিকশা। দূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। দুঃখের বিষয়, যানবাহনের দূষণবিরোধী অভিযানে সেই আইনের প্রয়োগ হচ্ছে না বললেই চলে। চলতি অভিযানে ১৯৮৩ সালের আইনে দূষণ সৃষ্টিকারী যানবাহনকে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা জরিমানা করা হচ্ছে, যা বর্তমানের পরিপ্রেক্ষিতে অপ্রতুল। কোনো আইন প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য যুক্তির অভাব হয় না, এবারও তাই দেখা গেল। পরিবেশ অধিদপ্তরের লোকবল, প্রক্রিয়া, প্রস্তুতি ও সময়ের অভাবকে যুক্তি হিসেবে হাজির করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি না নিয়ে লোকদেখানো অভিযান চালিয়ে কি ফল পাওয়া যাবে?
কারোর অজানা থাকার কথা নয় যে শব্দদূষণ বধিরতা তৈরি ছাড়াও রক্তচাপ বাড়ায়, হজম করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, শিশুদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত করে এবং বয়স্কদের মেজাজ খিটমিটে করে দেয়। কিন্তু এসব ব্যাপার কেউ গুরুত্ব দেয় বলে মনে হয় না। এ অবস্থা সহ্য করে যাওয়াই যেন নগরবাসীর নিয়তি। তাদের দুর্ভোগ আর সমস্যার কোনো শেষ কি আছে?
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রশাসনে পদোন্নতি আগের নিয়মেই তো সব চলছে, পরিবর্তনের ইঙ্গিত কই
এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে প্রশাসনের বর্তমান যে অবস্থা দাঁড়িয়েছে, তা কার্যত নব্বই-পরবর্তী সরকারগুলোর দীর্ঘদিনের অপকর্মের ফল। পদোন্নতির ক্ষেত্রে দলীয় বিবেচনা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে কাউকে বঞ্চিত করা, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বা বেসামরিক প্রশাসনে সামরিক কর্মকর্তাদের নিয়োগ—এই বিষয়গুলোকে স্বাভাবিকভাবে প্রশাসনের এই বর্তমান দুরবস্থার জন্য দায়ী করা হয়ে থাকে। দিনবদলের সরকার এই পরিস্থিতি থেকে অন্তত উঠে আসার চেষ্টা করছে—এমন কোনো ইঙ্গিত এই পদোন্নতির মধ্য দিয়ে রাখতে পারেনি।
নোংরাভাবে দলীয়করণের অভিযোগে বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারকে দায়ী করা হয়ে থাকে। এবার পদোন্নতির ক্ষেত্রে দেখা গেল, বর্তমান আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারও সেই একই পথ বেছে নিয়েছে। প্রশাসনের তিন স্তরে যে পদোন্নতি দেওয়া হলো তাতে দেখা গেল, ৫২৬ জন পদোন্নতিবঞ্চিত হয়েছেন। এই কর্মকর্তারা কেন বঞ্চিত হলেন বা যাঁরা তাঁদের ডিঙিয়ে পদোন্নতি পেলেন, তাঁরা কোন বিবেচনায় পেলেন তা স্পষ্ট নয়। কী প্রক্রিয়ায় এই পদোন্নতি হয়েছে, তা কেউ জানে না। পদোন্নতিবঞ্চিতদের তালিকা বিশ্লেষণ করলে এমন অনেককেই পাওয়া যাবে, যাঁরা তাঁদের যোগ্যতা ও দক্ষতার প্রমাণ অতীতে রেখেছেন। তাঁরা কেন পদোন্নতিবঞ্চিত হলেন? রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ না করলে এমন হওয়ার কথা নয়।
‘সুবিধাভোগী’ ও ‘বঞ্চিত’—এ ধরনের বিভক্তি প্রশাসনে কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। দলীয় রাজনীতিকেন্দ্রিক এই বিভক্তি প্রশাসনের যোগ্য ও দক্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা, ক্ষোভ ও অসন্তোষের জন্ম দেয়। ইচ্ছা না থাকলেও অনেকে এই রাজনৈতিক চক্রের মধ্যে ঢুকে পড়তে বাধ্য হন। সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত আর বঞ্চিতরা সুবিধাভোগীতে পরিণত হন। আর যাঁরা নিজেদের মেধা, যোগ্যতা ও দক্ষতা নিয়ে এর বাইরে থাকতে চান, তাঁরা সব সরকারের আমলেই বঞ্চিত হন।
সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় বেসামরিক প্রশাসন একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান। সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে কর্মকর্তাদের রদবদল বা পদোন্নতির কোনো সম্পর্ক থাকে না। পেশাগত দক্ষতা ও যোগ্যতাই প্রশাসন পরিচালনার ভিত্তি হতে হবে। আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী ইশতেহারেও সেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। বর্তমান পদোন্নতিতে একদিকে যেমন যোগ্য অনেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তেমনি প্রশাসনিক কাঠামো ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছে। এই পদোন্নতির ফলে যে প্রশাসনের উচ্চপদে ও নিম্নপদে কর্মকর্তার সংখ্যা কমে মধ্যম পদে জনবল বেড়ে যাবে, তা সরকারের বিবেচনায় নেওয়া উচিত ছিল। আর সচিব পর্যায়ের পাঁচজনসহ মোট ৪৩৪ জন কর্মকর্তা ওএসডি হয়ে থাকবেন—এটাই কতটুকু স্বাভাবিক?
সরকার যদি প্রশাসনকে গতিশীল ও দক্ষ করার ব্যাপারে সত্যিই আন্তরিক হয়, তবে বিষয়টিকে সামগ্রিকভাবে দেখতে হবে ও পরিকল্পনা হতে হবে সুদূরপ্রসারী। পদোন্নতির ক্ষেত্রে দলীয় রাজনৈতিক বিবেচনা একেবারে বাদ দিয়ে স্বচ্ছতা ও মেধা-যোগ্যতাকে মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। এবারের পদোন্নতির ক্ষেত্রে তা নিশ্চিত করা গেলে সরকার একটি ইতিবাচক সংকেত দিতে পারত। অন্যদিকে পদবিন্যাস করে কাঠামোর ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও সরকারকে বিবেচনায় নিতে হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুশফিকুর রহিম বিমানে
মুশফিকুর বিমানে চাপলেন মূলত খালেদ মাসুদ মোহামেডানে যোগ দেওয়ায়। শুরুতে মাসুদ বিমানে নাম লেখাবেন বলে জানালেও শেষ পর্যন্ত চলে গেছেন সাদা-কালো শিবিরে। তবে বিমান অধিনায়ক সানোয়ার হোসেন কাল বলেছেন, মুশফিকুরের অন্তর্ভুক্তি তাঁর দলের শক্তিমত্তা বাড়াবে, ‘উইকেটকিপার ছাড়াও মিডল অর্ডারে আমাদের একজন ভালো ব্যাটসম্যানের অভাব ছিল। মুশফিকুর আসায় সেই অভাব পূরণ হবে আশা করি।’ মুশফিকুরের সঙ্গে আজ আনুষ্ঠানিক চুক্তি হওয়ার কথা বিমানের।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাকিবের অস্ত্রোপচার লাগছে না
অ্যাডিলেডের সন্ডার্স স্পোর্টস অ্যান্ড স্পাইনাল ক্লিনিকে সাকিব পরামর্শ নিয়েছেন ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ স্টিভ সন্ডার্স ও শল্যবিদ পিটার ম্যালিচার। সাকিবের ইনজুরি দেখে ম্যালিচা তাঁকে ফিজিওথেরাপি নেওয়ারই পরামর্শ দিয়েছেন। বলেছেন, এই মুহূর্তে তাঁর অস্ত্রোপচারের দরকার নেই। বাংলাদেশে ফেরার আগ পর্যন্ত ফিজিওথেরাপিস্ট সন্ডার্সের চিকিত্সাধীন থাকবেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়া থেকে সাকিব জানিয়েছেন, ‘আগামী পাঁচ-ছয় সপ্তাহ আমাকে ফিজিওথেরাপি নিতে হবে। চিকিত্সায় কুঁচকির অবস্থা কী দাঁড়াচ্ছে, এই সময়ে সেটার ওপর নজর রাখতে হবে। ঈদের আগে ঢাকা ফেরা পর্যন্ত সন্ডার্সের চিকিত্সাতেই থাকতে হবে আমাকে। দেশে ফেরার পরও তাঁর পরামর্শ অনুযায়ীই চিকিত্সা চলবে। আশা করি জিম্বাবুয়ে সিরিজের আগেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠব। সন্ডার্স ও ম্যালিচা আমার দ্রুত মাঠে ফেরার ব্যাপারে খুবই আশাবাদী।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবাহনীর এমেকা মোহামেডানে
কাল ঢাকা পৌঁছেই এমেকা বললেন, ‘আবার মোহামেডানে খেলব। নতুন মৌসুমে মোহামেডানকে চ্যাম্পিয়ন করতে চাই সবগুলো টুর্নামেন্টে।’ মোহামেডানে ফেরার প্রেক্ষাপটটাও বললেন আবাহনীর গত বি-লিগ জয়ের অন্যতম কারিগর, ‘আবাহনীর সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তার পর আর যোগাযোগ করেনি তারা। মোহামেডান যোগাযোগ করেছে এবং তাদের প্রস্তাবটা ভালো মনে হওয়ায় চলে এসেছি।’
আবাহনীর বক্তব্য, নতুন মৌসুমে অযৌক্তিকভাবে বেশি টাকা দাবি করেছেন এমেকা। মোহামেডান কি তাহলে বেশি টাকায় এমেকাকে দলে ভিড়িয়েছে? ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু জানালেন, মোহামেডানের লক্ষ্য যেহেতু বি-লিগ জয়, তাই এবার টাকা খরচ করতে কার্পণ্য করছে না ক্লাব।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেট বিকেএসপি বাফুফের, তবে...
পরশু মন্ত্রণালয়ের উপসচিব স্বাক্ষরিত চিঠি হাতে পেয়েছে বাফুফে। চিঠি পেয়ে তারা খুশি নয়, হতাশও নয়। সরকারকে নিজেদের চাহিদা বুঝিয়ে প্রত্যাশা অনুযায়ী পুরোটা পাওয়ার চেষ্টা করার সুযোগ এখনো তাদের সামনে আছে।
চিঠিতে সরকার বলেছে, সিলেট বিকেএসপির জন্ম সব ধরনের খেলাধুলার মানোন্নয়ন ও প্রশিক্ষণের জন্য। শুধু ফুটবল একাডেমি করা হলে মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। তার পরও ফুটবল যেহেতু জনপ্রিয় খেলা, ফুটবলের স্বার্থে তাই সিলেট বিকেএসপিতে বাফুফেকে সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে শর্ত হলো, বিকেএসপির পরিচালনা পর্ষদের সভায় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুমোদনের পাশাপাশি বাফুফে ও বিকেএসপির মধ্যে সমঝোতা স্মারকেও স্বাক্ষর করতে হবে।
সিলেট বিকেএসপির প্রশাসনিক ভবনের একটি মাত্র ফ্লোর বাফুফেকে দিতে চায় সরকার। সেখানে ১৮টি কক্ষে তিনজন করে ৫২-৬০ জন প্রশিক্ষণার্থী থাকতে পারবে। ১০০ জন বসতে পারে এমন একটা সভাকক্ষ, দুটি অফিসরুম, ট্রেনিজ হোস্টেলের নিচতলার অর্ধেকে ডাইনিং, দোতলার পুরো অংশ, দুটি ভিআইপি কক্ষ (মূলত কোচদের জন্য), ফুটবল মাঠ, অফিসার্স কোয়ার্টারের দুটি ইউনিট বরাদ্দ থাকবে বাফুফের জন্য। অন্যান্য সুবিধা আলোচনাযোগ্য।
বাফুফে চেয়েছে ১০০ কিশোরের আবাসন সুবিধা। ১০-১২ বছর বয়সী ওই কিশোরদের নিয়ে একাডেমি শুরু করার পরিকল্পনা চূড়ান্ত। প্রাথমিকভাবে এটি ৮ বছরের জন্য চাওয়া হয়েছে, যাতে ওই কিশোরেরা আঠারোতে পৌঁছে দেশের মূলধারার ফুটবলে ঢুকতে পারে। একাডেমির জন্য সরকারের কাছে বাফুফের অবকাঠামোগত চাওয়াটা ছিল এমন—আটজন স্থানীয় কোচের সঙ্গে চারজন বিদেশির (টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর, প্রধান কোচ, ফিজিও ট্রেনার) থাকা, দুজন করে ডাক্তার ও কর্মকর্তা এবং কয়েকজন শিক্ষকের থাকার ব্যবস্থা ও মাঠ।
বাফুফের হাতে স্পনসর আছে এবং স্পনসরের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষেই পরিকল্পনাটা করা হয়েছিল। সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন বললেন, ‘এখন স্পনসর কী বলে, সেটা আগে দেখতে হবে। পুরো ব্যাপারটা নিয়েই আলোচনা করব সরকারের সঙ্গে। সরকার যা দিতে চায়, তা নিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব কিনা, ভেবে দেখতে হবে। পরিকল্পনা প্রণয়নে সাহায্য নেওয়া বিদেশি বিশেজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলতে হবে।’
সিলেটে গিয়ে জায়গাটা দেখে এসেছেন বাফুফের টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর সাহিদুর রহমান সান্টু। জানালেন, ‘এমনিতে ওখানে প্রায় ২০০ ছেলে থাকতে পারবে। সরকার চাইলেই বাফুফের চাওয়া পূরণ করতে পারে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অনেক সিদ্ধান্তের বোর্ড সভা আজ
একটা সিদ্ধান্ত অবশ্য শুধু বোর্ডের অনুমোদনের অপেক্ষায়ই রয়েছে। নির্বাচকদের নির্বাচক কমিটি কাল চূড়ান্তভাবে জানিয়ে দিয়েছে—রফিকুল আলম, আকরাম খান ও নাঈমুর রহমানকে নিয়ে বর্তমান নির্বাচক কমিটিই থাকছে আরও এক মেয়াদে। নতুন শর্তে ২০১০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে এই কমিটির। আজকের সভায় তাদের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হলে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর ধরা হবে সেটি। তবে নতুন শর্ত নিয়ে যদি রফিকুল আলমের নির্বাচক কমিটি বা কমিটির কোনো সদস্যের আপত্তি থাকে, তাহলে বোর্ড বিকল্প চিন্তা করবে বলে জানিয়েছেন বিসিবি পরিচালক জালাল ইউনুস।
নির্বাচকদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়ে যাওয়ায় সভার মূল বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ। ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা দিয়ে চলছে বোর্ড। নতুন প্রধান নির্বাহী খোঁজার প্রাথমিক দায়িত্বটা বিসিবি দিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটকে (আইবিএ)। প্রায় ৭০ জন আবেদনকারীর মধ্য থেকে বাছাই করে তারা পাঁচজনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা দিয়েছে বোর্ডকে। এই পাঁচজন থেকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হওয়ার জন্য যোগ্যতম প্রার্থী কে সেটা নিয়ে আলোচনা হবে আজকের সভায়, হয়ে যেতে পারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও। সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন বিসিবির সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান, একটি বেসরকারি মোবাইল ফোন কোম্পানির সাবেক কর্মকর্তা ইন্তেখাব মাহমুদ, সাবেক ক্রিকেটার মাঈনুল হক চৌধুরী, একসময়ের যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ইমদাদ এহসান ও এক্সিওম টেকনোলজিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিজওয়ান বিন ফারুক। বিসিবির প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা নিয়োগের ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত হতে পারে আজ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ে সফরের জন্য জাতীয় দলের অধিনায়ক-সহ-অধিনায়ক করা হয়েছিল মাশরাফি বিন মুর্তজা আর সাকিব আল হাসানকে। আজ সিদ্ধান্ত হবে তাঁদের মেয়াদ বাড়ানোর। ইনজুরির কারণে মাশরাফি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর অসমাপ্ত রেখে দেশে ফিরে আসেন, খেলেননি জিম্বাবুয়েতেও। এই দুই সিরিজে সাকিবের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সাফল্য পেলেও সময়মতো সুস্থ হয়ে উঠলে মাশরাফিই অধিনায়ক থেকে যাচ্ছেন। সাকিব থাকবেন সহ-অধিনায়ক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পরিচালক কাল বলেছেন, ‘মাশরাফির অধিনায়কত্ব তো আমরা দেখলামই না। আমি মনে করি, ওরই অধিনায়ক থাকা উচিত। সাকিব সহ-অধিনায়ক হিসেবেই থাকুক আরও কিছুদিন।’ আলোচ্যসূচিতে আছে অস্ট্রেলিয়ান কোচ জেমি সিডন্সের ভবিষ্যত্ও। আগামী নভেম্বরে বিসিবির সঙ্গে তাঁর বর্তমান চুক্তি শেষ হওয়ার কথা। সেটি আরও বাড়ছে বলেই জানা গেছে। তবে ত্বকের ক্যান্সারের অস্ত্রোপচারের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা কী ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকা ফিরলে বোর্ড সেটা জানতে চাইবে সিডন্সের কাছে।
জাতীয় দলের টিম ম্যানেজমেন্টে পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে অনেক দিন ধরেই। বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সভায় বিদেশ সফরের জন্য টিম ম্যানেজমেন্ট পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্ত হতে পারে। টিম ম্যানেজার, কোচ, সহকারী কোচ, ট্রেনার, ফিজিও, কম্পিউটার অ্যানালিস্ট—এই ছয়টি পদের সঙ্গে সর্বশেষ জিম্বাবুয়ে সফরের মতো এখন থেকে প্রতিটি সফরেই দলের সঙ্গে টিম লিডার হিসেবে থাকবেন একজন বোর্ড পরিচালক। সফরে টিম লিডারের দায়িত্ব ঠিক করে দেওয়া হবে। সিরিজ বা সফরের গুরুত্ব বুঝে যোগ হবে মিডিয়া ম্যানেজার। খুব জরুরি না হলে বিদেশ সফরে হয়তো এখন থেকে কোনো ফিল্ডিং কোচ দেখা যাবে না দলের সঙ্গে। থাকছে না সম্ভবত বোলিং কোচের পদও। তবে বিসিবি সূত্র জানিয়েছে, অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দলের জন্য একজন বিদেশি ফিল্ডিং কোচ আনা হতে পারে।
এ ছাড়া অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক নির্বাচন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্টেডিয়ামকে ২০১১ বিশ্বকাপের ভেন্যু ঘোষণা, জাতীয় দলের নতুন স্পনসরের জন্য দরপত্র আহ্বানসহ আরও অনেক বিষয়েই আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা আজকের গুরুত্বপূর্ণ সভায়। জাতীয় দলের বর্তমান স্পনসর হিসেবে গ্রামীণফোনের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৩১ অক্টোবর। জানা গেছে, আসন্ন জিম্বাবুয়ে সিরিজ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে এই চুক্তি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৫ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের নিলাম
গৃহীত দরপত্রগুলোর কুপন রেট ছিল শতকরা ৮ দশমিক ৮০ ভাগ। গত নিলামে কুপন রেট ছিল ৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজীপুরের শ্রীপুরে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের শাখা চালু
শাখাটির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল কুদ্দুস ও মো. সাইদুল হাসানসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রপ্তানির বিপরীতে ১৫ খাতে নগদ সহায়তার নির্দেশিকা জারি
গত বছরের এই ১৩ খাতে এবার সহায়তা অব্যাহত থাকছে, পাশাপাশি নতুন করে আরও দুটি খাতে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। এই দুটি নতুন খাত হলো ফিনিশড লেদার ও প্লাস্টিক পেট বোতল ফ্লেক্স।
সরকার ইতিমধ্যে এই সিদ্ধান্তের কথা বাংলাদেশ ব্যাংককে জানিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক গতকাল মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি সার্কুলারও জারি করেছে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের ১ জুলাই থেকে ২০১০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত জাহাজীকরণ পণ্যের রপ্তানির বিপরীতে এ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।
রপ্তানিমুখী পোশাক খাতে দেশীয় বস্ত্র ব্যবহারের বিপরীতে নগদ সহায়তা আগের অর্থবছরের মতো পাঁচ শতাংশ রাখা হয়েছে। এ সুবিধা দেওয়া হবে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প হিসেবে।
এপ্রিল-জুন সময়কাল থেকে হিমায়িত চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ রপ্তানিতে নগদ সহায়তা ১০ থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ১২ শতাংশ করা হয়। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব মোকাবিলায় গত অর্থবছরের শেষে এসে এ সহায়তা বাড়ানো হয়।
একই কারণ ও সময়ে পাটজাত পণ্যে সহায়তা সাড়ে ৭ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ এবং চামড়াজাত পণ্যে ১৫ থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ১৭ শতাংশ করা হয়। চলতি অর্থবছর এ তিনটি খাতে নির্ধারিত হারে সহায়তা বহাল থাকবে।
নতুন দুটি খাত ফিনিশড লেদার ও প্লাস্টিক পেট বোতল ফ্লেক্সে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে যথাক্রমে সাড়ে ৭ ও ১০ শতাংশ হারে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলার অনুসারে চলতি অর্থবছর কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি খাতে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে ২০ শতাংশ হারে, হোগলা, খড়, আখের ছোবড়া ইত্যাদি দিয়ে হাতে তৈরি পণ্যে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ হারে, বাইসাইকেলে ১৫ শতাংশ হারে, আলুতে ১০ শতাংশ হারে, হাড়ের গুঁড়ায় ১৫ শতাংশ হারে, হালকা প্রকৌশল পণ্যে ১০ শতাংশ হারে, পোলট্রি শিল্পের হ্যাচিং ডিম ও মুরগির বাচ্চায় ১৫ শতাংশ হারে, ঈশ্বরদী ইপিজেডে কৃষিভিত্তিক শিল্পে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে লিকুইড গ্লুকোজে ২০ শতাংশ হারে এবং ১০০ ভাগ হালাল মাংস রপ্তানির বিপরীতে ২০ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।
তবে ফিনিশড লেদার ও প্লাস্টিক পেট বোতল ফ্লেক্সে নগদ সহায়তার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। এ দুটি খাতে নগদ সহায়তা দেওয়ার নির্দেশনা পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাধারণ ও ইসলামি ব্যাংক-বীমার আলাদা আইনের পক্ষে অর্থমন্ত্রী
গতকাল মঙ্গলবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের কার্যালয়ে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের এ মত জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বীমাসংক্রান্ত যে দুটি আইন করা হয়েছে, তাতে সাধারণ বীমা ও ইসলামি বীমার ব্যাপারে আলাদা আইনের কথা বলা হয়েছে।
সাধারণ ব্যাংকিংয়ের সঙ্গে ইসলামি ব্যাংকিং একীভূত করা ঠিক হয়নি বলেও মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, শুধু বীমা নয়, ইসলামি ব্যাংকিংয়ের জন্যও আলাদা আইন করা হবে।
বৈঠকে বীমা খাতের প্রতিনিধিদল ব্যাংকের মতো একটি বীমা কোম্পানির একই সঙ্গে সাধারণ বীমা ও ইসলামি বীমা ব্যবসা পরিচালনার বিষয়ে অনুমোদন দিতে অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ করে। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বিআইএর সভাপতি এ কে এম রফিকুল ইসলাম।
অর্থমন্ত্রী জানান, বীমা আইন-২০০৯ এবং বীমা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন-২০০৯ নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। পরীক্ষার পর সংসদীয় কমিটি আইন দুটি পাসের জন্য সংসদে উপস্থাপন করবে। তার আগে আইন দুটির খসড়া মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তবে জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনটি খুবই সংক্ষিপ্ত হওয়ায় চলতি অধিবেশনেই আইন দুটিকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
বৈঠকে বীমা কোম্পানির প্রতিনিধিরা পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর সময়সীমা ১০ বছরের মধ্যে কার্যকর করা, জামানত, ব্যবস্থাপনা খরচ, পরিচালক সংখ্যা ২০-এ উন্নীত করা, দাবিসংক্রান্ত বিধি এবং নিবন্ধন সনদ নিয়ে তাঁদের যুক্তি ও বক্তব্য তুলে ধরেন।
সংগঠনটি এর আগে একই উদ্দেশ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সঙ্গেও বৈঠক করেছিল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৩.৬%
এতে দেখা যায়, গত অর্থবছরে সরকার ২১ হাজার ৯৬০ কোটি ৭৮ লাখ টাকার সমপরিমাণ অর্থ বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে ব্যয় করেছে। এটি জিডিপির ৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
আর তার আগের বছর ঘাটতি অর্থায়ন করা হয়েছিল ২৪ হাজার ৯৮৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকার, যা সে বছরের জিডিপির ৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ ছিল।
অবশ্য ২০০৮-০৯ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ঘাটতির হার কমিয়ে ধরা হয়েছিল। অর্থবছর শেষে প্রাথমিক প্রাক্কলনে ঘাটতি এর চেয়েও কম হয়েছে বলে দেখা যায়।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০০৯-১০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করতে গিয়ে এ প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য, জ্বালানি তেল ও সারের মূল্য কমে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে কৃষি, বিদ্যুত্ ও রপ্তানি খাতে অতিরিক্ত ভর্তুকি দেওয়ার পরও অনুন্নয়ন ব্যয় কমেছে। ফলে সংশোাধিত বাজেটে সার্বিকভাবে বাজেট ঘাটতি দাঁড়াবে জিডিপির ৪ দশমিক ১০ শতাংশ।’
তিনি আরও বলেছিলেন, ঘাটতি অর্থায়নে জিডিপির ২ দশমিক ৩০ শতাংশ অভ্যন্তরীণ উত্স থেকে এবং জিডিপির ১ দশমিক ৮০ শতাংশ বৈদেশিক উত্স থেকে নির্বাহ করা হবে।
ঘাটতি অর্থায়ন নিম্নমুখী হওয়ার বিষয়টি দুইভাবে দেখার সুযোগ আছে বলে মনে করেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘নিম্নহারে ঘাটতি মানে তা সরকারের জন্য সহজে ব্যবস্থাপনাযোগ্য। কারণ, এতে ঋণের অনুপাত কম থাকছে। সেদিক থেকে এটি ভালো।’
তবে আরেক দিক থেকে দেখলে এটাকে ভালো বলা কঠিন মনে করেন আহসান মনসুর। তিনি বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে ব্যর্থতা ঘাটতি অর্থায়ন কমিয়ে দিয়েছে। আর এটি আমাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক দিকেরই প্রতিফলন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বমন্দার এ সময় অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়িয়ে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য এডিপি বাস্তবায়ন জোরদার হওয়া প্রয়োজন ছিল। দেখা যাচ্ছে সেটিও হয়নি।’
২০০৮-০৯ অর্থবছরে সংশোধিত এডিপির আয়তন ছিল ২৩ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা গেছে ১৯ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। মানে বাস্তবায়ন হার ৮৬ শতাংশ। অবশ্য শুরুতে ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকার মূল এডিপি নির্ধারণ করা হয়েছিল।
আগের অর্থবছরের তুলনায় গত অর্থবছর জিডিপিতে ঘাটতির অংশ কমে যাওয়ার মানে সরকার আগের তুলনায় কম সম্প্রসারণমুখী হয়েছে বলেও মত প্রকাশ করেছেন আহসান মনসুর। আর এটি প্রবৃদ্ধির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলেও মনে করেন তিনি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, মোট ঘাটতির প্রায় ৪৮ শতাংশই অর্থায়ন করা হয়েছে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ নেওয়ার মাধ্যমে। এই সময়কালে সরকার ১০ হাজার ৫১৮ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণ নিয়েছিল।
ব্যাংকবহির্ভূত উত্স থেকে সরকার ঋণ নিয়েছে চার হাজার ৪০৫ কোটি ৫১ লাখ টাকা, যা মোট ঘাটতি অর্থায়নের ২০ শতাংশ।
আর বিদেশি ঋণ থেকে অর্থায়ন করা হয়েছে মোট ঘাটতির ৩২ শতাংশ। এর পরিমাণ সাত হাজার ৩৭ কোটি ১৭ লাখ টাকা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অশোভন পোশাক পরার জের জরিমানা না দেওয়ায় সুদানে নারী সাংবাদিক জেলে
খার্তুমে বিবাদীপক্ষের আইনজীবী কামাল ওমর জানান, লুবনাকে ওমডারম্যান মহিলা কারাগারে রাখা হয়েছে।
সুদানের আইন অনুযায়ী ট্রাউজার পরার অপরাধে লুবনাকে ৪০ ঘা বেত্রাঘাত অথবা ২০০ মার্কিন ডলার জরিমানা করা হয়।
গত ৩ জুলাই খার্তুমের একটি রেস্তোরাঁ থেকে ট্রাউজার ও ঢোলা টি-শার্ট পরা অবস্থায় লুবনাকে গ্রেপ্তার করে সুদানি পুলিশ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তাঁরা পাঁচ তারকা হোটেলের বাসিন্দা
দুই মন্ত্রীর অজুহাত, তাঁদের সরকারি ভবনে মেরামতির কাজ চলছে, এ জন্য তাঁরা হোটেলে উঠেছেন এবং নিজেদের পকেট থেকে বিল মিটিয়েছেন।
মন্ত্রীদের এই বিলাসবহুল বসবাসের খবর ভারতের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি দুজনকে অবিলম্বে হোটেল ছাড়ার বিনীত অনুরোধ করেন। গতকাল মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দুই মন্ত্রীকেই হোটেলের কক্ষ ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি আমি।’
এদিকে অর্থমন্ত্রীর অনুরোধের জবাবে আইটিসি মৌর্যর বাসিন্দা এস এম কৃষ্ণা বলেছেন, ‘হোটেলে আমি ব্যক্তিগত ব্যবস্থায় থাকছি। আমার থাকার উপযোগী সরকারি বাসভবন না পাওয়া পর্যন্ত আমি এভাবেই থাকব।’
অন্যদিকে তাজমহল হোটেলের বাসিন্দা শশী থারুর বলেন, ‘আমি লজ্জিত হতাম যদি সরকারের খরচে থাকতাম। কিন্তু হোটেলের খরচ নিজের পকেট থেকেই দিয়েছি আমি।’
এ ব্যাপারে ক্ষমতাসীন কংগ্রেস দলের মুখপাত্র মনিশ তিওয়ারি বলেন, অর্থমন্ত্রীর অনুরোধ যুক্তিযুক্ত। সরকার যেখানে খরচ কম করার ঘোষণা দিয়েছে, সেখানে মন্ত্রীদের বিলাসী জীবনযাপন সরকারি ঘোষণার সঙ্গে ঠিক মানানসই নয়। তবে তিনি নিশ্চিত করেন, মন্ত্রীরা নিজেদের পকেট থেকেই হোটেলের খরচ বহন করছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নয়াদিল্লির পাঁচটি স্থাপনা বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, গতকাল সকাল সাড়ে ১০টায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে নয়াদিল্লি পুলিশের কাছে এ বোমা হামলার হুমকি দেয়। দিল্লির অন্যতম প্রধান সরকারি হাসপাতাল সফদরজং, এনডিএমসি সদর দপ্তর (পালিকাকেন্দ্র) ও বিকাশ মিনারসহ পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত। সে জানায়, এসব স্থাপনায় বোমা পেঁতে রাখা হয়েছে।
মোবাইলে এ হুমকি দেওয়ার পরপরই নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত এসব স্থাপনায় ছুটে যান এবং ওই সব ভবন থেকে লোকজনকে নিরাপদে বের করে দেন। বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিশেষ কুকুর দিয়ে প্রতিটি ভবনে তল্লাশি চালায়।
সফদরজং হাসপাতালের একজন চিকিত্সক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘পুলিশের কাছ থেকে খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সব চিকিত্সক ও রোগীকে হাসপাতাল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।’
দিল্লির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শংকর দাস বলেন, ‘আমাদের ধারণা, লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য কেউ হয়তো মোবাইল ফোনে ঠাট্টাছলে এ হুমকি দিয়েছে। কারণ গতকালই এনডিএমসি ভবনের পাশে কমনওয়েলথ গেমসের কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে।’
এনডিটিভি চ্যানেল তাদের খবরে বলেছে, যে পাঁচটি স্থাপনায় বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে একটি রেলস্টেশনও রয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তরল বোমায় বিমান উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা তিন তরুণকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন যুক্তরাজ্যের আদালত
দণ্ড পাওয়া তরুণেরা ২০০৬ সালে একটি বিমানে কোমল পানীয়ের বোতলে বিশেষভাবে তৈরি তরল বিস্ফোরক নিয়ে উঠেছিলেন। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর সারা বিশ্বে বাণিজ্যিক বিমানে বোতলজাত যেকোনো পানীয় বহন নিষিদ্ধ করা হয়।
আদালত একই ঘটনায় অভিযুক্ত অন্য চারজনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।
আদালতে দায়ের করা অভিযোগপত্রে বলা হয়, ওই ঘটনার হোতা ছিলেন আবদুল্লাহ আহমেদ আলী। আত্মঘাতী হামলা চালানোর জন্য লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাগামী সাতটি বিমানকে নির্দিষ্ট করা হয়েছিল। আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর দিয়ে চলাচলকারী বিমানগুলোতে আত্মঘাতী বোমা হামলার এই ষড়যন্ত্র সফল হলে কোনো যাত্রীকেই বাঁচানো যেত না।
বিচারক গতকাল সোমবার তাঁর রায়ে উল্লেখ করেন, এটি ছিল প্রযুক্তিগতভাবে খুবই আধুনিক এবং একটি ভয়াবহ অপরাধ পরিকল্পনা।
তরল বোমা বানানোর যাবতীয় রসদ সংগ্রহ ও সংরক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন আসাদ সারোয়ার। এরপর তাঁরা সবাই মিলে বিশেষ রাসায়নিক পদার্থের সাহায্যে এই তরল বোমাটি তৈরি করেন। এরপর তাঁদের পরিকল্পনা ছিল, একটি সাধারণ পানীয়ের বোতলে তরল বোমাটি সংরক্ষণ করে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাগামী একটি বিমানে ওঠা এবং তা তরল বোমার সাহায্যে উড়িয়ে দেওয়া।
যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ঘটনার তদন্ত করে নিশ্চিত হয় যে, দোষী সাব্যস্ত তিন তরুণের সঙ্গে পাকিস্তান-ভিত্তিক আল-কায়েদার সরাসরি যোগাযোগ ছিল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1388)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
September
(494)
-
▼
Sep 11
(21)
- স্মরণ চলে গেলেন ‘রূপালী নদী রে’ গানের গীতিকার কবির...
- প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ আকবর আলি খান টিপাইমুখ বা...
- দুর্গাপূজার ছুটি
- ঈদের ছুটি চার দিন করা হোক
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান মান...
- নগরে শব্দ ও বায়ুদূষণ নখদন্তহীন অভিযান কি ফল বয়ে আনবে
- প্রশাসনে পদোন্নতি আগের নিয়মেই তো সব চলছে, পরিবর্ত...
- মুশফিকুর রহিম বিমানে
- সাকিবের অস্ত্রোপচার লাগছে না
- আবাহনীর এমেকা মোহামেডানে
- সিলেট বিকেএসপি বাফুফের, তবে...
- অনেক সিদ্ধান্তের বোর্ড সভা আজ
- ১৫ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের নিলাম
- গাজীপুরের শ্রীপুরে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক...
- রপ্তানির বিপরীতে ১৫ খাতে নগদ সহায়তার নির্দেশিকা জারি
- সাধারণ ও ইসলামি ব্যাংক-বীমার আলাদা আইনের পক্ষে অর্...
- বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৩.৬%
- অশোভন পোশাক পরার জের জরিমানা না দেওয়ায় সুদানে নারী...
- তাঁরা পাঁচ তারকা হোটেলের বাসিন্দা
- নয়াদিল্লির পাঁচটি স্থাপনা বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হ...
- তরল বোমায় বিমান উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা তিন তরুণকে ...
-
▼
Sep 11
(21)
-
▼
September
(494)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...