Saturday, June 29, 2013

রাশিয়া বা চীনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি চাই না

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, এডওয়ার্ড স্নোডেনকে নিয়ে তিনি রাশিয়া বা চীনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি চান না। ওবামা গত বৃহস্পতিবার সেনেগাল সফরের সময় বলেন, স্নোডেনকে আটক করা নিয়ে তিনি ‘হুড়োহুড়ি’ করছেন না। স্নোডেন ইস্যুতে রাশিয়া বা চীনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হোক তাও চান না তিনি। ওবামা বলেন, স্নোডেন ইস্যু নিয়ে তাঁর এই অবস্থানের কারণ মার্কিন আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সংস্থাগুলো এ বিষয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কাজ করছে। মার্কিন সরকারের নজরদারি ফাঁস করে হইচই ফেলা সে দেশের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) সাবেক কর্মী স্নোডেন গতকাল শুক্রবার ষষ্ঠ দিনের মতো মস্কোর শেরেমেয়িতেভো বিমানবন্দরের ট্রানজিট এলাকায় অবস্থান করেন। এদিকে ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট কোরেয়া গত বৃহস্পতিবার রাজধানী কিটোতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, স্নোডেনকে ইকুয়েডরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে কি না সে ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে মস্কোয় নিযুক্ত ইকুয়েডরের রাষ্ট্রদূত প্যাট্রিসিয়া আলবার্তো গত সোমবার বিমানবন্দরে স্নোডেনের সঙ্গে দেখা করেছেন। বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট কোরেয়া বলেন, কেউ কোনো দেশের কাছে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইলে ওই দেশের ভূখণ্ডে থাকতে হয়। যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে ইকুয়েডরকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, স্নোডেনকে আশ্রয় দেওয়া হলে দুই দেশের সম্পর্কে এর প্রভাব পড়বে। এদিকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো আবারও বলেছেন, স্নোডেন চাইলে তাঁরা তাঁকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেবেন এটা ‘প্রায় নিশ্চিত’। এএফপি ও রয়টার্স।

পূর্বপুরুষের গ্রামে সমাহিত হতে চান ম্যান্ডেলা

ম্যান্ডেলা বেড়ে উঠেছেন যে গ্রামে, সেই ইস্টার্ন কেপ অঞ্চলের
কুনু গ্রামের একটি দৃশ্য। গতকাল তোলা ছবি এএফপি
নেলসন ম্যান্ডেলা সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর শেষশয্যার ব্যাপারে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেছেন কি না জানা যায়নি। তবে প্রায় ২০ বছর আগে সাধারণভাবে একটি ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। তা হলো তাঁকে যেন পূর্বপুরুষের গ্রামে সমাহিত করা হয়। এ-ও বলেন, তাঁর শেষবিদায় যেন সাদামাটা হয়। নির্দিষ্ট কারও উদ্ধৃতি না দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বহুল প্রচারিত পত্রিকা দ্য মেইল অ্যান্ড গার্ডিয়ান গতকাল শুক্রবার এসব কথা লিখেছে। পত্রিকাটি লিখেছে, ১৯৯৬ সালের জানুয়ারিতে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু না বলে মোটা দাগে তিনটি নির্দেশনা দেন ম্যান্ডেলা। এর মধ্যে একটি ছিল মৃত্যুর পর তাঁকে সমাহিত করা নিয়ে। ম্যান্ডেলা বলেন, তাঁর শেষবিদায়ের সময় যেন রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানের ঝামেলা করা না হয়। ইস্টার্ন কেপ অঞ্চলের কুনু গ্রামে সমাহিত হতে ইচ্ছা পোষণ করেন তিনি। সমাধিফলকের ব্যাপারেও পরামর্শ দেন ম্যান্ডেলা। বলেন, নামফলক যেন আড়ম্বরপূর্ণ না হয়। তাঁর ইচ্ছা, সাধারণ একটি পাথর দিয়েই হবে সমাধিফলক। ম্যান্ডেলা ৭৮ বছর বয়সে এ ইচ্ছার কথা জানান। সঙ্গে এ ইঙ্গিতও দেন, এ ইচ্ছা পরে পরিবর্তনও হতে পারে। তবে পরে আর তাঁর কোনো ইচ্ছার কথা জানা যায়নি। ম্যান্ডেলা পরিবারের দীর্ঘদিনের এক বন্ধু জানান, ম্যান্ডেলা মৃত্যুর বিষয়টিকে কোনো বড় কিছু বলে ভাবতেন না। তিনি কখনোই আড়ম্বরপূর্ণ কিছু পছন্দ করেন না।

প্রায় চুপিসারে বিদায় কেরির

এত লম্বা ফর্দ হাতে ভারতে এসে প্রায় চুপিসারে যুক্তরাষ্ট্রের শেষ কোন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিদায় নিয়েছেন, তা নিয়ে গবেষণা হতে পারে। জন কেরির তিন দিনের ভারত সফর সেদিক থেকে অনন্য। সিনেটর হিসেবে যে চুক্তির অন্যতম কারিগর ছিলেন তিনি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভারত সফরে সেই পরমাণু চুক্তিকে পূর্ণতা দিতে না পারাটাও এ কারণে উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকছে। মার্কিন মুলুকের কারও সফর নিয়ে ভারতের মিডিয়ার এমন প্রায় নিরুত্তেজ অবস্থা সাম্প্রতিক অতীতে দেখা যায়নি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, ভারতের প্রত্যাশা আহামরি কিছু ছিলও না। সম্পর্কে শৈত্য এসেছে, এমন অবশ্যই নয়; কিন্তু এটুকু হয়তো বলা যায়, ভারত-মার্কিন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উষ্ণতার আঁচ পেতে অপেক্ষা করতে হবে জুলাই মাসের শেষ দিক পর্যন্ত। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তখন ভারতে আসবেন। আবার ওই মাসেই সে দেশে যাবেন ভারতের অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম ও বাণিজ্যমন্ত্রী আনন্দ শর্মা। তারও দুই মাস পরে সেপ্টেম্বরে যাবেন মনমোহন সিং। কেরির এই প্রায় নির্জীব সফরের প্রধান কারণ যদি হয় ভারতীয় গণতন্ত্রের নির্বাচনী ‘মোড’-এ চলে যাওয়া, দ্বিতীয় কারণটি হবে আফগানিস্তানে শান্তি আনতে তালেবানকে ‘তোল্লা দেওয়ার’ মার্কিন অভিপ্রায়। বিধ্বস্ত আফগানিস্তানের পুনর্গঠনে এখন যারা দিন-রাত লেগে রয়েছে, এই গোলার্ধে তাদের মধ্যে ভারত এক নম্বরে। সেই ভারত ও তার স্বার্থকে উপেক্ষা করে তালেবানের সঙ্গে সংলাপে মার্কিন আগ্রহ ভারত ভালোভাবে নেয়নি।

চীন-ভারত সীমান্ত আলোচনা শুরু

সীমান্ত সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে গতকাল শুক্রবার চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। গত মার্চে চীনের নতুন নেতৃত্ব ক্ষমতা নেওয়া এবং এরপরই লাদাখ সীমান্তে চীনা সেনাদের ঢুকে পড়ার ঘটনার পর এই প্রথম আলোচনায় বসল দেশ দুটি। আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভারতের পক্ষে সে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শিবশঙ্কর মেনন এবং চীনের পক্ষে স্টেট কাউন্সিলর ইয়াং জেইসি। বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে মেনন এর আগে এ আলোচনায় থাকলেও ইয়াং এই প্রথম যোগ দিচ্ছেন। এর আগে এ আলোচনায় চীনের বিশেষ প্রতিনিধি ছিলেন দাই বিংগুয়ো। চীনে স্টেট কাউন্সিলর পদটি উপপ্রধানমন্ত্রীর নিচে এবং সব মন্ত্রীর ওপরে। ভারতীয় প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে ইয়াং জেইসি বলেছেন, সীমান্ত সমস্যা সমাধানে আলোচনার নতুন ক্ষেত্র তৈরিতে এবং চীন-ভারত সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিতে কাজ করার জন্য তিনি প্রস্তুত। মেননের উদ্দেশে জেইসি বলেন, ‘দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনার দীর্ঘদিনের অবদান আছে।...বহুদিন ধরেই আমরা একে অপরের পরিচিত।’ আইএএনএস ও পিটিআই।

১২০০ বছরের পুরোনো সমাধি আবিষ্কার

লিমার ২৮০ কিলোমিটার উত্তরে আবিষ্কৃত সেই সমাধি
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে প্রত্নতত্ত্ববিদেরা মাটি খুঁড়ে প্রায় ১২০০ বছর আগের এক রাজকীয় সমাধিসৌধ আবিষ্কার করেছেন। এর ভেতর পাওয়া গেছে অনেক গয়না ও মমি করা নারীর মরদেহ। রাজধানী লিমার ২৮০ কিলোমিটার উত্তরে আবিষ্কৃত এই সমাধি ওয়ারি সাম্রাজ্যের নতুন দিক উন্মোচন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইনকা সভ্যতার গোড়াপত্তন হওয়ার আগে সেখানে ওয়ারি সাম্রাজ্যের শাসকেরা শাসন করেছেন। সমাধির ভেতরে তিনজন রানির কঙ্কালসহ ৬০টিরও বেশি কঙ্কাল পাওয়া গেছে। আরও পাওয়া গেছে রানিদের সমাহিত করার সময় তাঁদের সঙ্গে দেওয়া স্বর্ণ ও রুপার প্রচুর গয়না এবং নিখুঁত কারুকাজ করা তৈজসপত্র। অনুসন্ধান প্রকল্পের সহপরিচালক মিলোজ জিয়ার্জ রয়টার্সকে বলেন, ‘পেরুর প্রত্নতাত্ত্বিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আমরা ওয়ারি রাজত্বের সময়কার রাজকীয় সমাধি খুঁজে পেয়েছি। সমাধির ভেতরে ৬৩ জনের কঙ্কাল রয়েছে। যার বেশির ভাগই নারী।’ বিবিসি।

মুরসির সমর্থকদের সঙ্গে বিরোধীদের সংঘর্ষ, আতঙ্ক

কায়রোর তাহরির স্কয়ারে জড়ো হওয়া সমর্থকদের উদ্দেশে
গতকাল হাত নাড়েন মিসরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি
মিসরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির সমর্থক ও তাঁর বিরোধীদের মধ্যে গতকাল শুক্রবার ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ক্ষমতাসীন ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস পার্টির (এফজেপি) আদর্শিক আন্দোলনের সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডের একজন কর্মী নিহত হয়েছেন। আগামীকাল রোববার বিরোধীদের পূর্বঘোষিত গণবিক্ষোভ কর্মসূচির আগে সহিংসতার এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে ব্রাদারহুড কর্মীর মৃত্যুর পর মিসরের প্রভাবশালী ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ আল-আজহার দেশটিতে ‘গৃহযুদ্ধ’ শুরুর ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়ে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। সাম্প্রতিক সহিংসতার কারণে এরই মধ্যে আরব বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশটির গণতন্ত্রে ছায়া পড়েছে। বিরোধীদের আগামীকালের পরিকল্পিত গণবিক্ষোভের দুই দিন আগেই ইসলামপন্থী দলগুলো তাদের সমর্থকদের ঐতিহ্যবাহী কায়রো স্কয়ারে তাঁবু ফেলে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর উত্তরে মোহাম্মদ মুরসির নিজ প্রদেশ নিল বদ্বীপ অঞ্চলের পূর্বাংশে দুই পক্ষের মধ্যে সহিংসতা শুরু হয়। সরকার-সমর্থক ও এর বিরোধী বিক্ষোভকারীরা এ সময় মুসলিম ব্রাদারহুডের রাজনৈতিক শাখা এফজেপির স্থানীয় কার্যালয়ের বাইরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এএফপি

জন্মগত রোগ দূর করতে বিতর্কিত পদ্ধতি

বিশ্বে প্রথম দেশ হিসেবে গর্ভধারণে ‘থ্রি প্যারেন্টস’ নামে পরিচিত নতুন এক বিতর্কিত পদ্ধতি ব্যবহার করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। অনাগত শিশুকে মা-বাবার দুরারোগ্য জন্মগত রোগ থেকে মুক্ত রাখাই এর উদ্দেশ্য। গত বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আইভিএফভিত্তিক ‘থ্রি প্যারেন্টস’ পদ্ধতিতে ভ্রূণ গঠনের আগেই রোগের জন্য দায়ী ডিএনএ সরিয়ে নেওয়া হয়। এ পদ্ধতিতে অসুস্থ ডিএনএকে ভালো ডিএনএ দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা হয়। আগামী বছর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে নতুন এ চিকিৎসাপদ্ধতির প্রচলন নিয়ে আলোচনা হবে। ইংল্যান্ডের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা স্যালি ডেভিস বলেন, প্রতি ২০০ শিশুর একজনের মধ্যে মাইটোকন্ড্রিয়াভিত্তিক দুরারোগ্য ব্যাধি দেখা যায়। এএফপি।

গুম ব্যক্তিদের উদ্ধারে পরিকল্পনা জমাদিন

পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনীগুলো ধরে নিয়ে যাওয়ার পর নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে সরকারি পরিকল্পনা তলব করেছেন। আগামী ১ জুলাই সরকারের পক্ষ থেকে এই পরিকল্পনা আদালতে জমা দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অ্যাটর্নি জেনারেল মুনির এ মালিক এ বিষয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা সুপ্রিম কোর্টে জমা দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এই পরিকল্পনার আওতায় নিখোঁজ অথবা গুম হওয়া ব্যক্তির বিষয়ে দেওয়া আদালতের আদেশের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হতে পারে। গুমের ঘটনায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা না হওয়ায় সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বিচারপতি জাওয়াদ এস খাজা বলেন, জোর করে ধরে নেওয়ার পর নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে তদন্ত করতে গঠিত কমিশন অব এনকোয়্যারি অন এনফোর্সড ডিজ-অ্যাপিয়ারেন্সেসের (সিআইইডি) সুপারিশমালা যদি সরকার বাস্তবায়ন করতে না চায় তাহলে এই কমিশন ভেঙে দেওয়া উচিত।  ডন ও এএফপি।

অবশেষে মার্কিন সিনেটে অভিবাসন বিলপাস

বহুপ্রতীক্ষিত অভিবাসন সংস্কার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্র সিনেটে অনুমোদিত হয়েছে। ডেমোক্রেট নিয়ন্ত্রিত সিনেটে গত বৃহস্পতিবার ৬৮-৩২ ভোটে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। এর মধ্যে দিয়ে বছরের পর বছর ব্যর্থ চেষ্টার পর অভিবাসন সংস্কার আইন নিয়ে ডেমোক্রেট এবং রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা মতৈক্যে পৌঁছালেন। ৫২ জন ডেমোক্রেট সিনেটরের সবাই, রিপাবলিকান ৪৬ সিনেটরের মধ্যে ১৪ জন এবং দুজন স্বতন্ত্র সিনেটর বিলটির পক্ষে ভোট দেন। অন্যদিকে, ৩২ জন রিপাবলিকান সদস্য এর বিপক্ষে ভোট দেন। এখন রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় গৃহীত হলে এটি আইনে পরিণত হতে পারে। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, বিরোধীরা চেষ্টা করবে ঐকমত্যের প্রয়াসে ফাটল ধরাতে। এমন যাতে না ঘটে তার জন্য জনগণকে সচেতন থাকার জন্য তিনি আহ্বান জানিয়েছেন। অভিবাসন সংস্কার প্রস্তাব আইনে পরিণত হলে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অবৈধ ব্যক্তিরা বৈধতা পাবেন। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, আইনটি পাস হলে এক কোটি ১০ লাখের বেশি লোকের বৈধতা পাওয়ার কথা। অভিবাসন সংস্কার আইন প্রস্তাব অনুযায়ী নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য অবৈধ ব্যক্তিদের বসবাসের মেয়াদ ১৩ বছর হতে হবে। তার আগে যাঁরা কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন, তাঁদের নিয়মিত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। জরিমানা প্রদান, অতীত রেকর্ড যাচাই এবং ইংরেজি জানা সাপেক্ষে অবৈধ ব্যক্তিদের নিয়মিতকরণ শুরু করা হবে। অভিবাসন সংস্কার আইন প্রস্তাবে অবৈধ অভিবাসন রোধে সীমান্ত নিরাপত্তা আরও কঠোর করার কথাও বলা হয়েছে। ২০১২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর অভিবাসন নিয়ে রক্ষণশীলদের অবস্থানের পরিবর্তন লক্ষণীয় হয়ে ওঠে। রিপাবলিকান প্রার্থী মিট রমনি মাত্র ২৭ শতাংশ হিসপানিক (স্প্যানিশভাষী) ভোট টানতে সক্ষম হন। অবৈধ ব্যক্তিদের একটি বড় অংশ হিসপানিক। যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টে যাওয়া জনমিতিতে রিপাবলিকানদের মধ্যে এখন অভিবাসীবান্ধব হওয়ার তাড়না প্রবল হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক কারণেই।

মনের কোণে হীরে-মুক্তো-নির্দেশ নির্দেশনা নির্বাহী পর্যায়ে কেমন হালে রয়েছে by ড. সা'দত হুসাইন

সংসদ সদস্য (এমপি) গোলাম মাওলা রনি অনেকেরই প্রিয় ব্যক্তিত্ব। তিনি একজন সুলেখকও বটে। নিয়মিতভাবে টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে আসর মাতিয়ে রাখেন। এর মাধ্যমে পুরোপুরি না হলেও সেলিব্রিটির পর্যায়ে প্রায় পৌঁছে গেছেন।

মনের কোণে হীরে-মুক্তো-নির্দেশ নির্দেশনা নির্বাহী পর্যায়ে কেমন হালে রয়েছে by ড. সা'দত হুসাইন

সংসদ সদস্য (এমপি) গোলাম মাওলা রনি অনেকেরই প্রিয় ব্যক্তিত্ব। তিনি একজন সুলেখকও বটে। নিয়মিতভাবে টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে আসর মাতিয়ে রাখেন। এর মাধ্যমে পুরোপুরি না হলেও সেলিব্রিটির পর্যায়ে প্রায় পৌঁছে গেছেন।

মনের কোণে হীরে-মুক্তো-নির্দেশ নির্দেশনা নির্বাহী পর্যায়ে কেমন হালে রয়েছে by ড. সা'দত হুসাইন

সংসদ সদস্য (এমপি) গোলাম মাওলা রনি অনেকেরই প্রিয় ব্যক্তিত্ব। তিনি একজন সুলেখকও বটে। নিয়মিতভাবে টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে আসর মাতিয়ে রাখেন। এর মাধ্যমে পুরোপুরি না হলেও সেলিব্রিটির পর্যায়ে প্রায় পৌঁছে গেছেন।