Saturday, November 3, 2018
গোয়েন্দাজাল: পাসপোর্ট জালিয়াতি করে মোসাদ, ইসরাইলি কূটনীতিকদের বহিষ্কার by মোহাম্মদ আবুল হোসেন

এ পাসপোর্টগুলো জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল। এভাবে আইরিশ পাসপোর্ট ব্যবহার করার কারণে ভীষণ ক্ষুব্ধ হয় আয়ারল্যান্ড সরকার। তারা এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে ইসরাইলি রাষ্ট্রদূততে তলব করে। বহিষ্কার করে ইসরাইলি কূটনীতিকদের। তার আগে চালানো হয় তদন্ত। ইসরাইলের দূতাবাস তখন আয়ারল্যান্ডের বলসব্রিজ এলাকার পেমব্রুক রোডে। এই একই সড়কে বসবাসকারী একজনের নামে একটি পাসপোর্ট তৈরি করা হয়েছিল। যে বাড়িটির ঠিকানা দিয়ে পাসপোর্টটি বানানো হয়েছিল সেখানে তল্লাশি চালিয়ে দেখা যায়, বাড়িটি ফাঁকা। তখনই আইরিশ কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হয়। তারা ধরে নেন এর আগেই এ বাড়িটি ব্যবহার করেছে মোসাদের কোনো এজেন্ট। তারা এটাকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বেছে নিয়েছিল।
এক পর্যায়ে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলে ইসরাইল। তারা আয়ারল্যান্ডকে জানায়, মধ্যপ্রাচ্য থেকে আয়ারল্যান্ডের ভিন্ন মতাবলম্বীদের কাছে অস্ত্রের বিশাল এক চালান যাচ্ছে। এ খবর দিয়ে তারা আয়ারল্যান্ডের সশস্ত্র বাহিনীর জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ডিরেক্টরেট অব মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের সঙ্গে এক হয়ে কাজ করতে থাকে। ফলে তারা ওই চালান আটকে দেয়। অনেককে গ্রেপ্তার করে। আর এর মধ্য দিয়ে আস্তে আস্তে সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে থাকে।
১৯৭০ সালের কথা। ফিলিস্তিনে গঠন করা হয় ব্লাক সেপ্টেম্বর অর্গানাইজেশন (বিএসও)। তবে পশ্চিমা দেশগুলো এই ব্লাক সেপ্টেম্বর অর্গানাইজেশনকে দেখে থাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে। জর্ডানের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ওয়াসফি আল-তাল’কে হত্যায় দায়ী করা হয় এই সংগঠনকে। এ ছাড়া সাত ইসরাইলি ও বিভিন্ন কর্মকর্তাকে অপহরণ ও হত্যার জন্য দায়ী করা হয় ব্লাক সেপ্টেম্বরকে। ১৯৭২ সালে জার্মানির মিউনিখে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক চলাকালে তখনকার পশ্চিম জার্মানির এক পুলিশ কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা করে তারা। এ ঘটনায় সবচেয়ে আলোচিত হয় ব্লাক সেপ্টেম্বর। এর ফলে ইউরোপীয় বেশির ভাগ দেশেই সন্ত্রাস বিরোধী স্থায়ী, পোশাদার ও সামরিক প্রশিক্ষিত বাহিনী গড়ে তোলা হয়। এমন বাহিনির মধ্যে অন্যতম জিএসজি ৯, জিআইজএন।
ইতালিতে হত্যা করা হয় ওয়ায়েল জাইটারকে। ধারণা করা হয়, তিনি ব্লাক সেপ্টেম্বরের একজন সদস্য।
ইসরাইলের পারমাণবিক প্রযুক্তি ও শান্তি বিষয়ক কর্মী ছিলেন মরডেচাই ভানুনু। তিনি জন ক্রসম্যান নামেও পরিচিত। তিনি ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্রের বিরোধিতা করে ১৯৮৬ সালে বৃটিশ মিডিয়ার কাছে ইসরাইলের পারমাণবিক কর্মসূচির বিস্তারিত প্রকাশ করে দেন। এ বছরই তার পিছনে লাগে মোসাদ। তাদের ছদ্মবেশধারী একজন এজেন্টকে ব্যবহার করা হয়। হানি ট্রাপ হিসেবে ইতালিতে ফাঁদ পাতা হয়। তিনি সেই ফাঁদে পা দেন। ইতালি থেকেই তাকে অপহরণ করা হয়। ফিরিয়ে নেয়া হয় ইসরাইলে। এরপর তার বিচার হয়। তাকে রাষ্ট্রদ্রোহতার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানুষকে ‘কুমির’ বানিয়ে দিচ্ছে যে নেশা, ছড়িয়ে পড়ছে সবখানে

সম্প্রতি তেমনই এক ড্রাগ নিয়ে শোরগোল পড়েছে যুক্তরাজ্যে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিরর-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্রকোডাইল নামে এই ড্রাগের অস্তিত্ব পাওয়া যায় ১৯৩০ সাল থেকেই। ২০০০ সাল থেকেই রাশিয়ার কালো বাজারে রমরমিয়ে পাওয়া যেত ক্রকোডাইল। এত দিন পর্যন্ত এই বস্তু সীমাবদ্ধ ছিল মূলত রাশিয়া ও ইউক্রেনে। যদিও পূর্ব ইউরোপেও ক্রকোডাইল তার প্রভাব বিস্তর করেছে। এ যাবৎ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছে এই নেশায়।
কিন্তু, ক্রকোডাইল এবার তার থাবা গেড়েছে যুক্তরাজ্যে। সে দেশের গ্লোসেস্টারশায়রে এর অস্তিত্ব পেয়েছে পুলিশ।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘মিরর’-এর প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, সম্প্রতি ৪০ বছরের এক মহিলা হাসপাতালে ভর্তি হন শরীরের নানা জায়গায় ক্ষত নিয়ে। খোলা সেই ক্ষতস্তানে মাংস পচে গিয়েছিল বলে জানান চিকিৎসকেরা। জিজ্ঞাসাবাদ করায়, মহিলা জানান যে তিনি নিজের শরীরে ‘ক্রকোডাইল’ ইনজেক্ট করেছিলেন।
এই ড্রাগের প্রভাবে এক বছরের মধ্যে মৃত্যু হতে পারে একজন মানুষের। জানা গিয়েছে, ক্রকোডাইল ইনজেক্ট করলে ত্বকের উপরেই সব থেকে বেশি প্রভাব পড়ে তার। চামড়ার স্বাবাবিক রং পাল্টে গিয়ে সবুজ, কালো বা গ্রে হয়ে যায়। চামড়া খসখসে হয়ে গিয়ে ছাল ছাল বেরিয়ে আসে, যেন কুমিরের গা। যে কারণে এই ড্রাগ ‘ক্রকোডাইল’ নামেই পরিচিত।
জানা গিয়েছে, শরীরে ইনজেক্ট করার মাত্র দু’মিনিটের মধ্যেই নেশা ধরায় এই ড্রাগ। এবং ঘণ্টা দু’য়েক তার প্রভাব থাকে। হেরোইনের থেকেও ১০ গুণ ক্ষতিকারক এই ক্রকোডাইল।
হেরোইনের তুলনায় ক্রকোডাইল তৈরির খরচ অনেকটাই কম। যে কারণে বাজারে এর আরও এক নাম ‘গরিবের হেরোইন’।
রাশিয়া, ইউক্রেন ছাড়াও ক্রকোডাইল পাওয়া গিয়েছে কাজাখস্তান, জার্মানি ও নরওয়েতেও। এবার তার সঙ্গে যোগ হলো যুক্তরাজ্য। সাবধান বিশ্ববাসী।
সূত্র- এবেলা
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাড়ে ৩ ঘণ্টার সংলাপে যে আলোচনা হয় by কাফি কামাল ও আব্দুল আলীম

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- সংসদ ভেঙে দিলে সরকারের মাথা কাটা যাবে, সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে। এমনকি এসব অসাংবিধানিক দাবির মাধ্যমে জাতৗয় ঐক্যফ্রন্ট আরেকটি ওয়ান ইলেভেন চান কিনা- সরকারের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্নও ছুড়ে দেয়া হয়।
সংলাপে অংশ নেয়া জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা বলছেন, পরিবেশ ছিল হৃদ্যতাপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের নেতারা অত্যন্ত আন্তরিকভাবে তাদের স্বাগত জানিয়েছেন। সাড়ে তিন ঘণ্টার সংলাপের প্রারম্ভেই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের তরফে শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন যে সূচনা বক্তব্যটি দেন সেটা মুগ্ধ করেছে ফ্রন্টের নেতাদের। সেখানে তিনি দেশের প্রেক্ষিত বর্ণনা করেছেন। তারপর ফ্রন্টের তরফে উত্থাপিত ৭ দফাগুলো পড়ে শোনান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এই বক্তব্যে আপত্তি জানান সরকার পক্ষের তিন নেতা। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, এমন দাবি তো আমাদের পক্ষে মেনে নেয়া সম্ভব না। একই সঙ্গে তিনি বলেন- এসব দাবির মাধ্যমে সাংবিধানিক সংকট তৈরি করে আরেকটি ১/১১ এর ষড়যন্ত্র হচ্ছে কিনা? সংলাপে অংশ নেয়া কয়েকজন নেতা জানান প্রথমে সিদ্ধান্ত ছিল ড. কামাল হোসেনসহ ৪-৫ জন নেতা কথা বলবেন। কিন্তু পরে প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহে সেটা ১১জনে গিয়ে দাঁড়ায়। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে কিছুটা ক্ষোভ প্রকাশ করলেও আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্য ছিল শান্তিপূর্ণ। তবে সংলাপে উত্তেজনা ছড়ানো বক্তব্য দিয়েছেন ১৪ দলের শরিক দলগুলোর তিনজন নেতা। সংলাপ সূত্র জানায়, সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা বক্তব্য দিয়েছেন শান্তিপূর্ণ ভাষায়। সোজাসুজি। বাইরে নৈশভোজের প্রচারণা চালানো হলেও বাস্তবে নৈশভোজ নয় নেতারা নিয়েছেন সৌজন্যমূলক সান্ধ্যাকালীন নাস্তা।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা মনে করেন, সংলাপের মাধ্যমে দুটিপক্ষের মধ্যে বরফ গলতে শুরু করেছে। এটাকে জনগণের প্রাথমিক বিজয় হিসেবে মনে করছেন তারা। তারা বলেন, সংলাপ নিয়ে মির্জা আলমগীর সুন্দর করেই বলেছেন, উনি সন্তুষ্ট নন। সন্তুষ্ট হতে পারেননি। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে বলেননি। এটাই ইতিবাচক দিক। তবে দু’জন নেতা মনে করেন, সংলাপকে কাহিল করতেই হয়তো খালেদা জিয়ার দুটি মামলার রায় হয়েছে পরপর দুইদিন। নেতারা বলছেন, এ সংলাপ থেকে অন্তত তিনটি বিষয় অর্জিত হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- সভা সমাবেশের অনুমতি, মামলা-হয়রানি বন্ধ ও নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের অবাধ পর্যবেক্ষণের অঙ্গীকার। তবে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা এটাও বলছেন, প্রধানমন্ত্রী জনসভা, মামলা না করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেটার ব্যাপারে সার্কুলার জারি করার কথা না বলায় সংশয় থেকেই যাচ্ছে। এ সংলাপ সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট লক্ষণ প্রকাশ করতে না পারলেও বাড়িয়ে দিয়েছে মানুষের আকাঙ্ক্ষা। রাজনীতির সর্বশেষ পরিস্থিতিতে রাজপথের আন্দোলনের চেয়ে ভালোভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণকেই বড় আন্দোলন হিসেবে ভাবতে চাইছেন তারা। তবুও সংলাপের পথ খোলা রেখে আন্দোলনের প্রস্তুতিও নিচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।
সংলাপ সূত্র জানায়, সংলাপে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বক্তব্য দেয়ার কথা না থাকলেও প্রধানমন্ত্রী তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আপনি কিছু বলেন।’ এরপর ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, আপনার পিতা আমাদের গণস্বাস্থ্যকে ৩১ একর জমি দিয়েছিলেন। বহু বছর পর ক্যানসার হাসপাতালের জন্য আপনিও জমি দিয়েছেন। এইজন্য কৃতজ্ঞ। কিন্তু আপনার দেয়া জমির দখল এখনো বুঝে পাইনি। তিনি বলেন, আজকে আপনি বলেছেন- সুষ্ঠু নির্বাচন চান, প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন চান না। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ভালো কাজটি যদি করেন তবে দেশবাসী আপনাকে স্মরণ রাখবে, পৃথিবী স্মরণ রাখবে, এমনকি আপনি দেশে শান্তি ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য একটি নোবেল প্রাইজও পেয়ে যেতে পারেন। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, আপনার না মানতে পারার মতো আমাদের তো কোনো দাবি নেই। আপনি সবই মেনে নিতে পারেন। আমি ৭ নম্বর থেকে শুরু করি। এরপর তিনি বিরোধী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা মোকদ্দমা, ধরপাকড় নিয়ে কথা বলেন। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের ব্যাপারে কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী নিজেই সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করেছেন স্মরণ করিয়ে দিয়ে আন্দোলনকারীদের মামলা তুলে নেয়ার দাবি জানান। নির্বাচন হবে কিন্তু বিরোধীরা কথা বলতে পারবো না, এটা হতে পারে না মনে করিয়ে দিয়ে তিনি সভা-সমাবেশের অনুমতির বিষয়টিও তুলে ধরেন। এসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী অনেকটা একমতও হন। তবে নির্বাচনে ইভিএমের প্রসঙ্গে এলেই তিনি সেটা ঠেলে নির্বাচন কমিশনের কোর্টে পাঠিয়ে দেন। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দাবিগুলোকে তিনভাগে ভাগ করে প্রধানমন্ত্রীকে বলেন- প্রথমত, সংসদ বাতিল করতে হবে; দ্বিতীয়ত, নিরপেক্ষ একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং তৃতীয়ত, খালেদা জিয়াসহ অন্যান্য রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তি দিতে হবে। আমি তিন নম্বরটি যদি আগে তুলে ধরি তাহলে আপনি তো খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে পারেন। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা তো আইনের ব্যাপার। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী পাল্টা প্রশ্নে বলেন, খুনিরাও যেখানে জামিন পায় সেখানে হস্তক্ষেপ না হলে খালেদা জিয়া কেন জামিন পাবেন না। এ সময় সংসদ ভেঙে দেয়া ও নিরপেক্ষ সরকারের ব্যাপারে আলোচনা করে সমাধান বের করতে একটি প্রস্তাব দেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি এই জন্য ড. শাহদীন মালিক ও প্রফেসর আসিফ নজরুলের নাম উল্লেখ করে সরকারের তরফে দু’জনকে নিয়ে চারজনের একটি কমিটি গঠনের কথা বলেন। তবে এ প্রস্তাবের ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো আলোচনা হয়নি।
সংলাপ সূত্র জানায়, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে সংক্ষিপ্ত কিন্তু আবেগঘন বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, আমার মেয়ে জিজ্ঞাসা করে আমি রোজ কোথায় যাই। মেয়েকে বলি, আদালতে হাজিরা দিতে যাই। আমার ছেলেটা মারা গেছে দুই বছর আগে, সেও আসামি আজ। এটা কেবল আমার বেলায় নয়, আমাদের দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীর আজ এই অবস্থা। এ সময় তিনি ওয়ান ইলেভেনের সময় শেখ সেলিমের সঙ্গে একত্রে কারাভোগের বিষয়গুলো স্মরণ করিয়ে দেন। এছাড়া বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার তার বক্তব্যে সারা দেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা, গ্রেপ্তার, হয়রানি ও খালেদা জিয়ার মামলা এবং জামিনের বিষয়ে কথা বলেন।
সংলাপ সূত্র জানায়, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বক্তব্য দেয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো মৃত্যুবরণ করার পর সমবেদনা জানাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেদিন তাকে সাক্ষাৎ দেননি খালেদা জিয়া, এমনকি গেটটিও বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। এই সময় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সেখানে থাকলেও কোনো উদ্যোগ নেননি।
প্রধানমন্ত্রীকে জেএসডি সভাপতি আ স ম রব বলেছেন, আমরা এখানে আলাদা নয় একটি পক্ষ। দাবিগুলো আমাদের সবার। জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা সুলতান মুহাম্মদ মনসুর আহমেদ তার বক্তব্যে ৯০-এর দশকের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যের কথা মনে করিয়ে দেন। তিনি বলেন, আমাদের সে ঐক্য থেকে কেন বর্তমান এই বিচ্যুতি?
সংলাপ সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর দুই সদস্য আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ স্বাগতপূর্ণ রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছেন। তারা দুজনই সংবিধানকে প্রাধান্য দেয়ার কথা বলেছেন। তবে প্রেসিডিয়ামের অন্য এক সদস্য কিছুটা উত্তেজক বক্তব্য দিয়েছেন। জাতীয় সংসদ ভেঙে দেয়ার কথা বলামাত্র আওয়ামী লীগের শেখ ফজলুল করিম সেলিম পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, সংসদ ভেঙে দিলে পিএম থাকবে না, তাহলে দেশ চালাবেন কে? তোফায়েল আহমেদ বলেন, প্রতিবারই নির্বাচনের জন্য আলোচনার দরকার হবে কেন, এটা নিয়ে স্থায়ী সমাধানের দিকে যাওয়া দরকার। অন্যদিকে হাসানুল হক ইনু বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় সারা দেশে খুনখারাবি নিয়ে কথা বলেছেন। উচ্চ স্বরে বক্তব্য দিয়েছেন মইন উদ্দীন খান বাদল। রাশেদ খান মেনন বলেছেন, বাইরে বিএনপি ও ফ্রন্টের নেতারা বর্তমান সরকারকে বিনা ভোটের সরকার বলে প্রচার করে। মইন উদ্দীন খান বাদল বলেন, আপনারা আরো সংলাপ চাইছেন। কিন্তু আলোচনা যদি চলতেই থাকে তাহলে আপনারা বলবেন গ্লাসে পানি আছে। আমরা বলব গ্লাসে পানি নেই। এই রকম চলতে থাকবে। এগুলো হলে কোনো সমঝোতায় আসা যাবে না। জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, আগামী নির্বাচনের তফসিল পিছিয়ে দেয়ার দাবি মানে নির্বাচন যাতে সময় মতো অনুষ্ঠিত না হয় তার যড়যন্ত্র। আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনকে যেভাবে বানচাল করার চেষ্টা হয়েছিল, এবারও সেই দিকে যেতে চাচ্ছে। তবে দীর্ঘ বক্তব্য শেষে সকলের উদ্দেশ্যে বলেন- ‘আমি খুব উচ্চ স্বরে বক্তব্য রেখেছি। তার জন্য দুঃখিত।’
সংলাপ সূত্র জানায়, সবার বক্তব্য শেষে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে নির্বাচনকালে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী নিয়োগের বিরোধিতা করে যুক্তিসহ তার বক্তব্য দেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা জানান, খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিষ্কার করেই বলেছেন- ‘এটা তো আইনি বিষয়। আমার হাতে নেই।’ ঐক্যফ্রন্টের এক নেতা জানান, সংলাপের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী সূচনা বক্তব্য দেন। এসময় প্রায় ১০ মিনিট ভেতরে গণমাধ্যমের ক্যামেরা ছিল। পরে রুদ্ধদ্বার সংলাপ হয়। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশে আসার পর থেকে এ পর্যন্ত তার পরিবারের ওপর নির্যাতন, তাকে বারবার হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বক্তব্য দেন। ড. কামাল তার বক্তব্যে বলেন- যেটা হয়েছে সেটা তো চলে গেছে। এখন বর্তমান প্রেক্ষাপটের সমাধান কী সে বিষয়ে কথা হোক। সংলাপ সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর দিক থেকে সংলাপের সমাপ্তি টানার তাগিদ ছিল না। তবে রাত যখন সাড়ে দশটা বাজে তখন ড. কামাল হোসেন প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশে করে বলেন, আপনাকে আর আটকে রাখা ঠিক হবে না। আপনার কাছে সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ঐক্যফ্রন্টের এক নেতা বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে যে কয়জন বক্তব্য দিয়েছেন তার মধ্যে খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয় তুলে ধরেছেন কয়েকজন। খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারটা ৭ দফার ভেতরেই রয়েছে। এটি ড. কামাল হোসেনও উপস্থাপন করেছেন। এর বাইরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস তাদের বক্তব্যে খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে কথা বলেছেন। তাদের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- এটা আদালতের বিষয়। এখানে আমাদের করার কিছু নেই।
সংলাপের ভেতর ডিনার করার বিষয়ে ওই নেতা বলেন, আমরা তাদের আগেই বলে দিয়েছি- আলোচনার সময় ২ ঘণ্টা। এর মধ্যে খাওয়ার টেবিলে গেলে সময় আরো সংক্ষিপ্ত হয়ে আসবে। আলোচনা যদি সফল হয় তাহলে পরে কোনো একদিন একবারে ডিনার করা যাবে। তবে আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে কিছু খাবার এনে দিচ্ছিল। এটা এমন একটা পরিস্থিতি ছিল তখন না খেলে অসৌজন্যতা হয়ে যায়। এই ছবি ভেতর থেকে কেউ তুলে বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছে। এটা অত্যন্ত নোংরা মানসিকতার পরিচয়। কোনো শিষ্টাচারের মধ্যেই পড়ে না এটি। ভিআইপি লেভেলের এত বড় বৈঠক। এর চেয়ে বড় বৈঠক বাংলাদেশে আর হয়নি। আর সেই বৈঠকের ভেতরে আলোচনার মধ্যে কে কী খেলো সেটার ছবি অনুমতি ছাড়া বাইরে পাচার করে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে। এটা নোংরা মানসিকতার পরিচয়। কারণ প্রথম ১০ মিনিট ভেতরে ক্যামেরা ছিল। পরে আর কোনো ক্যামেরা ছিল না। আমরা যখন খাচ্ছি তখন কেউ ছবি তুললে সেটা অবশ্যই সাংবাদিকরা তোলেননি। ভেতরের কেউ তুলেছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সূচনা বক্তব্যের পর ক্যামেরা বের হয়ে যায়। তখন থেকে রুদ্ধদ্বার বৈঠক শুরু হয়। কিন্তু কিছু ছবি দেখা যাচ্ছে যেটা ওই বৈঠকের সময় তোলা। আবার কিছু ছবি আমাদের সামনে আনার আগে বাইরে থেকে খাবারের প্রস্তুত রুম থেকে তোলা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংলাপের বার্তা by সাজেদুল হক

এই সংলাপ নিয়ে এখন চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে।
অনেক পর্যবেক্ষকই এটাকে অগ্রগতি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তারা বলছেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাদের মুখ দেখাদেখি বন্ধ ছিল। তারা একে-অন্যের নিন্দায় মুখর ছিলেন। কিন্তু এখন তারা একই টেবিলে বসে আলোচনা করেছেন। এটা এক ধরনের অগ্রগতি। বরফ গলার লক্ষণ। যদিও বেশির ভাগ বিশ্লেষকই এই সংলাপে তেমন কোনো অগ্রগতি দেখছেন না। গণতান্ত্রিক জমানায় আওয়ামী লীগ-বিএনপি, দুই শিবিরে বিভক্ত রাজনীতিতে একটি কথা প্রায়ই শোনা যায়, ‘আমরা নড়িব না’। এই সংলাপের পরও রাজনীতি আসলে সেখানেই রয়ে গেছে। সংলাপে মোটাদাগে সভা-সমাবেশের অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। তবে সেটাও আদৌ কতদূর হবে তা নিয়ে বিএনপিতে অনেকেই সন্দিহান। কারণ প্রতিটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির পরপরই গ্রেপ্তারের শিকার হচ্ছেন দলটির নেতাকর্মীরা। বুধ ও বৃহস্পতিবার দুইদিনে সারা দেশে বিএনপি-জামায়াতের অন্তত ১৮৪ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কুমিল্লায় শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিও গ্রেপ্তার হয়েছেন নাশকতার মামলায়।
সংলাপে প্রধান প্রধান ইস্যুগুলো নিয়ে কোনো অগ্রগতিও হয়নি। এসব ইস্যুতে ভবিষ্যতে আলোচনা হবে এমনটাও বলা হয়নি। যদিও আলোচনার দরজা বন্ধ করা হয়নি। তবে সেই আলোচনার জন্য যে আবেদন করতে হবে তা স্পষ্ট। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংলাপের শুরুর দিকেই ঐক্যফ্রন্টের এক নেতা জানতে চান, এ আলোচনা অব্যাহত থাকবে কি-না? একই সঙ্গে সংলাপে অমীমাংসিত বিষয়গুলো সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত তফসিল ঘোষণা না করার আহ্বান জানানো হয় ফ্রন্টের পক্ষ থেকে। কিন্তু সে প্রস্তাব নাকচ করা হয়। মোটাদাগে বিরোধীদের প্রতি সরকারি দলের বার্তা ছিল ক্লিয়ার অ্যান্ড লাউড ১. নির্বাচনকালীন সময়ে এখন যে সরকার আছে তাই বহাল থাকবে। গত নির্বাচনের সময় বিরোধী দলকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু মন্ত্রণালয় অফার করা হয়েছিল এবার তাও করা হয়নি ২. সংসদ ভেঙে দেয়া হবে না ৩. খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে সরকার কোনো পদক্ষেপ নেবে না। ৪. নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন হবে না। তবে সরকারি দলের নেতারা আগে যে বলে আসছিলেন, সাত দফার এক দফাও মানা হবে না সেখান থেকে তাদের অবস্থানে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। এখন সাত দফার মধ্যে কয়েকটি দফার অংশ বিশেষ মানার ব্যাপারে আশ্বস্ত করা হয়েছে।
সংলাপ শুরুর আগেই অবশ্য বেশ কিছু বার্তা পাওয়া যাচ্ছিলো। দুইদিনে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ১৭ বছরের সাজার রায়, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্ব সংক্রান্ত আদেশে বিএনপি’র মধ্যে সংলাপের সফলতা নিয়ে শুরুতেই সংশয় তৈরি হয়। যদিও সরকার যে এতো দ্রুত সংলাপ প্রস্তাবে সাড়া দিবে তা ঐক্যফ্রন্টের অনেক নেতাই ভাবেননি। সংলাপের পর ফ্রন্টের নেতাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজেও কিছুটা পার্থক্য ধরা পড়ে। প্রশ্ন অবশ্য সেটা নয়। এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে সংলাপের পর রাজনীতি কোনদিকে যাচ্ছে। চলতি সপ্তাহেই তফসিল ঘোষণা হয়ে যাবে। সংসদ বহাল রেখে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকে না আন্তর্জাতিক মহলের অনেকেও তাই মনে করেন। বিশাল মন্ত্রিসভাও পুরোদমেই বহাল থাকবে। এখন এই মন্ত্রী এবং এমপিদের বিরুদ্ধে অন্যপ্রার্থীরা নির্বাচনে কতটা লড়াই করতে পারবেন বাংলাদেশের বাস্তবতায় সে প্রশ্ন থেকেই যাবে। এই অবস্থায় সরকারি দল যে, বড় কোনো ছাড় দেবে না তা খোলাসা হয়ে গেছে। বিরোধী জোট এখন কী করবে? ৬ই নভেম্বর ঢাকায় জনসভা আহ্বান করেছে ঐক্যফ্রন্ট। এ জনসভা থেকে নতুন কোনো দিক নির্দেশনা আসে কি-না সেদিকে খেয়াল রাখছেন বিএনপি’র তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
বাংলাদেশের রাজনীতি অনিশ্চয়তা ভালোবাসে। বিশেষ করে নির্বাচনের পূর্বসময়টা সবসময়ই অনিশ্চয়তায় ঘেরা। এবারও ব্যতিক্রম হচ্ছে না। যদিও পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। হরতাল-অবরোধ নেই, জ্বালাও-পোড়াও নেই। সামনের দিকে যে এমন হবে না তার অবশ্য গ্যারান্টি নেই। তবে এখনো কেউ কেউ বিশ্বাস করেন, ইতিহাসে অভাবনীয় ঘটনা ঘটবে এবার। নাটকীয় সমঝোতা হবে। তাদের দাবি এক আলোচনায় সব সমস্যার সমাধান হয় না, সামনে আরো আলোচনা হবে। সমঝোতাও হবে। শেষ পর্যন্ত কী হয়- তা দেখতে অপেক্ষায় থাকতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন স্থগিত রাখার আহ্বান হিউম্যান রাইটস ওয়াচের

বিবৃতিতে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের শরণার্থী অধিকার বিষয়ক পরিচালক বিল ফ্রেলিক বলেন, মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু রোহিঙ্গারা যে সহিংসতা ও নির্যাতনের মুখে পালিয়ে এসেছে মিয়ানমারে ফিরে গেলে আবারো একই পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে । বিল ফ্রিলিক আরো বলেন, মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবার বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু রোহিঙ্গা শরণার্থীরা আবারো একই নৃশংসতা এবং নির্যাতনের মধ্যে ফিরে যাচ্ছে না, এ ভীতি তাদের ভেতর থেকে দূর করার মতো কোনো আলোচনা হয়নি।
যদি বাংলাদেশ জাতিসংঘকে ছাড়া এ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় যায়, তাহলে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ যে আন্তর্জাতিক সুনাম অর্জন করেছে তা নষ্ট হয়ে যাবে।
গত ৩০ ও ৩১শে অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-মিয়ানমারের তৃতীয় বৈঠকে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে প্রত্যাবাসন শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। শুরুতে ৪৮৫টি পরিবারের ২২৬০ জন রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারও উদ্বিগ্ন। মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ১৫ই নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় প্রতি সপ্তাহে ১৫০ জন রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেয়া হবে।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর গত জুন মাসে রোহিঙ্গাদের সব রকম সুবিধা নিশ্চিত করে মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেবার ব্যাপারে একটি স্মারক সাক্ষর করেছে। তবে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বাংলাদেশ কিংবা মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি। এমনকি এ ঘোষণা আসার আগে রোহিঙ্গা শরণার্থী যাদের পাঠানো হচ্ছে তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়নি। জতিসংঘ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের এ পরিকল্পনাকে তাড়াহুড়ো ও অকালপক্ব বলে আখ্যায়িত করে এর বিরোধিতা করেছে। ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র এনড্রেজ মাহিসিস ভয়েস অব আমেরিকাকে বলেছেন, রাখাইন রাজ্যের বর্তমান অবস্থা শরণার্থীদের ফেরত পাঠানোর জন্য সহায়ক নয় বলে আমরা মনে করি। ইউএনএইচসিআর এই অবস্থায় রোহিঙ্গাদের রাখাইন রাজ্যে কোনো শরণার্থী ফেরত পাঠাবে না।
গত বছর ৭ লাখ ৩০ হাজারেরও অধিক রোহিঙ্গা নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। বিশ্ব সমপ্রদায় রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো এ নির্যাতনকে জাতিগত নিধন ও গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেছে। এর পূর্বেও নানা সময় বাংলাদেশে ২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা এসে আশ্রয় নেয়। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার বিষয়ে একমত হয়। এ বছরের জানুয়ারি মাস থেকে মিয়ানমার সরকার দাবি করে আসছে তারা রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে আগ্রহী। কিন্তু এখনো দেশটির পক্ষ থেকে এ জন্য কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসামে বাঙালি হত্যার প্রতিবাদ মমতার

সোস্যাল মিডিয়াতেও প্রতিবাদের ঝড় তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি টুইটারে নিজের ডিসপ্লে পিকচার (ডিপি) কালো করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসিয়াল পেজের ডিপিও কালো করে রাখা হযেছে। ট্যুইটারের ডিপি কালো করে প্রতিবাদে সামিল রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনও। দুদিন আগেই আসাম সীমান্ত লাগোয়া কোচবিহারে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসমের এনআর সি চালু করার নামে বাঙালি, বিহারিদের তাড়ানোর অভিযোগ করেছেন। এমনকি পশ্চিমবঙ্গ যে বিতাড়িতদের জন্য খোলা রয়েছে সেকথাও জানিয়েছিলেন। নাগরিক পঞ্জী নিয়ে মমতা প্রথম থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। গত কাল বাঙালি হত্যার খবর পেয়েই তিনি টুইটারে লিখেছেন, অসম থেকে ভয়ঙ্কর খবর এসেছে। এই নারকীয় হত্যার তীব্র প্রতিবাদ করছি। শ্যামলাল বিশ্বাস, অনন্ত বিশ্বাস, অবিনাশ বিশ্বাস, সুবোধ দাসকে খুন করা হয়েছে। এটা কী এনআরসি নিয়ে সাম্প্রতিক ঘটনার পরিণতি? গত বৃহস্পতিবার রাত আটটা নাগাদ আসামের তিনসুকিয়ার বাঙালি অধ্যুষিত খেরবাড়ি প্রামে ঢুকে একটি দোকানের সামনে থেকে পাঁচ জনকে ডেকে নিয়ে গিয়ে গুলি করে খুন করেছে সন্দেহভাজন উলফা জঙ্গিরা। এরা হলেন, সুবোধ বিশ্বাস, শ্যামলাল বিশ্বাস, অবিনাশ বিশ্বাস, অনন্ত বিশ্বাস ও ধনঞ্জয় নমশূদ্র। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনার কথা জানতে পেরেই খবর দেয়া হয়েছিল পুলিশে। কিন্তু পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করেনি। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি করছেন তারা।
প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে পরেশ বড়–য়ার নেতৃত্বাধীন উলফা(স্বাধীন) গোষ্ঠী হামলা চালিয়েছে। কয়েকদিন আগেই তারা হুমকি দিয়েছিল। যদিও ওই সংগঠনের তরফে বিবৃতি দিয়ে খুনের ঘটনা অস্বীকার করা হয়েছে। এদিকে, আসামে পাঁচ বাঙালিকে হত্যার ঘটনার পর ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে সেনাবাহিনী। আসাম-অরুণাচল সীমানা বরাবর ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জঙ্গি বিরোধী অভিযান। মায়ানমার সীমান্তেও কড়া নজরদারি চালাচ্ছেন আসাম রাইফেলসের জওয়ানরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৫ বাঙালিকে হত্যা উত্তাল আসাম

সেখানকার খেরবারি বিসনিবারি অঞ্চল থেকে ঘাতকরা অস্ত্রের মুখে পাঁচ ব্যক্তিকে তাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে তাদের পার্শ্ববর্তী লোহিত নদীর পাড়ে নিয়ে হত্যা করে।
নিহতরা হলেন- শ্যামল বিশ্বাস, অবিনাশ বিশ্বাস, সুবাল বিশ্বাস, অনন্ত বিশ্বাস ও ধনঞ্জয় নমসুদ্রা। এদের সবাই বাঙালি বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান আসামের পুলিশ প্রধান কুলধার সাইকিয়া। হত্যাকাণ্ডের জন্য তারা উলফার পরেশ বড়ুয়ার নেতৃতাধীন গ্রুপকে সন্দেহ করছেন। পরে সেখান অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী। সন্দেহভাজন ঘাতকদের ধরতে আসাম-অরুণাচল সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ব্যাপক তল্লাশি চালায়। একই সঙ্গে আধা-সামরিক বাহিনী আসাম রাইফেলসের সদস্যরা মিয়ানমার-ভারত সীমান্তে নজরদারি করছে। এরই মধ্যে উলফা নেতা মৃণাল হাজারিকাকে তলব করেছে পুলিশ। সম্প্রতি তিনি আসামের বাঙালি সংগঠনগুলোকে হুমকি দিয়েছিলেন।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনসুকিয়া জেলায় গতকাল সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করেছে কয়েকটি বাঙালি সংগঠন। তিনসুকিয়ার মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলো। তারা রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবান জানান। হরতালে পুরো জেলা কার্যত অচল হয়ে পড়ে। কোন দোকান খোলেনি। রাস্তাগুলোও ছিল যানবাহনশূন্য।
বৃহস্পতিবার আসামের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোওয়াল চেন্নাইতে ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আসামে ফিরে যান। পরে ঘাতকদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, এ ধরনের কাপুরোষোচিত হত্যাকাণ্ড আমরা সহ্য করবো না। আসামে বাঙালি হত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ সমাবেশ করার ঘোষণা দেন। এ ঘটনার প্রতি শোক প্রকাশ করতে তিনি নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টের প্রোফাইল ছবি কালো রঙে ঢেকে দেন। নিন্দা জানিয়েছেন কেন্দ্র সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। এক টুইটার বার্তায় তিনি বলেন, আসামে বেসামরিক হত্যার ঘটনায় তিনি খুবই শোকাহত। হত্যাকাণ্ডকে তিনি নিন্দনীয় সহিংসতার কাজ বলে আখ্যা দেন। এ ধরনের জঘন্য হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য রাজ্য সরকারের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। গৌয়াহাটি ও তিনসুকিয়াতে বিক্ষোভ দেখিয়েছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফা প্রায়ই কথিত অভিবাসীদের হামলার টার্গেট করে। গত ৩রা অক্টোবর এই সংগঠনটি গৌহাটিতে বিস্ফোরণ ঘটায় যাতে অন্তত ৪ ব্যক্তি নিহত হয়। পরে এক বিবৃতিতে হামলার দায় স্বীকার করে উলফা জানায়, বাঙালি হিন্দুরা আসামের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। এই হামলা তাদের প্রতি সতর্কবার্তা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1421)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
November
(232)
-
▼
Nov 03
(7)
- গোয়েন্দাজাল: পাসপোর্ট জালিয়াতি করে মোসাদ, ইসরাইলি ...
- মানুষকে ‘কুমির’ বানিয়ে দিচ্ছে যে নেশা, ছড়িয়ে পড়ছে ...
- সাড়ে ৩ ঘণ্টার সংলাপে যে আলোচনা হয় by কাফি কামাল ও ...
- সংলাপের বার্তা by সাজেদুল হক
- রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন স্থগিত রাখার আহ্বান হিউম্যান ...
- আসামে বাঙালি হত্যার প্রতিবাদ মমতার
- ৫ বাঙালিকে হত্যা উত্তাল আসাম
-
▼
Nov 03
(7)
-
▼
November
(232)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...