Sunday, August 16, 2015
শিশুদের পেটাল ‘চাঁদাবঞ্চিত’ যুবলীগ

ভূইয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র সরকারের ভাষ্য, স্থানীয় যুবলীগ কর্মী ফারুক, লিটন ও মনিরসহ একদল যুবক গত শুক্রবার রাতে বিদ্যালয়ে এসে ১৫ আগস্টের অনুষ্ঠান করার জন্য ১৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফজলুর রহমানকে তাঁরা লাঞ্ছিত করেন। ওই ঘটনার প্রতিবাদে আজ সকালে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের মাঠ প্রতিবাদ জানিয়ে মিছিল করছিল। এ সময় যুবলীগ কর্মীরা ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক বিজয় দত্ত বলেন, আহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে গুরুতর আহত ২০ জনকে ভর্তি রাখা হয়েছে। আহত অন্য শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হামলার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ব্যাপারে কচুয়া যুবলীগের সভাপতি নাজমুল আলম স্বপন বলেন, ‘যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে তারা যুবলীগ কর্মী নয়, তারা সন্ত্রাসী। তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে বলেছি।’
উল্লেখ্য, গত ৬ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছিলেন, জাতীয় শোক দিবসের নামে কেউ চাঁদাবাজি করলে এবং এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক আইনি ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ নিয়ে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সহযোগী সংগঠনগুলোকে নির্দেশ দেন তিনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক চাকায় চলছে দেশ by এম সাখাওয়াত হোসেন
বর্তমানে বিএনপি ছাড়া জামায়াতে ইসলামী, যারা গত বছর নির্বাচনের আগে থেকেই তাণ্ডব চালিয়েছিল বলে অভিযুক্ত, সেই দল তো এমনিতেই রাজনৈতিক আইনে প্রায় নির্বাসিত। যুদ্ধাপরাধের দায়ে কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতার ফাঁসির রায় হয়েছে এবং ধীরে ধীরে কার্যকর হচ্ছে। আর ধরপাকড় তো চলছেই। বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের নামে এত মামলা যে তার ভারে ন্যুব্জ এসব দলের সদস্যরা। অপর দিকে দেদার চলছে গ্রেপ্তার-বাণিজ্য এবং অর্থের বিনিময়ে সরকারি দলে যোগদান। অভিযোগ রয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর মাঠপর্যায়েরর শত শত কর্মী এখন আওয়ামী লীগে ঠাঁই নিয়েছেন। অপর দিকে পত্রপত্রিকায় প্রায়ই খবর প্রকাশিত হচ্ছে যে বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত বিএনপির স্থানীয় নেতারা সরকারি দলে যোগ দিয়ে আওয়ামী লীগকে কৃতার্থ করছেন।
দেশে গণতন্ত্রের যে কথা শুনি, অবশ্য এখন খুব বেশি একটা শোনা যায় না, তা ‘টেইলর মেড’ গণতন্ত্র। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিয়ে দেশের ভোটাররা, সাধারণ মানুষ, এমনকি খোদ নির্বাচন কমিশনও যে খুব একটা চিন্তা করে বলে মনে হয় না। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের কফিনে শেষ পেরেকটি ঢাকা ও চট্টগ্রামের তিনটি সিটি নির্বাচনের মাধ্যমেই ঠোকা হয়ে গেছে। আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হলো কি না হলো, তার পরোয়া নির্বাচন কমিশন করছে বলে মনে হয় না। খবর বের হয়েছে, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী করার ইউএনডিপির সমন্বয়ে অর্থায়িত এসইএমবির (স্ট্রেনদেনিং ইলেকটোরাল ম্যানেজমেন্ট বডি) বাকি অর্থ ছাড় দেওয়া বন্ধ করা হয়েছে। এর কারণ পরিষ্কার করা হয়নি। তবে এমন কিছু হবে, তার আলামত সিটি করপোরেশন নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকেই প্রতীয়মান হচ্ছিল। নির্বাচনী ব্যবস্থা একেবারেই গুঁড়িয়ে গেছে এ নির্বাচনের মাধ্যমে।
সিটি করপোরেশনে ব্যাপক অনিয়মের তদন্ত করার বিষয়টি জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন একাধিকবার উচ্চারণ করেছেন। কিন্তু স্থানীয় সরকার বা নির্বাচন কমিশন কেউই এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। সর্বশেষ নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার। ইইউ তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেনি। নির্বাচন কমিশনের আলোচিত প্রকল্পের সিংহভাগ অর্থ জোগান দেয় ব্রিটেনের ডিএফআইডি ও ইইউ। এ সবই ওই সব দেশের জনগণের ট্যাক্সের অর্থ। এ অর্থের সদ্ব্যবহার ও কার্যকারিতার জবাবদিহি করতে হয় ওই সব দেশের সংসদে। ওই সব দেশের সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে জনগণের কাছেই জবাবদিহি করে থাকে। কাজেই পার্লামেন্ট বা সংসদে কোনো ছাড় দেওয়া হয় না। পত্রপত্রিকা মারফত জানা যায় যে দাতা দেশগুলো অর্থ জোগান দেওয়া বন্ধ করেছে। কাজেই এ বিষয়ে বড় ব্যাখ্যার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে হয় না।
...২...
এ কথা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত যে গণতন্ত্রের অন্যতম চাকা বিরোধী দল, তা সংসদের বাইরে এবং ভেতরে। যদি বিরোধী দল না থাকে অথবা দুর্বল থাকে, সে ক্ষেত্রে সরকারের জবাবদিহি ও সুশাসনের অভাব ঘটে। আরও যা ঘটে তা হলো লাগামহীন ক্ষমতার প্রভাবে তৃণমূল থেকে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত বেপরোয়া হয়ে ওঠে। আইনের শাসনে ঘাটতি দেখা যায়। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার নির্বাচিত না হলে সেই সব সরকারকে বিভিন্ন সরকারি সংস্থার ওপর নির্ভর করতে হয়। গবেষকেরা আরও যা বলেন, তা হলো সরকারি দলের মধ্য ভারসাম্যের অভাব ঘটে এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও নিয়ন্ত্রণ শিথিল হতে থাকে।
এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে আমরা এমনই এক সময়ের দ্বারপ্রান্তে। সরকার এখন নানা ধরনের অভ্যন্তরীণ সমস্যায় রয়েছে। ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রণের বাইরে, তাদের বেশির ভাগ আচরণই কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শের সংগঠনের মতো নয়। এটি একধরনের নিয়ন্ত্রণহীন সংগঠনে পরিণত হয়েছে। মাত্র কয়েক দিন আগে মহাখালী ওয়ারলেস গেটের তিতুমীর কলেজের ছাত্রলীগের বেশ কিছু সদস্য রেস্তোরাঁয় ‘ফাউ’ খেতে গিয়ে যে আচরণ করল, তা কোনো নিয়ন্ত্রিত সংগঠনের আচার-আচরণের মধ্যে পড়ে না। নির্দোষ ব্যক্তিদের প্রায় ৩০টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। কোনো সভ্য দেশে এমন হতে পারে না। এর ক্ষতিপূরণ কারা দেবে? এর দায়দায়িত্ব সরকারি দল নেবে কি?
শুধু ছাত্রলীগই কেন? সরকার এখন এক সাবেক ও দুই ক্যাবিনেট মন্ত্রীকে নিয়ে বেশ বেকায়দায়ই রয়েছে। এঁদের মধ্যে ইসলাম ধর্ম অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত আবদুল লতিফ সিদ্দিকী শুধু মন্ত্রিত্বই হারাননি, তাঁর প্রাথমিক সদস্যপদও প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে সরকারি দল থেকে বলা হয়েছে। তথ্যে প্রকাশ, ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগ লতিফ সিদ্দিকীকে দল থেকে বহিষ্কারের পত্র সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠিয়েছে। সংসদের স্পিকার পত্র পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তা-ই যদি হয়ে থাকে, যদিও এখনো পরিষ্কার নয়, তাহলে সাদামাটা ব্যাখ্যা এবং অতীত দৃষ্টান্তের আলোকে কোনো আইনেই তিনি সংসদ সদস্য থাকতে পারেন না। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭০-এর সূক্ষ্ম তর্জমায় যদিও বা এ রকম পরিস্থিতিতে হয়তো কিছু ধেঁায়াশা থাকতে পারে। কিন্তু আরপিওর ধারা ১২(১)(বি) মোতাবেক তিনি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল থেকে নমিনেশন নিয়েছিলেন এবং তিনি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি, যা নমিনেশনের সময়ই করার কথা। এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন স্পিকার ও নির্বাচন কমিশন।
এ বিষয়ে এ দুই পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য আসার আগেই সরকারি দলের একজন শীর্ষ নেতা মতামত দিয়ে বললেন, লতিফ সিদ্দিকীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও তিনি স্বতন্ত্র সদস্য থাকবেন। দল থেকে বহিষ্কারের পর বিএনপির একজন সংসদ সদস্যের পদ অতীতে খারিজ হয়েছিল। এ দৃষ্টান্ত খুব বেশি দূর অতীতের নয়। মেজর (অব.) আখতারের সংসদ সদস্য পদ খারিজের দৃষ্টান্ত রয়েছে। ১৯৯৯ সালে সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হলে তৎকালীন স্পিকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠালে কমিশন তার পদ খারিজ করেছিল। আরেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াকে নিয়ে সরকার বিপাকেই পড়েছে। আইনের সাদা চোখে মায়ার শুধু মন্ত্রিত্বই নয়, সংসদ সদস্যপদও থাকে না, যা সংবিধানের ৬৬ ধারার (২)-এর (ঘ)তে সুস্পষ্টভাবেই উল্লিখিত। ইতিমধ্যে মায়ার মন্ত্রিত্বের এবং সংসদ পদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ৭ জুলাই ২০১৫ সালে জনস্বার্থে একজন আইনজীবী রিট করেছেন। বিষয়টি যে সরকারের জন্য মোটেও সুখকর নয়, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
ব্রাজিল থেকে আমদানি করা গম নিয়ে যে ধরনের তুঘলকি কারবার হচ্ছে, সে সম্পর্কে বেশি কিছু বলার প্রয়োজন নেই। এই গম খাদ্য মন্ত্রণালয় অনেক সংস্থাকে গেলাতে চেষ্টা করেও পারেনি। ধারণা করি, এগুলো এখন রিলিফ ও কাবিখার মাধ্যমে গ্রামের গরিব মানুষের পেটে যাবে। মধ্যবিত্তদের পেটে যাবে অসাধু ব্যবসায়ীদের বদৌলতে পাউরুটি অথবা তন্দুরি চিকেনের সঙ্গে নানরুটি হিসেবে। সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয় আনুমানিক প্রায় দুই লাখ মেট্রিক টন গম যেভাবে বাজারে প্রবেশ করাতে চাইছে, তা যেকোনো উন্নত দেশের সরকার পতনের জন্য যথেষ্ট ছিল। আমাদের দেশে সে ধরনের কোনো জবাবদিহি নেই। এমনকি নৈতিক দায়িত্ব নিয়েও কোনো মন্ত্রী আজ পর্যন্ত পদত্যাগ করেননি। ভবিষ্যতেও করবেন বলে মনে হয় না।
...৩...
পুলিশের বেশির ভাগ সদস্যের কর্মকাণ্ডে খোদ পুলিশ প্রশাসন বিব্রত। পুলিশের মাঠপর্যায়ের বেশির ভাগ কর্মকর্তার হাবভাব এখন কিংমেকার পর্যায়ে, অনেকাংশে খোদ পুলিশ প্রশাসনই অসহায়। এতে সরকারে ভাবমূর্তি কতখানি ক্ষতি হচ্ছে, তা ভেবে দেখতে হবে। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ হারালে তার মূল্য শুধু সরকারকেই নয়, তার চরম মাশুল দিতে হবে জনগণকেও। সমাজে হতাশা আর সংঘাতের সৃষ্টি সরকারের পক্ষে ঠেকানো সম্ভব হবে না। এর অনেক উদাহরণ ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে, যার একটি গাইবান্ধার পুলিশ বনাম আদালত এবং আলোচিত জ্যেষ্ঠ বিচারকের বদলির আদেশ প্রদান। বলা হচ্ছে, এটি কাকতালীয়। কিন্তু এ সময় তা না করলে জনমনে সন্দেহ দেখা দিত না।
...৪...
দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি দৃশ্যত শান্ত থাকলেও সরকারি দলের মধ্যেই অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে। দেশে যতটুকু গণতন্ত্র আছে, তা-ও কার্যকর নয়। আইনের শাসন ব্যাহত। সরকারি দলের অঙ্গসংগঠনগুলোর বেপরোয়া, লাগামহীন, ‘ফাউ খাওয়া’ আর চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, তা কেনোভাবেই রাজনৈতিক অঙ্গনে সুবাতাসের লক্ষণ নয়। দেশে শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকায় কী ধরনের ক্ষতি হতে যাচ্ছে, তা সরকারি দল ভালোভাবে টের পেতে শুরু করেছে বলে আমার বিশ্বাস।
দেশের বর্তমান অকার্যকর রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক পরিস্থিতির জন্য শুধু সরকারি দলই কি দায়ী? বিএনপির মতো বৃহৎ দলের অনেক বিতর্কিত কর্মকাণ্ড আর অবিবেচক সিদ্ধান্তও এ পরিস্থিতির জন্য সমানভাবে দায়ী। তারা দায়িত্ব কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।
আমরা মধ্যম আয়ের দেশ হয়েছি। হোক না নিম্ন-মধ্যম আয়ের। কিন্তু কবে আমরা একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে পরিচিত হতে পারব, সে প্রশ্ন রয়েই গেল।
এম সাখাওয়াত হোসেন: অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও কলাম লেখক৷
hhintlbd@yahoo.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসিনা-খালেদার ঈদ দর্শন এবং ওয়াঘা সীমান্ত by সোহরাব হাসান
এ সব আয়োজনে দলীয় নেতা-কর্মীদের বাইরে যাঁরা অভিন্ন অতিথি থাকেন তাঁরা হলেন বিদেশি কূটনীতিক। এখানে দায়িত্বরত কূটনীতিকেরা বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিটা মোটামুটি জেনে গেছেন। তাই তাঁরা বেশ কৌতূহলের সঙ্গে দুই আয়োজনে যোগ দেন। ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত মারসা স্টিফেনস ব্লুম বার্নিকাট ঈদের সকালে যেভাবে শাড়ি পরে দুই নেত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন, তাতে মনে হলো তিনি অল্প দিনেই বাঙালি সংস্কৃতি ও আচারের সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিয়েছেন। তবে আমাদের নেতানেত্রীরা বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে কতটা খাপ খাইয়ে নিতে পেরেছেন, সে বিষয়ে সন্দেহ আছে। কেননা বাঙালি সংস্কৃতি তো কেবল পোশাক-আশাকে সীমাবদ্ধ নয়, আচার-আচরণে সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতা বাঙালি সংস্কৃতির অপরিহার্য অনুষঙ্গ।
ঈদের কয়েক দিন আগে থেকে মন্ত্রিসভায় অদলবদল নিয়ে ক্ষমতাসীন মহলে ‘ঝড়’ লক্ষ্য করা গিয়েছিল। সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে ‘জনপ্রশাসন’ মন্ত্রণালয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আপাতত সেই ‘ঝড়’ সামাল দিয়েছেন বলে ধারণা করি। শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তাঁর পাশাপাশি সৈয়দ আশরাফের উপস্থিতি সেটাই প্রমাণ করে। মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক ‘রদবদল’( আসলে এটি রদবদল ছিল না, ছিল অদলবদল। কেননা প্রধানমন্ত্রী কাউকে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেননি। এমনকি যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অদক্ষতার অভিযোগ আছে, তাঁরাও বহাল তবিয়তে আছেন) প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘সরকারের কাজে গতি আনতেই তিনি এটি করেছেন। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী কি স্বীকার করে নিলেন না যে সরকারের কাজে এত দিন কাঙ্ক্ষিত গতি ছিল না। গতি থাকলে অদলবদলের প্রয়োজন হতো না। মন্ত্রিসভার অদলবদল নিয়ে যাঁরা সমালোচনা করেছেন, তাদেরও এক হাত নিয়েছেন তিনি। বলেছেন, মন্ত্রিসভায় রদবদল একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এ নিয়ে সমালোচনার কিছু নেই। তবে আমাদের বিশ্বাস, ঘরে-বাইরে সমালোচনার মুখেই তিনি ‘দপ্তরহীন’ সৈয়দ আশরাফকে দপ্তর দিয়েছেন। শেখ হাসিনা আরও বলেছেন, সরকার প্রধান চাইলে যেকোনো সময় মন্ত্রিসভা অদলবদল করতে পারেন। তাঁর এই যুক্তি অস্বীকার না করেও যে কথাটি বলতে চাই তা হলো, সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ। এই সরকারের প্রতি কতভাগ মানুষের সমর্থন আছে সেই প্রশ্ন তোলাও অস্বাভাবিক নয়।
ঈদের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকারের ন্যায় পদক্ষেপের কারণেই দেশের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ও আনন্দের সঙ্গে ঈদ করতে পারছে। তবে প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই জেনেছেন যে পথের বিড়ম্বনার কারণে অনেকের ঈদের আনন্দ মাটি হয়েছে। পাঁচ ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে ১৫ ঘণ্টা লেগেছে। তার পরও বলব, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবারে মানুষের ভোগান্তি কিছুটা কম ছিল। সংশ্লিষ্টরা আরেকটু সজাগ হলে জনদুর্ভোগ আরও কমানো যেত। সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ঈদের আগে মহাসড়কে ভয়াবহ যানজট দেখতে গিয়ে বলেছেন, ফিটনেসবিহীন যানবাহনের কারণে এটি হয়েছে। ফিটনেসবিহীন যানবাহন সড়কে যাতে নামতে না পারে সেটি দেখার দায়িত্ব কার? তিনি হয়তো বলবেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। কিন্তু ফিটনেস ছাড়া গাড়ি যদি রাস্তায় নামতে পারে তাহলে বিআরটিএ কী করছে? ফিটনেসবিহীন লঞ্চ নৌপথে চললে বিআইডব্লিউটিএ রাখারই বা কি দরকার?
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বলেছেন, তাঁরা এখন দল পুনগর্ঠনের কাজ করছেন। পুনর্গঠন শেষে তারা ফের ‘শান্তিপূর্ণ’ আন্দোলন করবেন। প্রশাসন, পুলিশ বিচার বিভাগ দলীয়করণের শিকার বলে দাবি করে তিনি বলেছেন, মানুষ এখন অসহায়। প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজি গুমখুনের ঘটনা ঘটছে। যাদের নিরাপত্তা দেওয়ার কথা তারা জনগণকে জিম্মি করছে।
২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচন ঠেকাতে না পেরে খালেদা জিয়া আগেও দল পুনর্গঠন করে আন্দোলনে নামার কথা বলেছিলেন। এ বছর ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বিএনপির লাগাতার অবরোধ-হরতাল করে সরকার পতনের কোনো সিদ্ধান্ত ছিল না। তাহলে ৫ জানুয়ারির পর তিনি কেন সেই সিদ্ধান্ত দেশবাসীর ওপর চাপিয়ে দিলেন? আর সেই আন্দোলন যে শান্তিপূর্ণ ছিল না তার প্রমাণ বাস-ট্রাকে আগুন ও পেট্রলবোমায় শতাধিক মানুষের করুণ মৃত্যু। তাই দলকে পুনর্গঠন করে তিনি যে ফের আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন, তা যে শান্তিপূর্ণ থাকবে তার নিশ্চয়তা কি? আগে নিয়ত ঠিক করুন।
বিএনপি চেয়ারপারসন প্রশ্ন রেখেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিভিন্ন দল থাকলে তাদের মধ্যে কথাবার্তা হবে না কেন? তাঁর এই প্রশ্নটি সম্ভবত সবার আগে নিজেকে করা উচিত। প্রধানমন্ত্রী ২০১৩ সালের অক্টোবরে বিএনপির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপের জন্য তাঁকে টেলিফোন করছিলেন। কিন্তু তিনি সেই সংলাপে রাজি হননি।
তাই খালেদা জিয়া যখন ভিন্ন দলের সঙ্গে আলোচনার কথা বলছেন, তখন আমরা ২০১৩ সালে অক্টোবরের আগে থেকে শুরু করতে পারি। সেটি হতে পারে দুই শর্তে। সরকার বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক কোনো মামলা দেবে না; কাউকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে গ্রেপ্তার করবে না। আবার বিরোধী দলও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নামে পেট্রলবোমা মেরে মানুষ হত্যা করবে না। হরতাল-অবরোধের নামে জনগণের সম্পদ ধ্বংস করবে না।
অর্থাৎ দুই পক্ষই ‘যুদ্ধের’ নীতি মেনে চলবেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সম্পর্কটি ওয়াঘা সীমান্তের মতো হবে না; যেখানে একপক্ষের ঈদের মিষ্টি অন্য পক্ষ ফিরিয়ে দেয়।
sohrabhassan55@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনপ্রতিনিধিদের বেতন কত মানুষের তা জানা উচিত by কুলদীপ নায়ার
আরেকবার পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালত আমাদের নিজেদের মুখ আয়নায় দেখতে বাধ্য করেছে। এক যুগান্তকারী রায়ে সর্বোচ্চ আদালত বলেছেন, প্রাসাদসম রাষ্ট্রপতির বাসভবন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ও বিভিন্ন গভর্নর হাউসের ‘বিপুল খরচ’ এবং সেখানকার বাসিন্দাদের অসংযমী জীবনযাপনের খরচ ও সরকারি কর্মচারীরা যে ভাতা পান, তা ‘সরকারি নীতির’ ব্যাপার, এর সঙ্গে ‘রাজনৈতিক প্রশ্ন’ জড়িত।
ভারতের সঙ্গে তুলনা করলে এই রায় কতটা বিপ্লবী? পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালত বলেছেন, ‘যে দেশ ঋণভারে জর্জরিত, যেখানে জনসংখ্যার এক বিশাল অংশ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে, যারা মৌলিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা পায় না, সেখানে এমন বিপুল খরচ শুধু নবীর সাধারণ জীবনযাপনের নীতিরই বিরোধিতা নয়, এটা জনগণের মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন।’
একই ধরনের কথা বলেছিলেন মহাত্মা গান্ধীও। স্বাধীন ভারতের বিভিন্ন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের উদ্দেশে তিনি বলেছিলেন, তাদের ট্রাস্টির মতো আচরণ করা উচিত, মনিবের মতো নয়। তিনি চাইতেন, তাদের বেতন যেন একজন সাধারণ মানুষের গড় বেতনের চেয়ে খুব বেশি না হয়। এমপি, এমএলএ ও পৌরসভার নির্বাচিত শীর্ষ ব্যক্তিরা এটা খুব একটা স্বীকার করতে চান না। পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, জনসম্পত্তি আসলে ‘সরকারি কর্মকর্তাদের হাতে ন্যস্ত ট্রাস্টের মতো’, এই সত্য এড়ানোর জো আমাদের নেই।
নির্বাচিত ব্যক্তিদের একীভূত বেতন দেওয়া উচিত, যার মধ্যে সব খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর মধ্যে থাকবে আবাসন, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোন প্রভৃতি। এতে মানুষ জানতে পারবে, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের পেছনে সরকারের রাজস্ব ব্যয় কত আমি আশা করেছিলাম, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা যে চিরটাকাল ধরেই নিজেদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবি করেন, সে ব্যাপারে আদালত কিছু বলবেন। কিন্তু এটার সঙ্গে রাজনৈতিক প্রশ্ন জড়িত, সেই বিবেচনায় তাঁরা সেটা করেননি। প্রায়োগিক কৌশলগত দিক থেকে আদালত সঠিক। কিন্তু এ বিষয়ে বিচারকদের মতামত সহায়ক হতো, কারণ এতে বিচার বিভাগ রাজনৈতিক নেতা ও তাঁদের সহযোগীদের অপরিমিতি ব্যয় নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত করতে পারত, আর সমাজে এখনো বিচার বিভাগের মর্যাদা আছে।
এমনকি তাঁদের জীবনযাপনের সঙ্গে উন্নত পশ্চিমা বিশ্বের রাজনীতিকদের জীবনযাপনের মিল নেই। তাঁদের কে বলবে, তাঁরা ইতিমধ্যে উচ্চ আয়ের কোঠাতেই আছেন? গণমাধ্যম একসময় সে কাজ করত। কিন্তু আজ গণমাধ্যমের মালিক ও করপোরেট খাতের ব্যক্তিরা খবরের শিরোনাম কী হবে শুধু তার তদারকিই করেন না, ক্ষেত্রবিশেষে নির্দেশও দেন, আর পত্রিকায় কী ছাপা হবে, সেই খবরদারি তো আছেই। তাঁদের ব্যক্তিগত অগ্রাধিকার ও সংস্কারের কারণে গণমাধ্যমের অনেক ক্ষতি হয়েছে। এটা খুবই বেদনাদায়ক বিষয়। কিন্তু এর চেয়ে ভালো কোনো পদ্ধতি এখনো বেরোয়নি, এমনকি পশ্চিমেও নয়, যেখানকার গণমাধ্যম আমাদের চেয়ে উন্নত।
প্রেস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া তৈরি করা হয়েছিল সাংবাদিকতার উচ্চ মান সৃষ্টির জন্য। কিন্তু তারা এখন সাংবাদিকদের কী করা যাবে, আর কী করা যাবে না, সেই তরিকা বাতলে দেওয়ার ক্ষেত্রে ১ নম্বর হতে গিয়ে হারিয়ে গেছে। এই কাউন্সিলের একজন সাবেক সদস্য হিসেবে আমার মনে আছে, প্রেস সেন্সরশিপের সেই যুগে কাউন্সিলের তৎকালীন চেয়ারম্যান, একজন সাবেক বিচারপতি, সরকারের অনুগ্রহ পাওয়ার আশায় তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী ভি সি শুকলাকে লিখেছিলেন, চেয়ারম্যান হিসেবে কাউন্সিলের অন্যান্য সদস্যকে সেন্সরশিপের সমালোচনা করে প্রস্তাব পাস করানো থেকে তিনি নিবৃত্ত করতে পেরেছেন।
জরুরি অবস্থার একদম চূড়ান্ত সময়েও জনতা সরকার এই মনোভাব হাইলাইট করতে এক শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছিল। কিন্তু ইন্দিরা গান্ধী ১৯৮০ সালে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর যখন সেই কাজ করলেন, তখন তাঁর দিকে আঙুল তোলার মতো একটি মানুষও গণমাধ্যম ও কাউন্সিলে ছিল না। এমনকি এখন কাউন্সিলে সম্পাদক ও কর্মরত সাংবাদিকদের নেওয়ার জন্য এটি পুনর্গঠন করা হলেও তেমন কোনো পার্থক্য আসেনি।
সম্ভবত যুক্তরাজ্যের মতো ভারতেও প্রেস কাউন্সিলের জায়গায় অন্য কোনো প্রতিনিধিত্বশীল প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করতে হবে। সেখানেও দেখা গিয়েছিল প্রেস কাউন্সিলের দম ফুরিয়ে গেছে। ১৯৮০-এর দশকে যুক্তরাজ্যে প্রেস কাউন্সিলের জায়গায় প্রেস কমপ্লেইন্টস কাউন্সিল (পিসিসি) প্রতিষ্ঠিত হয়। সেখানকার গণমাধ্যমের অভিজ্ঞতা খুব সুখকর ছিল না, কিন্তু সরকার বা গণমাধ্যমের কেউই নতুন কিছু ভাবেনি। ব্যাপারটা আসলে সেখানেই। স্বীকার করছি, ভারতে আবার নতুন করে সেন্সর আরোপ হবে না। তারপরও প্রেস কাউন্সিলকে আরও উদ্দেশ্যমুখী করতে সেটাকে নতুন করে গড়তে হবে। তা না হলে সেটা হবে স্রেফ কাগুজে কার্যালয়।
আমি সাবেক স্পিকার সোমনাথ চ্যাটার্জির পরামর্শের সঙ্গে একমত, সাংসদদের বেতন-ভাতা নির্ধারণে একটি স্বাধীন পে-কমিশন গঠন করা উচিত। সন্দেহ নেই, জীবনযাপনের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের আরও বেশি বেতন দেওয়া উচিত। কিন্তু কতটা বাড়ানো হবে, সেটা নির্ধারণের জন্য যথোচিত সমীক্ষা করা উচিত। চ্যাটার্জির কথা প্রশংসার দাবিদার। সাংসদেরা নিজেদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিজেরা নিতে পারেন না।
একইভাবে বিভিন্ন রাজ্যের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বেতন-ভাতার মধ্যে সামঞ্জস্য থাকতে হবে। বর্তমানে কেরালার সাংসদদের, যাঁরা মন্ত্রী নন, বেতন হচ্ছে ২১ হাজার ৩০০ রুপি, আর দিল্লির সাংসদ পান ৫০ হাজার রুপি, পাঞ্জাবের সাংসদ পান ৫৪ হাজার ৫০০ রুপি। কেরালার এমএলএর বেতন-ভাতা ভেঙে দেখালে তা এ রকম দাঁড়ায়: বেতন ৩ হাজার রুপি, নির্বাচনী এলাকার ভাতা ৪ হাজার রুপি, টেলিফোন বিল ৬ হাজার রুপি, জ্বালানি, রেলের কুপন ও স্থায়ী যোগাযোগ ভাতা ৭ হাজার ৫০০ রুপি।
নির্বাচিত ব্যক্তিদের একীভূত বেতন দেওয়া উচিত, যার মধ্যে সব খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর মধ্যে থাকবে আবাসন, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোন প্রভৃতি। এতে মানুষ জানতে পারবে, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের পেছনে সরকারের রাজস্ব ব্যয় কত। বেতন নানা খাতে দেওয়া হলে মানুষ বিভ্রান্ত হয়। আবার প্রদেশ ও কেন্দ্রের জন্য একই মানদণ্ড থাকা ভালো। আর তখনই জাতি জানতে পারবে, মহাত্মা গান্ধী যে জনপ্রতিনিধিদের ট্রাস্টি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন, সেটা কতটা অনুসৃত হচ্ছে।
ইংরেজি থেকে অনুবাদ: প্রতীক বর্ধন
কুলদীপ নায়ার: ভারতের সাংবাদিক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাইজ জিরো ও প্রাচ্যের নারী by উম্মে মুসলিমা
![]() |
| পুরুষের উদ্যোগেই সুন্দরী প্রতিযোগিতা |
ব্রিটিশ রাজবধূ ডায়ানা শুকনা থাকার জন্য প্রায়ই না খেয়ে থাকতেন। খেলেও খাওয়ার পর গলায় আঙুল দিয়ে বমি করে দিতেন, যাতে খাবারটা গায়ে না লাগে। তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মাথা ঘুরে পড়েও গিয়েছিলেন কয়েকবার।
অসুস্থ হয়ে পড়া বা শরীর খারাপ হয়ে যাওয়াতে কোনো ক্ষতি নেই, ক্ষতি যদি কেউ বলে বসে—একটু মোটা দেখাচ্ছে। তার চেয়ে মরে যাওয়া উত্তম। কেন? কারণ, যত বেশি শুকনা তত বেশি সুন্দরী। এই ধারণা থেকেই সাইজ জিরো। মুম্বাইয়ের চলচ্চিত্র অভিনেত্রী কারিনা কাপুর কিছুদিন পর পর সাইজ জিরো হয়ে পর্দায় উদিত হন। তখন শুধু বলিউডই নয়, টালিউড-ঢালিউড থেকে শুরু করে এতদঞ্চলের অতিসাধারণ কিশোরীটি পর্যন্ত সাইজ জিরোতে থাকার প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে।
আমরা একদিকে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখার জন্য কত নীতিনির্ধারণ, কত প্রচারণা, কত প্রকল্প হাতে নিচ্ছি। অপর দিকে নারীর শরীরকে গড়ে তুলতে চাইছি পাশ্চাত্যের চিন্তাধারায়। ভারত উপমহাদেশের নারীরা স্বাস্থ্যবতী। তাই বলে তাঁদের মেদবহুল বলা যাবে না। সরু কোমর, গুরু জঘন, সমৃদ্ধ স্তন কিন্তু স্বাস্থ্যবতী। অজন্তা ইলোরা বা কোনারকের মন্দিরের গায়ে যেসব নারীমূর্তি প্রতিভাত হয়, তাদের কারও শরীরই পৃথিবীর বিখ্যাত ক্ষীণতনু মডেল কেটি মস ও জোডি কিডের মতো হাড্ডিচর্মসার নয়। লা নুই বেঙ্গলির লেখক মির্চা এলিয়াদ তাঁর নায়িকার শারীরিক সৌন্দর্যে এক চিরকালীন ভারতীয় নারীকে আবিষ্কার করেছিলেন। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশই পর্যটনশিল্পকে তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলছে। এখানে আত্মপরিচয়ই মুখ্য। একজন ইউরোপিয়ান-আমেরিকান আমাদের উপমহাদেশে নিশ্চয় আরও একটি আইফেল টাওয়ার বা স্ট্যাচু অব লিবার্টি দেখতে আসবেন না বা আসবেন না আর একটা নায়াগ্রা জলপ্রপাত খঁুজতে।
একেক দেশ জলবায়ু, মানুষের প্রকৃতি, বর্ণ, সংস্কৃতি, কৃষ্টিতে একেক রকম বৈচিত্র্য ধরে রাখে বলেই পৃথিবীটা বৈচিত্র্যময়। ভারত এখনো বিশ্বের মানুষের কাছে পর্যটনে এক নম্বরে। কারণ, এই একটি দেশের মানুষ খঁুজে পায় নানা বর্ণ, ধর্ম, ভাষা, উপাসনা, আচরণ, চরিত্র, জলবায়ু ও ঔপনিবেশিক স্থাপনা। এখনো ভারত উপমহাদেশের নারীরা ভিন্ন মাত্রার সৌন্দর্যে বিশ্বের কাছে আদরণীয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য, এ রকম একটি দেশও নারীর শারীরিক সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে গিয়ে প্রতিচ্যের কাছে হাত পাতে।
সুন্দরী প্রতিযোগিতা কোনো দেশের নারীর জন্যই সুস্থ ব্যবস্থা নয়। কিন্তু প্রচার, পয়সা ও প্রশংসা—এ তিন ‘প’-এর প্রলোভন থেকে বোকা মেয়েগুলোকে কিছুতেই আটকানো যাচ্ছে না। পুরুষের মনের মতো করে নিজেকে তৈরি না করতে পারলে নারীজন্ম ব্যর্থ—এ ধারণার বশবর্তী হয়েই বছর বছর কয়েক দফায় বিশ্বসুন্দরীদের মহাসম্মেলনের আয়োজন করা হয়। আয়োজকেরা প্রধানত পুরুষ। নারীরা তাঁদের শরীর ছেড়ে দেন আয়োজকদের হাতে। আয়োজকেরা হাতে-কলমে বুঝিয়ে দেবেন সুন্দরীদের কোথায় অসামঞ্জস্যতা, অসম্পূর্ণতা। তাঁরাই নির্ধারণ করে দেবেন কাকে কতটুকু খেতে হবে, ঘুমাতে হবে, ব্যায়াম করতে হবে। এ নির্যাতন তো কোনো অংশেই মারধর করার চেয়ে কম নয়। এদেশীয় ক্ষুদ্র প্রয়াস একটি পণ্যের সৌজন্যে আয়োজিত সুন্দরী প্রতিযোগিতায় বিজয়ী এক সুন্দরী সেদিনও টিভির সাক্ষাৎকারে বলছিলেন যে প্রতিযোগিতা চলাকালীন তাঁর দৈনন্দিন আহারের জন্য যে খাদ্যতালিকা দেওয়া হয়েছিল, তা দেখে তিনি প্রথম কদিন আড়ালে চোখের পানি ফেলেছিলেন। দুমুঠো ভাত ধরে খাওয়ার জন্য তার প্রাণ ছটফট করত। কিন্তু কোনো উপায় ছিল না। এ না হয় গুটিকয়েক সুন্দরীর জন্য প্রযোজ্য। কিন্তু এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী তাবৎ কিশোরী-তরুণীদের মধ্যে।
এখন ঘরে ঘরে কম্পিউটার, ইন্টারনেট, টিভি, কেবল লাইন। হাতে স্মার্টফোন। আকাশের মতো উন্মুক্ত আকাশ সংস্কৃতি। আজ গ্রামগঞ্জের সাধারণ কিশোরীরাও খেয়ে না-খেয়ে বিশ্বসুন্দরীদের আদলে নিজেকে গড়ে তুলতে চাইছে। ফলে পরিমিত আহারের অপর্যাপ্ততায় তারা পেপটিক আলসারে ভুগছে। লেখাপড়া বা অন্যান্য প্রশিক্ষণ নিয়ে ভালো ফলাফলের জন্য শরীরে যেটুকু শক্তি প্রয়োজন, তা পাচ্ছে না। সৃষ্টিশীল কাজ করার জন্য যে মানসিক ও শারীরিক পরিশ্রম বা অনুশীলন লাগে, অনাহারে থেকে তা অর্জন সম্ভব নয়। ওদিকে পুরুষ মডেলরা কিন্তু শক্তসমর্থ, পেশিবহুল। শুধু তন্ত্রেই দমন সম্ভব নয় জেনে পেশিও প্রস্তুত রাখা। কিন্তু নির্বোধ মেয়েগুলো সুন্দরের আদর্শ অনুকরণ করতে গিয়ে কেবলই সৌন্দর্যচর্চায় মগ্ন থেকে মেধার অনুশীলন শূন্যের কোঠায় পৌঁছে দিচ্ছে।
সমাজ ধারণা দিয়েছে, যে নারী যত কোমল, যত নরম, যত দুর্বল; সেই নারী তত বেশি গ্রহণযোগ্য পুরুষের কাছে। ললিতলবঙ্গলতিকা। শক্তসমর্থ নারীদের নাকি কোনো কমনীয়তা থাকে না। পুরুষ তো নারীকে দেখেই আকৃষ্ট হবে, পুরুষকে দেখে নয়। তাই নারীদের শরীরচর্চার জন্য ব্যায়ামের যেসব প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়, সেখানে যাতে নারীর পেশি উন্নত না হয় তার ব্যবস্থা থাকে। নারীকে হতে হবে নারীর মতো, ফুলের আঘাতে যে মূর্ছা যায়। নারীরা যাতে মার খেয়ে পাল্টা জবাব না দিতে পারে, তারই শুভ সূচনা ঘটে ওই সব প্রতিযোগিতার মাধ্যমে।
সেদিন কোনো এক বিয়ের অনুষ্ঠানে একজন নামকরা মডেলকে দেখে হতবাক হয়ে গেলাম। তাঁকে র্যাম্পে বা টিভির কোনো অনুষ্ঠানে যে রকম শারীরিক গঠনের দেখায়, বাস্তবে তিনি তার অর্ধেকেরও কম। হাতগুলো প্যাঁকাটির মতো। কোমর এতই সরু, যেন কেবল মেরুদণ্ড–সর্বস্ব। গলার নিচে সৌন্দর্যাস্থি ইথিয়োপিয়ার পুষ্টিহীন শিশুদের কথা মনে করিয়ে দিল। গলা ভাঙা। (অনেকে গাল ভাঙা দেখানোর জন্য গালের দুই দিকের দুই পাটি করে দাঁতও তুলে ফেলতে নাকি দ্বিধা করে না!) তার ওপর এমন মেকআপ, মনে হচ্ছিল মিসরের হাজার বছরের মমি। একেই আবার টিভিতে অনেক সুন্দর ও উজ্জ্বল স্বাস্থ্যে দেখায়। জিজ্ঞাসা করেছিলাম একজন মডেল প্রশিক্ষককে—এর কারণ কী? তিনি বললেন, বাস্তবে একজন মডেল যে রকম শারীরিক গঠনের, ক্যামেরায় তাঁকে তার চেয়ে বড় দেখায়। কী সর্বনাশ! কেবল ক্যামেরার কারণে মডেল মডেলিং-সিনেমা-টিভির মেয়েদের হাড়গিলে-দুর্ভিক্ষপীড়িত হয়ে জীবন কাটাতে হবে? নারীদের এ হাল দেখেই বোধ হয় ব্রিটিশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে উল্লেখ করেছে, ‘দেয়ার ইজ এ নিড ফর এ মোর রিয়ালিস্টিক বডি সেফ টু বি শোন অন টেলিভিশন অ্যান্ড ফ্যাশন ম্যাগাজিন।’ প্রযুক্তিতে বিশ্ব কোথায় না পৌঁছেছে? সাগরতলে বিন্দুসম প্রাণী, আমাজনের গহিন অরণ্যের নামহীন পতঙ্গ বা মহাবিশ্বের গ্রহ-নক্ষত্রের ভেতরের ছবি তুলে আমাদের বিস্ময়ের সীমাকে ক্রমশই প্রসারিত করে চলেছে যে ক্যামেরা, তা নারীদেহকে তার বাস্তব দেহের আকৃতিতে তুলে আনতে পারবে না, ক্যামেরার অযোগ্যতার কারণে নারীকে না খেয়ে খেয়ে অস্থিচর্মসার হয়ে আত্মতৃপ্তির হাসি হাসতে হবে, আত্মরক্ষার সামান্য শক্তিটুকুও ধরে রাখা যবে না—প্রযুক্তির বিস্ময়কর উন্নতির এই যুগে তা মেনে নেওয়া যায়? বরং স্বাস্থ্যবতীকে কীভাবে ক্ষীণকায় দেখানো যায়, সে রকম কারিগরি ব্যবস্থা থাকা উচিত। নাকি নারীকে দমিয়ে রাখার পুরুষতান্ত্রিক দুরভিসন্ধি চরিতার্থ করার মানসে ক্যামেরার এই বিশেষ দিকের প্রযৌক্তিক উন্নয়নের প্রয়োজনই বোধ করেন না মহান ক্যামেরা-বিজ্ঞানীরা?
তাই প্রশ্ন, যদি বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় আফ্রিকার কালো মেয়ে কালোই থাকে, চীন-জাপানের মেয়ের চোখ-নাক খর্ব থাকে, তাহলে শারীরিক গঠনে কেন মেয়েরা নিজ নিজ দেশের প্রকৃতি ধরে রাখবে না? কেন ভারত উপমহাদেশের মেয়েরা উজ্জ্বল স্বাস্থ্যের প্রতিনিধিত্ব করবে না? খোলা আকাশ সংস্কৃতির পরেও পাশ্চাত্যের ফ্যাশন, ধ্যান-ধারণা প্রাচ্যে পৌঁছাতে সময় লাগে। আমাদের মেয়েরা সাইজ জিরো হয়ে ওঠার জন্য যখন কসরত করছে, তখন পাশ্চাত্যে কিছু নারী সংগঠন বিশেষ করে ভিক্টোরিয়া বেকহাম, কেটি গ্রিনের মতো সুন্দরীরা এ অবস্থা থেকে নারীদের বেরিয়ে আসার জন্য আন্দোলন করছেন। অস্কার বিজয়ী লুপিতা নিয়ঙ্গো ঠিকই বলেন, ‘আমি এই ধারণাই প্রচার করব যে সৌন্দর্য কারও ঠিক করে দেওয়া ব্যাপার নয়, বরং সেটা হলো নারীকে তাঁর নিজের মতো প্রকাশ করতে দেওয়া।’
উম্মে মুসলিমা, কথাসাহিত্যিক।
muslima.umme@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১০ বছরেই চাঁদে বসবাস!
১৯৬৯ সালে মানুষ প্রথমবারের মতো চাঁদের বুকে পা রেখেছিল। মার্কিন নভোচারীরা অ্যাপোলো ১১ নভোযানে চড়ে সফলভাবে চাঁদে অবতরণ করেন। ঐতিহাসিক ওই ঘটনার ৪৬তম বার্ষিকী উপলক্ষে মার্কিন সংবাদ সংস্থা দ্য ভার্জ গত সোমবার একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে মানুষ পরবর্তী সময়ে চাঁদে কবে ও কীভাবে অবতরণ করবে, সেই পরিকল্পনার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।
নেক্সজেন স্পেস এলএলসি নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ওই গবেষণায় বলা হয়, নাসা সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হলে ২০১৭ সালের মধ্যেই চাঁদে রোবটযান পাঠিয়ে তা ফেরত আনতে পারবে। হাইড্রোজেন গ্যাসের খোঁজে নাসার এ রকম রোবটযান চাঁদের মেরু অঞ্চলে পাঠানোর লক্ষ্যে ২০১৮ সালে কাজ শুরু হতে পারে। আশা করা যায়, পরবর্তী দুই বছরে অভিযানটি শুরু হয়ে যাবে। গবেষণায় আরও বলা হয়, চাঁদে আবার মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা মাথায় রেখে বিশেষ রোবট নির্মাণের কাজ ২০২১ সালেই শুরু হতে পারে।
দ্য ভার্জেরপ্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বর্তমান বাজেটের মধ্যেই নাসা চাঁদে মানুষবাহী নভোযান পাঠানোর নতুন অভিযান শুরু করতে পারে। এ জন্য সংস্থাটিকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) রসদ সরবরাহকাজে ব্যবহৃত প্রযুক্তি অবলম্বন করতে হবে। বর্তমানে স্পেসএক্স বা অরবিটাল এটিকের মতো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে আইএসএসে রসদ পাঠানো হয়ে থাকে।
ফ্যালকন নাইন রকেটে করে আইএসএসে প্রতি কিলোগ্রাম জিনিস পাঠানোর জন্য স্পেসএক্স বর্তমানে নাসার কাছ থেকে ৪ হাজার ৭৫০ মার্কিন ডলার নিয়ে থাকে। অ্যাপোলো-যুগে স্যাটার্ন ফাইভ নভোযানে করে প্রতি কেজি জিনিস পাঠাতে খরচ পড়ত ৪৬ হাজার ডলার। আর নাসার স্পেস শাটলে করে পণ্য পরিবহনে খরচ হতো কেজিতে ৬০ হাজার ডলার। স্পেসএক্স জানায়, ফ্যালকন হেভি নামের রকেটটি ফ্যালকন নাইনের চেয়েও সাশ্রয়ী হবে। নাসা ইতিমধ্যে ফ্যালকনের পরবর্তী প্রজন্মের রকেটে করে চাঁদে অভিযানের পরিকল্পনা শুরু করেছে। তবে ওই প্রকল্পে পৃথিবীর উপগ্রহটিতে কোনো নভোযান অবতরণ করবে না।
২১ জন বিশেষজ্ঞের পর্যালোচনার ভিত্তিতে ওই গবেষণায় আরও বলা হয়, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্ত করে চাঁদে সম্ভাব্য অভিযানের সংখ্যা ১২ থেকে তিনে নামিয়ে আনতে পারে নাসা। এতে পুরো প্রকল্পের খরচও কমে যাবে। তবে এ জন্য বেশ কিছু প্রযুক্তির উন্নয়নের কাজ এখনো বাকি রয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বযুদ্ধে জাপানের ভূমিকায় আবের ‘গভীর দুঃখ’ প্রকাশ
![]() |
| সংবাদ সম্মেলনে শিনজো আবে |
আগে জাপান যা বলেছে
তোমিচি মুরায়ামা, ১৯৯৫ সাল
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষের ৫০তম বার্ষিকীতে তখনকার প্রধানমন্ত্রী তোমিচি মুরায়ামা বলেছিলেন, নিকট অতীতের একটি সময়ে ভ্রান্ত এক জাতীয় নীতি অনুসরণ করে জাপান যুদ্ধের পথে পা বাড়িয়েছিল। ...দেশটি ঔপনিবেশিক শাসন-আগ্রাসনের মাধ্যমে বিশেষ করে এশীয় দেশসহ অনেক দেশের মানুষের বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ...আমি আবারও গভীর অনুশোচনা ও আন্তরিক দুঃখপ্রকাশ করছি।
জুনিচিরো কোইজুমি, ২০০৫
কোইজুমিও ‘ঔপনিবেশিক শাসন’, ‘আগ্রাসন’, ‘গভীর অনুশোচনা’ ও ‘দুঃখপ্রকাশ’ শব্দগুলো ব্যবহার করেছিলেন। তবে ২০০১-২০০৬ সালের শাসনকালে কোইজুমি কয়েকবার বিতর্কিত ইয়াসুকুনি মন্দিরে যাওয়ার কারণে প্রতিবেশী চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে জাপানের সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ২৫ লাখ জাপানিকে শ্রদ্ধা জানাতে ইয়াসুকুনি মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়। ওই নিহত জাপানিদের অনেকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত।
ইয়োহেই কোনো, ১৯৯৩
তখনকার মুখ্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব ইয়োহেই কোনো ১৯৯৩ সালে একটি বিবৃতি দেন। জাপানি সেনারা যে চীনা ও কোরীয় নারীদের যৌনদাসী হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করেছিলেন, তাঁদের বিষয়ে সরকারি তদন্তের পর ওই বিবৃতি দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, ওই ঘটনা বহুসংখ্যক নারীর সম্মান ও মর্যাদাকে গুরুতর-ভাবে আহত করেছিল। এই অবকাশে জাপান সরকার ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ ও অনুশোচনা প্রকাশ করতে চায়। সূত্র: এএফপি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাভানায় আবার চালু মার্কিন দূতাবাস
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শোকের র্যালি শেষে লাশ হলেন সবুজ
![]() |
| কুষ্টিয়া শহরে জাতীয় শোক দিবসে জেলা আওয়ামী লীগের শোক র্যালি শেষে দুই পক্ষের সংঘর্ষের একপর্যায়ে এক যুবককে শটগান দিয়ে গুলি করতে দেখা যায়। ছবি: ভিডিও ফুটেজ থেকে নেওয়া |
![]() |
| নিহত সবুজ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত |
নিহত ব্যক্তি সবুজ হোসেন (২৪) কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ঢাকা ঝালুপাড়া গ্রামের মোবারক হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সকালে জেলা আওয়ামী লীগ শহরে শোক র্যালি বের করে। এতে সহযোগী সংগঠনের ব্যানারে নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে শহরের মজমপুর রেলগেটে গিয়ে শোক র্যালিটি শেষ হয়। এরপর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা পৃথক হয়ে যান। এ সময় জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের মিছিল ও শহর আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মোমিনুর রহমানের মিছিল মুখোমুখি হলে পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষের সময় তিনটি গুলির শব্দ শোনা যায়। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে চলা সংঘর্ষে দুই পক্ষের কমপক্ষে ১০ আহত হন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা তাপস কুমার সরকার প্রথম আলোকে বলেন, দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালের অস্ত্রোপচার কক্ষে সবুজ মারা যান। তাঁর বুকের বাম পাশে ধারালো অস্ত্রের দুটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর।
নিহত সবুজের চাচাতো ভাই বকুল হোসেনের ভাষ্য, মিছিলে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীরা হামলা চালান। এতে সবুজ গুরতর আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সবুজ দলের কোনো পদে নেই। মোমিনুর রহমানের হয়ে মিছিলে গিয়েছিলেন।
এ ব্যাপারে জানতে জেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুজন নেতার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাঁরা ফোন ধরেননি।
পুলিশ সুপার প্রলয় চিসিম বলেন, সংঘর্ষে একজন মারা গেছে। পরিস্থিতি আপাতত শান্ত রয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
![]() |
| গুলি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ধাওয়া দেন কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি আবদুল খালেক। অপরাধী কাউকে ধরতে পারেনি পুলিশ। ছবি: ভিডিও ফুটেজ থেকে নেওয়া |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেল খনন: পলিতে ভরে গেছে জমি বসতভিটা, পুকুর by সুমেল সারাফাত
![]() |
| মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলের খনন করা পলি ও পানিতে একাকার বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার হুড়কা গ্রামের বসতভিটা। বিআইডব্লিউটিএ নির্দিষ্ট জায়গায় পলি না ফেলায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। -প্রথম আলো |
হুড়কা গ্রামের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, গত বছর রামপালে কুমারখালী নদ থেকে মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেল খননকাজ শুরু করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এরপর তারা বিভিন্ন জায়গায় পলি ফেলা শুরু করে। গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে এ চ্যানেলের হুড়কা-চাড়াখালী গ্রামসংলগ্ন স্থানে খনন শুরু করে বসুন্ধরা ড্রেজিং কোম্পানি লিমিটেড। এরপর সঠিকভাবে বাঁধ না দিয়ে নদীর পাড়ে খাসজমি-সংলগ্ন এলাকায় পলি ফেলতে থাকে তারা। এভাবে হুড়কা ও চাড়াখালী গ্রামের প্রায় ২০০ একর জমি লবণ ও বালুমিশ্রিত পলিতে ভরে যায়। এতে দুই গ্রামের তিন শতাধিক পরিবারের বসতভিটা, পুকুর-ঘাট, চিংড়িঘের ভরাট হয়ে যায়।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর পাড় থেকে শুরু করে হুড়কা ও চাড়াখালী গ্রামের প্রায় পুরোটাই বালু দিয়ে ভরাট হয়ে গেছে। মানুষের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন চিংড়িঘের ও ফসলি জমিগুলো এখন ধু ধু বালুচর। লবণ ও বালুর কারণে বাড়ির সামনের সব গাছ মরতে শুরু করেছে।
চাড়াখালী গ্রামের মুদির দোকানি সুশান্ত কুমার মণ্ডল বলেন, ‘সরকারি জমিতে নির্দিষ্ট করে পলি না ফেলে খননকারীরা আমাদের দুটি গ্রাম পলি দিয়ে ভরাট করে দিয়েছে। এতে প্রত্যক্ষভাবে তিন শতাধিক এবং পরোক্ষভাবে আরও দুই শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কারও বাড়িতে পুকুর নেই। গাছপালা সব মরতে শুরু করেছে। চিংড়ি ও কাঁকড়ার ঘেরের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে। ফসলি জমিতে বালু ফেলায় তাতে ধান হবে না। আমরা সম্মিলিতভাবে জেলা প্রশাসক, ইউএনও, স্থানীয় সাংসদ, এমনকি বিআইডব্লিউটিএর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়ে কোনো প্রতিকার পাইনি।’
হুড়কা গ্রামের বিধবা জ্যোৎস্না (৬৫) জানান, তাঁর ২ বিঘা ১০ কাঠা ফসলি জমি ছিল। সেখানে চিংড়িঘের করে দুই সন্তান নিয়ে তাঁর সংসার চলছিল। কিন্তু পলি ফেলায় তার ঘের এখন বালুতে পরিপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘আমার একটা ছুয়াল প্রতিবন্ধী। আমি নিজি একজন বয়স্ক মানুষ। কী এরে তিন বেলা খাব? বালি পইড়ে ঘরের খুঁটি নড়বড়ে হইয়ে ঘরডা ভাইঙ্গে পড়িছে। রাস্তার পাশে ছোট্ট এই ঘরে কী মানুষ থাকতি পারে? সরকার কী আমাগে দিক একটু দ্যাখপে না।’
চাড়াখালী গ্রামের কৃষক মহানন্দ মণ্ডল (৬০) বলেন, ‘আমার তিন বিঘা ফসলি জমিতে চিংড়ি চাষ করে বছরে ৬০ হাজার ও ধান থেকে ২৫ হাজার টাকা পেতাম। সব শেষ।’
হুড়কা ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পার্থ প্রতীম বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা বাধা দিয়েও পলি ফেলা (ডম্পিং) ঠেকাতে পারিনি। স্থানীয় সাংসদ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের নামের তালিকা দিতে বলেছেন। মাত্র ৩২ জনের নাম পেয়েছি। সরকার ক্ষতিপূরণ দিলে জমিতে আবার পলি ফেলবে বা জমি অধিগ্রহণ করবে—এ আশঙ্কায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা ক্ষতির কথা চেপে রাখছেন।’
বিআইডব্লিউটিএর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ এইচ মো. ফরহাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলের ওই অংশে খননকাজ করেছিল বসুন্ধরা ড্রেজিং। দ্রুত কাজ করায় কিছু ক্ষতি হয়েছে। ডাম্পিং করার আগে আমরা যে সুরক্ষা দেয়াল (গাইড ওয়াল) নির্মাণ করেছিলাম, সেটিও পর্যাপ্ত ছিল না। কর্তৃপক্ষ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা স্থানীয় প্রশাসনকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করতে বলেছি। তালিকা চূড়ান্ত হলে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশুটির চুল-ভ্রু কেটে দিলেন তাঁরা!
![]() |
| নির্যাতনের শিকার ১২ বছরের শিশু সাজ্জাদ। ছবিটি আজ রাতে তোলা। ছবি: প্রথম আলো |
![]() |
| নির্যাতনের শিকার ১২ বছরের শিশু সাজ্জাদ। ছবিটি আজ রাতে তোলা। ছবি: প্রথম আলো |
শিশু সাজ্জাদ বলেছে, মেগা হোটেল অ্যান্ড ও ফাস্ট ফুড নামের একটি হোটেলে সে আগে কাজ করত। সম্প্রতি ওই হোটেলের কাজ ছেড়ে দিয়ে সে অন্য একটি হোটেলে যোগ দেয়। এতে ক্ষিপ্ত মেগা হোটেল অ্যান্ড ও ফাস্ট ফুডের মালিক আবদুল মতিন এবং রুবেল নামে হোটেলটির এক কর্মচারী তাকে মারধর করে চুল ও ভ্রু কেটে দিয়েছেন।
এ ঘটনায় পুলিশ হোটেল মালিক আবদুল মতিন এবং হোটেলের কর্মচারী রুবেলকে আটক করেছে।
আজ রাত নয়টায় আক্কেলপুর থানায় গিয়ে দেখা যায়, শিশু সাজ্জাদ ও তার দাদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলামের কাছে ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছেন। শিশুটি ওসিকে জানায়, সে আগে মেগা হোটেল অ্যান্ড ফাস্ট ফুডে প্লেট ধোয়ার কাজ করত। পরে ওই হোটেল ছেড়ে পাশের খোকনের হোটেলে কাজ নেয়। আজ রাত আটটার দিকে সে হোটেলে কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় হোটেল মালিক মতিন তাকে ধরে হোটেলের ভেতরে নিয়ে যায়। এর পর মতিন তার গলায় গামছা পেঁচিয়ে আটকে ধরে। আর হোটেলের কর্মচারী রুবেল তার ভ্রু কেটে দেয়। ভ্রু কাটা শেষে রুবেল সাজ্জাদকে পাশের সেলুনে নিয়ে গিয়ে মাথার চুলও কেটে দেয়। সাজ্জাদ এর পর বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি জানায়। ঘটনা শুনে এলাকার লোকজন এসে হোটেলে হামলার চেষ্টা করে।
মেগা হোটেল অ্যান্ড ফাস্ট ফুড দোকানের মালিক অভিযুক্ত আবদুল মতিন দাবি করেন, তিনি সাজ্জাদের ভ্রু ও চুল কাটেননি, সে নিজ ইচ্ছায়ই কেটেছে। অপর অভিযুক্ত রুবেলেরও একই দাবি। কিন্তু শিশু সাজ্জাদের দাদী লালভানু প্রথম আলোকে বলেন, শুধু এবারই নয়, এর আগেও হোটেল মালিক আব্দুল মতিন একাধিকবার সাজ্জাদকে মারধর করেছেন।
আক্কেলপুর থানার ওসি আশরাফুল ইসলাম বলেন, শিশু সাজ্জাদের ভ্রু ও চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগে হোটেল মালিক ও এক কর্মচারীকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পলাতক আসামিকে ফেরাতে জটিলতা by রোজিনা ইসলাম
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, একটি অস্ত্র মামলায় সন্ত্রাসী সাজ্জাদের ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। আট খুন মামলায় বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ হলেও হাইকোর্টে তিনি অব্যাহতি পান। তাঁর বিরুদ্ধে ১১টি মামলা বিচারাধীন এবং সাতটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলেছে, সম্প্রতি নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে পাঠানো এক বার্তায় পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রামে আট খুনের মামলার আসামি সাজ্জাদ ভারত সরকারের কাছে জোরালো দাবি করেছেন, তিনি ‘মো. আবদুল্লাহ’। তাঁর নাম ‘সাজ্জাদ হোসেন খান’ নয়। তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁর পাসপোর্টও ফেরত চেয়েছেন। ভারতের কর্তৃপক্ষ বলেছে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে ফিরিয়ে আনার জন্য যেসব তথ্য পাঠানো হয়েছে তা বিচ্ছিন্ন ও অসম্পূর্ণ।
আসামির নামের ক্ষেত্রেও রয়েছে অমিল। কোনো কোনো স্থানে ‘সাজ্জাদ খান’, আবার কোনো কোনো স্থানে ‘সাজ্জাদ হোসেন খান’ উল্লেখ করা হয়েছে। পাঠানো এফিডেভিটে মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ, অভিযোগসংশ্লিষ্ট আইনের ধারার উদ্ধৃতি, আসামি গ্রেপ্তার ও জামিনসংক্রান্ত বিস্তারিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। বার্তায় আরও বলা হয়, ২০১২ সালের নভেম্বর থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়ে যোগাযোগ করা হলেও এবং ‘অতি জরুরি’ বলা হলেও ‘আংশিক’ কাগজপত্র পাঠানো হচ্ছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বলেছে, সাজ্জাদের বিষয়ে যথাযথ ও পূর্ণাঙ্গ কাগজপত্র দিতে হবে। না হলে তিনি ছাড়াও পেয়ে যেতে পারেন। তাই যথাযথ নথি ও কাগজপত্রসহ নতুন বহিঃসমর্পণ প্রস্তাব পাঠাতে ওই বার্তায় অনুরোধ জানানো হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলেছে, নতুন বহিঃসমর্পণ প্রস্তাবের সঙ্গে মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী, অভিযোগসমূহের বিস্তারিত বিবরণসহ এফিডেভিট, অপরাধের বিবরণ, অপরাধ সংঘটনের সময় ও স্থান, অভিযোগসংশ্লিষ্ট আইনের ধারা ও মামলার রায়ের সার্টিফায়েড কপি দিতে বলা হয়েছে।
পুলিশের সূত্র বলেছে, ২০০০ সালের ১২ জুলাই চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাটে মাইক্রোবাস থামিয়ে ছাত্রলীগের ছয় নেতা-কর্মীসহ আটজনকে গুলি করে হত্যা করে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ক্যাডাররা। এ মামলায় সাজ্জাদসহ চারজনের মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। ২০০৮ সালের ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের একটি আদালত এ রায় ঘোষণার আগেই সাজ্জাদ দুবাই পালিয়ে যান। হাইকোর্টে ওই মামলায় তিনি খালাস পান।
সূত্র আরও বলেছে, ২০০১ সালের ২ এপ্রিল সাজ্জাদ একে-৪৭ রাইফেলসহ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এর বছর দেড়েক পর জামিনে কারাগার থেকে বের হন। চট্টগ্রামের কারা ফটক থেকে তাঁকে জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন একজন সাংসদ নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর তিনি গোপনে দুবাই চলে যান। অস্ত্র আইনের একটি মামলায় তাঁকে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। ২০১২ সালের ৭ নভেম্বর ভারতের পাঞ্জাবের অমৃতসরে গ্রেপ্তার হন সাজ্জাদ। তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের কাছে বার্তা পাঠানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বলেছে, সাজ্জাদকে দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে আরও জটিলতা হতে পারে। কারণ, সাজ্জাদ দেশে ফিরতে চান না। তিনি পাঞ্জাবের এক মেয়েকে বিয়ে করেছেন। তাঁদের একটি সন্তানও আছে। ভারত থেকে সাজ্জাদকে ফিরিয়ে আনার সময় সেখানকার মানবাধিকার সংস্থাগুলো সাজ্জাদের স্ত্রী-সন্তানের বিষয়ে প্রশ্ন তুলে বিষয়টি জটিল করে দিতে পারে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ বাবাকে মনে রেখেছে by প্রণব ভৌমিক
![]() |
| উদয় শঙ্কর |
![]() |
| বাবা উদয় শঙ্করকে নিয়ে কথা বলছেন মমতা শঙ্কর -প্রথম আলো |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বঙ্গবন্ধু চাঁদাবাজ-ধান্দাবাজদের প্রশ্রয় দিতেন না: ড. কামাল
![]() |
| বক্তব্য দিচ্ছেন ড. কামাল হোসেন |
ড. কামাল আরও বলেন, একদল শুধু লীগ লীগ করে। বঙ্গবন্ধুর নাম করে, তার উত্তরসূরি দাবি করে চাঁদাবাজি ও ধান্ধাবাজি করে। তাঁর প্রশ্ন—‘বঙ্গবন্ধু কি এঁদের প্রশ্রয় দিতেন? তিনি কি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জমি দখলের পর পিট চাপড়াতেন? বঙ্গবন্ধু কি গুন্ডাদের সর্দার ছিলেন?’
বঙ্গবন্ধু আদর্শের রাজনীতি করেছেন—এ কথা উল্লেখ করে ড. কামাল বলেন, তাঁর রাজনীতি ছিল মানুষের জন্য। এখন যারা লীগ লীগ করছে, তারা বঙ্গবন্ধুর উত্তরসূরি হিসেবে পরিচয় দেওয়ার অধিকার রাখে কি না, এমন প্রশ্ন তোলেন ওই সংবিধানপ্রণেতা।
চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে প্রবীণ এই রাজনীতিক বলেন, চাঁদাবাজ ও ধান্দাবাজদের ষাটের দশকে বলা হতো ‘গুন্ডা’। এঁদের জন্য গুন্ডা আইন হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘গুলি করে, পুলিশের ভয় দেখিয়ে আমাদের মুখ বন্ধ করা যাবে না। কারণ বঙ্গবন্ধু আমাদের মুখ খুলে দিয়েছেন। নিজে দুই নম্বরি না করলে, অসৎভাবে কিছু অর্জন না করলে এবং বাড়ি দখল না করলে কোনো ভয় নেই।’
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন গণফোরামের নেতা সুব্রত চৌধুরী, মফিজুল ইসলাম খান কামাল, আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ, ফরোয়ার্ড পার্টির মোস্তফা আমীন প্রমুখ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশুটির দায়িত্ব নিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ
এই হাসপাতালেই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম হয়েছিল শিশুটির। পায়ুপথ না থাকায় অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল নবজাতকের। কিন্তু সেই অস্ত্রোপচার সফল না হওয়ায় দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচারের সময় গরম সেঁক দিতে গিয়ে তার শরীরই পুড়ে ফেলেন চিকিৎসকেরা। এ নিয়ে ৮ আগস্ট প্রথম আলোয় ‘যন্ত্রণায় ছটফট করছে শিশুটি’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
ঘটনা তদন্তে রাজশাহীর সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে ডেপুটি সিভিল সার্জন ফারহানা হককে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে।
ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক আল মামুন অর রশিদ বলেন, রাজশাহীতে সম্ভব না হলে প্রয়োজনে তাঁরা শিশুটিকে ঢাকায় নিয়ে উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন। এ জন্য শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো টাকাপয়সা নেওয়া হবে না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এ ঘটনায় মেয়েদের স্কুলে উপস্থিতি কমতে পারে
এই নাতনির চোখ দিয়েই পৃথিবীকে দেখতেন কাঞ্চন বিবি। নাতনিই তাঁকে খাওয়াত, এটা-সেটা বলত। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সেই নাতনি পড়তে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বেরিয়ে আর ফেরেনি। শুক্রবার দুপুরে নীল পলিথিনে মোড়ানো সুমাইয়ার লাশ এসেছে বাড়িতে। স্বজনেরা ভেবেছিলেন, কাঞ্চন বিবিকে জানাবেন না সুমাইয়ার খুন হওয়ার খবরটি। কিন্তু তিনি যে ক্ষণে ক্ষণে নাতনিকে খোঁজেন।
আর হ্যাপিদের বাড়ির উঠোনে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বসে কান্নাকাটি করছেন স্বজনেরা। হ্যাপির মা থানায় আর বাবা বিদেশে। হ্যাপির মা অসুস্থ ছিলেন। বৃহস্পতিবার বাড়িতে রান্না হয়নি। দুপুরে পান্তা ভাত খেয়ে পড়তে যাওয়ার জন্য বের হয় হ্যাপি। বাড়িতে ফিরে রান্না করার কথা ছিল। কিন্তু বাসায় এসেছে নীল প্লাস্টিকে মুড়ে। সুমাইয়াদের বাড়ির উঠোনে ভিড় করা নারীরা বলাবলি করছিলেন, তাঁদের শিশুরা এরপর ঠিকঠাকমতো স্কুলে যেতে পারবে তো!
স্থানীয় ব্র্যাক স্কুলের শিক্ষিকা আঁখি আক্তার বলেন, এ ঘটনা তাঁদের আতঙ্কিত করেছে। আঁখির পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সুমাইয়ার সহপাঠী মিম জানায়, তারা এত দিন নির্ভয়েই স্কুলে যাওয়া-আসা করেছে। এ ঘটনা শোনার পর থেকে তার অভিভাবকেরা তাকে একা কোথাও যেতে দিচ্ছেন না।
সুমাইয়া-হ্যাপিরা যে স্কুলে পড়ত, সেই মস্তফাপুর বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বোরহান খান বলেন, তাঁর স্কুলের ১ হাজার ৭৪৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮৭৮ জন ছাত্রী। কোনো ছাত্র কোনো ছাত্রীকে বিরক্ত বা উত্ত্যক্ত করছে অভিযোগ পেলে শিক্ষকেরা দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবককে ডেকে বিষয়টা মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করেন। কিন্তু স্কুলের বাইরের কেউ উত্ত্যক্ত করলে তাঁদের কিছু করার থাকে না। তিনি শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ ঘটনায় স্কুলে ছাত্রীদের উপস্থিতির হার কমে যেতে পারে। আতঙ্কে অনেকেই মেয়েদের স্কুলে পাঠানো বন্ধ করে বিয়ে দিয়ে দিতে পারেন।
গতকাল দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে লাশগুলো গ্রামে নিয়ে আসেন স্বজনেরা। লাশ আনার পরপরই শুরু হয় বৃষ্টি। কলাপাতা দিয়ে ঢেকে রাখা হয় লাশগুলো। বৃষ্টির মধ্যেই স্বজন ও গ্রামবাসী শেষ দেখার জন্য ভিড় জমায় দুই বাড়িতে।
মাটি দিতে আসা কয়েকজন তরুণ চিৎকার করে ক্ষোভ প্রকাশ করছিলেন। তাঁরা বলছিলেন, আসামিদের বেশির ভাগই স্থানীয় প্রভাবশালী একটি পরিবারের সন্তান। ওই পরিবারটির সঙ্গে আবার সুমাইয়ার বাবার জমিজমা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। তাঁদের অনেকেই সেই পরিবারটিকে এই হত্যার জন্য দায়ী করেন।
বাদ আসর জানাজা শেষে সুমাইয়াকে বাড়ির উঠানের পাশে আর হ্যাপিকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নীলাদ্রি হত্যাকাণ্ড: তদন্ত চলছে সন্দেহকে ঘিরে, গ্রেপ্তার দুজন রিমান্ডে
এই হত্যায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা সাদ আল নাহিয়ান ও মাসুদ রানাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গতকাল আট দিন করে রিমান্ডে নিয়েছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। সাদ আল নাহিয়ান শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নুর ভাতিজা।
ডিবির সূত্র বলেছে, গতকাল এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য নাহিয়ান ও মাসুদ রানাকে মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে হাজির করে ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে মহানগর হাকিম মোল্লা সাইফুল ইসলাম তাঁদের আট দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
সূত্র আরও বলেছে, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা একটি গামছা ৮ আগস্ট ও নীলাদ্রির রক্তমাখা শার্ট, রক্তের নমুনা, একটি দাঁতের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ৯ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজে স্থাপিত ডিএনএ পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।
৭ আগস্ট দুপুরে নীলাদ্রিকে রাজধানীর গোড়ানের ভাড়া বাসায় ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী আশা মনি অজ্ঞাতপরিচয় চারজনের বিরুদ্ধে ওই দিন রাতে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেন।
নীলাদ্রি হত্যা মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা ডিবির উপকমিশনার মো. মাহবুব আলম গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে নাহিয়ান ও মাসুদ রানার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ড-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তথ্যগুলো যাচাই করা হচ্ছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, নাহিয়ান ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন হত্যাচেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তিনি ওই মামলায় গ্রেপ্তারের পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন। সম্প্রতি তিনি জামিনে মুক্ত হয়ে উত্তরা এলাকায় অবস্থান করছিলেন। মাসুদ রানা পল্লবীর কালশীতে অবস্থান করছিলেন। নীলাদ্রি হত্যাকারীদের শনাক্ত করতে তারা এই দুজন ছাড়া এ পর্যন্ত ২০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তাঁদের মধ্যে জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের কামাল হোসেন সরদার, কাউসার হোসেন ও কামাল উদ্দিনসহ কয়েকজন পুরোনো সদস্য, অন্য মামলায় গ্রেপ্তার হলেও বর্তমানে জামিনে থাকা কয়েকজন রয়েছেন। তাঁরা নীলাদ্রি হত্যায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করলেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।
ডিবির সূত্র বলছে, ব্লগার অভিজিৎ রায়, আহমেদ রাজীব হায়দার, ওয়াশিকুর রহমান ও নীলাদ্রি হত্যাকাণ্ডের ধরন কাছাকাছি। এসব হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে প্রায় অভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের পরিকল্পনায়ই ব্লগার হত্যা করা হচ্ছে বলে তথ্য মিলছে। তবে নীলাদ্রি হত্যাকারীদের বিষয়ে এখনো জোরালো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। এ মামলার তদন্ত চলছে মূলত বিভিন্ন সন্দেহকে ঘিরে। তাদের সন্দেহ, এটি উগ্র জঙ্গি সংগঠনের কাজ। এর মধ্যে সন্দেহের শীর্ষে রয়েছে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্যরা।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, নাহিয়ানের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের তাড়াইল থানার মুন্সীবাড়িতে। তাঁর বাবা নজরুল হক তাড়াইলের দাহিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। নাহিয়ানের চাচা জাতীয় পার্টির নেতা ও শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু। নাহিয়ান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী। ২০১২ সালে মিরপুর ১০ নম্বরে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য নবীর হোসেন, তাঁর ভাই কাউসার ও কামাল হোসেনের সঙ্গে নাহিয়ানের পরিচয় হয়। এরপর তিনি আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সক্রিয় সদস্য হন।
নীলাদ্রিসহ চলতি বছরে চারজন ব্লগারকে একইভাবে হত্যা করা হলো। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অভিজিৎ রায়, ৩০ মার্চ তেজগাঁওয়ের দক্ষিণ বেগুনবাড়ীতে ওয়াশিকুর রহমান ও ১২ মে সিলেট নগরের সুবিদবাজারে অনন্ত বিজয় দাশকে খুন করা হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘মুক্তচিন্তা আন্দোলন’ নামে নতুন মঞ্চ গঠনের ঘোষণা
![]() |
| নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় হত্যার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নাগরিক শোক সমাবেশে প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয় -প্রথম আলো |
এ কর্মসূচির আওতায় ‘মুক্তচিন্তা আন্দোলন’ নামে নতুন মঞ্চ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার। যেখানে দেশের সব প্রগতিশীল মানুষ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনকে একাত্ম হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ব্লগার নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় হত্যার প্রতিবাদে গতকাল শুক্রবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নাগরিক শোক সমাবেশে তিনি এ আহ্বান জানান।
‘মুক্তচিন্তা আন্দোলন’-এর সাংগঠনিক কাঠামো সম্পর্কে ইমরান এইচ সরকার বলেন, এর জন্য আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে নিহত মুক্তমনা লেখক অভিজিৎ রায়ের বাবা অধ্যাপক অজয় রায়কে প্রধান উপদেষ্টা করে ১০১ সদস্যের কমিটি করা হবে। এ সময়ের মধ্যেই ২১ সদস্যের একটি স্টিয়ারিং কমিটি এবং সারা দেশ থেকে ৭১ সদস্যের একটি কার্যকরী কমিটি গঠনের কাজ শেষে নতুন এই মঞ্চের আওতায় ২৮ আগস্ট শাহবাগে জনসমাবেশ আয়োজন করা হবে।
নীলাদ্রিসহ সাম্প্রতিক সময়ের সব হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে নাগরিক শোক সমাবেশের সভাপতি অধ্যাপক অজয় রায় বলেন, ‘এই হত্যাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে নিজেদের সংগঠিত হওয়া ছাড়া বিকল্প নেই।’
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন নিহত ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দারের বাবা নাজিমুদ্দিন, বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনীর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মেসবাহ কামাল, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হাসান ইমাম, প্রাবন্ধিক সৈয়দ আবুল মকসুদ, সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য হায়দার আকবর খান রনো প্রমুখ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদার পৈতৃক বাড়িতে আ.লীগের কাঙালি ভোজ
![]() |
| খালেদা জিয়ার পৈতৃক বাড়ির একটি কক্ষে ফেনী-২ আসনের সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারী (মাঝে সদা পাঞ্জাবি পরা) ও আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। ছবিটি গতকাল শুক্রবার বিকেলে তোলা। ছবি: প্রথম আলো |
এর আগে গতকাল শুক্রবার বিকেলে ফেনী-২ আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী দলীয় কয়েকজন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে দক্ষিণ শ্রীপুরে খালেদা জিয়ার পৈতৃক বাড়িতে যান। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নিজাম হাজারী প্রথম আলোকে বলেন, খালেদা জিয়ার চাচাতো ভাই শামীম মজুমদারসহ পরিবারের সদস্যরা তাঁকে খালেদা জিয়ার পৈতৃক বাড়িতে কাঙালি ভোজ আয়োজনের অনুরোধ করেন। তাঁদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ওই বাড়িতে কাঙালি ভোজ আয়োজন করতে রাজি হন। তবে আজ অনুষ্ঠানের সময় শামীম মজুমদারসহ খালেদা জিয়ার স্বজনদের কাউকে সেখানে দেখা যায়নি।
![]() |
| বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারী ও আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। ছবিটি গতকাল শুক্রবার বিকেলে তোলা। ছবি: প্রথম আলো |
প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক সূত্র জানায়, এ ভোজের জন্য গতকাল শুক্রবার রাতেই ৭৫ হাজার টাকা দামের একটি গরু এবং চালসহ যাবতীয় মসলা নিয়ে আসা হয়। রাতেই গরু জবাই করে রান্নার আয়োজন করা হয়। ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি খায়রুল বাশার, ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল আলিম, পরশুরাম উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন মজুমদার, ঢাকায় ফেনী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আবদুল্লাহ, ফুলগাজী সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম রায়হান এসব কাজের তদারকি করেন।
![]() |
| শোক দিবস উপলক্ষে খালেদা জিয়ার পৈতৃক বাড়ির উঠোনে আজ দুস্থ ও গরিবদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন সাংসদ শিরীন আখতার। ছবি: প্রথম আলো |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
August
(765)
-
▼
Aug 16
(20)
- শিশুদের পেটাল ‘চাঁদাবঞ্চিত’ যুবলীগ
- এক চাকায় চলছে দেশ by এম সাখাওয়াত হোসেন
- হাসিনা-খালেদার ঈদ দর্শন এবং ওয়াঘা সীমান্ত by সোহর...
- জনপ্রতিনিধিদের বেতন কত মানুষের তা জানা উচিত by কুল...
- সাইজ জিরো ও প্রাচ্যের নারী by উম্মে মুসলিমা
- ১০ বছরেই চাঁদে বসবাস!
- বিশ্বযুদ্ধে জাপানের ভূমিকায় আবের ‘গভীর দুঃখ’ প্রকাশ
- হাভানায় আবার চালু মার্কিন দূতাবাস
- শোকের র্যালি শেষে লাশ হলেন সবুজ
- মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেল খনন: পলিতে ভরে গেছে জমি বসত...
- শিশুটির চুল-ভ্রু কেটে দিলেন তাঁরা!
- পলাতক আসামিকে ফেরাতে জটিলতা by রোজিনা ইসলাম
- বাংলাদেশ বাবাকে মনে রেখেছে by প্রণব ভৌমিক
- বঙ্গবন্ধু চাঁদাবাজ-ধান্দাবাজদের প্রশ্রয় দিতেন না:...
- শিশুটির দায়িত্ব নিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ
- এ ঘটনায় মেয়েদের স্কুলে উপস্থিতি কমতে পারে
- নীলাদ্রি হত্যাকাণ্ড: তদন্ত চলছে সন্দেহকে ঘিরে, গ্র...
- ‘মুক্তচিন্তা আন্দোলন’ নামে নতুন মঞ্চ গঠনের ঘোষণা
- খালেদার পৈতৃক বাড়িতে আ.লীগের কাঙালি ভোজ
- জন্মদিনের কেক কাটলেন খালেদা
-
▼
Aug 16
(20)
-
▼
August
(765)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




















